(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: -)
جزء أبي عبد الله العطار (محمد بن مخلد العطار)
القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء أبي عبد الله العطار
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن مخلد بن حفص العطار الدوري البغدادي (ت 331هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
عدد الصفحات: 87
[الكتاب مخطوط]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
জুযউ আবু আবদিল্লাহ আল-আত্তার (মুহাম্মদ বিন মাখলাদ আল-আত্তার)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: জুযউ আবু আবদিল্লাহ আল-আত্তার
লেখক: আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার আদ-দাওরি আল-বাগদাদি (মৃত্যু ৩৩১ হিজরি)
প্রকাশক: ইসলামওয়েব ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত ফ্রি প্রোগ্রাম ‘জাওয়ামিউল কালিম’-এ প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৭
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে আছে]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১)
الجزء فيه من حديث أبي عبد الله محمد بن مخلد بن حفص العطار الدوري عن شيوخه.بسم الله الرحمن الرحيم
এই অংশে রয়েছে আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার আদ-দুরী কর্তৃক তাঁর উস্তাদদের নিকট থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ।পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أنا الشَّيْخَانِ الْمُسْنِدَانِ الْمُقْرِئُ الصَّالِحُ الزَّيْنُ قَاسِمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْكويكِ ، وَأُمُّ الْفَضْلِ ابْنَةُ أَبِي الْفَضْلِ ، سَمَاعًا عَلَى الأَوَّلِ بِقِرَاءَتِهِ وَسَمَاعهما كلَيْهِمَا أَيْضًا مُجْتَمِعَيْنِ فِي سَنَةِ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالا أنا الْعَلامَةُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ الشَّامِيُّ سَمَاعًا، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْعَلامَةُ بَقِيْةُ السَّلَفِ الْمُسْنِدُ الأَجَلُّ أَبُو إِسْحَاقَ بُرْهَانُ الدِّينِ أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْبَعْلَبَكِّيُّ الأَصْلِ ثُمَّ الدِّمَشْقِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ في مَنْزِلِه، قَالَ: أنا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمِرُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَالِبِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَجَّارُ الصَّالِحِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنا الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَبُو الْمُنَجَّا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ بْنِ زَيْدِ بْنِ اللَّتِّيِّ الْحَرْبِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أنا أَبُو هَاشِمٍ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّا، قِرَاءَةً وأَنَاَ أسْمَعُ فِي صَفَرٍ سَنَةَ خَمْسِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ بِبَغْدَادَ، أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَاصِمُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَاصِمٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أنبا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَهْدِيٍّ الْفَارِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدِ بْنِ حَفْصٍ الْعَطَّارُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ يَوْمَ الثُلاثَاءِ لِعَشْرٍ خَلَوْنَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخِرِ سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاثِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا طَاهِرُ بْنُ خَالِدِ بْنِ نِزَارٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ يَعْنِي ابْنَ طَهْمَانَ، قَالَ: وَحَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «لا تَصُمْ امْرَأَةٌ بغيرِ إِذْنِ زَوْجِهَا»
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দুই মুসনিদ শায়খ, নেককার মুকরি যাইন কাসিম বিন আব্দুর রহমান বিন আল-কুওয়াইক এবং উম্মুল ফজল বিনতে আবিল ফজল; আমি প্রথমজনের নিকট থেকে তাঁর পাঠের মাধ্যমে এবং তাঁদের উভয়ের নিকট থেকে শ্রবণ করেছি যখন তাঁরা ৫৬৪ হিজরি সনে একত্রিত ছিলেন। তাঁরা উভয়ে বলেন, আল্লামাহ আবু ইসহাক ইব্রাহিম আশ-শামি আমাদের নিকট শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মর্যাদাবান শায়খ, আল্লামাহ, সালাফদের উত্তরসূরি, মহান মুসনিদ আবু ইসহাক বুরহানুদ্দীন আহমাদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-বালবাক্কি (যিনি মূলত বালবাক্কের অধিবাসী ছিলেন, পরবর্তীতে দামেস্কের), তাঁর নিকট তাঁর ঘরে আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মর্যাদাবান শায়খ, মুসনিদ, দীর্ঘজীবী শিহাবুদ্দীন আবু আব্বাস আহমাদ বিন আবি তালিব বিন মুহাম্মদ আল-হাজ্জার আস-সালিহি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নেককার শায়খ আবু মুনাজ্জা আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আলি বিন উমর বিন যাইদ বিন আল-লাত্তি আল-হারবি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাশিম সাঈদ বিন আহমাদ বিন হাসান বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বান্না, ৫৫০ হিজরি সনের সফর মাসে বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুসাইন আসিম বিন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আসিম, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মাহদি আল-ফারিসি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার, ৩৩১ হিজরি সনের রবিউল আখির মাসের দশ দিন গত হওয়ার পর মঙ্গলবার দিন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন তাহির বিন খালিদ বিন নিযার আল-আইলি। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাকে ইব্রাহিম অর্থাৎ ইবনে তাহমান সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আল-হাজ্জাজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কোনো নারী যেন তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত রোজা না রাখে»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: وَحَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ خِلاسِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
২ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাহের আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা ইব্রাহিম থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: এবং হাজ্জাজ আমার কাছে কাতাদাহ থেকে, তিনি খিলাস ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু রাফে’ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াব লাভের আশায় কদরের রাতে (ইবাদতে) দণ্ডায়মান হয়, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: ثنا طَاهِرُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، حَدَّثَنِي شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلالٍ، عَنْ مُطَرِّفٍ، أَخْبَرَنِي مَنْ، «رَأَى عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَعْلَيْنِ مَخْصُوفَتَيْنِ»
৩ - মুহাম্মদ বিন মাখলাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির বিন খালিদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম বিন তাহমান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, শু'বাহ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি হুমাইদ বিন হিলাল থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে এমন এক ব্যক্তি সংবাদ দিয়েছেন যিনি, «আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পায়ে দুটি তালি লাগানো জুতো দেখেছেন»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَخْرُجُ نَاسٌ مِنَ النَّارِ قَدِ احْتَرَقُوا حَتَّى كَانُوا كَالْحممِ، فَيَقِفُونَ عَلَى بَابِ الْجَنَّةِ فَيَرُشُّ عَلَيْهِمْ أَهْلُ الْجَنَّةِ مِنَ الْمَاءِ فَيَنْبُتُونَ كَمَا يَنْبُتُ الْغُثَاءُ فِي حَمِيلِ السَّيْلِ»
৪ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: তাহির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইব্রাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আল-আ'মাশ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জাহান্নাম থেকে এমন কিছু লোক বের হবে যারা পুড়ে কয়লার মতো হয়ে গেছে। তারা জান্নাতের দরজায় অবস্থান করবে, তখন জান্নাতবাসীরা তাদের ওপর পানি ছিটাবেন, ফলে তারা সেভাবে গজিয়ে উঠবে যেভাবে প্লাবনের স্রোতে বাহিত পলিমাটিতে শস্যদানা গজিয়ে ওঠে।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي عَبَّادُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّ امْرِئٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضِيَاعًا فَلْيَدْفَعْهُ إِلَيَّ فَأَنَا وَلِيُّهُ، وَمَنْ تَرَكَ مَالا فَلِلْعَصَبَةِ مَنْ كَانُوا» .قَالَ عَبَّادٌ: أَوْ قَالَ: «لِلْوُلاةِ مَنْ كَانُوا» ، وَقَالَ عَبَّادٌ: وَالْوُلاةُ الأَوْلِيَاءُ
৫ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আব্বাদ বিন ইসহাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «মুসলিমদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় পরিবার রেখে যায়, সে যেন তা আমার নিকট সোপর্দ করে, কেননা আমিই তার অভিভাবক। আর যে ব্যক্তি সম্পদ রেখে যায়, তা আসাবাহদের (উত্তরাধিকারী) প্রাপ্য, তারা যারাও হোক না কেন»।আব্বাদ বলেন: অথবা তিনি বলেছেন: «অভিভাবকদের প্রাপ্য, তারা যারাও হোক না কেন», এবং আব্বাদ বলেন: অভিভাবকগণই হলেন নিকটাত্মীয় উত্তরাধিকারী।
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَقُومُ النَّاسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ حَتَّى يَغِيبَ أَحَدُكُمْ فِي رَشْحِهِ إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِ»
৬ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: তাহির বিন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুসা বিন উকবা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, নাফি থেকে বর্ণিত, ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কিয়ামতের দিন মানুষ বিশ্বজগতের রবের সম্মুখে দাঁড়াবে, এমনকি তোমাদের কেউ নিজ ঘামে ডুবে যাবে অর্ধেক পর্যন্ত তার কানের।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي جَابِرٌ الْجُعْفِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ بِنْتِ حَمْزَةَ، وَكَانَتْ أُمُّ الْفَضْلِ أُخْتَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ لأُمِّهِ، أَنَّهَا قَالَتْ: .«مَاتَ مَوْلًى لَهَا وَكَانَتْ هِيَ أَعْتَقَتْهُ وَتَرَكَ ابْنَتَهُ، وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَسَّمَ مِيرَاثَهُ بَيْنَ أُمِّ الْفَضْلِ وَابْنَتِهِ فَأَعْطَى ابْنَتَهُ النِّصْفَ وَأَعْطَى أُمَّ الْفَضْلِ النِّصْفَ البَاقِي»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাহির, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির আল-জু’ফী, আবদুল্লাহ ইবন শাদ্দাদ হতে, উম্মুল ফাদল বিনতে হামযাহ থেকে বর্ণিত—আর উম্মুল ফাদল ছিলেন আবদুল্লাহ ইবন শাদ্দাদের মা-শরিক বোন—তিনি বলেন: «তাঁর এক মুক্তদাস মারা গেল যাকে তিনি মুক্ত করেছিলেন এবং সে একটি কন্যা সন্তান রেখে গিয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উত্তরাধিকার উম্মুল ফাদল এবং তার কন্যার মধ্যে বণ্টন করলেন; তিনি কন্যাকে অর্ধেক দিলেন এবং উম্মুল ফাদলকে অবশিষ্ট অর্ধেক প্রদান করলেন।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ الْعَطَّارُ، قَالَ: ثنا طَاهِرُ بْنُ خَالِدِ بْنِ نِزَارٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، حَدَّثَنِي عَامِرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ صَعْصَعَةَ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُنْفِقُ مِنْ مَالِهِ زَوْجَيْنِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلا دَعَتْهُ حَجَبَةُ الْجَنَّةِ: هَلُمَّ هَلُمَّ "
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন মাখলাদ আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তাহির ইবন খালিদ ইবন নিযার, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে ইবরাহীম ইবন তাহমান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আমির ইবন আব্দুল ওয়াহিদ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি হাসান থেকে, তিনি সা’সা’আ ইবন মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে কোনো মুসলিম আল্লাহর পথে তার সম্পদ থেকে জোড়া জোড়া দান করবে, জান্নাতের দ্বাররক্ষীরা তাকে অবশ্যই ডেকে বলবে: এসো, এসো।"
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ عِنْدَهُ عِلْمٌ فَكَتَمَهُ أُلْجِمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِلِجَامٍ مِنَ نَّارِ»
9 - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সিমাক ইবনে হারব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণিত, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যার নিকট কোনো জ্ঞান আছে আর সে তা গোপন করল, কিয়ামতের দিন তাকে আগুনের লাগাম পরানো হবে»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يَخْرُجُ قَوْمٌ مِنَ النَّارِ قَدِ أُحْرِقُوا فَيَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ فَيَنْطَلِقُونَ بِهِمْ إِلَى نَهْرٍ يُقَالُ لَهُ الْحَيَاةُ فَيَغْتَسِلُونَ فِيهِ فَيَنْضُرُونَ كَمَا يَنْضُرُ الْعُودُ فَيَمْكُثُونَ فِي الْجَنَّةِ حِينًا، فَيُقَالُ لَهُمْ: هل تَشْتَهُونَ شَيْئًا، فَيَقُولُونَ: يُرْفَعُ عَنَّا هَذَا الاسْمُ، فَيُرْفَعُ عَنْهُمْ "
10 - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইব্রাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাশ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "একদল লোক জাহান্নাম থেকে বের হবে যাদের পুড়িয়ে কয়লা করে ফেলা হয়েছিল, এরপর তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের নিয়ে যাওয়া হবে একটি নদীর দিকে যাকে ‘আল-হায়াত’ (জীবন) বলা হয়, সেখানে তারা গোসল করবে এবং তারা সজীব ও সতেজ হয়ে উঠবে যেমন চারাগাছ সজীব হয়ে ওঠে। অতঃপর তারা জান্নাতে কিছুকাল অবস্থান করবে। তখন তাদের বলা হবে: তোমরা কি কিছু আকাঙ্ক্ষা করো? তারা বলবে: আমাদের থেকে এই (জাহান্নামী) নাম সরিয়ে নেওয়া হোক। তখন তাদের থেকে তা সরিয়ে নেওয়া হবে।"
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ جُنَادَةَ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ عَلِيٍّ السَّهْمِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَبُولَ أَحَدُنَا وَهُوَ قَائِمٌ أَوْ يَسْتَنْجِيَ بِعَظْمٍ أَوْ بِمَا يَخْرُجُ مِنْ بَطْنٍ»
১১ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হাজ্জাজ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, সালামাহ ইবনে জুনাদাহ থেকে, তিনি ফারওয়াহ ইবনে আলী আস-সাহমী থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাউকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে অথবা হাড় কিংবা যা নির্গত হয় পেট থেকে (বিষ্ঠা), তা দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করতে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أُمِّ كُرْزٍ، أَنَّهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَنِ الْغُلامِ شَاتَانِ مُكَافآنِ وَعَنِ الْجَارِيَةِ شَاةٌ»
১২ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু যুবাইর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, উম্মু কুরয থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «পুত্রের পক্ষ থেকে দুটি সমমানের ছাগল এবং কন্যার পক্ষ থেকে একটি ছাগল»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ رفيعٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً»
১৩ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: তাহির আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল আজিজ বিন রফী আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা সেহরি করো, কেননা সেহরিতে বরকত রয়েছে»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ شُتَيْرِ بْنِ شَكَلٍ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُقَبِّلُ وَهُوَ صَائِمٌ»
১৪ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমাশ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আদ-দুহা থেকে, তিনি শুতাইর ইবনে শাকাল থেকে, তিনি হাফসা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজা রাখা অবস্থায় চুম্বন করতেন»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي أَبُو سَهْلٍ، عَنْ أبي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالْعُيُونُ وَالأَنْهَارُ الْجَارِيَةُ الْعُشْرَ وَفِيمَا سُقِيَ بِالْغَرْبِ وَالدَّالِيَةِ نِصْفَ الْعُشْرِ»
১৫ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, আসিম ইবনে দামরাহ থেকে বর্ণিত, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আকাশ, ঝর্ণা ও প্রবাহমান নদীসমূহ যা সিক্ত করে তাতে দশমাংশ এবং যা বড় বালতি ও সেচযন্ত্রের সাহায্যে সেচ করা হয় তাতে অর্ধেক দশমাংশ যাকাত রয়েছে»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَي أَبُو سَهْلٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ حَارِثَةَ بْنِ مُضَرِّبٍ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «قَدْ عَفَوْنَا لَكُمْ عَنِ الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ فَأَدُّوا زَكَاةَ أَمْوَالِكُمْ، مِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ دِرْهَمًا دِرْهَمٌ، وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ مِائَتَيْ دِرْهَمٍ شَيْءٌ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাহির, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাহল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবী থেকে, তিনি হারিসাহ ইবনে মুদাররিব থেকে, তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমি তোমাদের জন্য ঘোড়া ও দাসের যাকাত ক্ষমা করে দিয়েছি, সুতরাং তোমরা তোমাদের সম্পদের যাকাত প্রদান করো; প্রতি চল্লিশ দিরহামে এক দিরহাম। আর যার পরিমাণ দুইশত দিরহামের কম তাতে কিছুই নেই।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: أَتَانَا ابْنُ صَيَّادٍ يشْكُو إليه صِبيانَ عبدِ المطلبِ أنهم يرزئونه يَقُولُونَ أَنَّهُ الدَّجَّالُ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «لَقَدْ شَكَّ فِيهِ ـ يَعْنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَنَحْنُ أَحَقُّ أَنْ نَشُكَّ وسننهاهم»
১৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট তাহির বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু সালামাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নাদয়াহ থেকে, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনে সাইয়্যাদ আমাদের কাছে এসে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানদের ব্যাপারে অভিযোগ করলেন যে, তারা তাকে উত্ত্যক্ত করছে এবং বলছে যে সে দাজ্জাল। তখন ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: «নিশ্চয়ই তিনি—অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)—তার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেছেন, তাই আমরা সন্দেহ করার অধিক হকদার এবং আমরা তাদেরকে (সন্তানদের) নিষেধ করব»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ سَبَّحَ دُبُرَ صَلاةِ الْغَدَاةِ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ وَهَلَّلَ مِائَةَ تَهْلِيلَةٍ غَفَرَ لَهُ ذُنُوبَهُ حَتَّى لَوْ كَانَتْ مِثْلَ زَبَدِ الْبَحْرِ»
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাহির, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ ইবনুল হাজ্জাজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যুবাইর আল-মাক্কী থেকে, তিনি আবু আলকামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি ফজরের সালাতের পর একশ বার তাসবিহ পাঠ করবে এবং একশ বার তাহলীল পাঠ করবে, তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, এমনকি তা যদি সমুদ্রের ফেনার মতোও হয়।»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي سِمَاكٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنَ الشِّعْرِ لَحِكْمَةً»
১৯ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, সিমাক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইকরিমাহ থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই কিছু কবিতার মধ্যে প্রজ্ঞা রয়েছে»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، أَخْبَرَنِي عَاصِمٌ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يُجَاءُ بِالْمَوْتِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُ كَبْشٌ أَغْبَرُ» .قَالَ عَاصِمٌ: وَالأَغْبَرُ الأَبْلَجُ
২০ - মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহের আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আসিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কিয়ামতের দিন মৃত্যুকে এমনভাবে নিয়ে আসা হবে যেন তা একটি ধূলি-ধূসরিত ভেড়া».আসিম বলেন: আর 'আঘবার' (ধূলি-ধূসরিত) হলো উজ্জ্বল।
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَوْلا أن أَشُقُّ عَلَى النَّاسِ مَا تَخَلَّفْتُ عَنْ سَرِيَّةٍ تَخْرُجُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل أَبَدًا وَلَكِنْ لا أَجِدُ سَعَةً فَأَحْمِلُهُمْ فَيَخْرُجُونَ مَعِي وَلا يَجِدُونَ سَعَةً فَيَخْرُجُونَ مَعِي وَلا تَطِيبُ أَنْفُسُهُمْ أَنْ يَتَخَلَّفُوا بَعْدِي، مَثَلُ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مَثَلُ الصَّائِمِ الْقَائِمِ الْقَانِتِ الَّذِي لا يَفْتُرُ عَنْ صِيَامِهِ وَلا صَلاتِهِ حَتَّى يَرْجِعَ، مَتَى مَا رَجَعَ، تَكَفَّلَ اللَّهُ لِمَنْ خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ لا يُخْرِجُه إِلا الْجِهَادُ وَتَصْدِيقٌ بِكَلِمَاتِهِ، إِنْ تَوَفَّاهُ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ رَدَّهُ إِلَى بَيْتِهِ الَّذِي خَرَجَ مِنْهُ مَعَ مَا نَالَ مِنَ أَجْرٍ أَوْ غَنِيمَةٍ»
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন তাহের, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম, তিনি বলেছেন: আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন মুসা ইবনে উকবা, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যদি আমি মানুষের ওপর কষ্টকর হওয়ার আশঙ্কা না করতাম, তবে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পথে জিহাদে গমনকারী কোনো ছোট সেনাদল (সারিয়্যাহ) থেকে আমি কখনো পেছনে থাকতাম না। কিন্তু আমি এমন সামর্থ্য পাচ্ছি না যাতে তাদের বাহনের ব্যবস্থা করতে পারি ফলে তারা আমার সাথে বের হতে পারে, আর তারাও এমন সামর্থ্য পাচ্ছে না যাতে (নিজেদের ব্যবস্থাপনায়) আমার সাথে বের হতে পারে, অথচ আমার পেছনে থেকে যাওয়াটাও তাদের কাছে প্রীতিকর নয়। আল্লাহর পথে জিহাদকারীর উদাহরণ হলো সেই রোজা পালনকারী, রাতে নামাজে দণ্ডায়মান ও অনুগত ব্যক্তির মতো, যে ফিরে না আসা পর্যন্ত তার রোজা ও নামাজে কোনো শিথিলতা প্রদর্শন করে না। আল্লাহ ঐ ব্যক্তির জিম্মাদারী গ্রহণ করেছেন যে কেবল জিহাদ এবং তাঁর কালামসমূহকে সত্য মনে করে নিজের ঘর থেকে বের হয়েছে; যদি আল্লাহ তার মৃত্যু ঘটান তবে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, অথবা তাকে সওয়াব কিংবা গণিমতসহ তার সেই ঘরে ফিরিয়ে দেবেন যেখান থেকে সে বের হয়েছিল।’»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: " أَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَكْتُبَ إِلَى مُلُوكِ الْعَجَمِ، فَقَالَ لَهُ أُنَاسٌ مِنَ الْعَجَمِ عِنْدَهُ: إِنَّهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَنْ يَقْبَلُوا كِتَابًا إِلا بِخَاتَمٍ، قَالَ: فَاتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ فِضَّةٍ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى بَيَاضِهِ فِي كَفِّهِ ثُمَّ نُقِشَ فِيهِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ "
২২ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হাজ্জাজ ইবনুল হাজ্জাজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: " আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনারব সম্রাটদের নিকট পত্র লেখার ইচ্ছা পোষণ করলেন। তখন তাঁর নিকট উপস্থিত কিছু অনারব ব্যক্তি তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তারা মোহর ব্যতীত কোনো পত্র গ্রহণ করবে না। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি রূপার একটি আংটি তৈরি করলেন, আমি যেন তাঁর হাতের তালুতে সেটির শুভ্রতা দেখতে পাচ্ছি; অতঃপর তাতে খোদাই করা হলো 'মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ'।"
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: ثنا طَاهِرُ بْنُ خَالِدِ بْنِ نِزَارٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، حَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بنِ أَبِي مُوسَىْ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَافَ قَوْمًا قَالَ: «اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ وَنَدْرَأُ بِكَ فِي نُحُورِهِمْ»
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন মাখলাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাহির ইবন খালিদ ইবন নিযার, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবন তাহমান, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবন হাজ্জাজ, কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু বুরদাহ ইবন আবু মুসা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করতেন তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমরা তাদের অনিষ্ট হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আপনার মাধ্যমেই আমরা তাদের কণ্ঠনালীতে (আঘাত হেনে) তাদের প্রতিহত করছি»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي الْحَجَّاجُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلالٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قُلْتَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نُحِبُّ قَوْمًا لَمْ نَبْلُغْ أَعْمَالَهُمْ، قَالَ: «فَإِنَّكَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ» .قَالَ: فَإِنِّي أُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، قَالَ: «فَإِنَّكَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ» .قَالَ: فَإِنِّي أُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، فَقَالَ الْقَوْمُ: وَنَحْنُ كَذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «وَأَنْتُمْ كَذَلِكَ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হাজ্জাজ ইবনুল হাজ্জাজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি হুমায়দ ইবনে হিলাল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সামিত থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এমন এক সম্প্রদায়কে ভালোবাসি যাদের আমলের স্তরে আমরা পৌঁছাতে পারিনি। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তুমি তার সাথেই থাকবে যাকে তুমি ভালোবাসো।"তিনি বললেন: আমি তো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসি। তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তুমি তার সাথেই থাকবে যাকে তুমি ভালোবাসো।".তিনি বললেন: আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসি। অতঃপর উপস্থিত লোকজন বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমরাও তদ্রূপ। তিনি বললেন: "তোমরাও তদ্রূপ।"
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي مُطَرِّفُ بْنُ طَرِيفٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ رأيتَ قَوْلِ اللَّهِ تبارك وتعالى: {الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ} أَهُمَا الْخَيْطَانِ؟ قَالَ: فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ: «يَا عَرِيضَ الْقَفَا لا وَلَكِنَّهُ سَوَادُ اللَّيْلِ وَبَيَاضُ النَّهَارِ»
২৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তাহির আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাকে জানিয়েছেন, ইবরাহীম আমাকে জানিয়েছেন, মুতাররিফ ইবনে তারিফ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমির থেকে, তিনি আদি ইবনে হাতিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! মহান ও বরকতময় আল্লাহর বাণী: {সাদা সুতা কালো সুতা থেকে} - এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? এগুলো কি দুটি সুতা? তিনি বলেন: তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসলেন এবং বললেন: «হে চওড়া ঘাড় বিশিষ্ট ব্যক্তি! না, বরং এটি হলো রাতের অন্ধকার এবং দিনের শুভ্রতা»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي عَوْفٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أنه قَالَ: سَمِعْتُ رسولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «لَوْ كَانَ الْعِلْمُ بِالثُّرَيَّا لَتَنَاوَلَهُ نَاسٌ مِنْ أَبْنَاءِ فَارِسَ»
২৬ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আওফ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যদি জ্ঞান সুরাইয়া নক্ষত্রপুঞ্জেও থাকত, তবে পারস্য সন্তানদের মধ্য থেকে কিছু লোক অবশ্যই তা অর্জন করত»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَفْضَلَ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ وَالْقُسْطُ الْبَحْرِيُّ»
২৭ - মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাহির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, হুমায়দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমরা যা দিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করো তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো হিজামা এবং সামুদ্রিক কুস্ত»
(খণ্ড: ১)
জুয আবি আবদুল্লাহ আল-আত্তার
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثنا طَاهِرٌ، حَدَّثَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا سَقَطَتْ لُقْمَةُ أَحَدِكُمْ فَلْيَأْخُذْهَا فَلْيُمِطْ مِنْهَا الأَذَى وَلْيَأْكُلْهَا وَلا يَدَعْهَا لِلشَّيْطَانِ»
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাহির, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কারো খাবারের লোকমা যদি পড়ে যায়, তবে সে যেন তা তুলে নেয় এবং তা থেকে ময়লা পরিষ্কার করে সেটি খেয়ে নেয় এবং তা ছেড়ে না দেয় শয়তানের জন্য»