(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: -)
مسلك الراغب لشرح دليل الطالب - ت تركي النصر القسم: الفقه الحنبلي
الكتاب: مسلك الراغب لشرح دليل الطالب
المؤلف: إبراهيم بن أبي بكر العوفي (ت 1094 هـ)
المحقق: تركي محمد حامد النصر
الناشر: (دار لطائف، دار غراس) - (الكويت)
الطبعة: الأولى، 1434 هـ - 2013 م
عدد الصفحات: 958
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 صفر 1447
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তুর্কি আন-নাসর এর তাহকিক বিভাগ: হাম্বলি ফিকহ
বই: মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব
লেখক: ইব্রাহিম ইবনে আবি বকর আল-আউফি (মৃত ১০৯৪ হিজরি)
তাহকিককারী: তুর্কি মুহাম্মদ হামিদ আন-নাসর
প্রকাশক: (দার লাতায়েফ، দার গিরাস) - (কুয়েত)
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৪ হিজরি - ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৫৮
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ সফর ১৪৪৭
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
المقدمة الحمد لله العلي الأعظم، الجواد الأكرم، الذي علم بالقلم علم الإنسان ما لم يعلم، فرض طلب العلم على عباده المؤمنين، وأمرهم به في الكتاب المبين، فقال وهو أصدق القائلين: {فَلَوْلَا نَفَرَ مِنْ كُلِّ فِرْقَةٍ مِّنْهُمْ طَائِفَةٌ لِّيَتَفَقَّهُوا فِي الدِّينِ}.
وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، شهادة لا يضل من شهد بها ولا يشقى، وكلمة أستمسك بها، ومن يؤمن بالله فقد استمسك بالعروة الوثقى، وأشهد أن محمداً عبده ورسوله، أرسله شاهداً ومبشراً ونذيراً، وداعياً إلى الله بإذنه وسراجاً منيراً، صلى الله عليه وعلى آله وسلم تسليماً كثيراً.
أما بعد: فإنَّ أعلى العلوم فخراً، وأجلّها قدراً، وأبلغها فضيلة، وأنجحها وسيلةً، عِلمُ الشرع الشريف ومعرفة أحكامه، والاطلاع على حلاله وحرامه، فلذلك تَعَيّنَتْ إعانَةُ قاصده، وتيسير موارده لرائده، ومعاونته على تذكار لفظه ومعانيه، وفهم عباراته ومبانيه.
ولقد اعتنى علماء شريعتنا الغراء بهذا العلم الشريف؛ فألفوا به الكتب والأسفار النافعة، وأخذوا على عاتقهم جمع فنونه فورثوا لنا نفائس قل نظيرها، دونوا فيها خلاصة علمهم.
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।
ভূমিকা সমস্ত প্রশংসা সুউচ্চ, সুমহান আল্লাহর জন্য, যিনি পরম দাতা ও অত্যন্ত সম্মানিত। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, মানুষকে তা শিখিয়েছেন যা সে জানত না। তিনি তাঁর মুমিন বান্দাদের ওপর জ্ঞান অর্জন করাকে ফরজ করেছেন এবং সুস্পষ্ট কিতাবে তাঁদেরকে এর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন—আর তিনিই সকল বক্তার চেয়ে সত্যবাদী: “তাদের প্রতিটি দলের একটি অংশ কেন বের হয় না, যাতে তারা দ্বীন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করতে পারে?”
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এমন এক সাক্ষ্য, যা প্রদানকারী পথভ্রষ্ট হবে না এবং দুর্ভাগাও হবে না। এটি এমন এক বাণী যা আমি দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরি; আর যে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, সে যেন এক মজবুত হাতল আঁকড়ে ধরল। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁকে সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী এবং তাঁর অনুমতিক্রমে আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী ও উজ্জ্বল প্রদীপ হিসেবে পাঠিয়েছেন। আল্লাহর অগণিত সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর।
অতঃপর: নিশ্চয়ই গর্বের দিক থেকে সর্বোচ্চ, মর্যাদার দিক থেকে মহানতম, শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে সুদূরপ্রসারী এবং মাধ্যম হিসেবে সর্বাপেক্ষা সফল হলো পবিত্র শরীয়তের জ্ঞান এবং এর বিধিবিধানের পরিচয় লাভ করা এবং এর হালাল ও হারাম সম্পর্কে অবগত হওয়া। তাই এই জ্ঞান অন্বেষণকারীকে সাহায্য করা, এর উৎসসমূহকে সহজতর করা এবং এর শব্দ ও অর্থ মনে রাখা এবং এর বাক্য ও মূলভিত্তি অনুধাবনে তাকে সহযোগিতা করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে।
আমাদের উজ্জ্বল শরীয়তের আলেমগণ এই মহান ইলমের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন। তাঁরা এ বিষয়ে বহু উপকারী গ্রন্থ ও বড় বড় কিতাব রচনা করেছেন। তাঁরা এর বিভিন্ন শাখা সংকলনের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। ফলে তাঁরা আমাদের জন্য এমন সব অমূল্য সম্পদ রেখে গেছেন যার নজির খুব কমই দেখা যায়, যেখানে তাঁরা তাঁদের অর্জিত ইলমের সারনির্যাস লিপিবদ্ধ করে গেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৬)
وإن من أهم هذه النفائس: شرح فريد قيم على كتاب «دليل الطالب لنيل المطالب» للعلامة الشيخ مرعي بن يوسف الكرمي الحنبلي رحمه الله تعالى، وهذا الشرح للعلامة إبراهيم بن أبي بكر العوفي الحنبلي رحمه الله تعالى، وأسماه: «مسلك الراغب لشرح دليل الطالب».
وهو شرح مفيد قيم، ومما زاد في قيمته العلمية أنه جاء شرحاً على متن من أنفع متون الحنابلة وأوسعها انتشاراً، وهو: «دليل الطالب لنيل المطالب»، حيث بين فيه الأحكام أحسن بيان، وأوضح عبارته مع الإتقان، وأجاد في ترتيبه وتقسيمه وتنظيمه، وسار فيه على الصحيح من المذهب؛ فنال القبول عند أولي الإرب.
أسباب اختيار الكتابترجع أسباب اختياري لهذا الكتاب إلى:
1 - أهمية المتن الذي قام عليه هذا الشرح النفيس.
2 - الرغبة في المشاركة في تحقيق التراث الفقهي الحنبلي، والمساهمة في نشره وتزويد المكتبات الإسلامية به.
3 - المكانة العلمية للمؤلّفين الجليلين: صاحب المتن،
وصاحب الشرح.
منهج العمل على الكتابوكان عملي فيه وفق المنهجية الآتية:
1 - نسخت المخطوط مراعياً - في رسم الكلمات - القواعد الإملائية الحديثة، مع خدمة النص بعلامات الترقيم.
2 - اعتمدت في إثبات النصّ على نسخة خطية واحدة.
আর এই অমূল্য রত্নরাজির মধ্যে অন্যতম হলো: আল্লামা শাইখ মারঈ বিন ইউসুফ আল-কারমি আল-হাম্বলী (রহিমাহুল্লাহ)-এর রচিত 'দালীলুত তালিব লি নাইলিল মাতালিব' গ্রন্থের একটি অনন্য ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি আল্লামা ইব্রাহিম বিন আবি বকর আল-আওফি আল-হাম্বলী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সংকলিত, যার নাম তিনি রেখেছেন: 'মাসলাকুর রাগিব লি শারহি দালীলিত তালিব'।
এটি একটি উপকারী ও মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এর ইলমি গুরুত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হলো এটি হাম্বলী মাযহাবের অন্যতম উপকারী ও বহুল প্রচলিত একটি মূল পাঠ বা মতনের ব্যাখ্যা হিসেবে রচিত হয়েছে, যা হলো: 'দালীলুত তালিব লি নাইলিল মাতালিব'। তিনি এতে অত্যন্ত নিপুণভাবে বিধানসমূহ বর্ণনা করেছেন, সুনিপুণভাবে এর শব্দাবলী স্পষ্ট করেছেন, এবং এর বিন্যাস, বিভাজন ও শৃঙ্খলায় পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। এতে তিনি মাযহাবের বিশুদ্ধ মতের অনুসরণ করেছেন; ফলে এটি প্রজ্ঞাবানদের নিকট গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে।
গ্রন্থটি নির্বাচনের কারণসমূহআমার এই গ্রন্থটি নির্বাচনের কারণসমূহ নিম্নরূপ:
1 - এই মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থটি যে মূল পাঠের (মতন) ওপর ভিত্তি করে রচিত, তার গুরুত্ব।
2 - হাম্বলী ফিকহী ঐতিহ্য সম্পাদনায় (তাহকীক) অংশগ্রহণ, এর প্রচারে অবদান রাখা এবং ইসলামী লাইব্রেরিগুলোতে এটি সরবরাহ করার আকাঙ্ক্ষা।
3 - দুইজন মহান লেখকের ইলমি মর্যাদা: মূল পাঠের (মতন) লেখক এবং ব্যাখ্যাগ্রন্থের লেখক।
গ্রন্থটির ওপর কাজের পদ্ধতিএতে আমার কাজ ছিল নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুযায়ী:
1 - আমি পাণ্ডুলিপিটি অনুলিপি করেছি—শব্দ বিন্যাসে আধুনিক বানানরীতি অনুসরণ করে—এবং যতিচিহ্ন ব্যবহারের মাধ্যমে মূল পাঠটিকে বিন্যস্ত করেছি।
2 - মূল পাঠটি প্রমাণের ক্ষেত্রে আমি একটিমাত্র হাতে লেখা পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি।
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৭)
3 - ميزت متن «دليل الطالب» بوضعه بين قوسين ()، - ونظراً لتفكيك كلمات الدليل - كنت أتركها أحياناً ليعبّر عنها الشارح بأسلوبه دون تقييد هذه الأحرف بالأقواس؛ لأن الشارح رحمه الله تعالى قد مزج الشرح بالمتن في سياق واحد، جاعلاً المتن باللون الأحمر، والشرح باللون الأسود، وبالغ المزج بينهما في مواطن، فلولا أنه كتب المتن باللون الأحمر، لما أمكن التمييز بينهما إلا بالتدقيق.
4 - اعتمدت الصواب حيال ما وقع في النسخة من أخطاء إملائية واضحة أو تكرار، وأشرت إلى ذلك في الهامش.
5 - أضفت ما يقيم المعنى في حال النقص المخل الظاهر، وجعلته في الأصل بين معقوفتين []، وأشرت إليه في الهامش مع ذكر مصدره، والإضافة بمجملها من كتب الحنابلة.
6 - اعتمدت الرسم العثماني للآيات القرآنية.
7 - خرَّجتُ الأحاديث من مصادرها، في الهامش.
8 - خرَّجتُ الآثار الواردة عن الصحابة، وعن التابعين رضي الله عنهم، من كتب السُّنَّة، أو عزوتها إلى مواطن ذكرها في كتب الفقه المعتمدة.
9 - شرحت معنى الكلمات الغريبة من كتب اللغة، أو غريب الحديث، أو الكتب الفقهية المعتمدة.
10 - عرفت بالمصطلحات العلمية الواردة في الكتاب.
11 - ترجمتُ للأعلام الوارد ذكرهم في الكتاب باختصار.
12 - عرفت بالأماكن التي ذكرها الشارح باختصار.
13 - أعددت دراسة مفصلة عن الشيخ العلامة مرعي الكرمي الحنبلي (صاحب دليل الطالب).
3 - আমি ‘দালিলুত তালিব’-এর মূল পাঠকে (মতন) বন্ধনীভুক্ত () করার মাধ্যমে পৃথক করেছি। মতনের শব্দগুলো বিশ্লেষণ করার কারণে কখনো কখনো আমি সেগুলো বন্ধনী ছাড়া রেখেছি যেন ব্যাখ্যাকারী তার নিজস্ব ভঙ্গিতে তা প্রকাশ করতে পারেন। কারণ ব্যাখ্যাকারী (রাহিমাহুল্লাহ) মূল পাঠ ও ব্যাখ্যাকে একই প্রেক্ষাপটে এমনভাবে মিশ্রিত করেছেন যে, তিনি মূল পাঠকে লাল রঙে এবং ব্যাখ্যাকে কালো রঙে লিখেছেন। অনেক স্থানে এই মিশ্রণ এতোটাই প্রকট ছিল যে, যদি তিনি মূল পাঠ লাল রঙে না লিখতেন, তবে সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ ছাড়া এ দুটিকে আলাদা করা সম্ভব হতো না।
4 - পাণ্ডুলিপিতে পরিলক্ষিত স্পষ্ট বানান ভুল বা পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে আমি সঠিক পাঠটি গ্রহণ করেছি এবং পাদটীকায় সেদিকে ইঙ্গিত করেছি।
5 - প্রকাশ্য ও ক্ষতিকর অসম্পূর্ণতার ক্ষেত্রে অর্থ ঠিক করার জন্য আমি প্রয়োজনীয় অংশ যোগ করেছি এবং মূল পাঠে তা তৃতীয় বন্ধনী []-এর মধ্যে রেখেছি। আমি পাদটীকায় এর উৎসসহ উল্লেখ করেছি। এই সংযোজনগুলো মূলত হাম্বলি মাযহাবের কিতাবসমূহ থেকে নেওয়া হয়েছে।
6 - কুরআনের আয়াতসমূহের ক্ষেত্রে আমি ‘রাসমে উসমানি’ (উসমানি লিখনরীতি) অনুসরণ করেছি।
7 - আমি হাদিসসমূহকে তাদের মূল উৎস থেকে পাদটীকায় তাখরিজ (উৎস নির্দেশ) করেছি।
8 - সাহাবায়ে কিরাম ও তাবিঈন (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-দের থেকে বর্ণিত আছারসমূহ আমি সুন্নাহর কিতাবসমূহ থেকে তাখরিজ করেছি অথবা নির্ভরযোগ্য ফিকহ শাস্ত্রের কিতাবসমূহে সেগুলোর উল্লেখস্থল নির্দেশ করেছি।
9 - আমি দুর্লভ বা কঠিন শব্দাবলির অর্থ অভিধান, ‘গারিবুল হাদিস’ অথবা নির্ভরযোগ্য ফিকহ শাস্ত্রের কিতাবসমূহ থেকে ব্যাখ্যা করেছি।
10 - কিতাবে উল্লিখিত ইলমি পরিভাষাসমূহের পরিচয় প্রদান করেছি।
11 - কিতাবে বর্ণিত ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনী উল্লেখ করেছি।
12 - ব্যাখ্যাকারী কর্তৃক উল্লিখিত স্থানসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়েছি।
13 - শায়খ আল্লামা মারঈ আল-কারমি আল-হাম্বলি (দালিলুত তালিব-এর লেখক) সম্পর্কে একটি বিস্তারিত পর্যালোচনা প্রস্তুত করেছি।
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৮)
14 - أعددت دراسة مفصلة عن كتاب «دليل الطالب لنيل المطالب».
15 - ترجمت للعلامة إبراهيم بن أبي بكر العوفي (صاحب الشرح).
16 - قمت بتوثيق نسبة الشرح لصاحبه.
17 - عرفت بالنسخة الخطية مع ذكر مصدرها.
18 - وضعت فهارس فنية عامة للكتاب.
واكتفيت من خلال ما سبق بما أظن أنه يعين القارئ الكريم على دراسة هذا الشرح النَّفيس وفهمه.
14 - আমি «দালিলুত তালিব লি-নাইলিল মাতালিব» গ্রন্থটি সম্পর্কে একটি বিস্তারিত গবেষণা প্রস্তুত করেছি।
15 - আমি আল্লামা ইবরাহিম বিন আবি বকর আল-আওফী (ব্যাখ্যাগ্রন্থের লেখক)-এর জীবনী প্রস্তুত করেছি।
16 - আমি এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি যে তাঁরই রচিত, তা প্রামাণিকভাবে নিশ্চিত করেছি।
17 - আমি পাণ্ডুলিপিটির বর্ণনা প্রদান করেছি এবং এর উৎসের কথা উল্লেখ করেছি।
18 - আমি গ্রন্থটির জন্য সাধারণ নির্ঘণ্ট (ইনডেক্স) যুক্ত করেছি।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর মাধ্যমে আমি কেবল সেই বিষয়গুলোই উল্লেখ করেছি যা আমার ধারণা মতে সম্মানিত পাঠককে এই মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থটি অধ্যয়ন ও অনুধাবনে সহায়তা করবে।
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৯)
ترجمة العلامة الشيخ مرعي الكرمي الحنبلي (1)
اسمه:هو مرعي بن يوسف بن أبي بكر بن أحمد بن أبي بكر بن يوسف بن أحمد الكرمي، المقدسي، الأزهري، المصري، الحنبلي.
نسبته:الكرمي: نسبة إلى طور كرم وهي قرية من قرى نابلس، تقع غربها إلى جهة البحر، وهي مدينة، ومركز قضاء، وتسمى الآن على لسان أهل فلسطين (طولكرم)، وينسب إليها جماعة من أهل العلم.
والمقدسي: نسبة إلى بيت المقدس، حيث درس فيها وتتلمذ على بعض علمائها.
--------------------------------------------
আল্লামা শাইখ মারঈ আল-কারমী আল-হাম্বলী-এর জীবনী(১)
তাঁর নাম:তিনি হলেন মারঈ ইবনে ইউসুফ ইবনে আবি বকর ইবনে আহমাদ ইবনে আবি বকর ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমাদ আল-কারমী, আল-মাকদিসী, আল-আযহারী, আল-মিসরী, আল-হাম্বলী।
তাঁর নিসবত (সম্বন্ধ):আল-কারমী: এটি তূর কারম-এর দিকে সম্বন্ধিত, যা নাবলুসের গ্রামগুলোর মধ্যে একটি গ্রাম। এটি নাবলুসের পশ্চিমে সমুদ্রের দিকে অবস্থিত। এটি একটি শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র। বর্তমানে ফিলিস্তিনবাসীদের মুখে এটি (তুলকারম) নামে পরিচিত। একদল আলেম এই স্থানের দিকে সম্বন্ধিত।
আল-মাকদিসী: এটি বাইতুল মাকদিসের দিকে সম্বন্ধিত, যেখানে তিনি পড়াশোনা করেছেন এবং সেখানকার কিছু আলেমের নিকট শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১০)
والأزهري: نسبة إلى الأزهر الشريف، منارة العلم والعلماء، حيث درس فيه ودرس، ونبغ وفاق أقرانه.
والمصري: نسبة إلى مصر حيث دخلها، واستوطنها، ومات فيها.
والحنبلي: نسبة إلى مذهب الإمام أحمد بن حنبل الذي انتسب إليه الشيخ مرعي، وفيه يقول:
لئن قلد الناس الأئمة إنني
… لفي مذهب الحبر ابن حنبل راغب
أقلد فتواه وأعشق قوله
… وللناس فيما يعشقون مذاهب
(1)
مولده ونشأته:ولد الشيخ مرعي في طور كرم، في ربيع الأول سنة (988 هـ) ثمان وثمانين وتسعمائة
(2)ونشأ في طور كرم، ثم انتقل إلى بيت المقدس وفيه حفظ القرآن الكريم وجوده، ودرس الفقه، ثم دخل مصر ودرس بقية العلوم حتى تصدر للإقراء والتدريس بالجامع الأزهر، وتولى المشيخة بجامع السلطان حسن في القاهرة.
وكان منشغلاً بطلب العلم انشغالاً كلياً حيث قضى حياته في الإفتاء والتدريس والتحقيق والتصنيف
(3).
--------------------------------------------
আল-আজহারি: এটি আল-আজহার আশ-শরীফের সাথে সম্পর্কিত, যা জ্ঞান ও আলেমদের আলোকবর্তিকা, যেখানে তিনি পড়াশোনা করেছেন এবং অধ্যাপনা করেছেন, এবং মেধার পরিচয় দিয়ে সমসাময়িকদের ছাড়িয়ে গেছেন।
আল-মিসরি: এটি মিসরের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে তিনি প্রবেশ করেছিলেন, স্থায়ীভাবে বসবাস করেছিলেন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
আল-হাম্বলি: এটি ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের মাযহাবের সাথে সম্পর্কিত, যার প্রতি শায়খ মারঈ অনুসারী ছিলেন এবং এ বিষয়ে তিনি বলেন:
মানুষ যদি ইমামদের অনুকরণ করে, তবে আমি
… মহাজ্ঞানী ইবনে হাম্বলের মাযহাবেরই অনুরাগী।
আমি তাঁর ফতোয়ার অনুসরণ করি এবং তাঁর কথাকে ভালোবাসি
… আর মানুষ যা ভালোবাসে সে বিষয়ে তাদের ভিন্ন ভিন্ন পথ রয়েছে।
(১)
তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা:শায়খ মারঈ ৯৮৮ হিজরি (নয়শ আটাশি হিজরি) সালের রবিউল আউয়াল মাসে তুলকারামে জন্মগ্রহণ করেন।
(২)তিনি তুলকারামে বেড়ে ওঠেন, এরপর বায়তুল মাকদিসে চলে যান এবং সেখানে পবিত্র কুরআন মুখস্থ ও তাজবিদসহ সম্পন্ন করেন এবং ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। অতঃপর তিনি মিসরে প্রবেশ করেন এবং অন্যান্য শাস্ত্র শিক্ষা করেন, এমনকি তিনি আল-আজহার মসজিদে কুরআন পাঠ ও পাঠদানের প্রধান আসনে আসীন হন এবং কায়রোর সুলতান হাসান মসজিদে শায়খ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি জ্ঞান অন্বেষণে সম্পূর্ণরূপে নিমগ্ন ছিলেন, যেখানে তিনি তাঁর জীবন ফতোয়া প্রদান, পাঠদান, পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা এবং গ্রন্থ রচনায় ব্যয় করেছেন।
(৩).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১১)
شيوخه:أخذ الشيخ مرعي العلم عن عدد من العلماء والمشايخ في بلده طوركرم، والقدس والقاهرة، ومن هؤلاء:
1 - العلامة الإمام الشيخ محمد بن أحمد المرداوي القاهري، فقيه الحنابلة وشيخهم في عصره.
كان جبلاً من جبال العلم، وبحراً من بحور الإتقان. توفي رحمه الله بمصر سنة (1026 هـ)
(1).
2 - العلامة الشيخ يحيى الحجاوي، ابن صاحب الإقناع، وزاد المستقنع.
ولد ونشأ بدمشق، وأخذ علم الحديث عن والده، ثم رحل إلى القاهرة، وأخذ عن علمائها، ودرس بالجامع الأزهر، ولم يزل ركناً من أركان العلم في القاهرة حتى وفاته فيها، رحمه الله تعالى
(2).
3 - العلامة الشيخ محمد حجازي بن محمد القلقشندي الشافعي، الشهير بالواعظ (ت 1035 هـ)، أخذ عنه الشيخ مرعي الحديث وبقية العلوم
(3).
4 - الشيخ العلامة أحمد بن محمد الغنيمي الحنفي (ت 1044 هـ)
(4).
--------------------------------------------
তাঁর শিক্ষকগণ:শায়খ মারয়ী তাঁর নিজ শহর তুলকারাম, কুদস (জেরুজালেম) এবং কায়রোর একদল আলেম ও শায়খদের নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
১ - আল্লামা ইমাম শায়খ মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-মারদাওয়ী আল-কাহিরাহী, যিনি তাঁর সময়ের হাম্বলী ফকীহ এবং তাঁদের প্রধান শায়খ ছিলেন।
তিনি ছিলেন ইলমের সুউচ্চ পাহাড় এবং পাণ্ডিত্যের অতল সমুদ্র। তিনি ১০২৬ হিজরি সনে মিশরে মৃত্যুবরণ করেন (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)
(১)।
২ - আল্লামা শায়খ ইয়াহইয়া আল-হাজ্জাওয়ী, তিনি 'আল-ইকনা' এবং 'জাদুল মুস্তাকনি' গ্রন্থের রচয়িতার পুত্র।
তিনি দামেস্কে জন্মগ্রহণ করেন ও বেড়ে ওঠেন এবং তাঁর পিতার নিকট থেকে হাদীস শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করেন। অতঃপর তিনি কায়রোতে সফর করেন এবং সেখানকার আলেমদের নিকট থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি আল-আজহার মসজিদে পাঠদান করেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত কায়রোতে ইলমের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন
(২)।
৩ - আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ হিজাজী বিন মুহাম্মদ আল-কালকাশান্দি আশ-শাফিয়ী, যিনি 'আল-ওয়ায়িজ' নামে পরিচিত (মৃত্যু ১০৩৫ হি.), শায়খ মারয়ী তাঁর নিকট থেকে হাদীস ও অন্যান্য শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করেন
(৩)।
৪ - শায়খ আল্লামা আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-গুনাইমী আল-হানাফী (মৃত্যু ১০৪৪ হি.)
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১২)
تلاميذه:تصدر الشيخ مرعي للإقراء والتدريس بالجامع الأزهر، وبمدرسة وجامع السلطان حسن بالقاهرة كما مر آنفاً، وكان قد شغل وقته بالتدريس والإفتاء والتصنيف، وعالم هذا دأبه لا بد أن يتخرج على يديه تلاميذ ينشرون علمه، ومن هؤلاء التلاميذ:
1 - الشيخ عبد الباقي بن عبد الباقي بن عبد القادر بن إبراهيم البعلي، الحنبلي، الأزهري الدمشقي، المعروف ب (ابن فقيه فصة)
(1). ولد في بعلبك، ورحل إلى مصر، وتعلم في الأزهر، ومن أشهر مؤلفاته: «العين والأثر في عقائد أهل الأثر». توفي بدمشق سنة (1071 هـ)
(2).
2 - الشيخ شهاب الدين أحمد بن يحيى بن يوسف بن أبي بكر الكرمي، المقدسي، أبو العباس. ولد بطوركرم، ودرس فيها القرآن، ثم رحل إلى القاهرة، وكان حسن السيرة. توفي بالقاهرة سنة (1091 هـ)
(3).
3 - الشيخ محمد بن موسى الجُمَّازي الحسيني المالكي (ت 1065 هـ)
(4).
4 - الشيخ عيسى بن محمود الخلوتي (ت 1093 هـ)
(5).
--------------------------------------------
তাঁর ছাত্রগণ:শেখ মারঈ আজহার মসজিদে এবং ইতিপূর্বে যেমনটি উল্লিখিত হয়েছে কায়রোতে সুলতান হাসান মাদ্রাসা ও মসজিদে কুরআন পাঠদান ও শিক্ষাদানের জন্য নিবেদিত হন। তিনি তাঁর সময়কে শিক্ষাদান, ফতোয়া প্রদান এবং গ্রন্থ রচনায় নিয়োজিত করেছিলেন। আর যে আলেমের স্বভাব এমন হয়, তাঁর হাতে অবশ্যই এমন সব ছাত্র তৈরি হবে যারা তাঁর জ্ঞান প্রচার করবেন। এই ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন:
১ - শেখ আব্দুল বাকি ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে আব্দুল কাদির ইবনে ইব্রাহিম আল-বালি, আল-হাম্বলি, আল-আজহারি আদ-দিমাশকি, যিনি 'ইবনে ফকিহ ফাসসাহ' নামে পরিচিত
(১)। তিনি বালবাকে জন্মগ্রহণ করেন, মিশরে সফর করেন এবং আজহারে শিক্ষা লাভ করেন। তাঁর অন্যতম প্রসিদ্ধ গ্রন্থ হলো: 'আল-আইন ওয়াল আছার ফি আকাইদ আহলিল আছার'। তিনি ১০৭১ হিজরিতে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন
(২)।
২ - শেখ শিহাবুদ্দিন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইউসুফ ইবনে আবি বকর আল-কারমি, আল-মাকদিসি, আবুল আব্বাস। তিনি তুলকারমে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানে কুরআন অধ্যয়ন করেন, অতঃপর কায়রোতে পাড়ি জমান। তিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। ১০৯১ হিজরিতে কায়রোতে তাঁর মৃত্যু হয়
(৩)।
৩ - শেখ মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-জুম্মাজি আল-হুসাইনি আল-মালিকি (মৃত্যু ১০৬৫ হিজরি)
(৪)।
৪ - শেখ ঈসা ইবনে মাহমুদ আল-খালওয়াতি (মৃত্যু ১০৯৩ হিজরি)
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৩)
مصنفاته:برع الشيخ مرعي رحمه الله تعالى في مختلف العلوم الشرعية؛ كالفقه والتفسير، والحديث، والعقائد، وعلوم العربية، وعلوم السيرة والتاريخ، والسلوك، وغيرها.
وأسهم رحمه الله إسهاماً جلياً في التأليف؛ فسارت بتآليفه الركبان، وأشار مترجموه إلى تنوعها وكثرتها ما بين كتاب، ورسالة لطيفة، وهي ما بين مخطوط ومطبوع
(1)، ومنها:
1 - «الآيات المحكمات والمتشابهات».
2 - «إتحاف ذوي الألباب في قوله تعالى: {يَمْحُوا اللَّهُ مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ وَعِندَهُ أُمُّ الْكِتَابِ} [الرعد: 39]».
3 - «إحكام الأساس في قوله تعالى: {إِنَّ أَوَّلَ بَيْتٍ وُضِعَ لِلنَّاسِ} [آل عمران: 96]».
4 - «إخلاص الوداد في صدق الميعاد».
5 - «الأدلة الوفيّة بتصويب قول الفقهاء الصوفية».
6 - «إرشاد ذوي الأفهام لنزول عيسى عليه السلام».
7 - «إرشاد ذوي العرفان لما في العمر من الزيادة والنقصان».
8 - «إرشاد من كان قصده إعراب لا إله إلا الله وحده».
--------------------------------------------
তাঁর রচনাবলি:শেখ মারঈ (রহিমাহুল্লাহ তাআলা) বিভিন্ন শারয়ী ইলমে পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন; যেমন: ফিকহ, তাফসির, হাদিস, আকাইদ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, সিরাত ও ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা (সুলুক) এবং অন্যান্য বিষয়ে।
তিনি (রহিমাহুল্লাহ) গ্রন্থ রচনায় সুস্পষ্ট অবদান রেখেছেন; তাঁর রচনাবলি দেশ-বিদেশে খ্যাতি লাভ করেছে। তাঁর জীবনীকারগণ তাঁর কিতাব ও ছোট ছোট পুস্তিকার বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্যের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোর কোনোটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে আবার কোনোটি মুদ্রিত হয়েছে
(১), সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো:
১ - «আল-আয়াতুল মুহকামাত ওয়াল মুতাশাবিহাত» (সুস্পষ্ট ও অস্পষ্ট আয়াতসমূহ)।
২ - «ইতহাফু যাউয়িল আলবাব ফি কাউলিহি তাআলা: {ইয়ামহুল্লাহু মা ইয়াশাউ ওয়া ইউসবিতু ওয়া ইনদাহু উম্মুল কিতাব} [আর-রাদ: ৩৯]» (আল্লাহর বাণী: "আল্লাহ যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন এবং যা ইচ্ছা বহাল রাখেন, আর তাঁর কাছেই রয়েছে মূল কিতাব" প্রসঙ্গে বুদ্ধিমানদের জন্য উপহার)।
৩ - «ইহকামুল আসাস ফি কাউলিহি তাআলা: {ইন্না আওয়্যালা বাইতিন উদিআ লিননাস} [আলে ইমরান: ৯৬]» (আল্লাহর বাণী: "নিশ্চয়ই মানুষের জন্য সর্বপ্রথম যে ঘরটি নির্মিত হয়েছে" প্রসঙ্গে ভিত্তির সুদৃঢ়করণ)।
৪ - «ইখলাসুল উইদাদ ফি সিদকিল মিআদ» (প্রতিশ্রুতির সত্যতা রক্ষায় বন্ধুত্বের একনিষ্ঠতা)।
৫ - «আল-আদিল্লাতুল ওয়াফিয়্যাহ বি তাসউইবি কাউলিল ফুকাহাইস সুফিয়্যাহ» (সুফি ফকিহদের বক্তব্য সংশোধনের ব্যাপারে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি)।
৬ - «ইরশাদু যাউয়িল আফহাম লি নুযুলি ঈসা আলাইহিস সালাম» (ঈসা আলাইহিস সালামের অবতরণ বিষয়ে জ্ঞানীদের জন্য দিকনির্দেশনা)।
৭ - «ইরশাদু যাউয়িল ইরফান লিমা ফিল উমরি মিনায যিয়াদাতি ওয়ান নুকসান» (বয়স বৃদ্ধি ও হ্রাস পাওয়া বিষয়ে আরিফদের জন্য দিকনির্দেশনা)।
৮ - «ইরশাদু মান কানা কাসদুহু ইরাবা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু» (যাদের উদ্দেশ্য 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু' এর ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ করা, তাদের জন্য দিকনির্দেশনা)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৪)
9 - «أرواح الأشباح في الكلام على الأرواح».
10 - «أزهار الفلاة في آية قصر الصلاة».
11 - «الأسئلة في مسائل مشكلة».
12 - «أقاويل الثقات في تأويل الأسماء والصفات».
13 - «إتحاف العارفين على حكم أوقاف السلاطين».
14 - «بديع الإنشاء والصفات في المكاتبات والمراسلات».
15 - «البرهان في تفسير القرآن».
16 - «بشرى ذوي الإحسان لمن يقضي حوائج الإخوان».
17 - «بشرى من استبصر وأمر بالمعروف ونهى عن المنكر».
18 - «بلغة الحافظ وبلاغة اللافظ».
19 - «بهجة الناظرين في آيات المستدلين».
20 - «تحسين الطرف والوجوه في قوله صلى الله عليه وسلم: «اطلبوا الخير عند حسان الوجوه»».
21 - «تحقيق البرهان في إثبات حقيقة الميزان».
22 - «تحقيق البرهان في شأن الدخان الذي يشربه الناس الآن».
23 - «تحقيق الخلاف في أصحاب الأعراف».
24 - «تحقيق الرجحان بصوم يوم الشك من رمضان».
25 - «تحقيق الظنون بأخبار الطاعون».
26 - «تحقيق المقالة، هل الأفضل في حق النبي صلى الله عليه وسلم الولاية أو النبوة أو الرسالة».
27 - «تسكين الأشواق بأخبار العشاق».
9 - «রূহসমূহ সম্পর্কে আলোচনায় শরীরের আত্মাসমূহ»।
10 - «সালাত কসর করার আয়াত বিষয়ক মরু-কুসুম»।
11 - «জটিল মাসআলাসমূহ প্রসঙ্গে প্রশ্নাবলী»।
12 - «নাম ও গুণাবলীর ব্যাখ্যায় নির্ভরযোগ্যদের উক্তিমালা»।
13 - «সুলতানদের ওয়াকফকৃত সম্পত্তির বিধান সম্পর্কে জ্ঞানীদের জন্য উপহার»।
14 - «পত্র আদান-প্রদান ও চিঠিপত্রের চমৎকার রচনাশৈলী ও বৈশিষ্ট্য»।
15 - «কুরআনের তাফসীরে অকাট্য দলিল»।
16 - «ভাইদের প্রয়োজন পূরণকারী ইহসানকারীদের জন্য সুসংবাদ»।
17 - «সুসংবাদ তার জন্য যে সত্য উপলব্ধি করেছে এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করেছে»।
18 - «হাফেজের পাথেয় এবং বক্তার বাগ্মিতা»।
19 - «দলিল অন্বেষণকারীদের জন্য নিদর্শনে দর্শকদের আনন্দ»।
20 - «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: "তোমরা সুন্দর চেহারাধারীদের নিকট কল্যাণ অন্বেষণ করো" এর প্রেক্ষিতে দৃষ্টি ও চেহারার শ্রী বৃদ্ধি»।
21 - «মিযানের বাস্তবতা প্রমাণের অকাট্য বিশ্লেষণ»।
22 - «বর্তমানে প্রচলিত ধূমপান বা তামাকের বিষয়ে অকাট্য বিশ্লেষণ»।
23 - «আরাফবাসীদের বিষয়ে মতভেদের বিশ্লেষণ»।
24 - «রমজানের সংশয়ের দিনে রোজা রাখার অগ্রাধিকারের বিশ্লেষণ»।
25 - «প্লেগ মহামারী সম্পর্কিত সংবাদ ও ধারণাসমূহের বিশ্লেষণ»।
26 - «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ক্ষেত্রে বেলায়েত, নবুওয়াত না কি রেসালাত শ্রেষ্ঠ—এ বক্তব্যের বিশ্লেষণ»।
27 - «প্রেমিকদের সংবাদে অনুরাগের প্রশান্তি»।
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৫)
28 - «تشويق الأنام في حج بيت الله الحرام».
29 - «تلخيص أوصاف المصطفى صلى الله عليه وسلم وذكر من بعده من الخلفا».
30 - «تمييز الخلاف في مسألة مشكلة الأوقاف».
31 - «تنبيه الماهر على غير ما هو متبادر».
32 - «تنوير بصائر المقلدين في مناقب الأئمة المجتهدين».
33 - «توضيح البرهان في الفرق بين الإسلام والإيمان».
34 - «توقيف الفريقين على خلود أهل الدارين».
35 - «تهذيب الكلام في حكم أرض مصر والعراق والشام».
36 - «جامع الدعاء وورد الأولياء ومناجاة الأصفياء».
37 - «الحجج البينة في إبطال اليمين مع البينة».
38 - «الحكم الملكية والكلم الأزهرية»
(1).
39 - «دفع الشبهة والغرر عمن يحتج على فعل العاصي بالقدر».
40 - «دليل الحكام في الوصول إلى دار السلام».
41 - «دليل الطالب لنيل المطالب».
42 - «دليل الطالب لكلام النحويين».
43 - «رسالة في أصول الفقه وشرحها».
44 - «رسالة فيما وقع في كلام الصوفيين من ألفاظ موهمة للتكفير».
--------------------------------------------
২৮ - «আল্লাহর পবিত্র ঘর হজ্জের প্রতি জনমণ্ডলীর আগ্রহ উদ্দীপন»।
২৯ - «নির্বাচিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গুণাবলির সারসংক্ষেপ এবং তাঁর পরবর্তী খলিফাদের বর্ণনা»।
৩০ - «ওয়াকফ সংক্রান্ত জটিল মাসআলায় মতভেদের পার্থক্যকরণ»।
৩১ - «দক্ষ ব্যক্তিকে সেই বিষয়ে সচেতন করা যা সাধারণত তাৎক্ষণিক মনে আসে না»।
৩২ - «মুজতাহিদ ইমামগণের গুণাবলি বর্ণনায় অনুসারীদের অন্তর্দৃষ্টির আলোকায়ন»।
৩৩ - «ইসলাম ও ঈমানের পার্থক্যের বিষয়ে প্রমাণের স্পষ্টীকরণ»।
৩৪ - «উভয় জগতের অধিবাসীদের স্থায়িত্ব সম্পর্কে দুই পক্ষকে অবহিতকরণ»।
৩৫ - «মিসর, ইরাক ও শামের ভূমির বিধান সম্পর্কে আলোচনার পরিমার্জন»।
৩৬ - «দোয়া, আউলিয়াগণের ওযিফা এবং মনোনীত বান্দাদের মুনাজাতের সংকলন»।
৩৭ - «প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও শপথ করার অসারতা প্রমাণে সুস্পষ্ট দলিলসমূহ»।
৩৮ - «রাজকীয় প্রজ্ঞা এবং উজ্জ্বল বাণীসমূহ»
(১)।
৩৯ - «পাপীর কর্মের স্বপক্ষে তকদীরের দোহাই প্রদানকারীর সংশয় ও ধোঁকা নিরসন»।
৪০ - «দারুস সালামে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বিচারকদের গাইড»।
৪১ - «লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষার্থীর গাইড»।
৪২ - «ব্যাকরণবিদদের বক্তব্যের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর গাইড»।
৪৩ - «উসুলুল ফিকহ বা ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতি বিষয়ক একটি রিসালাহ ও তার ব্যাখ্যা»।
৪৪ - «সুফিদের বক্তব্যে ব্যবহৃত কুফরির বিভ্রম সৃষ্টিকারী শব্দাবলি বিষয়ক রিসালাহ»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৬)
45 - «رفع التلبيس عمن توقف فيما كفر به إبليس».
46 - «رواشق السهام».
47 - «روض العارفين وتسليك المريدين».
48 - «الروض النضر في الكلام على الخضر».
49 - «رياض الأزهار في حكم السماع والأوتار والغناء والأشعار».
50 - «السراج المنير في استعمال الذهب والحرير».
51 - «سلوان المصاب بفرقة الأحباب».
52 - «سلوك الطريقة في الجمع بين كلام الشريعة والحقيقة».
53 - «شفاء الصدور في زيارة المشاهد والقبور».
54 - «الشهادة الزكية في ثناء الأئمة على ابن تيمية».
55 - «غاية المنتهى في الجمع بين الإقناع والمنتهى».
56 - «غذاء الأرواح في المحادثة والمزاح».
57 - «الغزل المطلوب في المحب والمحبوب».
58 - «فتح المنان بتفسير آية الامتنان».
59 - «فرائد فوائد الفكر في الإمام المهدي المنتظر».
60 - «فم الوكاء في كلام السفيان من ألفاظ المهملات في التكفير».
61 - «الفوائد الموضوعة في الأحاديث الموضوعة».
62 - «قرة عين الودود في المقصور والممدود».
63 - «قلائد العقيان في فضائل سلاطين آل عثمان».
৪৫ - «ইবলিস যে কারণে কাফির হয়েছে, সে বিষয়ে যারা সংশয়ে রয়েছে তাদের বিভ্রান্তি নিরসন»।
৪৬ - «তীরের ক্ষিপ্রতা»।
৪৭ - «আরিফগণের উদ্যান ও মুরিদগণের পথনির্দেশ»।
৪৮ - «খিজির (আ.) সংক্রান্ত আলোচনায় সজীব কানন»।
৪৯ - «বাদ্যযন্ত্র, তারযন্ত্র, সংগীত ও কবিতার বিধান বর্ণনায় পুষ্পোদ্যান»।
৫০ - «স্বর্ণ ও রেশম ব্যবহারের বর্ণনায় উজ্জ্বল প্রদীপ»।
৫১ - «প্রিয়জনের বিচ্ছেদে শোকাতুরের সান্ত্বনা»।
৫২ - «শরিয়ত ও হাকিকতের বাণীর মধ্যে সমন্বয় সাধনে তরীকার অনুসরণ»।
৫৩ - «পুণ্যস্থান ও কবর জিয়ারত প্রসঙ্গে বক্ষসমূহের আরোগ্য»।
৫৪ - «ইবনে তাইমিয়ার প্রশংসায় ইমামগণের পবিত্র সাক্ষ্য»।
৫৫ - «'আল-ইকনা' ও 'আল-মুনতাহা' গ্রন্থের সমন্বয়ে চূড়ান্ত লক্ষ্য»।
৫৬ - «আলাপচারিতা ও কৌতুকের মাঝে আত্মার খোরাক»।
৫৭ - «প্রেমিক ও প্রেমাস্পদ বিষয়ক কাঙ্ক্ষিত গজল»।
৫৮ - «অনুগ্রহের আয়াতের তাফসির বর্ণনায় করুণাময় আল্লাহর দান»।
৫৯ - «প্রতীক্ষিত ইমাম মাহদি প্রসঙ্গে চিন্তাপ্রসূত অনন্য মুক্তাসমূহ»।
৬০ - «তাকফির তথা কাফির সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে অসংলগ্ন কথাবার্তা ও সুফিয়ানের উক্তি প্রসঙ্গে পাত্রের মুখবন্ধ»।
৬১ - «জাল হাদিসসমূহ বর্ণনায় সংকলিত ফায়দা»।
৬২ - «মাকসুর ও মামদুদ (ব্যাকরণগত শব্দ) বর্ণনায় প্রেমময়ের চোখের শীতলতা»।
৬৩ - «উসমানীয় বংশের সুলতানগণের মর্যাদায় স্বর্ণহার»।
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৭)
64 - «قلائد العقيان في قوله تعالى: {إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالْإِحْسَانِ} [النحل: 90]».
65 - «قلائد المرجان في الناسخ والمنسوخ من القرآن».
66 - «القول البديع في علم البديع».
67 - «القول المعروف في فضائل المعروف».
68 - «الكلمات البينات السنيات في قوله تعالى: {وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ} [البقرة: 25]».
69 - «المواكب الدرية في مناقب المجتهد ابن تيمية».
70 - «لطائف المعارف».
71 - «اللفظ الموطا في بيان الصلاة الوسطى».
72 - «ما يفعله الأطباء والداعون لدفع شر الطاعون».
73 - «محرك سواكن الغرام إلى حج بيت الله الحرام».
74 - «المختصر في علم الصرف».
75 - «مرآة الفكر في المهدي المنتظر».
76 - «المسائل الست الكرام».
77 - «المسائل اللطيفة في فسخ الحج إلى العمرة الشريفة».
78 - «مسبوك الذهب في فضل العرب، وشرف العلم على شرف النسب».
79 - «السيرة والبشارة في فضل السلطنة والوزارة».
80 - «مقدمة الخائض في علم الفرائض».
81 - «منية المحبين وبغية العاشقين».
82 - «النادرة الغريبة والواقعة العجيبة».
64 - «আল্লাহ তায়ালার বাণী: {নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার ও ইহসানের নির্দেশ দেন} [আন-নাহল: ৯০] প্রসঙ্গে স্বর্ণের হারসমূহ।»
65 - «কুরআনের নাসিখ ও মানসুখ (রহিতকারী ও রহিত বিধান) বিষয়ে প্রবাল হারসমূহ।»
66 - «অলঙ্কারশাস্ত্রে (ইলমে বাদি) অপূর্ব কথা।»
67 - «সৎকাজের ফযিলত বিষয়ে সুপরিচিত কথা।»
68 - «আল্লাহ তায়ালার বাণী: {আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের সুসংবাদ দাও} [আল-বাকারাহ: ২৫] প্রসঙ্গে সুস্পষ্ট ও উজ্জ্বল বাণীসমূহ।»
69 - «মুজতাহিদ ইবনে তাইমিয়্যাহর মর্যাদা বর্ণনায় উজ্জ্বল কাফেলাসমূহ।»
70 - «জ্ঞানের সূক্ষ্ম রহস্যসমূহ।»
71 - «মধ্যবর্তী নামায (সালাতুল উসতা) বর্ণনায় সুবিন্যস্ত শব্দাবলী।»
72 - «প্লেগের অনিষ্ট দূর করার জন্য চিকিৎসক ও দোয়াকারীদের করণীয়।»
73 - «আল্লাহর পবিত্র ঘর হজ্জের প্রতি সুপ্ত অনুরাগ জাগ্রতকারী।»
74 - «শব্দরূপান্তর বিদ্যায় (ইলমে সরফ) সংক্ষিপ্ত সার।»
75 - «প্রতীক্ষিত মাহদী সম্পর্কে চিন্তার আয়না।»
76 - «ছয়টি সম্মানিত মাসআলা।»
77 - «হজ্জ পরিবর্তন করে সম্মানীয় উমরায় রূপান্তর বিষয়ক সূক্ষ্ম মাসআলাসমূহ।»
78 - «আরবদের শ্রেষ্ঠত্ব এবং বংশীয় মর্যাদার উপরে ইলমের শ্রেষ্ঠত্ব বিষয়ে গলিত স্বর্ণ।»
79 - «শাসন ক্ষমতা ও মন্ত্রীত্বের ফযিলত বিষয়ে জীবনী ও সুসংবাদ।»
80 - «উত্তরাধিকার আইন (ইলমে ফারায়েয) চর্চাকারীর জন্য ভূমিকা।»
81 - «প্রেমিকদের আকাঙ্ক্ষা ও অনুরাগীদের অভীষ্ট।»
82 - «বিরল অদ্ভুত বিষয় ও আশ্চর্যজনক ঘটনা।»
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৮)
83 - «نزهة المتفكر».
84 - «نزهة الناظرين في تاريخ من ولي مصر من الخلفاء والسلاطين».
85 - «نزهة الناظرين في فضائل الغزاة والمجاهدين».
86 - «نزهة نفوس الأخبار ومطلع مشارق الأنوار».
87 - «نصيحة».
مكانته العلمية وثناء العلماء عليه: كان الشيخ مَرعي رحمه الله محل ثناء العلماء ومدحهم؛ لخصاله الطيبة، وصفاته الكريمة، ومنزلته العلمية الكبيرة، حيث كان من أهل الاجتهاد والتصحيح في المذهب، وقد جمع من العلوم أصنافاً ومن الفهوم أضعافاً، ولقد أثنى عليه كل من ترجم له أو ذكره، ومن ذلك:
1 - قال عنه العلامة المحبي رحمه الله: «
… . أحد أكابر علماء الحنابلة بمصر، كان إماماً، محدثاً، فقيهاً، ذا اطلاع واسع على نقول الفقه ودقائق الحديث، ومعرفة تامة بالعلوم المتداولة»
(1).
2 - وقال عنه الشَّطّي (ت 1295 هـ): «شيخ الإسلام وأحد العلماء الأعلام، فريد عصره ووحيد دهره وأوانه، صاحب التأليف العديدة والتحريرات المفيدة العلامة بالتحقيق والفهامة بالتدقيق، شرفت به البلاد المقدسة
… كان فرداً من أفراد العالم علماً وفضلاً واطلاعاً»
(2).
--------------------------------------------
৮৩ - «নুজহাতুল মুতাফাক্কির»।
৮৪ - «নুজহাতুন নাজিরিন ফি তারিখি মান ওয়ালিযা মিসরা মিনাল খুলাফা ওয়াস সালাতিন»।
৮৫ - «নুজহাতুন নাজিরিন ফি ফাদাইলিল গুজাত ওয়াল মুজাহিদিন»।
৮৬ - «নুজহাতু নুফুসিল আখবার ওয়া মাতলাউ মাশারিকিল আনওয়ার»।
৮৭ - «নাসিহাত»।
তাঁর ইলমি মর্যাদা এবং তাঁর প্রতি আলেমদের প্রশংসা: শাইখ মারয়ি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর উত্তম স্বভাব, মহৎ গুণাবলি এবং সুউচ্চ ইলমি মর্যাদার কারণে আলেমদের প্রশংসা ও স্তুতির পাত্র ছিলেন; যেহেতু তিনি মাজহাবের ইজতিহাদ ও তাসহিহ (সংশোধন) স্তরের আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন প্রকারের জ্ঞান এবং বহুগুণ প্রজ্ঞা ও বোধশক্তি অর্জন করেছিলেন। যারা তাঁর জীবনী লিখেছেন বা তাঁর সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, তাদের প্রত্যেকেই তাঁর প্রশংসা করেছেন। তার কিছু উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:
১ - আল্লামা আল-মুহিব্বি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: «
… মিসরের হাম্বলি আলেমদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষী। তিনি ছিলেন একজন ইমাম, মুহাদ্দিস ও ফকিহ। ফিকহি বর্ণনা ও হাদিসের সূক্ষ্ম বিষয়সমূহের ওপর তাঁর ব্যাপক পাণ্ডিত্য ছিল এবং প্রচলিত জ্ঞানসমূহের ওপর তাঁর পূর্ণ দখল ছিল»
(১)।
২ - আশ-শাত্তি (মৃত্যু ১২৯৫ হিজরি) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: «তিনি শাইখুল ইসলাম এবং বরেণ্য আলেমদের অন্যতম, আপন যুগের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি অসংখ্য গ্রন্থ ও উপকারী রচনার রচয়িতা, তাহকিক ও সূক্ষ্ম জ্ঞান বিশ্লেষণে অনন্য পণ্ডিত। তাঁর মাধ্যমে পবিত্র শহরগুলো সম্মানিত হয়েছে
… ইলম, ফযিলত ও পাণ্ডিত্যের দিক থেকে তিনি ছিলেন বিশ্বের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব»
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ১৯)
وفاته:بعد حياة علمية حافلة بالعطاء والإنجاز العلمي؛ توفي العلامة الشيخ مرعي بمصر، في شهر ربيع الأول سنة (1033 هـ)، على قول أكثر أهل العلم
(1).
وقال ابن حميد: «رأيت في ظهر «الغاية» بخط شيخ مشايخنا العمدة الضابط الشيخ محمد بن سلوم، نقلًا: أن وفاته ضحوة يوم الأربعاء، لخمس بقيت من ذي القعدة سنة (1032 هـ)، وكان له مشهد عظيم، وجلالة تليق به»
(2).
ودفن بتربة المجاورين بالقاهرة
(3).
--------------------------------------------
তাঁর মৃত্যু:দ্বীনি ইলমের প্রসার ও বৈজ্ঞানিক কৃতিত্বে সমৃদ্ধ এক কর্মময় জীবনের পর; আল্লামা শেখ মারঈ মিশরে রবিউল আউয়াল মাসে (১০৩৩ হিজরি) ইন্তেকাল করেন। অধিকাংশ আলেমগণের মত অনুযায়ী এটিই তাঁর মৃত্যুসন
(১)।
ইবনুল হুমাইদ বলেন: “আমি ‘আল-গায়াহ’ গ্রন্থের শেষ পৃষ্ঠায় আমাদের উস্তাদদের উস্তাদ, নির্ভরযোগ্য ও সূক্ষ্মদর্শী আলেম শেখ মুহাম্মদ বিন সালুমের হস্তাক্ষরে একটি উদ্ধৃতি দেখেছি যে: তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ১০৩২ হিজরির যিলকদ মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট থাকতে (অর্থাৎ ২৫শে যিলকদ), বুধবার চাশতের সময়। তাঁর জানাজায় মানুষের এক বিশাল উপস্থিতি ছিল এবং তাঁর উপযুক্ত মর্যাদা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছিল”
(২)।
তাঁকে কায়রোর তুরবাতুল মুজাবিরিন-এ দাফন করা হয়
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২০)
التعريف بمتن (دليل الطالب لنيل المطالب)
أهميته ومكانته في المذهب:يعتبر متن «دليل الطالب لنيل المطالب» من أشهر المتون المختصرة عن متأخري الحنابلة الذين بدأ عصرهم من سنة (885 هـ)
(1)، وهو من المتون المعتمدة عندهم
(2) وقد اعتنوا به عناية فائقة: دراسةً وشرحاً وتحشية ونظماً واختصاراً.
وهو يتميز بسهولة العبارة، وكثرة المعاني، وجلالة الاعتبار، مما دفع العلامة التغلبي إلى وصفه بقوله: «فيه غاية الوقع، وأعظم النفع من سائر المختصرات، لم يأت أحد بمثاله، ولا نسج على منواله»
(3).
وقال عنه العلامة عبد السلام بن عبد الرحمن الشطي الدمشقي (ت 1295 هـ):
يا من يروم بفقهه
… في الدين نيل مطالب
اقرأ لشرح المنتهى
… واحفظ دليل الطالب
وأصل كتاب «دليل الطالب» أن الشيخ مرعي رحمه الله اختصره
--------------------------------------------
‘দালীলুত ত্বালিব লি-নায়লিল মাতালিব’ মাতনের পরিচিতিমাযহাবে এর গুরুত্ব ও মর্যাদা:‘দালীলুত ত্বালিব লি-নায়লিল মাতালিব’ মাতনটি পরবর্তী যুগের হাম্বলী ফকীহদের নিকট অন্যতম প্রসিদ্ধ সংক্ষিপ্ত মাতন হিসেবে বিবেচিত, যাদের যুগ ৮৮৫ হিজরী থেকে শুরু হয়েছে
(১)। এটি তাদের নিকট অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাতন
(২) এবং তারা এর প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন; যেমন: এটি অধ্যয়ন করা, ব্যাখ্যা প্রদান (শরহ), টীকা লিখন (হাশিয়া), ছন্দবদ্ধকরণ (নাজম) এবং সংক্ষেপণ।
এটি সহজবোধ্য ভাষা, গভীর অর্থ এবং উচ্চমর্যাদার দ্বারা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এটি আল্লামা আত-তাগলাবীকে একে এভাবে বর্ণনা করতে অনুপ্রাণিত করেছে: “অন্যান্য সমস্ত সংক্ষিপ্ত কিতাব অপেক্ষা এটি অত্যন্ত প্রভাববিস্তারকারী এবং অধিক উপকারী। এর অনুরূপ আর কেউ কিছু নিয়ে আসতে পারেনি এবং কেউ এর শৈলীতে এটি রচনা করতে পারেনি”
(৩)।
আল্লামা আবদুস সালাম বিন আবদুর রহমান আশ-শাত্তি আদ-দামেশকি (মৃত্যু ১২৯৫ হিজরী) এটি সম্পর্কে বলেছেন:
হে ব্যক্তি যে নিজের ফিকহ দ্বারা
… দ্বীনের মাকাম লাভ করতে চাও
তুমি ‘শারহুল মুনতাহা’ পড়ো
… আর ‘দালীলুত ত্বালিব’ মুখস্থ করো
‘দালীলুত ত্বালিব’ কিতাবটির মূল হলো শায়খ মারঈ (রহিমাহুল্লাহ) এটিকে সংক্ষেপ করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২১)
من كتاب «منتهى الإرادات في جمع المقنع مع التنقيح وزيادات» لابن النجار الفتوحي (ت 972 هـ) مع زيادة إيضاح وبيان.
قال ابن عوض في مطلع حاشيته عند قول صاحب الدليل: «الفائز بمنتهى الإرادات» قال: «والمراد هنا: أن هذا الكتاب ظفر باختصاره من «منتهى الإرادات» من قبيل التورية، وهي إطلاق لفظ له معنيان: قريب وبعيد، فأطلق منتهى الإرادات وأراد معناه البعيد»
(1).
وتأتي المكانة العلمية سابقة الذكر لكتاب الدليل؛ لعدة أسباب، منها:
1 - المكانة العلمية الرفيعة لمؤلفه عند الحنابلة خصوصاً؛ فهو من المجتهدين في المذهب.
2 - اعتماد مؤلفه على الصحيح من المذهب، حيث صرح رحمه الله في بداية كتابه: «لم أذكر فيه إلا ما جزم بصحته أهل التصحيح والعرفان، وعليه الفتوى فيما بين أهل الترجيح والإتقان».
3 - رتبه مؤلفه، وحصر الشروط، والأركان، والفروض، والواجبات، والمسنونات، والمحرمات، والمكروهات، والمبطلات.
4 - اقتصر مؤلفه على مهمات المسائل في المذهب، فحذف مسائل من الأصل «المنتهى»؛ لندرتها، أو لوجود ما هو أهم منها.
5 - اقتصر مؤلفه على إيراد قول واحد؛ لأن الكتاب مُؤَلَّف للمبتدئين، الذين لم يتمرسوا على اختلاف العلماء. وقد يذكر الخلاف، أو يشير إلى القول الآخر، وهو نادر.
--------------------------------------------
ইবনে আন-নাজ্জার আল-ফুতুহি (মৃ. ৯৭২ হি.) প্রণীত ‘মুনতাহাল ইরাদাত ফি জাময়িল মুকনি’ মাআত তানকিহি ওয়া যিয়াদাত’ গ্রন্থ থেকে, অতিরিক্ত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণসহ।
ইবনে আওয়াদ তার টীকাগ্রন্থের শুরুতে ‘দালিল’ গ্রন্থকারের এই উক্তির প্রেক্ষিতে: ‘মুনতাহাল ইরাদাতের মাধ্যমে সফলকাম’, বলেন: ‘এখানে উদ্দেশ্য হলো: এই বইটি ‘মুনতাহাল ইরাদাত’ থেকে সংক্ষেপিত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছে। এটি এক প্রকার তাওরিয়া (শ্লেষালঙ্কার), যা হলো এমন একটি শব্দের প্রয়োগ যার দুটি অর্থ রয়েছে: একটি নিকটবর্তী এবং অন্যটি দূরবর্তী। এখানে তিনি ‘মুনতাহাল ইরাদাত’ শব্দদ্বয় প্রয়োগ করেছেন এবং এর দূরবর্তী অর্থটি উদ্দেশ্য নিয়েছেন।’
(১)।
‘দালিল’ গ্রন্থের পূর্বোল্লিখিত ইলমি মর্যাদা অর্জনের পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
১ - বিশেষ করে হাম্বলিদের নিকট এর লেখকের উচ্চ ইলমি মর্যাদা; তিনি মাযহাবের মুজতাহিদগণের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
২ - মাযহাবের সহিহ বা বিশুদ্ধ মতের ওপর লেখকের নির্ভরতা, কেননা তিনি (রহিমাহুল্লাহ) তার গ্রন্থের শুরুতে স্পষ্ট করেছেন: ‘আমি এতে কেবল তা-ই উল্লেখ করেছি যাকে যাচাই-বাছাই ও অভিজ্ঞতসম্পন্ন উলামায়ে কেরাম বিশুদ্ধ বলে সুনিশ্চিত করেছেন এবং যা অগ্রাধিকার দানকারী ও বিশেষজ্ঞগণের নিকট ফতোয়া প্রদানের ভিত্তি হিসেবে পরিগণিত।’
৩ - লেখকের সুশৃঙ্খল বিন্যাস এবং শর্তাবলি, আরকান, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, হারাম, মাকরূহ এবং আমল বিনষ্টকারী বিষয়সমূহের সুনির্দিষ্ট বিবরণ।
৪ - লেখক মাযহাবের গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেছেন; ফলে তিনি মূল গ্রন্থ ‘আল-মুনতাহা’ থেকে কিছু মাসআলা বাদ দিয়েছেন বিরল হওয়ার কারণে অথবা তার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা বিদ্যমান থাকার কারণে।
৫ - লেখক কেবলমাত্র একটি অভিমত উল্লেখ করার ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন; কারণ গ্রন্থটি নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য সংকলিত হয়েছে, যারা আলেমদের মতভেদের বিষয়ে অভ্যস্ত নয়। তবে কখনও কখনও তিনি মতভেদ উল্লেখ করেন বা অন্য মতের দিকে ইঙ্গিত করেন, যা অত্যন্ত বিরল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২২)
6 - حرص مؤلفه على تبيين الأحكام ووضوح العبارة.
7 - لم يعتمد مؤلفه ذكر الدليل، والتزم هذا المنهج في جميع مسائل الكتاب؛ لأنه متن مختصر، وإيراد الأدلة إنما يكون في الشروح والمطولات.
مقارنة بينه وبين متون الحنابلة الأخرى:وقد فاضل بعض العلماء بينه وبين بعض المتون الفقهية الحنبلية الأخرى، ومن هذه المفاضلات:
المفاضلة بينه وبين «زاد المستقنع»:قال شيخنا العلامة عبد الله بن عبد العزيز بن عقيل رحمه الله تعالى: «
… فهذا كتاب «دليل الطالب» الذي ألفه الشيخ مرعي بن يوسف الكرمي رحمه الله، يُعتبر من أحسن كتب المذهب، وهو و «مختصر المقنع» كفرسي رهان في تحقيق المذهب وتلخيصه وتخليصه، وإن كان كل منهما لا يخلو من بعض المآخذ، فالكمال يتعذر»
(1).
* المعروف عند المتأخرين من علماء المذهب أنه إذا اختلف «الدليل» و «الزاد» فالمذهب ما في «الدليل» لأن الحجاوي رحمه الله يخرج عن مصطلحات الحنابلة إلى ما هو أثرى دليلاً.
كما أن مسائل «زاد المستقنع» أكثر من مسائل «الدليل».
وأيضاً فإن «الدليل» يمتاز عن «الزاد» بوضوح العبارة، وبجمع المسائل في ترتيب؛ كالشروط، والأركان، والواجبات.
--------------------------------------------
6 - এর লেখক বিধানসমূহ স্পষ্টীকরণ এবং বাক্যের স্বচ্ছতার ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
7 - এর লেখক দলিল (প্রমাণ) উল্লেখ করার ওপর নির্ভর করেননি এবং কিতাবের সকল মাসআলার ক্ষেত্রে তিনি এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন; কারণ এটি একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ (মাতন), আর দলিলসমূহ সাধারণত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ও বিস্তারিত গ্রন্থাবলিতে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
এর এবং হাম্বলী মাযহাবের অন্যান্য পাঠ্যগ্রন্থসমূহের (মাতন) মাঝে তুলনা:কোনো কোনো আলিম একে হাম্বলী ফিকহের অন্য কিছু পাঠ্যগ্রন্থের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন, আর এ জাতীয় কিছু তুলনামূলক শ্রেষ্ঠত্বের বর্ণনা নিম্নরূপ:
'দালীলুল তালিব' এবং 'যাদুল মুস্তাকনি'-এর মধ্যে তুলনামূলক শ্রেষ্ঠত্ব:আমাদের শাইখ আল্লামা আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল আযীয ইবনে আকীল (রহিমাহুল্লাহ তায়ালা) বলেছেন: «
… এই 'দালীলুল তালিব' গ্রন্থটি, যা শাইখ মারঈ ইবনে ইউসুফ আল-কারমী (রহিমাহুল্লাহ) রচনা করেছেন, মাযহাবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কিতাব হিসেবে গণ্য হয়। এটি এবং 'মুখতাসারুল মুকনি' মাযহাবের বিশ্লেষণ, সারসংক্ষেপ ও পরিমার্জনের ক্ষেত্রে একে অপরের প্রতিযোগী তুল্য (অর্থাৎ উভয়ই সমমানের), যদিও এদের প্রতিটিই কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি মুক্ত নয়, কারণ পূর্ণতা পাওয়া অসম্ভব»
(1)।
* মাযহাবের পরবর্তী যুগের (মুতাআখখিরিন) আলিমদের নিকট এটি প্রসিদ্ধ যে, যখন 'দালীল' এবং 'যাদ' এর মাঝে মতভেদ দেখা দেয়, তখন 'দালীল'-এ যা আছে তাই মাযহাব হিসেবে গণ্য হবে; কেননা হিজ্জাওয়ী (রহিমাহুল্লাহ) হাম্বলীদের পরিভাষাসমূহ থেকে বেরিয়ে সেই মতটি গ্রহণ করেন যার দলিল অধিক শক্তিশালী।
তেমনিভাবে 'যাদুল মুস্তাকনি'-এর মাসআলাসমূহ 'দালীল'-এর মাসআলার চেয়ে সংখ্যায় অধিক।
এছাড়াও 'দালীল' গ্রন্থটি বাক্যের স্বচ্ছতা এবং মাসআলাসমূহকে সুশৃঙ্খল বিন্যাসের মাধ্যমে (যেমন: শর্তাবলি, রুকনসমূহ ও ওয়াজিবসমূহ) 'যাদ' থেকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قال الشيخ العلامة مرعي الكرمي رحمه الله: «بالغت في إيضاحه رجاء الغفران
… .. » كأنه يشير إلى تعقيد الحجاوي عبارات «الزاد» للاختصار؛ وهو ملحظ حسن؛ لما فيه من جمع المسائل الكثيرة في أوجز عبارة.
* كان مشايخنا الأولون يأمرون طالب العلم بأن يشتغل في «دليل الطالب» لأنه أيسر عبارة، ولهذا قالوا في ذلك:
يا من يريد بفقهه في الدين نيل مطالب
… اقرأ لشرح المنتهى واحفظ دليل الطالب
* ونظم شيخنا العلامة ابن عقيل رَحِمَهُ اللّاهُ في المفاضلة بين «الزاد» و «الدليل»:
وقدموا الزاد على الدليل
… لنكت تبدو على التفضيل
أهمها جمعه للمسائل
… مع اختصار اللفظ والدلائل
لكنه عن اجتهاد وعده
… بالغ في الإيجاز حتى عقده
وبعضهم يفضل الدليلا
… لأنه يستصحب التفصيلا
يفصل الشروط والأركانا
… موضحاً وواضعاً عنوانا
وسهل التعبير والتدليلا
… بذاك حاز السبق والتفضيلا
لكن أتى من يجمع المتنين
… في واحد مرتب متين
(1)حرصاً على عبارة الدليل
… زوائد الزاد على الترتيل
وزاد في الشرح من الروض ومن
… حاشية القاسم وهو مؤتمن
وصحح الأخبار والآثارا
… مختصراً ولم يكن مهذارا
--------------------------------------------
আল্লামা শায়খ মারঈ আল-কারমি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: «আমি ক্ষমা লাভের আশায় এর ব্যাখ্যা স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি
… .. » মনে হচ্ছে তিনি এর মাধ্যমে আল-হাজ্জাউয়ি কর্তৃক সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে «যাদ»-এর বাক্যগুলোকে জটিল করে তোলার প্রতি ইঙ্গিত করছেন; আর এটি একটি উত্তম পর্যবেক্ষণ; কারণ এতে অতি সংক্ষিপ্ত বাক্যে প্রচুর মাসআলা একত্রিত করা হয়েছে।
* আমাদের পূর্ববর্তী শায়খগণ ইলম অন্বেষণকারীকে «দালিলুত তালিব» নিয়ে ব্যস্ত থাকার নির্দেশ দিতেন, কারণ এর ভাষা অত্যন্ত সহজ; একারণেই তাঁরা এ বিষয়ে বলতেন:
হে ওই ব্যক্তি, যে তার দ্বীনি ফিকহ অর্জনের মাধ্যমে উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাও
… তুমি «শরহুল মুনতাহা» পাঠ করো এবং «দালিলুত তালিব» মুখস্থ করো।
* আমাদের শায়খ আল্লামা ইবনে আকীল (রহিমাহুল্লাহ) «যাদ» এবং «দালিল»-এর পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে কবিতা রচনা করেছেন:
তাঁরা শ্রেষ্ঠত্বের কতিপয় সূক্ষ্ম কারণে
… «যাদ»-কে «দালিল»-এর ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সেগুলোর মধ্যে প্রধান হলো শব্দ এবং দলিলের সংক্ষিপ্ততা সহকারে
… এতে মাসআলাসমূহের একত্রীকরণ।
কিন্তু তাঁর কঠোর সাধনার ফলে
… সংক্ষেপ করার ক্ষেত্রে তিনি এমন চরম সীমায় পৌঁছেছেন যে তা জটিল হয়ে পড়েছে।
আবার তাঁদের কেউ কেউ «দালিল»-কে শ্রেষ্ঠ মনে করেন
… কারণ এতে বিস্তারিত বর্ণনা বিদ্যমান।
এটি বিষয়বস্তু স্পষ্ট করে এবং শিরোনাম প্রদানের মাধ্যমে
… শর্তাবলি এবং রুকনসমূহকে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করে।
এর সহজ বর্ণনাভঙ্গি এবং দলিল উপস্থাপন
… একে অগ্রগামিতা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছে।
তবে এমন একজন এসেছেন যিনি এই দুটি মতনকে (মূলপাঠ)
… সুশৃঙ্খল ও সুদৃঢ় এক কিতাবে একত্রিত করেছেন।
(১)«দালিল»-এর বাক্যগুলোর প্রতি যত্নবান হয়ে
… «যাদ»-এর অতিরিক্ত বিষয়গুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজিয়ে।
তিনি এর ব্যাখ্যায় «রওদ» এবং
… ইবনুল কাসিমের «হাশিয়া» থেকে সংযোজন করেছেন, আর তিনি একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি।
তিনি সংক্ষেপে এবং কোনো প্রকার বাহুল্য বর্জন করে
… হাদিস ও আছারসমূহকে বিশুদ্ধরূপে উল্লেখ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৪)
عناية الفقهاء به والأعمال العلمية عليهاعتنى المتأخرون من الحنابلة بكتاب دليل الطالب، وتعددت الأعمال العلمية عليه؛ فكتبوا عليه الشروح والحواشي، ونظموه، واختصروه؛ ليسهل حفظه.
•
من شروحه:1 - «مسلك الراغب لشرح دليل الطالب» ولعله أول شرح على الدليل، وهو للعلامة الشيخ إبراهيم بن أبي بكر العوفي الصالحي الحنبلي (ت 1094 هـ)
(1).
2 - «نيل المآرب شرح دليل الطالب لنيل المطالب» لمؤلفه: عبد القادر بن عمر التغلبي (ت 1135 هـ).
3 - «شرح دليل الطالب» لمؤلفه: محمد بن أحمد السفاريني (ت 1189 هـ)، وصل فيه مؤلفه إلى الحدود.
4 - «شرح دليل الطالب» للعلامة الشيخ إسماعيل بن عبد الكريم الجراعي (ت 1202 هـ).
5 - «منار السبيل شرح الدليل» لمؤلفه: إبراهيم بن محمد (ابن ضويان) (ت 1353 هـ).
•
حواشيه:1 - «حاشية ابن عوض» المعروفة ب «فتح وهاب المآرب على دليل الطالب» للعلامة أحمد بن عوض المرداوي، وهي تعليقات
--------------------------------------------
ফকিহগণের এর প্রতি যত্ন এবং এর ওপর সম্পন্ন ইলমি কাজসমূহপরবর্তী যুগের হাম্বলি ফকিহগণ 'দালিলুত তালিব' কিতাবটির প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন এবং এর ওপর বহুমুখী ইলমি কাজ সাধিত হয়েছে। তাঁরা এর ওপর ব্যাখ্যাগ্রন্থ (শরহ) ও টীকা (হাশিয়া) রচনা করেছেন, একে ছন্দোবদ্ধ করেছেন এবং মুখস্থ করা সহজ করার লক্ষ্যে একে সংক্ষেপ করেছেন।
•
এর ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:১ - «মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব»; সম্ভবত এটিই 'দালিল'-এর ওপর রচিত প্রথম ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এর লেখক হলেন আল্লামা শাইখ ইবরাহিম বিন আবি বকর আল-আওফি আস-সালিহি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ১০৯৪ হি.)
(১)।
২ - «নাইলুল মায়ারিব শারহু দালিলিত তালিব লি-নাইলিল মাতালিব»; এর লেখক: আব্দুল কাদির বিন উমর আত-তাগলুবি (মৃত্যু ১১৩৫ হি.)।
৩ - «শারহু দালিলিত তালিব»; এর লেখক: মুহাম্মদ বিন আহমাদ আস-সাফারিনি (মৃত্যু ১১৮৯ হি.)। লেখক এতে দণ্ডবিধি (হুদুদ) অধ্যায় পর্যন্ত আলোচনা করেছেন।
৪ - «শারহু দালিলিত তালিব»; আল্লামা শাইখ ইসমাইল বিন আব্দুল কারিম আল-জারাঈ (মৃত্যু ১২০২ হি.) এর রচিত।
৫ - «মানারুস সাবিল শারহুদ দালিল»; এর লেখক: ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ (ইবন দুওয়ায়ান) (মৃত্যু ১৩৫৩ হি.)।
•
এর টীকাগ্রন্থসমূহ:১ - «হাশিয়া ইবন আওয়াদ», যা «ফাতহু ওয়াহহাবিল মায়ারিব আলা দালিলিত তালিব» নামে পরিচিত। এর লেখক আল্লামা আহমাদ বিন আওয়াদ আল-মারদাউয়ি; এটি মূলত কিছু টিপ্পনী (তালিকাত)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৫)
بخطه على هامش نسخته، وقام بجمعها والعناية بها ابنه الشيخ أحمد بن أحمد بن عوض المرداوي الحنبلي.
وقد اعتنى به فضيلة الشيخ فيصل يوسف العلي سنة (1434 هـ).
2 - «حاشية الدوماني على دليل الطالب» للعلامة مصطفى بن عبد الرحيم الدوماني الحنبلي (ت 1200 هـ)
(1).
3 - «حاشية اللبدي على نيل المآرب» للشيخ عبد الغني بن ياسين اللبدي (ت 1319 هـ).
4 - «حاشية على دليل الطالب» للشيخ العلامة صالح بن عثمان القاضي (ت 1351 هـ).
5 - «حاشية على دليل الطالب» للشيخ العلامة عثمان بن صالح بن عثمان القاضي (ت 1366 هـ).
6 - «حاشية على دليل الطالب» للشيخ عبد العزيز بن عبد الرحمن بن بشر (1359 هـ).
7 - «حاشية دليل الطالب» للشيخ العلامة محمد بن عبد العزيز بن مانع (ت 1385 هـ).
8 - «نيل المطالب بحاشية ابن الجراح على دليل الطالب» للشيخ العلامة محمد سليمان الجراح (ت 1417 هـ). جمعها واعتنى بها فضيلة شيخنا الدكتور وليد بن عبد الله المنيس حفظه الله
(2).
--------------------------------------------
তার পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় নিজ হাতের লেখায়, এবং এটি সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেছেন তার পুত্র শেখ আহমদ বিন আহমদ বিন আওয়াদ আল-মারদাভী আল-হাম্বলী।
আর এটি সম্পাদনা করেছেন ফযীলাতুশ শায়খ ফয়সাল ইউসুফ আল-আলী ১৪৩৪ হিজরি সনে।
২ - আল্লামা মুস্তফা বিন আব্দুর রহীম আদ-দুমানী আল-হাম্বলী (মৃত ১২০০ হি.) রচিত «দলীলুত তালিব-এর উপর হাশিয়াতুদ দুমানী»
(১)।
৩ - শেখ আব্দুল গণী বিন ইয়াসীন আল-লাবাদী (মৃত ১৩১৯ হি.) রচিত «নাইলুল মাআরিবে-এর উপর হাশিয়াতুল লাবাদী»।
৪ - শেখ আল্লামা সালিহ বিন উসমান আল-কাদী (মৃত ১৩৫১ হি.) রচিত «দলীলুত তালিব-এর উপর হাশিয়া»।
৫ - শেখ আল্লামা উসমান বিন সালিহ বিন উসমান আল-কাদী (মৃত ১৩৬৬ হি.) রচিত «দলীলুত তালিব-এর উপর হাশিয়া»।
৬ - শেখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুর রহমান বিন বিশর (১৩৫৯ হি.) রচিত «দলীলুত তালিব-এর উপর হাশিয়া»।
৭ - শেখ আল্লামা মুহাম্মাদ বিন আব্দুল আযীয বিন মানে' (মৃত ১৩৮৫ হি.) রচিত «হাশিয়া দলীলুত তালিব»।
৮ - শেখ আল্লামা মুহাম্মাদ সুলাইমান আল-জাররাহ (মৃত ১৪১৭ হি.) রচিত «নাইলুল মাতালিব বি হাশিয়াতি ইবনিল জাররাহ আলা দলীলিত তালিব»। এটি সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেছেন আমাদের ফযীলাতুশ শায়খ ডক্টর ওয়ালীয়দ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুনাইস (হাফিযাহুল্লাহ)
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৬)
9 - إدراك المطالب بحاشية ابن عقيل على «دليل الطالب» للشيخ العلامة عبد الله بن عبد العزيز العقيل رحمه الله تعالى. اعتنى بها أيضاً فضيلة شيخنا الدكتور وليد بن عبد الله المنيس حفظه الله
(1).
*
منظوماته:1 - «نظم الدليل» للشيخ محمد بن عريكان النجدي (ت بعد 1271 هـ)، وهو نظم وقع في ثلاثة آلاف بيت.
2 - «نظم دليل الطالب» للشيخ الأديب الشاعر أحمد بن أحمد بن عبد القادر المشهور ب (الصديق) (ت 1343 هـ)، وهو أيضاً نظم يقع في ثلاثة آلاف بيت.
3 - «منظومة تيسير المطالب نظم دليل الطالب» للشيخ عبد القادر القصاب (ت 1360 هـ) وهو نظم يقع في ألف وأربعمائة وست وسبعين بيتاً.
4 - «نظم البيوع من الدليل» في مائة وستين بيتاً، وسماه صاحبه: «الحائلية» لسليمان بن عطية المزيني (ت 1363 هـ).
5 - «نظم دليل الطالب» للعلامة عبد الرحمن بن ناصر السعدي (ت 1376 هـ) في أربعمائة بيت.
6 - «نظم دليل الطالب في الفقه الحنبلي» للشيخ سليمان بن عبد الرحمن بن حمدان (ت 1397 هـ).
7 - «منظومة الذهب المنجلي في الفقه الحنبلي لدليل الطالب» للعلامة الشيخ موسى بن محمد شحادة الرحيبي الدمشقي.
--------------------------------------------
৯ - শায়খ আল্লামা আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-আকিল (রহিমাহুল্লাহু তাআলা)-এর 'দালিলুত তালিব'-এর ওপর ইবনে আকিলের টীকা সম্বলিত 'ইদরিকুল মাতালিব'। এটি সম্পাদনা করেছেন আমাদের শ্রদ্ধেয় শায়খ ডক্টর ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুনাইস (হাফিযাহুল্লাহ)
(১).
*
এর কাব্যরূপসমূহ:১ - শায়খ মুহাম্মদ বিন আরিকান আন-নাজদি (মৃত্যু ১২৭১ হিজরির পর)-এর 'নাযমুত দালিল', এটি তিন হাজার পঙক্তির একটি কাব্য।
২ - প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি শায়খ আহমদ বিন আহমদ বিন আব্দুল কাদির, যিনি (আস-সিদ্দিক) নামে পরিচিত (মৃত্যু ১৩৪৩ হিজরি), তাঁর 'নাযমু দালিলিত তালিব'। এটিও তিন হাজার পঙক্তির একটি কাব্য।
৩ - শায়খ আব্দুল কাদির আল-কাসসাব (মৃত্যু ১৩৬০ হিজরি)-এর কাব্য 'মানজুমাতু তাইসিরিল মাতালিব নাযমু দালিলিত তালিব'। এটি এক হাজার চারশত ছিয়াত্তর পঙক্তির একটি কাব্য।
৪ - সুলায়মান বিন আতিয়্যাহ আল-মুযাইনি (মৃত্যু ১৩৬৩ হিজরি)-এর একশত ষাট পঙক্তির কাব্য 'নাযমুল বুয়ু মিনাদ দালিল', লেখক এর নাম দিয়েছেন: 'আল-হাইলিয়্যাহ'।
৫ - আল্লামা আব্দুর রহমান বিন নাসির আস-সাদি (মৃত্যু ১৩৭৬ হিজরি)-এর চারশত পঙক্তির কাব্য 'নাযমু দালিলিত তালিব'।
৬ - শায়খ সুলায়মান বিন আব্দুর রহমান বিন হামদান (মৃত্যু ১৩৯৭ হিজরি)-এর 'নাযমু দালিলিত তালিব ফিল ফিকহিল হাম্বালি'।
৭ - আল্লামা শায়খ মুসা বিন মুহাম্মদ শুহাদাহ আর-রুহাইবি আদ-দিমাশকি-এর কাব্য 'মানজুমাতুয যাহাবিল মুনজালি ফিল ফিকহিল হাম্বালি লি-দালিলিত তালিব'।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৭)
*
اختصاره:1 - «مختصر الغالب من متن دليل الطالب»، وهو أشهر المختصرات على الدليل، اختصرته السيدة الحنبلية الفاضلة فاطمة بنت حمد الفضيلية (ت 1247 هـ)، ووصلت في اختصاره إلى (جمع الصلاة) ثم توفيت ولم تكمل عملها به.
2 - «الكوكب الغارب مختصر دليل الطالب لنيل المطالب»
(1).
*
المسائل على الدليل:إنه وبسبب المكانة العلمية التي حظي بها (الدليل) من بين الكتب الفقهية الحنبلية؛ قام بعض العلماء بإخراج مسائل الدليل بطريقة السؤال والجواب؛ تسهيلاً على طلاب العلم المبتدئين.
ومن ذلك:
1 - «كتاب الأجوبة الجلية في الأحكام الحنبلية» للعلامة الشيخ موسى بن عيسى بن عبد الله بن صوفان القدومي النابلسي الحنبلي (ت 1336 هـ)، حيث اعتمد فيه الشيخ رحمه الله تعالى على كتاب الدليل بشكل مباشر من حيث ترتيبه وسبك عبارته، واقتصر فيه على العبادات فقط
(2).
2 - «المسائل الفقهية الحنبلية»
(3) للعلامة الشيخ عبد الله الخلف الدحيان الكويتي الحنبلي (ت 1349 هـ)، حيث قام الشيخ
--------------------------------------------
*
এর সংক্ষেপায়ন:১ - «মুখতাসারুল গালিব মিন মাতনি দালিলিত তালিব», এটি ‘দালিল’ গ্রন্থের ওপর করা সংক্ষেপায়নগুলোর মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। এটি সংক্ষেপ করেছেন মহীয়সী হাম্বলি বিদুষী ফাতিমা বিনতে হামাদ আল-ফুদায়লিয়্যাহ (মৃত্যু ১২৪৭ হিজরি)। তিনি এর সংক্ষেপায়নে ‘সালাত একত্র করা’ (জামউস সালাত) পরিচ্ছেদ পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন, অতঃপর তিনি ইন্তেকাল করেন এবং এর কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি।
২ - «আল-কাওকাবুল গারিব মুখতাসার দালিলুত তালিব লি-নাইলিল মাতালিব»
(১)।
*
দালিল-এর ওপর মাসআলাসমূহ:হাম্বলি ফিকহ শাস্ত্রের গ্রন্থসমূহের মধ্যে ‘দালিল’ যে উচ্চতর বৈজ্ঞানিক মর্যাদা লাভ করেছে, সেই কারণে কিছু আলেম শিক্ষার্থী ও নবীনদের শিখনের সুবিধার্থে ‘দালিল’-এর মাসআলাগুলো প্রশ্ন ও উত্তর পদ্ধতিতে উপস্থাপন করেছেন।
তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
১ - আল্লামা শেখ মুসা বিন ঈসা বিন আব্দুল্লাহ বিন সুফান আল-কুদ্দুমি আন-নাবুলসি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ১৩৩৬ হিজরি) রচিত «কিতাবুল আজওয়িবাতুল জালিয়্যাহ ফিল আহকামিল হাম্বলিয়্যাহ»। এতে শেখ (রহিমাহুল্লাহ তাআলা) গ্রন্থের বিন্যাস এবং ভাষাশৈলীর ক্ষেত্রে সরাসরি ‘দালিল’ গ্রন্থের ওপর নির্ভর করেছেন এবং তিনি এটি কেবল ইবাদত সংক্রান্ত আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন
(২)।
২ - আল্লামা শেখ আব্দুল্লাহ আল-খালাফ আদ-দাহইয়ান আল-কুয়েতি আল-হাম্বli (মৃত্যু ১৩৪৯ হিজরি) রচিত «আল-মাসায়িলুল ফিকহিয়্যাহ আল-হাম্বলিয়্যাহ»
(৩), যেখানে শেখ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৮)
بترتيب مسائل الدليل بطريقة السؤال والجواب معتمداً فيه اعتماداً كلياً على كتاب (دليل الطالب لنيل المطالب)، وجاء هذا الكتاب إجابة لطلب العلامة محمد الأمين الشنقيطي (ت / 1393 هـ) عند افتتاح مدرسة النجاة في بلدة الزبير.
وقد جعل الله في هذا المختصر البركة؛ حيث استفاد منه كثير من الناس وطلاب العلم، وقد طبع عدة طبعات نفد أكثرها.
3 - «الإفصاح عن أجوبة ابن الجراح» وهي أسئلة على الدليل أجاب عنها الشيخ العلامة محمد بن سليمان الجراح رحمه الله تعالى
(1).
--------------------------------------------
‘দালীল’ গ্রন্থের মাসআলাসমূহকে প্রশ্ন ও উত্তর পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করা হয়েছে এবং এতে পূর্ণাঙ্গভাবে ‘দালীলুত তালিব লি নাইলিল মাতালিব’ কিতাবের ওপর নির্ভর করা হয়েছে। আর জুবায়ের শহরে ‘মাদরাসাতুন নাজাত’ উদ্বোধনের সময় আল্লামা মুহাম্মাদ আল-আমিন আশ-শানকিতী (মৃত্যু: ১৩৯৩ হিজরি)-এর অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই কিতাবটি রচিত হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা এই সংক্ষিপ্ত সারটিতে বরকত দান করেছেন; যার ফলে বহু মানুষ এবং ইলম অন্বেষী ছাত্ররা এটি থেকে উপকৃত হয়েছে। এটি কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে এবং এর অধিকাংশ সংস্করণই শেষ হয়ে গেছে।
৩ - ‘আল-ইফসাহ আন আজউইবাতি ইবনিল জাররাহ’; এটি ‘আদ-দালীল’-এর ওপর ভিত্তি করে প্রণীত কিছু প্রশ্নাবলি, যার উত্তর প্রদান করেছেন শাইখ আল্লামা মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-জাররাহ (রাহিমাহুল্লাহু তাআলা)
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ২৯)
ترجمة العلامة الشيخ برهان الدين إبراهيم بن أبي بكر العوفي (1)
اسمه، ونسبه:هو الإمام العلامة، والبحر العلم الفهامة، برهان الدين إبراهيم بن أبي بكر بن إسماعيل بن محمد الصالحي (نسبة إلى الصالحية، من أحياء دمشق على سفح جبل قاسيون)، العوفي (نسبة للصحابي الجليل عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه، الحنبلي (نسبة لمذهبه)، الذنابي (نسبة إلى قرية ذِنَّابة إحدى قرى نابلس)، المصري (ولادة ووفاة).
مولده ونشأته وأشياخه:ولد في القاهرة، سنة ثلاثين وألف للهجرة، وقال العلامة الحموي في «فوائد الارتحال»
(2): (سنة ثمان وعشرين بعد الألف). وقال صاحب «السحب الوابلة»: (سنة ثمان وثلاثين)
(3).
ونشأ الشيخ إبراهيم رحمه الله في القاهرة ضمن أجواء إيمانية علمية
--------------------------------------------
আল্লামা শাইখ বুরহানউদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে আবি বকর আল-আওফি-এর জীবনী(১)তাঁর নাম ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন ইমাম, আল্লামা, ইলমের সমুদ্র এবং প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্ব বুরহানউদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে আবি বকর ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সালিহি (সিরিয়ার দামেস্কের কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সালিহিয়া মহল্লার অধিবাসী হিসেবে এই সম্বন্ধ), আল-আওফি (মহান সাহাবী আবদুর রহমান ইবনে আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বংশের দিকে সম্বন্ধিত), আল-হাম্বলি (মাযহাবের নিসবত), আদ-দিন্নাবি (নাবলুসের দিন্নাবা নামক একটি গ্রামের দিকে সম্বন্ধিত), আল-মিসরি (জন্ম ও মৃত্যুর দিক থেকে মিসরীয়)।
তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং উস্তাদগণ:তিনি হিজরি এক হাজার ত্রিশ সালে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন। আল্লামা হামাভি 'ফাওয়াইদুল ইর্তিহাল' গ্রন্থে বলেন: (এক হাজার আটাশ সালে)। আর 'আস-সুহুবুল ওয়াবিলা' গ্রন্থের লেখক বলেন: (এক হাজার আটত্রিশ সালে)।
শাইখ ইব্রাহিম রাহিমাহুল্লাহ কায়রোতে ঈমানি ও ইলমি পরিবেশে বেড়ে ওঠেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৩০)
صالحة، ولزم القاهرة وأقبل على طلب العلم على أشياخها؛ فحفظ القرآن الكريم كاملاً، ثم بدأ بطلب العلم منذ صباه.
فأخذ الفقه عن شيخه العلامة منصور بن يونس بن صلاح الدين بن حسن بن أحمد بن علي الشهير «بالبهوتي» المصري صاحب شرحي «الإقناع والمنتهى»
(1) و «الروض المربع» و «منح الشفاء الشافيات شرح المفردات»، المتوفى سنة (1051 هـ).
كما أخذ أيضاً عن العلامة الشيخ علي بن زين العابدين الأجهوري المالكي، المتوفى سنة (1066 هـ).
كما أخذ علم الحديث عن جمهور من أهل العلم، ومن أشهرهم الشيخ العلامة محمد بن أحمد الخطيب الشوبري، الشافعي، المتوفى سنة (1069 هـ).
وغيرهم كثير من العلماء، وأجازوه خاصة وعامة، حتى صار رحمه الله تعالى من أعلام الحنابلة في زمانه.
مؤلفاته:لقد برع الشيخ إبراهيم - رحمه الله تعالى - في مختلف العلوم الشرعية، وأسهم رحمه الله إسهاماً جلياً في التأليف؛ وأشار أهل العلم إلى مؤلفاته التي تنوعت ما بين كتاب ضخم ورسالة لطيفة، وهي ما بين مخطوط ومطبوع، ومنها:
1 - إفادة الإشارة الجليلة عن أحكام الإجارة الطويلة (محقق).
2 - حدائق العيون الباصرة في أخبار أحوال الطاعون والآخرة (محقق).
--------------------------------------------
...সৎকর্মশীলা ছিলেন, তিনি কায়রোতে অবস্থান করেন এবং সেখানকার শায়খদের কাছে জ্ঞান অর্জনে মনোনিবেশ করেন; তিনি সম্পূর্ণ পবিত্র কুরআন হিফজ করেন, এরপর শৈশব থেকেই জ্ঞান অর্জনে আত্মনিয়োগ করেন।
তিনি তাঁর শায়খ আল্লামা মানসুর ইবনে ইউনুস ইবনে সালাহউদ্দিন ইবনে হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আলী, যিনি মিসরীয় 'আল-বুহুতি' নামে পরিচিত, তাঁর নিকট ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। তিনি (বুহুতি) 'আল-ইকনা' ও 'আল-মুনতাহা' এর দুটি ভাষ্যগ্রন্থের
(১) রচয়িতা, সেইসাথে 'আর-রাওদুল মুরবি' এবং 'মানাহুশ শিফায়িশ শাফিয়াত শারহুল মুফরাদাত' গ্রন্থেরও রচয়িতা; যিনি ১০৫১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়াও তিনি আল্লামা শায়খ আলী ইবনে জয়নুল আবেদিন আল-আজহুরি আল-মালিকির নিকট থেকেও জ্ঞান অর্জন করেন, যিনি ১০৬৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি একদল আলিমের নিকট থেকে হাদিস শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করেন, যাঁদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলেন শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-খতিব আশ-শুবরি আল-শাফিঈ, যিনি ১০৬৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁরা ছাড়াও আরও অনেক আলেমদের নিকট থেকে তিনি জ্ঞান লাভ করেন এবং তাঁরা তাঁকে বিশেষ ও সাধারণ ইজাজত প্রদান করেন, এমনকি তিনি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) তাঁর সময়ের হাম্বলি মাযহাবের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ত্বে পরিণত হন।
তাঁর রচনাবলী:শায়খ ইব্রাহিম -আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন- বিভিন্ন শরয়ী বিজ্ঞানে পারদর্শিতা লাভ করেছিলেন এবং গ্রন্থ রচনায় তিনি এক সুস্পষ্ট অবদান রাখেন; আলেমগণ তাঁর রচনাবলীর কথা উল্লেখ করেছেন যা বৃহৎ গ্রন্থ থেকে শুরু করে ছোট পুস্তিকা পর্যন্ত বৈচিত্র্যময় ছিল। সেগুলো পাণ্ডুলিপি ও মুদ্রিত উভয় আকারেই রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো:
১ - ইফাদাতুল ইশারাতিল জালিলা আন আহকামিল ইজারাতিত তাবিলা (সম্পাদিত)।
২ - হাদাইকুল উয়ুনিল বাসিরা ফি আখবারি আহওয়ালিত তাউন ওয়াল আখিরাহ (সম্পাদিত)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৩১)
3 - روض المربع في صفة حج المتمتع (محقق).
4 - بغية المتتبع لحل ألفاظ الروض المربع (محقق).
5 - تراجم الصواعق في واقعة الصناجق (محقق).
6 - شرح منتهى الإرادات في الفقه، ذكره صاحب فوائد الارتحال
(1)، وغيره.
7 - نصيحة أولي الأبصار في ترك الكبر والعظمة والافتخار (مخطوط)
8 - مسلك الراغب لشرح دليل الطالب. وهو هذا الكتاب الذي بين أيدينا، ويُعدُّ أول وأوفى شرح على متن «دليل الطالب». وقد وقعت على تحقيق نفيس له لأخوين فاضلين، جاء في إطار رسالتين جامعيتين لنيل درجة الماجستير. واستفدت منهما كثيراً، وهما الأخوان الفاضلان: الشيخ عبد العزيز مشاري الهزاني، «من أوله إلى آخر كتاب الاعتكاف». والشيخ عبد القادر إدريس، «بدأ من حيث انتهى الأول إلى آخر باب الوكالة».
• وللشارح رحمه الله رسائل كثيرة في الفرائض، والحساب
(2) وغيرها.
وقد أثنى عليه العلماء، فقال العلامة مصطفى بن فتح الله الحموي (ت 1123 هـ) بقوله: «كان من الأعيان الأفاضل، وسراة الأماثل، له المهارة القوية، واليد الطولى، والهمة العلية، في الفرائض والعلوم الحسابية، بالفقه وغيره من العلوم الدينية
… ».
(3)--------------------------------------------
৩ - হাজ্জে মুতামাত্তি’র পদ্ধতির বর্ণনায় রওযুল মুরবি’ (সম্পাদিত)।
৪ - রওযুল মুরবি’-এর শব্দাবলি ব্যাখ্যার জন্য বুগইয়াতুল মুতাতাব্বি’ (সম্পাদিত)।
৫ - সানাজেক ঘটনার সওয়া’ইক জীবনীসমূহ (সম্পাদিত)।
৬ - ফিকহ শাস্ত্রের মুনতাহাল ইরাদাত-এর শারহ (ব্যাখ্যা), যা ‘ফাওয়াইদুল ইর্তিহাল’ এর লেখক
(১) এবং অন্যান্যরা উল্লেখ করেছেন।
৭ - অহংকার, দম্ভ এবং গৌরব বর্জনের বিষয়ে প্রজ্ঞাবানদের প্রতি নসীহত (পাণ্ডুলিপি)
৮ - দালিলুত তালিব-এর ব্যাখ্যার জন্য ‘মাসলাকুর রাগিব’। এটিই সেই কিতাব যা বর্তমানে আমাদের হাতে রয়েছে, এবং এটি ‘দালিলুত তালিব’ মূলপাঠের প্রথম এবং সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা হিসেবে বিবেচিত হয়। আমি দুইজন মহৎ ভাইয়ের দ্বারা এর একটি মূল্যবান সম্পাদনার সন্ধান পেয়েছি, যা মাস্টার্স ডিগ্রির দুটি গবেষণাপত্র হিসেবে পেশ করা হয়েছিল। আমি তাদের থেকে প্রচুর উপকৃত হয়েছি, তারা হলেন দুই মহৎ ভাই: শায়খ আবদুল আজিজ মশারি আল-হাজ্জানি, ‘শুরু থেকে ই’তিকাফ অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত’। এবং শায়খ আবদুল কাদির ইদ্রিস, ‘প্রথমজন যেখানে শেষ করেছেন সেখান থেকে ওকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) অধ্যায়ের শেষ পর্যন্ত’।
• ব্যাখ্যাকার (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন), গণিত
(২) এবং অন্যান্য বিষয়ে অনেক রিসালাহ (পুস্তিকা) রয়েছে।
উলামায়ে কিরাম তাঁর প্রশংসা করেছেন। আল্লামা মুস্তফা বিন ফাতহুল্লাহ আল-হামাভী (ওফাত ১১২৩ হিজরি) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: «তিনি ছিলেন বিশিষ্ট গুণীজন এবং শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত। ফারায়েজ এবং গণিতশাস্ত্রে তাঁর শক্তিশালী দক্ষতা, সুদীর্ঘ হস্ত (বিশেষ পারদর্শিতা) এবং সুউচ্চ সংকল্প ছিল, এছাড়া ফিকহ এবং অন্যান্য দ্বীনি ইলমেও তাঁর পারদর্শিতা ছিল … »।
(৩)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৩২)
وقال أيضاً: «وبالجملة: فإنه كان حسنة من حسنات الزمان في هذا الأوان»
(1).
وفاته:
وبعد حياة حافلة بالعلم والعطاء، توفي رحمه الله فجأة ظهر يوم الاثنين، رابع عشر ربيع الثاني، عن أربع وستين سنة، وصلى عليه بالجامع الأزهر إماماً بالناس فضيلة الشيخ إبراهيم البرماوي، ضحى يوم الثلاثاء، خامس عشر ربيع الثاني سنة أربع وتسعين وألف، ودفن بتربة الطويل
(2) عند والده رحمهما الله تعالى
(3).
--------------------------------------------
তিনি আরও বলেছেন: "সারসংক্ষেপে: তিনি ছিলেন এই সময়ের এক অনন্য নিহিত কল্যাণ"
(১)।
তাঁর ইন্তেকাল:
ইলম ও দ্বীনি খিদমতে পূর্ণ এক কর্মময় জীবনের পর, চৌষট্টি বছর বয়সে তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) হঠাৎ করে সোমবার দুপুরে, চৌদ্দই রবিউস সানি ইন্তেকাল করেন। পনেরই রবিউস সানি ১০৯৪ হিজরি সনের মঙ্গলবার পূর্বাহ্নে জামে আল-আজহারে প্রখ্যাত শাইখ ইবরাহিম আল-বারমাউয়ি ইমাম হিসেবে তাঁর জানাজা পড়ান। তাঁকে তুরবাতুত তওয়ীলে
(২) তাঁর পিতার পাশে দাফন করা হয়; আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব - তাহকিক তুর্কি আন-নাসর
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
ليس من الصعوبة الجزم بأن هذا الشرح المفيد للعلامة إبراهيم بن أبي بكر العوفي الحنبلي رحمه الله تعالى، ولعل أوضح ما يدل على ذلك:
1 - ما وُجِد على غلاف النسخة الخطية الوحيدة: «جمع أفقر العباد إبراهيم الصالحي الحنبلي. عفا عنه، وغفر له، ولوالديه».
2 تأكيد المصنف لهذا في مقدمة الكتاب ذاته، حيث قال:
«
… لما رأيت مختصر منتهى الإرادات» - أنزل الله تعالى على مؤلفه الرحمة والبركات -، الموسوم ب «دليل الطالب لنيل المطالب» للشيخ العلامة الفريد، والعمدة الفهامة الوحيد، بحر الطالبين والمحققين، كنز العارفين والمدققين، الشيخ مرعي الحنبلي - تغمده الله المولى العلي بالرحمة والرضوان -
… وجدته مختصراً في غاية الاختصار، كثير المعاني، جليل الاعتبار، سبك فيه المسائل سبكاً، وفتك فيه بميادين البلاغة فتكاً. لكنه يحتاج إلى شرح يحل معاني ألفاظه، ويوضح عباراته، ويعين قصاده وحفاظه. فاستخرت الله سبحانه وتعالى الذي ما خاب من استخاره، ولا ندم من التجأ إليه واستعانه واستجاره، وشمرت عن ساعد الاجتهاد بالإقدام، وانتصبت لفعل ذلك بأحسن قيام، مستعيناً بعون عناية المعين المنان
… وسميته: «مسلك الراغب لشرح دليل الطالب» راجياً من الله العظيم أن يجعله خالصاً لوجهه الكريم، وأن ينفع به بفضله،
আল্লামা ইব্রাহিম বিন আবি বকর আল-আওফি আল-হাম্বলি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর এই উপকারী ব্যাখ্যাগ্রন্থটি নিশ্চিতভাবে তাঁরই—এ কথা বলা কঠিন নয়। সম্ভবত এর সবচেয়ে স্পষ্ট প্রমাণ হলো:
১ - একমাত্র পাণ্ডুলিপিটির প্রচ্ছদে যা পাওয়া গিয়েছে: «বান্দাদের মধ্যে অতি অভাবী ইব্রাহিম আস-সালিহি আল-হাম্বলির সংকলন। আল্লাহ তাঁকে মার্জনা করুন এবং তাঁকে ও তাঁর পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন।»
২. কিতাবটির ভূমিকায় খোদ লেখকের এ বিষয়ের নিশ্চয়তা প্রদান, যেখানে তিনি বলেছেন:
«
… যখন আমি ‘মুনতাহাল ইরাদাত’-এর সংক্ষিপ্তসারটি দেখলাম —আল্লাহ তাআলা এর লেখকের ওপর রহমত ও বরকত নাযিল করুন— যা ‘দালিলুত তালিব লি-নাইলিল মাতালিব’ নামে অভিহিত এবং যা অনন্য আল্লামা, অদ্বিতীয় প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সমুদ্র, আরিফ ও সূক্ষ্মদর্শীদের খনি, শাইখ মারয়ী আল-হাম্বলি —মহান রব তাঁকে রহমত ও সন্তুষ্টি দিয়ে আবৃত করুন— কর্তৃক রচিত
… আমি এটিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক এবং অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে পেয়েছি। তিনি এতে মাসআলাগুলোকে চমৎকারভাবে বিন্যস্ত করেছেন এবং অলঙ্কারশাস্ত্রের ময়দানে নিজের পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। কিন্তু এটি এমন একটি ব্যাখ্যার মুখাপেক্ষী ছিল যা এর শব্দার্থ উন্মোচন করবে, এর বাক্যগুলোকে স্পষ্ট করবে এবং এর পাঠক ও হিফজকারীদের সাহায্য করবে। তাই আমি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট ইস্তিখারা করলাম, যাঁর কাছে ইস্তিখারা করে কেউ বিফল হয় না এবং যে তাঁর আশ্রয় নেয়, সাহায্য চায় ও নিরাপত্তা কামনা করে সে লজ্জিত হয় না। অতঃপর আমি দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কঠোর পরিশ্রমের প্রস্তুতি নিলাম এবং সাহায্যকারী ও পরম দাতার অনুগ্রহে সর্বোত্তম উপায়ে এই কাজ সম্পাদনে সচেষ্ট হলাম
… আর আমি এর নামকরণ করেছি: ‘মাসলাকুর রাগিব লি-শারহি দালিলিত তালিব’। মহান আল্লাহর কাছে এই আশা রাখি যে, তিনি একে একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য কবুল করবেন এবং তাঁর অনুগ্রহে এর মাধ্যমে উপকার সাধন করবেন।