(খণ্ড: ১) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: -)
قطعة من إكمال تهذيب الكمال - ط الفاروق   (علاء الدين مغلطاي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: إكمال تهذيب الكمال في أسماء الرجال

1 - القطعة الأولى: من أثناء ترجمة الحسن بن أبي الحسن إلى أول ترجمة الحكم بن الصلت

2 - القطعة الثانية: من أثناء ترجمة حماد بن أبي سليمان إلى بدايات ترجمة خالد بن مهران الحذاء

المؤلف: علاء الدين مغلطاي ابن قليج بن عبد الله البكجري الحنفي (689 - 762 هـ)

المحقق: أبو محمد أسامة بن إبراهيم

الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر - القاهرة، مصر

عام النشر: 1444 هـ - 2000 م

الأجزاء: قطعتان من الجزء الرابع

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 20 شوّال 1447

ইকমাল তাহযীব আল-কামাল এর একটি অংশ - আল-ফারুক সংস্করণ   (আলাউদ্দীন মুগলাতাই)

বিভাগ: জীবনী ও তবকাত


কিতাব: ইকমাল তাহযীব আল-কামাল ফী আসমা ইর-রিজাল

১ - প্রথম অংশ: হাসান বিন আবিল হাসান এর জীবনীর মধ্যভাগ থেকে হাকাম বিন আস-সালত এর জীবনীর শুরু পর্যন্ত

২ - দ্বিতীয় অংশ: হাম্মাদ বিন আবী সুলাইমান এর জীবনীর মধ্যভাগ থেকে খালিদ বিন মিহরান আল-হায্যা এর জীবনীর শুরু পর্যন্ত

লেখক: আলাউদ্দীন মুগলাতাই ইবনে কুলীজ বিন আব্দুল্লাহ আল-বাকজারী আল-হানাফী (৬৮৯ - ৭৬২ হিজরী)

মুহাক্কিক: আবু মুহাম্মদ উসামা বিন ইবরাহীম

প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদীসাহ লিত-তিবাআহ ওয়ান-নাশর - কায়রো, মিশর

প্রকাশের বছর: ১৪৪৪ হিজরী - ২০০০ খ্রিস্টাব্দ

খণ্ডসমূহ: চতুর্থ খণ্ডের দুইটি অংশ

[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ২০ শাওয়াল ১৪৪৭

(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌مقدمة التحقيق

الحمد لله رب العالمين، نحمده سبحانه ونستغفره، له الفضل والنعمة والثناء والإنعام، ونسأله سبحانه الصلاة والسلام على عبده ورسوله نبينا وحبيبنا وقدوتنا، خاتم الأنبياء والمرسلين، وعلى آله وصحبه الطيبين.

وندعوه سبحانه أن يُلحقنا بهديهم وعملهم، ويرزقنا الاستقامة دائما على الصراط المستقيم.

وبعدُ:

فهاتان القطعتان قد سقطتا من المجلد الرابع من تحقيقنا لكتاب «إكمال تهذيب الكمال»، وقد كنا نبهنا على موضع السقط في كل موضع، وذلك أننا لم نكن غافلين عنه، وإنما لم يتوفر بين أيدينا سوى نسخة مصورة عن معهد المخطوطات العربية سقط منها هذان الموضعان، وغير ذلك من الأجزاء التي لم يقف عليها أحد، برغم أن الكتاب قد صدر منذ قرابة ربع قرن.

أما القطعة الأولى من هذا المجلد فقد حققها مجموعة من الباحثين في مرحلة الماجستير في جامعة الملك سعود، ولم تأتِ على نسق واحد، أو دقة متماثلة، وقد رأيت احتياجها لإعادة التحقيق.

وأما القطعة الثانية فلم يسبق نشرها من قبل، وبهاتان القطعتان يكتمل ما سقط من المجلد الرابع لمن عنده طبعتنا من الكتاب، والحمد لله.

وأحب أن أنبه هنا على أن الكثير ممن ينظرون في التحقيقات المتقدمة- خاصة شباب طلبة العلم - يحاكمونها بإمكانات العصر الحالي، إلا أننا في وقت صدورها لم يكن يتوفر لنا عُشْر ما بين أيديهم من إمكانات وأدوات، فلم يمكننا
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌সম্পাদকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁর পবিত্র সত্তার প্রশংসা করি এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি; যাবতীয় শ্রেষ্ঠত্ব, নেয়ামত, প্রশংসা এবং দান কেবল তাঁরই। এবং তাঁর পবিত্র সত্তার নিকট প্রার্থনা করি তাঁর বান্দা ও রাসূল, আমাদের নবী, আমাদের প্রিয়তম ও আমাদের আদর্শ, সর্বশেষ নবী ও রাসূলের ওপর এবং তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গ ও সহচরদের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

এবং আমরা তাঁর পবিত্র সত্তার নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের তাঁদের হেদায়েত ও আমলের অনুসারী করেন এবং সর্বদা সিরাতুল মুস্তাকিমের ওপর অবিচলতা দান করেন।

অতপর:

এই দুই অংশ আমাদের সম্পাদিত ‘ইকমালু তাহযীবিল কামাল’ গ্রন্থের চতুর্থ খণ্ড থেকে বাদ পড়ে গিয়েছিল। আমরা প্রতিটি স্থানেই বাদ পড়া অংশের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলাম; কারণ বিষয়টি আমাদের অগোচরে ছিল না। তবে সে সময় আমাদের হাতে ‘মা’হাদুল মাখতুतात আল-আরাবিয়্যাহ’ (আরবি পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউট) থেকে প্রাপ্ত একটি ফটোকপি করা পাণ্ডুলিপি ছাড়া আর কিছু ছিল না, যেখান থেকে এই দুই অংশ বাদ পড়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া আরও কিছু অংশ ছিল যা কেউ খুঁজে পায়নি, যদিও বইটি প্রায় এক চতুর্থাংশ শতাব্দী আগে প্রকাশিত হয়েছে।

এই খণ্ডের প্রথম অংশটি কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক তাদের মাস্টার্স পর্যায়ে সম্পাদনা করেছিলেন, কিন্তু তা একই ধারাবাহিকতা বা সমমানের নির্ভুলতায় সম্পন্ন হয়নি। তাই আমি সেটিকে পুনরায় সম্পাদনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি।

আর দ্বিতীয় অংশটি এর আগে কখনও প্রকাশিত হয়নি। এই দুই অংশের মাধ্যমে যাদের কাছে আমাদের মুদ্রিত বইটি রয়েছে, তাদের জন্য চতুর্থ খণ্ডের বাদ পড়া অংশগুলো পূর্ণতা পাবে, আলহামদুলিল্লাহ।

আমি এখানে সতর্ক করে দিতে চাই যে, যারা পূর্ববর্তী সম্পাদনাগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করেন—বিশেষ করে তরুণ ইলম অন্বেষণকারীরা—তারা বর্তমান যুগের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সেগুলোকে বিচার করে থাকেন। অথচ আমাদের সময় যখন এটি প্রকাশিত হয়েছিল, তখন তাদের হাতে থাকা সুযোগ-সুবিধা ও সরঞ্জামের এক-দশমাংশও আমাদের কাছে সহজলভ্য ছিল না, যার ফলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি...
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٦)
عرض المخطوطات على شاشات الكمبيوتر، ولا أن تُصوّر ملونه، ولم تتوفر برامج البحث السريع بهذا الشكل والجودة، كما لم تكن المصادر العديدة التي طبعت حديثًا، أو أمكن الحصول عليها بسهولة، كما هو الوضع الآن.

لقد كانت نسخة المصنف التي أخرجنا عليها كتاب «إكمال تهذيب الكمال» نسخةً عَسِرة جدًّا، وصورتها مهتزة مشوشة مليئة بالحواشي المكثفة بغير ترتيب، وبالكثير من التداخل.

ورحم الله الشيخ أحمد شاكر فقد تمنى لو وجد بين يديه فهارس لأطراف كتب السنة لكانت وفرتْ عليه نصف عمره، سبحان الله! يقول نصف عمره لبعض الفهارس فقط، فكيف لو توفرت له إمكانات البرامج الحديثة، وما بها من بحث وبرمجيات ذكية، أو النسخ الخطية الملونة المعروضة بطرق عرض وبرامج متطورة على شاشات الكمبيوتر، أو المصادر العديد التي لم يقف على أي منها، أو وقف على بعضها مخطوطًا ليس من السهولة الوصول إلى الموضع المراد فيه.

ونحن نعرف ونقدر قيمة الجهد الكبير الذي بذله من سبقنا، ولا نقيسه بما وُجد بين أيدينا من إمكانات.

وختامًا أسأل الله العلي القدير أن يوفقنا جميعًا لخدمة التراث الإسلامي عامة، والسنة النبوية وعلومها بشكل خاص؛ ليكون لنا دورًا في حمايتها مما يُكاد لها من بَثَّ الشبهات ولطعن في ثبوتها وحجيتها.

 

وكتب أبو محمد أسامة بن إبراهيم بن محمد بن يونس

القاهرة - ربيع الآخر - 1444 هـ
কম্পিউটার স্ক্রিনে পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করার সুযোগ ছিল না, না ছিল সেগুলো রঙিনভাবে ছবি তোলার ব্যবস্থা। বর্তমানের মতো এই মান ও গুণের দ্রুত অনুসন্ধানকারী প্রোগ্রামগুলো তখন সহজলভ্য ছিল না। তেমনিভাবে বর্তমানে যেমন বহু উৎসগ্রন্থ নতুনভাবে মুদ্রিত হয়েছে বা সহজেই সংগ্রহ করা যাচ্ছে, তখন পরিস্থিতি এমন ছিল না।

‘ইকমাল তাহযিবুল কামাল’ গ্রন্থটি সম্পাদনায় আমরা লেখকের যে পাণ্ডুলিপিটি ব্যবহার করেছি, তা ছিল অত্যন্ত দুরূহ। এর ছবিগুলো ছিল অস্পষ্ট ও ঝাপসা, আর কোনো সুশৃঙ্খল বিন্যাস ছাড়াই প্রচুর ঘন টীকায় ভরপুর এবং অনেক ক্ষেত্রে পাঠগুলো একে অপরের সাথে মিশে গিয়েছিল।

আল্লাহ শায়খ আহমাদ শাকিরের ওপর রহম করুন; তিনি আকাঙ্ক্ষা করেছিলেন যে, যদি তাঁর হাতে সুন্নাহর কিতাবসমূহের উদ্ধৃতিমূলক নির্ঘণ্ট (আতরাফ) থাকত, তবে তা তাঁর জীবনের অর্ধেক সময় বাঁচিয়ে দিত। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু কিছু নির্ঘণ্টের জন্যই জীবনের অর্ধেক সময়ের কথা বলেছেন; তাহলে যদি তাঁর কাছে আধুনিক প্রোগ্রামের এই সুযোগ-সুবিধা এবং এর মধ্যকার অনুসন্ধান ও বুদ্ধিবৃত্তিক সফটওয়্যারগুলো থাকত, কিংবা কম্পিউটার স্ক্রিনে উন্নত প্রদর্শন পদ্ধতিতে থাকা রঙিন পাণ্ডুলিপিগুলো থাকত, অথবা এমন বহু উৎসগ্রন্থ থাকত যা তিনি পাননি অথবা পাণ্ডুলিপি আকারে পেলেও কাঙ্ক্ষিত স্থানে পৌঁছানো সহজসাধ্য ছিল না—তবে পরিস্থিতি কেমন হতো!

আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের বিশাল প্রচেষ্টার মূল্য জানি ও তার কদর করি। আমাদের কাছে বর্তমানে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আমরা তাঁদের শ্রমকে পরিমাপ করি না।

পরিশেষে, আমি মহান পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি আমাদের সকলকে সাধারণভাবে ইসলামি ঐতিহ্য এবং বিশেষভাবে সুন্নাহ ও এর ইলমসমূহের খিদমত করার তাওফিক দান করেন; যাতে সংশয় ছড়ানো এবং সুন্নাহর প্রামাণ্যতা ও প্রামাণিকতার ওপর আঘাত হানার যে চক্রান্ত চলছে, তা থেকে একে রক্ষা করতে আমরা ভূমিকা রাখতে পারি।

 

লিখেছেন আবু মুহাম্মাদ উসামা ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস

কায়রো - রবিউস সানি - ১৪৪৪ হিজরি
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌النسخة الخطية التي اعتمدتُ عليها في تحقيق الكتاب

اعتمدتُ في تحقيقي لهذا المجلد على النسخة الخطية المحفوظة بمكتبة قلج علي بإستانبول - تركيا برقم (190). وقد تكلمتُ عليها في مقدمة طبعتنا للإكمال.

وسأعرض هنا لنماذج من النسخة ومواضع القطعتين منها.

* * *
কিতাবটি সম্পাদনায় আমি যে পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি

এই খণ্ডটি সম্পাদনায় আমি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত কিলিক আলী লাইব্রেরিতে ১৯০ নম্বর অধীনে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি। আর আমি 'আল-ইকমাল'-এর আমাদের সংস্করণের ভূমিকায় এটি সম্পর্কে আলোচনা করেছি।

এখানে আমি পাণ্ডুলিপির কিছু নমুনা এবং এর দুটি অংশের অবস্থান তুলে ধরব।

* * *
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ١٥)
‌‌القطعة الأولى

من أثناء ترجمة الحسن بن أبي الحسن إلى أول ترجمة الحكم بن الصلت
প্রথম অংশ

আল-হাসান বিন আবি আল-হাসানের জীবনীর মধ্যভাগ থেকে আল-হাকাম বিন আল-সালতের জীবনীর শুরু পর্যন্ত।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌1 - (ع) الحسن بن أبي الحسن يسار أبو سعيد البصري مولى زيد بن ثابت ويقال مولى جابر بن عبد الله، ويقال مولى جميل بن قطبة، ويقال مولى أبي اليسر مولى سعيد وعمار.

وذكر(1) ابن أبي شيبة عن سعيد بن عامر أنه قال: بلغ الحسنُ تسعا وثمانين سنة(2).

وقال الأزدي في كتاب «الصحابة»(3): رافع بن يزيد الثقفي لا يروي عنه إلا الحسن، ولا أدري سمع منه الحسن أم لا؟

وقال أبو سعد(4) الإدريسي في «تاريخ سمرقند» مع سعيد بن عثمان بن عفان أو مع قتيبة بن مسلم الباهلي: كان بين موته وموت ابن سيرين خمسون(5) ليلة.

قال الشيخ أبو سعد(6): هكذا قال الهيثم، وغيره يقول: مائة يوم. وكان أصله من بخارى.

وقال أبو عبد الله بن محمود: كان الحسن من كبار التابعين، وكان خيرا، فاضلا، زاهدا، فقيها، عالما بلغ زهده أنه لم يُرَ في السوق قط يشتري شيئا منها للدنيا ولا يبيع، راهبا بالليل، مؤدّبا بالنهار، استغنى مَنْ حوله بعلمه والصحابة

--------------------------------------------

(1) من هنا بقية ترجمة الحسن البصري وما سبق موجود في طبعتنا من الإكمال.

(2) نقله الكلاباذي في رجال البخاري (1/ 167)، عن ابن أبي شيبة.

(3) «المخزون» (ص 93).

(4) في الأصل: سعيد. والمثبت هو الصواب كما في كتب التراجم، وانظر ترجمة عبد الرحمن بن محمد بن محمد أبو سعد الإستراباذي الإدريسي في «تاريخ بغداد» (11/ 610)، و «تاريخ الإسلام» (9/ 85).

(5) في الأصل: خمسين. والمثبت الجادة.

(6) في الأصل: سعيد. والمثبت هو الصواب، وانظر الهامش قبل السابق.
১ - (আ) হাসান বিন আবিল হাসান ইয়াসার আবু সাঈদ আল-বাসরী, যায়েদ বিন সাবিতের মুক্তদাস, কারো মতে জাবির বিন আব্দুল্লাহর মুক্তদাস, কারো মতে জামিল বিন কুতবার মুক্তদাস, এবং কারো মতে আবু আল-ইয়াসারের মুক্তদাস, যিনি সাঈদ ও আম্মারের মুক্তদাস ছিলেন।

ইবনে আবি শায়বা, সাঈদ বিন আমিরের সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে তিনি বলেছেন: হাসান উননব্বই বছর বয়সে পৌঁছেছিলেন।

আল-আযদি তার ‘আস-সাহাবা’ গ্রন্থে বলেন: রাফে বিন ইয়াযিদ আস-সাকাফি থেকে হাসান ব্যতীত কেউ বর্ণনা করেননি, এবং আমি জানি না হাসান তার থেকে শুনেছেন কি না?

আবু সাদ আল-ইদ্রিসি ‘তারিখ সামারকান্দ’ গ্রন্থে সাঈদ বিন উসমান বিন আফফান অথবা কুতায়বা বিন মুসলিম আল-বাহিলির বর্ণনায় বলেন: তার মৃত্যু এবং ইবনে সিরিনের মৃত্যুর মাঝে পঞ্চাশ রাতের ব্যবধান ছিল।

শায়খ আবু সাদ বলেন: হাইসাম এভাবেই বলেছেন, আর অন্যরা বলেন: একশত দিন। তার মূল ছিল বুখারা থেকে।

আবু আব্দুল্লাহ বিন মাহমুদ বলেন: হাসান প্রবীণ তাবেয়িদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি ছিলেন অত্যন্ত কল্যাণকামী, ফযিলতপূর্ণ, সংসারবিরাগী (যাহিদ), ফকিহ এবং আলেম। তার যুহদ (বিরাগভক্তি) এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে তাকে দুনিয়াবি কোনো কিছু কেনা-বেচার জন্য বাজারে কখনো দেখা যায়নি; তিনি ছিলেন রাতে দরবেশ এবং দিনে শিষ্টাচার ও জ্ঞান দানকারী। তার ইলমের কারণে তার চারপাশের মানুষ এবং সাহাবা...

--------------------------------------------

(১) এখান থেকে হাসান বসরীর জীবনীর অবশিষ্টাংশ শুরু হয়েছে এবং এর আগের অংশ আমাদের আল-ইকমালের সংস্করণে বিদ্যমান।

(২) কাল্লাবাদি এটি রিজালুল বুখারি (১/১৬৭)-তে ইবনে আবি শায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৩) ‘আল-মাখযুন’ (পৃ. ৯৩)।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: সাঈদ। তবে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক যেমনটি জীবনীগ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়; দেখুন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আবু সাদ আল-ইস্তরাবাদি আল-ইদ্রিসির জীবনী ‘তারিখ বাগদাদ’ (১১/৬১০) এবং ‘তারিখুল ইসলাম’ (৯/৮৫) গ্রন্থে।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে ছিল: খামসীন (পঞ্চাশ)। সাব্যস্তকৃতটিই প্রচলিত ব্যাকরণসিদ্ধ রূপ।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে ছিল: সাঈদ। সাব্যস্তকৃতটিই সঠিক, পূর্বের পূর্ববর্তী টীকাটি দেখুন।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ١٨)
متوافرون، ولقد كان يشبه بأصحاب النبي صلى الله عليه وسلم حين(1) قال أبو قتادة العدوي: ما رأيت أحدا أشبه رأيا بعمر بن الخطاب منه، وكان شهد خطبة عثمان وهو ابن خمس عشرة(2) سنة.

وقال يونس بن عبيد: ما رأيت رجلا أصدق ما(3) يقول منه، ولا أطول حزنا، وكان أفضل من ابن سيرين في كل شيء.

وقال أبو سعد: كانت أمه ترضع ولد عمر بن أم سلمة.

وذكر أبو عبيدة معمر بن المثنى في كتاب «أنساب العجم» تأليفه، عن الشعبي قال: كان فيروز أبو الحسن بن أبي الحسن من أهل المنعرج من مَيْسان(4) وكان من أبناء الدهاقين.

وفي كتاب «السمر(5)»: ادعى المالكيون أن الحسن كان لا يرسل الحديث إلا إذا حدثه أربعة من الصحابة فصاعدا.

وفي كتاب الصريفيني: مات ليلة الجمعة. وفي كتاب ابن أبي خيثمة: عن ابن معين: إذا روى الحسن عن رجل وسماه [فهو ثقة يحتج به](6).

وفي كتاب «فتوح الأمصار» للبلاذري: كان أبو الحسن أولا يسمى فيروز، وكان لامرأة يقال لها: الربيع ابنة النضر عمة أنس بن مالك، ويقال: لجميلة امرأة أنس بن مالك.

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل، ولعل صوابها: حيث.

(2) في الأصل: عشر. والمثبت الجادة.

(3) كذا في الأصل، وفي تهذيب التهذيب (1/ 545): بما.

(4) كورة واسعة كثيرة القرى والنخل بين البصرة وواسط. معجم البلدان (5/ 242).

(5) كذا بالأصل، ولم أقف عليه.

(6) بياض في الأصل بمقدار كلمتين، واستدركته مما سبق في ترجمة أسيد بن المتشمس. إكمال تهذيب الكمال (2/ 225)، وكذا نقله ابن القطان في بيان الوهم والإيهام (4/ 136) عن ابن أبي خيثمة.
প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান ছিলেন। তাঁকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের সাথে তুলনা করা হতো যখন(১) আবু কাতাদাহ আল-আদাবী বলেছিলেন: আমি তাঁর চেয়ে উমর ইবনুল খাত্তাবের মতাদর্শের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ আর কাউকে দেখিনি। তিনি পনেরো(২) বছর বয়সে উসমানের ভাষণ প্রত্যক্ষ করেছিলেন।

ইউনুস ইবনে উবাইদ বলেন: আমি তাঁর চেয়ে অধিক সত্যবাদী এবং দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতায় নিমগ্ন(৩) কাউকে দেখিনি; তিনি সব বিষয়ে ইবনে সিরীনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ছিলেন।

আবু সাদ বলেন: তাঁর মা উম্মে সালামাহর পুত্র উমরের সন্তানকে স্তন্যপান করাতেন।

আবু উবাইদাহ মা’মার ইবনুল মুসান্না তাঁর রচিত ‘আনসাবুল আজম’ গ্রন্থে আশ-শা’বী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবুল হাসান ইবনে আবিল হাসানের পিতা ফিরোজ মাইসানের মুনআরাজ এলাকার অধিবাসী ছিলেন এবং তিনি দিহকানদের (ভূস্বামী) বংশোদ্ভূত ছিলেন।(৪)

‘আস-সামার’(৫) গ্রন্থে বর্ণিত আছে: মালিকীগণ দাবি করেছেন যে, হাসান ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো হাদিস মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করতেন না যতক্ষণ না চারজন বা ততোধিক সাহাবী তাঁর নিকট তা বর্ণনা করতেন।

আস-সারিফিনীর গ্রন্থে রয়েছে: তিনি জুমার রাতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আবি খাইসামার কিতাবে ইবনে মাঈন থেকে বর্ণিত: হাসান যখন কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাঁর থেকে বর্ণনা করেন, [তখন তিনি নির্ভরযোগ্য এবং তাঁর বর্ণনা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য](৬)।

বালাযুরীর ‘ফুতুহুল আমসার’ গ্রন্থে রয়েছে: আবুল হাসানের নাম প্রথমে ফিরোজ ছিল। তিনি আর-রাবি বিনতুন নাযর নামক এক মহিলার দাস ছিলেন, যিনি আনাস ইবনে মালিকের ফুফু ছিলেন। আবার বলা হয়: তিনি আনাস ইবনে মালিকের স্ত্রী জামিলার দাস ছিলেন।

--------------------------------------------

(১) মূলে এমনই আছে, সম্ভবত সঠিক শব্দ হবে: حيث (যেখানে/যেহেতু)।

(২) মূলে রয়েছে: ‘দশ’। তবে যা সঠিক ও প্রতিষ্ঠিত তা-ই এখানে দেওয়া হয়েছে।

(৩) মূলে এভাবেই আছে, তবে ‘তাহযীবুত তাহযীব’ (১/৫৪৫) গ্রন্থে ‘যা বলেন তাতে’ কথাটি যুক্ত আছে।

(৪) এটি বসরা ও ওয়াসিতের মধ্যবর্তী গ্রাম ও খেজুর বাগান সমৃদ্ধ একটি বিশাল অঞ্চল। মুজামুল বুলদান (৫/২৪২)।

(৫) মূলে এভাবেই আছে, তবে আমি এর উৎস খুঁজে পাইনি।

(৬) মূলে প্রায় দুই শব্দ পরিমাণ শূন্যস্থান ছিল, যা আমি উসাইদ ইবনুল মুতাশাম্মিসের জীবনীতে উল্লিখিত পূর্ববর্তী অংশ থেকে সম্পন্ন করেছি। ইকমালু তাহযীবিল কামাল (২/২২৫); ইবনুল কাত্তানও ‘বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম’ (৪/১৩৬) গ্রন্থে ইবনে আবি খাইসামা থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ١٩)
ورُوي عنه قال: كان أبي وأمي لرجل من بني النجار، فتزوج امرأة من بني سلمة، فساقهما إليها من صداقها فأعتقتهما تلك المرأة فولاؤنا لها(1).

وفي كتاب «البيان والتبيين» لعمرو بن بحر: وقد زعم رؤبة بن العجاج، وأبو عمرو بن العلاء أنهما [لم يريا](2) قرويين أفصح من الحسن والحجاج، وقد غلط الحسن في موضعين من القرآن العظيم في: {ص وَالْقُرْآنِ} [ص: 1]، وفي: {وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ} [الشعراء: 210].

زاد في كتاب «أخبار الكتاب»: وكان مع نُبله، وفقهه(3)، وورعه، وزهده كاتب الربيع بن زياد، ثم ولي القضاء لعمر بن عبد العزيز، فقيل له: من وليته قضاء البصرة؟ قال: وليت سيد التابعين: الحسن بن أبي الحسن.

وقال أبو سعيد هاشم الطبراني في «تاريخه»: حدثنا محمد بن عبد الرحمن، حدثنا ابن بشر، أخبرنا سعيد، عن قتادة، قال: ولد الحسن [في زمن](4) عمر بن الخطاب.

وذكر أبو عبد الله النيسابوري في تاريخ بلده: أن ابن أبي عروبة قال: إذا حدثتم عني فقولوا: حدثنا سعيد الأعرج، عن قتادة الأعمى، عن الحسن الأحدب، وأنا قدري، وأستاذي قدري، وأستاذ أستاذي قدري.

قال أبو عبد الله: بلغ الحسن تسعين سنة أو نقصان سنة، وكان كاتبا أولا لعبد الرحمن بن سمرة، ثم كتب للربيع.

وفي تاريخ أبي زرعة النصري الكبير: عن ابن عون قال: سألني رجاء بن

--------------------------------------------

(1) «فتوح البلدان» للبلاذري (2/ 422 - 423).

(2) ما بين المعقوفين ليس الأصل. ومثبت من «البيان والتبيين» للجاحظ (1/ 149، 2/ 150).

(3) في الأصل بدون نقط: تقربه. والمثبت من العقد الفريد لابن عبد ربه (4/ 429).

(4) ما بين المعقوفين بياض في الأصل، ولعل المثبت هو الأنسب للسياق.
তাঁর থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: আমার বাবা ও মা বনু নাজ্জার গোত্রের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন ছিলেন। অতঃপর তিনি বনু সালামাহ গোত্রের এক নারীকে বিবাহ করেন এবং তাঁর মোহরানা হিসেবে তাঁদের উভয়কে তাঁর নিকট অর্পণ করেন। এরপর সেই নারী তাঁদের দুজনকে মুক্ত করে দেন, ফলে আমাদের আনুগত্যের সম্পর্ক (ওয়ালা) তাঁর সাথে(১)।

আমর বিন বাহরের ‘আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়ীন’ কিতাবে রয়েছে: রুবা ইবনুল আজ্জাজ এবং আবু আমর ইবনুল আলা দাবি করেছেন যে, তাঁরা হাসান (আল-বাসরি) এবং হাজ্জাজ (বিন ইউসুফ)-এর চেয়ে অধিক প্রাঞ্জলভাষী কোনো গ্রামবাসী [দেখেননি](২)। হাসান মহান কুরআনের দুটি স্থানে ভুল করেছিলেন: {সাদ ওয়াল কুরআন} [সাদ: ১]-এ এবং {ওয়া মা তানায্যালাত বিহি আশ-শায়াতীন} [শুআরা: ২১০]-এ।

‘আখবারুল কিতাব’ গ্রন্থে আরও বর্ণিত হয়েছে যে: তিনি তাঁর মহানুভবতা, প্রজ্ঞা(৩), খোদাভীতি ও দুনিয়াবিমুখতার পাশাপাশি রাবী বিন যিয়াদের সচিব ছিলেন। অতঃপর তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজের আমলে বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। উমরকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনি বসরার বিচারকার্যের দায়িত্বে কাকে নিযুক্ত করেছেন? তিনি বললেন: আমি তাবেয়ীদের নেতা হাসান বিন আবিল হাসানকে নিযুক্ত করেছি।

আবু সাঈদ হাশিম আত-তাবারানি তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে বলেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ কাতাদাহ থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান [উমর ইবনুল খাত্তাবের যুগে](৪) জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

আবু আব্দুল্লাহ আন-নাইসাবুরি তাঁর শহরের ইতিহাসে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে আবি আরুবাহ বলেন: যখন তোমরা আমার পক্ষ থেকে বর্ণনা করবে, তখন বলবে: সাঈদ আল-আ’রাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি অন্ধ কাতাদাহ থেকে, তিনি কুঁজো হাসান থেকে। আর আমি একজন কাদারি, আমার উস্তাদ একজন কাদারি এবং আমার উস্তাদের উস্তাদও একজন কাদারি।

আবু আব্দুল্লাহ বলেন: হাসান নব্বই বছর অথবা এক বছর কম বয়সে পৌঁছেছিলেন। তিনি প্রথমে আব্দুর রহমান বিন সামুরার সচিব ছিলেন, অতঃপর রাবীর সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আবু যুরআ আন-নাসরি আল-কাবিরের ‘তারিখ’ গ্রন্থে ইবনে আউন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাজা বিন [আমাকে জিজ্ঞাসা করেন...]।

--------------------------------------------

(১) বালাযুরির ‘ফুতুহুল বুলদান’ (২/ ৪২২-৪২৩)।

(২) বন্ধনীভুক্ত অংশটি মূল পাণ্ডুলিপিতে নেই। জাহিযের ‘আল-বায়ান ওয়াত-তাবয়ীন’ (১/ ১৪৯, ২/ ১৫০) থেকে এটি নেওয়া হয়েছে।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে নুকতাহীনভাবে ‘তাকরাবুহু’ (تقربه) ছিল। ইবনে আব্দ রাব্বিহির ‘আল-ইকদুল ফারিদ’ (৪/ ৪২৯) থেকে সঠিকটি নেওয়া হয়েছে।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে বন্ধনীভুক্ত অংশটি শূন্য ছিল, সম্ভবত উল্লেখিত অংশটিই প্রসঙ্গের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٠)
حيوة عن الحسن فقال: ما هذا الذي يبلغنا عن الحسن في القدر؟ قلت(1): إنهم يكذبون؟ قال: فاكتفى بها.

وعن أيوب قال: وعظت الحسن في القدر حتى خوفته بالسلطان. وقال عبد الله بن أحمد، عن أبيه، عن معمر: ولي الحسن القضاء فلم يحمد.

وفي «تاريخ المراوزة» لأبي رجاء محمد بن حمدويه: عن هشام قال: ما رأيت أصح حديثا من ابن سيرين، وكان لا يقدم ولا يؤخر، وكان الحسن يقدم ويؤخر، وكان الحسن أدرك من الصحابة مائة وثلاثين، وأدرك ابن سيرين ثلاثين.

وفي «طبقات الفقهاء» لمحمد بن جرير: كانت أمه خادما لأم سلمة، وقيل: كانت مولاة لها، وولد الحسن وهو مملوك، وكان فقيها عالما عابدا(2).

وقال عطاء: [كان](3) إماما يقتدى به، ولما مات استرجع إياس بن معاوية وقال: مات سيد الناس منذ أربعين سنة.

وقال علي بن زيد: ما أدركت مثله بيانا، وجمالا، وعلما، وفقها، وسخاء، وعبادة.

وفي «المعجم الكبير» للطبراني(4): قال الشعبي: لوددت أني لقيت هذا الكبش؛ فنهيته عن قوله: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم. لقد جالست ابن [عمر](5) سنة فما سمعته يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم.

--------------------------------------------

(1) قوله: في القدر قلت. في الأصل: والقدر ولـ. ثم بياض بمقدار كلمة وكتب فيه: ظ. والمثبت من «تاريخ أبي زرعة» (2/ 683).

(2) انظر: «تاريخ الطبري» (11/ 637).

(3) ما بين المعقوفين ليس في الأصل. وإثباته مقتضى السياق.

(4) «المعجم الكبير» رقم (13705).

(5) قوله: عمر. موضعه بياض في الأصل. والمثبت من المعجم الكبير.
হায়ওয়া হাসান সম্পর্কে (বর্ণনা করেন), তিনি বলেন: তাকদির সম্পর্কে হাসান থেকে আমাদের কাছে যা পৌঁছেছে তা কী? আমি বললাম(১): তারা (তার নামে) মিথ্যা বলছে। তিনি বলেন: তিনি এতেই সন্তুষ্ট হলেন।

আইয়ুব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি হাসানকে তাকদির বিষয়ে উপদেশ দিয়েছিলাম, এমনকি তাকে সুলতান (শাসক) সম্পর্কে সতর্ক করেছিলাম। আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ তার পিতা থেকে এবং তিনি মা'মার থেকে বর্ণনা করেছেন: হাসান বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু তা প্রশংসিত হয়নি।

আবু রাজা মুহাম্মদ ইবনে হামদুওয়াহ এর 'তারীখুল মারওয়াযা' গ্রন্থে হিশাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ইবনে সীরীনের চেয়ে অধিক সহীহ হাদীস বর্ণনাকারী কাউকে দেখিনি, তিনি (শব্দ) আগে-পিছে করতেন না। আর হাসান (শব্দ) আগে-পিছে করতেন। হাসান একশ ত্রিশ জন সাহাবীর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন, আর ইবনে সীরীন ত্রিশ জনের সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন।

মুহাম্মদ ইবনে জারীরের 'তাবাকাতুল ফুকাহা' গ্রন্থে বর্ণিত: তার মা উম্মে সালামার সেবিকা ছিলেন। বলা হয়েছে: তিনি তার মুক্তদাসী ছিলেন। হাসান দাস অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন ফকীহ, আলিম ও আবেদ ছিলেন(২)।

আতা বলেন: [তিনি ছিলেন](৩) একজন ইমাম, যাকে অনুসরণ করা হতো। যখন তিনি ইন্তেকাল করলেন, ইয়াস ইবনে মুয়াবিয়া ইন্নালিল্লাহ পড়লেন এবং বললেন: গত চল্লিশ বছরের শ্রেষ্ঠ মানুষটি মারা গেছেন।

আলী ইবনে যায়েদ বলেন: আমি তার মতো বাকপটুতা, সৌন্দর্য, জ্ঞান, ফিকহ, দানশীলতা ও ইবাদতের অধিকারী আর কাউকে দেখিনি।

তাবারানীর 'আল-মু'জামুল কাবীর' গ্রন্থে বর্ণিত(৪): আল-শা'বী বলেন: আমি যদি এই বীরের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারতাম; তবে তাকে 'রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন'—এ কথা বলা থেকে নিষেধ করতাম। আমি [ইবনে উমর](৫)-এর মজলিসে এক বছর কাটিয়েছি, কিন্তু তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি।

--------------------------------------------

(১) তার উক্তি: তাকদির বিষয়ে আমি বললাম। মূলে রয়েছে: 'তাকদির এবং ল-'। এরপর একটি শব্দের সমপরিমাণ খালি জায়গা ছিল এবং তাতে 'য' (ظ) লেখা ছিল। এটি 'তারীখু আবি যুরআ' (২/৬৮৩) থেকে গৃহীত।

(২) দেখুন: 'তারীখুত তাবারী' (১১/৬৩৭)।

(৩) বন্ধনীভুক্ত অংশটি মূলে নেই। প্রসঙ্গের প্রয়োজনে এটি যুক্ত করা হয়েছে।

(৪) 'আল-মু'জামুল কাবীর', নম্বর (১৩৭০৫)।

(৫) তার উক্তি: উমর। মূলে এই স্থানটি শূন্য ছিল। আল-মু'জামুল কাবীর থেকে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢١)
قال أبو القاسم: يعني بالكبش: الحسن بن أبي الحسن.

وفي «تاريخ البصرة» لابن أبي خيثمة: ويقال: إن ابن الأشعث استقضى الحسن على البصرة، ولما قدم عدي بن أرطاة من قِبَل عمر بن عبد العزيز أراد تولية الحسن فلم يقبل.

وفي كتاب المبرد: كان الحسن يقول: ما حاجة السلطان إلى هؤلاء الوزعة(1)؟ فلما ولي القضاء قال: لا بد للسلطان من وزعة(2).

قال أبو العباس: كان الحسن بن أبي الحسن ينكر الحكومة ولا يرى رأيهم - يعني: الخوارج-، فكان إذا جلس وتمكن في مجلسه ذكر عثمان فترحم عليه ثلاثا، ولعن قتلته ثلاثا.

ويقول: لو لم نلعنهم لُعنا، ثم يذكر عليا فيقول: لم يزل أمير المؤمنين علي رحمه الله يتعرف النصر ويساعده الظفر حتى حَكَّم، ولم تُحَكَّم والحقُّ معك؟! ألا تمضي قُدما وأنت على الحق(3)؟!

قال: وحدث أن راهبين دخلا البصرة من ناحية الشام، فنظرا إلى الحسن؛ فقال أحدهما لصاحبه: مِل بنا إلى هذا الذي كان سمته سمت المسيح عليه السلام، فعدلا إليه(4).

قال: والتقى الحسن والفرزدق في جنازة، فقال له الفرزدق: أتدري ما يقول الناس يا أبا سعيد؟ يقولون: اجتمع في هذه الجنازة خير الناس، وشر الناس، فقال: كلا لستُ بخيرهم، ولستُ بشرهم(5).

--------------------------------------------

(1) «الكامل»: الشُّرط. والمعنى هنا واحد.

(2) «الكامل» لابن المبرد (1/ 214).

(3) «الكامل» (3/ 159).

(4) «الكامل» (1/ 58).

(5) «الكامل» (1/ 101)، وذكر بقية للقصة.
আবু আল-কাসিম বলেন: 'মেষ' বলতে তিনি হাসান ইবন আবুল হাসানকে বুঝিয়েছেন।

ইবন আবি খাইসামার ‘তারিখে বসরা’য় বর্ণিত আছে: বলা হয়ে থাকে যে, ইবনুল আশআস হাসানকে বসরার বিচারক নিযুক্ত করেছিলেন। আর যখন আদি ইবন আরতাহ উমর ইবন আব্দুল আজিজের পক্ষ থেকে আসলেন, তিনি হাসানকে দায়িত্ব প্রদান করতে চাইলেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।

মুবাররাদের কিতাবে রয়েছে: হাসান বলতেন: শাসকের এই রক্ষীবাহিনীর কী প্রয়োজন? অতঃপর যখন তিনি বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন, তখন বললেন: শাসকের জন্য রক্ষীবাহিনী থাকা আবশ্যক।

আবু আল-আব্বাস বলেন: হাসান ইবন আবুল হাসান সালিশি (তাহকিম) অস্বীকার করতেন এবং তাদের মত পোষণ করতেন না—অর্থাৎ খারেজিদের। তিনি যখন মজলিসে বসতেন এবং স্থির হতেন, তখন উসমানের কথা স্মরণ করতেন এবং তিনবার তাঁর জন্য রহমতের দোয়া করতেন, আর তাঁর হত্যাকারীদের তিনবার অভিশাপ দিতেন।

তিনি বলতেন: আমরা যদি তাদের অভিশাপ না দিতাম, তবে আমরাই অভিশপ্ত হতাম। এরপর তিনি আলীর কথা উল্লেখ করে বলতেন: আমীরুল মুমিনীন আলী (রহিমাহুল্লাহ) বিজয় ও সাফল্যের সাহায্য লাভ করতেই ছিলেন যতক্ষণ না তিনি সালিশি মেনে নিলেন; সত্য আপনার সাথে থাকা সত্ত্বেও আপনি কেন সালিশি মানলেন? আপনি কেন সামনে এগিয়ে গেলেন না অথচ আপনি সত্যের ওপর ছিলেন?!

তিনি বলেন: বর্ণিত আছে যে, শাম দেশ থেকে দুইজন সন্ন্যাসী বসরায় প্রবেশ করলেন। তাঁরা হাসানের দিকে তাকালেন; তখন তাঁদের একজন অন্যজনকে বললেন: চল, আমরা এই লোকটির কাছে যাই যাঁর চলন-বলন ও গাম্ভীর্য মসীহ (আলাইহিস সালাম)-এর মতো। অতঃপর তাঁরা তাঁর দিকে এগিয়ে গেলেন।

তিনি বলেন: একটি জানাজায় হাসান ও ফারাজদাকের সাক্ষাৎ হলো। তখন ফারাজদাক তাঁকে বললেন: হে আবু সাঈদ, আপনি কি জানেন মানুষ কী বলছে? তারা বলছে: এই জানাজায় মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম এবং নিকৃষ্টতম ব্যক্তি একত্রিত হয়েছে। তিনি বললেন: মোটেই না, আমি তাদের সর্বোত্তম নই এবং আমি তাদের নিকৃষ্টতমও নই।

--------------------------------------------

(1) ‘আল-কামিল’: পুলিশ বাহিনী। এখানে অর্থ একই।

(2) ইবনুল মুবাররাদের ‘আল-কামিল’ (১/২১৪)।

(3) ‘আল-কামিল’ (৩/১৫৯)।

(4) ‘আল-কামিল’ (১/৫৮)।

(5) ‘আল-কামিল’ (১/১০১), এবং এখানে কাহিনীর বাকি অংশ উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٢)
وذكر التاريخي(1) عن علي بن يزيد أن الحسن ولد وهو عبد.

وقال العجلي: تابعي ثقة رجل صالح صاحب سنة.

وفي تاريخ ابن أبي خيثمة: قال عقبة: كنت خلف المقام، والحسن خلفه يصلي، فجاء عطاء، وطاوس، ومجاهد، وفقهاء من أهل مكة فلما رآهم تجوز في صلاته، فقالوا: يا أبا سعيد أرأيت قول الله تعالى: {لَوْ أَرَدْنَا أَنْ نَتَّخِذَ لَهْوًا} [الأنبياء: 17] قال: هو النساء، فانصرفوا.

وفي كتاب أبي موسى المديني(2) توفي يوم الخميس لليلة بقيت من جمادى الآخرة ودفن بعد صلاة الجمعة، ومات محمد بعده بمائة يوم غير يوم، لثمان ليال خلون من شوال سحر جمعة.

وفي «الثقات» لابن خلفون: ذكر أبو جعفر محمد بن الحسين البغدادي قال: سألت أبا داود: روى الحسن عن أحد من البدريين؟ فقال: سألت يحيى فقال لي: ما أرى ذلك.

قال أبو جعفر: وقال محمد بن نصر: سألت يحيى بن سعيد القطان: عن كم رجل روى الحسن من الصحابة؟ قال: عن ستة عشر، منهم نفر من البدريين.

قال: وقال علي بن عبد الله: فأما أن يكون روى عن سبعين بدريًّا فما صح عندنا من ذاك شيء.

قال: وسألت محمد بن نصر: كم لقي الحسن من الصحابة؟ فقال: ذُكر عنه

--------------------------------------------

(1) في الأصل: الدارنجي. ولعل المثبت هو الصواب. وهي إما أن تكون كذلك أو البرديجي، لكن تقدم نقل المصنف كلامًا عن البرديجي، والتاريخي هو أبو بكر محمد بن عبد الملك السراج المعروف بالتاريخي، انظر ترجمته في تاريخ بغداد (3/ 603)، وقد أكثر المصنف من النقل عن كتابه «أخبار النحويين» كما في (4/ 220، 5/ 261).

(2) في الأصل: المزمني. ولعل المثبت هو الصواب. إن لم يكن يعني أبا موسى الزمن محمد بن المثنى.
আর আত-তারীখি(১) আলী বিন ইয়াযীদ থেকে উল্লেখ করেছেন যে, হাসান যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন তিনি দাস ছিলেন।

আর ইজলি বলেছেন: তিনি একজন নির্ভরযোগ্য তাবিঈ, নেককার ব্যক্তি এবং সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন।

ইবনে আবি খায়সামার তারিখে বর্ণিত হয়েছে: উকবাহ বলেছেন: আমি মাকামে ইবরাহীমের পিছনে ছিলাম এবং হাসান তার পিছনে সালাত আদায় করছিলেন। তখন আতা, তাউস, মুজাহিদ এবং মক্কার একদল ফকীহ আসলেন। তিনি যখন তাদের দেখলেন, তখন তার সালাত সংক্ষেপ করলেন। তারা বললেন: হে আবু সাঈদ, মহান আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে আপনার অভিমত কী: {যদি আমরা কোনো ক্রীড়া-কৌতুক গ্রহণ করতে চাইতাম} [আল-আম্বিয়া: ১৭]? তিনি বললেন: এটি দ্বারা নারীদের বোঝানো হয়েছে। এরপর তারা চলে গেলেন।

আবু মুসা আল-মাদীনীর কিতাবে রয়েছে(২): তিনি জুমাদিউল আখিরা মাসের এক রাত অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন এবং জুমার সালাতের পর তাকে দাফন করা হয়। আর মুহাম্মদ তার একশ দিনের একদিন কম সময়ে মৃত্যুবরণ করেন, যখন শাওয়াল মাসের আট রাত অতিবাহিত হয়েছিল, জুমার দিন ভোরে।

ইবনে খালফূনের 'আস-সিকাত' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-বাগদাদী উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু দাউদকে জিজ্ঞাসা করলাম: হাসান কি বদরী সাহাবীদের কারো থেকে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: আমি ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞাসা করেছি এবং তিনি আমাকে বললেন: আমি তেমনটি মনে করি না।

আবু জাফর বলেন: মুহাম্মদ বিন নাসর বলেছেন: আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তানকে জিজ্ঞাসা করেছি: হাসান কতজন সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: ষোলজন থেকে, যাদের মধ্যে কয়েকজন বদরী সাহাবী ছিলেন।

তিনি বলেন: আলী বিন আব্দুল্লাহ বলেছেন: তার সত্তরজন বদরী সাহাবী থেকে বর্ণনা করার বিষয়টি আমাদের কাছে প্রমাণিত নয়।

তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন নাসরকে জিজ্ঞাসা করলাম: হাসান কতজন সাহাবীর সাক্ষাৎ পেয়েছেন? তিনি বললেন: তার সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে: আদ-দারিনজী রয়েছে। সম্ভবত পাঠ্যটিতে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক। এটি হয়তো এমনই ছিল অথবা আল-বারদীজী হবে, তবে গ্রন্থকার ইতিপূর্বে আল-বারদীজী থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। আর আত-তারীখি হলেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আস-সাররাজ, যিনি আত-তারীখি নামে পরিচিত, তার জীবনী দেখুন তারীখে বাগদাদ (৩/৬০৩)-এ, এবং গ্রন্থকার তার ‘আখবারুন নাহউইয়্যীন’ গ্রন্থ থেকে প্রচুর উদ্ধৃতি দিয়েছেন, যেমনটি (৪/২২০, ৫/২৬১)-তে রয়েছে।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে: আল-মুযমানী রয়েছে। সম্ভবত পাঠ্যটিতে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক। যদি এর দ্বারা আবু মুসা আয-যামান মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্নাকে উদ্দেশ্য না করা হয়ে থাকে।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٣)
أنه قال: ولدت في آخر خلافة عمر، وقد بقي منها سنتان ونصف.

قال ابن خلفون: وقد قيل: سمع من سواد بن قارب، ولم يسمع من سلمة بن المحبق، بينهما جون، وقبيصة بن حُريث، وحدث عن عتبة بن غزوان، ولم يسمع منه؛ لأن عتبة مات سنة سبع عشرة.

وذكر أبو جعفر البغدادي: أنه سأل أبا داود عن الثبت في الحسن؟ فقال: قتادة، وأيوب، وعمرو بن دينار، وهشام بن حسان، والمبارك بن فضالة.

وقال عثمان بن سعيد: قلت ليحيى: يونس أحب إليك في الحسن أو حميد؟ قال: كلاهما. قال الدارمي: يونس عندي أكبر بكثير.

قال قلت: فحميد أحب إليك فيه أو حبيب بن الشهيد؟ فقال: كلاهما. قال عثمان: حبيب(1) أحب إلينا(2).

قلت له: كيف حديث جرير بن حازم؟ فقال: ثقة(3).

قلت: الربيع بن صبيح أحب إليك أو المبارك؟ فقال: ما أقربهما! قال عثمان: المبارك عندي فوقه فيما سمع من الحسن إلا أنه ربما دلس(4).

قلت: هشام أحب إليك أو جرير؟ فقال هشام أحب إلي فيه(5).

قلت: يزيد بن إبراهيم أحب إليك أو جعفر بن حيان؟ فقال يزيد(6).

قلت: فسلام أحب إليك أو المبارك؟ فقال: سلام(7).

--------------------------------------------

(1) قبله في الأصل: بن.

(2) «سؤالات الدارمي لابن معين» (283 - 284).

(3) «سؤالات الدارمي» (220).

(4) «سؤالات الدارمي» (334).

(5) سؤالات الدارمي (847).

(6) سؤالات الدارمي (866).

(7) سؤالات الدارمي (355).
তিনি বলেন: আমি উমরের খিলাফতের শেষ দিকে জন্মগ্রহণ করেছি, যখন তাঁর খিলাফতের আর আড়াই বছর বাকি ছিল।

ইবনুল খালাফুন বলেন: বলা হয়ে থাকে যে, তিনি সাওয়াদ ইবন কারিব থেকে শুনেছেন, কিন্তু সালামাহ ইবনুল মুহাব্বিক থেকে শোনেননি; তাদের মাঝে জাওন এবং ক্বাবিসাহ ইবন হুরাইছ রয়েছেন। তিনি উতবাহ ইবন গাযওয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাঁর থেকে সরাসরি শোনেননি; কারণ উতবাহ সতেরো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

আবু জাফর আল-বাগদাদী উল্লেখ করেছেন: তিনি আবু দাউদকে হাসানের বর্ণনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি বললেন: ক্বাতাদাহ, আইয়ুব, আমর ইবন দীনার, হিশাম ইবন হাসসান এবং মুবারক ইবন ফাদালাহ।

উসমান ইবন সাঈদ বলেন: আমি ইয়াহইয়াকে বললাম: হাসানের বর্ণনার ক্ষেত্রে ইউনুস আপনার কাছে অধিক প্রিয় নাকি হুমাইদ? তিনি বললেন: উভয়ই। আদ-দারিমী বলেন: আমার কাছে ইউনুস অনেক বড়।

তিনি বলেন, আমি বললাম: তাঁর ক্ষেত্রে হুমাইদ আপনার নিকট অধিক প্রিয় নাকি হাবীব ইবনুশ শাহীদ? তিনি বললেন: উভয়ই। উসমান বলেন: হাবীব(১) আমাদের নিকট অধিক প্রিয়(২)।

আমি তাঁকে বললাম: জারীর ইবন হাযিমের হাদীস কেমন? তিনি বললেন: নির্ভরযোগ্য(৩)।

আমি বললাম: রাবী ইবন সবিহ আপনার নিকট অধিক প্রিয় নাকি মুবারক? তিনি বললেন: তারা একে অপরের কতই না নিকটবর্তী! উসমান বলেন: হাসান থেকে শ্রুত বর্ণনার ক্ষেত্রে মুবারক আমার নিকট তাঁর ঊর্ধ্বে, তবে তিনি কখনও কখনও তাদলীস করতেন(৪)।

আমি বললাম: হিশাম আপনার নিকট অধিক প্রিয় নাকি জারীর? তিনি বললেন: হাসানের বর্ণনার ক্ষেত্রে হিশাম আমার নিকট অধিক প্রিয়(৫)।

আমি বললাম: ইয়াযীদ ইবন ইব্রাহীম আপনার নিকট অধিক প্রিয় নাকি জাফর ইবন হাইয়ান? তিনি বললেন: ইয়াযীদ(৬)।

আমি বললাম: সালাম আপনার নিকট অধিক প্রিয় নাকি মুবারক? তিনি বললেন: সালাম(৭)।

--------------------------------------------

(১) মূল কপিতে এর আগে 'ইবন' শব্দ রয়েছে।

(২) ‘সওয়ালাতুদ দারিমী লি-ইবনি মাঈন’ (২৮৩ - ২৮৪)।

(৩) ‘সওয়ালাতুদ দারিমী’ (২২০)।

(৪) ‘সওয়ালাতুদ দারিমী’ (৩৩৪)।

(৫) সওয়ালাতুদ দারিমী (৮৪৭)।

(৬) সওয়ালাতুদ দারিমী (৮৬৬)।

(৭) সওয়ালাতুদ দারিমী (৩৫৫)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٤)
قلت: فداود أحب إليك أو خالد الحذاء؟ قال: داود(1).

وذكر أبو ذر عبد بن أحمد الهروي في كتاب الجامع تأليفه: عن الشعبي أنه قال بعد كلام طويل: لم أر مثل الحسن فيمن لقيت من العلماء إلا كالفرس العربي من المقاريف(2).

وفي قول المزي عنه: مولى جميل بن قطبة. نظر.

وصوابه: جميلة بنت قطبة بن يزيد بن عمرو بن الخزرج زوج أنس بن مالك الصحابي، كذا [للشيخ المزي ويندم أكثر عليه](3).

وفي «أفعل من كذا» لحمزة الأصبهاني أثناء كلام: كما فعلوا في الحسن حين جعلوه مستثنى كل غاية: هو أزهد الناس إلا الحسن، وأبين الناس إلا الحسن، وأفقه الناس إلا الحسن، وحتى بلغ من إفراطهم في أمره أن قال قائلهم: الحسن خير لأهل البصرة من المد والجزر.

وفي كتاب «التعريف بصحيح التاريخ»: حدثني أحمد بن زياد قال: سمعت محمد بن يحيى بن سلام يقول: بين وفاة النبي صلى الله عليه وسلم وبين موت(4) الحسن البصري عشرون(5) سنة.

وقال أبو حاتم الرازي: كثير بن زياد ثقة من أكابر أصحاب الحسن(6).

وقال عبد الرحمن بن الحكم: ليس في أصحاب الحسن أثبت من يزيد بن

--------------------------------------------

(1) سؤالات الدارمي (298).

(2) المقرف من الخيل: الهجين، وهو الذي أمه برذونة، وأبوه عربي، وقيل العكس. النهاية لابن الأثير (قرف).

(3) هذه العبارة غير واضحة القراءة في الأصل، وأثبتها استظهارًا.

(4) كذا في الأصل. ولا وجه له. ولعلها: مولد.

(5) في الأصل: عشرين. والمثبت الجادة.

(6) الجرح والتعديل (7/ 151).
আমি বললাম: আপনার কাছে দাউদ বেশি প্রিয় নাকি খালিদ আল-হিযা? তিনি বললেন: দাউদ(১).

আবু যার আবদ বিন আহমদ আল-হারাউয়ী তাঁর রচিত আল-জামি গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: আশ-শা'বী থেকে বর্ণিত যে, দীর্ঘ আলোচনার পর তিনি বলেছেন: আমি যেসব আলিমদের সাথে সাক্ষাত করেছি, তাদের মধ্যে হাসানের সমতুল্য কাউকে দেখিনি; তিনি ছিলেন সংকর ঘোড়াদের মধ্যে একটি খাঁটি আরবি ঘোড়ার মতো(২).

তাঁর সম্পর্কে আল-মিযযীর বক্তব্য—'তিনি জামিল বিন কুতবাহর মুক্তদাস'—এতে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে.

এর সঠিক রূপ হলো: সাহাবী আনাস বিন মালিকের স্ত্রী জামীলা বিনতে কুতবাহ বিন ইয়াযীদ বিন আমর বিন আল-খাযরাজ; শেখ মিযযীর ক্ষেত্রে বিষয়টি এমনই [এবং এর জন্য তিনি বেশি অনুতপ্ত হবেন](৩).

হামযাহ আল-আসফাহানীর 'আফআলা মিন কাযা' গ্রন্থে আলোচনার মাঝখানে এসেছে: যেমনটি তারা হাসানের ব্যাপারে করেছেন, যখন তারা তাঁকে প্রতিটি শ্রেষ্ঠত্বের চরম সীমা থেকে ব্যতিক্রম হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন: তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুনিয়াবিমুখ কিন্তু হাসান (আরও বেশি), তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাঞ্জলভাষী কিন্তু হাসান (আরও বেশি), তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফকীহ কিন্তু হাসান (আরও বেশি); এমনকি তাঁর ব্যাপারে তাদের অতিশয়োক্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, তাদের একজন বলতেন: বসরাবাসীর জন্য জোয়ার-ভাটার চেয়ে হাসান অধিক কল্যাণকর।

'আত-তারীফ বি-সহীহিত তারিখ' গ্রন্থে রয়েছে: আহমাদ বিন যিয়াদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাল্লামকে বলতে শুনেছি: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত এবং হাসান আল-বাসরীর মৃত্যুর(৪) মধ্যে বিশ(৫) বছরের ব্যবধান ছিল।

আবু হাতিম আর-রাযী বলেছেন: কাসীর বিন যিয়াদ নির্ভরযোগ্য এবং তিনি হাসানের প্রবীণ সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত(৬).

আবদুর রহমান বিন আল-হাকাম বলেছেন: হাসানের সঙ্গীদের মধ্যে ইয়াযীদ বিন... এর চেয়ে অধিক সুদৃঢ় আর কেউ নেই।

--------------------------------------------

(১) সুয়ালাত আদ-দারিমি (২৯৮)।

(২) ঘোড়াদের মধ্যে 'মুকরিফ' বলা হয় দোআঁশলা বা সংকর ঘোড়াকে; যার মা অনারব ঘোড়া এবং বাবা আরবি, অথবা এর বিপরীত। ইবনুল আসীরের আন-নিহায়াহ (কিউ-রা-ফা)।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এই বাক্যটি পাঠ করা অস্পষ্ট, ধারণা করে এটি স্থির করা হয়েছে।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে এমনটিই আছে। তবে এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। সম্ভবত এটি হবে: 'জন্ম'।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে 'ইশরীন' আছে। এখানে ব্যাকরণসম্মত সঠিক রূপটি দেওয়া হয়েছে।

(৬) আল-জারহ ওয়াত-তা'দীল (৭/ ১৫১)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٥)
إبراهيم. قال أبو حاتم: هو من أوسطهم(1).

وقال عمرو بن علي الفلاس: أصحاب الحسن: حفص بن سليمان المنقري وهو من أثبت الناس فيه، وقتادة، ويونس بن عبيد وقد حدث عنه بالبلاغات،

وسمعت يحيى يقول: ما رأيت في أصحاب الحسن أثبت من الأشعث.

قال أبو حفص: هو من أحسنهم عنه حديثا، وقد روى عنه هشام فأكثر، هو مثل هؤلاء، وكان بعض أهل العلم من البصريين لا يحدث عن هشام عن الحسن بشيء،

قال عمرو: والناس بعد هؤلاء عن الحسن شيوخ.

وقال أبو زرعة: يونس أحب إلي في الحسن من قتادة وهشام(2).

وقال أبو حاتم: أكثر أصحاب الحسن قتادة ثم حميد(3).

وذكر أبو طالب محمد بن علي المكي في كتابه: أن الحسن كان من كبار(4) التابعين، ما زال يعي الحكمة أربعين سنة حتى نطق بها، وقد لقي سبعين بدريًّا، ورأى ثلاث مائة رجل من الصحابة: عثمان فمن بعده، من سنة عشرين إلى سنة نيف وتسعين، وهو آخر عصر الصحابة، رضي الله عنهم أجمعين(5).

وذكر ابن أبي الدنيا في كتاب «مجابي الدعوة» أن رجلا كان من الخوارج يؤذي الحسن في مجلسه، فقيل للحسن: ألا تكلم الأمير فيه؟ فسكت، فلما رآه قال: اللهم قد علمت أذاه لنا فاكفناه، قال: فخر واللهِ الرجلُ، فما حمل إلى بيته إلا ميتا على سريره، فكان الحسن بعد إذا ذكره قال: البائس، ما كان أغره بالله

--------------------------------------------

(1) الجرح والتعديل (9/ 253).

(2) الجرح والتعديل (9/ 242).

(3) الجرح والتعديل (3/ 219).

(4) في قوت القلوب: «خيار».

(5) قوت القلوب (1/ 257).
ইবরাহিম। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি তাদের মধ্যে মধ্যম স্তরের।(১)

আমর বিন আলী আল-ফাল্লাস বলেছেন: হাসান (বসরী)-র ছাত্রগণ হলেন: হাফস বিন সুলাইমান আল-মানকারি, আর তিনি তাঁর বর্ণনায় মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত; এবং কাতাদাহ, ও ইউনুস বিন উবাইদ, আর তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

এবং আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি: হাসান (বসরী)-র ছাত্রদের মধ্যে আমি আশআস অপেক্ষা অধিক নির্ভরযোগ্য কাউকে দেখিনি।

আবু হাফস বলেন: তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ, আর হিশাম তাঁর থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন, তিনি এদের মতই; এবং বসরাবাসীদের মধ্যে কিছু আলেম হিশাম থেকে হাসান (বসরী)-র সূত্রে কোনো কিছুই বর্ণনা করতেন না।

আমর বলেন: এদের পরে হাসান (বসরী)-র অন্য বর্ণনাকারীরা হলেন শাইখগণ।

আবু জুরআ বলেছেন: হাসান (বসরী)-র বর্ণনার ক্ষেত্রে ইউনুস আমার নিকট কাতাদাহ ও হিশামের চেয়ে বেশি পছন্দনীয়।(২)

আবু হাতিম বলেছেন: হাসান (বসরী)-র ছাত্রদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বর্ণনাকারী হলেন কাতাদাহ, তারপর হুমাইদ।(৩)

আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলী আল-মাক্কি তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন: হাসান ছিলেন জ্যেষ্ঠ(৪) তাবেয়িদের অন্তর্ভুক্ত, তিনি দীর্ঘ চল্লিশ বছর যাবত প্রজ্ঞা হৃদয়ঙ্গম করতে থাকেন যতক্ষণ না তিনি তা ব্যক্ত করেছেন, আর তিনি সত্তরজন বদরি সাহাবির সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং তিনশ জন সাহাবিকে দেখেছেন: উসমান থেকে শুরু করে পরবর্তীগণ পর্যন্ত, ২০ হিজরি থেকে ৯০ হিজরির কিছু বেশি সময় পর্যন্ত, যা ছিল সাহাবিদের যুগের শেষ ভাগ, আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।(৫)

ইবন আবিদ দুনইয়া ‘মুজাবিদ দাওয়াহ’ কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, খারিজিদের অন্তর্ভুক্ত এক ব্যক্তি হাসানের মজলিসে তাঁকে কষ্ট দিত। হাসানকে বলা হলো: আপনি কি এই বিষয়ে আমিরের সাথে কথা বলবেন না? তিনি চুপ থাকলেন। অতঃপর যখন তিনি তাকে দেখলেন, তখন বললেন: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের প্রতি তার কষ্ট দেওয়ার বিষয়টি জানেন, সুতরাং আপনিই আমাদের পক্ষ থেকে তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান। বর্ণনাকারী বলেন: আল্লাহর কসম, এরপর লোকটি লুটিয়ে পড়ল, আর খাটিয়ায় করে মৃত অবস্থায় ছাড়া তাকে তার বাড়িতে নেওয়া হয়নি। এরপর হাসান যখনই তার কথা স্মরণ করতেন, বলতেন: হতভাগ্য ব্যক্তি, সে আল্লাহর ব্যাপারে কতই না ধোঁকায় ছিল!

--------------------------------------------

(১) আল-জারহু ওয়াত তাদিল (৯/ ২৫৩)।

(২) আল-জারহু ওয়াত তাদিল (৯/ ২৪২)।

(৩) আল-জারহু ওয়াত তাদিল (৩/ ২১৯)।

(৪) কুতুল কুলুব গ্রন্থে রয়েছে: ‘উত্তম’।

(৫) কুতুল কুলুব (১/ ২৫৭)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٦)
تعالى، ويبكي(1).

وذكر خليفة في تاريخه: أن ابن الأشعث لما خرج قيل له: إن أحببت أن يقتل الناس حولك كما قتلوا حول جمل عائشة فأخرج الحسن. قال: فأخرج كارها(2).

زاد أبو جعفر في كتاب «التعريف بصحيح التاريخ»: فرمى بنفسه في دجلة على طُنّ من قصب فأفلت عليه.

وذكر أبو الفرج بن الجوزي في كتاب «الموضوعات» أن رواية الحسن عن ابن مسعود وسعد بن معاذ مرسلة، وحديثه عنهما مقطوع لم يدركهما(3).

وذكر أبو سعيد بن الأعرابي في «طبقات النساك»: كان الحسن يتكلم في الخصوص حتى نسبته القدرية إلى الجبر، وتكلم في الاكتساب حتى نسبته السنية إلى القدر، وكل ذلك لافتنان في الكلام.

ولما ذكره القاضي عبد الجبار في كتابه «طبقات المعتزلة» في الطبقة الثالثة قال: وأما الحسن البصري فإنه ممن قد دعا إلى اللهِ تعالى الدهر الأطول بالموعظة والتصنيف والرسائل والخطب، والمشهور عنه أن عبد الملك كاتبه بأنه قد بلغنا عنك في وصف القدر ما لم يبلغنا عن أحد من الصحابة، فاكتب إلينا بقولك في هذا الباب.

فكتب إليه: سلام عليك، فإن الأمير أصلح في قليل من كثير مضوا، والقليل من أهل الخير مغفول عنهم، وقد أدركنا السلف فلم يبطلوا حقا ولا ألحقوا بالرب إلا ما ألحق بنفسه، ولا يحتجون إلا ما احتج اللهُ به على خلقه، وقوله الحق: {وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ} [الذاريات: 56]. فذكر كلاما

--------------------------------------------

(1) مجابو الدعوة لابن أبي الدنيا (93).

(2) تاريخ خليفة بن خياط (ص 221).

(3) الموضوعات (3/ 234 - 238).
মহান আল্লাহ, এবং তিনি কাঁদতেন(১)।

খলিফা তাঁর তারিখে উল্লেখ করেছেন: ইবনুল আশ'আছ যখন বিদ্রোহে বের হলেন, তখন তাকে বলা হলো: "আপনি যদি চান যে আয়েশার উটের চারপাশে যেভাবে মানুষ নিহত হয়েছিল আপনার চারপাশেও সেভাবে মানুষ নিহত হোক, তবে হাসানকে (হাসান বসরী) বের করে আনুন।" তিনি বললেন: "অতঃপর তিনি অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাকে বের করলেন"(২)।

আবু জাফর 'আত-তারীফ বি সহীহিত তারীখ' গ্রন্থে আরও বর্ণনা করেছেন: অতঃপর তিনি এক আঁটি খাগড়ার ওপর ভর করে দজলা নদীতে ঝাঁপ দিলেন এবং এর মাধ্যমেই রক্ষা পেলেন।

আবু আল-ফারাজ ইবনুল জাওজী 'আল-মাওদুআত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে মাসউদ এবং সাদ ইবনে মুআয থেকে হাসানের বর্ণনা মুরসাল, এবং তাঁদের থেকে বর্ণিত তাঁর হাদীসগুলো মাকতু' (বিচ্ছিন্ন), কারণ তিনি তাঁদের সাক্ষাৎ পাননি(৩)।

আবু সাঈদ ইবনুল আরাবী 'তাবাকাতুন নুশাক' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: হাসান বিশেষ বিষয়াদি নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করতেন যে, কাদারিয়াগণ তাঁকে জবর (জবরিয়া মতবাদ)-এর অনুসারী মনে করত, আবার তিনি ইকতাসাব (উপার্জন) নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করতেন যে, সুন্নিগণ তাঁকে কাদারিয়া মতবাদের অনুসারী মনে করত। আর এই সবকিছুই ছিল তাঁর বাচনভঙ্গির বৈচিত্র্যের কারণে।

কাজী আব্দুল জব্বার যখন তাঁর 'তাবাকাতুল মুতাজিলা' গ্রন্থের তৃতীয় স্তরে তাঁর কথা উল্লেখ করেন, তখন তিনি বলেন: হাসান বসরী সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা দীর্ঘকাল ধরে নসিহত, গ্রন্থনা, পত্র এবং খুতবার মাধ্যমে মহান আল্লাহর দিকে আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর সম্পর্কে প্রসিদ্ধ এই যে, খলিফা আব্দুল মালিক তাঁকে লিখেছিলেন: "তাকদিরের বর্ণনার ক্ষেত্রে আপনার পক্ষ থেকে আমাদের কাছে এমন কথা পৌঁছেছে যা সাহাবীদের কারো থেকে আমাদের কাছে পৌঁছেনি। সুতরাং এই বিষয়ে আপনার অভিমত আমাদের লিখে জানান।"

অতঃপর তিনি তাঁকে লিখে পাঠালেন: আপনার ওপর সালাম বর্ষিত হোক। আমীর বিগত অনেক শাসকের তুলনায় সামান্য কিছু বিষয়ে সংশোধন পেয়েছেন, আর নেককার লোকদের সেই সামান্য সংখ্যাটি অবহেলিত। আমরা সালাফদের (পূর্বসূরিদের) পেয়েছি, তাঁরা কোনো সত্যকে বাতিল করেননি এবং রবের জন্য তা-ই সাব্যস্ত করেছেন যা তিনি নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন। আর আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির বিরুদ্ধে যে দলীল পেশ করেছেন, তাঁরা কেবল সেটিকেই দলীল হিসেবে গ্রহণ করতেন। আর তাঁর বাণী সত্য: {আমি জিন এবং মানবজাতিকে কেবল আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি} [আদ-ধারিয়াত: ৫৬]। এরপর তিনি আরও কিছু কথা উল্লেখ করলেন।

--------------------------------------------

(১) ইবনে আবিদ দুনিয়ার 'মুজাবু আদ-দাওয়াহ' (৯৩)।

(২) তারীখ খলিফা ইবনে খাইয়াত (পৃষ্ঠা ২২১)।

(৩) আল-মাওদুআত (৩/ ২৩৪ - ২৩৮)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٧)
طويلا في عدة أوراق(1).

قال الشهرستاني: ولعل هذه الرسالة لواصل بن عطاء(2)، فما كان الحسن ممن يخالف السلف في إثبات القدر خيره وشره من الله تعالى، فإن هذه الكلمة كالمجمع عليها عندهم.

قال عبد الجبار: ومر الحسن على برجان اللص وهو مصلوب، فقال: ما حملك على هذا؟ فقال: قضاء الله وقدره. فقال: كذبت.

وذكر عن ابن عمر أنه سئل عن مسألة فقال للسائل: من أين أنت؟ قال: من البصرة. قال: فأين أنت عن مولى الأنصار-يعني: الحسن-؟ وذكر كلاما طويلا ورسائل، ثم قال: وإنما أكثرنا من أخبار الحسن؛ لأن أهل الحديث يظنون فيه أنه منهم، فبينا أن الأمر بخلاف ما قالوه، والذي رووا عن أيوب أنه قال: كلمت الحسن في القدر فكف عن ذلك، فظنوا أنه ترك هذا القول، وليس الأمر كما قالوا، وإنما خوفه بالسلطان فلذلك كف.

وقد روي عن حميد أنه قال: وددت أنه قسم علينا غُرم، وأن الحسن لم يتكلم بما تكلم به، يعني: في القدر.

قال عبد الجبار: وذلك أنه كان في زمن عظيم الخطر، فكان يخاف في كثير من أوقاته من بني أمية الذين أظهروا الجبر على ما حكيناه قبل(3).

وفي تاريخ أبي مسلم المستملي: حدثنا ابن عيينة قال: سألت رجلا من ولد الحسن: من أين كان معاش الحسن؟ قال: كان عطاؤه سبع مائة وتأتيه كُسا.

وفي كتاب «الزهد» لأحمد: كان له ولد اسمه عبد الله.

--------------------------------------------

(1) طبقات المعتزلة (ص 215 - 218).

(2) قوله: لواصل بن عطاء. في الأصل: لعطاء. والمثبت من «الملل والنحل» للشهرستاني (ص 7).

(3) انظر ترجمة الحسن في طبقات المعتزلة (ص 215 - 229).
দীর্ঘ বর্ণনা যা বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠায় বিস্তৃত(১)।

শাহরাস্তানি বলেন: সম্ভবত এই পত্রটি ওয়াসিল বিন আতার(২); কারণ হাসান এমন ব্যক্তি ছিলেন না যিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে তাকদিরের ভালো এবং মন্দ নির্ধারিত হওয়ার বিষয়টি সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে সালাফদের বিরোধিতা করবেন, কেননা এই বিষয়টি তাঁদের নিকট সর্বসম্মত বিষয়ের মতো ছিল।

আব্দুল জব্বার বলেন: হাসান চোর বুরজানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল। তিনি তাকে বললেন: তোমাকে এই কাজে কিসে প্ররোচিত করল? সে বলল: আল্লাহর ফায়সালা ও তাকদির। তিনি বললেন: তুমি মিথ্যা বলেছ।

ইবনে উমর থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁকে একটি মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি প্রশ্নকারীকে বললেন: তুমি কোত্থেকে এসেছ? সে বলল: বসরা থেকে। তিনি বললেন: তবে তুমি আনসারদের মুক্তদাস—অর্থাৎ হাসান—থেকে কোথায় আছ? এরপর তিনি দীর্ঘ কথা এবং চিঠিপত্রের বিষয় উল্লেখ করলেন। তারপর তিনি বললেন: আমরা হাসানের সংবাদসমূহ অধিক পরিমাণে বর্ণনা করেছি; কারণ আহলে হাদিসরা মনে করে যে তিনি তাদেরই একজন। তাই আমরা স্পষ্ট করলাম যে বিষয়টি তাদের দাবির বিপরীত। আর আইয়ুব থেকে তারা যা বর্ণনা করেছে যে তিনি বলেছেন: ‘আমি হাসানকে তাকদিরের বিষয়ে কথা বলেছিলাম, ফলে তিনি তা থেকে বিরত হন’, তখন তারা মনে করল যে তিনি এই মতটি বর্জন করেছেন; অথচ বিষয়টি তেমন নয় যেমন তারা বলেছে, বরং সুলতানের (শাসকগোষ্ঠীর) ভীতি প্রদর্শনের কারণেই তিনি বিরত ছিলেন।

হুমাইদ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: আমি কামনা করতাম যে আমাদের ওপর কোনো বড় জরিমানা ধার্য হতো, তবুও যদি হাসান সেই কথাগুলো না বলতেন যা তিনি বলেছেন, অর্থাৎ তাকদিরের বিষয়ে।

আব্দুল জব্বার বলেন: এর কারণ হলো তিনি এক চরম বিপজ্জনক সময়ে ছিলেন, ফলে অধিকাংশ সময় তিনি বনু উমাইয়াদের ভয় করতেন, যারা আমাদের পূর্ব বর্ণিত আলোচনা অনুযায়ী ‘জবর’ (জবরদস্তিবাদ) প্রকাশ করেছিল(৩)।

আবু মুসলিম আল-মুস্তামলির ইতিহাসে বর্ণিত হয়েছে: ইবনে উয়াইনাহ আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসানের বংশধরদের একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম: হাসানের জীবিকা কীভাবে চলত? তিনি বললেন: তাঁর ভাতা ছিল সাতশ এবং তাঁর নিকট পরিধেয় বস্ত্র আসত।

আহমদের ‘কিতাবুয যুহদ’-এ আছে: তাঁর আব্দুল্লাহ নামে এক পুত্র ছিল।

--------------------------------------------

(১) তাবাকাতুল মুতাজিলা (পৃ. ২১৫ - ২১৮)।

(২) তাঁর উক্তি: ওয়াসিল বিন আতার। মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ‘আতার’। শাহরাস্তানি প্রণীত ‘আল-মিলাল ওয়ান নিহাল’ (পৃ. ৭) থেকে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে।

(৩) তাবাকাতুল মুতাজিলা-তে হাসানের জীবনী দেখুন (পৃ. ২১৫ - ২২৯)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وقال حماد بن سلمة: تذاكرنا عقل(1) مطرف، وورع ابن سيرين، وعبادة مسلم بن يسار، وزهد الحسن، ويونس بن عبيد حاضر(2)، فقال: قد جمعت هذه الخصال كلها في الحسن(3).

وفي حديث الحجاج(4): تمنى رجل زهد الحسن، وورع محمد، وعبادة عامر بن عبد قيس، وفقه ابن المسيب، فنظروا فوجدوه كله في الحسن(5).

وفي كتاب الآجري: كان الحسن ينتمي إلى الأنصار، وكان ديوانه في ثقيف، وأصله من نهر المرأة(6).

وكان يقال: عرض زنديه شبر(7). انتهى. هذا يرد قول المزي: عرض زنديه. لأن هذا متعذر عرفا(8).

قال أبو داود: وقال ابن عون: كنت أشبه لهجة الحسن بلهجة رؤبة(9).

وقال: حدثنا عباس العنبري، حدثنا محمد بن محبوب، قال: سألت حماد بن سلمة عن أصحاب الحسن فقال: قتادة، وزياد الأعلم، ومنصور القصاب، وحفص بن سليمان(10).

قال أبو داود والمشايخ الذين لقيهم في الغزو ولم يحدث عنهم غيره: ابن

--------------------------------------------

(1) في الأصل: غنا. والمثبت من «الزهد».

(2) في الأصل: حا. وبعدها بياض بمقدار باقي الكلمة. والمثبت من «الزهد».

(3) الزهد لأحمد (1490).

(4) في الأصل: الحاج. والمثبت من «الطبقات الكبير». وهو حجاج الأسود، انظر ترجمته في «تهذيب الكمال» (5/ 431 - 434).

(5) «الطبقات الكبير» لابن سعد (9/ 166).

(6) سؤالات الآجري (752).

(7) سؤالات الآجري (907).

(8) لم أقف على هذا في تهذيب المزي ولا فرق بينه وبين العبارة السابقة.

(9) سؤالات الآجري (908).

(10) سؤالات الآجري (1370).
হাম্মাদ বিন সালামাহ বলেন: আমরা মুতাররিফের বুদ্ধি(১), ইবনে সিরিনের খোদাভীতি, মুসলিম বিন ইয়াসারের ইবাদত এবং হাসানের দুনিয়াবিমুখতা নিয়ে আলোচনা করছিলাম; এমতাবস্থায় ইউনুস বিন উবাইদ উপস্থিত(২) ছিলেন। তিনি বললেন: হাসানের মধ্যে এই সকল গুণাবলির সমন্বয় ঘটেছে(৩)।

এবং হাজ্জাজের বর্ণিত বর্ণনায় রয়েছে(৪): এক ব্যক্তি হাসানের দুনিয়াবিমুখতা, মুহাম্মাদের খোদাভীতি, আমির বিন আব্দ কায়েসের ইবাদত এবং ইবনুল মুসাইয়্যিবের ফিকহ অর্জনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করল। অতঃপর লোকেরা লক্ষ্য করে দেখল যে, এই সব কিছুই হাসানের মধ্যে বিদ্যমান(৫)।

এবং আজুর্রির কিতাবে বর্ণিত আছে: হাসান নিজেকে আনসারদের সাথে সম্পৃক্ত করতেন, তাঁর নাম নিবন্ধিত ছিল সাকিফ গোত্রের দফতরে এবং তাঁর আদি নিবাস ছিল নহরুল মারআয়(৬)।

বলা হতো: তাঁর দুই হাতের কবজির প্রস্থ ছিল এক বিঘত(৭)। সমাপ্ত। এটি মিযযির এই উক্তিকে খণ্ডন করে: "তাঁর দুই হাতের কবজির প্রস্থ"। কারণ এটি লোকপরম্পরা বা অভ্যাসগতভাবে অসম্ভব(৮)।

আবু দাউদ বলেন: ইবনে আউন বলেছেন: আমি হাসানের বাচনভঙ্গিকে রু’বার বাচনভঙ্গির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মনে করতাম(৯)।

তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্বাস আল-আনবারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মাহবুব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাম্মাদ বিন সালামাহকে হাসানের শিষ্যদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: কাতাদাহ, যিয়াদ আল-আ’লাম, মনসুর আল-কাসসাব এবং হাফস বিন সুলাইমান(১০)।

আবু দাউদ বলেছেন, এবং ঐ সকল শায়খ যাদের সাথে তিনি যুদ্ধে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং তিনি ব্যতীত অন্য কেউ তাদের থেকে বর্ণনা করেননি: ইবনে

--------------------------------------------

(১) মূল কপিতে: গিনা। 'আয-যুহদ' কিতাব অনুসারে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে।

(২) মূল কপিতে: হা। এরপর বাকি শব্দের পরিমাণ স্থান খালি ছিল। 'আয-যুহদ' কিতাব অনুসারে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে।

(৩) আহমদের আয-যুহদ (১৪৯০)।

(৪) মূল কপিতে: আল-হাজ। 'আত-তাবাকাতুল কুবরা' অনুসারে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে। তিনি হলেন হাজ্জাজ আল-আসওয়াদ, 'তাহযিবুল কামাল' (৫/৪৩১-৪৩৪) গ্রন্থে তাঁর জীবনী দেখুন।

(৫) ইবনে সা’দের 'আত-তাবাকাতুল কুবরা' (৯/১৬৬)।

(৬) সুয়ালাতুল আজুর্রি (৭৫২)।

(৭) সুয়ালাতুল আজুর্রি (৯০৭)।

(৮) আমি মিযযির তাহযিব গ্রন্থে এটি পাইনি এবং এর সাথে পূর্ববর্তী বাক্যের কোনো পার্থক্য নেই।

(৯) সুয়ালাতুল আজুর্রি (৯০৮)।

(১০) সুয়ালাতুল আজুর্রি (১৩৭০)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٢٩)
المتشمس، وعتي(1) بن ضمرة، وهياج، وقبيصة بن حريث، وجون، وحضين بن المنذر(2).

قال: وختم الحجاج يد الحسن(3).

وفي قول المزي: وقال محمد بن سعد قالوا: وكان الحسن جامعا عالما إلى آخره. نظر؛ لأن ابن سعد إنما حكى ذلك عن أستاذه لا عن نفسه. والله أعلم.

وقال أبو حاتم ابن حبان في «الثقات»: احتلم سنة سبع وثلاثين، وأدرك بعض صفين، ورأى مائة وعشرين صحابيا، وكان يدلس، وصلى عليه النضر بن عمرو المقرئي من حمير من أهل الشام، وكان الحسن أفصح أهل البصرة لسانا، وأجملهم وجها، وأعبدهم، وأنقاهم بدنا، وأحسنهم عشرة رحمه الله تعالى(4).

وذكر أبو داود سليمان بن الأشعث في كتاب «الآخرة» تأليفه للحسن أخا ثالثا اسمه ثابت، وكان يقص.

وفي كتاب الباجي عن الدارقطني: مراسيل الحسن فيها ضعف(5).

قال ابن عون: قلت للحسن عمن تحدث هذه الأحاديث؟ قال: عنك وعن ذا وعن ذا(6).

وقال أبو عبد الملك أحمد بن عبد البر في «تاريخ قرطبة»: كان الحسن وابن سيرين متهاجرين فلما مات الحسن لم يشهده محمد.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: على. والمثبت من سؤالات الآجري لأبي داود، وعتي بن ضمرة ترجمته في «تهذيب الكمال» (19/ 328).

(2) سؤالات الآجري (1192).

(3) سؤالات الآجري (1240).

(4) الثقات (4/ 123).

(5) التعديل والتجريح (1/ 487)، ولكن من قول الباجي، ولم ينقله عن الدارقطني أو غيره.

(6) التعديل والتجريح (1/ 488).
মুতাশাম্মিস, আতি(১) বিন দামরাহ, হাইয়াজ, কাবি সাহ বিন হুরয়স, জাওন এবং হুদাইন বিন আল-মুনজির(২)।

তিনি বলেন: হাজ্জাজ আল-হাসানের হাতে(৩) সিল মেরে দিয়েছিলেন।

আল-মিজ্জির বর্ণনায় আছে: মুহাম্মদ ইবনে সাদ বলেছেন: তারা বলেছেন যে, হাসান ছিলেন একজন সংকলক ও আলিম... ইত্যাদি। এটি পর্যালোচনার দাবি রাখে; কারণ ইবনে সাদ এটি তাঁর উস্তাদের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন, নিজের পক্ষ থেকে নয়। আল্লাহ ভালো জানেন।

আবু হাতিম ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি সাঁয়ত্রিশ হিজরি সনে সাবালক হন, সিফফিনের যুদ্ধের কিছু অংশ প্রত্যক্ষ করেন এবং একশত বিশ জন সাহাবীর সাক্ষাত লাভ করেন। তিনি তাদলীস করতেন। সিরিয়ার অধিবাসী হিমইয়ার গোত্রের নাদর বিন আমর আল-মুকরি তাঁর জানাযার ইমামতি করেন। হাসান ছিলেন বসরার অধিবাসীদের মধ্যে বাগ্মিতায় শ্রেষ্ঠ, সুন্দরতম চেহারার অধিকারী, সবচেয়ে বেশি ইবাদতকারী, দৈহিকভাবে অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এবং অত্যন্ত সচ্চরিত্রবান ব্যক্তি, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন(৪)।

আবু দাউদ সুলাইমান বিন আল-আশআস তাঁর রচিত ‘আল-আখিরাহ’ গ্রন্থে হাসানের সাবিত নামক এক তৃতীয় ভাইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন, যিনি ওয়াজ-নসিহত করতেন।

আল-বাজির কিতাবে আদ-দারা কুতনি থেকে বর্ণিত হয়েছে: হাসানের মুরসাল বর্ণনাগুলোতে দুর্বলতা রয়েছে(৫)।

ইবনে আউন বলেন: আমি হাসানকে বললাম, আপনি এই হাদিসগুলো কার থেকে বর্ণনা করেন? তিনি বললেন: তোমার থেকে এবং এর-ওর থেকে(৬)।

আবু আব্দুল মালিক আহমদ বিন আব্দুল বার ‘তারিখে কুরতুবা’ গ্রন্থে বলেছেন: হাসান এবং ইবনে সিরিন পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন (কথা বলা বন্ধ ছিল), তাই হাসান যখন মারা গেলেন তখন মুহাম্মদ (ইবনে সিরিন) সেখানে উপস্থিত হননি।

--------------------------------------------

(১) মূলে আছে: আলা। এটি আল-আজরির আবু দাউদের নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (সুয়ালাত) থেকে সংশোধিত। আতি বিন দামরাহর জীবনী রয়েছে ‘তাহজিবুল কামাল’ (১৯/৩২৮) গ্রন্থে।

(২) সুয়ালাতুল আজরি (১১৯২)।

(৩) সুয়ালাতুল আজরি (১২৪০)।

(৪) আস-সিকাত (৪/১২৩)।

(৫) আত-তাদিল ওয়াত-তাজরিহ (১/৪৮৭), তবে এটি আল-বাজির বক্তব্য, তিনি এটি আদ-দারা কুতনি বা অন্য কারো থেকে উদ্ধৃত করেননি।

(৬) আত-তাদিল ওয়াত-তাজরিহ (১/৪৮৮)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٠)
وفي «أخبار الخزرج» لشيخنا الحافظ الدمياطي: له أخ شقيق(1) اسمه عمر(2) وكان(3) من البكائين، ولا تحفظ له رواية(4).

وقد ذكرنا نبذة من أخبار الحسن، ولو أردنا استقصاء أخباره وكلامه كما ذكره المزي من عند أبي نعيم لكتبناه في سِفرٍ، ولكنا اقتصرنا على ما ظننا أن الحاجة تمس إليه، والله المستعان وعليه التكلان.

* ولهم شيخ آخر يقال له:

- الحسن بن أبي الحسن الكندي.

يروي عن عبد الله بن بريدة.

وآخر يقال له:

- الحسن بن أبي الحسن المؤذن البغدادي.

حدث عن ابن عيينة.

ذكرهما الخطيب في كتاب «التلخيص»(5).

وذكرناهما للتمييز.

 

‌‌2 - (د) الحسن بن أبي الحسناء أبو سهل البصري القواس.

قال البخاري: روى عن الحسن. وكناه روح(6).

ولما ذكره ابن خلفون في جملة الثقات قال: روى عن أبي محمد الحكم بن

--------------------------------------------

(1) في الأصل: سبقبه. والمثبت من «أخبار قبائل الخزرج».

(2) كذا في الأصل، وفي «أخبار قبائل الخزرج»: عمار.

(3) في الأصل: وكأنه. والمثبت من «أخبار قبائل الخزرج».

(4) «أخبار قبائل الخزرج» (ص 448).

(5) تالي تلخيص المتشابه (2/ 377)، ولم يذكر سوى الحسن بن أبي الحسن الكندي، أما الحسن بن أبي الحسن المؤذن البغدادي فذكره في موضع الأوهام (1/ 552)، وابن عدي في الكامل (3/ 182)، وغيرهما.

(6) التاريخ الكبير (2/ 292).
আমাদের শাইখ হাফেজ আদ-দিমইয়াতীর 'আখবারুল খাযরাজ' গ্রন্থে রয়েছে: তাঁর উমর নামে একজন সহোদর ভাই ছিল(১) এবং তিনি অধিক ক্রন্দনকারীদের(২) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তবে তাঁর থেকে কোনো বর্ণনা সংরক্ষিত নেই(৪)।

আমরা হাসানের সংবাদের কিছু অংশ উল্লেখ করেছি। আমরা যদি তাঁর জীবনী ও বাণীসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করতে চাইতাম, যেমনটি আল-মিযযী আবু নুআইমের সূত্রে উল্লেখ করেছেন, তবে আমরা তা একটি বড় কিতাবে লিখতে পারতাম। কিন্তু আমরা ততটুকুই সীমাবদ্ধ রেখেছি যতটুকু প্রয়োজন বলে আমরা মনে করেছি। আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি এবং তাঁর ওপরই ভরসা।

* তাঁদের আরও একজন শাইখ রয়েছেন যাঁকে বলা হয়:

- হাসান বিন আবিল হাসান আল-কিন্দি।

তিনি আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদাহ থেকে বর্ণনা করেন।

এবং অপর একজনকে বলা হয়:

- হাসান বিন আবিল হাসান আল-মুআজ্জিন আল-বাগদাদী।

তিনি ইবনে উয়াইনাহ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

আল-খতিব তাঁর 'আত-তালখীস' গ্রন্থে তাঁদের উভয়ের কথা উল্লেখ করেছেন(৫)।

আমরা পার্থক্যের সুবিধার্থে তাঁদের উল্লেখ করেছি।

 

‌‌২ - (দ) হাসান বিন আবিল হাসনা আবু সাহল আল-বাসরি আল-কাউওয়াস।

আল-বুখারি বলেছেন: তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন। আর রূহ তাঁর কুনিয়াত (উপনাম) উল্লেখ করেছেন(৬)।

ইবনে খালফুন যখন তাঁকে বিশ্বস্ত বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করে উল্লেখ করেছেন, তখন বলেছেন: তিনি আবু মুহাম্মদ হাকাম বিন থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'সাবাক্ববিহি'। আর পাঠ্যটি 'আখবারু কাবায়িলিল খাযরাজ' থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে 'আখবারু কাবায়িলিল খাযরাজ'-এ রয়েছে: আম্মার।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'কাআন্নাহু'। আর পাঠ্যটি 'আখবারু কাবায়িলিল খাযরাজ' থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

(৪) 'আখবারু কাবায়িলিল খাযরাজ' (পৃষ্ঠা ৪৪৮)।

(৫) 'তালি তালখীসিল মুতাশাবিহ' (২/৩৭৭), সেখানে হাসান বিন আবিল হাসান আল-কিন্দি ব্যতীত অন্য কারো উল্লেখ নেই; আর হাসান বিন আবিল হাসান আল-মুআজ্জিন আল-বাগদাদীর কথা তিনি ভ্রান্তি বা সংশয়ের স্থানে (১/৫৫২) উল্লেখ করেছেন, এবং ইবনে আদি 'আল-কামিল' (৩/১৮২) গ্রন্থে ও অন্যান্যরা তাঁকে উল্লেখ করেছেন।

(৬) 'আত-তারিখুল কাবির' (২/২৯২)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣١)
عتبة الكندي، روى عنه شريك بن عبد الله النخعي.

و [قال](1) أبو الفتح الأزدي: منكر الحديث.

قال ابن خلفون: من أهل الطبقة الثالثة من المحدثين.

وقال أحمد بن صالح العجلي: بصري ثقة(2).

وذكره أبو حاتم بن حبان في جملة الثقات(3).

وكذلك ابن شاهين(4).

 

‌‌3 - (د ت عس ق) الحسن بن الحكم النخعي أبو الحسن الكوفي:

قال ابن حبان: يخطئ كثيرا ويهم شديدا، لا يعجبني الاحتجاج بخبره إذا انفرد(5).

ولما ذكره ابن أبي حاتم في كتاب «الجرح والتعديل» كناه أبا الحكم، وقال: أخبرنا عبد الله بن أحمد في كتابه إلي قال: سئل أبي عن الحسن بن الحكم النخعي فقال: ثقة(6).

وذكره ابن شاهين في «الثقات»(7)، ولما خرج الحاكم حديثه في «مستدركه» كناه كذلك(8).

وقال ابن خلفون في كتاب «الثقات»: الحسن بن الحسن أبو الحكم، هو ثقة،

--------------------------------------------

(1) سقطت من الأصل، والسياق يقتضيها، وقد نقل هذا عن الأزدي ابن حجر في لسان الميزان (3/ 33)

(2) معرفة الثقات (1/ 292).

(3) ثقات ابن حبان (6/ 161).

(4) تاريخ أسماء الثقات (195).

(5) المجروحين (207).

(6) الجرح والتعديل (3/ 7).

(7) تاريخ الثقات (195).

(8) المستدرك (4/ 229)، والذي فيه أبوه الحسناء.
উতবা আল-কিন্দি, তাঁর থেকে শারিক ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাখায়ি বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু আল-ফাতহ আল-আজদি [বলেছেন](১): তিনি মুনকারুল হাদিস।

ইবনে খালফুন বলেছেন: তিনি মুহাদ্দিসগণের তৃতীয় স্তরের অন্তর্ভুক্ত।

এবং আহমাদ ইবনে সালিহ আল-ইজলি বলেছেন: তিনি বসরার অধিবাসী এবং নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)(২)।

এবং আবু হাতিম ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন(৩)।

অনুরূপভাবে ইবনে শাহিনও তাঁকে উল্লেখ করেছেন(৪)।

 

‌‌৩ - (দা, তি, আস, কা) আল-হাসান ইবনুল হাকাম আন-নাখায়ি আবু আল-হাসান আল-কুফি:

ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি প্রচুর ভুল করেন এবং মারাত্মকভাবে ভুলের (ওয়াহাম) শিকার হন; তিনি যখন এককভাবে কোনো বর্ণনা করেন, তখন তাঁর বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করা আমার নিকট পছন্দনীয় নয়(৫)।

যখন ইবনে আবি হাতিম ‘আল-জারহু ওয়াত-তাদিল’ গ্রন্থে তাঁকে উল্লেখ করেন, তখন তাঁর কুনিয়াত (উপনাম) উল্লেখ করেন আবু আল-হাকাম এবং বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ তাঁর পত্রে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতাকে আল-হাসান ইবনুল হাকাম আন-নাখায়ি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)(৬)।

এবং ইবনে শাহিন ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে তাঁকে উল্লেখ করেছেন(৭), আর যখন হাকেম তাঁর ‘মুসতাদরাক’ গ্রন্থে তাঁর হাদিস বর্ণনা করেছেন, তখন তিনিও তাঁকে একই কুনিয়াতে উল্লেখ করেছেন(৮)।

এবং ইবনে খালফুন ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: আল-হাসান ইবনুল হাসান আবু আল-হাকাম, তিনি নির্ভরযোগ্য,

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠ থেকে এটি বাদ পড়েছে, তবে প্রসঙ্গের বিচারে এর প্রয়োজন রয়েছে। ইবনে হাজার ‘লিসানুল মিজান’ (৩/৩৩) গ্রন্থে আল-আজদি থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।

(২) মারিফাতুস সিকাত (১/২৯২)।

(৩) সিকাতু ইবনে হিব্বান (৬/১৬১)।

(৪) তারিখু আসমাইস সিকাত (১৯৫)।

(৫) আল-মাজরুহিন (২০৭)।

(৬) আল-জারহু ওয়াত-তাদিল (৩/৭)।

(৭) তারিখুস সিকাত (১৯৫)।

(৮) আল-মুসতাদরাক (৪/২২৯), যাতে তাঁর পিতা ‘আল-হাসনা’ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٢)
قاله ابن صالح وغيره. انتهى.

ولم أر للمزي سلفا في تكنيته: أبا الحسن.

وذكر بعض المصنفين من المتأخرين: أنه مات سنة بضع وأربعين ومائة. انتهى(1).

أخاف أن يكون تصحف عليه: بالحسن بن عبيد اللَّه النخعي الكوفي فإنه مات سنة إحدى وأربعين، واللَّه أعلم.

* ولهم شيخ آخر يقال له:

- الحسن بن الحكم العبدي(2).

يروي عن أبي بردة، ويروي عنه ابن المبارك.

- والحسن بن الحكم بن الحارث(3).

يروي عن ابن سيرين، روى عنه موسى بن إسماعيل.

- والحسن بن الحكم بن طهمان(4).

بصري سكن الري، يروي عن هشام الدستوائي، وحماد بن سلمة، روى عنه هشام بن عبد اللَّه.

ذكرناهم للتمييز.

 

‌‌4 - (د س ق) الحسن بن حماد بن كسيب أبو علي الحضرمي البغدادي المعروف بسجادة.

خرج الحاكم حديثه في صحيحه(5)، وكذلك ابن حبان(6)، ونسبه في كتاب

--------------------------------------------

(1) تهذيب تهذيب الكمال للمزي (2/ 277).

(2) مشتبه أسامي المحدِّثين (124)، ووقع فيه الحسن بن الحكيم.

(3) مشتبه أسامي المحدِّثين (125)، ووقع فيه الحسن بن الحكيم.

(4) ترجمته في الجرح والتعديل (3/ 7)، وغيره.

(5) المستدرك (1/ 491).

(6) صحيح ابن حبان (2513).
এটি ইবনে সালিহ এবং অন্যরা বলেছেন। সমাপ্ত।

আমি আল-মিজ্জির জন্য তাকে ‘আবুল হাসান’ উপনামে ভূষিত করার ক্ষেত্রে কোনো পূর্বসূরি দেখিনি।

পরবর্তী যুগের কোনো কোনো লেখক উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একশত চল্লিশ ও কয়েক হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন। সমাপ্ত(১)।

আমি আশঙ্কা করছি যে, তার কাছে বিষয়টি হাসান বিন উবায়দুল্লাহ আন-নাখায়ি আল-কুফির সাথে বিভ্রান্তিকর হয়ে থাকতে পারে, কেননা তিনি (নাখায়ি) একশত একচল্লিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

* তাদের আরও একজন শায়খ রয়েছেন যাকে বলা হয়:

- হাসান বিন আল-হাকাম আল-আবদি(২)।

তিনি আবু বুরদাহ থেকে বর্ণনা করেন এবং তার থেকে ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেন।

- এবং হাসান বিন আল-হাকাম বিন আল-হারিস(৩)।

তিনি ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তার থেকে মুসা বিন ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন।

- এবং হাসান বিন আল-হাকাম বিন তাহমান(৪)।

তিনি বসরার অধিবাসী ছিলেন ও রাই নগরীতে বসবাস করতেন, তিনি হিশাম আদ-দাস্তুয়ায়ী ও হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন; তার থেকে হিশাম বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন।

আমরা পার্থক্যের সুবিধার্থে তাদের কথা উল্লেখ করেছি।

 

‌‌৪ - (দা, সা, ক্বা) হাসান বিন হাম্মাদ বিন কুসাইব আবু আলী আল-হাদরামি আল-বাগদাদি, যিনি সাজ্জাদাহ নামে পরিচিত।

আল-হাকিম তার হাদিস তার ‘সহিহ’ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন(৫), এবং তেমনিভাবে ইবনে হিব্বানও(৬), এবং তিনি তাকে কিতাবে সম্বন্ধিত করেছেন

--------------------------------------------

(১) আল-মিজ্জি রচিত তাহজিবু তাহজিবিল কামাল (২/ ২৭৭)।

(২) মুশতাবীহু আসায়িমিল মুহাদ্দিসিন (১২৪), আর সেখানে ‘হাসান বিন আল-হাকিম’ নাম এসেছে।

(৩) মুশতাবীহু আসায়িমিল মুহাদ্দিসিন (১২৫), আর সেখানে ‘হাসান বিন আল-হাকিম’ নাম এসেছে।

(৪) তার জীবনী আল-জারহু ওয়াত তা'দিল (৩/ ৭) ও অন্যান্য গ্রন্থে রয়েছে।

(৫) আল-মুস্তাদরাক (১/ ৪৯১)।

(৬) সহিহ ইবনে হিব্বান (২৫১৩)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٣)
الثقات ضَبِيًّا(1).

وكذا نسبه مسلمة بن قاسم في كتاب «الصلة» وقال: هو ثقة مشهور،

وفرق بينه وبين: الحسن بن حماد الحضرمي، الراوي عن محمد بن فضيل، فيحتاج من جمع بينهما إلى سلف صالح.

 

‌‌5 - (خ) الحسن بن خلف بن شاذان بن زياد الواسطي أبو علي البزاز.

كذا ذكره المزي وفي «تاريخ واسط» لأسلم بن سهل من نسخة بخط مظفر بن الجوزي، وقرأها هو وغيره على مشايخ عدة: أبو علي الحسن بن خلف بن زياد قال أسلم بن سهل:

حدثنا عن إسحاق الأزرق فذكر حديثا(2).

وكذا ذكره ابن منده(3)، وأبو نصر الكلاباذي(4).

وصاحب «الزهرة» وقال: روى عنه البخاري أربعة أحاديث، وأبو إسحاق الحبال، والصريفيني.

وقال مسلمة في كتاب «الصلة»: ثقة أخبرنا عنه ابن المحاملي.

وذكره ابن الجارود في جملة الضعفاء.

وقال ابن عدي: محتمل، وليس بالمنكر، ولا أعلم له شيئا منكرا فأذكره(5).

وخرج ابن حبان حديثه في «صحيحه».

وقال إسحاق القراب في تاريخه: يتكلمون فيه.

وكذا قاله البخاري في «تاريخه الأوسط»، ولكنه سماه: الحسن بن شاذان

--------------------------------------------

(1) الثقات (8/ 175).

(2) تاريخ واسط (ص 212).

(3) أسامي مشايخ البخاري (67).

(4) رجال صحيح البخاري (196).

(5) الكامل لابن عدي (3/ 186).
সিকাত-এ দাব্বি(১)।

একইভাবে মাসলামাহ ইবনে কাসিম তার ‘আস-সিলাহ’ গ্রন্থে তাকে নিসবত করেছেন এবং বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও প্রসিদ্ধ,

তিনি তার এবং মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল থেকে বর্ণনাকারী হাসান ইবনে হাম্মাদ আল-হাদরামির মধ্যে পার্থক্য করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি তাদের উভয়কে অভিন্ন মনে করেন, তার জন্য কোনো নির্ভরযোগ্য পূর্বসূরির (সালাফে সালেহীন) মতের প্রয়োজন হবে।

 

‌‌৫ - (খ) আল-হাসান ইবনে খালাফ ইবনে শাযান ইবনে যিয়াদ আল-ওয়াসিতি আবু আলী আল-বায্যায।

আল-মিযযি তাকে এভাবেই উল্লেখ করেছেন। আসলাম ইবনে সাহলের ‘তারিখে ওয়াসিত’-এর মুজাফফর ইবনুল জাওযির স্বহস্তে লিখিত একটি পাণ্ডুলিপিতেও এমনই পাওয়া যায়, যা তিনি এবং অন্যরা একাধিক শায়খের কাছে পাঠ করেছেন: আবু আলী হাসান ইবনে খালাফ ইবনে যিয়াদ। আসলাম ইবনে সাহল বলেন:

তিনি আমাদের কাছে ইসহাক আল-আযরাক থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর তিনি একটি হাদিস উল্লেখ করেন(২)।

একইভাবে ইবনে মানদাহ(৩) এবং আবু নাসর আল-কালাবাযিও(৪) তাকে উল্লেখ করেছেন।

এবং ‘আয-যাহরাহ’র লেখক বলেছেন: ইমাম বুখারি তার থেকে চারটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। এছাড়া আবু ইসহাক আল-হাব্বাল এবং আস-সারিফিনিও তাকে উল্লেখ করেছেন।

মাসলামাহ ‘আস-সিলাহ’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, ইবনুল মাহামিলি আমাদের কাছে তার থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনুল জারুদ তাকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

ইবনে আদি বলেছেন: তার বর্ণনা গ্রহণযোগ্য এবং মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) নয়; আমি তার এমন কোনো মুনকার বর্ণনা সম্পর্কে জানি না যা উল্লেখ করতে পারি(৫)।

ইবনে হিব্বান তার হাদিস তার ‘সহিহ’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

ইসহাক আল-কাররাব তার ইতিহাসে বলেছেন: তার সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা হয়েছে।

ইমাম বুখারিও তার ‘তারিখে আওসাত’-এ এমনটি বলেছেন, তবে তিনি তাকে হাসান ইবনে শাযান নামে অভিহিত করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আস-সিকাত (৮/ ১৭৫)।

(২) তারিখে ওয়াসিত (পৃ. ২১২)।

(৩) আসামী মাশায়েখ আল-বুখারি (৬৭)।

(৪) রিজালু সহিহ আল-বুখারি (১৯৬)।

(৫) আল-কামিল লি-ইবনে আদি (৩/ ১৮৬)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٤)
الواسطي، وذكر وفاته سنة ست وأربعين(1).

فيتجه على هذا تفرقة ابن حبان بين الحسن بن شاذان الواسطي(2)، والحسن بن خلف الواسطي(3).

وأن قول المزي: الصحيح أنهما واحد. ليس جيدا؛ لأن البخاري لم يعهد منه التخريج عن شيخ يتكلم هو بنفسه فيه. والله تعالى أعلم.

 

‌‌6 - (سي) الحسن بن خمير الحرازي أبو علي الحمصي، وحراز من حمير.

كذا قاله المزي.

وفيه نظر. من حيث اقتصاره على هذا، وذلك: أن حرازا هذا لا يختلفون في أنه من قضاعة، وأنه حراز بن كاهل بن عذرة بن سعد هذيم بن زيد بن ليث بن سود بن أسلم بن الحافي بن قضاعة؛ لكن قضاعة مختلف فيها، فقوم يزعمون: أنها من ولد معد(4) بن عدنان، وأن قضاعة بِكْرُه، ويوردون(5) في ذلك أحاديث عن النبي صلى الله عليه وسلم وأخبارًا عن الصحابة وغيرهم

حتى قال أبو عبيد البكري في كتابه «معجم ما استعجم»: الإجماع على أنه ولد معد(6).

وإن كنا لا نسلم له هذا القول بما قد أوضحناه في: كتابنا «الدر المنظم في الكلام على معجم ما استعجم» وكتابنا «الزهر(7) الباسم في سير أبي القاسم صلى الله عليه وسلم»

--------------------------------------------

(1) التاريخ الأوسط (2/ 385).

(2) الثقات (8/ 174).

(3) الثقات (8/ 177).

(4) في الأصل: معبد. والمثبت من كتب الأنساب وغيرها.

(5) في الأصل: ويودون. والمثبت هو الصواب.

(6) معجم ما استعجم (1/ 17).

(7) في الأصل: الزهد.
ওয়াসিতি, এবং তিনি তার মৃত্যু ৪৬ হিজরি সনে উল্লেখ করেছেন(১)।

এর ওপর ভিত্তি করে ইবনে হিব্বানের হাসান বিন শাযান ওয়াসিতি(২) এবং হাসান বিন খালাফ ওয়াসিতির(৩) মধ্যে করা পার্থক্যটি সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়।

আর মিযযির এই উক্তি যে: "সঠিক হলো তারা উভয়ে একই ব্যক্তি"—তা যথাযথ নয়; কারণ ইমাম বুখারি এমন কোনো শায়খ থেকে হাদিস বর্ণনা করার জন্য পরিচিত নন যার সম্পর্কে তিনি নিজেই সমালোচনা করেছেন। আর মহান আল্লাহ অধিক জ্ঞাত।

 

‌‌৬ - (সি) হাসান বিন খুমাইর আল-হাররাজি আবু আলি আল-হিমসি, আর হাররাজ হিমইয়ার গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।

মিযযি এমনটিই বলেছেন।

আর এতে পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষ বিষয় রয়েছে। তার শুধুমাত্র এটুকুর ওপর সীমাবদ্ধ থাকার দিক থেকে, তা হলো: এই হাররাজ যে কুযাআ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত সে বিষয়ে কারো দ্বিমত নেই, আর তিনি হলেন হাররাজ বিন কাহিল বিন উযরা বিন সাদ হুযায়ম বিন যায়েদ বিন লাইস বিন সূদ বিন আসলাম বিন আল-হাফি বিন কুযাআ; তবে কুযাআ গোত্র সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে, একদল মনে করেন: তারা আদনানের পুত্র মাআদ(৪)-এর বংশধর, এবং কুযাআ ছিল তার জ্যেষ্ঠ পুত্র, এবং তারা এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস এবং সাহাবী ও অন্যদের থেকে বর্ণনা উল্লেখ করেন।

এমনকি আবু উবাইদ আল-বাকরি তার 'মুজাম মা ইস্তাজাম' গ্রন্থে বলেছেন: "ঐক্যমত (ইজমা) রয়েছে যে তিনি মাআদের সন্তান(৬)।"

যদিও আমরা তার এই উক্তিটি মেনে নেই না, যা আমরা আমাদের গ্রন্থ 'আদ-দুররুল মুনাযযাম ফি আল-কালাম আলা মুজাম মা ইস্তাজাম' এবং আমাদের গ্রন্থ 'আয-যাহরুল বাসিম ফি সিয়ার আবিল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'-এ স্পষ্ট করেছি।

--------------------------------------------

(১) আত-তারিখুল আওসাত (২/ ৩৮৫)।

(২) আস-সিকাত (৮/ ১৭৪)।

(৩) আস-সিকাত (৮/ ১৭৭)।

(৪) মূলে ছিল: 'মাবাদ'। তবে বংশপরম্পরা বিষয়ক গ্রন্থ ও অন্যান্য উৎস থেকে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক।

(৫) মূলে ছিল: 'ওয়ায়াদ্দুন'। তবে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক।

(৬) মুজাম মা ইস্তাজাম (১/ ১৭)।

(৭) মূলে ছিল: 'আয-যুহদ'।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٥)
وبينا أن فيه خلافا كثيرا، وأن قوما يزعمون: أن قضاعة من حمير، وقوما قالوا: إنه ولد معد(1)، ولد على فراش مالك بن حمير، فتبناه(2).

وقال معنى هذا الكلبي في جامعه، وأبو عبيدة في كتاب «التصنيف»، وأبو عبيد القاسم، وابن إسحاق، وابن هشام، وغيرهم ممن يطول بذكرهم هذا الكتاب.

 

‌‌7 - (س ق) الحسن بن داود بن المنكدر المنكدري أبو محمد المدني.

قال أبو حاتم بن حبان-الذي ذكر المزي أنه نقل كلامه وأغفل منه إن كان نقله من أصل: توفي قبل الموسم سنة سبع وأربعين ومائتين(3).

وقال أبو عبد الرحمن النسائي في أسماء شيوخه: لا بأس به(4).

وقال مسلمة بن قاسم الأندلسي في كتاب «الصلة»: مجهول.

وذكره ابن أبي حاتم عن أبيه: في باب الذال المعجمة من آباء الحسنيين، فقال: الحسن بن ذواد-يعني: بذال معجمة وواو مقدمة على الألف(5).

وقال أبو أحمد الحاكم في كتاب «الكنى»: ليس بالقوي عندهم.

وقال ابن عدي: لم أجد له أنكر من الأحاديث التي ذكرتها له، والذي ذكرت كله يحتمل(6) - يعني: حديث: «لا تطرقوا النساء بالعتمة»(7).

--------------------------------------------

(1) في الأصل: معبد. والمثبت من كتب الأنساب وغيرها.

(2) في الأصل: فبيناه. ولعل المثبت هو الصواب.

(3) الثقات (8/ 177).

(4) تسمية مشايخ النسائي (128).

(5) الجرح والتعديل (3/ 12)، وذكره في باب الدال المهملة، ولم يذكر في باب الذال المعجمة بعده سوى الحسن بن ذكوان.

(6) الكامل لابن عدي (3/ 536).

(7) لفظه في الكامل: «بعد صلاة العتمة». وكذا هو من طريقه في حديث السراج (2/ 62)، والمخلصيات (269).
আমরা ইতিপূর্বে বর্ণনা করেছি যে, এতে অনেক মতভেদ রয়েছে। একদল দাবি করে যে, কুযাআহ হলো হিমইয়ার বংশোদ্ভূত; আবার অন্য একদল বলেছে যে, সে মাআদ-এর সন্তান(১), সে মালেক ইবনে হিমইয়ারের ঘরে জন্ম গ্রহণ করেছিল, অতঃপর তিনি তাকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।

কালবি তার 'আল-জামে' গ্রন্থে, আবু উবায়দাহ 'আত-তাসনিফ' গ্রন্থে, আবু উবাইদ আল-কাসিম, ইবনে ইসহাক, ইবনে হিশাম এবং আরও অনেকে এই একই অর্থের কথা বলেছেন, যাদের সকলের নাম উল্লেখ করলে এই কিতাব দীর্ঘ হয়ে যাবে।

 

‌‌৭ - (সা. কা.) হাসান ইবনে দাউদ ইবনে আল-মুনকাদির আল-মুনকাদিরি আবু মুহাম্মাদ আল-মাদানি।

আবু হাতিম ইবনে হিব্বান—যিনি সম্পর্কে আল-মিযযি উল্লেখ করেছেন যে তিনি তার কথা উদ্ধৃত করেছেন তবে মূল থেকে উদ্ধৃত করে থাকলে তাতে কিছু অংশ বাদ দিয়েছেন—বলেন: তিনি দুইশত সাতচল্লিশ হিজরি সনের হজের মৌসুমের পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন(৩)।

আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ি তার শিক্ষকদের নামের তালিকায় বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই(৪)।

মাসলামাহ ইবনে কাসিম আল-আন্দালুসি তার 'আস-সিলাহ' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি অজ্ঞাত।

ইবনে আবি হাতিম তার পিতার সূত্রে 'হাসান' নামধারী ব্যক্তিদের পিতাদের নামের তালিকায় বিন্দুযুক্ত 'যাল' বর্ণের অধ্যায়ে তাকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন: হাসান ইবনে যাওয়াদ—অর্থাৎ বিন্দুযুক্ত 'যাল' এবং আলিফের পূর্বে ওয়াও বর্ণ যোগে(৫)।

আবু আহমাদ আল-হাকিম তার 'আল-কুনা' গ্রন্থে বলেছেন: তাদের নিকট তিনি শক্তিশালী নন।

ইবনে আদি বলেন: আমি তার বর্ণিত এমন কোনো হাদিস পাইনি যা আমার উল্লিখিত হাদিসগুলো থেকে অধিক আপত্তিকর হতে পারে। আর আমি যা উল্লেখ করেছি তা সবই গ্রহণযোগ্য হতে পারে(৬)—অর্থাৎ এই হাদিসটি: "তোমরা রাতের শেষ প্রহরে হঠাৎ করে মহিলাদের নিকট উপস্থিত হয়ো না"(৭)।

--------------------------------------------

(১) মূলে রয়েছে: মাবাদ। আর যা এখানে বহাল রাখা হয়েছে তা বংশলতিকার কিতাবসমূহ এবং অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া।

(২) মূলে রয়েছে: ফাবাইনাহু। সম্ভবত যা এখানে বহাল রাখা হয়েছে সেটিই সঠিক।

(৩) আস-সিকাত (৮/ ১৭৭)।

(৪) তাসমিয়াহ মাশায়িখ আন-নাসায়ি (১২৮)।

(৫) আল-জারহ ওয়াত তাদিল (৩/ ১২), এবং তিনি তাকে বিন্দুহীন 'দাল' অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন, আর এরপর বিন্দুযুক্ত 'যাল' অধ্যায়ে হাসান ইবনে যাকওয়ান ছাড়া আর কাউকে উল্লেখ করেননি।

(৬) আল-কামিল লি ইবনে আদি (৩/ ৫৩৬)।

(৭) আল-কামিল গ্রন্থে এর শব্দ হলো: "এশার নামাজের পর"। একইভাবে আস-সাররাজ-এর হাদিসে (২/ ৬২) এবং আল-মুখাল্লিসিয়্যাত-এ (২৬৯) তার সূত্র থেকে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٦)
و «من أعتق رقبة أعتق الله بكل عضو عضوا منه».

و «لا ينظر الرجل إلى عورة الرجل».

و «تفضل صلاة الجماعة على الفذ، والفذ جزء من ستة وعشرين».

و «من أهان قريشا أهانه الله تعالى».

 

‌‌8 - (خ د ت ق) الحسن بن ذكوان أبو سلمة البصري وليس بأخي الحسين بن ذكوان.

قال أبو بكر البزار في «مسنده»: لا بأس به، حدث عنه: يحيى بن سعيد، وصفوان وجماعة(1).

وقال الساجي: إنما ضعف لمذهبه- يعني: القدر، وفي حديثه بعض المناكير(2).

وذكره يحيى بن معين فقال: صاحب الأوابد، حسبك به، منكر الحديث، وضعفه(3).

قال: وكان قدريا.

وقال عبد الله بن علي بن عبد الله عن أبيه: كان يحيى يحدث عنه، ولم يكن عنده بالقوي(4).

وقال الإمام أحمد بن حنبل-فيما ذكره ابنه عبد الله-: أحاديثه أباطيل(5).

وقال الآجري: قلت لأبي داود: حدث يحيى عن ابن ذكوان؟ قال: نعم، وكان قدريا. قلت: زعم قوم أنه كان فاضلا جدا؟ قال: ما بلغني عنه فضل، كان

--------------------------------------------

(1) مسند البزار (3585).

(2) نقله ابن الجوزي في الضعفاء (816).

(3) نقله أيضًا ابن الجوزي في الضعفاء.

(4) نقله العقيلي في الضعفاء (1/ 586)، وانظر الكامل لابن عدي (2/ 317).

(5) نقله العقيلي في الضعفاء (1/ 585).
এবং "যে ব্যক্তি কোনো গোলাম মুক্ত করবে, আল্লাহ তার প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে ওই ব্যক্তির একটি অঙ্গকে (জাহান্নাম থেকে) মুক্ত করবেন।"

এবং "কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষের লজ্জাস্থানের দিকে না তাকায়।"

এবং "একাকী নামাজের তুলনায় জামাতে নামাজের ফজিলত বেশি, আর একাকী নামাজ হলো ছাব্বিশ ভাগের এক ভাগ।"

এবং "যে ব্যক্তি কুরাইশদের অপমানিত করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে অপমানিত করবেন।"

 

‌‌৮ - (বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ) আল-হাসান বিন জাকওয়ান আবু সালামাহ আল-বাসরি; তিনি আল-হুসাইন বিন জাকওয়ানের ভাই নন।

আবু বকর আল-বাজার তার "মুসনাদ"-এ বলেন: তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই; তার থেকে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, সাফওয়ান এবং একদল রাবি হাদিস বর্ণনা করেছেন(১)।

আস-সাজি বলেন: তাকে কেবলমাত্র তার মাযহাবের কারণে—অর্থাৎ কদর (তকদির অস্বীকার)—দুর্বল বলা হয়েছে, এবং তার হাদিসে কিছু মুনকার (অস্বীকৃত) বর্ণনা রয়েছে(২)।

ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে উল্লেখ করে বলেছেন: আজগুবি বা অদ্ভুত বর্ণনার অধিকারী, তাকে বর্জন করাই তোমার জন্য যথেষ্ট, সে মুনকারুল হাদিস; এবং তিনি তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন(৩)।

তিনি বলেন: সে ছিল একজন কাদারি (তকদির অস্বীকারকারী)।

আবদুল্লাহ বিন আলী বিন আবদুল্লাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন: ইয়াহইয়া তার থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন, তবে তিনি তার কাছে শক্তিশালী (রাবি) ছিলেন না(৪)।

ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল—যা তার পুত্র আবদুল্লাহ উল্লেখ করেছেন—বলেন: তার হাদিসগুলো বাতিল বা ভিত্তিহীন(৫)।

আল-আজিউরি বলেন: আমি আবু দাউদকে জিজ্ঞেস করলাম: ইয়াহইয়া কি ইবনে জাকওয়ান থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আর সে ছিল কাদারি। আমি বললাম: একদল লোক দাবি করে যে সে অত্যন্ত গুণী ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন: তার কোনো গুণের কথা আমার কাছে পৌঁছেনি, সে ছিল

--------------------------------------------

(১) মুসনাদ আল-বাজার (৩৫৮৫)।

(২) ইবনুল জাওজি আদ-দুয়াফা গ্রন্থে এটি উদ্ধৃত করেছেন (৮১৬)।

(৩) ইবনুল জাওজি আদ-দুয়াফা গ্রন্থে এটিও উদ্ধৃত করেছেন।

(৪) আল-উকাইলি আদ-দুয়াফা গ্রন্থে (১/৫৮৬) এটি উদ্ধৃত করেছেন, এবং দেখুন ইবনে আদী রচিত আল-কামিল (২/৩১৭)।

(৫) আল-উকাইলি আদ-দুয়াফা গ্রন্থে এটি উদ্ধৃত করেছেন (১/৫৮৫)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٧)
صديقًا لأبي جعفر الخليفة(1).

وفي موضع آخر، حدث عنه: عبد الوارث، وابن المبارك، ويحيى.

قال الآجري: قلت: سمع من حبيب بن أبي ثابت؟ قال: سمع من عمرو بن خالد عنه(2).

وذكره أبو حفص بن شاهين في جملة الثقات(3).

وأبو العرب، وابن الجارود، والبلخي.

والعقيلي في جملة الضعفاء(4).

وصحح أبو عيسى حديثه: «ليخرجن قوم من أمتي من النار بشفاعتي»(5)، وكذلك أبو علي الطوسي،

وهذا الحديث ذكره الساجي فيما أنكر عليه من الحديث،

وذكره ابن خلفون في جملة الثقات، وقال: تكلم في مذهبه: القدر، وقال: أرجو أن يكون صدوقا في الحديث.

وخرج ابن حبان، والحاكم حديثه في صحيحيهما(6).

 

‌‌9 - (ع) الحسن بن الربيع بن سليمان البجلي ثم القسري الكوفي البوراني الخشاب.

قال أبو حاتم بن حبان لما ذكره في جملة الثقات: هو الذي غمض ابن المبارك ودفنه(7).

--------------------------------------------

(1) سؤالات الآجري (708).

(2) سؤالات الآجري (1224).

(3) تاريخ أسماء الثقات (199).

(4) ضعفاء العقيلي (1/ 585).

(5) سنن الترمذي (2600).

(6) صحيح ابن حبان (551)، ومستدرك الحاكم (6/ 117).

(7) ثقات ابن حبان (8/ 172).
খলীফা আবু জাফরের বন্ধু ছিলেন(১)।

অন্য স্থানে আছে, তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আব্দুল ওয়ারিস, ইবনুল মুবারক এবং ইয়াহইয়া।

আল-আজ্জুরি বলেন: আমি বললাম: তিনি কি হাবীব ইবনে আবু সাবিত থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: তিনি তাঁর থেকে আমর ইবনে খালিদের মাধ্যমে শুনেছেন(২)।

আবু হাফস ইবনে শাহীন তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন(৩)।

এবং আবু আল-আরব, ইবনুল জারুদ এবং আল-বালখি (তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন)।

আর আল-উকায়লি তাঁকে দুর্বল বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন(৪)।

আবু ঈসা তাঁর বর্ণিত এই হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন: "আমার উম্মতের একদল লোক আমার শাফায়াতের মাধ্যমে অবশ্যই জাহান্নাম থেকে বের হবে"(৫), অনুরূপভাবে আবু আলী আত-তুসিও (সহীহ বলেছেন)।

আর আস-সাজি এই হাদীসটিকে তাঁর সেই সব বর্ণনার মধ্যে উল্লেখ করেছেন যেগুলোর কারণে তাঁকে মুনকার (অস্বীকৃত) সাব্যস্ত করা হয়েছে।

ইবনে খালফুন তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর মাযহাব তথা কদর (তাকদীর) নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে; তবে তিনি বলেছেন: আমি আশা করি তিনি হাদীস বর্ণনায় সত্যবাদী।

ইবনে হিব্বান এবং হাকেম তাঁদের নিজ নিজ সহীহ গ্রন্থে তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন(৬)।

 

‌৯ - (আাইন) আল-হাসান ইবনে আর-রাবী ইবনে সুলাইমান আল-বাজালি, অতঃপর আল-কাসরি আল-কুফি আল-বুরানি আল-খাশ্শাব।

আবু হাতিম ইবনে হিব্বান যখন তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করে উল্লেখ করেন, তখন বলেন: তিনিই ইবনুল মুবারকের (মৃত্যুর পর) চোখ বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং তাঁকে দাফন করেছিলেন(৭)।

--------------------------------------------

(১) সুয়ালাতুল আজ্জুরি (৭০৮)।

(২) সুয়ালাতুল আজ্জুরি (১২২৪)।

(৩) তারিখু আসমাউস সিক্বাত (১৯৯)।

(৪) দুয়াফাউল উকায়লি (১/৫৮৫)।

(৫) সুনানে তিরমিযী (২৬০০)।

(৬) সহীহ ইবনে হিব্বান (৫৫১), এবং মুস্তাদরাকুল হাকেম (৬/১১৭)।

(৭) সিক্বাতু ইবনে হিব্বান (৮/১৭২)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٨)
وقال الكلبي: مولى خالد بن عبد الله.

ولما خرج الحاكم حديثه في «صحيحه» قال: قد احتجا جميعا به(1).

وقال صاحب «الزهرة»: روى عنه مسلم ثمانية أحاديث ومسلم سبعة عشر حديثا.

ونسبه ابن أبي حاتم عن أبيه أسديا قال: وقال أبو حاتم: الحسن ثقة، وكنت أحسب أنه مكسور العنق لانحنائه حتى قيل لي بعد: إنه لا ينظر إلى السماء(2).

وقال الآجري: سألت أبا داود عن موت حسن بن الربيع؟ فقال: سنة إحدى وعشرين وقد سمعت منه.

ولما ذكره أبو حفص بن شاهين في جملة الثقات قال: قال عثمان بن أبي شيبة: الحسن بن الربيع صدوق، وليس بحجة(3).

وذكره أبو محمد بن الأخضر في «شيوخ عبد الله بن محمد بن عبد العزيز البغوي».

 

‌‌10 - (س) الحسن بن زيد بن الحسن بن علي بن أبي طالب رضي الله عنهم أبو محمد المدني.

قال أبو العباس محمد بن يزيد الثمالي في الكتاب «الكامل»(4): لما ولي الحسن المدينة قال لابن هرمة: إني لست كمن باع لك دينه رجاء مدحك، أو خوف ذمك، قد رزقني الله عز وجل بولادة نبيه- صلى الله عليه وسلم الممادح، وجنبني القبائح، وإن من حقه عليّ ألا أغضي على تقصير في حق ربي عز وجل، وأنا

--------------------------------------------

(1) المستدرك (1/ 292، 623، 2/ 39، 472)، وفيها على شرط مسلم إلا الموضع الأول فهو على شرط الشيخين، ولم أقف فيه على عبارة المصنف.

(2) الجرح التعديل (3/ 13 - 14).

(3) تاريخ أسماء الثقات (212).

(4) الكامل للمبرد (1/ 201).
কালবী বলেন: তিনি খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহর মুক্তদাস।

যখন ইমাম হাকীম তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থে তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তখন তিনি বলেছেন: তাঁরা (বুখারী ও মুসলিম) উভয়েই তাঁকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন(১)।

‘আয-যাহরা’ গ্রন্থের লেখক বলেন: তাঁর থেকে মুসলিম আটটি হাদীস এবং মুসলিম সতেরোটি হাদীস বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আবি হাতিম তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর বংশপরিচয় আসাদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: আবু হাতিম বলেছেন: হাসান নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), আর আমি তাঁর কুঁজো হয়ে থাকার কারণে মনে করতাম যে তাঁর ঘাড় ভাঙা, শেষ পর্যন্ত আমাকে বলা হলো যে: তিনি আসমানের দিকে তাকান না(২)।

আজুররী বলেন: আমি আবু দাউদকে হাসান ইবনুর রবী’-এর মৃত্যু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: দুইশত একুশ হিজরীতে, আর আমি তাঁর থেকে (হাদীস) শুনেছি।

আবু হাফস ইবনে শাহীন যখন তাঁকে নির্ভরযোগ্যদের (সিকাহ) অন্তর্ভুক্ত করে উল্লেখ করেন, তখন তিনি বলেন: উসমান ইবনে আবি শায়বাহ বলেছেন: হাসান ইবনুর রবী’ সত্যবাদী (সাদুক), তবে তিনি দলীল (হুজ্জাহ) নন(৩)।

আবু মুহাম্মদ ইবনুল আখদার তাঁকে ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগভী-এর উস্তাদগণ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

 

‌‌১০ - (স) হাসান ইবনে যায়েদ ইবনে হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহুম), আবু মুহাম্মদ আল-মাদানী।

আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযীদ আস-সুমালী ‘আল-কামিল’ গ্রন্থে বলেন(৪): হাসান যখন মদীনার শাসনভার গ্রহণ করলেন, তখন তিনি ইবনে হারমাহকে বললেন: আমি সেই ব্যক্তির মতো নই যে তোমার প্রশংসার আশায় বা তোমার নিন্দার ভয়ে নিজের দ্বীন বিক্রি করে দিয়েছে। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আমাকে তাঁর নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বংশে জন্ম দিয়ে প্রশংসিত করেছেন এবং মন্দ কাজ থেকে দূরে রেখেছেন। আর আমার উপর তাঁর হক হলো আমি যেন আমার রব্ব আযযা ওয়া জাল্লা-এর হকের ব্যাপারে কোনো শিথিলতা প্রদর্শন না করি, আর আমি

--------------------------------------------

(১) আল-মুস্তাদরাক (১/ ২৯২, ৬২৩, ২/ ৩৯, ৪৭২); এতে প্রথম স্থানটি ব্যতীত বাকিগুলো মুসলিমের শর্তানুযায়ী, প্রথমটি শায়খাইনের শর্তানুযায়ী, তবে আমি এতে গ্রন্থকারের শব্দাবলি খুঁজে পাইনি।

(২) আল-জারহ ওয়াত তা’দীল (৩/ ১৩ - ১৪)।

(৩) তারিখ আসমাউস সিকাত (২১২)।

(৪) আল-মুবাররাদের আল-কামিল (১/ ২০১)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٣٩)
أقسم، لئن أُتيت بك سكران لأضربنك حدا للخمرة وحدا للسكر، ولأزيدن لموضع حرمتك بي، فليكن تركك لها لله عز وجل تُعن عليه، ولا تدعها للناس فتوكل إليهم.

فمضى ابن هرمة وهو يقول:

نهاني ابن الرسول عن المدام … وأدبني بآداب الكرام

وقال لي اصطبر عنها ودعها … لخوف الله لا خوف الإمام

وكيف تصبري عنها وحبي … لها حب تمكن في عظامي

أرى طيب الحلال علي خبثا … وطيب النفس في(1) خبث الحرام

وذكر أبو سليمان الخطابي في كتاب «المعالم»: أن الحسن بن زيد عتب على كاتب له فحبسه وأخذ ماله. فكتب إليه من الحبس:

أشكو إلى الله ما لقيت … أحببت قوما بهم شقيت

لا أشتم الصالحين جهرا … ولا تشيعت ما بقيت

أمسح خفي ببطن كفي … ولو على جيفة وطيت

قال: فدعا به من الحبس ورد عليه ماله(2).

وقال ابن سعد(3): وَلَد الحسن بن زيد، محمدا، والقاسم، وعليا، وإبراهيم، وزيدا، وعيسى، وإسماعيل، وإسحاق الأعور، وعبد الله، وكان الحسن عابدا، وكانت عنده أحاديث، وكان ثقة.

ولما حبسه المنصور بعد عزله كتب المهدي-وهو ولي عهدٍ- إلى عبد الصمد بن علي المتولي بعده سرا: إياك إياك وحسن بن زيد، ارفق به،

--------------------------------------------

(1) قوله: في. ليس في الأصل. ومثبت من الكامل.

(2) معالم السنن (1/ 44).

(3) الطبقات الكبير لابن سعد (7/ 542)، وليس فيه: وكان الحسن عابدًا.
আমি শপথ করছি, যদি তোমাকে মাতাল অবস্থায় আমার কাছে আনা হয়, তবে আমি তোমাকে মদের জন্য একটি নির্ধারিত দণ্ড এবং মাতলামির জন্য একটি নির্ধারিত দণ্ড দেব। আর আমার সাথে তোমার সম্পর্কের মর্যাদার কারণে আমি দণ্ড আরও বাড়িয়ে দেব। অতএব, তোমার মদ বর্জন যেন মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়, যাতে তুমি তাঁর পক্ষ থেকে সাহায্য পাও। মানুষের ভয়ে তা বর্জন করো না, অন্যথায় তোমাকে তাদের ওপরই সোপর্দ করা হবে।

অতঃপর ইবনে হরমা এই বলতে বলতে চলে গেলেন:

রাসূলের বংশধর আমাকে মদ পান করতে নিষেধ করেছেন … এবং আমাকে সজ্জনদের শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছেন।

তিনি আমাকে বললেন এটি থেকে ধৈর্য ধারণ করতে এবং তা বর্জন করতে … আল্লাহর ভয়ে, ইমামের ভয়ে নয়।

কিন্তু আমি কীভাবে তা থেকে ধৈর্য ধারণ করব, অথচ এর প্রতি আমার ভালোবাসা … আমার অস্থিমজ্জায় মিশে গেছে।

আমি পবিত্র হালালকে আমার জন্য মন্দ মনে করি … আর মনের তৃপ্তি খুঁজে পাই(১) অপবিত্র হারামের মধ্যে।

আবু সুলায়মান আল-খাত্তাবি ‘আল-মাআলিম’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে: হাসান বিন যায়েদ তার এক লেখকের ওপর অসন্তুষ্ট হলেন, ফলে তাকে বন্দি করলেন এবং তার সম্পদ কেড়ে নিলেন। তখন সেই লেখক কারাগার থেকে তাকে লিখে পাঠালেন:

আমি যা ভোগ করছি সে সম্পর্কে আল্লাহর কাছে অভিযোগ করছি … আমি এমন এক জাতিকে ভালোবেসেছিলাম যাদের কারণে আমি দুর্ভাগা হয়েছি।

আমি প্রকাশ্যে নেককারদের গালি দিই না … আর যতদিন বেঁচে আছি আমি শিয়া মতবাদ গ্রহণ করিনি।

আমি আমার হাতের তালু দিয়ে মোজার নিচে মাসেহ করি … এমনকি যদি আমি কোনো মৃত জন্তুর ওপর দিয়েও হেঁটে যাই।

বর্ণনাকারী বলেন: তখন তিনি তাকে কারাগার থেকে ডেকে পাঠালেন এবং তার সম্পদ তাকে ফিরিয়ে দিলেন(২)।

ইবনে সাদ বলেছেন(৩): হাসান বিন যায়েদ—মুহাম্মদ, কাসিম, আলী, ইব্রাহিম, যায়েদ, ঈসা, ইসমাইল, ইসহাক আল-আওয়ার এবং আব্দুল্লাহকে জন্ম দিয়েছেন। হাসান ইবাদতগুজার ছিলেন, তাঁর কাছে হাদিস ছিল এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।

মনসুর তাকে পদচ্যুত করার পর যখন বন্দি করেন, তখন মাহদি—যিনি তখন যুবরাজ ছিলেন—তার পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত আব্দুল সামাদ বিন আলীকে গোপনে লিখেছিলেন: হাসান বিন যায়েদের ব্যাপারে সাবধান, সাবধান! তার প্রতি কোমলতা প্রদর্শন করো,

--------------------------------------------

(১) তাঁর কথা: ‘মধ্যে’। এটি মূলে নেই। আল-কামিল থেকে এটি সংযোজন করা হয়েছে।

(২) মাআলিমুস সুনান (১/ ৪৪)।

(৩) ইবনে সাদের আত-তাবাকাত আল-কাবীর (৭/ ৫৪২), তবে এতে ‘হাসান ইবাদতগুজার ছিলেন’ কথাটি নেই।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٤٠)
ووسع عليه. ففعل ذلك عبد الصمد، فلما ولي المهدي لم يزل معه حتى خرج المهدي سنة ثمان وستين ومائة يريد الحج، ومعه حسن بن زيد فكان الماء في الطريق قليلا، فخشي المهدي على من معه العطش ورجع من الطريق ولم يحج تلك السنة ومضى حسن يريد مكة شرفها اللَّه تعالى فاشتكى أياما ثم مات بالحاجر(1). انتهى

فقول المزي: إنه مات في السنة التي حج فيها المهدي. على هذا غير صواب،

وقد أوضح ذلك ابن حبان بقوله في كتاب «الثقات»: مات بالحاجر وهو يريد مكة من العراق في السنة التي رجع فيها المهدي سنة ثمان وستين(2).

وهذا مما يبين لك أن المزي ما ينقل من كتاب من الكتب غير «تاريخ دمشق» و «بغداد» وابن أبي حاتم غالبا إلا بوساطة، وقد يكون ذلك الواسطة غير متقن أو محترز فيما ينقله، إذ لو كان نَقْلُه لتوثيق ابن حبان إياه من كتابه لما أغفل ما ذكرناه، ولخلص من إيراد عليه، واللَّه تعالى أعلم.

وقال العجلي: الحسن بن زيد مدني ثقة(3).

وذكره ابن خلفون في جملة الثقات.

وقال ابن أبي مريم، عن يحيى بن معين: الحسن بن زيد ضعيف الحديث.

وقال أبو أحمد بن عدي: يروي عن أبيه، وعكرمة أحاديث معضلة، وأحاديثه عن أبيه أنكر مما رواه عن عكرمة(4).

وذكر أبو محمد عبد الرحمن بن أبي الحرم مكي بن عثمان الشافعي: أن

--------------------------------------------

(1) الحاجر: هو مكان بطريق مكة، انظر تاريخ العروس (حجر).

(2) ثقات ابن حبان (6/ 106).

(3) ثقات العجلي (1/ 294).

(4) الكامل لابن عدي (2/ 325).
এবং তাকে স্বচ্ছল করে দেন। আবদুস সামাদ তা-ই করলেন। অতঃপর যখন মাহদী ক্ষমতাসীন হলেন, তিনি সর্বদা তার সাথেই ছিলেন। অবশেষে একশ আটষট্টি হিজরি সনে মাহদী হজ করার উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং তার সাথে হাসান ইবনে যাইদও ছিলেন। পথে পানির স্বল্পতা ছিল, ফলে মাহদী তার সঙ্গীদের ব্যাপারে তৃষ্ণার ভয় করলেন এবং পথ থেকেই ফিরে এলেন। তিনি সে বছর হজ করেননি। তবে হাসান মক্কার—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত করুন—উদ্দেশ্যে এগিয়ে গেলেন। কয়েক দিন অসুস্থ থাকার পর তিনি হাজিরে(১) মারা যান। সমাপ্ত।

সুতরাং মিজ্জির বক্তব্য যে, তিনি সেই বছর মারা গেছেন যে বছর মাহদী হজ করেছেন, তা এই হিসেবে সঠিক নয়।

ইবনে হিব্বান তার «আস-সিকাত» কিতাবে এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: তিনি হাজিরে মৃত্যুবরণ করেন যখন তিনি ইরাক থেকে মক্কার দিকে যাচ্ছিলেন, যে বছর মাহদী ফিরে এসেছিলেন অর্থাৎ একশ আটষট্টি হিজরি সনে(২)।

এটি আপনাকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয় যে, মিজ্জি «তারিখে দামেস্ক», «বাগদাদ» এবং ইবনে আবি হাতিমের কিতাব ছাড়া সাধারণত কোনো মাধ্যম ছাড়া কোনো কিতাব থেকে উদ্ধৃতি দেন না। আর সেই মাধ্যমটি তার উদ্ধৃতি প্রদানে হয়তো নিখুঁত বা সাবধানী ছিল না। কারণ, তিনি যদি ইবনে হিব্বান কর্তৃক তাকে নির্ভরযোগ্য বলার বিষয়টি সরাসরি তার কিতাব থেকে উদ্ধৃত করতেন, তবে আমরা যা উল্লেখ করেছি তা তিনি উপেক্ষা করতেন না এবং তার ওপর উত্থাপিত আপত্তি থেকেও তিনি বেঁচে যেতেন। আর আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

ইজলি বলেন: হাসান ইবনে যাইদ মদিনার অধিবাসী এবং নির্ভরযোগ্য(৩)।

ইবনে খালফুন তাকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

ইবনে আবি মারইয়াম ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন থেকে বর্ণনা করেন: হাসান ইবনে যাইদ হাদিস বর্ণনায় দুর্বল।

আবু আহমদ ইবনে আদি বলেন: তিনি তার পিতা এবং ইকরিমা থেকে সমস্যাপুর্ণ (মু'দাল) হাদিস বর্ণনা করেন। তার পিতা থেকে বর্ণিত তার হাদিসগুলো ইকরিমা থেকে বর্ণিত হাদিসের তুলনায় অধিকতর আপত্তিকর (মুনকার)(৪)।

আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে আবিল হারাম মাক্কি ইবনে উসমান শাফিঈ উল্লেখ করেছেন যে:

--------------------------------------------

(১) হাজির: এটি মক্কার পথে অবস্থিত একটি স্থান। দেখুন: তারিখে আরুস (হাজর)।

(২) সিকাতু ইবনে হিব্বান (৬/ ১০৬)।

(৩) সিকাতুল ইজলি (১/ ২৯৪)।

(৪) আল-কামিলু লি ইবনে আদি (২/ ৩২৫)।
(খণ্ড: ٤) কিতআতুন মিন ইকমালে তাহযীবিল কামাল - তিবআতুল ফারূক (পৃষ্ঠা: ٤١)
الحسن بن زيد هذا والد السيدة نفيسة رضي الله عنهما مدفون بمصر. انتهى.

على يمنة المار من القاهرة إلى مصر مزار ينسب إلى الحسن هذا، وزعم زواره أن ظهوره كان من قريب، فيحتمل أن يكون هو الذي قاله ابن عثمان.

وفي «تاريخ الطالبين(1)» للجعابي: روى عنه سعيد بن سليمان الماحقي.

وفي «الأنساب» لابن خداع: كان الحسن ناسكا، فاضلا، كثير الصوم والصلاة.

وقال أحمد بن أبي يعقوب: كان من جلة أهل بيته عارضة(2) ونبلا وفضلا، وكان مع ذلك شديد الإقدام، فحكم بأحكام أنكرها أهل المدينة، فتظلم الناس منه فعزل سنة اثنتين وخمسين، وتوفي في السنة التي رجع فيها المهدي سنة ثمان.

وفي قول المزي: وقال محمد بن سعد، وأبو حاتم بن حبان: مات بالحاجر وهو يريد مكة من العراق في السنة التي حج فيها المهدي سنة ثمان وستين. نظر لما بيناه من عندهما. والله تعالى أعلم.

وفي قوله: قال خليفة(3): أمه أم ولد. نظر؛ لأنه إنما قال: أمه فتاة. وهما واحد؛ ولكن نُشاحِحُه في اللفظ على عادة المحدثين.

* وثَمَّ آخر يقال له:

- الحسن بن زيد بن أبي الحكم السلولي

له مديح في المهدي قاله المرزباني.

- والحسن بن زيد بن الحسن بن محمد أبو محمد الجعفري

حدث عن أبيه، وعن جعفر بن محمد القلانسي وغيرهما.

--------------------------------------------

(1) في الأصل: البطالين. والمثبت هو الصواب.

(2) رجل شديد العارضة: ذو جلد، وصرامة. انظر: لسان العرب (عرض).

(3) طبقات خليفة (ص 272).
এই হাসান বিন যাইদ হলেন সাইয়্যেদা নাফিসার (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) পিতা, যিনি মিশরে সমাহিত। সমাপ্ত।

কায়রো থেকে মিশরের দিকে যাওয়ার পথে ডান পাশে একটি মাজার রয়েছে যা এই হাসানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়। এর জিয়ারতকারীরা দাবি করেন যে এর প্রকাশ সম্প্রতি হয়েছে; ফলে সম্ভবত এটিই সেই মাজার যার কথা ইবনে উসমান বলেছিলেন।

জা'আবির «তারিখুত তালিবীন(১)» গ্রন্থে রয়েছে: সাঈদ বিন সুলাইমান আল-মাহিকি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে খুদা-এর «আল-আনসাব» গ্রন্থে আছে: হাসান ছিলেন একজন ইবাদতগুজার ও ফযিলতপূর্ণ ব্যক্তি, তিনি প্রচুর রোজা ও নামাজ আদায় করতেন।

আহমাদ বিন আবি ইয়াকুব বলেন: তিনি তাঁর বংশের একজন অতি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন, ব্যক্তিত্ববান, মহৎ ও গুণী ব্যক্তি ছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী ও দৃঢ়চেতা। তিনি এমন কিছু বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রদান করেছিলেন যা মদিনাবাসী প্রত্যাখ্যান করে। ফলে মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালে হিজরি ১৫২ সনে তাঁকে পদচ্যুত করা হয়। মাহদি যে বছর ফিরে আসেন অর্থাৎ ১৬৮ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মিযযির বক্তব্যে রয়েছে: মুহাম্মদ বিন সাদ এবং আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেছেন: তিনি হাজের নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন যখন তিনি ইরাক থেকে মক্কার উদ্দেশ্যে আসছিলেন, যে বছর মাহদি হজ করেছিলেন অর্থাৎ ১৬৮ হিজরিতে। তাঁদের উদ্ধৃতি দিয়ে আমরা যা বর্ণনা করেছি সে বিষয়ে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে। আর মহান আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

তাঁর এ বক্তব্যে: খলিফা(৩) বিন খাইয়াত বলেছেন: 'তাঁর মা উম্মে ওয়ালাদ ছিলেন'—এখানে পর্যালোচনার বিষয় আছে। কারণ তিনি মূলত বলেছিলেন: 'তাঁর মা ছিলেন একজন যুবতী (ফাতাত)'। যদিও উভয়ই একই অর্থ প্রকাশ করে, তবুও মুহাদ্দিসদের রীতি অনুযায়ী আমরা শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সূক্ষ্মতা বজায় রাখব।

* সেখানে আরও একজন ব্যক্তি রয়েছেন যাঁকে হাসান বিন যাইদ বিন আবি আল-হাকাম আস-সালুলি বলা হয়। মাহদির প্রশংসায় তাঁর রচিত কাব্য রয়েছে যা মারযুবানি উল্লেখ করেছেন।

* এবং হাসান বিন যাইদ বিন হাসান বিন মুহাম্মদ আবু মুহাম্মদ আল-জা'ফারি। তিনি তাঁর পিতা, জাফর বিন মুহাম্মদ আল-কালানিসি এবং অন্যান্যদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল কপিতে ছিল: আল-বাত্তালীন। তবে এখানে যা উল্লেখ করা হয়েছে তা-ই সঠিক।

(২) অত্যন্ত দৃঢ় ব্যক্তিত্বের অধিকারী ব্যক্তি: ধৈর্যশীল ও কঠোর। দেখুন: লিসানুল আরব (আইন-রা-দাদ)।

(৩) তাবাকাতে খলিফা (পৃষ্ঠা ২৭২)।