(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: -)
حديث أبي إسحاق الحبال القسم: كتب السنة
الكتاب: حديث أبي إسحاق الحبال
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 9
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
আবু ইসহাক আল-হাব্বালের হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু ইসহাক আল-হাব্বালের হাদিস
[‘তরাদ আল-জায়নাবীর রচনা সমগ্র এবং অন্যান্য খণ্ড’ এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত]
তাহকীককারী: নাবিল সাদ আদ-দীন জাররার
প্রকাশক: আরউয়াকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং, জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯
[কিতাবটির পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯৩)
هذا الجُزءُيَقعُ هذا الجُزءُ بعدَ جُزءِ ابنِ ثَرْثالٍ في نسخةِ الظاهريةِ مباشرةً، ويَرويه أبو القاسمِ البُوصيريُّ بنفسِ الإسنادِ: عن سلطانَ بنِ إبراهيمَ بنِ المُسَلَّمِ، عن الحَبَّالِ.
وذكرَه الألبانيُّ في «المنتخب» في مُصنَّفاتِ البُوصيريِّ (ص 240) فقالَ: مِن حديثِهِ، وفيه مُسلسلٌ.
قلتُ: ولعلَّ نِسبتَه لأبي إسحاقَ الحَبَّالِ أقربُ، فكُلُّ الأحاديثِ هي مِن روايةِ الحَبَّالِ عن شُيوخِهِ. واللهُ أعلمُ.
*
جُزءٌ آخَرُ للحَبَّالِذكرَ ابنُ حَجرٍ في «المعجم المفهرس» (1096)، والسُّيوطيُّ في «أنساب الكتب» (1937)، وابنُ طولونَ في «الفهرست الأوسط» (4/ 236) جُزءاً آخَرَ للحَبَّالِ مِن روايةِ محمدِ بنِ عبدِ الباقي أبي بكرٍ الأنصاريِّ
(1) عنه.
ولعلَّه الذي ذكَرَه ابنُ طَرْخانَ في «مشيخته» (ص 255، 271): «حديث الحبال» وفيه: «نسخة أبي مسهر».
فإنَّه ذكَرَه في مَروياتِ ثِنتَين مِن مشايِخِه بسماعِهِما مِن ابنِ طَبرزَدَ، وابنُ طَبرزَدَ يَروي عن أبي بكرٍ الأنصاريِّ، عن الحَبَّالِ. واللهُ أعلمُ.
--------------------------------------------
এই জুযটিএই জুযটি জাহিরিয়্যাহ পাণ্ডুলিপিতে সরাসরি ইবনে সারসালের জুযের পরে অবস্থিত। আবুল কাসিম আল-বুসিরি এটি একই সনদে বর্ণনা করেছেন: সুলতান ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল মুসলিম থেকে, তিনি হাব্বাল থেকে।
আলবানী একে «আল-মুনতাখাব»-এ আল-বুসিরির রচনাবলির বর্ণনায় (পৃষ্ঠা ২৪০) উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: এটি তার হাদিস থেকে বর্ণিত, এবং এতে মুসালসাল হাদিস রয়েছে।
আমি বলছি: সম্ভবত এর নিসবত বা সম্পৃক্ততা আবু ইসহাক আল-হাব্বালের দিকে হওয়াই অধিকতর সঠিক, কারণ সমস্ত হাদিসই হাব্বাল তার শাইখদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
*
হাব্বালের অন্য একটি জুযইবনে হাজার «আল-মুজামুল মুফাহরাস» (১০৯৬), সুয়ূতী «আনসাবুল কুতুব» (১৯৩৭) এবং ইবনে তুলুন «আল-ফিহরিসতুল আওসাত» (৪/ ২৩৬) গ্রন্থে হাব্বালের অন্য একটি জুযের কথা উল্লেখ করেছেন, যা মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী আবু বকর আল-আনসারী
(১) তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
সম্ভবত এটিই সেটি যা ইবনে তারখান তার «মাশইয়াখাহ» (পৃষ্ঠা ২৫৫, ২৭১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: «হাদিসুল হাব্বাল» এবং এতে রয়েছে: «আবু মুসহিরের কপি (নুসখা)»।
কারণ তিনি এটি তার দুইজন শাইখের বর্ণিত হাদিসসমূহের মধ্যে উল্লেখ করেছেন, যা তারা ইবনে তাবারজাদ থেকে শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে তাবারজাদ আবু বকর আল-আনসারী থেকে এবং তিনি হাব্বাল থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
والحمدُ للهِ ربِّ العالَمينَ
وصلَّى اللهُ على محمدٍ وآلِهِ وسلَّمَ
.. .. .. الشيخُ الفقيهُ الأديبُ أبو القاسمِ هبةُ اللهِ بنُ عليِّ بنِ سُعودٍ البُوصيريُّ أكرمَه اللهُ قالَ:
461 - (1) .. .. ..
(1) حدثنا الشيخُ الفقيهُ الإمامُ أبو الفتحِ سلطانُ بنُ إبراهيمَ بنِ المُسَلَّمِ الشافعيُّ قالَ: أخبرنا الشيخُ أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ سعيدِ بنِ عبدِ اللهِ الحَبَّالُ رضي الله عنه قالَ: حدثنا أبو العباسِ منيرُ بنُ أحمدَ بنِ الحسنِ بنِ عليِّ بنِ مُنيرٍ إملاءً مِن حفظِه مِن كتابِه في دارِهِ في شوالٍ قالَ: حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ وَرْدانَ العامريُّ مِن لفظِه وحفظِه سَنةَ تسعٍ وثلاثينَ وثلاثِمئةٍ قالَ: حدثنا أبو بكرٍ عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ العمَريُّ قالَ: حدثنا ابنُ أبي أُويسٍ
(2) قالَ: حدثنا مالكُ بنُ أنسٍ، عن العلاءِ بنِ عبدِ الرحمنِ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ قالَ:
قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «الدُّنيا سِجنُ المؤمنِ وجَنةُ الكافرِ»
(3).
462 - (2) حدثنا العامريُّ قالَ: حدثنا بكَّارُ بنُ قُتيبةَ قالَ: حدثنا مؤملُ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
এবং আল্লাহ মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
.. .. .. শাইখ, ফকিহ, সাহিত্যিক আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন সুউদ আল-বুসিরি (আল্লাহ তাঁকে সম্মানিত করুন) বলেছেন:
৪৬১ - (১) .. .. ..
(১) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শাইখ, ফকিহ, ইমাম আবুল ফাতহ সুলতান বিন ইব্রাহিম বিন আল-মুসাল্লাম আশ-শাফিয়ি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন সাইদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাব্বাল (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুনির বিন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন মুনির, তাঁর নিজ গৃহে শাওয়াল মাসে তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে তাঁর কিতাব অনুযায়ী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন ওয়ারদান আল-আমিরি, ৩৩৯ হিজরি সালে তাঁর নিজস্ব শব্দে এবং স্মৃতি থেকে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-উমরি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি উওয়াইস
(২)। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মালিক বিন আনাস, আলা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাত»
(৩)।
৪৬২ - (২) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আমিরি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন বাক্কার বিন কুতাইবা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুআম্মাল
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯৬)
بنُ إسماعيلَ، عن زهيرِ
(1) بنِ محمدٍ، عن موسى بنِ وَرْدانَ، عن أبي هريرةَ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «المَرءُ على دِينِ خَليلِه، فليَنظُر المَرءُ مَن يُخالِلُ»
(2).
463 - (3) حدثنا العامريُّ قالَ: حدثنا الحسنُ قالَ: حدثنا أشهبُ بنُ عبدِ العزيزِ قالَ: حدثنا الليثُ وابنُ لَهيعةَ، عن يزيدَ بنِ أبي حبيبٍ، عن أبي الخيرِ، عن عقبةَ بنِ
(3) عامرٍ الجُهنيِّ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «حقُّ
(4) ما وَفيتُم به مِن الشُّروطِ ما استَحللتُم به الفُروجَ»
(5).
464 - (4) حدثنا العامريُّ قالُ: حدثنا أبو محمدٍ سليمانُ بنُ شعيبٍ الكَيسانيُّ قالَ: حدثنا سعيدٌ الآدمُ قالَ: حدثنا شهابُ بنُ خِراشٍ، ولقيتُه في أصحابِ السكرِ، عن يزيدَ الرَّقَاشيِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أخوفُ ما أخافُ على أُمَّتي تَصديقٌ بالنُّجومِ
--------------------------------------------
...বিন ইসমাঈল থেকে, তিনি যুহাইর
(১) বিন মুহাম্মাদ থেকে, তিনি মুসা বিন ওয়ারদান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের অনুসারী হয়; সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকেরই লক্ষ্য করা উচিত যে, সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে»
(২)।
৪৬৩ - (৩) আল-আমিরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আশহাব বিন আব্দুল আযীয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস এবং ইবনে লাহীআ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন আবি হাবীব থেকে, তিনি আবুল খায়ের থেকে, তিনি উকবা বিন
(৩) আমির আল-জুহানী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা যেসব শর্ত পূরণ করো, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হকদার
(৪) হলো সেই শর্তসমূহ, যার মাধ্যমে তোমরা লজ্জাস্থানকে হালাল করেছ»
(৫)।
৪৬৪ - (৪) আল-আমিরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ সুলাইমান বিন শুআইব আল-কাইসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আল-আদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শিহাব বিন খিরাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং আমি তাঁর সাথে আসহাবুস সুক্কার-এ সাক্ষাৎ করেছি—তিনি ইয়াযীদ আর-রাক্কাশি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমি আমার উম্মতের ব্যাপারে যে বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই, তার একটি হলো নক্ষত্ররাজিতে বিশ্বাস স্থাপন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯৭)
وتَكذيبٌ بالقدَرِ». وأخذَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بلحيتِهِ وقالَ: «آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، وحُلوِه ومُرِّهِ».
وأخذَ أنسٌ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، وحُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ يزيدُ الرَّقَاشيُّ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، وحُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ شهابٌ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، وحُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ سعيدٌ الآدمُ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقَدرِ خيرِهِ وشرِّه، وحُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ أبو محمدٍ الكَيسانيُّ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، وحُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ أبو بكرٍ العامريُّ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، حُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ شيخُنا أبو العباسِ منيرٌ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، حُلوِه ومُرِّهِ.
/ قالَ: وأخذَ الشيخُ أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ سعيدٍ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، حُلوِه ومُرِّهِ.
وأخذَ الشيخُ الفقيهُ الإمامُ أبو الفتحِ سلطانُ بنُ إبراهيمَ بنِ المُسَلَّمِ الشافعيُّ بلحيتِهِ وقالَ: آمنتُ بالقدَرِ خيرِهِ وشرِّهِ، حُلوِه ومُرِّهِ
(1).
--------------------------------------------
এবং তাকদিরকে অস্বীকার করা।" এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দাড়ি মোবারক ধরলেন এবং বললেন: "আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ এবং তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।"
এবং আনাস নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ এবং তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং ইয়াজিদ আর-রাকাশি নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ এবং তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং শিহাব নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ এবং তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং সাঈদ আল-আদম নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ এবং তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং আবু মুহাম্মাদ আল-কায়সানি নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ এবং তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং আবু বকর আল-আমিরি নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ, তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং আমাদের শায়খ আবু আল-আব্বাস মুনির নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ, তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
/ তিনি বলেন: এবং শায়খ আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন সাঈদ নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ, তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম।
এবং শায়খ ফকিহ ইমাম আবু আল-ফাতহ সুলতান বিন ইবরাহিম বিন আল-মুসাল্লাম আল-শাফিঈ নিজের দাড়ি ধরলেন এবং বললেন: আমি তাকদিরের ভালো ও মন্দ, তার মিষ্টি ও তিতোর ওপর ঈমান আনলাম
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯৮)
465 - (5) وحدثنا العامريُّ قالَ: حدثنا أبو عُميرٍ عبدُ الكريمِ بنُ محمدِ بنِ هشامٍ الأنصاريُّ البصريُّ قالَ: حدثنا نصرُ بنُ عليٍّ الجَهضَميُّ قالَ: سمعتُ الأَصمعيَّ يقولُ: العيالُ سُوسُ المالِ، والدَّقيقُ أميرُ البيتِ، وبيتٌ ليسَ فيه خبزٌ صَخبٌ كُلُّه.
466 - (6) حدثنا أبو العباسِ وهبُ بنُ جعفرِ بنِ إلياسَ بنِ صدقةَ الكَبَّاشُ قالَ: حدثني أبي قالَ: حدثتنا كريمةُ البَلويةُ بنتُ عاطفٍ قالتْ: حدَّثتني أُمِّي، عن جدَّتي قالتْ:
قلتُ لعائشةَ أمِّ المؤمنينَ رضي الله عنها: هَل كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُصبِحُ في شهرِ رمضانَ جُنباً مُسفِراً ويُتمُّ صومَه؟ قالتْ: نَعم، فقُلتُ لها: هَل مِن وَطْءٍ أو مِن نومٍ
(1)؟ فقالَت: مِن وَطْءٍ. فقُلتُ لها: هَل كُنتِ تُصلِّي خلفَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم في ثوبٍ واحدٍ؟ فقالتْ: في ثوبٍ وخِمارٍ
(2).
--------------------------------------------
৪৬৫ - (৫) আল-আমিরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উমাইর আব্দুল কারিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আল-আনসারী আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাসর ইবনে আলী আল-জাহদামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আসমায়ীকে বলতে শুনেছি: "পরিবার-পরিজন হলো সম্পদের ঘুনপোকা, আটা হলো ঘরের প্রধান (আমির), আর যে ঘরে কোনো রুটি নেই তার পুরোটাই হট্টগোলে পূর্ণ।"
৪৬৬ - (৬) আবু আব্বাস ওয়াহাব ইবনে জাফর ইবনে ইলিয়াস ইবনে সাদাকাহ আল-কাব্বাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কারীমা আল-বালবিয়্যাহ বিনতে আতিফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার মা আমার নিকট থেকে, তিনি আমার নানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি মুমিন জননী আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি রমজান মাসে জুনুবী (সহবাস পরবর্তী নাপাক) অবস্থায় ভোর করতেন এবং এরপর তাঁর রোজা পূর্ণ করতেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: তা কি সহবাস জনিত কারণে নাকি ঘুমের কারণে (স্বপ্নদোষ)? তিনি বললেন: সহবাস জনিত কারণে। এরপর আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি কি এক কাপড়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পেছনে নামাজ পড়তেন? তিনি বললেন: একটি কাপড় এবং একটি ওড়না পরিহিত অবস্থায়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৩৯৯)
قالَ لنا وهبٌ: قالَ أبي: كَتبتُ هذا الحديثَ عن كريمةَ سَنةَ تسعَ عشرَ ومئتَينِ، وهي يومَئذٍ في المسجدِ الجامعِ في الرَّحْبَةِ تَرفعُ حاجبَيها عن عينَيها بعِصابةٍ وتحدِّثُنا
(1).
467 - (7) قالَ: حدثنا الشيخُ أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ سعيدٍ الحَبَّالُ رضي الله عنه ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا أبو سعدٍ أحمدُ بنُ محمدٍ المالِينيُّ لفظاً ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا أبو الحسنِ أحمدُ بنُ عيسى الفَرَضيُّ ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا أبو الحسينِ أحمدُ بنُ الحسنِ بنِ محمدٍ المكيُّ ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا أبو عمرَ هلالُ بنُ العلاءِ ويدُه على كَتفي قالَ: حدثني أبي ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا عُبيدُ اللهِ بنُ عَمرو
(2) ويدُه على كَتفي قالَ: [حدثنا زيدُ بنُ أبي أُنيسةَ ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا أبو إسحاقَ السَّبيعيُّ ويدُه على كَتفي قالَ:]
(3) حدثني عبدُ اللهِ بنُ الحارثِ ويدُه على كَتفي قالَ: حدثني الحارثُ الأعورُ ويدُه على كَتفي قالَ: حدثنا عليُّ بنُ أبي طالبٍ رضوانُ اللهِ عليه ويدُه على كَتفي قالَ:
حدثنا حَبيبي رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ويدُه على كَتفي قالَ: «حدَّثني الصادقُ الناطقُ رسولُ ربِّ العالَمينَ وأمينُهُ على وحيِهِ جبريلُ عليه السلام ويدُه على كَتفي قالَ: سمعتُ / إسرافيلَ عليه السلام يقولُ: سمعتُ القَلمَ يقولُ: سمعتُ اللوحَ يقولُ: سمعتُ اللهَ تعالى يقولُ مِن فوقِ العَرشِ يقولُ للشيءِ: كُنْ، فلا
--------------------------------------------
ওয়াহাব আমাদের বলেছেন: আমার পিতা বলেছেন: আমি এই হাদিসটি কারিমার নিকট থেকে ২১৯ হিজরি সালে লিখেছি, তিনি সেদিন রাহবার জামে মসজিদে ছিলেন, তিনি একটি পট্টি দিয়ে তাঁর চোখ থেকে ভ্রু তুলে ধরছিলেন এবং আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করছিলেন
(১).
৪৬৭ - (৭) তিনি বলেন: শাইখ আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে সাঈদ আল-হাব্বাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আবু সা’দ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মালিনি মৌখিকভাবে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আবুল হাসান আহমদ ইবনে ঈসা আল-ফারাযি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-মাক্কি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আবু উমর হিলাল ইবনুল আলা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: [যাইদ ইবনে আবু উনাইসা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আবু ইসহাক আস-সাবিঈ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন:]
(৩) আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আল-হারিস আল-আ’ওয়ার আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন:
আমার প্রিয়তম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: «সত্যবাদী এবং বাকপটু আল্লাহর রাসূলের নিকট জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম), যিনি বিশ্বজগতের রবের ওহীর আমানতদার, তিনি আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাত আমার কাঁধের ওপর ছিল, তিনি বলেন: আমি ইসরাফিল (আলাইহিস সালাম)-কে বলতে শুনেছি: আমি কলমকে বলতে শুনেছি: আমি লাওহে মাহফুজকে বলতে শুনেছি: আমি মহান আল্লাহকে আরশের উপর থেকে বলতে শুনেছি, তিনি কোনো বস্তুকে বলেন: ‘হও’, তখন সেটি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৪০০)
تَبلغُ الكافُ النونَ أو
(1) يكونُ الذي يكونُ»
(2).
آخِرُ الحديثِ المُسلسلِ
والحمدُ للهِ وحدَه
468 - (8) حدثنا الشيخُ أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ سعيدِ بنِ عبدِ اللهِ الحَبَّالُ رضي الله عنه، وهو أولُ حديثٍ سمعتُه مِنه قالَ: حدثنا الشيخُ الحافظُ أبو نصرٍ عُبيدُ اللهِ بنُ سعيدِ بنِ حاتمِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عَلويه بنِ سهلِ بنِ عيسى بنِ طلحةَ الوائليُّ -مِن بكرِ بنِ وائلٍ- السِّجستانيُّ الشُّروطيُّ، صديقُنا وكتبَ لنا بخطِّه مِن حفظِه في الجامعِ العتيقِ، في ذي القعدةِ سَنةَ سبعٍ وأربعِمئةٍ، وقراءةً عليه بلفظِه رحمَنا اللهُ وإيَّاه، وهو أولُ حديثٍ سمعتُه مِنه في أولِ يومٍ رأيتُه، قالَ: حدثنا أبو يَعلى حمزةُ بنُ عبدِ العزيزِ بنِ محمدٍ المُهَلَّبيُّ بنيسابورَ، وهو أولُ حديثٍ سمعتُه مِنه بقراءَتي عليه قالَ: أخبرنا أبو حامدٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ يحيى بنِ بلالٍ البزازُ، وهو أولُ حديثٍ
--------------------------------------------
কাফ নুন পর্যন্ত পৌঁছাবে অথবা
(১) যা হওয়ার তা হবে»
(২).
পরম্পরাগত (মুসালসাল) হাদিসের সমাপ্তি
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য
৪৬৮ - (৮) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাব্বাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু), আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফেজ শাইখ আবু নাসর উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে হাতিম ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলওয়াইহ ইবনে সাহল ইবনে ঈসা ইবনে তালহা আল-ওয়াইলি —বকর ইবনে ওয়ায়েলের বংশধর— আস-সিজিস্তানি আশ-শুরুতি, তিনি আমাদের বন্ধু ছিলেন এবং তিনি তাঁর স্মৃতি থেকে আল-জামি আল-আতিক-এ ৪০৭ হিজরি সালের যিলকদ মাসে নিজ হাতে আমাদের জন্য লিখে দিয়েছিলেন। তাঁর শব্দে এটি তাঁর কাছে পড়া হয়েছে, আল্লাহ আমাদের এবং তাঁর প্রতি রহম করুন। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর থেকে শুনেছি এবং যেদিন আমি প্রথম তাঁকে দেখেছি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা হামজা ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুহাল্লাবি নিশাপুরে, এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আল-বাজ্জায, এটিই প্রথম হাদিস...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৪০১)
سمعتُه مِنه قالَ: حدثنا [عبدُ الرحمنِ بنُ بشرِ بنِ الحكمِ، وهو أولُ حديثٍ سمعتُه مِنه: حدثنا]
(1) سفيانُ بنُ عُيينةَ، وهو أولُ حديثٍ سمعتُه مِن سفيانَ بنِ عُيينةَ، عن عَمرو بنِ دينارٍ، عن أبي قابوسَ مَولىً لعبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ العاصِ، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ العاصِ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الرَّاحِمونَ يَرحَمُهم الرَّحمنُ
(2)، ارحمَوا أهلَ الأرضِ يَرحَمْكم مَن في السَّماءِ»
(3).
آخِرُه
والحمدُ للهِ وحدَه
* * *
بلغتُ مقابلةً مِن أولِه إلى آخرِه على جهدِ الطاقةِ، والحمدُ للهِ.
وكتبَ عليُّ بنُ محمدِ بنِ عليِّ بنِ جميلٍ المعافريُّ المالقيُّ بفسطاطِ مصرَ، في ذي الحجةِ سَنةَ ثمانٍ وسبعينَ وخمسِمئةٍ.
--------------------------------------------
আমি তাঁর থেকে এটি শুনেছি, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [আবদুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম, এবং এটিই তাঁর থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন]
(1) সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, আর এটিই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে শোনা আমার প্রথম হাদিস। তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের মুক্তদাসা আবু কাবুস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেছেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «দয়াশীলদের ওপর পরম দয়াময় দয়া করেন
(2), তোমরা জমিনের অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন»
(3)।
সমাপ্ত
এবং সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য
* * *
আমি সামর্থ্য অনুযায়ী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখেছি, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
আর এটি লিখেছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে জামিল আল-মুআফিরি আল-মালিকি, মিসরের ফুসতাতে, পাঁচশত আটাত্তর হিজরির জিলহজ মাসে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীসু আবী ইসহাক আল-হাব্বাল
(পৃষ্ঠা: ৪০২)
صورة سماع نقلته من خط إبراهيم بن حاتم الأسدي فيه سماع الشيخ البوصيري أكرمه الله:
سمع جميع هذا الجزء من أوله إلى آخره على الشيخ الفقيه أبي الفتح سلطان بن المسَلَّم الشافعي أدام الله توفيقه بقراءة كاتب السماع إبراهيم بن حاتم الأسدي: صاحبُه الشيخ الأجل أبو الحسين هبة الله بن علي بن الحسن الفرضي وفقه الله لطاعته، والشيوخ الذين يأتي ذكرهم، وهم: الفقيه أبو عبد الله محمد بن عبد الرحمن بن عثمان بن غيث الأنصاري البلنسي، وأبو (محمد عبد السلام؟) بن عبد الخالق البزار، وأبو عبد الله محمد بن بركات بن إسماعيل التاجر، وأبو الحسن علي بن إبراهيم بن المسلم الأنصاري، وسمع بعضه أبو محمد عبد الله بن المُجَلِّي (المقرئ؟) الفقيه وكان قد سمع جميعه قبل هذا الوقت، وسمع جميعه أبو القاسم هبة الله بن علي بن سعود الأنصاري البوصيري، وأبو محمد عبد العزيز بن يوسف الأردبيلي، وأبو الحسن علي بن خلف (العاجي؟)، وكاتب السماع إبراهيم بن حاتم الأسدي. وذلك في العشر الأخير من جمادى الآخر من سنة ثمان عشرة وخمسمئة. والحمد لله (وحده؟) وصلواته على نبيه محمد وآله وسلم تسليماً.
نقله على صورته علي بن محمد بن علي بن جميل المعافري المالقي.
ইবরাহীম বিন হাতেম আল-আসাদীর হস্তলিপি থেকে অনুলিপি করা একটি শ্রবণলিপির অনুলিপি, যাতে শাইখ আল-বুসিরীর (আল্লাহ তাকে সম্মানিত করুন) শ্রবণের বিবরণ রয়েছে:
এই খণ্ডের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ অংশ ফকিহ শাইখ আবুল ফাতহ সুলতান বিন আল-মুসাল্লাম আশ-শাফিঈর (আল্লাহ তার তাওফিক দীর্ঘস্থায়ী করুন) নিকট শ্রবণ করা হয়েছে, শ্রবণলিপিকার ইবরাহীম বিন হাতেম আল-আসাদীর পাঠের মাধ্যমে। শ্রবণকারীগণ হলেন: এর মালিক মহান শাইখ আবু আল-হুসাইন হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-ফারিদী (আল্লাহ তাকে তাঁর আনুগত্যের তাওফিক দান করুন), এবং ঐ সকল শাইখগণ যাদের নাম উল্লেখ করা হচ্ছে: ফকিহ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান বিন উসমান বিন গাইস আল-আনসারী আল-বালানসি, আবু (মুহাম্মাদ আবদুস সালাম?) বিন আবদুল খালিক আল-বাযযার, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন বারাকাত বিন ইসমাইল আত-তাজির এবং আবু আল-হাসান আলী বিন ইবরাহীম বিন আল-মুসাল্লাম আল-আনসারী। আর এর কিছু অংশ শ্রবণ করেছেন ফকিহ আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আল-মুজাল্লী (ক্বারী?), যিনি ইতিপূর্বেও এর সম্পূর্ণ অংশ শ্রবণ করেছিলেন। আর এর সম্পূর্ণ অংশ শ্রবণ করেছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলী বিন সুউদ আল-আনসারী আল-বুসিরী, আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজীজ বিন ইউসুফ আল-আরদাবিলি, আবু আল-হাসান আলী বিন খালাফ (আল-আজি?) এবং শ্রবণলিপিকার ইবরাহীম বিন হাতেম আল-আসাদী। আর এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঁচশ আঠারো হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসের শেষ দশ দিনে। সমস্ত প্রশংসা (একমাত্র?) আল্লাহর জন্য এবং তাঁর নবী মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত ও অবারিত শান্তি বর্ষিত হোক।
আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন জামিল আল-মাআফিরী আল-মালাকী এটি তার মূল অবয়বে অনুলিপি করেছেন।