(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: -)
جمع الجيوش والدساكر على ابن عساكر   (ابن المبرد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جمع الجيوش والدساكر على ابن عساكر

المؤلف: يوسف بن حسن بن أحمد بن حسن ابن عبد الهادي الصالحي، جمال الدين، ابن ابن المِبْرَد الحنبلي (ت 909هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 151

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আসাকিরের খণ্ডনে সৈন্যবাহিনী ও সেনাদলের সমাবেশ   (ইবনে আল-মুবর্রাদ)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


বই: ইবনে আসাকিরের খণ্ডনে সৈন্যবাহিনী ও সেনাদলের সমাবেশ

লেখক: ইউসুফ বিন হাসান বিন আহমাদ বিন হাসান ইবনে আব্দুল হাদি আস-সালিহি, জামালুদ্দীন, ইবনে আল-মুবর্রাদ আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৯০৯ হিজরি)

প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক (IslamWeb) ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য জাউয়ামিউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[বইটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৫১

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١)
كِتَابُ جَمْعُ الْجُيُوشِ وَالدَّسَاكِرِ عَلَى ابْنِ عَسَاكِرَ جَمْعُ يُوسُفَ بْنِ حَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْهَادِي بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَهُوَ حَسْبِي الْحَمْدُ للَّهِ الَّذي أَوْضَحَ الطَّرِيقَ لأَوْلِيَائِهِ، وَأَظْلَمَ السُّبُلَ عَلَى مُعَانِدِيهِ وَأَعْدَائِهِ، أَحْمَدُهُ عَلَى جَزِيلِ نَعْمَائِهِ، وَأَشْكُرُهُ عَلَى كَثِيرِ عَطَائِهِ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ شَهَادَةً أَتَوَصَّلُ بِهَا إِلَى نَيْلِ رِضَائِهِ، وَأُحَقِّقُ بِهَا عَظِيمَ آلائِهِ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، سَيِّدُ أَصْفِيَائِهِ، وَإِمَامُ أَوْلِيَائِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَأَبْنَائِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا.

أَمَّا بَعْدُ، فَقَدْ كُنْتُ رَأَيْتُ ثَلْبَ الأَشْعَرِيَّ فِي عِدَّةٍ مِنَ الْكُتُبِ مِنْهَا كِتَابُ الأَهْوَازِيِّ، وَشَيْخِ الإِسْلامِ الأَنْصَارِيِّ وَغَيْرِ ذَلِكَ، إِلَّا أَنِّي رَأَيْتُ عَلَى كِتَابِ الأَهْوَازِيِّ أَنَّ غَالِبَ مَا فِيهِ درادم قَدْ رَدَّهَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ عَسَاكِرَ، وَكُنْتُ حِينَ جَمَعْتُ الْكِتَابَ الَّذِي وَسَمْتُهُ بِكَشْفِ الْغِطَاءِ لَمْ أَطَّلِعْ عَلَى ذَلِكَ، ثُمَّ أَنَّهُ وَقَعَ لِي فَرَأَيْتُهُ كِتَابا قَدْ أَبْدَعَ فِي وَضْعِهِ، وَأَجَادَ فِي تَصْنِيفِهِ فَهُوَ مِنْ جِهَةِ الْوَضْعِ وَضْعٌ جَيِّدٌ عَلَى طَرِيقَةِ الْمُحَدِّثِينَ، بِحَيْثُ إِذَا رَآهُ الْمَرْءُ أَوْقَعَهُ فِي أَعْظَمِ شُبْهَةٍ، غَيْرَ أَنَّها أَمُورٌ مُدَلَّسَةٌ، وَدَرَاهِمُ مُزَيَّفَةٌ، إِذَا تَحَقَّقَهَا الْبَصِيرُ وَتَأَمَّلَهَا الْخَبِيرُ عَلِمَ أَنَّهَا ظَاهِرَةُ الْجَوْدَةِ، وَبَاطِنَةُ الْفَسَادِ، فَأَرَدْتُ أَنْ أُبَيِّنَ ذَلِكَ وَأُوَضِّحَهُ وَأُشْهِدَهُ وَأَفْضَحَهُ، وَسَمَّيْتُهُ جَمْعَ الْجُيُوشِ وَالدَّسَاكِرِ عَلَى ابْنِ عَسَاكِرَ، حَيْثُ بَالَ وَخَرِيَ وَتَعَصَّبَ لِلأَشْعَرِيِّ، وَرَدَّ عَلَى الصَّحِيحِ النَّبَوِيِّ، وَزَعَمَ لأَنَّهُ كَذَّابٌ مُفْتَرِي، وَاللَّهَ أَسْأَلُ أَنْ يَجْعَلَهُ خَالِصًا لِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَهُوَ حَسْبُنَا وَنِعْمَ الْوَكِيلُ.
ইবনে আসাকিরের বিরুদ্ধে সৈন্য ও গ্রামসমূহের সমাবেশ নামক কিতাব, ইউসুফ বিন হাসান বিন আব্দুল হাদি কর্তৃক সংকলিত। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আর তিনি আমার জন্য যথেষ্ট। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি তাঁর ওলিদের জন্য পথ স্পষ্ট করেছেন এবং তাঁর অবাধ্য ও শত্রুদের জন্য পথগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন। আমি তাঁর অসংখ্য নিআমতের জন্য তাঁর প্রশংসা করছি এবং তাঁর প্রচুর দানের জন্য তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই; এমন সাক্ষ্য যার মাধ্যমে আমি তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উসিলা খুঁজি এবং যার মাধ্যমে আমি তাঁর মহান নিআমতসমূহ লাভ করি। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, তাঁর মনোনীতদের সর্দার এবং তাঁর ওলিদের ইমাম। আল্লাহ তাঁর উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ, সাহাবীগণ ও বংশধরদের উপর শান্তি ও অজস্র রহমত বর্ষণ করুন।

অতঃপর, আমি ইতিপূর্বে আহওয়াজী, শাইখুল ইসলাম আনসারী ও অন্যান্যদের বেশ কিছু কিতাবে আশআরীর নিন্দা ও সমালোচনা দেখেছি। তবে আমি আহওয়াজীর কিতাবের ব্যাপারে এটি দেখেছি যে, এতে থাকা অধিকাংশ অসার বিষয় আবুল কাসিম বিন আসাকির খণ্ডন করেছেন। আমি যখন 'কাশফুল গিতা' নামক কিতাবটি সংকলন করেছিলাম, তখন আমি এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। পরবর্তীতে আমি এটি পড়ার সুযোগ পাই এবং দেখতে পাই এটি এমন একটি কিতাব যা তার বিন্যাসে অভিনবত্ব দেখিয়েছে এবং এর সংকলনে পারদর্শিতা প্রকাশ পেয়েছে। বিন্যাসের দিক থেকে এটি মুহাদ্দিসদের পদ্ধতিতে অত্যন্ত চমৎকারভাবে সাজানো হয়েছে, ফলে কোনো ব্যক্তি এটি দেখলে বড় ধরনের সংশয়ে পড়ে যেতে পারে। কিন্তু এগুলো মূলত প্রতারণা ও জাল মুদ্রার মতো। যখন কোনো দূরদর্শী ব্যক্তি এটি যাচাই করবে এবং কোনো বিশেষজ্ঞ এটি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করবে, তখন সে বুঝতে পারবে যে এর বহিরাবরণ চাকচিক্যময় হলেও এর অভ্যন্তর অত্যন্ত কলুষিত। তাই আমি এটি স্পষ্ট ও উন্মোচিত করতে এবং এর প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ করে একে জনসমক্ষে লাঞ্ছিত করতে ইচ্ছা পোষণ করেছি। আমি এই গ্রন্থের নামকরণ করেছি 'ইবনে আসাকিরের বিরুদ্ধে সৈন্য ও গ্রামসমূহের সমাবেশ', কারণ সে আশআরীর পক্ষে অন্ধ আনুগত্য করতে গিয়ে অত্যন্ত অশোভন আচরণ করেছে, সহীহ নববী সুন্নাহকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সে একজন মিথ্যাবাদী ও অপবাদদাতা। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজটিকে শুধুমাত্র তাঁর মহান চেহারার জন্য কবুল করেন। তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্মবিধায়ক।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢)
‌‌فصل فِيمَا وَرَدَ فِي ذَمِّ الْبِدَعِ وَالْكَلامِ وَمَنْ تَعَصَّبَ لِبِدْعَةٍ أَوْ مُبْتَدِعٍ، أَوْ قَامَ مَعَهُ وَمَدَحَ فِي رَدِّ ذَلِكَ
বিদআত, কালামশাস্ত্র এবং যারা কোনো বিদআত বা বিদআতীর প্রতি গোঁড়ামি করে অথবা তার পক্ষাবলম্বন করে কিংবা প্রশংসা করে—তাদের নিন্দা এবং এসব বিষয়ের খণ্ডন প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে তার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٣)
1 - أَخْبَرَنَا جَمَاعَةٌ مِنْ شُيُوخِنَا، أَنَا ابْنُ الدُّعْبُوبِ، أَنَا الْحَجَّارُ، أَنَا ابْنُ اللَّتِّيِّ، أَنَا أَبُو الْوَقْتِ السِّجْزِيُّ، أَنَا شَيْخُ الإِسْلامِ الأَنْصَارِيُّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْجُرْجَانِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْنٍ الْمَرْوَزِيُّ.

قَالَ شَيْخُ الإِسْلامِ: وَأَخْبَرَنِيهِ غَالِبُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، ثَنَا أَبُو نَصْرٍ الرِّبَاطِيُّ، قَالَا: ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثَنَا أَبُو حَمْزَةَ السُّكَّرِيُّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ الصَّائِغِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِيَّاكُمْ وَالرُّكُونَ إِلَى أَصْحَابِ الأَهْوَاءِ، فَإِنَّهُمْ بَطِرُوا النِّعْمَةَ، وَأَظْهَرُوا الْبِدْعَةَ، وَخَالَفُوا السُّنَّةَ، وَنَطَقُوا بِالشُّبْهَةِ، وَتَابَعُوا الشَّيْطَانَ، فَقَوْلُهُمُ الإِفْكَ وَأَكْلُهُمُ السُّحْتَ» .

وَفِي رِوَايَةِ: «وَدِينُهُمُ النِّفَاقُ، وَإِلَيْهَا يَدْعُونَ»
১ - আমাদের একদল শিক্ষক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনুদ দু'বুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাজ্জার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল লাত্তি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-ওয়াক্ত আল-সিজজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শায়খুল ইসলাম আল-আনসারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন আহমদ আল-জুরজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন মা'ন আল-মারওয়াজি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন।

শায়খুল ইসলাম বলেন: গালিব বিন আলীও আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর আল-রিবাতি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আলী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু হামজা আস-সুক্কারি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবরাহিম আস-সাইগ থেকে, তিনি নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা প্রবৃত্তি পূজারিদের প্রতি ঝুঁকে পড়া থেকে সাবধান থাকো। কেননা তারা নেয়ামতের প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, বিদআত প্রকাশ করেছে, সুন্নাহর বিরোধিতা করেছে, সংশয়পূর্ণ কথা বলেছে এবং শয়তানের অনুসরণ করেছে। সুতরাং তাদের কথা হলো চরম মিথ্যা আর তাদের ভক্ষণ করা হলো হারাম সম্পদ।’।

অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: «তাদের দ্বীন হলো নিফাক (কপটতা), আর তারা সেদিকেই আহ্বান করে।’
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٤)
2 - وَبِهِ إِلَى شَيْخِ الإِسْلامِ الأَنْصَارِيِّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ خُزَيْمَةَ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ، ثَنَا أَبُو الصَّلْتِ، ثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، ثَنَا عَبْدُ الْغَفَّارِ الْمَدَنِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِلَّهِ عِنْدَ كُلِّ بِدْعَةٍ كِيدَ الإِسْلامُ وَأَهْلُهُ بِهَا وَلِيًّا يَذُبُّ عَنْهُ بِعَلامَاتِهِ» .

وَقَالَ صلى الله عليه وسلم: «يَحْمِلُ هَذَا الْعِلْمَ مِنْ كُلِّ خَلَفٍ عُدُولُهُ، يَنْفُونَ عَنْهُ تَحْرِيفَ الْغَالِينَ، وَانْتِحَالَ الْمُبْطِلِينَ، وَتَأْوِيلَ الْجَاهِلِينَ» .

قَالَ شَيْخُ الإِسْلَامِ الأَنْصَارِيُّ: خُرِّجَتْ طُرُقُ أَسَانِيدِ هَذَا الْحَدِيثِ فِي كِتَابِ مَنَاقِبِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ.

قَالَ: فَنَأْتِي الآنَ بِأَقَاوِيلِ الْفُقَهَاءِ وَالْخِيَارِ مِنْ طَبَقَاتِ الأَئِمَّةِ فِي كَشْفِ عَوْرَاتِ هَذِهِ الطَّائِفَةِ الزَّائِغَةِ عَنِ النَّهْجِ النَّاكِبَةِ عَنْهُ، وَإِنْ رَغِمَتْ أُنُوفُ الْجَهَلَةِ الَّذِينَ يَطْعَنُونَ فِي أَهْلِ السُّنَّةِ فِي قَدْحِهِمْ فِي رُءُوسِ أَهْلِ الضَّلالَةِ، وَيَنْسِبُونَ مَنْ تَعَلَّمَ فِيهِمْ مِنَ الأَئِمَّةِ إِلَى الاغْتِيَابِ
২ - এবং তাঁর মাধ্যমে শায়খুল ইসলাম আল-আনসারী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন খুজাইমাহ, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন, আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন হামিদ বিন মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুস সালত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন আল-আওয়াম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল গাফফার আল-মাদানী, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই প্রতিটি বিদআতের ক্ষেত্রে, যার মাধ্যমে ইসলাম ও এর অনুসারীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়, আল্লাহর একজন ওলী (অভিভাবক) থাকেন যিনি এর নিদর্শনাদির মাধ্যমে তা থেকে অনিষ্ট প্রতিরোধ করেন।»

এবং তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক পরবর্তী প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগণ এই জ্ঞান বহন করবেন; তারা একে চরমপন্থীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যা দাবি এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা থেকে মুক্ত রাখবেন।»

শায়খুল ইসলাম আল-আনসারী বলেন: এই হাদীসের সনদসমূহের সূত্রগুলো 'মানাকিবে আহমাদ বিন হাম্বল' গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

তিনি বলেন: এখন আমরা ফকীহগণ এবং ইমামগণের স্তরের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের বক্তব্যসমূহ তুলে ধরব যাতে সেই দলটির স্বরূপ উন্মোচিত হয় যারা সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত ও বিমুখ হয়েছে। যদিও এতে সেই সব মূর্খদের নাক ধূলিমলিন হোক যারা আহলুস সুন্নাহর প্রতি এই বলে দোষারোপ করে যে তারা পথভ্রষ্টদের নেতাদের নিন্দা করেন এবং যে ইমামগণ তাদের সম্পর্কে (সতর্কতামূলক) আলোচনা করেছেন তাদের প্রতি গীবত বা পরনিন্দার অপবাদ আরোপ করে।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٥)
3 - وَبِهِ إِلَى شَيْخِ الإِسْلامِ الأَنْصَارِيِّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمْدَانَ، أَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ الرَّفَّاءُ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ السُّكَّرِيُّ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الرَّازِيُّ.

ح قَالَ: وَثَنَا يَحْيَى بْنُ عَمَّارٍ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْكِسَائِيُّ، ثَنَا سَلَمَةُ.

ح قَالَ: وَأَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الْهَرَوِيُّ، وَقَطَنُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ، قَالُوا: ثَنَا الْجَارُودِيُّ بْنُ يَزِيدَ، ثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَتَرْعَوْنَ، أَوْ قَالَ: أَتَرْغَبُونَ عَنْ ذِكْرِ الْفَاجِرِ، مَتَى يَعْرِفُهُ النَّاسُ؟ اذْكُرُوهُ بِمَا فِيهِ يَعْرِفُهُ النَّاسُ ".

حَدِيثٌ حَسَنٌ مِنْ حَدِيثِ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، وَقَدْ رَوَيْنَاهُ مِنْ طُرُقٍ أُخَرَ غَيْرَ هَذِهِ، وَفِي لَفْظِهِ: «أَتَرْعُونَ عَنْ ذِكْرِ الْفَاجِرِ، اذْكُرُوهُ بِمَا فِيهِ يَحْذَرُهُ النَّاسُ»
৩ - এবং তাঁর সূত্রের মাধ্যমে শায়খুল ইসলাম আল-আনসারী পর্যন্ত (বর্ণিত), তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে হামদান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামিদ ইবনে মুহাম্মাদ আর-রাফ্ফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুগীরা আস-সুক্কারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উবাইদুল্লাহ আর-রাজি।

(অন্য সূত্রে) তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আম্মার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-কিসায়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালামাহ।

(অন্য সূত্রে) তিনি বলেন: এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহমুদ ইবনে গাইলান, মুহাম্মাদ ইবনে আমর আল-হারাউয়ি, কতন ইবনে ইবরাহিম এবং একাধিক ব্যক্তি, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-জারুদি ইবনে ইয়াজিদ, তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহজ ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমরা কি পাপাচারীর চর্চা করা থেকে বিরত থাকবে? অথবা তিনি বলেছেন: তোমরা কি পাপাচারীর আলোচনা করা অপছন্দ করো? মানুষ তাকে কখন চিনবে? তার মধ্যে যা (পাপাচার) রয়েছে তা উল্লেখ করে তার আলোচনা করো যাতে মানুষ তাকে চিনতে পারে।"

এটি বাহজ ইবনে হাকিমের বর্ণনা থেকে একটি হাসান হাদিস। আমরা এটি এই সূত্রগুলো ব্যতীত অন্য সূত্রেও বর্ণনা করেছি এবং এর অন্য এক শব্দে রয়েছে: "তোমরা কি পাপাচারীর আলোচনা করা থেকে বিরত থাকবে? তার মধ্যে যা (পাপাচার) রয়েছে তা উল্লেখ করে তার আলোচনা করো যাতে মানুষ তার থেকে সতর্ক থাকতে পারে।"
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٦)
4 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَنَا مُطَيَّنٌ، ثَنَا جَعْدَبَةُ اللَّيْثِيُّ، ثَنَا الْعَلاءُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَيْسَ لِفَاسِقٍ غِيبَةٌ»
৪ - এবং তাঁর মাধ্যমে আল-আনসারী পর্যন্ত (বর্ণিত), আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইবরাহীম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুতায়্যিন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন জাদবাহ আল-লাইসি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবনে বিশর, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি বাহয ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «পাপাচারীর (ফাসেক) জন্য কোনো গীবত (পরনিন্দা) নেই»
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٧)
5 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ أَحْمَدَ الإِسْفَرَاييِنِيُّ، ثَنَا ابْنُ نَاجِيَةَ، ثَنَا قَطَنُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا جَارُودُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مُصَارَمَةُ الْفَاجِرِ قُرْبَانٌ إِلَى اللَّهِ عز وجل»
৫ - এবং একই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন আহমাদ আল-ইসফরাইনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু নাজিয়াহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ক্বাতান বিন ইবরাহীম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারুদ বিন ইয়াযীদ, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি ইউনূস থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «পাপাচারীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম।’»
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٨)
6 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الأَصَمُّ، ثَنَا يَحْيَى، ثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا الصَّلْتُ بْنُ طَرِيفٍ، قَالَ: سَأَلْتُ الْحَسَنَ فَقُلْتُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ، فَاجِرٌ قَدْ عَلِمْتَ مِنْهُ فَذَكَرَ ذَلِكَ، هَلْ ذِكْرُهُ مِنْهُ أَغِيبَةٌ هِيَ؟ قَالَ: لا، وَلا كَرَامَةَ، مَا لِلْفَاجِرِ حُرْمَةٌ
৬ - এবং এই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত বর্ণিত, মুহাম্মাদ বিন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আস-সালত বিন তারিফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসানকে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম: হে আবু সাঈদ, একজন পাপাচারী ব্যক্তি যার সম্পর্কে আপনি জানেন এবং তা উল্লেখ করা হলো; এটি কি তার গীবত বা পরনিন্দা হবে? তিনি বললেন: না, তার কোনো সম্মান নেই; পাপাচারীর কোনো মর্যাদা নেই।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٩)
7 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ عَمَّارٍ، ثَنَا أَبُو عِصْمَةَ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا حَرْبُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ بَشَّارٍ، يَقُولُ: لَيْسَ لأَهْلِ الْبِدَعِ غِيبَةٌ
৭ - এবং সেই একই সনদে আনসারী পর্যন্ত পৌঁছেছে; ইয়াহইয়া ইবনে আম্মার আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইসমাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারব ইবনে ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে বাশশারকে বলতে শুনেছি যে, বিদআতপন্থীদের কোনো গীবত (পরনিন্দা) নেই।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٠)
8 - وَبِهِ إِلَى شَيْخِ الإِسْلامِ الأَنْصَارِيِّ، أَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ أَبِي حَاتِمٍ، ثَنَا شُكْرٌ، ثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، سَمِعْتُ أَبَا مُسْهِرٍ، وَقُلْتُ لَهُ: أَتَرَى ذَلِكَ مِنَ الْغِيبَةِ، قَالَ: لا
৮ - এবং উক্ত সনদের মাধ্যমেই শাইখুল ইসলাম আল-আনসারী পর্যন্ত পৌঁছেছি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আবিল হাসান ইবনে আবি হাতিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শুকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ। আমি আবু মুসহিরকে বলতে শুনেছি, আর আমি তাকে বললাম: আপনি কি এটিকে গীবত বা পরনিন্দা মনে করেন? তিনি বললেন: না।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١١)
9 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ.

قَالَ الأَنْصَارِيُّ: وَثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْخَرَّاجِ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا أَبُو عِيسَى، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، سَأَلْتُ أَبِي، قَالَ: سَأَلْتُ شُعْبَةَ، وَسُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، وَمَالِكًا، عَنِ الرَّجُلِ يَكُونُ فِيهِ تُهْمَةٌ أَوْ ضَعْفٌ، أَسْكُتُ أَوْ أُبَيِّنُ؟ قَالُوا جَمِيعًا: بَيِّنْ أَمْرَهُ
৯ - আর তাঁর সূত্রেই আনসারীর নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে যে, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুসা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আফফান বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন।

আনসারী বলেন: এবং আমাদের নিকট আব্দুল জাব্বার বিন আল-খাররাজ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু ঈসা বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন যে, আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বলেন: আমি শু'বাহ, সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ এবং মালিককে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যার মধ্যে কোনো অভিযোগ বা দুর্বলতা রয়েছে; আমি কি চুপ থাকব নাকি তা ব্যক্ত করব? তারা সকলেই বললেন: তার বিষয়টি ব্যক্ত করে দাও।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٢)
10 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثَنَا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، ثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ صُبَيْحٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: لَيْسَ لأَهْلِ الْبِدَعِ غِيبَةٌ
১০ - এবং তাঁর মাধ্যমে আল-আনসারী পর্যন্ত; ওমর ইবনে ইবরাহীম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে রাফে' আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে সুবাইহ থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: বিদআতপন্থীদের জন্য কোনো গীবত নেই।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٣)
11 - وَبِهِ إِلَى شَيْخِ الإِسْلامِ الأَنْصَارِيِّ، أَنَا أَبُو يَعْقُوبَ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الأَزْهَرِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُونُسَ، ثَنَا أَبُو زَيْدٍ الضَّرِيرُ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي رَجَاءٍ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرِو بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: قَالَ يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ: ثَلاثَةٌ لَا غَيْبَةَ فِيهِمْ إِمَامٌ جَائِرٌ، وَصَاحِبُ بِدْعَةٍ، وَفَاسِقٌ
১১ - এবং তাঁর মাধ্যমেই শাইখুল ইসলাম আল-আনসারী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে যে), আবু ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-আযহার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু যায়িদ আদ-দারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদ বিন আবি রাজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআবিয়াহ বিন আমর বিন আবি ইসহাক আল-ফাযারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আওযাঈ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর বলেছেন: তিন শ্রেণির ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোনো গীবত (পরনিন্দা) নেই: যালিম শাসক, বিদআতপন্থী এবং পাপাচারী (ফাসিক)।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٤)
12 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الأَصَمُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الْحَذَّاءُ، قَالَ: قُلْتُ لِسُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ: إِنَّ هَذَا يَتَكَلَّمُ فِي الْقَدَرِ أَعْنِي إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَبِي يَحْيَى، فَقَالَ: عَرِّفُوا النَّاسَ بِدْعَتَهُ، وَسَلُوا رَبَّكُمُ الْعَافِيَةَ
১২ - এবং একই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত পৌঁছেছি, মুহাম্মদ বিন মুসা আমাদের জানিয়েছেন, আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, আবু জাফর আল-হাদ্দা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ান ইবন উয়াইনাকে বললাম: এই ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে (ভ্রান্ত) কথা বলে—অর্থাৎ ইবরাহিম ইবন আবি ইয়াহইয়া—তখন তিনি বললেন: তোমরা মানুষকে তার বিদআত সম্পর্কে অবহিত করো এবং তোমাদের রবের কাছে নিরাপত্তা প্রার্থনা করো।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٥)
13 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ يُوسُفَ الشِّيرَازِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ فِرَاسٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الذُّهْلِيُّ، ثَنَا يُوسُفُ بْنُ أَبَانٍ، ثَنَا أَسْوَدُ بْنُ حَاتِمٍ، أَخْبَرَنِي مِنْهَالٌ السَّرَّاجُ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَتَرْعُونَ عَنْ ذِكْرِ الْفَاجِرِ ، مَتَى تَعْرِفَهُ النَّاسُ؟ اذْكُرُوهُ بِمَا فِيهِ يَعْرِفُهُ النَّاسُ»
১৩ - এবং উক্ত সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত বর্ণিত; আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন ইউসুফ আশ-শিরাজী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন ফিরাত বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আয-যুহলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউসুফ বিন আবান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আসওয়াদ বিন হাতিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে মিনহাল আস-সাররাজ উমর বিন আল-খাত্তাব (রা.) থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা কি পাপাচারীর (দোষ) আলোচনা করা থেকে বিরত থাকো? মানুষ তাকে কখন চিনবে? তার মাঝে যা (পাপ বা দোষ) আছে তা উল্লেখ করো, তবেই মানুষ তাকে চিনতে পারবে।»
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٦)
14 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ عَمَّارٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الصَّرَّامُ، ثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، سَمِعَ عِيسَى بْنَ يُونُسَ، يَقُولُ: لَا تُجَالِسُوا الْجَهْمِيَّةَ، وَبَيِّنُوا لِلنَّاسِ أَمْرَهُمْ كَيْ يَعْرِفُوهُمْ فَيَحْذَرُوهُمْ
১৪ - এবং এই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত; ইয়াহইয়া ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আস-সাররাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে খাশরাম আমার নিকট লিখেছেন, তিনি ঈসা ইবনে ইউনুসকে বলতে শুনেছেন: তোমরা জাহমিয়াদের সাথে উপবেশন করো না এবং মানুষের নিকট তাদের বিষয়টি স্পষ্ট করে বর্ণনা করো যাতে তারা তাদের চিনতে পারে এবং তাদের থেকে সতর্ক থাকতে পারে।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٧)
15 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْجَارُودِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حَامِدٍ، ثَنَا الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ وَهْبُ بْنُ وَهْبٍ، ثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «يَحْمِلُ هَذَا الْعِلْمَ مِنْ كُلِّ خَلَفٍ عُدُولُهُ يَنْفُونَ عَنْهُ تَحْرِيفَ الْغَالِينَ، وَانْتِحَالَ الْمُبْطِلِينَ، وَتَأْوِيلَ الْجَاهِلِينَ» .

وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيث مِنْ طُرُقٍ كَثِيرَةٍ، وَفِي كُلّ مَا يَنْفُونَ تَأْوِيل الْجَاهِلِينَ
১৫ - এবং তাঁর সূত্রে আনসারী পর্যন্ত; মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-জারুদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ফাদল ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াহব ইবনে ওয়াহব আমার নিকট লিখেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিবর্গ এই জ্ঞান বহন করবে; তারা একে চরমপন্থীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচার এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা হতে মুক্ত রাখবে»।

এই হাদীসটি বহু সূত্রে বর্ণিত হয়েছে এবং প্রত্যেকটি বর্ণনায় রয়েছে যে তারা মূর্খদের অপব্যাখ্যা দূর করবে।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٨)
16 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مَنْصُورُ بْنُ الْعَبَّاسِ، ثَنَا زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ، ثَنَا ابْنُ عَقْلٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ غَالِبٍ، ثَنَا أَبُو حُذَيْفَةَ، ثَنَا سَعِيدٌ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «عَلَيْكُمْ بِالاسْتِقَامَةِ، وَالاتِّبَاعِ، وَإِيَّاكُمْ وَالتَّبَدُّعَ»
১৬ - এবং একই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত; মানসুর ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যাহির ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আকল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে গালিব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু হুজাইফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস বলেছেন: "তোমরা অবিচলতা ও অনুসরণের পথ আঁকড়ে ধরো এবং নব-উদ্ভাবন থেকে সতর্ক থাকো।"
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ١٩)
17 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الأَصَمُّ، ثَنَا الصَّغَانِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ نُوحِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «مَنْ أَقَرَّ بِاسْمٍ مِنْ هَذِهِ الأَسْمَاءِ الْمُحْدَثَةِ فَقَدْ خَلَعَ رِبْقَةَ الإِسْلامِ مِنْ عُنُقِهِ»
১৭ - এবং একই সূত্রে আল-আনসারী পর্যন্ত, মুহাম্মদ ইবনে মূসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-সাগানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নূহ ইবনে আবী মারইয়াম থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি আবুল আলীয়াহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি এই সকল নব-উদ্ভাবিত নামসমূহের কোনোটিকে স্বীকার করে নিল, সে তার ঘাড় থেকে ইসলামের বন্ধন ছিন্ন করল।»
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٠)
18 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَخْبَرَنِي غَالِبُ بْنُ عَلِيٍّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمْدُونٍ، ثَنَا الْفِرْيَانَانِيُّ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ سُمَيْطٍ، عَنْ أَبِي عِصْمَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ الصَّائِغِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، أَنَّ نجدةَ قَالَ لابْنِ عَبَّاسٍ: كَيْفَ مَعْرِفَتُكَ بِرَبِّكَ لأَنَّ مَنْ قَبْلَنَا اخْتَلَفُوا عَلَيْنَا، فَقَالَ: «إِنَّ مَنْ يَنْصِبُ دِينَهُ لِلْقِيَاسِ لَا يَزَالُ الدَّهْرَ فِي الْتِبَاسٍ، مَائِلا عَنِ الْمِنْهَاجِ، ظَاعِنًا فِي الاعْوِجَاجِ، أَعْرِفُهُ بِمَا عَرَّفَ بِهِ نَفْسَهُ، مِنْ غَيْرِ رُؤْيَةٍ أَصِفُهُ كَمَا وَصَفَ بِهِ نَفْسَهُ»
১৮ - এবং এর মাধ্যমে আল-আনসারী পর্যন্ত (সূত্রটি পৌঁছেছে); তিনি বলেন: গালিব ইবনে আলী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে হামদুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফিরইয়ানানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে সুমাইত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু ইসমাহ থেকে, তিনি ইবরাহীম আস-সায়িগ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, নাজদাহ ইবনে আব্বাসকে বললেন: আপনি আপনার রবকে কীভাবে চিনেন? কারণ আমাদের পূর্ববর্তীরা এ বিষয়ে আমাদের মধ্যে মতভেদ করেছেন। তিনি (ইবনে আব্বাস) বললেন: «নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি তার দ্বীনকে কিয়াসের (যুক্তিনির্ভর অনুমান) ওপর প্রতিষ্ঠিত করে, সে আজীবন সংশয়ের মধ্যে লিপ্ত থাকে, সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয় এবং বক্রতার পথে চলতে থাকে। আমি তাঁকে সেভাবেই চিনি যেভাবে তিনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন, চাক্ষুষ দর্শন ছাড়াই আমি তাঁর গুণাবলি সেভাবেই বর্ণনা করি যেভাবে তিনি নিজে নিজের বর্ণনা দিয়েছেন»।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢١)
19 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَالْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالا: ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، ثَنَا أَبُو الْيُمْنِ، ثَنَا سَعِيدٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعَمٍ، أَنَّ مُعَاوِيَةَ، قَامَ فَأَثْنَى عَلَى اللَّهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ، قَالَ: «أَمَّا بَعْدُ ، فَإِنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّ رِجَالا مِنْكُمْ يَتَحَدَّثُونَ بِأَحَادِيثَ لَيْسَتْ فِي كِتَابِ اللَّهِ، وَلا تُعْرَفُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أُولَئِكَ جُهَّالُكُمْ»
১৯ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আল-আনসারী পর্যন্ত; মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম এবং আল-হুসাইন বিন মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আহমাদ বিন ইবরাহীম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আহমাদ বিন আল-হাসান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন মাঈন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবুল ইয়ুম্‌ন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, যুহরী থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদ বিন জুবাইর বিন মুতঈম থেকে বর্ণিত যে, মুয়াবিয়া দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা করলেন এবং বললেন: «অতঃপর, নিশ্চয়ই আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তোমাদের মধ্য থেকে কিছু লোক এমন সব কথা বর্ণনা করছে যা আল্লাহর কিতাবে নেই এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তা পরিচিত নয়। তারা তোমাদের মধ্যকার মূর্খ লোক।»
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٢)
20 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمُودٍ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمُّوَيْهِ، ثَنَا عِيسَى بْنُ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، ثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ يَحْيَى.

قَالَ الدَّارِمِيُّ: وَثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَأَبُو النُّعْمَانِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ مَعًا، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ: " تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ قَبْلَ أَنْ يُقْبَضَ، وَقَبْضُهُ أَنْ يَذْهَبَ أَهْلُهُ، وَعَلَيْكُمْ بِالْعِلْمِ، فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَا يَدْرِي مَتَى يَفْتَقِرُ إِلَى مَا عِنْدَهُ، وَإِنَّكُمْ تَجِدُونَ أَقْوَامًا يَقُولُونَ: أَنَّهُمْ يَدْعُونَكُمْ إِلَى كِتَابِ اللَّهِ فَقَدْ نَبَذُوهُ وَرَاءَ ظُهُورِهِمْ، فَعَلَيْكُمْ بِالْعِلْمِ، وَإِيَّاكُمْ وَالتَّبَدُّعَ، وَإِيَّاكُمْ وَالتَّنَطُّعَ، وَإِيَّاكُمْ وَالتَّعَمُّقَ، وَعَلَيْكُمْ بِالْعَتِيقِ "
২০ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আনসারী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মাহমুদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্মুওয়াইহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ঈসা বিন উমর আস-সামারকান্দি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান আদ-দারিমি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল মুগীরা বর্ণনা করেছেন, আওযাঈ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেন।

দারিমি বলেন: এবং আমাদের নিকট সুলায়মান বিন হারব ও আবু নুমান বর্ণনা করেছেন, তারা হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে একত্রে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: "তোমরা জ্ঞান অর্জন করো তা তুলে নেওয়ার পূর্বে। আর তা তুলে নেওয়া হলো তার ধারকদের (আলেমদের) চলে যাওয়া। তোমরা অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করবে, কারণ তোমাদের কেউ জানে না কখন তার নিকট যা (জ্ঞান) আছে তার প্রয়োজন দেখা দেবে। তোমরা অচিরেই এমন কিছু সম্প্রদায়কে পাবে যারা দাবি করবে যে তারা তোমাদের আল্লাহর কিতাবের দিকে আহ্বান করছে, অথচ তারা একে তাদের পিঠের পেছনে নিক্ষেপ করেছে। সুতরাং তোমরা জ্ঞান অর্জন করো। খবরদার! দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু উদ্ভাবন (বিদআত) থেকে বেঁচে থাকো, অহেতুক কঠোরতা প্রদর্শন থেকে বেঁচে থাকো এবং কোনো বিষয়ে অনর্থক গভীরে প্রবেশ করা থেকে বেঁচে থাকো। আর তোমরা আদি (সালাফদের) পথকে আঁকড়ে ধরো।"
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٣)
21 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثَنَا الأَصَمُّ، ثَنَا ابْنُ عَبْدِ الْحَكَمِ، ثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، قَالَ: قِيلَ لِعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عليه السلام: يَا رُوحَ اللَّهِ وَكَلِمَتَهُ، مَنْ أَشَدُّ النَّاسِ فِتْنَةً؟ قَالَ: «زَلَّةُ عَالِمٍ ، إِذَا زَلَّ الْعَالِمُ زَلَّ بِزَلَّتِهِ عَالَمٌ كَثِيرٌ»
২১ - এবং একই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত; আমাদেরকে খবর দিয়েছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে ইসমাইল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আসাম্ম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবদিল হাকাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ওয়াহাব, আমাকে খবর দিয়েছেন ইবনে লাহিয়াহ, ইবনে আবি জাফর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে মারইয়াম (তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক)-কে বলা হলো: হে আল্লাহর রূহ ও তাঁর বাণী, মানুষের মধ্যে ফিতনার দিক থেকে সবচেয়ে কঠিন কে? তিনি বললেন: «একজন আলেমের পদস্খলন; কেননা যখন একজন আলেম পদস্খলিত হন, তখন তাঁর পদস্খলনের কারণে বিশাল এক সৃষ্টিজগত পদস্খলিত হয়।»
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٤)
22 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَمْزَةَ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا أَبُو الْفَضْلِ شُعَيْبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْعَوَّامِ، ثَنَا أَبِي، ثَنَا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُوسَى بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي مَعْنٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ: «مَنْ تَمَسَّكَ بِالسُّنَّةِ، وَثَبَتَ نَجَا، وَمَنْ أَفْرَطَ مَرَقَ، وَمَنْ خَالَفَ هَلَكَ»
২২ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আল-আনসারী পর্যন্ত (সনদ পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন হামযাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল শুআইব বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবিল আওয়াম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন ইবরাহীম, তিনি মূসা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু মা'ন থেকে, তিনি যায়েদ বিন আরকাম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরবে এবং তাতে অবিচল থাকবে, সে মুক্তি পাবে; আর যে সীমালঙ্ঘন করবে, সে (দীন থেকে) বিচ্যুত হবে; আর যে বিরোধিতা করবে, সে ধ্বংস হবে।"
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٥)
23 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الأَصَمُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثَنَا مُعَاوِيَةُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: مَا أَخَذَ رَجُلٌ بِبِدْعَةٍ فَيُرَاجَعُ سُنَّةً
২৩ - এবং একই সূত্রে আল-আনসারী পর্যন্ত বর্ণিত, মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-আসাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর থেকে, তিনি আবু ইসহাক আল-ফাজারী থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে এবং তিনি ইবনে সীরীন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তি যখন কোনো বিদআত গ্রহণ করে, তখন সে আর সুন্নাহতে ফিরে আসে না।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٦)
24 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، كَتَبَ إِلَيَّ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْبَيْهَقِيُّ، ثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ السُّكَّرِيُّ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، ثَنَا مَعْمَرٌ، قَالَ: كَانَ ابْنُ طَاوُسٍ جَالِسًا، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنَ الْمُعْتَزِلَةِ، فَجَعَلَ يَتَكَلَّمُ، قَالَ: فَأَدْخَلَ ابْنُ طَاوُسٍ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذَنَيْهِ، وَقَالَ لابْنِهِ: أَيْ بُنَيَّ، أَدْخِلْ أُصْبُعَكَ فِي أُذُنَيْكَ، وَاشْدُدْ لا تَسْمَعْ مِنْ كَلامِهِ شَيْئًا، قَالَ مَعْمَرٌ: يَعْنِي أَنَّ الْقَلْبَ ضَعِيفٌ
২৪ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আল-আনসারী পর্যন্ত; আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-বায়হাকী আমার কাছে লিখেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আস-সুক্কারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনু মুহাম্মাদ আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনু মানসূর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মার; তিনি বলেন: ইবনু তাউস বসা ছিলেন, এমতাবস্থায় মুতাজিলা সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি আসল এবং কথা বলতে শুরু করল। তিনি বলেন: তখন ইবনু তাউস তাঁর দুই কানে নিজের দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলেন এবং তাঁর ছেলেকে বললেন: হে প্রিয় বৎস, তোমার কানে তোমার আঙুল ঢোকাও এবং শক্ত করে চেপে ধরো যাতে তার কথার কিছুই তুমি না শোনো। মা'মার বলেন: অর্থাৎ নিশ্চয়ই অন্তর দুর্বল।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٧)
25 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا الأَصَمُّ، ثَنَا الصَّغَانِيُّ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الطَّيِّبِ، ثَنَا الْمُبَارَكُ، قَالَ الصَّاغَانِيُّ: وَثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، ثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ، قَالَ: مَا يَكَادُ اللَّهُ أَنْ يَأْذَنَ لصِاحِبِ بِدْعَةٍ بِتَوْبَةٍ
২৫ - এবং তাঁর মাধ্যমে আল-আনসারীর সূত্রে, মুহাম্মদ ইবনে মুসা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আসাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আস-সাগানী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আবি আল-তাইয়্যিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-মুবারক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। আস-সাগানী বলেন: এবং আলী ইবনে আল-হাসান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-আওযায়ী আতা আল-খুরাসানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহ কোনো বিদআতী ব্যক্তিকে তাওবা করার অনুমতি দিতে চান না।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٨)
26 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثَنَا الدَّغُولِيُّ، ثَنَا أَبُو زُرْعَةَ، ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، ثَنَا سَلامُ بْنُ مِسْكِينٍ، عَنْ يَحْيَى الْبَكَّاءِ، قَالَ: قَالَ الْحَسَنُ: أَهْلُ الْبِدَعِ بِمِنْزِلَةِ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى
২৬ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আল-আনসারী পর্যন্ত (সনদটি পৌঁছেছে); আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদ-দাগুলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন হারব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালাম বিন মিসকিন, ইয়াহইয়া আল-বাক্কা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল-হাসান বলেছেন: বিদআতীরা ইহুদী ও খ্রিষ্টানদের সমপর্যায়ভুক্ত।
(খণ্ড: ১) জামউল জুইউশ ওয়াদ দাসাকির আলা ইবনে আসাকির (পৃষ্ঠা: ٢٩)
27 - وَبِهِ إِلَى الأَنْصَارِيِّ، أَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الطَّيِّبِ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلانِيِّ، قَالَ: لأَنْ أَرَى فِي الْمَسْجِدِ نَارًا تَضْطَرِمُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أَرَى فِيهِ بِدْعَةً لا تُغَيَّرُ
২৭ - এবং একই সনদে আল-আনসারী পর্যন্ত বর্ণিত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুসা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন আবি আল-তৈয়্যিব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাঈল বিন আইয়াশ, তিনি মুহাম্মদ বিন হারব থেকে, তিনি আবু বকর বিন আবি মারইয়াম থেকে, তিনি ইয়াযীদ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি আবু ইদরীস আল-খাওলানী থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন: "মসজিদে প্রজ্বলিত আগুন দেখা আমার কাছে সেখানে এমন কোনো বিদআত দেখার চেয়ে অধিক প্রিয় যা পরিবর্তন করা হচ্ছে না।"