(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: -)
جزء فيه أحاديث عوال وحكايات وأشعار للضياء   (ابن الضياء)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء فيه أحاديث عوال وحكايات وأشعار للضياء

المؤلف: محمد بن أحمد بن الضياء محمد القرشي العمري المكي الحنفي، بهاء الدين أبو البقاء، المعروف بابن الضياء (ت 854هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 24

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-জিয়া কর্তৃক সংকলিত উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদীস, উপাখ্যান ও কবিতার একটি অংশ (জুয)   (ইবনুল জিয়া)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আল-জিয়া কর্তৃক সংকলিত উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদীস, উপাখ্যান ও কবিতার একটি অংশ (জুয)

লেখক: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আদ-জিয়া মুহাম্মদ আল-কুরাশি আল-উমরি আল-মাক্কি আল-হানাফি, বাহাউদ্দিন আবু আল-বাকা, যিনি ইবনুল জিয়া নামে পরিচিত (মৃত্যু ৮৫৪ হি.)

প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনে থাকা ‘জাওয়ামিউল কালিম’ নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠাসংখ্যা: ২৪

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ أَحَادِيثُ عَوَالٍ وَحِكَايَاتٌ وَأَشْعَارٌ جَمْعُ الإِمَامِ الْعَالِمِ الْحَافِظِ ضِيَاءِ الدِّينِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَقْدِسِيِّ، رحمه الله.

رِوَايَةُ قَاضِي الْقُضَاةِ تَقِيِّ الدِّينِ أَبِي الْفَضْلِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَمْزَةَ، عَنْهُ.

رِوَايَةِ الإِمَامِ شِهَابِ الدِّينِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ الْعِزِّ، عَنْهُ.

بسم الله الرحمن الرحيم
একটি পুস্তিকা, যাতে রয়েছে উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদিসসমূহ, ঘটনাবলি এবং কবিতাসমূহ; যা সংকলন করেছেন ইমাম, আলেম, হাফেজ যিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাকদিসী, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।

প্রধান বিচারপতি তাকিউদ্দীন আবুল ফজল সুলাইমান বিন হামজাহ-এর বর্ণনা, তাঁর থেকে।

ইমাম শিহাবুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-ইযয-এর বর্ণনা, তাঁর থেকে।

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمَّرُ الْمُكْثِرُ الإِمَامُ الْعَالِمُ مُفْتِي الْمُسْلِمِينَ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ ابْنُ عِمَادِ الدِّينِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْعِزِّ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْهَادِي بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ سَنَةَ سَبْعٍ وَتِسْعِينَ وَسبْعِمِائَةٍ بِسَفْحِ جَبَلِ قَاسِيُونَ ظَاهِرَ دِمَشْقَ، قَالَ: أنبا بِهِ الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ. . . . . قَاضِي الْقُضَاةِ تَقِيُ الدِّينِ شَيْخُ الْعُلَمَاءِ وَالْحُكَّامِ مُسْنِدُ الشَّامِ بَقِيَّةُ السَّلَفِ الْكِرَامِ أَبُو الْفَضْلِ سُلَيْمَانُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ أَحْمَدَ ابْنِ شَيْخِ الإِسْلامِ أَبِي عُمَرَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ قُدَامَةَ. . . . . الْمَقْدِسِيِّ الْحَنْبَلِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الثُّلاثَاءِ السَّابِعِ مِنْ جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَسَبْعِمِائَةٍ بِالْجَامِعِ الظَفْرِيِّ بِسَفْحِ جَبَلِ قَاسِيُونَ، قَالَ: أنبا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَلامَةُ الْحَافِظُ ضِيَاءُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الأَحَدِ عَاشِرَ ذِي الحِجَّةِ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ وَسِتِمِائَةٍ، قَالَ: أنبا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ صَابِرٍ السُّلَمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ سِتٍّ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْحُسَيْنِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ، سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِمِائَةٍ بِدِمَشْقَ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ التَّمِيمِيُّ، قَالَ: أنبا الْقَاضِي أَبُو بَكْرِ يُوسُفُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ يُوسُفَ بْنِ فَارِسٍ الْمَيَانَجِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى الْمَوْصِلِيُّ، ثنا هُرَيْمُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى بْنِ الْفُرَاتِ الأَسَدِيُّ أَبُو حَمْزَةَ، قَالَ: ثنا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَذْكُرُ عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ {يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ إِلَى قَوْلِهِ عز وجل وَأَنْتُمْ لا تَشْعُرُونَ} [الحجرات: 2] .

قَالَ ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ: أَنَا وَاللَّهِ الَّذِي كُنْتُ أَرْفَعُ صَوْتِي عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَإِنِّي أَخْشَى أَنْ يَكُونَ اللَّهُ تبارك وتعالى قَدْ غَضِبَ عَلَيَّ، قَالَ: فَحَزِنَ وَاصْفَرَّ، فَفَقَدَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَ عَنْهُ، فَقِيلَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، إِنَّهُ يَقُولُ: أَخْشَى أَنْ أَكُونَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ، قَدْ كُنْتُ أَرْفَعُ صَوْتِي عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«بَلْ هُوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ» .

قَالَ: فَكُنَّا نَرَاهُ يَمْشِي بَيْنَ أَظْهُرِنَا رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ
.

انْفَرَدَ مُسْلِمٌ بِإِخْرَاجِهِ، عَنْ هُرَيْمِ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, মুসনিদ (যিনি অবিচ্ছিন্ন সনদে হাদিস বর্ণনা করেন), দীর্ঘায়ুপ্রাপ্ত, প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী, ইমাম, আলিম, মুসলিমদের মুফতি শিহাব উদ্দীন আবু আব্বাস আহমাদ ইবনে ইমাদ উদ্দীন আবু বকর ইবনুল ইয আহমাদ ইবনে আব্দুল হাদি ইবনে আব্দুল হামিদ আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি। তার সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৭৯৭ হিজরি সনের রবিউল আখির মাসে, দামেস্কের বহির্ভাগে জাবালে কাসিউনের পাদদেশে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, আলিম... প্রধান বিচারপতি তাকিউদ্দীন, উলামা ও বিচারকদের শায়খ, শামের মুসনিদ, সম্মানিত সালাফদের অবশিষ্ট উত্তরসূরি আবু ফাদল সুলাইমান ইবনে হামজা ইবনে আহমাদ ইবনে শাইখুল ইসলাম আবু উমর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা... আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি। তার সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৭১৪ হিজরি সনের ৭ই জুমাদাল উলা, মঙ্গলবার, জাবালে কাসিউনের পাদদেশে আল-জামি আল-জাফরি-তে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, আলিম, আল্লামা, হাফিজ দিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি। তার সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, ৬৩৫ হিজরি সনের ১০ই জিলহজ্জ, রবিবার। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান শায়খ আবুল মাআলি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সাবির আস-সুলামি। তার সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, ৫৭৬ হিজরি সনে। তাকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন শরিফ আবুল কাসিম আলি ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল আব্বাস আল-হুসাইনি, যখন তার সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি শুনছিলেন, ৫০৫ হিজরি সনে দামেস্কে। তাকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে উসমান ইবনুল কাসিম আত-তামিমি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর ইউসুফ ইবনুল কাসিম ইবনে ইউসুফ ইবনে ফারিস আল-মায়ানাজি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমাদ ইবনে আলি ইবনুল মুসান্না আল-মাওসিলি। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুরাইম ইবনে আব্দুল আলা ইবনুল ফুরাত আল-আসাদি আবু হামজা। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুতামির। তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে সাবিত থেকে এবং তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন অবতীর্ণ হলো- {হে ঈমানদারগণ, তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না... মহান আল্লাহর বাণী... তোমরা টেরও পাবে না পর্যন্ত} [হুজুরাত: ২]।

সাবিত ইবনে কায়স বললেন: আল্লাহর কসম, আমিই সেই ব্যক্তি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে উচ্চস্বরে কথা বলতাম। আমি ভয় পাচ্ছি যে মহান আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা হয়তো আমার ওপর রাগান্বিত হয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন: ফলে তিনি শোকাতুর হলেন এবং চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুপস্থিত পেলেন এবং তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। বলা হলো: হে আল্লাহর নবী, তিনি বলছেন: আমি ভয় পাচ্ছি যে আমি জাহান্নামবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছি, কেননা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে কণ্ঠস্বর উঁচু করতাম।

অতঃপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: ‌‌“বরং তিনি জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত।”

বর্ণনাকারী বলেন: এরপর থেকে আমরা তাকে আমাদের মাঝে চলাফেরা করতে দেখতাম এমন এক ব্যক্তি হিসেবে, যিনি জান্নাতবাসীদের অন্তর্ভুক্ত
।

হুরাইম ইবনে আব্দুল আলার সূত্রে ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - قُرِئَ عَلَى شَيْخِ الشُّيُوخِ أَبِي الْفَتْحِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ حَمُّوَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْقُشَيْرِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْحِنَّائِيُّ، أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ السَّرَّاجُ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُعُودٍ الْبُوصِيرِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِفُسْطَاطِ مِصْرَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو صَادِقٍ مُرْشِدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْقَاسِمِ الْمَدِينِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ النَّيْسَابُورِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ حَيُّوَيْهِ، قِرَاءَةً عَلَيْنَا لَفْظًا، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ ابْنُ شُعَيْبٍ النَّسَائِيُّ، أنبا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم شَرِبَ لَبَنًا ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ فَتَمَضْمَضَ، ثُمَّ قَالَ: ‌‌«إِنَّ لَهُ دَسَمًا» .

أَخْرَجَهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ، وَشُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، وَأَبُو أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيُّ، وَأَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى التِّرْمِذِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَائِيُّ، خَمْسَتُهُمْ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ
২ - শাইখুশ শুয়ুখ আবুল ফাতহ ওমর ইবনে আলী ইবনে মাহমুদ ইবনে হাম্মুওয়াইহ-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে, আর আমরা তা শুনছিলাম ৫৭৭ হিজরি সনে দামেস্কে; তিনি বলেন: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আলী ইবনে হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আল-কুশাইরী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-হিন্নায়ী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আস-সাররাজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে সুউদ আল-বুসীরী, মিসরের ফুস্তাতে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদিক মুরশিদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-কাসিম আল-মাদিনী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আন-নাইসাবুরী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যাকারিয়া ইবনে হাইয়ুওয়াইহ, আমাদের নিকট মৌখিকভাবে পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান ইবনে শুআইব আন-নাসায়ী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন লাইস, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধ পান করলেন, এরপর পানি আনালেন এবং কুলি করলেন, অতঃপর বললেন: ‌‌«নিশ্চয়ই এতে তৈলাক্ততা রয়েছে» ।

এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী, শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, আবু আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী, আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিযী এবং আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী; তাঁরা পাঁচজনই কুতাইবা ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، بِأَصْبَهَانَ، أنبا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ، وَأَنَا حَاضِرٌ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ الأَصْبَهَانِيُّ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يَزَالُ هَذَا الأَمْرُ فِي قُرَيْشٍ مَا بَقِيَ فِي النَّاسِ اثْنَانِ» .

عَاصِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি, আসবাহানে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আহমদ আল-হাদ্দাদ—আমি তখন উপস্থিত ছিলাম; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম আল-আসবাহানি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ আবু বিশর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইউনুস; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে মুহাম্মদ, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আব্দুল্লাহ (ইবনে উমর) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «এই শাসনভার কুরাইশদের মধ্যেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত মানুষের মধ্যে দুইজন লোকও অবশিষ্ট থাকবে।»

আসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যাইদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব। এটি ইমাম বুখারি ও ইমাম মুসলিম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الصَّيْدَلانِيُّ، هَذَا بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ، وَأَنْتَ حَاضِرٌ، أنبا أَبُو نُعَيْمٍ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ سَمُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ النُّفَيْلِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ أَبِي مَحْذُورَةَ، يَذْكُرُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا مَحْذُورَةَ، قَالَ: "‌‌ أَلْقَى عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الأَذَانَ حَرْفًا حَرْفًا: اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ مَرَّتَيْنِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ مَرَّتَيْنِ، حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، حَيَّ عَلَى الْفَلاحِ، اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَكَانَ يَقُولُ فِي الْفَجْرِ: الصَّلاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ مَرَّتَيْنِ ".

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ النُّفَيْلِيِّ، عَنْ عَبْدِ المَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ بِنَحْوِهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مَحْذُورَةَ، وَاسْمُهُ سَمُرَةُ بْنُ مِعْيَرٍ المُؤَذِّنُ، اخْتُلِفَ فِي اسْمِهِ، عَنْ أَبِي غَسَّانَ مَالِكِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، وَإِسْحَاقَ بْنِ رَاهُوَيْهِ، كِلاهُمَا عَنْ مُعَاذِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَامِرٍ الأَحْوَلِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، فَفِي طَرِيقِ الْعَدَدِ إِلَى أَبِي مَحْذُورَةَ كَأَنَّ شَيْخَنَا سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ،. . . . . الرُّوَايةُ الَّتِي وَقَعَتْ لِمُسْلِمٍ أَعْلَى مِنْ رِوَايَةِ الْبُخَارِيِّ، واللهُ أَعْلَمُ
৪ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আস-সাইদালানি, এটি ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বলেছি: হাসান ইবনে আহমদ আল-হাদ্দাদ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আপনি উপস্থিত ছিলেন, আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাঈল ইবনে আবদুল্লাহ সামমুওয়াইহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু জাফর আন-নুফাইলি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম ইবনে ইসমাঈল ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আবু মাহজুরা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল মালিক ইবনে আবু মাহজুরাকে বলতে শুনেছি যে তিনি আবু মাহজুরাকে উল্লেখ করতে শুনেছেন, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আযান শব্দে শব্দে শিখিয়ে দিয়েছেন: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; (অতঃপর পুনরায়) আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই—দুইবার, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল—দুইবার; নামাজের দিকে এসো, নামাজের দিকে এসো; সফলতার দিকে এসো, সফলতার দিকে এসো; আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। আর তিনি ফজরের সময় বলতেন: ঘুম থেকে নামাজ উত্তম—দুইবার।”

এটি আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আন-নুফাইলি থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে আবু মাহজুরা থেকে।

এবং ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবু মাহজুরার হাদীস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তাঁর নাম সামুরা ইবনে মি'ইয়ার আল-মুয়াযযিন, তবে তাঁর নাম নিয়ে মতভেদ আছে। তিনি বর্ণনা করেছেন আবু গাসসান মালিক ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ এবং ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ থেকে, তাঁরা উভয়ে মুয়ায ইবনে হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমির আল-আহওয়াল থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহায়রিয থেকে, তিনি আবু মাহজুরা থেকে। সুতরাং বর্ণনাকারীদের সংখ্যার পরম্পরায় আবু মাহজুরা পর্যন্ত পৌঁছানোর পথে আমাদের শাইখ যেন এটি মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ থেকেই শুনেছেন। . . . . . মুসলিমের নিকট যে বর্ণনাটি পৌঁছেছে তা বুখারীর বর্ণনার চেয়ে উচ্চ পর্যায়ের (সনদের দিক থেকে), আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ مِنْ بَغْدَادَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ، قَرَأْتُ عَلَيْهِ، أنبا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُذْهِبِ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا مُعْتَمِرٌ، بْنُ كَهْمَسٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: ‌‌«غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سِتَّ عَشْرَةَ غَزْوَةً» .

صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ بِنَحْوِهِ عَنِ الإِمَامِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ
৫ - আবু তাহের আল-মুবারক ইবনুল মুবারক ইবনুল মা'তূশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—আমি তাঁকে বললাম: আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—আমি তাঁর নিকট পাঠ করেছি—আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনুল মুযহিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মু’তামির ইবনে কাহমাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ষোলোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি।”

এটি সহীহ; ইমাম মুসলিম ইমাম আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল থেকে অনুরূপভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الأَمِينُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّقُّورِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الدَّقَّاقُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ أَبُو الْفَضْلِ الْخُوَارِزْمِيُّ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي غَسَّانَ مُحَمَّدِ بْنِ مُطَرِّفٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَرْجَانَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً أَعْتَقَ اللَّهُ عز وجل بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهَا عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ حَتَّى فَرْجَهُ بِفَرْجِهِ» .

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٍ
عَنْ دَاوُدَ بْنِ رُشَيْدٍ.

وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ دَاوُدَ
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সম্মানিত শাইখ আবু আহমদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী বিন আলী বিন উবাইদুল্লাহ আল-আমীন, বাগদাদে আমার পাঠের মাধ্যমে, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম ইসমাঈল বিন আহমদ বিন উমর আস-সামারকন্দী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আন-নাক্কুর, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আদ-দাক্কাক, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন রুশাইদ আবু আল-ফজল আল-খাওয়ারিজমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন মুসলিম, আবু গাসসান মুহাম্মদ বিন মুতাররিফ থেকে, তিনি যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি সাঈদ বিন মারজানা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: ‌‌«যে ব্যক্তি কোনো দাস মুক্ত করবে, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সেই দাসের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে এই ব্যক্তির প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন, এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে তার লজ্জাস্থানকেও।’

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন
দাউদ বিন রুশাইদ থেকে।

এবং বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহীম থেকে, তিনি দাউদ থেকে।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ الصَّيْدَلانِيُّ، بِأَصْبَهَانَ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ الطَّبَسِيُّ الْقَاضِي، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ النَّضْرِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ صَاحِبِ الزِّيَادِيِّ، سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، رضي الله عنه، يَقُولُ: "‌‌ قَالَ أَبُو جَهْلٍ: {اللَّهُمَّ إِنْ كَانَ هَذَا هُوَ الْحَقَّ مِنْ عِنْدِكَ فَأَمْطِرْ عَلَيْنَا حِجَارَةً مِنَ السَّمَاءِ أَوِ ائْتِنَا بِعَذَابٍ أَلِيمٍ} [الأنفال: 32] .

فَنَزَلَتْ: {وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمْ وَأَنْتَ فِيهِمْ وَمَا كَانَ اللَّهُ مُعَذِّبَهُم وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ} [الأنفال: 33] ".

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاذٍ.

وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَحْمَدَ غَيْرَ مَنْسُوبٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَقِيلَ: إِنَّ أَحْمَدَ هَذَا هُوَ ابْنُ النَّضْرِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-কাসিম বিন আল-ফজল আস-সাইদালানি, আসবাহানে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন আহমাদ বিন আব্দুল মালিক, তাঁর নিকট পাঠকালে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবু জাফর আত-তাবাসি আল-কাদি; আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ; আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-হাফিজ; আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আন-নাজর বিন আব্দুল ওয়াহহাব; আমাদের বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ; আমাদের বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আব্দুল হামিদ সাহেব আল-যিয়াদি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন: "‌‌আবু জাহল বলেছিল: {হে আল্লাহ! যদি এটিই আপনার পক্ষ থেকে সত্য হয়ে থাকে, তবে আমাদের ওপর আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করুন অথবা আমাদের নিকট যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি নিয়ে আসুন} [আল-আনফাল: ৩২] ।

অতঃপর অবতীর্ণ হলো: {অথচ আল্লাহ এমন নন যে, আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায় তিনি তাদের শাস্তি দেবেন এবং আল্লাহ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করা অবস্থায় তিনি তাদের শাস্তি দেবেন} [আল-আনফাল: ৩৩] ।"

এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ থেকে।

আর বুখারি এটি আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন তার বংশসূত্র উল্লেখ না করে উবাইদুল্লাহর মাধ্যমে; আর বলা হয়েছে: নিশ্চয়ই এই আহমাদ হলেন ইবনুন নাজর বিন আব্দুল ওয়াহহাব। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الثَّقَفِيُّ، بِأَصْبَهَانَ، أنبا زُهَيْرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيُّ، أنبا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُحْتُرِيُّ، أنبا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ النَّسَائِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، قَالَ: رَأَيْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَحْلِفُ بِاللَّهِ أَنَّ ابْنَ صَائِدٍ الدَّجَّالُ، فَقُلْتُ: أَتَحْلِفُ بِاللَّهِ؟ قَالَ: إِنِّي سَمِعْتُ عُمَرَ رضي الله عنه يَحْلِفُ عَلَى ذَلِكَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، ‌‌«فَلَمْ يُنْكِرْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» .

وَقَدْ سَقْطٌ مِنْ هَذِهِ الرِّوَايَةِ شُعْبَةُ وَلا بُدَّ مِنْهُ، رَوَاهُ مُسْلِمٌ
عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاذٍ.

وَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ حَمَّادِ بْنِ حُمَيْدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاذٍ، وَلَمْ أَجِدْ فِي الصَّحِيحَيْنِ مِنْ هَذَا النَّوْعِ سِوَى هَذِهِ الأَحَادِيثِ الْمَذْكُورَةِ
৮ - ইসফাহানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাজদ জহির ইবন আবি তাহির আল-সাকাফী; আমাদের জানিয়েছেন জুহাইর ইবন তাহির আল-শাহামী; আমাদের জানিয়েছেন সাঈদ ইবন মুহাম্মাদ আল-বুহতারী; আমাদের জানিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আহমাদ ইবন হামদান; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন সুফিয়ান আল-নাসায়ী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবন মুয়াজ আল-আনবারী; তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ থেকে, তিনি সা’দ ইবন ইবরাহীম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি জাবির ইবন আব্দুল্লাহকে আল্লাহর নামে শপথ করে বলতে দেখেছি যে, ইবনে সাইয়াদই হচ্ছে দাজ্জাল। আমি বললাম: আপনি কি আল্লাহর নামে শপথ করছেন? তিনি বললেন: আমি উমরকে (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট থাকুন) আল্লাহর নবী (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শপথ করতে শুনেছি, ‌‌«আর আল্লাহর রসূল (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তা অস্বীকার করেননি»।

আর এই বর্ণনায় শু’বাহ-এর নাম বাদ পড়েছে, অথচ তাঁর নাম থাকা আবশ্যক; এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন
উবায়দুল্লাহ ইবন মুয়াজ থেকে।

আর বুখারী এটি হাম্মাদ ইবন হুমাইদ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন মুয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং আমি সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ এই প্রকারের হাদীসের মধ্যে উল্লেখিত এই হাদীসগুলো ছাড়া আর কোনো হাদীস পাইনি।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - قُرِئَ عَلَى الشَّيْخِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَرَّانِيِّ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِدِمَشْقَ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّاعِدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنبا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَسْرُورٍ الزَّاهِدُ، أنبا أَبُو سَهْلٍ بِشْرُ بْنُ أَحْمَدَ الإِسْفَرَايِينِيُّ، ثنا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ النَّسَوِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‌‌«يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ» .

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيِّ
৯ - শাইখ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-হাররানি-র নিকট পাঠ করা হয়েছে, এমতাবস্থায় আমরা দামেস্কে তা শ্রবণ করছিলাম। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বিন আহমাদ আস-সাঈদী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আবু হাফস ওমর বিন আহমাদ বিন মাসরুর আজ-জাহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু সাহল বিশর বিন আহমাদ আল-ইসফারায়িনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন গালিব আন-নাসায়ি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। ইবরাহিম বিন সা’দ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে «পাকা খেজুরের সাথে শসা খেতে দেখেছি»।

ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আন-নাইসাবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - وَقُرِئَ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الْفُرَاوِيُّ، قَالَ: أنبا عَبْدُ الْغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَارِسِيُّ، أنبا بِشْرُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا دَاوُدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْبَيْهَقِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بَكْرٍ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: ‌‌«فَرَضَ اللَّهُ عز وجل الصَّلاةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم، فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا، وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ، وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً» .

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى
১০ - আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলীর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম, মুহাম্মদ বিন ফাযল বিন আহমদ আল-ফুরাওয়ী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল গাফির বিন মুহাম্মদ আল-ফারিসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, দাউদ বিন হুসাইন আল-বায়হাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবূ আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বকর বিন আল-আখনাস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তোমাদের নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জবানে সালাত ফরয করেছেন—স্বদেশে অবস্থানকালে চার রাকাত, এবং সফরে দুই রাকাত, এবং ভীতিপূর্ণ অবস্থায় এক রাকাত।»

এটি মুসলিম ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া-র সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا الْعَدْلُ أَبُو الْمَجْدِ الْفَضْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُلَيْمَانَ ابْنُ الْبَانِيَاسِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيٌّ، وَأَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدٌ، أنبا الْحَسَنُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْمَوَازِينِيُّ.

ح وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو طَالِبٍ الْخَضِرُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ طَاوُسٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ النَّسِيبُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَأَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحِنَّائِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ طَاهِرِ بْنِ جَعْفَرٍ السُّلَمِيُّ، قَالُوا جَمِيعًا: أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ سُلْوَانَ الْمَازِنِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْهَاشِمِيُّ، ثنا أَبُو مُسْهِرٍ، هُوَ عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ مُسْهِرٍ الْغَسَّانِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ، عَنْ مَيْمُونَةَ، مَوْلاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَفْتِنَا فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ، قَالَ: ‌‌«ائْتُوهُ فَصَلُّوا فِيهِ» .

قَالَتْ: وَكَيْفَ وَالرُّومُ إِذْ ذَاكَ فِيهِ؟ قَالَ: «فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِيعُوا فَأْتُوا بِزَيْتٍ يُسْرَجُ فِي قَنَادِيلِهِ»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আদল আবু আল-মাজদ আল-ফাদল ইবনুল হুসাইন ইবনে ইবরাহিম ইবনে সুলাইমান ইবনুল বানিয়াসি, তার নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা শুনছিলাম, ৫৭৭ হিজরী সনে দামেস্কে; তাকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী এবং আবুল ফাদল মুহাম্মদ, তারা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনুল হুসাইন আল-মাওয়াজিনি।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু তালিব আল-খিদির ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে তাউস, তার নিকট একাধিকবার পাঠ করা হয়েছে ৫৭৭ হিজরী সনে দামেস্কে; তাকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শারিফ আন-নাসিব আবুল কাসিম আলী ইবনে ইবরাহিম, আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-হিন্নাঈ এবং আবুল হাসান আলী ইবনে তাহির ইবনে জাফর আস-সুলামি; তারা সকলে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে সুলওয়ান আল-মাজিনি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবনুল ফারাজ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-হাশিমি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুশহির—তিনি হলেন আব্দুল আ'লা ইবনে মুশহির আল-গাসসানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ, যিয়াদ ইবনে আবি সাওদাহ থেকে, তিনি মায়মুনা (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাসী) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, বাইতুল মাকদিস সম্পর্কে আমাদের ফতোয়া দিন। তিনি বললেন: «তোমরা সেখানে যাও এবং তাতে সালাত আদায় করো»।

তিনি বললেন: কীভাবে (যাব), অথচ তখন সেখানে রোমানরা রয়েছে? তিনি বললেন: «যদি তোমরা সেখানে পৌঁছাতে সক্ষম না হও, তবে তাতে প্রদীপে জ্বালানোর জন্য তেল পাঠাও»।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ، بِأَصْبَهَانَ، أنبا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ، وَأَنَا حَاضِرٌ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ. . . .، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، ثنا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ أَرْطَاةَ، قَالَ: سَمِعْتُ جُبَيْرَ بْنَ نُفَيْرٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ فُسْطَاطُ الْمُسْلِمِينَ يَوْمَ الْمَلْحَمَةِ إِلَى جَانِبِ مَدِينَةٍ، يُقَالُ لَهَا: دِمَشْقُ، مِنْ خَيْرِ مَدَائِنِ الشَّامِ ".

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي سُنَنِهِ
১২ - ইসফাহানে আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ, এমতাবস্থায় যে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারেস...। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে হামজাহ। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ ইবনে জাবির। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যায়দ ইবনে আরতাহ। তিনি বলেন: আমি জুবাইর ইবনে নুফাইরকে আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ মহাযুদ্ধের দিনে মুসলমানদের প্রধান শিবির হবে দামেস্ক নামক একটি শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায়, যা শামের সেরা শহরগুলোর অন্তর্ভুক্ত।"

আবু দাউদ এটি তাঁর সুনান গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا الإِمَامُ الْوَاعِظُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَبِي سَعْدٍ الأَصْبَهَانِيُّ، كِتَابَةً، أَنَّ أَبَا سَعْدٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ، أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ الْمَعْرُوفُ بِالدَّقَّاقِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنبا الْخَالُ الصَّالِحُ الْمُتَوَرِّعُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ، رحمه الله، فِيمَا قَرَأْتُ عَلَيْهِ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ فَأَقَرَّ بِهِ، قُلْتُ لَهُ: حَدَّثَكُمْ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الذَّكْوَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا أَبُو بِشْرِ بْنُ حَبِيبٍ، ثنا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، ثنا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، رضي الله عنهما، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، كَانَ فِي سَفَرٍ فَرَأَى رَجُلا يُظَلَّلُ عَلَيْهِ، فَسَأَلَ.

فَقَالُوا: صَائِمٌ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَيْسَ مِنَ الْبِرِّ الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ»
১৩ - ইমাম, ওয়ায়েজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আবি সা’দ আল-আসবাহানী আমাদের লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, আবু সা’দ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব তাঁদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন মুহাম্মাদ আল-হাফিয, যিনি আদ-দাক্কাক নামে পরিচিত, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন নেককার ও পরহেজগার মামা আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ—যিনি মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ-এর পুত্র—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন; আমি তাঁর কাছে তাঁর শ্রুত মূল পাণ্ডুলিপি থেকে যা পাঠ করেছি এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন, আমি তাঁকে বললাম: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আদ-যাকওয়ানী পাঠের মাধ্যমে আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিশর ইবন হাবীব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ সুলায়মান ইবন দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, মুহাম্মাদ ইবন আমর ইবন আল-হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সফরে ছিলেন, সেখানে তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন যার উপর ছায়া দেওয়া হচ্ছে। তখন তিনি সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন।

তাঁরা বললেন: তিনি রোজা রেখেছেন।

তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ‌‌«সফর অবস্থায় রোজা রাখা পুণ্যের কাজ নয়»
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ: أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، قَالَ: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، قَالَ: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، قَالَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، حَدَّثَكُمْ سَعْدٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، فِيمَا قَرَأْتُ عَلَيْهِ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَاصِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا أَبُو يَحْيَى، عَنْ الأعْمَشِ، عَنْ طَارِقِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضي الله عنهما، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اللَّهُمَّ أَذَقْتَ أَوَّلَ قُرَيْشٍ نَكَالا فَأَذِقْ آخِرَهُمْ نَوَالا»
১৪ - মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাদ আবু আব্দুল্লাহ আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—যা আমি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করেছি—আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আসিম ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি তারিক ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «হে আল্লাহ, আপনি কুরাইশদের প্রথম ভাগকে শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করিয়েছেন, সুতরাং তাদের শেষ ভাগকে অনুগ্রহের স্বাদ আস্বাদন করান»
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ المقدسي: أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَدِينِيُّ الْوَاعِظُ، قَالَ: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الدَّقَّاقُ، أنبا أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الدِمِشْقِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِقَرْيَتِهِ ليلا، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَطِيبُ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَدِينِيُّ، هُوَ ابْنُ النُّعْمَانِ، ثنا أبَوُ نُعَيْمٍ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضي الله عنها، قَالَتْ: ‌‌«كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، وَهُوَ الْقَدَحُ»
১৫ - মুহাম্মদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ আল-মাদিনি আল-ওয়ায়িজ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ আদ-দাক্কাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আদ-দিমাশকি—তার গ্রামে রাতে তাঁর নিকট আমার পাঠ করার মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-খতিব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-মাদিনি—যিনি হলেন ইবনু-নুমান—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন বুরকান, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পাত্র থেকে গোসল করতাম, আর তা ছিল কদহ (বড় পেয়ালা)»
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفُتُوحِ يُوسُفُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ كَامِلٍ الْخَفَّافُ، بِبَغْدَادَ، أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ. . . . .، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي. . . . بْنِ عُمَرَ. . . .، ثَنَا أَحْمَدُ. . . بْنٍ الحَسَنِ. . . . ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ حَمَّادٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عُبَيْدٍ الطَّنَافِسِيَّ الأَحْدَبَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الأَعْمَشَ، يَقُولُ: إِذَا رَأَيْتُ الشَّيْخَ لا يَسْمَعُ الْحَدِيثَ اشْتَهَيْتُ أَنْ أَصْفَعَ لَهُ
১৬ - বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফুতুহ ইউসুফ বিন আল-মুবারক বিন কামিল আল-খাফফাফ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ. . . . .; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-মুহতাদী বিল্লাহ, তিনি বলেন: আমি আমার পিতা. . . . বিন উমর. . . . এর নিকট পাঠ করেছি; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ. . . বিন আল-হাসান. . . . ; তিনি বলেন: আমি হাসান বিন হাম্মাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ বিন উবাইদ আত-তানাফিসি আল-আহদাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আ’মাশকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন আমি এমন কোনো বৃদ্ধ ব্যক্তিকে দেখি যে হাদীস শ্রবণ করে না, তখন আমার তাকে একটি চড় মারতে ইচ্ছা করে।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْمُكْرَمُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْمُكْرَمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصُّوفِيُّ، بِظَاهِرِ دِمَشْقَ، أنبا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، أنبا عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ الْعَطَّارُ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا زَيْدُ بْنُ أَخْرَمَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دَاوُدَ، يَقُولُ: نَوْلُ الرَّجُلِ يُكْرِهُ وَلَدَهُ عَلَى طَلَبِ الْحَدِيثِ، وَقَالَ: لَيْسَ الدِّينُ بِالْكَلامِ، إِنَّمَا الدِّينُ بِالآثَارِ، وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ: مَنْ أَرَادَ بِهِ آخِرَهُ أَخَّرَهُ
১৭ - দামেশকের উপকণ্ঠে আবু মুহাম্মদ আল-মুকাররাম ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনুল মুকাররাম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সুফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের জানিয়েছেন ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আন-নাইসাবুরি; আমাদের জানিয়েছেন আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গালিব আল-আত্তার; আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুল আব্বাস; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শায়বা; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাইদ ইবনে আখরাম; তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে দাউদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "ব্যক্তির জন্য উচিত তার সন্তানকে হাদিস অন্বেষণে উদ্বুদ্ধ করা।" তিনি আরও বলেন: "দ্বীন কালামের (তর্কশাস্ত্র) ওপর নয়, বরং দ্বীন হলো আছারের (বর্ণনা ও ঐতিহ্যের) ওপর প্রতিষ্ঠিত।" তিনি হাদিসের বিষয়ে বলেন: "যে ব্যক্তি এর মাধ্যমে পরকাল কামনা করবে, আল্লাহ তাকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেবেন।"
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَلِيٍّ اللَّخْمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ، أنبا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ، أنبا أَبُو الْغَنَائِمِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، ثنا مُحْرِزُ بْنُ جُبَيْرٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: قُلْتُ لابْنِ الْمُبَارَكِ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ: لَوْ خَرَجْتَ فَجَلَسْتَ مَعَ أَصْحَابِكَ، قَالَ: إِنِّي إِذَا كُنْتُ فِي الْمَنْزِلِ جَالَسْتُ أَصْحَابَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، يَعْنِي: يَنْظُرُ فِي الْكُتُبِ
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আলী আল-লাখমি, দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; আমাদের জানিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আলী; আমাদের জানিয়েছেন আবুল গানাইম মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াজিদ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহরিজ ইবনে জুবাইর আল-মারওয়াযি। তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুবারককে বললাম: হে আবু আবদুর রহমান! আপনি যদি বাইরে বের হতেন এবং আপনার সাথীদের সাথে বসতেন! তিনি বললেন: আমি যখন বাড়িতে থাকি তখন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথীদের সাথেই বসি। অর্থাৎ: তিনি কিতাবসমূহ অধ্যয়ন করতেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الطَّرَسُوسِيُّ، إِذْنًا، وَأَخْبَرَنَا عَنْهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ الْوَاعِظُ الأَصْبَهَانِيُّ، بِبَابِ نَهَاوَنْدَ، قَالَ: أنبا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ الْمَقْدِسِيُّ، مِنْ لَفْظِهِ، ثنا أَبُو إِسْمَاعِيلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيُّ الإِمَامُ، بِهَرَاةَ، قَالَ: أنبا أَبُو الْفَضْلِ عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الزَّاهِدُ، إِمْلاءً، قَالَ: أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ السَامِيُّ ، بِمَرْوٍ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا أَبُو الْفَضْلِ صَالِحُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا يَعْقُوبَ الْبُوَيْطِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ الشَّافِعِيَّ، يَقُولُ: إِذَا رَأَيْتُ صَاحِبَ حَدِيثٍ فَكَأَنْ رَأَيْتُ رَجُلا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، هُوَ بِمَنْزِلَتِهِ.

قَالَ لَنَا الشَّافِعِيُّ: أَجْزَاهُمُ اللَّهُ عَنَّا خَيْرًا، إِنَّهُمْ حَفِظُوا لَنَا الأَصْلَ، فَلَهُمْ عَلَيْنَا فَضْلٌ.

وَقَدْ رَوَى يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّدَفِيُّ عَنِ الإِمَامِ نَحْوَ هَذَا
১৯ - আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আত-তারসুসি আমাদের অনুমতিক্রমে সংবাদ দিয়েছেন, এবং তাঁর পক্ষ থেকে নেহাওয়ান্দের প্রবেশপথে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মনসুর আল-ওয়ায়েজ আল-আসফাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: হাফেজ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন তাহের আল-মাকদিসি স্বীয় মুখে আমাদের অবহিত করেছেন। হেরাতে ইমাম আবু ইসমাইল আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-আনসারি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু ফজল উমর বিন ইব্রাহিম বিন ইসমাইল আজ-জাহিদ শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মার্ভে আবু জাফর মুহাম্মদ বিন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আব্বাস আস-সামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবুল হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-মারওয়াজি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। আলী বিন মুহাম্মদ আল-মারওয়াজি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। আবুল ফজল সালেহ বিন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আমি আবু ইয়াকুব আল-বুয়াইতিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন ইদরিস আশ-শাফিয়ীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: “যখন আমি কোনো হাদীস বিশারদকে দেখি, তখন যেন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো একজন সাহাবীকে দেখি; তিনি তাঁরই স্থলাভিষিক্ত।”

ইমাম শাফিয়ী আমাদের বলেছেন: “আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে তাঁদের উত্তম প্রতিদান দান করুন, কেননা তাঁরা আমাদের জন্য (দ্বীনের) মূল উৎস সংরক্ষণ করেছেন, তাই আমাদের ওপর তাঁদের অনুগ্রহ রয়েছে।”

ইউনুস বিন আব্দুল আলা আস-সাদাফি ইমাম (শাফিয়ী) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْعَدْلُ أَبُو الضَّوْءِ شِهَابُ بْنُ مَحْمُودِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الشّذبَانِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِجَامِعِ هَرَاةَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمْعَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ أَحْمَدَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الدِّهْقَانَ، بِمَكَّةَ، سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ القَاسِمِ الصُّورِيَّ، بِصُورَ، حَدَّثَنِي أَبُو الْقَاسِمِ ثَابِتُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبَغْدَادِيُّ، لَفْظًا، قَالَ: رَأَيْتُ أَبَا الْقَاسِمِ سَعْدَ بْنَ مُحَمَّدٍ الزَّنْجَانِيَّ، فِي الْمَنَامِ يَقُولُ لِي مَرَّةً بَعْدَ أُخْرَى: يَا أَبَا الْقَاسِمِ، إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَبْنِي لأَهْلِ الْحَدِيثِ أَوْ لِأصْحَابِ الْحَدِيثِ بِكُلِّ مَجْلِسٍ يَجْلِسُونَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ন্যায়পরায়ণ শাইখ আবুয যও শিহাব বিন মাহমুদ বিন আবুল হাসান আশ-শাযবানি, হেরাতের জামে মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আস-সামআনি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমি মক্কায় আবুল কাসিম আহমদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আদ-দেহকানকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন: আমি সূর শহরে আহমদ বিন হুসাইন বিন আহমদ বিন কাসিম আস-সুরিকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাকে মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম সাবিত বিন আহমদ বিন হুসাইন আল-বাগদাদি। তিনি বলেন: আমি স্বপ্নে আবুল কাসিম সাদ বিন মুহাম্মদ আয-যানজানিকে দেখেছি, তিনি বারবার আমাকে বলছিলেন: হে আবুল কাসিম, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা আহলে হাদিস বা হাদিস অনুসারীদের প্রতিটি মজলিসের বিনিময়ে—যাতে তারা বসেন—জান্নাতে একটি করে ঘর নির্মাণ করেন।
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - وَأَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الطَّاهِرِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ السِّلَفِيُّ، فِي كِتَابِهِ وَأَنْشَدَ لِنَفْسِهِ:

دِينُ النَّبِيِّ وَشَرْعُهُ أَخْبَارُهُ … وَأَجَلُّ عِلْمٍ يُقْتَنَى آثَارُهُ

وَمَنْ كَانَ مُشْتَغِلا بِهَا وَبِنَشْرِهَا … بَيْنَ الْبَرِيَّةِ لا عَفَتْ آثَارُهُ

وَلَهُ أَيْضًا:

يَا قَاصِدًا عِلْمَ الْحَدِيثِ يَذُمُّهُ … إِذْ ضَلَّ عَنْ طُرُقِ الْهِدَايَةِ وَهْمُهُ

إِنَّ الْعُلُومَ كَمَا عَلِمْتَ كَثِيرَةٌ … وَأَجَلُّهَا فِقْهُ الْحَدِيثِ وَعِلْمُهُ

مَنْ كَانَ طَالِبَهُ وَفِيهِ تَيَقُّظٌ … فَأَتَمُّ سَهْمٍ فِي الْمَعَالِي سَهْمُهُ

لَوْلا الْحَدِيثُ وَأَهْلُهُ لَمْ يَسْتَقِمْ … دِينُ النَّبِيِّ وَشَذَّ عَنَّا حُكْمُهُ

وَإِذَا اسْتَرَابَ بِقَوْلِنَا مُتَحَذْلِقٌ … فَأَكَلُّ فَهْمٍ فِي الْبَسِيطَةِ فَهْمُهُ
২১ - এবং হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সিলাফি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং নিজের রচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

নবীর দ্বীন এবং তাঁর শরিয়ত হলো তাঁর বর্ণিত হাদিসসমূহ … আর অর্জিত জ্ঞানসমূহের মধ্যে সুমহান হলো তাঁর আসার (চিহ্নসমূহ)

আর যে ব্যক্তি তা নিয়ে এবং সৃষ্টির মাঝে তা প্রচারে নিয়োজিত থাকে … তার স্মৃতি যেন কখনও বিলুপ্ত না হয়

এবং তাঁর আরও পঙক্তি:

হে ইলমে হাদিসের প্রতি আগ্রহী হয়েও তার নিন্দাকারী … যখন তোমার ভ্রান্ত ধারণা হেদায়েতের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে

নিশ্চয়ই জ্ঞানসমূহ যেমনটি তুমি জানো অনেক … তবে তার মধ্যে সবচেয়ে মহান হলো হাদিসের প্রজ্ঞা ও হাদিসের জ্ঞান

যে ব্যক্তি সচেতনতার সাথে এর অন্বেষী হয় … তবে উচ্চমর্যাদার শিখরে তার অংশই হবে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ অংশ

যদি হাদিস ও তার অনুসারীরা না থাকত, তবে সুপ্রতিষ্ঠিত হতো না … নবীর দ্বীন, এবং আমাদের থেকে তাঁর বিধানসমূহ হারিয়ে যেত

আর যদি কোনো বাচাল আমাদের এই কথায় সন্দেহ পোষণ করে … তবে এই ধরিত্রীর বুকে তার বোধশক্তিই হলো সবচেয়ে ভোঁতা বোধশক্তি
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - وَأَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْمَدِينِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ، فِي كِتَابِهِ أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي الْوَفَاءِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْحُسَيْنِ مُحَمَّدٍ الْفَقِيهَ الْمَدِينِيَّ، أَنْشَدَهُمْ لِنَفْسِهِ يَمْدَحُ أَصْحَابَ الْحَدِيثِ فِي مَجْلِسِ الشَّيْخِ إِسْمَاعِيلَ السَّرَّاجِ:

أَحَقُّ أُنَاسٍ يُسْتَضَاءُ بِهَدْيِهِمْ … أَئِمَةُ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ الأَفَاضِلِ

خَلائِفُ أَصْحَابِ الرَّسُولِ ذَوُوا الْحِجَى … لَهُمْ رُتَبٌ عُلْيَا وَأَسْمَى الْفَضَائِلِ

لَوْلاهُمُ لَمْ يَعْرِفِ الشَّرْعَ عَالِمٌ … وَلَمْ تَكُ فَتْوَى فِي فُنُونِ الْمَسَائِلِ

وَهَلْ نَشَرَ الآثَارَ قَوْمٌ سِوَاهُمُ … نَعَمْ حَفِظُوهَا نَاقِلا عَنْ نَاقِلِ … فَدَيْتُهُمْ مِنْ عُصْبَةِ عَلَمِ الْهُدَى … لَقَدْ أَحْرَزُوا فَضْلا عَلَى كُلِّ فَاضِلِ

هُمُ الْقَوْمُ لا يَشْقَى بِهَمٍّ جَلِيسُهُمْ … فَمَنْ خَانَهَمْ يُخْطِئْ بِغَيْرِ الْفَضَائِلِ
২২ - হাফেজ আবু মুসা মুহাম্মদ বিন উমর আল-মাদিনী আল-আসবাহানী তাঁর কিতাবে আমাদের জানিয়েছেন যে, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবিল ওয়াফা মুহাম্মদ বিন আবিল হুসাইন মুহাম্মদ আল-ফকিহ আল-মাদিনী শায়খ ইসমাইল আস-সাররাজের মজলিসে হাদীসবিদদের (আসহাবুল হাদীস) প্রশংসা করে নিজের রচিত কবিতা আবৃত্তি করেছেন:

যাদের পথনির্দেশনায় আলোকিত হওয়া সবচেয়ে বেশি বাঞ্ছনীয় … তারা হলেন হাদীসবিদদের শ্রেষ্ঠ ইমামগণ

তারা রাসূলের সাহাবীগণের উত্তরসূরি ও প্রজ্ঞাবান … তাদের রয়েছে উচ্চমর্যাদা ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফযীলতসমূহ

তারা না থাকলে কোনো আলিমই শরীয়ত সম্পর্কে জানতেন না … এবং মাসআলা-মাসায়েলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোনো ফতোয়াও পাওয়া যেত না

তারা ব্যতীত অন্য কোনো দল কি বর্ণনাগুলো (আসার) প্রচার করেছে? … হ্যাঁ, তারা এগুলো এক বর্ণনাকারী থেকে অন্য বর্ণনাকারী সূত্রে সংরক্ষণ করেছেন … হেদায়াতের ঝান্ডাবাহী এই দলের জন্য আমি উৎসর্গিত … তারা প্রত্যেক গুণী ব্যক্তির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন

তারা এমন এক সম্প্রদায় যাদের সঙ্গী দুর্ভাগা হয় না … সুতরাং যে ব্যক্তি তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করবে, সে পুণ্য বর্জিত হয়ে ভুলের মধ্যে নিপতিত হবে
(খণ্ড: ১) জুযউন ফিহি আহাদিসু আওয়ালিন ওয়া হিকায়াতুন ওয়া আশআরুন লিয যিয়া (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الضَّوْءِ شِهَابُ بْنُ مَحْمُودٍ الْهَرَوِيُّ الْعَدْلُ، وَاسْمُهُ مُحَمَّدٌ، وَعُرِفَ: شِهَابًا، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِجَامِعِ هَرَاةَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمْعَانِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ الْبَاقِلانِيُّ، إِمْلاءً بِوَاسِطَ، أَنْشَدَنَا أَبُو الْكَرَمِ خَمِيسُ بْنُ عَلِيٍّ الْخُوزِيُّ لِنَفْسِهِ:

تَرَكْتُ مَقَالاتِ الْكَلامِ جَمِيعَهَا … لِمُبْتَدِعٍ يَزْهُو بِهِنَّ إِلَى الرَّدَى

وَلازَمْتُ أَصْحَابَ الْحَدِيثِ الأَئِمَّةَ … دُعَاةً إِلَى سُبُلِ الْمَكَارِمِ وَالْهُدَى

وَهَلْ تَرَكَ الإِنْسَانُ فِي الدِّينِ غَايَةً

إِذَا قَالَ قَلَّدْتُ النَّبِيَّ مُحَمَّدًا

آخِرُهُ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا، وَحَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ.
২৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুয যাও শিহাব বিন মাহমুদ আল-হারাউয়ি আল-আদল—তার নাম মুহাম্মদ এবং তিনি শিহাব নামে পরিচিত—হিরাত জামে মসজিদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আস-সামআনি। তিনি বলেন: আমাদের শুনিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন ইমরান আল-বাকিলানি, ওয়াসিত নামক স্থানে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের শুনিয়েছেন আবুল কারাম খামিস বিন আলি আল-খুযি তাঁর নিজের রচিত কবিতা:

আমি ইলমুল কালামের সকল বক্তব্য পরিত্যাগ করেছি … এমন বিদআতির জন্য যে সেগুলোর মাধ্যমে বিনাশের পথে দম্ভ করে।

আর আমি অবিচ্ছিন্নভাবে আঁকড়ে ধরেছি হাদিসের ইমামদেরকে … যারা মহান চরিত্র ও হেদায়েতের পথের দিকে আহ্বানকারী।

আর একজন মানুষ কি দ্বীনের ক্ষেত্রে কোনো চূড়ান্ত লক্ষ্য বাকি রাখে

যখন সে বলে, "আমি নবী মুহাম্মাদকে অনুকরণ করেছি"?

এর সমাপ্তি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর শান্তি ও অজস্র সালাম বর্ষণ করুন। আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।