(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: -)
الأفراد - الدارقطني القسم: كتب السنة
الكتاب: الأفراد
المؤلف: الإمام الحافظ أبو الحسن علي بن عمر الدارقطني
تعليق: جابر بن عبد الله السريع
الناشر: بدون ناشر
عام النشر: 1429
عدد الصفحات: 188
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ربيع الأول 1443
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আল-আফরাদ
লেখক: ইমাম হাফিজ আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারা কুতনী
টীকা: জাবির বিন আব্দুল্লাহ আস-সারী
প্রকাশক: প্রকাশকহীন
প্রকাশকাল: ১৪২৯
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮৮
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١)
كتاب الأفراد
الإمام الحافظ أبي الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي الدَارَقُطْني
تعليق
جابر بن عبد الله السريع
কিতাবুল আফরাদ
ইমাম আল-হাফিজ আবুল হাসান আলি বিন উমর বিন আহমাদ বিন মাহদি আদ-দারাকুতনি
টীকা
জাবির বিন আব্দুল্লাহ আস-সারী
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين، وصلى الله وسلم وبارك على نبينا محمد، وعلى آله وأصحابه أجمعين، أما بعد:
فإن العناية بكتب الإمام الحافظ أبي الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي الدَارَقُطْني -المولود سنة 306، والمتوفى سنة 385 - رحمه الله تعالى؛ من أولى ما صُرفت فيه الأوقات، ومن أزكى ما بُذلت فيه الساعات، لتفردُّه في وقته بمعرفة علم الحديث، ورجالِه، وعللِه، وأحوالِه.
وكتابُ «الأَفْراد» من تأليفه رحمه الله كتابٌ فريد في بابه، مفيدٌ لمن اعتنى به، ساق فيه الأحاديثَ التي وقع فيها تفرّدٌ في إحدى طبقات الإسناد، وبيَّن بعدَ كل حديثٍ منها موضعَ التفرد فيه، وتكلم على العلل والاختلاف في مواضعَ من الكتاب، فجاء كتابًا حافلًا، في مائة جزءٍ حديثي.
وظل العلماء يتوارثون هذا الكتابَ جيلًا عن جيل، روايةً وسماعًا، له كاملًا، ولأجزاءَ متفرقةٍ منه، ويستفيدون منه، وينقلون ما فيه، لكن لم يُعثر منه اليومَ على نسخة كاملة.
ولما كان الكتاب غيرَ مرتبٍ رتبه الإمام الحافظ أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي المقدسي، المعروف بابن القَيْسَراني (448 - 507) رحمه الله تعالى، في كتابه: «أطراف الغرائب والأفراد»، فجعله على مسانيد الصحابة، مختصِرًا أحاديثه بالاقتصار على طَرَفها الأول، ناقلًا كلام الدارقطني عليها مختصَرًا، جامعًا في موضع واحد ما تفرق من كلامه، فحَفِظ بعمله هذا جزءًا كبيرًا من الكتاب.
وهذا الكتابُ الذي أضعه بين يديك -أيها القارئ- يضم خمسة أجزاءَ متفرقةً من كتاب «الأفراد»، هي: الثاني، والثالث، والرابع، والسادس، والثالث والثمانون.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর প্রতি আল্লাহর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষিত হোক। অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইমাম হাফিয আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী আদ-দারা কুতনী (জন্ম ৩০৬ হিজরী, মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী) - আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি দয়া করুন - এর কিতাবসমূহের প্রতি যত্নশীল হওয়া সময় ব্যয় করার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র এবং মুহূর্তগুলো ব্যয় করার অন্যতম শ্রেষ্ঠতম কাজ। কারণ তিনি তাঁর সময়ে হাদীস শাস্ত্র, রাবীগণ, হাদীসের সূক্ষ্ম ত্রুটিসমূহ এবং রাবীদের অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞানের ক্ষেত্রে অনন্য ছিলেন।
তাঁর (রহিমাহুল্লাহ) রচিত 'আল-আফরাদ' গ্রন্থটি এ বিষয়ের একটি অনন্য কিতাব, যা এর প্রতি যত্নশীল ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে তিনি এমন সব হাদীস সংকলন করেছেন যেগুলোর সনদের কোনো না কোনো স্তরে একাকী বর্ণনা (তাফাররুদ) ঘটেছে। তিনি প্রতিটি হাদীসের পর তার একাকী বর্ণনার স্থানটি বর্ণনা করেছেন এবং কিতাবের বিভিন্ন স্থানে হাদীসের সূক্ষ্ম ত্রুটি ও মতভেদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। ফলে এটি একশত খণ্ডে বিন্যস্ত এক সমৃদ্ধ হাদীস গ্রন্থে পরিণত হয়েছে।
আলেমগণ যুগ যুগ ধরে রিওয়ায়াত ও শ্রবণের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গভাবে অথবা এর বিভিন্ন খণ্ডসমূহ উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করে আসছেন, এ থেকে উপকৃত হচ্ছেন এবং এর বিষয়বস্তু উদ্ধৃত করছেন। তবে বর্তমানে এর কোনো পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
যেহেতু কিতাবটি সুবিন্যস্ত ছিল না, তাই ইমাম হাফিয আবু ফাদল মুহাম্মাদ ইবনে তাহির ইবনে আলী আল-মাকদিসী, যিনি ইবনুল কাইসারানী (৪৪৮-৫০৭ হিজরী) নামে পরিচিত - আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি দয়া করুন - তাঁর 'আতরাফুল গারাইব ওয়াল আফরাদ' নামক কিতাবে এটি বিন্যস্ত করেছেন। তিনি একে সাহাবীগণের মুসনাদ অনুযায়ী সাজিয়েছেন, হাদীসের শুরুর অংশ উল্লেখ করার মাধ্যমে একে সংক্ষিপ্ত করেছেন এবং দারা কুতনীর মন্তব্যসমূহ সংক্ষেপে উদ্ধৃত করেছেন। তিনি দারা কুতনীর বিক্ষিপ্ত কথাগুলো এক স্থানে একত্রিত করেছেন এবং এর মাধ্যমে কিতাবটির একটি বড় অংশ সংরক্ষণ করেছেন।
হে পাঠক, আপনার সম্মুখে আমি যে কিতাবটি পেশ করছি, তাতে 'আল-আফরাদ' কিতাবের পাঁচটি বিক্ষিপ্ত খণ্ড রয়েছে, সেগুলো হলো: দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ এবং তিরাশিতম খণ্ড।
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٦)
وإليك
وصف ما اعتمدته فيه من النسخ (1):
* أما الجزء الثاني:
فقد حصلت له على نسختين:
الأولى: رَمزت لها بـ (ظ)، محفوظة في دار الكتب الظاهرية بدمشق، ضمن المجموع (35)، وهي فيه بين الورقتين (1 أ، و 11 أ).
كتبها الإمام إسماعيل بن محمد بن عثمان بن أحمد بن مَزْدِين بن مطيار القُوْمِسَاني (439 - 497)، وسمعها هو وعبدالواحد بن محمد بن عمر بن هارون الوَلاشْجِرْدي (440 - 502)، سنة 463، ببغداد، على أبي الغنائم عبدالصمد بن علي ابن محمد بن الحسن بن الفضل بن المأمون (376 - 465)، وهو يرويها عن الدارقطني.
ثم سُمعت النسخة بعد ذلك على كاتبها، سنة 484، سمعها جماعة، بقراءة أبي علي حَيْدَر بن الحسن المؤدب.
ثم مَلَك النسخةَ محمد بن عبدالله بن أحمد بن المُحِبِّ المقدسي، المعروف بالصامت (712 - 789)، ونقل إليها سماعاتٍ كانت مثبتةً على نسخة أخرى من الجزء الثاني من الأفراد:
الأول: سنة 532، على الحسين بن علي بن أحمد سِبْط أبي منصور الخياط (458 - 537)، وهو يرويها عن ابن المأمون، عن الدارقطني.
والثاني: سنة 597، على أبي اليُمْن زيد بن الحسن الكندي (520 - 613)، وهو يرويها
--------------------------------------------
আপনার সামনে
পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো যেগুলোর ওপর আমি এই কাজে নির্ভর করেছি (১):
* দ্বিতীয় খণ্ড প্রসঙ্গে:
এর জন্য আমি দুটি পাণ্ডুলিপি পেয়েছি:
প্রথমটি: একে আমি (য) সংকেত দিয়েছি, যা দামেস্কের দারুল কুতুব আল-জাহিরিয়্যাহ-তে সংরক্ষিত (সংকলন ৩৫)-এর অন্তর্ভুক্ত। এটি সেখানে (১ ক এবং ১১ ক) পত্রের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে।
এটি অনুলিপি করেছেন ইমাম ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আহমদ বিন মাজদিন বিন মাতিয়ার আল-কুমি সানি (৪৩৯ - ৪৯৭)। তিনি এবং আব্দুল ওয়াহিদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন হারুন আল-ওয়ালাশগিরদি (৪৪০ - ৫০২) ৪৬৩ হিজরিতে বাগদাদে আবু আল-গানায়েম আব্দুল সামাদ বিন আলি ইবনে মুহাম্মদ বিন হাসান বিন ফজল বিন আল-মামুন (৩৭৬ - ৪৬৫) থেকে এটি শ্রবণ করেছেন, যিনি এটি দারা কুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এরপর পাণ্ডুলিপিটি এর অনুলিপিকারকের নিকট থেকে ৪৮৪ হিজরিতে শ্রবণ করা হয়। একদল লোক আবু আলি হায়দার বিন আল-হাসান আল-মুয়াদ্দিব-এর পাঠের মাধ্যমে এটি শ্রবণ করেন।
অতঃপর পাণ্ডুলিপিটির মালিকানা লাভ করেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আল-মুহিব্ব আল-মাকদিসি, যিনি আস-সামিত (৭১২ - ৭৮৯) নামে পরিচিত। তিনি এতে এমন কিছু শ্রবণ-সনদ স্থানান্তর করেন যা ‘আল-আফরাদ’-এর দ্বিতীয় খণ্ডের অন্য একটি পাণ্ডুলিপিতে লিপিবদ্ধ ছিল:
প্রথমটি: ৫৩২ হিজরিতে আল-হুসাইন বিন আলি বিন আহমদ সিবত আবু মনসুর আল-খাইয়াত (৪৫৮ - ৫৩৭) থেকে, যিনি এটি ইবনুল মামুন থেকে এবং তিনি দারা কুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন।
দ্বিতীয়টি: ৫৯৭ হিজরিতে আবু আল-ইয়ুমন যায়েদ বিন আল-হাসান আল-কিন্দি (৫২০ - ৬১৩) থেকে, যা তিনি বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٧)
عن سِبْط الخياط، بسنده.
والثالث: سنة 682، على محمد بن عبدالرحيم بن عبدالواحد المقدسي (607 - 688)، وهو يرويها عن داود بن أحمد بن محمد بن مُلَاعِب (542 - 616)، عن محمد بن عمر الأُرْمَوي (459 - 547)، عن ابن المأمون، عن الدارقطني.
والرابع: سنة 684، على أحمد بن شيبان الشيباني (596 - 685)، وهو يرويها سماعًا عن ابن مُلَاعِب، بسنده، وإجازةً عن زيد بن الحسن الكندي، بسنده.
ثم قرأ ابنُ المحب تلك النسخةَ الأخرى التي نقل منها السماعاتِ، سنة 730، على أم عبدالله زينب بنت أحمد بن عبدالرحيم بن عبدالواحد بن أحمد المقدسية (646 - 740)، وهي ترويها عن عَجِيبة بنت أبي بكر بن أبي غالب البَاقْدَارية (554 - 647)، عن مسعود بن الحسن بن القاسم بن الفضل الثقفي (462 - 562)، عن ابن المأمون، عن الدارقطني، وأثبتَ قراءته في آخر هذه النسخة، بعد السماعات التي نقلها.
ثم قرأ هذه النسخةَ نفسَها، سنة 731، على شيخته، بسندها السابق، وبروايتها أيضًا عن يوسف بن خليل الدمشقي (555 - 648)، عن زيد بن الحسن الكندي، بسنده، وأثبتَ قراءته في آخرها، بقوله: «ثم قرأت هذا الجزء عليها مرة ثانية
… كتبه محمد بن عبدالله، من هذه النسخة، فلم أجدها تخالف تلك في كبير شيء، إلا فيما لا يحيل المعنى، أو في شيء يسير جدًا، فالحمد لله».
والنسخة مضبوطة بالشكل، ومعجمة، غالبًا، ومقابلة، وعليها حواشٍ، كتبها ابن المُحِبّ، لبيان بعض الفروق بينها وبين النسخة الأخرى التي قرأها على شيخته.
وجاءت تسمية الجزء على صفحة العنوان بخط الناسخ: «الجزء الثاني من أفراد الدارقطني»، وفي آخر الجزء بخطه: «آخر الجزء الثاني من أفراد الدارقطني»، وفي بعض السماعات: «وهو الثاني من أفراد الدارقطني».
وقد حصلت على مصورة عن هذه النسخة من المكتبة المركزية بجامعة الإمام
সিবত আল-খাইয়াতের সূত্রে, তার সনদে।
এবং তৃতীয়টি: ৬৮২ হিজরি সনে, মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহিম বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (৬০৭ - ৬৮৮)-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি এটি দাউদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুলাইব (৫৪২ - ৬১৬) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন উমর আল-উরমাউয়ি (৪৫৯ - ৫৪৭) থেকে, তিনি ইবনুল মামুন থেকে, তিনি আদ-দারাকুতনি থেকে।
এবং চতুর্থটি: ৬৮৪ হিজরি সনে, আহমদ বিন শায়বান আশ-শায়বানি (৫৯৬ - ৬৮৫)-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি এটি শ্রবণের মাধ্যমে ইবনে মুলাইব থেকে তার সনদে এবং অনুমতির (ইজাজত) মাধ্যমে জায়েদ বিন হাসান আল-কিন্দি থেকে তার সনদে বর্ণনা করেছেন।
অতঃপর ইবনুল মুহিব্ব ৭৩০ হিজরি সনে উম্মু আব্দুল্লাহ জয়নব বিনতে আহমদ বিন আব্দুর রহিম বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমদ আল-মাকদিসিয়া (৬৪৬ - ৭৪০)-এর নিকট সেই অন্য পাণ্ডুলিপিটি পাঠ করেন যেখান থেকে তিনি শ্রবণের টীকাগুলো (সামা'আত) নকল করেছিলেন। তিনি এটি আজিবাহ বিনতে আবি বকর বিন আবি গালিব আল-বাকদারিয়া (৫৫৪ - ৬৪৭) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মাসউদ বিন হাসান বিন কাসিম বিন ফাদল আস-সাকাফি (৪৬২ - ৫৬২) থেকে, তিনি ইবনুল মামুন থেকে, তিনি আদ-দারাকুতনি থেকে। এবং তিনি তার নকল করা শ্রবণের টীকাগুলোর পরে এই পাণ্ডুলিপির শেষে তার পাঠের বিষয়টি নথিভুক্ত করেছেন।
অতঃপর ৭৩১ হিজরি সনে তিনি একই পাণ্ডুলিপিটি তার শায়খার নিকট তার পূর্বোক্ত সনদে এবং ইউসুফ বিন খলিল আদ-দিমাশকি (৫৫৫ - ৬৪৮) থেকে তার বর্ণিত সূত্রে পাঠ করেন, যিনি জায়েদ বিন হাসান আল-কিন্দি থেকে তার সনদে বর্ণনা করেছেন। তিনি এর শেষে তার পাঠের বিষয়টি এই বলে নথিভুক্ত করেছেন: «অতঃপর আমি তার নিকট এই অংশটি দ্বিতীয়বার পাঠ করলাম
… এটি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ এই পাণ্ডুলিপি থেকে লিখেছেন। আমি এটিকে ঐ পাণ্ডুলিপির সাথে বড় কোনো বিষয়ে পার্থক্য করতে দেখিনি, কেবল এমন কিছু বিষয় ছাড়া যা অর্থ পরিবর্তন করে না অথবা খুবই সামান্য কিছু বিষয়। সুতরাং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।»
পাণ্ডুলিপিটি স্বরচিহ্নযুক্ত (হরকত বিশিষ্ট) এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নুকতাযুক্ত, এটি মূলের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে এবং এতে ইবনুল মুহিব্ব কর্তৃক লিখিত পার্শ্বটীকা রয়েছে, যা তার শায়খার নিকট পঠিত অন্য পাণ্ডুলিপির সাথে এর কিছু পার্থক্য স্পষ্ট করার জন্য।
পাণ্ডুলিপির শিরোনামের পাতায় অনুলিপিকারের হস্তাক্ষরে এই অংশের নামকরণ করা হয়েছে: «আদ-দারাকুতনির আফরাদ-এর দ্বিতীয় খণ্ড», এবং এই খণ্ডের শেষে তার হস্তাক্ষরে রয়েছে: «আদ-দারাকুতনির আফরাদ-এর দ্বিতীয় খণ্ডের সমাপ্তি», এবং কিছু শ্রবণের টীকায় রয়েছে: «এটি আদ-দারাকুতনির আফরাদ-এর দ্বিতীয় খণ্ড»।
আমি আল-ইমাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে এই পাণ্ডুলিপির একটি আলোকচিত্র (অনুলিপি) সংগ্রহ করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٨)
محمد بن سعود الإسلامية بالرياض، جزى الله القائمين عليها خيرًا، ورقم حفظها (8044/ف).
الثانية: رَمزت لها بـ (ق)، وهي ضمن مجموعٍ يضم ستة وعشرين جزءًا حديثيًا، كله بخط الإمام أحمد بن محمد بن أبي بكر القَسْطَلَّاني (851 - 923)، صاحبِ «إرشاد الساري» و «المواهب اللدنية» وغيرِهما، فيه الأجزاءُ الثاني والرابع والسادس من الأفراد للدارقطني
(1).
ونسخةُ الجزء الثاني تقع بين الورقتين (71 أ، و 78 أ)، وهي منقولة من نسخةٍ برواية يحيى بن علي بن عبدالله القرشي، المعروف بالرَشِيد العَطّار (584 - 662)، عن ابن مُلَاعِب، عن الأُرْمَوي، عن ابن المأمون، عن الدارقطني، وتاريخ نسخها: ثاني صفر، سنة 920.
وهي مضبوطة بالشكل، ومعجمة، غالبًا، وإذا استشكل الناسخ كلمةً، وضع فوقها عطفةً على الحاشية، وكتب أمامها ثلاث نقط، كنقط الثاء، وربما كتب (ظ)، أي: انظر الصواب.
والنسخة غير مسموعة، لكن نقل الناسخ على صفحة العنوان سماعاتٍ كانت مثبتة على نسخة أخرى من الجزء الثاني من الأفراد، بعضها سنة 675، وبعضها سنة 676، وبعضها سنة 678، وبعضها سنة 738، وكلُها تدور على رواية محمد بن إبراهيم بن عبدالواحد المقدسي (603 - 676)، ومحمد بن إسماعيل بن عبدالله ابن الأَنْماطي (609 - 684)، عن ابن مُلَاعِب، عن الأُرْمَوي، ح ورواية عبداللطيف بن
--------------------------------------------
রিয়াদস্থ ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, আল্লাহ এর কর্মকর্তাদের উত্তম প্রতিদান দিন, এবং এর সংরক্ষণ নম্বর (৮০৪৪/ফা)।
দ্বিতীয়টি: আমি এটিকে (ক্বাফ) প্রতীকে চিহ্নিত করেছি, যা ২৬টি হাদীস বিষয়ক খণ্ডের একটি সংগ্রহের অন্তর্ভুক্ত। এর পুরোটিই ইমাম আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-কাসতালানি (৮৫১ - ৯২৩)-এর হস্তলিখিত, যিনি 'ইরশাদুস সারি' ও 'আল-মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়া' এবং আরও অন্যান্য গ্রন্থের রচয়িতা। এতে দারাকুতনি-র 'আল-আফরাদ'-এর দ্বিতীয়, চতুর্থ ও ষষ্ঠ খণ্ড রয়েছে
(১)।
আর দ্বিতীয় খণ্ডের পাণ্ডুলিপিটি (৭১ ক এবং ৭৮ ক) পত্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এটি ইয়াহইয়া বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ আল-কুরাশি, যিনি আর-রাশীদ আল-আত্তার (৫৮৪ - ৬৬২) নামে পরিচিত, তাঁর সূত্রে বর্ণিত একটি পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে। তিনি ইবনে মুলাইব থেকে, তিনি আল-উরমুভি থেকে, তিনি ইবনুল মামুন থেকে এবং তিনি দারাকুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন। এটি নকল করার তারিখ: ২রা সফর, ৯২০ হিজরী।
এটি হরকতযুক্ত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নুকতাযুক্ত। যদি লিপিকার কোনো শব্দের ব্যাপারে সংশয়ে ভুগতেন, তবে তিনি এর উপর একটি বাঁকা চিহ্ন দিয়ে টীকায় রেখে দিতেন এবং এর সামনে তিনটি নুকতা দিতেন, যেমন 'সা' বর্ণের নুকতাগুলো হয়। কখনও কখনও তিনি (জা) লিখতেন, যার অর্থ: সঠিকটি দেখুন।
পাণ্ডুলিপিটি শ্রুত (সামাউ-প্রাপ্ত) নয়, তবে লিপিকার শিরোনামের পৃষ্ঠায় কিছু শ্রবণের বিবরণ (সামাআত) নকল করেছেন যা 'আল-আফরাদ'-এর দ্বিতীয় খণ্ডের অন্য একটি পাণ্ডুলিপিতে সংরক্ষিত ছিল। সেগুলোর কিছু ৬৭৫ সালের, কিছু ৬৭৬ সালের, কিছু ৬৭৮ সালের এবং কিছু ৭৩৮ সালের। এগুলোর সবই মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (৬০৩ - ৬৭৬) এবং মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ ইবনুল আনমাতি (৬০৯ - ৬৮৪)-এর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে আবর্তিত হয়েছে, যারা ইবনে মুলাইব থেকে এবং তিনি আল-উরমুভি থেকে বর্ণনা করেছেন। (হা) এবং আব্দুল লতিফ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٩)
عبدالمنعم الحَرَّاني (587 - 672)، عن يوسف بن المبارك الخَفَّاف (527 - 601)، عن عبدالرحمن بن محمد بن عبدالواحد القَزَّاز (453 - 535)، كلاهما (الأُرْمَوي والقَزَّاز)، عن ابن المأمون، عن الدارقطني.
وجاءت تسمية الجزء على صفحة العنوان: «الجزء الثاني من الأفراد والغرائب العوالي المنتقاة».
وقد حصلت على مصورة عن هذا المجموع من الشيخين الفاضلين: محمد زياد ابن عمر التكلة، ومحمد بن تركي التركي، جزاهما الله خيرًا.
* وأما الجزء الثالث:
فنسخته محفوظة في دار الكتب الظاهرية بدمشق، ضمن المجموع (56)، وهي فيه بين الورقتين (110 أ، و 123 ب).
كتبها الإمام عبدالواحد بن إسماعيل بن ظافر الأزدي الدِمْياطي (556 - 613)، وسمعها مرتين:
مرةً: بالموصل، سنة 600، على أبي عمرو عثمان بن عمر بن جَلْدَك العصمني، وهو يرويها عن الأُرْمَوي، عن ابن المأمون، عن الدارقطني.
ومرةً: بدمشق، سنة 604، على ابن مُلَاعِب، وهو يرويها عن الأُرْمَوي، عن ابن المأمون، عن الدارقطني.
ثم سُمعت النسخة بعد ذلك على ابن مُلَاعِب، بسنده السابق، مرتين:
مرةً: سنة 606، سمعها جماعة، منهم: مالك النسخة: الحسن بن محمد بن محمد بن محمد البكري التيمي (574 - 656)، وقد زاد بخطه روايتَه للجزء في صفحة العنوان تحت خط الناسخ الأصلي.
ومرةً: سنة 612، بقراءة أبي بكر عبدالله بن محمد بن علي الغَزْنَوي.
ثم سُمعت النسخة بعد ذلك، سنة 668، على محمد بن عبدالرحيم بن
আবদুন মুনইম আল-হাররানি (৫৮৭ - ৬৭২), তিনি ইউসুফ ইবনুল মুবারক আল-খাফফাফ (৫২৭ - ৬০১) থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-কাযযায (৪৫৩ - ৫৩৫) থেকে, তারা উভয়ই (আল-উরমুওয়ি এবং আল-কাযযায), ইবনে আল-মামুন থেকে, তিনি আদ-দারাকুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন।
শিরোনাম পাতায় খণ্ডটির নামকরণ এভাবে এসেছে: ‘আল-আফরাদ ওয়াল গরাইব আল-আওয়ালি আল-মুন্তাকাহ-এর দ্বিতীয় খণ্ড’।
এবং আমি এই সংকলনটির একটি ছায়ালিপি দুই জন সম্মানিত শাইখ: মুহাম্মদ যিয়াদ ইবনে উমর আত-তাকলাহ এবং মুহাম্মদ ইবনে তুর্কি আত-তুর্কির কাছ থেকে লাভ করেছি, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।
* আর তৃতীয় খণ্ড সম্পর্কে:
এর পাণ্ডুলিপিটি দামেস্কের দারুল কুতুব আজ-জাহিরিয়্যাহ-তে ৫৬ নম্বর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে, যা সেখানে (১১০/ক এবং ১২৩/খ) পৃষ্ঠাদ্বয়ের মধ্যে অবস্থিত।
এটি ইমাম আবদুল ওয়াহিদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে জাফির আল-আযদি আদ-দিমইয়াতি (৫৫৬ - ৬১৩) লিখেছেন এবং তিনি এটি দুইবার শ্রবণ করেছেন:
একবার: ৬০০ হিজরিতে মসুল শহরে, আবু আমর উসমান ইবনে উমর ইবনে জালদাক আল-আসামানির নিকট, তিনি এটি আল-উরমুওয়ি থেকে, তিনি ইবনে আল-মামুন থেকে, তিনি আদ-দারাকুতনি থেকে বর্ণনা করেন।
এবং আরেকবার: ৬০৪ হিজরিতে দামেস্কে, ইবনে মুলায়িবের নিকট, তিনি এটি আল-উরমুওয়ি থেকে, তিনি ইবনে আল-মামুন থেকে, তিনি আদ-দারাকুতনি থেকে বর্ণনা করেন।
এরপর পাণ্ডুলিপিটি ইবনে মুলায়িবের নিকট তাঁর পূর্বোক্ত সনদে আরও দুইবার শ্রুত হয়েছে:
একবার: ৬০৬ হিজরিতে, একদল লোক এটি শ্রবণ করেছেন, যাদের মধ্যে ছিলেন: পাণ্ডুলিপির মালিক হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাকরি আত-তাইমি (৫৭৪ - ৬৫৬), এবং তিনি শিরোনাম পাতায় মূল লেখকের হস্তাক্ষরের নিচে খণ্ডটির বর্ণনার ব্যাপারে নিজের হস্তাক্ষরে সংযোজন করেছেন।
এবং আরেকবার: ৬১২ হিজরিতে, আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-গাযনাবির পাঠের মাধ্যমে।
এরপর পাণ্ডুলিপিটি ৬৬৮ হিজরিতে মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহিম ইবনে এর নিকট শ্রুত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٠)
عبدالواحد المقدسي، وهو يرويها عن ابن مُلَاعِب، بسنده، سمعها جماعة، بقراءة علي ابن مسعود بن نفيس بن عبدالله الموصلي الحلبي (634 - 704).
والنسخة مضبوطة بالشكل، ومعجمة، غالبًا، ومقابلة، وهي منقولة من نسخةٍ كتبها نصر بن سلامة الهِيْتي (-598)، وسمعها مع جماعة، سنة 546، على الأُرْمَوي، وهو يرويها عن ابن المأمون، عن الدارقطني، ونقلها نصر الهِيْتي من نسخة أبي الفرج عبدالرحمن بن علي ابن الجوزي (510 - 597)، وهو نقلها من نسخة الدارقطني، وعلى نسخة الدارقطني تلك سماع للأُرْمَوي، سنة 464، على ابن المأمون.
وجاءت تسمية الجزء على صفحة العنوان: «الجزء الثالث من الفوائد الأفراد»، وفي السماع على صفحة العنوان: «وهو الثالث من الفوائد والأفراد»، وفي بعض السماعات: «الجزء الثالث من الأفراد».
وقد حصلت على مصورة عن هذه النسخة من المكتبة المركزية بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بالرياض، جزى الله القائمين عليها خيرًا، ورقم حفظها (2511/ف).
* وأما الجزء الرابع:
فنسخته محفوظة ضمن المجموع الذي كتبه الإمام القَسْطَلَّاني، وتقع بين الورقتين (79 أ، و 86 أ).
وهي منقولة من نسخةٍ برواية ابن مُلَاعِب، عن الأُرْمَوي، عن ابن المأمون، عن الدارقطني، وتاريخ نسخها: ربيع الثاني، سنة 920.
وهي مضبوطة بالشكل، ومعجمة، غالبًا، والنسخةُ التي نقل منها الناسخ مقابلةٌ على نسختين -أو منقولةٌ من نسخةٍ مقابلةٍ على نسختين-، رَمَزَ الناسخ للأولى بـ (ص)، وللثانية بـ (د) أو (كـ)، وأثبتَ الفروقَ بينهما وبين النسخة الأصل -مُغايَرةً أو زيادةً- في حواشي النسخة، ووضع فوق الكلمة التي اشتركت فيها إحدى النسختين دون
আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি, তিনি এটি ইবন মুলাইব থেকে তাঁর সনদসহ বর্ণনা করেছেন, এক জামাত এটি শুনেছেন, যা পাঠ করেছেন আলি ইবন মাসউদ ইবন নাফিস ইবন আব্দুল্লাহ আল-মাওসিলি আল-হালাবি (৬৩৪ - ৭০৪)।
পাণ্ডুলিপিটি হরকতযুক্ত, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নুকতাযুক্ত এবং মূলের সাথে যাচাইকৃত। এটি নসর ইবন সালামাহ আল-হিতি (মৃত্যু ৫৯৮) কর্তৃক লিখিত একটি পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা হয়েছে, যা তিনি ৫৪৬ হিজরিতে এক জামাতের সাথে আল-উরমাভির নিকট শুনেছিলেন। তিনি (উরমাভি) এটি ইবন আল-মামুন থেকে এবং তিনি আদ-দারা কুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন। নসর আল-হিতি এটি আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান ইবন আলি ইবন আল-জাওজি (৫১০ - ৫৯৭) এর পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছেন, আর তিনি এটি আদ-দারা কুতনির পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছিলেন। আদ-দারা কুতনির সেই পাণ্ডুলিপির ওপর ৪৬৪ হিজরিতে ইবন আল-মামুনের নিকট আল-উরমাভির শ্রবণের প্রমাণ বিদ্যমান।
শিরোনাম পৃষ্ঠায় খণ্ডটির নামকরণ এভাবে এসেছে: «আল-ফাওয়াইদ আল-আফরাদ-এর তৃতীয় খণ্ড», আর শিরোনাম পৃষ্ঠার শ্রবণ-সনদে রয়েছে: «এটি আল-ফাওয়াইদ ওয়াল আফরাদ-এর তৃতীয় খণ্ড», এবং কিছু শ্রবণ-সনদে রয়েছে: «আল-আফরাদ-এর তৃতীয় খণ্ড»।
আমি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ ইবন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি থেকে এই পাণ্ডুলিপিটির একটি অনুলিপি সংগ্রহ করেছি, আল্লাহ এর দায়িত্বশীলদের উত্তম প্রতিদান দিন। এর সংরক্ষণ নম্বর হলো (২৫১১/ফা)।
* আর চতুর্থ খণ্ড সম্পর্কে কথা হলো:
এর পাণ্ডুলিপিটি ইমাম আল-কাসতাল্লানি কর্তৃক লিখিত একটি সংকলনের মধ্যে সংরক্ষিত রয়েছে, যা (৭৯ ক এবং ৮৬ ক) পত্রদ্বয়ের মাঝখানে অবস্থিত।
এটি ইবন মুলাইব-এর সূত্রে, আল-উরমাভি থেকে, তিনি ইবন আল-মামুন থেকে এবং তিনি আদ-দারা কুতনি থেকে বর্ণিত পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা হয়েছে। এটি অনুলিপি করার তারিখ হলো: রবিউস সানি, ৯২০ হিজরি।
এটি হরকতযুক্ত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নুকতাযুক্ত। যে পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপিকারক এটি নকল করেছেন, সেটি অন্য দুটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে —অথবা এমন এক পাণ্ডুলিপি থেকে এটি নকল করা হয়েছে যা অন্য দুটি পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছিল—। অনুলিপিকারক প্রথমটির জন্য (সদ), এবং দ্বিতীয়টির জন্য (দাল) অথবা (কাফ) প্রতীক ব্যবহার করেছেন। তিনি মূল পাণ্ডুলিপির সাথে এগুলোর পার্থক্যসমূহ —তা ভিন্নতা হোক বা অতিরিক্ত— পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় (হাশিয়া) উল্লেখ করেছেন। যে শব্দটি দুটি পাণ্ডুলিপির কোনো একটিতে রয়েছে কিন্তু অন্যটিতে নেই, তার ওপর তিনি চিহ্ন দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١١)
الأخرى مع النسخة الأصل رَمْزَ تلك النسخة، وبيَّن في آخر النسخة أن (ص) علامة ما في خط الحافظ عبدالله بن محمد الصَّرِيفيني (ت 469) في نسخته.
والنسخة غير مسموعة، لكنها منقولة من نسخةٍ سمعها الحافظان عبدالرحيم بن الحسين العراقي (725 - 806)، وعلي بن أبي بكر الهيثمي (735 - 807)، وآخرون، سنة 759، على محمد بن أَزْبِك الخازِنْداري (680 - 766)، وهو يرويها عن محمد بن عبدالمؤمن الصوري (601 - 690)، عن ابن مُلَاعِب، بسنده.
وجاءت تسمية الجزء على صفحة العنوان: «الجزء الرابع من الفوائد والأفراد والغرائب الحسان»، وفي السماع: «الجزء الرابع من أفراد الدارقطني».
* وأما الجزء السادس:
فنسخته محفوظة ضمن المجموع الذي كتبه الإمام القَسْطَلَّاني، وتقع بين الورقتين (87 أ، و 94 ب).
وهي منقولة من نسخةٍ برواية ابن مُلَاعِب، عن الأُرْمَوي، عن ابن المأمون، عن الدارقطني، وتاريخ نسخها: رابع صفر، سنة 920.
وهي مضبوطة بالشكل، ومعجمة، غالبًا، وفي حواشيها تصويبات من الناسخ، وإذا استشكل الناسخ كلمةً، وضع فوقها عطفةً على الحاشية، وكتب أمامها ثلاث نقط، كنقط الثاء.
والنسخة غير مسموعة، لكنها منقولة من نسخةٍ سمعها الحافظان عبدالرحيم بن الحسين العراقي (725 - 806)، وعلي بن أبي بكر الهيثمي (735 - 807)، وآخرون، سنة 759، على محمد بن أَزْبِك الخازِنْداري (680 - 766)، وهو يرويها عن محمد بن عبدالمؤمن الصوري (601 - 690)، عن ابن مُلَاعِب، بسنده.
وجاءت تسمية الجزء على صفحة العنوان: «الجزء السادس من الفوائد الأفراد والغرائب الحسان».
অন্যান্য পাণ্ডুলিপি মূল পাণ্ডুলিপির সাথে সেই পাণ্ডুলিপির সংকেতসহ রয়েছে, এবং পাণ্ডুলিপির শেষে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, (সোয়াদ) চিহ্নটি হাফেজ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আস-সারিফিনি (মৃত্যু ৪৬৯)-এর হস্তলিপিতে যা আছে তার নিদর্শন।
পাণ্ডুলিপিটি শ্রুত নয়, তবে এটি এমন একটি পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে যা হাফেজ আব্দুর রহিম ইবনুল হুসাইন আল-ইরাকি (৭২৫ - ৮০৬) এবং আলী ইবনে আবি বকর আল-হাইসামি (৭৩৫ - ৮০৭) ও অন্যান্যরা ৭৫৯ হিজরি সনে মুহাম্মদ ইবনে আজবেক আল-খাজিনদারি (৬৮০ - ৭৬৬)-এর নিকট শ্রবণ করেছেন। তিনি এটি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুমিন আস-সুরি (৬০১ - ৬৯০) থেকে, তিনি ইবনে মুলাইব থেকে তার সনদে বর্ণনা করেছেন।
শিরোনাম পাতায় খণ্ডটির নামকরণ করা হয়েছে: «আল-ফাওয়াইদ ওয়াল আফরাদ ওয়াল গারাইব আল-হিসান-এর চতুর্থ খণ্ড», এবং শ্রবণের বিবরণে: «আফরাদ আদ-দারাকুতনি-র চতুর্থ খণ্ড»।
* আর ষষ্ঠ খণ্ডের ক্ষেত্রে:
এর পাণ্ডুলিপিটি ইমাম আল-কাসতালানি কর্তৃক লিখিত সংকলনের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এটি (৮৭ ক এবং ৯৪ খ) নম্বর পৃষ্ঠাদ্বয়ের মধ্যে অবস্থিত।
এটি ইবনে মুলাইব-এর সূত্রে আল-উরমুয়ি থেকে, তিনি ইবনুল মামুন থেকে, তিনি আদ-দারাকুতনি থেকে বর্ণিত একটি পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে। এটি অনুলিপি করার তারিখ: ৪ সফর, ৯২০ হিজরি।
এটি হরকতযুক্ত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে নুকতাযুক্ত। এর পার্শ্বটীকায় অনুলিপিকারীর পক্ষ থেকে সংশোধনসমূহ রয়েছে। যখনই অনুলিপিকারীর কাছে কোনো শব্দ অস্পষ্ট মনে হয়েছে, তিনি তার ওপর পার্শ্বটীকার দিকে একটি বাঁকানো চিহ্ন দিয়েছেন এবং তার সামনে তিনটি নুকতা দিয়েছেন, যা ‘সা’ অক্ষরের নুকতার মতো।
পাণ্ডুলিপিটি শ্রুত নয়, তবে এটি এমন একটি পাণ্ডুলিপি থেকে নকল করা হয়েছে যা হাফেজ আব্দুর রহিম ইবনুল হুসাইন আল-ইরাকি (৭২৫ - ৮০৬) এবং আলী ইবনে আবি বকর আল-হাইসামি (৭৩৫ - ৮০৭) ও অন্যান্যরা ৭৫৯ হিজরি সনে মুহাম্মদ ইবনে আজবেক আল-খাজিনদারি (৬৮০ - ৭৬৬)-এর নিকট শ্রবণ করেছেন। তিনি এটি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুমিন আস-সুরি (৬০১ - ৬৯০) থেকে, তিনি ইবনে মুলাইব থেকে তার সনদে বর্ণনা করেছেন।
শিরোনাম পাতায় খণ্ডটির নামকরণ করা হয়েছে: «আল-ফাওয়াইদ আল-আফরাদ ওয়াল গারাইব আল-হিসান-এর ষষ্ঠ খণ্ড»।
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٢)
* وأما الجزء الثالث والثمانون:
فنسخته محفوظة في دار الكتب المصرية بالقاهرة، ضمن المجموع (1558)، وهي فيه مفرقة في موضعين: (45 أ-46 ب)، و (319 أ-328 ب)، وبينهما سقط.
كتبها الإمام يوسف بن شاهين سِبْطِ الحافظ ابن حجر (828 - 899)، نقلًا من نسخةٍ كان قد سمعها سنة 868، على شمس الدين محمد بن عمر بن عمر بن حصن المَلْتُوتي (780 - 873)، وهو يرويها بسنده إلى عبدالوهاب بن علي بن سُكَينة (519 - 607)، عن أبي بكر محمد بن عبدالباقي الأنصاري (442 - 535)، عن أبي طالب محمد بن علي بن الفتح العُشَاري (366 - 451)، عن الدارقطني.
ثم سُمعت هذه النسخة بعد ذلك على كاتبها، سنة 898، سمعها جماعة، بقراءة خليل بن عبدالقادر بن عمر الجَعْبَري (869 - 906).
والنسخة مضبوطة بالشكل، ومعجمة، نادرًا، وهي منقولة من نسخةٍ كتبها تاج الدين أحمد بن عبدالقادر بن مكتوم (682 - 749)، من نسخةٍ عليها سماعات:
الأول: سنة 533، على أبي بكر محمد بن عبدالباقي الأنصاري، وهو يرويها عن العُشَاري، عن الدارقطني.
والثاني: سنة 599، على عبدالوهاب بن علي بن سُكَينة، وهو يرويها عن محمد بن عبدالباقي الأنصاري، بسنده.
والثالث: سنة 642، والرابع: سنة 666، على عبداللطيف بن عبدالمنعم الحَرَّاني (587 - 672)، وهو يرويها عن عبدالوهاب بن علي بن سُكَينة، بسنده.
ونسخةُ ابن مكتوم -أصلُ هذه النسخة- مسموعة مرتين:
مرةً: سنة 730، على فاطمة بنت محمد بن جبريل الدَرْبَنْدية (661 - 737)، وهي ترويها عن عبداللطيف بن عبدالمنعم الحَرَّاني، بسنده.
ومرةً: سنة 797، على عبدالرحمن بن أحمد الغَزّي (714 - 799)، وهو يرويها عن
আর তিরাশিতম খণ্ড প্রসঙ্গে:
এর পাণ্ডুলিপিটি কায়রোর দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ-তে সংরক্ষিত রয়েছে, যা মাজমু (১৫৫৮)-এর অন্তর্ভুক্ত। এটি সেখানে দুটি স্থানে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে: (৪৫ ক-৪৬ খ) এবং (৩১৯ ক-৩২৮ খ), আর এই দুটির মাঝে কিছু অংশ বিলুপ্ত হয়েছে।
এটি লিখেছেন ইমাম ইউসুফ বিন শাহিন, যিনি হাফেজ ইবনে হাজারের দৌহিত্র (৮২৮ - ৮৯৯ হিজরি)। তিনি এটি এমন একটি পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করেছেন যা তিনি ৮৬৮ হিজরিতে শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন উমর বিন হুসন আল-মালতুতি (৭৮০ - ৮৭৩ হিজরি)-এর নিকট শ্রবণ করেছিলেন। তিনি তার সনদসহ এটি আব্দুল ওয়াহাব বিন আলী বিন সুকাইনা (৫১৯ - ৬০৭ হিজরি) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি (৪৪২ - ৫৩৫ হিজরি) থেকে, তিনি আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-ফাতহ আল-উশারি (৩৬৬ - ৪৫১ হিজরি) থেকে এবং তিনি আদ-দারা কুতনি থেকে।
অতঃপর ৮৯৮ হিজরিতে এই পাণ্ডুলিপিটি এর লেখকের নিকট পাঠ করা হয় এবং একদল লোক তা শ্রবণ করেন; এটি পাঠ করেছিলেন খলিল বিন আব্দুল কাদির বিন উমর আল-জাবারি (৮৬৯ - ৯০৬ হিজরি)।
পাণ্ডুলিপিটি হরকত ও নুকতাহযুক্ত (যদিও নুকতাহ বিরল), এবং এটি তাজউদ্দিন আহমদ বিন আব্দুল কাদির বিন মাকতুম (৬৮২ - ৭৪৯ হিজরি)-এর লিখিত একটি পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা হয়েছে, যা এমন একটি পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া যার ওপর নিম্নোক্ত শ্রবণলিপিগুলো রয়েছে:
প্রথমটি: ৫৩৩ হিজরিতে, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারির নিকট; তিনি এটি আল-উশারি থেকে এবং তিনি আদ-দারা কুতনি থেকে বর্ণনা করেছেন।
দ্বিতীয়টি: ৫৯৯ হিজরিতে, আব্দুল ওয়াহাব বিন আলী বিন সুকাইনার নিকট; তিনি এটি তার সনদসহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন।
তৃতীয়টি: ৬৪২ হিজরিতে এবং চতুর্থটি: ৬৬৬ হিজরিতে, আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম আল-হাররানি (৫৮৭ - ৬৭২ হিজরি)-এর নিকট; তিনি এটি তার সনদসহ আব্দুল ওয়াহাব বিন আলী বিন সুকাইনা থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইবনে মাকতুমের পাণ্ডুলিপিটি—যা এই পাণ্ডুলিপির মূল উৎস—দুইবার শ্রবণ করা হয়েছে:
একবার: ৭৩০ হিজরিতে, ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ বিন জিবরিল আদ-দারবান্দিয়্যাহ (৬৬১ - ৭৩৭ হিজরি)-এর নিকট; তিনি এটি তার সনদসহ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম আল-হাররানি থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আরেকবার: ৭৯৭ হিজরিতে, আব্দুর রহমান বিন আহমদ আল-গাজ্জি (৭১৪ - ৭৯৯ হিজরি)-এর নিকট; তিনি এটি বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٣)
فاطمة الدَرْبَنْدية، بسندها.
وجاءت تسمية الجزء على صفحة العنوان: «الثالث والثمانون من الفوائد الأفراد»، وفي بعض السماعات: «وهو الثالث والثمانون من أفراد الدارقطني».
وقد حصلت على مصورة عن هذه النسخة من الشيخ الفاضل خالد بن محمد الأنصاري، جزاه الله خيرًا.
* وأما
المنهج الذي سرت عليه في إخراج هذا الكتاب: - فقد نسخت الأجزاء بالطرق الإملائية السائدة اليوم، ثم قابلت ما نسخته بالمصورات عن النسخ الخطية، ونقلت ما فيها من علامات التضبيب (صـ)، والتصحيح (صحـ)، والتوقف (كذا)، والتنظير (ظ)، وأبقيت الكلام كما هو، فإن ظهر لي فيه خطأ بيَّنت صوابه في الحاشية.
- ولما كانت النسخ مضبوطةً بالشكل غالبًا اكتفيت بما فيها من الضبط، ولم أزد عليه، وأما الجزء الثالث والثمانون فلما كان الضبط فيه نادرًا؛ أثبت ما فيه من الضبط، وزدت عليه ما تدعو الحاجة إلى ضبطه منه.
- وأثبت الأصوب عند اختلاف نسختَي الجزء الثاني، ونُسَخِ الجزء الرابع: النسخةِ الأصل، والنسختين المقابلةِ بهما: (ص) و (د)، فإن كان الاختلاف غيرَ مؤثرٍ معنًى أثبت ما في نسخة الظاهرية في الجزء الثاني
(1)، وما في النسخة الأصل في الجزء الرابع،
--------------------------------------------
ফাতিমা আদ-দারবান্দিয়াহ, তার সনদে।
শিরোনামের পাতায় খণ্ডটির নামকরণ এভাবে এসেছে: «আল-ফাওয়ায়িদ আল-আফরাদ-এর তিরাশিতম অংশ», এবং কিছু শ্রুতি-নথিতে (সামা'আত) রয়েছে: «এটি দারাকুতনীর আফরাদ-এর তিরাশিতম অংশ»।
আমি এই পাণ্ডুলিপির একটি ছায়ালিপি ফাযিল শায়খ খালিদ বিন মুহাম্মাদ আল-আনসারীর নিকট থেকে প্রাপ্ত হয়েছি, আল্লাহ তাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।
* আর এই কিতাবটি সম্পাদনায় আমি যে পদ্ধতি অনুসরণ করেছি:
- আমি অংশগুলোকে বর্তমান প্রচলিত বানানরীতি অনুযায়ী অনুলিপি করেছি, অতঃপর অনুলিপিকৃত অংশটিকে পাণ্ডুলিপির ছায়ালিপিগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখেছি। পাণ্ডুলিপিতে থাকা সংশয়সূচক চিহ্ন (صـ), সংশোধনসূচক চিহ্ন (صحـ), বিরতিসূচক চিহ্ন (كذا) এবং পর্যবেক্ষণসূচক চিহ্ন (ظ) আমি হুবহু নকল করেছি। আমি মূল পাঠ্যকে অপরিবর্তিত রেখেছি; যদি আমার কাছে কোনো ভুল প্রকাশ পেয়েছে, তবে আমি টীকায় তার সঠিক রূপ বর্ণনা করে দিয়েছি।
- যেহেতু পাণ্ডুলিপিগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে হরকতযুক্ত ছিল, তাই আমি সেখানের হরকতগুলোর ওপরই নির্ভর করেছি এবং তাতে বাড়তি কিছু যোগ করিনি। তবে তিরাশিতম খণ্ডটির ক্ষেত্রে যেহেতু তাতে হরকত খুব কম ছিল, তাই আমি সেখানে বিদ্যমান হরকতগুলো বহাল রেখেছি এবং যতটুকু প্রয়োজন মনে হয়েছে ততটুকু অতিরিক্ত হরকত যুক্ত করেছি।
- দ্বিতীয় খণ্ডের দুটি পাণ্ডুলিপি এবং চতুর্থ খণ্ডের পাণ্ডুলিপিগুলোর (মূল পাণ্ডুলিপি এবং তার সাথে মিলিয়ে দেখা অপর দুটি পাণ্ডুলিপি: 'সদ' ও 'দাল') মধ্যে পার্থক্যের ক্ষেত্রে আমি অধিকতর সঠিকটি গ্রহণ করেছি। যদি পার্থক্যটি অর্থের ওপর প্রভাব না ফেলে, তবে দ্বিতীয় খণ্ডের ক্ষেত্রে জাহিরিয়্যাহ পাণ্ডুলিপিতে যা আছে তা-ই বহাল রেখেছি
(১), আর চতুর্থ খণ্ডের ক্ষেত্রে মূল পাণ্ডুলিপিতে যা আছে তা-ই রেখেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٤)
وأما عند اختلاف النسخ بالزيادة والنقصان فقد أثبت ما استصوبته من الزيادة.
- وأثبت في كل جزء ما ورد من تسميةٍ على صفحة عنوانه، وقد اتفقتِ الأجزاء على التسمية بـ «الأفراد»، وجاء في بعضها زيادةُ: «الفوائد»، و «الغرائب» و «الحسان» و «العوالي المنتقاة»، ولعل هذا من اختلاف الرواة أو النُساخ في وصف هذه الأجزاء، والتسميةُ المشهورة هي «الأفراد».
- ووضعت بعد نهايات أوراق الأجزاء رقم الورقة ورمز الوجه (أ) أو (ب)، بين خطين مائلين // داخل المتن، وفي الجزء الثاني جعلت الخطين المائلين لنسخة الظاهرية، وجعلت لنسخة ابن القَسْطَلَّاني قوسين مربعين [].
- وجعلت الحواشي مرتبطةً برقم الحديث أو الفقرة، وهي لثلاثة أمور:
الأول: عزو الحديث إلى رقمه في كتاب «أطراف الغرائب والأفراد»، ومن حواشيه يُستفاد مَن أخرج الحديث مِن كتاب الأفراد، أو نَقَل منه.
الثاني: بيان الفروق بين النسخ -إن وجدت-.
الثالث: تصويب ما ظهر في المتن من أخطاء، وتوضيح ما يحتاج فيه إلى توضيح.
- وجعلت في المتن على الكلمات المراد التعليق عليها نجمة (*)، وأوردتها في الحاشية متسلسلة حسب ورودها في المتن.
- وصنعت للأجزاء في آخرها أربعةَ فهارسَ: للأحاديث على الموضوعات، ولمسانيد الصحابة، ولشيوخ الدارقطني، وللرواة، والعزو فيها إلى رقم الحديث في كل جزء.
هذا، والله أعلم، وصلى الله وسلم على نبينا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين.
وكتبه
جابر بن عبدالله السريِّع
في 4 من شعبان، سنة 1429
jaberaddosary@gmail.com
আর পাণ্ডুলিপিসমূহের বর্ণনায় কম-বেশি হওয়ার ক্ষেত্রে আমি সেই অতিরিক্ত অংশটুকুই বহাল রেখেছি যা আমার কাছে সঠিক মনে হয়েছে।
- আমি প্রতিটি খণ্ডের শিরোনামের পাতায় বর্ণিত নামগুলোই বহাল রেখেছি। খণ্ডগুলো 'আল-আফরাদ' নামকরণের ব্যাপারে একমত হয়েছে, তবে কোনো কোনোটিতে 'আল-ফাওয়ায়িদ', 'আল-গারায়িব', 'আল-হিসান' এবং 'আল-আওয়ালি আল-মুনতাকাহ' শব্দগুলোর আধিক্য দেখা গেছে। সম্ভবত এটি বর্ণনাকারী বা অনুলিপিকারীদের বর্ণনার ভিন্নতার কারণে হয়েছে, তবে প্রসিদ্ধ নাম হলো 'আল-আফরাদ'।
- আমি খণ্ডগুলোর পাতা শেষ হওয়ার পর মূল পাঠ্যের ভেতরে দুটি হেলানো রেখার // মাঝে পাতার নম্বর এবং পৃষ্ঠার সংকেত (অ) বা (আ) বসিয়েছি। দ্বিতীয় খণ্ডে হেলানো রেখাগুলো জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপির জন্য এবং ইবনুল কাসতাল্লানির পাণ্ডুলিপির জন্য বর্গাকার বন্ধনী [] নির্ধারণ করেছি।
- আমি পাদটীকাগুলোকে হাদিস বা অনুচ্ছেদের নম্বরের সাথে সংশ্লিষ্ট করেছি, যা তিনটি বিষয়ের জন্য:
প্রথমত: 'আত্রাফুল গারায়িব ওয়াল আফরাদ' কিতাবে হাদিসটির নম্বরের সাথে একে যুক্ত করা; এর পাদটীকা থেকে জানা যাবে কে 'কিতাবুল আফরাদ' থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন বা উদ্ধৃত করেছেন।
দ্বিতীয়ত: পাণ্ডুলিপিসমূহের মধ্যকার পার্থক্যগুলো বর্ণনা করা—যদি থাকে।
তৃতীয়ত: মূল পাঠ্যের ভুলগুলো সংশোধন করা এবং যা ব্যাখ্যার প্রয়োজন তা স্পষ্ট করা।
- আমি মূল পাঠ্যের যেসব শব্দের ওপর টীকা দেওয়া প্রয়োজন সেখানে একটি তারকা চিহ্ন (*) দিয়েছি এবং মূল পাঠ্যে সেগুলোর ধারাবাহিকতা অনুযায়ী পাদটীকায় তা উল্লেখ করেছি।
- আমি খণ্ডগুলোর শেষে চারটি সূচিপত্র তৈরি করেছি: বিষয়ভিত্তিক হাদিসসমূহ, সাহাবিদের মুসনাদসমূহ, দারাকুতনির উস্তাদগণ এবং বর্ণনাকারীবৃন্দ; আর এতে প্রতিটি খণ্ডের হাদিস নম্বরের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ। আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবির ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
লিখেছেন
জাবির ইবন আবদুল্লাহ আস-সারী‘
৪ঠা শাবান, ১৪২৯ হিজরি
jaberaddosary@gmail.com
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٥)
الجزء الثاني
দ্বিতীয় খণ্ড
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٧)
عنوان النسخة ظ
পাণ্ডুলিপি 'জ'-এর শিরোনাম
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٨)
أول النسخة ظ
পাণ্ডুলিপির প্রারম্ভ (পৃষ্ঠার উল্টো পিঠ)
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ١٩)
آخر النسخة ظ
অনুলিপির শেষ (পৃষ্ঠার উল্টো পিঠ)
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
سماعات النسخة ظ
সংস্করণ 'য' এর শ্রবণ-বিবরণীসমূহ
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢١)
بقية سماعات النسخة ظ
পাণ্ডুলিপি 'যা'-এর অবশিষ্ট শ্রবণলিপি
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
عنوان النسخة ق
পাণ্ডুলিপি ক্বাফ-এর শিরোনাম
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
أول النسخة ق
পাণ্ডুলিপির শুরু 'ক'
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
آخر النسخة ق
পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
[1] الجزء الثاني من أفراد الدارقطني /1 أ/
--------------------------------------------
[১] আদ-দারা কুতনীর আফরাদ গ্রন্থের দ্বিতীয় অংশ /১ ক/
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
بسم الله الرحمن الرحيم
[2] الحمد لله الذي هدانا لهذا، وما كنا لنهتدي لولا أن هدانا الله
أخبرنا الشريف أبو الغنائم عبدالصمد بن علي بن محمد بن الحسن بن الفضل بن المأمون، بقراءتي عليه، فأقر به، قال: أخبرنا أبو الحسن علي بن عمر الدَارقطني الحافظ، فيما قرئ عليْه وأنا أسمع:
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
[২] সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের এই পথে পরিচালিত করেছেন; আল্লাহ আমাদের হিদায়াত না দিলে আমরা পথ পেতাম না।
শরীফ আবুল গানায়েম আবদুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাসান ইবনে ফদল ইবনে মামুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পাঠের মাধ্যমে, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন; তিনি বলেন: হাফেজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যা তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
1 - ثنا* أبو القاسم عبدالله بن محمد بن عَبْدالعزيز البغوي، ثنا* هُدبة بن خالد أبو خالد القيسي، حدثنا هارون بن موسى الأعور النّحوي، حدثنا إسماعيل المكي، عن أبي إسحاق، عن ابن أم الحصين*، عن جدّته، أنها صَلّتْ خلفَ رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسمعته يقرأ: {مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ}، فقرأ، حَتّى بلغ: {غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ}، قال: «آمين».
هذا حديث غريب من حديث أبي إسحاق السبيعي، عن يحيى بن الحصين، عن جدته أم الحُصين، تفرد به إسماعيل بن مسلم المكي عنه، ولم يروه عنه غير هارون بن موسى النحوي.
--------------------------------------------
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাউই, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবাহ ইবনে খালিদ আবু খালিদ আল-কাইসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারুন ইবনে মুসা আল-আওয়ার আন-নাহবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল আল-মাক্কি, আবু ইসহাক থেকে, তিনি ইবনে উম্মুল হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর দাদি থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছেন। তখন তিনি তাঁকে তিলাওয়াত করতে শুনলেন: {প্রতিফল দিবসের মালিক}, তিনি তিলাওয়াত করলেন, এমনকি যখন {তাদের পথ নয় যারা অভিশপ্ত এবং যারা পথভ্রষ্ট} পর্যন্ত পৌঁছালেন, তখন তিনি বললেন: "আমিন"।
এটি আবু ইসহাক আস-সাবি'ঈর সূত্রে ইয়াহইয়া ইবনুল হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর দাদি উম্মুল হুসাইন থেকে বর্ণিত একটি গারিব হাদিস। ইসমাইল ইবনে মুসলিম আল-মাক্কি তাঁর থেকে এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন এবং হারুন ইবনে মুসা আন-নাহবি ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
2 - حَدّثنا أبو القاسم عبْدالله بن محمّد بن عبدالعزيز، حدثنا مَنصُور بن أبي مُزَاحم، حدثنا إبراهيم بن عثمان بن أبي شيبة*، عن الحكم بن عتيبَة، عن مقسم، عن ابن عباس، قال: كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم يقرأُ على الجنازة بفاتحة الكتاب.
هذا حديث غريب من حديث الحكم بن عتيبة، عن مقسم، عن ابن عباس، تفرد به أبو شيبة إبراهيم بن عثمان عنه.
--------------------------------------------
২ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মনসুর ইবনে আবু মুজাহিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে উসমান ইবনে আবু শায়বাহ*, তিনি হাকাম ইবনে উতাইবাহ থেকে, তিনি মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করতেন।
হাকাম ইবনে উতাইবাহ-মিকসাম-ইবনে আব্বাস সূত্রে বর্ণিত এই হাদীসটি গারীব; আবু শায়বাহ ইবরাহিম ইবনে উসমান তাঁর থেকে এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
3 - حدثنا عبدالله بن سليمان بن الأشعث، حدثنا الحسين* بن علي بن مهران، ثنا عِصَام بن يوسف، حدثنا عبدالله بن المبارك، عن ابن جُريج، عَن سُليمان بن موسى، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة رضي الله عنها*، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «المضمضة والاستنشاق من الوضوء الذي لا بد منه».
هذا حديث غريب من حديث الزهري، عن عروة، عن عائشة، /1 ب/ تفرد به سليمان بن موسى الدمشقي عنه، ولم يروه عنه غير ابن جريج، وهو غريب من حديث عبدالله بن المبارك، عن ابن جريج، تفرد به عصام بن يوسف* عنه.
--------------------------------------------
৩ - আবদুল্লাহ ইবনে সুলায়মান ইবনুল আশআস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হুসাইন* ইবনে আলী ইবনে মিহরান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসাম ইবনে ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি সুলায়মান ইবনে মুসা থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)* থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসুল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «কুলি করা এবং নাকে পানি দেওয়া অজুর সেই অংশের অন্তর্ভুক্ত যা করা আবশ্যক»।
এটি জুহরি, উরওয়াহ ও আয়েশা থেকে বর্ণিত একটি গরিব (একক সূত্রে বর্ণিত) হাদিস, /১ খ/ সুলায়মান ইবনে মুসা আদ-দিমাশকি এটি এককভাবে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে জুরাইজ ছাড়া আর কেউ এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি। আর এটি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক ও ইবনে জুরাইজের সূত্রে একটি গরিব হাদিস, যা তাঁর থেকে ইসাম ইবনে ইউসুফ* এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
4 - حدثنا أبو حامد محمد بن هارون، حدثنا محمد بن يحيى القُطعي*، ثنا يحيى بن راشد، ثنا خالد [71 ب] الحذّاء، عن عبدالله بن عُبيد بن عُمير، عن أبيه، قال: قلت لعائشة أم المؤمنين رضي الله عنها*: كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ هذا الحرف: {والذين يؤتون ما آتوا} أو {والذين يأتون ما أتوا} -خفيفة-، قال*: قالت: أيّهما أحبّ إليك، قلت: أحدهما أحَبّ إليّ من حمر النَعَم، قالت: أَيّهُما، قلت: {الذين
⦗ص: 28⦘يأتون ما أتوا}، قالَتْ: أشهد لسمعْتُ رَسُولَ الله صلى الله عليه وسلم يقرؤها: {يأتون}.
هذا حديث* غريب من حديث عبدالله بن عُبيد بن عُمير، عن أبيه، عن عائشة، وهو غريب من حديث خالد بن مهران الحذاء عنه، تفرَّدَ به يحيى بن راشد البراء عنه*.
--------------------------------------------
৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ মুহাম্মদ ইবন হারুন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া আল-কুত্বায়ী*, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন রাশিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ [৭১ খ] আল-হাদ্দা, আবদুল্লাহ ইবন উবায়েদ ইবন উমাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মুমিন জননী আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)*-কে বললাম: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই শব্দটি কীভাবে পাঠ করতেন: {ওয়াল্লাযিনা ইউ'তুনা মা আতাও} নাকি {ওয়াল্লাযিনা ইয়াতুনা মা আতাও} -সংক্ষিপ্তভাবে-, তিনি* বলেন: তিনি (আয়িশা) বললেন: তোমার কাছে কোনটি বেশি পছন্দনীয়? আমি বললাম: এদের একটি আমার কাছে লাল উটের চেয়েও বেশি প্রিয়। তিনি বললেন: কোনটি? আমি বললাম: {আল্লাহযিনা
⦗পৃষ্ঠা: ২৮⦘ ইয়াতুনা মা আতাও}, তিনি বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এটি পাঠ করতে শুনেছি: {ইয়াতুনা}।
এই হাদিসটি* আবদুল্লাহ ইবন উবায়েদ ইবন উমাইর-এর সূত্রে তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশা থেকে বর্ণিত একটি গরিব (একক) হাদিস। আর এটি খালিদ ইবন মিহরান আল-হাদ্দা-এর সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণিত একটি গরিব হাদিস, ইয়াহইয়া ইবন রাশিদ আল-বাররা তাঁর থেকে এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন*।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
5 - حدثنا أبو علي محمد بن سليمان بن علي المالكي بالبصرة، حدثنا أحمد بن عبدة الضبّي، حدثنا حَفْص بن جُمَيْع، ثنا سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عبّاس، أن رسُولَ الله صلى الله عليه وسلم بعث خيلا، فلم يأته خبرها شهرا، فنزلت: {وَالْعَادِيَاتِ ضَبْحًا}: ضبحت بمناخرها، {فَالْمُورِيَاتِ قَدْحًا}: قَدَحَتْ بحوافرها الحجارة؛ فأورت نارًا، {فَالْمُغِيرَاتِ صُبْحًا}: صبّحَتِ القوم بغارة، {فَأَثَرْنَ بِهِ نَقْعًا}: أثارت بحوافرها الترابَ، {فَوَسَطْنَ بِهِ جَمْعًا}، قال: صبحتِ القوم* جميعا.
هذا حديث* غريب من حديث سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عباس، تفرد به حفص بن جُميع عنه، ولم يروه عنه غير أحمد بن عبدة.
--------------------------------------------
৫ - আমাদের নিকট বসরার আবু আলী মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন আলী আল-মালিকী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন আবদাহ আদ-দাব্বী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাফস বিন জুমাই বর্ণনা করেছেন, তিনি সিমাক বিন হারব হতে, তিনি ইকরিমাহ হতে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল অশ্বারোহী সৈন্য পাঠালেন, কিন্তু এক মাস যাবত তাদের কোনো সংবাদ তাঁর নিকট পৌঁছাল না। তখন অবতীর্ণ হলো: {শপথ সেই অশ্বরাজির যারা হ্রেঁষাধ্বনি করে ধাবমান}: অর্থাৎ তারা তাদের নাসারন্ধ্র দিয়ে শব্দ করছিল, {শপথ তাদের যারা খুর ঘষে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বিচ্ছুরিত করে}: অর্থাৎ তারা তাদের খুর দিয়ে পাথরের উপর আঘাত করে আগুন বের করছিল, {শপথ তাদের যারা প্রভাতকালে অভিযান চালায়}: অর্থাৎ তারা সকালে কোনো সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ চালিয়েছিল, {তাতে তারা ধূলি উৎক্ষিপ্ত করে}: অর্থাৎ তারা তাদের খুর দিয়ে ধুলোবালি উড়িয়েছিল, {অতঃপর তারা এর মাধ্যমে জনসমষ্টির অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে}: তিনি বললেন, তারা সকালে একযোগে সেই সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছিল।
এটি সিমাক বিন হারব-ইকরিমাহ-ইবনে আব্বাস সূত্রে বর্ণিত একটি অদ্ভূত (গারীব) হাদীস। হাফস বিন জুমাই এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন এবং আহমদ বিন আবদাহ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আফরাদ - আদ-দারা কুতনি
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
6 - حدثنا أبو محمد يحيى بن محمد بن صاعد، حدثنا محمد بن زُنْبُور المكي، حدثنا الحارث بن /2 أ/ عُمير، عن حميد، عن أنس، قال: قال رسُول الله صلى الله عليه وسلم: «تصدّقوا، فإنّ الصدقة فكاككم* من النار».
تفرد به أبو عُمير الحارث بن عمير، عن حميد، عن أنس.
--------------------------------------------
৬ - আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সায়িদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন জুনবুর আল-মাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস বিন [২/ক] উমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়িদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা সদকা করো, কারণ সদকা তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তিদানকারী*।»
আবু উমাইর আল-হারিস বিন উমাইর এটি হুমায়িদ থেকে এবং তিনি আনাস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------