(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: -)
الاختلاف بين رواة البخاري (ابن المبرد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الاختلاف بين رواة البخاري
المؤلف: يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن ابن عبد الهادي الصالحي، جمال الدين، ابن ابن المِبْرَد الحنبلي (ت 909هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 126
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বুখারীর বর্ণনাকারীদের মধ্যে মতভেদ (ইবনে আল-মিবরাদ)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: বুখারীর বর্ণনাকারীদের মধ্যে মতভেদ
লেখক: ইউসুফ ইবনে হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল হাদি আস-সালেহি, জামালুদ্দীন, ইবনুল মিবরাদ আল-হাম্বলি (মৃত ৯০৯ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিনামূল্যে বিতরণকৃত 'জাওয়ামিউল কালিম' প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[বইটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৬
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١)
الاخْتِلافُ بَيْنَ رُوَاةِ الْبُخَارِيِّ عَنِ الْفَرَبْرِيِّ، وَرِوَايَاتٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَعْقِلٍ النَّسَفِيِّ تَأْلِيفُ الْحَافِظِ جَمَالِ الدِّينِ يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ الْهَادِي الْحَنْبَلِيِّ الْمَعْرُوفِ بِابْنِ الْمُبَرِّدِ الْمُتَوَفَّى سَنَةَ 909 بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ الْعِلَلُ الْوَاقِعَةُ فِي كِتَابِ الْجَامِعِ الصَّحِيحِ لِلْبُخَارِيِّ، رِوَايَةُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْفَرَبْرِيِّ، وَالنَّقَلَةُ عَنْهُ: أَبُو عَلِيٍّ سَعِيدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ السَّكَنِ، وَأَبُو زَيْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يُوسُفَ الْجُرْجَانِيُّ، وَأَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُسْتَمْلِي، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الْحَمَوِيُّ، وَأَبُو الْهَيْثَمِ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ الْكُشْمِيهَنِيُّ، وَمَوَاضِعُ وَقَعَتْ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَعْقِلِ بْنِ الْحَجَّاجِ النَّسَفِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْبُخَارِيِّ.كِتَابُ الإِيمَانِ بَابٌ فِي: الصَّلاةِ مِنَ الإِيمَانِ
ফারাবরি কর্তৃক বর্ণিত বুখারীর বর্ণনাকারীদের মধ্যকার মতপার্থক্য এবং ইবরাহিম ইবনে মাকিল আন-নাসাফী থেকে বর্ণিত বর্ণনাসমূহ। রচনায়: হাফেজ জামালুদ্দিন ইউসুফ ইবনে আব্দুল হাদি আল-হাম্বালি, যিনি ইবনুল মুবাররিদ নামে পরিচিত, মৃত্যু ৯০৯ হিজরি। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। বুখারীর 'আল-জামি আস-সহিহ' গ্রন্থে বিদ্যমান সূক্ষ্ম ত্রুটিসমূহ, যা আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আল-ফারাবরির বর্ণনা অনুযায়ী; এবং তার থেকে যারা বর্ণনা করেছেন: আবু আলি সাইদ ইবনে উসমান ইবনে আস-সাকান, আবু যায়েদ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইউসুফ আল-জুরুজানি, আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আহমাদ আল-মুস্তামলি, আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল-হামাভি, এবং আবু হাইসাম মুহাম্মাদ ইবনে মাসলামাহ আল-কুশমিহানি; আরও রয়েছে আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারী থেকে আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মাকিল ইবনে আল-হাজ্জাজ আন-নাসাফীর বর্ণনায় আসা বিভিন্ন বিষয়।ঈমান অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: সালাত ঈমানের অংশ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢)
1 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: ثنا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، وَذَكَرَ بَيَانَ تَحْوِيلِ الْقِبْلَةِ.وَقَعَ فِي نُسْخَةِ أَبِي زَيْدٍ الْمَرْوَزِيِّ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ خَالِدٍ، بِضَمِّ الْعَيْنِ، كَذَا نَقَلَ عَنْهُ أَبُو الْحَسَنِ الْقَابِسِيُّ، وَأَبُو الْفَرَجِ: عَبْدُوسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطُّلَيْطِلِيُّ، وَهُوَ وَهْمٌ وَصَوَابُهُ عَمْرٌو بِفَتْحِ الْعَيْنِ وَسُكُونِ الْمِيمِ وَهُوَ عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ الْحَرَّانِيُّ الْجَزَرِيُّ، وَلَيْسَ مِنْ شُيُوخِ الْبُخَارِيِّ مَنْ يُقَالُ لَهُ: عُمَرُ بْنُ خَالِدٍ، بِضَمِّ الْعَيْنِ.قُلْتُ: وَعَمْرٌو هَذَا هُوَ عَمْرُو بْنُ خَالِدِ بْنِ فَرُّوخَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَاقِدِ بْنِ لَيْثِ بْنِ وَاقِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو الْحَسَنِ التَّمِيمِيُّ الْحَنْظَلِيُّ الْجَزَرِيُّ الْحَرَّانِيُّ نَزِيلُ مِصْرَ، رَوَى ابْنُ مَاجَهْ عَنْ رَجُلٍ عَنْهُ، مَاتَ بِمِصْرَ يَوْمَ الإِثْنَيْنِ لِتِسْعٍ خَلَوْنَ مِنْ شَوَّالٍ، وَيُقَالُ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.كِتَابُ الْعِلْمِ بَابُ تَعْلِيمِ الرَّجُلِ أَمَتَهُ
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-বারা থেকে, এবং তিনি কিবলা পরিবর্তনের বর্ণনা উল্লেখ করেছেন।আবু জাইদ আল-মারওয়াযীর পাণ্ডুলিপিতে এসেছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে খালিদ, আইন বর্ণে পেশ (যম্মাহ) সহকারে; এভাবেই তার থেকে আবু আল-হাসান আল-কাবিসী এবং আবু আল-ফারাজ: আব্দুস ইবনে মুহাম্মদ আত-তুলাইতালী বর্ণনা করেছেন। আর এটি একটি বিভ্রম, সঠিক হলো আমর—আইন বর্ণে যবর (ফাতহা) এবং মীম বর্ণে সাকিন সহকারে। তিনি হলেন আমর ইবনে খালিদ আল-হাররানী আল-জাজারী। ইমাম বুখারীর উস্তাদগণের মধ্যে উমর ইবনে খালিদ (আইন বর্ণে পেশ সহকারে) নামে কেউ নেই।আমি বলছি: এই আমর হলেন আমর ইবনে খালিদ ইবনে ফাররুখ ইবনে সাঈদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ওয়াকিদ ইবনে লাইস ইবনে ওয়াকিদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু আল-হাসান আত-তামীমী আল-হানজালী আল-জাজারী আল-হাররানী, মিশরের অধিবাসী। ইবনে মাজাহ জনৈক ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি মিশরে সোমবার দিন, দুইশত উনত্রিশ হিজরী সালের শাওয়াল মাসের নয় দিন অতিবাহিত হওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন; মতান্তরে তা ছিল শাবান মাস। আর আল্লাহ্ই সর্বজ্ঞ।ইলম (জ্ঞান) অধ্যায়: অনুচ্ছেদ - ব্যক্তির নিজ দাসীকে শিক্ষা দান।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٣)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ صَالِحِ بْنِ حَيَّانَ، حَدِيثَ «ثَلاثَةٌ لَهُمْ أَجْرَانِ» .مُحَمَّدٌ فِي هَذَا الإِسْنَادِ هُوَ ابْنُ سَلامٍ، وَصَالِحٌ. . . . . غَيْرُ صَالِحِ بْنِ صَالِحِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ حَيَّانَ، وَيُقَالُ: ابْنُ حَيٍّ الثَّوْرِيُّ الْهَمْدَانِيُّ، وَنَسَبَهُ إِلَى جَدِّ أَبِيهِ، فَأَوْهَمَ بِهِ. . . . . أَنَّهُ يَكُونُ صَالِحُ بْنُ حَيَّانَ الْقُرَشِيُّ صَاحِبُ ابْنِ بُرَيْدَةَ وَهُوَ ضَعِيفُ الرِّوَايَةِ، قَالَ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ: صَالِحُ بْنُ حَيَّانَ الْقُرَشِيُّ ضَعِيفٌ فِيهِ نَظَرٌ، قَالَ أَبُو عَلِيٍّ الْغَسَّانِيُّ: وَصَالِحُ بْنُ حَيَّانَ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْجَامِعِ هُوَ وَالِدُ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ الْفَقِيهُ وَأَخِيهِ عَلِيُّ بْنُ صَالِحٍ. . . .، وَالْمُحَارِبِيُّ فِي هَذَا الإِسْنَادِ هُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ. . . . . وَقَدْ نَسَبَهُ. . . . . . . فِي هَذَا الشَّأْنِ فَأَخْطَأَ فِي نِسْبَتِهِ خَطَئًا فَاحِشًابَابُ رُبَّ مُبَلِّغٍ أَوْعَى مِنْ سَامِعٍ
২ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-মুহারিবি বর্ণনা করেছেন সালিহ ইবনে হাইয়ান থেকে, তিনি (বর্ণনা করেন) ‘তিন ব্যক্তি যাদের জন্য রয়েছে দ্বিগুণ প্রতিদান’ এই হাদিসটি।এই সনদে মুহাম্মাদ হলেন ইবনে সালাম, আর সালিহ . . . . সালিহ ইবনে সালিহ ইবনে মুসলিম ইবনে হাইয়ান নন, যাঁকে ইবনে হাই আস-সাওরি আল-হামদানিও বলা হয়; তিনি তাঁকে তাঁর প্রপিতামহের দিকে সম্বন্ধ করেছেন, ফলে এই ভ্রম সৃষ্টি হয়েছে . . . . যে তিনি সালিহ ইবনে হাইয়ান আল-কুরাশি, যিনি ইবনে বুরায়দার সঙ্গী এবং বর্ণনায় দুর্বল। বুখারি তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে বলেছেন: সালিহ ইবনে হাইয়ান আল-কুরাশি দুর্বল, তাঁর ব্যাপারে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। আবু আলি আল-গাসসানি বলেছেন: সালিহ ইবনে হাইয়ান, যাঁর থেকে বুখারি ‘আল-জামি’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তিনি হলেন ফকিহ হাসান ইবনে সালিহ এবং তাঁর ভাই আলি ইবনে সালিহ-এর পিতা . . . . এবং এই সনদে আল-মুহারিবি হলেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ . . . . এবং তিনি তাঁকে এই বিষয়ে সম্বন্ধ করেছেন . . . . ফলে তিনি তাঁর বংশপরিচয় প্রদানে গুরুতর ভুল করেছেন।অধ্যায়: সম্ভবত অনেক সংবাদপ্রাপক মূল শ্রোতা অপেক্ষা অধিক সংরক্ষণকারী হয়ে থাকেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٤)
3 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَيُّ يَوْمٍ هَذَا» . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . وَفِي هَذَا الشَّأْنِ قَالَ. . . . . . . . . . . . . . عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنِ ابْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّمَا دِمَاؤُكُمْ وَأَمْوَالُكُمْ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ» الْحَدِيثَ.قِيلَ: إِسْنَادُ ابْنِ سِيرِينَ أُسْقِطَ فِي نُسْخَةِ أَبِي ذَرٍّ الْهَرَوِيِّ وَأَبِي مُحَمَّدٍ الْحَمَوِيِّ وَأَبِي الْهَيْثَمِ الْكُشْمِيهَنِيِّ. . . . . . ذَلِكَ الْحَدِيثُ الثَّانِي. . . . . . . . . . . بِذَلِكَ. . . . . . . . . .، ابْنُ فَرْغَانَ ذَكَرَ أَنَّ أَبَا بَكْرَةَ. . . . . . . . . وَأَبُو بَكْرَةَ هَذَا الَّذِي رَوَاهُ أَبُو إِسْحَاقَ. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . وَلَمْ يَذْكُرْ أَحَدٌ. . . . . . . . . . . . . . . بَكْرَةَ فِي هَذَا الْمَوْضِعِ، وَوَقَعَ لِرِوَايَةِ الْحَسَنِ الْقَابِسِيِّ. . . . . . . . . أَبِي بَكْرَةَ، وَذَكَرَ أَبُو الْحَسَنِ الْقَابِسِيُّ أَنَّ فِي بَابِ حَجَّةِ الْوَدَاعِ مِنْ كِتَابِ الْمَغَازِي فِي نُسْخَةِ أَبِي زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، وَوَقَعَ فِي نُسْخَةِ الأَصِيلِيِّ هُنَا عَلَى الصَّوَابِ فَقَالَ: عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، وَذَكَرَ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ فِي كِتَابِ الْعِلَلِ أَنَّ ابْنَ عُلَيَّةَ وَعَبْدَ الْوَارِثِ رَوَيَاهُ عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ لَمْ يَذْكُرْ بَيْنَهُمَا أَحَدًا، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ.وَرَوَاهُ قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، وَرَجُلٍ آخَرَ أَفْضَلَ فِي نَفْسِي مِنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَسَمَّاهُ أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، عَنْ قُرَّةَ، فَقَالَ: أَوْ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَلَمْ يُسَمِّهِ يَحْيَى الْقَطَّانُ فِي رِوَايَتِهِ عَنْ قُرَّةَ، قَالَ أَبُو عَلِيٍّ الْغَسَّانِيُّ: وَصَوَابُ اتِّصَالِ هَذَا الإِسْنَادِ أَنْ يَكُونَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، وَعَنْ مُحَمَدِّ بْنِ سِيرِينَ أَيْضًا، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحَمَوِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَوَفِي بَابِ كِتَابَةِ الْعِلْمِ
৩ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «এটি কোন দিন?» . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . এবং এই বিষয়ে তিনি বলেছেন. . . . . . . . . . . . . . ইবনে সিরীন থেকে, তিনি ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই তোমাদের রক্ত এবং তোমাদের সম্পদ তোমাদের জন্য হারাম (পবিত্র/অলঙ্ঘনীয়)» হাদীসের শেষ পর্যন্ত।বলা হয়েছে: আবু যর আল-হারাভী, আবু মুহাম্মদ আল-হামাভী এবং আবু আল-হাইসাম আল-কুশমিহানী-এর পাণ্ডুলিপিতে ইবনে সিরীনের সনদটি বাদ পড়েছে। . . . . . সেটি দ্বিতীয় হাদীস। . . . . . . . . . . তার মাধ্যমে। . . . . . . . . . . , ইবনে ফারগান উল্লেখ করেছেন যে আবু বাকরাহ . . . . . . . . . এবং এই আবু বাকরাহ যাকে আবু ইসহাক বর্ণনা করেছেন . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . এবং এই স্থানে কেউ . . . . . . . . . . . . . . . বাকরাহ উল্লেখ করেননি, আর আল-হাসান আল-কাবেসীর বর্ণনায় পাওয়া যায় . . . . . . . . . আবু বাকরাহ। আর আবুল হাসান আল-কাবেসী উল্লেখ করেছেন যে, কিতাবুল মাগাযীর বিদায় হজ্জের অধ্যায়ে আবু যায়েদের পাণ্ডুলিপিতে আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে। আর আল-আসিলী-এর পাণ্ডুলিপিতে এখানে সঠিকরূপে এসেছে, তিনি বলেছেন: আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি ইবনে আবি বাকরাহ থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে। আর আবুল হাসান আদ-দারা কুতনী 'কিতাবুল ইলাল'-এ উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে উলাইয়্যাহ এবং আব্দুল ওয়ারিস এটি আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা তাঁদের দুজনের মধ্যে কাউকে উল্লেখ করেননি। অনুরূপভাবে ইউনুস ইবনে উবাইদ এটি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং কুররাহ ইবনে খালিদ এটি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ এবং অন্য একজন ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যিনি আমার নিকট আব্দুর রহমানের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। আবু আমির আল-আকাদী কুররাহ থেকে তাঁর নাম উল্লেখ করে বলেছেন: অথবা হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান। কিন্তু ইয়াহইয়া আল-কাত্তান কুররাহ থেকে তাঁর বর্ণনায় নাম উল্লেখ করেননি। আবু আলী আল-গাসসানী বলেন: এই সনদের অবিচ্ছিন্নতার সঠিক রূপ হলো এটি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি বাকরাহ থেকে এবং মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে একইভাবে হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-হামাভী থেকে, তিনি আবু বাকরাহ থেকে।এবং ইলম (জ্ঞান) লিখে রাখার অধ্যায়ে
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٥)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، قَالَ: قُلْتُ لِعَلِيٍّ: هَلْ عِنْدَكُمْ كِتَابٌ؟ قَالَ: «لا، إِلَّا مَا فِي كِتَابِ اللَّهِ» .قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ: يُقَالُ أَنَّ حَدِيثَ وَكِيعٍ عَنْ سُفْيَانَ هَذَا هُوَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَلَمْ يُثْبِتْهُ عَلَيْهِ الْبُخَارِيُّ، قَالَ: وَقَدْ رَوَاهُ يَزِيدُ الْمُقْرِئُ، عَنِ الثَّوْرِيِّ أَيْضًا، قَالَ أَبُو عَلِيٍّ الْغَسَّانِيُّ: وَهَذَا الْحَدِيثُ مَحْفُوظٌ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، وَسَاقَهُ بِإِسْنَادِهِ إِلَيْهِ وَوَثَّقَ رِجَالَهُوَفِي آخِرِ كِتَابِ الْعِلْمِ
৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে সালাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট অকি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সুফইয়ান থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি আবু জুহাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আলীকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনাদের নিকট কি কোনো কিতাব আছে? তিনি বললেন: «না, আল্লাহর কিতাবে যা আছে তা ব্যতীত»।আবু মাসউদ বলেন: বলা হয় যে, সুফইয়ান থেকে অকির বর্ণিত এই হাদিসটি মূলত সুফইয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে এবং ইমাম বুখারি এটি তাঁর থেকে সাব্যস্ত করেননি। তিনি বলেন: ইয়াজিদ আল-মুকরি এটি সাওরি থেকেও বর্ণনা করেছেন। আবু আলী আল-গাসসানি বলেন: এই হাদিসটি সুফইয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে সংরক্ষিত, এবং তিনি এটি তাঁর নিজস্ব সনদসহ বর্ণনা করেছেন এবং এর বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন।আর এটি ইলম অধ্যায়ের শেষে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٦)
5 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِمُعَاذٍ: «مَنْ لَقِيَ اللَّهَ لا يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ» الْحَدِيثَ.سَقَطَ فِي نُسْخَةِ أَبِي يَزِيدَ الْمَرْوَزِيِّ ذِكْرُ مُسَدَّدٍ فَجَاءَ هَذَا الإِسْنَادُ، قَالَ الْقَابِسِيُّ وَعَبْدُوسٌ: وَلا يَتَّصِلُ السَّنَدُ إِلَّا بِذِكْرِهِوَفِي كِتَابِ الْوُضُوءِ، فِي بَابِ غَسْلِ الْمَنِيِّ وَفَرْكِهِ
৫ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুতামির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আনাস (রা.)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুআয (রা.)-কে বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে সে তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করেনি, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে» - হাদিসটি।আবু ইয়াজিদ আল-মারওয়াযির পাণ্ডুলিপিতে মুসাদ্দাদের নাম বাদ পড়ে গিয়েছে, ফলে এসেছে এই সনদটি। আল-ক্বাবিসি এবং আবদুস বলেছেন: তাঁর উল্লেখ ব্যতীত এই সনদটি সংযুক্ত হয় না।এবং ওজু অধ্যায়ে, বীর্য ধৌত করা ও তা ঘষে পরিষ্কার করার পরিচ্ছেদে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٧)
6 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ يَزِيدَ، عَنْ عَمْرٍو هُوَ ابْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي الْمَنِيِّ يُصِيبُ الثَّوْبَ.وَقَعَ يَزِيدُ فِي نُسْخَةِ أَبِي زَيْدٍ وَأَبِي أَحْمَدَ يَزِيدُ غَيْرُ مَنْسُوبٍ، قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ: وَكَذَلِكَ كَانَ فِي كِتَابِ الْفَرَبْرِيِّ وَمُحَمَّدُ بْنُ شَاكِرٍ، وَنَسَبَهُ ابْنُ السَّكَنِ فَقَالَ: يَزِيدُ يَعْنِي ابْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: هَذَا مَا رَأَى أَبُو نَصْرٍ الْكَلابَاذِيُّ فِي كِتَابِهِ، يَعْنِي بِقَوْلِهِ فِي تَرْجَمَتِهِ، عَمرُو بْنُ مَيْمُونٍ الْجَزَرِيُّ: سَمِعَ عَمْرٌو سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، وَرَوَى عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ وَعَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيَادٍ وَيَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ فِي الْوُضُوءِ.وَقَالَ أَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ: يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَكَذَلِكَ نَسَبَهُ أَبُو نَصْرٍ السجزي ابْن سَعِيدٍ مِنْ فَوَائِدِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ صَخْرٍ، قَالَ أَبُو نَصْرٍ السِّجْزِيُّ: أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، وَالْحَدِيثُ مَحْفُوظٌ لِيَزِيدَ بْنِ هَارُونَ بِهَذَا الإِسْنَادِ عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَائِشَةَوَفِي بَابِ مَنْ لَمْ يَرَ الْوُضُوءَ إِلا مِنَ الْمَخْرَجَيْنِ
৬ - কুতাইবা বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াজিদ থেকে, তিনি আমর (যিনি ইবনে মাইমুন) থেকে, তিনি সুলাইমান থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, কাপড়ে বীর্য লাগা প্রসঙ্গে।আবু জায়দ ও আবু আহমদের পাণ্ডুলিপিতে ইয়াজিদ নামটি তার বংশপরিচয় (নিসবত) উল্লেখ ছাড়াই এসেছে। আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেন: আল-ফারাবরি এবং মুহাম্মদ বিন শাকিরের কিতাবেও অনুরূপ ছিল। ইবনুস সাকান তার বংশপরিচয় উল্লেখ করে বলেছেন: ইয়াজিদ অর্থাৎ ইবনে জুরাই'। তিনি বলেন: এটিই আবু নাসর আল-কালাবাদি তার কিতাবে দেখেছেন, অর্থাৎ তার জীবনীর আলোচনায় তিনি বলেছেন যে, আমর বিন মাইমুন আল-জাজারি: আমর সুলাইমান বিন ইয়াসার থেকে শুনেছেন এবং তিনি ইবনুল মুবারক, আবদুল ওয়াহিদ বিন জিয়াদ ও ইয়াজিদ বিন জুরাই' থেকে ওজু অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেন: (তিনি হলেন) ইয়াজিদ বিন হারুন। আবু নাসর আস-সিজজি ইবনে সাঈদও আবু আল-হাসান বিন সাখরের 'ফাওয়াইদ' থেকে অনুরূপভাবে তার বংশপরিচয় উল্লেখ করেছেন। আবু নাসর আস-সিজজি বলেন: ইমাম বুখারি এটি কুতাইবা থেকে এবং তিনি ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন। আর হাদিসটি ইয়াজিদ বিন হারুনের মাধ্যমে এই সনদে আমর বিন মাইমুন থেকে, তিনি সুলাইমান বিন ইয়াসার থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে সংরক্ষিত রয়েছে।এবং 'যিনি দুই পথ (মল ও মূত্র ত্যাগের রাস্তা) ব্যতীত অন্য কিছুতে ওজু আবশ্যক মনে করেন না' অনুচ্ছেদে এটি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٨)
7 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ حَفْصٍ، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ.وَقَعَ فِي نُسْخَةِ أَبِي الْحَسَنِ سَعِيدِ بْنِ حَفْصٍ وَهُوَ وَهْمٌ، وَصَوَابُهُ سَعْدٌ بِسُكُونِ الْعَيْنِ وَهُوَ سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ الطَّلْحِيُّ الْكُوفِيُّ مِنْ وَلَدِ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَمِثْلُ هَذَا فِي كِتَابِ الْجِهَادِ فِي بَابِ فَضْلِ النَّفَقَةِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَفِي نُسْخَةِ أَبِي الْحَسَنِ الْقَابِسِيِّ سَعِيدٌ بِالْيَاءِ بَعْدَ الْعَيْنِ وَلَيْسَ بِشَيْءٍ، قُلْتُ: سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ أَبُو مُحَمَّدٍ الطَّلْحِيُّ الْكُوفِيُّ، يُقَالُ لَهُ: الضّخمُ مَوْلَى طَلْحَةَ، مَاتَ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَمِائَتَيْنِ وَاللَّهُ أَعْلَمُبَابُ الْغُسْلِ بِالصَّاعِ
৭ - আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে হাফস বর্ণনা করেছেন শায়বান থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে যে, আতা ইবনে ইয়াসার তাকে জায়েদ ইবনে খালিদ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি উসমান ইবনে আফফানকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। আবুল হাসান সাহেবের পাণ্ডুলিপিতে "সাঈদ ইবনে হাফস" এসেছে এবং এটি একটি ভ্রান্তি; এর সঠিক রূপ হলো আইন বর্ণের সুকুনসহ "সা'দ", আর তিনি হলেন সা'দ ইবনে হাফস আত-তালহি আল-কুফি, যিনি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর বংশধর। কিতাবুল জিহাদের "আল্লাহর পথে ব্যয়ের ফযিলত" অধ্যায়েও অনুরূপ রয়েছে। আবুল হাসান আল-কাবেসীর পাণ্ডুলিপিতে আইন বর্ণের পর ইয়া যোগে "সাঈদ" এসেছে যা ধর্তব্য নয়। আমি বলছি: সা'দ ইবনে হাফস আবু মুহাম্মদ আত-তালহি আল-কুফি, তাকে আদ-দখম বলা হয়, তিনি তালহার আযাদকৃত দাস ছিলেন। তিনি ২১৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। আল্লাহই সর্বজ্ঞাত। এক সা পরিমাণ পানি দ্বারা গোসলের অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٩)
8 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، أَنَّهُ كَانَ عِنْدَ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ هُوَ وَأَبُوهُ.سَقَطَ مِنْ هَذَا الإِسْنَادِ عِنْدَ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَمَوِيُّ مِنْ شُيُوخِ الْبُخَارِيِّ يَحْيَى بْنُ آدَمَ، وَلا يَتَّصِلُ السَّنَدُ إِلَّا بِذِكْرِهِ وَسُقُوطُهُ وَهْمٌ.بَابُ الْجُنُبِ يَخْرُجُ وَيَمْشِي فِي السُّوقِ
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আদম, তিনি জুহাইর থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু জাফর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি এবং তাঁর পিতা জাবির ইবনে আবদুল্লাহর নিকট উপস্থিত ছিলেন।আবু মুহাম্মদ আল-হামাভীর নিকট ইমাম বুখারীর উস্তাদদের মধ্য থেকে এই সনদে [একটি নাম] বাদ পড়েছে। ইয়াহইয়া ইবনে আদম; আর তাঁর উল্লেখ ব্যতীত সনদটি সংযুক্ত হয় না এবং এর বিলুপ্তি একটি ভ্রম মাত্র।পরিচ্ছেদ: অপবিত্র (জুনুবী) ব্যক্তির বাইরে বের হওয়া এবং বাজারে চলাফেরা করা
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَة، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ «كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ» .فِي نُسْخَةِ أَبِي مُحَمَّدٍ الأصيلي بَدَلَ سَعِيدٍ شُعْبَة بَيْنَ ابْنِ زُرَيْعٍ وَقَتَادَةَ، وَالصَّوَابُ سَعِيدُ ابْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَبُو عَلِيِّ ابْنُ السَّكَنِ وَغَيْرُهُ مِنْ رُوَاةِ الْفَرَبْرِيِّبَابُ الْجُنُبِ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَنَامُ
৯ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল আ’লা, তিনি ইয়াযীদ ইবনু যুরাই‘ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘তাঁর স্ত্রীদের নিকট গমনাগমন করতেন।’আবূ মুহাম্মাদ আল-আসীলীর পাণ্ডুলিপিতে ইবনু যুরাই‘ এবং কাতাদাহর মাঝে সাঈদের পরিবর্তে শু‘বাহর নাম রয়েছে, তবে সঠিক হলো সাঈদ ইবনু আবী আরুবাহ। আর আবূ আলী ইবনুস সাকান এবং আল-ফারাবরীর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।পরিচ্ছেদ: জুনুবি ব্যক্তি উযূ করবে, অতঃপর ঘুমাবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١١)
10 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: «ذَكَرَ عُمَرُ لِرَسُولِ اللَّهِ أَنَّهُ يُصِيبُهُ جَنَابَةً مِنَ اللَّيْلِ.الْحَدِيثَ» .كَذَا رَوَاهُ أَبُو زَيْدٍ الْمَرْوَزِيُّ، وَأَسْقَطَ ابْنُ السَّكَنِ فِي رِوَايَتِهِ عَنِ الْفَرَبْرِيِّ، عَنِ الْبُخَارِيِّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ، بَيْنَ مَالِكٍ، وَابْنِ عُمَرَ، وَزَادَ نَافِع بَعْدَ مَالِكٍ، وَلَعَلَّهُ كَانَ فِي نُسْخَةِ الأَصِيلِيِّ عَنْ أَبِي أَحْمَدَ غَيْرَ أَنَّهُ ضَرَبَ عَلَى نَافِعٍ وَكَتَبَ فَوْقَهُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ، وَرِوَايَةُ أَبِي ذَرٍّ عَنْ شُيُوخِهِ الثَّلاثَةِ كَرِوَايَةِ أَبِي زَيْدٍ، وَكِلا الْقَوْلَيْنِ صَوَابٌ وَالْحَدِيثُ مَحْفُوظٌ لِمَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَمِمَّنْ رَوَاهُ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ إِسْحَاقُ بْنُ الطَّبَّاعِ، وَخَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، وَأَبِي بَكْرٍ، وَسَعِيدُ بْنُ نُمَيْرٍ، إِلَّا أَنَّهُ أَشْهَرُ بِرِوَايَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ.وَمِثْلُهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ كَانَ يَأْتِي قُبَاءً رَاكِبًا وَمَاشِيًا، وَمِثْلُهُ أَنَّ رَجُلا نَادَى رَسُولَ اللَّهِ: مَا تَرَى فِي الضَّبِّ؟ قَالَ: «لَسْتُ بِآكِلِهِ وَلا مُحَرِّمِهِ» ، وَحَدِيثُ «مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا لا يُغْنِي عَنْهُ زَرْعًا وَلا ضَرْعًا، نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ» .كُلُّ هَذِهِ الأَحَادِيثِ قَدْ رَوَاهَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ وَعَنْ نَافِعٍ، وَهِيَ بِرِوَايَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ أَشْهَرُكِتَابُ الصَّلاةِ بَابُ الْمَسَاجِدِ فِي الْبُيُوتِ
১০ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ বর্ণনা করেছেন মালিক হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দিনার হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «উমর আল্লাহর রাসূলের নিকট উল্লেখ করলেন যে, রাতে তাঁর জানাবাত (নাপাকি) অবস্থা হয়।হাদিসটির অবশিষ্টাংশ»।আবু যায়িদ আল-মারওয়াযি এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন। আর ইবনুস সাকান ফারাাবরি হতে, তিনি বুখারি হতে যে বর্ণনা করেছেন তাতে মালিক ও ইবনে উমরের মাঝখান থেকে আবদুল্লাহ ইবনে দিনারকে বাদ দিয়েছেন এবং মালিকের পরে নাফি-কে যুক্ত করেছেন। সম্ভবত আবু আহমাদ হতে বর্ণিত আল-আসিলির কপিতে এমনটি ছিল যে, তিনি নাফি নামের উপর দাগ কেটে দিয়েছিলেন এবং তার উপরে আবদুল্লাহ ইবনে দিনার লিখেছিলেন। আর তাঁর তিন শায়খের সূত্রে আবু যারের বর্ণনাটি আবু যায়িদের বর্ণনার অনুরূপ। উভয় বক্তব্যই সঠিক। হাদিসটি মালিকের সূত্রে নাফি এবং আবদুল্লাহ ইবনে দিনার উভয় থেকেই ইবনে উমরের মাধ্যমে সংরক্ষিত। যারা মালিকের সূত্রে নাফি হতে এটি বর্ণনা করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন ইসহাক ইবনুত তিব্বা, খালিদ ইবনে মাখলাদ, আবু বকর এবং সাঈদ ইবনে নুমাইর; তবে এটি আবদুল্লাহ ইবনে দিনারের বর্ণনায় বেশি প্রসিদ্ধ।এর অনুরূপ হলো আল্লাহর রাসূল সওয়ার হয়ে এবং হেঁটে কুবায় আসতেন। এর অনুরূপ হলো এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূলকে ডেকে বললেন: গুইসাপ সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন? তিনি বললেন: «আমি এটি খাই না এবং হারামও করি না»। আর এই হাদিস: «যে ব্যক্তি এমন কুকুর পালন করে যা তার শস্যক্ষেত্র বা গবাদিপশু রক্ষার কাজে আসে না, তার আমল হতে প্রতিদিন দুই কিরাত পরিমাণ নেকি কমে যায়»।এই সবকটি হাদিস ইমাম মালিক আবদুল্লাহ ইবনে দিনার এবং নাফি উভয় থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে এগুলো আবদুল্লাহ ইবনে দিনারের বর্ণনায় অধিক প্রসিদ্ধ।সালাত অধ্যায়: ঘরে মাসজিদ তৈরির অনুচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - ذُكِرَ فِي حَدِيثِ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ: «وَصَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِهِ» .وَفِي آخِرِ الْحَدِيثِ قَالَ ابْنُ نَبْهَانَ: ثُمَّ سَأَلْتُ الْحُصَيْنَ بْنَ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيَّ، وَهُوَ أَحَدُ بَنِي سَالِمٍ عَنْ حَدِيثِ مَحْمُودٍ فَصَدَّقَهُ بِذَلِكَ، كَانَ الْقَابِسِيُّ يَقُولُ: الْحُضَيْنُ بِضَادٍ مُعْجَمَةٍ، وَيَذْكُرُ أَنَّهُ لَيْسَ فِي الْجَامِعِ حُضَيْنٌ بِضَادٍ مُعْجَمَةٍ غَيْرَ هَذَا، وَلَمْ يَقُلْ أَحَدٌ ذَلِكَ سِوَاهُ، وَإِنَّمَا هُوَ حُصَيْنٌ بِصَادٍ مُهْمَلَةٍ وَكَذَلِكَ جَعَلَهُ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ فِي بَابِ حُصَيْنٍ، وَلَيْسَ فِي رُوَاةِ الْحَدِيثِ حُضَيْنٌ بِضَادٍ مُعْجَمَةٍ غَيْرَ وَاحِدٍ، وَلَمْ يُخْرِجِ الْبُخَارِيُّ عَنْهُ شَيْئًا، وَهُوَ الْحُضَيْنُ بْنُ الْمُنْذِرِ الرَّقَاشِيُّ أَبُو سَاسَانَ، رَوَى لَهُ مُسْلِمٌ فِي كِتَابِ الْحُدُودِ، وَذَكَرْنَاهُ فِي الْمُخْتَلِفِ وَالْمُؤْتَلِفِبَابُ الْخَوْخَةِ وَالْمَمَرِّ فِي الْمَسْجِدِ
১১ - ইতবান বিন মালিক-এর হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে: «এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ঘরে সালাত আদায় করেছেন»।হাদিসের শেষে ইবনে নাবহান বলেছেন: এরপর আমি হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারিকে—যিনি বনী সালিমের অন্যতম ব্যক্তি—মাহমুদ-এর হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা সত্য বলে নিশ্চিত করেন। আল-কাবেসি বলতেন: এটি 'হুযাইন' (নুক্তাযুক্ত 'দাদ' সহকারে), এবং তিনি উল্লেখ করেন যে, এই জামে (গ্রন্থ)-তে এই একজন ছাড়া আর কোনো 'হুযাইন' (নুক্তাযুক্ত 'দাদ' সহকারে) নেই। তিনি ছাড়া অন্য কেউ এমনটি বলেননি, বরং এটি হলো 'হুসাইন' (নুক্তাবিহীন 'সাদ' সহকারে)। ইমাম বুখারি তাঁর 'তারিখ'-এ একে 'হুসাইন' অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। হাদিসের রাবিদের মধ্যে 'হুযাইন' (নুক্তাযুক্ত 'দাদ' সহকারে) নামধারী ব্যক্তি মাত্র একজনই আছেন, যাঁর থেকে ইমাম বুখারি কোনো বর্ণনা উদ্ধৃত করেননি। তিনি হলেন হুযাইন বিন মুনজির আর-রাকাশি আবু সাসান; ইমাম মুসলিম তাঁর 'কিতাবুল হুদুদ'-এ তাঁর বর্ণনা এনেছেন এবং আমরা 'আল-মুখতালিফ ওয়াল মুতালিফ'-এ তাঁর কথা উল্লেখ করেছি।অনুচ্ছেদ: মসজিদে প্রবেশের ছোট দরজা ও চলাচলের পথ
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، فَذَكَرَ أَنَّ «عَبْدًا خَيَّرَهُ اللَّهُ بَيْنَ الدُّنْيَا وَبَيْنَ مَا عِنْدَهُ» .الْحَدِيثَ.هَكَذَا هَذَا الإِسْنَادُ عِنْدَ أَبِي زَيْدٍ الْمَرْوَزِيِّ، وَوَقَعَ مِنَ ابْنِ السَّكَنِ، وَأَبِي أَحْمَدَ الْجرجاني عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ بِشْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ.قَالَ ابْنُ السَّكَنِ، عَنِ الْفَرَبْرِيِّ: قَالَ الْبُخَارِيُّ: هَكَذَا رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ فُلَيْحٍ يَعْنِي عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ بِشْرٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، وَهُوَ خَطَأٌ وَابْن هُوَ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، وَعَنْ بِشْرِ بْنِ سَعِيدٍ يَعْنِي بِوَاوِ الْعَطْفِ، وَمِمَّنْ رَوَاهُ عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، وَعَنْ بِشْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، مُعَافَى بْنِ سُلَيْمَانَ، وَأَبُو عَامِرٍ الْعَبْدِيُّ ذَكَرَهُ الْبُخَارِيُّ فِي مَنَاقِبِ أَبِي بَكْرٍ، وَرَوَاهُ يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، وَبِشْرِ بْنِ سَعِيدٍ، جَمِيعًا، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَكَذَلِكَ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَنْصُورٍ، فَهَذِهِ ثَلاثَةُ أَوْجُهٍ مُخْتَلِفَةٍ عَنْ فُلَيْحٍ، وَلَعَلَّ فُلَيْحًا كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ مَرَّةً عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، وَمَرَّةً عَنْ بِشْرِ بْنِ سَعِيدٍ، وَمَرَّةً يَجْمَعُهُمَا، وَكُلٌّ صَوَابٌ، وَالْحَدِيثُ مَحْفُوظٌ لِسَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، وَبِشْرِ بْنِ سَعِيدٍ جَمِيعًا، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ.وَرَوَاهُ مَالِكٌ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ.رَوَاهُ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ: وَحَدِيثُ مَالِكٍ هَذَا لَمْ أَرَهُ فِي الْمُوَطَّأِ إِلا فِي كِتَابِ الْجَامِعِ لِلْقَعْنَبِيِّ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِي الْمُوَطَّأِ غَيْرَهُ، قَالَ: وَمَنْ تَابَعَهُ عَلَيْهِ فَإِنَّمَا رَوَاهُ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّأِ، وَأَمَّا رِوَايَةُ مُحَمَّدِ بْنِ سِنَانٍ، وَمُعَافَى بْنِ سُلَيْمَانَ عَنْ فُلَيْحٍ فَلَيْسَتْ مَحْفُوظَةً عَنْ أَبِي النَّضْرِ سَالِمٍ، قَالَهُ الْغَسَّانِيُّوَمِنْ بَابِ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاةُ فَلا صَلاةَ إِلا الْمَكْتُوبَةَ
১২ - মুহাম্মদ ইবনে সিনান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি ফুলাইহ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন; তিনি উল্লেখ করেছেন যে, «আল্লাহ এক বান্দাকে দুনিয়া এবং তাঁর কাছে যা আছে তার মধ্যে কোনো একটি বেছে নেয়ার এখতিয়ার দিলেন।»হাদীসটি শেষ পর্যন্ত।আবু যাইদ আল-মারওয়াযীর নিকট এই সনদটি এভাবেই রয়েছে, আর ইবনুস সাকান ও আবু আহমাদ আল-জুরজানী উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি বিশর ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন।ইবনুস সাকান আল-ফিরাবরী থেকে বর্ণনা করেন যে, বুখারী বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে সিনান ফুলাইহ থেকে, অর্থাৎ উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি বিশর থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। তবে এটি ভুল; বরং সঠিকটি হলো উবাইদ ইবনে হুনাইন এবং বিশর ইবনে সাঈদ থেকে (অর্থাৎ সংযোজক অব্যয় 'ওয়াও' সহকারে)। যারা ফুলাইহ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন ও বিশর ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন মুআফা ইবনে সুলাইমান এবং আবু আমির আল-আবদী। ইমাম বুখারী এটি 'আবু বকরের মর্যাদা' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। আর ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ও সাঈদ ইবনে মানসুর এটি ফুলাইহ থেকে, তিনি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন ও বিশর ইবনে সাঈদ উভয়ের মাধ্যমে আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিমও সাঈদ ইবনে মানসুর থেকে এভাবেই হাদীসটি বের করেছেন। সুতরাং ফুলাইহ থেকে এটি তিনটি ভিন্ন ভিন্ন রূপ। সম্ভবত ফুলাইহ কখনও উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, কখনও বিশর ইবনে সাঈদ থেকে এবং কখনও উভয়কে একত্রে মিলিয়ে হাদীসটি বর্ণনা করতেন। এর প্রতিটিই সঠিক। হাদীসটি সালিম আবু আন-নাদর থেকে সংরক্ষিত, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন ও বিশর ইবনে সাঈদ উভয়ের মাধ্যমে আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।ইমাম মালিক এটি আবু আন-নাদর থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে হুনাইন থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন।আল-কানাবী এটি মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু হাসান আদ-দারাকুতনী বলেছেন: ইমাম মালিকের এই হাদীসটি আমি আল-কানাবীর 'কিতাবুল জামি' ব্যতীত মুওয়াত্তার অন্য কোথাও দেখিনি। মুওয়াত্তার অন্য কোনো বর্ণনাকারীর সূত্রে তিনি এটি উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন: যারা এক্ষেত্রে তাঁর অনুসরণ করেছেন, তারা এটি মুওয়াত্তা ব্যতীত অন্য গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আর মুহাম্মদ ইবনে সিনান ও মুআফা ইবনে সুলাইমানের ফুলাইহ থেকে বর্ণিত বর্ণনাটি আবু আন-নাদর সালিম থেকে সংরক্ষিত নয়। এটি আল-গাসসানী বলেছেন।এবং অধ্যায়: যখন নামাযের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয নামায ব্যতীত অন্য কোনো নামায নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، قَالَ: «مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِرَجُلٍ، وَذَكَرَ الْحَدِيثَ» ، ثُمَّ أَرْدَفَهُ بِحَدِيثِ شُعْبَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَجُلا مِنَ الأَزْدِ يُقَالُ لَهُ مَالِكُ بْنُ بُحَيْنَةَ، فَجَعَلَ الْحَدِيثَ لِمَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ وَالِدِ عَبْدِ اللَّهِ، هَكَذَا رَوَاهُ بَهْزُ بْنُ أَسَدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، وَتَابَعَهُ غُنْدَرٌ وَمُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، وَحَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، وَرِوَايَةُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَهُوَ الأُوَيْسِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ عِنْدَهُمْ أَصَحُّ مِنْ رِوَايَةِ شُعْبَةَ، قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ: أَهْلُ الْعِرَاقِ مِنْهُمْ شُعْبَةُ وَحَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ وَأَبُو عَوَانَةَ يَقُولُونَ: عَنْ سَعْدٍ عَنْ حَفْصٍ عَنْ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، وَأَهْلُ الْحِجَازِ يَقُولُونَ فِي نِسْبَتِهِ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ وَهُوَ الأَصَحُّ، وَذَكَرَ مُسْلِمٌ أَنَّ الْقَعْنَبِيَّ قَالَ فِي هَذَا الإِسْنَادِ: عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ مُسْلِمٌ: وَقَوْلُهُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ: عَنْ أَبِيهِ خَطَأٌ، وَأَسْقَطَ مُسْلِمٌ فِي مُسْنَدِهِ مِنْ هَذَا الإِسْنَادِ قَوْلَهُ: عَنْ أَبِيهِ مِنْ رِوَايَةِ الْقَعْنَبِيِّ، وَلَمْ يَذْكُرْهُ إِلَّا أَنَّهُ نَبَّهَ عَلَيْهِ كَمَا تَرَى، وَذَكَرَ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، ثُمَّ قَالَ: وَقَالَ بَعْضُهُمْ: مَالِكُ بْنُ بُحَيْنَةَ، وَالأَوَّلُ أَصَحُّ.وَقَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ لَيْسَ الَّذِي رَآهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَإِنَّمَا الْحَدِيثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكِ بْنِ بُحَيْنَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ قَالَ: وَهَذَا خَطَأٌ، لَيْسَ يَرْوِي أَبُوهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْئًاوَمِنْ بَابِ: الرَّجُلُ يَأْتَمُّ بِالإِمَامِ، وَيَأْتَمُّ النَّاسُ بِالْمَأْمُومِ.
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে সাদ ইবনে ইবরাহিম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, এরপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন», এরপর তিনি শু'বার হাদিসটি এর সাথে যুক্ত করেছেন, যা সাদ ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আজদ গোত্রের এক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি যাকে মালিক ইবনে বুহাইনা বলা হয়, ফলে তিনি হাদিসটিকে আবদুল্লাহর পিতা মালিক ইবনে বুহাইনার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন। এভাবেই বাহজ ইবনে আসাদ শু'বা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, আর গুন্দার এবং মুআয ইবনে মুআয আল-আনবারী শু'বা থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন। একইভাবে ইয়াযিদ ইবনে যুরায় এবং হাজ্জাজ ইবনে মুহাম্মদ শু'বা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আর আবদুল আজিজ ইবনে আবদুল্লাহ (যিনি আল-উয়াইসি) কর্তৃক ইবরাহিম ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনা থেকে যে বর্ণনা করেছেন, সেটি তাদের নিকট শু'বার বর্ণনার চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ। আবু মাসউদ আদ-দিমাশকি বলেন: ইরাকবাসীরা, যাদের মধ্যে শু'বা, হাম্মাদ ইবনে যায়েদ এবং আবু আওয়ানা রয়েছেন, তাঁরা বলেন: সাদ থেকে, তিনি হাফস থেকে, তিনি মালিক ইবনে বুহাইনা থেকে। আর হিজাযবাসীরা তাঁর বংশপরিচয়ের ক্ষেত্রে বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনা, আর এটিই অধিক বিশুদ্ধ। ইমাম মুসলিম উল্লেখ করেছেন যে, আল-কা'নাবি এই সনদে বলেছেন: হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে। মুসলিম বলেন: এই হাদিসে তাঁর 'তাঁর পিতা থেকে' বলাটা একটি ভুল। আর মুসলিম তাঁর মুসনাদে এই সনদ থেকে আল-কা'নাবির বর্ণনায় 'তাঁর পিতা থেকে' কথাটি বাদ দিয়েছেন এবং এটি উল্লেখ করেননি, তবে তিনি এ ব্যাপারে সচেতন করে দিয়েছেন যেমনটি আপনি দেখছেন। এবং ইমাম বুখারি তাঁর তারিখে আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনার কথা উল্লেখ করেছেন, এরপর তিনি বলেছেন: তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন: মালিক ইবনে বুহাইনা, তবে প্রথমটিই অধিক বিশুদ্ধ।ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনা সেই ব্যক্তি নন যাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখেছিলেন, বরং হাদিসটি হলো আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে বুহাইনা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। ইবরাহিম ইবনে সাদ বলেন: এটি একটি ভুল, তাঁর পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো কিছুই বর্ণনা করেননি।এবং এই পরিচ্ছেদ থেকে: ব্যক্তি ইমামের অনুসরণ করবে এবং লোকজন মুক্তাদির অনুসরণ করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «لَمَّا ثَقُلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم جَاءَ بِلالٌ يُؤَذِّنُهُ بِالصَّلاةِ» .سَقَطَ فِي هَذَا الإِسْنَادِ مِنْ أَبِي زَيْدٍ إِبْرَاهِيمُ بَيْنَ الأَعْمَشِ وَالأَسْوَدِ حَكَاهُ أَبُو الْحَسَنِ الْقَابِسِيُّ وَعَبْدُوسٌ وَهُوَ وَهْمٌوَمِنْ كِتَابِ الْجُمُعَةِ
১৪ - কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অসুস্থতা বৃদ্ধি পেল, তখন বিলাল তাঁকে সালাতের সংবাদ দিতে এলেন।» .আবু যাইদের বর্ণনায় এই সনদে বাদ পড়েছে আ’মাশ এবং আসওয়াদের মধ্যবর্তী ইবরাহীমের নাম; এটি আবুল হাসান আল-কাবেসী এবং আবদুস বর্ণনা করেছেন, আর এটি একটি ভুল।এবং জুমুআ অধ্যায় হতে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ ابْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ أَنَسٍ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «كَانَ جِذْعٌ يَقُومُ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا وُضِعَ لَهُ الْمِنْبَرُ سَمِعْنَا لِلْجِذْعِ مِثْلَ أَصْوَاتِ الْعِشَارِ حَتَّى نَزَلَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهِ» .وَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِتَمَامِهِ، ثُمَّ قَالَ: وَقَالَ سُلَيْمَانُ: عَنْ يَحْيَى، حَدَّثَنِي حَفْصُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا، وَخَرَّجَهُ فِي بَابِ عَلامَاتِ النُّبُوَّةِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ، عَنْ أَخِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا.قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ: سُلَيْمَانُ الَّذِي اسْتَشْهَدَ بِهِ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّلاةِ هُوَ ابْنُ بِلالٍ أَيْضًا، وَقَدْ رَوَاهُ سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ جَابِرٍ، وَلَمْ يَذْكُرْ سَمَاعَ بَعْضِهِمْ مِنْ بَعْضٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ يَقُولُ فِيهِ: عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ حَفْصِ بْنِ أَنَسٍ، وَيُخْطِئُ فِي ذَلِكَ، فَجَعَلَهُ الْبُخَارِيُّ عَنِ ابْنِ أَنَسٍ، وَلَمْ يُسَمِّهِ لِكَوْنِهِ أَقْرَبَ إِلَى الصَّوَابِ، قَالَ الْغَسَّانِيُّ: قَالَ الْبُخَارِيُّ فِي التَّارِيخِ: قَالَ بَعْضُهُمْ: عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ حَفْصٍ وَلا يَصِحُّ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ حَفْصٍ، وَفِي نُسْخَةِ أَبِي ذَرٍّ حَفْصُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ، وَصَوَابُهُ حَفْصُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍوَمِنْ كِتَابِ الْعِيدَيْنِ، فِي بَابِ مَنْ خَالَفَ الطَّرِيقَ
১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসীর থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি বলেন: আমাকে ইবনে আনাস অবহিত করেছেন যে তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: «একটি খেজুর গাছের গুঁড়ি ছিল যার পাশে দাঁড়িয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খুতবা দিতেন। যখন তাঁর জন্য মিম্বর স্থাপন করা হলো, তখন আমরা সেই গুঁড়িটি থেকে দশ মাসের গর্ভবতী উটের কান্নার মতো শব্দ শুনতে পেলাম যতক্ষণ না নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটির কাছে নেমে আসলেন এবং তাঁর হাত সেটির ওপর রাখলেন।»।তিনি হাদীসটি পূর্ণাঙ্গভাবে উল্লেখ করেছেন, তারপর বলেছেন: সুলাইমান ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস আমাকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি জাবির থেকে শুনেছেন। আর তিনি (ইমাম বুখারী) এটি নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী অধ্যায়ে ইসমাইল ইবনে আবি উওয়াইস থেকে, তিনি তাঁর ভাই থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে বিলাল থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস থেকে, তিনি জাবির থেকে শুনেছেন সূত্রে সংকলন করেছেন।আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেছেন: বুখারী সালাত অধ্যায়ে যে সুলাইমানকে সাক্ষী হিসেবে পেশ করেছেন তিনি হলেন ইবনে বিলাল। সুলাইমান ইবনে কাসীর আল-আবদীও ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি একে অপরের থেকে শোনার বিষয়টি উল্লেখ করেননি। মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসীর এতে বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস ইবনে আনাস থেকে, এবং তিনি এতে ভুল করেছেন। তাই বুখারী একে ইবনে আনাস থেকে উল্লেখ করেছেন এবং সঠিকের নিকটতর হওয়ার কারণে তাঁর নাম নির্দিষ্ট করেননি। আল-গাসসানী বলেন: বুখারী ‘আত-তারীখ’-এ বলেছেন: কেউ কেউ বলেছেন— উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস, অথচ উবাইদুল্লাহ ইবনে হাফস সঠিক নয়। আবু যর-এর পাণ্ডুলিপিতে হাফস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আনাস রয়েছে, তবে সঠিক হলো হাফস ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আনাস।এবং দুই ঈদ অধ্যায় থেকে, ‘যে ব্যক্তি পথ পরিবর্তন করে’ অনুচ্ছেদে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ أَبِي تُمَيْلَةَ يَحْيَى بْنِ وَاضِحٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم «إِذَا كَانَ يَوْمُ عِيدٍ خَالَفَ الطَّرِيقَ» .تَابَعَهُ يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، وَحَدِيثُ جَابِرٍ أَصَحُّ.هَكَذَا هُوَ فِي الرِّوَايَةِ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ الْقَابِسِيِّ، وَأَبِي مُحَمَّدٍ الأَصِيلِيِّ، وَأَبُو ذَرٍّ الْهَرَوِيُّ، وَعِنْدَ ابْنِ السَّكَنِ بَعْدَ حَدِيثِ أَبِي تُمَيْلَةَ، تَابَعَ يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَحَدِيثُ جَابِرٍ أَصَحُّ، وَلَمْ يَزِدِ النَّسَفِيُّ، عَنِ الْبُخَارِيِّ عَلَى قَوْلِهِ، تَابَعَ يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، قَالَ: وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ الْبُخَارِيُّ: وَحَدِيثُ جَابِرٍ أَصَحُّ، قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ: وَإِنَّمَا رَوَاهُ يُونُسُ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، لا عَنْ جَابِرٍ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، قَالَ أَبُو عَلِيٍّ الْغَسَّانِيُّ: وَهَذَا صَرِيحٌ مِنْهُ فِي الرَّدِّ عَلَى الْبُخَارِيِّ، وَقَوْلُ الْبُخَارِيِّ صَحِيحٌ، وَمُتَابَعَةُ يُونُسَ لأَبِي تُمَيْلَةَ صَحِيحَةٌ، وَذَكَرَ أَبُو مَسْعُودٍ فِي مُسْنَدِ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ الْبُخَارِيُّ فِي كِتَابِ الْعِيدَيْنِ: قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ بِنَحْوِهِ، يَعْنِي خَبَرَ جَابِرٍ، قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ، وَكَذَلِكَ قَالَ يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَالْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ، وَقَالَ الْغَسَّانِيُّ: وَرِوَايَةُ يُونُسَ بْنِ مُحَمَّدٍ لِهَذَا الْحَدِيثِ مِنْ طَرِيقِ جَابِرٍ مَحْفُوظَةٌ صَحِيحَةٌ، وَلَمْ يَقَعْ فِي الْجَامِعِ لَنَا حَدِيثُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّلْتِ إِلا مِنْ طَرِيقِ أَبِي مَسْعُودٍ، وَلا غِنَى فِي الْبَابِ عَنْهُ لِقَوْلِ الْبُخَارِيِّ: وَحَدِيثُ جَابِرٍ أَصَحُّ، وَرَوَاهُ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الْعُقَيْلِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّلْتِ الْكُوفِيِّ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ مِنْ رِوَايَةِ فُلَيْحٍ إِلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، ثُمَّ قَالَ: وَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ غَرِيبٌ، ثُمَّ ذَكَرَهُ مِنْ طَرِيقِ أَبِي تُمَيْلَةَ، وَيُونُسَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَبِو جَعْفَرٍ الْعُقَيْلِيُّ مِنْ طَرِيقِ يُونُسَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ فُلَيْحٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ الْغَسَّانِيُّ: وَمَا ذَكَرْنَاهُ أَوَّلَ الْبَابِ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي عَلِيِّ بْنِ السَّكَنِ فِي الْجَامِعِ فَنَرَى أَنَّهُ مِنْ إِصْلاحِهِ، قُلْتُ: مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ بْنِ الْحَجَّاجِ أَبُو جَعْفَرٍ الأَسَدِيُّ الأَصَمُّ، رَوَى عَنْهُ الْبُخَارِيُّ، وَرَوَى الْغَسَّانِيُّ عَنْ رَجُلٍ عَنْهُ، مَاتَ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَمِائَتَيْنِ، وَيُقَالُ: سَنَةَ ثَمَانِ عَشْرَةَ وَمِائَتَيْنِ، وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِمٍ، وَاللَّهُ أَعْلَمُوَفِي بَابِ الصَّلاةِ فِي كُسُوفِ الْقَمَرِ
১৬ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু তূমাইলা ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াদিহ থেকে, তিনি ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «ঈদের দিনে তিনি (যাতায়াতের) পথ পরিবর্তন করতেন»।ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ফুলাইহ থেকে এর অনুসরণ করেছেন, আর জাবিরের হাদিসটি অধিকতর সহীহ।বর্ণনাটির রূপ এভাবেই রয়েছে আবুল হাসান আল-কাবেসী, আবু মুহাম্মদ আল-আসীলী এবং আবু যার আল-হারাভীর বর্ণনায়। আর ইবনে সাকানের নিকট আবু তূমাইলার হাদিসের পর রয়েছে: ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এর অনুসরণ করেছেন, এবং জাবিরের হাদিসটি অধিকতর সহীহ। আর নাসাফী ইমাম বুখারী থেকে তার এই বক্তব্যের বেশি কিছু বর্ণনা করেননি যে: ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ ফুলাইহ থেকে অনুসরণ করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল সালত ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী বলেন: জাবিরের হাদিসটি অধিকতর সহীহ। আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেন: ইউনুস এটি ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, জাবির থেকে নয়। একইভাবে হাইসাম ইবনে জামিল এবং মুহাম্মদ ইবনুল সালত এটি বর্ণনা করেছেন। আবু আলী আল-গাসসানী বলেন: এটি তার পক্ষ থেকে ইমাম বুখারীর প্রতি স্পষ্ট প্রতিবাদ, তবে ইমাম বুখারীর বক্তব্যই সঠিক এবং আবু তূমাইলার বর্ণনায় ইউনুসের অনুসরণটিও সঠিক। আবু মাসউদ মুসনাদে আবু হুরায়রায় উল্লেখ করেছেন: ইমাম বুখারী কিতাবুল ইদাইনে বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনুল সালত ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, অর্থাৎ জাবিরের সংবাদের ন্যায়। আবু মাসউদ বলেন: একইভাবে ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ এবং হাইসাম ইবনে জামিলও বলেছেন। আল-গাসসানী বলেন: জাবিরের সূত্রে ইউনুস ইবনে মুহাম্মদের এই হাদিসের বর্ণনাটি সংরক্ষিত ও সহীহ। আমাদের নিকট আল-জামে' গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনুল সালতের হাদিসটি কেবল আবু মাসউদের সূত্রেই এসেছে এবং এই অধ্যায়ে এর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য, কারণ ইমাম বুখারী বলেছেন: জাবিরের হাদিসটি অধিকতর সহীহ। আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-উকাইলী এটি বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল সালত আল-কুফী থেকে, তিনি ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। একইভাবে আবু ঈসা আত-তিরমিযী ফুলাইহ থেকে আবু হুরায়রা পর্যন্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর বলেছেন: আবু হুরায়রার হাদিসটি গরীব। এরপর তিনি এটি আবু তূমাইলা ও ইউনুসের সূত্রে জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে উল্লেখ করেছেন। একইভাবে আবু জাফর আল-উকাইলী ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি ফুলাইহ থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-গাসসানী বলেন: অধ্যায়ের শুরুতে আবু আলী ইবনে সাকানের বর্ণনায় আল-জামে' গ্রন্থে আমরা যা উল্লেখ করেছি, তা তার সংশোধন বলে আমরা মনে করি। আমি বলছি: মুহাম্মদ ইবনুল সালত ইবনুল হাজ্জাজ আবু জাফর আল-আসাদী আল-আসাম্ম, তার থেকে ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন এবং আল-গাসসানী এক ব্যক্তির মাধ্যমে তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ২১৮ হিজরিতে। আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।এবং চন্দ্রগ্রহণের সালাত অধ্যায়ে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٨)
17 - قَالَ أَبُو أُسَامَةَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، أَخْبَرَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتُ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ: انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ وَقَدْ تَجَلَّتِ الشَّمْسُ، فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ، ثُمَّ قَالَ: «أَمَّا بَعْدُ» .وَقَعَ لابْنِ السَّكَنِ وَهْمٌ فَزَادَ فِي إِسْنَادِ هَذَا الْحَدِيثِ بَيْنَ هِشَامٍ وَفَاطِمَةَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، وَالصَّوَابُ هِشَامٌ، عَنْ فَاطِمَةَوَفِي بَابِ إِذَا لَمْ تُطِقِ الصَّلاةَ قَاعِدًا
১৭ - আবু উসামা বলেছেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফাতিমা বিনতুল মুনজির আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আসমা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত শেষ করলেন যখন সূর্য গ্রহণমুক্ত হয়ে গিয়েছিল, অতঃপর তিনি মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন যা তাঁর জন্য উপযুক্ত, তারপর বললেন: «অতঃপর (মূল বক্তব্য)»।ইবনুস সাকানের একটি ভ্রম হয়েছে, তিনি এই হাদিসের সনদে হিশাম ও ফাতিমার মাঝে উরওয়াহ ইবনুল জুবায়েরের নাম বৃদ্ধি করেছেন, অথচ সঠিক হলো—হিশাম, ফাতিমা থেকে।এবং "যখন বসে সালাত আদায় করতে সক্ষম হবে না" পরিচ্ছেদে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ١٩)
18 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: «كَانَتْ بِي بَوَاسِيرُ» .أَسْقَطَ أَبُو زَيْدٍ فِي نُسْخَتِهِ ذِكْرَ ابْنِ الْمُبَارَكِ فِي هَذَا الإِسْنَادِ وَالصَّوَابُ ذِكْرُهُ بَعْدَ عَبْدَانَوَفِي بَابِ: مَنْ نَامَ عِنْدَ السُّحُورِ مِنْ خَطِّ أَبِي عَلِيٍّ الْغَسَّانِيِّ أَنَّ الَّذِي فِي صَحِيحِ الْبُخَارِيِّ عِنْدَ السُّحُورِ:
১৮ - আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক থেকে, তিনি ইবরাহীম বিন তাহমান থেকে, তিনি হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে, তিনি ইবনে বুরায়দাহ থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমার অর্শ রোগ ছিল।» .আবু যায়দ তাঁর পাণ্ডুলিপিতে এই সনদে ইবনুল মুবারকের উল্লেখ বাদ দিয়েছেন এবং সঠিক হলো তাঁর উল্লেখ থাকা এর পরে আবদানেরএবং 'সাহুর এর সময় যে ব্যক্তি ঘুমায়' পরিচ্ছেদে আবু আলী আল-গাসসানির হস্তলিপি থেকে জানা যায় যে, সহীহ আল-বুখারীতে যা রয়েছে তা হলো সাহুর এর সময়:
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
19 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أنا أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَشْعَثَ، سَمِعْتُ أَبِي، سَمِعْتُ مَسْرُوقًا، سَأَلْتُ عَائِشَةَ: أَيُّ الْعَمَلِ كَانَ أَحَبَّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَتْ: «الدَّائِمُ» .ثُمَّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنِ الأَشْعَثِ مِثْلَهُ.هَكَذَا قَالَ الْبُخَارِيُّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ غَيْرُ مَنْسُوبٍ، وَقَالَ ابْنُ السَّكَنِ وَغَيْرُهُ: حَدَّثَنَا ابْنُ سَلَّامٍ، وَفِي نُسْخَةِ أَبِي ذَرٍّ عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَمَوِيِّ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَالِمٍ، قَالَ أَبُو الْوَلِيدِ: سَأَلْتُ أَبَا ذَرٍّ عَنْهُ فَقَالَ: هُوَ فِيمَا أَرَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ سَلَّامٍ، وَسَهَا فِيهِ أَبِو مُحَمَّدٍ الْحَمَوِيُّ، قُلْتُ: لَمْ أَرَ فِي شُيُوخِ الْبُخَارِيِّ مُحَمَّدَ بْنَ سَالِمٍ، وَاللَّهُ أَعْلَمُكِتَابُ الْجَنَائِزِ فِي بَابِ مَنْ يَدْخُلُ قَبْرَ الْمَرْأَةِ
১৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি শু’বাহ হতে, তিনি আশআস হতে, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আমি মাসরুককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কোন আমলটি অধিক প্রিয় ছিল? তিনি বললেন: «যা নিয়মিত করা হয়»।অতঃপর তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আহওয়াস, আশআস হতে অনুরূপ বর্ণনা।ইমাম বুখারী এভাবেই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ, যার বংশপরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। ইবনে সাকান ও অন্যান্যরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে সাল্লাম। আবু যার-এর পাণ্ডুলিপিতে আবু মুহাম্মদ আল-হামাভী হতে বর্ণিত হয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সালিম। আবুল ওয়ালিদ বলেন: আমি এ বিষয়ে আবু যার-কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমার মতে তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে সাল্লাম, আর আবু মুহাম্মদ আল-হামাভী এ ক্ষেত্রে ভুল করেছেন। আমি বলছি: ইমাম বুখারীর শিক্ষকদের মধ্যে আমি মুহাম্মদ ইবনে সালিম নামের কাউকে দেখিনি, আর আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।জানাজা অধ্যায়: নারীর কবরে কে প্রবেশ করবে সেই পরিচ্ছেদে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، عَنْ فُلَيْحِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِلالِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: شَهِدْتُ ابْنَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.الْحَدِيثَ إِلَى أَنْ قَالَ: «هَلْ فِيكُمْ مَنْ لَمْ يُقَارِفِ اللَّيْلَةَ» .قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ: يَعْنِي الذَّنْبَ، هَكَذَا فِي النُّسَخِ.ابْنُ الْمُبَارَكِ وَفِي أَصْلِ أَبِي الْحَسَنِ الْقَابِسِيِّ، قَالَهُ أَبُو الْمُبَارَكِ، وَقَالَ: أَبُو الْمُبَارَكِ هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ يُكَنَّى أَبُو الْمُبَارَكِ وَهَذَا وَهْمٌ، وَكَانَ فِي نُسْخَةِ أَبِي الْفَرَجِ عَبْدُوسٍ، عَنْ أَبِي زَيْدٍ كَمَا عِنْدَ الْكَافَّةِ عَلَى الصَّوَابِ، قَالَ الْغَسَّانِيُّ: وَكُنْيَةُ مُحَمَّدِ بْنِ سِنَانٍ أَبُو بَكْرٍ لا أَعْلَمُ بَيْنَهُمْ فِي ذَلِكَ خِلافًا، وَذَكَرَ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ الأَوْسَطِ هَذَا الْحَدِيثَ بِإِسْنَادِهِ وَانْتَهَى إِلَى قَوْلِهِ: قَالَ أَبُو طَلْحَةَ: أنا، فَنَزَلَ فِي قَبْرِهَا، وَلَمْ يَذْكُرِ التَّفْسِيرَ الَّذِي فِي جَامِعِهِ، وَرُوِيَ فِي تَفْسِيرِ الْمُقَارِفَةِ غَيْرُ هَذَا التَّفْسِيرِ عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ سُفْيَانَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَصْبَغَ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ يَعْنِي مُوسَى بْنَ إِسْمَاعِيلَ الْمِنْقَرِيَّ التَّبُوذَكِيَّ الْبَصْرِيَّ، وَالْخُزَاعِيُّ وَهُوَ مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالا: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَمَّا مَاتَتْ رُقَيَّةُ بِنْتُ رَسُولِ اللَّهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يَدْخُلِ الْقَبْرَ رَجُلٌ قَارَفَ أَهْلَهُ» .فَلَمْ يَدْخُلْ عُثْمَانُ.وَفِي التَّارِيخِ الأَوْسَطِ لِلْبُخَارِيِّ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُسْنَدِيُّ، عَنْ عَفَّانَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَمَّا مَاتَتْ رُقَيَّةُ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لا يَدْخُلِ الْقَبْرَ رَجُلٌ قَارَفَ أَهْلَهُ» .يَعْنِي اللَّيْلَةَ، فَلَمْ يَدْخُلْ عُثْمَانُ الْقَبْرَ، قَالَ الْبُخَارِيُّ: لا أَدْرِي مَا هَذَا فَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَشْهَدْ رُقَيَّةَبَابُ هَلْ يَخْرُجُ الْمَيِّتُ مِنَ الْقَبْرِ لِعِلَّةٍ؟
২০ - মুহাম্মাদ ইবনে সিনান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ফুলাইহ ইবনে সুলায়মান থেকে, তিনি হিলাল ইবনে আলী থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কন্যার দাফনে উপস্থিত ছিলাম।হাদিসটি বর্ণনা করে তিনি এক পর্যায়ে বললেন: «তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে, যে আজ রাতে স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়নি?»ইবনুল মুবারক বলেন: এর অর্থ হলো পাপ; অনুলিপিগুলোতে এভাবেই রয়েছে।ইবনুল মুবারক; এবং আবু আল-হাসান আল-কাবিসীর মূল পাণ্ডুলিপিতে একে 'আবু মুবারক' বলা হয়েছে। তিনি (কাবিসী) বলেছেন: আবু মুবারক হলেন মুহাম্মাদ ইবনে সিনান, তার উপনাম আবু মুবারক; কিন্তু এটি একটি ভ্রম। আবু আল-ফারাজ আবদুসের অনুলিপিতে আবু যায়েদ থেকে বর্ণিত হয়েছে যা অধিকাংশের নিকট থাকা সঠিক পাঠের অনুরূপ। আল-গাসসানী বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সিনানের উপনাম হলো আবু বকর, এ বিষয়ে আলেমদের মাঝে কোনো মতপার্থক্য আছে বলে আমার জানা নেই। ইমাম বুখারী তাঁর ‘তারীখুল আওসাত’ গ্রন্থে এই হাদিসটি তাঁর সনদসহ উল্লেখ করেছেন এবং আবু তালহার এই কথা পর্যন্ত পৌঁছেছেন যে, তিনি (আবু তালহা) বললেন: আমি (উপস্থিত আছি), অতঃপর তিনি তাঁর কবরে নামলেন। তবে ইমাম বুখারী তাঁর ‘জামে’ (সহীহ বুখারী) গ্রন্থে যে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন, এখানে তা উল্লেখ করেননি। আর 'মুকারাফা' (স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া) শব্দের ব্যাখ্যায় আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সুফিয়ান থেকে বর্ণিত সূত্রে এই ব্যাখ্যার বিপরীতে অন্য একটি ব্যাখ্যা বর্ণিত হয়েছে; যা আল-কাসিম ইবনে আসবাগ থেকে, তিনি আহমাদ ইবনে জুহাইর থেকে, তিনি আবু সালামাহ অর্থাৎ মুসা ইবনে ইসমাইল আল-মিনকারী আত-তাবুযাকী আল-বসরী থেকে এবং আল-খুযাঈ অর্থাৎ মানসুর ইবনে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট সাবিত থেকে এবং তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা রুকাইয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহা) ইন্তেকাল করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আজ রাতে যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছে, সে যেন কবরে প্রবেশ না করে।»ফলে উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কবরে নামেননি।ইমাম বুখারীর ‘তারীখুল আওসাত’-এ বর্ণিত হয়েছে: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুসনাদী আমাদের নিকট আফফান থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রুকাইয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহা) ইন্তেকাল করলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আজ রাতে যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছে সে যেন কবরে না নামে।»অর্থাৎ সেই রাতে; ফলে উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কবরে নামেননি। ইমাম বুখারী বলেন: আমি জানি না এটি কী (কীভাবে সম্ভব), কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকাইয়ার জানাযা ও দাফনে উপস্থিত ছিলেন না।পরিচ্ছেদ: কোনো সংগত কারণে কি মৃত ব্যক্তিকে কবর থেকে বের করা যাবে?
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
21 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، هُوَ الْمَدِينِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «دُفِنَ مَعَ أَبِي رَجُلٌ آخَرُ» .الْحَدِيثَ.هَكَذَا رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ بِهَذَا الإِسْنَادِ عَنِ الْبُخَارِيِّ، وَوَقَعَ لأَبِي عَلِيِّ بْنِ السَّكَنِ وَحْدَهُ جَعَلَ مُجَاهِدًا بَيْنَ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ وَجَابِرٍ بَدَلَ عَطَاءٍ، وَمَا رَوَاهُ غَيْرُهُ أَصَحُّ مِمَّا رَوَاهُ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، كَمَا رَوَاهُ ابْنُ الْمَدِينِيِّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍوَمِنْ كِتَابِ الزَّكَاةِ فِي أَوَّلِ بَابٍ مِنْهُ
২১ - আমাদের নিকট আলী ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি হলেন আল-মাদিনী, তিনি সাঈদ ইবনে আমির থেকে, তিনি শু’বা থেকে, তিনি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আমার পিতার সাথে অন্য একজন ব্যক্তিকে দাফন করা হয়েছিল।”হাদিসটি...আল-বুখারি থেকে এই সূত্রে হাদিসটি এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। তবে কেবল আবু আলী ইবনে আস-সাকানের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেছে যে, তিনি আতার পরিবর্তে ইবনে আবি নাজিহ এবং জাবিরের মাঝখানে মুজাহিদকে উল্লেখ করেছেন। অথচ অন্য বর্ণনাকারীরা যা বর্ণনা করেছেন তা তার বর্ণনার চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ। নাসায়ী এটি ইবনে আবি নাজিহ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি ইবনুল মাদিনী এবং ইব্রাহিম ইবনে মারজুক বর্ণনা করেছেন।এবং জাকাত অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ وُهَيْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا أَتَى إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ.وَذَكَرَ الْحَدِيثَ» .وَوَقَعَ فِي نُسْخَةِ الأَصِيلِيِّ عَنْ أَبِي أَحْمَدَ الْجُرْجَانِيِّ فِي إِسْنَادِ هَذَا الْحَدِيثِ تَخَبُّطٌ وَوَهْمٌ فَإِنَّهُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ، عَنْ وُهَيْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ حَيَّانَ، أَوْ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَذَلِكَ خَطَأٌ، إِنَّمَا الْحَدِيثُ عَنْ وُهَيْبٍ، عَنِ ابْنِ حَيَّانَ التَّيْمِيِّ، وَاسْمُهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدِ بْنِ حَيَّانَ، وَالَّذِي رَوَاهُ ابْنُ السَّكَنِ وَأَبُو زَيْدٍ وَسَائِرُ رُوَاةِ الْفَرَبْرِيِّ مَا قَدَّمَاهُوَفِي الْبَابِ
২২ - মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি ওহাইব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে হাইয়্যান থেকে, তিনি আবু যুরআহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক গ্রাম্য ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: «আমাকে এমন আমল সম্পর্কে বলুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি উল্লেখ করেন।» আর আল-আসীলির পাণ্ডুলিপিতে আবু আহমাদ আল-জুরজানী থেকে বর্ণিত এই হাদীসের সনদে বিভ্রান্তি ও সংশয় ঘটেছে; কেননা তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন ওহাইব থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে হাইয়্যান থেকে, অথবা ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু হাইয়্যান থেকে, তিনি আবু যুরআহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে। আর তা ভুল; মূলত হাদীসটি ওহাইব থেকে, তিনি ইবনে হাইয়্যান আত-তাইমী থেকে বর্ণিত, যার নাম ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে হাইয়্যান। আর ইবনে আস-সাকান, আবু যায়েদ এবং আল-ফারাবরীর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ যা বর্ণনা করেছেন তা-ই যা তারা পূর্বে পেশ করেছেন।আর এই অনুচ্ছেদে রয়েছে
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ مَوْهَبٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، أَنَّ رَجُلا قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ، قَالَ: «مَالَهُ أَرِبَ مَالَهُ» .الْحَدِيثَ.قَالَ الْبُخَارِيُّ: أَخْشَى أَنْ يَكُونَ مُحَمَّدٌ غَيْرَ مَحْفُوظٍ وَإِنَّمَا هُوَ عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ الْغَسَّانِيُّ: مَا قَالَهُ صَحِيحٌ، وَهَذَا مِمَّا عُدَّ عَلَى شُعْبَةَ أَنَّهُ وَهِمَ فِي قَوْلِهِ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ إِنَّمَا هُوَ عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، وَقَدْ خَرَّجَ مُسْلِمٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، وَقَدْ ذَكَرَ الْبُخَارِيُّ هَذَا الْحَدِيثَ فِي كِتَابِ الأَدَبِ مِنْ رِوَايَةِ شُعْبَةَ، فَقَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، هَكَذَا أَتَى فِي هَذَا الْبَابِ غَيْرَ مُسَمَّى لِيَكُونَ أَقْرَبَ إِلَى الصَّوَابِوَفِي بَابِ مَنْ أُدِّيَ زَكَاتُهُ فَلَيْس بِكَنْزٍ
২৩ - হাফস ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে মাওহাব থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আমাকে এমন আমল সম্পর্কে অবহিত করুন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। তিনি বললেন: «তার কী হয়েছে? তার তো বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে»।হাদিসটি...বুখারি বলেছেন: আমি আশঙ্কা করি যে মুহাম্মাদ (নামটি) সংরক্ষিত নয়, বরং তিনি মূলত আমর ইবনে উসমান, আল-গাসসানি বলেছেন: তিনি যা বলেছেন তা সঠিক, আর এটি শু’বাহর সেই সব ভুলের অংশ যা তাঁর ক্ষেত্রে ধরা হয় যে তিনি মুহাম্মাদ ইবনে উসমান বলেছেন, অথচ তিনি মূলত আমর ইবনে উসমান। আর মুসলিম এই হাদিসটি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমর ইবনে উসমান থেকে, তিনি মুসা ইবনে তালহা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন। আর বুখারি এই হাদিসটি আদব অধ্যায়ে শু’বাহর বর্ণনা থেকে উল্লেখ করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন: আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাওহাব বর্ণনা করেছেন। এই অধ্যায়ে এভাবেই নাম সুনির্দিষ্ট না করে এসেছে যাতে তা সঠিক হওয়ার অধিক নিকটবর্তী হয়।এবং ‘যার যাকাত প্রদান করা হয়েছে তা পুঞ্জীভূত সম্পদ নয়’ শীর্ষক অধ্যায়ে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
24 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ الأَوْزَاعِيُّ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ يَحْيَى أَخْبَرَهُ، عَنْ أَبِيهِ، هُو يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ» .الْحَدِيثَ.قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ الدِّمَشْقِيُّ: هَكَذَا قَالَ الْبُخَارِيُّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، فَنَسَبَ يَحْيَى إِلَى أَبِي كَثِيرٍ، وَرَوَاهُ دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، وَهِشَامُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى غَيْرَ مَنْسُوبٍ.وَرَوَاهُ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ نَجْدَةَ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ.وَرَوَاهُ الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الْيَمَانِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍكِتَابُ الْحَجِّ فِي بَابِ تَقْبِيلِ الْحَجَرِ
২৪ - আমাদের নিকট ইসহাক ইবন ইয়াযিদ বর্ণনা করেছেন শুয়াইব ইবন ইসহাক থেকে, তিনি বলেন যে আওযাঈ বলেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসীর বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবন ইয়াহইয়া তাকে সংবাদ দিয়েছেন তাঁর পিতা থেকে, আর তিনি হলেন ইয়াহইয়া ইবন উমারা ইবন আবিল হাসান, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরীকে বলতে শুনেছেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «পাঁচটির কম উটের ক্ষেত্রে যাকাত নেই।» .হাদীসটি।আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী বলেছেন: বুখারী আওযাঈ থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন, তিনি ইয়াহইয়া ইবন আবী কাসীর থেকে, এখানে ইয়াহইয়াকে আবু কাসীরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে। আর দাউদ ইবন রুশাইদ এবং হিশাম ইবন খালিদ এটি শুয়াইব থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে এবং তিনি ইয়াহইয়া থেকে (পিতার নাম) উল্লেখ করা ব্যতিরেকে বর্ণনা করেছেন।আর আবদুল ওয়াহহাব ইবন নাজদাহ এটি শুয়াইব থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে এবং তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।আর ওয়ালীদ এটি আওযাঈ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবিল ইয়ামান থেকে এবং তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।হজ্জ অধ্যায়, হাজরে আসওয়াদ চুম্বন সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ ابْنَ عُمَرَ عَنِ اسْتِلامِ الْحَجَرِ.وَقَعَ فِي نُسْخَةِ أَبِي مُحَمَّدٍ الأَصِيلِيِّ: الزُّبَيْرُ بْنُ عَدِيٍّ بِدَالٍ مُهْمَلَةٍ، ثُمَّ يَاءٍ مُشَدَّدَةٍ، كَمَا رَوَاهُ سَائِرُهُمْ عَنِ الْفَرَبْرِيِّ.وَفِي بَابِ: مَنْ صَلَّى رَكْعَتَيِ الطَّوَافِ يَعْنِي الطَّوَافَ خَارِجَ الْمَسْجِدِ
২৫ - মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে, তিনি যুবাইর ইবনে আদি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ইবনে উমর (রা.)-কে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন ও স্পর্শ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন।আবু মুহাম্মদ আল-আসিলীর পাণ্ডুলিপিতে বর্ণিত হয়েছে: 'যুবাইর ইবনে আদি' নুকতাহীন 'দাল' এবং পরবর্তীতে তাশদীদযুক্ত 'ইয়া' সহকারে, যেমনটি ফরাবরী থেকে অন্যান্য সকল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন।এবং এই পরিচ্ছেদে: যে ব্যক্তি তাওয়াফের দুই রাকাত সালাত পড়েছে, অর্থাৎ মসজিদের বাইরে সম্পাদিত তাওয়াফ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
25 - وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ أَبِي مَرْوَانَ يَحْيَى بْنِ أَبِي زَكَرِيَّا الْغَسَّانِيِّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، هَكَذَا رَوَاهُ ابْنُ السَّكَنِ، عَنِ الْفَرَبْرِيِّ، عَنِ الْبُخَارِيِّ مُرْسَلا، لَمْ يَذْكُرْ فِيهِ بَيْنَ عُرْوَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ زَيْنَبَ وَكَذَا وَقَعَ فِي نُسْخَةِ عَبْدُوسٍ الطُّلَيْطِلِيِّ، عَنْ أَبِي زَيْدٍ الْمَرْوَزِيِّ، وَوَقَعَ فِي نُسْخَةِ الأَصِيلِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، مُتَّصِلا، وَرِوَايَةُ ابْنِ السَّكَنِ الْمُرْسَلَةِ أَصَحُّ فِي هَذَا الإِسْنَادِ، وَهُوَ الْمَحْفُوظُ، وَقَدْ ذَكَرَ أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ فِي كِتَابِ الاسْتِدْرَاكَاتِ أَنَّ الْبُخَارِيَّ رَوَاهُ مُرْسَلا، قَالَ: وَوَصَلَهُ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ، قَالَ: وَمِثْلُهُ مَالِكٌ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، وَوَقَعَ لأَبِي الْحَسَنِ الْقَابِسِيِّ تَصْحِيفٌ فِي إِسْنَادِ هَذَا الْحَدِيثِ فِي نَسَبِ يَحْيَى بْنِ أَبِي زَكَرِيَّا فَقَالَ فِيهِ: الْعُشَانِيُّ، بِضَمِّ الْعَيْنِ وَشِينٍ مُعْجَمَةٍ، وَصَوَابُهُ الْغَسَّانِيُّ بِغَيْنٍ مُعْجَمَةٍ نِسْبَةً إِلَى غَسَّانَ، وَلَهُ أَيْضًا مِثْلَ هَذَا فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِعَيْنِهِ فِي كِتَابِ التَّوْحِيدِ، وَقَالَ فِي مَوْضِعٍ آخَرَ وَهُوَ بَابُ الْهَدِيَّةِ، حَيْثُ قَالَ الْبُخَارِيُّ: وَقَالَ أَبُو حُزَيْرَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، كَانَ النَّاسُ يَتَحَرَّوْنَ بِهَدَايَاهُمْ يَوْمَ عَائِشَةَ.فَقَالَ: أَبُو الْحَسَنِ هُوَ أَبُو مَرْوَانَ الْعُثْمَانِيُّ بِعَيْنٍ مُهْمَلَةٍ وَثَاءٍ مُثَلَّثَةٍ، وَصَوَابُهُ الْغَسَّانِيُّ بِغَيْنٍ مُعْجَمَةٍ وَسِينٍ مُهْمَلَةٍ كَمَا تَقَدَّمَوَفِي بَابِ مَا جَاءَ فِي السَّعْيِ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
২৫ - এবং মুহাম্মদ ইবনে হারব আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু মারওয়ান ইয়াহইয়া ইবনে আবি যাকারিয়া আল-গাসসানি থেকে, তিনি হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে; এভাবেই ইবনুস সাকান আল-ফারাবরি থেকে, তিনি বুখারি থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি এতে উরওয়াহ এবং উম্মে সালামাহ-এর মাঝে যয়নাবের কথা উল্লেখ করেননি। অনুরূপভাবে আবদুস আত-তুলাইতিলির পাণ্ডুলিপিতে আবু যায়েদ আল-মারওয়াযি থেকে বর্ণিত হয়েছে। আর আল-আসিলির পাণ্ডুলিপিতে উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নাব থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। এই সনদে ইবনুস সাকানের মুরসাল বর্ণনাটিই অধিকতর শুদ্ধ এবং এটিই সংরক্ষিত (মাহফুজ)। আবুল হাসান আদ-দারা কুতনি ‘কিতাবুল ইসতিদরাকাত’-এ উল্লেখ করেছেন যে, বুখারি এটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: হাফস ইবনে গিয়াস হিশাম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি যয়নাব থেকে একে মুত্তাসিল করেছেন। তিনি বলেন: ইমাম মালিকও অনুরূপভাবে আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি যয়নাব থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। এই হাদিসের সনদে ইয়াহইয়া ইবনে আবি যাকারিয়ার বংশ পরিচয়ে আবুল হাসান আল-কাবেসির বর্ণনায় তাসহিফ (শব্দবিভ্রম) ঘটেছে; তিনি সেখানে বলেছেন: ‘আল-উশানি’ (আইন বর্ণের উপরে পেশ এবং নুকতাহযুক্ত শিন যোগে), অথচ সঠিক হলো ‘আল-গাসসানি’ (নুকতাহযুক্ত গায়েন যোগে), যা গাসসানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত। কিতাবুত তাওহিদেও ঠিক এই সনদে তার অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে। তিনি অন্য এক স্থানে অর্থাৎ ‘উপহার’ অধ্যায়ে বলেছেন, যেখানে বুখারি বলেছেন: আবু হুযাইরাহ হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, লোকজন আয়েশার (রা.) নির্ধারিত দিনে তাদের উপহার প্রেরণের জন্য প্রতীক্ষা করত।আবুল হাসান বলেছিলেন: তিনি হলেন আবু মারওয়ান আল-উসমানি (নুকতাহহীন আইন এবং তিন নুকতাহযুক্ত সা যোগে), অথচ সঠিক হলো ‘আল-গাসসানি’ (নুকতাহযুক্ত গায়েন এবং নুকতাহহীন সিন যোগে), যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।এবং সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করার পরিচ্ছেদে যা বর্ণিত হয়েছে...
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
26 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «إِذَا طَافَ الطَّوَافَ الأَوَّلَ خَبَّ ثَلاثًا» .وَقَعَ فِي نُسْخَةِ أَبِي مُحَمَّدٍ الأَصِيلِيِّ بِخَطِّهِ.حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حَاتِمٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ، فَزَادَ فِي نَسَبِ مُحَمَّدٍ: ابْنَ حَاتِمٍ وَكَتَبَ عَلَيْهِ بِقِرَاءَتِهِ، وَلَمْ يَرَ ذَلِكَ لِغَيْرِهِ، وَإِنَّمَا هُو مُحَمَّدَ بْنَ عُبَيْدِ بْنِ مَيْمُونٍ، شَيْخ كُوفِيٌّ مَوْلَى هَارُونَ بْنِ زَيْدِ بْنِ مُهَاجِرِ بْنِ قُنْفُدٍ التَّيْمِيِّ، وَهَكَذَا نَسَبَهُ أَبُو نَصْرٍ الْكَلابَاذِيُّ، وَأَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ وَغَيْرُهُمَا، وَكَذَا نَسَبَهُ الْبُخَارِيُّ بَعْدَ هَذَا بِأَوْرَاقٍ فِي كِتَابِ الْحَجِّ فَقَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ مَيْمُونٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ فِي حَدِيثٍ آخَرَوَفِي بَابِ أَمْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِالسَّكِينَةِ عِنْدَ الإِفَاضَةِ
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ, তিনি ঈসা বিন ইউনুস থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «যখন প্রথম তাওয়াফ করতেন, তখন তিন চক্কর দ্রুত হাঁটতেন»।এটি আবু মুহাম্মাদ আল-আসীলির পাণ্ডুলিপিতে তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে পাওয়া গেছে।আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ বিন হাতিম, তিনি ঈসা বিন ইউনুস থেকে; এখানে তিনি মুহাম্মাদের বংশপরিচয়ে 'ইবন হাতিম' বৃদ্ধি করেছেন এবং নিজ পাঠ অনুযায়ী তা লিখেছেন, যা অন্য কারো ক্ষেত্রে দেখা যায়নি। মূলত তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ বিন মাইমুন, যিনি একজন কুফী শাইখ এবং হারুন বিন যাইদ বিন মুহাজির বিন কুনফুদ আত-তাইমীর মুক্তদাস। আবু নাসর আল-কালাবাযী, আবু আহমাদ বিন আদি এবং অন্যান্যরাও তাঁকে এভাবেই উল্লেখ করেছেন। অনুরূপভাবে ইমাম বুখারীও এর কয়েক পৃষ্ঠা পরে 'কিতাবুল হাজ্জে' তাঁর বংশপরিচয় বর্ণনা করে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন উবাইদ বিন মাইমুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইউনুস, অন্য একটি হাদীসে।এবং (আরাফাহ থেকে) প্রত্যাবর্তনের সময় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ধীরস্থিরতা বজায় রাখার নির্দেশের অধ্যায়ে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইখতিলাফু বাইনা রুয়াতিল বুখারি
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
27 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ «دَفَعَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَرَفَةَ» .كَتَبَ الأَصِيلِيُّ بِخَطِّهِ فِي حَاشِيَةِ الْكِتَابِ: إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُوَيْدٍ هُوَ ابْنُ بُولا، وَذَلِكَ وَهْمٌ مِنْهُ، وَابْن هُوَ ابْنُ سُوَيْدِ بْنِ حَيَّانَ الْمَدَنِيُّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ سُوَيْدٍ هَذَا يَرْوِي عَنِ ابْنِ بُولا فَاخْتَلَطَ عَلَيْهِ، ذَكَرَ الْبُخَارِيُّ فِي تَارِيخِهِ هِلالَ بْنَ يَسَارِ بْنِ بُولا، سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، رَوَى عَنْهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُوَيْدِ بْنِ حَيَّانَ، وَبُولا بِبَاءٍ مُوَحَّدَةٍ مَضْمُومَةٍوَفِي بَابِ الْحَلْقِ وَالتَّقْصِيرِ عِنْدَ الإِحْلالِ
২৭ - সাঈদ ইবনে আবু মারইয়াম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহীম ইবনে সুওয়াইদ থেকে, তিনি আমর ইবনে আবু আমর থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি «আরাফার দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে প্রত্যাবর্তন করেছেন»।আল-আসিলি কিতাবের টীকায় স্বহস্তে লিখেছেন: ইবরাহীম ইবনে সুওয়াইদ হলেন ইবনে বুলা, আর এটি তাঁর পক্ষ থেকে একটি ভুল। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন ইবনে সুওয়াইদ ইবনে হাইয়ান আল-মাদানি। আর এই ইবরাহীম ইবনে সুওয়াইদ ইবনে বুলা থেকে বর্ণনা করেন, ফলে তিনি সংশয়ে পড়েছেন। বুখারী তাঁর ‘তারিখ’-এ হিলাল ইবনে ইয়াসার ইবনে বুলার কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে শুনেছেন, তাঁর থেকে ইবরাহীম ইবনে সুওয়াইদ ইবনে হাইয়ান বর্ণনা করেছেন। আর ‘বুলা’ শব্দটি পেশযুক্ত ‘বা’ দিয়ে।এবং ইহরাম খোলার সময় মাথা মুণ্ডন ও চুল ছোট করার পরিচ্ছেদে।