(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: -)
مجلس ابن هزارمرد القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلس ابن هزارمرد
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 22
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
মজলিস ইবনে হাযারমার্দ বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
কিতাব: মজলিস ইবনে হাযারমার্দ
[«তিরাদ আল-যায়নাবীর রচনাবলী এবং অন্যান্য অংশ»-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত]
মুহাক্কিক: নাবিল সা'দ আদ-দীন জাররার
প্রকাশক: আরওয়িকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং, জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২
[কিতাবের পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
আশ-শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শা'বান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২১)
ابنُ هَزَارْمَرْد الصَّرِيفينيُّالإمامُ الثقةُ الخطيبُ خطيبُ صَرِيفينَ، أبو محمدٍ عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ عمرَ بنِ أحمدَ بنِ مُجيبِ بنِ مُجمِّعِ الصَّرِيفِينيُّ، راوي كتابِ «الجعديات». المعروفُ والدُه بهَزَارْمَرْدَ
(1).
سمعَ: ابنَ حَبَابةَ، وابنَ أخي مِيمي الدَّقاقَ، وعمرَ بنَ إبراهيمَ الكَتانيَّ، وأبا طاهرٍ المُخَلِّصَ، وأَمَةَ السَّلامِ بنتَ أحمدَ بنِ كاملٍ، والحافظَ أحمدَ بنَ محمدِ بنِ دُوْست العلَّافَ، وغيرَهم.
حدَّثَ عنه: الخطيبُ، والحُميديُّ، وأبو المُظَفَّرِ السَّمعانيُّ، وهبةُ اللهِ الشِّيرازيُّ، ومحمدُ بنُ طاهرٍ، وأبو بكرٍ الأنصاريُّ، وإسماعيلُ بنُ السَّمرقَنديِّ، وعليُّ بنُ سُكينةَ، وعبدُ الوهابِ الأَنماطيُّ، والحسينُ بنُ عليٍّ سِبطُ الخَياطِ، ويحيى بنُ عليِّ بنِ الطَّرَّاحِ، وآخَرونَ.
قالَ الخطيبُ: قدِمَ بغدادَ دُفعاتٍ وحدَّث بِها، فكتَبتُ عنه، وكانَ صدوقاً.
وقالَ أبو سعدٍ السَّمعانيُّ: شيخٌ صالحٌ خيِّرٌ، صارَت إليه الرِّحلةُ، وُلدَ ببغداد، وكانَ أحمدَ الناسِ طريقةً، وأجمَلَهم خَليقةً، وأخلَصَهم نيةً، وأصفاهم طويَّةً، سمعَ مِنه الكبارُ.
--------------------------------------------
ইবনে হাজারমার্দ আস-সারিফিনিনির্ভরযোগ্য ইমাম, খতীব এবং সারিফিনের খতীব, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আহমাদ বিন মুজীব বিন মুজাম্মি আস-সারিফিনি, 'আল-জাদিয়্যাত' গ্রন্থের বর্ণনাকারী। তাঁর পিতা হাজারমার্দ নামে পরিচিত ছিলেন।
(১)তিনি শ্রবণ করেছেন: ইবনে হাবাবাহ, ইবনে আখি মীমি আদ-দাক্কাক, উমর বিন ইবরাহিম আল-কাত্তানি, আবু তাহির আল-মুখাল্লিস, আমাতুস সালাম বিনতে আহমাদ বিন কামিল, হাফেজ আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন দুস্ত আল-আল্লাফ এবং অন্যান্যদের থেকে।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-খতীব, আল-হুমাইদি, আবু মুজাফফর আস-সামআনি, হিবাতুল্লাহ আশ-শিরাজি, মুহাম্মদ বিন তাহির, আবু বকর আল-আনসারি, ইসমাইল বিন আস-সামারকান্তি, আলি বিন সুকাইনাহ, আব্দুল ওয়াহাব আল-আনমাতি, আল-হুসাইন বিন আলি সিবত আল-খাইয়্যাত, ইয়াহইয়া বিন আলি বিন আত-তাররাহ এবং অন্যান্যরা।
আল-খতীব বলেন: তিনি কয়েক দফায় বাগদাদে আগমন করেন এবং সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন, আমি তাঁর থেকে লিখেছি, আর তিনি সত্যবাদী ছিলেন।
আবু সাদ আস-সামআনি বলেন: তিনি একজন নেককার ও কল্যাণকামী শায়খ ছিলেন, যাঁর কাছে (ইলম অন্বেষণে) মানুষ সফর করত। তিনি বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মানুষের মধ্যে সুন্দরতম পদ্ধতির অনুসারী, অত্যন্ত মনোরম চরিত্রের অধিকারী, একনিষ্ঠ নিয়তের অধিকারী এবং অত্যন্ত স্বচ্ছ হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। বড় বড় উলামাগণ তাঁর থেকে শ্রবণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২২)
وقالَ أبو الفضلِ بنُ خَيرونَ: هو ثقةٌ له أصولٌ جِيادٌ.
تُوفيَ سَنةَ (469 هـ)
(1).
--------------------------------------------
আবুল ফজল বিন খায়রুন বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তাঁর নিকট উন্নতমানের মূল পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
তিনি ৪৬৯ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২৩)
مجلسُ ابنِ هَزَارْمَرْد«مجلس أبي محمد بن هزارمرد» هكذا جاءَ اسمُ هذا الجزءِ في الأوراقِ [158/ب، 159/ب، 160/ب]، مِن المجموعِ (51) مِن المَجاميعِ العُمريةِ
(1).
ثم في الورقةِ [161/ب]: «مجلس ابن هزارمرد».
ثم في الورقةِ [162/ب]: «مجلس ابن هزارمرد الصريفيني»، وكذلكَ جاءَ أيضاً في سماعَينِ في الورقةِ [179]
(2).
* ثم يأتي إسنادُ الجزءِ في الورقةِ [163/ب]، فيَرويه صاحبُه محمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ عليِّ بنِ محمدِ بنِ بقاءٍ المُلَقنُ، قالَ الحافظُ ابنُ حجرٍ في «الدرر الكامنة» (5/ 15): البغداديُّ الأصلِ الدِّمشقيُّ .. .. سمعَ مِن الفَخرِ جُزءَ ابنِ هَزَارْمَردَ وغيرَه وحدَّثَ .. ماتَ في صفرٍ سَنةَ (759 هـ).
--------------------------------------------
ইবন হাজারমার্দের মজলিস«আবু মুহাম্মদ ইবন হাজারমার্দের মজলিস»—আল-মাজামিউ আল-উমরিয়্যাহ-এর ৫১তম সংকলনের [১৫৮/খ, ১৫৯/খ, ১৬০/খ] নং পৃষ্ঠাগুলোতে এই খণ্ডের নাম এভাবেই এসেছে
(১)।
অতঃপর [১৬১/খ] নং পৃষ্ঠায় রয়েছে: «ইবন হাজারমার্দের মজলিস»।
অতঃপর [১৬২/খ] নং পৃষ্ঠায় রয়েছে: «সারিফিনি ইবন হাজারমার্দের মজলিস», এবং একইভাবে [১৭৯] নং পৃষ্ঠার দুটি শ্রবণ-লিপিতেও (সামা') এমনটি এসেছে
(২)।
* অতঃপর [১৬৩/খ] নং পৃষ্ঠায় এই খণ্ডের সনদ বা সূত্র বর্ণিত হয়েছে। এর সংকলক মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম ইবন আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন বাকা আল-মুলাক্কিন এটি বর্ণনা করেছেন। হাফিয ইবন হাজার «আদ-দুরার আল-কামিনাহ» (৫/১৫) গ্রন্থে বলেছেন: তিনি বংশগতভাবে বাগদাদি কিন্তু দামেস্কি... তিনি আল-ফাখর-এর নিকট থেকে ইবন হাজারমার্দের খণ্ড (জুয) ও অন্যান্য কিতাব শ্রবণ করেছেন এবং হাদিস বর্ণনা করেছেন... তিনি ৭৫৯ হিজরি সালের সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২৪)
* عن الفخرِ ابنِ البخاريِّ: الإمامِ الفقيهِ العالِمِ المُعمَّرِ محدِّثِ الإسلامِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ الواحدِ المَقدسيِّ
(1).
* عن أبي اليُمْنِ الكِنديِّ: الشيخِ الإمامِ العَلامةِ المُفتي، شيخِ الحَنفيةِ، وشيخِ العربيةِ، وشيخِ القراءاتِ، ومُسندِ الشامِ، تاجِ الدِّينِ زيدِ بنِ الحسنِ بنِ زيدِ بنِ الحسنِ الكِنديِّ البغداديِّ المُقرئِ النَّحْويِّ اللُّغويِّ الحَنفيِّ
(2).
* عن سِبطِ أبي منصورٍ الخَياطِ الشيخِ الإمامِ المُسندِ المُقرئِ الصالحِ بقيةِ السَّلفِ، أبي عبدِ اللهِ الحسينِ بنِ عليِّ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ البغداديِّ
(3).
* عن ابنِ هَزَارْمَردَ الصَّريفِينيِّ.
ولم يَنفرد الفَخرُ ابنُ البخاريِّ بروايةِ هذا الجُزءِ عن أبي اليُمنِ الكِنديِّ، بل جاءَ في السماعِ المُثبتِ في الورقةِ [175] أنَّه شارَكَه في ذلكَ كلٌّ مِن:
* أحمدُ بنُ شيبانَ بنِ تَغلبَ بنِ حَيدرةَ أبو العباسِ الشَّيبانيُّ
(4).
* ويوسفُ بنُ يعقوبَ بنِ محمدِ بنِ محمدٍ، أبو الفتحِ الشَّيبانيُّ المعروفُ بابنِ المجاورِ
(5).
* والشمسُ ابنُ الكمالِ محمدِ بنِ عبدِ الرحيمِ بنِ عبدِ الواحدِ المَقدسيُّ الحَنبليُّ
(6).
--------------------------------------------
* আল-ফাখর ইবনুল বুখারি থেকে বর্ণিত: ইমাম, ফকিহ, বিজ্ঞ আলেম, দীর্ঘজীবী, ইসলামের মুহাদ্দিস আবুল হাসান আলী বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি
(১)।
* আবুল ইউমন আল-কিন্দি থেকে বর্ণিত: শাইখ, ইমাম, আল্লামা, মুফতি, হানাফিদের শাইখ, আরবি ভাষার শাইখ, কিরাত শাস্ত্রের শাইখ, শামের মুসনিদ, তাজউদ্দীন যায়েদ বিন হাসান বিন যায়েদ বিন হাসান আল-কিন্দি আল-বাগদাদি, মুকরি, ব্যাকরণবিদ, ভাষাবিদ, হানাফি
(২)।
* আবু মানসুর আল-খাইয়্যাত-এর দৌহিত্র থেকে বর্ণিত: শাইখ, ইমাম, মুসনিদ, মুকরি, নেককার, পূর্বসূরিদের অবশিষ্টাংশ, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি
(৩)।
* ইবনে হাজারমর্দ আস-সারিফিনি থেকে বর্ণিত।
আল-ফাখর ইবনুল বুখারি আবুল ইউমন আল-কিন্দি থেকে এই জুজ (পুস্তিকা) বর্ণনায় একাকী ছিলেন না, বরং [১৭৫] নং পৃষ্ঠায় সংরক্ষিত শ্রবণলিপিতে বর্ণিত হয়েছে যে, নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণও তার সাথে এতে শরিক ছিলেন:
* আহমদ বিন শায়বান বিন তাগলিব বিন হায়দারা আবুল আব্বাস আশ-শায়বানি
(৪)।
* এবং ইউসুফ বিন ইয়াকুব বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ, আবুল ফাতহ আশ-শায়বানি, যিনি ইবনুল মুজাউয়ির নামে পরিচিত
(৫)।
* এবং আশ-শামস ইবনুল কামাল মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহিম বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২৫)
ومِن طريقِ الشمسِ ابنِ الكمالِ والفخرِ ابنِ البخاريِّ يَروي الحافظُ ابنُ حجرٍ هذا الجُزءَ الذي ذكَرَه في «المعجم المفهرس» باسمِ: «جزء من حديث الصريفيني».
جاءَ هذا بعدَ أن ذَكرَ (1318) «مجلس الصريفيني» الذي يَرويه مِن طريق أبي القاسمِ السَّمرقَنديِّ عن ابنِ هَزَارْمَردَ، قالَ: وأولُ الجُزءِ: خَرجَ المَهديُّ بنفسِهِ .. .
فهو جُزءٌ آخَرُ مُختلفٌ عن هذا الجُزءِ.
وقالَ الذَّهبيُّ في ترجمةِ ابنِ الرَّزازِ مِن «تاريخ الإسلام» (15/ 560): وسمعَ مِن أبي الفتحِ عبدِ الملكِ بنِ أبي الفتحِ الدَّلالِ «جزء ابن هزارمرد الصريفيني» سَنةَ ثمانِ عشرةَ قالَ: أخبرنا المباركُ بنُ عليٍّ السِّمَّذيُّ قالَ: حدثنا الصَّرِيفِيني.
فلعلَّه جُزءٌ ثالثٌ لابنِ هَزَارْمَردَ. واللهُ أعلمُ.
* ويَنتهي الجزءُ في الورقةِ [174]، وما بعدَها إلى الورقةِ [180] سماعاتٌ تدلُّ على اهتمامِ العلماءِ وطلبةِ الحديثِ بهذا الجُزءِ.
تبدأُ بسماعٍ مَنقولٍ على أبي اليُمنِ الكِنديِّ سَنةَ (611 هـ)، ثم على الفخرِ بنِ البخاريِّ (688 هـ).
وبقيةُ السَّماعاتِ على مالكِ الجُزءِ وراويه ابنِ بقاءٍ المُلَقنِ
(1) في تواريخَ مُختلفةٍ في سَنوات (736، 737، 740، 741، 742، 751، 754، 756، 757 هـ) بعضُها بخَطِّه.
--------------------------------------------
হাফেজ ইবনে হাজার আশ-শামস ইবনুল কামাল এবং আল-ফখর ইবনুল বুখারীর সূত্র থেকে এই সংকলনটি (জুয) বর্ণনা করেছেন, যা তিনি ‘আল-মুজামুল মুফাহরাস’-এ ‘জুযউ মিন হাদিসিস সারিফিনি’ নামে উল্লেখ করেছেন।
এটি এসেছে (১৩১৮) ‘মাজলিসুস সারিফিনি’ উল্লেখ করার পর, যা তিনি আবুল কাসিম আস-সামারকান্দীর সূত্রে ইবনে হাযারমারদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: সংকলনটির শুরু হলো: ‘মাহদী নিজে বের হলেন...’।
সুতরাং এটি এই সংকলন থেকে ভিন্ন অন্য একটি সংকলন।
ইমাম আয-যাহাবী ‘তারিখুল ইসলাম’-এর (১৫/৫৬০) ইবনুর রাযযাযের জীবনীতে বলেছেন: তিনি আবুল ফাতহ আব্দুল মালিক বিন আবিল ফাতহ আদ-দাল্লালের নিকট থেকে আঠারো হিজরী সনে ‘জুযউ ইবনু হাযারমারদ আস-সারিফিনি’ শুনেছেন। তিনি (আদ-দাল্লাল) বলেছেন: আল-মুবারক বিন আলী আস-সিম্মাযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আস-সারিফিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
সম্ভবত এটি ইবনে হাযারমারদের তৃতীয় কোনো সংকলন। আল্লাহই ভালো জানেন।
* সংকলনটি [১৭৪] নম্বর পাতায় শেষ হয়েছে এবং পরবর্তী [১৮০] নম্বর পাতা পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রবণ-সনদ (সামা'আত) রয়েছে, যা এই সংকলনটির প্রতি আলেমগণ এবং হাদিসের ছাত্রদের গুরুত্বারোপের প্রমাণ দেয়।
এটি শুরু হয়েছে আবুল ইয়ুমন আল-কিন্দীর (৬১১ হিজরী) নিকট শ্রবণের বিবরণ থেকে, এরপর আল-ফখর ইবনুল বুখারীর (৬৮৮ হিজরী) নিকট শ্রবণের বিবরণ।
বাকি শ্রবণ-সনদগুলো এই সংকলনের মালিক ও বর্ণনাকারী ইবনু বাকা আল-মুলাক্কিনের
(১) নিকট বিভিন্ন সময়ে অর্থাৎ ৭৩৬, ৭৩৭, ৭৪০, ৭৪১, ৭৪২, ৭৫১, ৭৫৪, ৭৫৬, ৭৫৭ হিজরী সনের; যার কিছু তাঁর নিজের হস্তলিপিতে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২৭)
مجلسُ ابنِ هَزَارْمَرْدَ الصَّرِيفِينيِّ
إجازة ليوسفَ بنِ عبدِ الهادي
ইবন হাজারমর্দ আস-সারিফিনির মজলিস
ইউসুফ ইবন আব্দুল হাদীর জন্য ইজাজত
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪২৯)
جُزءٌ فيه مَجلسٌ مِن أَمَالي
أَبي مُحمدٍ عبدِ الله بنِ مُحمدِ
ابنِ هَزَارْمَرْدَ الصَّرِيفِينيِّ
روايةُ أبي عبدِ الله الحسينِ بنِ عَليِّ بنِ أحمدَ المُقرئِ
سِبْطِ أبي مَنصورٍ الخيَّاطِ عَنهُ
روايةُ أبي اليُمنِ زيدِ بنِ الحسَنِ الكِنْديِّ عَنهُ
روايةُ أبي الحسَنِ عَليِّ بنِ أحمدَ بنِ عَبدِ الواحِدِ
ابنِ البُخارِيِّ المَقدِسِيِّ عَنهُ
سَماعٌ لِصاحِبهِ مُحمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ عَليِّ بنِ مُحمدِ
بنِ عَليِّ بنِ بَقاءٍ المُلقِّنِ وهو حاضِرٌ مِنهُ
وقفُ ابنِ المُلَقِّنِ
ومقرُّه دارُ الحديثِ الضيائيَّةِ بقاسيونَ ظاهرَ دمشقَ
একটি অংশ যাতে রয়েছে আমালি থেকে একটি মজলিস
আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ
ইবনে হাজারমর্দ আস-সরিফিনির
আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলি বিন আহমাদ আল-মুকরির বর্ণনা
যিনি আবু মানসুর আল-খাইয়াতের নাতি, তাঁর থেকে
আবুল ইয়ুমন জাইদ বিন আল-হাসান আল-কিন্দির বর্ণনা তাঁর থেকে
আবুল হাসান আলি বিন আহমাদ বিন আবদুল ওয়াহিদের বর্ণনা
ইবনুল বুখারি আল-মাকদিসির বর্ণনা তাঁর থেকে
এর সংগ্রাহক মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলি বিন মুহাম্মদের শ্রবণ
বিন আলি বিন বাকা আল-মুলাক্কিন থেকে, যখন তিনি উপস্থিত ছিলেন
ইবনুল মুলাক্কিনের ওয়াকফ
এবং এর অবস্থান দামেস্কের উপকণ্ঠে কাসিয়ুনের দারুল হাদিস আদ-দিয়াইয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩১)
بسم الله الرحمن الرحيم
أخبرنا الشيخُ الإمامُ بقيةُ المشايخِ فخرُ الدِّينِ أبو الحسنِ عليُّ بنُ أحمدَ بنِ عبدِ الواحدِ ابنُ البخاريُّ المقدسيُّ قراءةً عليه وأنا حاضرٌ قالَ: أخبرنا الإمامُ تاجُ الدِّينِ أبو اليُمْنِ زيدُ بنُ الحسنِ بنِ زيدٍ الكِنديُّ قراءةً عليه ونحنُ نسمعُ قالَ: أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ عليِّ بنِ أحمدَ المُقرئُ سبطُ أبي منصورٍ الخياطِ قراءةً عليه ونحنُ نسمعُ في الحادِي عشرَ مِن رمضانَ سَنةَ ثلاثينَ وخمسِمئةٍ ببغدادَ قالَ: حدثنا أبو محمدٍ عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ عمرَ بنِ أحمدَ بنِ المُجَمِّعِ المعروفُ بابنِ هَزارْمَرْدَ الصَّريفِينيِّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في رجبٍ سَنةَ ثلاثٍ
(1) وستِّينَ وأربعِمئةٍ قالَ:
477 - (1) أخبرنا أبو الحسينِ / محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ الحسينِ بنِ (محمدِ بنِ)
(2) عبدِ اللهِ بنِ هارونَ الدَّقاقُ المعروفُ بابنِ أخي مِيمِي قراءةً عليه وأنا أسمعُ في قَطيعةِ الدَّقيقِ في سَنةِ تسعينَ وثلاثِمئةٍ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عبدِ العزيزِ البغويُّ إملاءً مِن كتابِه يومَ الجمعةِ لسِتٍّ بقينَ مِن شعبانَ سَنةَ سبعَ عشرةَ وثلاثِمئةٍ قالَ: حدثنا أبو عبدِ اللهِ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ حنبلِ بنِ هلالِ بنِ أسدٍ الشَّيبانيُّ رحمةُ اللهِ عليه: حدثنا إبراهيمُ بنُ خالدٍ
--------------------------------------------
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
শাইখ ইমাম, মাশায়েখদের অবশিষ্টাংশ, ফখর উদ্দীন আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল বুখারি আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি উপস্থিত ছিলাম। তিনি বলেছেন: ইমাম তাজউদ্দীন আবুল ইয়ুমন যায়েদ ইবনুল হাসান ইবনে যায়েদ আল-কিন্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম। তিনি বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল-মুকরি, যিনি আবু মনসুর আল-খাইয়াতের দৌহিত্র, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম, ৫৩০ হিজরি সালের ১১ রমজান বাগদাদে। তিনি বলেছেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনুল মুজাম্মি‘, যিনি ইবনে হাজারমার্দ আস-সারিফিনি নামে পরিচিত, আমাদের বর্ণনা করেছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম ৪৬৩ হিজরি সালের রজব মাসে। তিনি বলেছেন:
৪৭৭ - (১) আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে (মুহাম্মদ ইবনে) আব্দুল্লাহ ইবনে হারুন আদ-দাক্কাক, যিনি ইবনে আখি মিমি নামে পরিচিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম ৩৯০ হিজরি সালে কাতীয়াতুদ দাকীক নামক স্থানে: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতলিপি (ইমলা) করিয়ে আমাদের বর্ণনা করেছেন, ৩১৭ হিজরি সালের শাবান মাসের ছয় দিন বাকি থাকতে জুমার দিনে। তিনি বলেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল ইবনে হিলাল ইবনে আসাদ আশ-শাইবানি রহমাতুল্লাহি আলাইহি আমাদের বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে خالد (খালিদ) আমাদের বর্ণনা করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩২)
الصَّنعانيُّ: حدثنا رَباحٌ، عن مَعمرٍ، عن هشامِ بن عُروةَ، عن أبيه، عن عائشةَ رضي الله عنها قالتْ:
كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم حينَ قُبضَ مُسْنداً ظَهرَهُ إليَّ، فدخلَ عبدُ الرحمنِ بنُ أبي بكرٍ عَليه وفي يدِه سِواكٌ
(1)، فَدَعا به النبيُّ صلى الله عليه وسلم، فأخذتُ السِّواكَ فطيَّبتُه ثم دَفعتُه إليه، فجَعَلَ يَستنُّ به، فَثَقلَتْ يدُهُ عَليه وَهو يقولُ: «اللهمَّ في الرَّفيقِ الأَعلى». قالتْ: ثُم قُبِضَ رسولُ اللهِ / صلى الله عليه وسلم وهو بينَ سَحْري ونَحْري
(2).
478 - (2) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ أخي مِيمِي: حدثنا عبدُ اللهِ هو البغويُّ: حدثنا داودُ هو ابنُ رُشَيدٍ: حدثنا الوليدُ بنُ مسلمٍ، عن أبي غسانَ محمدِ بنِ مُطرِّفٍ، عن زيدِ بنِ أسلمَ، عن عليِّ بنِ الحسينِ، عن سعيدِ بنِ مَرْجانةَ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «مَن أعتَقَ رَقبةً أعتقَ اللهُ عز وجل بكُلِّ عُضوٍ مِنها عُضْواً مِنه مِن النارِ، حتى فَرجَهُ بفَرجِهِ»
(3).
--------------------------------------------
সানআনী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাবাহ, তিনি মা’মার থেকে, তিনি হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ইন্তেকাল করেন, তখন তিনি তাঁর পিঠ আমার ওপর হেলান দিয়ে রেখেছিলেন। এমতাবস্থায় আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন এবং তাঁর হাতে একটি মিসওয়াক
(১) ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেটি চাইলেন। অতঃপর আমি মিসওয়াকটি নিয়ে তা চিবিয়ে নরম করলাম এবং তাঁকে দিলাম। তিনি তা দিয়ে দাঁত মাজতে লাগলেন, একপর্যায়ে তাঁর হাতটি শিথিল হয়ে এল এবং তিনি বলছিলেন: «হে আল্লাহ, সুউচ্চ বন্ধুর সাথে (আর-রাফিক আল-আ’লা)»। তিনি (আয়েশা) বলেন: অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার বুক ও কণ্ঠনালীর মাঝখানে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন
(২)।
৪৭৮ - (২) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আখি মীমি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ—তিনি হলেন বাগভী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন দাউদ—তিনি হলেন ইবনে রুশাইদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন মুসলিম, আবু গাসসান মুহাম্মদ বিন মুতাররিফ থেকে, তিনি যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আলী বিন হুসাইন থেকে, তিনি সাঈদ বিন মারজানা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো ক্রীতদাসকে মুক্ত করবে, আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা সেই ক্রীতদাসের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে তার (মুক্তকারীর) প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন, এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে তার লজ্জাস্থানকেও»
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৩)
479 - (3) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ أخي مِيمِي وأبو حفصٍ عمرُ بنُ إبراهيمَ بنِ أحمدَ الكَتانيُّ قالا: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ البغويُّ: حدثنا أبو خَيثمةَ زهيرُ بنُ حربٍ: حدثنا وكيعٌ، عن هشامِ بنِ عروةَ، عن أبيه، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ اللهَ لا يَقبضُ العِلمَ انتِزاعاً يَنتزعُهُ مِن الناسِ، ولكنْ يَقبضُ العِلمَ بقَبضِ العُلماءِ، حتى إذا لم يُبْقِ عالِماً اتخذَ الناسُ رُؤوساً جُهَّالاً، / فَسُئلُوا فَأفتَوا بغَيرِ عِلمٍ، فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا»
(1).
480 - (4) حدثنا أبو حفصٍ الكَتانيُّ إملاءً رحمه الله: حدثنا عبدُ اللهِ هو البغويُّ: حدثنا شيبانُ بنُ فَروخٍ: حدثنا سَلَّامُ بنُ مِسكينٍ: حدثنا عَقيلُ
(2) بنُ طلحةَ السُّلميُّ، عن أبي جُرَيٍّ الهُجَيميِّ أنَّه قالَ:
يا رسولَ اللهِ، إنَّا قومٌ مِن أهلِ الباديةِ، فنُحبُّ
(3) أنْ تُعَلمَنا عَملاً لعلَّ اللهَ عز وجل يَنفعُنا بِه، فقالَ: «لا تَحْقِرنَّ مِن المعروفِ شيئاً ولَو أنْ تُفَرِّغَ
(4) مِن دَلوِكَ في إناءِ المُستَسقِي، ولَو أنْ تُكلِّمَ أخاكَ وَوَجهُكَ إليهِ مُنبَسطٌ، وَإياكَ وتَسبيلَ الإزارِ فإنَّها مِنَ الخُيلاءِ، والخُيلاءُ لا يُحبُّها اللهُ عز وجل، وإذا سَبَّكَ
--------------------------------------------
৪৭৯ - (৩) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আখি মিমি এবং আবু হাফস উমর ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমদ আল-কাত্তানি; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামাহ জুহাইর ইবনে হারব: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াকি‘, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের মধ্য থেকে টেনে নেওয়ার মাধ্যমে ইলম বা জ্ঞান ছিনিয়ে নেবেন না, বরং তিনি আলেমদের মৃত্যু প্রদানের মাধ্যমে ইলম তুলে নেবেন। এমনকি যখন কোনো আলেম অবশিষ্ট থাকবে না, তখন মানুষ মূর্খদের নেতা হিসেবে গ্রহণ করবে। অতঃপর তাদের নিকট ফতোয়া চাওয়া হবে এবং তারা জ্ঞান ছাড়াই ফতোয়া দেবে, ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করবে»
(১)।
৪৮০ - (৪) আমাদের নিকট আবু হাফস আল-কাত্তানি ইমলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ—যিনি বাগাওয়ী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শায়বান ইবনে ফাররুখ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাল্লাম ইবনে মিসকিন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আকীল
(২) ইবনে তালহা আস-সুলামী, আবু জুরাই আল-হুজাইমী থেকে যে, তিনি বলেছিলেন:
হে আল্লাহর রাসূল, আমরা মরুচারী মানুষ, তাই আমরা চাই
(৩) আপনি আমাদের এমন একটি আমল শিক্ষা দেবেন যার মাধ্যমে আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা আমাদের উপকৃত করবেন। তিনি বললেন: «তুমি কোনো ভালো কাজকেই তুচ্ছ মনে করো না, যদিও তা তোমার বালতি থেকে পানিপ্রার্থীর পাত্রে পানি ঢেলে দেওয়া হয়, অথবা তোমার ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল মুখে কথা বলা হয়। আর তুমি লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরার ব্যাপারে সাবধান থাকো, কেননা তা অহংকারের অন্তর্ভুক্ত, আর আল্লাহ আয্যা ওয়া জাল্লা অহংকার পছন্দ করেন না। আর যদি কেউ তোমাকে গালি দেয়...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৪)
رَجلٌ بما يعلمُ فيكَ فلا تَسبَّهُ بما تَعلمُ مِنه، فيكونَ أجرُ ذلكَ لكَ وَوَبالُهُ عَليه»
(1).
481 - (5) حدثنا أبو حفصٍ عمرُ: حدثنا عبدُ اللهِ هو البغويُّ: حدثنا عبدُ الأَعلى / بنُ حمادٍ يَعني النَّرْسيَّ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن محمدِ بنِ واسعٍ وأبي سورةَ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَن ستَرَ أخاهُ المسلمَ ستَرَه اللهُ يومَ القيامةِ، ومَن نفَّسَ عن أخيهِ كُربةً مِن كُربِ الدُّنيا نفَّسَ اللهُ عنه كُربةً مِن كُربِ الآخرةِ، واللهُ عز وجل في عونِ العبدِ ما كانَ العبدُ في عونِ أخيهِ»
(2).
482 - (6) أخبرنا أبو القاسمِ عُبيدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ إسحاقَ بنِ سليمانَ بنِ مَخلدِ بنِ حَبَابةَ قراءةً عليه وأنا أسمعُ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ
--------------------------------------------
ব্যক্তি তোমার সম্পর্কে যা জানে তা দিয়ে যদি তোমাকে গালি দেয়, তবে তুমি তাকে সে সম্পর্কে গালি দিও না যা তুমি তার সম্পর্কে জানো। এর ফলে এর সওয়াব তোমার হবে এবং এর পাপ তার ওপর বর্তাবে»
(১)।
৪৮১ - (৫) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু হাফস উমর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ (তিনি হলেন আল-বাগাওয়ী): আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল আলা ইবনে হাম্মাদ (অর্থাৎ আন-নারসি): আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি' ও আবু সূরাহ থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের দোষ গোপন রাখবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন রাখবেন। আর যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের দুনিয়ার বিপদসমূহের কোনো একটি বিপদ দূর করে দেবে, আল্লাহ তার জন্য আখিরাতের বিপদসমূহের কোনো একটি বিপদ দূর করে দেবেন। আল্লাহ তাআলা বান্দার সাহায্যে থাকেন যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে লিপ্ত থাকে»
(২)।
৪৮২ - (৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে সুলাইমান ইবনে মাখলাদ ইবনে হাবাবাহ (তার সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম): আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৫)
البغويُّ: حدثنا عليُّ بنُ الجعدِ: أخبرنا شعبةُ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا يَتمنَّى أحدُكم الموتَ مِن ضُرٍّ أصابَه، فإنْ كانَ لا بُدَّ فاعِلاً فليقُل: اللهمَّ أحيِني ما كانَت الحياةُ خيراً لي، وتَوفَّني إذا كانَت الوفاةُ خيراً لي»
(1).
483 - (7) حدثنا
(2) أبو طاهرٍ محمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ العباسِ / المُخَلِّصُ إملاءً
(3): حدثنا أبو القاسمِ عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ البغويُّ: حدثنا
(4) هُدبةُ بنُ خالدٍ أبو خالدٍ القَيسيُّ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن ثابتٍ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى، عن صُهيبٍ قالَ:
--------------------------------------------
আল-বাগাওয়ী: আলী ইবনুল জা'দ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে,
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «তোমাদের কেউ যেন তার ওপর আপতিত কোনো বিপদের কারণে মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা না করে। যদি তাকে কিছু করতেই হয়, তবে সে যেন বলে: হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ জীবন আমার জন্য কল্যাণকর হয়, আর আমাকে মৃত্যু দান করুন যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয়»
(১)।
৪৮৩ - (৭) আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্বাস / আল-মুখাল্লিস শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন
(২)(৩): আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: হুদবাহ বিন খালিদ আবু খালিদ আল-কাইসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন
(৪): হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৬)
قَرأَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم هذِه الآيةَ: {لِّلَّذِينَ أَحْسَنُواْ الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26] قالَ: «إذا دَخلَ أهلُ الجَنةِ الجَنةَ وأهلُ النارِ النارَ نادَى مُنادٍ: يا أهلَ الجَنةِ، إنَّ لكم عندَ اللهِ عز وجل مَوعداً يُريدُ أَن يُنجِزَكمُوهُ، فيَقولونَ: ما هو؟ ألَمْ يُثقِّلْ مَوازينَنا ويُبيِّضْ وُجوهَنا ويُدخِلْنا الجَنةَ ويجِرْنا مِن النارِ؟ فيكشفُ الحجابَ، فيَنظرونَ إلى اللهِ عز وجل، فما شيءٌ أُعطوهُ أحبَّ إليهم مِن النظرِ إلى اللهِ عز وجل، وهي الزِّيادةُ»
(1).
484 - (8) حدثنا أبو طاهرٍ محمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ المُخَلِّصُ إملاءً: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ سيفٍ
(2) أبو بكرٍ: حدثنا عمرُ بنُ شَبَّةَ: حدثنا يوسفُ بنُ عطيةَ: حدثنا هشامٌ القُرْدُوسيُّ، عن محمدِ بنِ سيرينَ، عن أبي هريرةَ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم لم يُتمَّ صَومَ شهرٍ بعدَ رمضانَ إلا رجبَ وشعبانَ
(3).
485 - (9) / أخبرنا أبو القاسمِ عُبيدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ إسحاقَ بنِ حَبَابةَ قراءةً عليه وأنا أسمعُ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ البغويُّ: حدثنا مصعبُ بنُ عبدِ اللهِ: حدثنا عبدُ العزيزِ بنُ محمدٍ الدَّراوَرْديُّ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ عمرَ، عن ثابتٍ البُنانيِّ، عن أنسٍ،
أنَّ رَجلاً كانَ يَلزمُ قراءةَ {قُلْ هُوَ اللهُ أَحَد} في الصلاةِ مَع كلِّ سورةٍ
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই আয়াতটি পাঠ করলেন: {যারা উত্তম কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ (জান্নাত) এবং আরও বেশি} [ইউনূস: ২৬]। তিনি বললেন: «যখন জান্নাতবাসীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামবাসীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলবেন: হে জান্নাতবাসী! মহান আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য একটি ওয়াদা রয়েছে যা তিনি তোমাদের জন্য পূর্ণ করতে চান। তারা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের নেকির পাল্লা ভারী করে দেননি? আমাদের মুখমণ্ডল কি উজ্জ্বল করে দেননি? আমাদের কি জান্নাতে প্রবেশ করাননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? এরপর তিনি পর্দা সরিয়ে দেবেন, তখন তারা মহান আল্লাহর দিকে তাকাবে। মহান আল্লাহর দিকে তাকানোর চেয়ে প্রিয়তর কোনো কিছু তাদের দান করা হয়নি। আর এটিই হলো 'যিয়াদাহ' বা অতিরিক্ত»
(১).
৪৮৪ - (৮) আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখাল্লিস শ্রুতিলিখন হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাইফ
(২) আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমর বিন শাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইউসুফ বিন আতিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হিশাম আল-কুরদুসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,
যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের পর রজব ও শাবান মাস ব্যতীত আর কোনো মাসের রোজা পূর্ণ করেননি
(৩).
৪৮৫ - (৯) / আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন হাবাবাহ তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুসআব বিন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ারদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন,
যে এক ব্যক্তি নামাজের প্রতিটি সূরার সাথে {বলুন, তিনি আল্লাহ এক} পাঠ করা অপরিহার্য করে নিয়েছিলেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৭)
هو وأناسٌ
(1) مِن أصحابِه، فقالَ له رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ما يُلزِمُكَ هذِه السورةَ؟» قالَ: إنِّي أُحبُّها قالَ: «حُبُّها أدخلَكَ الجَنةَ»
(2).
486 - (10) أخبرنا
(3) أبو القاسمِ عُبيدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ حَبَابةَ: حدثنا عبدُ اللهِ: حدثنا مصعبٌ: حدثنا إبراهيمُ بنُ سعدٍ، عن سفيانَ بنِ سعيدٍ، عن عبدِ الملكِ بنِ عُميرٍ، عن هلالٍ مَولى رِبعيٍّ، عن رِبعيٍّ، عن حذيفةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «اقتَدُوا باللَّذَينِ مِن بَعدي: أبي بكرٍ وعمرَ» رضي الله عنهما
(4).
--------------------------------------------
তিনি এবং তাঁর সাথীদের মধ্য থেকে কিছু লোক
(১), তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «কি তোমাকে এই সূরাটি আঁকড়ে ধরতে বাধ্য করেছে?» তিনি বললেন: আমি একে ভালোবাসি। তিনি বললেন: «এর প্রতি তোমার ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছে»
(২)।
৪৮৬ - (১০) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
(৩) আবু কাসেম উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাবাবাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসআব: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে সাদ, সুফিয়ান ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবদুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি রিবঈ-এর মুক্তদাস হিলাল থেকে, তিনি রিবঈ থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «আমার পরবর্তী এই দুইজনের অনুসরণ করো: আবু বকর এবং উমর» আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৮)
487 - (11) حدثنا أبو حفصٍ الكَتانيُّ: حدثنا سعيدٌ أخو زبيرٍ: حدثنا إسحاقُ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ، عن الزُّهريِّ، عن سالمٍ، عن ابنِ عمرَ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم رَأى / على عمرَ قَميصاً أبيضَ فقالَ: «أجَديدٌ قميصُكَ هَذا أم غَسيلٌ؟» فقالَ: حَسبتُ أنَّه قالَ: غَسيلٌ، فقالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «البَسْ جَديداً، وعِش حَميداً، ومُت شَهيداً»
(1).
488 - (12) حدثنا أبو طاهرٍ محمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ المُخَلِّصُ إملاءً: حدثنا أبو محمدٍ يحيى بنُ محمدِ بنِ صاعدٍ: حدثنا أبو سعيدٍ الأشَجُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ إدريسَ وأبو أُسامةَ، عن هشامِ بنِ حسانَ، عن ابنِ سيرينَ، عن كعبِ بنِ عُجرةَ قالَ:
ذَكرَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِتنةً فقرَّبَها، فمَرَّ رَجلٌ مُتَقَنِّعٌ، فقالَ: «هذا على الهُدى» فأخَذتُ بضَبعَيهِ ففتَلتُه أو قَلبتُه، فاستَقبلتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم فقلتُ: هذا يا رسولَ اللهِ؟ فقالَ: «هذا»، فإذا هو
(2) عثمانُ بنُ عفانَ
(3).
--------------------------------------------
৪৮৭ - (১১) আমাদের কাছে আবু হাফস আল-কাত্তানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে যুবাইরের ভাই সাঈদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে ইসহাক বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন,
যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরের গায়ে একটি সাদা কামিস (জামা) দেখতে পেলেন এবং বললেন: «তোমার এই কামিসটি কি নতুন নাকি ধোয়া?» তিনি বললেন: আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন: ধোয়া। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নতুন পরিধান করো, প্রশংসিত অবস্থায় বেঁচে থাকো এবং শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করো»
(১)।
৪৮৮ - (১২) আমাদের কাছে আবু তাহের মুহাম্মাদ ইবন আবদুর রহমান আল-মুখাল্লিস শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবু সাঈদ আল-আশাজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবন ইদরিস এবং আবু উসামা বর্ণনা করেছেন, তাঁরা হিশাম ইবন হাসসান থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ফিতনার কথা উল্লেখ করলেন এবং তা অতি নিকটবর্তী বলে বর্ণনা করলেন। তখন মাথা ও মুখ ঢাকা অবস্থায় এক ব্যক্তি পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন: «এই ব্যক্তি হিদায়াতের ওপর রয়েছে।» তখন আমি তার দুই বাহু ধরলাম এবং তাকে নিজের দিকে ফিরালাম বা ঘুরালাম, এরপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখোমুখি হয়ে বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এই ব্যক্তি? তিনি বললেন: «এই ব্যক্তি», দেখা গেল তিনি
(২) উসমান ইবন আফফান
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৩৯)
489 - (13) حدثنا أبو طاهرٍ المُخَلِّصُ: حدثنا يحيى بنُ محمدِ بنِ صاعدٍ: حدثنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عبدِ الكريمِ الأزديُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ داودَ: حدثنا سعيدُ بنُ أبي عَروبةَ، عن قتادةَ، عن سعيدِ بنِ المسيبِ، / عن سعدِ بنِ أبي وقاصٍ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لِعليٍّ رضي الله عنه: «أنتَ مِني بمَنزلةِ هارونَ مِن موسى»
(1).
490 - (14) أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ الحسنِ بنِ عَبدانَ بنِ الحسنِ بنِ مِهرانَ الصَّيرفيُّ: حدثنا أبو بكرٍ النَّيسابوريُّ: حدثنا عيسى بنُ إبراهيمَ الغافقيُّ ووَفاءُ بنُ سُهيلٍ وأحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ وهبٍ قالوا: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ وهبٍ: أخبرني مالكُ بنُ أنسٍ، عن زيدِ بنِ أسلمَ، عن عطاءِ بنِ يسارٍ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ اللهَ عز وجل يقولُ لأهلِ الجَنةِ: يا أهلَ الجَنةِ، فيَقولونَ: لبَّيكَ ربَّنا وسَعدَيكَ والخيرُ في يدَيكَ، فيقولُ: هَل رَضيتُم؟ فيَقولونَ: وما لَنا لا نَرضى وقَد أعطيتَنا ما لم تُعطِ أحداً مِن خَلقِكَ فيقولُ: ألا أُعطيكم أفضلَ مِن ذلكَ! قالوا: يا ربِّ وأيُّ شيءٍ أفضلُ مِن ذلكَ؟ فيَقولُ:
--------------------------------------------
৪৮৯ - (১৩) আবু তাহির আল-মুখাল্লিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল কারিম আল-আযদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়িব থেকে, / তিনি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উদ্দেশ্যে বলেছেন: «মূসার নিকট হারুন যে মর্যাদায় ছিলেন, তুমি আমার নিকট সেই মর্যাদায় আছো»
(১)।
৪৯০ - (১৪) আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবদান ইবনে আল-হাসান ইবনে মিহরান আস-সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর আন-নায়সাবুরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ঈসা ইবনে ইবরাহিম আল-গাফিকী, ওয়াফা ইবনে সুহাইল এবং আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মালিক ইবনে আনাস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি যায়দ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন,
যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল জান্নাতবাসীদের বলবেন: হে জান্নাতবাসী! তখন তারা বলবে: আমরা উপস্থিত হে আমাদের রব এবং আপনার আনুগত্যে প্রস্তুত, আর সকল কল্যাণ আপনার দুই হাতে। তিনি বলবেন: তোমরা কি সন্তুষ্ট হয়েছ? তারা বলবে: আমরা কেন সন্তুষ্ট হব না যখন আপনি আমাদের এমন কিছু দান করেছেন যা আপনার সৃষ্টির আর কাউকে দান করেননি? তখন তিনি বলবেন: আমি কি তোমাদের এর চেয়েও উত্তম কিছু দান করব না? তারা বলবে: হে রব! এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে? তখন তিনি বলবেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪০)
أُحلُّ عَليكم رِضواني فلا أَسخطُ عَليكم بعدَه أبداً»
(1).
491 - (15) / حدثنا أبو طاهرٍ المُخَلِّصُ يومَ الجمعةِ لسِتَّ عشرةَ ليلةً خَلتْ مِن رَجبٍ مِن سَنةِ ثلاثٍ وتسعينَ وثلاثِمئةٍ إملاءً: حدثنا أبو القاسمِ عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عبدِ العزيزِ البغويُّ مرَّتينِ إملاءً وقراءةً: حدثنا يحيى بنُ عبدِ الحميدِ الحِمَّانيُّ: حدثنا عبدُ العزيزِ بنُ محمدٍ الدَّراوَرْديُّ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ حُميدِ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ عوفٍ رحمه الله، عن أبيه، عن جدِّه عبدِ الرحمنِ بنِ عوفٍ رضي الله عنه قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أبو بكرٍ في الجَنةِ، وعمرُ في الجَنةِ، وعثمانُ في الجَنةِ، وعليٌّ في الجَنةِ، وطلحةُ في الجَنةِ، والزُّبيرُ في الجَنةِ، وعبدُ الرحمنِ بنُ عوفٍ في الجَنةِ، وسعدُ بنُ أبي وقاصٍ في الجَنةِ، وسعيدُ بنُ زيدٍ في الجَنةِ، وأبو عُبيدةَ بنُ الجَرَّاحِ في الجَنةِ» رضي الله عنهم أجمَعينَ
(2).
492 - (16) أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ أخي مِيمِي: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عبدِ العزيزِ: حدثنا إسحاقُ: حدثنا سفيانُ / بنُ عُيينةَ، عن محمدِ بنِ المُنكدرِ قالَ: سمعتُ جابرَ بنَ عبدِ اللهِ، وعَمرو سَمعَ جابراً يقولُ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «دَخلتُ الجَنةَ فرَأيتُ فيها داراً أو قصراً فسمعتُ
--------------------------------------------
আমি তোমাদের ওপর আমার সন্তুষ্টি অবতীর্ণ করছি, ফলে আমি আর কখনোই তোমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হব না»
(১).
৪৯১ - (১৫) / আমাদের নিকট আবু তাহের আল-মুখাল্লিস ৩৯৩ হিজরি সালের রজব মাসের ১৬ তারিখ অতিক্রান্ত হওয়ার পর জুমাবার দিন শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি দুইবার শ্রুতিলিখন ও পাঠের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ আল-হিম্মানি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ আদ-দারাওয়ার্দি বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুর রহমান বিন হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ (রহিমাহুল্লাহ) থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আব্দুর রহমান বিন আউফ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আবু বকর জান্নাতি, উমর জান্নাতি, উসমান জান্নাতি, আলী জান্নাতি, তালহা জান্নাতি, যুবাইর জান্নাতি, আব্দুর রহমান বিন আউফ জান্নাতি, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস জান্নাতি, সাঈদ বিন যাইদ জান্নাতি এবং আবু উবাইদাহ বিন জাররাহ জান্নাতি» আল্লাহ তাঁদের সকলের ওপর সন্তুষ্ট হন
(২).
৪৯২ - (১৬) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আখি মিমি: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইসহাক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান / বিন উয়াইনা বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ বিন মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি জাবির বিন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, এবং আমরও জাবিরকে বলতে শুনেছেন যে:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম এবং সেখানে একটি ঘর অথবা একটি প্রাসাদ দেখলাম, অতঃপর আমি শুনতে পেলাম
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪১)
فيه ضَوضاءَ أو صوتاً، فقلتُ: لِمَن هذا؟ قيلَ: هو لابنِ الخَطابِ رضي الله عنه». قالَ سفيانُ: زادَ محمدُ بنُ المُنكدرِ: «فأردتُّ أنْ أدخُلَه فذَكرتُ غَيرتَكَ» فبَكى عمرُ رضي الله عنه وقالَ: يا رسولَ اللهِ، أوَ يُغارُ عَليكَ!
(1) 493 - (17) أخبرتنا أمُّ الفتحِ أَمَةُ السَّلامِ بنتُ أحمدَ بنِ كاملِ بنِ خلفِ بنِ شَجرةَ القاضي قراءةً عليها وأنا أسمعُ قالتْ: حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ إسماعيلَ بنِ عليِّ بنِ النعمانِ بنِ راشدٍ البُندارُ سَنةَ تسعٍ وثلاثِمئةٍ لفظاً: حدثنا أحمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ عليِّ بنِ سُويدِ بنِ مَنْجوفٍ: حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ مَهديٍّ: حدثنا سفيانُ، عن علقمةَ بنِ / مَرثدٍ، عن سليمانَ بنِ بريدةَ، عن أبيه،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «مَن لَعبَ بالنَّرْدَشِيرِ فكأنَّما صَبغَ يدَهُ في لحمِ خِنزيرٍ ودَمِه»
(2).
494 - (18) أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ عمرَ بنِ عليِّ بنِ خلفِ بنِ زُنبورٍ الورَّاقُ: حدثنا أبو بكرٍ عبدُ اللهِ بنُ سليمانَ بنِ الأشعثِ السَّجستانيُّ: حدثنا أبو جعفرٍ أحمدُ بنُ صالحٍ: حدثنا عَنبسةُ: حدثنا يونسُ، عن ابنِ شهابٍ قالَ: قالَ سالمُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ عمرَ، (يَعني: قالَ عبدُ اللهِ بنُ عمرَ)
(3): قالَ
--------------------------------------------
সেখানে শোরগোল বা কোনো আওয়ায ছিল, আমি জিজ্ঞেস করলাম: এটি কার জন্য? বলা হলো: এটি ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহুর জন্য। সুফিয়ান বলেন: মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (বর্ণনায়) বৃদ্ধি করেছেন: (নবীজী বলেন) 'আমি তাতে প্রবেশ করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তোমার আত্মমর্যাদাবোধের কথা স্মরণে এলো।' তখন উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু কেঁদে ফেললেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার ওপর কি আমি আত্মমর্যাদাবোধ (ঈর্ষা) দেখাব!
(১) ৪৯৩ - (১৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল ফাতহ আমাতুস সালাম বিনতু আহমাদ বিন কামিল বিন খালাফ বিন শাজারা আল-কাদি, তাঁর সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন আলী বিন নুমান বিন রাশিদ আল-বুন্দার ৩০৯ হিজরি সনে মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন সুয়াইদ বিন মানজুফ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বিন মাহদী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আলকামা বিন মারসাদ থেকে, তিনি সুলায়মান বিন বুরাইদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি নারদাশির (এক প্রকার পাশা খেলা) খেলল, সে যেন তার হাত শুকরের গোশত ও রক্তে রঞ্জিত করল»
(২)।
৪৯৪ - (১৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আলী বিন খালাফ বিন যুনবুর আল-ওয়াররাক: আমাদের নিকট আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন সুলায়মান বিন আশআস আস-সিজিস্তানী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু জাফর আহমাদ বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আনবাসাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইউনুস বর্ণনা করেছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: সালিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বলেছেন (অর্থাৎ আব্দুল্লাহ বিন উমর বলেছেন)
(৩): তিনি বলেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪২)
عمرُ بنُ الخطابِ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَن فاتَه صلاةُ العصرِ فكأنَّما وُتِرَ أهلَهُ ومالَهُ».
495 - (19) أخبرنا أبو القاسمِ عُبيدُ اللهِ بنُ أحمدَ بنِ عليٍّ الصَّيدلانيُّ المقرئُ قراءةً عليه: حدثنا أبو بكرٍ عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ زيادٍ النَّيسابوريُّ: حدثنا يونسُ / بنُ عبدِ الأَعلى: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ وهبٍ: أخبرني ابنُ أبي أيوبَ، عن عبدِ اللهِ بنِ الوليدِ، عن ابنِ المُسيبِ، عن عائشةَ رضي الله عنها،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ إذا استَيقظَ مِن الليلِ قالَ: «لا إلهَ إلا أنتَ، سبحانَكَ اللهمَّ إنِّي أستَغفركَ لِذَنبي وأسألُكَ رحمتَكَ، اللهمَّ زِدْني عِلماً، ولا تُزغْ قَلبي بعدَ إذ هديتَني، وهبْ لي مِن لدنكَ رحمةً، إنَّكَ أنتَ الوهابُ»
(1).
--------------------------------------------
উমর ইবনুল খাত্তাব:
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যার আসরের সালাত ছুটে গেল, তার যেন পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সব কেড়ে নেওয়া হলো»।
৪৯৫ - (১৯) আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে আলি আস-সাইদালানি আল-মুকরি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ আন-নাইসাবুরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইউনুস ইবনে আবদিল আলা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি আইয়ুব আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে ওয়ালিদ থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন,
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে জাগ্রত হতেন, তখন বলতেন: «তুমি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তুমি পবিত্র হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আমার পাপের জন্য তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তোমার রহমত কামনা করছি। হে আল্লাহ, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দাও, আর আমাকে হিদায়াত দেওয়ার পর আমার অন্তরকে সত্যচ্যুত করো না এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাকে রহমত দান করো, নিশ্চয়ই তুমি মহা দাতা»
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪৩)
496 - (20) حدثنا أبو طاهرٍ محمدُ بنُ المُخَلِّصِ إملاءً: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ البغويُّ: حدثنا داودُ بنُ رُشيدٍ: حدثنا يَعلى بنُ الأشدقِ قالَ: سمعتُ النابغةَ يقولُ:
أَنشدتُّ رسولَ
(1) اللهِ صلى الله عليه وسلم:
بلَغْنا السماءَّ مَجدُنا وجُدودُنا
… وإنَّا لَنرجو فوقَ ذلكَ مَظهرا
/ فقالَ: «أينَ المَظهرُ يا أبا لَيلى؟» فقلتُ: الجَنةَ، قالَ: «أجلْ إنْ شاءَ اللهُ». ثم قُلتُ:
ولا خَيرَ في حِلمٍ إذا لم يكنْ له
… بوادرُ تَحْمي صفوَهُ أن يُكَدَّرا
ولا خَيرَ في جهلٍ إذا لم يكنْ له
… حَليمٌ إذا ما أَوردَ الأمرَ أَصدَرا
فقالَ لي رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يُفضَض
(2) فُوكَ» مرَّتينِ
(3).
--------------------------------------------
৪৯৬ - (২০) আবু তাহির মুহাম্মাদ বিন আল-মুখাল্লিস আমাদের কাছে শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: দাউদ বিন রুশাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইয়ালা বিন আল-আশদাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহকে বলতে শুনেছি:
আমি আল্লাহর রাসুল
(১) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কবিতা শুনালাম:
আমাদের মর্যাদা ও আমাদের পূর্বপুরুষদের গৌরব আকাশ ছুঁয়েছে... আর আমরা এর ঊর্ধ্বে আরও উচ্চতর লক্ষ্যস্থল কামনা করি
/ তখন তিনি বললেন: «হে আবু লায়লা, সেই লক্ষ্যস্থলটি কোথায়?» আমি বললাম: জান্নাত। তিনি বললেন: «হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চান)»। এরপর আমি বললাম:
সেই সহনশীলতার কোনো কল্যাণ নেই, যদি তার এমন তেজ না থাকে... যা তার নির্মলতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করে
সেই অজ্ঞতারও কোনো কল্যাণ নেই, যদি তার জন্য এমন কোনো... ধৈর্যশীল ব্যক্তি না থাকে, যে কোনো বিষয় উত্থাপিত হলে তা নিষ্পত্তি করতে পারে
তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: «তোমার মুখ যেন কখনো ভেঙে না যায়» —তিনি এটি দুবার বললেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪৪)
497 - (21) حدثنا أبو طاهرٍ محمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ إملاءً: حدثنا أبو بكرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أبي شَيبةَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ هاشمٍ الطُّوسيُّ قالَ: سمعتُ وَكيعاً يقولُ: كُنا نَستَعينُ على حِفظِ الحديثِ بالعملِ بِه، وكُنا نَستعينُ على طلبِه بالصَّومِ
(1).
498 - (22) حدثنا القاضي / أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ هارونَ الضَّبيُّ إملاءً: أخبرنا القاضي أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ إسماعيلَ الضَّبيُّ إملاءً
(2)، أنَّ محمدَ بنَ إسماعيلَ البخاريَّ حدَّثهم قالَ: حدثني عبدُ العزيزِ بنُ عبدِ اللهِ قالَ: حدثني مالكٌ، عن صفوانَ بنِ سُليمٍ، عن عطاءِ بنِ يسارٍ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ،
عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ أهلَ الجَنةِ ليتراءَونَ أهلَ الغُرفِ مِن فَوقِهم كما تَراءَونَ الكوكبَ الغابرَ في الأُفقِ مِن المشرقِ والمغربِ لِتفاضلِ مَا بينَهم» قالوا: يا رسولَ اللهِ، تلكَ منازلُ الأنبياءِ لا يَبلغُها غيرُهم؟ قالَ: «بَلى وَالذي نَفسي بيدِهِ، رِجالٌ آمَنوا باللهِ وصَدَّقوا المرسَلينَ»
(3).
499 - (23) حدثنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ دُوْسْت المَعروفُ بابنِ العَلَّافِ البزازِ سَنةَ خمسٍ وتسعينَ وثلاثِمئةٍ: حدثنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ / بنُ يحيى بنِ عيَّاشٍ القطانُ: حدثنا الحسنُ بنُ محمدِ بنِ الصبَّاحِ الزَّعفرانيُّ:
--------------------------------------------
৪৯৭ - (২১) আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন: আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি শায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন হাশিম আত-তুসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ওয়াকী'কে বলতে শুনেছি: আমরা হাদীস মুখস্থ রাখার জন্য তার ওপর আমল করার সাহায্য নিতাম, আর হাদীস অন্বেষণের জন্য আমরা রোযার সাহায্য নিতাম।
(১).
৪৯৮ - (২২) আল-কাযী / আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন হারুন আদ-দাব্বী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন: আল-কাযী আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাঈল আদ-দাব্বী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন
(২) , মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল আল-বুখারী তাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সাফওয়ান বিন সুলাইম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের উচ্চ কক্ষের অধিবাসীদেরকে এমনভাবে দেখবে, যেমন তোমরা পূর্ব বা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জ্বল অস্তগামী নক্ষত্রকে দেখে থাকো—তাদের মধ্যকার মর্যাদার পার্থক্যের কারণে» তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ওগুলো কি নবীদের আবাসস্থল যা অন্য কেউ লাভ করতে পারবে না? তিনি বললেন: «অবশ্যই, যাঁর হাতে (অর্থাৎ আল্লাহর হাতে) আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! তারা এমন একদল মানুষ যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে এবং রাসূলগণকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে»
(৩).
৪৯৯ - (২৩) আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন দোস্ত, যিনি ইবনুল আল্লাফ আল-বাযযায নামে পরিচিত, তিনশ পঁচানব্বই হিজরীতে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন / বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আয-যা'ফরানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিস ইবনে হাযারমারদ
(পৃষ্ঠা: ৪৪৫)
حدثنا أبو معاويةَ الضريرُ: حدثنا الأعمشُ، عن زيدِ بنِ وهبٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ مسعودٍ قالَ:
حدَّثنا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وهو الصادقُ المَصدوقُ: «إنَّ أَحدَكم يُجمَعُ خَلقُهُ في بطنِ أمِّه أربعينَ ليلةً، ثم يكونُ علقةً مثلَ ذلكَ، ثم يكونُ مُضغةً مثلَ ذلكَ، ثم يَبعثُ اللهُ تعالى إليه ملَكاً فيَنفخُ فيه الرُّوحَ، ويكتبُ رزقَه وأجلَه وشقيٌّ أو سعيدٌ، فوَالذي لا إلهَ غيرُه، إنَّ أحدَكم ليَعملُ بعملِ أهلِ الجَنةِ حتى ما يكونُ بينَه وبينَها إلا ذراعٌ فيَسبقُ عليه الكتابُ فيَعملُ بعملِ أهلِ النارِ فيَدخُلُها، / وإنَّ الرَّجلَ ليَعملُ بعملِ أهلِ النارِ حتى ما يكونُ بينَه وبينَها إلا ذراعٌ فيَسبقُ عليه الكتابُ فيَعملُ بعملِ أهلِ الجَنةِ فيَدخُلُها»
(1).
آخِرُه
والحمدُ للهِ وحدَه
وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ وآلِهِ وصحبِه وسلَّمَ تَسليماً كثيراً
--------------------------------------------
আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আ’মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যায়িদ বিন ওয়াহাব থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর তিনি হলেন সত্যবাদী ও (আল্লাহর পক্ষ থেকে) প্রত্যাদিষ্ট: «তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন পর্যন্ত জমা থাকে, এরপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়, এরপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়। এরপর আল্লাহ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন এবং তিনি তাতে রূহ ফুঁকে দেন। আর তার রিযিক, আয়ু এবং সে কি দুর্ভাগা না কি সৌভাগ্যবান হবে—তা লিখে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই আল্লাহর শপথ, যাঁর ছাড়া আর কোনো সত্য ইলাহ নেই! তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি জান্নাতবাসীদের আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, এমন সময় তকদীরের লিখন তার ওপর প্রবল হয় এবং সে জাহান্নামবাসীদের আমল করে, ফলে সে তাতে প্রবেশ করে। আর কোনো ব্যক্তি জাহান্নামবাসীদের আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাতের ব্যবধান থাকে, এমন সময় তকদীরের লিখন তার ওপর প্রবল হয় এবং সে জান্নাতবাসীদের আমল করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে।»
(১).
সমাপ্ত
এবং সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য
এবং আল্লাহ তাআলা আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর অগণিত সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
--------------------------------------------