(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: -)
الثاني من فضائل عمر بن الخطاب   (عبد الغني المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الثاني من فضائل عمر بن الخطاب

المؤلف: عبد الغني بن عبد الواحد بن علي بن سرور المقدسي الجماعيلي الدمشقي الحنبلي، أبو محمد، تقي الدين (ت 600هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 41

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

উমর ইবনুল খাত্তাবের ফযিলত সম্বলিত দ্বিতীয় খণ্ড   (আব্দুল গনি আল-মাকদিসি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: উমর ইবনুল খাত্তাবের ফযিলত সম্বলিত দ্বিতীয় খণ্ড

লেখক: আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন সুরূর আল-মাকদিসি আল-জামাঈলি আদ-দিমাশকি আল-হাম্বলি، আবু মুহাম্মাদ، তকিউদ্দীন (মৃত ৬০০ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনস্থ ফ্রি ‘জাওয়ামেউল কালিম’ প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১)
اللَّهُ المُسْتَعَانُ حَسْبِيَّ اللَّهُ وَنِعْمَ الوَكِيلُ الْجُزْءُ الثَّانِي مِنْ فَضَائِلِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ لَعَلَّهُ لِعَبْدِ الغَنِيِّ بْنِ عَبْدِ الوَاحِد بْنِ عَلِيٍّ المَقْدِسِيِّ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، اللَّهُمَّ سَهِّلْ.
আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া হয়। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। উমর ইবনুল খাত্তাবের—আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন—মর্যাদাসমূহের দ্বিতীয় খণ্ড। সম্ভবত এটি আবদুল গনি ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আলী আল-মাকদিসীর রচনা। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই। হে আল্লাহ, সহজ করে দিন।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَغْدَادِيُّ، بِهَا، أنبا أَبِي، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ الْخَوَارَزْمِيُّ، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْجُرْجَانِيُّ، أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنبا عِيسَى بْنُ يُونُسَ.

ح وَأَخْبَرَنِي ابْنُ نَاجِيَةَ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ خَالِدٍ الأَقْطَعُ، ثنا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، وَهَذَا حَديِثُ الْحَسَنِ، ثنا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ النَّوْفَلِيُّ، ثنا ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: جَاءَ نَاسٌ يَتَرَحَّمُونَ عَلَى عُمَرَ، وَكُنْتُ فِيهِمْ حِينَ وُضِعَ عَلَى سَرِيرِهِ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ وَرَائِي، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى مَنْكِبِي، فَالْتَفَتُّ فَإِذَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ يَتَرَحَّمُ عَلَيْهِ، فَقَالَ: مَا خَلَّفْتُ أَحَدًا أَحَبَّ إِلَيَّ أَنْ أَلْقَى اللَّهَ بِمِثْلِ عَمَلِهِ مِنْكُمْ وَإِنْ كُنْتُ أَظُنُّ لَيَجْعَلَنَّكَ اللَّهُ مَعَ صَاحِبَيْكَ فَإِنِّي كُنْتُ أَكْثَرَ أَنْ أَسْمَعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ‌‌«كُنْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، وَخَرَجْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ» .

وَفِي حَدِيثِ نَاجِيَةَ: " فَجَاءَ عَلِيٌّ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى مَنْكِبِي مِنْ خَلْفِي، وَقَالَ: رَحِمَكَ اللَّهُ، وَقَالَ: رَحِمَكَ اللَّهُ أَبَا حَفْصٍ، مَا أَحَدٌ أَلْقَى اللَّهَ بِمِثْلِ عَمَلِهِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْكُمْ "
১ - আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন সাবিত বিন বুন্দার বিন ইবরাহিম আল-বাগদাদী সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন গালিব আল-খাওয়ারিজমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ইসমাইল আল-জুরজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন সুফিয়ান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসহাক বিন ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা বিন ইউনুস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

(হাউল) এবং ইবনে নাজিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান বিন উমর বিন খালিদ আল-আকতাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর এটি আল-হাসানের বর্ণিত হাদিস—তিনি বলেন: উমর বিন সাঈদ বিন আবু হুসাইন আন-নাওফালি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবু মুলাইকাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন: যখন উমরকে তাঁর খাটিয়ায় রাখা হলো, তখন কিছু লোক এসে তাঁর জন্য রহমতের দোয়া করতে লাগল এবং আমি তাদের মাঝেই ছিলাম। এমতাবস্থায় আমার পেছন থেকে এক ব্যক্তি এসে আমার কাঁধে তাঁর হাত রাখলেন। আমি ফিরে তাকিয়ে দেখলাম তিনি আলি বিন আবি তালিব, তিনি উমরের জন্য রহমতের দোয়া করছেন। এরপর তিনি বললেন: "আপনি আপনার পরে এমন কাউকে রেখে যাননি যার আমলের মতো আমল নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা আমার কাছে আপনার চেয়ে বেশি প্রিয়। আর আমি ধারণা করতাম যে, আল্লাহ অবশ্যই আপনাকে আপনার দুই সঙ্গীর সাথেই রাখবেন। কেননা আমি অহরহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনতাম: «আমি, আবু বকর ও উমর ছিলাম; আমি এবং আবু বকর বের হলাম»।"

নাজিয়াহ-এর হাদিসে রয়েছে: "অতঃপর আলি আসলেন এবং পেছন থেকে আমার কাঁধে তাঁর হাত রাখলেন এবং বললেন: আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। তিনি আরও বললেন: হে আবু হাফস, আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। আপনাদের মাঝে এমন কেউ নেই যার আমলের মতো আমল নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা আমার নিকট আপনাদের চেয়ে বেশি প্রিয়।"
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، أنبا أَبِي، أنبا الْبَرْقَانِيُّ، أنبا الإِسْمَاعِيلِيُّ، أَخْبَرَنِي ابْنُ نَاجِيَةَ، ثنا حَمُّوَيْهِ الْمَرَوْزِيُّ صَاحِبُ ابْنِ الْمُبَارَكِ.

ح وَأَخْبَرَنِي عَمَّارُ بْنُ مُوسَى، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، قَالا: أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أنبا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: كُنْتُ فِي أُنَاسٍ نَتَرَحَّمُ عَلَى عُمَرَ، حِينَ وُضِعَ عَلَى سَرِيرِهِ، فَجَاءَ عَلِيٌّ، فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَى مَنْكِبِي، فَتَكَنَّفَهُ النَّاسُ يَدْعُونَ لَهُ وَيُصَلُّونَ قَبْلَ أَنْ يُرْفَعَ، وَأَنَا فِيهِمْ، فَإِذَا هُوَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ يَتَرَحَّمُ عَلَى عُمَرَ، قَالَ: مَا خَلَّفْتُ أَحَدًا أَحَبَّ إِلَيَّ أَنْ أَلْقَى اللَّهَ عز وجل بِمِثْلِ عَمَلِهِ مِنْكُمْ، وَايْمُ اللَّهِ إِنْ كُنْتُ لأَظُنُّ لَيَجْعَلَنَّكَ اللَّهُ مَعَ صَاحِبَيْكَ، وَذَلِكَ أَنِّي كُنْتُ أَكْثَرَ أَنْ أَسْمَعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ‌‌«ذَهَبْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ، وَخَرَجْتُ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ» ، وَإِنْ كُنْتُ لأَظُنُّ أَنْ يَجْعَلَكَ اللَّهُ مَعَهُمَا.

هَذَا حَدِيثُ عِمْرَانَ ، صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
২ - ইয়াহিয়া ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে নাজিয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবনুল মুবারকের সাথী হাম্মুওয়াইহ আল-মারওয়াযি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

এবং আম্মার ইবনে মুসা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহিম ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর ইবনে সাঈদ ইবনে আবি হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন উমরকে তাঁর খাটিয়ায় রাখা হলো, তখন আমি কিছু মানুষের মাঝে ছিলাম যারা উমরের জন্য রহমতের দোয়া করছিল। এমতাবস্থায় আলী আসলেন এবং আমার কাঁধে তাঁর হাত রাখলেন। লোকেরা তাঁকে ঘিরে ধরে তাঁর জন্য দোয়া করছিল এবং তাঁকে উঠিয়ে নেয়ার পূর্বে তাঁর জানাজা পড়ছিল, আমিও তাঁদের মধ্যে ছিলাম। হঠাৎ দেখি তিনি আলী ইবনে আবি তালিব, যিনি উমরের জন্য রহমতের দোয়া করছেন। তিনি বললেন: আপনি আপনার পরে এমন কাউকে রেখে যাননি যার আমলের মতো আমল নিয়ে মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা আমার নিকট আপনার চেয়ে অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই মনে করতাম যে আল্লাহ আপনাকে আপনার দুই সাথীর সাথেই রাখবেন। আর তা এজন্য যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রায়ই বলতে শুনতাম: «আমি, আবু বকর ও উমর গিয়েছি; আমি, আবু বকর ও উমর বের হয়েছি»; আর আমার প্রবল ধারণা ছিল যে আল্লাহ আপনাকে তাঁদের দুজনের সাথেই রাখবেন।

এটি ইমরানের বর্ণিত হাদিস, এটি সহিহ ও মুত্তাফাকুন আলাইহি।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، أنبا أَبِي، أنا الْبَرْقَانِيُّ، أنا الإِسْمَاعِيلِيُّ، أنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَاشِمٍ الْبَغَوِيُّ، ثنا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، أنبا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ عُمَرَ، سَمِعْتُ عُمَرَ، وَهُوَ يَقُولُ: "‌‌ اللَّهُمَّ قَتْلا فِي سَبِيلِكَ، وَوَفَاةً فِي بَلَدِ نَبِيِّكَ صلى الله عليه وسلم، قُلْتُ: وَأَنَّى يَكُونُ هَذَا؟ قَالَ: يَأْتِينِي بِهِ اللَّهُ عز وجل إِذَا شَاءَ "
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-বারকানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ইসমাঈলি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে হাশিম আল-বাগাওয়ি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উমাইয়াহ ইবনে বিসতাম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে জুরাই’, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন রওহ ইবনে আল-কাসিম, তিনি জায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হাফসা বিনতে উমর থেকে বর্ণনা করেন, আমি উমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: "‌‌ হে আল্লাহ, আপনার পথে শাহাদাত এবং আপনার নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শহরে মৃত্যু দান করুন। আমি বললাম: এটা কীভাবে সম্ভব? তিনি বললেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা চাইলে তা আমার নিকট নিয়ে আসবেন।"
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، أنبا أَبِي، أنبا الْبَرْقَانِيُّ، أنا الإِسْمَاعِيلِيُّ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، ثنا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، أَنَّ عُمَرَ لَمَّا أُصِيبَ جَعَلَ يَأْلَمُ، فَقَالَ لَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكَأَنَّهُ يُجَزِّعُهُ، فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، لَئِنْ كَانَ ذَاكَ لَقَدْ صَحِبْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُ، ثُمَّ فَارَقَكَ وَهُوَ عَنْكَ رَاضٍ، وَصَحِبْتَ أَبَا بَكْرٍ فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُ، وَفَارَقَكَ وَهُوَ عَنْكَ رَاضٍ، وَصَحِبْتَ الْمُسْلِمِينَ فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُمْ، وَلَئِنْ فَارَقْتَهُمْ لَتُفَارِقْهُمْ وَهُمْ عَنْكَ رَاضُونَ، فَقَالَ: أَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرِضَاهُ، فَإِنَّمَا ذَلِكَ مَنٌّ مِنَ اللَّهِ مَنَّ بِهِ عَلَيَّ، وَأَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَةِ أَبِي بَكْرٍ وَرِضَاهُ، فَإِنَّمَا ذَلِكَ مَنٌّ مِنَ اللَّهِ مَنَّ بِهِ عَلَيَّ، وَأَمَّا مَا تَرَى مِنْ جَزَعِي فَهُوَ مِنْ أَجْلِكَ وَأَجْلِ أَصْحَابِكَ، وَاللَّهِ لَوْ أَنَّ لِي طِلاعَ الأَرْضِ ذَهَبًا لافْتَدَيْتُ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ قَبْلَ أَنْ أَرَاهُ "
৪ - ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আমাদের জানিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-ইসমাঈলি আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমা আমাদের জানিয়েছেন, মুআম্মাল ইবনে হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামা থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রা.) যখন জখমী হলেন তখন তিনি যাতনা প্রকাশ করতে লাগলেন। ইবনে আব্বাস (রা.) তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বললেন: হে আমীরুল মুমিনীন! আপনি যদি চলে যান (তবে জেনে রাখুন), আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গ লাভে পরম উৎকর্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন; অতঃপর তিনি যখন আপনার নিকট থেকে বিদায় নিলেন তখন তিনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। এরপর আপনি আবু বকর (রা.)-এর সাহচর্য লাভ করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গ লাভেও পরম উৎকর্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন; তিনিও যখন আপনার নিকট থেকে বিদায় নিলেন তখন আপনার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। এরপর আপনি মুসলিমদের সাহচর্য দিয়েছেন এবং তাদের সাথেও সদাচরণ করেছেন; এখন যদি আপনি তাদের নিকট থেকে বিদায় নেন, তবে আপনি এমন অবস্থায় বিদায় নেবেন যে তারা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট। তখন তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য এবং তাঁর সন্তুষ্টির বিষয়ে তুমি যা বললে, তা একান্তই আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ যা তিনি আমাকে দান করেছেন। আর আবু বকর (রা.)-এর সাহচর্য ও তাঁর সন্তুষ্টির বিষয়ে যা বললে, তাও একান্তই আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ যা তিনি আমাকে দান করেছেন। তবে তুমি আমার যে ব্যাকুলতা দেখছ, তা মূলত তোমার এবং তোমার সাথীদের চিন্তায়। আল্লাহর কসম! যদি আমার কাছে পৃথিবী পূর্ণ স্বর্ণ থাকত, তবে আল্লাহর আযাব প্রত্যক্ষ করার পূর্বেই আমি তা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতাম।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، أنبا أَبِي، أنبا الْبَرْقَانِيُّ، أنبا الإِسْمَاعِيلِيُّ، أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَرِيكٍ الأَسَدِيُّ، ثنا شِهَابُ بْنُ عَبَّادٍ الأَسَدِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ.

ح وَأَخْبَرَنِي الْهَيْثَمُ بْنُ خَلَفٍ، ثنا الْقَوَارِيرِيُّ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، ثنا أَيُّوبُ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: "‌‌ مَسَسْتُ جِلْدَ عُمَرَ، فَقُلْتُ: جِلْدٌ لا تَمَسُّهُ النَّارُ أَبَدًا، قَالَ: فَنَظَرَ إِلَيَّ نَظْرَةً كُنْتُ أَرْثِي لَهُ مِنْ تِلْكَ النَّظْرَةِ، فَقُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، صَحِبْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُ، وَفَارَقْتَهُ وَهُوَ عَنْكَ رَاضٍ وَصَحِبْتَ أَبَا بَكْرٍ بَعْدَهُ فَأَحْسَنْتَ صُحْبَتَهُ وَفَارَقْتَهُ، وَهُوَ عَنْكَ رَاضٍ، وَصَحِبْتَ الْمُسْلِمِينَ وَتُفَارِقُهُمْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ وَهُمْ عَنْكَ رَاضُونَ، قَالَ: أَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَتِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنٌّ مِنَ اللَّهِ عز وجل عَلَيَّ، وَأَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَتِي أَبَا بَكْرٍ فَمَنٌّ مِنَ اللَّهِ، وَلَوْ أَنَّ لِي مَا فِي الأَرْضِ لافْتَدَيْتُ بِهِ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ عز وجل قَبْلَ أَنْ أَلْقَاهُ، أَوْ أَرَاهُ ".

قَالَ الْقَوَارِيرِيُّ فِي حَدِيثِهِ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: لَمَّا طُعِنَ عُمَرُ كُنْتُ قَرِيبًا مِنْهُ، فَمَسَسْتُ بَعْضَ جَسَدِهِ، فَقُلْتُ: جِلْدٌ لا تَمَسُّهُ النَّارُ، وَقَالَ: جَعَلْتُ أَرْثِي لَهُ مِنْهَا، قَالَ: وَمَا عِلْمُكَ بِذَلِكَ؟ قُلْتُ: «يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ صَحِبْتَ ، فَذَكَرَهُ» ، فَقَالَ: «أَمَّا مَا ذَكَرْتَ مِنْ صُحْبَتِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَإِنَّمَا كَانَ ذَاكَ مَنًّا مِنَ اللَّهِ عز وجل، وَإِنَّ الَّذِي تَرَى» .

أَوْ كَلِمَةً نَحْوَهَا «مِنْ صُحْبَتِكُمْ فَلَوْ أَنَّ لِي مَا فِي الأَرْضِ» .

فَذَكَرُوهُ
৫ - ইয়াহইয়া ইবনে সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে শারিক আল-আসাদি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, শিহাব ইবনে আব্বাদ আল-আসাদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আইয়ুব থেকে বর্ণিত।

এবং আল-হাইসাম ইবনে খালাফ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-কাওয়ারিরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আইয়ুব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌‌আমি উমরের চামড়া স্পর্শ করলাম এবং বললাম: এমন এক চামড়া যা আগুন কখনোই স্পর্শ করবে না। তিনি বলেন: তখন তিনি আমার দিকে এমন এক দৃষ্টিতে তাকালেন যে দৃষ্টির কারণে আমি তাঁর প্রতি করুণা বোধ করতে লাগলাম, অতঃপর আমি বললাম: হে আমিরুল মুমিনিন! আপনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সান্নিধ্য লাভ করেছেন এবং তাঁর উত্তম সাহচর্য দিয়েছেন, আর যখন আপনি তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন তখন তিনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। এরপর আপনি আবু বকরের সান্নিধ্য লাভ করেছেন এবং তাঁর উত্তম সাহচর্য দিয়েছেন, আর যখন আপনি তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন তখন তিনি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। এরপর আপনি মুসলিমদের সান্নিধ্য লাভ করেছেন এবং যখন আপনি ইনশাআল্লাহ তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হবেন, তখন তারাও আপনার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে। তিনি বললেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সান্নিধ্য লাভের যে কথা তুমি উল্লেখ করলে, তা তো মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার প্রতি একটি অনুগ্রহ। আর আবু বকরের সান্নিধ্যের যে কথা তুমি উল্লেখ করলে, তাও আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ। আল্লাহর শপথ! যদি পৃথিবীর সবকিছু আমার মালিকানায় থাকত, তবে মহান আল্লাহর আজাবের সম্মুখীন হওয়ার বা তা প্রত্যক্ষ করার আগেই আমি তা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতাম।"

আল-কাওয়ারিরি তাঁর বর্ণিত হাদিসে বলেছেন: ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন: যখন উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আঘাতপ্রাপ্ত হলেন, তখন আমি তাঁর কাছেই ছিলাম। আমি তাঁর শরীরের কিছু অংশ স্পর্শ করলাম এবং বললাম: এই চামড়াকে আগুন স্পর্শ করবে না। তিনি (ইবনে আব্বাস) বলেন: আমি এর কারণে তাঁর প্রতি করুণা বোধ করতে লাগলাম। তিনি (উমর) বললেন: এ সম্পর্কে তোমার জ্ঞান কী? আমি বললাম: হে আমিরুল মুমিনিন! আপনি সান্নিধ্য লাভ করেছেন... অতঃপর তিনি তা উল্লেখ করলেন। তখন তিনি (উমর) বললেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সান্নিধ্যের যে কথা তুমি উল্লেখ করলে, তা তো কেবল মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি অনুগ্রহ ছিল। আর তুমি যা দেখছ...।

অথবা এজাতীয় কোনো শব্দ যে, "তোমাদের সান্নিধ্য, আর যদি পৃথিবীর সবকিছু আমার মালিকানায় থাকত..."।

অতঃপর তাঁরা তা উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ شَافِعٍ الْجِيلِيُّ، بِبَغْدَادَ، أنبا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْبَنَّا، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، وَأنبا عَبْدُ الْحَقِّ، أنبا عَمِّي، وَأنا عَبْدُ اللَّهِ، أنا عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالا: أنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، قَالا: أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَمْزَةَ الضُّبَعِيَّ، يُحَدِّثُ، عَنْ جُوَيْرِيَةَ بْنِ قُدَامَةَ، قَالَ: حَجَجْتُ فَأَتَيْتُ الْمَدِينَةَ الْعَامَ الَّذِي أُصِيبَ فِيهِ عُمَرُ، قَالَ: فَخَطَبَ، فَقَالَ: إِنِّي رَأَيْتُ كَأَنَّ دِيكًا أَحْمَرَ نَقَرَنِي نَقْرَتَيْنِ ـ شُعْبَةُ الشَّاكُّ ـ فَكَانَ مِنْ أَمْرِهِ أَنَّهُ طُعِنَ، فَأُذِنَ لِلنَّاسِ عَلَيْهِ، فَكَانَ أَوَّلَ مَنْ دَخَلَ عَلَيْهِ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ أَهْلُ الْمَدِينَةِ، ثُمَّ أَهْلُ الشَّامِ، ثُمَّ أُذِنَ لأَهْلِ الْعِرَاقِ، فَدَخَلْتُ فِيمَنْ دَخَلَ، فَكَانَ كُلَّمَا دَخَلَ قَوْمٌ أَثْنَوْا عَلَيْهِ، وَبَكَوْا، فَلَمَّا دَخَلْنَا عَلَيْهِ، قَالَ: وَقَدْ عُصِبَ بَطْنُهُ بِعِمَامَةٍ سَوْدَاءَ وَالدَّمُ يَسِيلُ، قَالَ: فَقُلْنَا: أَوْصِنَا، قَالَ: وَمَا سَأَلَهُ الْوَصِيَّةَ أَحَدٌ غَيْرُنَا، فَقَالَ: " عَلَيْكُمْ بِكِتَابِ اللَّهِ، فَإِنَّكُمْ لَنْ تَضِلُّوا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِ، فَقُلْنَا: أَوْصِنَا، قَالَ: أُوصِيكُمْ بِالْمُهَاجِرِينَ، فَإِنَّ النَّاسَ يَسْتَكْثِرُون وَيَقِلُّونَ، وَأُوصِيكُمْ بِالأنْصَارِ، فَإِنَّهُمْ شِعْبُ الإِسْلامِ الَّذِي لَجَأَ إِلَيْهِ، وَأُوصِيكُمْ بِالأَعْرَابِ فَإِنَّهُمْ إِخْوَانُكُمْ وَمَادَّتُكُمْ وَأُوصِيكُمْ بِأَهْلِ ذِمَّتِكُمْ، فَإِنَّهُمْ عَهْدُ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم وَرِزْقُ عِيَالِكُمْ، قُومُوا عَنِّي "،‌‌ قَالَ: فَمَا زَادَنَا عَلَى هَؤُلاءِ الْكَلِمَاتِ، قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ شُعْبَةُ: ثُمَّ سَأَلَهُ بَعْدَ ذَلِكَ، فَقَالَ فِي الأَعْرَابِ: «وَأُوصِيكُمْ بِالأَعْرَابِ فَإِنَّهُمْ إِخْوَانُكُمْ وَعَدُوُّ عَدُوِّكُمْ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে সালিহ ইবনে শাফি আল-জিলি, বাগদাদে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-বান্না; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারি; এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল হক; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার চাচা; এবং আমি আব্দুল্লাহ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ; তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলী আত-তামিমি; তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে জাফর; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ; আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শু'বা; তিনি বলেন: আমি আবু হামজাহ আদ-দুবায়িকে বলতে শুনেছি, তিনি জুওয়াইরিয়াহ ইবনে কুদামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হজ পালন করলাম এবং সেই বছর মদিনায় আসলাম যে বছর উমর আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি (উমর) খুতবা দিলেন এবং বললেন: আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন একটি লাল মোরগ আমাকে দুটি ঠোকর দিয়েছে—শু'বা এ বিষয়ে কিছুটা সন্ধিহান ছিলেন—এরপর তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি এই ছিল যে তাকে ছুরিকাঘাত করা হলো। অতঃপর মানুষের জন্য তার কাছে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলো। তার কাছে যারা প্রথম প্রবেশ করলেন তারা হলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ, তারপর মদিনার অধিবাসীগণ, তারপর সিরিয়াবাসীগণ, তারপর ইরাকবাসীদের অনুমতি দেওয়া হলো। আমি তাদের সাথেই প্রবেশ করলাম যারা প্রবেশ করেছিলেন। যখনই কোনো দল প্রবেশ করছিল, তারা তার প্রশংসা করছিল এবং কাঁদছিল। আমরা যখন তার কাছে প্রবেশ করলাম, তখন তার পেট একটি কালো পাগড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল এবং রক্ত ঝরছিল। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমরা বললাম: আমাদের অসিয়ত করুন। তিনি বলেন: আমাদের ছাড়া অন্য কেউ তার কাছে অসিয়ত চায়নি। তখন তিনি বললেন: "তোমরা আল্লাহর কিতাবকে আঁকড়ে ধরো, কেননা যতক্ষণ তোমরা তা শক্তভাবে ধরে থাকবে ততক্ষণ পথভ্রষ্ট হবে না।" আমরা বললাম: আমাদের অসিয়ত করুন। তিনি বললেন: "আমি তোমাদের মুহাজিরদের ব্যাপারে অসিয়ত করছি, কেননা মানুষ বৃদ্ধি পায় কিন্তু তারা কমে যায়। আর আমি তোমাদের আনসারদের ব্যাপারে অসিয়ত করছি, কেননা তারা ইসলামের সেই ঘাঁটি যেখানে ইসলাম আশ্রয় নিয়েছিল। আর আমি তোমাদের গ্রাম্য আরবদের (বেদুইনদের) ব্যাপারে অসিয়ত করছি, কেননা তারা তোমাদের ভাই এবং তোমাদের শক্তির উৎস। আর আমি তোমাদের জিম্মিদের (অমুসলিম প্রজাদের) ব্যাপারে অসিয়ত করছি, কেননা তারা তোমাদের নবীর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অঙ্গীকার এবং তোমাদের সন্তানদের জীবিকা। তোমরা আমার কাছ থেকে উঠে যাও।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তিনি আমাদের জন্য এই কথাগুলোর অতিরিক্ত আর কিছু বলেননি। মুহাম্মদ ইবনে জাফর বলেন, শু'বা বলেছেন: এরপর তিনি তাকে এ বিষয়ে পুনরায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন তিনি গ্রাম্য আরবদের (বেদুইনদের) ক্ষেত্রে বলেছিলেন: "আমি তোমাদের গ্রাম্য আরবদের ব্যাপারে অসিয়ত করছি, কেননা তারা তোমাদের ভাই এবং তোমাদের শত্রুর শত্রু।"
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ شَافِعٍ، أنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْبَنَّاءِ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، وَأنبا عَبْدُ الْحَقِّ، أنبا عَمِّي، وَأنبا عَبْدُ اللَّهِ، أنبا عَبْدُ الْقَادِرِ، قَالا: أنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، وَعَفَّانُ، قَالا: نا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَوْدِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ، أنا ابْنُ عَبَّاسٍ، بِالْبَصْرَةِ، قَالَ: أَنَا أَوَّلُ مَنْ أَتَى عُمَرَ حِينَ طُعِنَ، فَقَالَ: احْفَظْ عَنِّي ثَلاثًا، فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ لا يُدْرِكَنِيَ النَّاسُ: أَمَّا أَنَا فَلَمْ أَقْضِ فِي الْكَلالَةِ قَضَاءً، وَلَمْ أَسْتَخْلِفْ عَلَى النَّاسِ خَلِيفَةً، وَكُلُّ مَمْلُوكٍ لَهُ عَتِيقٌ، فَقَالَ لَهُ النَّاسُ: اسْتَخْلِفْ ، فَقَالَ: أَيُّ ذَلِكَ أَفْعَلُ، فَقَدْ فَعَلَهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي أَنْ أَدَعَ النَّاسَ إِلَى أَمْرِهِمْ فَقَدْ تَرَكَهُ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَإِنْ أَسْتَخْلِفْ فَقَدِ اسْتَخْلَفَ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي أَبُو بَكْرٍ، فَقُلْتُ لَهُ: أَبْشِرْ بِالْجَنَّةِ، صَاحَبْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ سَلَّمَ، وَأَطَلْتَ صُحْبَتَهُ ، وَوَلِيتَ أَمْرَ الْمُؤْمِنِينَ، فَقَوِيتَ وَأَدَّيْتَ الأَمَانَةَ، فَقَالَ: أَمَّا تَبْشِيرُكَ إِيَّايَ بِالْجَنَّةِ، فَوَاللَّهِ لَوْ أَنَّ لِي ـ قَالَ عَفَّانُ: قَالَ: وَاللَّهِ الَّذِي لا إِلَهَ إِلا هُوَ ـ لَوْ أَنَّ لِي الدُّنْيَا بِمَا فِيهَا لافْتَدَيْتُ بِهِ مِنْ هَوْلِ مَا أَمَامِي قَبْلَ أَنْ أَعْلَمَ الْخَبَرَ، وَأَمَّا قَوْلُكَ فِي أَمْرِ الْمُؤْمِنِينَ، فَوَاللَّهِ لَوَدِدْتُ أَنَّ ذَلِكَ كَفَافًا لا لِي وَلا عَلَيَّ، وَأَمَّا مَا ذَكَرْتَهُ مِنْ صُحْبَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَلِكَ "
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন সালিহ ইবন শাফি‘, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনুল বান্না, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবন আলী আল-জাওহারী, এবং আমাদের অবহিত করেছেন আব্দুল হক, আমাদের অবহিত করেছেন আমার চাচা, এবং আমাদের অবহিত করেছেন আব্দুল্লাহ, আমাদের অবহিত করেছেন আব্দুল কাদির; তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবন আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন হাম্মাদ এবং আফফান, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, দাউদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-আওদী থেকে, তিনি হুমায়দ ইবন আব্দুর রহমান আল-হিময়ারী থেকে; ইবন আব্বাস বসরায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর যখন আক্রান্ত (ছুরিকাহত) হন, তখন আমিই প্রথম তাঁর কাছে পৌঁছেছিলাম। তখন তিনি বললেন: আমার পক্ষ থেকে তিনটি বিষয় মনে রেখো, কেননা আমি আশঙ্কা করছি যে মানুষ আমাকে আর (জীবিত) পাবে না: আমি ‘কালালাহ’ (পিতা-মাতা ও সন্তানহীন মৃতব্যক্তির মিরাস) সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা দিচ্ছি না, আমি মানুষের ওপর কোনো খলিফা নিযুক্ত করছি না, আর তাঁর (উমরের) প্রত্যেক দাসই মুক্ত। তখন লোকজন তাঁকে বলল: আপনি কাউকে খলিফা নিযুক্ত করে যান। তিনি বললেন: আমি এই দুইটির যেটিই করি না কেন, তা আমার চেয়ে যিনি উত্তম ছিলেন তিনি করেছেন; যদি আমি মানুষকে তাদের বিষয়ের ওপর ছেড়ে যাই (উত্তরাধিকারী নিযুক্ত না করি), তবে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা ছেড়ে গিয়েছিলেন। আর যদি আমি খলিফা নিযুক্ত করি, তবে আমার চেয়ে যিনি উত্তম ছিলেন—আবু বকর—তিনি খলিফা নিযুক্ত করেছিলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম: আপনি জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ করুন; আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছেন এবং দীর্ঘ সময় তাঁর সঙ্গী ছিলেন, আর আপনি মুমিনদের বিষয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন, সামর্থ্যের সাথে তা পরিচালনা করেছেন এবং আমানত আদায় করেছেন। তখন তিনি বললেন: তোমার আমাকে জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়ার বিষয়ে বলি—আল্লাহর কসম, আমার যদি থাকত—আফফান বলেন: তিনি বলেছেন: সেই আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই—যদি পৃথিবী এবং এর মধ্যকার সবকিছু আমার হতো, তবে আমার সামনে যা (পরকাল) আছে তার ভয়াবহতার কারণে প্রকৃত খবর জানার আগেই আমি তা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দিতাম। আর মুমিনদের শাসনভার সম্পর্কে তোমার উক্তির বিষয়ে বলি—আল্লাহর কসম, আমি পছন্দ করতাম যদি তা সমান-সমান হতো, না আমার পক্ষে কিছু হতো, না বিপক্ষে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য সম্পর্কে তুমি যা উল্লেখ করেছ, তা হলো...
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، أنبا أَبِي، أنا الْبَرْقَانِيُّ، أنا الإِسْمَاعِيلِيُّ، أَخْبَرَنِي هَارُونُ بْنُ يُوسُفَ، ثنا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، نا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ حُصَيْنٍ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه حِينَ طُعِنَ يَقُولُ لابْنِهِ عَبْدِ اللَّهِ: "‌‌ اذْهَبْ إِلَى أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةَ فَقُلْ: عُمَرُ يُقْرِئُكِ السَّلامَ، وَلا تَقُلْ: أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ، فَإِنِّي لَسْتُ الْيَوْمَ لِلْمُؤْمِنِينَ بِأَمِيرٍ، يَسْتَأْذِنُ أَنْ يُدْفَنَ مَعَ صَاحِبَيْهِ، قَالَ: ثُمَّ أَخَذَ يُوصِي، فَقَالَ: إِنِّي لا أَعْلَمُ أَحَدًا أَحَقَّ بِهَذَا الأَمْرِ مِنْ هَؤُلاءِ النَّفَرِ الَّذِينَ مَاتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَنْهُمْ رَاضٍ، فَمَنِ اسْتُخْلِفُوا بَعْدِي فَهُوَ الْخَلِيفَةُ فَسَمَّى عَلِيًّا وَعُثْمَانَ، وَطَلْحَةَ، وَالزُّبَيْرَ، وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ، وَسَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ
৮ - ইয়াহইয়া ইবনু সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমার পিতা আমাদের অবহিত করেছেন, আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-ইসমাঈলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হারুন ইবনু ইউসুফ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, ইবনু আবি উমর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, হুসাইন ইবনু আলী আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন যায়িদাহ থেকে, তিনি হুসাইন থেকে, আমর ইবনু মাইমুন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে যখন তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তখন তাঁর পুত্র আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: "‌‌তুমি মুমিন জননী আয়িশার নিকট যাও এবং বলো: উমর তোমাকে সালাম জানিয়েছেন, আর 'আমীরুল মুমিনীন' বলো না, কারণ আজ আমি মুমিনদের আমীর নই; তিনি তাঁর দুই সঙ্গীর সাথে সমাহিত হওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করছেন।" তিনি বলেন: অতঃপর তিনি অসিয়ত করতে শুরু করলেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই আমি এই বিষয়ের (খিলাফতের) জন্য সেই ব্যক্তিবর্গের চেয়ে অধিক যোগ্য কাউকে জানি না যাদের প্রতি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন যে তিনি তাদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। সুতরাং আমার পরে যাকে খলীফা মনোনীত করা হবে, তিনিই হবেন খলীফা।" অতঃপর তিনি আলী, উসমান, তালহা, যুবাইর, আবদুর রহমান ইবনু আউফ এবং সাদ ইবনু আবি ওয়াক্কাস-এর নাম উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، أنبا أَبِي، أنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَالِبٍ، أنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، أَخْبَرَنِي أَبُو يَعْلَى، ثنا أَبُو حَيْوَةَ، ثنا جَرِيرٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ الأَوْدِيِّ، رَأَيْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَبْلَ أَنْ يُصَابَ بِثَلاثٍ أَوْ أَرْبَعٍ وَاقِفًا عَلَى نَاقَتِهِ عَلَى حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ، وَعُثْمَانَ بْنِ حُنَيْفٍ، وَهُوَ يَقُولُ: "‌‌ لَعَلَّكُمَا حَمَّلْتُمَا الأَرْضَ مَا لَمْ تُطِقْ، وَكَانَ حُذَيْفَةُ عَلَى جُوْخَى وَعُثْمَانُ عَلَى مَا سَقَى الْفُرَاتُ، فَقَالَ حُذَيْفَةُ: لَوْ شِئْتَ لأَضْعَفْتُ أَرْضِي، وَقَالَ عُثْمَانُ: حَمَّلْتُهَا أَمْرًا هِيَ لَهُ مُطِيقَةٌ، وَمَا فِيهَا كَثِيرُ فَضْلٍ، قَالَ: انْظُرَا أَنْ لا تَكُونَا حَمَّلْتُمَا الأَرْضَ مَا لَهُ تُطِيقُ، ثُمَّ قَالَ: لَئِنْ بَقِيتُ لأَرَامِلِ الْعِرَاقِ لا أَدَعُهُنَّ لا يَحْتَجْنَ إِلَى أَحَدٍ بَعْدِي، قَالَ: فَمَا أَتَتْ عَلَيْهِ ثَلاثٌ حَتَّى أُصِيبَ، قَالَ: وَكَانَ إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ، وَأُقِيمَتِ الصَّلاةُ قَامَ بَيْنَ كُلِّ الصَّفَّيْنِ، فَقَالَ: اسْتَوُوا حَتَّى لا يَرَى خَلَلا، ثُمَّ يَتَقَدَّمُ وَيُكَبِّرُ، قَالَ: فَتَقَدَّمَ فَمَا هُوَ إِلا أَنْ كَبَّرَ، فَطَعَنَهُ أَبُو لُؤْلُؤَةَ، قَالَ: قَتَلَنِي الْكَلْبُ، أَوْ أَكَلَنِي الْكَلْبُ، قَالَ: فَأَخَذَ بِيَدِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، فَقَدَّمَهُ وَفِي يَدِ الْعِلْجِ سِكِّينٌ ذَاتُ طَرَفَيْنِ لا يَمُرُّ بِرَجُلٍ يَمِينًا وَلا شِمَالا إِلا طَعَنَهُ حَتَّى طَعَنَ ثَلاثَةَ عَشَرَ رَجُلا، فَمَاتَ مِنْهُمْ سَبْعَةٌ فَطَرَحَ عَلَيْهِ رَجُلٌ مِنْ حَاجِّ الْعِرَاقِ بُرْنُسًا، فَأَخَذَهُ، فَلَمَّا رَأَى أَنَّهُ مَأْخُوذٌ زَنْجَرَ بِنَفْسِهِ، فَصَلَّى عَبْدُ الرَّحْمَنِ صَلاةً خَفِيفَةً، وَأَمَّا مَا كَانَ مِنْ نَوَاحِي الْمَسْجِدِ لا يَدْرُونَ مَا كَانَ غَيْرَ أَنَّهُمْ فَقَدُوا صَوْتَ عُمَرَ رضي الله عنه، وَأَمَّا مَا كَانَ يَلِيهِ فَقْد رَأَى مَا رَأَى فَلَمَّا انْصَرَفُوا قَالَ لابْنِ عَبَّاسٍ: انْظُرْ مَنْ قَتَلَنِي، قَالَ: فَجَالَ سَاعَةً، ثُمَّ جَاءَ، فَقَال: غُلامُ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ: الصَّنَعُ؟ قَالَ: الصَّنَعُ، قَالَ: قَاتَلَهُ اللَّهُ، لَقَدْ كُنْتُ أَمَرْتُهُ بِمَعْرُوفٍ، الْحَمْدُ اللَّهِ الَّذِي لَمْ يَجْعَلْ مَنِيَّتِي بِيَدِ رَجُلٍ يَدَّعِي الإِسْلامَ، قَالَ: وَحُمِلَ إِلَى بَيْتِهِ، وَالنَّاسُ يَقُولُونَ: لا بَأْسَ عَلَيْكَ، فَأُتِيَ بِنَبِيذٍ، فَشَرِبَ، فَخَرَجَ مِنْ جُرْحِهِ، فَعَرَفَ أَنَّهُ الْمَوْتُ، فَقَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ: انْظُرْ مَا كَانَ عَلَيَّ مِنْ دَيْنٍ، قَالَ: سِتَّةٌ وَثَمَانُونَ أَلْفًا؟ قَالَ: إِنْ وَفَّى بِهَا مَالُ آلِ عُمَر فَأَدِّهَا مِنْ أَمْوَالِهِمْ وَإِلا فَسَلْ فِي بَنِي عَدِيٍّ، فَإِنْ وَفَّتْ أَمْوَالُهُمْ وَإِلا فَسَلْ قُرَيْشًا، وَلا تَعْدُهُمْ إِلَى غَيْرِهِمْ، وَاذْهَبْ إِلَى عَائِشَةَ، فَقُلْ: إِنَّ عُمَر يُقْرِئُكِ السَّلامَ، وَيَسْأَلُكِ أَنْ يُدْفَنَ مَعَ صَاحِبَيْهِ، وَلا تَقُلْ: أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، فَإِنِّي لَسْتُ لِلْمُؤْمِنِينَ بِأَمِيرٍ، فَقَالَتْ عَائِشَةُ: لَقَدْ كُنْتُ أَرَدْتُهُ لِنَفْسِي وَلأُوثِرَنَّهُ الْيَوْمَ عَلَى نَفْسِي فَلَمَّا جَاءَ ابْنُ عُمَرَ، قَالَ: أَقْعِدُونِي وَأَسْنَدَهُ رَجُلٌ إِلَى صَدْرِهِ، فَقَالَ لابْنِ عُمَرَ: مَا لَدَيْكَ؟ قَالَ: قَدْ أَذِنَتْ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَ: مَا كَانَ شَيْءٌ أَهَمَّ إِلَيَّ مِنْ ذَلِكَ الْمَضْجَعِ إِذَا قُبِضْتُ فَاحْمِلُونِي ثُمَّ اسْتَأْذِنْ لِي فَإِنْ أَذِنَتْ فَأَدْخِلَنِي وَإِنْ رَدَّتْ فَرُدَّنِي إِلَى مَقَابِرِ الْمُسْلِمِينَ، ثُمَّ قَالَ: لَوِ اسْتَخْلَفْتَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَ: مَا أَحَدٌ أَحَقُّ بِهَذَا الأَمْرِ مِنْ هَؤُلاءِ الَّذِينَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَنْهُمْ رَاضٍ، سَمَّى عَلِيًّا، وَعُثْمَانَ، وَطَلْحَةَ، وَالزُّبَيْرَ، وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ، وَقَالَ: أَشْهَدَهُمْ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ وَلَيْسَ لَهُ مِنَ الأَمْرِ شَيْءٌ، فَمَنِ اسْتَخْلَفُوهُ فَهُوَ الْخَلِيفَةُ بَعْدِي، فَإِنْ أَصَابَتِ الأَمْرُ سَعْدًا وَإِلا فَلْيَسْتَعِنْ بِهِ الْخَلِيفَةُ فَإِنِّي لَمْ أَنْزِعْهُ مِنْ ضَعْفٍ وَلا خِيَانَةٍ، قَالَ: فَدَخَلَ رَجُلٌ، فَقَالَ: أَبْشِرْ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ بِبُشْرَى اللَّهِ عز وجل، قَدْ كَانَ لَكَ مِنَ الْقِدَمِ فِي الإِسْلامِ وَالصُّحْبَةِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا قَدْ عَلِمْتَ، ثُمَّ اسْتُخْلِفْتَ فَعَدَلْتَ، ثُمَّ الشَّهَادَةُ، قَالَ: يَابْنَ أَخِي؛ لَوَدِدْتُ أَنِّي نَزَلْتُ كَفَافًا لا عَلَيَّ وَلا لِي شَيْءٌ مِنَ السُّلْطَانِ، فَلَمَّا أَدْبَرَ إِذَا إِزَارُهُ يَمَسُّ الأَرْضَ، قَالَ: رُدُّوا عَلَيَّ الْغُلامَ، قَالَ: يَابْنَ أَخِي، ارْفَعْ إِزَارَكَ فَإِنَّهُ أَنْقَى لِثَوْبِكَ، وَأَتْقَى لِرَبِّكَ، ثُمَّ قَالَ: أُوصِي الْخَلِيفَةَ مِنْ بَعْدِي بِتَقْوَى اللَّهِ، وَأُوصِيهِ بِالْمُهَاجِرِينَ الأَوَّلِينَ أَنْ يَعْرِفَ لَهُمْ حَقَّهُمْ، وَأَنْ يَحْفَظَ لَهُمْ حُرْمَتَهُمْ، وَأُوصِيهِ بِالأَنْصَارِ خَيْرًا الَّذِينَ تَبَوَّءُوا الدَّارَ وَالإِيمَانَ أَنْ يَقْبَلَ مِنْ مُحْسِنِهِمْ وَيَعْفِيَ عَنْ مُسِيئِهِمْ، وَأُوصِيهِ بِأَهْلِ الأَمْصَارِ خَيْرًا، فَإِنَّهُمْ رَدْءُ الإِسْلامِ وَجُبَاةُ الأَمْوَالِ، وَغَيْظُ الْعَدُوِّ وَأَنْ لا يُؤْخَذَ فَضْلَهُمْ إِلا عَنْ رِضَاءٍ مِنْهُمْ، وَأُوصِيهِ بِالأَعْرَابِ، فَإِنَّهُمْ أَصْلُ الْعَرَبِ، وَمَادَّةُ الإِسْلامِ، أَنْ يُؤْخَذَ مِنْهُمْ حَوَاشِي أَمْوَالِهِمْ فَيُرَدَّ فِي فُقَرَائِهِمْ، وَأُوصِيهِ بِذِمَّةِ اللَّهِ عز وجل وَذِمَّةِ رَسُولِهِ خَيْرًا أَنْ يُوَفِّيَ لَهُمْ بِعَهْدِهِمْ وَأَنْ يُقَاتِلَ مِنْ وَرَائِهِمْ، وَلا يُكَلَّفُوا فَوْقَ طَاقَتِهِمْ فَلَمَّا تُوُفِّيَ حُمِلَ، فَكَأَنَّ النَّاسَ لَمْ يُصِبْهُمْ مُصِيبَةٌ قَبْلَ يَوْمَئِذٍ حَتَّى إِذَا دَنَا ابْنُ عُمَرَ سَلَّمَ عَلَى عَائِشَةَ، ثُمَّ قَالَ: اسْتَأْذَنَكِ عُمَرُ فَأَذِنَتْ لَهُ. . . اللَّه عز وجل فَأَدْخِلْهُ
৯ - ইয়াহইয়া ইবন সাবিত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন গালিব আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবন ইবরাহিম ইবন ইসমাঈল আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়ালা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু হাইওয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারির হুসাইন থেকে, তিনি আমর ইবন মাইমুন আল-আউদি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে তাঁর আহত হওয়ার তিন বা চার দিন আগে নিজের উটনীর ওপর সাওয়ার হয়ে হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান এবং উসমান ইবন হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহুমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। তিনি বলছিলেন: “‌‌সম্ভবত তোমরা ভূমির ওপর এমন ভার চাপিয়ে দিয়েছ যা বহন করার ক্ষমতা তার নেই। হুযায়ফা জূখা অঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন এবং উসমান ফোরাত নদী দ্বারা প্লাবিত অঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন। হুযায়ফা বললেন: যদি আপনি চাইতেন তবে আমি আমার অঞ্চলের উৎপাদন আরও বাড়িয়ে দিতে পারতাম। উসমান বললেন: আমি এর ওপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করেছি যা বহন করার ক্ষমতা তার আছে এবং এতে খুব বেশি অতিরিক্ত বোঝা নেই। তিনি (উমর) বললেন: তোমরা লক্ষ্য রেখো যেন ভূমির ওপর এমন ভার না চাপাও যা সহ্য করার ক্ষমতা তার নেই। তারপর তিনি বললেন: যদি আমি বেঁচে থাকি, তবে ইরাকের বিধবাদের জন্য এমন ব্যবস্থা করে যাব যে, আমার পরে তাদের আর কারও মুখাপেক্ষী হতে হবে না। বর্ণনাকারী বলেন: এর তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার আগেই তিনি আক্রান্ত হলেন। তিনি যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন এবং নামাযের ইকামত হতো, তখন তিনি প্রতি দুই কাতারের মাঝখানে দাঁড়াতেন এবং বলতেন: তোমরা সোজা হও, যতক্ষণ না তিনি কোনো ত্রুটি বা ফাঁক দেখতেন। তারপর তিনি সামনে বাড়তেন এবং তাকবীর বলতেন। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি সামনে বাড়লেন এবং মাত্রই তাকবীর দিলেন, অমনি আবু লুলু তাকে আঘাত করল। তিনি (উমর) বললেন: কুকুরটি আমাকে মেরে ফেলেছে, অথবা বললেন: কুকুরটি আমাকে খেয়ে ফেলেছে। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি আব্দুর রহমান ইবন আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত ধরলেন এবং তাকে সামনে এগিয়ে দিলেন। সেই পাপিষ্ঠের হাতে একটি দুই মুখী ছুরি ছিল, সে ডানে বা বামে যার পাশ দিয়েই যাচ্ছিল তাকেই আঘাত করছিল। এভাবে সে তেরো জন লোককে আঘাত করল, যাদের মধ্যে সাতজন মারা গেলেন। তখন ইরাকের হাজীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি তার ওপর একটি বড় চাদর ছুড়ে মারলেন, যা তাকে পেঁচিয়ে ধরল। যখন সে দেখল যে সে ধরা পড়ে যাচ্ছে, তখন সে নিজেই নিজেকে জবাই করে ফেলল। আব্দুর রহমান রাদিয়াল্লাহু আনহু সংক্ষিপ্তভাবে নামায পড়ালেন। আর মসজিদের পেছনের প্রান্তের লোকেরা কিছুই বুঝতে পারল না, শুধু এইটুকু ছাড়া যে তারা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিল না। তবে যারা তাঁর নিকটবর্তী ছিল তারা সব দেখতে পেল। যখন তারা নামায শেষ করলেন, তিনি ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন: দেখো তো কে আমাকে হত্যা করেছে। তিনি কিছুক্ষণ ঘুরে এসে বললেন: মুগীরা ইবন শু’বার গোলাম। উমর বললেন: সেই কারিগর ছেলেটি? তিনি বললেন: হ্যাঁ, সেই কারিগর। উমর বললেন: আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, আমি তো তাকে ভাল কাজের আদেশ দিয়েছিলাম। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমার মৃত্যু এমন কোনো ব্যক্তির হাতে নির্ধারণ করেননি যে নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তাঁকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলো এবং মানুষ বলতে লাগল: আপনার কোনো সমস্যা হবে না (আপনি সুস্থ হয়ে যাবেন)। এরপর তাঁর কাছে নাবিয আনা হলো, তিনি তা পান করলেন কিন্তু তা তাঁর ক্ষতস্থান দিয়ে বের হয়ে এল। তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে এটিই মৃত্যু। তিনি আব্দুল্লাহ ইবন উমরকে বললেন: দেখো আমার ওপর কী পরিমাণ ঋণ আছে। আব্দুল্লাহ বললেন: ছিয়াশি হাজার। তিনি বললেন: যদি উমরের পরিবারের সম্পদ দিয়ে তা পরিশোধ হয় তবে তাদের সম্পদ থেকে তা আদায় করো। অন্যথায় বনী আদীর কাছে সাহায্য চেয়ো। তাদের সম্পদে সম্পন্ন হলে ভালো, নতুবা কুরাইশদের কাছে চেয়ো এবং তাদের বাইরে আর কারও কাছে যেয়ো না। আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কাছে গিয়ে বলো: উমর আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। আর তাঁকে বলবে যেন তাঁকে তাঁর দুই সাথীর সাথে দাফন করার অনুমতি দেওয়া হয়। আর ‘আমীরুল মুমিনীন’ বলবে না, কারণ আজ আমি মুমিনদের আমীর নই। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন: আমি জায়গাটি নিজের জন্য রাখতে চেয়েছিলাম, তবে আজ আমি তাঁকে নিজের ওপর প্রাধান্য দিচ্ছি। যখন ইবন উমর ফিরে এলেন, উমর বললেন: আমাকে বসিয়ে দাও। এক ব্যক্তি তাঁকে নিজের বুকের সাথে হেলান দিয়ে বসালেন। তিনি ইবন উমরকে বললেন: তোমার কাছে কী সংবাদ আছে? তিনি বললেন: হে আমীরুল মুমিনীন, তিনি অনুমতি দিয়েছেন। উমর বললেন: ইন্তেকাল করার পর ঐ শয্যাস্থলের চেয়ে প্রিয় আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। যখন আমার জান কবজ করা হবে, তখন তোমরা আমাকে বহন করে নিয়ে যেয়ো এবং পুনরায় আমার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করো। যদি তিনি অনুমতি দেন তবে আমাকে সেখানে প্রবেশ করাও, আর যদি ফিরিয়ে দেন তবে আমাকে মুসলিমদের সাধারণ গোরস্তানে ফিরিয়ে নিয়ে এসো। তারপর লোকেরা বলল: হে আমীরুল মুমিনীন, আপনি যদি কাউকে খলীফা মনোনীত করতেন! তিনি বললেন: এই বিষয়ের জন্য তাদের চেয়ে অধিক হকদার আর কাউকে দেখছি না যাদের ওপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তুষ্ট থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তিনি আলী, উসমান, তালহা, জুবায়ের এবং আব্দুর রহমান ইবন আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুমের নাম উল্লেখ করলেন। আর বললেন: আব্দুল্লাহ ইবন উমর তাদের সাথে উপস্থিত থাকবে কিন্তু খিলাফতের বিষয়ে তার কোনো অধিকার থাকবে না। তারা যাকে খলীফা নির্বাচন করবে, আমার পরে সে-ই খলীফা হবে। যদি দায়িত্ব সা’দ পায় তবে তো ভালো, অন্যথায় খলীফা যেন তার সাহায্য নেয়। কেননা আমি তাকে কোনো অক্ষমতা বা খিয়ানতের কারণে পদচ্যুত করিনি। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর এক যুবক প্রবেশ করে বলল: হে আমীরুল মুমিনীন, আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদে আনন্দিত হোন। ইসলামে আপনার অগ্রগামিতা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আপনার সাহচর্য সম্পর্কে আপনি জানেন। এরপর আপনি খলীফা হলেন এবং ন্যায়বিচার করলেন, অতঃপর এখন শাহাদাত লাভ করছেন। উমর বললেন: হে ভাতিজা, আমি কামনা করি যে আমার এই শাসনকাল যেন সমান-সমান হয়ে যায়, যাতে আমার বিরুদ্ধেও কিছু না থাকে আর আমার পক্ষেও কিছু না থাকে। যখন যুবকটি ফিরে যাচ্ছিল, দেখা গেল তার লুঙ্গি মাটিতে স্পর্শ করছে। তিনি বললেন: যুবকটিকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো। তিনি বললেন: হে ভাতিজা, তোমার লুঙ্গি উপরে তোলো। এটি তোমার পোশাকের পরিচ্ছন্নতার জন্য এবং তোমার রবের প্রতি তাকওয়ার জন্য অধিক উত্তম। তারপর তিনি বললেন: আমি আমার পরবর্তী খলীফাকে আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের অসিয়ত করছি। তাকে প্রথম যুগের মুহাজিরদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকার এবং তাদের সম্মান রক্ষা করার অসিয়ত করছি। আনসারদের সাথে সদ্ব্যবহার করার অসিয়ত করছি—যারা আগে থেকেই মদিনায় বসবাস করেছে এবং ঈমান এনেছে—যাতে তিনি তাদের নেককারদের আমল কবুল করেন এবং তাদের ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেন। বিভিন্ন শহরের অধিবাসীদের সাথেও উত্তম ব্যবহারের অসিয়ত করছি, কারণ তারা ইসলামের রক্ষক, সম্পদের সংগ্রাহক এবং শত্রুর জন্য ক্ষোভের কারণ। তাদের অতিরিক্ত সম্পদ যেন তাদের সন্তুষ্টি ছাড়া গ্রহণ করা না হয়। আর বেদুঈনদের সাথে সদ্ব্যবহারের অসিয়ত করছি, কারণ তারা আরবদের মূল এবং ইসলামের মূল উপদান; তাদের সম্পদের উদ্বৃত্ত অংশ যেন গ্রহণ করা হয় এবং তা তাদেরই অভাবীদের মাঝে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আমি তাকে আল্লাহ মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী এবং তাঁর রাসূলের জিম্মায় থাকা ব্যক্তিদের ব্যাপারেও উত্তম ব্যবহারের অসিয়ত করছি, যেন তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করা হয়, তাদের নিরাপত্তার জন্য লড়াই করা হয় এবং তাদের ওপর সাধ্যাতীত বোঝা চাপানো না হয়। যখন তিনি ইন্তেকাল করলেন, তখন তাঁকে বহন করে নিয়ে যাওয়া হলো। মানুষের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল এর আগে তারা আর কোনো বিপদে পড়েনি। ইবন উমর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কাছে গিয়ে সালাম দিলেন এবং বললেন: উমর অনুমতি প্রার্থনা করছেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন... আল্লাহ মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী... সুতরাং তাকে প্রবেশ করাও।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ شَافِعٍ الْجِيِلِيُّ، أنا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْبَنَّاءُ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ.

ح وَأنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنا عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: أنبا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، قَالَ: أنبا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، ثنا مَرْوَانُ الْفَزَارِيُّ، أنبا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ سَلْعٍ، عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: قَامَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، عَلَى الْمِنْبَرِ فَذَكَرَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ فَعَمِلَ بِعَمَلِهِ، وَسَارَ بِسِيرَتِهِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عز وجل عَلَى ذَلِكَ، وَاسْتُخْلِفَ عُمَرُ فَعَمِلَ بِعَمَلِهِمَا وَسَارَ بِسِيرَتِهِمَا حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ عز وجل عَلَى ذَلِكَ "
১০ - হাফেজ আবুল ফজল আহমদ বিন সালেহ বিন শাফি আল-জিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু গালিব আহমদ বিন হাসান আল-বান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ হাসান বিন আলী আল-জওহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

এবং আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল কাদির বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হুসাইন বিন আলী আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন হাফস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সুরাইজ বিন ইউনুস আমাকে বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান আল-ফাজারি আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবদুল মালিক বিন সাল' আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদ খাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, আলী বিন আবি তালিব মিম্বরে দাঁড়িয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা উল্লেখ করে বললেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকাল হলো, অতঃপর আবু বকর খলিফা নিযুক্ত হলেন। তিনি তাঁর (রাসূলের) ন্যায় কাজ করলেন এবং তাঁর আদর্শ অনুযায়ী চললেন, যতক্ষণ না আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা সেই অবস্থাতেই তাঁর প্রাণ হরণ করলেন। এরপর ওমর খলিফা নিযুক্ত হলেন এবং তিনি তাঁদের উভয়ের ন্যায় কাজ করলেন ও তাঁদের আদর্শ অনুযায়ী চললেন, যতক্ষণ না আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা সেই অবস্থাতেই তাঁর প্রাণ হরণ করলেন।"
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنبا عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنبا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أنا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، ثنا عَبْدُ اللَّه، حَدَّثَنِي أَبِي، نا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسٍ، قَالَ: رَأَيْتُ عُمَرَ وَبِيَدِهِ عَسِيبُ نَخْلٍ وَهُوَ يُجْلِسُ النَّاسَ، يَقُولُ:‌‌ اسْمَعُوا لِقَوْلِ خَلِيفَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَجَاءَ مَوْلًى لأَبِي بَكْرٍ، يُقَالُ لَهُ: شَدِيدٌ، بِصَحِيفَةٍ، فَقَرَأَهَا عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ: يَقُولُ أَبُو بَكْرٍ: اسْمَعُوا وَأَطِيعُوا لِمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ فَوَاللَّهِ مَا أَلَوْتُكُمْ، قَالَ قَيْسٌ: فَرَأَيْتُ عُمَرَ بَعْدَ ذَلِكَ عَلَى الْمِنْبَرِ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল কাদির বিন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হাফস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকি', ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়স থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমরকে দেখেছি, তাঁর হাতে ছিল খেজুরের একটি ডাল এবং তিনি মানুষকে বসিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি বলছিলেন: তোমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খলীফার কথা শোনো। এরপর আবু বকরের শাদীদ নামক এক মুক্তদাস একটি সহীফা নিয়ে আসলেন এবং সেটি মানুষের সামনে পাঠ করলেন। তিনি বললেন: আবু বকর বলছেন, তোমরা এই সহীফাতে যা আছে তা শোনো ও মান্য করো; আল্লাহর কসম, আমি তোমাদের কল্যাণ কামনায় কোনো ত্রুটি করিনি। কায়স বলেন: এরপর আমি উমরকে মিম্বারের উপরে দেখলাম।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أنبا عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدٍ، أنبا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبَايَةَ بْنِ رِفَاعَةَ، قَالَ: بَلَغَ عُمَرَ أَنَّ سَعْدًا لَمَّا بَنَى الْقَصْرَ، قَالَ: انْقَطَعَ الصَّوْتُ، فَبَعَثَ إِلَيْهِ مُحَمَّدَ بْنَ مَسْلَمَةَ، فَلَمَّا قَدِمَ أَخْرَجَ زَنْدَهُ، وَأَوْرَى نَارَهُ، وَابْتَاعَ حَطَبًا بِدِرْهَمٍ، وَقِيلَ لِسَعْدٍ: إِنَّ رَجُلا فَعَلَ كَذَا وَكَذَا، فَقَالَ: ذَاكَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ خَرَجَ إِلَيْهِ، فَحَلَفَ بِاللَّهِ مَا قَالَهُ، قَالَ: نُؤَدِّي عَنْكَ الَّذِي يَقُولُ وَنَفْعَلُ مَا أُمِرْنَا بِهِ فَأَحْرَقَ الْبَابَ، ثُمَّ أَقْبَلَ يَعْرِضُ عَلَيْهِ أَنْ يُزَوِّدَهُ فَأَبَى فَخَرَجَ وَقَدِمَ عَلَى عُمَرَ فَهَجَّرَ إِلَيْهِ، فَسَارَ ذَهَابَهُ وَرُجُوعَهُ تِسْعَ عَشْرَةَ فَقَالَ: لَوْلا حُسْنُ الظَّنِّ بِكَ لَرَأَيْنَا أَنَّكَ لَمْ تُوَدِّعْنَا، قَالَ: بَلَى أَرْسَلَ يُقْرِئُ السَّلامَ وَيَعْتَذِرُ وَيَحْلِفُ بِاللَّهِ مَا قَالَهُ، قَالَ: فَهَلْ زَوَّدَكَ شَيْئًا؟ قَالَ: لا، قَالَ: فَمَا مَنَعَكَ أَنْ تُزَوِّدَنِي أَنْتَ؟ قَالَ: إِنِّي كَرِهْتُ أَنْ آمُرَ لَكَ فَيَكُونَ لَكَ الْبَارِدُ وَلِيَ الْحَارُّ، وَحَوْلِي أَهْلُ الْمَدِينَةِ قَدْ قَتَلَهُمُ الْجُوعُ، وَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‌‌«لا يَشْبَعُ الرَّجُلُ دُونَ جَارِهِ»
১২ - আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল কাদির বিন মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবায়াহ বিন রিফাআহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমরের নিকট সংবাদ পৌঁছাল যে, সাদ যখন প্রাসাদ নির্মাণ করলেন, তখন তিনি বললেন: (বাজারের) আওয়াজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে। তখন উমর তাঁর নিকট মুহাম্মদ বিন মাসলামাহকে পাঠালেন। তিনি যখন পৌঁছালেন, তখন তাঁর চকমকি পাথর বের করলেন এবং আগুন জ্বালালেন এবং এক দিরহাম দিয়ে কাঠ ক্রয় করলেন। সাদকে বলা হলো: এক ব্যক্তি এই এই কাজ করছে। তিনি বললেন: তিনি মুহাম্মদ বিন মাসলামাহ। তিনি তাঁর নিকট বেরিয়ে আসলেন এবং আল্লাহর নামে শপথ করে বললেন যে তিনি তা বলেননি। তিনি (মুহাম্মদ) বললেন: আপনি যা বলছেন আমরা আপনার পক্ষ থেকে তা পৌঁছে দেব, কিন্তু আমাদের যা আদেশ করা হয়েছে আমরা তা পালন করব। অতঃপর তিনি দরজাটি পুড়িয়ে দিলেন। এরপর তিনি (সাদ) তাঁকে পাথেয় দেওয়ার প্রস্তাব দিলেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করলেন। অতঃপর তিনি বেরিয়ে পড়লেন এবং উমরের নিকট ফিরে আসলেন। তিনি দ্বিপ্রহরের তীব্র গরমে পথ চলতেন এবং তাঁর যাওয়া-আসা মিলিয়ে উনিশ দিন সময় লেগেছিল। উমর বললেন: তোমার প্রতি সুধারণা না থাকলে আমরা মনে করতাম যে তুমি আমাদের নিকট থেকে বিদায়ই নাওনি। তিনি বললেন: অবশ্যই (বিদায় নিয়েছি), তিনি সালাম পাঠিয়েছেন এবং ওজর পেশ করেছেন এবং আল্লাহর নামে শপথ করেছেন যে তিনি ওরূপ কিছু বলেননি। উমর বললেন: তিনি কি তোমাকে কোনো পাথেয় দিয়েছেন? তিনি বললেন: না। উমর বললেন: তুমি আমাকে কোনো পাথেয় দেওয়া থেকে কেন বিরত থাকলে? তিনি বললেন: আমি আপনার জন্য এমন কিছুর আদেশ প্রদান অপছন্দ করেছি যা আপনার জন্য হবে শীতল (আরামদায়ক) এবং আমার জন্য হবে উত্তপ্ত, অথচ আমার চারপাশে মদিনাবাসী ক্ষুধার তাড়নায় মৃতপ্রায়। আর আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‌‌«কোনো ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে অভুক্ত রেখে নিজে পেট পুরে খায় না»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا سَعْدُ اللَّهِ، وَنَصْرُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْغَنِيِّ بْنِ حَنِيفَةَ، أنبا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقْرِئُ، أنبا عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، ثنا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الصَّوَّافِ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ، ثنا عَاصِمُ بْنُ كُلَيْبٍ، أَخْبَرَنِي أَبِي، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ: كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ‌‌ إِذَا صَلَّى صَلاةً جَلَسَ لِلنَّاسِ، فَمَنْ كَانَتْ لَهُ حَاجَةٌ كَلَّمَهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لأَحَدٍ حَاجَةٌ، قَامَ فَدَخَلَ، قَالَ: فَصَلَّى صَلَوَاتٍ لا يَجْلِسُ لِلنَّاسِ فِيهِنَّ، قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: فَحَضَرْتُ الْبَابَ، فَقُلْتُ: يَا يَرْفَأُ أَبِأَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ شَكَاةٌ؟ قَالَ: مَا بِأَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ شَكْوَى، فَجَلَسْتُ، فَجَاءَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَجَلَسَ، فَخَرَجَ يَرْفَأُ، فَقَالَ: قُمْ يَابْنَ عَفَّانَ، قُمْ يَابْنَ عَبَّاسٍ، فَدَخَلا عَلَى عُمَرَ، فَإِذَا بَيْنَ يَدَيْهِ صُبَرٌ مِنْ مَالٍ عَلَى كُلِّ صُبْرَةٍ كَتِفٌ، فَقَالَ عُمَرُ: إِنِّي نَظَرْتُ فِي أَهْلِ الْمَدِينَةِ فَوَجَدْتُكَمَا مِنْ أَكْثَرِ أَهْلِهَا عَشِيرَةً، فَخُذَا هَذَا الْمَالَ فَاقْسِمَاهُ فَمَا كَانَ مِنْ فَضْلٍ فَرُدَّا، فَأَمَّا عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَجَثَا، وَأَمَّا أَنَا فَجَثَوْتُ عَلَى رُكْبَتِي، فَقُلْتُ: وَإِنْ كَانَ نُقْصَانًا رَدَدْتَ عَلَيْنَا، فَقالَ عُمَرُ: شِنْشِنَةٌ مِنْ أَخْشَنَ، يَعْنِي: حَجَرًا مِنْ جَبَلٍ، فَقَالَ: أَمَّا هَذَا عِنْدَ اللَّهِ إِذْ مُحَمَّدٌ وَأَصْحَابُهُ يَأْكُلُونَ الْقَدَّ؟ فَقُلْتُ: بَلَى وَاللَّهِ، لَقَدْ كَانَ عِنْدَ اللَّهِ وَمُحَمَّدٌ حَيٌّ وَلَوْ فُتِحَ عَلَيْهِ لَصَنَعَ غَيْرَ الَّذِي تَصْنَعُ، قَالَ: فَغَضِبَ عُمَرُ، وَقَالَ: صَنَعَ مَاذَا؟ قَالَ: إِذًا لا أَكَلَ وَأَطْعَمَنَا، قَالَ: فَنَشَجَ عُمَرُ حَتَّى اخْتَلَفَتْ أَضْلاعُهُ، قَالَ: وَدِدْتُ أَنِّي خَرَجْتُ مِنْهَا كَفَافًا لا لِي، وَلا عَلَيَّ "
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাদুল্লাহ, নাসর বিন সাঈদ এবং আহমাদ বিন আব্দুল গনি বিন হানিফাহ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আলী আল-মুকরি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ বিন জাফর; আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ; আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন বিশর বিন মুসা; আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদী; আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান; আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আসিম বিন কুলাইব; আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছেন: উমর ইবনুল খাত্তাব যখন কোনো নামাজ পড়তেন, তখন মানুষের (প্রয়োজন পূরণের) জন্য বসতেন। যার কোনো প্রয়োজন থাকত, তিনি তার সাথে কথা বলতেন। আর যদি কারো কোনো প্রয়োজন না থাকত, তবে তিনি উঠে ভেতরে প্রবেশ করতেন। (বর্ণনাকারী) বলেন: তিনি কয়েক ওয়াক্ত নামাজ পড়লেন যেগুলোতে তিনি মানুষের জন্য বসলেন না। ইবনে আব্বাস বলেন: আমি দরজায় উপস্থিত হলাম এবং বললাম: হে ইয়ারফা! আমীরুল মুমিনীন কি কোনো অসুস্থতায় ভুগছেন? সে বলল: আমীরুল মুমিনীন কোনো অসুস্থতায় ভুগছেন না। তখন আমি বসে পড়লাম। এরপর উসমান বিন আফফান আসলেন এবং বসলেন। তখন ইয়ারফা বেরিয়ে এসে বলল: হে ইবনে আফফান, উঠুন; হে ইবনে আব্বাস, উঠুন। তারা উমরের কাছে প্রবেশ করলেন। দেখা গেল তার সামনে স্তূপ করা সম্পদ রয়েছে এবং প্রতিটি স্তূপের ওপর একটি করে পশুর কাঁধের হাড় রাখা আছে। উমর বললেন: আমি মদিনাবাসীদের প্রতি লক্ষ করলাম এবং তোমাদের দুজনকে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আত্মীয়-পরিজন ও বংশের অধিকারী হিসেবে পেলাম। সুতরাং তোমরা এই সম্পদ নিয়ে যাও এবং তা বণ্টন করে দাও। যা অতিরিক্ত থাকবে তা ফিরিয়ে দিও। তখন উসমান বিন আফফান হাঁটু গেড়ে বসলেন এবং আমিও আমার হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে বসলাম। আমি বললাম: আর যদি ঘাটতি হয়, তবে কি আপনি আমাদের তা পূরণ করে দেবেন? উমর বললেন: এটি ‘আখশান’ থেকে আসা একটি স্বভাব (অর্থাৎ পাহাড় থেকে আসা পাথর)। এরপর তিনি বললেন: আল্লাহর কাছে এর অবস্থা কী হবে যখন মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর সাথীরা শুকনো চামড়া খেতেন? আমি বললাম: হ্যাঁ আল্লাহর কসম! এটি আল্লাহর কাছে (বিবেচ্য) ছিল যখন মুহাম্মদ ﷺ জীবিত ছিলেন; আর যদি তাঁর ওপর (দুনিয়ার বিজয়) উন্মুক্ত হতো তবে তিনি আপনি যা করছেন তার চেয়ে ভিন্ন কিছু করতেন। (বর্ণনাকারী) বলেন: উমর রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: তিনি কী করতেন? ইবনে আব্বাস বললেন: তখন তিনি নিজে না খেয়ে আমাদের খাওয়াতেন। (বর্ণনাকারী) বলেন: উমর তখন কান্নায় এমনভাবে ভেঙে পড়লেন যে তার পাঁজরের হাড়গুলো (একটির সাথে অন্যটি) তফাত হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো। তিনি বললেন: আমি কামনা করি যে, আমি যদি এ দায়িত্ব থেকে সমান সমানভাবে (নিষ্কলঙ্ক অবস্থায়) বেরিয়ে যেতে পারতাম—না আমার কোনো সওয়াব হতো, আর না আমার কোনো দায় থাকত।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو أَحْمَدَ مَعْمَرُ بْنُ الْفَاخِرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ رَجَاءٍ الأَصْبَهَانِيُّ، بِبَغْدَادَ، أنا أَبُو الْقَاسِمِ غَانِمُ بْنُ أَبِي نَصْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الْيزجِيُّ، أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَاذَانَ الأَدِيبُ، أنبا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ فُورَكٍ الْقَبَّابُ، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَاصِمٍ النَّبِيلُ، ثنا سَلَمَةُ، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: أَبْصَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى عُمَرَ ثَوْبًا، فَقَالَ: ‌‌«جَدِيدٌ ثَوْبُكَ هَذَا، أَمْ غَسِيلٌ؟» .

فَقَالَ: بَلْ غَسِيلٌ، فَقَالَ: «الْبَسْ جَدِيدًا، وَعِشْ حَمِيدًا، وَمِتْ
شَهِيدًا» .

قَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ: وَحَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ: «وَيَرْزُقُكَ اللَّهُ قُرَّةَ عَيْنٍ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ»
১৪ - হাফেজ আবু আহমাদ মা’মার ইবনুল ফাখির ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে রাজা আল-আসফাহানি আমাদের বাগদাদে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসেম গানিম ইবনে আবু নাসর ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-ইয়াজজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শাযান আল-আদিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ফুরাক আল-কাব্বাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমাদ ইবনে আমর ইবনে আবু আসিম আন-নাবিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা’মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, আর তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উমর (রা.)-এর অঙ্গে একটি পোশাক দেখলেন, অতঃপর তিনি বললেন: “তোমার এই পোশাকটি কি নতুন, নাকি ধোয়া?”।

তিনি উত্তর দিলেন: বরং ধোয়া। তখন তিনি বললেন: “নতুন পোশাক পরিধান করো, প্রশংসিত জীবন অতিবাহিত করো এবং
শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করো।”

আব্দুর রাজ্জাক বলেন: আমার ধারণা যে তিনি আরও বলেছিলেন: “এবং আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে চোখের শীতলতা দান করুন।”
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحِ بْنِ شَافِعٍ، أنبا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْبَنَّاءُ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، وَأنبا أَبُو بَكْرِ بْنُ النَّقُّورِ، أنبا أَبُو طَالِبِ بْنُ يُوسُفَ، أنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، أنبا أَبُو بَكْرٍ الْقَطِيعِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنِي أِبي، ثنا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، يَعْنِي: الْفَرَّاءَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدِ بِن يُثَيْعٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، مَنْ نُؤَمِّرُ بَعْدَكَ؟ قَالَ: ‌‌«إِنْ تُؤَمِّرُوا أَبَا بَكْرٍ تَجِدُوهُ أَمِينًا زَاهِدًا فِي الدُّنْيَا، رَاغِبًا فِي الآخِرَةِ، وَإِنْ تُؤَمِّرُوا عُمَرَ تَجِدُوهُ قَوِيًّا أَمِينًا لا يَخَافُ فِي اللَّهِ لَوْمَةَ لائِمٍ، وَإِنْ تُؤَمِّرُوا عَلِيًّا وَلا أَرَاكُمْ فَاعِلِينَ تَجِدُوهُ هَادِيًا مَهْدِيًّا يَأْخُذُ بِكُمْ إِلَى الصِّرَاطِ الْمُسْتَقِيمِ»
15 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল আহমদ বিন সালিহ বিন শাফি', আমাদের জানিয়েছেন আবু গালিব আহমদ বিন হাসান বিন আলী বিন আল-বান্না, আমাদের জানিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওহারী, এবং আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর বিন আন-নাক্কুর, আমাদের জানিয়েছেন আবু তালিব বিন ইউসুফ, আমাদের জানিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী আত-তামীমী, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আল-কাতী'ঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসওয়াদ বিন আমির, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামীদ বিন জাফর, অর্থাৎ: আল-ফাররা, আবু ইসহাক থেকে, তিনি জায়েদ বিন ইয়ুসাই' থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার পর আমরা কাকে আমীর (নেতা) নিযুক্ত করব? তিনি বললেন: ‌‌«যদি তোমরা আবু বকরকে আমীর নিযুক্ত করো, তবে তাকে আমানতদার, দুনিয়ার প্রতি বিরাগী এবং আখেরাতের প্রতি আগ্রহী পাবে। আর যদি তোমরা উমরকে আমীর নিযুক্ত করো, তবে তাকে শক্তিশালী ও আমানতদার পাবে, আল্লাহর পথে সে কোনো তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় করে না। আর যদি তোমরা আলীকে আমীর নিযুক্ত করো—যদিও আমি তোমাদের তা করতে দেখছি না—তবে তাকে পথপ্রদর্শক ও সঠিক পথপ্রাপ্ত পাবে, যে তোমাদের সরল পথের দিকে নিয়ে যাবে।»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي، أنبا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ خَيْرُونٍ، وَأنبا أَحْمَدُ بْنُ وَضَاحٍ، أنبا الشَّرِيفُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ أَحْمَدَ الأَنْصَارِيُّ، قَالا: أنبا أَبُو عَلِيٍّ رَجَاءٌ، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ كَسَّارٌ النَّحْوِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَحْيَى الْقَاضِي، ثنا حَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ زُرَيْعٍ، قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، قَدْ حَمِدْتُ رَبِّي بِمَحَامِدَ وَمِدَحٍ وَإِيَّاكَ، فَقَالَ: ‌‌«أَمَا إِنَّ رَبَّكَ يُحِبُّ الْمَدْحَ» وَجَعَلْتُ أُنْشِدُهُ فَاسْتَأْذَنَ رَجُلٌ طُوَالٌ أَصْلَعُ، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اسْكُتْ» فَدَخَلَ فَتَكَلَّمَ سَاعَةً، ثُمَّ خَرَجَ، وَأَنْشَدْتُهُ ثُمَّ جَاءَ فَأَسْكَتَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَتَكَلَّمَ، ثُمَّ خَرَجَ، فَفَعَلَ ذَلِكَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاثًا، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ هَذَا الَّذِي أَسْكَتَنِي لَهُ؟ قَالَ: «هَذَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ، هَذَا رَجُلٌ لا يُحِبُّ الْبَاطِلَ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল বাকি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল ফজল আহমদ বিন হাসান বিন খাইরুন এবং আমাদের জানিয়েছেন আহমদ বিন ওয়াজ্জাহ, আমাদের জানিয়েছেন আশ-শরিফ আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন আব্দুস সালাম বিন আহমদ আল-আনসারি। তাঁরা বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আলি রাজা, আমাকে জানিয়েছেন আবু মুহাম্মদ হাসান বিন মুহাম্মদ কাসসার আন-নাহবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন ইয়াহইয়া আল-কাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ বিন মিনহাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, আলি বিন জাইদ থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবু বকর থেকে, তিনি আসওয়াদ বিন জুরাই‘ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর নবী, আমি আমার রবের প্রশংসা ও গুণগান এবং আপনারও (প্রশংসা) সম্বলিত কিছু কাব্য রচনা করেছি। তিনি বললেন: "জেনে রেখো, তোমার রব প্রশংসা পছন্দ করেন।" অতঃপর আমি তাঁকে তা পাঠ করে শোনাতে লাগলাম। এমন সময় দীর্ঘদেহী ও মাথায় টাক পড়া এক ব্যক্তি অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: "চুপ করো"। এরপর লোকটি প্রবেশ করলেন এবং কিছুক্ষণ কথা বললেন, তারপর বেরিয়ে গেলেন। আমি পুনরায় আবৃত্তি করতে লাগলাম। এরপর তিনি আবার আসলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে চুপ করালেন। তিনি কথা বললেন এবং বেরিয়ে গেলেন। এমনটি দুই বা তিনবার ঘটল। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এ কে যার জন্য আপনি আমাকে চুপ করিয়ে দিচ্ছেন? তিনি বললেন: "তিনি হলেন উমর ইবনুল খাত্তাব। তিনি এমন এক ব্যক্তি যিনি বাতিল (অসারতা) পছন্দ করেন না।"
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْمُقَرَّبِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْكَرْخِيُّ، أنا أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، أنبا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَسْنُونٍ النَّرْسِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، ثنا رَوْحُ بْنُ مُسَافِرٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«هَذَانِ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ إِلا النَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ لا تُخْبِرْهُمَا» .

فَمَا تَكَلَّمْتُ حَتَّى مَاتَا، يَعْنِي: أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনুল মুকাররাব ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাসান আল-কারখি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলি আজ-জাইনাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাসনুন আন-নারসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আমর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাওহ ইবনে মুসাফির, আসিম ইবনে বাহদালা থেকে, তিনি জির ইবনে হুবাইশ থেকে, তিনি আলি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন: «নবী ও রাসুলগণ ব্যতীত পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল জান্নাতবাসীর মধ্যে এই দুইজন হলো প্রৌঢ়দের সরদার; তুমি তাদেরকে এই সংবাদ দিও না»।

অতঃপর তারা মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলিনি, অর্থাৎ: আবু বকর ও উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفِيُّ، أنبا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، وَأنبا يَحْيَى بْنُ ثَابِتٍ، وَشُهْدَةُ بِنْتُ أَبِي نَصْرٍ، وَتَجْنِي بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ الْوَهْبَانِيةٌ، بِبَغْدَادَ، قَالُوا: أنبا أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، قَالا: أنبا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْحَفَّارُ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُجَشَّرٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أنبا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ أَقْبَلَ أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، فَقَالَ: ‌‌«هَذَانِ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ» ، ثُمَّ قَالَ: يَا عَلِيُّ، لا تُخْبِرْهُمَا "
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আস-সিলাফি, আমাদের অবহিত করেছেন রইস আবু আব্দুল্লাহ আস-সাকাফি এবং আমাদের অবহিত করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাবিত, শুহদাহ বিনতে আবি নাসর ও তাজনি বিনতে আব্দুল্লাহ আল-ওয়াহবানিয়াহ বাগদাদে। তাঁরা বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আজ-জায়নাবি। তাঁরা (উভয়ে) বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মাদ বিন জা’ফর আল-হাফফার। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন মুজাশশার। আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুবারক। আমাদের অবহিত করেছেন ইউনুস বিন আবি ইসহাক, তিনি শাবি থেকে, তিনি আলি বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট ছিলাম, এমতাবস্থায় আবু বকর ও উমর আগমন করলেন। তখন তিনি বললেন: «এই দু'জন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী জান্নাতবাসীদের প্রৌঢ়দের সর্দার», এরপর তিনি বললেন: হে আলি, তুমি তাদের সংবাদ দিও না। "
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْمُقَرَّبِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْكَرْخِيُّ الْبَغْدَادِيُّ، بِهَا، أنبا طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، أنبا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَسْنُونٍ النَّرْسِيُّ، أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرُو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْهَيْثَمِ الْبَلَدِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْمِصِّيصِيُّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ: ‌‌«هَذَانِ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ إِلا النَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ» .

قَالَ عَلِيُّ بْنُ نَصْرٍ عَنِ الإِمَامِ أَحْمَدَ حَدِيثَ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، فِي أَبِي بَكْرٍ، وَعُمَرَ، هُوَ وَهْمٌ مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ ، وَقَالَ أَبُو طَالِبٍ، عَنْ أَحْمَدَ: هَذَا مُنْكَرُ ، مَا رَوَى أَحَدٌ عَنْ قَتَادَة، عَنْ أَنَسٍ
১৯ - আবু বকর আহমদ বিন আল-মুকাররাব বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান আল-কারখি আল-বাগদাদি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-জায়নাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু নাসর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাসনুন আন-নারসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহিম বিন আল-হাইসাম আল-বালাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন কাসির আল-মিসসিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওজায়ি থেকে, তিনি কাতাদা থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকর ও উমর (রা.) সম্পর্কে বলেছেন: «নবী ও রাসুলগণ ব্যতীত পূর্ববর্তী ও পরবর্তী জান্নাতবাসীদের প্রৌঢ়দের সরদার হলেন এই দুজন»।

আলী বিন নাসর ইমাম আহমাদ থেকে আল-আওজায়ি-কাতাদা-আনাস সূত্রে আবু বকর ও উমর সম্পর্কে বর্ণিত এই হাদিসটি প্রসঙ্গে বলেছেন: এটি মুহাম্মদ বিন কাসিরের একটি বিভ্রম (ভুল)। এবং আবু তালিব ইমাম আহমাদ থেকে বর্ণনা করেছেন: এটি মুনকার (অগ্রহণযোগ্য), কাতাদা থেকে আনাস সূত্রে এটি কেউ বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيَّةُ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ الرَّزَّازُ، أنبا أَبُو الْفَرَجِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الطَّنَاجِيرِيُّ، ثنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاهِينَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى، ثنا سَوَّارُ بْنُ مُصْعَبٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّ لِي وَزِيرَيْنِ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ، وَوَزِيرَيْنِ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ فَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ فَجِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ عليهما السلام، وَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ فَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رضي الله عنهما» .

رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ عَنِ الأَشَجِّ، عَنْ تَلِيدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي الْجَحَّافِ دَاوُدَ بْنِ أَبِي عَوْفٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতু আলী বিন আবদুল্লাহ আল-বাগদাদিয়া, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন বায়ান আল-রাজজাজ, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-ফারাজ আল-হুসাইন বিন আলী বিন উবাইদুল্লাহ আল-তানাজিরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন শাহীন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আলা বিন মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাওয়ার বিন মুসআব, আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: ‌‌«নিশ্চয়ই আসমানবাসীদের মধ্য থেকে আমার দুইজন উজির (সহকারী) রয়েছেন এবং জমিনবাসীদের মধ্য থেকে আমার দুইজন উজির রয়েছেন। আর আসমানবাসীদের মধ্য থেকে আমার দুইজন উজির হলেন জিবরাঈল ও মিকাঈল (তাঁদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), আর জমিনবাসীদের মধ্য থেকে আমার দুইজন উজির হলেন আবু বকর ও উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের ওপর সন্তুষ্ট হোন)»।

তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন আল-আশাজ্জ থেকে, তিনি তালিদ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি আবু আল-জাহহাফ দাউদ বিন আবি আওফ থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে; এবং তিনি বলেছেন: এটি একটি হাসান গারিব হাদিস।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْمُقَرَّبِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْكَرْخِيُّ، وَنَفِيسَةُ بِنْتُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، بِبَغْدَادَ، قَالا: أنبا أَبُو الْفَوَارِسِ طِرَادُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، أنبا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَسْنُونٍ النَّرْسِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الدَّقِيقِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّ أَهْلَ الْجَنَّةِ لَيَتَرَاءَوْنُ أَهْلَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى كَمَا يَتَرَاءَى أَهْلُ الدُّنْيَا الْكَوْكَبَ الدُّرِّيَّ فِي السَّمَاءِ، وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ مِنْهُمْ وَأَنْعَمَا» .

قَالَ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، وَسَمِعْتُ يَزِيدَ بْنَ هَارُونَ، وَسُئِلَ عَنْ تَفْسِيرِ: وَأَنْعَمَا، قَالَ: وَأَهْلا
২১ - আবু বকর আহমাদ ইবনুল মুকাররাব ইবনুল হুসাইন ইবনুল হাসান আল-কারখী এবং নাফিসাহ বিনতে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আজ-জায়নাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নাসর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাসনুন আন-নারসী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক আদ-দাকীকী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মাসউদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আতিয়্যাহ আল-আউফী থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই জান্নাতবাসীরা উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এমনভাবে দেখবে যেমন দুনিয়াবাসীরা আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখে থাকে। আর নিশ্চয়ই আবু বকর ও উমর তাঁদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁরা অতি উত্তম অবস্থায় আছেন»।

আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক বলেন: আমি ইয়াযীদ ইবনে হারুনকে বলতে শুনেছি, যখন তাঁকে ‘ওয়ানআমাহ’ শব্দের ব্যাখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তখন তিনি বললেন: (এর অর্থ হলো) তাঁরা এর যোগ্য।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخَبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْوِقَايَاتِيُّ، بِبَغْدَادَ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ، أنا أَبُو الْفَرَجِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الطَّنَاجِيرِيُّ، ثنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَاهِينَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِنَّ أَهْلَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى يَرَاهُمْ مَنْ هُمْ أَسْفَلَ مِنْهُمْ كَالْكَوْكَبِ الدُّرِّيِّ، وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ مِنْهُمْ وَأَنْعَمَا وَأَنْعَمَا وَأَنْعَمَا»
২২ - বাগদাদে ফাতিমা বিনতে আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-উিকায়াতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-কাসিম আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আল-ফারাজ আল-হুসাইন বিন আলী বিন উবায়দুল্লাহ আল-তানাজিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হাফস উমর বিন আহমদ বিন উসমান বিন শাহীন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুদবাহ বিন খালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ হতে, তিনি আতিয়্যাহ হতে, তিনি আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই উচ্চ মর্যাদার অধিকারীদেরকে তাদের নিচের স্তরের লোকেরা এমনভাবে দেখবে যেমন উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা যায়। আর আবু বকর ও উমর তাঁদেরই অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁরা কতই না উত্তম ও নিয়ামতপ্রাপ্ত, এবং তাঁরা নিয়ামতপ্রাপ্ত এবং তাঁরা নিয়ামতপ্রাপ্ত»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفِيُّ، أنا أَبُو الْحَسَنِ مَكِّيُّ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ عَلانَ الْكَرْخِيُّ، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْحِيرِيُّ، ثنا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْقِلٍ الْمَيْدَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، ثنا أَبُو قُتَيْبَةَ سُلَيْمَانُ بْنُ قُتَيْبَةَ، عَنْ يُونُسَ يَعْنِي: ابْنَ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِنَّ الرَّجُلَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ لَيُشْرِفُ عَلَى أَهْلِ الْجَنَّةِ كَأَنَّهُ كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ، وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ مِنْهُمْ وَأَنْعَمَا»
২৩ - আবু তাহির আস-সিলাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান মাক্কী বিন মানসূর বিন আল্লান আল-কারখী আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ আল-হীরী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলী মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাকিল আল-মাইদানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আদ-যুহলী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু কুতাইবাহ সুলাইমান বিন কুতাইবাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইউনুস অর্থাৎ ইবনে আবী ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি আশ-শা‘বী থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «জান্নাতবাসীদের মধ্য থেকে কোনো ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের নিকট এমনভাবে প্রতিভাত হবেন যেন তিনি একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। আর নিশ্চয়ই আবু বকর ও উমর তাদেরই অন্তর্ভুক্ত এবং তারা কতই না শ্রেষ্ঠ!»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَحُسَيْنُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنبا مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، ثنا الرَّبِيعُ بْنُ سَهْلٍ الْوَاسِطِيُّ، ثنا حُصَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ السّلمِيِّ، حَدَّثَنِي جَابِرُ بْنُ سَمُرَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: ‌‌«إِنَّ أَهْلَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى يَرَاهُمْ مَنْ هُمْ أَسْفَلَ مِنْهُمْ كَمَا يُرَى الْكَوْكَبُ الدُّرِّيُّ فِي أُفُقِ السَّمَاءِ، وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ مِنْهُمْ وَأَنْعَمَا»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ এবং হুসাইন ইবনে ইবরাহীম, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাহমুদ ইবনে ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-কাওয়ারীরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রাবী ইবনে সাহল আল-ওয়াসিতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে আব্দুর রহমান আস-সুলামী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির ইবনে সামুরাহ (রা.), তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই উচ্চ মাকামের অধিকারীদের তাঁদের নিচের স্তরের লোকেরা দেখতে পাবে, যেমন আকাশের দিগন্তে দীপ্তিমান নক্ষত্র দেখা যায়। আর আবু বকর ও উমর তাঁদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁরা কতই না উত্তম!»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبَغْدَادِيُّ بِجَانِبِهَا الْغَرْبِيِّ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْخلِّ، وَأنبا أَبُو الْمَعَالِي أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْغَنِيِّ بْنِ حَنِيفَةَ، أنبا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَاقِلانِيُّ، قَالا: أنبا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَحَامِلِيُّ، أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ، ثنا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا الْقَعْنَبِيُّ، ثنا سَلَمَةُ بْنُ وَرْدَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: سَأَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَصْحَابَهُ: ‌‌«مَنْ أَصْبَحَ صَائِمًا الْيَوْمَ؟» فَقَالَ عُمَرُ: أَنَا، قَالَ: «فَمَنْ تَصَدَّقَ الْيَوْمَ؟» قَالَ عُمَرُ: أَنَا، قَالَ: «فَمَنْ عَادَ مَرِيضًا؟» قَالَ عُمَرُ: أَنَا، قَالَ: «فَمَنْ تَبِعَ جِنَازَةً؟» ، قَالَ عُمَرُ: أَنَا، قَالَ: «وَجَبَتْ لَكَ وَجَبَتْ لَكَ» .

يَعْنِي: الْجَنَّةَ
২৫ - আবু আলী আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আল-বাগদাদী (শহরের) পশ্চিম পাশে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আল-খাল্ল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, এবং আবু আল-মাআলী আহমাদ বিন আব্দুল গনি বিন হানিফাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু গালিব মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ আল-বাকিলানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুসাইন আল-মাহামিলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম আশ-শাফিয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআয বিন আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-কানাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালামাহ বিন ওয়ারদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আনাস বিন মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন: «আজ কে রোজা রাখা অবস্থায় ভোর করেছে?» উমর বললেন: আমি, তিনি বললেন: «তবে আজ কে দান-সদকা করেছে?» উমর বললেন: আমি, তিনি বললেন: «তবে কে দেখতে গিয়েছে রোগীকে?» উমর বললেন: আমি, তিনি বললেন: «তবে কে জানাজার অনুসরণ করেছে?», উমর বললেন: আমি, তিনি বললেন: «তোমার জন্য তা অবধারিত হয়ে গেল, তোমার জন্য তা অবধারিত হয়ে গেল»।

অর্থাৎ: জান্নাত।
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ الرَّزَّازُ، أنبا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ ، ثنا عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّبَّاحِ الْقَطَّانُ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ الْجُمَّيْزِيُّ، قَالا: ثنا الْحَكَمُ بْنُ مَرْوَانَ، ثنا فُرَاتُ بْنُ السَّائِبِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَرَادَ أَنْ يَبْعَثَ رَجُلا فِي حَاجَةٍ مُهِمَّةٍ، وَأَبُو بَكْرٍ عَنْ يَمِينِهِ، وَعُمَرُ عَنْ يَسَارِهِ، فَقَالَ لَهُ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: أَلا تَبْعَثَ أَحَدَ هَذَيْنِ، فَقَالَ: ‌‌«كَيْفَ أَبْعَثُهُمَا وَهُمَا مِنَ الدِّينِ بِمَنْزِلَةِ السَّمْعِ وَالْبَصَرِ»
২৬ - ফাতেমা বিনতে আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান আল-রাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হুসাইন বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উমর বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন হারুন বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ বিন আস-সাব্বাহ আল-কাত্তান এবং উবায়দুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-জুম্মাইযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আল-হাকাম বিন মারওয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফুরাত বিন আস-সাইব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মাইমুন বিন মিহরান থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন ব্যক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে পাঠাতে চেয়েছিলেন, এমতাবস্থায় আবু বকর তাঁর ডান পাশে এবং উমর তাঁর বাম পাশে ছিলেন। তখন আলী বিন আবি তালিব তাঁকে বললেন: আপনি কি তাঁদের একজনকে পাঠাবেন না? তিনি উত্তরে বললেন: «আমি তাঁদের কীভাবে পাঠাব, অথচ দ্বীনের মধ্যে তাঁদের মর্যাদা হলো শ্রবণ ও দৃষ্টির ন্যায়?»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَابْنُ حَمْدٍ أَبُو سَعِيدٍ الْمُظَفَّرُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقُومسَانِيَّانِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدِ بْنِ الْحَسَنِ الدُّونِيُّ، أنبا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَامِعٍ، قَالا: أنبا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ عَلِيٍّ، ثنا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ خِرَاشٍ، عَنْ حُذَيْفَة، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«اقْتَدُوا بِاللَّذَيْنِ مِنْ بَعْدِي ـ وَأَشَارَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ ـ وَاهْتَدُوا بِهَدْيِ عَمَّارٍ، وَإِذَا حَدَّثَكُمُ ابْنُ أُمِّ عَبْدٍ فَصَدِّقُوهُ»
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাহাসিন আবদুর রাজ্জাক বিন ইসমাঈল এবং ইবনে হামদ আবু সাঈদ আল-মুজাফ্ফার বিন আবদিল কারীম বিন মুহাম্মদ আল-কুমসানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান বিন হামদ বিন আল-হাসান আদ-দুনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ বিন আল-হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আলি আল-হুসাইন বিন সাঈদ আল-আনসারি এবং আবদুল্লাহ বিন জামি‘, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন আবদিল মুমিন বিন আলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়াকি‘, মিসআর থেকে, তিনি আবদিল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি খিরাশ থেকে, তিনি হুজায়ফা থেকে, তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তোমরা আমার পরবর্তী দুই ব্যক্তির অনুসরণ করো — আর তিনি আবু বকর ও উমরের দিকে ইশারা করলেন — এবং আম্মারের পথনির্দেশনা অনুযায়ী চলো, আর যখন ইবনে উম্মে আবদ তোমাদের কাছে কিছু বর্ণনা করেন, তখন তাকে সত্য বলে গ্রহণ করো»
(খণ্ড: ১) আস-সানি মিন ফাযায়িলি উমার ইবনিল খাত্তাব (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفِيُّ، أنبا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقَارِئُ، أنبا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الْعُكْبَرِيُّ، أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ حَرْبٍ، ثنا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ اقْتَدُوا بِاللَّذَيْنِ مِنْ بَعْدِي: أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ "
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আস-সিলাফি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খাত্তাব নাসর বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-কারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উসমান আল-উকবারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন উসমান বিন আলি বিন হারব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলি বিন হারব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফইয়ান, আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে বর্ণিত, রিবয়ী থেকে বর্ণিত, হুজাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "‌‌আমার পরবর্তী এই দুই ব্যক্তির অনুসরণ করো: আবু বকর এবং উমর।"