(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن ثرثال - ت جرار   (ابن ثرثال)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء ابن ثرثال

[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 55

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

জুযু ইবনে সারসাল - তাহকিক: জাররার   (ইবনে সারসাল)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: জুযু ইবনে সারসাল

[«তুরাদ আল-যাইনাবীর রচনাবলি এবং অন্যান্য সংকলন»-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে মুদ্রিত]

মুহাক্কিক: নাবিল সাদউদ্দীন জাররার

প্রকাশক: আরওয়াকাহ লিদ-দিরাসাত ওয়ান-নাশর, জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৫

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣٣)
‌‌تَرجمةُ ابنِ ثَرْثالٍ

الشيخُ المُعمَّرُ المُسندُ، أبو الحسنِ أحمدُ بنُ عبدِ العزيزِ بنِ أحمدَ بنِ حامدِ بنِ محمودِ بنِ ثَرْثالٍ التَّيميُّ(1) البغداديُّ نَزيلُ مصرَ.

حدَّث بجُزءٍ واحدٍ(2) -وما كانَ مَعه سِواهُ- عن: القاضي أبي عبدِ اللهِ المَحامِليِّ، ومحمدِ بنِ مَخْلدٍ، وإبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ بَطْحاءَ.

وكانَ مَولدُه في سنةِ سبعَ عشرةَ وثلاثِمئةٍ، وسماعُهُ في سَنةِ سِتٍّ وعشرينَ.

حدَّثَ عنه: محمدُ بنُ عليٍّ الصُّوريُّ، والقاضي أبو عبدِ اللهِ القُضاعيُّ، وخلفُ بنُ أحمدَ الحَوفيُّ، وأبو إسحاقَ إبراهيمُ الحَبالُ، وآخَرونَ.

وثَّقه الخَطيبُ.

ماتَ في ذي القعدةِ سَنةَ ثمانٍ وأربعِمئةٍ(3).

--------------------------------------------

(1) نسبة إلى تيم الله بن ثعلبة، ويقال له: التَّيْمُلي. انظر: «الأنساب» (1/ 497)، و «الفيصل» للحازمي (1/ 372).

(2) وقال في «تاريخ الإسلام» (9/ 127): وقيل إن جميع ما حدث به جزء واحد.

ومن قبله قال السمعاني في «الأنساب» (1/ 497): وجميع ما حدث بمصر جزء واحد فيه أربعة مجالس عن المحاملي وابن مخلد وإبراهيم بن محمد بن بطحاء وشيخ آخر وأوراق من حديث المحاملي عن يوسف بن موسى.

(3) «السير» (17/ 220).

ইবনে ছারসালের জীবনী

প্রবীণ শায়খ, মুসনিদ, আবু হাসান আহমাদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আহমাদ ইবনে হামিদ ইবনে মাহমুদ ইবনে ছারসাল আত-তাইমি(১) বাগদাদি, যিনি মিশরের অধিবাসী ছিলেন।

তিনি মাত্র একটি জুয বর্ণনা করেছেন(২) —এবং সেটি ছাড়া তার নিকট অন্য কিছু ছিল না— বর্ণনা করেছেন: কাজী আবু আব্দুল্লাহ আল-মাহামিলি, মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ এবং ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাতাহা থেকে।

তার জন্ম ছিল ৩১৭ হিজরি সনে এবং তার হাদিস শ্রবণ ছিল ৩২৬ হিজরি সনে।

তার নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আলি আস-সুরি, কাজী আবু আব্দুল্লাহ আল-কুযায়ি, খালাফ ইবনে আহমাদ আল-হাউফি, আবু ইসহাক ইব্রাহিম আল-হাব্বাল এবং অন্যান্যরা।

আল-খাতিব তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।

তিনি ৪০৮ হিজরি সনের জিলকদ মাসে মৃত্যুবরণ করেন(৩)।

--------------------------------------------

(১) তায়মুল্লাহ বিন সালাবার দিকে সম্বন্ধিত, এবং তাকে আত-তাইমুলিও বলা হয়। দেখুন: ‘আল-আনসাব’ (১/ ৪৯৭), এবং হাযিমির ‘আল-ফয়সাল’ (১/ ৩৭২)।

(২) এবং ‘তারিখুল ইসলাম’ (৯/ ১২৭) গ্রন্থে বলা হয়েছে: বলা হয়ে থাকে যে, তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন তার সবই একটি মাত্র জুয।

তার পূর্বে সামআনি ‘আল-আনসাব’ (১/ ৪৯৭) গ্রন্থে বলেছেন: মিশরে তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন তার সবই একটি জুয, যাতে আল-মাহামিলি, ইবনে মাখলাদ, ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বাতাহা এবং অন্য একজন শায়খ থেকে বর্ণিত চারটি মজলিস রয়েছে এবং ইউসুফ ইবনে মুসা থেকে আল-মাহামিলির বর্ণিত হাদিসের কিছু পাণ্ডুলিপি রয়েছে।

(৩) ‘আস-সিয়ার’ (১৭/ ২২০)।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣٤)
‌‌جُزءُ ابنِ ثَرْثالٍ

قالَ الحافظُ في «تبصير المنتبه» (1/ 219): له جُزءٌ مشهورٌ، رواه عنه الحَبَّالُ(1).

وذَكرَ إسنادَه إليه في «المعجم المفهرس» (1048)، و «المجمع المؤسس» (1/ 331، 523)، فهو يَرويه مِن طريقَينِ عن البُّوصيريِّ بإسنادِهِ الآتي، ويَرويه أيضاً مِن طريقِ أبي الحسنِ بنِ المُقَيَّرِ(2)، عن أبي الفضلِ بنِ ناصرٍ(3)، عن أبي إسحاقَ الحَبَّالِ به.

وبهذَين الإسنادَينِ يَرويه ابنُ طُولونَ، كما في «الفهرست الأوسط» (4/ 370).

وبالإسنادِ الثاني يَرويه السُّيوطيُّ في «أنساب الكتب» (ص 372).

--------------------------------------------

(1) وقال الذهبي في «العبر» (2/ 215): وله جزء واحد رواه عنه الصُّوري والحبال.

وأخذه منه السيوطي في «حسن المحاضرة» (1/ 372)، وابن العماد في «شذرات الذهب» (5/ 51).

والصوري هو الإمام الحافظ البارع الحجة أبو عبد الله محمد بن علي بن عبد الله بن محمد الشامي، أحد الأعلام. توفي سنة (441 هـ) انظر «السير» (17/ 627).

(2) الشيخ المسند الصالح رحلة الوقت، أبو الحسن علي بن أبي عبيد الله الحسين بن علي بن منصور، ابن المقير البغدادي الأزجي المقرئ الحنبلي النجار. توفي سنة (643 هـ). انظر «السير» (23/ 119).

(3) الإمام المحدث الحافظ مفيد العراق، أبو الفضل محمد بن ناصر بن محمد بن علي بن عمر السَّلامي البغدادي. توفي سنة (550 هـ). انظر «السير» (20/ 265).

জুজউ ইবনে সারসাল

হাফেজ (ইবনে হাজার) ‘তাবসিরুল মুনতাবিহ’ (১/ ২১৯) গ্রন্থে বলেছেন: তাঁর একটি প্রসিদ্ধ জুজউ (হাদিস সংকলন) রয়েছে, যা তাঁর থেকে আল-হাব্বাল বর্ণনা করেছেন।(১)

তিনি ‘আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস’ (১০৪৮) এবং ‘আল-মাজমা আল-মুয়াসসিস’ (১/ ৩৩১, ৫২৩) গ্রন্থে এর সনদ (সূত্র) উল্লেখ করেছেন। তিনি এটি আল-বুসিরি থেকে পরবর্তী সনদে দুটি সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং আবুল হাসান বিন আল-মুকায়্যির সূত্রে আবুল ফজল বিন নাসের থেকে, তিনি আবু ইসহাক আল-হাব্বাল সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।(২)(৩)

ইবনে তুলুন এই দুটি সনদে এটি বর্ণনা করেছেন, যেমনটি ‘আল-ফিহরিস্তুল আওসাত’ (৪/ ৩৭০) গ্রন্থে এসেছে।

সুয়ুতী দ্বিতীয় সনদে এটি ‘আনসাবুল কুতুব’ (পৃ. ৩৭২) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) আয-যাহাবী ‘আল-ইবার’ (২/ ২১৫) গ্রন্থে বলেছেন: তাঁর একটি জুজউ রয়েছে যা তাঁর থেকে আস-সুরি এবং আল-হাব্বাল বর্ণনা করেছেন।

সুয়ুতী ‘হুসনুল মুহাদারা’ (১/ ৩৭২) গ্রন্থে এবং ইবনে আল-ইমাদ ‘শাযারাতুয যাহাব’ (৫/ ৫১) গ্রন্থে এটি তাঁর থেকে গ্রহণ করেছেন।

আস-সুরি হলেন ইমাম, হাফেজ, সুদক্ষ, প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আশ-শামী, যিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি ৪৪১ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (১৭/ ৬২৭)।

(২) শায়খ, মুসনিদ, সৎকর্মশীল, সমকালীন শ্রেষ্ঠ পরিব্রাজক, আবু হাসান আলী বিন আবি উবাইদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আলী বিন মনসুর, ইবনুল মুকায়্যির আল-বাগদাদী আল-আজজি আল-মুকরি আল-হাম্বলী আন-নাজ্জার। তিনি ৬৪৩ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২৩/ ১১৯)।

(৩) ইমাম, মুহাদ্দিস, হাফেজ, ইরাকের প্রাজ্ঞ শিক্ষক, আবু ফজল মুহাম্মদ বিন নাসের বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন উমর আস-সালামী আল-বাগদাদী। তিনি ৫৫০ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২০/ ২৬৫)।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣٥)
*‌‌ اسمُ الجُزءِ:

«السُّداسيات لابن ثَرثال»

هذا ما كُتبَ في أَعلى ورقةِ العنوانِ مِن نُسخةِ الظاهريةِ، وهو الاسمُ الذي اختارَه الألبانيُّ لِهذا الجُزءِ في تَخريجاتِه(1).

ثم كُتبَ اسمُ الجُزءِ: «جزءٌ فيه مِن حديثِ أبي عبدِ اللهِ الحسينِ بنِ إسماعيلَ القاضي المَحامِليِّ .. .. .. .. جمعُ الشيخِ أبي الحسنِ أحمدَ بنِ عبدِ العزيزِ بنِ أحمدَ بنِ حامدِ بنِ محمودِ بنِ ثَرْثالٍ وروايتِه عَنهم».

واسمُه في النُّسخةِ المصريةِ: «جزءُ أبي الحسنِ أحمدَ بنِ عبدِ العزيزِ بنِ ثَرثال».

وهو الاسمُ الذي عُرفَ به هذا الجُزءُ(2)، وبعضُهم يَختصرُه: «جزء ابن ثَرثال»(3).

 

*‌‌ النُّسخُ الخَطيةُ:

يسَّرَ اللهُ لي الوقوفَ على نُسختَينِ خَطيَّتينِ لِهذا الجُزءِ:

* الأصلُ الذي اعتَمدتُه في التحقيقِ هو النُّسخةُ الظاهريةُ، ضمنَ المجموعِ (94) مِن المَجاميعِ العُمريةِ، الأوراق [220 - 228/أ]، يَليها مباشرةً -إلى نهايةِ الوَرقةِ التاليةِ- حديثُ أبي إسحاقَ الحَبَّالِ روايةُ

--------------------------------------------

(1) انظر «الصحيحة» (1118) (1932)، و «الضعيفة» (5241).

(2) وبه ذكره الحافظ في «المجمع المؤسس» (1/ 334)، وابن طولون في «فهرسته».

(3) وبه ذكره الحافظ في «المعجم المفهرس» و «المجمع المؤسس» (1/ 523)، والفاسي في «ذيل التقييد» (2/ 152)، والسيوطي في «أنساب الكتب».

وفي فهرست ابن عبد الهادي [51/ ب]: «جزء من حديث ابن ثرثال».

*‌‌ জুয-এর নাম:

«ইবনে সারসালের সুদাসিয়াত»

জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপির শিরোনাম পত্রের উপরিভাগে এটিই লেখা হয়েছে, এবং আলবানি তাঁর তাহকিক ও তাখরিজসমূহে এই জুয-এর জন্য এই নামটিই পছন্দ করেছেন(১)।

এরপর জুয-এর পূর্ণ নাম এভাবে লেখা হয়েছে: «আবু আব্দুল্লাহ হুসাইন বিন ইসমাইল কাজি আল-মাহামিলির হাদিস সম্বলিত একটি জুয .. .. .. .. যা সংগ্রহ করেছেন শাইখ আবু হাসান আহমাদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমাদ বিন হামিদ বিন মাহমুদ বিন সারসাল এবং তাঁদের থেকে তাঁর বর্ণনা»।

মিশরীয় পাণ্ডুলিপিতে এর নাম হলো: «জুয আবু হাসান আহমাদ বিন আব্দুল আজিজ বিন সারসাল»।

আর এই নামেই এই জুযটি প্রসিদ্ধি লাভ করেছে(২), এবং কেউ কেউ এটিকে সংক্ষেপে বলেন: «জুয ইবনে সারসাল»(৩)।

 

*‌‌ পাণ্ডুলিপিসমূহ:

আল্লাহ আমার জন্য এই জুয-এর দুটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া সহজ করে দিয়েছেন:

* তাহকিকের ক্ষেত্রে আমি যে মূল কপির ওপর নির্ভর করেছি তা হলো জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপি, যা উমরিয়া সংকলনসমূহের ৯৪ নম্বর সেটের অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা [২২০ - ২২৮/ক], এর পরপরই—পরবর্তী পৃষ্ঠার শেষ পর্যন্ত—আবু ইসহাক আল-হাব্বালের হাদিস রয়েছে যা বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) দেখুন «আস-সহীহাহ» (১১১৮) (১৯৩২), এবং «আদ-দঈফাহ» (৫২৪১)।

(২) হাফেজ ইবনে হাজার «আল-মুজামুল মুয়াসসিস» (১/ ৩৩৪) গ্রন্থে এবং ইবনে তুলুন তাঁর «ফিহরিস্ট»-এ এই নামেই এটি উল্লেখ করেছেন।

(৩) হাফেজ ইবনে হাজার «আল-মুজামুল মুফাহরাস» এবং «আল-মুজামুল মুয়াসসিস» (১/ ৫২৩) গ্রন্থে, আল-ফাসি «যাইলুত তাকিয়িদ» (২/ ১৫২) গ্রন্থে এবং আস-সুয়ূতি «আনসাবুল কুতুব»-এ এই নামেই এটি উল্লেখ করেছেন।

এবং ইবনে আব্দুল হাদির ফিহরিস্ট-এ [৫১/ খ]: «ইবনে সারসালের হাদিস থেকে একটি জুয»।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣٦)
البُوصيريِّ(1)، حيثُ سَماعٌ مَنقولٌ للبُوصيريِّ وغيرِهِ على ابنِ المُسَلَّمِ سَنةَ (518 هـ)، ثم في الورقةِ التاليةِ [230] سماعٌ بخطِّ واقِفِ هذا الجزءِ عليِّ بنِ مسعودٍ المَوصليِّ مِن طريقِ البُوصيريِّ سَنةَ (669 هـ).

* وهذِه النُّسخةُ مِن روايةِ أبي القاسمِ البُوصيريِّ هبةِ اللهِ بنِ عليِّ بنِ سُعودٍ الأنصاريِّ، ويُسمَّى أيضاً سَيدَ الأهلِ، الشيخِ العالمِ المُعمَّرِ مُسندِ الدِّيارِ المصريةِ(2).

* عن سلطانَ بنِ إبراهيمَ بنِ المُسَلَّمِ، أبي الفتحِ المقدسيِّ الفقيهِ، يُعرفُ بابنِ رَشَأ، أحدِ الأئمةِ(3).

* عن أبي إسحاقَ الحَبَّالِ إبراهيمَ بنِ سعيدِ بنِ عبدِ اللهِ المصريِّ، الإمامِ الحافظِ المُتقنِ العالِمِ(4).

* عن ابنِ ثَرْثالٍ

* وكتَبَها [العبدُ الفقيرُ إلى اللهِ تعالى عليُّ بنُ محمدِ بنِ عليِّ بنِ جميلٍ المَعافريُّ(5) بفُسطاطِ مصرَ في ذي الحجةِ سَنةَ ثمانٍ وسبعينَ وخمسِمئةٍ](6).

* أمَّا النُّسخةُ المصريةُ فهي في الأوراقِ [35 - 54] مِن المجموعِ

--------------------------------------------

(1) وهو الجزء التالي.

(2) توفي سنة (598 هـ). انظر «السير» (21/ 390).

(3) توفي سنة (535 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 630).

(4) توفي سنة (482 هـ). انظر «السير» (18/ 495).

(5) نسخ الكثير، وكان محمود الطريقة متواضعاً. توفي سنة (605 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (13/ 117).

(6) هذا ما كتب على جانب الورقة بعد نهاية الجزء.

আল-বুসিরি(১), যেখানে আল-বুসিরি এবং অন্যদের একটি শ্রবণলিপি (সামা) বর্ণিত হয়েছে ইবনুল মুসাল্লামের নিকট ৫১৮ হিজরি সনে। এরপর পরবর্তী পৃষ্ঠায় [২৩০] এই খণ্ডের ওয়াকিফ (উৎসর্গকারী) আলি বিন মাসউদ আল-মাওসিলির হস্তাক্ষরে একটি শ্রবণলিপি রয়েছে, যা আল-বুসিরির সূত্রে ৬৬৯ হিজরি সনে লিখিত।

* আর এই পাণ্ডুলিপিটি আবুল কাসিম আল-বুসিরি হিবাতুল্লাহ বিন আলি বিন সুউদ আল-আনসারির বর্ণনা থেকে প্রাপ্ত, যাকে ‘সাইয়্যিদুল আহল’ নামেও ডাকা হয়; তিনি ছিলেন প্রবীণ আলেম শায়খ এবং মিসরের সর্বোচ্চ সনদধারী মুসনিদ(২)।

* সুলতান বিন ইবরাহিম বিন আল-মুসাল্লাম আবুল ফাতহ আল-মাকদিসি আল-ফকিহ থেকে বর্ণিত, যিনি ইবনু রাশা নামে পরিচিত ছিলেন এবং ইমামদের অন্যতম ছিলেন(৩)।

* আবু ইসহাক আল-হাব্বাল ইবরাহিম বিন সাঈদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মিসরি থেকে বর্ণিত, যিনি ছিলেন ইমাম, সুসংহত হাফেজ এবং আলেম(৪)।

* ইবনু সারসাল থেকে বর্ণিত।

* আর এটি লিখেছেন [আল্লাহ তাআলার মুখাপেক্ষী বান্দা আলি বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন জামিল আল-মাআফিরি(৫) মিসরের ফুসতাতে ৫৭৮ হিজরির জিলহজ মাসে](৬)।

* মিসরীয় পাণ্ডুলিপিটি সংকলনের [৩৫ - ৫৪] নং পাতায় রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) আর এটি হলো পরবর্তী অংশ।

(২) তিনি ৫৯৮ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২১/ ৩৯০)।

(৩) তিনি ৫৩৫ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১১/ ৬৩০)।

(৪) তিনি ৪৮২ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (১৮/ ৪৯৫)।

(৫) তিনি অনেক অনুলিপি তৈরি করেছেন এবং তার অনুসৃত পদ্ধতি প্রশংসনীয় ও তিনি বিনয়ী ছিলেন। তিনি ৬০৫ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (১৩/ ১১৭)।

(৬) খণ্ডটি সমাপ্ত হওয়ার পর এটি পৃষ্ঠার এক পাশে লেখা হয়েছে।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣٧)
(1558) المتقدِّمِ ذِكرُه (ص 287).

ولم يُذكَر إسنادُها إلى ابنِ ثَرْثالٍ، لا في ورقةِ العنوانِ، ولا في بدايةِ الجُزءِ، وفي آخِرِها سماعٌ سَنةَ (731 هـ) على [أبي الفضلِ عبدِ المحسنِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ عليِّ بنِ الصابونيِّ(1)، بسماعِهِ من أبي القاسمِ عبدِ الرحمنِ بنِ عبدِ اللهِ المَتِّيجيِّ(2): أخبرنا البُوصيريُّ بسندِهِ].

فيَسبقُ إلى الذِّهنِ أنَّها مِن روايةِ البُوصيريِّ بإسنادِهِ السابقِ، لكنْ يَدفعُ ذلكَ ما جاءَ في هامشِ الورقةِ [39]: «رواية البوصيري: قال بل». واللهُ أعلمُ.

وقد اتَّخذتُ نسخةَ الظاهريةِ أصلاً لِذكرِ إسنادِها إلى المُصنِّفِ، ورَمزتُ للمصريةِ بـ (ص). واللهُ المُوفقُّ.

* وجُزءُ ابنُ ثَرْثالٍ كما وصفَه السَّمعانيُّ، هو جزءٌ واحدٌ فيه أربعةُ مجالسَ عن أربعةٍ مِن شُيوخِه، وهم على التَّرتيبِ:

[1] المَحامِليُّ صاحبُ «المحامليات».

[2] إبراهيمُ بنُ محمدِ بنِ عليِّ بنِ بَطْحاءَ، أبو إسحاقَ التَّميميُّ البغداديُ المُحتَسبُ. قالَ الدَّارقطنيُّ: ثقةٌ، فاضلٌ(3).

[3] محمدُ بنُ مَخْلدِ بنِ حفصٍ أبو عبدِ اللهِ الدُّوريُّ العطارُ، الإمامُ

--------------------------------------------

(1) حفيد الحافظ أبي حامد بن الصابوني، توفي سنة (736 هـ). انظر «الدرر الكامنة» (3/ 215).

(2) كذا في الأصل، وكذا عند ابن حجر في «معجميه»، وابن طولون في «فهرسته الأوسط» فهما يرويانه من طريق ابن الصابوني بهذا الإسناد. وفي «ذيل التقييد»: المنبجي. وكذا ترجمه الذهبي في وفيات (663 هـ) من «تاريخ الإسلام» (15/ 87). والله أعلم.

(3) توفي سنة (332 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (7/ 659).

(১৫৫৮) পূর্বে যা উল্লেখ করা হয়েছে (পৃ. ২৮৭)।

ইবনে সারসাল পর্যন্ত এর সনদ (সূত্র-পরম্পরা) উল্লেখ করা হয়নি, শিরোনামের পাতায় নয় এবং জুয-এর শুরুতেও নয়। তবে এর শেষে (৭৩১ হি.) সনের একটি 'সামা' (শ্রবণ অনুলিপি) রয়েছে [আবুল ফজল আবদুল মুহসিন বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আস-সাবুনী এর নিকট(১), আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল-মাত্তীজি এর নিকট থেকে তার শ্রবণের মাধ্যমে(২): আমাদের নিকট আল-বুসিরী তার সনদে বর্ণনা করেছেন]।

তাই মনে হতে পারে যে এটি বুসিরীর বর্ণনায় তার পূর্বোক্ত সনদে বর্ণিত, কিন্তু ৩৯ নম্বর পৃষ্ঠার হাশিয়ায় যা এসেছে তা একে খণ্ডন করে: «বুসিরীর বর্ণনা: তিনি বরং বলেছেন»। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আমি জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপিটিকে মূল হিসেবে গ্রহণ করেছি লেখক পর্যন্ত এর সনদ উল্লেখ করার জন্য, এবং মিসরীয় পাণ্ডুলিপিটিকে (স) চিহ্ন দ্বারা চিহ্নিত করেছি। আল্লাহই তাওফীকদাতা।

* আর ইবনে সারসালের 'জুয' (পুস্তিকাটি) যেমন আস-সামআনী বর্ণনা করেছেন, এটি এমন একটি একক জুয যাতে তার চারজন শায়খের নিকট থেকে চারটি মজলিস রয়েছে, আর তারা ধারাবাহিকভাবে হলেন:

[১] আল-মাহামিলি, «আল-মাহামিলিয়্যাত»-এর লেখক।

[২] ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন আলি বিন বাতাহা, আবু ইসহাক আত-তামিমি আল-বাগদাদি আল-মুহতাসিব। আদ-দারাকুতনি বলেছেন: সিকাহ (নির্ভরযোগ্য), ফাদিল (গুণী)(৩)।

[৩] মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আবু আব্দুল্লাহ আদ-দুরি আল-আত্তার, ইমাম।

--------------------------------------------

(১) হাফিজ আবু হামিদ বিন আস-সাবুনীর নাতি, মৃত্যু (৭৩৬ হি.) সনে। দেখুন «আদ-দুরারুল কামিনাহ» (৩/ ২১৫)।

(২) মূল কপিতে এভাবেই আছে, ইবনে হাজারের নিকট তার দুই «মুজাম»-এ এবং ইবনে তুলুনের নিকট তার «ফিহরিসতুল আওসাত»-এ এভাবেই আছে; তারা উভয়েই এটি ইবনে আস-সাবুনীর সূত্রে এই সনদে বর্ণনা করেন। আর «যাইলুত তাকয়িদ»-এ রয়েছে: আল-মানবিজি। একইভাবে আয-যাহাবি তার জীবনী আলোচনা করেছেন (৬৬৩ হি.) সনের মৃত্যু তালিকায় «তারিখুল ইসলাম» (১৫/ ৮৭) গ্রন্থে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

(৩) মৃত্যু (৩৩২ হি.) সনে। দেখুন «তারিখুল ইসলাম» (৭/ ৬৫৯)।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣٨)
الحافظُ الثقةُ القُدوةُ(1).

[4] عمرُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ هارونَ أبو القاسمِ العَسكريُّ الدَّقاقُ(2).

* وقَد طُبعَ هذا الجزءُ مع بقيةِ أجزاءِ مجموعِ دارِ الكتبِ المصريةِ، ثم نَشرتُه على شبكةِ المَعلوماتِ العالميةِ كما تقدَّمَ (ص 291).

--------------------------------------------

(1) توفي سنة (331 هـ). انظر «السير» (15/ 256).

(2) في «تاريخ بغداد» (13/ 86): العطار. وقال: وكان ثقة.

হাফেজ, নির্ভরযোগ্য ও আদর্শস্থানীয়(১)।

[৪] উমর বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন হারুন আবুল কাসিম আল-আসকারি আদ-দাক্কাক(২)।

* আর এই খণ্ডটি মিসরীয় ‘দারুল কুতুব’ সংগ্রহের অবশিষ্ট খণ্ডগুলোর সাথে মুদ্রিত হয়েছে। এরপর আমি এটি ইন্টারনেটে প্রকাশ করেছি, যেমনটি ইতিপূর্বে (পৃ. ২৯১) বর্ণিত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) তিনি ৩৩১ হিজরি সনে মৃত্যু বরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (১৫/২৫৬)।

(২) ‘তারিখে বাগদাদ’-এ (১৩/৮৬): আল-আত্তার। এবং তিনি বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤١)
جزءٌ فيه مِن حديثِ أبي عبدِ اللهِ الحسينِ

بنِ إسماعيلَ القاضي المَحامِليِّ

وأبي إسحاقَ إبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ عليِّ بنِ بَطْحاءَ

وأبي عبدِ اللهِ محمدِ بنِ مَخلدِ بنِ حفصٍ العطارِ

وأبي القاسمِ عمرَ(1) بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ هارونَ العَسكريِّ الدَّقاقِ

رضي الله عنهم

جمعُ الشيخِ أبي الحسنِ أحمدَ بنِ عبدِ العزيزِ بنِ أحمدَ

بنِ حامدِ بنِ محمودِ بنِ ثَرْثالٍ وروايتِه عَنهم

روايةُ الشيخِ الثقةِ الورعِ أبي إسحاقَ إبراهيمَ بنِ سعيدِ

بنِ عبدِ اللهِ الحَبَّالِ عنه

روايةُ الشيخِ الفقيهِ الأجَلِّ أبي الفتحِ سلطانِ بنِ إبراهيمَ بنِ المُسَلَّمِ الشافعيِّ عنه

روايةُ الشيخِ الفقيهِ الأديبِ أبي القاسمِ هبةِ اللهِ بنِ عليِّ

بنِ سُعودٍ البُوصِيريِّ عنه

--------------------------------------------

(1) من (ص)، وفي الأصل: «عمرو». ويأتي في موضعه (87) على الصواب.
আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইলের হাদিস সম্বলিত একটি অংশ

বিন ইসমাইল আল-কাদি আল-মাহামিলি

এবং আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন বাথহা

এবং আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মাখলাদ বিন হাফস আল-আত্তার

এবং আবু আল-কাসিম উমর(১) বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হারুন আল-আসকারি আদ-দাক্কাক

আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন

শায়খ আবুল হাসান আহমদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমদ

বিন হামিদ বিন মাহমুদ বিন ছারছাল-এর সংগ্রহ এবং তাঁদের থেকে তাঁর বর্ণিত রেওয়ায়েত

তাঁর থেকে নির্ভরযোগ্য ও পরহেজগার শায়খ আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন সাইদ

বিন আব্দুল্লাহ আল-হাব্বালের রেওয়ায়েত

তাঁর থেকে সুমহান ফকিহ শায়খ আবুল ফাতহ সুলতান বিন ইব্রাহিম বিন আল-মুসাল্লাম আশ-শাফিয়ি-এর রেওয়ায়েত

তাঁর থেকে ফকিহ ও সাহিত্যিক শায়খ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আলি

বিন সুউদ আল-বুসিরি-এর রেওয়ায়েত

--------------------------------------------

(১) (সা) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া হয়েছে, তবে মূল কপিতে ছিল: «আমর»। এটি তার যথাস্থানে (৮৭) সঠিকভাবে এসেছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٣)
بسم الله الرحمن الرحيم

والحمدُ للهِ ربِّ العالَمينَ

وصلَّى اللهُ على محمدٍ وآلِه وسلَّمَ وشرَّف وكرَّمَ

.. ..(1) الشيخُ الأديبُ أبو القاسمِ هبةُ اللهِ بنُ عليِّ بنِ سُعودٍ البُوصِيريُّ المَدعو بسيِّد الأهلِ أكرَمَه اللهُ .. .. .. .. ..

مسندُ كعبِ بنِ عُجرةَ عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم(2)

قالَ: أخبرنا الشيخُ الفقيهُ الأجَلُّ أبو الفتحِ سلطانُ بنُ إبراهيمَ بنِ المُسَلَّمِ الشافعيُّ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في العشرِ الأخيرِ مِن جُمادى الأُولى مِن سَنةِ ثمانِ عشرةَ وخمسِمئةٍ قالَ: حدثنا الشيخُ الثقةُ الورعُ أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ سعيدِ بنِ عبدِ اللهِ الحَبَّالُ رضي الله عنه قالَ: أخبرنا أبو الحسنِ أحمدُ بنُ عبدِ العزيزِ بنِ أحمدَ بنِ حامدِ بنِ محمودِ بنِ ثَرْثالِ بنِ مشرفةَ(3) بنِ غياثِ بنِ منيحِ بنِ طحن(4) البغداديُّ -وهو ابنُ أخي عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ ثَرْثالٍ المحدِّثِ

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل بياض بمقدار كلمتين، وفي آخرها بياض إلى تمام السطر.

(2) هذه الجملة كتبت في الهامش من غير إشارة إلى موضعها، وفي (ص) بعد البسملة:

رب زدني علماً

مسند كعب بن عجرة عن النبي صلى الله عليه وسلم

أخبرنا أبو الحسن أحمد بن عبد العزيز .. .. .

(3) تحرف في (ص) إلى: مشرقه.

(4) في النسختين: «صخر»، والمثبت من هامش الأصل، وهو الموافق لكتب التراجم.

أما عن ضبط هذه الأسماء، فجاء في «مشيخة قاضي المارستان» (359): (مَشْرَفَة .. مُنَيح .. طُحَن) وقال محققه: هكذا ضبطت ضبطا كاملاً في مخطوطتنا، ولم أجدها في موضع آخر، فهي فائدة تُقَيَّد.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

আর সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।

আল্লাহ মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, শান্তি দান করুন, তাঁকে সম্মানিত ও মর্যাদাবান করুন।

.. ..(১) বিজ্ঞ শায়খ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে সুউদ আল-বুসিরি, যাকে সায়্যিদুল আহল বলা হয়, আল্লাহ তাকে সম্মানিত করুন .. .. .. .. ..

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত কাব ইবনে উজরাহ-এর মুসনাদ(২)

তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন মহান ফকিহ শায়খ আবুল ফাতহ সুলতান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-মুসাল্লাম আশ-শাফিয়ী, তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে আর আমি তা শ্রবণ করেছি পাঁচশ আঠারো হিজরি সালের জুমাদাল উলার শেষ দশকে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশ্বস্ত ও পরহেজগার শায়খ আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাব্বাল রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আহমদ ইবনে হামিদ ইবনে মাহমুদ ইবনে থারথাল ইবনে মাশরাফাহ(৩) ইবনে গিয়াস ইবনে মুনাইহ ইবনে তুহান(৪) আল-বাগদাদি—যিনি মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে থারথালের ভ্রাতুষ্পুত্র।

--------------------------------------------

(১) মূল কপিতে এখানে দুই শব্দ পরিমাণ খালি জায়গা রয়েছে এবং শেষে পুরো লাইন পর্যন্ত খালি রাখা হয়েছে।

(২) এই বাক্যটি পার্শ্বটীকায় (মার্জিন) লেখা হয়েছে এর অবস্থান নির্দেশ না করেই। আর (সোয়াদ) পান্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর রয়েছে:

হে আমার রব, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত কাব ইবনে উজরাহ-এর মুসনাদ

আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে আব্দুল আজিজ .. .. ।

(৩) (সোয়াদ) পান্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে 'মাশরিকুহু' হয়ে গেছে।

(৪) উভয় কপিতে রয়েছে: 'সাখর', কিন্তু মূল কপির পার্শ্বটীকা থেকে সংশোধন করে এখানে বসানো হয়েছে, যা জীবনী গ্রন্থগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আর এই নামগুলোর হরকত প্রদানের ব্যাপারে 'মাশইয়াখাতু কাজিল মারিস্তান' (৩৫৯) গ্রন্থে এসেছে: (মাশরাফাহ .. মুনাইহ .. তুহান) এবং এর মুহাক্কিক (গবেষক) বলেছেন: আমাদের পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই পূর্ণাঙ্গভাবে হরকত দেয়া হয়েছে, আর আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি, তাই এটি একটি মূল্যবান তথ্য যা লিখে রাখা প্রয়োজন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٤)
ومَعه سمعَ أحمدُ هذا وبخطِّه وجدَنا سماعَه- قراءةً عليه وأنا أسمعُ فأقرَّ به، وذلكَ في يومِ الجمعةِ سَنةَ سبعٍ وأربعِمئةٍ(1) قالَ:

 

366 - (1) حدثنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ إسماعيلَ القاضي المَحامِليُّ قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى القَطانُ قالَ: حدثنا جريرٌ ومحمدُ بنُ فُضيلٍ -واللفظُ لجريرٍ-، عن يزيدَ بنِ أبي زيادٍ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى، عن كعبِ بنِ عُجرةَ قالَ:

لمَّا نَزلَت: {إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [الأحزاب: 56] قالَ: سألْنا النبيَّ صلى الله عليه وسلم عن الصلاةِ عَليه، فقالَ: «اللهمَّ صَلِّ على محمدٍ وعلى آلِ محمدٍ، كما صلَّيتَ على إبراهيمَ وآلِ إبراهيمَ إنَّكَ حميدٌ مجيدٌ، وبارِكْ على محمدٍ وعلى آلِ محمدٍ، كما باركتَ على إبراهيمَ إنَّكَ حميدٌ مجيدٌ». قالَ: ونحنُ نقولُ: وعَلينا مَعهم(2).

 

367 - (2) قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى قالَ: حدثنا جريرٌ، عن محمدِ بنِ عجلانَ، عن سعيدِ بنِ أبي سعيدٍ المَقبريِّ، عن كعبِ بنِ عُجرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا توضَّأَ أحدُكم فأحسَنَ وُضوءَه، ثم خَرجَ عامِداً

--------------------------------------------

(1) في (ص): .. بن صخر البغدادي بمصر قراءة عليه وأنا أسمع في يوم الجمعة من سنة سبع وأربعمئة.

(2) أخرجه النميري في «الإعلام بفضل الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم» (33) من طريق المصنف.

وهو في «المحامليات» رواية ابن البيع (462).

وأخرجه أحمد (4/ 244) من طريق محمد بن فضيل به. ويأتي (368).
আর তাঁর সাথে আহমাদ এটি শুনেছেন এবং তাঁর হস্তাক্ষরে আমরা তাঁর শ্রবণলিপি পেয়েছি— তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। আর তা ছিল চারশ সাত হিজরি সনের জুমআর দিনে(১)। তিনি বলেছেন:

 

৩৬৬ - (১) আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-কাদি আল-মাহামিলি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: জারীর এবং মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন—শব্দাবলি জারীরের—ইয়াজিদ ইবনে আবি যিয়াদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি লাইলা থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: {নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম জানাও।} [আল-আহযাব: ৫৬], তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর ওপর দরুদ পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: «হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি সম্মানিত। আর আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরের ওপর বরকত নাযিল করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিমের ওপর বরকত নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি সম্মানিত।» তিনি বলেন: আর আমরা বলি: এবং তাদের সাথে আমাদের ওপরও(২)।

 

৩৬৭ - (২) তিনি বলেছেন: ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: জারীর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আজলান থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যখন তোমাদের কেউ ওযু করে এবং তার ওযু সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে, অতঃপর সংকল্পবদ্ধ হয়ে বের হয়

--------------------------------------------

(১) (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: .. ইবনে সাখর আল-বাগদাদি মিশরে, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম চারশ সাত হিজরি সনের জুমআর দিনে।

(২) নুমাইরি এটি ‘আল-ইলাম বি-ফাদলিস সালাতি আলান নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ (৩৩) গ্রন্থে লেখকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আর এটি ‘আল-মাহামিলিয়্যাত’-এ ইবনে আল-বায়্যি-এর বর্ণনায় (৪৬২) রয়েছে।

আহমাদ এটি (৪/২৪৪) মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এবং সামনে আসছে (৩৬৮)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٥)
إلى الصلاةِ فلا يُشبِّكنَّ أصابِعَه، فإنَّه في صلاةٍ»(1).

 

368 - (3) قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى(2) قالَ: حدثنا وكيعُ بنُ الجراحِ قالَ: حدثنا مِسعرُ بنُ كِدامٍ وشعبةُ(3) بنُ الحجاجِ، عن الحكمِ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى، عن كعبِ بنِ عُجرةَ قالَ:

قالَ(4): ألا أُهدي لكَ هديةً؟ قُلنا: يا رسولَ اللهِ قَد عَرفنا كيفَ السلامُ عَليك، فكيفَ الصلاةُ عليكَ؟ قالَ(5): «قُولوا: اللهمَّ صَلِّ على محمدٍ وعلى آلِ محمدٍ كما صلَّيتَ على إبراهيمَ إنَّكَ حميدٌ مجيدٌ، اللهمَّ بارِكْ على محمدٍ وعلى آلِ محمدٍ كما باركْتَ على إبراهيمَ إنَّكَ حميدٌ مجيدٌ»(6).

--------------------------------------------

(1) أخرجه أحمد (4/ 242، 243)، والدارمي (1445)، وابن خزيمة (444) من طريق محمد بن عجلان بنحوه.

وقد اختلف في إسناد هذا الحديث حتى قال الحافظ في «الفتح» (1/ 566): وفي إسناده اختلاف ضعفه بعضهم بسببه.

وانظر «مسند أحمد» 4/ 241 (18103)، و «إرواء الغليل» (379)، و «صحيح أبي داود» (571).

(2) «بن موسى» ليست في هذا الإسناد ولا في الأسانيد التالية من (ص).

(3) تحرف في الأصل إلى: سعيد.

(4) في (ص): عن كعب بن عجرة قال: قال [رسول الله صلى الله عليه وسلم]: ألا أهدي لك هدية؟ قلنا: يا رسول الله .. .

والحديث عند كل من وقفت عليه كما في الأصل، بجعل جملة «ألا أهدي لك هدية» من قول كعب بن عجرة، وهو مقتضى السياق. والله أعلم.

(5) في (ص): فقال.

(6) أخرجه النميري في «الإعلام بفضل الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم» (8) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (4797) (6357)، ومسلم (406) من طريق الحكم به.

وتقدم (366).
সালাতের দিকে (যাওয়ার সময়) সে যেন তার আঙুলসমূহ একটির ভেতরে অন্যটি প্রবেশ না করায়, কেননা সে সালাতের মধ্যেই থাকে»(১).

 

৩৬৮ - (৩) তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওকী' ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মিস'আর ইবনে কিদাম ও শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাকাম থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব ইবনে উজরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেব না? আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার ওপর কিভাবে সালাম পেশ করতে হয় তা তো আমরা জেনেছি, কিন্তু আপনার ওপর দরূদ পাঠ করব কিভাবে? তিনি বললেন: «তোমরা বলো: হে আল্লাহ! মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেভাবে আপনি ইব্রাহীমের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেভাবে আপনি ইব্রাহীমের ওপর বরকত দান করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।»(৬).

--------------------------------------------

(১) এটি আহমদ (৪/ ২৪২, ২৪৩), দারেমী (১৪৪৫) এবং ইবনে খুযাইমাহ (৪৪৪) মুহাম্মাদ ইবনে আজলানের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এই হাদীসের সনদে মতভেদ রয়েছে, এমনকি হাফেজ (ইবনে হাজার) ‘আল-ফাতহ’ (১/ ৫৬৬) গ্রন্থে বলেছেন: এর সনদে এমন মতভেদ রয়েছে যার কারণে কেউ কেউ একে দুর্বল বলেছেন।

আরও দেখুন: ‘মুসনাদে আহমদ’ ৪/ ২৪১ (১৮১০৩), ‘ইরওয়াউল গালীল’ (৩৭৯) এবং ‘সহীহ আবু দাউদ’ (৫৭১)।

(২) ‘ইবনে মুসা’ কথাটি এই সনদে এবং (সাদ) পাণ্ডুলিপির পরবর্তী সনদগুলোতে নেই।

(৩) মূল কপিতে এটি বিকৃত হয়ে ‘সাঈদ’ হয়ে গিয়েছিল।

(৪) (সাদ) পাণ্ডুলিপিতে আছে: কাব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন: আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেব না? আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল...।

তবে আমি যাদের কাছে হাদীসটি পেয়েছি তাদের সবার নিকট এটি মূল কপির মতোই রয়েছে, যেখানে ‘আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেব না’ বাক্যটি কাব ইবনে উজরাহর উক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যা প্রসঙ্গের দাবি। আল্লাহই ভালো জানেন।

(৫) (সাদ) পাণ্ডুলিপিতে ‘অতঃপর তিনি বললেন’ রয়েছে।

(৬) এটি নুমাইরী ‘আল-ইলাম বি ফাদলিস সালাতি আলান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ (৮) গ্রন্থে লেখকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

বুখারী (৪৭৯৭, ৬৩৫৭) এবং মুসলিম (৪০৬) হাকামের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে (৩৬৬)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٦)
369 - (4) قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى قالَ: حدثنا جعفرُ بنُ عونٍ / قالَ: حدثنا ابنُ أبي لَيلى، عن الحكمِ، عن(1) عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى، عن كعبِ بنِ عُجرةَ قالَ:

قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «مُعقِّباتٌ في دُبرِ كُلِّ صلاةٍ لا يَخيبُ قائلُهنَّ وفاعلُهنَّ(2): تُسبِّحُ اللهَ ثلاثاً وثلاثينَ، وتَحمدُه ثلاثاً وثلاثينَ [مرةً]، وتكبِّرُه أربعاً وثلاثينَ(3)».

 

370 - (5) قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى قالَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ قالَ: أخبرنا داودُ بنُ أبي هندٍ، عن الشَّعبيِّ، عن كعبِ بنِ عَجرةَ قالَ:

خَرجتُ مَع رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم حاجاً ولي وَفرةٌ فقَملتُ وأخَذَني الصِّئْبانُ، فأَتيتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم وفي أصلِ كُلِّ شَعرةٍ أو بأَعلاها قَملةٌ أو صُؤَابٌ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ هذا لأذىً أتجِدُ نُسكاً؟» قُلتُ: لا، قالَ: «احلقْهُ أو جُزَّه(4) فإنْ شِئتَ فصُم ثلاثةَ أيامٍ، أو أطعِمْ سِتةَ مساكينَ، بينَ كُلِّ مسكينَينِ صاعٌ مِن تمرٍ»(5).

--------------------------------------------

(1) من (ص) وتحرف في الأصل إلى: بن.

(2) كذا في الأصلين، ولعل الصواب: أو فاعلهن.

(3) في (ص): تسبيح الله .. وتحميده .. وتكبيره.

والحديث أخرجه علي بن المفضل المقدسي في «الأربعين في فضل الدعاء» (49) من طريق المصنف.

وأخرجه مسلم (596) من طريق الحكم به.

(4) في (ص): «أو خذه». وفي هامشها إشارة إلى نسخة أخرى كما في الأصل: جزه.

(5) أخرجه أبو داود (1858)، وأحمد (4/ 243)، والدارقطني (2/ 299)، والطبراني 19/ (245 - 249) من طريق الشعبي، عن كعب بن عجرة كما هنا، وأكثر المصادر تزيد بينهما: عبد الرحمن بن أبي ليلى. وانظر الحديثين التاليين.
৩৬৯ - (৪) তিনি বলেন: ইউসুফ বিন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জাফর বিন আউন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি লায়লা আল-হাকাম থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা থেকে, তিনি কাব বিন উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্রত্যেক সালাতের পরে কিছু পাঠ্য বিষয় রয়েছে, যার পাঠকারী বা আমলকারী কখনো নিরাশ হয় না: তেত্রিশবার আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করা, তেত্রিশবার আল্লাহর তাহমিদ পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার আল্লাহর তাকবির পাঠ করা [বার]»।

 

৩৭০ - (৫) তিনি বলেন: ইউসুফ বিন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযীদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ বিন আবি হিন্দ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি শাবি থেকে, তিনি কাব বিন উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হজ পালনকারী অবস্থায় বের হলাম, তখন আমার মাথায় ঘন চুল ছিল। তাতে উঁকুনে ধরে গেল এবং লিকি আমাকে আক্রান্ত করল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে, প্রতিটি চুলের গোড়ায় বা মাথায় উঁকুন অথবা লিকি ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এটি অবশ্যই যন্ত্রণাদায়ক। তোমার নিকট কি কোনো কুরবানি করার সামর্থ্য আছে?» আমি বললাম: না। তিনি বললেন: «এটি মুণ্ডন করে ফেলো অথবা ছেঁটে ফেলো। অতঃপর তুমি চাইলে তিন দিন রোজা রাখো, অথবা ছয়জন মিসকিনকে খাওয়াও, প্রতি দুই মিসকিনের মাঝে এক সা' খেজুর (বন্টন করে দাও)»।

--------------------------------------------

(১) (সাদ) কপি থেকে। মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'ইবনে' হিসেবে বিকৃত হয়েছে।

(২) উভয় মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত সঠিক হবে: 'অথবা আমলকারী'।

(৩) (সাদ) কপিতে রয়েছে: আল্লাহর তাসবিহ.. তাহমিদ.. ও তাকবির।

আর হাদিসটি আলি বিন মুফাদদাল আল-মাকদিসি তার «আল-আরবাউন ফি ফাদলিল দুয়া» (৪৯) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আর মুসলিম (৫৯৬) হাদিসটি আল-হাকামের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(৪) (সাদ) কপিতে: «অথবা তা গ্রহণ করো»। এর পার্শ্বটীকায় অন্য একটি কপির দিকে ইশারা রয়েছে যেমনটি মূল পাঠে আছে: 'ছেঁটে ফেলো'।

(৫) আবু দাউদ (১৮৫৮), আহমাদ (৪/ ২৪৩), দারা কুতনি (২/ ২৯৯) এবং তাবারানি ১৯/ (২৪৫ - ২৪৯) শাবির সূত্রে কাব বিন উজরাহ থেকে এখানে বর্ণিত বিষয়ের ন্যায় বর্ণনা করেছেন। অধিকাংশ উৎসে তাদের উভয়ের মাঝে 'আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা' নামটির আধিক্য পাওয়া যায়। পরবর্তী হাদিস দুটি দেখুন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٧)
371 - (6) قالَ: حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا وكيعٌ قالَ: حدثنا شعبةُ، عن ابنِ الأَصبهانيِّ، عن عبدِ اللهِ بنِ مَعقلٍ قالَ: جلستُ إلى كعبِ بنِ عُجرةَ في هذا المسجدِ فسألتُه عن هذِه الآيةِ: {فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضاً أَوْ بِهِ أَذًى مِّن رَّأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ} [البقرة: 184] قالَ:

فيَّ نَزلَت، حُملتُ إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم والقَملُ يَتناثرُ على وَجهي مِن الجَهدِ، فقالَ: «ما كُنتُ أَرى الجهدَ أو الوَجعَ بلغَ بِكَ ما أَرى، احلِقْ رأسَكَ واذبَحْ شاةً» قالَ: فنَزلَت: {فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ} ثلاثة أيامٍ {أَوْ صَدَقَةٍ} ثلاثة آصُعٍ بينَ سِتةِ مساكينَ، {أَوْ نُسُكٍ}، فنَزلَت فيَّ خاصةً ولكم عامَّةً(1).

 

372 - (7) قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى قالَ: حدثنا وكيعٌ وأبو أسامةَ، واللفظُ لأبي أسامةَ قالَ(2): حدثنا سيفٌ قالَ: حدثني مجاهدٌ قالَ: حدثني عبدُ الرحمنِ بنُ أبي لَيلى قالَ: حدثنا كعبُ بنُ عُجرةَ قالَ:

وقَفَ عليَّ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بالحُديبيةِ قالَ: ورَأسي يَتهافَتُ قَملاً، فقالَ: «أيُؤذيكَ هوامُّه؟» قُلتُ: نَعم، قالَ: فأمَرَني أَن أحلِقَ رَأسي، قالَ: ثُم دَعاني فقرأَ عليَّ هذِه الآيةَ وفيَّ نَزلَت هذِه الآيةُ: {فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضاً أَوْ بِهِ أَذًى مِّن رَّأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ}(3) [البقرة: 184]، قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم:

--------------------------------------------

(1) في (ص): وكانت لكم عامة. وفي هامشها كما في الأصل: ولكم عامة.

والحديث أخرجه البخاري (1816) (4517)، ومسلم (1201) (85) (86) من طريق عبد الرحمن بن الأصبهاني به.

(2) في (ص): قالا.

(3) المذكور من هذه الآية في (ص): {أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ}.
৩৭১ - (৬) তিনি বলেন: ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকী’ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনুল আসবাহানী হতে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মা’কিল হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি এই মসজিদে কা’ব বিন উজরাহ্-র কাছে বসলাম এবং তাঁকে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: {অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অসুস্থ কিংবা যার মাথায় কষ্টদায়ক কিছু থাকে, তার ফিদয়া হলো রোজা রাখা অথবা সদকা করা কিংবা পশু কোরবানি করা} [আল-বাকারাহ: ১৮৪] তিনি বললেন:

এটি আমার ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে। আমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন কষ্টের আধিক্যের কারণে আমার মুখমণ্ডলে উকুন ঝরে পড়ছিল। তিনি বললেন: «আমি ধারণা করিনি যে কষ্ট বা যন্ত্রণা তোমাকে এতটা কাবু করে ফেলেছে যা আমি দেখছি। তুমি তোমার মাথা মুণ্ডন করে ফেলো এবং একটি বকরি জবাই করো»। তিনি বলেন: এরপর অবতীর্ণ হলো: {ফিদয়া হলো রোজা রাখা} তিন দিন {অথবা সদকা করা} ছয়জন মিসকিনের মধ্যে তিন সা’ পরিমাণ, {কিংবা পশু কোরবানি করা}। সুতরাং এটি বিশেষভাবে আমার ব্যাপারে এবং সাধারণভাবে তোমাদের সবার জন্য অবতীর্ণ হয়েছে(১)।

 

৩৭২ - (৭) তিনি বলেন: ইউসুফ বিন মূসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকী’ ও আবু উসামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন—আর শব্দ বিন্যাস আবু উসামাহর—তিনি বলেন(২): সাইফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুজাহিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান বিন আবু লায়লা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কা’ব বিন উজরাহ্ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

হুদায়বিয়াতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার পাশে দাঁড়ালেন, তিনি বলেন: তখন আমার মাথা থেকে উকুন ঝরে পড়ছিল। তিনি বললেন: «এসব পোকামাকড় কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে?» আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি আমাকে মাথা মুণ্ডন করার নির্দেশ দিলেন। তিনি বলেন: এরপর তিনি আমাকে ডাকলেন এবং আমার সামনে এই আয়াতটি পাঠ করলেন, আর আমার ব্যাপারেই এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল: {অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি অসুস্থ কিংবা যার মাথায় কষ্টদায়ক কিছু থাকে, তার ফিদয়া হলো রোজা রাখা অথবা সদকা করা কিংবা পশু কোরবানি করা}(৩) [আল-বাকারাহ: ১৮৪], রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন:

--------------------------------------------

(১) (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আর এটি তোমাদের সকলের জন্য সাধারণ ছিল।" মূল পাণ্ডুলিপির মতো এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: "এবং তোমাদের জন্য সাধারণ।" হাদীসটি ইমাম বুখারী (১৮১৬) (৪৫১৭) এবং ইমাম মুসলিম (১২০১) (৮৫) (৮৬) আব্দুর রহমান বিন আল-আসবাহানীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(২) (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "তাঁরা উভয়ে বলেছেন।"

(৩) (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে এই আয়াতের যতটুকু অংশ উল্লেখ করা হয়েছে তা হলো: {অথবা সদকা করা কিংবা পশু কোরবানি করা}।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٨)
«صُم ثلاثةَ أيامٍ أو تصدَّقْ بعذقٍ(1) بينَ سِتةٍ وانسُكْ ما شئتَ»(2).

ممَّا أسنَدَه رافعُ بنُ خَديجٍ عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم

 

373 - (8) أخبرنا أحمدُ بنُ عبدِ العزيزِ قالَ: حدثنا الحسينُ بنُ إسماعيلَ قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى / قالَ: حدثنا عُبيدُ اللهِ بنُ موسى قالَ: حدثنا شيبانُ النَّحويُّ(3)، عن الأعمشِ، عن مجاهدٍ، عن رافعِ بنِ خَديجٍ قالَ:

نَهانا عن أمرٍ وكانَ رافِقاً بِنا، وطاعةُ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أنفعُ لنا ممَّا سِواها، كُنا نَشتَرطُ الثلثَ ممَّا يَنبتُ مِن السَّواقي(4) فقالَ: «مَن كانَت له أرضٌ فليَهبْها أو ليُعِرْها(5)».

 

374 - (9) حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا وكيعٌ قالَ: حدثنا سفيانُ، عن يحيى بنِ سعيدٍ، عن عَبايةَ بنِ رِفاعةَ، عن جدِّه رافعٍ -هكذا قالَ وكيعٌ-،

أنَّ جبريلَ أو ملَكاً جاءَ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم فقالَ: ما تَعدُّونَ مَن شَهدَ بدراً

--------------------------------------------

(1) هذا ما ظهر لي أنه الأقرب لما في النسختين، وإن كانت في الأصل تحتمل أيضاً: بعَرق، وعند ابن عساكر وبقية المصادر: بفَرَق.

(2) أخرجه ابن عساكر (53/ 167) من طريق المصنف به.

وأخرجه البخاري (1815)، ومسلم (1201) (82) من طريق سيف المخزومي به.

(3) رسمها في الأصل: «البحري»، وفي هامشه: صوابه النحوي وكنيته أبو معاوية.

(4) في الأصل: «تنبت السواقي»، وأضاف في الهامش: «من». وكذلك هي في (ص).

(5) في (ص): أو ليُعمرها.

والحديث أخرجه الترمذي (1384)، والنسائي (3871)، وابن أبي شيبة (21251)، والطبراني (4356) (4366)، والطحاوي في «معاني الآثار» (4/ 105) من طريق مجاهد بألفاظ متقاربة.

وللحديث عن مجاهد وغيره طرق وألفاظ متعددة، يأتي بعضها (378) (379) (382).
«তিন দিন রোজা রাখো অথবা একটি খেজুরের ছড়া(১) ছয়জন (অসহায়)-এর মাঝে সাদাকা করো এবং তোমার ইচ্ছা অনুযায়ী পশু কোরবানি করো»(২)।

রাফে বিন খাদিজ কর্তৃক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত

 

৩৭৩ - (৮) আহমদ বিন আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হুসাইন বিন ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইউসুফ বিন মুসা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন / তিনি বলেছেন: উবাইদুল্লাহ বিন মুসা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: শাইবান আন-নাহবী(৩) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি রাফে বিন খাদিজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

তিনি (রাসূলুল্লাহ) আমাদের এমন একটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন যা আমাদের নিকট বেশ সুবিধাজনক ছিল, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আনুগত্য আমাদের জন্য অন্য সব কিছুর চেয়ে বেশি উপকারী। আমরা নালাগুলোর পাশে উৎপন্ন ফসলের এক-তৃতীয়াংশ (মালিকের জন্য) শর্ত নির্ধারণ করতাম। তখন তিনি বললেন: «যার জমি আছে সে যেন তা কাউকে দান করে দেয় অথবা কাউকে (বিনা মূল্যে) ব্যবহারের জন্য দিয়ে দেয়(৫)»।

 

৩৭৪ - (৯) ইউসুফ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: অকী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাইদ থেকে, তিনি আবায়া বিন রিফায়া থেকে, তিনি তার দাদা রাফে থেকে -অকী এভাবেই বর্ণনা করেছেন-,

নিশ্চয়ই জিবরাঈল অথবা জনৈক ফেরেশতা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: আপনাদের মধ্যে যারা বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিল, তাদের আপনারা কেমন গণ্য করেন?

--------------------------------------------

(১) উভয় পাণ্ডুলিপিতে যা আছে তার মধ্যে এটাই আমার কাছে অধিকতর সঠিক মনে হয়েছে, যদিও মূল কপিতে ‘একটি পাত্র’ (আর্ক) হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। আর ইবনে আসাকির ও অন্যান্য উৎসে ‘তিন সা পরিমাণ পাত্র’ (ফারাক) শব্দ রয়েছে।

(২) ইবনে আসাকির এটি গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন (৫৩/ ১৬৭)।

আর ইমাম বুখারি (১৮১৫) এবং মুসলিম (১২০১) (৮২) এটি সাইফ আল-মাখজুমির সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এর লিখনভঙ্গি ছিল ‘আল-বাহরি’, তবে এর পার্শ্বটীকায় বলা হয়েছে: সঠিক হলো ‘আন-নাহবী’ এবং তার উপনাম আবু মুয়াবিয়া।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "নালাগুলো থেকে যা উৎপন্ন হয়", এবং পার্শ্বটীকায় "থেকে" শব্দটি যোগ করা হয়েছে। ‘সাদ’ (ص) পাণ্ডুলিপিতেও এমনই রয়েছে।

(৫) ‘সাদ’ (ص) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: অথবা সে যেন তা আমরণ ভোগ করতে দেয় (উমরা)।

হাদিসটি ইমাম তিরমিজি (১৩৮৪), নাসায়ি (৩৮৭১), ইবনে আবি শাইবা (২১২৫১), তাবারানি (৪৩৫৬, ৪৩৬৬) এবং তাহাবি তার ‘মাআনী আল-আসার’ (৪/ ১০৫) গ্রন্থে মুজাহিদের সূত্রে কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন।

মুজাহিদ ও অন্যান্যদের সূত্রে এই হাদিসটির আরও অনেক সনদ ও পাঠ রয়েছে, যার কিছু সামনে আসবে (৩৭৮, ৩৭৯, ৩৮২)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤٩)
فيكم؟ قالَ: «خِيارَنا» قالَ: كذلكَ هُم عندَنا هُم خِيارُ المَلائكةِ(1).

 

375 - (10) حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا جريرٌ، عن يحيى بنِ سعيدٍ، عن معاذِ بنِ رِفاعةَ بنِ رافعٍ الزُّرَقيِّ، عن أبيه، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم نحوَه. هكَذا قالَ جريرٌ(2).

 

376 - (11) حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا سعيدُ بنُ شُرحبيلَ قالَ: حدثنا ليثُ بنُ سعدٍ، عن خالدِ بنِ يزيدَ، عن سعيدِ بنِ أبي هلالٍ،(3) عن عُبيدِ بنِ رِفاعةَ، عن رافعِ بنِ خَديجٍ قالَ:

دَخلتُ على رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وعندَهم قِدرٌ تَفورُ بلَحمٍ، فأعجبَتني شَحمةٌ فأخذْتُها فازدَرتُّها، فاشتَكيتُ عنها سَنةً، ثُم إنِّي ذَكرتُ ذلكَ لرسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فقالَ: «إنَّه كانَ فيها أنفسُ سبعةِ أُناسٍ» ثم مَسحَ بَطني فألقَيتُها خَضراءَ، فوَالذي بعَثَه بالحقِّ ما اشتكيتُ بَطني حتى الساعةَ(4).

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن ماجه (160)، وأحمد (3/ 465)، وابن أبي شيبة (36731)، وعبد بن حميد (424)، والطبراني (4412) من طريق وكيع به.

وأخرجه ابن حبان (7224) من طريق سفيان الثوري بنحوه. وانظر ما بعده.

(2) ومن طريقه أخرجه البخاري (3992).

ثم أخرجه من طريق يحيى بن سعيد الأنصاري بوجهين آخرين (3994) (3995).

(3) كذا في النسختين، من رواية سعيد بن أبي هلال، عن عبيد بن رفاعة، وكل المصادر تزيد بينهما: أبا أمية الأنصاري.

(4) اختلف في إسناد هذا الحديث على الليث بن سعد. فأخرجه ابن أبي شيبة في «المسند» (75)، والبغوي في «معجم الصحابة» (1035)، والطبراني (4429)، والبيهقي (6/ 183)، وأبو نعيم (559) كلاهما في «الدلائل» من طريق سعيد بن شرحبيل وأبي صالح عبد الله بن صالح، عنه فقالوا: «عن رافع بن خديج»، إلا البغوي والبيهقي فلم يذكرا «بن خديج»، ولذلك ذكره البغوي في مسند رافع بن مالك، وهو والد رفاعة.

وهو بهذا موافق لرواية أبي صالح التي قال فيها: «عن عبيد بن رفاعة عن أبيه»، كما عند البغوي (1036)، والفسوي في «المعرفة والتاريخ» (2/ 216)، والبيهقي.

وكذلك أخرجه أبو نعيم في «المعرفة» بعد أن أسنده من طريق يحيى بن بكير عن الليث، فجعله عن عبيد بن رفاعة مرسلاً (4786)، لم يقل فيه «عن أبيه» ولا «عن رافع»، وأشار الفسوي إلى هذه الرواية ثم قال: وعبيد ليست له صحبة ولا رواية.

ومدار كل هذه الطرق على أبي أمية الأنصاري -الذي لم يرد في النسختين- قال الهيثمي (4/ 173): لم أعرفه.

ورواية «عبيد بن رفاعة عن أبيه» جاءت من غير طريقه، أخرجها البيهقي (6/ 184) من طريق يزيد بن عياض، عن عبد الكريم، عن عبيد بن رفاعة. ويزيد بن عياض كذبه مالك و غيره.
তোমাদের মধ্যে? তিনি বললেন: «আমাদের মধ্যে যারা সর্বোত্তম» তিনি বললেন: অনুরূপভাবে তারাও আমাদের কাছে ফেরেশতাদের মধ্যে সর্বোত্তম(১).

 

৩৭৫ - (১০) ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারীর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনে রিফায়া ইবনে রাফে আজ-জুরাকি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। জারীর এভাবেই বলেছেন(২).

 

৩৭৬ - (১১) ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে শুরাহবিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি হিলাল থেকে,(৩) তিনি উবাইদ ইবনে রিফায়া থেকে, তিনি রাফে ইবনে খাদিজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন তাদের নিকট একটি ডেকচি ছিল যাতে মাংস টগবগ করে ফুটছিল। আমার একটি চর্বির টুকরো পছন্দ হলো, আমি সেটি নিয়ে গিলে ফেললাম। এর ফলে আমি এক বছর অসুস্থ থাকলাম। এরপর আমি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তাতে সাতজন ব্যক্তির আত্মা (অধিকার) ছিল» অতঃপর তিনি আমার পেটে হাত বুলালেন এবং আমি তা সবুজ রঙের অবস্থায় উগরে দিলাম। এরপর সেই সত্তার কসম যিনি তাঁকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আজ পর্যন্ত আমি আর পেটের সমস্যায় ভুগিনি(৪).

--------------------------------------------

(১) ইবনে মাজাহ (১৬০), আহমাদ (৩/৪৬৫), ইবনে আবি শাইবাহ (৩৬৭৩১), আবদ বিন হুমাইদ (৪২৪) এবং তাবারানি (৪৪১২) ওয়াকি-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইবনে হিব্বান (৭২২৪) সুফিয়ান সাওরির সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। পরবর্তী অংশ দেখুন।

(২) তাঁর সূত্রেই বুখারি (৩৯৯২) এটি বর্ণনা করেছেন।

এরপর ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আনসারির সূত্রে আরও দুটি মাধ্যমে এটি বর্ণনা করেছেন (৩৯৯৪) (৩৯৯৫)।

(৩) উভয় পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, সাঈদ ইবনে আবি হিলালের বর্ণনা থেকে, উবাইদ ইবনে রিফায়া থেকে; তবে সকল উৎস তাদের দুজনের মাঝে 'আবু উমাইয়া আল-আনসারি'-কে যুক্ত করেছে।

(৪) লাইস ইবনে সাদের সূত্রে এই হাদিসের সনদে মতভেদ হয়েছে। ইবনে আবি শাইবাহ তাঁর «আল-মুসনাদ» (৭৫)-এ, বাগাভি «মুজামুস সাহাবাহ» (১০৩৫)-এ, তাবারানি (৪৪২৯), বাইহাকি (৬/১৮৩) এবং আবু নুয়াইম (৫৫৯) উভয়ে «আদ-দালাইল»-এ সাঈদ ইবনে শুরাহবিল ও আবু সালেহ আবদুল্লাহ ইবনে সালেহ-এর সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: «রাফে ইবনে খাদিজ থেকে», তবে বাগাভি ও বাইহাকি «ইবনে খাদিজ» উল্লেখ করেননি, এ কারণেই বাগাভি একে রাফে ইবনে মালিকের মুসনাদে উল্লেখ করেছেন, যিনি রিফায়ার পিতা।

এটি আবু সালেহ-এর বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যাতে তিনি বলেছেন: «উবাইদ ইবনে রিফায়া তাঁর পিতা থেকে», যেমনটি বাগাভি (১০৩৬), ফাসাউয়ি «আল-মারিফাহ ওয়াত তারিখ» (২/২১৬) এবং বাইহাকিতে এসেছে।

একইভাবে আবু নুয়াইম «আল-মারিফাহ»-তে ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর-এর সূত্রে লাইস থেকে বর্ণনা করার পর একে উবাইদ ইবনে রিফায়া থেকে মুরসাল হিসেবে উল্লেখ করেছেন (৪৭৮৬), সেখানে তিনি «তাঁর পিতা থেকে» বা «রাফে থেকে» বলেননি। ফাসাউয়ি এই বর্ণনার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন: উবাইদ সাহাবি নন এবং তাঁর সরাসরি কোনো বর্ণনাও নেই।

এই সকল সূত্রের কেন্দ্রবিন্দু হলো আবু উমাইয়া আল-আনসারি—যিনি পাণ্ডুলিপি দুটিতে উল্লিখিত হননি—হাইসামি (৪/১৭৩) বলেছেন: আমি তাঁকে চিনি না।

«উবাইদ ইবনে রিফায়া তাঁর পিতা থেকে» বর্ণনাটি তাঁর সূত্র ব্যতীত অন্য সূত্রেও এসেছে; বাইহাকি (৬/১৮৪) ইয়াজিদ ইবনে ইয়াদ-এর সূত্রে আবদুল কারিম থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে রিফায়া থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইয়াজিদ ইবনে ইয়াদকে মালেক ও অন্যান্যরা মিথ্যাবাদী বলেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٠)
377 - (12) حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا الفضلُ بنُ دُكينٍ وعُبيدُ اللهِ بنُ موسى قالا: حدثنا سفيانُ، عن محمدِ بنِ عجلانَ، عن عاصمِ بنِ عمرَ بنِ(1) قتادةَ، عن محمودِ بنِ لَبيدٍ، عن رافعِ بنِ خَديجٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أسفِروا بالفجرِ، فكلَّما أسفَرتُم كانَ أعظمَ للأجرِ أو أجزَلَ(2)».

 

378 - (13) حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا الفضلُ بنُ دُكينٍ قالَ: حدثنا

--------------------------------------------

(1) تحرف في (ص) إلى: عن.

(2) في (ص): «أو أجركم»، وكذا في بعض الروايات. أما ما في الأصل فلم أره في غيره. والله أعلم.

والحديث أخرجه أو داود (424)، والترمذي (154)، والنسائي (548)، وابن ماجه (672)، والدارمي (1253) (1254) (1255)، وأحمد (3/ 465، 4/ 140، 142)، وابن حبان (1489) (1490) (1491)، والبيهقي (1/ 457) من طريق عاصم بن عمر به. ولفظه عند بعضهم: «أصبحوا بالصبح .. ».

وقال الترمذي: حسن صحيح. ووافقه الألباني في «صحيح أبي داود» (451).
৩৭৭ - (১২) ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফাদল বিন দুকাইন এবং উবাইদুল্লাহ বিন মূসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আজলান থেকে, তিনি আসিম বিন উমর বিন(১) কাতাদাহ থেকে, তিনি মাহমুদ বিন লাবীদ থেকে, তিনি রাফি' বিন খাদীজ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা ফজরের সালাত ফর্সা (উজ্জ্বল আলোতে) আদায় করো, কেননা তোমরা যত বেশি ফর্সা করবে তা সওয়াব বা প্রতিদানের ক্ষেত্রে তত বেশি মহান বা অধিক হবে(২)।»

 

৩৭৮ - (১৩) ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফাদল বিন দুকাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) (স) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে 'থেকে' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।

(২) (স) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «অথবা তোমাদের সওয়াব», এবং অনুরূপ কিছু বর্ণনায় এসেছে। তবে মূল পাণ্ডুলিপিতে যা আছে তা আমি অন্য কোথাও দেখিনি। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ (৪২৪), তিরমিজি (১৫৪), নাসায়ি (৫৪৮), ইবনে মাজাহ (৬৭২), দারিমি (১২৫৩) (১২৫৪) (১২৫৫), আহমাদ (৩/৪৬৫, ৪/১৪০, ১৪২), ইবনে হিব্বান (১৪৮৯) (১৪৯০) (১৪৯১), বায়হাকি (১/৪৫৭) আসিম বিন উমরের সূত্র ধরে। তাদের কারো কারো বর্ণনায় শব্দগুলো হলো: «তোমরা সকালে ফর্সা করো..»।

তিরমিজি বলেছেন: হাসান সহিহ। আলবানি 'সহিহ আবি দাউদ' (৪৫১) গ্রন্থে তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥١)
الحكمُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ أبي نُعمٍ قالَ: سمعتُ أبي يذكرُ عن رافعِ بنِ خَديجٍ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه نَهى عن المُزارعةِ(1).

 

379 - (14) قالَ: حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا الفضلُ بنُ دُكينٍ وعُبيدُ اللهِ بنُ موسى(2) واللفظُ لأبي نُعيمٍ قالا: حدثنا بُكيرُ بنُ عامرٍ، عن ابنِ أبي نُعمٍ قالَ: حدثنا رافعُ بنُ خَديجٍ،

أنَّه زَرعَ أرضاً، فمَرَّ به النبيُّ صلى الله عليه وسلم وهو يَسقيها فسألَه: «لِمَن الزَّرعُ؟» قالَ: زَرعي بيَدي وعَملي، لي الشَّطرُ ولبَني فُلانٍ الشَّطرُ، قالَ: «أربَيتَ(3)، فرُدَّ الأرضَ على أهلِها وخُذْ نفقتَكَ»(4).

 

380 - (15) قالَ: حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا هشامُ بنُ عبدِ الملكِ قالَ: حدثنا عَمرو(5) بنُ مرزوقٍ قالَ: حدثني يحيى بنُ عبدِ الحميدِ بنِ رافعٍ، / عن جدَّتِه امرأةِ رافعٍ قالتْ:

--------------------------------------------

(1) أخرجه الطبراني (4442)، وابن عبد البر في «التمهيد» (3/ 43) من طريق أبي نعيم الفضل بن دكين بهذا اللفظ. والحكم بن عبد الرحمن صدوق سيئ الحفظ. وانظر ما بعده

(2) من (ص)، وفي الأصل: «حدثنا الفضل بن دكين قال: حدثنا الحكم بن عبد الرحمن وعبيد الله بن موسى» وهو خطأ.

(3) في (ص): إن أبيت. وفي هامشها كما في الأصل: أربيت.

(4) أخرجه أبو داود (3402)، و الطحاوي في «معاني الآثار» (4/ 106)، والطبراني (4443)، والحاكم (2/ 41)، والبيهقي (6/ 133، 136) من طريق بكير بن عامر به. وصححه الحاكم، وتعقبه الذهبي بقوله: بكير ضعيف. وانظر ما قبله.

(5) من (ص)، وتحرف في الأصل إلى: عمر.
হাকাম ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবি নু'ম বলেন: আমি আমার পিতাকে রাফে ইবনে খাদীজ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে, তিনি মুযারাআ (বর্গা চাষ) নিষিদ্ধ করেছেন।(১)

 

৩৭৯ - (১৪) তিনি বলেন: ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফাদল ইবনে দুকাইন এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা(২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং শব্দ আবু নুআইম-এর—তাঁরা বলেন: বুকাইর ইবনে আমির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি নু'ম থেকে, তিনি বলেন: রাফে ইবনে খাদীজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন,

যে তিনি একটি জমিতে চাষ করেছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন তিনি তাতে পানি দিচ্ছিলেন। তিনি (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন: «এই ফসল কার?» তিনি বললেন: এটি আমার ফসল, আমার শ্রম ও কাজ; অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক অমুক গোত্রের সন্তানদের। তিনি (সা.) বললেন: «তুমি সুদি কারবার করেছ(৩), সুতরাং জমিটি এর মালিকদের ফিরিয়ে দাও এবং তোমার খরচটুকু নিয়ে নাও»(৪)।

 

৩৮০ - (১৫) তিনি বলেন: ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে আবদুল মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর(৫) ইবনে মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবদুল হামিদ ইবনে রাফে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, / তাঁর দাদি থেকে—যিনি রাফে-এর স্ত্রী—তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) তাবারানি এটি বর্ণনা করেছেন (৪৪৪২), এবং ইবনে আবদুল বার তাঁর «আত-তামহীদ» (৩/৪৩) গ্রন্থে আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইনের সূত্রে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন। হাকাম ইবনে আবদুর রহমান সত্যবাদী কিন্তু তাঁর স্মরণশক্তি দুর্বল। পরবর্তী অংশ দেখুন।

(২) এটি (সাদ) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া; আর মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «ফাদল ইবনে দুকাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাকাম ইবনে আবদুর রহমান ও উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন» যা ভুল।

(৩) (সাদ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'ইন আবাইতা'। আর এর পার্শ্বটীকায় যেমনটি মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'আরবাইতা' (সুদ করেছ)।

(৪) আবু দাউদ (৩৪০২), তাহাবি «মা’আনিল আসার» (৪/১০৬), তাবারানি (৪৪৪৩), হাকিম (২/৪১) এবং বায়হাকি (৬/১৩৩, ১৩৬) গ্রন্থে বুকাইর ইবনে আমিরের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। হাকিম একে সহিহ বলেছেন, আর জাহাবি তাঁর মন্তব্যে বলেছেন: বুকাইর দুর্বল। পূর্ববর্তী অংশ দেখুন।

(৫) এটি (সাদ) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া, মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে ‘উমর’ হয়ে গিয়েছিল।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٢)
أُصيبَ رافعٌ يومَ أُحدٍ أو يومَ خيبرَ بسَهمٍ في ثَنْدُوَتِه، فأَتى(1) النبيَّ صلى الله عليه وسلم فقالَ: يا رسولَ اللهِ انزَع السَّهمَ، فقالَ: «إنْ شِئتَ نَزعتُ السَّهمَ والقُطْبةَ(2)، وإنْ شِئتَ نَزعتُ السَّهمَ وتَركتُ القُطْبةَ وشَهدتُّ لكَ يومَ القيامةِ أنَّكَ شهيدٌ» فقالَ(3): بَل، انزَع السَّهمَ واترُك القُطْبةَ واشهدْ لي يومَ القيامةِ أنِّي شهيدٌ، قالَ: ففعلَ ذلكَ به النبيُّ صلى الله عليه وسلم.

فعاشَ حياةَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وأبي بكرٍ وعمرَ وعثمانَ، فلمَّا كانَ زَمانَ(4) معاويةَ انتفضَ(5) به جُرحُه فهَلكَ عندَ العصرِ، فأُتيَ ابنُ عمرَ فقيلَ: إنَّ رافعاً قَد ماتَ وهم يريدُونَ أن يُخرِجوه، فقالَ: إنَّ مِثلَ رافعٍ لا يُخرَجُ حتى نُؤْذنَ مَن حولَنا مِن القُرى. قالَ: فحُبسَ إلى الغدِ، فلمَّا أُخرِجَ بجنازَتِه فأَتَت مولاةٌ له تَبكي عندَ قبرِه، فقالَ ابنُ عمرَ: مالِ هذِه السَّفيهةِ (أَحدٌ؟)(6) إنَّ الشيخَ لا طاقةَ له أو يَدَيْنِ بعذابِ اللهِ عز وجل(7).

--------------------------------------------

(1) في (ص): فأما.

(2) في هامش الأصل: «قال ابن الأثير: القطبة والقطب نصل السهم». وهو في «النهاية» (4/ 79).

(3) في هامش (ص): رواية البوصيري قال بل.

قلت: لكن نسخة الظاهرية وهي من رواية البوصيري موافقة لنسخة (ص): «فقال بل»، فلعل لرواية البوصيري نسخة أخرى.

(4) في (ص): زمن.

(5) كذا في الأصل، وهي في (ص) غير منقوطة، والمشهور: انتقض.

(6) في (ص): «أجد»، وفي الأصل لعلها: «أحدان ان الشيخ» وعليها علامة تضبيب. وعند الطبراني: «ما للسفيهة من أحد». وعند ابن سعد: «أما لهذه السفيهة أو الحمقاء أحد».

(7) أخرجه أحمد (6/ 378)، وإسحاق في «مسنده» (1913 - المطالب)، وابن سعد (5521 - الخانجي)، والطبراني (4242)، وأبو نعيم في «المعرفة» (7985)، والبيهقي في «الدلائل» (6/ 463) من طريق عمرو بن مرزوق به، وبعضهم يزيد فيه على بعض. وإسناده حسن.

وأخرجه الطيالسي (1004) من طريق عمرو بن مرزوق، عن يحيى بن عبد الحميد قال: حدثني جدي عن رافع بن خديج أنه أصابه سهم .. ، فذكره مختصراً. كذا وقع في جميع نسخه «جدي»، وكذلك نقله عنه في «الإتحاف» (4414)، و «المطالب» (4057).
রাফে ইবনে খাদীজ উহুদ যুদ্ধের দিন অথবা খায়বার যুদ্ধের দিন তাঁর বুকের পাঁজরের উপরের অংশে একটি তীরের আঘাত পান। অতঃপর তিনি(১) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তীরটি বের করে দিন। তিনি বললেন: «তুমি চাইলে আমি তীর এবং তার ফলক(২) উভয়ই বের করে দেব, আর তুমি চাইলে আমি তীরটি বের করব এবং ফলকটি ভেতরে রেখে দেব এবং কিয়ামতের দিন তোমার জন্য সাক্ষ্য দেব যে তুমি একজন শহীদ»। তিনি(৩) বললেন: বরং, তীরটি বের করুন এবং ফলকটি রেখে দিন এবং কিয়ামতের দিন আমার জন্য সাক্ষ্য দিন যে আমি একজন শহীদ। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে তাই করলেন।

অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর, উমর ও উসমানের জীবনকাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। যখন মুয়াবিয়ার সময়কাল(৪) এল, তখন তাঁর সেই ক্ষতটি পুনরায় ফেটে গেল(৫) এবং তিনি আসরের সময় ইন্তেকাল করলেন। অতঃপর ইবনে উমরের নিকট আসা হলো এবং বলা হলো: রাফে ইন্তেকাল করেছেন এবং তারা তাঁকে (জানাযার জন্য) বের করতে চাচ্ছে। তিনি বললেন: রাফের মতো ব্যক্তিকে ততক্ষণ বের করা উচিত নয় যতক্ষণ না আমরা আমাদের চারপাশের গ্রামগুলোর অধিবাসীদের সংবাদ দেই। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তাঁকে পরদিন পর্যন্ত রাখা হলো। যখন তাঁর জানাযা বের করা হলো, তখন তাঁর একজন মুক্তদাসী তাঁর কবরের নিকট এসে কাঁদতে লাগল। ইবনে উমর বললেন: এই নির্বোধ মহিলার কী হয়েছে (কেউ কি আছে?)(৬)? নিশ্চয়ই এই বৃদ্ধের আল্লাহর আযাব মোকাবিলা করার মতো কোনো শক্তি বা আল্লাহর আযাবের সামনে (লড়ার মতো) দুই হাত নেই(৭)।

--------------------------------------------

(১) (সা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ফা-আম্মা (অতঃপর)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় রয়েছে: «ইবনুল আসীর বলেছেন: আল-কুতবাহ এবং আল-কুতব হলো তীরের ফলক বা অগ্রভাগ»। এটি ‘আন-নিহায়াহ’ (৪/৭৯) গ্রন্থে রয়েছে।

(৩) (সা) পাণ্ডুলিপির হাশিয়ায় রয়েছে: বুসীরীর বর্ণনা অনুযায়ী তিনি বললেন ‘বাল’ (বরং)।

আমি বলছি: কিন্তু যাহিরিয়্যাহ পাণ্ডুলিপি, যা বুসীরীর বর্ণনা থেকে সংকলিত, সেটি (সা) পাণ্ডুলিপির অনুরূপ: «ফাকলা বাল» (অতঃপর তিনি বললেন বরং), সম্ভবত বুসীরীর বর্ণনার অন্য কোনো পাণ্ডুলিপি রয়েছে।

(৪) (সা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: যামান (সময়)।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে, (সা) পাণ্ডুলিপিতে এটি নুকতাহীন, আর প্রসিদ্ধ পাঠ হলো: ইনতাকাদা (পুনরায় ফেটে যাওয়া)।

(৬) (সা) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: ‘আজাদ’ (পাওয়া), এবং মূল পাণ্ডুলিপিতে সম্ভবত ছিল: ‘আহাদুন ইন্নাল শায়খ’ এবং এর ওপর সংশোধনের চিহ্ন রয়েছে। তাবারানীতে রয়েছে: «এই নির্বোধের জন্য কি কেউ নেই?»। ইবনে সা’দ-এ রয়েছে: «এই নির্বোধ বা বেকুব মহিলার জন্য কি কেউ নেই?»।

(৭) এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ (৬/৩৭৮), ইসহাক তাঁর ‘মুসনাদ’ (১৯১৩ - আল-মাতালিব), ইবনে সা’দ (৫৫২১ - আল-খানজী), তাবারানী (৪২৪২), আবু নুয়াইম ‘আল-মারিফাহ’ (৭৯৮৫) গ্রন্থে এবং বায়হাকী ‘আদ-দালাইল’ (৬/৪৬৩) গ্রন্থে আমর ইবনে মারযুকের সূত্র ধরে; তাঁদের কেউ কেউ অন্যের চেয়ে শব্দ বৃদ্ধি করেছেন। এর সানাদ হাসান।

তায়ালিসী (১০০৪) এটি আমর ইবনে মারযুক থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার দাদা রাফে ইবনে খাদীজ থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি একটি তীরের আঘাত পেয়েছিলেন... অতঃপর তিনি তা সংক্ষেপে উল্লেখ করেছেন। এভাবেই তাঁর সকল পাণ্ডুলিপিতে «আমার দাদা» শব্দযোগে এসেছে, এবং একইভাবে ‘আল-ইতহাফ’ (৪৪১৪) ও ‘আল-মাতালিব’ (৪০৫৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٣)
381 - (16) حدثنا يوسفُ قالَ: حدثنا قَبيصةُ بنُ عقبةَ قالَ: حدثنا سفيانُ، عن ربيعةَ الرَّأيِ، عن حنظلةَ بنِ قيسٍ الزُّرَقيِّ قالَ:

سألتُ رافعَ بنَ خَديجٍ عن كِرى الأرضِ البيضاءِ بالذَّهبِ والفضةِ؟ فقالَ: حلالٌ لا بأسَ به، إنما نُهيَ عن الإِرْماثِ(1).

 

382 - (17) قالَ: حدثنا يوسفُ بنُ موسى قالَ: حدثنا عُبيدُ اللهِ بنُ

--------------------------------------------

(1) أخرجه عبد الرزاق (14452)، وأبو عوانة (5167)، والطبراني (4331)، والسرقسطي في «غريب الحديث» (394) من طريق سفيان الثوري بهذا اللفظ.

ويرويه وكيع عنه موقوفاً ليس فيه: إنما نهي عن الإرماث. أخرجه النسائي (3931)، وابن أبي شيبة (22431).

وقوله: «الإرماث» تحرف في (ص) إلى: «الأزهات». أما السرقسطي فقال: لم نجد له تفسيراً. وأما ابن الأثير فقال (2/ 261): هكذا يروى، فإن كان صحيحاً فيكون من قولهم: رَمَثتُ الشيء بالشيء إذا خلطته، أو من قولهم: رمَث عليه وأرمَث إذا زاد، أو من الرَّمَث وهو بقية اللبن في الضرع. قال: فكأنه نهي عنه من أجل اختلاط نصيب بعضهم ببعض، أو لزيادة يأخذها بعضهم من بعض، أو لإبقاء بعضهم على البعض شيئا من الزرع. والله أعلم.

قلتُ: وقد جاء مفسراً في رواية عبد الرزاق: «إنما نهي عن الإرماث، أن يعطي الرجل الأرض ويستثني بعضها، ونحو ذلك». وهو بذلك بمعنى الروايات الأخرى للحديث عن ربيعة الرأي وغيره عن حنظلة، انظر «صحيح البخاري» (2332) (2346) (2722)، و «صحيح مسلم» (3/ 1183).
৩৮১ - (১৬) আমাদের কাছে ইউসুফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে কাবিদাহ ইবনে উকবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন রাবিআহ আর-রায় থেকে, তিনি হানজালাহ ইবনে কায়স আজ-জুরাকি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি রাফে ইবনে খাদিজকে সোনা ও রূপার বিনিময়ে খালি জমি ইজারা দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: এটি হালাল, এতে কোনো সমস্যা নেই। কেবল ‘আল-ইরমাথ’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে(১)।

 

৩৮২ - (১৭) তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইউসুফ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনে

--------------------------------------------

(১) এটি আবদুর রাজ্জাক (১৪৪৫২), আবু আওয়ানাহ (৫১৬৭), তাবারানি (৪৩৩১) এবং সারকুস্তি তাঁর ‘গারিবুল হাদিস’ গ্রন্থে (৩৯৪) সুফিয়ান সওরীর সূত্রে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন।

ওয়াকি এটি তাঁর থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন যাতে ‘কেবল আল-ইরমাথ নিষিদ্ধ করা হয়েছে’ অংশটি নেই। এটি নাসাঈ (৩৯৩১) এবং ইবনে আবি শাইবাহ (২২৪৩১) বর্ণনা করেছেন।

তাঁর উক্তি: ‘আল-ইরমাথ’ শব্দটি (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে ‘আল-আজহাত’ হিসেবে বিকৃত হয়েছে। সারকুস্তি বলেছেন: আমরা এর কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাইনি। আর ইবনে আল-আসির বলেছেন (২/ ২৬১): এভাবেই বর্ণিত হয়েছে; যদি এটি সঠিক হয় তবে তা তাদের কথা ‘আমি এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত করেছি’ (রামাছতু) থেকে হতে পারে, অথবা তাদের কথা ‘সে বৃদ্ধি করেছে’ (রামাছা বা আরমাছা) থেকে হতে পারে, অথবা ‘রামাছ’ থেকে যা ওলানে অবশিষ্ট দুধকে বোঝায়। তিনি বলেন: সম্ভবত এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে একজনের অংশ অন্যের অংশের সাথে মিশে যাওয়ার কারণে, অথবা কারও অন্যের থেকে অতিরিক্ত কিছু নেওয়ার কারণে, অথবা কারও জন্য ফসলের কিছু অংশ আলাদা করে রাখার কারণে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: আবদুর রাজ্জাকের বর্ণনায় এর ব্যাখ্যা এসেছে: ‘কেবল আল-ইরমাথ নিষিদ্ধ করা হয়েছে—অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি জমি প্রদান করবে এবং তার কিছু অংশ (নিজের জন্য) আলাদা করে রাখবে, এবং এই জাতীয় বিষয়।’ এটি হানজালাহ থেকে রাবিআহ আর-রায় ও অন্যদের বর্ণিত হাদিসের অন্যান্য বর্ণনার অনুরূপ অর্থ প্রকাশ করে। দেখুন: ‘সহিহ বুখারি’ (২৩৩২) (২৩৪৬) (২৭২২) এবং ‘সহিহ মুসলিম’ (৩/ ১১৮৩)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٤)
موسى قالَ: حدثني إسرائيلُ، عن إبراهيمَ بنِ مهاجرٍ، عن مجاهدٍ، عن رافعِ بنِ خَديجٍ قالَ:

مَرَّ النبيُّ صلى الله عليه وسلم على أرضِ رَجلٍ مِن الأنصارِ وقَد عَرفَ أنَّه مُحتاجٌ، فقالَ: «لِمَن هذه الأرضُ؟» فقالَ: لِفلانٍ فأَعطانِيها بالأجرِ، فقالَ: «لو منَحَها أخاهُ». فأَتى رافعٌ الأَنصارَ فقالَ: إنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قد نَهاكم عن أمرٍ كانَ بِكم رافِقاً، وطاعةُ اللهِ ورسولِهِ أنفَعُ لكم(1).

آخِرُ المُسندِ(2)

* * *

ومِن مسندِ ابنِ عمرَ رضي الله عنه [عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم]

 

383 - (18) حدثنا أبو الحسنِ بنُ ثَرْثالٍ قالَ: أملى عَلينا القاضي أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ إسماعيلَ بنِ المَحامِليِّ إملاءً في دارِهِ يومَ الخميسِ سَنةَ سِتٍّ وعشرينَ وثلاثِمئةٍ في جُمادى الآخرةِ قالَ(3): حدثنا خلَّادُ بنُ أسلمَ قالَ: أخبرنا النضرُ بنُ شُميلٍ قالَ: أخبرنا عبدُ الملكِ بنُ قدامةَ قالَ: سمعتُ عبدَ اللهِ بنَ دينارٍ قالَ: سمعتُ عبدَ اللهِ بنَ عمرَ يقولُ(4):

إنَّ نَفراً قدِموا على رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فأسلَموا، فسأَلوا رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عن أشياءَ مِن أُمورِهم، فخَرَجوا حتى إذا كانُوا بعَقبةِ مِنىً ذَكروا شَراباً [لهم]، فَقالوا: نَسينا أَن نسأَلَ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عن شرابٍ لنا بِبلادِنا / لا يصلُحُ لَنا

--------------------------------------------

(1) أخرجه النسائي (3869) من طريق عبيد الله بن موسى به. وانظر (374).

(2) ليس في (ص).

(3) في (ص): حدثنا الحسين حدثنا خلاد .. .

(4) ليست في (ص).
মূসা বলেন: ইসরাঈল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইব্রাহীম বিন মুহাজির থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি রাফে ইবনে খাদীজ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জনৈক আনসারী ব্যক্তির জমির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তিনি জানতেন যে লোকটি অভাবী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: «এই জমিটি কার?» লোকটি বলল: অমুকের, তিনি আমাকে এটি ভাড়ার বিনিময়ে দিয়েছেন। তখন তিনি বললেন: «যদি তিনি এটি তার ভাইকে দান করতেন (তবে ভালো হতো)»। অতঃপর রাফে আনসারীদের নিকট এসে বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমাদেরকে এমন একটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন যা তোমাদের প্রতি সদয় ছিল, কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যই তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর।(১)

মুসনাদের শেষ অংশ(২)

* * *

এবং ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মুসনাদ থেকে [নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত]

 

৩৮৩ - (১৮) আবুল হাসান ইবনে সারসাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাযী আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল ইবনে আল-মাহামিলী ৩২৬ হিজরি সালের জুমাদাল আখিরা মাসে এক বৃহস্পতিবার তার নিজ গৃহে আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেন, তিনি বলেন(৩): খাল্লাদ ইবনে আসলাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাদর ইবনে শুমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনে কুদামা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে দীনারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি(৪):

একদল লোক আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে ইসলাম গ্রহণ করলেন। তারা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে তাদের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। অতঃপর তারা বেরিয়ে পড়লেন, এমনকি যখন তারা মিনার আকাবায় পৌঁছালেন, তখন তাদের একটি পানীয়ের কথা মনে পড়ল। তারা বললেন: আমরা আমাদের দেশের একটি পানীয় সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছি, যা আমাদের জন্য সঠিক (বৈধ) হবে না (না জেনে পান করা)।

--------------------------------------------

(১) এটি নাসাঈ (৩৮৬৯) উবায়দুল্লাহ ইবনে মূসা-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। দেখুন (৩৭৪)।

(২) এটি 'সাদ' পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) 'সাদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...।

(৪) এটি 'সাদ' পাণ্ডুলিপিতে নেই।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٥)
غيرُه، قَالوا: فرجَعَ رَجلٌ مِنهم فانتَهى(1) إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فقالَ: إنَّ أصْحابي نَسُوا يسألونَكَ عن شرابٍ لهم ببلادِهم لا يصلُحُ لهم غيرُه، وإنَّ أرضَنا أرضٌ باردةٌ، وإنَّ أرضَنا أرضٌ مَحَمَّةٌ(2)، وإنَّا قومٌ نحرثُ فلا نَقوى على أعمالِنا إلا به، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أيُسكِرُ؟» قالَ(3): نَعم قالَ: «كُلُّ مُسكِرٍ حرامٌ».

قالَ: فاكتَفى الرَّجلُ بما قالَ، قالَ(4): فرَجعَ فأخبرَهم بما قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقالوا: إنَّا لا نَراكَ أخبَرتَ رسولَ اللهِ بما يدخلُ عَلينا مِن المرفقِ. قالَ: فرجَعوا بأجمَعِهم حتى انتَهَوا إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقالوا: يا رسولَ اللهِ، إنَّا نَسينا أَن نسألَكَ عن شرابٍ لنا ببلادِنا لا يَصلُحُ لنا غيرُه، وإنَّ أرضَنا أرضٌ باردةٌ، وإنَّ أرضَنا أرضٌ مَحَمَّةٌ قالَ: «ما هو؟» قَالوا: المِزْرُ، قالَ: «أيُسكِرُ؟» قَالوا: نَعم، قالَ: «كُلُّ مُسكِرٍ حرامٌ، إنَّ على اللهِ حتماً أن لا يَشربَها أحدٌ في الدُّنيا إلا سقاهُ اللهُ عز وجل يومَ القيامةِ مِن طينةِ الخَبالِ، وهل تَدري ما طينةُ الخَبالِ؟ قالَ: عَرقُ أهلِ النارِ»(5).

 

384 - (19) حدثنا عليُّ بنُ شعيبٍ قالَ: حدثنا أبو النَّضرِ قالَ: حدثنا

--------------------------------------------

(1) في (ص): انتهى.

(2) بفتحات، وبضم الميم وكسر الحاء: ذات حمى أو كثيرتها. انظر «القاموس المحيط» (ص 1097).

(3) في (ص): قالوا. وفي هامشها كما في الأصل: قال.

(4) ليست في (ص).

(5) أخرجه قاضي المارستان في «مشيخته» (359) من طريق المصنف.

وعبد الملك بن قدامة ضعيف، وقال العقيلى: عنده عن عبد الله بن دينار مناكير.

وقد جاء مختصراً من حديث جابر، أخرجه مسلم (2002).

ثم أخرج (2003) من طريق نافع، عن ابن عمر مرفوعاً: «كل مسكر خمر، وكل مسكر حرام».
অন্য কোনো পানীয় তাদের জন্য উপযোগী ছিল না। বর্ণনাকারী বলেন: তখন তাদের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি ফিরে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে পৌঁছালেন(১) এবং বললেন: আমার সাথীরা তাদের এলাকার একটি পানীয় সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছে যা ছাড়া তাদের চলে না। আমাদের ভূমি অত্যন্ত শীতল এবং আমাদের ভূমি জ্বরের প্রকোপপূর্ণ(২)। আমরা কৃষিজীবী জাতি, তাই এটি ছাড়া আমরা আমাদের কাজে শক্তি পাই না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এটি কি নেশা সৃষ্টি করে?» তিনি বললেন(৩): হ্যাঁ। তিনি বললেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম»।

বর্ণনাকারী বলেন: তখন লোকটি যা বলা হয়েছে তাতেই সন্তুষ্ট হলেন। তিনি বলেন(৪): এরপর তিনি ফিরে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তা তাদের জানালেন। তারা বললেন: আমাদের মনে হচ্ছে আপনি রাসূলুল্লাহকে আমাদের প্রয়োজনের গুরুত্ব সম্পর্কে পূর্ণরূপে অবহিত করেননি। বর্ণনাকারী বলেন: তখন তারা সকলে ফিরে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট পৌঁছালেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা আমাদের এলাকার একটি পানীয় সম্পর্কে আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছিলাম যা ছাড়া আমাদের চলে না। আমাদের ভূমি অত্যন্ত শীতল এবং আমাদের ভূমি জ্বরের প্রকোপপূর্ণ। তিনি বললেন: «সেটি কী?» তারা বললেন: মিজর (শস্যজাত মদ)। তিনি বললেন: «এটি কি নেশা সৃষ্টি করে?» তারা বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্য হারাম। আল্লাহর ওপর এটি অবধারিত যে, দুনিয়াতে যে ব্যক্তি এটি পান করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাকে 'তিনাতুল খাবাল' পান করাবেন। আর আপনি কি জানেন 'তিনাতুল খাবাল' কী? তিনি বললেন: জাহান্নামীদের শরীরের ঘাম বা পুঁজ»(৫)।

 

৩৮৪ - (১৯) আলী ইবনে শুআইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) (সদ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: পৌঁছালেন।

(২) মীম বর্ণে যবর এবং হা বর্ণে যবর দিয়ে, অথবা মীম বর্ণে পেশ এবং হা বর্ণে যের দিয়ে: জ্বরতপ্ত বা অধিক জ্বরযুক্ত স্থান। দেখুন: 'আল-কামুস আল-মুহিত' (পৃষ্ঠা ১০৯৭)।

(৩) (সদ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: তারা বললেন। আর এর টীকাতে মূল কিতাবের মতোই রয়েছে: তিনি বললেন।

(৪) এটি (সদ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৫) কাজী আল-মারিস্তান এটি তাঁর 'মাশয়াখাহ' (৩৫৯) গ্রন্থে সংকলকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আবদুল মালিক ইবনে কুদামা দুর্বল বর্ণনাকারী। আল-উকাইলি বলেছেন: তাঁর নিকট আবদুল্লাহ ইবনে দীনারের সূত্রে বর্ণিত কিছু মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) বর্ণনা রয়েছে।

জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস থেকে এটি সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে, যা ইমাম মুসলিম (২০০২) বের করেছেন।

অতঃপর তিনি (২০০৩) নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন: «প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই খামর (মদ), আর প্রত্যেক নেশাজাতীয় দ্রব্যই হারাম»।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٦)
وَرقاءُ، عن عبدِ اللهِ بنِ دينارٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

رأيتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُشيرُ إلى المَشرقِ(1) ويقولُ: «ها إنَّ الفتنةَ هاهُنا، إنَّ الفتنةَ هاهُنا(2) مِن حيثُ يَطلعُ قَرنُ الشَّيطانِ»(3).

 

385 - (20) قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عثمانَ بنِ كَرامةَ قالَ: حدثنا خالدٌ قالَ: حدثنا(4) سليمانُ قالَ: حدثني عبدُ اللهِ بنُ دينارٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

نَهى رسولُ اللهِ(5) صلى الله عليه وسلم عن بيعِ الوَلاءِ، وعن هبَتِه(6).

 

386 - (21) وبه(7) عن ابنِ عمرَ قالَ:

قال النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «لا تَبيعوا الثَّمرَ حتى يَبدوَ صلاحُهُ»(8).

 

387 - (22) وبه قالَ: قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَن ابتاعَ طعاماً فلا يبعْهُ حتى يقبِضَه»(9).

--------------------------------------------

(1) في (ص): الشرق.

(2) في (ص): هنا.

(3) أخرجه البخاري (3279) (5296) من طريق عبد الله بن دينار به.

وأخرجه البخاري (3104) (3511) (7092) (7093)، ومسلم (2905) من طريق سالم ونافع، عن ابن عمر بألفاظ متقاربة.

(4) في (ص): حدثني، وفي هامشها كما في الأصل: حدثنا.

(5) في (ص): النبي.

(6) أخرجه البخاري (2535) (6756)، ومسلم (1506) من طريق عبد الله بن دينار به.

(7) في (ص): حدثنا الحسين: حدثنا محمد بن عثمان بن كرامة: حدثنا خالد: حدثنا سليمان: حدثني عبد الله بن دينار، عن ابن عمر قال: قال رسول الله .. .

(8) أخرجه البخاري (1486) وأطرافه، ومسلم (1534) من طريق عبد الله بن دينار وغيره، عن ابن عمر به.

(9) أخرجه البخاري (2124) وأطرافه، ومسلم (1526) من طريق عبد الله بن دينار ونافع، عن ابن عمر به.
ওয়ারকা, আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পূর্ব দিকে(১) ইঙ্গিত করে বলতে দেখেছি: «জেনে রেখো, ফিতনা এখানে, নিশ্চয়ই ফিতনা এখানে(২), যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়।»(৩).

 

৩৮৫ - (২০) তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে কারামাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট(৪) সুলায়মান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল(৫) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'ওয়ালা' (মুক্ত দাসের উত্তরাধিকার স্বত্ব) বিক্রয় এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।(৬).

 

৩৮৬ - (২১) এবং এই একই সূত্রে(৭) ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ফল পরিপক্ক হওয়ার চিহ্ন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তা বিক্রয় করো না।»(৮).

 

৩৮৭ - (২২) এবং এই একই সূত্রে তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করবে, সে যেন তা হস্তগত করার আগে বিক্রয় না করে।»(৯).

--------------------------------------------

(১) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আশ-শারক।

(২) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: হুনা।

(৩) ইমাম বুখারী (৩২৭৯) (৫২৯৬) আব্দুল্লাহ ইবনে দীনারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম বুখারী (৩১০৪) (৩৫১১) (৭০৯২) (৭০৯৩), ও ইমাম মুসলিম (২৯০৫) সালেম ও নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে কাছাকাছি শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৪) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'হাদ্দাসানি' (আমার নিকট বর্ণনা করেছেন), এবং এর পার্শ্বটীকা বা মূল কপির মতো রয়েছে: 'হাদ্দাসানা' (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন)।

(৫) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আন-নাবী (নবী)।

(৬) ইমাম বুখারী (২৫৩৫) (৬৭৫৬), ও ইমাম মুসলিম (১৫০৬) আব্দুল্লাহ ইবনে দীনারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৭) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: হুসাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে কারামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন...।

(৮) ইমাম বুখারী (১৪৮৬) ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহ এবং ইমাম মুসলিম (১৫৩৪) আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার ও অন্যান্যদের সূত্রে ইবনে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৯) ইমাম বুখারী (২১২৪) ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহ এবং ইমাম মুসলিম (১৫২৬) আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার ও নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٧)
388 - (23) وبه عن ابنِ عمرَ قالَ: أتَى النبيَّ صلى الله عليه وسلم يَهوديٌّ ويَهوديةٌ(1) قَد أحدَثا جميعاً، فقالَ لهم: «ما تَجدونَ في كِتابِكم؟» فذكَرَ الرَّجمَ(2).

 

389 - (24) وبه عن ابنِ عمرَ قالَ: كانَ رَجلٌ يُخدَعُ في البيوعِ، فقالَ له النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَن بايَعْتَ فقُلْ لا خِلابَةَ» فكانَ إذا بايَعَ يقولُ لا خِلابَةَ(3).

 

390 - (25) وبه عن ابنِ عمرَ: قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ بيعَينِ لا بيعَ بينَهما إلا أَن يفتَرِقا(4) إلا بيعَ الخِيارِ»(5).

 

391 - (26) وبه قالَ: قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «اليدُ العُليا خيرٌ مِن اليدِ(6) السُّفلى»(7).

--------------------------------------------

(1) في هامش الأصل إشارة إلى نسخة أخرى: «أتي النبي صلى الله عليه وسلم بيهودي ويهودية». وكذلك هي في (ص).

(2) أخرجه الخطيب (5/ 426) من طريق المصنف به.

وأخرجه البخاري (6819) عن محمد بن عثمان بن كرامة به مطولاً.

وأخرجه البخاري (1329) وأطرافه، ومسلم (1699) من طريق نافع، عن ابن عمر به مطولاً ومختصراً.

(3) أخرجه البخاري (2117) وأطرافه، ومسلم (1533) من طريق عبد الله بن دينار به. ويأتي (425).

(4) هي في (ص) أقرب إلى: يتفرقا.

(5) أخرجه البخاري (2107) وأطرافه، ومسلم (1531) من طريق عبد الله بن دينار ونافع، عن ابن عمر به.

(6) ليست في (ص).

(7) أخرجه القضاعي في «مسند الشهاب» (1230) (1260) من طريق المصنف به.

وأخرجه ابن حبان (3361) من طريق عبد الله بن دينار به.

وهو عند البخاري (1429)، ومسلم (1033) من طريق نافع، عن ابن عمر به.
৩৮৮ - (২৩) এবং তাঁর সূত্রেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক ইহুদি পুরুষ ও এক ইহুদি নারী আসল যারা উভয়েই ব্যভিচার করেছিল। তিনি তাদের বললেন: «তোমরা তোমাদের কিতাবে কী পাও?» অতঃপর তিনি পাথর ছুড়ে হত্যার (রজম) কথা উল্লেখ করলেন।

 

৩৮৯ - (২৪) এবং তাঁর সূত্রেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি কেনাবেচায় প্রতারিত হতো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «তুমি যার সাথে সওদা করবে তাকে বলবে, কোনো প্রতারণা চলবে না (লা খিলাবাহ)»। ফলে সে যখনই সওদা করত, বলত: কোনো প্রতারণা নেই।

 

৩৯০ - (২৫) এবং তাঁর সূত্রেই ইবনে উমর থেকে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষের মাঝে ততক্ষণ পর্যন্ত কেনাবেচা সম্পন্ন হবে না যতক্ষণ না তারা একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হবে, তবে ইখতিয়ারের (চুক্তি বহাল রাখার বা বাতিলের অধিকার সম্বলিত) কেনাবেচা ব্যতীত»।

 

৩৯১ - (২৬) এবং তাঁর সূত্রেই বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «উঁচু হাত নিচু হাতের চেয়ে উত্তম»।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় অন্য একটি পাঠের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এক ইহুদি ও এক ইহুদি নারীকে আনা হলো»। (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতেও এটি এভাবেই আছে।

(২) এটি আল-খতিব (৫/ ৪২৬) গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং বুখারি (৬৮১৯) মুহাম্মদ বিন উসমান বিন কারামাহ-এর সূত্রে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

এবং বুখারি (১৩২৯) ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহ এবং মুসলিম (১৬৯৯) নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে বিস্তারিত ও সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৩) এটি বুখারি (২১১৭) ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহ এবং মুসলিম (১৫৩৩) আব্দুল্লাহ বিন দিনারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি সামনে (৪২৫) নং-এ আসবে।

(৪) (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে এটি ‘ইয়াতাফাররাকা’ শব্দের কাছাকাছি।

(৫) এটি বুখারি (২১০৭) ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহ এবং মুসলিম (১৫৩১) আব্দুল্লাহ বিন দিনার ও নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৬) এটি (সোয়াদ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৭) এটি আল-কুদায়ী ‘মুসনাদুশ শিহাব’ (১২৩০) (১২৬০) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে হিব্বান (৩৩৬১) আব্দুল্লাহ বিন দিনারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এটি বুখারি (১৪২৯) এবং মুসলিম (১০৩৩) নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٨)
392 - (27) قالَ: أخبرنا أبو موسى محمدُ بنُ المُثنى قالَ: حدثنا عُبيدُ اللهِ(1) الحَنفيُّ قالَ: أخبرنا(2) حسامُ بنُ المِصَكِّ قالَ: حدثنا عطاءٌ، عن ابنِ عمرَ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كانَ في مَسيرٍ له، فحضَرَت الصلاةُ فنزَلَ القومُ فطَلبوا بلالاً ليؤذِّنَ فلم يجدوهُ، فأذَّنَ رَجلٌ / مِن القومِ، فجاءَ بلالٌ بعدَ ذلكَ فأرادَ أَن يؤذِّنَ فقيلَ له: إنَّ الرَّجلَ قَد أذَّنَ، فلبِثوا هَوياً، ثم أرادَ أَن يُقيمَ، فقالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَهلاً يا بلالُ، إنَّما يُقيمُ مَن أذَّنَ»(3).

 

393 - (28) أخبرنا(4) أبو موسى قالَ: حدثنا عُبيدُ اللهِ الحَنفيُّ قالَ: حدثنا حسامُ بنُ المِصَكِّ قالَ: حدثنا عطاءٌ، عن ابنِ عمرَ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كان لا يَتعارَّ مِن الليلِ ساعةً إلا أجْرى السِّواكَ على فِيه(5).

--------------------------------------------

(1) من (ص)، وتحرف في الأصل إلى: عبد الله.

(2) في (ص): حدثنا.

(3) حسام بن مصك قال في «التقريب»: ضعيف يكاد أن يترك. ومن طريقه أخرجه ابن عدي (5814) مختصراً.

وتابعه سعيد بن راشد عند عبد بن حميد (809)، والطبراني (13590)، وابن عدي (8452)، والعقيلي (2079)، والبيهقي (1/ 399) وقال: تفرد به سعيد بن راشد وهو ضعيف. وفي «العلل» لابن أبي حاتم (336): قال أبي: هذا حديث منكر، وسعيد ضعيف الحديث. وقال مرةً: متروك الحديث.

(4) في (ص): حدثنا.

(5) أخرجه أبو يعلى (5661)، والطبراني (13598)، وابن عدي (5813) من طريق أبي على الحنفي عبيد الله بن عبد المجيد به.

وأخرجه الطبراني (13593)، والطرسوسي في «مسند عبد الله بن عمر» (23) من طريق سعيد بن راشد، عن عطاء بن أبي رباح به.

وتقدم حال هذين الإسنادين.

وأخرجه أحمد (2/ 117) من وجه آخر عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لا ينام إلا والسواك عنده، فإذا استيقظ بدأ بالسواك. قال الألباني في «الصحيحة» (2111): وهذا إسناد حسن.
৩৯২ - (২৭) তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসা মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ(১) আল-হানাফী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন(২) হুসাম ইবনুল মিসাক, তিনি বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক সফরে ছিলেন, এমতাবস্থায় সালাতের সময় উপস্থিত হলো। তখন কাফেলার লোকেরা অবতরণ করল এবং আজান দেওয়ার জন্য বিলালকে খুঁজলো, কিন্তু তারা তাঁকে পেল না। তখন কাফেলার এক ব্যক্তি আজান দিল। এরপর বিলাল আসলেন এবং আজান দিতে চাইলেন, তখন তাঁকে বলা হলো: এক ব্যক্তি আজান দিয়ে দিয়েছে। ফলে তাঁরা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন। এরপর যখন তিনি ইকামাত দিতে চাইলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «হে বিলাল, থামো; নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি আজান দিয়েছে সে-ই ইকামাত দিবে»(৩)।

 

৩৯৩ - (২৮) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন(৪) আবু মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ আল-হানাফী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাম ইবনুল মিসাক, তিনি বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে যখনই ঘুম থেকে জাগতেন, তখনই তাঁর মুখে মিসওয়াক করতেন(৫)।

--------------------------------------------

(১) 'সাদ' পাণ্ডুলিপি থেকে; মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে 'আবদুল্লাহ' হয়ে গেছে।

(২) 'সাদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন'।

(৩) হুসাম ইবনুল মিসাক সম্পর্কে 'আত-তাকরিব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: তিনি দুর্বল, প্রায় পরিত্যাজ্য। তাঁর সূত্র থেকে ইবনে আদি (৫৮১৪) সংক্ষেপে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং সাঈদ বিন রাশিদ তাঁর অনুসরণ করেছেন যা আবদ বিন হুমাইদ (৮০৯), তাবারানি (১৩৫৯০), ইবনে আদি (৮৪৫২), উকাইলি (২০৭৯), এবং বাইহাকি (১/৩৯৯)-এর নিকট রয়েছে। বাইহাকি বলেছেন: সাঈদ বিন রাশিদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি দুর্বল। ইবনে আবি হাতিমের 'আল-ইলাল' (৩৩৬) গ্রন্থে রয়েছে: আমার পিতা বলেছেন: এটি একটি মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস এবং সাঈদ হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। তিনি আরও একবার বলেছেন: তিনি মাতরুকুল হাদিস (হাদিস বর্জনীয়)।

(৪) 'সাদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন'।

(৫) এটি বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা (৫৬৬১), তাবারানি (১৩৫৯৮), এবং ইবনে আদি (৫৮১৩) আবু আলী আল-হানাফী উবাইদুল্লাহ বিন আবদুল মাজিদের সূত্রে।

এবং তাবারানি (১৩৫৯৩) ও তারসুসি 'মুসনাদ আবদুল্লাহ বিন উমর' (২৩) গ্রন্থে সাঈদ বিন রাশিদ থেকে, তিনি আতা বিন আবি রাবাহ থেকে - এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এই দুটি সনদের অবস্থা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।

আহমদ (২/১১৭) ইবনে উমর থেকে অন্য সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিসওয়াক তাঁর কাছে রাখা ছাড়া ঘুমাতেন না, আর যখনই জাগ্রত হতেন মিসওয়াক দিয়ে শুরু করতেন। আলবানী 'আস-সহীহাহ' (২১১১) গ্রন্থে বলেছেন: এই সনদটি হাসান।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥٩)
394 - (29) قالَ: حدثنا العباسُ بنُ يزيدَ البَحْرانيُّ قالَ: حدثنا سفيانُ يَعني ابنَ عُيينةَ، عن ابنِ أبي نَجيحٍ، عن مجاهدٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «تَدرونَ ما الشَّجرةُ الطيبةُ؟» فأَردتُّ أَن أقولَ هي النَّخلةُ، فنَظرتُ فإذا أنا أصغرُ القومِ فسَكتُّ، فقالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «هي النَّخلةُ»(1).

 

395 - (30) قالَ: أخبرنا محمدُ بنُ عبدِ الرحيمِ صاعقةٌ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ بُكيرٍ(2) قالَ: حدثنا أبو مُحَيَّاةَ، عن ليثٍ، عن مجاهدٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أقِلُّوا التَّعرِّي، فإنَّ مَعكم مَن لا يُفارقُكم إلا عندَ الغائطِ أو إتيانِ(3) الرَّجلِ أهلَه، فأكرِموهم واستَحيُوهم(4)».

--------------------------------------------

(1) أخرجه الذهبي في «السير» (18/ 502)، و «التذكرة» (3/ 255) من طريق المصنف به.

وأخرجه البخاري (61) وأطرافه، ومسلم (2811) من طريق مجاهد وغيره، عن ابن عمر بألفاظ متقاربة.

(2) الحضرمي، له رواية عن أبي المحياة. والمثبت من (ص) وهامش الأصل إشارة إلى نسخة أخرى. وفي الأصل وهامش (ص): بكر.

(3) في (ص): «وإتيان». وهو أشبه.

(4) في الهامش إشارة إلى نسخة أخرى: واستحيوا منهم.

والحديث في إسناده محمد بن بكير الحضرمي قال أبو حاتم: صدوق عندي يغلط أحياناً.

قلتُ: ولعل هذا الإسناد من أخطائه، حيث سار فيه على الجادة وجعله من رواية ليث بن أبي سليم عن مجاهد. وقد أخرجه الترمذي (2800) من طريق الأسود بن عامر -وهو ثقة-، عن أبي محياة، عن ليث، عن نافع، عن ابن عمر. وقال الترمذي: غريب. وقال الألباني في «الإرواء» (64): ضعيف .. وعلته ليث هذا وهو ابن أبي سليم .. .
৩৯৪ - (২৯) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন ইয়াযীদ আল-বাহরানী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান অর্থাৎ ইবনে উয়ায়নাহ, তিনি ইবনে আবি নাজীহ হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা কি জানো উত্তম গাছ কোনটি?» আমি বলতে চেয়েছিলাম যে এটি হলো খেজুর গাছ, কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে আমি উপস্থিত লোকদের মধ্যে বয়সে সবচেয়ে ছোট, তাই আমি চুপ থাকলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «এটি হলো খেজুর গাছ»(১)।

 

৩৯৫ - (৩০) তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহীম সা'ইকাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন বুকাইর(২), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহায়্যাহ, তিনি লাইস হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা নগ্ন হওয়া থেকে বিরত থাকো (বা নগ্নতা কমাও), কারণ তোমাদের সাথে এমন সত্ত্বা রয়েছেন যারা মলত্যাগ বা স্ত্রীর সাথে মিলনের(৩) সময় ছাড়া কখনও তোমাদের ছেড়ে আলাদা হন না। সুতরাং তোমরা তাঁদের সম্মান করো এবং তাঁদের নিকট হতে লজ্জা করো(৪)»।

--------------------------------------------

(১) যাহাবী এটি «আস-সিয়ার» (১৮/ ৫০২) এবং «আত-তাযকিরা» (৩/ ২৫৫) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে উদ্ধৃত করেছেন।

আর বুখারী (৬১) এবং এর অন্যান্য স্থানে এবং মুসলিম (২৮১১) মুজাহিদ ও অন্যান্যদের সূত্রে ইবনে উমর হতে সমার্থক শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) আল-হাদরামি, আবু মুহায়্যাহ থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে। (ص) পাণ্ডুলিপি এবং মূল কপির টীকা হতে সাব্যস্ত করা হয়েছে যে এটি অন্য পাণ্ডুলিপির প্রতি ইঙ্গিত। মূল কপি এবং (ص) এর টীকায় রয়েছে: বকর।

(৩) (ص) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «এবং আসা»। এটিই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।

(৪) টীকায় অন্য পাণ্ডুলিপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে: তাঁদের থেকে লজ্জা করো।

হাদিসটির সনদে মুহাম্মাদ বিন বুকাইর আল-হাদরামি রয়েছেন, আবু হাতিম বলেন: আমার নিকট তিনি সত্যবাদী, তবে মাঝে মাঝে ভুল করেন।

আমি বলি: সম্ভবত এই সনদটি তাঁর ভুলগুলোর একটি, যেখানে তিনি প্রসিদ্ধ পথ অনুসরণ করেছেন এবং একে লাইস বিন আবি সুলাইম হতে মুজাহিদ সূত্রে ইবনে উমর থেকে করেছেন। তিরমিযী (২৮০০) আসওয়াদ বিন আমির -যিনি নির্ভরযোগ্য- তাঁর সূত্রে আবু মুহায়্যাহ হতে, লাইস হতে, নাফে' হতে, ইবনে উমর হতে এটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেন: গরীব। আলবানী «আল-ইরওয়া» (৬৪) গ্রন্থে বলেন: যয়ীফ (দুর্বল)... এর ত্রুটি হলো এই লাইস, যিনি হলেন ইবনে আবি সুলাইম...।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٦٠)
396 - (31) قالَ: حدثنا زيدُ بنُ أخزمَ قالَ: أخبرنا أبو داودَ قالَ: حدثنا قيسٌ، عن منصورٍ، عن مجاهدٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

اعتَمرَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم أربعَ عُمراتٍ(1) إِحداها في رجبٍ، فسمِعْنا حركةَ عائشةَ في الحُجرةِ، فقالَ لها عُروةُ: هذا ابنُ عمرَ يَزعمُ أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم اعتَمرَ أربعَ عُمرٍ إِحداها في رجبٍ، فقالتْ: يَرحمُ اللهُ أبا عبدِ الرحمنِ، ما اعتَمرَ مِن عُمرةٍ إلا وهو مَعه، وما اعتَمرَ في رجبٍ(2).

 

397 - (32) قالَ: حدثنا أبو عليٍّ الحسنُ بنُ عبدِ العزيزِ الجَرويُّ قالَ: حدثنا أبو حفصٍ(3) وبشرُ بنُ بكرٍ قالا(4): حدثنا سعيدُ بنُ عبدِ العزيزِ، عن زيدِ بنِ أسلمَ،

أنَّ رَجلاً جاءَ إلى ابنِ عمرَ فقالَ: بما أهلَّ(5) رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ قالَ: بالحجِّ، فانصرَفَ ثم جاءَ مِن العامِ المُقبلِ، فقالَ: بما أهلَّ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ فقالَ(6): ألمْ تأتِني عامَ أوَّلَ؟ قالَ: بَلى ولكنْ أنسٌ زعمَ أنَّه قرَنَ، فقالَ

--------------------------------------------

(1) في (ص): عمر. وفي هامشها كما في الأصل: عمرات.

(2) أخرجه البخاري (1775) (1776) (4253) (4254)، ومسلم (1255) من طريق منصور به.

(3) هو عمرو بن أبي سلمة الدمشقي، ومن طريقه روى الحديثَ الطبراني. وفي هامش (ص): أبو جعفر.

(4) من (ص)، وفي الأصل: قال.

(5) في (ص): بم أهل. وفي هامشها كما في الأصل: بما أهل.

(6) في (ص): قال.
৩৯৬ - (৩১) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ বিন আখযাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাইস, মানসুর হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি উমরাহ করেছেন(১) যার একটি ছিল রজব মাসে। অতঃপর আমরা কামরার ভেতর আয়েশার নড়াচড়া শুনতে পেলাম। তখন উরওয়াহ তাকে বললেন: এই যে ইবনে উমর, তিনি দাবি করছেন যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারটি উমরাহ করেছেন যার একটি রজব মাসে। তখন তিনি (আয়েশা) বললেন: আল্লাহ আবু আব্দুর রহমানের ওপর রহম করুন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে উমরাহ-ই করেছেন তিনি (ইবনে উমর) তাঁর সাথেই ছিলেন, অথচ তিনি (নবী) রজব মাসে কখনো উমরাহ করেননি।(২)

 

৩৯৭ - (৩২) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী হাসান বিন আব্দুল আজিজ আল-জারওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাফস(৩) এবং বিশর বিন বকর, তাঁরা বলেন(৪): আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুল আজিজ, যাইদ বিন আসলাম হতে,

জনৈক ব্যক্তি ইবনে উমরের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিসের ইহরাম বেঁধেছিলেন?(৫) তিনি বললেন: হজের। অতঃপর লোকটি চলে গেল এবং পরবর্তী বছর পুনরায় এল। সে জিজ্ঞাসা করল: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিসের ইহরাম বেঁধেছিলেন? তিনি বললেন(৬): তুমি কি প্রথম বছর (গত বছর) আমার কাছে আসোনি? সে বলল: হ্যাঁ, কিন্তু আনাস দাবি করেছেন যে তিনি ক্বিরান (হজ ও উমরাহ একত্রে) করেছিলেন। তখন তিনি বললেন—

--------------------------------------------

(১) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: উমর। আর এর পার্শ্বটীকায় মূল পাণ্ডুলিপির ন্যায় রয়েছে: উমরাত।

(২) বুখারি (১৭৭৫) (১৭৭৬) (৪২৫৩) (৪২৫৪), এবং মুসলিম (১২৫৫) মানসুরের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৩) তিনি হলেন আমর বিন আবি সালামাহ আদ-দিমাশকি, এবং তাঁর সূত্রেই তাবারানি হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। আর 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকায় রয়েছে: আবু জাফর।

(৪) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপি হতে; মূল কপিতে রয়েছে: 'তিনি বলেন'।

(৫) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে সংক্ষিপ্ত রূপে রয়েছে। আর এর পার্শ্বটীকায় মূল পাণ্ডুলিপির ন্যায় পূর্ণরূপে রয়েছে।

(৬) 'সোয়াদ' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: তিনি বলেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٦١)
ابنُ عمرَ: إنَّ أنساً كان يَتوَلَّجُ على النِّساءِ مُكَشَّفاتِ الرُّؤوسِ، وإنِّي كُنتُ تحتَ ناقةِ رسولِ اللهِ يمسُّني لُعابُها أسمَعُه يلبِّي بالحجِّ(1).

 

398 - (33) قالَ: حدثنا عليُّ بنُ مسلمٍ قالَ: حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ زيدِ بنِ أسلمَ، عن أبيه، عن ابنِ عمرَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أُحِلَّت لنا مَيْتَتانِ ودَمَانِ، فأمَّا المَيْتَتان فالحوتُ والجَرادُ، وأمَّا الدَّمَانِ فالكَبدُ والطُّحالُ»(2).

 

399 - (34) قالَ: حدثنا الفضلُ بنُ سهلٍ قالَ: حدثنا حجاجُ بنُ محمدٍ قالَ: حدثني شعبةُ وسمعتُه أيضاً يُحدِّث عن عَمرو بنِ مرةَ قالَ: سمعتُ سعيدَ بنَ / جُبيرٍ يقولُ: سألتُ ابنَ عمرَ عن بيعِ الخمرِ، فقالَ: وَمَا بلغَكَ حديثُ شُربِها وبيعِها؟ أو قالَ: ثَمنِها.

 

400 - (35) قالَ: حدثنا الفضلُ بنُ سهلٍ: حدثنا حجاجٌ قالَ: قالَ شعبةُ: وحدثني حمادٌ، عن سعيدِ بنِ جُبيرٍ، عن ابنِ عمرَ، فقالَ أحدُهما: بَيعها، وقالَ الآخَرُ: ثَمنها(3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه الطبراني في «مسند الشاميين» (274)، والبيهقي (1/ 255، 5/ 9)، وابن الأعرابي في «معجمه» (959)، وأبو بكر الزبيري في «فوائده» (27)، وابن جميع الصيداوي في «معجمه» (ص 268)، وقاضي المارستان في «مشيخته» (534)، وابن عساكر في «تاريخه» (6/ 10، 16/ 447) من طريق سعيد بن عبد العزيز به.

وانظر رواية بكر المزني عن أنس عند مسلم (1232).

(2) أخرجه ابن ماجه (3218) (3314)، وأحمد 2/ 97 (5723) من طريق عبد الرحمن بن زيد بن أسلم به.

وانظر تمام تخريجه وبيان طرقه والخلاف في رفعه ووقفه في تخريج «المسند»، و «علل الدارقطني» (3038)، و «الصحيحة» (1118).

(3) أخرج أبو يوسف في «الآثار» (1008) من طريق أبي حنيفة، عن حماد، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر في الخمر مثل حديث محمد بن قيس، غير أنه لم يقل: وسأله أبو كثير.

وكان قد أخرج قبله (1007) من طريق أبي حنيفة، عن محمد بن قيس قال: سمعت ابن عمر وسأله أبو كثير عن بيع الخمر، فقال: قاتل الله اليهود، حرمت عليهم الشحوم فحرموا أكلها، واستحلوا بيعها وأكل ثمنها، وإن الله حرم الخمر، فحرام بيعها وحرام أكل ثمنها.
ইবনে উমর বলেন: আনাস (রা.) নারীদের নিকট প্রবেশ করতেন এমতাবস্থায় যে তারা অনাবৃত মস্তক থাকত। আর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উটনীর নিচে ছিলাম, তার লালা আমাকে স্পর্শ করছিল, আমি তাঁকে হজের তালবিয়াহ পাঠ করতে শুনছিলাম।(১)

 

৩৯৮ - (৩৩) তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন মুসলিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন যায়েদ বিন আসলাম তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমাদের জন্য দুটি মৃত প্রাণী এবং দুটি রক্ত হালাল করা হয়েছে। মৃত প্রাণী দুটি হলো মাছ ও পঙ্গপাল, আর রক্ত দুটি হলো কলিজা ও প্লীহা»(২)।

 

৩৯৯ - (৩৪) তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-ফাদল বিন সাহল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন—এবং আমি তাকে আমর বিন মুররাহ থেকেও বর্ণনা করতে শুনেছি—তিনি বলেন: আমি সাঈদ বিন জুবায়েরকে বলতে শুনেছি: আমি ইবনে উমরকে মদ বিক্রি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তোমার কাছে কি তা পান করা এবং বিক্রি করা—অথবা তিনি বললেন: এর মূল্য—সম্পর্কিত হাদীস পৌঁছেনি?

 

৪০০ - (৩৫) তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-ফাদল বিন সাহল বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ বলেছেন: আমার নিকট হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে। তাদের একজন বলেছেন: এর বিক্রি, এবং অন্যজন বলেছেন: এর মূল্য(৩)।

--------------------------------------------

(১) তাবারানী ‘মুসনাদুশ শামিয়্যিন’ (২৭৪), বায়হাকী (১/২৫৫, ৫/৯), ইবনুল আরাবী তার ‘মু'জাম’ (৯৫৯), আবু বকর যুবাইরী তার ‘ফাওয়াইদ’ (২৭), ইবনু জামী’ আস-সাইদাবী তার ‘মু'জাম’ (পৃষ্ঠা ২৬৮), কাযী আল-মারিস্তান তার ‘মাশয়াহ’ (৫৩৪) এবং ইবনে আসাকির তার ‘তারিখ’ (৬/১০, ১৬/৪৪৭) গ্রন্থে সাঈদ বিন আব্দুল আযীযের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

মুসলিমের (১২৩২) নিকট আনাস থেকে বকর আল-মুযনীর বর্ণনাটি দেখুন।

(২) ইবনে মাজাহ (৩২১৮) (৩৩১৪), আহমাদ ২/৯৭ (৫৭২৩) আবদুর রহমান বিন যায়েদ বিন আসলামের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

‘মুসনাদ’-এর তাহকীক, ‘ইলালুদ দারাকুতনী’ (৩০৩৮) এবং ‘আস-সাহীহাহ’ (১১১৮)-এ এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ, বর্ণনাশৈলী এবং এর মারফু ও মাওকুফ হওয়ার মতভেদ দেখুন।

(৩) আবু ইউসুফ ‘আল-আসার’ (১০০৮) গ্রন্থে আবু হানীফার সূত্রে হাম্মাদ থেকে, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মদ সম্পর্কে মুহাম্মদ বিন কাইসের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি বলেননি: ‘আবু কাসীর তাকে জিজ্ঞাসা করেছেন’।

তিনি এর আগে (১০০৭) আবু হানীফার সূত্রে মুহাম্মদ বিন কাইস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি যখন আবু কাসীর তাকে মদ বিক্রি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তখন তিনি বললেন: আল্লাহ ইহুদীদের ধ্বংস করুন, তাদের জন্য চর্বি হারাম করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা খাওয়া হারাম মনে করলেও তার বিক্রি এবং তার মূল্য ভক্ষণ করা হালাল করে নিয়েছিল। আর আল্লাহ তা'আলা মদ হারাম করেছেন, সুতরাং এর বিক্রি এবং এর মূল্য ভক্ষণ করাও হারাম।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٦٢)
401 - (36) قالَ: وحدثنا أبو حاتمٍ محمدُ بنُ إدريسَ قالَ: حدثنا عبدُ المؤمن -يَعني ابنَ عليٍّ- قالَ: حدثنا عبدُ السلامِ، عن يزيدَ، عن سماكٍ، عن سعيدِ بنِ جُبيرٍ، عن عبدِ اللهِ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إذا اشتَريتَ الذهبَ بالفضةِ فلا تُفارِقْه وبينَكَ وبينَه لَبسٌ»(1).

 

402 - (37) قالَ: حدثنا الفضلُ بنُ سهلٍ قالَ: حدثنا يعقوبُ بنُ إبراهيمَ قالَ: حدثنا أبي، عن الوليدِ بنِ كثيرٍ، عن قَطَنِ بنِ وهبٍ، عن عُويمرِ بنِ الأجدعِ، عمَّن حدَّثَه عن سالمِ بنِ عبدِ اللهِ أنَّه سمعَه يقولُ: حدثني عبدُ اللهِ بنُ عمرَ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «ثلاثةٌ قَد حرَّمَ اللهُ عليهم الجَنةَ: مُدمنُ الخَمرِ،

--------------------------------------------

(1) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (4142) من طريق عبد المؤمن بن علي بهذا اللفظ.

وأخرجه أبو داود (3354) (3355)، والترمذي (1242)، والنسائي (4582) (4583) (4589)، وابن ماجه (2262)، وأحمد (2/ 33، 59، 83، 154، 89، 101، 139)، وابن حبان (4920)، والدارقطني (3/ 23 - 24)، والحاكم (2/ 44)، والبيهقي (5/ 284، 315) من طريق سماك بألفاظ متقاربة.

وقال الدارقطني في «علله» (3072): ولم يرفعه غير سماك، وسماك سيء الحفظ. وضعفه الألباني في «الإرواء» (1326).
৪০১ - (৩৬) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাতিম মুহাম্মাদ ইবন ইদরিস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মুমিন —অর্থাৎ ইবন আলী—, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সালাম, ইয়াজিদ থেকে, তিনি সিমাক থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবায়ের থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যখন তুমি রৌপ্যের বিনিময়ে স্বর্ণ ক্রয় করবে, তখন তোমরা একে অপরের থেকে পৃথক হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের উভয়ের মাঝে (লেনদেনের ব্যাপারে) কোনো অস্পষ্টতা বাকি থাকে»(১)।

 

৪০২ - (৩৭) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফদল ইবন সাহল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবন ইব্রাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, ওয়ালিদ ইবন কাসীর থেকে, তিনি ক্বাতান ইবন ওয়াহাব থেকে, তিনি উওয়াইমির ইবন আজদা’ থেকে, তিনি তাঁর নিকট থেকে যিনি তাঁকে বর্ণনা করেছেন, তিনি সালেম ইবন আব্দুল্লাহ থেকে যে, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন: আমার নিকট আব্দুল্লাহ ইবন ওমর বর্ণনা করেছেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তিন প্রকার ব্যক্তি এমন যাদের ওপর আল্লাহ জান্নাত হারাম করেছেন: মদে আসক্ত ব্যক্তি...»

--------------------------------------------

(১) তাবারানি এটি তাঁর «আল-আওসাত» (৪১৪২) গ্রন্থে আব্দুল মুমিন ইবন আলীর সূত্রে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু দাউদ (৩৩৫৪) (৩৩৫৫), তিরমিযী (১২৪২), নাসাঈ (৪৫৮২) (৪৫৮৩) (৪৫৮৯), ইবন মাজাহ (২২৬২), আহমাদ (২/ ৩৩, ৫৯, ৮৩, ১৫৪, ৮৯, ১০১, ১৩৯), ইবন হিব্বান (৪৯২০), দারা কুতনী (৩/ ২৩ - ২৪), হাকীম (২/ ৪৪), এবং বাইহাকী (৫/ ২৮৪, ৩১৫) সিমাকের সূত্রে কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন।

দারা কুতনী তাঁর «ইলাল» (৩০৭২) গ্রন্থে বলেছেন: সিমাক ব্যতীত আর কেউ একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেননি, আর সিমাক মন্দ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন। আলবানী একে «আল-ইরওয়া» (১৩২৬) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٦٣)
والعاقُّ، والدَّيُّوثُ، [والدَّيُّوثُ] الذي يُقِرُّ في أهلِهِ الخَبَثَ»(1).

 

403 - (38) قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ يحيى بنِ سعيدٍ قالَ: حدثنا عثمانُ بنُ عمرَ قالَ: حدثني مُثنى بنُ حبيبٍ العطارُ -وكانَ صدوقاً- قالَ: حدثنا القاسمُ بنُ محمدٍ وسالمُ بنُ عبدِ اللهِ، أنَّ عبدَ اللهِ بنَ عمرَ حدَّثَهما،

أنَّه كانَ عندَ المنبرِ ورسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم على المنبرِ، فجاءَ رَجلٌ مِن أهلِ الباديةِ فسألَه عن صلاةِ الليلِ، فقالَ: «مَثنى مَثنى، فإذا خَشيتَ أَن يَرْهَقَكَ أو يُدركَكَ الصبحُ فاركَعْ ركعةً تُوترُ لكَ ما مَضى»(2).

 

404 - (39) قالَ: حدثنا الحسينُ بنُ إسماعيلَ المَحامِليُّ قالَ: حدثنا حمدانُ بنُ عمرَ -[قالَ عبدُ الغنيِّ]: يَنبغي أَن يكونَ عن أبي(3) النَّضرِ- قالَ: حدثنا أبو عَقيلٍ الثَّقفيُّ، عن عمرَ(4) بنِ حمزةَ، عن سالمِ بنِ عبدِ اللهِ، عن أبيه قالَ:

--------------------------------------------

(1) أخرجه أحمد (2/ 69، 128) عن يعقوب بن إبراهيم به. وفي إسناده رجل لم يسم.

ويرويه عبد الله بن يسار، عن سالم بسياق آخر. أخرجه النسائي (2562)، وأحمد (2/ 134)، وابن حبان (7340)، والحاكم (4/ 146 - 147).

وقال الألباني في «الصحيحة» (674): وهذا إسناد جيد.

(2) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (758) (4110) من طريق المثنى العطار به.

وحديث سالم عن ابن عمر أخرجه البخاري (1137)، ومسلم (749) (146) (147) بنحوه.

وحديث القاسم عنه عند البخاري (993) بنحوه.

(3) سقطت من (ص).

(4) من (ص)، وتحرف في الإصل إلى: عثمان.
পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান এবং দাইয়ুস। [দাইয়ুস] সে ব্যক্তি যে তার পরিবারের মাঝে অশ্লীলতা বজায় থাকতে দেয়।»(১).

 

৪০৩ - (৩৮) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন উমর, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসান্না বিন হাবীব আল-আত্তার—এবং তিনি সত্যবাদী ছিলেন—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসেম বিন মুহাম্মাদ এবং সালেম বিন আব্দুল্লাহ, যে আব্দুল্লাহ বিন উমর তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন,

যে তিনি মিম্বারের নিকট ছিলেন এমতাবস্থায় যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারের উপর ছিলেন। তখন জনৈক মরুচারী ব্যক্তি এসে তাঁকে রাতের নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: «দুই দুই (রাকাত করে), অতঃপর যখন তুমি আশঙ্কা করবে যে তোমার নিকট সুবহে সাদেক চলে আসবে বা ভোর হয়ে যাবে, তখন এক রাকাত (বিতর) পড়ে নিবে, যা তোমার পূর্ববর্তী সালাতকে বিতর (বিজোড়) করে দিবে»(২).

 

৪০৪ - (৩৯) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামদান বিন উমর—[আব্দুল গানি বলেন]: এটি আবু নাদর থেকে হওয়া উচিত—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আকীল আস-সাকাফী, উমর বিন হামজা থেকে, তিনি সালেম বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন:

--------------------------------------------

(১) এটি বর্ণনা করেছেন আহমাদ (২/ ৬৯, ১২৮) ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম থেকে উক্ত সূত্রে। আর এর বর্ণনাসূত্রে এমন একজন ব্যক্তি রয়েছেন যার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

আব্দুল্লাহ বিন ইয়াসার এটি সালেম থেকে অন্য বর্ণনায় বর্ণনা করেছেন। এটি বর্ণনা করেছেন নাসাঈ (২৫৬২), আহমাদ (২/ ১৩৪), ইবনে হিব্বান (৭৩৪০) এবং হাকেম (৪/ ১৪৬-১৪৭)।

আলবানী ‘আস-সহীহাহ’ (৬৭৪) গ্রন্থে বলেছেন: এটি একটি উত্তম (জায়্যিদ) সনদ।

(২) এটি তাবারানী ‘আল-আওসাত’ (৭৫৮) (৪১১০) গ্রন্থে মুসান্না আল-আত্তার এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে উমর থেকে সালেমের বর্ণিত হাদিসটি বুখারী (১১৩৭) ও মুসলিম (৭৪৯) (১৪৬) (১৪৭) অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন।

আর তাঁর থেকে কাসেমের হাদিসটি বুখারী (৯৯৩) অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৩) পাণ্ডুলিপি (সাদ) থেকে বিলুপ্ত হয়েছে।

(৪) পাণ্ডুলিপি (সাদ) থেকে গৃহীত, এবং মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি ‘উসমান’ হিসেবে বিকৃত হয়ে ছিল।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু সারসাল - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٦٤)
إنِّي أذكُرُ قولَ الشاعرِ ورسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم على المنبرِ يَستَسقي فلا يَنزلُ حتى يَجيشَ كُلُّ مِيزابٍ:

 

وأبيضَ يُستَسقى الغَمامُ بوَجهِهِ … ثِمَالُ اليَتامى عِصمَةٌ للأرامِلِ

 

وهو قولُ أبي طالبٍ(1).

 

405 - (40) قالَ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ المُخَرِّميُّ قالَ: حدثنا يحيى بنُ آدمَ: حدثنا عبدُ السلامِ(2) بنُ حربٍ، عن عطاءِ بنِ السائبِ، عن سعيدِ بنِ جُبيرٍ، عن ابنِ عمرَ،

أنَّه سمِعَه يقولُ للحَجاجِ: أدخلْتَ السِّلاحَ حَرَمَ اللهِ ولم يكُنْ يدخلُ(3).

 

406 - (41) قالَ: حدثنا أبو السائبِ قالَ: حدثنا وكيعٌ قالَ: حدثنا سفيانُ، عن أبي اليَقظانِ، عن زاذانَ، عن ابنِ عمرَ:

قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «ثلاثةٌ يومَ القيامةِ على كُثبانِ المِسكِ يُغبَطونَ: رَجلٌ يُنادي في كُلِّ يومٍ وليلةٍ بخمسِ صَلواتٍ، وإمامٌ أمَّ قَوماً وهم به راضونَ، وعبدٌ أحسَنَ عِبادةَ ربِّه عز وجل وأدَّى حَقَّ مَواليهِ»(4).

--------------------------------------------

(1) علقه البخاري (1009) عن عمر بن حمزة.

ووصله ابن ماجه (1272)، وأحمد (2/ 93)، وابن أبي الدنيا في «المطر والرعد» (59)، والبيهقي (3/ 352) من طريق أبي النضر هاشم بن القاسم به.

وكان البخاري أخرجه (1008) من طريق عبد الله بن دينار قال: سمعت ابن عمر يتمثل بشعر أبي طالب .. .

(2) في الأصل: حدثنا [عقيل] عبد السلام .. . وعليها علامة التضبيب.

(3) أخرجه البخاري (966) من طريق سعيد بن جبير مطولاً.

(4) أخرجه الترمذي في «السنن» (1986) (2566)، وفي «العلل الكبير» (2/ 799، 852)، وأحمد (2/ 26)، والطبراني (13740) من طريق وكيع به.

وقال الترمذي في «السنن»: حسن غريب.

وتعقبه الألباني في «الضعيفة» (6812) بقوله: أما الحُسن فهو أبعد ما يكون عن راويه أبي اليقظان، وعن تضعيف شيخه البخاري إياه، وقوله في حديثه هذا: لا يصح، كما تقدم.
আমি কবির উক্তিটি স্মরণ করছি যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বরে অবস্থান করে বৃষ্টির প্রার্থনা করছিলেন, অতঃপর তিনি ততক্ষণ নামেননি যতক্ষণ না প্রতিটি নালা (বৃষ্টির পানিতে) উদ্বেলিত হয়ে উঠল:

 

তিনি এমন এক শ্বেতবর্ণের অধিকারী যার চেহারার অসিলায় মেঘের কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করা হয় … তিনি ইয়াতিমদের আশ্রয়স্থল এবং বিধবাদের রক্ষাকর্তা।

 

এটি আবু তালিবের উক্তি(১)।

 

৪০৫ - (৪০) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুখাররামী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আদম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সালাম(২) ইবনে হারব, আতা ইবনে সাইব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন,

তিনি তাকে হাজ্জাজকে বলতে শুনেছেন: তুমি আল্লাহর হারামে অস্ত্র প্রবেশ করিয়েছ অথচ তা (হারামে) প্রবেশ করানো হতো না(৩)।

 

৪০৬ - (৪১) তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, আবু ইয়াকজান থেকে, তিনি জাযান থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কিয়ামতের দিন তিন ব্যক্তি মিশকের স্তূপের উপর অবস্থান করবে যাদের অবস্থা দেখে ঈর্ষা করা হবে: এক ব্যক্তি যে প্রতিদিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের জন্য আজান দেয়, এমন ইমাম যে কোনো কওমের ইমামতি করে আর তারা তার প্রতি সন্তুষ্ট, এবং এমন গোলাম যে তার রব মহান ও পরাক্রমশালীর ইবাদত সুন্দরভাবে পালন করে এবং তার মনিবদের হক আদায় করে»(৪)।

--------------------------------------------

(১) বুখারি এটি মুয়াল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন (১০০৯), উমর ইবনে হামযাহ থেকে।

এবং এটি সংযুক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন ইবনে মাজাহ (১২৭২), আহমাদ (২/৯৩), ইবনে আবিদ দুনিয়া 'আল-মাতার ওয়াল-রাদ' (৫৯) গ্রন্থে এবং বাইহাকি (৩/৩৫২), আবু নাদর হাশিম ইবনে কাসিমের সূত্র ধরে।

আর বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন (১০০৮) আব্দুল্লাহ ইবনে দিনারের সূত্র ধরে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে আবু তালিবের কবিতা আবৃত্তি করতে শুনেছি...।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন [আকিল] আব্দুস সালাম... এবং এর উপর সংশোধনের চিহ্ন রয়েছে।

(৩) বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন (৯৬৬) সাঈদ ইবনে জুবায়েরের সূত্র ধরে বিস্তারিতভাবে।

(৪) তিরমিজি এটি 'সুনান' (১৯৮৬) (২৫৬৬) গ্রন্থে, 'আল-ইলাল আল-কাবির' (২/৭৯৯, ৮৫২) গ্রন্থে, আহমাদ (২/২৬) এবং তাবারানি (১৩৭৪০) ওয়াকির সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি 'সুনান' গ্রন্থে বলেছেন: এটি হাসান গরিব।

এবং আলবানি 'আদ-দাইফাহ' (৬৮১২) গ্রন্থে এর সমালোচনা করে বলেছেন: হাসান হওয়া তো অনেক দূরের কথা, কারণ এর বর্ণনাকারী আবু ইয়াকজানকে তার উস্তাদ বুখারি দুর্বল বলেছেন এবং এই হাদিস সম্পর্কে তিনি বলেছেন: এটি সহিহ নয়, যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।