(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث المناديلي القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث المناديلي
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 6
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
আহাদিসুল মুনাদিলি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আহাদিসুল মুনাদিলি
[«মুসান্নাফাত তিরাদ আজ-জায়নাবি এবং অন্যান্য অংশ»-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত]
মুহাক্কিক: নাবিল সাদউদ্দীন জাররার
প্রকাশক: আরওয়াকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং, জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
আল-শামেলাহ-তে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৯১)
بسم الله الرحمن الرحيم
مِن أحاديثِ أبي القاسمِ إبراهيمَ بنِ محمدٍ المَناديليِّأخبرنا الشيخُ الإمامُ الحافظُ شيخُ الإسلامِ فخرُ الأَئمةِ جَمالُ الحُفاظِ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ السِّلَفيُّ الأصبهانيُّ رضي الله عنه قراءةً عليه وأنا أسمعُ في شوالٍ سَنةَ أربعٍ وسَبعينَ وخمسِمئةٍ: أخبرنا الشيخُ الصالحُ أبو بكرٍ محمدُ بنُ أبي نصرٍ الأُشْنانيُّ بقراءَتي عليه في دارِهِ يومَ الاثنينِ ثاني ذي قِعدة سَنةَ تِسعينَ وأربعِمئةٍ قلتُ له: أخبَركم أبو القاسمِ إبراهيمُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ المَناديليُّ المُعدلُ المقرئُ بالبصرةِ في شهرِ اللهِ المُباركِ سَنةَ سِتٍّ وسِتِّينَ وأربعِمئةٍ:
541 - (1) حدثنا أبو بكرٍ أحمدُ بنُ يعقوبَ بنِ إبراهيمَ الطابِثيُّ المُعدلُ إملاًء سَنةَ سبعٍ وتِسعينَ وثلاثِمئةٍ: حدثنا أبو العباسِ الأثرمُ المُقرئُ: حدثنا حُميدُ بنُ الربيعِ: حدثنا ابنُ عُيينةَ، عن سُميٍّ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ،
يَبلغُ به النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الحجُّ المَبرورُ ليسَ له جَزاءٌ إلا الجَنةُ، والعُمرتانِ تُكفِّرانِ ما بينَهما»
(1).
542 - (2) حدثنا القاضي أبو عمرَ القاسمُ بنُ جعفرِ بنِ عبدِ الواحدِ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
আবু কাসিম ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ আল-মানাদিলির হাদিসসমূহ হতে সংকলিতশাইখ, ইমাম, হাফিজ, শাইখুল ইসলাম, আইম্মাদের গৌরব, হাফিজদের সৌন্দর্য আবু তাহির আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আস-সিলাফি আল-আসবেহানি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) ৫৭৪ হিজরির শাওয়াল মাসে তাঁর নিকট পাঠ করার সময় আমি শ্রবণ করেছি, তখন তিনি আমাদের জানিয়েছেন: সৎ শাইখ আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবু নাসর আল-উশনানি ৪৯০ হিজরির যুল-কাদা মাসের ২ তারিখ সোমবার দিন তাঁর বাসভবনে আমার পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন। আমি তাঁকে বললাম: বসরাহ নগরের মুআদ্দিল ও মুকরি আবু কাসিম ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আল-মানাদিলি কি ৪৬৬ হিজরির আল্লাহর বরকতময় মাসে আপনাদেরকে জানিয়েছেন?
৫৪১ - (১) আবু বকর আহমদ ইবন ইয়াকুব ইবন ইব্রাহিম আত-তাবিছি আল-মুআদ্দিল ৩৯৭ হিজরিতে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আব্বাস আল-আছরাম আল-মুকরি আমাদের বর্ণনা করেছেন: হুমাইদ ইবনুর রবি আমাদের বর্ণনা করেছেন: ইবন উইয়াইনাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে,
যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছান; তিনি বলেছেন: «মাবরুর হজের প্রতিদান জান্নাত ব্যতীত আর কিছুই নয় এবং দুই ওমরাহর মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহ ওমরাহ মোচন করে দেয়»
(১)।
৫৪২ - (২) বিচারক আবু উমর আল-কাসিম ইবন জাফর ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৯২)
الهاشميُّ: حدثنا عليُّ بنُ إسحاقَ: حدثنا ابنُ أبي زَكريا: حدثنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ العطارُ: حدثنا سهلُ بنُ تمامٍ: حدثنا الحارثُ بنُ شِبلٍ قالَ: حدثتنا أمُّ النُّعمانِ، عن / عائشةَ قالت:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «سَيكونُ لوَلدِ العباسِ رايةٌ، فمَن تابَعَهم رَشَدَ، ومَن خالَفَهم هَلَكَ، ولا يَخرجُ مِن أَيديهم ما أَقاموا الحقَّ»
(1).
543 - (3) حدثنا القاضي أبو الحسينِ عليُّ بنُ أحمدَ بنِ غسانَ الحافظُ: حدثنا محمدُ بنُ ماعزِ بنِ عبدِ الرحمنِ: حدثنا الهيثمُ بنُ خلفٍ: حدثنا يحيى بنُ عثمانَ: حدثنا إسماعيلُ بنُ عياشٍ، عن الوليدِ بنِ عبَّادٍ، عن أبان بنِ أبي عياشٍ، عن عاصمٍ، عن زرٍّ، عن علقمةَ، عن عُقبةَ بنِ عَمرو قالَ:
سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «أَنزلَ اللهُ تعالى عليَّ اثنينِ مِن كُنوزِ الجَنةِ كتَبَهما اللهُ الرَّحمنُ عز وجل بيدِهِ قبلَ أَن يَخلقَ الخَلقَ بألفَي عامٍ، مَن قرَأَهما بعدَ عشاءِ الآخرةِ مرَّتينِ أجزَأتا عنه قيامَ ليلةٍ: {آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ}» [البقرة: 285] حتى خَتمَ السورةَ
(2).
--------------------------------------------
আল-হাশেমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি জাকারিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাহল ইবনে তাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হারিস ইবনে শিবল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উম্মুন নুমান আমাদের নিকট আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আব্বাসের বংশধরদের একটি পতাকা থাকবে। যে তাদের অনুসরণ করবে সে সঠিক পথ পাবে, আর যে তাদের বিরোধিতা করবে সে ধ্বংস হবে। যতক্ষণ তারা সত্য প্রতিষ্ঠা করবে ততক্ষণ তা তাদের হাত থেকে বের হবে না»
(১)।
৫৪৩ - (৩) কাযী আবুল হুসাইন আলী ইবনে আহমদ ইবনে গাসসান আল-হাফিয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে মায়েজ ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাইসাম ইবনে খালাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল ইবনে আইয়াশ আমাদের নিকট ওয়ালিদ ইবনে আব্বাদ থেকে, তিনি আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি উকবা ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «আল্লাহ তাআলা আমার ওপর জান্নাতের দু’টি ভাণ্ডার নাযিল করেছেন, যা রহমান আল্লাহ আযযা ওয়া জাল সৃষ্টিজগত সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে তাঁর হাত দিয়ে লিখেছেন। যে ব্যক্তি এশার সালাতের পর দু’বার তা পাঠ করবে, তা তার জন্য সারারাত ইবাদতে দণ্ডায়মান থাকার সমান হবে: {রাসূল ঈমান এনেছেন তাঁর নিকট তাঁর রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল হয়েছে তার ওপর...}» [বাকারা: ২৮৫] সূরার শেষ পর্যন্ত
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৩)
544 - (4) حدثنا أبو الحسينِ أحمدُ بنُ محمدٍ الجَلَّابُ: حدثنا إبراهيمُ بنُ عليٍّ: حدثنا محمدُ بنُ يونسَ: حدثنا العلاءُ بنُ عَمرو: حدثنا أبو إسحاقَ الفَزَاريُّ: حدثنا سفيانُ بنُ سعيدٍ، عن آدمَ بنِ عليٍّ، عن ابنِ عمرَ قالَ:
كُنتُ عندَ النبيِّ صلى الله عليه وسلم وعندَه أبو بكرٍ الصِّديقُ وعليه عَباءةٌ قَد خَلَّها في صدرِهِ بخِلَالٍ، إذ أَتى جبريلُ عليه السلام / فقالَ: ما لي أَرى أبا بكرٍ عليه عَباءةٌ قَد خَلَّها في صدرِهِ بخِلَالٍ! قالَ: «يا جبريلُ، أنفَقَ مالَهُ عليَّ قبلَ الفتحِ» قالَ: فإنَّ اللهَ عز وجل يَقرأُ عليه السلام ويقولُ له: أساخِطٌ أنتَ في فَقرِكَ هذا أمْ راضٍ؟ فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يا أبا بكرٍ، إنَّ اللهَ تعالى يَقرأُ عَليكَ السلامَ ويقولُ لكَ: أساخِطٌ أنتَ عليَّ في فَقرِكَ هذا أمْ راضٍ؟» فقالَ: أسخَطُ على ربِّي! أَنا عن ربِّي راضٍ، أَنا عن ربِّي راضٍ، أَنا عن ربِّي راضٍ
(1).
--------------------------------------------
৫৪৪ - (৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-জাল্লাব: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন আলী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইউনুস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবন আমর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক আল-ফাজারি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন সাঈদ, আদম ইবন আলী থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে ছিলাম এবং তাঁর সাথে আবু বকর সিদ্দীকও ছিলেন, তাঁর গায়ে একটি জুব্বা ছিল যা তিনি তাঁর বুকের ওপর একটি কাঁটা দিয়ে গেঁথে রেখেছিলেন। এমতাবস্থায় জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আসলেন / এবং বললেন: আমার কী হলো যে আমি আবু বকরকে একটি জুব্বা পরিহিত দেখছি যা তিনি তাঁর বুকের ওপর একটি কাঁটা দিয়ে গেঁথে রেখেছেন! তিনি বললেন: «হে জিবরাঈল, মক্কা বিজয়ের পূর্বে সে আমার জন্য তার সমস্ত সম্পদ ব্যয় করেছে» তিনি (জিবরাঈল) বললেন: আল্লাহ মহিমান্বিত ও পরাক্রমশালী তাঁকে সালাম জানাচ্ছেন এবং তাকে বলছেন: তুমি কি তোমার এই দারিদ্র্যে (আমার প্রতি) অসন্তুষ্ট না সন্তুষ্ট? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে আবু বকর, আল্লাহ তাআলা তোমাকে সালাম জানাচ্ছেন এবং তোমাকে বলছেন: তুমি কি তোমার এই দারিদ্র্যে আমার প্রতি অসন্তুষ্ট না সন্তুষ্ট?» তিনি বললেন: আমি কি আমার রবের প্রতি অসন্তুষ্ট হতে পারি! আমি আমার রবের প্রতি সন্তুষ্ট, আমি আমার রবের প্রতি সন্তুষ্ট, আমি আমার রবের প্রতি সন্তুষ্ট
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৪)
545 - (5) حدثنا أبو الحسينِ أحمدُ بنُ محمدٍ الجَلَّابُ: حدثنا معروفُ بنُ يحيى: حدثنا جعفرٌ: حدثنا النُّفيليُّ: حدثنا زهيرٌ: حدثنا سماكُ بنُ حربٍ قالَ:
قُلتُ لجابرِ بنِ سمرةَ: أكُنتَ تُجالِسُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ قالَ: نَعم كثيراً، وكانَ لا يَقومُ مِن مُصلَّاهُ الذي يُصلِّي فيه الغَداةَ حتى تَطلُعَ الشمسُ، فإذا طَلعَت الشمسُ قامَ، وكانَ يُطيلُ الصَّمتَ، فيَتحدَّثونَ فيأخُذونَ في أمرِ الجاهليةِ ويَضحَكونَ وتبسم
(1) رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم.
546 - (6) حدثنا القاضي أبو الحسينِ عليُّ بنُ أحمدَ بنِ غسانَ: حدثنا أحمدُ بنُ بُندارٍ: حدثنا عُبيدُ بنُ الحسنِ: حدَّثني عليٌّ وليسَ بالمَدينيِّ: / حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ زيدِ بنِ أسلمَ، عن أبيه، عن ابنِ عمرَ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ليسَ على أهلِ لا إلهَ إلا اللهُ وَحشةٌ في قُبورِهم، وكأنِّي بأهلِ لا إلهَ إلا اللهُ قَد خَرجوا مِن قُبورِهم يمسَحونَ الترابَ عن رُؤوسِهم ويَقولونَ: الحمدُ للهِ الذي أذهَبَ عَنا الحَزَنَ»
(2).
547 - (7) حدثنا أبو الحسينِ بنُ غسانَ: حدثنا أبو ذرٍّ عمارُ بنُ
--------------------------------------------
545 - (৫) আমাদের নিকট আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-জাল্লাব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মা'রুফ বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট জা'ফর বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আন-নুফাইলি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট জুহাইর বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সিমাক বিন হারব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি জাবির বিন সামুরাহকে বললাম: আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মজলিসে বসতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, অনেকবার। তিনি যে স্থানে সকালের (ফজরের) সালাত আদায় করতেন, সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে উঠতেন না। যখন সূর্য উদিত হতো, তখন তিনি উঠে যেতেন। তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন। তারা (সাহাবীগণ) কথাবার্তা বলতেন এবং জাহেলিয়াত যুগের বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করতেন ও হাসাহাসি করতেন, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসতেন
(১)।
546 - (৬) আমাদের নিকট কাযী আবু আল-হুসাইন আলী বিন আহমাদ বিন গাসসান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আহমাদ বিন বুন্দার বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উবাইদ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন: আমার নিকট আলী বর্ণনা করেছেন—যিনি আল-মাদিনী নন—: / আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন যাইদ বিন আসলাম বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র অনুসারীদের জন্য তাদের কবরে কোনো একাকীত্ব বা আতঙ্ক নেই। আমি যেন দেখতে পাচ্ছি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র অনুসারীদের, তারা তাদের কবর থেকে বের হচ্ছে, তাদের মাথা থেকে মাটি ঝাড়ছে এবং বলছে: 'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের থেকে দুঃখ-কষ্ট দূর করেছেন'»
(২)।
547 - (৭) আমাদের নিকট আবু আল-হুসাইন বিন গাসসান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু যার আম্মার বিন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৫)
محمدٍ: حدثنا القاسمُ بنُ محمدِ بنِ رُوزبةَ: حدثنا محمدُ بنُ معروفٍ: حدثنا حامدُ بنُ يونسَ: حدثنا سهلُ بنُ خاقانَ: حدثنا جعفرُ بنُ محمدٍ، عن أبيه، عن جدِّه، عن عليِّ بنِ أبي طالبٍ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «يا عليُّ، اقْرأ سورةَ يس، فَفي قراءَتِها عشرُ بَركاتٍ: ما قَرأَها جائعٌ إلا شَبعَ، ولا قَرأَها ظمآنُ إلا رَوِيَ، ولا قَرأَها عاري إلا كسيَ، ولا قَرأَها عَزَبٌ إلا زُوِّجَ
(1)، ولا قَرأَها خائفٌ إلا أَمِنَ، ولا قَرأَها مريضٌ إلا بَرأَ، ولا قَرأَها مَسجونٌ إلا أُخرِجَ، ولا قَرأَها مسافرٌ إلا أُعينَ على سَفرِه، ولا قُرِئت عندَ ميتٍ إلا خُفِّفَ عنه، ولا قَرأَها رَجلٌ ضَلَّ له ضالَّةٌ إلا وجَدَها»
(2).
--------------------------------------------
মুহাম্মদ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রূজবাহ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মারূফ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হামিদ ইবনে ইউনুস: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাহল ইবনে খাকান: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেন,
নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হে আলী, তুমি সূরা ইয়াসীন পাঠ করো, কেননা এর পাঠে দশটি বরকত রয়েছে: কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তি তা পাঠ করলে সে তৃপ্ত হয়, কোনো তৃষ্ণার্ত ব্যক্তি তা পাঠ করলে সে পরিতৃপ্ত হয়, কোনো বস্ত্রহীন ব্যক্তি তা পাঠ করলে সে বস্ত্র লাভ করে, কোনো অবিবাহিত ব্যক্তি তা পাঠ করলে তার বিবাহের ব্যবস্থা হয়
(১), কোনো ভীত ব্যক্তি তা পাঠ করলে সে নিরাপত্তা পায়, কোনো অসুস্থ ব্যক্তি তা পাঠ করলে সে আরোগ্য লাভ করে, কোনো বন্দী ব্যক্তি তা পাঠ করলে সে মুক্তি পায়, কোনো মুসাফির তা পাঠ করলে সে তার সফরে সহায়তা লাভ করে, কোনো মৃতের নিকট তা পাঠ করলে তার (কষ্ট) লাঘব করা হয় এবং কোনো ব্যক্তি যার কোনো কিছু হারিয়ে গেছে সে তা পাঠ করলে তা খুঁজে পায়»
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসুল মুনাদীলী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৬)
آخِرُهوالحمدُ للهِ حقَّ حمدِهِ
وصلواتُه على سيِّدِنا محمدٍ وآلِهِ وصحبِهِ وسلَّمَ
সমাপ্তআর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যেমনটি তাঁর যথাযথ প্রশংসা প্রাপ্য
এবং তাঁর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সহচরদের ওপর।