(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: -)
خمسة أحاديث من رواية ابن العربي المتأخر القسم: كتب السنة
الكتاب: خمسة أحاديث من رواية ابن العربي المتأخر
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 16
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
ইবনে আল-আরাবি আল-মুতাআখখিরের বর্ণিত পাঁচটি হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইবনে আল-আরাবি আল-মুতাআখখিরের বর্ণিত পাঁচটি হাদিস
[«তিরাদ আল-জাইনায়বির সংকলন এবং অন্যান্য অংশ»-এর অন্তর্ভুক্ত মুদ্রিত]
তাহকীক (সম্পাদক): নাবিল সাদ আল-দিন জাররার
প্রকাশক: আরওয়িকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং، জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলাহ-তে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৪৯৯)
هذا الجزءُ
هذا الجزءُ يقعُ ضمنَ المجموعِ (2704) مِن مجاميعِ المَحموديَّةِ المَحفوظةِ في مكتبةِ الملكِ عبد العزيزِ في المدينةِ المنورةِ. مِن الورقةِ [57] إلى [63]، تَليها سماعاتٌ للجُزءِ إلى الوجهِ الأولِ مِن الورقةِ [66].
وهو جزءٌ فيه خمسةُ أَحاديثَ مِن روايةِ أبي بكرٍ محمدِ بنِ عبد الله بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ العَربيِّ المَعافريِّ الإشبيليِّ. مِن أَقاربِ القاضي أبي بكرٍ ابنِ العَربيِّ
(1).
وُلدَ بإشبيليةَ سنةَ (542 هـ).
ورحلَ إلى المشرقِ رحلتَهُ الأُولى للحجِّ سنةَ (572 هـ)، فسمعَ في طريقه مِن السِّلَفيِّ وغيرِه.
ثم رحلَ ثانيةً سنةَ (596 هـ) فدخلَ الشامَ والعراقَ ولقيَ ببغدادَ جماعةً مِن كبارِ مُسنديها، ورجعَ فأَخذوا عنه بقُرطبةَ وإشبيليةَ.
ثم سافرَ للحجِّ رحلتَه الثالثةَ سنةَ (612 هـ) وتصوَّفَ وتعبَّدَ، وتُوفي بالإسكندريةِ سنةَ (617 هـ).
قالَ ابنُ الأبَّارِ: وكانَ مِن الفضلِ والدِّينِ والتواضعِ ولينِ الجانبِ
--------------------------------------------
এই অংশটি
এই অংশটি মদিনা মুনাওয়ারার কিং আব্দুল আজিজ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত মাহমুদিয়া সংকলনসমূহের (২৭০৪) নম্বর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত। এটি [৫৭] নম্বর পৃষ্ঠা থেকে [৬৩] নম্বর পৃষ্ঠা পর্যন্ত বিস্তৃত, যার পরে [৬৬] নম্বর পৃষ্ঠার প্রথম পিঠ পর্যন্ত এই অংশের শ্রবণলিপি (সামা'আত) রয়েছে।
আর এটি এমন একটি অংশ যাতে আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-আরাবি আল-মাআফিরি আল-ইশবিলির বর্ণিত পাঁচটি হাদিস রয়েছে। তিনি কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবির নিকটাত্মীয়দের একজন
(১)।
তিনি ৫৪২ হিজরি সনে ইশবিলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ৫৭২ হিজরি সনে হজের উদ্দেশ্যে প্রাচ্যের দিকে তাঁর প্রথম সফর করেন এবং পথিমধ্যে সিলাফি ও অন্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন।
অতঃপর তিনি ৫৯৬ হিজরি সনে দ্বিতীয়বার সফর করেন। তখন তিনি শাম ও ইরাকে প্রবেশ করেন এবং বাগদাদে সেখানকার প্রথিতযশা মুসনিদগণের (হাদিস বর্ণনাকারী) একটি দলের সাথে সাক্ষাৎ করেন। ফিরে আসার পর কুরতুবা ও ইশবিলিয়ায় শিক্ষার্থীরা তাঁর নিকট থেকে হাদিস গ্রহণ করেন।
এরপর তিনি ৬১২ হিজরি সনে হজের জন্য তাঁর তৃতীয় সফর করেন এবং তাসাউফ ও ইবাদতে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি ৬১৭ হিজরি সনে ইস্কান্দারিয়া নগরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
ইবনুল আব্বার বলেন: তিনি ছিলেন মর্যাদা, দ্বীনদারি, বিনয় ও নম্র স্বভাবের অধিকারী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০০)
بمَكان
(1).
* ويَروي هذه الأحاديثَ عنه عبدُ المحسنِ بنُ يونسَ بنِ عبدِ المحسنِ السَّمعونيُّ القُضاعيُّ الخولانيُّ المصريُّ
(2).
* وعنه حافظُ وقتِهِ العلامةُ الحجةُ شرفُ الدينِ الدِّمياطيُّ
(3).
وفي آخِرِ الجزءِ سماعاتٌ مَنقولةٌ مِن الأصلِ.
ثم سماعاتٌ على الدِّمياطيِّ آخِرُها سنةَ (704 هـ)، مِنها سماعٌ بخطِّ الدِّمياطيِّ نفسِهِ سنةَ (688 هـ).
وأخيراً سماعٌ متأخرٌ بخطِّ محمدٍ المُظفريِّ على الجَمالِ القَلقَشنديِّ بسندِهِ.
وكاتبُ الجزءِ وصاحبُهُ هو أبو عَمرو فخرُ الدينِ عثمانُ بنُ محمدِ بنِ عثمانَ بنِ أبي بكرٍ المصريُّ
(4).
--------------------------------------------
স্থানে
(১)।
* এবং তাঁর নিকট থেকে এই হাদিসগুলো বর্ণনা করেছেন আব্দুল মুহসিন বিন ইউনুস বিন আব্দুল মুহসিন আস-সাম'উনী আল-কুযায়ী আল-খাওলানী আল-মিশরী
(২)।
* এবং তাঁর নিকট থেকে তাঁর সময়ের হাফেজ, আল্লামা, হুজ্জাত শরফুদ্দীন আদ-দিমইয়াতী বর্ণনা করেছেন
(৩)।
এবং এই জুয (অংশ)-এর শেষে মূল পাণ্ডুলিপি থেকে অনুলিপি করা শ্রবণলিপিগুলো (সামা'আত) রয়েছে।
এরপর আদ-দিমইয়াতীর নিকট শ্রবণের কিছু লিপি রয়েছে যার সর্বশেষটি (৭০৪ হিজরি) সালের, যার মধ্যে একটি শ্রবণলিপি ৬৮৮ হিজরি সালে খোদ আদ-দিমইয়াতীর নিজ হস্তাক্ষরে লিখিত।
পরিশেষে আল-জামাল আল-কালকাশান্দীর নিকট তাঁর সনদে পাঠ করার একটি পরবর্তী সময়ের শ্রবণলিপি রয়েছে যা মুহাম্মদ আল-মুজাফ্ফারীর হস্তাক্ষরে লিখিত।
আর এই জুয-এর লেখক এবং সংগ্রাহক হলেন আবু আমর ফখরুদ্দীন উসমান বিন মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবু বকর আল-মিশরী
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০১)
الجزءُ فيه خمسةُ أحاديثَ
مِن روايةِ الشيخِ الزاهدِ
أبي بكرٍ محمدِ بنِ عبدِ الله بنِ محمدِ بنِ العَربيِّ المَعافريِّ الأَندلسيِّ الإشبيليِّ المُتأخرِ
عن شيوخِهِ
روايةُ الشيخِ الوَجيهِ أبي محمدٍ عبدِ المحسنِ بنِ يونسَ
بنِ عبدِ المحسنِ السَّمعونيِّ القُضاعيِّ الخَولانيِّ
المؤدِّبِ المصريِّ عنه
روايةُ الشيخِ الحافظِ شرفِ الدينِ عبدِ المؤمنِ بنِ خلفِ
بنِ أبي الحسنِ بنِ الخضرِ بنِ موسى الدِّمياطيِّ
غفرَ اللهُ له ولوَالديهِ
এই অংশে পাঁচটি হাদিস রয়েছে।
যাহিদ (তপস্বী) শাইখ
আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আরাবি আল-মা'আফিরি আল-আন্দালুসি আল-ইশবিলি আল-মুতাআখখির-এর বর্ণনা থেকে
তাঁর উস্তাদগণের নিকট থেকে
বিশিষ্ট শাইখ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুহসিন ইবনে ইউনুস-এর বর্ণনা
ইবনে আব্দুল মুহসিন আস-সাম'উনি আল-কুদায়ি আল-খাওলানি
মিশরীয় আদব শিক্ষক, তাঁর নিকট থেকে
শাইখ হাফিজ শারফুদ্দীন আব্দুল মুমিন ইবনে খালাফ-এর বর্ণনা
ইবনে আবিল হাসান ইবনুল খিদর ইবনে মুসা আদ-দিমইয়াতি
আল্লাহ তাঁকে এবং তাঁর পিতা-মাতাকে ক্ষমা করুন।
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
صلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ وآلِهِ
أخبرنا الشيخُ الإمامُ الحافظُ القُدوةُ شرفُ الدِّينِ مُفتي المُسلمينَ بقيةُ السَّلفِ الصالِحينَ عُمدةُ المُحدِّثينَ أبو محمدٍ عبدُ المؤمنِ بنُ خلفِ بنِ أبي الحسنِ الدِّمياطيُّ فسحَ اللهُ في مُدتِه ونفعَ المُسلمينَ ببَركتِه قالَ: أخبرنا الشيخُ الصالحُ وجيهُ الدِّينِ أبو محمدٍ عبدُ المُحسنِ بنُ يونسَ بنِ عبدِ المُحسنِ السَّمعونيُّ القُضاعيُّ الخَولانيُّ
(1) المؤدِّبُ بقراءَتي عليه بمَكتَبِه
(2) جوارَ المارِستانِ بمصرَ في صفرٍ سَنةَ ثلاثٍ وأربعينَ وستِّمئةٍ قالَ:
548 - (1) أخبرنا الشيخُ الزاهدُ العارفُ الحاجُّ أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ العربيُّ المَعافريُّ الإِشبيليُّ المتأخِّرُ -كَذا قالَ ابنُ وَرادنَ ونقلتُه مِن خَطِّه- بقراءةِ أبي المَيمونِ عبدِ الوهابِ بنِ عَتيقِ بنِ هبةِ اللهِ بنِ المَيمونِ بنِ وَردانَ القرشيِّ المقرئِ المالكيِّ عليه وأنا أسمعُ بمصرَ في يومِ الأربعاءِ الخامسَ عشرَ مِن ذي الحجةِ سَنةَ أربعَ عشرةَ وستِّمئةٍ قالَ: أخبرنا الشيخُ الفقيهُ المُحدثُ العالمُ الحَسيبُ أبو الحسنِ عليُّ بنُ أحمدَ بنِ عليِّ بنِ عيسى بنِ سعيدِ بنِ مختارِ بنِ منصورِ بنِ شاكرٍ الغافقيُّ الشَّقُوريُّ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন।
শাইখ, ইমাম, হাফিজ, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, শরফউদ্দীন, মুসলিমদের মুফতি, নেককার পূর্বসূরিদের (সালাফ) অবশিষ্টাংশ, মুহাদ্দিসদের নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ বিন আবিল হাসান আদ-দিমইয়াতি—আল্লাহ তাঁর আয়ু দীর্ঘায়িত করুন এবং তাঁর বরকতের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মিশরের মারিস্তানের নিকটবর্তী তাঁর মাকতাবে (পাঠশালা) হিজরি ছয়শত তেতাল্লিশ সনের সফর মাসে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে সৎ শাইখ, ওয়াজিহউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুহসিন বিন ইউনুস বিন আব্দুল মুহসিন আস-সামউনি আল-কুদায়ি আল-খাওলানি
(১) আল-মুয়াদ্দিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন:
৫৪৮ - (১) জাহিদ, আরিফ, হাজি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আরাবি আল-মাআফিরি আল-ইশবিলি আল-মুতাআখখির—ইবনে ওয়ারদান এভাবেই বলেছেন এবং আমি তা তাঁর হস্তলিপি থেকে নকল করেছি—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-মাইমুন আব্দুল ওয়াহহাব বিন আতিক বিন হিবাতুল্লাহ বিন আল-মাইমুন বিন ওয়ারদান আল-কুরাশি আল-মুকরি আল-মালিকির তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি মিশরে হিজরি ছয়শত চৌদ্দ সনের যিলহজ মাসের পনেরো তারিখ বুধবার তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেছেন: ফকিহ, মুহাদ্দিস, আলিম ও উচ্চবংশীয় শাইখ আবু আল-হাসান আলী বিন আহমদ বিন আলী বিন ঈসা বিন সাইদ বিন মুখতার বিন মানসুর বিন শাকির আল-গাফেকি আশ-শাকুরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৪)
بقراءَتي عليه في العشرِ الأواخرِ مِن شهرِ ربيعٍ الآخِرِ مِن سَنةِ إحدَى عشرةَ وستِّمئةٍ قالَ: أخبرنا الفقيهُ الإمامُ المُحدثُ الحافظُ أقضَى القُضاةِ / أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ العربيِّ المَعافريُّ الإِشبيليُّ فيما كَتبَ به إليَّ قالَ: قرأتُ على أبي الحسينِ المباركِ بنِ عبدِ الجبارِ الصَّيرفيِّ ببغدادَ: أخبركم أبو محمدٍ الحسنُ بنُ محمدٍ الخَلالُّ: حدثنا محمدُ بنُ المُظفرِ الحافظُ إملاءً: حدثنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ زُكَيرٍ
(1) بمصرَ: حدثنا عبدُ الوهابِ بنُ خلفِ بنِ عمرَ أبو أيوبَ المصريُّ: حدثنا محمدُ بنُ زكريا: حدثنا الحُميديُّ وهو عبدُ اللهِ بنُ الزبيرِ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:
كانَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم إذا دَعا رَجلاً إلى الكتابةِ كانَ يقولُ: «ألقِ الدَّوَاةَ، وحَرِّف القلمَ، وجَوِّد بسمِ اللهِ الرَّحمنِ الرَّحيمِ، أقِم الباءَ، وفرِّج السِّينَ، وافتَح الميمَ، وجوِّد «الله»، وحسِّن «الرَّحمن الرَّحيم»، فإنَّ رَجلاً مِن بَني إسرائيلَ كتَبَها فجَوَّدَها فدَخلَ الجَنةَ»
(2).
549 - (2) وأخبرنا عبدُ المحسنِ أيضاً قالَ: وأخبرنا الشيخُ الصالحُ أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ العربيِّ المَذكورُ بقراءةِ أبي المَيمونِ المَذكورِ
--------------------------------------------
৬১১ হিজরী সনের রবিউস সানি মাসের শেষ দশকে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: ফকিহ, ইমাম, মুহাদ্দিস, হাফেজ, প্রধান বিচারপতি আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল আরাবি আল-মাআফিরি আল-ইশবিলি আমাকে যা লিখে পাঠিয়েছেন তাতে বলেছেন: আমি বাগদাদে আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবন আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফির নিকট পাঠ করেছি: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ আল-খাল্লাল আপনাদের অবহিত করেছেন: হাফেজ মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফ্ফার আমাদের কাছে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন: মিশরে মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন জুয়াইর
(১) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আব্দুল ওয়াহহাব ইবন খালাফ ইবন উমর আবু আইয়ুব আল-মিসরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবন যাকারিয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আল-হুমাইদি—যিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল জুবাইর—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান ইবন উইয়াইনা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো ব্যক্তিকে লেখার জন্য ডাকতেন, তখন বলতেন: «দোয়াত প্রস্তুত করো, কলমটি তির্যক করো, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সুন্দর করে লেখো, 'বা' বর্ণটিকে খাড়া করো, 'সিন' বর্ণটির দাঁতগুলো স্পষ্ট করো, 'মিম' বর্ণটির মুখ খোলা রাখো, 'আল্লাহ' শব্দটিকে সুন্দর করো এবং 'আর-রাহমান আর-রাহিম' শব্দদ্বয়কে উত্তমরূপে লেখো। কেননা বনি ইসরাইলের এক ব্যক্তি এটি অত্যন্ত সুন্দর করে লিখেছিল, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করেছে»
(২)।
৫৪৯ - (২) আব্দুল মুহসিন আমাদের আরও অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: নেককার শায়খ আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল আরাবি (যিনি পূর্বে উল্লিখিত হয়েছেন), উল্লিখিত আবু মাইমুনের পাঠের মাধ্যমে আমাদের অবহিত করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৫)
بالمنزلِ المَذكورِ قالَ: أخبرنا الفقيهُ المُسنُّ المُعدلُ أبو الحَجاجِ يوسفُ بنُ إبراهيمَ بنَ وَهْبُونَ الإِشبيليُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ بإِشبيليةَ في السادسَ عشرَ مِن المُحرَّمِ سَنةَ إحدَى عشرةَ وستِّمئةٍ قالَ: حدثنا القاضي الفقيهُ / أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدٍ العربيُّ المَعافريُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ بجامعِ العَدَبَّسِ بإِشبيليةَ: أخبرنا الشيخُ الحافظُ أبو القاسمِ إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ الفضلِ الأَصبهانيُّ يومَ الخميسِ الثاني والعشرينَ مِن ذي الحجةِ سَنةَ تسعٍ وثمانينَ وأربعِمئةٍ بالمسجدِ الحرامِ شرَّفَه اللهُ تعالى مِن لفظِه وكتَبَه لي بخطِّه قالَ: حدثنا أبو الخَطابِ وهو نصرُ بنُ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ الزاهدُ البغداديُّ المَعروفُ بابنِ البَطِرِ: أخبرنا أحمدُ بنُ محمدٍ البزازُ
(1): حدثنا محمدُ بنُ عمرَ الحافظُ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ بُسرٍ
(2) بالدِّينَورِ: حدثنا إبراهيمُ بنُ سعيدٍ الجَوهريُّ قالَ:
قدِمَ هارونُ الرَّشيدُ مكةَ فجَلسَ عندَ الأسطوانةِ الحمراءِ، ثم قالَ للفضلِ بنِ الرَّبيعِ: بلَغَني أنَّ الحسينَ بنَ عليٍّ الجُعفيَّ
(3) حاجٌّ فانظُر أينَ هو
--------------------------------------------
উল্লিখিত আবাসস্থলে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বয়োজ্যেষ্ঠ ও ন্যায়পরায়ণ ফকিহ আবু হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ওয়াহবুন আল-ইশবিলি; এটি সেভিলে (ইশবিলিইয়া) তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, যা ছিল ছয়শত এগারো হিজরি সনের মহরম মাসের ষোলো তারিখ। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ফকিহ ও বিচারক আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আরাবি আল-মাআফিরি; এটি সেভিলের আদাব্বাস জামে মসজিদে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ও হাফিজ আবু আল-কাসিম ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ফাদল আল-আসফাহানি; চারশত উননব্বই হিজরি সনের বাইশে জিলহজ বৃহস্পতিবার, মসজিদুল হারামে—আল্লাহ একে সম্মানিত করুন—তিনি এটি তাঁর নিজ মুখে উচ্চারণ করেছেন এবং তাঁর নিজ হাতে আমার জন্য লিখে দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-খাত্তাব, তিনি হলেন নাসর ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-জাহিদ আল-বাগদাদি, যিনি ইবনুল বাতির নামে পরিচিত। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাজ্জাজ
(১)। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হাফিজ মুহাম্মদ ইবনে উমর। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বুসর
(২) দিনাওয়ারে। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে সাঈদ আল-জাওহারি, তিনি বলেন:
হারুনুর রশীদ মক্কায় আগমন করলেন এবং লাল স্তম্ভের কাছে বসলেন। অতঃপর তিনি ফাদল ইবনে রাবি’কে বললেন: আমি জানতে পেরেছি যে হুসাইন ইবনে আলী আল-জু’ফি
(৩) হজ্জ পালন করতে এসেছেন, সুতরাং দেখো তিনি কোথায় আছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৬)
حتى آتيَه، فقالَ رَجلٌ: هو ذاكَ يُصلِّي عندَ المَقامِ، فقالَ الفضلُ: أنا أَجيئُكَ به يا أميرَ المؤمنينَ، فإنَّه أحَقُّ أنْ يأتيَكَ. فجاءَ الفضلُ فوَقفَ عليه وهو يُصلِّي وقالَ له: إنَّ أميرَ المؤمنينَ على إتيانِكَ، قالَ: فسلَّمَ الحسينُ ثم قالَ: أنا أحَقُّ أنْ آتيَه، قالَ: فامضِ بِنا، فجاءَ مَعه. قالَ: فاعتنَقَه / هارونُ وسلَّمَ عليه وأجلَسَه إلى جنبِه، ثم أقبلَ عليه هارونُ فسألَه عن حالِه وعن سَفرِه، قالَ: ثم تنحَّى عنه حتى صارَ بينَ يدَيه وصرفَ يدَه إلى قلمٍ وقِرطاسٍ ثم قالَ له: تُمْلي عليَّ حديثَ عبدِ اللهِ بنِ مسعودٍ في التَّشهدِ، قالَ: أخبرنا الحسنُ بنُ الحُرِّ قالَ: أخذَ القاسمُ بنُ مُخيمرةَ بيدِي قالَ: أخذَ علقمةُ بنُ قيسٍ بيدِي قالَ: أخذَ عبدُ اللهِ بنُ مسعودٍ بيدِي وقالَ:
أخَذَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بيدِي فعَلَّمَني التَّشهدَ: «التَّحياتُ للهِ، والصَّلواتُ والطَّيباتُ، السلامُ عَليكَ أيُّها النبيُّ ورحمةُ اللهِ وبَركاتُه، السلامُ عَلينا وعلى عبادِ اللهِ الصالِحينَ، أشهدُ أَن لا إلهَ إلا اللهُ، وأشهدُ أنَّ محمداً عبدُهُ ورسولُهُ».
فقالَ هارونُ: وأخَذَ الحسنُ بنُ الحُرِّ بيدِكَ؟ قالَ: نَعم، قالَ: فتأخُذُ بيدِي كما أخَذَ بيدِكَ، قالَ: فأخَذَ يدَه في يدِه وقالَ: أخَذَ الحسنُ بنُ الحُرِّ بيدِي هكذا وقالَ: أخَذَ القاسمُ بنُ مُخيمرةَ بيدِي هكذا وقالَ: أخَذَ عَلقمةُ بنُ قيسٍ بيدِي وقالَ: أخَذَ عبدُ اللهِ بيدِي وقالَ: أخَذَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بيدِي.
قالَ: فتَركَ يدَه وجعلَ يُقبِّلُ يدَ نفسِه وقالَ: بأَبي كَفٌّ صافَحتْ كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
قالَ إبراهيمُ: أخَذَ الحسينُ بيدِي.
وقالَ
(1): / أبو محمدٍ -هو عبدُ اللهِ-: أخَذَ بيدِي إبراهيمُ،
--------------------------------------------
যতক্ষণ না আমি তাঁর কাছে আসি; তখন এক ব্যক্তি বললেন: তিনি ঐ যে মাকামের নিকটে সালাত আদায় করছেন। অতঃপর ফজল বললেন: হে আমিরুল মুমিনিন! আমি তাঁকে আপনার কাছে নিয়ে আসছি, কারণ আপনার কাছে আসা তাঁর জন্যই অধিক সংগত। অতঃপর ফজল আসলেন এবং তিনি যখন সালাত আদায় করছিলেন তখন তাঁর নিকট দাঁড়ালেন এবং তাঁকে বললেন: আমিরুল মুমিনিন আপনার আগমনের অপেক্ষায় আছেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর হুসাইন সালাম ফিরালেন এবং বললেন: আমিই তাঁর নিকট যাওয়ার অধিক হকদার। তিনি বললেন: তবে আমাদের সাথে চলুন, ফলে তিনি তাঁর সাথে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন: হারুন তাঁকে আলিঙ্গন করলেন এবং তাঁকে সালাম দিয়ে নিজের পাশে বসালেন। অতঃপর হারুন তাঁর দিকে নিবিষ্ট হলেন এবং তাঁর অবস্থা ও সফর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর সামনে থেকে সরে গিয়ে তাঁর সম্মুখে বসলেন এবং কলম ও কাগজের দিকে হাত বাড়ালেন। তারপর তাঁকে বললেন: আপনি আমাকে তাশাহহুদ বিষয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের হাদিসটি লিখিয়ে দিন। তিনি বললেন: হাসান ইবনুল হুর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কাসিম ইবনে মুখাইমিরাহ আমার হাত ধরলেন, তিনি বলেন: আলকামা ইবনে কায়েস আমার হাত ধরলেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ আমার হাত ধরলেন এবং বললেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিলেন: «সমস্ত অভিবাদন আল্লাহর জন্য, সমস্ত সালাত ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ওপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।»
অতঃপর হারুন বললেন: হাসান ইবনুল হুর কি আপনার হাত ধরেছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। হারুন বললেন: তবে আপনি আমার হাত ধরুন যেভাবে তিনি আপনার হাত ধরেছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি হারুনের হাত নিজের হাতের মধ্যে নিলেন এবং বললেন: হাসান ইবনুল হুর আমার হাত এভাবে ধরেছিলেন এবং বলেছিলেন: কাসিম ইবনে মুখাইমিরাহ আমার হাত এভাবে ধরেছিলেন এবং বলেছিলেন: আলকামা ইবনে কায়েস আমার হাত ধরেছিলেন এবং বলেছিলেন: আব্দুল্লাহ আমার হাত ধরেছিলেন এবং বলেছিলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার হাত ধরেছিলেন।
বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর হারুন তাঁর হাত ছেড়ে দিলেন এবং নিজের হাত চুম্বন করতে লাগলেন আর বললেন: আমার পিতা উৎসর্গ হোক সেই হাতের তালুর প্রতি, যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করেছে।
ইব্রাহিম বলেন: হুসাইন আমার হাত ধরলেন।
এবং আবু মুহাম্মদ—যিনি হলেন আব্দুল্লাহ—বললেন
(১): ইব্রাহিম আমার হাত ধরলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৭)
قالَ أبو بكرٍ محمدُ بنُ عمرَ: أخَذَ بيدِي أبو محمدٍ،
وقالَ محمدُ بنُ أحمدَ البزازُ: أخذَ محمدُ بنُ عمرَ بيدِي،
وقالَ إسماعيلُ الحافظُ: قالَ شيخُنا أبو الخَطابِ: وأخَذَ بيدِي محمدُ بنُ أحمدَ،
قالَ إسماعيلُ بنُ محمدٍ: وأخَذَ بيدِي شيخُنا أبو الخَطابِ،
قالَ أبو بكرِ بنُ العربيِّ: وأخَذَ بيدِي إسماعيلُ الحافظُ فقَبَّلتُها ثم قلتُ: بأَبي يدٌ صافحَتْ كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم،
قالَ أبو الحَجاجِ يوسفُ بنُ إبراهيمَ بنِ وَهْبونَ: وأخَذَ بيدِي أبو بكرِ بنُ العربيِّ فقَبَّلتُها ثم قلتُ: بأَبي يدٌ صافحَتْ كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم،
قالَ أبو بكرٍ محمدُ بنُ العربيِّ المتأخِّرُ: وأخَذَ بيدِي أبو الحَجاجِ ابنُ وَهْبونَ
(1) فقَبَّلتُها وقلتُ: بأَبي يدٌ صافحَتْ كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم،
وقالَ شيخُنا أبو محمدٍ عبدُ المحسنِ بنُ سَمعونَ السَّمعونيُّ: وأخَذَ بيدِي شيخُنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ العربيِّ فقَبَّلتُها وقلتُ: بأَبي يدٌ صافحَتْ كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم،
قُلتُ: وأخَذَ بيدِي عبدُ المحسنِ فقَبَّلتُها: بأَبي يدٌ صافحَتْ كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم
(2).
--------------------------------------------
আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে উমর বলেন: আবু মুহাম্মদ আমার হাত ধরলেন,
মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাজ্জার বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উমর আমার হাত ধরলেন,
ইসমাইল আল-হাফিজ বলেন: আমাদের শাইখ আবু আল-খাত্তাব বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আমার হাত ধরলেন,
ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ বলেন: আমাদের শাইখ আবু আল-খাত্তাব আমার হাত ধরলেন,
আবু বকর ইবনুল আরাবি বলেন: ইসমাইল আল-হাফিজ আমার হাত ধরলেন, অতঃপর আমি তাতে চুমু খেলাম এবং বললাম: আমার পিতা উৎসর্গ হোক সেই হাতের জন্য, যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালু স্পর্শ করেছে,
আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ওয়াহবুন বলেন: আবু বকর ইবনুল আরাবি আমার হাত ধরলেন, অতঃপর আমি তাতে চুমু খেলাম এবং বললাম: আমার পিতা উৎসর্গ হোক সেই হাতের জন্য, যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালু স্পর্শ করেছে,
পরবর্তী সময়ের আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল আরাবি বলেন: আবু আল-হাজ্জাজ ইবনে ওয়াহবুন
(১) আমার হাত ধরলেন, অতঃপর আমি তাতে চুমু খেলাম এবং বললাম: আমার পিতা উৎসর্গ হোক সেই হাতের জন্য, যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালু স্পর্শ করেছে,
আমাদের শাইখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুহসিন ইবনে সামউন আস-সামউনী বলেন: আমাদের শাইখ আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল আরাবি আমার হাত ধরলেন, অতঃপর আমি তাতে চুমু খেলাম এবং বললাম: আমার পিতা উৎসর্গ হোক সেই হাতের জন্য, যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালু স্পর্শ করেছে,
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আব্দুল মুহসিন আমার হাত ধরলেন এবং আমি তাতে চুমু খেলাম (এবং বললাম): আমার পিতা উৎসর্গ হোক সেই হাতের জন্য, যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতের তালু স্পর্শ করেছে
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৮)
550 - (3) / وأخبرنا أبو محمدٍ عبدُ المحسنِ السَّمعونيُّ قالَ: وأخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ العربيِّ قالَ: وأخبرنا أبو الحجاجِ يوسفُ بنُ إبراهيمَ بنِ وَهْبونَ الإِشبيليُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في التاريخِ قالَ: وحدثنا الفقيهُ أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ العربيِّ المَعافريُّ الإِشبيليُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ قالَ: وأخبرنا أبو الحسينِ المباركُ بنُ عبدِ الجبارِ الصَّيرفيُّ ببغدادَ: أخبرنا أبو محمدٍ الحسنُ بنُ محمدٍ الخلالُ: حدثنا أبو سعيدٍ
(1) خلفُ بنُ عبدِ الرحمنِ قدمَ عَلينا حاجاً: أخبرنا أبو محمدٍ عبدُ الواحدِ بنُ الفضلِ المُطَّوِّعيُّ: حدثنا عبدانُ بنُ أحمدَ
(2) بنِ عبدانَ بنِ أسدٍ المَنْبِجيُّ بحلبَ: حدثنا عمرُ بنُ سعيدٍ: حدثنا أحمدُ بنُ دِهقانَ: حدثنا خلفُ بنُ تَميمٍ قالَ: دَخلْنا على ابنِ هُرمزَ نعودُهُ قالَ: دخَلْنا على أنسِ بنِ مالكٍ نعودُهُ فقالَ:
صافَحَتْ كَفِّي
(3) هذِه كفَّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فما مَسستُ خَزاً ولا حَريراً
--------------------------------------------
৫৫০ - (৩) / আর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল মুহসিন আস-সামউনি, তিনি বললেন: আর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আরাবি, তিনি বললেন: আর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাজ্জাজ ইউসুফ ইবনে ইবরাহীম ইবনে ওয়াহবুন আল-ইশবিলি, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি ইতিহাসের বর্ণনায়, তিনি বললেন: আর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আরাবি আল-মাআফিরি আল-ইশবিলি, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি, তিনি বললেন: আর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সাইরাফি বাগদাদে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ আল-খল্লাল: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ
(১) খালফ ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি আমাদের নিকট হাজ্ব করতে এসেছিলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আল-ফজল আল-মুত্তাউয়ি: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদান ইবনে আহমাদ
(২) ইবনে আবদান ইবনে আসাদ আল-মানবিজি হালাবে: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওমর ইবনে সাঈদ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে দিহকান: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খালফ ইবনে তামীম, তিনি বললেন: আমরা ইবনে হুরমুজের অসুস্থতা দেখতে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম, তিনি বললেন: আমরা আনাস ইবনে মালিকের অসুস্থতা দেখতে তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তিনি বললেন:
আমার এই হাতের তালু
(৩) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করেছে, আমি কখনও কোনো পশমী বস্ত্র বা রেশম স্পর্শ করিনি (যা তাঁর হাতের চেয়ে অধিক নরম ছিল)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫০৯)
ألينَ مِن كفِّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
قُلنا لأنسِ بنِ مالكٍ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فصافَحَنا.
قالَ خلفُ بنُ تَميمٍ: قُلنا لابنِ / هُرمزَ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها أنسَ بنَ مالكٍ، فصافَحَنا.
قالَ أحمدُ بنُ دِهْقانَ: قُلنا لخلفِ بنِ تَميمٍ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها ابنَ هُرمزَ، فصافَحَنا.
قالَ عمرُ بنُ سعيدٍ: قُلنا لأحمدَ بنِ دِهْقانَ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها خلفَ بنَ تَميمٍ، فصافَحَنا.
قالَ عَبدانُ: قُلنا لعمرَ بنِ سعيدٍ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها أحمدَ بنِ دِهْقانَ، فصافَحَنا.
قالَ المُطَّوِّعيُّ: وقُلنا نحنُ لعَبدانَ بنِ أحمدَ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها عمرَ بنَ سعيدٍ، فصافَحَنا.
قالَ أبو سعيدٍ خلفٌ: وقُلتُ أنا لعبدِ الواحدِ بنِ الفضلِ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها عَبدانَ، فصافَحَنا.
قالَ الخَلالُ: وقُلنا نحنُ لأبي سعيدٍ خلفٍ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها عبدَ الواحدِ بنَ زيدٍ
(1)، فصافَحَنا.
--------------------------------------------
আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুর চেয়েও অধিক কোমল।
আমরা আনাস ইবনে মালিককে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
খালাফ ইবনে তামীম বললেন: আমরা ইবনে হুরমুজকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি আনাস ইবনে মালিকের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আহমাদ ইবনে দিহকান বললেন: আমরা খালাফ ইবনে তামীমকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি ইবনে হুরমুজের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
উমর ইবনে সাঈদ বললেন: আমরা আহমাদ ইবনে দিহকানকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি খালাফ ইবনে তামীমের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আবদান বললেন: আমরা উমর ইবনে সাঈদকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি আহমাদ ইবনে দিহকানের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আল-মুত্তাওয়ি বললেন: আর আমরা আবদান ইবনে আহমাদকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি উমর ইবনে সাঈদের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আবু সাঈদ খালাফ বললেন: আর আমি আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল ফাদলকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি আবদানের সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আল-খাল্লাল বললেন: আর আমরা আবু সাঈদ খালাফকে বললাম: "আপনি আমাদের সেই হাতের তালুর সাথে মুসাফাহা করুন যার মাধ্যমে আপনি আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যাইদ
(১)-এর সাথে মুসাফাহা করেছিলেন", অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫১০)
قالَ الصَّيرفيُّ: وقُلنا لأبي محمدٍ الخَلالِ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها خلفَ بنَ عبدِ الرحمنِ، فصافَحَنا.
قالَ أبو بكرِ بنُ العربيِّ: وقُلنا للصَّيرفيِّ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها الخَلالَ، فصافَحَنا.
قالَ أبو الحجاجِ بنُ وَهْبُونَ: وقُلنا لأبي بكرِ بنِ العربيِّ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها الصَّيرفيَّ، فصافَحَنا.
قالَ أبو بكرِ بنُ العربيِّ المتأخرُ: وقُلنا لابنِ / وَهْبُونَ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها أبا بكرِ بنَ العربيِّ، فصافَحَنا.
قالَ أبو محمدِ بنِ سَمعونَ: وقُلنا لأبي بكرِ بنِ العربيِّ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها ابنَ وَهْبُونَ، فصافَحَنا.
وقُلنا لعبدِ المحسنِ السَّمعونيِّ المُؤدبِ: صافِحْنا بالكفِّ التي صافَحتَ بها أبا بكرٍ محمدَ بنَ العربيِّ المتأخرَ، فصافَحَنا
(1).
551 - (4) وأخبرنا عبدُ المُحسنِ بنُ يونسَ بنِ عبدِ المُحسنِ المُؤدبُ المصريُّ قالَ: أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ العربيِّ
--------------------------------------------
আস-সাইরাফি বলেছেন: আমরা আবু মুহাম্মাদ আল-খাল্লালকে বললাম, "আপনি যে হাত দিয়ে খালাফ ইবনে আবদুর রহমানের সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথেও মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আবু বকর ইবনুল আরাবি বলেছেন: আমরা সাইরাফিকে বললাম, "আপনি যে হাত দিয়ে আল-খাল্লালের সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথেও মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আবুল হাজ্জাজ ইবনে ওয়াহবুন বলেছেন: আমরা আবু বকর ইবনুল আরাবিকে বললাম, "আপনি যে হাত দিয়ে আস-সাইরাফির সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথেও মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
পরবর্তী কালের আবু বকর ইবনুল আরাবি বলেছেন: আমরা ইবনে ওয়াহবুনকে বললাম, "আপনি যে হাত দিয়ে আবু বকর ইবনুল আরাবির সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথেও মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
আবু মুহাম্মাদ ইবনে সামঊন বলেছেন: আমরা আবু বকর ইবনুল আরাবিকে বললাম, "আপনি যে হাত দিয়ে ইবনে ওয়াহবুনের সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথেও মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন।
এবং আমরা শিক্ষক আবদুল মুহসিন আস-সামঊনিকে বললাম, "আপনি যে হাত দিয়ে পরবর্তী কালের আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল আরাবির সাথে মুসাফাহা করেছেন, সেই হাত দিয়ে আমাদের সাথেও মুসাফাহা করুন।" অতঃপর তিনি আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন
(১)।
৫৫১ - (৪) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মিশরীয় শিক্ষক আবদুল মুহসিন ইবনে ইউনুস ইবনে আবদুল মুহসিন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল আরাবি
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫১১)
المَعافريُّ الإِشبيليُّ ثُم الأَندلسيُّ بقراءةِ ابنِ وَرْدانَ في مَنزِلِه عليه وأنا أسمعُ -وسألتُهُ عن مَولدِهِ فقالَ: وُلدتُّ بإِشبيليةَ في جُمادَى الآخِرةِ عامَ اثنينِ وأربعينَ وخَمسِمئةٍ- قالَ: حدثنا الشيخُ الوزيرُ الحَسيبُ المُحدثُ المُسِنُّ الوَرعُ أبو القاسمِ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ جَرج رحمه الله بمسجدِ ابنِ حَكَمُونَ شَرقيَّ مدينةِ قُرطبةَ صانَها اللهُ تعالى وحَرَسَها في أواخِرِ رَبيعٍ الأولِ سَنةَ اثنتَي عشرةَ
(1) وستِّمئةٍ في آخِرِ مَجلسِ / تَحديثِه قيلَ له: حدَّثكم الفقيهُ المُحدثُ الزاهدُ أبو جعفرٍ أحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ البِطْرَوْجيُّ فأقرَّ به قالَ: حدثنا محمدُ بنُ فرجٍ الفقيهُ: حدثنا يونسُ بنُ عبدِ اللهِ: حدثنا محمدُ بنُ معاويةَ القرشيُّ: حدثنا أبو عبدِ الرحمنِ أحمدُ بنُ شعيبٍ: أخبرني الربيعُ بنُ سليمانَ بنِ داودَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ عبدِ الحكمِ: أخبرنا بكرٌ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ زَحْرٍ، عن خالدِ بنِ أبي عمرانَ، عن نافعٍ قالَ:
كانَ ابنُ عمرَ إذا جَلسَ مَجلساً لم يقُمْ حتى يدعُوَ لِجُلسائِه بِهذه الكلماتِ:
(2) اللهمَّ اقسِمْ لنا مِن خَشيتِكَ ما يَحولُ بينَنا وبينَ معاصِيكَ، ومِن طاعتِكَ ما تُبلِّغُنا به جَنتَكَ، ومِن اليَقينِ ما تُهوِّنُ به عَلينا مصائبَ الدُّنيا، اللهمَّ أمتِعْنا بأسماعِنَا وأبصارِنا وقوَّتِنا ما أحيَيتَنا، واجعلْهُ الوارثَ مِنا، واجعَلْ ثأرَنا على مَن ظلَمَنا، وانصُرْنا على مَن عَادانا، ولا تجعَل مُصيبَتنا في دِينِنا، ولا تَجعَل الدُّنيا أكبَرَ هَمِّنا ولا مَبلَغَ عِلمِنا، ولا تُسلِّطْ عَلينا مَن لا يَرحَمُنا
(3).
--------------------------------------------
আল-মাআফিরি আল-ইশবিলি অতঃপর আল-আন্দালুসি, তার নিকট ইবনে ওয়ারদানের পাঠের মাধ্যমে তার গৃহে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম -আমি তাকে তার জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি বললেন: আমি ৫৪২ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসে ইশবিলিয়াতে জন্মগ্রহণ করেছি- তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়খ, উজির, উচ্চ বংশীয়, মুহাদ্দিস, প্রবীণ ও পরহেযগার আবুল কাসিম আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জারজ (রহিমাহুল্লাহ), কুরতুবা শহরের পূর্ব দিকে অবস্থিত ইবনে হাকামুন মসজিদে -আল্লাহ তাআলা একে হেফাযত ও রক্ষা করুন- ৬১২ হিজরির
(১) রবিউল আউয়াল মাসের শেষ দিকে তার হাদিস বর্ণনার শেষ মজলিসে। তাকে বলা হলো: ফকিহ, মুহাদ্দিস ও যাহেদ আবু জাফর আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-বিত্রাউজি কি আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন? তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকিহ মুহাম্মদ ইবনে ফারাজ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আব্দুল্লাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুয়াবিয়া আল-কুরাশি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আহমদ ইবনে শুআইব: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন রাবি ইবনে সুলাইমান ইবনে দাউদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বকর, উবাইদুল্লাহ ইবনে যাহর থেকে, তিনি খালিদ ইবনে আবি ইমরান থেকে, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
ইবনে উমর (রা.) যখন কোনো মজলিসে বসতেন, তখন তার সাথীদের জন্য এই শব্দগুলো দিয়ে দোয়া না করে উঠতেন না:
(২) হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আপনার ভয়ের এমন অংশ বরাদ্দ করুন যা আমাদের ও আপনার অবাধ্যতার মধ্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। আর আপনার আনুগত্যের এমন অংশ যা দিয়ে আপনি আমাদের জান্নাতে পৌঁছে দেবেন। আর এমন ইয়াকিন (দৃঢ় বিশ্বাস) দান করুন যার মাধ্যমে আপনি আমাদের জন্য দুনিয়ার মুসিবতগুলোকে সহজ করে দেবেন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের যতদিন জীবিত রাখেন ততদিন আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও শারীরিক শক্তি দ্বারা আমাদের উপকৃত হওয়ার তৌফিক দিন এবং একে আমাদের উত্তরসূরি বানিয়ে দিন। যারা আমাদের ওপর জুলুম করেছে তাদের ওপর আমাদের প্রতিশোধ গ্রহণ সহজ করে দিন এবং যারা আমাদের সাথে শত্রুতা করে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের দ্বীনের মধ্যে কোনো বিপদ দেবেন না। দুনিয়াকে আমাদের প্রধান চিন্তার বিষয় করবেন না এবং একেই আমাদের জ্ঞানের শেষ সীমানা বানাবেন না। আর আমাদের ওপর এমন কাউকে কর্তৃত্ব দেবেন না যে আমাদের প্রতি দয়া করবে না
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫১২)
قالَ أبو عبدِ الرحمنِ: وأخبرنا سويدُ بنُ نصرٍ: أخبرنا عبدُ اللهِ، عن يحيى بنِ أيوبَ قالَ: حدثني عُبيدُ اللهِ بنُ زَحْرٍ، عن خالدِ بنِ أبي عمرانَ، أنَّ
(1) ابنَ عمرَ قالَ: كانَ / رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لا يَكادُ أَن يَقومَ مِن مَجلسٍ إلا دَعا بِهذه الدَّعواتِ نحوَه
(2).
محمدُ بنُ معاويةَ القرشيُّ القُرطبيُّ رَحلَ إلى المشرقِ وأطالَ الرِّحلةَ، رَوى عن النسائيِّ وعن الفضلِ بنِ الحُبابِ الجُمحيِّ وعن محمدِ بنِ يحيى المَروزيِّ وعن محمدِ بنِ عمرَ الواقديِّ وعن البغويِّ والفِريابيِّ وأبي البشرِ الدُّولابيِّ وغيرِهم، رضي الله عنهم أجمعينَ.
552 - (5) وأخبرنا أبو محمدٍ عبدُ المُحسنِ بنُ يونسَ بنِ عبدِ المُحسنِ المُؤدبُ السَّمعونيُّ المصريُّ قراءةً عليه وأطعَمَنا وسَقانا: أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ محمدٍ العربيُّ المَعافريُّ الإِشبيليُّ الأندلسيُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا الشيخُ الفقيهُ الحَسيبُ القاسمُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ الطَّيْلَسانِ الأنصاريُّ بمَنزلِه بقُرطبةَ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا الأستاذُ الإمامُ المقرئُ أبو بكرٍ غالبُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ محمدِ بنِ غالبٍ رحمه الله في مَنزلِه بمدينةِ قُرطبةَ حرَسَها اللهُ تعالى وأطعَمَنا / وسَقانا قالَ: حدثنا أبي رحمه الله وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا
--------------------------------------------
আবু আব্দুর রহমান বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুওয়াইদ ইবনে নাসর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ, ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে যাহর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে আবি ইমরান থেকে যে,
(১) ইবনে উমর বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোনো মজলিস থেকে ওঠার প্রাক্কালে সচরাচর এই দোয়াগুলো পাঠ করতেন
(২)।
মুহাম্মদ ইবনে মুআবিয়া আল-কুরাশি আল-কুরতুবি প্রাচ্যের দিকে সফর করেছেন এবং দীর্ঘকাল সফর করেছেন। তিনি নাসায়ি, ফযল ইবনে হুবাব আল-জুমাহি, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযি, মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-ওয়াকিদি, বাগাউয়ি, ফিরয়াবি, আবু বিশর আদ-দুলাবি এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
৫৫২ - (৫) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুহসিন ইবনে ইউনুস ইবনে আব্দুল মুহসিন আল-মুয়াদ্দিব আস-সামউনি আল-মিসরি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, আর তিনি আমাদের খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আরাবি আল-মাআফিরি আল-ইশবিলি আল-আন্দালুসি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম, আর তিনি আমাদের খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকিহ ও মর্যাদাবান শাইখ কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আত-তাইলসান আল-আনসারি কুরতুবায় তাঁর নিজ বাসভবনে, আর তিনি আমাদের খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উস্তাদ, ইমাম ও কারী আবু বকর গালিব ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে গালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) কুরতুবা শহরে তাঁর নিজ বাসভবনে (আল্লাহ তাআলা শহরটিকে হিফাযত করুন), আর তিনি আমাদের খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর তিনি আমাদের খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫১৩)
أبو مروانُ بنُ مَسَرَّةَ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أبو القاسمِ بنُ صوابٍ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أبو مروانَ الطُّبْنيُّ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أبو القاسمِ بنُ بُندارٍ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا محمدُ بنُ الحسينِ المقرئُ المُؤدبُ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ الرَّازي وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ جعفرِ بنِ محمدٍ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ عليِّ بنِ النعمانِ البزازُ بأطرابلسَ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ يونسَ بمصرَ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا عَمِّي وكُنتُ في دارِهِ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا سفيانُ الثَّوريُّ وأطعَمَنا وسَقانا، عن مالكِ بنِ أنسٍ وأطعَمَنا وسَقانا، عن نافعٍ وأطعَمَنا وسَقانا، عن عبدِ اللهِ بنِ عمرَ وأطعَمَنا وسَقانا قالَ:
كُنتُ حاضراً في دارِ عائشةَ رضي الله عنها وكانَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم حاضراً فيها، فأكلتُ مَع النبيِّ صلى الله عليه وسلم طيراتٍ
(1) أَتى بِها رَجلٌ مِن الأنصارِ، إذْ أقبَلَ إليَّ بوَجهِهِ وقالَ: «يا عبدَ اللهِ، عليكَ بالصدقِ، فإنَّ الصدقَ يَهدي إلى البِرِّ، واترُك الكذبَ /-[أو لا] تَقل
(2) الكذبَ-، فإنَّ الكذبَ يَهدي إلى الفُجورِ،
--------------------------------------------
আবু মারওয়ান ইবনে মাসাররাহ আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন এবং বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুল কাসেম ইবনে সাওয়াব এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু মারওয়ান আত-তুবনি এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুল কাসেম ইবনে বুন্দার এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আল-মুকরি আল-মুয়াদ্দিব এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন আর-রাজি এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুন নুমান আল-বায্যায ত্রিপোলিতে এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস মিসরে এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমার চাচা আমাদের বর্ণনা করেছেন যখন আমি তাঁর বাড়িতে ছিলাম এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি এবং তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, মালেক ইবনে আনাস থেকে, তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, নাফে থেকে, তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে, তিনি আমাদের খাওয়ালেন ও পান করালেন, তিনি বললেন:
আমি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর ঘরে উপস্থিত ছিলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কিছু ছোট পাখি
(১) খেলাম যা আনসারদের একজন লোক নিয়ে এসেছিল। তখন তিনি আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে তাকালেন এবং বললেন: «হে আবদুল্লাহ, তুমি সত্যকে আঁকড়ে ধরো, কেননা সত্য পুণ্যের দিকে পরিচালিত করে। আর মিথ্যা বর্জন করো /-[অথবা] মিথ্যা বলো না
(২)-, কারণ মিথ্যা পাপাচারের দিকে পরিচালিত করে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫১৪)
وعليكَ بحُسنِ الخُلقِ، فإنَّ حُسنَ الخُلقِ مِن أخلاقِ أهلِ الجَنةِ، وإنَّ سوءِ الخُلقِ مِن أخلاقِ أهلِ النارِ»
(1).
قالَ لنا عبدُ المُحسنِ: قالَ لنا ابنُ العربيِّ: قالَ لي ابنُ الطَّيْلَسانِ: وقَد حدَّثنا بهذا الحديثِ القاضي أبو محمدِ بنُ عبدِ الحقِّ رحمه الله وأطعَمَنا وسَقانا قالَ: حدثنا القاضي أبو مروانَ بنُ مَسَرة إجازةً بسندِهِ المتقدِّمِ.
آخِرُه
وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ وآلِهِ وصحبِه وسلَّمَ
--------------------------------------------
তোমাদের কর্তব্য হলো সচ্চরিত্রতা অবলম্বন করা, কেননা সচ্চরিত্রতা জান্নাতবাসীদের চরিত্রের অন্তর্ভুক্ত, আর দুশ্চরিত্রতা জাহান্নামীদের চরিত্রের অন্তর্ভুক্ত।
(১).
আব্দুল মুহসিন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুল আরাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনুত তাইলাসান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: বিচারক আবু মুহাম্মদ বিন আব্দুল হক (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের নিকট এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং আমাদের আহার ও পানীয় করিয়েছেন, তিনি বলেন: বিচারক আবু মারওয়ান বিন মাসাররা তার পূর্বোল্লিখিত সনদের মাধ্যমে ইজাজতসূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
সমাপ্ত
এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীবর্গের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
খামসাতু আহাদীস মিন রিওয়ায়াতি ইবনিল আরাবী আল-মুতাআখখির
(পৃষ্ঠা: ৫১৫)
كتَبَه بيدِهِ لنفسِهِ العبدُ عثمانُ بنُ محمدِ بنِ عثمانَ بنِ أبي بكرِ بنِ يوسفَ العَجميُّ الأصلِ الدِّمشقيُّ المَولدِ المصريُّ المَربَى المَعروفُ بالقنقازيِّ
(1)عَفا اللهُ عنه وجبَرَه وغَفرَ له ولوالدَيهِ ولجميعِ المُسلمينَ
آمينَ
--------------------------------------------
এটি নিজের জন্য স্বহস্তে লিখেছেন আল্লাহর বান্দা উসমান বিন মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আবু বকর বিন ইউসুফ, যিনি বংশগতভাবে অনারব, জন্মসূত্রে দামেস্কি, লালন-পালনে মিশরীয় এবং আল-কুনকাজি নামে পরিচিত
(১)আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন, তার অবস্থা সংশোধন করুন এবং তাকে, তার পিতামাতাকে ও সকল মুসলিমকে মার্জনা করুন
আমীন
--------------------------------------------