(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: -)
أربعون حديثا تساعية الإسناد (ابن دقيق العيد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: أربعون حديثا تساعية الإسناد
المؤلف: تقي الدين أبو الفتح محمد بن علي بن وهب بن مطيع القشيري، المعروف بابن دقيق العيد (ت 702هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 84
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
নয়জন রাবী বিশিষ্ট সনদের চল্লিশটি হাদীস (ইবনে দাকীকুল ঈদ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: নয়জন রাবী বিশিষ্ট সনদের চল্লিশটি হাদীস
লেখক: তাকীউদ্দিন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহাব ইবনে মুতী আল-কুশাইরী, যিনি ইবনে দাকীকুল ঈদ নামে পরিচিত (মৃত্যু ৭০২ হিজরী)
প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম ফ্রি সফটওয়্যারে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৪
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ فِيهِ أَرْبَعُونَ حَدِيثًا تُسَاعِيَّةُ الإِسْنَادِ خَرَّجَهَا لِنَفْسِهِ مِنْ مَسْمُوعَاتِهِ شَيْخُ الإِسْلامِ مُفْتِي الأَنَامِ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو الشَّيْخِ مُحَمَّدُ بْنُ الشَّيْخِ الإِمَامِ الزَّاهِدِ الْعَلامَةِ مَجْدِ الدِّينِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ وَهْبِ بْنِ مُطِيعِ بْنِ أَبِي الطَّاعَةِ الْقُشَيْرِيِّ، ابْنُ دَقِيقِ الْعَيِّدِ، رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، آمِينَ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ.
এই খণ্ডটিতে চল্লিশটি হাদিস রয়েছে যেগুলোর সনদ নয় স্তরবিশিষ্ট। শায়খুল ইসলাম, মানবজাতির মুফতি, তাকিউদ্দীন আবুশ শায়খ মুহাম্মদ ইবনে শায়খ ইমাম জাহেদ আল্লামা মাজদুদ্দীন আবুল হাসান আলি ইবনে ওয়াহাব ইবনে মুতি' ইবনে আবিত ত্বাআহ আল-কুশাইরী, ইবনু দাকীকিল ঈদ (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন, আমীন), তিনি নিজের শ্রবণকৃত হাদিসসমূহ থেকে এগুলো নিজের জন্য সংকলন করেছেন।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২)
الْحَدِيثُ الأَوَّلُ:
প্রথম হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৩)
1 - قَرَأْتُ عَلَى الإِمَامِ الْمُفْتِي أَبِي الْحَسَنِ عَلِيُّ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَلامَةَ الشَّافِعِيُّ، عَنِ الْفَقِيهِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ السَّلَفِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الثَّقَفِيُّ، ثَنَا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، بِبَغْدَادَ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، ثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجِسٍ، قَالَ: أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ جَالِسٌ فِي أَصْحَابِهِ، فَدُرْتُ مِنْ خَلْفِهِ، فَعَرَفَ الَّذِي أُرِيدُ، فَأَلْقَى الرِّدَاءَ عَنْ ظَهْرِهِ، فَرَأَيْتُ مَوْضِعَ الْخَاتَمَ عَلَى نُغْضِ كَتِفِهِ مِثْلَ الْجُمْعِ حَوْلَهُ خِيلانٌ كَأَنَّهَا الثَّآلِيلُ، فَرَجَعْتُ حَتَّى اسْتَقْبَلْتُهُ، فَقُلْتُ: غَفَرَ اللَّهُ لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَقَالَ: «وَلَكَ» فَقَالَ الْقَوْمُ: اسْتَغْفَرَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَ: نَعَمْ وَلَكُمْ، ثُمَّ تَلا الآيَةَ {وَاسْتَغْفِرْ لِذَنبِكَ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ}
১ - আমি ইমাম মুফতি আবুল হাসান আলি হিবাতুল্লাহ বিন সালামাহ আশ-শাফেয়ীর কাছে পাঠ করেছি, তিনি ফকিহ হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সালাফির সূত্রে, তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রয়িস আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসেম বিন আল-ফজল আস-সাকাফি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান, বাগদাদে তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল আশ’আস আহমদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, আসেম বিন সুলাইমান থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সারজিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম যখন তিনি তাঁর সাহাবীদের মাঝে বসা ছিলেন। এরপর আমি তাঁর পিছন দিক দিয়ে ঘুরলাম, তখন তিনি বুঝতে পারলেন আমি কী চাচ্ছি। তাই তিনি তাঁর পিঠ থেকে চাদরটি সরিয়ে দিলেন। তখন আমি তাঁর কাঁধের হাড়ের উপরিভাগে মোহর (মোহরে নবুওয়াত) দেখতে পেলাম যা হাতের মুষ্টির মতো ছিল এবং তার চারপাশে আঁচিলের মতো কিছু তিল ছিল। এরপর আমি ফিরে এসে তাঁর সামনে দাঁড়ালাম এবং বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। তিনি বললেন: “এবং তোমাকেও।” তখন লোকেরা জিজ্ঞেস করল: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এবং তোমাদের জন্যও। এরপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন: “আর আপনার ত্রুটির জন্য এবং মুমিন নারী ও পুরুষদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।”
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৪)
الْحَدِيثُ الثَّانِي:
দ্বিতীয় হাদীস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৫)
2 - قَرَأْتُ عَلَى الْفَقِيهِ الإِمَامِ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلامَةَ بْنِ الْمُسْلِمِ الشَّافِعِيِّ، عَنِ الْفَقِيهِ الإِمَامِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيِّ الْحَافِظِ، سَمَاعًا عَلَيْهِ، أَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الثَّقَفِيُّ، ثَنَا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ، بِبَغْدَادَ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، ثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَقَدْ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، عَشْرَ سِنِينَ، فَوَاللَّهِ مَا قَالَ لِي: " أُفٍّ قَطُّ، وَلا قَالَ لِشَيْءٍ فَعَلْتُهُ: لِمَ فَعَلْتَ كَذَا؟ وَلا لِشَيْءٍ لَمْ أَفْعَلْهُ: أَلا فَعَلْتَ كَذَا "
২ - আমি ফকীহ ইমাম আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন সালামা বিন আল-মুসলিম আশ-শাফিয়ীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি ফকীহ ইমাম আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফী আল-হাফিজ থেকে তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রধান আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফদল আস-সাকাফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান বাগদাদে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশ'আস আহমদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, তিনি সাবেত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি দশ বছর যাবত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খিদমত করেছি। আল্লাহর কসম! তিনি আমাকে কখনো 'উফ' বলেননি। আর আমি কোনো কাজ করেছি সে বিষয়ে তিনি বলেননি: "কেন তুমি এমন করলে?" অথবা আমি কোনো কাজ করিনি সে বিষয়ে তিনি বলেননি: "কেন তুমি এমন করলে না?"
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৬)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ:
তৃতীয় হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৭)
3 - قَرَأْتُ عَلَى الإِمَامِ أَبِي الْحَسَنِ الشَّافِعِيِّ، أَنَّ الْحَافِظَ أَبَا طَاهِرٍ السِّلَفِيَّ، أَخْبَرَهُمْ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا فَإِجَازَةً، ثَنَا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، ثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «مَا مَسَسْتُ بِيَدِي دِيبَاجًا، وَلا حَرِيرًا، وَلا شَيْئًا أَلْيَنَ مِنْ كَفِّ رَسُولِ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم، وَلا شَمَمْتُ رَائِحَةً قَطُّ أَطْيَبَ مِنْ رِيحِ رَسُولِ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم»
৩ - আমি ইমাম আবুল হাসান আশ-শাফিঈর নিকট পাঠ করেছি যে, হাফেজ আবু তাহের আস-সিলাফি তাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ আস-সাকাফি আমাদেরকে (সংবাদ দিয়েছেন)—যদি শ্রবণের মাধ্যমে না হয় তবে ইজাযতের (অনুমতি) মাধ্যমে—আমাদের নিকট আবুল ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন সাদান বিন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, বাগদাদে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আমাদের নিকট আবু আল-আশআাস আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট হাম্মাদ বিন যায়েদ বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে এবং তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আমার হাত দিয়ে এমন কোনো মোটা রেশম বা চিকন রেশম অথবা অন্য কোনো কিছু স্পর্শ করিনি যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতের তালুর চেয়ে অধিক কোমল ছিল। আর আমি কখনো এমন কোনো সুঘ্রাণ গ্রহণ করিনি যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র ঘ্রাণের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত ছিল।»
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৮)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ:
চতুর্থ হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ৯)
4 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلامَةَ الْفَقِيهِ، أَنَّ الْحَافِظَ أَبَا طَاهِرٍ السِّلَفِيَّ، أَخْبَرَهُمْ، أَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، نَا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، بِبَغْدَادَ، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، ثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجِسٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ إِذَا سَافَرَ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ، وَكَآبَةِ الْمُنْقَلَبِ، وَمِنَ الْحَوْرِ بَعْدَ الْكَوْنِ، وَدَعْوَةِ الْمَظْلُومِ، وَسُوءِ الْمَنْظَرِ فِي الأَهْلِ وَالْمَالِ» .قِيلَ لِعَاصِمٍ مَا الْحَوْرِ بَعْدَ الْكَوْنِ؟ قَالَ: كَانَ يُقَالُ حَارَ بَعْدَ مَا كَانَ
৪ - আমি আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন সালামাহ আল-ফকীহের নিকট পাঠ করেছি যে, হাফেজ আবু তাহের আস-সিলাফী তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আর-রাইস আবু আবদুল্লাহ আস-সাকাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন সাদান বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আয়্যাশ আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল আশআস আহমদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ বিন যায়েদ আসিম বিন সুলাইমান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন সারজিস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে বের হতেন তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সফরের কষ্ট, ফিরে আসার বিষণ্ণতা, প্রাচুর্যের পর ঘাটতি (বা ভালো অবস্থা থেকে মন্দে প্রত্যাবর্তন), মজলুমের বদদোয়া এবং পরিবার ও সম্পদের অশুভ পরিণতি দেখা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।» আসিমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘আল-হাওর বাদাল কাওন’ কী? তিনি বললেন: বলা হতো—সে যা ছিল, তারপর তা থেকে বিচ্যুত হওয়া।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১০)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ:
পঞ্চম হাদীস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১১)
5 - قَرَأْتُ عَلَى الْمُفْتِي أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْفَضَائِلِ، عَنِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ السِّلَفِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الثَّقَفِيُّ، ثَنَا أَبُو الْفَتْحِ هِلالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، بِمَدِينَةِ السَّلامِ، فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخِرِ مِنْ سَنَةِ 413، ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، ثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، يَوْمَ الاثْنَيْنِ لِسِتٍّ خَلَوْنَ مِنْ شَوَّالٍ سَنَةَ 249، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، رضي الله عنه، أَنَّ رَجُلا أَتَى الْمَسْجِدَ وَالنَّبِيُّ، صلى الله عليه وسلم، يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَصَلَّيْتَ يَا فُلانُ؟» قَالَ: لا، قَالَ: «قُمْ فَارْكَعْ»
৫ - আমি মুফতি আবুল হাসান আলী ইবনে আবিল ফাদায়েল-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি হাফেজ আবু তাহের আস-সিলাফি থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাইস আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম ইবনুল ফাদল আস-সাকাফি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে সা'দান, ৪১৩ হিজরি সনের রবিউল আখের মাসে মদিনাতুস সালামে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ আল-কাত্তান, তাঁর কাছে পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশআস আহমদ ইবনুল মিকদাম আল-ইজলি, ২৪৯ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের ছয় দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সোমবারে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যায়েদ, আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, জনৈক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: "হে অমুক! তুমি কি সালাত আদায় করেছ?" তিনি বললেন: "না।" তিনি বললেন: "দাঁড়াও এবং রুকু (সালাত) আদায় করো।"
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১২)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ:
ষষ্ঠ হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
6 - قَرَأْتُ عَلَى الشَّيْخِ أَبِي الْحَسَنِ مُحَمَّدِ بْنِ الأَنْجَبِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصُّوفِيِّ الْبَغْدَادِيِّ الْبَقَّالِ، عَنِ الشَّيْخِ أَبِي الْمَعَالِي عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ الْفُرَاوِيِّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الشِّيرَوِيِّ، رحمه الله، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْحِيرِيُّ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الأَصَمُّ، ثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ أَسَدٍ الْمَرْوَزِيُّ أَبُو يَحْيَى، بِبَغْدَادَ سَنَةَ 268، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَتَى السَّاعَةُ؟ قَالَ: «وَمَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟» فَلَمْ يَذْكُرْ كَثِيرًا إِلا أَنَّهُ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ، قَالَ: «فَأَنْتَ مَعَ مَنْ أَحْبَبْتَ» .صَحِيحٌ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْهِلالِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُسْلِمٍ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، وَفِيهِ نَوْعَانِ مِنَ الْعُلُوِّ: أَحَدُهُمَا عُلُوُّ الْعَدَدِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَالثَّانِي عُلُوُّ التَّنْزِيلِ، فَإِنَّ الْبُخَارِيَّ أَخْرَجَهُ عَنْ عَبْدَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَنَسٍ، فَأَبُو بَكْرٍ الشِّيرَوِيُّ مِنْ حَيْثُ الْعَدَدِ، بِمَنْزِلَةِ الْبُخَارِيِّ، وَبَيْنَنَا وَبَيْنَهُ اثْنَانِ، فَكَأَنَّ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْبُخَارِيِّ اثْنَيْنِ، وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي غَسَّانَ، وَابْنِ مُثَنَّى، عَنْ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ هِشَامٍ، كِلاهُمَا عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، فَفِي طَرِيقِ هِشَامٍ هَذِهِ مَا ذَكَرْنَاهُ مِنْ يُنْزِلُ أَبِي بَكْرٍ الشِّيرَوِيِّ مَنْزِلَة مُسْلِمٍ مِنْ حَيْثُ الْعَدَدِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
৬ - আমি শায়খ আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনুল আনজাব ইবনে আবি আবদিল্লাহ ইবনে আবদির রহমান আস-সুফি আল-বাগদাদি আল-বাক্কালের নিকট পাঠ করেছি, তিনি শায়খ আবুল মাআলি আব্দুল মুনয়িম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আল-ফুরাবি থেকে, তিনি আবু বকর আব্দুল গাফফার ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে আশ-শিরবি (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে, তিনি আবু বকর আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ আল-হিরি থেকে, তিনি আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আল-আসাম থেকে, তিনি যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আসাদ আল-মারওয়াযি আবু ইয়াহইয়া থেকে ২৬৮ হিজরি সনে বাগদাদে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামত কখন হবে? তিনি বললেন: "তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ?" তিনি (ব্যক্তিটি) তেমন বিশেষ কোনো আমলের কথা উল্লেখ করতে পারলেন না কেবল এটুকু ছাড়া যে, তিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "তুমি যার সাথে ভালোবাসা পোষণ করো, তারই সাথী হবে।"হাদিসটি সহিহ, যা আবু মুহাম্মদ আল-হিলালির হাদিস থেকে আবু বকর ইবনে মুসলিমের সূত্রে বর্ণিত। ইমাম মুসলিম এই পথেই এটি বর্ণনা করেছেন। এতে দুই ধরনের 'উলু' (উচ্চ স্তর) রয়েছে: একটি হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত বর্ণনাকারীদের সংখ্যার উচ্চতা (স্বল্পতা), এবং দ্বিতীয়টি হলো 'তানিজিল'-এর উচ্চতা। কেননা ইমাম বুখারি এটি আবদান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররা থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জাদ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আবু বকর আশ-শিরবি বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে ইমাম বুখারির সমপর্যায়ের হয়ে গেছেন; এবং আমাদের ও তাঁর মাঝে মাত্র দুইজন বর্ণনাকারী রয়েছেন, যেন আমাদের ও ইমাম বুখারির মাঝে মাত্র দুইজন ব্যক্তি বিদ্যমান। ইমাম মুসলিম এটি আবু গাসসান ও ইবনে মুসান্না থেকে, তাঁরা মুয়াজ ইবনে মুয়াজ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হিশাম থেকে—তাঁরা উভয়ই কাতাদা থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। হিশামের এই সূত্রে আমরা যা উল্লেখ করেছি তা হলো—আবু বকর আশ-শিরবি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত বর্ণনাকারীর সংখ্যার দিক থেকে ইমাম মুসলিমের সমপর্যায়ে উপনীত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
الْحَدِيثُ السَّابِعُ:
সপ্তম হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
7 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الأَنْجَبِ، عَنْ أَبِي الْمَعَالِي الْفُرَاوِيِّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الشِّيرَوِيُّ، أَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفُضَيْلِ الصَّيْرَفِيُّ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الأَصَمُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامِ بْنِ مَلاسٍ النُّمَيْرِيُّ، ثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، ثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ الدَّجَّالَ أَعْوَرُ، عَيْنُهُ الشِّمَالُ عَلَيْهَا ظَفَرَةٌ غَلِيظَةٌ، مَكْتُوبٌ بَيْنَ عَيْنَيْهِ كَافِرٌ ك ف ر»
৭ - আমি আবুল হাসান বিন আল-আনজাবের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবুল মাআলি আল-ফুরাওয়ি থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আশ-শিরওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফুদায়েল আস-সাইরাফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আল-আসাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন মাল্লাস আন-নুমাইরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আল-ফাজারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তবিল, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই দাজ্জাল একচোখা, তার বাম চোখের ওপর একটি পুরু মাংসপিণ্ড রয়েছে, তার দুই চোখের মাঝখানে লেখা আছে ‘কাফির’— ক ফ র।»
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ:
অষ্টম হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
8 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ مُحَمَّدِ بْنِ الأَنْجَبِ، عَنْ أَبِي الْمَعَالِي عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ الشِّيرَوِيُّ، أَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ الصَّيْرَفِيُّ سَنَةَ 430، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَصَمُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامِ بْنِ مَلاسٍ النُّمَيْرِيُّ، مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ، سَنَةَ 366، ثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْفَزَارِيُّ، ثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ، لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ {لَن تَنَالُوا الْبِرَّ حَتَّى تُنفِقُوا مِمَّا تُحِبُّونَ} فَقَالَ أَبُو طَلْحَةَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ حَائِطِي الَّذِي بِكَذَا وَكَذَا هُوَ لِلَّهِ تَعَالَى، وَلَوِ اسْتَطَعْتُ أَنْ أُسِرَّهُ لَمْ أُعْلِنْهُ، فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: «اجْعَلْهُ فِي فُقَرَاءِ أَهْلِكَ وَقَرَابَتِكَ»
৮ - আমি আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আল-আনজাব-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু আল-মা'আলি আবদ আল-মুন'ইম বিন আবদিল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদ আল-গাফফার বিন মুহাম্মদ আশ-শিরাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন মুসা বিন আল-ফদল আস-সাইরাফি ৪৩০ হিজরিতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-আসাম্ম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন দামেস্ক নিবাসী মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন মলাস আল-নুমায়রি ৩৬৬ হিজরিতে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুআবিয়া আল-ফাজারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তবিল। তিনি বলেন: আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো— {তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পুণ্য লাভ করতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রিয় বস্তু থেকে ব্যয় করো}— তখন আবু তালহা (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! অমুক অমুক স্থানে অবস্থিত আমার বাগানটি মহান আল্লাহর জন্য উৎসর্গীকৃত; আমি যদি এটি গোপন রাখতে সক্ষম হতাম, তবে তা প্রকাশ করতাম না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “তুমি এটি তোমার পরিবারের অভাবী সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের মাঝে বণ্টন করে দাও।”
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الْحَدِيثُ التَّاسِعُ:
নবম হাদীস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
9 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الأَنْجَبِ الْبَغْدَادِيِّ، عَنْ أَبِي الْمَعَالِي عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْفُرَاوِيِّ، قَالَ: ثَنَا أَبُو بَكْرٍ الشِّيرَوِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحِيرِيُّ، ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ الأَصَمُّ، ثَنَا أَبُو يَحْيَى، ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، سَمِعَ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ، رضي الله عنه، يَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِلَيْكَ أَسْلَمْتُ نَفْسِي، وَإِلَيْكَ وَجَّهْتُ وَجْهِي، وَإِلَيْكَ فَوَّضْتُ أَمْرِي، وَإِلَيْكَ أَلْجَأْتُ ظَهْرِي رَغْبَةً وَرَهْبَةً، لا مَلْجَأَ وَلا مَنْجَا مِنْكَ إِلا إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِرَسُولِكَ أَوْ نَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ، فَإِنْ مَاتَ مَاتَ عَلَى الْفِطْرَةِ»
৯ - আমি আবুল হাসান বিন আল-আনজাব আল-বাগদাদীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবুল মাআলি আব্দুল মুনয়িম বিন আব্দুল্লাহ আল-ফুরাওয়ি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু বকর আশ-শিরাওয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু বকর আল-হিরি আমাদের অবহিত করেছেন, আবুল আব্বাস আল-আসাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বারা বিন আযিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যখন তিনি তাঁর বিছানায় শয়ন করতেন, তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আমি নিজেকে আপনার প্রতি সমর্পণ করলাম, আপনার দিকে আমার মুখ ফিরালাম, আমার সকল বিষয় আপনার নিকট সোপর্দ করলাম এবং আপনার নিকট আমার পিঠ ন্যস্ত করলাম—আপনার প্রতি আশা ও ভীতি নিয়ে। আপনার থেকে (বাঁচতে) আপনার নিকট ব্যতীত কোনো আশ্রয়স্থল ও মুক্তির উপায় নেই। আমি আপনার অবতীর্ণ করা কিতাবের ওপর এবং আপনার প্রেরিত রাসূল বা নবীর ওপর ঈমান এনেছি। যদি সে (ব্যক্তিটি) মারা যায়, তবে সে ফিতরাতের (ইসলামের) ওপরই মারা গেল।»
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
الْحَدِيثُ الْعَاشِرُ:
দশম হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيُّ الْبَكْرِيُّ الْحَافِظُ، فِيمَا ذَكَرَ، أَنا بَعْضَ إِسْنَادِهِ لَفْظًا، وَأَتْمَمْتُ قِرَاءَتَهُ عَلَيْهِ، أَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الطُّوسِيُّ، وَالشَّيْخَةُ الصَّالِحَةُ زَيْنَبُ بِنْتُ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَسَنِ الشِّعْرِيِّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، وَقِرَاءَةً عَلَيْهَا، وَأَنَا أَسْمَعُ، وَالشَّيْخُ أَبُو رَوْحٍ عَبْدُ الْمُعِزِّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ، قَالَ الْمُؤَيَّدُ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الْفُرَاوِيُّ، وَقَالَتْ زَيْنَبُ: أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ القَارِئُ، وَقَالَ أَبُو رَوْحٍ: أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ تَمِيمُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْجُرْجَانِيُّ، قَالُوا: أَنَا أَبُو حَفْصِ بْنُ مَسْرُورٍ، أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ نُجَيْدٍ السُّلَمِيُّ، أَنَا أَبُو مُسْلِمٍ، ثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ أَيْمَنَ بْنِ نَابِلٍ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، عَلَى نَاقَةٍ صَهْبَاءَ «يَرْمِي الْجَمْرَةَ، لا ضَرْبَ وَلا طَرْدَ وَلا إِلَيْكَ إِلَيْكَ» .أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مُنَيْعٍ، عَنْ مَرْوَانَ بْنِ مُعَاوِيَةَ، وَالنَّسَائِيُّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ أَيْمَنَ وَالْحَارِثِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ رَوْحٍ، عَنْ أَيْمَنَ، وَأَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ فِي مُسْتَدْرَكِهِ
১০ - হাফিজ আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আত-তাইমি আল-বাকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তিনি যা উল্লেখ করেছেন সে বিষয়ে তিনি তাঁর সনদের কিছু অংশ আমাকে শব্দে শব্দে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তাঁর নিকট তা পাঠ করে সম্পন্ন করেছি—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খুল মুসনিদ আবু আল-হাসান আল-মুয়াইয়্যাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তুসি এবং পুণ্যবতী শায়খা জয়নব বিনতে আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শায়রি—তাঁদের উভয়ের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং যখন আমি শ্রবণ করছিলাম—আর শায়খ আবু রাওহ আব্দুল মুয়িজ বিন মুহাম্মদ বিন আবু আল-ফজল। আল-মুয়াইয়্যাদ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-ফুরাওয়ি। জয়নব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন আবু আল-কাসিম বিন আবু বকর আল-ক্বারি। আবু রাওহ বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম তামিম বিন আবু সাইদ আল-জুরজানি। তাঁরা সকলে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস বিন মাসরুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন নুজাইদ আস-সুলামি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, আয়মান বিন নাবিল থেকে, তিনি কুদামা বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি লালচে-সাদা বর্ণের উষ্ট্রীর পিঠে সওয়ার অবস্থায় জামরায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি, তখন সেখানে কাউকে প্রহার করা, কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং ‘সরে যাও, সরে যাও’ বলে চিৎকার করার মতো কোনো ঘটনা ছিল না।এটি ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুনাই থেকে, তিনি মারওয়ান বিন মুআবিয়া থেকে; এবং ইমাম নাসাঈ বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে, তিনি আয়মান থেকে; এবং আল-হারিস বিন আবু উসামা বর্ণনা করেছেন রাওহ থেকে, তিনি আয়মান থেকে; আর ইমাম হাকেম এটি তাঁর মুস্তাদরাকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَ:
একাদশ হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
11 - أَخْبَرَنَا الْمُسْنِدُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالشَّامِ، قَالَ: وَأَنْبَا أَبُو الْمُظَفَّرِ عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ فَيْرُوز بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْهَرِيُّ الْهَمَذَانِيُّ، بِقِرَاءَةِ الْحَافِظِ عَبْدِ الْغَنِيِّ سَنَةَ 590، أَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي، أَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ البَرْمَكِيُّ، حُضُورَاً فِي الخَامِسةِ أَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ أَيْوبَ بْنِ مَاسِيَّ، ثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهيمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُسْلِمٍ الكُجِّيُّ، ثنا مُحَمَّدٌ بْنُ عَبْدَ اللهِ الأَنْصَارِيُّ، ثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، صلى الله عليه وسلم: «لا هِجْرَةَ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ فَوْقَ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ» أَوْ قَالَ: «ثَلاثِ لَيَالٍ»
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুসনিদ আবুল আব্বাস আহমাদ ইবন আবদুদ দাইম ইবন নিমাহ আল-মাকদিসি, সিরিয়ায় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুজাফফর আবদুল খালিক ইবন আবি জাফর ফিরোজ ইবন আবদুল্লাহ আল-জাওহারি আল-হামদানি, ৫৯০ হিজরি সনে হাফিজ আবদুল গনির পাঠের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবদুল বাকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবন উমর আল-বারমাকি, পঞ্চম বর্ষে উপস্থিতির মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন আইয়ুব ইবন মাসি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম ইবন আবদুল্লাহ ইবন মুসলিম আল-কুজ্জি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আল-আনসারি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুলায়মান আত-তাইমি, আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তিন দিনের বেশি সময় মুসলিমদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ রাখা বৈধ নয়» অথবা তিনি বলেছেন: «তিন রাত»।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشَرَ:
দ্বাদশ হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
12 - قَرَأْتُ عَلَى الإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْعَظِيمِ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُنْذِرِيِّ، رحمه الله، فَقَالَ: أَنَا الْعَلامَةُ أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، وَغَيْرُهُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمَا مُنْفَرِدَيْنِ بِدِمَشْقَ فِي الدُّفْعَةِ الأُولَى، قَالا: أَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَصْرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ الْبَزَّازُ، ثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْبَصْرِيُّ، ثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ عَمَّتَهُ لَطَمَتْ جَارِيَةً فَكَسَرَتْ سِنَّهَا، فَعَرَضُوا عَلَيْهِمُ الأرْشَ، فَأَبَوْا، فَطَلَبُوا الْعَفْوُ، فَأَبَوْا، فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَأَمَرَهُمْ بِالْقِصَاصِ، فَجَاءَ أَخُوهَا أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَكْسِرُ سِنَّ الرُّبَيِّعَ؟ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لا تَكْسِرْ سِنَّهَا، فَقَالَ: «يَا أَنَسُ، كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ» ، فَعَفَا الْقَوْمُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ عز وجل مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لأَبَرَّهُ» .صَحِيحٌ ثَابِتٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، وَيُقَالُ أَبُو الْمُثَنَّى، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ
১২ - আমি পাঠ করেছি ইমাম হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম ইবন আব্দুল কাবি ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুনজিরি (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আল্লামা আবু ইউমন যায়েদ ইবন হাসান ইবন যায়েদ ইবন হাসান আল-বাগদাদি এবং অন্যান্যরা। দামেস্কে প্রথমবার আমি তাদের দুজনের নিকট পৃথক পৃথকভাবে পাঠ করেছি। তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আব্দুল বাকি ইবন মুহাম্মদ আল-বসরি, তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম। আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন উমর ইবন আহমদ আল-বারমাকি। আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবন ইব্রাহিম ইবন আইয়ুব আল-বাজজাজ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মুসলিম আল-বসরি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আনসারি, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে। তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর ফুফু রুবাইয়ি বিনতে নাজর একজন দাসীকে চড় মেরেছিলেন এবং তার দাঁত ভেঙে ফেলেছিলেন। তখন তারা তাদের নিকট ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দিল, কিন্তু তারা অস্বীকার করল। এরপর তারা ক্ষমা প্রার্থনা করল, কিন্তু তারা তাতেও অস্বীকার করল। এরপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলো এবং তিনি তাদের কিসাসের (প্রতিশোধের) আদেশ দিলেন। তখন তাঁর (রুবাইয়ির) ভাই আনাস ইবন নাজর এলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! রুবাইয়ির দাঁত কি ভেঙে ফেলা হবে? সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তার দাঁত ভাঙা যাবে না।" তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "হে আনাস! আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস।" এরপর সেই লোকেরা ক্ষমা করে দিল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই মহান আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন কেউ কেউ আছেন, যারা যদি আল্লাহর নামে শপথ করেন, তবে আল্লাহ অবশ্যই তা পূর্ণ করে দেন।" এটি সহিহ ও সুসাব্যস্ত, যা আবু আব্দুল্লাহ—কারো মতে আবু মুসান্না—থেকে বর্ণিত, তিনি আবু উবাইদাহ থেকে।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ عَشَرَ:
ত্রয়োদশ হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
13 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الرَّئِيسُ الأَصِيلُ أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الدِّمَشْقِيُّ بِقُوصَ، قَدِمَ لِلْحَجِّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ شَيْخِ الشُّيُوخِ أَبِي الْبَرَكَاتِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيِّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الأَنْصَارِيُّ، أَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ، أَنَا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ الْبَزَّازُ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الكُجِّيُّ الْبَصْرِيُّ، ثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي التَّيْمِيُّ، ثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: عَطَسَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، رَجُلانِ فَشَمَّتَ أَوْ فَسَمَّتَ أَحَدَهُمَا، وَلَمْ يُشَمِّتِ الآخَرَ، أَوْ فَسَمَّتَ وَلَمْ يسَمِّتْ، فَقِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَطَسَ عِنْدَكَ رَجُلانِ، فَسَمَّتَّ أَحَدَهُمَا وَلَمْ تُسَمِّتِ الآخَرَ، فَقَالَ: «إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ، عز وجل، فَسَمَّتُّهُ، وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ فَلَمْ أُسَمِّتْهُ» .أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، وَعَنْ آدَمَ، عَنْ شُعْبَةَ، وَمُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، وَعَنْ أَبِي كُرَيْبٍ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ الأَحْمَرِ، أَرْبَعَتُهُمْ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, প্রধান ও আভিজাত্যসম্পন্ন আবুল হাসান আব্দুল ওয়াহহাব বিন হাসান বিন মুহাম্মাদ বিন হাসান আদ-দিমাশকি কুস নামক স্থানে—তিনি হজ্জের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আব্দুল লতিফ বিন শাইখুশ শুয়ুখ আবিল বারাকাত ইসমাইল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগদাদি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন উমর আল-বারমাকি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ—যিনি ইবরাহিম বিন আইয়ুব আল-বাজজাজ; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবরাহিম—যিনি ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম আল-কুজ্জি আল-বাসরি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-আনসারি; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আত-তাইমি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু), তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন, তখন তিনি তাদের একজনের হাঁচির জবাব দিলেন কিন্তু অন্যজনের হাঁচির জবাব দিলেন না। তখন জিজ্ঞেস করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট দুইজন ব্যক্তি হাঁচি দিলেন, আপনি একজনের হাঁচির জবাব দিলেন অথচ অন্যজনের জবাব দিলেন না? তিনি বললেন: "নিশ্চয় এই ব্যক্তি মহান আল্লাহর প্রশংসা করেছে, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিয়েছি; আর অন্যজন আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার হাঁচির জবাব দিইনি।"এটি ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন কাসির থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে; এবং আদম থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে। আর ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর থেকে, তিনি হাফস বিন গিয়াস থেকে; এবং আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু খালিদ আল-আহমার থেকে; তাঁরা চারজনই সুলাইমান আত-তাইমি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ عَشَرَ:
চতুর্দশ হাদিস
(খণ্ড: ১)
আরবাঊনা হাদীসান তুসাঈয়াতুল ইসনাদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
14 - قَرَأْتُ عَلَى الإِمَامِ الْمُفْتِي أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلامَةَ الشَّافِعِيِّ، عَنِ الإِمَامِ الْمُفْتِي أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ السِّلَفِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَنَا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ، ثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مَاشَاذَه الْفَقِيهُ، إِمْلاءً، ثَنَا أَبُو عَمْرٍو أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ حَكِيمٍ الْمَدِينِيُّ، ثَنَا أَبُو حَاتِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ الرَّازِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، قَالَ: سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، عَنْ صَلاةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَصَوْمِهِ تَطَوُّعًا، فَقَالَ: " كَانَ يَصُومُ مِنَ الشَّهْرِ حَتَّى نَقُولَ: مَا يُرِيدُ أَنْ يُفْطِرَ مِنْهُ شَيْئًا، وَيُفْطِرُ مِنَ الشَّهْرِ حَتَّى نَقُولَ: مَا يَصُومُ مِنْهُ شَيْئًا، وَمَا كُنَّا نَشَاءُ أَنْ نَرَاهُ مِنَ اللَّيْلِ مُصَلِّيًا إِلا رَأَيْنَاهُ، وَلا نَائِمًا إِلا رَأَيْنَاهُ "
১৪ - আমি ইমাম মুফতী আবুল হাসান আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন সালামাহ আশ-শাফিয়ীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি ইমাম মুফতী আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মদ আস-সিলাফীর নিকট পাঠ করার সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাইস আবু আব্দুল্লাহ আস-সাকাফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকীহ আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মাশাযাহ—শ্রুতলিপির মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন হাকিম আল-মাদীনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাতিম মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস আর-রাযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমার নিকট হুমাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বিন মালিককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত এবং নফল সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন: "তিনি মাসের মধ্যে এমনভাবে সিয়াম পালন করতেন যে আমরা বলতাম—তিনি এর থেকে আর কিছুই ভঙ্গ করতে চান না। আবার তিনি মাসের মধ্যে এমনভাবে সিয়াম ভঙ্গ করতেন যে আমরা বলতাম—তিনি এর থেকে আর কিছুই পালন করতে চান না। আর আমরা রাতের বেলা যখনই তাকে সালাত আদায়রত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তখনই তাকে সে অবস্থায় দেখতে পেতাম; আর যখনই তাকে নিদ্রারত অবস্থায় দেখতে চাইতাম, তখনই তাকে সে অবস্থায় দেখতে পেতাম।"