(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث يزيد بن أبي حبيب المصري - ضمن «أحاديث الشيوخ الكبار» (يزيد بن أبى حبيب)
القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث يزيد بن أبي حبيب المصري (ت 129 هـ) - برواية الليث بن سعد المصري
تحقيق ودراسة: حمزة أحمد الزين
ضمن مجموع: «أحاديث الشيوخ الكبار»
الناشر: دار الحديث - القاهرة
سنة الطبع: 1424 هـ - 2004 م
عدد الصفحات: 68
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব আল-মিসরির হাদীসসমূহ - «আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার»-এর অন্তর্ভুক্ত (ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব আল-মিসরির হাদীসসমূহ (মৃত্যু ১২৯ হিজরি) - লাইস বিন সাদ আল-মিসরির বর্ণনায়
তাহকিক ও গবেষণা: হামজা আহমদ আজ-জাইন
সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত: «আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার»
প্রকাশনী: দারুল হাদিস - কায়রো
মুদ্রণ বর্ষ: ১৪২৪ হিজরি - ২০০৪ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৮
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর করা হয়েছে যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১)
نَصُّ جُزْءِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ:بسم الله الرحمن الرحيمأَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ الشَّيْخُ الأَمِينُ أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَكْفَانِيُّ، وَالشَّيْحُ أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ بَطْرِيقِ بْنِ بِشْرٍ الطَّرَسُوسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الرَّابِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ سَنَةَ عِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ الْخَضِرِ السُّلَمِيُّ ، قَالُوا: أَنْبَأَ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمِكْيَالِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَزْدِيُّ الْمِصْرِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ ، فِي الْمَسْجِدِ الْجَامِعِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْقَاسِمِ الْمَيْمُونُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْعَلَوِيُّ الْحُسَيْنِيُّ الثِّقَةُ مِنْ كِتَابِهِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ.بِقِرَاءَةِ خَلَفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْوَاسِطِيِّ الْحَافِظِ ، قَالَ: أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ جَرِيرٍ الْعَسَّالُ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنْبَأَ أَبُو مُوسَى عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ زُغْبَةُ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَكَمِ أَنَّهُ كَانَ فِيمَا خَلا لا يَذْكُرُ الإِمَامُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلا الْقُرْآنَ وَالذِّكْرَ، فَلَمَّا اصْطَلَحَ النَّاسُ أِمِّرَ أَمِيرٌ عَلَى الْمَدِينَةِ فَجَعَلَ يَلْعَنُ رِجَالا لَعَلَّكَ إِنْ بَقِيتَ لَتَرْضَيَنَّ بِصَحَابَةِ مَنْ هُوَ شَرٌّ مِنْهُمْ
ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিবের জুয-এর মূলপাঠ:পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ: শায়খ আল-আমিন আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-আকফানি এবং শায়খ আবুল কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে বতরিক ইবনে বিশর আত-তারসুসি, ৫২০ হিজরির ২৪শে জুমাদাল আখিরাত জুমুআর দিনে তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল কারিম ইবনে হামযাহ ইবনে আল-খদির আস-সুলামি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে আল-মিকইয়াল ইবনে উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযদি আল-মিসরি, দামেস্কের জামে মসজিদে ৪৫৭ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আশ-শরিফ আবুল কাসিম আল-মায়মুন ইবনে হামযাহ ইবনে আল-হুসাইন আল-আলাওয়ি আল-হুসাইনি আস-সিকাহ, তাঁর কিতাব থেকে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে।হাফেজ খালাফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-ওয়াসিতির পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস ইবনে জারির আল-আসসাল, ৩১৯ হিজরির মহররম মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসা ঈসা ইবনে হাম্মাদ জুগবাহ, ২৪২ হিজরিতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস ইবনে সাদ, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি জাফর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হাকাম থেকে বর্ণনা করেন যে, অতীতকালে জুমুআর দিনে ইমাম কুরআন এবং যিকির ব্যতীত অন্য কিছু উল্লেখ করতেন না। অতঃপর যখন মানুষেরা কোনো বিষয়ে একমত হলো, মদিনায় একজন আমির নিযুক্ত করা হলো এবং তিনি কিছু ব্যক্তিকে লানত বা অভিশাপ দিতে শুরু করলেন; হতে পারে তুমি যদি দীর্ঘজীবী হও তবে তুমি তাদের চেয়েও মন্দ ব্যক্তিদের সাহচর্যে সন্তুষ্ট হবে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২)
2 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ بْنُ حَمْزَةَ، قَالَ: نَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، قَالَ: نا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مَكْحُولٍ: أَنَّ عَلِيًّا ، عليه السلام ، كَانَ يَجْعَلُ فِي الثَّنَايَا خَمْسِينَ خَمْسِينَ، وَفِي الرَّبَاعِيَّاتِ أَرْبَعِينَ أَرْبَعِينَ، وَفِي الأَنْيَابِ ثَلاثِينَ ثَلاثِينَ، وَفِي الأَضْرَاسِ سِتَّةً وَعِشْرِينَ سِتَّةً وَعِشْرِينَ
২ - মায়মুন ইবনে হামযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি মাকহুল থেকে বর্ণনা করেন যে: আলী (আলাইহিস সালাম) সামনের মধ্যম দাঁতসমূহের প্রতিটির জন্য পঞ্চাশ পঞ্চাশ করে, সামনের পাশের দাঁতসমূহের প্রতিটির জন্য চল্লিশ চল্লিশ করে, ছেদনক দাঁতসমূহের প্রতিটির জন্য ত্রিশ ত্রিশ করে এবং মাড়ির দাঁতসমূহের প্রতিটির জন্য ছাব্বিশ ছাব্বিশ করে (ক্ষতিপূরণ) নির্ধারণ করতেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - وَقَضَاءُ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، رضي الله عنه ، فِي الثَّنَايَا وَالرَّبَاعِيَّاتِ بِخَمْسٍ مِنَ الإِبِلِ فِي كُلِّ سِنَّةٍ وَهِيَ اثْنَا عَشَرَ، وَفِي الأَضْرَاسِ بَعِيرًا بَعِيرًاوَقَالَ، سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ: لَوْ كُنْتُ قَاضِيًا جَعَلْتُ فِي الأَضْرَاسِ بَعِيرًا بَعِيرًا حَتَّى يَسْتَكْمِلَ الْفَمُ الدِّيَةَ.
2 - এবং উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ফয়সালা সামনের এবং পাশের দাঁতসমূহের ক্ষেত্রে ছিল প্রতিটি দাঁতের বিনিময়ে পাঁচটি করে উট, আর এগুলোর সংখ্যা বারোটি; এবং মাড়ির দাঁতসমূহের প্রতিটির জন্য একটি করে উট।এবং সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব বলেন: আমি যদি বিচারক হতাম, তবে মাড়ির দাঁতগুলোর প্রতিটির বিনিময়ে একটি করে উট নির্ধারণ করতাম, যেন পুরো মুখের রক্তপণ পূর্ণ হয়।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: أَنْبَأَ أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبَانِ بْنِ صَالِحٍ أَنَّهُ كَانَ مِنْ شَأْنِ بَرِيرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ ، رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهَا ، فَوَجَدَ عِنْدَهَا لَحْمًا، فَقَالَ: «مَا هَذَا اللَّحْمُ يَا عَائِشَةُ؟» ، قَالَتْ: لَحْمٌ أَهْدَتْهُ لَنَا بَرِيرَةُ ، تُصُدِّقَ بِهِ عَلَيْهَا ، فَمَا مَنَعَنَا أَنْ نَضَعَهُ إِلا أَنَّكَ لا تَأْكُلُ الصَّدَقَةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «هُوَ عَلَى بَرِيرَةَ صَدَقَةٌ وَهُوَ لَنَا هَدِيَّةٌ»
৩ - আল-মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আহমাদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন, ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-লাইস আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে বর্ণিত, তিনি আবান ইবনে সালিহ থেকে বর্ণনা করেন যে, বারীরার ঘটনার বিবরণে এসেছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আয়েশার (আল্লাহর রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) নিকট প্রবেশ করলেন এবং তাঁর কাছে কিছু গোশত দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন: «হে আয়েশা, এই গোশত কিসের?» তিনি বললেন: «এই গোশতটি বারীরা আমাদের উপহার দিয়েছেন, যা তাঁকে সদকা হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। আমরা এটি আপনার সামনে পেশ করা থেকে কেবল একারণেই বিরত ছিলাম যে, আপনি সদকা ভক্ষণ করেন না।» তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «এটি বারীরার জন্য সদকা এবং আমাদের জন্য উপহার।»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৫)
3 - قَالَ: وَمَا كَانَ مِنْ شَأْنِهَا أَيْضًا أَنَّهَا أُعْتِقَتْ وَكَانَ زَوْجُهَا مَمْلُوكًا، فَكَلَّمَهُ فِيهَا وَكَلَّمَهُ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «ارْجِعِي إِلَى زَوْجِكِ» ، فَقَالَتْ: أَمَا أَنْ يَكُونَ أَمْرِي بِيَدِي فَلَنْ أَرْجِعَ، فَقَالَ: «أَمْرُكِ بِيَدِكِ» ، فَأَبَتْ أَنْ تَرْجِعَ
৩ - তিনি বলেন: তাঁর বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত এ-ও ছিল যে, তাঁকে মুক্ত করা হয়েছিল এবং তাঁর স্বামী ছিলেন একজন ক্রীতদাস। অতঃপর তিনি (স্বামী) এ বিষয়ে তাঁর সাথে কথা বললেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও তাঁর সাথে কথা বলে বললেন: "তুমি তোমার স্বামীর নিকট ফিরে যাও।" তখন তিনি (বারীরা) বললেন: "যেহেতু আমার বিষয়টি আমার হাতে, তাই আমি আর ফিরে যাব না।" তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) বললেন: "তোমার বিষয়টি তোমার হাতেই।" ফলে তিনি ফিরে যেতে অস্বীকার করলেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৬)
4 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلالٍ: أَنَّ أَوَّلَ مَا ضُمِنَتِ الْعَارِيَةُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، دَعَا صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ عَامَ الْفَتْحِ، وَرَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، يُرِيدُ أَنْ يَخْرُجَ إِلَى حُنَيْنٍ.فَقَالَ: «إِنَّهُ قَدْ ذُكِرَتْ لَنَا عِنْدَكَ سِلاحٌ فَأَعْطِنَاهَا نَسْتَعِينَ بِهَا فِي حَرْبِنَا هَذِهِ» ، فَقَالَ: أَقَسْرًا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «بَلْ عَارِيَةٌ هِيَ عَلَيْنَا ضَامِنَةٌ حَتَّى نَأْتِيَكَ بِهَا»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মাইমুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-লাইস, ইয়াজিদ ইবন আবি হাবিব থেকে, তিনি সাঈদ ইবন আবি হিলাল থেকে বর্ণনা করেন যে: ধার করা বস্তুর (আরিয়াহ) ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যেটির জামানত (ক্ষতিপূরণ) নিশ্চিত করা হয়েছিল তা হলো, মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফওয়ান ইবন উমাইয়্যাহকে ডেকে পাঠালেন; তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের দিকে অভিযানে বের হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছিলেন।অতঃপর তিনি বললেন: «আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তোমার কাছে যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে। সুতরাং সেগুলো আমাদের দাও, যেন আমরা আমাদের এই যুদ্ধে সেগুলোর মাধ্যমে সাহায্য নিতে পারি।» তিনি (সাফওয়ান) বললেন: জোরপূর্বক কি (নিচ্ছেন)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «বরং এটি ধার হিসেবে নেওয়া হচ্ছে এবং এটি আমাদের জিম্মায় (ক্ষতিপূরণ সাপেক্ষে) থাকবে, যতক্ষণ না আমরা তা তোমার নিকট ফিরিয়ে দিই।»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৭)
5 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ رُكَانَةَ ، مِنْ بَنِي الْمُطَّلِبِ، أَنَّ عَمْرَو بْنَ دِينَارٍ مَوْلَى بَاذَانَ ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ بَلَغَهُ ، أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ قَدِمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، بِالْمَدِينَةِ، فَقَالَ: «يَا أَبَا أُمَيَّةَ ، مَا أَقْدَمَكَ؟» ، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، زَعَمَ النَّاسُ أَنَّهُ مَنْ لَمْ يُهَاجِرْ فَلا خَلاقَ لَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «أَقْسَمْتُ عَلَيْكَ إلا رَجَعْتَ حَتَّى تُصْبِحَ بِبَطْحَاءِ مَكَّةَ» فَخَرَجَ صَفْوَانُ فَنَامَ فِي الْمَسْجِدِ فَسَرَقَ رَجُلٌ رِدَاءَهُ مِنْ تَحْتِ رَأْسِهِ وَهُوَ نَائِمٌ، فَاسْتَيْقَظَ بِهِ فَاتَّبَعَهُ فَأَدْرَكَهُ، فَأَتَى بِهِ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، أَنْ تُقْطَعَ يَدُهُ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، بَلْ أَعْتِقْهُ فَهُوَ لَهُ، قَالَ: «أَفَلا قَبْلَ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ يَا أَبَا أُمَيَّةَ؟» ، فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَقُطِعَ
৫ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লায়স আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি বনু মুত্তালিব গোত্রের মুহাম্মদ ইবনে তালহা ইবনে ইয়াজিদ ইবনে রুকালাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বাযানের মুক্তদাস আমর ইবনে দীনার তাকে জানিয়েছেন যে তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া মদিনায় আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তিনি (রাসুল) বললেন: «হে আবু উমাইয়া, কিসে আপনাকে এখানে নিয়ে এসেছে?» তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, লোকেরা ধারণা করে যে, যে ব্যক্তি হিজরত করবে না (পরকালে) তার কোনো অংশ নেই। তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «আমি আপনাকে শপথ করে বলছি যে, আপনি অবশ্যই ফিরে যাবেন যতক্ষণ না আপনি মক্কার বাতহায় ভোরে উপনীত হন»। অতঃপর সাফওয়ান বের হলেন এবং মসজিদে ঘুমালেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর মাথার নিচ থেকে তাঁর চাদরটি চুরি করল যখন তিনি ঘুমে ছিলেন। তিনি জেগে উঠলেন এবং তাকে অনুসরণ করে ধরে ফেললেন। অতঃপর তাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে আসলেন। তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। তিনি (সাফওয়ান) বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, বরং আমি তাকে এটি ছেড়ে দিলাম এবং এটি তার জন্যই থাক। তিনি (রাসুল) বললেন: «হে আবু উমাইয়া, আপনি তাকে আমার কাছে আনার আগেই কেন এমনটি করলেন না?» এরপর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলেন এবং তার হাত কেটে ফেলা হলো।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৮)
6 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: نا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّ خَالَتَهُ ابْنَةَ مَسْعُودِ ابْنِ الْعَجْمَاءِ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ أَبَاهَا قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فِي الْمَخْزُومِيَّةِ الَّتِي سَرَقَتْ قَطِيفَةً: نَفْدِيهَا بِأَرْبَعِينَ وُقِيَّةً، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «لأَنْ تَطَّهَّرَ خَيْرًا لَهَا» فَأَمَرَ بِهَا فَقُطِعَتْ يَدُهَا.وَهِيَ مِنْ بَنِي عَبْدِ الأَسَدِ
৬ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লাইস আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে তালহা ইবনে ইয়াজিদ থেকে যে, তাঁর খালা মাসউদ ইবনুল আজমার কন্যা তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সেই মাখজুমী গোত্রের মহিলার বিষয়ে বলেছিলেন যে একটি মখমলের চাদর চুরি করেছিল: "আমরা তাঁর পরিবর্তে চল্লিশ উকিয়া মুক্তিপণ প্রদান করব।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "সে পবিত্র হওয়া তাঁর জন্য উত্তম।" অতঃপর তিনি তাঁর ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন এবং তাঁর হাত কেটে ফেলা হলো।আর তিনি ছিলেন বনু আবদিল আসাদ গোত্রের।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ৯)
7 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنِ الْعَلاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، مَوْلَى جُهَيْنَةَ، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ، أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِزْرَةُ الْمُؤْمِنِ إِلَى نِصْفِ السَّاقِ، فَمَا كَانَ إِلَى الْكَعْبَيْنِ فَلا بَأْسَ، وَمَا تَحْتَ الْكَعْبَيْنِ فَفِي النَّارِ، لا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلاءَ»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মাইমুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আল-লাইস, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আলা ইবনে আবদির রহমান থেকে—যিনি জুহাইনার আযাদকৃত গোলাম—যে তাঁর পিতা তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবু সাঈদ আল-খুদরি বলেছেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «মুমিনের পরিধেয় বস্ত্র হবে নলার অর্ধেক পর্যন্ত, আর যা টাখনু পর্যন্ত থাকে তাতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু যা টাখনুর নিচে থাকে তা জাহান্নামে যাবে। আল্লাহ ঐ ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না যে অহঙ্কারবশত নিজের কাপড় টেনে নিয়ে বেড়ায়।»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১০)
8 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، أَنَّ مُطَرِّفًا مِنْ بَنِي عَامِرِ بْنِ صَعْصَعَةَ، حَدَّثَهُ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ أَبِي الْعَاصِ الثَّقَفِيَّ دَعَا لَهُ بِلَبَنٍ يَسْقِيَهُ فَقَالَ مُطَرِّفٌ: إِنِّي صَائِمٌ، فَقَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «الصِّيَامُ جُنَّةٌ مِنَ النَّارِ كَجُنَّةِ أَحَدِكُمْ مِنَ الْقِتَالِ»
৮ - আল-মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিন্দ থেকে, বনু আমির বিন সা’সাআ গোত্রের মুতাররিফ তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, উসমান ইবনে আবি আল-আস আস-সাকাফি তাকে পান করানোর জন্য দুধ আনালেন, তখন মুতাররিফ বললেন: আমি রোজা রেখেছি। তখন উসমান বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «রোজা হলো জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার ঢাল, যেমন যুদ্ধের ময়দানে তোমাদের কারো নিকট ঢাল থাকে»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১১)
9 - وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «صِيَامٌ حَسَنٌ ثَلاثَةُ أَيَّامٍ مِنَ الشَّهْرِ»
৯ - এবং আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "মাসের তিন দিন রোজা রাখা একটি উত্তম রোজা।"
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১২)
10 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ اسْتُفْتِيَ فِي الطِّلاءِ فَقَالَ: الْخَلُّ حَلالٌ وَالزَّبِيبُ حَلالٌ وَالْعِنَبُ حَلالٌ وَالْخَمْرُ حَرَامٌ.وَاللَّهِ ، لا يَشْرَبُهَا أَحَدٌ إِلا نَقَصَ الإِيمَانُ حَتَّى لا يَبْقَى فِي جَوْفِهِ مِنْهُ شَيْءٌ.وَلا يَدْخُلُ بَيْتًا إِلا كَانَ ذَلِكَ الْبَيْتُ رِجْسًا حَتَّى يَخْرُجَ مِنْهُ
১০ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে ঘন আঙ্গুর রস (তিল) সম্পর্কে ফতোয়া জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: সিরকা হালাল, কিশমিশ হালাল, আঙ্গুর হালাল এবং মদ হারাম।আল্লাহর শপথ, যে ব্যক্তিই তা পান করবে তার ঈমান হ্রাস পেতে থাকবে, এমনকি তার অভ্যন্তরে ঈমানের কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।আর তা যে ঘরেই প্রবেশ করবে সেই ঘরটি অপবিত্র হয়ে যাবে যতক্ষণ না তা সেখান থেকে বের করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৩)
11 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: ثنا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ مُسْلِمٍ، حَدَّثَهُ أَنَّ عُرْوَةَ، وَعَمْرَةَ ابْنَةَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَاهُ أَنَّ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، حَدَّثَتْهُمَا ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «إِذَا زَنَتِ الأَمَةُ فَاجْلِدُوهَا، وَإِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، وَإِنْ زَنَتْ فَاجْلِدُوهَا، ثُمَّ بِيعُوهَا وَلَوْ بِضَفِيرٍ» ، وَالضَّفِيرُ: الْحَبْلُ قَالَ اللَّيْثُ: لا تُجْلَدُ الأَمَةُ عَلَى الزِّنَا مُطْلَقًا أَنْ تَكُونَ حَمَلَتْ مِنْ زِنًا أَوْ شَهِدَ عَلَيْهَا أَرْبَعَةٌ، شَهِدُوا أَنَّهُمْ رَأَوْهَا تَزْنِي، أَوْ أَخْبَرَتْ بِذَلِكَ فَتُجْلَدُ بِاعْتِرَافِهَا
১১ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াযীদ বিন আবি হাবীব থেকে, তিনি আম্মার বিন আবি ফারওয়াহ থেকে, মুহাম্মদ বিন মুসলিম তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, উরওয়াহ এবং আবদুর রহমান বিন সা’দ-এর কন্যা আমরাহ তাকে বর্ণনা করেছেন যে, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তাদের উভয়কে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যখন কোনো দাসী ব্যভিচার করে তখন তাকে বেত্রাঘাত করো, সে পুনরায় ব্যভিচার করলে তাকে বেত্রাঘাত করো, এরপর সে পুনরায় ব্যভিচার করলে তাকে বেত্রাঘাত করো, অতঃপর তাকে বিক্রি করে দাও যদিও তা একটি রশির বিনিময়ে হয়»। আর ‘যফীর’ হলো: রশি। লাইস বলেন: দাসীকে ব্যভিচারের কারণে ঢালাওভাবে বেত্রাঘাত করা হবে না; যতক্ষণ না সে ব্যভিচারের কারণে গর্ভবতী হয় অথবা চারজন সাক্ষী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে যে তারা তাকে ব্যভিচার করতে দেখেছে, অথবা সে নিজে এ সম্পর্কে সংবাদ দেয়, ফলে তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাকে বেত্রাঘাত করা হবে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৪)
12 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ ، مَوْلَى بَنِي مَخْزُومٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ قَالَ: سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ سورة الانشقاق آية 1 وَاقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ سورة العلق آية 1.
১২ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি সাফওয়ান ইবনে সুলাইম থেকে, তিনি বনু মাখজুমের মুক্তদাস আবদুর রহমান আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘ইজাস সামাউন্ শাক্কাত’ (সূরা আল-ইনশিকাক, আয়াত ১) এবং ‘ইকরা বিইসমিল্লাহি রাব্বিকা’ (সূরা আল-আলাক, আয়াত ১) তিলাওয়াতকালে সিজদাহ করেছেন।.
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৫)
13 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ كَثِيرٍ، أَنَّ أَبَا إِسْحَاقَ حَدَّثَهُ، أَنَّ الْحَارِثَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَهُ أَنَّ عَلِيًّا عليه السلام ، كَانَ يَقُولُ: فِي صَدَقَةِ الْفِطْرِ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَصَاعًا مِنْ تَمْرٍ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَصَاعًا مِنْ زَبِيبٍ قَالَ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ: بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَرَضَ زَكَاةَ الْفِطْرِ مُدَّيْنِ مِنْ حِنْطَةَ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، عَلَى كُلِّ حُرٍّ وَعَبْدٍ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى صَغِيرٍ أَوْ كَبِيرٍ
১৩ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লায়স আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব থেকে, তিনি খালিদ বিন কাসির থেকে, আবু ইসহাক তাকে বর্ণনা করেছেন যে, আল-হারিস বিন আব্দুর রহমান তাকে বর্ণনা করেছেন যে, আলী (আলাইহিস সালাম) বলতেন: সাদাকাতুল ফিতরের ক্ষেত্রে এক সা’ যব, যদি তা না পায় তবে এক সা’ খেজুর, আর যদি তাও না পায় তবে এক সা’ কিশমিশ। আল-লায়স বিন সাদ বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন দুই মুদ্দ গম অথবা এক সা’ যব অথবা এক সা’ খেজুর; প্রত্যেক স্বাধীন ও ক্রীতদাস, পুরুষ বা নারী এবং ছোট বা বড়র ওপর।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৬)
14 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنْبَأَ اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ خَالِدَ بْنَ كَثِيرٍ الْهَمْدَانِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ السَّرِيَّ بْنَ إِسْمَاعِيلَ الْكُوفِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ الشَّعْبِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنَ الْحِنْطَةِ خَمْرًا، وَمِنَ الشَّعِيرِ خَمْرًا، وَمِنَ الزَّبِيبِ خَمْرًا، وَمِنَ التَّمْرِ خَمْرًا، وَمِنَ الْعَسَلِ خَمْرًا، وَأَنَا أَنْهَى عَنْ كُلِّ مُسْكِرٍ» قَالَ اللَّيْثُ: بَلَغَنَا عَنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ، صلى الله عليه وسلم ، وَغَيْرِهِمْ مِنَ الْفُقَهَاءِ أَنَّهُمْ كَانُوا يَقُولُونَ: مِنْ كُلِّ ثَمَرَةٍ خَمْرٌ وَمَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ
১৪ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লাইস আমাদের অবহিত করেছেন ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব থেকে, যে খালিদ বিন কাসীর আল-হামদানী তাকে বর্ণনা করেছেন যে আস-সারী বিন ইসমাইল আল-কুফি তাকে বর্ণনা করেছেন যে আশ-শা'বী তাকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি নুমান বিন বশীরকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই গম থেকে মদ তৈরি হয়, যব থেকে মদ তৈরি হয়, কিসমিস থেকে মদ তৈরি হয়, খেজুর থেকে মদ তৈরি হয় এবং মধু থেকে মদ তৈরি হয়; আর আমি প্রতিটি নেশাজাতীয় দ্রব্য নিষিদ্ধ করছি» আল-লাইস বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ এবং অন্যান্য ফকীহদের থেকে আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে তাঁরা বলতেন: প্রতিটি ফল থেকেই মদ তৈরি হয় এবং যার অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৭)
15 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ كَثِيرٍ، أَنَّ أَبَا حَفْصٍ الْعُمَرِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ الْحَسَنَ الْبَصْرِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ ، قَالَ لَهُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وآله وسلم ، ذَهَبَ لِحَاجَتِهِ فَأَخَذْتُ الإِدَاوَةَ فَذَهَبْتُ مَعَهُ، فَلَمَّا فَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، مِنْ حَاجَتِهِ تَوَضَّأَ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ ، فَجَعَل رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يُرِيدُ أَنْ يُخْرِجَ ذِرَاعَيْهِ فَلَمْ يَسْتَطِعْ مِنْ ضِيقِهَا فَأَخْرَجَ يَدَهُ فَجَعَلَهَا عَلَى مَنْكِبِهِ ، فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ وَمَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَالْعِمَامَةِ، وَذَلِكَ يَوْمَ صَلَّى وَرَاءَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، وَذَلِكَ أَنَّ النَّبِيَّ ، صلى الله عليه وسلم ، تَأَخَّرَ فِي مَخْرَجِهِ فَجَاءَ وَأَصْحَابُهُ يُصَلُّونَ وَرَاءَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فَتَأَخَّرَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ ، فَرَدَّهُ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، وَصَلَّى وَرَاءَهُ قَالَ اللَّيْثُ: بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، خَرَجَ إِلَى الْبِرَازِ فَأَطَالَ الْمُكْثَ فَأُقِيمَتِ الصَّلاةُ ، فَتَقَدَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ، ثُمَّ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَدَخَلَ فِي الصَّلاةِ وَهُمْ لا يَشْعُرُونَ فَرَكَعَ مَعَهُمْ رَكْعَةً، فَسَلَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَقَضَى الرَّكْعَةَ الثَّانِيَةَ مِنَ الصُّبْحِ فَفَزِعَ النَّاسُ، فَلَمَّا سَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «أَصَبْتُمْ»
১৫ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লায়স আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি খালিদ ইবনে কাসির থেকে, আবু হাফস আল-উমারি তাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে হাসান আল-বাসরি তাকে হাদিস শুনিয়েছেন যে মুগিরাহ ইবনে শু'বাহ তাকে বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের জন্য বের হলেন, তখন আমি পানির পাত্রটি নিলাম এবং তাঁর সাথে গেলাম। যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রয়োজন পূরণ শেষ করলেন, তিনি অজু করলেন। তখন তাঁর পরিধানে সংকীর্ণ আস্তিনের একটি জুব্বা ছিল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দুই হাত বের করতে চাইলেন কিন্তু সংকীর্ণতার কারণে পারলেন না। তাই তিনি তাঁর হাত বের করে কাঁধের ওপর রাখলেন। অতঃপর তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ও দুই হাত ধৌত করলেন এবং মোজা ও পাগড়ির ওপর মাসাহ করলেন। আর এটি ছিল সেই দিনের ঘটনা যেদিন তিনি আবদুর রহমান ইবনে আউফ-এর পেছনে সালাত আদায় করেছিলেন। আর তা এ কারণে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসতে বিলম্ব করেছিলেন। ফলে তিনি যখন আসলেন তখন তাঁর সাহাবীগণ আবদুর রহমান ইবনে আউফ-এর পেছনে সালাত আদায় করছিলেন। তখন আবদুর রহমান পেছনে সরে যেতে চাইলেন, কিন্তু আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বাধা দিলেন এবং তাঁর পেছনে সালাত আদায় করলেন। লায়স বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে বের হয়েছিলেন এবং সেখানে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেছিলেন। এদিকে সালাত শুরু করার জন্য ইকামত দেওয়া হলো। তখন আবদুর রহমান ইবনে আউফ সামনে অগ্রসর হলেন এবং তাঁদের নিয়ে এক রাকাত ও দুই সিজদাহ আদায় করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং তাঁদের অগোচরেই সালাতে শরিক হলেন। তিনি তাঁদের সাথে এক রাকাত আদায় করলেন। অতঃপর আবদুর রহমান যখন সালাম ফিরালেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং ফজরের দ্বিতীয় রাকাতটি পূর্ণ করলেন। এতে উপস্থিত লোকজন ভীত হয়ে পড়ল। যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরালেন, তখন তিনি বললেন: "তোমরা সঠিক কাজই করেছ।"
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৮)
16 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، نا عِيسَى، قَالَ: أَنْبَأَ اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَاشِدٍ الزَّوْفِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُرَّةَ الزَّوْفِيِّ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ حُذَافَةَ أَنَّهُ قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ ، عز وجل ، قَدْ أَمَدَّكُمْ بِصَلاةٍ هِيَ خَيْرٌ لَكُمْ مِنْ حُمْرِ النَّعَمِ ، الْوِتْرَ جَعَلَهُ اللَّهُ لَكُمْ فِيمَا بَيْنَ صَلاةِ الْعِشَاءِ إِلَى أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ»
১৬ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা, তিনি বলেন: আল-লায়স সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রাশিদ আজ-জাওফি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি মুররা আজ-জাওফি থেকে, তিনি খারিজাহ ইবনে হুজাফাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন এবং বললেন: «নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদেরকে এমন এক সালাত প্রদান করেছেন যা তোমাদের জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম; তা হলো বিতর। আল্লাহ এটি তোমাদের জন্য ইশার সালাত থেকে ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত সময়ের মাঝে নির্ধারণ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ১৯)
17 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: نا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، أَعْطَاهُ غَنَمًا يُقَسِّمُهَا عَلَى صَحَابَتِهِ ضَحَايَا فَبَقِيَ عَتُودٌ فَذَكَرَهُ لِرَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «ضَحِّي بِهِ أَنْتَ» قَالَ اللَّيْثُ: بَلَغَنَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ أَرْخَصَ لِرَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِهِ فِي جَذَعٍ مِنَ الْمَعْزِ، وَقَالَ: «لا رُخْصَةَ فِيهِ لأَحَدٍ بَعْدَكَ» وَأَنَّهُ أَرْخَصَ فِي الْجَذَعِ مِنَ الضَّأْنِ يُضَحِّي بِهِ
১৭ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-লায়স আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবুল খায়র থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমির থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে কিছু বকরি দিয়েছিলেন তাঁর সাহাবীদের মাঝে কুরবানি হিসেবে বণ্টন করে দিতে। এরপর একটি এক বছর বয়সী ছাগলছানা অবশিষ্ট রয়ে গেল। তিনি সেটি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: «তুমিই এটি কুরবানি করো।» আল-লায়স বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমাদের নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি তাঁর সাহাবীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে এক বছরের কম বয়সী ছাগল (জাযা') কুরবানি করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: «তোমার পরে আর কারো জন্য এতে অনুমতি নেই।» আর তিনি ভেড়ার জাযা' (ছয় মাস বয়সী ভেড়া) দিয়ে কুরবানি করার অনুমতি দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২০)
18 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالدُّخُولَ عَلَى النِّسَاءِ»
১৮ - আল-মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব থেকে, তিনি আবু আল-খায়ের থেকে, তিনি উকবাহ বিন আমির থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা নারীদের নিকট প্রবেশ করা থেকে সাবধান থাকো»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২১)
18 - فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، أَفَرَأْيَت الْحَمُو؟ قَالَ: الْحَمُو الْمَوْتُ "
১৮ - অতঃপর আনসারদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, দেবর (স্বামীর নিকটাত্মীয়) সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: দেবর হলো মৃত্যু।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২২)
19 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنْبَأَ اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خُبَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خُبَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُنَيْسٍ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ لَيْلَةِ الْقَدْرِ ، فَقَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «الْتَمِسُوهَا اللَّيْلَةَ» ، وَتِلْكَ اللَّيْلَةُ لَيْلَةُ ثَلاثٍ وَعِشْرِينَ، فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، هِيَ إذِنْ أَوْ لِثَمَانٍ؟ فَقَالَ: «بَلْ أَوْ تِسْعٍ إِنَّ الشَّهْرَ لا يَتِمُّ»
১৯ - আল-মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লাইস আমাদের অবহিত করেছেন ইয়াজিদ ইবন আবি হাবিব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি মুআয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন খুবাইব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন খুবাইব থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবন উনাইস থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তখন তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: «তোমরা আজকের রাতে এটি অন্বেষণ করো», আর সেই রাতটি ছিল তেইশতম রাত। তখন এক ব্যক্তি বলল: হে আল্লাহর রাসূল, তাহলে কি তা আট (দিন বাকি থাকতে)? তিনি বললেন: «বরং নয় (দিন বাকি থাকতে), কেননা মাস পূর্ণ হবে না (অর্থাৎ মাসটি উনত্রিশ দিনের হবে)»।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৩)
20 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، أَنْبَأَ اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ ، مَوْلَى الْحُرَقَةِ ، بَطْنٍ مِنْ بُطُونِ جُهَيْنَةَ ، أَنَّهُ قَالَ: أَنْكَحَ سَيِّدُ جَدِّي جَدَّتِي عَبْدَ اللَّهِ ثُمَّ أَعْتَقَهَا عَنْ دُبُرٍ وَقَدْ وَلَدَتْ أَوْلادًا قَبْلَ أَنْ يُعْتِقَهَا وَوَلَدَتْ أَوْلادًا بَعْدَ عِتْقِهَا عَنْ دُبُرٍ، ثُمَّ تُوُفِّيَ سَيِّدُهَا فَخَاصَمَتْ إِلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، فَقَضَى: أَنَّ مَا وَلَدَتْ قَبْلَ أَنْ تُدْبَرَ عَبِيدٌ، وَمَا وَلَدَتْ بَعْدَ التَّدْبِيرِ مَعَهَا يُعْتَقُونَ بِعِتْقِهَا
২০ - মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবু নাদর থেকে, তিনি জুহাইনা গোত্রের একটি শাখা হুরকাহর আযাদকৃত গোলাম আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াকুব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমার দাদার মনিব আমার দাদিকে আবদুল্লাহর সাথে বিবাহ দেন, অতঃপর তাকে 'তদবির' (মৃত্যু-পরবর্তী মুক্তির প্রতিশ্রুতি) এর মাধ্যমে আযাদ করার ঘোষণা দেন। তিনি (দাদি) আযাদ করার ঘোষণার পূর্বে কিছু সন্তান প্রসব করেছিলেন এবং আযাদ করার ঘোষণার পরেও কিছু সন্তান প্রসব করেছিলেন। অতঃপর তার মনিব মারা গেলে তিনি উসমান ইবনে আফফানের নিকট বিচার প্রার্থনা করেন। তখন উসমান (রা.) এই ফয়সালা প্রদান করেন যে: তাকে তদবির করার পূর্বে যারা জন্মগ্রহণ করেছে তারা দাস হিসেবে গণ্য হবে, আর তদবির করার পর যারা জন্মগ্রহণ করেছে তারা তার (মায়ের) আযাদ হওয়ার সাথে সাথেই আযাদ হয়ে যাবে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৪)
21 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: نا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ صَالِحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، وَاسْمُهُ الَّذِي يُعْرَفُ بِهِ نُعَيْمُ ابْنُ النَّحَّامِ وَلَكِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، سَمَّاهُ صَالِحًا، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ: اخْطُبْ عَلَيَّ ابْنَةَ صَالِحٍ، فَقَالَ: إِنَّ لَهُ يَتَامَى وَلَمْ يَكُنْ لِيُؤْثِرَنَا عَلَيْهِمْ، فَانْطَلَقَ عَبْدُ اللَّهِ إِلَى عَمِّهِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ لِيَخْطُبَ عَلَيْهِ، فَانْطَلَقَ زَيْدٌ إِلَى صَالِحٍ، فَقَالَ: إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ أَرْسَلَنِي إِلَيْكَ يَخْطُبُ ابْنَتَكَ، فَقَالَ: لِي يَتَامَى وَلَمْ أَكُنْ لأُتْرِبَ لَحْمِي وَأَرْفَعَ لَحْمَكُمْ إِنِّي قَدْ أَنْكَحْتُهَا فُلانًا، وَكَانَ هَوَى أُمِّهَا إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَأَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ ، خَطَبَ عَبْدُ اللَّهِ ابْنَتَيَّ فَأَنْكَحَهَا أَبُوهَا يَتِيمًا فِي حِجْرِهِ وَلَمْ يُؤَامِرْهَا.فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، إِلَى صَالِحٍ فَقَالَ: «أَنْكَحْتَ ابْنَتَكَ وَلَمْ تُؤَامِرْهَا» ، قَال رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «أَشِيرُوا عَلَى النِّسَاءِ فِي أَنْفُسِهِنَّ أَشِيرُوا عَلَى النِّسَاءِ فِي أَنْفُسِهِنَّ» ، وَهِيَ بِكْرٌ، فَقَالَ صَالِحٌ: وَإِنَّمَا فَعَلَتْ هَذَا لَمَّا أَصْدَقَهَا ابْنُ عُمَرَ، قَالَ: فَإِنَّ لَهَا فِي مَالِي مِثْلُ مَا أَعْطَاهَا
২১ - আমাদের নিকট আল-মায়মুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ঈসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট আল-লায়স বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে সালিহ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে—যার পরিচিত নাম ছিল নুআইম ইবনুন্নাহহাম, কিন্তু আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম সালিহ রেখেছিলেন—তিনি তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর উমর ইবনুল খাত্তাবকে বললেন: "আমার জন্য সালিহের মেয়ের নিকট বিয়ের প্রস্তাব দিন।" তিনি (উমর) বললেন: "তার কাছে এতিম সন্তানরা রয়েছে, তিনি তাদের ওপর আমাদের প্রাধান্য দেবেন না।" তখন আব্দুল্লাহ তার চাচা জায়েদ ইবনুল খাত্তাবের নিকট গেলেন যেন তিনি তার পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। জায়েদ তখন সালিহের নিকট গিয়ে বললেন: "আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আমাকে আপনার মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন।" তিনি বললেন: "আমার কাছে এতিম রয়েছে, আমি আমার আপনজনদের (রক্ত-মাংসকে) ধূলিলুণ্ঠিত করে তোমাদের উচ্চকিত করতে পারি না। আমি তাকে অমুকের সাথে বিয়ে দিয়েছি।" অথচ তার মায়ের আগ্রহ ছিল আব্দুল্লাহ ইবনে উমরের প্রতি। তখন তিনি (মা) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন: "হে আল্লাহর নবী! আব্দুল্লাহ আমার মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তার পিতা তাকে তার কোলে লালিত এক এতিমের সাথে বিয়ে দিয়েছে এবং তার (মেয়ের) সাথে পরামর্শ করেনি।"অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালিহের নিকট লোক পাঠালেন এবং বললেন: "তুমি তোমার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছ অথচ তার সাথে পরামর্শ করোনি?" আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "নারীদের নিজেদের ব্যাপারে তাদের নিকট থেকে পরামর্শ গ্রহণ করো; নারীদের নিজেদের ব্যাপারে তাদের নিকট থেকে পরামর্শ গ্রহণ করো।" অথচ মেয়েটি ছিল কুমারী। তখন সালিহ বললেন: "সে (মা) মূলত এটি করছে কারণ ইবনে উমর তাকে মোহরানা দিয়েছেন।" সালিহ বললেন: "ইবনে উমর তাকে যা দিয়েছেন, আমার সম্পদ থেকে তার জন্য সমপরিমাণ বরাদ্দ রয়েছে।"
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৫)
22 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنِ ابْنِ زُرَيْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليه السلام ، قَالَ: أُهْدِيَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ ، صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، بَغْلَةٌ فَرَكِبَهَا فَقَالَ عَلِيٌّ عليه السلام: لَوْ حَمَلْنَا الْحَمِيرَ عَلَى الْخَيْلِ فَكَانَ لَنَا مِثْلُ هَذِهِ! ! فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا يَفْعَلُ ذَلِكَ الَّذِينَ لا يَعْلَمُونَ»أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ وَغَيْرِهِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، رحمه الله ، كَتَبَ إِلَى عَامِلِهِ عَلَى دِيوَانِ أَهْلِ مِصْرَ سَعْدِ بْنِ عُقْبَةَ ، يَأْمُرُهُ مَنْ أَنْزَا حِمَارًا عَلَى فَرَسٍ فَامْحُوا مِنْ عَطَائِهِ خَمْسَةَ دَنَانِيرَ
২২ - আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-লাইস আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি আবুল খায়ের থেকে, তিনি ইবনে যুরায়র থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি খচ্চর উপহার দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে আরোহণ করেছিলেন। তখন আলী (আলাইহিস সালাম) বললেন: "যদি আমরা গাধাকে ঘোড়ার সাথে প্রজনন করাতাম, তবে আমাদের জন্যও এমন খচ্চর হতো!" তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই যারা জানে না তারাই কেবল এমন কাজ করে।"আল-মায়মুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-লাইস আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব ও অন্যদের থেকে যে, উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রাহিমাহুল্লাহ) মিসরীয়দের দিওয়ান (দপ্তর)-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সাদ ইবনে উকবার নিকট লিখেছিলেন; তিনি তাকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন যে: "যে ব্যক্তি ঘোড়ার সাথে গাধার প্রজনন করাবে, তার সরকারি ভাতা থেকে পাঁচ দিনার কর্তন করো।"
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৬)
24 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ كَتَبَ يَذْكُرُ أَنَّ عَامِرَ بْنَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ وَجِعَ وَجَعًا شَدِيدًا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَعَادَهُ رَسُولُ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنَّ لِي مَالا كَثِيرًا وَلَيْسَ يَرِثُنِي إِلا ابْنَتِي أَفَأَتَصَدَّقُ بِثُلُثَيْ مَالِي؟ قَالَ: «لا» ، قَالَ: النِّصْفِ؟ قَالَ: «لا» ، قَالَ: «تَصَدَّقْ بِالثُّلُثِ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ، يَا سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ ، إِنَّكَ إِنْ تَتْرُكْ أَهْلَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَتْرُكَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ»
২৪ - মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি লিখে জানিয়েছেন যে আমের ইবনে সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস বিদায় হজের সময় কঠিনভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখতে আসলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আমার অনেক সম্পদ রয়েছে এবং আমার কন্যা ব্যতীত কেউ আমার উত্তরাধিকারী নেই। এমতাবস্থায় আমি কি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ সদকা করে দেব? তিনি বললেন: «না», তিনি বললেন: অর্ধেক? তিনি বললেন: «না», তিনি বললেন: «এক-তৃতীয়াংশ সদকা করো, আর এক-তৃতীয়াংশও অনেক। হে সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, নিশ্চয়ই তুমি তোমার পরিবারকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাওয়া তাদের অভাবগ্রস্ত অবস্থায় মানুষের কাছে হাত পাতা অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে অনেক উত্তম»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৭)
25 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّهُ قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ ابْنُ شِهَابٍ يَقُولُ: السنة فِي الصَّحِيحِ أَنَّ سَالِمًا حَدَّثَنِي عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَجُلا مِنْ ثَقِيفٍ تَخَوَّفَ الْمَوْتَ فَطَلَّقَ نِسَاءَهُ وَقَسَّمَ مَالَهُ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، فَقَالَ: لَعَلَّ الشَّيْطَانَ قَدْ قَذَفَ فِي قَلْبِكَ أَنَّكَ تُوشِكُ أَنْ تَمُوتَ ، فَقَسَّمْتَ مَالَكَ وَطَلَّقْتَ نِسَاءَكَ، وَلَعَلَّكَ أَنْ لا تَبْقَى بَعْدَ أَنْ تَقُومَ مِنْ حَضْرَتِي حَتَّى تَمُوتَ إِلا يَسِيرًا، فَلَئِنْ مِتَّ قَبْلَ أَنْ تُرَاجِعَ مَالَكَ وَتُرَاجِعَ نِسَاءَكَ لأُوَرِّثَنَّ نِسَاءَكَ ، وَلَمْ يَكُنْ بَتَّ طَلاقَهُنَّ، ثُمَّ لآمُرَنَّ بِقَبْرِكَ فَلَيُرْجَمَنَّ، حَتَّى أَجْعَلَ عَلَيْهِ مِثْلَ مَا عَلَى قَبْرِ أَبِي رِغَالٍ، قَالَ: فَخَرَجَ فَرَاجَعَ نِسَاءَهُ وَارْتَجَعَ مَالَهُ، ثُمَّ مَا لَبِثَ حَتَّى تُوُفِّيَ ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَطَهَّرَهُ اللَّهُ ، عز وجل ، مِنْ خِلافِ السُّنَّةِ بِرَأْيِ عُمَرَ
২৫ - আমাদের মায়মুন সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবন আবি হাবিব থেকে, তিনি বলেন: ইবন শিহাব আমার নিকট লিখে পাঠিয়েছেন যে: সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী সালিম আমাকে তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, সাকিফ গোত্রের এক ব্যক্তি মৃত্যুর আশঙ্কায় ভীত হয়ে তার স্ত্রীদের তালাক দিলেন এবং তার সম্পদ বণ্টন করে দিলেন। তখন উমর ইবনুল খাত্তাব তার নিকট লোক পাঠালেন এবং বললেন: "সম্ভবত শয়তান তোমার অন্তরে এ কথা ঢেলে দিয়েছে যে তোমার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এসেছে, তাই তুমি তোমার সম্পদ বণ্টন করে দিয়েছ এবং স্ত্রীদের তালাক দিয়েছ। সম্ভবত আমার সামনে থেকে চলে যাওয়ার পর তুমি খুব অল্প সময় ছাড়া আর বেঁচে থাকবে না। সুতরাং তুমি যদি তোমার সম্পদ এবং স্ত্রীদের ফিরিয়ে নেওয়ার আগেই মারা যাও, তবে আমি অবশ্যই তোমার স্ত্রীদের উত্তরাধিকারী করব" — আর তিনি তখনো তাদের তালাক চূড়ান্ত করেননি — "অতঃপর আমি অবশ্যই তোমার কবরের ব্যাপারে নির্দেশ দেব এবং তাতে পাথর নিক্ষেপ করা হবে, এমনকি আমি তা আবু রিগালের কবরের মতো বানিয়ে ছাড়ব।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন সে ব্যক্তি বেরিয়ে গেল এবং তার স্ত্রীদের ফিরিয়ে নিল ও তার সম্পদ ফেরত নিল। এরপর বেশি সময় অতিবাহিত হয়নি যে সে মৃত্যুবরণ করল। ইবন শিহাব বলেন: এভাবে মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ তাকে উমরের মতামতের মাধ্যমে সুন্নাহর বিরোধিতা থেকে পবিত্র করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৮)
26 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ ابْنَ شِمَاسَةَ، حَدَّثَهُ أَنَّ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ قَامَ فِي صَلاةٍ وَعَلَيْهِ جُلُوسٌ، فَقَالَ النَّاسُ: سُبْحَانَ اللَّهِ سُبْحَانَ اللَّهِ، فَعَرَفَ الَّذِينَ يُرِيدُونَ، فَلَمَّا أَتَمَّ صَلاتَهُ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، قَالَ: إِنِّي سَمِعْتُ قَوْلَكُمْ وَهَذِهِ السُّنَّةُ
২৬ - আল-মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-লাইস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবন আবি হাবিব থেকে যে, ইবনে শিমাসাহ তাঁকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, উকবাহ ইবনে আমির সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন যখন তাঁর বসার আবশ্যকতা ছিল। তখন লোকেরা বলল: সুবহানাল্লাহ, সুবহানাল্লাহ। তিনি বুঝতে পারলেন তারা কী বুঝাতে চাইছেন। অতঃপর যখন তিনি তাঁর সালাত সম্পন্ন করলেন, বসা অবস্থায় তিনি দুটি সাজদাহ করলেন এবং বললেন: আমি তোমাদের কথা শুনেছি, আর এটাই হলো সুন্নাহ।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু ইয়াযিদ ইবনে আবি হাবিব আল-মিসরি - দিমন আহাদিসুশ শুয়ুখিল কিবার
(পৃষ্ঠা: ২৯)
27 - أَخْبَرَنَا الْمَيْمُونُ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا عِيسَى، قَالَ: أَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ سُوَيْدَ بْنَ قَيْسٍ، أَخْبَرَهُ ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيُجٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ، صلى الله عليه وسلم ، صَلَّى يَوْمًا فَسَلَّمَ فَانْصَرَفَ، وَقَدْ بَقِيَ مِنَ الصَّلاةِ رَكْعَةٌ فَأَدْرَكَهُ رَجُلٌ ، فَقَالَ: نَسِيتُ مِنَ الصَّلاةِ، فَرَجَعَ فَدَخَلَ الْمَسْجِدَ وَأَمَرَ بِلالَ فَأَقَامَ الصَّلاةَ فَصَلَّى بِالنَّاسِ رَكْعَةً، وَأَخْبَرْتُ بِذَلِكَ النَّاسَ فَقَالُوا لِي: أَتَعْرِفُ الرَّجُلَ؟ .فَقُلْتُ: لا إِلا أَنْ أَرَاهُ فَمَرَّ بِي، فَقُلْتُ: هُوَ هَذَا، فَقَالُوا: طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ
২৭ - মাইমুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস আমাকে অবহিত করেছেন ইয়াজিদ ইবনু আবি হাবিব থেকে, সুয়াইদ ইবনু কাইস তাকে সংবাদ দিয়েছেন মুয়াবিয়া ইবনু হুদাইজের সূত্রে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন সালাত আদায় করলেন এবং সালাম ফিরিয়ে চলে গেলেন, অথচ সালাতের এক রাকাত বাকি ছিল। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নাগাল পেলেন এবং বললেন: আপনি সালাতের কিছু অংশ ভুলে গিয়েছেন। তখন তিনি ফিরে আসলেন এবং মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং বিলালকে নির্দেশ দিলেন, ফলে তিনি সালাতের ইকামত দিলেন এবং তিনি লোকদের নিয়ে এক রাকাত সালাত আদায় করলেন। আমি লোকদের এ কথা জানালে তারা আমাকে বলল: তুমি কি সেই লোকটিকে চেনো? আমি বললাম: না, তবে তাকে দেখলে চিনতে পারব। অতঃপর তিনি আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন আমি বললাম: তিনিই এই ব্যক্তি। তারা বলল: ইনি তালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ।