(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن نجيد - ت جرار القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء ابن نجيد
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 41
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
জুযউ ইবনে নুজাইদ - তাহকিক: জাররার বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: জুযউ ইবনে নুজাইদ
[মুদ্রিত «তুরাদ আয-যাইনাবীর রচনাবলি، এবং অন্যান্য জুযউ»-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে]
মুহাক্কিক: নাবিল সাদ উদ্দিন জাররার
প্রকাশক: আরওয়াকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং، জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১
[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৩)
تَرجمةُ ابنِ نُجيدٍالشيخُ الإمامُ القدوةُ المُحدِثُ الرَّبانيُّ، شيخُ نَيسابورَ، أبو عَمرو إسماعيلُ بنُ نُجيدٍ ابنِ الحافظِ أحمدَ بنِ يوسفَ بنِ خالدٍ، السُّلميُّ النَّيسابوريُّ الصوفيُّ، كبيرُ الطائفةِ، ومُسندُ خُراسانَ.
مَولدُهُ في سَنةِ اثنتَينِ وسَبعينَ ومئتَينِ.
سمعَ: أبا مسلمٍ الكَجِّيَّ، وعبدَ اللهِ بنَ أحمدَ بنِ حنبلٍ، ومحمدَ بنَ أيوبَ البَجليَّ، ومحمدَ بنَ إبراهيمَ البُوشَنجيَّ، وإبراهيمَ بنَ أبي طالبٍ، وعليَّ بنَ الجُنيدِ الرَّازي، وجعفرَ بنَ أحمدَ بنِ نصرٍ، وجماعةً.
وله جزءٌ مِن أعلى ما سمعناهُ.
حدَّث عنه: سِبطُه أبو عبدِ الرحمنِ السُّلميُّ، وأبو عبدِ اللهِ الحاكمُ، وأبو نصرٍ أحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ الصَّفَّارُ، وعبدُ الرحمنِ بنُ حمدانَ النَّصروي، وعبدُ القاهرِ بنُ طاهرٍ الأُصوليُّ، وأبو نصرٍ عمرُ بنُ قَتادةَ، وأبو العلاءِ صاعدُ بنُ محمدٍ القاضي، وأبو نصرٍ محمدُ بنُ عَبْدش، وأبو حفصٍ عمرُ بنُ مسرورٍ، وآخَرونَ.
وقالَ الحاكمُ: ورِثَ أبو عَمرو مِن آبائِه أموالاً كثيرةً، فأنفَقَ سائرَها على العلماءِ والزُّهادِ، وصحبَ أبا عثمانَ الحِيريَّ والجُنيدَ، وسمعَ مِن الكَجِّيِّ وغيرِهِ.
ইবনে নুজায়েদের জীবনীশায়খ, ইমাম, অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব, রাব্বানি মুহাদ্দিস, নিশাপুরের শায়খ, আবু আমর ইসমাইল বিন নুজায়েদ বিন হাফেজ আহমাদ বিন ইউসুফ বিন খালিদ, আস-সুলামি আন-নিশাপুরি আস-সুফি, এই জামায়াতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি এবং খুরাসানের মুসনিদ (নির্ভরযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী)।
তাঁর জন্ম ২৭২ হিজরি সালে।
তিনি হাদিস শুনেছেন: আবু মুসলিম আল-কাজ্জি, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব আল-বাজালি, মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল-বুশানজি, ইব্রাহিম বিন আবু তালিব, আলি বিন আল-জুনায়েদ আর-রাজি, জাফর বিন আহমাদ বিন নাসর এবং একদল আলেমের নিকট থেকে।
তাঁর একটি 'জুয' (হাদিস সংকলন) রয়েছে, যা আমাদের শোনা উচ্চ পর্যায়ের হাদিসগুলোর অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: তাঁর দৌহিত্র আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আবু নাসর আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আস-সাফফার, আব্দুর রহমান বিন হামদান আন-নাসরাবি, আব্দুল কাহের বিন তাহের আল-উসুলি, আবু নাসর উমর বিন কাতাদাহ, আবুল আলা সায়িদ বিন মুহাম্মাদ আল-কাজি, আবু নাসর মুহাম্মাদ বিন আব্দাশ, আবু হাফস উমর বিন মাসরুর এবং আরও অনেকে।
আল-হাকিম বলেন: আবু আমর তাঁর পিতৃপুরুষদের নিকট থেকে প্রচুর ধন-সম্পদ উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন, যার সবটুকুই তিনি আলেম ও যাহিদদের (সংসারবিরাগী) পেছনে ব্যয় করেছেন। তিনি আবু উসমান আল-হিরি ও জুনাইদ বাগদাদির সাহচর্য লাভ করেছিলেন এবং আল-কাজ্জি ও অন্যদের থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৪)
تُوفيَ ابنُ نُجيدٍ في رَبيعٍ الأولِ سَنةَ خمسٍ وسِتينَ وثلاثِمئةٍ، عن ثلاثٍ وتسعينَ سَنةً
(1).
--------------------------------------------
ইবনে নুজাইদ তিনশ পঁষট্টি হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে তিরানব্বই বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
(১)--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৫)
جُزءُ ابنِ نُجيدٍتكرَّرَ ذِكرُ «جزء ابن نجيد» في كتبِ التراجمِ والتخريجِ، فضلاً عن المعاجمِ والفهارسِ والأثباتِ
(1)، وذلك لعُلوِّ إسنادِهِ، وتقدَّمَ قولُ الذهبيِّ فيه: وله جُزءٌ مِن أَعلى ما سمعناهُ، وقالَ التُّجيبي في «برنامجه» (209): جزءٌ حسنٌ عالٍ بمرِّةٍ.
وتفرَّدَ بروايتِهِ عنه: الشيخُ الإمامُ الصالحُ القدوةُ الزَّاهدُ مسندُ خُراسانَ عمرُ بنُ أحمدَ بنِ عمرَ بنِ محمدِ بنِ مَسرورٍ، أبو حفصٍ النَّيسابوريُّ
(2).
--------------------------------------------
ইবনে নুজাইদের জুযজীবনী এবং তাখরিজ (সূত্র যাচাই) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ ছাড়াও অভিধান, সূচিপত্র এবং আসবাত (সনদ সংকলন) গ্রন্থগুলোতে ‘জুয ইবনে নুজাইদ’-এর উল্লেখ বারবার এসেছে
(১), আর এর কারণ হলো এর উচ্চ সনদ। এ বিষয়ে ইমাম আয-যাহাবীর বক্তব্য পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে: “তাঁর একটি ‘জুয’ রয়েছে যা আমাদের শোনা সর্বোচ্চ স্তরের বর্ণনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।” তুজিবি তাঁর ‘বারনামাজ’ (২০৯)-এ বলেছেন: “এটি একটি চমৎকার এবং অত্যন্ত উচ্চমানের জুয।”
তাঁর নিকট থেকে এটি বর্ণনায় একক ছিলেন: শাইখ, ইমাম, সৎকর্মশীল, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, দুনিয়াবিমুখ (যাহিদ), খুরাসানের মুসনিদ আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুর আন-নাইসাবুরি
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৬)
* ويَرويه عنه ثلاثةٌ:
1 - محمدُ بنُ الفضلِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أبي العباسِ، أبو عبدِ اللهِ الصَّاعديُّ الفُرَاويُّ النَّيسابوريُّ الفَقيهُ
(1).
2 - وإسماعيلُ بنُ أبي القاسمِ عبدِ الرحمنِ بنِ أبي بكرٍ صالحٍ، أبو محمدٍ النَّسابوريُّ القارئ
(2).
3 - وتميمُ بنُ أبي سعيدِ بنِ أبي العباسِ، أبو القاسمِ الجُرجانيُّ، الشيخُ الفاضلُ المؤدِّبُ، مسندُ هَراةَ
(3).
* ويَرويه عَنهم ثلاثةٌ:
(1) عن الفُرَاويِّ يَرويه المؤَيدُ بنُ محمدِ بنِ عليٍّ الطُّوسيُّ
(4).
(2) وعن إسماعيلَ تَرويه زينبُ بنتُ عبدِ الرحمنِ بنِ الحسنِ الشَّعْريِّ
(5).
(3) وعن تَميمٍ يَرويه أبو رَوحٍ عبدُ المعزِّ بنُ محمدٍ الهَرويُّ
(6).
ومِن هذه الطرقِ الثلاثِ يَرويه التُّجيبي، والوادي آشي كما في «برنامجه»
--------------------------------------------
* এবং তাঁর থেকে এটি তিনজন বর্ণনা করেছেন:
১ - মুহাম্মাদ বিন আল-ফজল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিল আব্বাস, আবু আব্দুল্লাহ আস-সা'ঈদি আল-ফুরাওয়ি আন-নাইসাবুরি আল-ফকিহ
(১)।
২ - এবং ইসমাঈল বিন আবিল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আবি বকর সালিহ, আবু মুহাম্মাদ আন-নাইসাবুরি আল-কারি
(২)।
৩ - এবং তামিম বিন আবি সাঈদ বিন আবিল আব্বাস, আবু আল-কাসিম আল-জুনজানি, সম্মানিত শাইখ ও শিক্ষক, হেরাতের মুসনিদ
(৩)।
* এবং তাঁদের থেকে এটি তিনজন বর্ণনা করেছেন:
(১) আল-ফুরাওয়ি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন আল-মুয়াইয়াদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আত-তুসি
(৪)।
(২) এবং ইসমাঈল থেকে এটি বর্ণনা করেছেন যাইনাব বিনতে আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শা'রি
(৫)।
(৩) এবং তামিম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন আবু রাওহ আব্দুল মুইয বিন মুহাম্মাদ আল-হারাউয়ি
(৬)।
এবং এই তিনটি সূত্র থেকেই এটি আত-তুজিবি এবং আল-ওয়াদি আশি বর্ণনা করেছেন যেমনটি তাঁর «বারনামাজ» গ্রন্থে রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৭)
(65)، والحافظُ كما في «المعجم المفهرس» (1600)، و «المجمع المؤسس» (1/ 326، 2/ 561، 615)، والسيوطيُّ في «أنساب الكتب» (2133).
ومِن الطريقَينِ الأُولَيينِ يَرويه ابنُ طُولونَ كما في «الفهرست الأوسط» (3/ 306)، ووصفَهُ بذِكرِ أولِهِ وآخِرِه.
*
النُّسخُ الخطيَّة:وهو إسنادُ الجُزءِ في النُّسخةِ المصريةِ التي اتخذتُها أصلاً. أمَّا نُسخة شهيد علي فتَزيدُ عن الفُراويِّ راوياً رابعاً هو ابنُ الحَرَسْتانيِّ عبدُ الصمدِ بنُ محمدِ بنِ أبي الفضلِ أبو القاسمِ الدِّمشقيُّ
(1). فقَد يسَّرَ اللهُ لي الحصولَ على ثلاثِ نُسخٍ خطيَّةٍ لهذا الجُزءِ:
[1] نسخةٌ ضِمنَ المجموعِ (1584) مِن مكتبةِ كوبرلي، الأوراق [26 - 31]، وليسَ فيها إسنادُ الجزءِ لا في ورقةِ العنوانِ ولا في بدايةِ الجُزءِ، وكذا خَلتْ مِن السَّماعاتِ، إلا سماعاتٍ مُختصرةً مُسطَّرةً أعلى ورقةِ العنوانِ. ولها الرمزُ (ك)
(2).
[2] وليسَ الأمرُ كذلكَ في الأصلِ الذي اعتمدتُّهُ، وهي النُّسخةُ الموجودةُ ضمنَ المجموعِ (1558) مِن مجاميعِ دارِ الكتبِ المصريةِ، الأوراق [235 - 246].
--------------------------------------------
(৬৫), এবং আল-হাফিজ যেমনটি ‘আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস’ (১৬০০)-এ উল্লেখ করেছেন, এবং ‘আল-মুজতামিউল মুয়াসসাস’ (১/ ৩২৬, ২/ ৫৬১, ৬১৫), আর সুয়ূতী ‘আনসাবুল কুতুব’ (২১৩৩)-এ উল্লেখ করেছেন।
আর প্রথম দুটি সূত্রের মাধ্যমে ইবনে তুলুন এটি বর্ণনা করেছেন যেমনটি ‘আল-ফিহরিসতুল আওসাত’ (৩/ ৩০৬)-এ বর্ণিত হয়েছে, এবং তিনি এর শুরু ও শেষ উল্লেখ করে এর বর্ণনা দিয়েছেন।
*
পাণ্ডুলিপিসমূহ:আর এটি হলো সেই মিশরীয় পাণ্ডুলিপিতে থাকা জুয বা খণ্ডের সনদ যা আমি মূল হিসেবে গ্রহণ করেছি। তবে শহীদ আলীর পাণ্ডুলিপিতে ফুরাউয়ী থেকে চতুর্থ একজন বর্ণনাকারী বেশি রয়েছে, যিনি হলেন ইবনুল হারাসতানি আব্দুস সামাদ বিন মুহাম্মদ বিন আবিল ফাদল আবুল কাসিম আদ-দিমাশকি
(১)। আল্লাহ তাআলা আমার জন্য এই জুযের তিনটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া সহজ করে দিয়েছেন:
[১] কুপরুলি লাইব্রেরির মাজমুয়া (১৫৮৪)-এর অন্তর্ভুক্ত একটি পাণ্ডুলিপি, পৃষ্ঠা [২৬ - ৩১], যাতে এই জুযের কোনো সনদ নেই—না শিরোনামের পাতায়, না জুযের শুরুতে। তেমনিভাবে এতে কোনো সামা-আত (শ্রবণলিপি) নেই, কেবল শিরোনামের পাতার উপরে সংক্ষিপ্তভাবে লেখা কিছু সামা-আত ব্যতীত। এর জন্য (কাফ) সংকেত ব্যবহার করা হয়েছে
(২)।
[২] আর আমি যে মূল কপির ওপর নির্ভর করেছি তার বিষয়টি এমন নয়, এটি হলো মিশরের দারুল কুতুবের মাজমুয়াসমূহের মধ্য হতে মাজমুয়া (১৫৫৮)-এর অন্তর্ভুক্ত পাণ্ডুলিপি, পৃষ্ঠা [২৩৫ - ২৪৬]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৮)
فقَد أُثبتَ في ورقةِ العنوانِ أنَّها مِن روايةِ الثلاثةِ المُتقدِّمِ ذِكرُهم -الفُرَاويُّ وإسماعيلُ وتَميمٌ-، عن أبي حفصِ بنِ مسرورٍ. وذُكرَ في بدايةِ الجُزءِ إسنادُ هذه النُّسخةِ إليهم كما يأتي.
وبعدَ نهايةِ الجُزءِ سماعاتٌ مَنقولةٌ مِن الأصلِ، لخَّصَها أبو الفضلِ بنُ القَلْقَلشنديِّ
(1)، وفيها سماعاتٌ على الرُّواةِ الثلاثةِ سَنةَ (530، 531 هـ)، ثم سماعاتٌ على الطبقتَينِ بعدَهم.
جاءتْ هذه السماعاتُ المَنقولةُ بينَ سماعَين بخطِّ أبي الفضلِ بنِ القَلْقَشنديِّ سَنةَ (853، 857 هـ).
وعلى ورقةِ العنوانِ سماعانِ بخطِّه أيضاً سَنةَ (838، 839 هـ)، أولُهما على عائشةَ أمِّ الفضلِ راويةِ هذه النُّسخةِ.
[3] والنسخةُ الثالثةُ في الأوراقِ [137 - 145/أ] مِن المجموعِ (546) مِن مكتبةِ شهيد علي بتركيا. ولها الرمزُ (ش).
وصاحبُها وكاتبُها هو يوسفُ بنُ حسنِ بنِ مَروانَ التَّتَائيُّ المالكيُّ
(2).
--------------------------------------------
শিরোনাম পত্রে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে যে, এটি পূর্বে উল্লিখিত তিনজনের বর্ণনা—আল-ফুরাভি, ইসমাইল এবং তামিম—যাঁরা আবু হাফস ইবনে মাসরুর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর খণ্ডের শুরুতে এই পাণ্ডুলিপির সনদ তাঁদের পর্যন্ত নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
খণ্ডটি শেষ হওয়ার পর মূল কপি থেকে সংকলিত শ্রবণ-অনুমতিপত্রসমূহ (সামা‘আত) রয়েছে, যা আবুল ফজল ইবনে আল-কালকাশান্দি
(১) সংক্ষেপ করেছেন; এবং এতে ৫৩০ ও ৫৩১ হিজরি সালে উক্ত তিন রাবির নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে, অতঃপর তাঁদের পরবর্তী দুই স্তরের রাবিদের নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে।
এই সংকলিত শ্রবণ-অনুমতিপত্রগুলো ৮৫৩ ও ৮৫৭ হিজরি সালে আবুল ফজল ইবনে আল-কালকাশান্দির হস্তাক্ষরে লিখিত দুটি শ্রবণের মধ্যবর্তী সময়ে এসেছে।
শিরোনাম পত্রে তাঁর হস্তাক্ষরে আরও দুটি শ্রবণ-অনুমতিপত্র রয়েছে যা ৮৩৮ ও ৮৩৯ হিজরি সালের; তার প্রথমটি এই পাণ্ডুলিপির বর্ণনাকারী আয়েশা উম্মুল ফজল থেকে শ্রুত।
[৩] তৃতীয় পাণ্ডুলিপিটি তুরস্কের শহিদ আলি লাইব্রেরির ৫৪৬ নম্বর সংকলনের [১৩৭ - ১৪৫/ক] পত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে। এর সংকেত চিহ্ন হলো (শ)।
এর মালিক ও লেখক হলেন ইউসুফ ইবনে হাসান ইবনে মারওয়ান আত-তাতাঈ আল-মালিকি
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৮৯)
* بروايتِه عن أمِّ هانئٍ مريمَ بنتِ عليِّ بنِ عبدِ الرحمنِ الهُورينيِّ المصريةِ الشافعيةِ.
* عن النَّشاوريِّ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ سليمانَ أبي محمدٍ المكيِّ.
* عن الرَّضيِّ الطَّبريِّ إبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ أبي بكرٍ أبي أحمدَ المكيِّ
(1).
* عن المُرْسِي محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ أبي الفضلِ أبي عبدِ اللهِ الأندلسيِّ
(2).
* بروايتِه عن المشايخِ الأربعةِ المُتقدمِ ذِكرُهم: المُؤيدِ الطُّوسيِِّ، وزينبَ بنتِ الشَّعْريِّ، وأبي رَوحٍ الهَرويِّ، وابنِ الحَرَسْتانيِّ، بأسانيدِهم المُتقدمةِ.
وفي آخِرِ الجُزءِ سماعاتٌ مَنقولةٌ:
سماعٌ سَنةَ (694 هـ) لأبي الفتحِ بنِ سيِّدِ الناسِ
(3) وغيرِهِ على سيدةَ بنتِ
--------------------------------------------
* উম্মে হানি মরিয়ম বিনতে আলি বিন আব্দুর রহমান আল-হুরিনি আল-মিসরিয়্যাহ আশ-শাফিয়্যাহ-এর মাধ্যমে তাঁর বর্ণনায়।
* আন-নাশাঅরি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আবু মুহাম্মদ আল-মাক্কি থেকে।
* আর-রাদি আত-তাবারী ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবু বকর আবু আহমদ আল-মাক্কি থেকে
(১)।
* আল-মুরসি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবু আল-ফাদল আবু আব্দুল্লাহ আল-আন্দালুসি থেকে
(২)।
* ইতিপূর্বে উল্লিখিত চারজন শায়খ: আল-মুওয়াইয়্যাদ আত-তুসি, যায়নাব বিনতে আশ-শা’রি, আবু রাওহ আল-হারাবি এবং ইবনুল হারাসতানি-এর মাধ্যমে তাঁদের ইতিপূর্বে বর্ণিত সনদসমূহের সাথে তাঁর বর্ণনায়।
এবং পাণ্ডুলিপির এই অংশের শেষে কিছু নকলকৃত শ্রুত বিবরণ রয়েছে:
সাইয়্যিদা বিনতে এর নিকট আবু আল-ফাতহ ইবনে সাইয়্যিদুন নাস
(৩) এবং অন্যদের (৬৯৪ হিজরি) সনের শ্রুত বিবরণ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৯০)
موسى المارانيِّ
(1)، بإجازَتِها مِن المَشايخِ الثلاثةِ: المُؤيدِ الطُّوسيِّ وزينبَ وأبي روحٍ الهَرويِّ. ثم سماعٌ على ابنِ سيِّدِ الناسِ سَنةَ (733 هـ). ثم سماعٌ لأمِّ هانئٍ على النَّشاوريِّ سَنةَ (785 هـ). وسماعٌ على ابنِ الأَنماطيِّ
(2) بسماعِهِ مِن ابنِ الحَرَسْتانيِّ وإجازتِهِ مِن المُؤيدِ وزينبَ سَنةَ (681 هـ). ثم سماعٌ بخطِّ كاتبِ الجُزءِ التَّتَائيِّ على أمِّ هانئٍ سَنةَ (863 هـ).
ثم في الورقةِ التي تَليها [145/ أ] سماعٌ بخطِّه عَليها بقراءةِ السَّخاويِّ سَنةَ (865 هـ) لِهذا الجُزءِ وأجزاءٍ أُخرى هي: «السَّلَماسيات»، وَ «مجلسين من أمالي نِظام الملك»، وَ «خماسيات ابن النَّقُّور»، وَ «وصية النبي ^ لعلي رضي الله عنه» وَ «جزء الحضرمي»، وَ «فضائل رجب» للخلالِ، وَ «الأربعين المختارة» لابنِ مُسْدِي، بسماعِها لِجميعِ ما ذُكرَ على العَفيفِ النَّشاوريِّ، عن الرَّضيِّ إبراهيمَ الطَّبريِّ بأسانيدِه إليها.
وعلى جانبِ الورقةِ [144/أ] سَماعٌ على التَّتَائيِّ بخطِّه في شوالٍ سَنةَ (916 هـ).
وعلى جانبِ الورقةِ الأُولى [138/أ] سماعٌ بخطِّ محمدٍ المُظفَّري سَنةَ (917 هـ).
*
طبعةٌ سابقةٌ:وقَد طُبعَ هذا الجزءُ مَع بقيةِ أجزاءِ مجموعِ دارِ الكتبِ المصريةِ في مجلَّدينِ باسمِ «الفوائد لابن منده» لَدى دارِ الكتبِ العلميةِ، بتحقيقِ خلاف
--------------------------------------------
মুসা আল-মারানি
(১), তিনজন শাইখের কাছ থেকে তার ইজাযতের মাধ্যমে: আল-মুয়াইয়িদ আত-তুসি, যাইনাব এবং আবু রুহ আল-হারাউয়ি। এরপর ৭৩৩ হিজরি সনে ইবনু সাইয়িদিন নাস-এর নিকট শ্রবণের মজলিস। এরপর ৭৮৫ হিজরি সনে আন-নাশাওয়ারির নিকট উম্মু হানির শ্রবণের মজলিস। এবং ৬৮১ হিজরি সনে ইবনুল আনমাতি
(২)-এর নিকট শ্রবণের মজলিস, যা তিনি ইবনুল হারাসতানি থেকে শ্রবণ করেছেন এবং আল-মুয়াইয়িদ ও যাইনাব থেকে ইজাযত প্রাপ্ত হয়েছেন। এরপর ৮৬৩ হিজরি সনে এই পাণ্ডুলিপির অংশটির লেখক আত-তাতায়ি-এর হস্তলিপিতে উম্মু হানির নিকট শ্রবণের মজলিস।
তারপর পরবর্তী পৃষ্ঠায় [১৪৫/অ] তার হস্তলিপিতে তার কাছে আস-সাখাওয়ির পাঠের মাধ্যমে ৮৬৫ হিজরি সনে এই অংশ এবং অন্যান্য অংশসমূহের শ্রবণের মজলিস; সেগুলো হলো: «আস-সালামাসিয়্যাত», এবং «আমালি নিযামিল মুলক-এর দুটি মজলিস», এবং «খুমাসিয়্যাত ইবনুন নাক্কুর», এবং «আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসিয়ত», এবং «জুযউল হাদরামি», এবং আল-খাল্লালের «ফাদাইলু রাজাব», এবং ইবনু মুসদির «আল-আরবাউনাল মুখতারা»; উল্লিখিত সকল কিতাব তিনি আফিফ আন-নাশাওয়ারির নিকট শ্রবণ করেছেন, যা তিনি আর-রাদি ইবরাহিম আত-তাবারির নিকট থেকে তার সনদসমূহসহ লাভ করেছেন।
এবং পৃষ্ঠার পার্শ্বভাগে [১৪৪/অ] ৯১৬ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে আত-তাতায়ি-এর হস্তলিপিতে তার নিকট শ্রবণের মজলিস।
এবং প্রথম পৃষ্ঠার পার্শ্বভাগে [১৩৮/অ] ৯১৭ হিজরি সনে মুহাম্মাদ আল-মুজাফফারির হস্তলিপিতে শ্রবণের মজলিস।
*
পূর্ববর্তী সংস্করণ:আর এই অংশটি দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহর সংগ্রহের অবশিষ্ট অংশগুলোর সাথে দুই খণ্ডে «আল-ফাওয়াইদ লি-ইবনু মানদাহ» নামে দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, যা খিলাফ কর্তৃক সম্পাদিত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৯১)
محمود عبد السميع، سَنةَ (1423 هـ - 2002 م).
ثم قابلتُ هذا الجزءَ -مَع الأجزاءِ التي لم تُطبعْ مُفردةً مِن أجزاءِ هذا المجموعِ- على المَخطوطِ، ونَشرتُهُ مَنسوخاً دونَ تَخريجٍ أو تعليقٍ في «ملتقى أهل الحديث» على شبكةِ المَعلوماتِ العالميَّةِ.
মাহমুদ আবদুস সামি, সন (১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ)।
অতঃপর আমি এই অংশটি—এই সংকলনের সেই অংশগুলোর সাথে যা পৃথকভাবে মুদ্রিত হয়নি—পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়েছি এবং কোনো তাখরিজ বা টীকা ছাড়াই অনুলিপি হিসেবে ইন্টারনেটে ‘মুলতাকা আহলিল হাদিস’-এ প্রকাশ করেছি।
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৯৭)
الجزءُ فيه
مِن أحاديثِ أبي عَمرو إسماعيلَ بنِ نُجيدِ بنِ أحمدَ
بنِ يوسفَ السُّلميِّ
روايةُ أبي حفصٍ عمرَ بنِ أحمدَ بنِ مَسرورٍ الزاهدِ عنه
روايةُ أبي عبدِ اللهِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ الفضلِ
(1)الفُرَاويِّ عنه
وكَذا أبو القاسمِ تَميمُ بنُ أبي سعيدٍ الجُرجانيُّ
وكَذا أبو محمدٍ إسماعيلُ بنُ أبي القاسمِ عبدِ الرحمنِ
بنِ أبي بكرٍ القارئُ
--------------------------------------------
এই খণ্ডে রয়েছে
আবু আমর ইসমাঈল বিন নুজাইদ বিন আহমাদ
বিন ইউসুফ আস-সুলামীর হাদিসসমূহ থেকে
তাঁর সূত্রে আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন মাসরুর আজ-জাহিদের বর্ণনা
তাঁর সূত্রে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-ফাদল
(১)আল-ফুরাভীর বর্ণনা
এবং অনুরূপভাবে আবু আল-কাসিম তামীম বিন আবু সাঈদ আল-জোরজানী
এবং অনুরূপভাবে আবু মুহাম্মাদ ইসমাঈল বিন আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান
বিন আবু বকর আল-কারী
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ২৯৯)
بسم الله الرحمن الرحيم
ربِّ زِدْني عِلماً وفَهماً
(1)قرأتُ على المُسنِدةِ الأَصيلةِ الكاتبةِ أمِّ الفضلِ عائشةَ ابنةِ الإمامِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ محمدٍ العَسقلانيِّ
(2)، عن جَدِّها لأُمِّها أبي الحرمِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ محمدٍ القَلانسيِّ
(3) قالَ: أخبرنا أبو العزِّ عبدُ العزيزِ بنُ أبي الفُتوحِ نصرِ بنِ أبي الفرجِ بنِ عليِّ بنِ الحُصْريِّ
(4)، وأبو حامدٍ محمدُ بنُ عمرَ بنِ عليِّ بنِ المُفْرِضِ
(5) سَنةَ (687) بإجازتِهما مِن: المؤيَّدِ بنِ
(6) محمدِ بنِ عليٍّ الطوسيِّ، وأبي روحٍ عبدِ المعزِ بنِ محمدٍ الهَرويِّ، وزينبَ بنتِ عبدِ الرحمنِ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে আমার রব! আমার জ্ঞান ও বোধশক্তি বৃদ্ধি করে দিন।
(১)আমি পাঠ করেছি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী (মুসনিদাহ), বিদুষী লেখিকা উম্মুল ফদল আয়িশাহ বিনতে ইমাম আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-আসকালানির
(২) নিকট, তিনি তাঁর মাতামহ আবুল হারাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-কালানিসির
(৩) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয আব্দুল আযীয বিন আবিল ফুতুহ নাসর বিন আবিল ফারাজ বিন আলী বিন আল-হুসরি
(৪) এবং আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আল-মুফরিদ
(৫) ৬৮৭ হিজরিতে, তাঁরা উভয়ে ইজাযতপ্রাপ্ত হয়েছেন: মুয়াইয়িদ বিন
(৬) মুহাম্মদ বিন আলী আত-তুসি, আবু রুহ আব্দুল মুয়িয বিন মুহাম্মদ আল-হারাউয়ি এবং যাইনাব বিনতে আব্দুর রহমান-এর নিকট থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০০)
بنِ الحسنِ الشَّعْريِّ.
قالَ الأولُ: أخبرنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ الفضلِ الفُرَاويُّ فقيهُ الحرمِ الشريفِ، وقالَ الثاني: أخبرنا أبو القاسمِ تميمُ بنُ أبي سعيدٍ الجُرجانيُّ، وقالتْ زينبُ: أخبرنا أبو محمدٍ إسماعيلُ بنُ أبي بكرٍ القارئُ،
قالوا: أخبرنا أبو حفصٍ عمرُ بنُ أحمدَ بنِ مسرورٍ الزاهدُ سَنةَ (445): أخبرنا أبوعَمرو إسماعيلُ
(1) بنُ نُجيدِ بنِ أحمدَ بنِ يوسفَ السُّلميُّ [قراءةً
--------------------------------------------
বিন হাসান আল-আশআরী।
প্রথমজন বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারাম শরীফের ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-ফুরাওয়ি। দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম তামিম বিন আবি সাঈদ আল-জোরজানি। যায়নাব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আবি বকর আল-ক্বারি।
তাঁরা বলেন: ৪৪৫ হিজরি সালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহিদ আবু হাফস ওমর বিন আহমাদ বিন মাসরুর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইসমাইল
(১) বিন নুজাইদ বিন আহমাদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি [পাঠ করার মাধ্যমে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০১)
عليه]
(1) في رجبٍ سَنةَ (364)
(2) قالَ:
303 - (1) أخبرنا أبو مسلمٍ إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ الكَجِّيُّ: حدثنا أبو عاصمٍ الضحاكُ بنُ مَخلدٍ النَّبيلُ، عن الأَوزاعيِّ: حدثني قرةُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن ابنِ شهابٍ، عن أبي سلمةَ، عن أبي هريرةَ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «(يقولُ اللهُ)
(3): أَحبُّ عِبادي إليَّ أعجَلُهم فِطراً»
(4).
304 - (2) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ بنِ يحيى بنِ ضُريسٍ الرَّازي: أخبرنا الفَرَويُّ
(5): حدثنا عبدُ اللهِ بنُ عمرَ، عن عُبيدِ اللهِ، عن القاسمِ، عن عائشةَ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كُفنَ في ثلاثةِ أثوابٍ بِيضٍ سُحُوليَّةٍ، أُدرِجَ فيها إِدراجاً
(6).
--------------------------------------------
তাঁর উপর]
(১) ৩৬৪ হিজরীর
(২) রজব মাসে তিনি বলেছেন:
৩০৩ - (১) আবু মুসলিম ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাজ্জী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আসিম আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ আন-নাবিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আওযাঈ থেকে: কুররাহ ইবনে আবদুর রহমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে শিহাব থেকে, আবু সালামাহ থেকে, আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «(আল্লাহ বলেন)
(৩): আমার বান্দাদের মধ্যে আমার কাছে অধিক প্রিয় তারা, যারা দ্রুত ইফতার করে»
(৪)।
৩০৪ - (২) মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দুরীস আর-রাযী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-ফারাবী
(৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ থেকে, কাসিম থেকে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত,
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তিনটি সাদা সুহুলী কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়েছিল, যাতে তাঁকে স্রেফ জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০২)
305 - (3) حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ سعيدٍ البُوشَنجيُّ: حدثنا يحيى بنُ عبدِ اللهِ بنِ بُكيرٍ: حدثني الليثُ بنُ سعدٍ، عن حيوةَ بنِ شُريحٍ، عن عقبةَ بنِ مسلمٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ الحارثِ بنِ جَزءٍ الزُّبيديِّ:
سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «ويلٌ للأَعقابِ وبُطونِ الأقدامِ مِن النارِ»
(1).
306 - (4) أخبرنا يوسفُ بنُ يعقوبَ القاضي: حدثنا حفصُ بنُ عمرَ: حدثنا شعبةُ، عن منصورٍ، عن أبي الضُّحى، عن مسروقٍ، عن عائشةَ قالتْ:
كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ في رُكوعِه: «سُبحانَكَ اللهمَّ ربَّنا
(2) وبحمدِكَ، اللهمَّ اغفِرْ لي»
(3).
307 - (5) / أخبرنا عليُّ بنُ الحسينِ بنِ الجُنيدِ الرَّازي: حدثنا المُعافَى بنُ سليمانَ: حدثنا زهيرٌ: حدثنا إسماعيلُ بنُ أبي خالدٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ أبي أَوفَى قالَ:
--------------------------------------------
৩০৫ - (৩) আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন সাঈদ আল-বুশানজি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন আবদুল্লাহ বিন বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: লাইস বিন সাদ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি উকবাহ বিন মুসলিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন জায আল-জুবাইদি থেকে বর্ণনা করেন:
আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «গোড়ালি এবং পায়ের তলার অংশের জন্য জাহান্নামের আগুনের দুর্ভোগ রয়েছে»
(১)।
৩০৬ - (৪) ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাফস বিন উমর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: শু’বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি আবুয জুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রুকুতে বলতেন: «হে আল্লাহ, আমাদের রব! আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন»
(৩)।
৩০৭ - (৫) / আলী বিন আল-হুসাইন বিন আল-জুনাইদ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-মু’আফা বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: যুহাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল বিন আবু খালিদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৩)
دَعا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم على الأحزابِ فقالَ: «اللهمَّ مُنزلَ الكتابِ، سريعَ الحسابِ، اللهمَّ اهزِم الأحزابَ، اللهمَّ اهزِمْهم وزَلزِلْهم»
(1).
308 - (6) حدثنا عيسى بنُ محمدِ بنِ عيسى المَروزيُّ: حدثنا شبيبُ بنُ الفضلِ أبو عبدِ الرحمنِ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ أبي
(2) جعفرٍ، عن قيسِ بنِ الرَّبيعِ، عن أبي إسحاقَ، عن الحارثِ، عن عليٍّ كرمَ اللهُ وجهَه،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا نِكاحَ إلا بوَليٍّ»
(3).
309 - (7) حدثنا أبو مسلمٍ [إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ]
(4) الكَجِّيُّ: حدثنا محمدُ
(5) بنُ عبدِ اللهِ الأنصاريُّ وأبو عاصمٍ النبيلُ قالا: حدثنا بهزُ بنُ حَكيمٍ، عن أبيه، عن جدِّه قالَ:
قُلتُ: يا رسولَ اللهِ، مَن أَبَرُّ؟ قالَ: «أمَّكَ» قلتُ: ثُم مَن؟ قالَ: «[ثُم] أمَّكَ، ثُم أباكَ
(6)، ثم الأقربَ فالأقربَ»
(7).
--------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব (শত্রু জোট)-এর বিরুদ্ধে দুআ করে বললেন: «হে আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী, হে আল্লাহ! আপনি আহযাবদের পরাজিত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদের পরাজিত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করে দিন»
(১).
৩০৮ - (৬) ঈসা বিন মুহাম্মাদ বিন ঈসা আল-মারওয়াযী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: শাবীব বিন আল-ফাযল আবু আবদুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন আবু জাফর কায়েস বিন আর-রাবী থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি আলী (আল্লাহ তার চেহারাকে সম্মানিত করুন) থেকে,
তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ নেই»
(৩).
৩০৯ - (৭) আবু মুসলিম [ইবরাহীম বিন আবদুল্লাহ] আল-কাজ্জী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারী এবং আবু আসিম আন-নাবীল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই বলেছেন: বাহয বিন হাকিম তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি (দাদা) বললেন:
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কে আমার সদাচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার? তিনি বললেন: «তোমার মা»। আমি বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: «[তারপর] তোমার মা, তারপর তোমার পিতা, তারপর পর্যায়ক্রমে নিকটাত্মীয়রা»
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৪)
310 - (8) أخبرنا أبو مسلمٍ: حدثنا أبو عاصمٍ، عن أيمنَ بنِ نابلٍ، عن قُدامةَ بنِ عبدِ اللهِ قالَ:
رأيتُ رسولَ اللهِ
(1) صلى الله عليه وسلم على ناقةٍ صَهباءَ يَرمي الجَمرةَ، لا ضَربَ ولا طَردَ ولا جَلدَ، ولا إليكَ إليكَ
(2).
311 - (9) حدثنا عبدُ اللهِ بنُ أحمدَ بنِ حنبلٍ: حدثني الصلتُ بنُ مسعودٍ الجَحْدَريُّ: حدثنا جعفرُ بنُ سليمانَ: حدثنا أبو عمرانَ الجَونيُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الصامتِ، عن أبي ذرٍّ قالَ:
قالَ لي
(3) رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يا أبا ذرٍّ، صَلِّ الصلاةَ
(4) لوَقتِها، فإنْ صلَّيتَ
--------------------------------------------
৩১০ - (৮) আবু মুসলিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আসিম আমাদের বর্ণনা করেছেন আইমান ইবনে নাবিল থেকে, তিনি কুদামা ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি আল্লাহর রাসূল
(১) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি লালচে উটনীর পিঠে চড়ে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি; সেখানে (ভিড় সরাতে) কোনো প্রহার ছিল না, কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল না, কোনো বেত্রাঘাত ছিল না এবং 'সরে যাও সরে যাও' জাতীয় কোনো চিৎকার ছিল না
(২)।
৩১১ - (৯) আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের বর্ণনা করেছেন: আস-সালত ইবনে মাসউদ আল-জাহদারি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন: জাফর ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আবু ইমরান আল-জাওনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আস-সামিত আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু যার থেকে, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে
(৩) বলেছেন: «হে আবু যার, তুমি সালাত
(৪) তার সঠিক সময়ে আদায় করো, এরপর যদি তুমি সালাত আদায় করো...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৫)
لوَقتِها كانَت لكَ نافلةً، وإلا كُنتَ قَد أحرَزْتَ صَلاتَكَ»
(1).
312 - (10) حدثنا محمدُ بنُ إبراهيمَ البُوشَنجيُّ: حدثنا يحيى بنُ عبدِ اللهِ بنِ بُكيرٍ: حدثني
(2) المغيرةُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن أبي الزِّنادِ، عن موسى
(3)، عن أبيه، عن أبي هريرةَ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا يَحلُّ لامرأةٍ تَصومُ وزَوجُها شاهدٌ إلا بإذنِه، أو تأذَنَ في بيتِه إلا بإذنِه، وما أنفقَتْ مِن نَفقةٍ مِن غيرِ أمرِهِ فإنَّها تُؤدِّي إليه شَطرَه»
(4).
313 - (11) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ [بنِ يحيى]
(5) الرَّازي: حدثنا محمدُ بنُ كثيرٍ
(6): أخبرنا شعبةُ، عن أيوبَ، عن أبي قِلابةَ، عن أنسٍ قالَ:
--------------------------------------------
সময়ে আদায় করলে সেটি তোমার জন্য নফল হবে, অন্যথায় তুমি তোমার (ফরজ) সালাত লাভ করলে»
(১).
৩১২ - (১০) মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আল-বুশাঞ্জী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুগীরাহ ইবনে আব্দুর রহমান আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন
(২), আবুয যিনাদ থেকে, তিনি মূসা
(৩) থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো নারীর জন্য তার স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া (নফল) রোজা রাখা হালাল নয়, কিংবা তার অনুমতি ছাড়া তার ঘরে কাউকে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়াও বৈধ নয়। আর সে (তার স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া যা কিছু ব্যয় করবে, তার অর্ধেক তার (স্বামীর) আমলনামায় যাবে»
(৪).
৩১৩ - (১১) মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব [ইবনে ইয়াহইয়া]
(৫) আর-রাযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর
(৬) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: শু'বাহ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৬)
أُمرَ بلالٌ أَن يَشفعَ الأذانَ ويُوتِرَ الإقامةَ
(1).
314 - (12) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ: أخبرني عُبيدُ اللهِ بنُ محمدٍ العَيشيُّ
(2): حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ حمادٍ الطَّلحيُّ: حدثنا طلحةُ بنُ يحيى بنِ طلحةَ، عن أبيه، عن طلحةَ بنِ عُبيدِ اللهِ قالَ:
دخلتُ على رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وفي يدِهِ سَفرجلةٌ، فألقَاها إليَّ -أو قالَ: رَمى بها إليَّ- وقالَ: «دُونَكها يا أبا محمدٍ، فإنَّها / تُجِمُّ الفؤادَ»
(3).
315 - (13) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ الرَّازي: حدثنا محمدُ بنُ سنانٍ العَوَقيُّ: حدثنا إبراهيمُ بنُ طَهمانَ، عن بُديلٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ شقيقٍ، عن مَيسرةَ الفَجرِ قالَ:
قُلتُ: يا رسولَ اللهِ، مَتى كُنتَ
(4) نبياً؟ قالَ: «كُنتُ نبياً وآدمُ بينَ الرُّوحِ
--------------------------------------------
বিলালকে আযান দ্বিগুণ শব্দে এবং একামত একগুণ (বেজোড়) শব্দে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল
(১)।
৩১৪ - (১২) মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আইশি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন
(২): আবদুর রহমান ইবনে হাম্মাদ আত-তালহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: তালহা ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তালহা তাঁর পিতা থেকে, তিনি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম, এমতাবস্থায় তাঁর হাতে একটি সফেদা (কুইন্স ফল) ছিল। তিনি সেটি আমার দিকে ছুঁড়ে দিলেন—অথবা তিনি বলেছেন: সেটি আমার দিকে নিক্ষেপ করলেন—এবং বললেন: «হে আবু মুহাম্মাদ, এটি নাও; কারণ এটি অন্তরকে প্রশান্ত করে»
(৩)।
৩১৫ - (১৩) মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে সিনান আল-আওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে তাহমান বুদাইল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাকিক থেকে, তিনি মায়সারা আল-ফজর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কখন থেকে নবী ছিলেন?
(৪) তিনি বললেন: «আমি তখনও নবী ছিলাম যখন আদম রুহ ও শরীরের মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৭)
والجَسدِ»
(1).
316 - (14) أخبرنا يوسفُ بنُ يعقوبَ القاضي: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ
(2): أخبرنا عِمرانُ القاضي، عن قتادةَ
(3)، عن الحسنِ، عن عبدِ اللهِ بنِ عمرَ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «قَتلُ المؤمنِ دُونَ مالِهِ مَظلوماً شهيدٌ»
(4).
--------------------------------------------
এবং শরীর»
(১).
৩১৬ - (১৪) ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমর ইবনে মারজুক আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইমরান আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন,
যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিন ব্যক্তি তার সম্পদের রক্ষার্থে অন্যায়ভাবে নিহত হলে সে শহীদ»
(৪).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৮)
317 - (15) حدثنا محمدُ بنُ عَبدُوسِ بنِ كاملٍ ببغدادَ: أخبرنا مسروقُ بنُ المَرزبانِ: حدثنا عبدُ السلامِ بنُ حربٍ، عن يزيدَ بنِ عبدِ الرحمنِ، عن محمدِ بنِ مسلمٍ، عن جابرِ بنِ عبدِ اللهِ قالَ:
نُهينا عن قتلِ تُجارِ المُشرِكينَ
(1).
318 - (16) حدثنا محمدُ بنُ عمارِ بنِ عطيةَ الرَّازي: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الحسنِ: حدثنا عبدُ الرزاقِ، عن معمرٍ، عن أيوبَ، عن عبدِ اللهِ بنِ سعيدٍ، عن أبيه، عن ابنِ عباسٍ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم سُئلَ: أيُّ الحجِّ أفضلُ؟ فقالَ
(2): «العَجُّ والثَّجُّ»
(3).
319 - (17) حدثنا أحمدُ بنُ داودَ السِّمْنانيُّ: حدثنا محمدُ بنُ حُميدٍ الرَّازي: حدثنا أشعثُ بنُ عَطَّافٍ: حدثنا سفيانُ
(4)، عن داودَ بنِ أبي هندٍ، عن
--------------------------------------------
৩১৭ - (১৫) মুহাম্মাদ বিন আবদুস বিন কামিল বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মাসরূক বিন আল-মারযুবান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুস সালাম বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন মুসলিম থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমাদের মুশরিকদের ব্যবসায়ীদের হত্যা করতে নিষেধ করা হয়েছে
(১)।
৩১৮ - (১৬) মুহাম্মাদ বিন আম্মার বিন আতিয়্যাহ আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’মার থেকে, তিনি আইয়ূব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: কোন হাজ্জ সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন
(২): «উচ্চস্বরে তালবিয়াহ পাঠ করা এবং কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করা»
(৩)।
৩১৯ - (১৭) আহমাদ বিন দাউদ আস-সিমনানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আশআছ বিন আত্তাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান
(৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ বিন আবী হিন্দ থেকে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩০৯)
سعيدِ بنِ المسيبِ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه
(1) قالَ: «يأتي على الناسِ زَمانٌ يُخيَّرُ الرَّجلُ (1) بينَ العجزِ والفُجورِ، فمَن أدركَ ذلكَ فليختَر العجزَ على الفُجورِ»
(2).
320 - (18) حدثنا أحمدُ بنُ داودَ السِّمْنانيُّ: حدثنا مسروقُ بنُ المَرزبانِ: حدثنا حفصُ بنُ غياثٍ، عن عاصمٍ الأحولِ، عن أبي عثمانَ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ
(3) صلى الله عليه وسلم قالَ: «أعجزُ الناسِ مَن عجزَ بالدُّعاءِ، وإنَّ أبخلَ الناسِ مَن بخلَ بالسَّلامِ»
(4).
--------------------------------------------
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে তিনি
(১) বলেছেন: «মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন ব্যক্তিকে (১) অক্ষমতা ও পাপাচারের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি সেই সময়ের সম্মুখীন হবে, সে যেন পাপাচারের পরিবর্তে অক্ষমতাকেই বেছে নেয়»
(২)।
৩২০ - (১৮) আহমদ বিন দাউদ আস-সিমনানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মাসরুক বিন আল-মারযুবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাফস বিন গিয়াস আমাদের নিকট আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,
নবী
(৩) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «মানুষের মধ্যে সবচেয়ে অক্ষম সেই ব্যক্তি, যে দুআ করতে অক্ষম হয়; আর মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কৃপণ সেই ব্যক্তি, যে সালাম প্রদানে কার্পণ্য করে»
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১০)
321 - (19) حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الحسينِ بنِ أيوبَ الرَّازي بالريِّ: حدثنا محمدُ بنُ يحيى بنِ الفَياضِ: حدثنا صُغْدِيُّ بنُ سنانٍ: حدثنا يونسُ بنُ عُبيدٍ، عن الحسنِ، عن عمرانَ بنِ حصينٍ قالَ:
جَمعَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بينَ الحجِّ والعمرةِ ولم يَنزلْ بعدُ كتابٌ ينسخُهُ
(1).
322 - (20) حدثنا عمرانُ بنُ موسى السَّخْتِيانيُّ: حدثنا إبراهيمُ بنُ المنذرِ الحِزاميُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ موسى التَّيميُّ: حدثنا يعقوبُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ أُميةَ الضَّمريُّ، عن جعفرِ بنِ عَمرو، عن أبيه عَمرو بنِ أُميةَ قالَ:
قلتُ: يا رسولَ اللهِ، أُرسِلُ وأتوكَّلُ أو أُقيدُ وأتوكَّلُ؟ قالَ: «بَل قيِّدْ وتوكَّلْ»
(2).
323 - (21) حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ نُعيمٍ: حدثنا قُتيبةُ / بنُ سعيدٍ: حدثنا حاتمٌ، عن
(3) موسى بنِ عُقبةَ، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ،
--------------------------------------------
৩২১ - (১৯) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আইয়ুব আল-রাজি আল-রাইয়ে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-ফাইয়াদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুগদি বিন সিনান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন উবাইদ, আল-হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ ও উমরাহকে একত্র করেছেন এবং এর পরে তা রহিত করার জন্য আর কোনো কিতাব অবতীর্ণ হয়নি
(১)।
৩২২ - (২০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান বিন মুসা আস-সাখতিয়ানি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির আল-হিযামি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুসা আল-তাইমি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন উমাইয়া আদ-দামরি, জাফর বিন আমর থেকে, তিনি তার পিতা আমর বিন উমাইয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি [উট] ছেড়ে দিয়ে তাওয়াক্কুল করব নাকি বেঁধে তাওয়াক্কুল করব? তিনি বললেন: «বরং বাঁধো এবং তাওয়াক্কুল করো»
(২)।
৩২৩ - (২১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন নুআইম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ বিন সাঈদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম,
(৩) মুসা বিন উকবাহ থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১১)
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم حلقَ رأسَه في حَجةِ الوداعِ
(1).
324 - (22) حدثنا جعفرُ بنُ محمدِ بنِ سَوَّارٍ: حدثنا قُتيبةُ بنُ سعيدٍ: حدثنا المغيرةُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن أبي الزِّنادِ، عن الأعرجِ، عن أبي هريرةَ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «والذي نفسُ محمدٍ بيدِهِ، لو تَعلمونَ ما أعلمُ لبَكيتُم كثيراً ولضحكتُم قليلاً».
325 - (23) وبإسنادِهِ
(2)، أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «قالَ اللهُ عز وجل: أنفِقْ أُنفِقْ عليكَ»
(3).
326 - (24) حدثنا أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ أبي طالبٍ: حدثنا أبو
(4) كُريبٍ: حدثنا أبو خالدٍ، عن شعبةَ، عن عاصمٍ، عن زِرٍّ، عن عليٍّ قالَ:
قالَ لي
(5) رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يا عليُّ، سَل اللهَ الهُدى والسَّدادَ، واذكُر بالهُدى هِدايتَكَ الطريقَ، وبالسَّدادِ
(6) تَسديدَكَ السَّهمَ»
(7).
--------------------------------------------
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হজে তাঁর মাথা মুণ্ডন করেছিলেন
(১).
৩২৪ - (২২) আমাদের নিকট জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাওয়ার বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট কুতায়বা ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুগীরা ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, আবু যিনাদ থেকে, তিনি আরায থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই বেশি কাঁদতে এবং কম হাসতে।»
৩২৫ - (২৩) এবং তাঁর সনদে
(২), আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: তুমি খরচ করো, আমিও তোমার ওপর খরচ করব»
(৩).
৩২৬ - (২৪) আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আবু তালিব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু
(৪) কুরায়ব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু খালিদ বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে
(৫) বলেছেন: «হে আলী, তুমি আল্লাহর কাছে হিদায়াত (সঠিক পথনির্দেশ) এবং সাদাদ (দৃঢ়তা/সঠিকতা) প্রার্থনা করো। আর হিদায়াত প্রার্থনার সময় পথ প্রদর্শনের কথা স্মরণ করবে এবং সাদাদ
(৬) প্রার্থনার সময় তীরে লক্ষ্যভেদ করার কথা স্মরণ করবে»
(৭).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১২)
327 - (25) حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ إسماعيلَ بنِ مِهرانَ الإِسماعيليُّ: حدثنا سَوَّارُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ سَوَّارٍ العَنبريُّ: حدثنا المُعتمرُ بنُ سليمانَ، عن أيوبَ السَّخْتِيانيِّ، عن محمدِ بنِ سيرينَ، عن أبي هريرةَ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا وَلغَ الكلبُ في الإناءِ غُسلَ سبعَ مراتٍ أوَّلهُنَّ -أو أُولاهُنَّ- بالترابِ، وإذا وَلغَ الهِرُّ غُسلَ مرةً»
(1).
328 - (26) حدثنا محمدُ بنُ إسحاقَ بنِ خُزيمةَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ الزُّهريُّ: حدثنا ابنُ أبي
(2) عديٍّ، عن شعبةَ، عن العلاءِ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ،
--------------------------------------------
৩২৭ - (২৫) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে মিহরান আল-ইসমাঈলী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাওয়ার ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাওয়ার আল-আনবারী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-মু'তামির ইবনে সুলাইমান, আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন কোনো পাত্রে কুকুর মুখ দেয়, তখন তা সাতবার ধৌত করতে হবে, যার প্রথমবার হবে মাটি দিয়ে। আর যখন বিড়াল মুখ দেয়, তখন তা একবার ধৌত করতে হবে»
(১)।
৩২৮ - (২৬) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমা: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আজ-জুহরী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি
(২) আদী, শু'বাহ থেকে, তিনি আল-আলা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১৩)
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الدُّنيا سِجنُ المؤمنِ وجَنةُ الكافرِ»
(1).
329 - (27) أخبرنا أبو مسلمٍ إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ الكَجِّيُّ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ الأنصاريُّ: حدثني حُميدٌ الطويلُ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «انصُرْ أخاكَ ظالِماً أو مَظلوماً» قلتُ: يا رسولَ اللهِ، أنصُرُه مَظلوماً، فكيفَ أنصُرُه ظالماً؟ قالَ: «تَمنعُه مِن الظلمِ، فذلكَ نصرُكَ إيَّاهُ»
(2).
330 - (28) حدثنا أبو مسلمٍ [الكَجِّيُّ]
(3) إملاءً: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ رجاءٍ: حدثنا عبدُ العزيزِ الماجِشونُ، عن ابنِ شهابٍ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ عبدِ اللهِ، عن ابنِ عباسٍ، عن أبي طلحةَ:
سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «لا تدخُلُ الملائكةُ بيتاً فيه كلبٌ ولا صورةٌ»
(4).
--------------------------------------------
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফেরের জন্য জান্নাত»
(১)।
৩২৯ - (২৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাজ্জি: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি: আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমায়দ আত-তবিল, আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক বা মজলুম।’ আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে মজলুম হলে তো তাকে সাহায্য করব, কিন্তু সে জালেম হলে তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: «তাকে জুলুম করা থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই তাকে তোমার সাহায্য করা»
(২)।
৩৩০ - (২৮) আমাদের কাছে আবু মুসলিম [আল-কাজ্জি] শ্রুতলিখন হিসেবে হাদীস বর্ণনা করেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন রাজা: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল আজিজ আল-মাজিশুন, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আবু তালহা থেকে:
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «এমন ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না যে ঘরে কুকুর অথবা ছবি থাকে»
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১৪)
331 - (29) حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إبراهيمَ البُوشَنجيُّ: حدثنا أميةُ بنُ بِسطام: حدثنا يزيدُ بنُ زُريعٍ: حدثنا روحُ بنُ القاسمِ، عن سُهيلِ
(1) بنِ أبي صالحٍ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ،
عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الأرواحُ جُنودٌ مُجنَّدةٌ، فما تَعارفَ مِنها ائتلَفَ، وما تناكَرَ مِنها اختلَفَ»
(2).
332 - (30) حدثنا محمدُ بنُ إبراهيمَ البُوشَنجيُّ: حدثنا / روحُ بنُ صلاحٍ
(3) المصريُّ: حدثنا موسى بنُ عُليِّ بنِ رباحٍ، عن أبيه، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ العاصِ،
عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الحسدُ في اثنتَينِ: رَجلٍ آتاهُ اللهُ القرآنَ فقامَ به، وأحلَّ حلالَه وحرَّمَ حرامَه
(4)، ورَجلٍ آتاهُ اللهُ مالاً، فوَصلَ به أقرباءَه ورحِمَه وعملَ بطاعةِ اللهِ، تمنَّى أَن يكونَ مِثلَه، ومَن تكُنْ
(5) فيه أربعُ خِصالٍ
(6) فلا يَضرُّه ما زُوِيَ عنه مِن الدُّنيا: حُسنُ خَليقةٍ، وعَفافٌ، وصدقُ حَديثٍ، وحفظُ
--------------------------------------------
৩৩১ - (২৯) আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-বুশানজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমাইয়্যাহ বিন বিসতাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াযিদ বিন যুরাই' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: রাওহ বিন আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুহাইল
(১) বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «আত্মাসমূহ সমবেত সৈন্যদলের মতো। অতঃপর তাদের মধ্যে যারা একে অপরের পরিচিত হয়, তারা পরস্পর মিলেমিশে যায়; আর যারা একে অপরের অপরিচিত থাকে, তাদের মধ্যে অনৈক্য তৈরি হয়»
(২)।
৩৩২ - (৩০) মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-বুশানজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: রাওহ বিন সালাহ
(৩) আল-মিসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুসা বিন উলাই বিন রাবাহ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «ঈর্ষা কেবল দুটি ক্ষেত্রে: এমন এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ কুরআন দান করেছেন, অতঃপর সে তা নিয়ে দাঁড়িয়ে যায় (সালাত ও তিলাওয়াতে), এর হালালকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করে এবং হারামকে হারাম হিসেবে গণ্য করে
(৪); এবং এমন এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, অতঃপর সে তা দিয়ে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে এবং আল্লাহর আনুগত্যের কাজে ব্যয় করে, আর সে (অন্যজন) তার মতো হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে। আর যার মধ্যে চারটি বৈশিষ্ট্য
(৫) বিদ্যমান থাকে, দুনিয়ার যা কিছু তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে তাতে তার কোনো ক্ষতি হবে না: উত্তম চরিত্র, পবিত্রতা, সত্য কথা বলা এবং (আমানত) রক্ষা করা...»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১৫)
أمانةٍ»
(1).
333 - (31) أخبرنا عليُّ بنُ الحسينِ بنِ الجُنيدِ الرَّازي: حدثنا المُعافى بنُ سليمانَ: حدثنا زهيرٌ: حدثنا محمدُ بنُ جُحادةَ، أنَّ أبانَ حدَّثه عن أبي الصِّديقِ الناجي، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ للهِ عُتقاءَ مِن
(2) النارِ في كُلِّ يومٍ وليلةٍ، ولكُلِّ مسلمٍ في كُلِّ يومٍ دَعوةٌ مُستجابةٌ»
(3).
334 - (32) حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ أيوبَ بنِ يحيى بنِ ضُريسٍ الرَّازي: أخبرنا عبدُ اللهِ بنُ الجراحِ: حدثنا حمادُ
(4) بنُ زيدٍ، عن أيوبَ، عن أبي رجاءٍ العُطارديِّ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أدُّوا صاعاً مِن طعامٍ» يَعني في الفِطرِ
(5).
--------------------------------------------
আমানত»
(১).
৩৩৩ - (৩১) আলী ইবনুল হুসাইন ইবনুল জুনাইদ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুআফা ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে জুহাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবান তার কাছে আবুস সিদ্দিক আন-নাজি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই প্রত্যেক দিন ও রাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত একদল লোক থাকে এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য প্রতিদিন একটি কবুলযোগ্য দোয়া রয়েছে»
(৩)।
৩৩৪ - (৩২) আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দুরুইস আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল জাররাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাম্মাদ
(৪) ইবনে যাইদ আইয়ুব থেকে, তিনি আবু রাজা আল-উতারিদি থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা এক সা' পরিমাণ খাদ্য প্রদান করো» অর্থাৎ ফিতরের ক্ষেত্রে
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১৬)
335 - (33) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ الرَّازي: حدثنا
(1) يحيى بنُ هاشمٍ الغسانيُّ: حدثنا هشامُ بنُ عروةَ، عن أبيه، عن عائشةَ قالتْ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا حَضرَ الطعامُ أو العَشاءُ، وحَضرَت الصلاةُ فابدَؤوا بالطعامِ»
(2).
336 - (34) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ: أخبرنا محمدُ بنُ كثيرٍ: أخبرنا سفيانُ، عن محمدِ بنِ عقبةَ، عن كريبٍ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:
رَفعَت امرأةٌ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم صَبياً
(3) لها في مِحَفَّةٍ فقالتْ: يا رسولَ اللهِ، ألِهذا حجٌّ؟ قالَ: «نَعم، ولكِ أجرٌ»
(4).
337 - (35) حدثنا يوسفُ بنُ يعقوبَ القاضي: حدثنا عبدُ الواحدِ بنُ غياثٍ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن قتادةَ، عن شهرِ بنِ حوشبٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو
(5)،
--------------------------------------------
৩৩৫ - (৩৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আর-রাযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
(১) ইয়াহইয়া ইবনে হাশিম আল-গাসসানী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যখন রাতের খাবার উপস্থিত হয় এবং সালাতও উপস্থিত হয়, তখন তোমরা খাবার দিয়ে শুরু করো»
(২)।
৩৩৬ - (৩৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসীর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, মুহাম্মদ ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি ডুলিতে করে তাঁর এক শিশুকে তুললেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এর জন্য কি হজ হবে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, আর তোমার জন্য রয়েছে সওয়াব»
(৪)।
৩৩৭ - (৩৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে গিয়াস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে
(৫),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার
(পৃষ্ঠা: ৩১৭)
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «المقتولُ دونَ مالِه شهيدٌ»
(1).
338 - (36) * أخبرنا يوسفُ بنُ يعقوبَ: حدثنا سليمانُ بنُ حربٍ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن عَمرو بنِ دينارٍ، (عن عبدِ اللهِ بنِ عمرَ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «المَقتولُ دونَ مالِه شهيدٌ»
(2).
339 - (37) أخبرنا أبو مسلمٍ الكَجِّيُّ: حدثنا حجاجُ بنُ مِنهالٍ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن عَمرو بنِ دينارٍ)
(3)، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو،
--------------------------------------------
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ»
(১)।
৩৩৮ - (৩৬) * ইউসুফ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: সুলাইমান বিন হারব আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন যায়েদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দীনার থেকে, (আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে,
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ»
(২)।
৩৩৯ - (৩৭) আবু মুসলিম আল-কাজ্জী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাজ্জাজ বিন মিনহাল আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন যায়েদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দীনার থেকে)
(৩), আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে,
--------------------------------------------