(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: -)
فوائد أبي بكر الزبيري   (أبو بكر الزبيري العكري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فوائد أبي بكر الزبيري

المؤلف: أبو بكر محمد بن بشر بن عبد الله الزبيري العَسْكَري المعروف بالعكبري المصري (ت 332هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 119

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু বকর আল-জুবাইরির ফাওয়াইদ   (আবু বকর আল-জুবাইরি আল-আকরি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু বকর আল-জুবাইরির ফাওয়াইদ

লেখক: আবু বকর মুহাম্মাদ বিন বিশর বিন আব্দুল্লাহ আল-জুবাইরি আল-আসকারি, যিনি আল-আকবরি আল-মিসরি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৩৩২ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক (ইসলামিক নেটওয়ার্ক) ওয়েবসাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৯

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١)
الْجُزْءُ مِنْ فَوَائِدِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ الزُّبَيْرِيِّ العِكْرِيِّ.

رِوَايَةُ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبِي الْحَدِيدِ عَنْهُ.

مِمَّا أَخْبَرَنَا عَنْهُ بِذَلِكَ الشَّيْخُ الْخَطِيبُ أَبُو نَصْرٍ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ طِلابٍ رضي الله عنه.

بسم الله الرحمن الرحيم
আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে বিশর আল-জুবাইরি আল-ইকরি-এর ফাওয়াইদ (উপকারিতা ও শিক্ষণীয় বিষয়াবলি) থেকে গৃহীত অংশ।

তাঁর সূত্রে আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আবিল হাদিদ-এর বর্ণনা।

শায়খ আল-খাতিব আবু নাসর আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে তিলাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এ সম্পর্কে আমাদের যা সংবাদ দিয়েছেন।

পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْخَطِيبُ أَبُو نَصْرٍ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ طِلابٍ، رضي الله عنه، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبِي الْحَدِيدِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الزُّبَيْرِيُّ العِكْرِيُّ، بِمِصْرَ، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ الْحَكَمِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ نا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ هِلالِ بْنِ يَسَافٍ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: "‌‌ أَفْضَلُ الْكَلامِ أَرْبَعٌ لا يَضُرُّكَ بِأَيِّهِنَّ بَدَأْتَ: سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ "
১ - শায়খ আল-খাতিব আবু নাসর আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ বিন তিলাব (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেছেন: শায়খ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন উমর বিন আবুল হাদিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেছেন: মিশরে আবু বকর মুহাম্মাদ বিন বিশর আল-জুবাইরি আল-ইকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন আল-হাকাম বিন আবি মারিয়াম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি হিলাল বিন ইয়াসাফ থেকে, তিনি সামুরা বিন জুনদুব থেকে, আর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "‌‌সর্বোত্তম বাক্য চারটি, এর যে কোনটি দিয়েই তুমি শুরু করো না কেন তাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই: সুবহানাল্লাহ (আল্লাহ অতি পবিত্র), আলহামদুলিল্লাহ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর), লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই) এবং আল্লাহু আকবার (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ)।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٣)
2 - أنا مُحَمَّدٌ، نا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: نا الْفِرْيَابِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عِمْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَتْ قُرَيْشٌ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: ادْعُ لَنَا رَبَّكَ أَنْ يُصْبِحَ الصَّفَا لَنَا ذَهَبًا، فَإِنْ أَصْبَحَ ذَهَبًا اتَّبَعْنَاكَ، فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ فَقَالَ: إِنَّ رَبَّكَ يَقْرَأُ عَلَيْكَ السَّلامَ، وَيَقُولُ: ‌‌«إِنْ شِئْتَ أَصْبَحَ الصَّفَا لَهُمْ ذَهَبًا، فَمَنْ كَفَرَ مِنْهُمْ بَعْدَ ذَلِكَ عَذَّبْتُهُ عَذَابًا لا أُعَذِّبُهُ أَحَدًا مِنَ الْعَالَمِينَ، وَإِنْ شِئْتَ فَتَحْتُ لَهُمْ بَابَ التَّوْبَةِ وَالرَّحْمَةِ» قَالَ: يَا رَبِّ التَّوْبَةَ وَالرَّحْمَةَ "
২ - আমি মুহাম্মদ, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-ফিরইয়াবি বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি সালামাহ বিন কুহাইল থেকে, তিনি ইমরান থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: কুরাইশরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল: "আপনি আমাদের জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট দুআ করুন যেন তিনি সাফা পাহাড়কে আমাদের জন্য স্বর্ণে পরিণত করে দেন। যদি তা স্বর্ণ হয়ে যায় তবে আমরা আপনার অনুসরণ করব।" তখন জিবরাঈল তাঁর নিকট এসে বললেন: "আপনার প্রতিপালক আপনাকে সালাম জানাচ্ছেন এবং বলছেন: ‘আপনি চাইলে সাফা পাহাড় তাদের জন্য স্বর্ণ হয়ে যাবে, কিন্তু এরপর তাদের মধ্য থেকে যে কুফরি করবে আমি তাকে এমন শাস্তি প্রদান করব যা বিশ্বজগতের আর কাউকেও প্রদান করব না। আর আপনি চাইলে আমি তাদের জন্য তাওবা ও রহমতের দরজা উন্মুক্ত রাখব’।" তিনি বললেন: "হে আমার প্রতিপালক! তাওবা ও রহমতই (দান করুন)।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٤)
3 - أنا مُحَمَّدٌ، أنا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: نا الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: نا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَصْبَحَ قَالَ: ‌‌«أَصْبَحْنَا عَلَى فِطْرَةِ الإِسْلامِ، وَكَلِمَةِ الإِخْلاصِ، وَدِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، وَمِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا مُسْلِمًا، وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ»
৩ - আমি মুহাম্মদ, আমি আবদুল্লাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফিরইয়াবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, সালামাহ ইবন কুহাইল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবযা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সকালে উপনীত হতেন তখন বলতেন: «আমরা সকালে উপনীত হয়েছি ইসলামের স্বভাবজাত ধর্মের ওপর, ইখলাসের কালিমার ওপর, আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দ্বীনের ওপর এবং আমাদের পিতা ইব্রাহীমের মিল্লাতের ওপর, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম এবং তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - أنا مُحَمَّدٌ، أنا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: نا الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: نا سُفْيَانُ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبِيبٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ حَدَّثَ بِحَدِيثٍ، وَهُوَ يَرَى أَنَّهُ كَذِبٌ، فَهُوَ أَحَدُ الْكَاذِبِينَ»
৪ - আমি মুহাম্মাদ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-ফিরইয়াবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফইয়ান বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি মাইমুন ইবনে আবি শাবিব থেকে, তিনি মুগিরাহ ইবনে শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করে যা সে মিথ্যা বলে মনে করে, তবে সে মিথ্যাবাদীদের একজন»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٦)
5 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ الْخَوْلانِيُّ، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ: رَأَيْتُ رَجُلا يَوْمَ الْخَنْدَقِ عَلَى صُورَةِ دِحْيَةَ الْكَلْبِيِّ عَلَى دَابَّةٍ يُنَاجِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَعَلَيْهِ عِمَامَةٌ سَوْدَاءُ قَدْ أَسْدَلَهَا خَلْفَهُ، فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«فَإِنَّ ذَلِكَ جِبْرِيلُ عليه السلام أَمَرَنِي أَنْ أَخْرُجَ إِلَى بَنِي قُرَيْظَةَ»
৫ - আমি মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: বাহর ইবন নাসর আল-খাওলানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন ওয়াহব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন উমর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি খন্দকের যুদ্ধের দিন দাহইয়া আল-কালবীর আকৃতিতে একজন ব্যক্তিকে একটি পশুর পিঠে আরোহী অবস্থায় আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে গোপনে কথা বলতে দেখেছিলাম। তাঁর মাথায় একটি কালো পাগড়ি ছিল যার একাংশ তিনি তাঁর পেছনের দিকে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। অতঃপর আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই তিনি ছিলেন জিবরীল (আলাইহিস সালাম); তিনি আমাকে বনু কুরাইজার দিকে বের হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।”
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٧)
6 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ دَرَّاجٍ أَبِي السَّمْحِ، عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«غُفِرَ لِرَجُلٍ أَخَذَ غُصْنَ شَوْكٍ مِنْ طَرِيقِ النَّاسِ ذَنْبُهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْهُ وَمَا تَأَخَّرَ»
৬ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমর ইবনুল হারিস, দাররাজ আবুস সামহ থেকে, তিনি ইবনে হুজায়রা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «জনৈক ব্যক্তির পূর্বের ও পরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে, যিনি মানুষের চলাচলের পথ থেকে একটি কাঁটাযুক্ত ডাল সরিয়েছিলেন।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٨)
7 - أنا مُحَمَّدٌ، نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: نا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، حَدَّثَهُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سَفِينَةَ، مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«لا تَصْحَبُ الْمَلائِكَةُ رُفْقَةً فِيهَا جَرَسٌ وَلا كَلْبٌ» .

قَالَ عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ: وَحَدَّثَنِي بُكَيْرٌ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِي الْجَرَّاحِ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ
৭ - আমি মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাহর ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হারিস, ইবনে শিহাব তাকে হাদীস শুনিয়েছেন সালেম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি উম্মে সালামার মুক্ত দাস সাফিনাহ থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «ফেরেশতাগণ এমন কোনো দলের সঙ্গী হন না যার মধ্যে ঘণ্টা অথবা কুকুর থাকে»।

আমর ইবনুল হারিস বলেন: এবং আমার নিকট বুকায়র বর্ণনা করেছেন সালেম থেকে, তিনি আবুল জাররাহ থেকে, তিনি উম্মে হাবীবা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٩)
8 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ، أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«إِذَا قُرِّبَ الْعَشَاءُ وَحَضَرَتِ الصَّلاةُ، فَابْدَءُوا بِهِ قَبْلَ صَلاةِ الْمَغْرِبِ»
৮ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাহর বিন নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, আমাকে আমর বিন আল-হারিস ও ইউনুস বিন ইয়াজিদ অবহিত করেছেন যে, ইবনে শিহাব তাঁদেরকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আনাস বিন মালিক বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যখন রাতের খাবার পরিবেশন করা হয় এবং সালাতের সময় উপস্থিত হয়, তখন মাগরিবের সালাতের আগেই তা দিয়ে শুরু করো।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - أنا مُحَمَّدٌ، أنا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ حُمَيْدَ بْنَ نَافِعٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ، تَقُولُ: سَمِعْتُ أُمَّ سَلَمَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ لِعَائِشَةَ: " وَاللَّهِ مَا تَطِيبُ نَفْسِي أَنْ يَرَانِي الْغُلامُ قَدِ اسْتَغْنَى عَنِ الرَّضَاعَةِ، قَالَ: جَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لأَرَى فِي وَجْهِ أَبِي حُذَيْفَةَ مِنْ دُخُولِ سَالِمٍ عَلَيَّ.

قَالَتْ: فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَرْضِعِيهِ، يَذْهَبُ مَا فِي وَجْهِ أَبِي حُذَيْفَةَ» فَقَالَتْ: وَاللَّهِ مَا عَرَفْتُهُ فِي وَجْهِ أَبِي حُذَيْفَةَ
৯ - আমি মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মাখরামা ইবনে বুকাইর, তাঁর পিতা থেকে, তিনি বলেন: আমি হুমাইদ ইবনে নাফিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যয়নব বিনতে আবু সালামাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামাহকে আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছি: "আল্লাহর কসম, যে বালক দুগ্ধপান থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে গেছে, সে আমাকে দেখবে—এতে আমার মন সায় দিচ্ছে না।" তিনি বলেন: সাহলা বিনতে সুহাইল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, সালেম আমার নিকট প্রবেশ করার কারণে আমি আবু হুজাইফার চেহারায় (অসন্তোষের ছাপ) দেখতে পাচ্ছি।

তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তুমি তাকে দুধ পান করাও, তবে আবু হুজাইফার চেহারায় যা আছে তা দূর হয়ে যাবে।» অতঃপর তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, আমি আবু হুজাইফার চেহারায় তা আর দেখতে পাইনি।
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١١)
10 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ الْمُنْذِرَ ابْنَ الْمَدِينِيِّ، حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا صَالِحٍ السَّمَّانَ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يُخْبِرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم "‌‌ نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيِ الْفِطْرِ وَالأَضْحَى، وَعَنْ صَلاتَيْنِ: بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ، وَبَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَرْتَفِعَ الشَّمْسُ، وَعَنْ لُبْسَتَيْنِ: الصَّمَّاءِ، وَأَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ بِثَوْبٍ لَيْسَ عَلَى فَرْجِهِ مِنْهُ شَيْءٌ، وَعَنْ بَيْعَتَيْنِ الْمُلامَسَةِ وَالْمُنَابَذَةِ "
১০ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবন নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন ওয়াহাব, তিনি বলেন: আমাকে আমর ইবনুল হারিস সংবাদ দিয়েছেন যে, মুনযির ইবনুল মাদিনী তাঁকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আবু সালিহ আস-সাম্মান তাঁকে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে সংবাদ দিতে শুনেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) " ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দুই দিনে রোযা পালন করতে নিষেধ করেছেন, এবং দুই ওয়াক্তের নামায হতে: আসরের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত, এবং সুবহে সাদেকের পর থেকে সূর্য উপরে উঠা পর্যন্ত; এবং দুই ধরনের পোশাক পরিধান হতে: সাম্মা (শরীরে চাদর এমনভাবে জড়ানো যাতে হাত বের করা না যায়), এবং এক কাপড়ে এমনভাবে গোঁট (ইহতিবা) হয়ে বসা যাতে লজ্জাস্থানের ওপর কোনো আবরণ না থাকে; এবং দুই ধরনের ক্রয়-বিক্রয় হতে: মুলামাসা ও মুনাবাযা। "
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ: نا بَحْرٌ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ هِشَامَ بْنَ أَبِي رُقَيَّةَ اللَّخْمِيَّ، حَدَّثَهُ قَالَ: سَمِعْتُ مَسْلَمَةَ بْنَ مَخْلَدٍ، وَهُوَ قَاعِدٌ عَلَى الْمِنْبَرِ يَخْطُبُ النَّاسَ، وَهُوَ يَقُولُ: يَأَيُّهَا النَّاسُ أَمَا لَكُمْ فِي الْعَصْبِ وَالْكَتَّانِ مَا يُغْنِيكُمْ عَنِ الْحَرِيرِ، وَهَذا رَجُلٌ مِنْكُمْ يُخْبِرُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قُمْ يَا عُقْبَةُ، فَقَامَ عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، فَقَالَ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ‌‌«مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» وَإِنِّي أَشْهَدُ أَنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «مَنْ لَبِسَ الْحَرِيرَ حَرَمَهُ أَنْ يَلْبَسَهُ فِي الآخِرَةِ»
১১ - মুহাম্মদ আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: বাহর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমর ইবনুল হারিস আমাকে জানিয়েছেন যে, হিশাম ইবনে আবু রুকাইয়্যাহ আল-লাখমি তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মাসলামাহ ইবনে মাখলাদকে মিম্বারের ওপর বসে লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: হে লোকসকল! তোমাদের জন্য কি আসব এবং কাতান (তিসির বস্ত্র) নেই যা তোমাদের রেশম পরিধান করা থেকে বিমুখ রাখার জন্য যথেষ্ট হতে পারে? আর তোমাদের মধ্য থেকেই এই ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করছেন। হে উকবাহ, দাঁড়ান! তখন উকবাহ ইবনে আমির দাঁড়ালেন এবং আমি তা শুনছিলাম। এরপর তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল নির্ধারণ করে নেয়।" আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি রেশম পরিধান করবে, আল্লাহ তাকে বঞ্চিত করবেন যেন সে তা আখিরাতে পরিধান করতে না পারে।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - أنا مُحَمَّدٌ، نا بَحْرٌ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا أَوْ وَضَعَ لَهُ أَظَلَّهُ اللَّهُ عز وجل فِي ظِلِّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
১২ - আমি মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাহর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবন ওয়াহব, তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াযীদ ইবন ইয়াদ, তিনি ইমরান ইবন সাদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাকে অবকাশ দেবে অথবা তার ঋণ মাফ করে দেবে, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা কিয়ামতের দিন তাকে তাঁর ছায়াতলে ছায়া দান করবেন।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - أنا مُحَمَّدٌ قَالَ: نا بَحْرٌ، قَالَ: نا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يَزِيدُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«إِنَّ أَعْظَمَ خَطِيئَةٍ عِنْدَ اللَّهِ عز وجل بَعْدَ الْكَبَائِرِ الَّتِي نَهَى اللَّهُ عَنْهَا أَنْ يَمُوتَ الرَّجُلُ، وَعَلَيْهِ دَيْنٌ فِي عُنُقِهِ لا يَجِدُ لَهُ قَضَاءٌ»
১৩ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বাহর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনুল ওয়াহব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ বিন ইয়াদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু মুসা আল-আশআরী (রা.) বলেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহর নিকট সেই সকল কবিরা গুনাহের পর—যা থেকে আল্লাহ নিষেধ করেছেন—সবচেয়ে বড় পাপ হলো কোনো ব্যক্তির এমন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করা যে, তার ঘাড়ে ঋণের বোঝা রয়েছে এবং তা পরিশোধ করার কোনো সংস্থান সে রেখে যায়নি।”
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرٌ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى ابْنِ وَهْبٍ، أَخْبَرَكَ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ قَالَ: ‌‌«إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى الَّذِينَ يَصِلُونَ الصُّفُوفَ»
১৪ - আমি মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: বাহর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহবের নিকট পাঠ করা হয়েছে, উসামা ইবনে যায়েদ আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে উরওয়াহ ইবনে আল-যুবাইর থেকে, তিনি নবী (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর স্ত্রী আয়েশা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণ তাঁদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন যারা কাতারসমূহ সংযুক্ত করে»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا أَبُو الزِّنْبَاعِ، قَالَ: نا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ الْجُعْفِيُّ، قَالَ: نا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ الْجُعْفِيُّ، قَالَ: نا أَبُو مُسْلِمٍ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَائِدُ الأَعْمَشِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«قُلْتُ لِجِبْرِيلَ هَلْ تَرَى رَبَّكَ؟» قَالَ: إِنَّ بَيْنِي وَبَيْنَهُ سَبْعِينَ حِجَابًا مِنْ نُورٍ لَوْ رَأَيْتُ أَدْنَاهَا لاحْتَرَقْتُ "
১৫ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু যিনবা' বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সুলাইমান আল-জু'ফী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আমর ইবনে উসমান আল-জু'ফী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-আ'মাশের পথপ্রদর্শক আবু মুসলিম উবায়দুল্লাহ ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন, আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আমি জিবরীলকে বললাম, আপনি কি আপনার প্রতিপালককে দেখতে পান?» তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আমার এবং তাঁর মাঝে নূরের সত্তরটি পর্দা রয়েছে, যদি আমি তার নিকটতমটি দেখতাম তবে আমি পুড়ে যেতাম।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«طَهُورُ إِنَاءِ أَحَدِكُمْ إِذَا وَلَغَ فِيهِ الْكَلْبُ أَنْ يَغْسِلَهُ سَبْعَ مَرَّاتٍ أُولاهُنَّ بِالتُّرَابِ»
১৬ - আমি মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাহর ইবনে নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর ইবনে বকর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আওযাঈ বর্ণনা করেছেন, ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কারো পাত্রে যখন কুকুর মুখ দেয়, তখন তার পবিত্রতা অর্জনের উপায় হলো সেটিকে সাতবার ধৌত করা, যার প্রথমবার হবে মাটি দিয়ে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٨)
17 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: نا الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : ‌‌«مَنِ ابْتَاعَ مُصَرَّاةً فَهُوَ بِالْخِيَارِ، ثَلاثَةَ أَيَّامٍ، فَإِنْ رَدَّهَا رَدَّ مَعَهَا صَاعًا مِنْ تَمْرٍ»
১৭ - মুহাম্মাদ বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে বকর, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আওযাঈ, ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ওলানে দুধ জমিয়ে রাখা পশু ক্রয় করবে, তার জন্য তিন দিন পর্যন্ত ইখতিয়ার (সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ) থাকবে। সে যদি তা ফেরত দেয়, তবে তার সাথে এক সা' খেজুর প্রদান করবে»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ١٩)
18 - أنا مُحَمَّدٌ قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تَلَقَّوُا الْجَلَبَ، فَمَنْ تَلَقَّاهُ فَاشْتَرَى مِنْهُ شَيْئًا فَصَاحِبُهُ إِذَا أَتَى السُّوقَ بِالْخِيَارِ»
১৮ - মুহাম্মদ আমাদের বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে বকর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ী, তিনি ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা (শহরে প্রবেশের পূর্বে) পণ্যবাহী কাফেলার সাথে অগ্রিম সাক্ষাৎ করো না; সুতরাং যে ব্যক্তি তাদের সাথে সাক্ষাৎ করল এবং তাদের থেকে কোনো কিছু ক্রয় করল, তবে বিক্রেতা যখন বাজারে আসবে তখন সে (ক্রয়-বিক্রয় বহাল রাখা বা বাতিলের) ইখতিয়ার লাভ করবে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
19 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّ الْمَلائِكَةَ تَلْعَنُ أَحَدَكُمْ، إِذَا أَشَارَ إِلَى أَخِيهِ بِحَدِيدَةٍ، وَإِنْ كَانَ أَخَاهُ لأَبِيهِ وَأُمِّهِ»
১৯ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবন নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবন বাকর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আওযাঈ, ইবন সিরীন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই ফেরেশতারা তোমাদের কাউকে লানত করে, যখন সে তার ভাইয়ের দিকে লোহার কোনো বস্তু দিয়ে ইশারা করে, যদিও সে তার আপন পিতা ও মাতার ভাই হয়।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تَسُبُّوا الدَّهْرَ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে বাকর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ী, ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা কালকে গালি দিও না, কারণ আল্লাহই হলেন কাল।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
21 - أنا مُحَمَّدٌ، نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا تُسَمُّوا الْعِنَبَ الْكَرْمَ، إِنَّمَا الْكَرْمُ الْمُسْلِمُ»
২১ - আমি মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর ইবনে নাসর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে বকর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আওযায়ী, ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আঙুরকে 'কারম' বলো না, নিশ্চয়ই 'কারম' হচ্ছে মুসলিম»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - أنا مُحَمَّدٌ قَالَ: نا بَحْرٌ، نا بِشْرٌ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّ فِي الْجُمُعَةِ سَاعَةً لا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ فِيهَا خَيْرًا إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ»
২২ - আমি মুহাম্মদ বলছি: বাহর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওযাঈ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই জুমআর দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি সালাতরত অবস্থায় সেই মুহূর্তটি পায় এবং আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে তা দান করেন।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: نا بِشْرٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ تَابَ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ»
২৩ - আমি মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাহর বিন নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আওযাঈ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে সিরীন থেকে, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়ার পূর্বে তাওবা করবে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
24 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرٌ، قَالَ: نا بِشْرٌ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي طَعَامِ أَحَدِكُمْ، أَوْ فِي شَرَابِهِ، فَلْيَغْمِسْهُ فَإِنَّ أَحَدَ جَنَاحَيْهِ دَاءٌ وَالآخَرَ شِفَاءٌ»
২৪ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বাহর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বিশর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওযায়ি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে সিরিন থেকে, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «যখন তোমাদের কারো খাবারে কিংবা পানীয়তে মাছি পড়ে, তবে সে যেন তা ডুবিয়ে দেয়; কারণ তার একটি ডানায় রোগ রয়েছে এবং অন্যটিতে নিরাময় রয়েছে।»
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - وَبِهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: ‌‌«لا تُزَوِّجِ الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ، وَلا تُزَوِّجِ الْمَرْأَةُ نَفْسَهَا فَإِنَّ الزَّانِيَةَ هِيَ الَّتِي تُزَوِّجُ نَفْسَهَا»
২৫ - এবং এই সূত্রেই আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “কোনো নারী অন্য কোনো নারীকে বিবাহ দিবে না এবং কোনো নারী নিজেকেও বিবাহ দিবে না; কেননা ব্যভিচারিণীই সেই নারী যে নিজেকে বিবাহ দেয়।”
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
26 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَحْرٌ، قَالَ: نا بِشْرُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: نا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، قَالَ: أَتَى ابْنَ عُمَرَ، رَجُلٌ فَقَالَ: بِمَا أَهَلَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم؟ فَقَالَ: "‌‌ بِالْحَجِّ.

فَلَمَّا كَانَ الْقَابِلُ أَتَاهُ، فَقَالَ: بِمَا أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ فَقَالَ: أَوَمَا أَتَيْتَنِي عَامَ الأَوَّلِ؟ قَالَ: بَلَى، وَلَكِنْ أَتَيْنَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، فَقَالَ: إِنَّ أَنَسَ كَانَ يُولَجُ عَلَى النِّسَاءِ وَهُنَّ مُكَشَّفَاتُ الرُّءُوسِ، يَعْنِي لِصِغَرِهِ، وَأَنَا تَحْتَ نَاقَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ يَمَسُّنِي لُعَابُهَا، وَسَمِعْتُهُ يُلَبِّي بِالْحَجِّ "
২৬ - আমি মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনুল বাকর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ, যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি ইবনে উমরের নিকট এসে জিজ্ঞেস করল: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসের জন্য ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছিলেন? তিনি বললেন: "‌‌ হজ্বের জন্য।

পরবর্তী বছর যখন সে তাঁর নিকট আসলো, সে পুনরায় জিজ্ঞেস করল: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিসের জন্য ইহরামের তালবিয়া পাঠ করেছিলেন? তিনি (ইবনে উমর) বললেন: তুমি কি প্রথম বছর আমার নিকট আসোনি? সে বলল: হ্যাঁ, কিন্তু আমরা আনাস ইবনে মালিকের কাছে গিয়েছিলাম। তখন ইবনে উমর বললেন: আনাস তো তখন নারীদের নিকট প্রবেশ করতেন যখন তাদের মাথা অনাবৃত থাকত—অর্থাৎ তাঁর অল্প বয়সের কারণে। আর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উটনীর নিচে ছিলাম, এমনকি তার লালা আমাকে স্পর্শ করছিল, এমতাবস্থায় আমি তাঁকে হজ্বের জন্য তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
27 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَكَّارُ بْنُ قُتَيْبَةَ، قَالَ: نا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، قَالَ: نا شُعْبَةُ، قَالَ: نا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ "‌‌ قَرَأَ وَالنَّجْمِ فَسَجَدَ بِهَا، وَسَجَدَ مَنْ كَانَ مَعَهُ إِلا شَيْخًا كَبِيرًا، فَإِنَّهُ أَخَذَ كَفًّا مِنْ تُرَابٍ أَوْ حَصًى، فَرَفَعَهُ إِلَى جَبْهَتِهِ، فَقَالَ: هَذَا يَكْفِينِي.

قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: فَلَقَدْ رَأَيْتُهُ قُتِلَ كَافِرًا "
২৭ - আমি মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাক্কার বিন কুতাইবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রওহ বিন উবাদাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক, আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ (ইবনে মাসঊদ) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি "সূরা আন-নাজম পাঠ করলেন এবং তাতে সিজদাহ করলেন। তাঁর সাথে যারা ছিল তারাও সিজদাহ করল, কেবল এক বৃদ্ধ লোক ছাড়া। সে এক মুষ্টি মাটি অথবা নুড়ি পাথর গ্রহণ করল এবং তা তার কপালের দিকে উঠাল এবং বলল: আমার জন্য এটাই যথেষ্ট।

ইবনে মাসঊদ বলেন: আমি পরবর্তীকালে তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি।"
(খণ্ড: ১) ফাওয়ায়েদ আবি বকর আয-যুবাইরী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
28 - أنا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا بَكَّارٌ، قَالَ: نا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، وَرَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، قَالا: نا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، قَالَ: رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ سَجَدَ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ، فَقُلْتُ: لِمَا أَرَاكَ سَجَدْتَ فِيهَا يَا أَبَا هُرَيْرَةَ؟ فَقَالَ: ‌‌«لَوْ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَجَدَ لَمْ أَسْجُدْ»
২৮ - আমি মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাক্কার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি এবং রাওহ ইবনে উবাদাহ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, ইয়াহইয়া হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালামা, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে ‘ইযাস সামাউন্শাক্কাত’ (সুরা ইনশিক্বাক্ব) পাঠকালে সিজদা করতে দেখলাম। তখন আমি বললাম: হে আবু হুরায়রা, আমি আপনাকে এতে সিজদা করতে দেখলাম কেন? তিনি বললেন: «যদি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সিজদা করতে না দেখতাম, তবে আমি সিজদা করতাম না»