(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة ابن جماعة - تخريج البرزالي القسم: كتب السنة
الكتاب: مشيخة ابن جماعة
قاضي القضاة بدر الدين أبي عبد الله محمد بن إبراهيم بن جماعة (ت 733 هـ)
تخريج: علم الدين القاسم بن محمد بن يوسف البرزالي (ت 739 هـ)
تحقيق: موفق بن عبد القادر
الناشر: دار الغرب الإسلامي، بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1988 م
عدد الأجزاء: 2 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
মাশইয়াখাত ইবনে জামাআহ - তাখরিজ আল-বিরজালি বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: মাশইয়াখাত ইবনে জামাআহ
প্রধান বিচারপতি বদরুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে জামাআহ (মৃত্যু ৭৩৩ হিজরি)
তাখরিজ: আলামুদ্দীন আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-বিরজালি (মৃত্যু ৭৩৯ হিজরি)
তাহকিক: মুওয়াফফাক বিন আব্দুল কাদির
প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামি, বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ২ (ধারাবাহিক সংখ্যায়ন)
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٤٧)
[49] عمر بن عبد الوهاب بن محمد بن طاهر بن عبد العزيز بن علي القرشي الدمشقي المعروف بابن البراذعي، أبو البركات العدل الشروطيشيخ مشهور بالعدالة، معروف بالشهادة، سمع من الْحَافِظ أبي القاسم ابن عساكر، والقاضي أبي سعد ابن أبي عصرون، وغيرهما، مولده تقديرا في سنة ستين وخمسمائة، وتوفي في خامس شهر ربيع الآخر سنة سبع وأربعين وستمائة بدمشق ودفن بمقبرة باب الصغير.
أخبرنا الشَّيْخُ الْعَدْلُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْبَرَكَاتِ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ الْقُرَشِيُّ إِجَازَةً كَتَبَهَا إِلَيَّ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ، قَالَ: أنا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي رَمَضَانَ سَنَةَ خَمْسٍ وَسِتِّينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أَنَا السَّيِّدُ الشَّرِيفُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْحَسِينِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَلْوَانَ الْمَازِنِيُّ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرٍ التَّمِيمِيُّ الْمُؤَذِّنُ، قثا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا أَبُو مُسْهِرٍ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ مُسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ
[৪৯] উমর ইবন আবদুল ওয়াহহাব ইবন মুহাম্মদ ইবন তাহির ইবন আবদুল আজিজ ইবন আলী আল-কুরাশী আদ-দিমাশকী, ইবনুল বারাজায়ী নামে পরিচিত, আবুল বারাকাত আল-আদল আশ-শুরুতীতিনি ন্যায়পরায়ণতার জন্য সুপ্রসিদ্ধ এক শায়খ এবং সাক্ষ্যদানের ক্ষেত্রে সুপরিচিত। তিনি হাফিজ আবুল কাসিম ইবন আসাকির, কাযী আবু সা'দ ইবন আবী আসরুন এবং আরও অনেকের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর জন্ম আনুমানিক ৫৬০ হিজরি সনে এবং তিনি ৬৪৭ হিজরি সনের পাঁচই রবিউস সানি দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে বাবুস সাগীর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ন্যায়পরায়ণ শায়খ, মুসনিদ আবুল বারাকাত উমর ইবন আবদুল ওয়াহহাব ইবন আবী আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন তাহির আল-কুরাশী; তিনি ৬৪৬ হিজরি সনের শাবান মাসে আমার নিকট লিখিত এক ইজাজতসূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম হাফিজ আবুল কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবন হিবাতুল্লাহ ইবন আসাকির; ৫৬৫ হিজরি সনের রমজান মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এটি প্রাপ্ত, তখন আমি শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাইয়্যেদ শরীফ আবুল কাসিম আলী ইবন ইবরাহীম ইবনুল আব্বাস আল-হুসাইনী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন ইয়াহইয়া ইবন সালওয়ান আল-মাযিনী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-ফজল ইবন জাফর আত-তামীমী আল-মুয়াজ্জিন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনুল কাসিম আল-হাশিমী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুশহির আবদুল আ'লা ইবন মুশহির আল-গাসসানী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন আবদুল আজিজ, রাবিয়া ইবন ইয়াযীদ থেকে, তিনি আবু ইদরীস আল-খাওলানী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٤٨)
حَوَالَةَ الأَزْدِيِّ رضي الله عنه، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: " إِنَّكُمْ سَتَجِدُونَ أَجْنَادًا؛ جُنْدًا بِالشَّامِ، وَجُنْدًا بِالْعِرَاقِ، وَجُنْدًا بِالْيَمَنِ، فَقَالَ الْحَوالِيُّ: خِرْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِالشَّامِ؛ فَمَنْ أَبَى فَلْيَلْحَقْ بَيَمَنِهِ وَيَسْقِ مِنْ غُدُرِهِ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَدْ تَكَفَّلَ لِي بِالشَّامِ وَأَهْلِهِ».
فَكَانَ أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيُّ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ الْتَفَتَ إِلَى ابْنِ عَامِرٍ، فَقَالَ: مَنْ تَكَفَّلَ اللَّهُ بِهِ فَلا ضَيْعَةَ عَلَيْهِ.
وَقَعَ لَنَا هَذَا الْحَدِيثُ عَالِيًا مِنْ حَدِيثِ أَبِي مِسْهَرٍ الْغَسَّانِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ التَّنُوخِيِّ، وَرِجَالُ إِسْنَادِهِ كُلُّهُمْ دِمَشْقِيُّونَ لا يُخَالِطُهُمْ غَيْرُهُمْ، وَأَبُو حَوَالَةَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حَوَالَةَ الأَزْدِيُّ، مِنَ الصَّحَابَةِ الَّذِينَ نَزَلُوا دِمَشْقَ، وَأَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيُّ اسْمُهُ عَائِذُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ.
وَقَدْ أَخْرَجَ هَذَا الْحَدِيثَ أَبُو دَاوُدَ فِي «سُنَنِهِ»، فَرَوَاهُ فِي كِتَابِ الْجِهَادِ،
হাওয়ালা আল-আজদি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই অচিরেই তোমরা অনেকগুলো বাহিনী পাবে; এক বাহিনী শামে, এক বাহিনী ইরাকে এবং এক বাহিনী ইয়েমেনে।" তখন আল-হাওয়ালি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমার জন্য পছন্দ করে দিন।" তিনি বললেন: "তোমরা শামের ব্যাপারে যত্নবান হও; আর যে ব্যক্তি এতে অসম্মতি জানাবে সে যেন তার ইয়েমেনে চলে যায় এবং তার জলাশয় থেকে পানি পান করে। কেননা মহান আল্লাহ আমার জন্য শাম এবং তার অধিবাসীদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।"
আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি যখনই এই হাদিসটি বর্ণনা করতেন, তিনি ইবনে আমিরের দিকে ফিরে তাকাতেন এবং বলতেন: "আল্লাহ যার জিম্মাদার হয়েছেন, তার কোনো বিনাশ নেই।"
আমাদের নিকট এই হাদিসটি আবু মিসহার আল-গাসসানি ও সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ আত-তানুখির সূত্রে উচ্চমানের সনদে পৌঁছেছে। এই সনদের সকল বর্ণনাকারীই দামেস্কের অধিবাসী, তাদের মধ্যে অন্য কেউ নেই। আবু হাওয়ালা আব্দুল্লাহ ইবনে হাওয়ালা আল-আজদি সেই সকল সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত যারা দামেস্কে বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং আবু ইদ্রিস আল-খাওলানির নাম হলো আয়িযুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ।
ইমাম আবু দাউদ এই হাদিসটি তাঁর «সুনান» গ্রন্থে সংকলন করেছেন এবং এটি জিহাদ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٤٩)
عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ بَقِيَّةَ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنِ ابْنِ أَبِي قَتِيلَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَوَالَةَ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَأَنَّ ابْنَ سَلْوَانَ سَمِعَهُ مِنْ أَبِي دَاوُدَ.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الشَّرِيفِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَسِينِيِّ النَّسِيبِ، قَالَ: أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمُقْرِئُ الأَهْوَازِيُّ، ثنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْكَتَّانِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، ثنا الأَعْمَشُ، ثنا خَيْثَمَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إِلا سَيُكَلِّمُهُ رَبُّهُ عز وجل لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ تُرْجُمَانٌ وَلا حَاجِبٌ يَحْجُبُهُ، فَيَنْظُرُ أَيْمَنَ مِنْهُ فَلا يَرَى إِلا شَيْئًا قَدَّمَهُ، ثُمَّ يَنْظُرُ أَمَامَهُ فَلا يَرَى إِلا النَّارَ، فَاتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ».
حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُحَمَّدٍ سُلَيْمَانَ بْنِ مِهْرَانَ الأَعْمَشِ مَوْلَى بَنِي كَاهِلٍ، عَنْ خَيْثَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَبْرَةَ الْجُعْفِيِّ عَنْ أَبِي طَرِيفٍ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الطَّائِيِّ. أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، وَعَنْ عُمَرَ بْنِ. . .
হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি বাকিয়্যাহ থেকে, তিনি বাহীর বিন সা'দ থেকে, তিনি খালিদ বিন মা'দান থেকে, তিনি ইবন আবি কাতীলাহ থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবদুল্লাহ বিন হাওয়ালাহ থেকে বর্ণনা করেন। মনে হচ্ছে ইবন সালওয়ান এটি আবু দাউদ থেকে শুনেছেন।
এবং আশ-শরীফ আবুল কাসিম আলী বিন ইবরাহীম আল-হুসাইনী আন-নাসীব পর্যন্ত সনদে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আলী বিন ইবরাহীম আল-মুকরি আল-আহওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর বিন ইবরাহীম আল-কাত্তানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবি শায়বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আ'মাশ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খাইসামাহ বিন আবদুর রহমান, তিনি আদী বিন হাতিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সাথে অচিরেই তার রব মহান ও পরাক্রমশালী কথা বলবেন, এমতাবস্থায় যে তাঁর ও বান্দার মাঝে কোনো দোভাষী থাকবে না এবং তাকে আড়াল করার মতো কোনো প্রহরী থাকবে না। অতঃপর সে তার ডান দিকে তাকাবে এবং সে পূর্বে যা পাঠিয়েছে তা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাবে না। এরপর সে তার সামনের দিকে তাকাবে এবং আগুন ছাড়া কিছুই দেখতে পাবে না। অতএব, তোমরা আগুন থেকে বেঁচে থাকো, যদিও তা একটি খেজুরের টুকরো দিয়ে হয়।”
এটি বনী কাহিলের মুক্তদাস আবু মুহাম্মদ সুলায়মান বিন মিহরান আল-আ'মাশ-এর সূত্র থেকে বর্ণিত একটি সহীহ হাদীস, যা তিনি খাইসামাহ বিন আবদুর রহমান বিন আবি সাবরাহ আল-জু'ফী থেকে এবং তিনি আবু তরীফ আদী বিন হাতিম বিন আবদুল্লাহ আত-তাঈ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এটি ইউসুফ বিন মুসা থেকে, তিনি আবু উসামাহ থেকে এবং উমর বিন... থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٠)
حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ أَبِيهِ، كِلاهُمَا عَنِ الأَعْمَشِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الشَّرِيفِ النَّسِيبِ الْحَسِينِيِّ، قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَحَّالُ الْمُقْرِئُ بِمَكَّةَ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفَرَجِ الْمُهَنْدِسُ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، ثنا أَبُو الرَّبِيعِ، قثا حَمَّادٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَعْنِي: الأَنْصَارَ، لِيُقْطِعَهُمُ الْبَحْرَيْنِ أَوْ طَائِفَةً مِنْهَا، فَقَالُوا: لا حَتَّى تُقْطِعَ لإِخْوَانِنَا مِنَ الْمُهَاجِرِينَ مِثْلَ الَّذِي تُقْطِعُنَا، فَقَالَ: «أَمَا أَنَّكُمْ سَتَرَوْنَ بَعْدِي أَثَرَةً، فَاصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي».
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ الأَزْدِيِّ بِهِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدلًا.
وَاسْمُ أَبِي الرَّبِيعِ شَيْخِ الْبَغَوِيِّ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الزَّهْرَانِيُّ، وَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ أَزْدِيٌّ عَتَكِيٌّ، رَوَى عَنْهُ الْبُخَارِيُّ، وَمُسْلِمٌ، وَأَبُو دَاوُدَ، وَرَوَى النَّسَائِيُّ، عَنْ رَجُلٍ عَنْهُ، مَاتَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَيُقَالُ: سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ وَمِائَتَيْنِ.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الشَّرِيفِ النَّسِيبِ، قَالَ: أَنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي نَصْرٍ، أنا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ يُوسُفُ بْنُ الْقَاسِمِ الْمَيَانِجِيُّ، أنا أَبُو يَعْلَى الْمَوْصِلِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ أَبُو الرَّبِيعِ الْخُتَّلِّيُّ
হাফস বিন গিয়াস, তাঁর পিতা থেকে, তাঁরা উভয়ই আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের জন্য 'বাদল' (উচ্চতর সনদে স্থলাভিষিক্ত) হয়েছে।
এবং শরিফ নাসিব আল-হুসাইনি পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন আল-মুজাফ্ফার বিন আব্দুর রহমান আল-কাহহাল আল-মুকরি মক্কায়, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আল-ফারজ আল-মুহান্দিস, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাভী, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আল-রাবি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, ইয়াহইয়া বিন সাইদ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনসারদের ডেকেছিলেন যাতে তাদের বাহরাইন বা তার একটি অংশ জায়গির হিসেবে প্রদান করেন। তখন তারা বললেন: না, যতক্ষণ না আপনি আমাদের মুহাজির ভাইদের জন্য অনুরূপ জায়গির প্রদান করবেন যা আমাদের দিচ্ছেন। তখন তিনি বললেন: "জেনে রেখো, নিশ্চয়ই আমার পরে তোমরা অগ্রাধিকারের (স্বার্থপরতার) সম্মুখীন হবে, সুতরাং তোমরা ধৈর্য ধারণ করো যতক্ষণ না তোমরা আমার সাথে সাক্ষাৎ করো।"
এটি ইমাম বুখারি সুলাইমান বিন হারব থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন জাইদ আল-আজদি থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের জন্য 'বাদল' হয়েছে।
বাগাভীর উস্তাদ আবু আল-রাবি-এর নাম হলো সুলাইমান বিন দাউদ আল-জাহরানি। তিনি বসরার অধিবাসী, আজদি আতাকি। তাঁর থেকে বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁর থেকে এক ব্যক্তির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৩৪ হিজরি সনের রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং বলা হয় যে ২৩৫ হিজরিতে।
এবং শরিফ নাসিব পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন উসমান বিন আবু নাসর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজি আবু বকর ইউসুফ বিন আল-কাসিম আল-মায়ানিজি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন দাউদ আবু আল-রাবি আল-খুতাল্লি।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥١)
الْبَغْدَادِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزَّبِيدِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِجَارِيَةٍ كَانَتْ فِي بَيْتِ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَرَأَى بِوَجْهِهَا سَفْعَةً فَقَالَ: «بِهَا نَظْرَةٌ، فَاسْتَرْقُوا لَهَا».
أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ أَبِي الرَّبِيعِ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ بْنِ رُشَيْدٍ الْخُتَّلِّيِّ الأَحْوَلِ، نَزِيلِ بَغْدَادَ مَاتَ أَوَّلَ يَوْمٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاثِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَلَمْ يُخَرِّجْ حَدِيثَهُ غَيْرُ مُسْلِمٍ، وَلَيْسَ هُوَ بِابْنِ دَاوُدَ بْنِ رُشَيْدٍ الْخَوَارِزْمِيِّ. فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً. وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ أَيْضًا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ وَهْبِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ بِهِ. فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا، وَللَّهِ الْحَمْدُ.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الشَّرِيفِ النَّسِيبِ، قَالَ: أَخْبَرَتْنَا كَرِيمَةُ بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيَّةُ، فِي مَسْجِدِ الْخَيْفِ مِنْ مِنًى، قَالَتْ: ثنا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ السَّرْخَسِيُّ، ثنا أَبُو لَبِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الشَّامِيُّ، ثنا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، ثنا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ: أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ سَالِمِ
আল-বাগদাদি; তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি জুবাইদি থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি জয়নব বিনতে উম্মে সালামাহ থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মে সালামাহর ঘরে এক বালিকাকে দেখতে পেলেন যার চেহারায় একটি কালচে দাগ (বিবর্ণতা) ছিল। তখন তিনি বললেন: "তাকে কুদৃষ্টি লেগেছে, অতএব তোমরা তার জন্য রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক) করার ব্যবস্থা করো।"
মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ এটি আবু রাবি' সুলায়মান ইবনে দাউদ ইবনে রুশাইদ আল-খুতাল্লি আল-আহওয়াল থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি বাগদাদের বাসিন্দা ছিলেন এবং দুইশত একত্রিশ হিজরি সনের রমজান মাসের প্রথম দিনে মৃত্যুবরণ করেন। ইমাম মুসলিম ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর হাদিস বর্ণনা করেননি এবং তিনি ইবনে দাউদ ইবনে রুশাইদ আল-খোয়ারিজমি নন। এভাবে হাদিসটি আমাদের জন্য 'মুওয়াফাকাত' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। ইমাম বুখারিও এটি মুহাম্মদ ইবনে খালিদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহাব ইবনে আতিয়্যাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে হারব থেকে একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য 'আলি' (উচ্চ সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে; আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এবং শরীফ আন-নাসীবের সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কারীমা বিনতে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযিয়্যাহ মিনার মাসজিদুল খায়েফে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু আলী যাহির ইবনে আহমাদ আস-সারখাসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু লাবীদ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: হুমাইদ ইবনে মাস'আদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: খালিদ ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, আর তিনি তাঁদের নিকট সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٢)
ابْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «أَمَا يَسْتَطِيعُ أَنْ يَقْرَأَ أَحَدُكُمْ ثُلُثَ الْقُرْآنَ فِي لَيْلَةٍ؟» قَالُوا: نَحْنُ أَعْجَزُ مِنْ ذَلِكَ وَأَضْعَفُ، قَالَ: " إِنَّ اللَّهَ عز وجل جَزَّأَ الْقُرْآنَ ثَلاثَةَ أَجْزَاءٍ فَجَعَلَ {قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ} جُزْءًا مِنَ الْقُرْآنِ ".
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيِّ الْمَرْوَزِيِّ الْفَقِيهِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُقَدَّمٍ الْمُقَدَّمِيِّ الْبَصْرِيِّ الثَّقَفِيِّ مَوْلاهُمْ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، بِهِ. فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا. وَمَعْدَانُ هُوَ ابْنُ طَلْحَةَ الْيَعْمَرِيُّ، وَقِيلَ: ابْنُ أَبِي طَلْحَةَ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.
ইবনে আবিল জাদ থেকে, মা’দান থেকে, আবুদ্দারদা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে, আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: “তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পাঠ করতে সক্ষম নও?” তাঁরা বললেন: “আমরা এর চেয়েও অক্ষম ও দুর্বল।” তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত কুরআনকে তিন ভাগে বিভক্ত করেছেন, অতঃপর ‘বলুন: তিনিই আল্লাহ, একক’ (সূরা ইখলাস)-কে কুরআনের একটি অংশ সাব্যস্ত করেছেন।”
ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আল-হানজালি আল-মারওয়াযি আল-ফকিহ থেকে, তিনি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর ইবনে আলি ইবনে মুকাদ্দাম আল-মুকাদ্দামি আল-বাসরি আস-সাকাফি (তাদের মুক্তদাস) থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। আর মা’দান হলেন ইবনে তালহা আল-ইয়ামারি, মতান্তরে ইবনে আবি তালহা; আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٣)
من اسمه عيسى رجل واحد
[50] عيسى بن محمد بن أبي القاسم بن محمد الكردي الهكاري، له كنيتان أبو محمد، وأبو العزائم، ولد الأمير أبي عبد اللهكان أحد الأمراء الأعيان ذوي المكارم والإحسان، من فرسان المسلمين وحماة الدين، وكذلك كان والده، لهما المواقف المشهورة، والمآثر المذكورة. سمع شيخنا هذا من الخطيب أبي الحسن علي بن محمد بن جميل المعافري، وأبي القاسم بن رواحة الأنصاري، وله إجازة ابن طبرزد، والكندي، مولده في ثالث عشر ذي القعدة سنة ثلاث وتسعين وخمسمائة بالقدس الشريف، وتوفي يوم السبت الثامن والعشرين من شهر ربيع الآخر سنة تسع وستين وستمائة، ودفن يوم الأحد بسفح جبل قاسيون ظاهر دمشق سمعت عليه كتاب «اختصار الأحكام الشرعية من حديث النبي صلى الله عليه وسلم وأخباره»، جمع الإمام الْحَافِظ الفقيه المحدث أبي محمد عبد الحق بن عبد الرحمن الإشبيلي، وكان قد تفرد بروايته عن الخطيب أبي الحسن بن جميل خطيب القدس عن المصنف وليس فيه حديث بإسناد نذكره، وهذه خطبة الكتاب:
أخبرنا الأمير الكبير الغازي المجاهد أبو محمد عيسى بن الأمير الكبير
যাঁদের নাম ঈসা তাঁদের মধ্যে একজন ব্যক্তি[৫০] ঈসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবুল কাসিম ইবনে মুহাম্মদ আল-কুরদি আল-হাক্কারি, তাঁর দুটি উপনাম ছিল আবু মুহাম্মদ এবং আবুল আজায়িম, তিনি আমির আবু আব্দুল্লাহর পুত্রতিনি ছিলেন বিশিষ্ট আমিরগণের অন্তর্ভুক্ত এবং মহানুভবতা ও সদাচরণের অধিকারী, মুসলিমদের অশ্বারোহী বীর এবং দ্বীনের রক্ষকদের একজন। তাঁর পিতাও অনুরূপ ছিলেন, তাঁদের দুজনেরই সুবিখ্যাত বীরত্বগাথা ও স্মরণীয় কীর্তি রয়েছে। আমাদের এই শায়খ খতিব আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জামিল আল-মুআফিরি এবং আবুল কাসিম ইবনে রাওয়াহা আল-আনসারি থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। তাঁর নিকট ইবনে তাবারজাদ ও আল-কিন্দির ইজাজত ছিল। তাঁর জন্ম ৫৯৩ হিজরি সনের তেরো জিলকদ পবিত্র কুদস (জেরুজালেম) শহরে এবং তিনি ৬৬৯ হিজরি সনের আটাশে রবিউল আখের শনিবার ইন্তেকাল করেন। রবিবার তাঁকে দামেস্কের উপকণ্ঠে কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে দাফন করা হয়। আমি তাঁর নিকট ইমাম, হাফেজ, ফকিহ ও মুহাদ্দিস আবু মুহাম্মদ আব্দুল হক ইবনে আব্দুর রহমান আল-ইশবিলি সংকলিত «ইখতিসারুল আহকামিশ শারইয়্যাহ মিন হাদিসিন নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আখবারিহ» নামক কিতাবটি পাঠ করেছি। তিনি কুদসের খতিব আবুল হাসান ইবনে জামিলের মাধ্যমে গ্রন্থকারের নিকট থেকে এটি বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক ছিলেন। এতে এমন কোনো হাদিস নেই যার সনদ আমি এখানে উল্লেখ করব। আর এটি হলো কিতাবটির ভূমিকা:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান আমির, গাজি, মুজাহিদ আবু মুহাম্মদ ঈসা ইবনে মহান আমির...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٤)
الشهيد أبي عبد الله محمد بن أبي القاسم بن محمد الهكاري قراءة عليه وأنا أسمع في أواخر سنة ثلاث وستين وستمائة بالقاهرة، قال: أنا الشيخ الإمام الخطيب المحدث أبو الحسن علي بن محمد بن علي بن جميل المعافري الخطيب بالمسجد الأقصى قراءة عليه وأنا أسمع، قال: حدثنا الفقيه المحدث الْحَافِظ أبو محمد عبد الحق بن عبد الرحمن بن عبد الله الأزدي الإشبيلي قراءة علينا من لفظه في مدة آخرها شهر المحرم سنة ست وسبعين وخمسمائة، بمدينة بجاية قال: الحمد لله رب العالمين والصلاة والتسليم على محمد خاتم النبيين وإمام المرسلين وعلى صحابته الطاهرين، وجميع عباد الله الصالحين.
أما بعد: وفقنا الله أجمعين لطاعته، وأمدنا بمعونته، وتوفأنا على شريعته، فإني جمعت في هذا الكتاب متفرقا من حديث رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم في لوازم الشرع وأحكامه، وحلاله وحرامه في ضروب من الترغيب والترهيب وذكر الثواب والعقاب إلى غير ذلك مما تميز حافظها وتسعد العامل بها، وتخيرتها صحيحة الإسناد، معروفة عند النقاد، قد نقلها الأثبات وتداولها الثقات، أخرجتها من كتب الأئمة وهداة الأمة: أبو عبد الله مالك بن أنس بن أبي عامر الأصبحي، وأبو عبد الله محمد بن إسماعيل الجعفي البخاري، وأبو الحسين مسلم بن الحجاج القشيري النيسابوري، وأبو عبد الرحمن أحمد بن شعيب النسائي، وأبو داود سليمان بن الأشعث السجستاني، وأبو عيسى محمد بن عيسى بن سورة الترمذي، وفيه أحاديث من كتب أخر أذكرها عند ذكر ما أخرج منها وإذا ذكرت الحديث لواحد ممن أخرجت حديثه فكل
আশ-শহীদ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবিল কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাক্কারি, ৬৬৩ হিজরি সনের শেষভাগে কায়রোতে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ ইমাম খতিব মুহাদ্দিস আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে জামিল আল-মুআফিরি, যিনি মসজিদে আকসার খতিব ছিলেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকিহ মুহাদ্দিস হাফেজ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হক ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আজদি আল-ইশবিলি, ৫৫৬ হিজরি সনের মুহাররম মাসে বিজায়া শহরে তাঁর নিজ মুখনিঃসৃত শব্দ থেকে আমাদের উপস্থিতিতে পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক নবিগণের মোহর ও রাসুলগণের ইমাম মুহাম্মাদের ওপর, তাঁর পবিত্র সাহাবিগণের ওপর এবং আল্লাহর সকল নেককার বান্দাদের ওপর।
অতঃপর: আল্লাহ আমাদের সকলকে তাঁর আনুগত্য করার তৌফিক দান করুন, তাঁর সাহায্যের মাধ্যমে আমাদের সিক্ত করুন এবং তাঁর শরিয়তের ওপর আমাদের মৃত্যু দান করুন। আমি এই কিতাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসসমূহ থেকে শরিয়তের আবশ্যকীয় বিষয়াদি ও আহকাম, হালাল ও হারাম, বিভিন্ন প্রকারের উৎসাহ ও ভীতি প্রদর্শন (তারগিব ও তারহিব), সওয়াব ও আজাবের আলোচনা এবং অন্যান্য এমন সব বিষয় সংকলন করেছি যা মুখস্থকারীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে এবং আমলকারীকে সৌভাগ্যবান করে। আমি এগুলোকে সহিহ সনদবিশিষ্ট এবং সমালোচকগণের নিকট সুপরিচিত হাদিসসমূহ থেকে বাছাই করেছি। নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিবর্গ এগুলো বর্ণনা করেছেন এবং বিশ্বস্ত রাবিগণ একে অপরের নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন। আমি এগুলোকে উম্মতের ইমাম ও হিদায়াতের পথপ্রদর্শকগণের কিতাবসমূহ থেকে চয়ন করেছি, তাঁরা হলেন: আবু আব্দুল্লাহ মালিক ইবনে আনাস ইবনে আবি আমির আল-আসবাহি, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-জুফি আল-বুখারি, আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল-কুশাইরি আন-নিশাপুরি, আবু আব্দুর রহমান আহমাদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ি, আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আশআস আস-সিজিস্তানি এবং আবু ঈসা মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা ইবনে সাওরা আত-তিরমিজি। এতে অন্যান্য কিতাবের হাদিসও রয়েছে, যা উদ্ধৃত করার সময় আমি উল্লেখ করব। আর যখন আমি এমন কারো থেকে হাদিস উল্লেখ করব যাঁর কিতাব থেকে আমি বর্ণনা গ্রহণ করেছি, তখন প্রতিটি...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٥)
حديث أذكره بعد ذلك فهو له، ومن كتابه، وعن ذلك الصاحب المذكور فيه حتى أذكر غيره، وأسمى سواه، وربما تخللها كلام في تفسير لغة، أو في شيء ما، وإذا ذكرت الحديث لأحدهم وقلت: زاد فلان كذا وكذا، وقال فلان كذا وكذا، فهو عن ذلك الصاحب، عن النبي صلى الله عليه وسلم، وإن لم أذكر الصاحب ولا النبي صلى الله عليه وسلم، وإن كان عن غيره سميته وذكرت عمن أخرجته، وربما وقع في هذا الكتاب ما قد تكلم فيه من طريق الإرسال أو التوقيف، أو تكلم في بعض نقلته، وليس كل كلام يقبل، ولا كل قول به يعمل، ولو ترك كل ما تكلم فيه؛ لم يبق بأيدي أهل هذا الشأن منه إلا القليل، وللكلام في هذا موضع آخر، وهذا النوع المعتذر عنه في هذا المجموع قليل، وربما نبهت على بعضه وكتبت هذه الأحاديث مختصرة الأسانيد؛ ليسهل على من أراد حفظها، ويقرب على من أراد التفقه فيها والنظر في معانيها إذ التفقه في حديث رَسُول اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هو المعنى المقصود، والرأي المحمود، والعمل الموجود في المقام المحضور واليوم المشهود، وإلى الله عز وجل أرغب في أن يجعل ذلك خالصا لوجهه، مدنيا من رحمته، مقربا إلى جنته، معينا على أداء ما أوجب، منهضا إلى ما فيه رغب وإليه ندب برحمته، لا رب سواه وهو المستعان وعليه التكلان ولا حول ولا قوة إلا بالله، وهو حسبنا ونعم الوكيل ".
এরপর আমি যে হাদিসটি উল্লেখ করব, তা তাঁরই বর্ণিত এবং তাঁর কিতাব থেকে সংগৃহীত। তা ওই উল্লিখিত সাহাবী থেকেই বর্ণিত হবে যতক্ষণ না আমি অন্য কারো নাম উল্লেখ করি কিংবা ভিন্ন কারো নাম নেই। কখনও কখনও এর মাঝে শব্দার্থের ব্যাখ্যা অথবা অন্য কোনো বিষয়ের আলোচনা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আর যখন আমি কারো পক্ষ থেকে কোনো হাদিস উল্লেখ করে বলব: 'অমুক ব্যক্তি এই এই অংশ বৃদ্ধি করেছেন' এবং 'অমুক ব্যক্তি এই এই কথা বলেছেন', তবে তা সেই সাহাবী থেকেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে বর্ণিত হবে, যদিও আমি সাহাবী কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম উল্লেখ না-ও করি। আর যদি তা অন্য কারো পক্ষ থেকে হয়, তবে আমি তার নাম উল্লেখ করব এবং কার থেকে আমি তা গ্রহণ করেছি তাও উল্লেখ করব। এই কিতাবে কখনও কখনও এমন বর্ণনাও আসতে পারে যেগুলোর সূত্রে ইরসাল (সূত্র বিচ্ছিন্নতা) বা মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য) হওয়ার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে, অথবা এর কোনো বর্ণনাকারীর বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছে। তবে সব কথাই গ্রহণযোগ্য নয় এবং সব মতের ওপর আমল করা হয় না। যদি সেই সমস্ত বিষয় বর্জন করা হতো যেগুলোর ব্যাপারে আপত্তি করা হয়েছে, তবে এই শাস্ত্রের পারদর্শীদের হাতে খুব সামান্যই অবশিষ্ট থাকত। আর এই বিষয়ে আলোচনার জন্য ভিন্ন স্থান রয়েছে। এই সংকলনে এই ধরণের ওজরখাস করা বর্ণনার সংখ্যা খুবই নগণ্য। আমি কখনও কখনও এগুলোর কয়েকটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি এবং এই হাদিসগুলো সংক্ষিপ্ত সনদসহ লিখেছি; যাতে যারা এগুলো মুখস্থ করতে চায় তাদের জন্য সহজ হয় এবং যারা এগুলোর ফিকহ (গভীর জ্ঞান) ও অর্থ অনুধাবনের ইচ্ছা রাখে তাদের জন্য তা নিকটবর্তী হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের ফিকহ অর্জন করাই হলো কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য, প্রশংসিত পন্থা এবং কিয়ামতের ময়দানে ও সাক্ষ্য দেওয়ার দিনে উপস্থিত আমল। মহান আল্লাহর কাছে আমি এই প্রার্থনা জানাই যেন তিনি একে একান্তই তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করেন, একে তাঁর রহমতের নিকটবর্তী করেন, তাঁর জান্নাতের সন্নিকটে নিয়ে যান, যা তিনি ফরজ করেছেন তা পালনে একে সহায়ক বানান এবং যে বিষয়ের প্রতি তিনি তাঁর রহমতে আগ্রহ ও উৎসাহ প্রদান করেছেন সেদিকে একে ধাবিতকারী করেন। তিনি ব্যতীত কোনো রব নেই, তিনিই সাহায্যস্থল এবং তাঁর ওপরই ভরসা; আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও শক্তি নেই। তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٧)
حرف الفاء رجلان
من اسمه الفضل رجل واحد
[51] الفضل بن علي بن نصر بن عبد الله بن الحسين بن رواحة الأنصاري الحموي الأديب الكاتب، أبو الخير بن أبي الحسن بن أبي المظفرشيخ جليل من أعيان الأدباء، والشيوخ الرؤساء، كثير الأدب، خبير بنقد الشعر، جيد القول فيه، ولي نظر الشرقية بالديار المصرية مدة طويلة، سمع من الإمام أبي محمد عبد اللطيف بن يوسف البغدادي، ويحيى بن جعفر بن الدامغاني، وأبي الحسن علي بن محمود بن الصابوني، وأبي القاسم بن رواحة الحموي، وأجاز له أبو روح الهروي، وأبو الحسن الطوسي، وأم المؤيد بنت الشعري وغيرهم، وكتب عنه من أناشيده بعض شيوخنا، مولده في الثاني والعشرين من شوال سنة إحدى وستمائة، بمدينة حماة، وتوفي يوم الاثنين الثالث والعشرين من جمادى الأولى سنة ست وثمانين وستمائة، بمدينة بلبيس، ودفن من الغد خارج باب الصحراء رحمه الله وإيانا.
ফ বর্ণ: দুইজন ব্যক্তিযাঁদের নাম আল-ফদল: একজন ব্যক্তি[৫১] আল-ফদল বিন আলি বিন নাসর বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন রাওয়াহাহ আল-আনসারি আল-হামাভি আল-আদিব আল-কাতিব, আবু আল-খাইর বিন আবি আল-হাসান বিন আবি আল-মুজাফ্ফরতিনি ছিলেন একজন মহান শাইখ, প্রথিতযশা সাহিত্যিক এবং নেতৃস্থানীয় মাশায়েখদের অন্তর্ভুক্ত; শিষ্টাচার ও সাহিত্যে সমৃদ্ধ, কাব্য সমালোচনায় দক্ষ এবং কাব্য রচনায় পারদর্শী। তিনি দীর্ঘকাল মিসর ভূখণ্ডের শারকিয়া অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইমাম আবু মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বিন ইউসুফ আল-বাগদাদি, ইয়াহইয়া বিন জাফর আদ-দামাগানি, আবুল হাসান আলি বিন মাহমুদ আস-সাবুনি এবং আবুল কাসিম বিন রাওয়াহাহ আল-হামাভি থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। আবু রুহ আল-হারাভি, আবুল হাসান আত-তুসি, উম্মুল মুআইয়িদ বিনতে আল-শা’রি এবং অন্যান্যরা তাঁকে ইজাজত প্রদান করেছেন। আমাদের কিছু শাইখ তাঁর নিকট থেকে তাঁর রচিত কিছু কবিতা লিপিবদ্ধ করেছেন। তাঁর জন্ম ৬০১ হিজরি সালের ২২শে শাওয়াল হামাহ শহরে এবং তিনি ৬৮৬ হিজরি সালের ২৩শে জুমাদাল উলা সোমবার বিলবেইস শহরে ইন্তেকাল করেন। পরদিন তাঁকে বাব আস-সাহরার বাইরে দাফন করা হয়। আল্লাহ তাঁর প্রতি এবং আমাদের প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٨)
أخبرنا الشَّيْخُ الْعَالِمُ الْفَاضِلُ الصَّدْرُ أَبُو الْخَيْرِ الْفَضْلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ رَوَاحَةَ الأَنْصَارِيُّ الْخَزْرَجِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ وَانْتِقَائِي لَهُ وَذَلِكَ لِعَشْرٍ بَقِينَ مِنْ شَهْرِ رَجَبٍ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسِتِّينَ وَسِتِّمِائَةٍ بِمَدِينَةِ بِلْبِيسَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَوَاحَةَ الأَنْصَارِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ: أنا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ.
ح وَكَتَبَ إِلَيَّ الشَّيْخَانِ؛ أَبُو مُحَمَّدٍ مَكِّيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ بْنِ عَلانَ الْقَيْسِيُّ، وَأَبُو الْفَضْلِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْعِرَاقِيُّ، عَنِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ السِّلَفِيِّ، قَالَ: أنا الشَّيْخُ الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ بِأَصْبَهَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَعْفَرٍ الْجُرْجَانِيُّ إِمْلاءً، قثا حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ الأَبِيوَرْدِيُّ الْغَازِيُّ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنِّي أَبْرَأُ إِلَى كُلِّ خَلِيلٍ مِنْ خُلَّتِهِ، غَيْرَ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَدِ اتَّخَذَ صَاحِبَكُمْ خَلِيلا، يَعْنِي: نَفْسَهُ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلا لاتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلِيلا ".
জ্ঞানী, ফযিলতধারী এবং বরেণ্য শাইখ আবুল খায়ের আল-ফযল বিন আলী বিন নাসর বিন রাওয়াহা আল-আনসারী আল-খাজরাজী ৬৬৮ হিজরী সালের রজব মাসের দশ দিন অবশিষ্ট থাকতে বিলবিস শহরে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে এবং তাঁর জন্য আমার সংকলন অনুযায়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আমি তাঁকে বললাম: মহান শাইখ আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা আল-আনসারী কি আপনাকে পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যখন আপনি তা শুনছিলেন? তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বললেন: ইমাম হাফিয আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সিলাফী আল-আসফাহানী আলেকজান্দ্রিয়াতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(অন্য সূত্রে) এবং দুই শাইখ—আবু মুহাম্মাদ মক্কী বিন আল-মুসলিম বিন আলান আল-কায়সী এবং আবুল ফজল ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকী আমার নিকট লিখেছেন, তাঁরা হাফিয আবু তাহির আস-সিলাফী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: প্রধান শাইখ আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফজল বিন আহমাদ বিন আহমাদ বিন মাহমুদ আস-সাকাফী আসফাহানে ৪৮৮ হিজরী সালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন জাফর আল-জুরজানী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাজিব বিন আহমাদ আত-তুসী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন হাম্মাদ আল-আবিওয়ার্দী আল-গাজী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু মুআবিয়া আদ-দারীর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুররাহ থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে দায়মুক্ত হচ্ছি, তবে মহান আল্লাহ তোমাদের সঙ্গীকে (অর্থাৎ নিজেকে) অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন। আর আমি যদি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে আবু বকরকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম।"
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٥٩)
حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ مُحَمَّدِ بْنِ خَازِمٍ الضَّرِيرِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا، وَأَبُو الأَحْوَصِ عَوْفُ بْنُ مَالِكِ بْنِ نَضْلَةَ الْجُشَمِيُّ، وَعَبْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ مَسْعُودٍ رضي الله عنه.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الرَّئِيسِ الثَّقَفِيِّ، قثا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ إِمْلاءً، قثا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الأَسْوَارِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَبْسِيُّ، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لا تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا، وَلا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا، أَوْلا أَدُلُّكُمْ عَلَى شَيْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبَتْمُ؟ أَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْ».
এটি একটি সহীহ হাদীস যা মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবু শাইবা থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ বিন খাযিম আদ-দারাীর থেকে, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর স্থলাভিষিক্ত সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। আর আবুল আহওয়াস হলেন আউফ বিন মালিক বিন নাদলা আল-জুশামি, এবং আব্দুল্লাহ হলেন ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
এবং রইস আস-সাকাফির প্রতি উদ্ধৃত সনদের মাধ্যমে: আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-ফকিহ আমাদের নিকট শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আল-আসওয়ারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-আবসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকি ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ না তোমরা ঈমান আনবে, এবং তোমরা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন একটি কাজ বাতলে দেব না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালোবাসবে? তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।"
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٠)
حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ الرَّوَاسِيِّ أَبِي سُفْيَانَ، بِهِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا، وَأَبُو صَالِحٍ ذَكْوَانُ السَّمَّانُ
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الرَّئِيسِ الثَّقَفِيِّ، قَالَ: أَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرَشِيُّ بِنَيْسَابُورَ، قثا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دُحَيْمٍ الشَّيْبَانِيُّ بِالْكُوفَةِ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَبْسِيُّ، أنا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْمُؤْمِنُونَ كَرَجُلٍ وَاحِدٍ، إِنِ اشْتَكَى رَاسَهُ تَدَاعَى لَهُ سَائِرُ الْجَسَدِ بِالْحُمَّى وَالسَّهَرِ».
مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ مِنْ حَدِيثِ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبِي سَعِيدٍ الأَشَجِّ، كِلاهُمَا عَنْ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ. فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا وَللَّهِ الْحَمْدُ.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الثَّقَفِيِّ، قثا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ بِبَغْدَادَ، قثا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، قثا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، قثا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ
এটি একটি সহীহ হাদিস, যা মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি ওয়াকি ইবনুল জাররাহ আর-রাওয়াসি আবু সুফিয়ান থেকে; এর মাধ্যমে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের এক বিকল্প সনদ (বাদাল) হিসেবে পৌঁছেছে। আর আবু সালিহ হলেন যাকওয়ান আস-সাম্মান।
এবং রাইস আস-সাকাফির সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নিশাপুরের কাজি আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান আল-হারাশি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুফার মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে দুহাইম আশ-শাইবানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আবসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াকি, তিনি আমাশ থেকে, তিনি শাবি থেকে, তিনি নুমান ইবনে বশির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিনগণ একজন ব্যক্তির মতো; যদি তার মাথায় ব্যথা অনুভূত হয়, তবে তার কারণে পুরো শরীর জ্বর ও অনিদ্রার মাধ্যমে সাড়া দেয়»।
যাকারিয়া ইবনে আবি যাইদাহ্-এর সূত্রে শাবি থেকে বর্ণিত হাদিস হিসেবে এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত। মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ এবং আবু সাঈদ আল-আশাজ থেকে, তারা উভয়ই ওয়াকি ইবনুল জাররাহ থেকে। সুতরাং এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের বিকল্প সনদ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
এবং আস-সাকাফির সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বাগদাদের আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে সাদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল আশআস আহমদ ইবনুল মিকদাম আল-ইজলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦١)
أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ: " لَقَدْ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشْرَ سِنِينَ، فَوَاللَّهِ مَا قَالَ لِي أُفٍّ قَطُّ، وَلا قَالَ لِي لِشَيْءٍ فَعَلْتُهُ لِمَ فَعَلْتَ كَذَا؟ وَلا لِشَيْءٍ لَمْ أَفْعَلْهُ: أَلا فَعَلْتَ كَذَا ".
حَدِيثٌ صَحِيحٌ عَالٍ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَنْصُورٍ، وَأَبِي الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيِّ، كِلاهُمَا عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ بِهِ.
فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا لِمُسْلِمٍ، وَللَّهِ الْحَمْدُ.
আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি দশ বছর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমত করেছি। আল্লাহর শপথ, তিনি আমাকে কখনো 'উফ' বলেননি। আমি কোনো কাজ করলে তিনি আমাকে বলেননি যে, 'কেন তুমি এরূপ করলে?' আর কোনো কাজ না করলে তিনি আমাকে বলেননি যে, 'কেন তুমি এরূপ করলে না?'"
এটি একটি উচ্চ পর্যায়ের সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম এটি সাঈদ ইবনে মানসূর ও আবু রাবী' আয-যাহরানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই হাম্মাদ ইবনে যাইদ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
এর মাধ্যমে এটি আমাদের নিকট ইমাম মুসলিমের বর্ণনার বিপরীতে একটি উচ্চমানের 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে, আর সকল প্রশংসা আল্লাহর।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٢)
من اسمه فرج رجل واحد
[52] فرج بن عبد الله الحبشي الخادم، فتى الشيخ أبي جعفر أحمد بن علي القرطبي، أبو الغياث. عتيق المجد البهنسيكان شيخًا صالحًا ثقة، خيرا، كثير السماع، حدث بالكثير ولم يزل على ذلك إلى حين وفاته، سمع من أبي طاهر الخشوعي، والحافظ أبي محمد القاسم ابن عساكر، وأبي القاسم أحمد بن تزمش الخياط، وأبي الحسن عبد اللطيف بن إسماعيل بن أبي سعد، والقاضي أبي المعالي محمد بن علي بن محمد بن يحيى القرشي، والقاضي أبي الطاهر محمد بن
যাদের নাম ফারাজ, এমন একজন ব্যক্তি[৫২] ফারাজ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাবাশি আল-খাদিম, শাইখ আবু জাফর আহমাদ বিন আলি আল-কুরতুবির সহচর, আবু আল-গিয়াস। তিনি মাজদ আল-বাহনাসির মুক্ত দাস ছিলেন।তিনি একজন সৎকর্মশীল, নির্ভরযোগ্য ও কল্যাণকামী শাইখ ছিলেন। তিনি প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছিলেন এবং অনেক বর্ণনা করেছেন। মৃত্যু অবধি তিনি এই অবস্থাতেই অটল ছিলেন। তিনি আবু তাহির আল-খুশুয়ি, হাফিজ আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম ইবনে আসাকির, আবু আল-কাসিম আহমাদ বিন তাজমিশ আল-খাইয়াত, আবু আল-হাসান আব্দুল লতিফ বিন ইসমাইল বিন আবি সা'দ, কাযি আবু আল-মা'আলি মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আল-কুরাশি এবং কাযি আবু তাহির মুহাম্মদ বিন... থেকে শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٣)
محمد بن محمد بن بنان الأنباري، والإمام أبي عبد الله محمد بن محمد بن حامد الكاتب الأصبهاني، وأبي حفص بن طبرزد، وأبي علي حنبل الرصافي، وأبي بكر عبد الجليل ابن مندويه، وأبي بكر محمد بن يوسف بن أبي بكر الآملي الطبري، وأبي اليمن الكندي، والقاضي أبي القاسم ابن الحرستاني، وأبي يعقوب يوسف بن فيروز الخويي، وأبي حفص عمر بن محمد السهروردي، والحافظ أبي محمد عبد القادر بن عبد الله الرهاوي، وغيرهم، مولده قبل الثمانين والخمسمائة تخمينا، وتوفي إلى رحمة الله ليلة الثلاثاء رابع شوال سنة اثنتين وخمسين وستمائة، وصلي عليه يوم الثلاثاء، بعد الظهر، ودفن بسفح جبل قاسيون.
أخبرنا الشَّيْخُ الصَّالِحُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْغِيَاثِ فَرَجُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَبَشِيُّ، فَتَى الْقُرْطُبِيِّ، إِجَازَةً صَدَرَتْ لَنَا مِنْهُ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّمِائَةٍ بِدِمَشْقَ، قَالَ: أنا أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهِرٍ الْقُرَشِيُّ الْخُشُوعِيُّ.
মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন বান্নান আল-আনবারি, ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন হামিদ আল-কাতিব আল-আসফাহানি, আবু হাফস বিন তাবারযাদ, আবু আলী হানবাল আল-রুসাফি, আবু বকর আব্দুল জলীল ইবনে মানদুওয়াহ, আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন আবু বকর আল-আমুলি আত-তবারি, আবু আল-ইয়ামান আল-কিন্দি, আল-কাযি আবু আল-কাসিম ইবনুল হুরস্তানি, আবু ইয়াকুব ইউসুফ বিন ফিরোজ আল-খুওয়ায়ি, আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ আস-সুহরাওয়ার্দি, হাফিয আবু মুহাম্মদ আব্দুল কাদির বিন আব্দুল্লাহ আল-রাহাউয়ি এবং আরও অনেকে। তাঁর জন্ম আনুমানিকভাবে পাঁচশত আশি হিজরির পূর্বে এবং তিনি আল্লাহর রহমতের দিকে যাত্রা করেন ছয়শত বাহান্ন হিজরি সনের চার শাওয়াল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে। মঙ্গলবার যোহরের পর তাঁর জানাযার সালাত আদায় করা হয় এবং তাঁকে কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে সমাহিত করা হয়।
নেককার শায়খ, মুসনিদ আবু আল-গিয়াস ফারাজ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাবাশি, ফাতা আল-কুরতুবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; যা দামেশকে ছয়শত ছেচল্লিশ হিজরির শাবান মাসে তাঁর পক্ষ থেকে আমাদের নিকট আসা একটি ইজাযত। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বারাকাত বিন ইবরাহিম বিন তাহির আল-কুরাশি আল-খুশুয়ি।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٤)
قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ سِتٍّ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَكْفَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخِرِ سَنَةَ إِحْدَى وَعِشْرِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ قَالَ: أنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَزْدِيُّ الْمِصْرِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا دِمَشْقَ فِي سَنَةِ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو مُسْلِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبَغْدَادِيُّ الْكَاتِبُ فِي مَنْزِلِهِ بِمِصْرَ سَنَةَ سِتٍّ وَتِسْعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ الْحَافِظُ بِبَغْدَادَ، قُرِئَ عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قثا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ فِي صَفَرٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ، قَالَ: أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: " أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُصَلِّي وَلِجَوْفِهِ أَزِيزٌ كَأَزِيزِ الْمِرْجَلِ، يَعْنِي: يَبْكِي.
أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي» الشَّمَائِلِ «، وَالنَّسَائِيُّ فِي» السُّنَنِ " عَنْ سُوَيْدِ بْنِ نَصْرٍ الْمَرْوَزِيِّ الطُّوسِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ بِهِ، وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَلامٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ
৫৯৬ হিজরী সনের শাবান মাসে তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আকফানি, ৫২১ হিজরী সনের রবিউস সানি মাসে তাঁর নিকট পাঠকালে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন মাক্কি বিন উসমান বিন আবদুল্লাহ আল-আজদি আল-মিসরি, তিনি ৪৫৭ হিজরী সনে দামেস্কে আমাদের নিকট আগমন করেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলি বিন আল-হুসাইন আল-বাগদাদি আল-কাতিব, ৩৯৬ হিজরী সনে মিশরে তাঁর বাসভবনে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাগদাদের হাফেজ আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-মারওয়াযি ২৪৫ হিজরী সনের সফর মাসে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, সাবেত আল-বুনানি থেকে, তিনি মুতাররিফ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম যখন তিনি সালাত আদায় করছিলেন, তখন তাঁর বক্ষদেশ থেকে টগবগ করে ফুটন্ত হাঁড়ির শব্দের মতো আওয়াজ আসছিল, অর্থাৎ তিনি কাঁদছিলেন।"
ইমাম তিরমিযী এটি ‘আশ-শামায়েল’-এ এবং ইমাম নাসাঈ এটি ‘আস-সুনান’-এ সুওয়াইদ বিন নাসর আল-মারওয়াযি আত-তুসি-এর সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আবু দাউদ এটি আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন সালাম-এর সূত্রে ইয়াযিদ বিন হারুন থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٥)
بِهِ. وَمُطَرِّفٌ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ بْنِ عَوْفِ بْنِ كَعْبِ بْنِ وَقْدَانَ بْنِ الْحَرَشِيِّ.
তার দ্বারা। আর মুতাররিফ হলেন আবদুল্লাহ ইবনে আশ-শিখখীর ইবনে আওফ ইবনে কাব ইবনে ওয়াকদান ইবনে আল-হারাশি।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٧)
حَرْفُ الْمِيمِ ثَمَانِيَةَ عَشَرَ رَجُلًا
من اسمه محمد أربعة عشر رجلًا
[53] محمد بن أحمد بن علي بن محمد بن الحسن بن عبد الله بن أحمد بن الميمون القيسي التوزري، ثم المصري، ثم المكي المعروف، بابن القسطلاني، أبو بكر بن أبي العباس بن أبي الحسنشيخ جليل فاضل نبيل، له محاسن جمة من زهد وديانة، وحسن خلق
মীম বর্ণ: আঠারো জন ব্যক্তিযাঁদের নাম মুহাম্মদ: চৌদ্দ জন ব্যক্তি[৫৩] মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন আল-মাইমুন আল-কাইসি আল-তাউযারি, অতঃপর আল-মিসরি, অতঃপর আল-মাক্কি, যিনি ইবনুল কাসতালানি নামে পরিচিত, আবু বকর বিন আবিল আব্বাস বিন আবিল হাসানতিনি একজন মহান শায়খ, উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, তাঁর মধ্যে যুহদ (দুনিয়াবিমুখতা), ধার্মিকতা এবং উত্তম চরিত্রের নানাবিধ মহৎ গুণাবলি বিদ্যমান ছিল।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٨)
وكرم سجية، وبذل مال، وبسط وجه، وتصوف، وحديث وفقه، ونسك، وشعر رقيق.
سمع من والده، والإمام أبي حفص عمر بن محمد السهروردي، وأبي علي الحسن بن المبارك ابن الزبيدي، وأبي الحسن علي بن أبي الكرم ابن البناء، وأقام بمكة مدة طويلة يفتي الناس، ويشار إليه في المشيخة والعلم، ورحل إلى الشام، والعراق، وسمع بدمشق وحلب ومعرة النعمان، وحران، ودنيسر، ودخل مدينة السلام، وسمع من جامعه من شيوخها، وزار البيت المقدس، وسمع به وحدث بدمشق في سنة تسع وأربعين وستمائة، ودخل إلى اليمن وحدث بها وأكرم مورده، وسمع منه جماعة من شيوخنا، وبعد موت أخيه الشيخ الإمام أبي الحسن على شيخ الحديث بالكاملية بالقاهرة طلب شيخنا هذا من مكة إلى القاهرة، وولي مكان أخيه فأقام بها، وكان يرد عليه كثير من الفقراء فيقوم بأمرهم ويحسن إليهم، ويلبس خرقة التصوف عن الشيخ أبي حفص السهروردي رضي الله عنه ويمد كل ليلة سماطا للفقراء بالدار الكاملية المذكورة وجمع له في أثناء الأمر مشيخة الإيوانين بدار الحديث المذكورة، وكان يقصد للزيارة والتبرك به، ويفتي على مذهب الشافعي رضي الله عنه. مولده في صبيحة الاثنين السابع والعشرين من ذي الحجة سنة أربع عشرة وستمائة بمصر، وتوفي بالقاهرة في ليلة السبت الثامن والعشرين من المحرم سنة ست وثمانين وستمائة، ودفن يوم السبت بالقرافة الصغرى، وكان الجمع متوفرا جدا.
أخبرنا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْقَسْطَلانِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ سَبْعٍ وَسِتِّينَ وَسِتِّمِائَةٍ بِالْقَاهِرَةِ، وَقَالَ: أنا وَالِدِي الإِمَامُ الزَّاهِدُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَسْطَلانِيُّ ثُمَّ الْمِصْرِيُّ الْفَقِيهُ الْمَالِكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ،
উন্নত চারিত্রিক গুণাবলি, অঢেল দানশীলতা, সদালাপী চেহারা, সুফিবাদ, হাদিস ও ফিকহ শাস্ত্রের জ্ঞান, ইবাদত এবং সুনিপুণ কবিতার তিনি অধিকারী ছিলেন।
তিনি তাঁর পিতা, ইমাম আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ আস-সুহরাওয়ার্দী, আবু আলী আল-হাসান ইবনে আল-মুবারক ইবনে আজ-জুবায়দী এবং আবু আল-হাসান আলী ইবনে আবিল কারাম ইবনে আল-বান্নার নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি মক্কায় দীর্ঘকাল অবস্থান করে মানুষকে ফতোয়া প্রদান করতেন এবং সেখানে শায়খ হিসেবে ও ইলমের ক্ষেত্রে তাঁর দিকেই সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল। তিনি শাম ও ইরাক সফর করেন। তিনি দামেস্ক, আলেপ্পো, মা'আররাত আন-নু'মান, হাররান ও দুনাইসির-এ হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি বাগদাদ শহরে প্রবেশ করেন এবং সেখানকার জামে মসজিদের শায়খদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি বাইতুল মুকাদ্দাস জিয়ারত করেন এবং সেখানেও হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি ৬৪৯ হিজরিতে দামেস্কে হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি ইয়ামেনে প্রবেশ করে সেখানেও হাদিস বর্ণনা করেন এবং সেখানে তাঁকে যথাযোগ্য সম্মান জানানো হয়। আমাদের একদল শায়খ তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। কায়রোর কামিলিয়া মাদরাসার শায়খুল হাদিস ও তাঁর ভাই শায়খ ইমাম আবুল হাসান আলীর মৃত্যুর পর, আমাদের এই শায়খকে মক্কা থেকে কায়রোতে আসার অনুরোধ জানানো হয়। তিনি তাঁর ভাইয়ের পদে স্থলাভিষিক্ত হন এবং সেখানেই বসবাস করেন। তাঁর নিকট প্রচুর অভাবী মানুষ আসতেন, তিনি তাঁদের প্রয়োজন পূরণ করতেন এবং তাঁদের সাথে উত্তম আচরণ করতেন। তিনি শায়খ আবু হাফস আস-সুহরাওয়ার্দী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট থেকে সুফিবাদের খিরকা পরিধান করেছিলেন এবং উল্লিখিত কামিলিয়া মাদরাসায় দরিদ্রদের জন্য প্রতি রাতে খাবারের দস্তরখান বিছাতেন। এই সময়ের মধ্যে উক্ত দারুল হাদিসের উভয় দরসগাহের প্রধানের দায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত হয়। মানুষ বরকত লাভের উদ্দেশ্যে তাঁর সাথে সাক্ষাত করতে আসত এবং তিনি ইমাম শাফেয়ী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর মাযহাব অনুযায়ী ফতোয়া প্রদান করতেন। মিশরে ৬১৪ হিজরির ২৭ শে জিলহজ সোমবার ভোরে তাঁর জন্ম হয়। তিনি ৬৮৬ হিজরির ২৮ শে মহরম শনিবার রাতে কায়রোতে মৃত্যুবরণ করেন এবং শনিবার দিন তাঁকে কারাফায়ে সগরায় দাফন করা হয়। তাঁর জানাজায় প্রচুর মানুষের উপস্থিতি ছিল।
শায়খ ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনুল কাসতালানি আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন—আমি ৬৬৭ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে কায়রোতে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করছিলাম এবং শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আমার পিতা ইমাম, দুনিয়াবিমুখ আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাসান আল-কাসতালানি আল-মিসরি আল-ফকিহ আল-মালিকি আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁর সামনে পাঠ করছিলাম এবং শ্রবণ করছিলাম।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٦٩)
قَالَ: الشَّيْخُ الْعَلامَةُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرِيِّ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْمَقْدِسِيُّ النَّحْوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِمِصْرَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، أنا أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمَدِينِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ، أنا أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّاصِحِ الشَّافِعِيُّ الْفَقِيهُ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ دُحَيْمٌ، ثنا أَبِي، وَهِشَامٌ، وَمَحْمُودٌ، قَالُوا: ثنا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً يُحَدِّثُ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه: «أَنَّ إِهَلالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ حِينَ اسْتَوَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ»، زَادَ أَبِي عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ.
صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ الإِمَامِ أَبِي عَمْرٍو عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو الأَوْزَاعِيِّ الشَّامِيِّ الْفَقِيهِ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ وَاسْمُهُ أَسْلَمُ الْقُرَشِيُّ الْمَكِّيُّ، وَثَابِتٌ، مِنْ رِوَايَةِ أَبِي الْعَبَّاسِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ الْقُرَشِيِّ الدِّمَشْقِيِّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ. أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي «صَحِيحِهِ» عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُوسَى التَّمِيمِيِّ الرَّازِيِّ، وَيُعْرَفُ بِالصَّغِيرِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، وَقَعَ لَنَا بَدَلًا، وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ.
وَبِالإِسْنَادِ إِلَى الأَوْزَاعِيِّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ مِنَ اللَّهِ وَالْحُلْمُ مِنَ الشَّيْطَانِ، فَإِذَا حَلَمَ أَحَدُكُمْ حُلُمًا يَخَافُهُ؛ فَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ، وَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ»، قَالَ أَبِي: ثَلاثًا، فَإِنَّهَا لا تَضُرُّهُ ".
তিনি (বর্ণনাকারী) বললেন: শাইখ, আল্লামা আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে বাররি ইবনে আবদুল জাব্বার আল-মাকদিসি আন-নাহবি আমাদের নিকট এটি পাঠ করেছেন এবং আমি তা শুনছিলাম মিশরে, পাঁচশত আটাত্তর হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুর্শিদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুল কাসিম আল-মাদিনি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসান আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-ফারিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আন-নাসিহ আশ-শাফিয়ি আল-ফকিহ। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আবদুর রহমান দুহাইম। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আমার পিতা, হিশাম এবং মাহমুদ। তাঁরা বললেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-ওয়ালিদ, আওজায়ি থেকে, তিনি বলেন: আমি আতা-কে জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলাইফা থেকে ইহরামের তালবিয়াহ পাঠ শুরু করেন যখন তাঁর সওয়ারি উষ্ট্রী তাঁকে নিয়ে সোজা হয়ে উঠে দাঁড়াল।" আমার পিতা মসজিদের দরজার নিকট (থাকা অবস্থায় কথাটি) অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।
এটি ইমাম আবু আমর আবদুর রহমান ইবনে আমর আল-আওজায়ি আশ-শামি আল-ফকিহ-এর বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস, যা তিনি আবু মুহাম্মদ আতা ইবনে আবি রাবাহ (তাঁর নাম আসলাম আল-কুরাশি আল-মাক্কি) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি সুপ্রতিষ্ঠিত। এটি আবু আব্বাস আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আল-কুরাশি আদ-দিমাশকি-এর মাধ্যমে আওজায়ির সূত্রে বর্ণিত। ইমাম বুখারি এটি তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থে আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে মুসা আত-তামিমি আর-রাজি (যিনি আস-সগির নামে পরিচিত) থেকে, তিনি আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি আমাদের নিকট উচ্চতর পর্যায়ের বিকল্প সনদ হিসেবে গণ্য হয়েছে। আর আল্লাহর কাছেই তাওফিক প্রার্থনা করছি।
এবং আওজায়ি পর্যন্ত একই সনদের মাধ্যমে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাতাদা আমাকে তাঁর পিতা থেকে হাদিস শুনিয়েছেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "উত্তম স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে আর মন্দ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন এমন কোনো স্বপ্ন দেখে যা সে ভয় পায়, তখন সে যেন তার বাম দিকে থুতু ফেলে এবং আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে।" আমার পিতা বলেছেন: (এটি করবে) তিনবার, তাহলে তা আর তার কোনো ক্ষতি করবে না।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٠)
وَبِالإِسْنَادِ قَالَ يَحْيَى: فَحَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ قَالَ: إِنْ كُنْتُ لأَحْلَمُ الْحُلُمَ أَخَافُهُ حَتَّى يَضْجِعَنِي فَلَقِيتُ أَبَا قَتَادَةَ فَحَدَّثَنِي بِهَذَا.
صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ الأَوْزَاعِيِّ، وَالأَوْزَاعُ مِنْ حِمْيَرَ، وَقِيلَ: إِنَّ الأَوْزَاعَ قَبَائِلُ مُتَفَرِّقَةٌ. وَقِيلَ: الأَوْزَاعُ قَرْيَةٌ بِدِمَشْقَ خَارِجَ بَابِ الْفَرَادِيسِ، عَنْ أَبِي نَصْرٍ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ الطَّائِيِّ مَوْلاهُمُ الْيَمَامِيُّ، وَاسْمُ أَبِيهِ أَبِي كَثِيرٍ صَالِحُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ، وَقِيلَ: يَسَارٌ. وَقِيلَ: دِينَارٌ. وَقِيلَ: نَشِيطٌ، وَقِيلَ: غَيْرُ ذَلِكَ، وَثَابِتٌ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي الْعَبَّاسِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي «صَحِيحِهِ»، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيِّ الدِّمَشْقِيِّ، وَيُعْرَفُ بِابْنِ بِنْتِ شُرَحْبِيلَ، وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ خَالِدٍ، كِلاهُمَا عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ بِإِسْنَادِهِ كَمَا أَخْرَجْنَاهُ. وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ.
أخبرنا الشَّيْخُ الإِمَامُ الزَّاهِدُ الْقُدْوَةُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ ابْنُ الْقَسْطَلانِيِّ الشَّافِعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ،
এবং এই সনদে ইয়াহইয়া বলেন: আবু সালামা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে আতঙ্কিত করত এমনকি তা আমাকে শয্যাশায়ী করে ফেলত। অতঃপর আমি আবু কাতাদার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তিনি আমাকে এই হাদিসটি বর্ণনা করলেন।
আওযাই-এর হাদিস থেকে এটি সহিহ। আওযা হিমইয়ার গোত্রভুক্ত, আবার বলা হয় যে আওযা হলো কিছু বিচ্ছিন্ন গোত্র। আরও বলা হয় যে আওযা হলো দামেস্কের বাবুল ফারাদিসের বাইরে অবস্থিত একটি গ্রাম। এটি আবু নাসর ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির আত-তায়ি আল-ইয়ামামি (তাদের আযাদকৃত দাস) থেকে বর্ণিত। তাঁর পিতা আবু কাসিরের নাম সালেহ বিন আল-মুতাওয়াক্কিল; তবে বলা হয় ইয়াসার, বলা হয় দিনার, বলা হয় নাশিত এবং আরও অন্যান্য মত রয়েছে। আবু আব্বাস আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিমের বর্ণনায় এটি আওযাই থেকে সাব্যস্ত হয়েছে। ইমাম বুখারি তাঁর ‘সহিহ’ গ্রন্থে এটি আবু আইয়ুব সুলায়মান বিন আবদুর রহমান আল-কুরাশি আদ-দিমাশকি থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি ইবনে বিনতে শুরাহবিল নামে পরিচিত। ইমাম নাসাঈ এটি মাহমুদ বিন খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ই আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিম থেকে তাঁর সনদে এটি বর্ণনা করেছেন যেমনটি আমরা উদ্ধৃত করেছি। আর আল্লাহই তাওফিকদাতা।
শাইখ ইমাম যাহেদ আদর্শ ব্যক্তিত্ব আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান ইবনুল কাসতালানি আশ-শাফেয়ি কায়রোতে আমাদের কাছে পাঠ করে বর্ণনা করেছেন এবং আমি তা শ্রবণ করেছি,
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧١)
قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي الْكَرَمِ نَصْرُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي السَّيِّدِ الْمَكِّيُّ الْخَلالُ الْعِرَاقِيُّ الأَصْلِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِمَكَّةَ شَرَّفَهَا اللَّهُ، قَالَ: أَنا أَبُو الْفَتْحِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي سَهْلِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي مَنْصُورٍ الْكَرُوخِيُّ الْبَزَّازُ الصُّوفِيُّ الْهَرَوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ: أنا الْمَشَايِخُ الثَّلاثَةُ: الْقَاضِي أَبُو عَامِرٍ مَحْمُودُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُهَلَّبِيُّ الأَزْدِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي حَاتِمٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ أَبِي الْفَضْلِ بْنِ أَبِي حَامِدٍ الْغُورَجِيُّ الْهَرَوِيُّ التَّاجِرُ، وَأَبُو نَصْرٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ ثُمَامَةَ التِّرْيَاقِيُّ الْهَرَوِيُّ، قَالُوا: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْجَرَّاحِ بْنِ الْجُنَيْدِ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: أنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَحْبُوبِ بْنِ فُضَيْلٍ التَّاجِرُ الْمَرْوَزِيُّ الْمَحْبُوبِيُّ، قَالَ: أنا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ سَوْرَةَ بْنِ مُوسَى بْنِ الضَّحَّاكِ التِّرْمِذِيُّ بِهَا فِي سَنَةِ خَمْسٍ وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ، قثا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالا: ثنا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ أَبِي رَيْحَانَةَ، عَنْ سَفِينَةَ رضي الله عنه: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবন আবিল কারাম নাসর ইবনুল মুবারাক ইবনু মুহাম্মাদ ইবন আবিল সাইয়্যিদ আল-মাক্কী আল-খাল্লাল আল-ইরাকী আল-আসল, তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমি মক্কায় তা শুনছিলাম—আল্লাহ তাকে সম্মানিত করুন। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ আব্দুল মালিক ইবন আবিল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবন আবি সাহল ইবন আবিল কাসিম ইবন আবি মানসুর আল-কারুখি আল-বায্যায আস-সুফি আল-হারাউয়ি, তাঁর নিকট পাঠকালে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিনজন শায়খ: কাজী আবু আমির মাহমুদ ইবনুল কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ আল-মুহাল্লাবী আল-আযদি, এবং আবু বকর আহমদ ইবন আবি হাতিম আব্দুস সামাদ ইবন আবিল ফযল ইবন আবি হামিদ আল-গুরজী আল-হারাউয়ি আত-তাজির, এবং আবু নাসর আব্দুল আজিজ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলী ইবনু ইবরাহীম ইবনু সুমামা আত-তিরইয়াকি আল-হারাউয়ি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল জাব্বার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবন আবিল জাররাহ ইবনুল জুনাইদ আল-মারওয়াযি। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনু আহমদ ইবনু মাহবুব ইবনু ফুযাইল আত-তাজির আল-মারওয়াযি আল-মাহবুবি। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম হাফিয আবু ঈসা মুহাম্মাদ ইবনু ঈসা ইবনু সাওরা ইবনু মুসা ইবনুল যাহহাক আত-তিরমিযি, তথায় দুইশত পঁয়ষট্টি হিজরি সালে। তিনি বললেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনু মানি' এবং আলী ইবনু হুজর; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসমাঈল ইবনু উলাইয়্যাহ, আবু রাইহানা থেকে, তিনি সাফিনা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: নিশ্চয়ই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٢)
كَانَ يَتَوَضَّأُ بِالْمُدِّ، وَيَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ».
أخبرنا بِهِ عَالِيًا الشَّيْخُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ إِجَازَةً، عَنِ الْخَطِيبِ أَبِي الْفَضْلِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ الطُّوسِيُّ إِذْنًا، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ السَّرَّاجُ اللُّغَوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، قثا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاذَانَ، قثا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ، قثا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، أنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، ثنا أَبُو رَيْحَانَةَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَطَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سَفِينَةُ مَوْلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوَضِّيهِ الْمُدُّ، وَيَغْسِلُهُ الصَّاعُ مِنَ الْجَنَابَةِ».
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ أَبِي كَامِلٍ الْجَحْدَرِيِّ، وَعَمْرِو بْنِ عَلِيٍّ، كِلاهُمَا عَنْ بِشْرِ بْنِ الْمُفَضَّلِ، وَعَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ، كِلاهُمَا عَنْ إِسْمَاعِيلَ ابْنِ عُلَيَّةَ، كِلاهُمَا عَنْ أَبِي رَيْحَانَةَ بِهِ.
وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ كَمَا قَدَّمْنَاهُ مِنْ طَرِيقِهِ، وَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا فِي الرِّوَايَةِ الثَّانِيَةِ.
"তিনি এক মুদ পানি দিয়ে ওজু করতেন এবং এক সা পানি দিয়ে গোসল করতেন।"
উচ্চ সনদসহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আব্দুল দায়িম ইবনে নিমা আল-মাকদিসি অনুমতিক্রমে, খতিব আবু ফজল আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ক্বাহির আত-তুসির অনুমতির সূত্রে, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আহমদ ইবনে আল-হুসাইন আস-সাররাজ আল-লুগাভি তাঁর নিকট পাঠকালে আমাকে শুনিয়েছেন এবং আমি বাগদাদে তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: হাসান ইবনে আহমদ ইবনে শাযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে আহমদ আদ-দাক্কাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলি ইবনে আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু রাইহানা আব্দুল্লাহ ইবনে মাতার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস সাফিনা রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক মুদ পানি ওজু করাতো এবং জানাবাত (অপবিত্রতা) থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য এক সা পানি তাঁকে গোসল করাতো।"
ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে এটি আবু কামিল আল-জাহদারি ও আমর ইবনে আলি থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বিশর ইবনুল মুফাদদাল থেকে; এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বা ও আলি ইবনে হুজর থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যা থেকে, তাঁরা সকলে আবু রাইহানা থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন যেভাবে আমরা ইতিপূর্বে তাঁর সূত্র থেকে উল্লেখ করেছি, আর দ্বিতীয় বর্ণনায় এটি আমাদের কাছে উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٣)
[54] محمد بن أَحْمَد بن محمد بن عبد الله البكري الوائلي الشريشي المالكي، أبو بكر بن أبي العباسأحد الأئمة الأعلام وشيوخ الإسلام، كان متسع العلم، ويعرف فنونا شتى من التفسير والحديث والفقه والفرائض والنحو والأصلين، وطرفا صالحًا من الحكمة.
سمع بالإسكندرية أول دخوله البلاد من محمد بن عماد الحراني، ودخل
[৫৪] মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাকরি আল-ওয়ায়েলি আশ-শারিশি আল-মালিকি, আবু বকর ইবনে আবিল আব্বাসতিনি অন্যতম বরেণ্য ইমাম এবং শায়খুল ইসলাম ছিলেন। তিনি ছিলেন অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী; তিনি তাফসির, হাদিস, ফিকহ, ফারায়েজ, নাহু (ব্যাকরণ) এবং উসুলাইন (উসুলে দ্বীন ও উসুলে ফিকহ) সহ বিভিন্ন শাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন এবং হিকমতের (প্রজ্ঞা/দর্শন) ক্ষেত্রেও তাঁর উল্লেখযোগ্য দখল ছিল।
তিনি যখন প্রথম এ দেশে আগমন করেন, তখন আলেকজান্দ্রিয়ায় মুহাম্মাদ ইবনে ইমাদ আল-হাররানির নিকট হাদিস শ্রবণ করেন এবং তিনি প্রবেশ করেন...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٤)
الشام وسمع بدمشق من مكرم بن محمد بن أبي الصقر، والقاضي أبي نصر بن الشيرازي، وأبي الحسن بن المقير، وسمع بإربل من محمد بن إبراهيم بن مسلم الإربلي، ودخل بغداد وأقام بها مدة؛ للتفقه، وسماع الحديث، وتحصيل العلوم، والتزيد من الفضائل، فسمع من أبي الحسن بن روزبة القلانسي، وأبي الحسن بن القطيعي، وأبي صالح نصر بن عبد الرزاق الجيلي، وعبد العزيز بن دلف الخازن، وأبي بكر بن عمر بن كمال الضرير، وأبي بكر ابن بهروز، والحافظ أبي عبد الله محمد بن سعيد بن الدبيثي، وأبي محمد عبد الواحد بن نزار الحمال، والأنجب الحمامي، وجماعة كثيرة، ثم رجع إلى الشام وسمع في طريقه بحلب من ابن رواحة، وابن خليل، ويعيش النحوي، وغيرهم ووصل دمشق وسمع
শাম (সিরিয়া); তিনি দামেস্কে মুকরাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবুল সাকর, আল-কাজী আবু নাসর ইবনে আল-শিরাজি এবং আবুল হাসান ইবনে আল-মুকায়্যির-এর নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন। তিনি ইরবিলে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুসলিম আল-ইরবিলি-এর নিকট শ্রবণ করেছেন। তিনি বাগদাদে প্রবেশ করেন এবং সেখানে ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন, হাদিস শ্রবণ, জ্ঞান অর্জন এবং পাণ্ডিত্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কিছুকাল অবস্থান করেন। সেখানে তিনি আবুল হাসান ইবনে রুজবা আল-কালানিসি, আবুল হাসান ইবনে আল-কাতিয়ি, আবু সালিহ নাসর ইবনে আব্দুল রাজ্জাক আল-জিলি, আব্দুল আজিজ ইবনে দালফ আল-খাজিন, আবু বকর ইবনে উমর ইবনে কামাল আদ-দারির, আবু বকর ইবনে বাহরুজ, হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ ইবনে আদ-দুবাইসি, আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে নিজার আল-হাম্মাল, আল-আনজাব আল-হামমামি এবং আরও অনেকের নিকট হাদিস শ্রবণ করেন। অতঃপর তিনি শামের দিকে ফিরে আসেন এবং পথিমধ্যে হালাবে ইবনে রাওয়াহা, ইবনে খালিল, ইয়াঈশ আন-নাহবি এবং অন্যদের নিকট হাদিস শ্রবণ করেন; অতঃপর তিনি দামেস্কে পৌঁছান এবং হাদিস শ্রবণ করেন।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٥)
بها أيضا من شيوخها، ومدحه إذا ذاك الشيخ العلامة أبو الحسن السخاوي بقصيدة كتب بها إليه ذكر فيها فضائله ومحاسنه، واستوطن بلاد الشرق مدة، واستوطن دمشق مدة، وباشر بها مشيخة الرباط الناصري بسفح قاسيون، وهو أول من درس فيه بحضور واقفه رحمه الله، ثم دخل الديار المصرية وأقام بها مدة يدرس بالمدرسة الفاضلية، ويفتي، ويقرئ العلوم، ثم رجع إلى البيت المقدس زائرا ومستوطنا فأقام به مدة، وعاد إلى دمشق ودرس بالرباط الناصري أيضا على قاعدته الأولى، وولي مشيخة الحديث بالتربة الصالحية، ثم طلب إلى ولاية القضاء بدمشق فامتنع من ذلك وتركه وباشر التدريس بالمدرسة النورية، والجامع، وبقي منصب القضاء شاغرا من أجله إلى أن مات، وكان مولده في سنة إحدى وستمائة بشريش بالمغرب، وتوفي يوم الاثنين بن الصلاتين الرابع والعشرين من شهر رجب سنة خمس وثمانين وستمائة، ودفن ضحى يوم الثلاثاء بسفح جبل قاسيون بالقرب من الرباط الناصري الذي توفي فيه رحمه الله وإيانا.
أخبرنا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَلامَةُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سجْمَانَ الْبَكْرِيُّ الشَّرِيشِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالكلاسَةِ مِنْ
তিনি সেখানকার উস্তাদদের নিকটও জ্ঞানার্জন করেছেন এবং সেই সময় আল্লামা শাইখ আবু হাসান আস-সাখাওয়ী একটি কবিতার মাধ্যমে তাঁর প্রশংসা করেন, যা তিনি তাঁর কাছে লিখে পাঠিয়েছিলেন এবং সেখানে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ও গুণাবলির কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল পূর্বাঞ্চলীয় দেশসমূহে বসবাস করেন এবং দামেস্কেও কিছুকাল অবস্থান করেন। তিনি কাসিয়ুন পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত রিবাত আন-নাসিরি-র প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি এর প্রতিষ্ঠাতার উপস্থিতিতে সেখানে পাঠদান করেন—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন। অতঃপর তিনি মিসরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে ফাদিলিয়্যাহ মাদরাসায় শিক্ষকতা করে দীর্ঘ সময় কাটান, ফতোয়া প্রদান করেন এবং বিভিন্ন শাস্ত্রের পাঠদান করেন। এরপর তিনি যিয়ারতকারী ও অধিবাসী হিসেবে বায়তুল মাকদিসে ফিরে যান এবং সেখানে কিছুকাল অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি পুনরায় দামেস্কে ফিরে আসেন এবং তাঁর আগের নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় রিবাত আন-নাসিরিতে পাঠদান শুরু করেন। তিনি তুরবাত আস-সালিহিয়্যাহ-তে হাদিসের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর তাঁকে দামেস্কের বিচারপতির (কাজী) পদের জন্য আহ্বান জানানো হয়, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং তা বর্জন করেন। তিনি নূরিয়া মাদরাসা ও জামে মসজিদে শিক্ষকতা অব্যাহত রাখেন এবং তাঁর কারণেই বিচারপতির পদটি তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত শূন্য ছিল। তাঁর জন্ম ছিল ৬০১ হিজরিতে মরক্কোর শারিশে এবং তিনি ৬৮৫ হিজরির ২৪শে রজব সোমবার দুই নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে ইন্তেকাল করেন। মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে রিবাত আন-নাসিরির নিকটে তাঁকে দাফন করা হয়, যেখানে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর প্রতি এবং আমাদের প্রতি রহম করুন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ পণ্ডিত আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুজমান আল-বাকরি আশ-শারিশি; তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম আল-কাল্লাসাতে... থেকে।
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٦)
جَامِعِ دِمَشْقَ، قَالَ: أنا أَبُو طَاهِرٍ خَلِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ خَلِيلٍ الْجَوْسَقِيُّ الْخَطِيبُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، قَالَ: أَخْبَرَتْنَا الْكَاتِبَةُ، فَخْرُ النِّسَاءِ، شُهْدَةُ بِنْتُ أَحْمَدَ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عُمَرَ الإِبَرِيِّ الدِّينَوَرِيِّ.
ح وَكَتَبَ إِلَيْنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْمُفَرَّجِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُسْلِمٍ الأُمَوِيُّ، عَنِ الشَّيْخَتَيْنِ؛ شُهْدَةَ الْكَاتِبَةِ، وَفَاطِمَةَ الْمَدْعُوَّةِ نَفِسيَةُ بِنْتُ أَبِي غَالِبٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْبَزَّازَةِ الْخَفَّافِ، قَالَتَا: أنا الشَّرِيفُ النَّقِيبُ أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي تَمَّامٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الإِمَامُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْهَاشِمِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي سَنَةِ تِسْعِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، وَمَاتَ بَعْدَ ذَلِكَ بِسَنَةٍ قَالَ: أنا أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ
দামেস্কের জামে মসজিদে, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের খলিল ইবনে আহমদ ইবনে খলিল আল-জাওসাকি আল-খাতিব, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি বাগদাদে তা শুনছিলাম। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লেখিকা, নারীকুলের গৌরব, শুহদাহ বিনতে আহমদ ইবনে আল-ফারাজ ইবনে উমর আল-ইবারি আদ-দিনাওয়ারি।
এবং আমাদের নিকট লিখেছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আল-মুফাররাজ ইবনে আলী ইবনে মুসলিম আল-উমাবী, তিনি দুই নারী শাইখাহ; শুহদাহ আল-কাতিবাহ এবং ফাতিমা (যাকে নাফিসাহ বলা হয়) বিনতে আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-বাজ্জাজাহ আল-খাফফাফ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শরিফ আন-নাকিব আবুল ফাওয়ারিস ত্বিরাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবু তাম্মাম আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে সুলাইমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-ইমাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস আল-হাশিমী; ৪৯০ হিজরি সালে তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা তা শুনছিলাম, আর এর এক বছর পর তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুসাইন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে...
(খণ্ড: ٢)
মাশইয়খাতু ইবনে জামাআহ - তাখরিজুল বিরযালি
(পৃষ্ঠা: ٤٧٧)
عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ الْمُعَدَّلُ فِي شَعْبَانَ سَنَةَ إِحْدَى عَشْرَةَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ صَفْوَانَ الْبَرْدَعِيُّ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ أَرْبَعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قثا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا الْقُرَشِيُّ، قثا عَلِيُّ بْنُ جَعْدٍ، قثا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُلَيْمَ بْنَ عَامِرٍ يُحَدِّثُ، عَنْ أَوْسَطَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَوْسَطَ، سَمِعَ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ رضي الله عنه يَقُولُ: بَعْدَ مَا قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِسَنَةٍ: قَامَ فِينَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ أَوَّلَ مَقَامِي هَذَا قَالَ: ثُمَّ بَكَى أَبُو بَكْرٍ، ثُمَّ قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ فَإِنَّهُ مَعَ الْبِرِّ، وَهُمَا فِي الْجَنَّةِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّهُ مَعَ الْفُجُورِ، وَهُمَا فِي النَّارِ، وَسَلُوا اللَّهَ الْمُعَافَاةَ، فَإِنَّهُ لَمْ يُؤْتَ أَحَدٌ شَيْئًا بَعْدَ الْيَقِينِ خَيْرًا مِنَ الْمُعَافَاةِ وَلا تَقَاطَعُوا وَلا تَدَابَرُوا، وَلا تَحَاسَدُوا وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا».
أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ الدِّرْهَمِيِّ، عَنْ أُمَيَّةَ بْنِ خَالِدٍ.
وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ سَعِيدٍ، كِلاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهِ. وَكُنْيَةُ أَوْسَطَ أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْبَجَلِيُّ.
আবদুল্লাহ ইবনে বিশরান আল-মুআদ্দাল ৪১১ হিজরী সনের শাবান মাসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে সাফওয়ান আল-বারদাঈ ৩৪০ হিজরী সনের মহররম মাসে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিদ দুনিয়া আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে জা'দ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে খুমায়র থেকে, তিনি বলেন: আমি সুলাইম ইবনে আমিরকে আওসাত ইবনে ইসমাইল ইবনে আওসাত থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি আবু বকর আল-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন—রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ইন্তেকালের এক বছর পর তিনি (আবু বকর) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গত বছর আমার এই দাঁড়ানোর স্থানে দাঁড়িয়েছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর আবু বকর (রা.) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন: "তোমরা সত্যবাদিতাকে আঁকড়ে ধরো, কেননা তা পুণ্যের সাথে থাকে এবং তারা উভয়ই জান্নাতে থাকবে। আর তোমরা মিথ্যা পরিহার করো, কেননা তা পাপাচারের সাথে থাকে এবং তারা উভয়ই জাহান্নামে থাকবে। তোমরা আল্লাহর কাছে সুস্থতা প্রার্থনা করো, কারণ দৃঢ় বিশ্বাসের (ইয়াকিন) পর সুস্থতার চেয়ে উত্তম কিছু কাউকে প্রদান করা হয়নি। তোমরা একে অপরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করো না, একে অপরের প্রতি বিমুখ হয়ো না, একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না এবং হে আল্লাহর বান্দারা, তোমরা ভাই ভাই হয়ে যাও।"
ইমাম নাসাঈ এটি আলী ইবনে আল-হুসাইন আদ-দিরহামি থেকে, তিনি উমাইয়াহ ইবনে খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ ও আলী ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তারা উবাইদ ইবনে সাঈদ থেকে, তারা উভয়েই শু'বাহ থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর আওসাত-এর উপনাম হলো আবু ইসমাইল আল-বাজালি।