(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث منصور بن عمار القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث منصور بن عمار
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 12
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
মনসুর ইবনে আম্মারের হাদিসসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মনসুর ইবনে আম্মারের হাদিসসমূহ
[“তিরাদ আল-যাইনাবীর রচনাবলি, এবং অন্যান্য খণ্ড”-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত]
সম্পাদক: নাবিল সাদ আদ-দীন জাররার
প্রকাশক: আরওয়িকাহ লিদ-দিরাসাত ওয়ান-নাশর, জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২
[গ্রন্থের পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪০৫)
أحاديثُ منصورِ بنِ عمارٍ
منصورُ بنُ عمارِ بنِ كثيرٍ، الواعظُ البليغُ الصالحُ الرَّبانيُّ، أبو السَّرِيُّ السُّلميُّ الخُراسانيُّ، وقيلَ: البصريُّ، كانَ عَديمَ النظيرِ في المَوعظةِ والتَّذكيرِ.
رَوى عن: الليثِ، وابنِ لَهيعةَ، ومعروفٍ الخياطِ، وهِقْلِ بنِ زيادٍ، والمنكدرِ بنِ محمدٍ، وبشيرِ بنِ طلحةَ وجماعةٍ، ولم يكنْ بالمُتضلِّعِ مِن الحديثِ.
حدَّثَ عنه: ابناهُ سُليمٌ وداودُ، وزهيرُ بنُ عبادٍ، وأحمدُ بنُ منيعٍ، وعليُّ بن خَشْرمٍ، وعبدُ الرحمنِ بنُ يونسَ الرَّقيُّ، ومنصورُ بنُ الحارثِ، وغيرُهم.
وعَظَ بالعراقِ والشامِ ومصرَ، وبعُدَ صِيتُه، وتزاحَمَ عليه الخَلقُ، وكانَ يَنطوي على زهدٍ وتألُّهٍ وخَشيةٍ، ولِوعظِه وَقعٌ في النفوسِ.
قالَ أبو حاتمٍ: صاحبُ مَواعظَ ليسَ بالقويِّ.
وقالَ ابنُ عديٍّ: حديثُهُ مُنكرٌ.
وقالَ الدَّارقطنيُّ: يَروي عن ضعفاءَ أحاديثَ لا يُتابَعُ عَليها.
وذكرَ ابنُ يونسَ في «تاريخه» أنَّ الليثَ بنَ سعدٍ حضَرَ وعظَهُ، فأعجَبَه، ونفذَ إليه بألفِ دينارٍ.
وقيلَ: أقطَعَه خمسةَ عشرَ فَداناً، وإنَّ ابنَ لَهيعةَ أقطَعَه خَمسةَ فَدادينَ.
قالَ أبو بكرِ بنُ أبي شَيبةَ: كُنا عندَ ابنِ عُيينةَ، فسألَهُ منصورُ بنُ عمارٍ
মানসুর বিন আম্মারের হাদিসসমূহ
মানসুর বিন আম্মার বিন কাসির; প্রাজ্ঞ ও প্রাঞ্জল বক্তা, নেককার ও রাব্বানি আলেম, আবুস সারি আস-সুলামি আল-খুরাসানি। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি বসরার অধিবাসী। নসিহত ও উপদেশের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অতুলনীয়।
তিনি লাইস, ইবনুল লাহিআহ, মারুফ আল-খাইয়াত, হিকল বিন জিয়াদ, মুনকাদির বিন মুহাম্মদ, বশির বিন তালহা এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি হাদিস শাস্ত্রে খুব বেশি পারদর্শী ছিলেন না।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: তাঁর দুই পুত্র সুলাইম ও দাউদ, জুহাইর বিন আব্বাদ, আহমদ বিন মানি, আলি বিন খাশরাম, আব্দুর রহমান বিন ইউনুস আর-রাক্কি, মানসুর বিন আল-হারিস এবং অন্যান্যরা।
তিনি ইরাক, শাম ও মিশরে ওয়াজ-নসিহত করেছেন এবং তাঁর খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল। তাঁর মজলিসে মানুষের উপচে পড়া ভিড় থাকত। তিনি অত্যন্ত দুনিয়াবিমুখ, ইবাদতগুজার ও আল্লাহভীরু ছিলেন। তাঁর উপদেশের মানুষের অন্তরে গভীর প্রভাব ছিল।
আবু হাতিম বলেন: তিনি একজন উপদেশদাতা, তবে হাদিস বর্ণনায় শক্তিশালী নন।
ইবনে আদি বলেন: তাঁর বর্ণিত হাদিস মুনকার (অগ্রহণযোগ্য)।
দারা কুতনি বলেন: তিনি দুর্বল বর্ণনাকারীদের থেকে এমন সব হাদিস বর্ণনা করেন যেগুলোর কোনো সমর্থন পাওয়া যায় না।
ইবনে ইউনুস তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, লাইস বিন সাদ তাঁর ওয়াজে উপস্থিত হয়েছিলেন এবং তা তাঁর ভালো লেগেছিল। ফলে তিনি তাঁকে এক হাজার দিনার পাঠিয়েছিলেন।
বলা হয়ে থাকে: তিনি তাঁকে পনেরো ফাদান জমি দিয়েছিলেন এবং ইবনুল লাহিআহ তাঁকে পাঁচ ফাদান জমি দিয়েছিলেন।
আবু বকর বিন আবি শায়বাহ বলেন: আমরা ইবনে উয়াইনাহর কাছে ছিলাম, তখন মানসুর বিন আম্মার তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন—
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪০৬)
[عن القرآنِ] فزَبَره، وأشارَ إليه بعُكازِهِ، فقيلَ: يا أبا محمدٍ، إنَّه عابدٌ، فقالَ: ما أراهُ إلا شيطاناً.
وساقَ ابنُ عديٍّ مناكيرَ لِمنصورٍ تَقضي بأنَّه واهٍ جداً.
لم أجدْ وفاةً لِمنصورٍ، وكأنَّها في حُدودِ المئتَينِ
(1).
*
هَذا الجُزءُ:وهذا الجُزءُ الصغيرُ هو مِن جَمعِ أبي بكرٍ الذَّكْوانيِّ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ الرحمنِ، المعروفِ بابنِ أبي عليٍّ الهَمْدانيِّ الأصبهانيِّ المُعدلِ
(2).
* ويَرويه عنه محمدُ بنُ عبدِ الجبارِ بنِ محمدٍ أبو العلاءِ الفِرْسانيُّ
(3) الأصبهانيُّ.
* وعنه السِّلَفيُّ. وعنه سِبطُه عبدُ الرحمنِ بنُ مكيٍّ. وعنه أبو الحسنِ الواني.
* وعنه أمُّ عيسى مريمُ بنت أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيم الأذْرَعيِّ
(4).
* وعنها أمُّ الفضلِ هاجرُ بنتُ محمدِ بنِ محمدِ بنِ أبي بكرِ بنِ عبدِ العزيزِ
--------------------------------------------
[কুরআন সম্পর্কে] তিনি তাকে ধমক দিলেন এবং নিজের লাঠি দিয়ে তার দিকে ইশারা করলেন। তখন বলা হলো: "হে আবু মুহাম্মদ, সে তো একজন ইবাদতগুজার (আবেদ) ব্যক্তি।" তিনি বললেন: "আমি তাকে শয়তান ছাড়া আর কিছু দেখছি না।"
ইবনে আদি মানসুরের কিছু 'মুনকার' বর্ণনা উল্লেখ করেছেন যা প্রমাণ করে যে, সে অত্যন্ত দুর্বল।
আমি মানসুরের মৃত্যুর সাল খুঁজে পাইনি, তবে মনে হয় তা দুইশ হিজরির কাছাকাছি সময়ে হয়েছিল।
(১).
*
এই অংশটি (জুয):এই ছোট অংশটি আবু বকর আয-যাকওয়ানি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান কর্তৃক সংকলিত, যিনি ইবনে আবু আলী আল-হামদানি আল-আসবাহানি আল-মুআদ্দিল নামে পরিচিত।
(২).
* তাঁর নিকট থেকে এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল জব্বার ইবনে মুহাম্মদ আবুল আলা আল-ফিরসানি
(৩) আল-আসবাহানি।
* তাঁর থেকে আস-সিলাফি। তাঁর থেকে তাঁর দৌহিত্র আব্দুর রহমান ইবনে মাক্কি। তাঁর থেকে আবুল হাসান আল-ওয়ানি।
* তাঁর থেকে উম্মু ঈসা মারইয়াম বিনতে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আল-আযরুয়ি
(৪).
* তাঁর থেকে উম্মুল ফযল হাজের বিনতে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে আব্দুল আজিজ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪০৭)
القُدسيِّ
(1).
* هذا هو إسنادُ الجُزءِ في النُّسخَتينِ اللتينِ وقفتُ عليهما
(2):
* نسخةٌ ضمنَ مَجموعِ جامعةِ الإمامِ المُتقدِّمِ ذِكرُه (ص 226)، الأوراق [97 - 99]. وليسَ فيها سماعاتٌ. ولها الرمزُ (ب).
* والنسخةُ الأصلُ في الأوراقِ [161 - 163] مِن المجموعِ (546) في مكتبةِ شَهيد علي بتركيا.
وصاحبُها وكاتبُها هو يوسفُ بنُ حسنِ بنِ مَروان التَّتَائيُّ
(3). كتَبَها في ربيعٍ الأولِ سَنةَ (864 هـ).
وعلى ورقةِ العنوانِ سَماعٌ بخطِّه على أمِّ الفضلِ هاجَرَ بقراءةِ السَّخاويِّ بالتاريخِ المَذكورِ.
وقبلَ ورقةِ العنوانِ سماعٌ عليها أيضاً، ثم على يوسفَ بنِ حسنٍ التَّتَائيِّ سَنةَ (888 هـ) على الهرمِ الكبيرِ بالجيزةِ.
وفي آخِرِ الجزءِ سَماعاتٌ مَنقولةٌ على سبطِ السِّلَفيِّ سَنةَ (651 هـ)، ثم على أبي الحسنِ الواني سَنةَ (725 هـ)، ثم على مريمَ بنتِ أحمدَ الأَذْرَعيِّ سَنةَ (794 هـ).
--------------------------------------------
আল-কুদসি
(১)।
* আমি যে দুটি পাণ্ডুলিপি পেয়েছি, তাতে এই জুয-এর সনদ (সূত্রপরম্পরা) নিম্নরূপ
(২):
* একটি পাণ্ডুলিপি পূর্বে উল্লিখিত ইমাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকলনের অন্তর্ভুক্ত (পৃ. ২২৬), পত্র [৯৭ - ৯৯]। এতে কোনো 'সামা' (শ্রবণ সনদ) নেই। এর প্রতীক হলো (ব)।
* এবং মূল পাণ্ডুলিপিটি তুরস্কের শহিদ আলী লাইব্রেরির সংকলন (৫৪৬)-এর [১৬১ - ১৬৩] পত্রে অবস্থিত।
এর মালিক ও লেখক হলেন ইউসুফ ইবনে হাসান ইবনে মারওয়ান আত-তাতায়ি
(৩)। তিনি এটি ৮৬৪ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে লিখেছেন।
শিরোনামের পাতায় উম্মুল ফজল হাজেরের কাছে তাঁর নিজ হাতের লেখায় একটি 'সামা' রয়েছে, যা উল্লিখিত তারিখে সাখাবীর পাঠের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
শিরোনামের পাতার আগেও তাঁর একটি 'সামা' রয়েছে, এরপর ৮৮৮ হিজরিতে গিজার বৃহৎ পিরামিডের নিকট ইউসুফ ইবনে হাসান আত-তাতায়ির কাছে একটি 'সামা' রয়েছে।
এবং জুয-এর শেষে ৬৫১ হিজরিতে সিবত আস-সিলাফির নিকট হতে, এরপর ৭২৫ হিজরিতে আবুল হাসান আল-ওয়ানির নিকট হতে এবং এরপর ৭৯৪ হিজরিতে মারিয়াম বিনতে আহমদ আল-আজরয়ির নিকট হতে নকলকৃত 'সামা'সমূহ রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪০৮)
والأصلُ الذي نُقلَت مِنه هذه النُّسخةُ يَظهرُ أنَّه قُوبلَ على رِوايتَينِ، كما جاءِ في آخِرِ الجُزءِ:
وَجدتُّ في الأصلِ: ما كانَ عليه عَلامةُ (هـ) فهي رِوايةُ عمرَ العُتْبيِّ
(1) ومَن مَعه في طبقةِ الإسكندريةِ، وما كانَ عليه عَلامةُ (ش) فطَبقةُ ابنِ قُريشٍ
(2).
* «أحاديث منصور بن عمار»
هذا هو اسمُ الجُزءِ في النُّسخةِ الأصلِ، أمَّا في النُّسخةِ (ب): «جزء فيه أحاديث منصور بن عمار ومن كلامه».
وفي سَماعَينِ قبلَ ورقةِ العنوانِ: «جزء منصور بن عمار».
وبهذا ذكَرَه ابنُ حجرٍ في «المعجم المفهرس» (1579)
(3) ووصَفَه بذِكرِ أوَّلِه وآخِرِه.
وذكَرَه في «المجمع المؤسس» (2/ 561) باسمِ: «جزء من حديث منصور بن عمار وكلامه» وقالَ في الموضِعَين: والجزءُ مِن جَمعِه. يعني أبا بكرٍ
--------------------------------------------
যে মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এই অনুলিপিটি গ্রহণ করা হয়েছে, সেটি দেখে প্রতীয়মান হয় যে এটি দুটি বর্ণনার (রেওয়ায়েত) সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে, যেমনটি খণ্ডের শেষে উল্লেখ করা হয়েছে:
আমি মূল পাণ্ডুলিপিতে পেয়েছি: যাতে (হ) চিহ্ন রয়েছে, তা হলো উমর আল-উতবি
(১) এবং আলেকজান্দ্রিয়ার স্তরে (তাবাকা) তাঁর সাথে যারা ছিলেন তাদের বর্ণনা; আর যাতে (শ) চিহ্ন রয়েছে, তা ইবনে কুরাইশ
(২)-এর স্তর।
* «মনসুর বিন আম্মারের হাদিসসমূহ»
এটিই হলো মূল অনুলিপিতে এই খণ্ডটির নাম, তবে (খ) অনুলিপিতে রয়েছে: «একটি খণ্ড যাতে মনসুর বিন আম্মারের হাদিসসমূহ এবং তাঁর কিছু কথা রয়েছে»।
এবং শিরোনাম পাতার পূর্বের দুটি শ্রবণ-সনদে (সামা) রয়েছে: «মনসুর বিন আম্মারের খণ্ড»।
ইবনে হাজার ‘আল-মুজাম আল-মুফাহরাস’ (১৫৭৯)
(৩) গ্রন্থে এটিকে এভাবেই উল্লেখ করেছেন এবং এর শুরু ও শেষ বর্ণনার মাধ্যমে এর বিবরণ দিয়েছেন।
তিনি এটি ‘আল-মাজমা আল-মুয়াসসিস’ (২/ ৫৬১) গ্রন্থে এই নামে উল্লেখ করেছেন: «মনসুর বিন আম্মারের হাদিস ও তাঁর কথা থেকে একটি অংশ» এবং উভয় স্থানে বলেছেন: এই খণ্ডটি তাঁরই সংকলিত। অর্থাৎ আবু বকরের।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪০৯)
الذَّكْوانيَّ.
وذكَرَه ابنُ طُولونَ في «الفهرست الأوسط» (4/ 318) باسمِ «جزء حديث منصور بن عمار» ووصَفَه أيضاً بذِكرِ أوَّلِه وآخِرِه.
আয-যাকওয়ানি।
এবং ইবনে তুলুন একে ‘আল-ফিহরিস্ট আল-আওসাত’ (৪/ ৩১৮)-এ ‘জুযউ হাদিস মানসুর বিন আম্মার’ নামে উল্লেখ করেছেন এবং এর শুরু ও শেষ উল্লেখ করার মাধ্যমেও এর বিবরণ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১১)
أحاديثُ منصورِ بنِ عمارٍ
جمعُ أبي بكرِ بنِ أحمدَ الحافظِ
المعروفِ بابنِ أبي عليٍّ الهَمْدانيِّ
رحمَهما اللهُ تعالى
روايةُ أبي العلاءِ محمدِ بنِ عبدِ الجبارِ بنِ محمدٍ الفِرْسانيِّ عنه
روايةُ أبي الطاهرِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ الحافظِ السِّلَفيِّ عنه
روايةُ أبي القاسمِ عبدِ الرحمنِ بنِ مَكيِّ بنِ الحاسبِ عنه
روايةُ أبي الحسنِ عليِّ بنِ عمرَ بنِ أبي بكرٍ الوانيِّ عنه
روايةُ أمِّ عيسى مريمَ ابنةِ الشِّهابِ أحمدَ الأَذْرَعيِّ عنه
روايةُ أمِّ الفضلِ هاجرَ ابنةِ الشَّرَفِ محمدٍ القُدسيِّ عنها
روايةُ كاتبه يوسفَ بنِ حسنٍ التَّتَائيِّ المالكيِّ عنها سماعاً
মনসুর বিন আম্মারের হাদীসসমূহ
হাফেজ আবু বকর বিন আহমাদ কর্তৃক সংগৃহীত
যিনি ইবনে আবি আলী আল-হামদানি নামে সমধিক পরিচিত
আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের ওপর রহম করুন
তাঁর থেকে আবু আল-আলা মুহাম্মদ বিন আব্দুল জব্বার বিন মুহাম্মদ আল-ফিরসানির বর্ণনা
তাঁর থেকে হাফেজ আবু আল-তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আস-সিলাফির বর্ণনা
তাঁর থেকে আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন মাক্কি বিন আল-হাসিবের বর্ণনা
তাঁর থেকে আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আবু বকর আল-ওয়ানির বর্ণনা
তাঁর থেকে উম্মে ঈসা মরিয়ম বিনতে শিহাব আহমাদ আল-আজরুয়ির বর্ণনা
তাঁর থেকে উম্মুল ফজল হাজের বিনতে শারাফ মুহাম্মদ আল-কুদসির বর্ণনা
তাঁর থেকে শ্রবণকৃত অবস্থায় তাঁর লেখক ইউসুফ বিন হাসান আত-তাতাঈ আল-মালিকির বর্ণনা
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ وآلِهِ وصحبِه وسلَّم
أخبرتْنا المُسنِدةُ أمُّ الفضلِ هاجرُ ابنةُ الشيخِ المحدِّثِ شرفِ الدِّينِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ أبي بكرِ بنِ عبدِ العزيزِ بنِ إبراهيمَ القُدسيِّ سماعاً عليها في ربيعٍ الأولِ سَنةَ أربعٍ وسِتينَ وثمانِمئةٍ قالت: أخبرتْنا أمُّ عيسى مريمُ ابنةُ الشِّهابِ أحمدَ بنِ الأذْرَعيِّ قالت: أخبرنا به أبو الحسنِ عليُّ بنُ عمرَ بنِ أبي بكرٍ الواني: أخبرنا به أبو القاسمِ عبدُ الرحمنِ بنُ مكيٍّ الطرابلسيُّ: أخبرنا به جدِّي لأُمي الحافظُ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ السِّلَفيُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في جُماد الأولِ سنةَ خمسٍ وسبعينَ وخمسِمئةٍ: أخبرنا الشيخُ أبو العلاءِ محمدُ بنُ عبدِ الجبارِ بنِ محمدٍ الفِرْسانيُّ
(1) قراءةً عليه وأنا أسمعُ في جُمادى الآخرةِ سنةَ اثنينِ وسبعينَ وأربعِمئةٍ: أخبرنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ عبدِ الرحمنِ الحافظُ فقالَ
(2):
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সাহাবীগণের ওপর।
মুসনিদাহ উম্মুল ফজল হাজার বিনতে শেখ মুহাদ্দিস শরাফউদ্দীন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর বিন আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম আল-কুদসী ৮৬৪ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে আমাদের নিকট তাঁর শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মু ঈসা মারইয়াম বিনতে আশ-শিহাব আহমদ বিন আল-আজরয়ী। তিনি বলেছেন: আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আবি বকর আল-ওয়ানি। তিনি বলেন: আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুর রহমান বিন মক্কী আত-তরাবুলুসী। তিনি বলেন: আমাকে আমার মাতামহ হাফেজ আবু তাহের আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমদ আস-সিলাফী ৫৭৫ হিজরির জুমাদাল উলা মাসে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবুল আলা মুহাম্মাদ বিন আব্দুল জব্বার বিন মুহাম্মাদ আল-ফিরসানি
(১) ৪৭২ হিজরির জুমাদাল আখিরাতে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমদ বিন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন
(২):
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১৪)
ذِكرُ ما انتَهى إلينا مِمَّا أسنَدَه منصورُ بنُ عمارٍ ومِن كلامِهِ
منصورُ بنُ عمارٍ عن ابنِ لَهيعةَ وغيرِه
469 - (1) حدثنا أبو القاسمِ سليمانُ بنُ أحمدَ بنِ أيوبَ الطبرانيُّ: حدثنا الحسينُ بنُ إسحاقَ التُسْتَريُّ: حدثنا الحسنُ بنُ حمادٍ الواسطيُّ: حدثنا منصورُ بنُ عمارٍ، عن ابنِ لَهيعةَ، عن درَّاجِ، عن ابنِ
(1) حُجيرةَ، عن أبي هريرةَ رضي الله عنه،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لو أنَّكم لا تُخطِئونَ لأَتى اللهُ عز وجل بقومٍ يُخطِئونَ فيَغفرُ لهم»
(2).
470 - (2) حدثنا أبو القاسمِ الطبرانيُّ: حدثنا أحمدُ بنُ يحيى بنِ خالدِ بنِ حيَّانَ: حدثنا عَبدوسُ بنُ محمدٍ المصريُّ: حدثنا منصورُ بنُ عمارٍ، عن ابنِ لَهيعةَ، عن أبي قَبيلٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ العاصِ،
عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «شِعارُ أُمتي إذا حُمِلوا على الصراطِ يا لا إلهَ إلا أنتَ»
(3).
--------------------------------------------
মানসুর ইবনে আম্মার কর্তৃক বর্ণিত সনদযুক্ত বর্ণনা এবং তাঁর বক্তব্যসমূহ থেকে যা আমাদের কাছে পৌঁছেছে তার উল্লেখ
মানসুর ইবনে আম্মার, ইবনে লাহিয়াহ এবং অন্যদের থেকে বর্ণিত
৪৬৯ - (১) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আত-তাবারানি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসহাক আত-তুস্তারি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে হাম্মাদ আল-ওয়াসিতি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মানসুর ইবনে আম্মার, ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি দাররাজ থেকে, তিনি ইবনে হুজাইরাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে,
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যদি তোমরা পাপ না করতে, তবে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা এমন এক জাতিকে নিয়ে আসতেন যারা পাপ করত এবং তিনি তাদের ক্ষমা করে দিতেন»।
৪৭০ - (২) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আত-তাবারানি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে খালিদ ইবনে হাইয়ান: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুস ইবনে মুহাম্মদ আল-মিসরি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মানসুর ইবনে আম্মার, ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি আবু কাবিল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আল-আস থেকে,
তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «আমার উম্মতের স্লোগান যখন তাদের সিরাতের ওপর বহন করা হবে (উঠানো হবে), তখন হবে: হে আপনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই»।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১৫)
471 - (3) حدثنا الطبرانيُّ: حدثنا محمدُ بنُ العباسِ بنِ الأخرمِ: حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ يونسَ: حدثنا منصورُ بنُ عمارٍ، عن ابنِ لَهيعةَ، عن أبي الأسودِ، عن عروةَ، عن عائشةَ قالتْ:
خَرجَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم وقَد عَقدَ عُقدةً بينَ كتفَيهِ، فقالَ له أعرابيٌّ: ما هذِه يا رسولَ اللهِ؟ قالَ: / «ويحَكَ يا أعرابيُّ، إنَّما لبستُها لأقمعَ بها الكِبْرَ»
(1).
472 - (4) حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ عليِّ بنِ عاصمٍ: حدثنا مُسددُ بنُ أبي يوسفَ القُلُوسيُّ
(2) بحَرَّانَ وبمصرَ
(3): حدثنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ زيدٍ
(4) الرِّياحيُّ: حدثنا منصورُ بنُ عمارٍ، عن ابنِ لَهيعةَ، عن أبي قَبيلٍ قالَ: لمَّا قُتلَ الحسينُ بنُ عليٍّ رضي الله عنهما بُعثَ برأسِهِ إلى يزيدَ
(5)، فنَزَلوا في أولِ مرحلةٍ، فجَعَلوا يَشرَبونَ ويَتَحَيَّونَ
(6) بالرأسِ، فبينَا
(7) هم كذلكَ إذْ
--------------------------------------------
৪৭১ - (৩) তাবারানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ বিন আব্বাস বিন আল-আখরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রহমান বিন ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মনসুর বিন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে লাহীআহ থেকে, তিনি আবুল আসওয়াদ থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দুই কাঁধের মাঝখানে একটি গিট বাঁধা অবস্থায় বের হলেন। তখন এক বেদুইন তাঁকে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, এটি কী? তিনি বললেন: / «তোমার জন্য আফসোস হে বেদুইন, আমি এটি কেবল এ কারণেই পরিধান করেছি যাতে এর মাধ্যমে অহংকার দমন করতে পারি»
(১)।
৪৭২ - (৪) আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আলী বিন আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুসাদ্দাদ বিন আবু ইউসুফ আল-কুলুসী
(২) হাররান এবং মিশরে
(৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যাইদ
(৪) আল-রিয়াহী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মনসুর বিন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে কাবীল থেকে, তিনি বলেন: যখন হুসাইন বিন আলী (রা.) শহীদ হলেন, তখন তাঁর মস্তক মুবারক ইয়াজিদের নিকট পাঠানো হলো
(৫)। তারা (পথিমধ্যে) প্রথম মঞ্জিলে অবতরণ করল এবং মদ্যপান শুরু করল এবং মাথাটি নিয়ে একে অপরকে সম্ভাষণ জানাতে লাগল
(৬)। এমতাবস্থায়
(৭) তারা যখন এই কাজে লিপ্ত ছিল তখনই...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১৬)
خَرجَت عَليهم
(1) كَفٌّ مِن الحائطِ ومَعها قلمُ حديدٍ كَتبتَ سَطراً بدمٍ:
أتَرجُو أُمةٌ قَتلَتْ حُسيناً
… شَفاعةَ جَدِّه يومَ الحسابِ
فهَربوا وتَركوا الرأسَ
(2).
473 - (5) قالَ منصورُ بنُ عمارٍ: حدثني أبو محمدٍ الهِلاليُّ قالَ: شَرَكَ مِنا رَجلانِ في دمِ الحسينِ
(3) بنِ عليٍّ عليهما السلام، فأمَّا أحدُهما فابتُليَ بالعطشِ، فكانَ لو شربَ راوِيةً مِن ماءٍ ما رويَ، وأمَّا الآخَرُ فابتُليَ بطولِ ذَكَرِهِ، فكانَ إذا ركبَ الفَرسَ يَلويه في عُنقِه كأنَّه حبلٌ
(4).
474 - (6) حدثنا الطبرانيُّ: حدثنا محمدُ بنُ العباسِ الأخرمُ: حدثنا
(5) عبدُ الرحمنِ بنُ يونسَ قالَ: سمعتُ منصورَ بنَ عمارٍ يقولُ: حدثنا ابنُ لَهيعةَ،
--------------------------------------------
তাদের সামনে
(১) দেয়াল থেকে একটি হাতের তালু বের হয়ে এল, যার সাথে ছিল একটি লোহার কলম। সেটি রক্ত দিয়ে একটি পঙ্ক্তি লিখল:
যে উম্মত হুসাইনকে হত্যা করেছে, তারা কি বিচার দিবসে তার দাদার শাফায়াত আশা করে?
ফলে তারা পালিয়ে গেল এবং মাথাটি ফেলে রেখে গেল
(২)।
৪৭৩ - (৫) মানসুর ইবনে আম্মার বলেন: আবু মুহাম্মাদ আল-হিলালি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের মধ্য থেকে দুইজন ব্যক্তি হুসাইন ইবনে আলী (তাদের উভয়ের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-এর রক্তে শরিক ছিল। তাদের একজন তৃষ্ণার রোগে আক্রান্ত হয়েছিল; সে যদি এক মশক পানিও পান করত, তবুও তার তৃষ্ণা মিটত না। আর অন্যজন তার লিঙ্গ দীর্ঘ হওয়ার ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিল; সে যখন ঘোড়ায় চড়ত, তখন সেটিকে রশির মতো তার ঘাড়ের সাথে পেঁচিয়ে রাখত
(৪)।
৪৭৪ - (৬) তাবারানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনুল আব্বাস আল-আখরাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন:
(৫) আবদুর রহমান ইবনে ইউনুস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মানসুর ইবনে আম্মারকে বলতে শুনেছি: ইবনে লাহিয়াহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১৭)
عن أبي الأسودِ
(1)، عن عائشةَ قالتْ:
كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لا يَزيدُ ذا شَرفٍ عندَه ولا يَنقُصُه (عهده؟)
(2) إلا بالتَّقوى
(3).
ومِن كلامِهِ وأخبارِهِ
475 - (7) أخبرنا أبو يعقوبَ إسحاقُ بنُ أحمدَ بنِ عليٍّ التاجرُ: حدثنا إبراهيمُ بنُ يوسفَ بنِ خالدٍ الهِسِنْجانيُّ
(4): حدثنا أحمدُ بنُ أبي
(5) الحَوَاريِّ قالَ: سمعتُ عبدَ الرحمنِ بنَ مُطرِّفٍ قالَ: رُؤيَ منصورُ بنُ عمارٍ بعدَ موتِهِ، فقيلَ له: يا منصورُ، ما فَعلَ بكَ ربُّكَ عز وجل؟ قالَ: غَفرَ لي، وقالَ لي: يا منصورُ، قَد غَفرتُ لكَ على تَخليطٍ كانَ فيكَ كثيراً، إلا أنَّكَ كنتَ تُحوّش
(6) الناسَ إلى دَاري
(7).
--------------------------------------------
আবুল আসওয়াদ থেকে বর্ণিত
(১), আয়েশা (রা.) থেকে, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকওয়া ব্যতীত তাঁর নিকট কোনো সম্মানিত ব্যক্তির সম্মান বৃদ্ধি করতেন না এবং তাঁর মর্যাদা হ্রাস করতেন না (তাঁর কাছে?)
(২)(৩)।
তাঁর কথা ও সংবাদসমূহ থেকে
৪৭৫ - (৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে আহমদ ইবনে আলী আত-তাজির: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে ইউসুফ ইবনে খালিদ আল-হিসিনজানি
(৪): আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ ইবনে আবি
(৫) আল-হাওয়ারি, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে মুতাররিফকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মানসুর ইবনে আম্মারকে তাঁর মৃত্যুর পর স্বপ্নে দেখা গিয়েছিল, তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: হে মানসুর, আপনার রব (আযযা ওয়া জাল্লা) আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আমাকে বলেছেন: হে মানসুর, তোমার মধ্যে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি, কারণ তুমি মানুষকে আমার ঘরের
(৭) দিকে সমবেত করতে
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আহাদীসু মানসুর ইবনে আম্মার
(পৃষ্ঠা: ৪১৮)
476 - (8) حدثنا أبو محمدٍ عمُّ أبي: حدثنا
(1) إبراهيمُ بنُ محمدِ بنِ الحسنِ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ سليمانَ الدِّمشقيُّ: حدثنا أحمدُ بنُ أبي الحَوَاريِّ: حدثنا جعفرُ بنُ محمدٍ: / قالَ: قالَ منصورُ بنُ عمارٍ: يا لَها مِن فَرحةٍ
(2) لو قَد أشرفَ عليهم جبريلُ فَناداهم: يا أهلَ دارِ النَّعيمِ، تَمنَّوا على اللهِ ما شِئتُم.
قالَ منصورٌ: أرَى المُوفَّقينَ أرشدهم لم
(3) يُخرجْ بَعْدُ لذةَ الطاعةِ مِن قُلوبِهم، وأَراهم قَد جَعَلوا أكبرَ هَمِّهم
(4) في [طلبِ] رِضا ربِّهم.
آخِرُ الجزءِ
والحمدُ للهِ أولاً وآخِراً
وصلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ وآلِهِ وصحبِهِ وسلِّمَ تسليماً دائماً أبداً
(5)--------------------------------------------
৪৭৬ - (৮) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ, আমার পিতার চাচা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন হাসান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান আল-দিমাশকি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন আবি আল-হাওয়ারি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন মুহাম্মদ:
তিনি বলেন: মানসুর ইবন আম্মার বলেছেন: কি চমৎকার আনন্দই না হবে যদি জিবরিল তাদের সামনে উপস্থিত হয়ে তাদের সম্বোধন করেন: ওহে নেয়ামতপূর্ণ গৃহের অধিবাসীরা, আল্লাহর কাছে তোমরা যা চাও তা কামনা করো।
মানসুর বলেন: আমি দেখছি তাওফিকপ্রাপ্তদের আল্লাহ সঠিক পথ দেখিয়েছেন এবং তাদের অন্তর থেকে আনুগত্যের স্বাদকে বের করে দেননি; আর আমি দেখছি যে তারা তাদের রবের সন্তুষ্টি [অন্বেষণ] করাকেই তাদের সর্বশ্রেষ্ঠ চিন্তায় পরিণত করেছেন।
অংশের সমাপ্তি
আদিতে ও অন্তে সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য
আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ওপর চিরস্থায়ী ও অনন্তকাল দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
--------------------------------------------