(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن نجيد - ت جرار   (ابن نجيد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء ابن نجيد

[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 41

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

জুযউ ইবনে নুজাইদ - তাহকিক: জাররার   (ইবনে নুজাইদ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: জুযউ ইবনে নুজাইদ

[মুদ্রিত «তুরাদ আয-যাইনাবীর রচনাবলি، এবং অন্যান্য জুযউ»-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে]

মুহাক্কিক: নাবিল সাদ উদ্দিন জাররার

প্রকাশক: আরওয়াকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং، জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১

[কিতাবটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৩)
‌‌تَرجمةُ ابنِ نُجيدٍ

الشيخُ الإمامُ القدوةُ المُحدِثُ الرَّبانيُّ، شيخُ نَيسابورَ، أبو عَمرو إسماعيلُ بنُ نُجيدٍ ابنِ الحافظِ أحمدَ بنِ يوسفَ بنِ خالدٍ، السُّلميُّ النَّيسابوريُّ الصوفيُّ، كبيرُ الطائفةِ، ومُسندُ خُراسانَ.

مَولدُهُ في سَنةِ اثنتَينِ وسَبعينَ ومئتَينِ.

سمعَ: أبا مسلمٍ الكَجِّيَّ، وعبدَ اللهِ بنَ أحمدَ بنِ حنبلٍ، ومحمدَ بنَ أيوبَ البَجليَّ، ومحمدَ بنَ إبراهيمَ البُوشَنجيَّ، وإبراهيمَ بنَ أبي طالبٍ، وعليَّ بنَ الجُنيدِ الرَّازي، وجعفرَ بنَ أحمدَ بنِ نصرٍ، وجماعةً.

وله جزءٌ مِن أعلى ما سمعناهُ.

حدَّث عنه: سِبطُه أبو عبدِ الرحمنِ السُّلميُّ، وأبو عبدِ اللهِ الحاكمُ، وأبو نصرٍ أحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ الصَّفَّارُ، وعبدُ الرحمنِ بنُ حمدانَ النَّصروي، وعبدُ القاهرِ بنُ طاهرٍ الأُصوليُّ، وأبو نصرٍ عمرُ بنُ قَتادةَ، وأبو العلاءِ صاعدُ بنُ محمدٍ القاضي، وأبو نصرٍ محمدُ بنُ عَبْدش، وأبو حفصٍ عمرُ بنُ مسرورٍ، وآخَرونَ.

وقالَ الحاكمُ: ورِثَ أبو عَمرو مِن آبائِه أموالاً كثيرةً، فأنفَقَ سائرَها على العلماءِ والزُّهادِ، وصحبَ أبا عثمانَ الحِيريَّ والجُنيدَ، وسمعَ مِن الكَجِّيِّ وغيرِهِ.
ইবনে নুজায়েদের জীবনী

শায়খ, ইমাম, অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব, রাব্বানি মুহাদ্দিস, নিশাপুরের শায়খ, আবু আমর ইসমাইল বিন নুজায়েদ বিন হাফেজ আহমাদ বিন ইউসুফ বিন খালিদ, আস-সুলামি আন-নিশাপুরি আস-সুফি, এই জামায়াতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি এবং খুরাসানের মুসনিদ (নির্ভরযোগ্য হাদিস বর্ণনাকারী)।

তাঁর জন্ম ২৭২ হিজরি সালে।

তিনি হাদিস শুনেছেন: আবু মুসলিম আল-কাজ্জি, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব আল-বাজালি, মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল-বুশানজি, ইব্রাহিম বিন আবু তালিব, আলি বিন আল-জুনায়েদ আর-রাজি, জাফর বিন আহমাদ বিন নাসর এবং একদল আলেমের নিকট থেকে।

তাঁর একটি 'জুয' (হাদিস সংকলন) রয়েছে, যা আমাদের শোনা উচ্চ পর্যায়ের হাদিসগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: তাঁর দৌহিত্র আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আবু নাসর আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আস-সাফফার, আব্দুর রহমান বিন হামদান আন-নাসরাবি, আব্দুল কাহের বিন তাহের আল-উসুলি, আবু নাসর উমর বিন কাতাদাহ, আবুল আলা সায়িদ বিন মুহাম্মাদ আল-কাজি, আবু নাসর মুহাম্মাদ বিন আব্দাশ, আবু হাফস উমর বিন মাসরুর এবং আরও অনেকে।

আল-হাকিম বলেন: আবু আমর তাঁর পিতৃপুরুষদের নিকট থেকে প্রচুর ধন-সম্পদ উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলেন, যার সবটুকুই তিনি আলেম ও যাহিদদের (সংসারবিরাগী) পেছনে ব্যয় করেছেন। তিনি আবু উসমান আল-হিরি ও জুনাইদ বাগদাদির সাহচর্য লাভ করেছিলেন এবং আল-কাজ্জি ও অন্যদের থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৪)
تُوفيَ ابنُ نُجيدٍ في رَبيعٍ الأولِ سَنةَ خمسٍ وسِتينَ وثلاثِمئةٍ، عن ثلاثٍ وتسعينَ سَنةً(1).

--------------------------------------------

(1) «سير أعلام النبلاء» (16/ 146) بتصرف.

ইবনে নুজাইদ তিনশ পঁষট্টি হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে তিরানব্বই বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।(১)

--------------------------------------------

(১) ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (১৬/ ১৪৬) পরিমার্জিত।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৫)
‌‌جُزءُ ابنِ نُجيدٍ

تكرَّرَ ذِكرُ «جزء ابن نجيد» في كتبِ التراجمِ والتخريجِ، فضلاً عن المعاجمِ والفهارسِ والأثباتِ(1)، وذلك لعُلوِّ إسنادِهِ، وتقدَّمَ قولُ الذهبيِّ فيه: وله جُزءٌ مِن أَعلى ما سمعناهُ، وقالَ التُّجيبي في «برنامجه» (209): جزءٌ حسنٌ عالٍ بمرِّةٍ.

وتفرَّدَ بروايتِهِ عنه: الشيخُ الإمامُ الصالحُ القدوةُ الزَّاهدُ مسندُ خُراسانَ عمرُ بنُ أحمدَ بنِ عمرَ بنِ محمدِ بنِ مَسرورٍ، أبو حفصٍ النَّيسابوريُّ(2).

--------------------------------------------

(1) انظر على سبيل المثال لا الحصر: «التحبير» للسمعاني (1/ 588، 2/ 359)، و «المنتخب من معجمه» (2/ 866، 1261، 3/ 1812)، و «سير أعلام النبلاء» (10/ 162، 378، 13/ 575، 14/ 118، 19/ 616، 20/ 14، 20، 22/ 105)، و «الوفيات» لابن رافع (1/ 164، 2/ 337، 378)، و «العقد الثمين» للفاسي (5/ 270)، و «ذيل التقييد» له (2/ 63)، و «المشيخة الباسمة» تخريج ابن حجر (ص 148)، و «المنجم في المعجم» للسيوطي (ص 102، 112، 126، 136)، و «صلة الخلف» للروداني (ص 208).

(2) انظر «السير» (18/ 410). [وتوفي أبو حفص عمر بن أحمد بن عمر بن مسرور الزاهد الفامي الماوردي يوم السبت ثاني ذي القعدة سنة ثمان وأربعين وأربعمئة، وصلى عليه شيخ الإسلام إسماعيل بن عبد الرحمن الصابوني على باب مسجد المطرز، وكان مولده سنة ثمان وخمسين وثلاثمئة، فانقطع إسناد جزء ابن نجيد وأبي سهل محمد بن سليمان الصعلوكي. والله أعلم].

هذا ما جاء في ورقة العنوان من نسخة شهيد علي، بعد أن ذكر كلاماً عن ابن نجيد موجود بنصه في «الرسالة القشيرية» (ص 138).

ইবনে নুজাইদের জুয

জীবনী এবং তাখরিজ (সূত্র যাচাই) বিষয়ক গ্রন্থসমূহ ছাড়াও অভিধান, সূচিপত্র এবং আসবাত (সনদ সংকলন) গ্রন্থগুলোতে ‘জুয ইবনে নুজাইদ’-এর উল্লেখ বারবার এসেছে(১), আর এর কারণ হলো এর উচ্চ সনদ। এ বিষয়ে ইমাম আয-যাহাবীর বক্তব্য পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে: “তাঁর একটি ‘জুয’ রয়েছে যা আমাদের শোনা সর্বোচ্চ স্তরের বর্ণনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।” তুজিবি তাঁর ‘বারনামাজ’ (২০৯)-এ বলেছেন: “এটি একটি চমৎকার এবং অত্যন্ত উচ্চমানের জুয।”

তাঁর নিকট থেকে এটি বর্ণনায় একক ছিলেন: শাইখ, ইমাম, সৎকর্মশীল, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, দুনিয়াবিমুখ (যাহিদ), খুরাসানের মুসনিদ আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুর আন-নাইসাবুরি(২)।

--------------------------------------------

(১) উদাহরণস্বরূপ দেখুন (তবে কেবল এতেই সীমাবদ্ধ নয়): সামআনির ‘আত-তাহবির’ (১/ ৫৮৮, ২/ ৩৫৯), তাঁর মু’জাম থেকে নির্বাচিত সংকলন ‘আল-মুনতাখাব’ (২/ ৮৬৬, ১২৬১, ৩/ ১৮১২), ‘সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’ (১০/ ১৬২, ৩৭৮, ১৩/ ৫৭৫, ১৪/ ১১৮, ১৯/ ৬১৬, ২০/ ১৪, ২০, ২২/ ১০৫), ইবনে রাফে’র ‘আল-ওয়াফায়াত’ (১/ ১৬৪, ২/ ৩৩৭, ৩৭৮), ফাসি-র ‘আল-ইকদুত থামিন’ (৫/ ২৭০), তাঁরই ‘যাইলুত তাকিদ’ (২/ ৬৩), ইবনে হাজার কর্তৃক সম্পাদিত ‘আল-মাশইয়াকাতুল বাসিমা’ (পৃষ্ঠা ১৪৮), সুয়ুতির ‘আল-মানজাম ফিল মু’জাম’ (পৃষ্ঠা ১০২, ১১২, ১২৬, ১৩৬) এবং রুদানির ‘সিলাতুল খালাফ’ (পৃষ্ঠা ২০৮)।

(২) দেখুন ‘আস-সিয়ার’ (১৮/ ৪১০)। [যাহিদ, ফামি, মাওয়ার্দি আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন উমর বিন মাসরুর ৪৪৮ হিজরির দুল কাদা মাসের দ্বিতীয় দিন শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। শাইখুল ইসলাম ইসমাইল বিন আব্দুর রহমান আস-সাবূনী মুতাররিজ মসজিদের দরজায় তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান। তাঁর জন্ম ছিল ৩৫৮ হিজরিতে। ফলে জুয ইবনে নুজাইদ এবং আবু সাহল মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আস-সা’লুকির (উচ্চ) সনদটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ]।

শহীদ আলী পাণ্ডুলিপির শিরোনামের পাতায় এমনটিই এসেছে, সেখানে ইবনে নুজাইদ সম্পর্কে এমন কিছু কথা উল্লেখ করার পর যা হুবহু ‘আর-রিসালাতুল কুশাইরিয়্যাহ’ (পৃষ্ঠা ১৩৮)-তে বিদ্যমান।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৬)
* ويَرويه عنه ثلاثةٌ:

1 - محمدُ بنُ الفضلِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أبي العباسِ، أبو عبدِ اللهِ الصَّاعديُّ الفُرَاويُّ النَّيسابوريُّ الفَقيهُ(1).

2 - وإسماعيلُ بنُ أبي القاسمِ عبدِ الرحمنِ بنِ أبي بكرٍ صالحٍ، أبو محمدٍ النَّسابوريُّ القارئ(2).

3 - وتميمُ بنُ أبي سعيدِ بنِ أبي العباسِ، أبو القاسمِ الجُرجانيُّ، الشيخُ الفاضلُ المؤدِّبُ، مسندُ هَراةَ(3).

* ويَرويه عَنهم ثلاثةٌ:

(1) عن الفُرَاويِّ يَرويه المؤَيدُ بنُ محمدِ بنِ عليٍّ الطُّوسيُّ(4).

(2) وعن إسماعيلَ تَرويه زينبُ بنتُ عبدِ الرحمنِ بنِ الحسنِ الشَّعْريِّ(5).

(3) وعن تَميمٍ يَرويه أبو رَوحٍ عبدُ المعزِّ بنُ محمدٍ الهَرويُّ(6).

ومِن هذه الطرقِ الثلاثِ يَرويه التُّجيبي، والوادي آشي كما في «برنامجه»

--------------------------------------------

(1) توفي سنة (530 هـ). «تاريخ الإسلام» (11/ 512).

(2) توفي سنة (531 هـ). «تاريخ الإسلام» (11/ 544).

(3) توفي سنة (531 هـ). «السير» (20/ 20).

(4) أبو الحسن النيسابوري. الشيخ الإمام المقرئ المعمر مسند خراسان. توفي سنة (617 هـ). «السير» (22/ 104).

(5) أم المؤيد الجرجانية. الشيخة الجليلة مسندة خراسان. توفي سنة (615 هـ). «السير» (22/ 85).

(6) الساعدي الصوفي، الشيخ الجليل الصدوق المعمر مسند خراسان. توفي سنة (618 هـ). «السير» (22/ 114).

* এবং তাঁর থেকে এটি তিনজন বর্ণনা করেছেন:

১ - মুহাম্মাদ বিন আল-ফজল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবিল আব্বাস, আবু আব্দুল্লাহ আস-সা'ঈদি আল-ফুরাওয়ি আন-নাইসাবুরি আল-ফকিহ(১)।

২ - এবং ইসমাঈল বিন আবিল কাসিম আব্দুর রহমান বিন আবি বকর সালিহ, আবু মুহাম্মাদ আন-নাইসাবুরি আল-কারি(২)।

৩ - এবং তামিম বিন আবি সাঈদ বিন আবিল আব্বাস, আবু আল-কাসিম আল-জুনজানি, সম্মানিত শাইখ ও শিক্ষক, হেরাতের মুসনিদ(৩)।

* এবং তাঁদের থেকে এটি তিনজন বর্ণনা করেছেন:

(১) আল-ফুরাওয়ি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন আল-মুয়াইয়াদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলি আত-তুসি(৪)।

(২) এবং ইসমাঈল থেকে এটি বর্ণনা করেছেন যাইনাব বিনতে আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শা'রি(৫)।

(৩) এবং তামিম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন আবু রাওহ আব্দুল মুইয বিন মুহাম্মাদ আল-হারাউয়ি(৬)।

এবং এই তিনটি সূত্র থেকেই এটি আত-তুজিবি এবং আল-ওয়াদি আশি বর্ণনা করেছেন যেমনটি তাঁর «বারনামাজ» গ্রন্থে রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) ৫৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «তারিখুল ইসলাম» (১১/ ৫১২)।

(২) ৫৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «তারিখুল ইসলাম» (১১/ ৫৪৪)।

(৩) ৫৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «আস-সিয়ার» (২০/ ২০)।

(৪) আবুল হাসান আন-নাইসাবুরি। শাইখ, ইমাম, কারি, দীর্ঘজীবী, খোরাসানের মুসনিদ। ৬১৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «আস-সিয়ার» (২২/ ১০৪)।

(৫) উম্মুল মুয়াইয়াদ আল-জুনজানিয়া। মহীয়সী শাইখা, খোরাসানের মুসনিদা। ৬১৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «আস-সিয়ার» (২২/ ৮৫)।

(৬) আস-সা'ঈদি আস-সুফি, মহান শাইখ, অতি সত্যবাদী, দীর্ঘজীবী, খোরাসানের মুসনিদ। ৬১৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। «আস-সিয়ার» (২২/ ১১৪)।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৭)
(65)، والحافظُ كما في «المعجم المفهرس» (1600)، و «المجمع المؤسس» (1/ 326، 2/ 561، 615)، والسيوطيُّ في «أنساب الكتب» (2133).

ومِن الطريقَينِ الأُولَيينِ يَرويه ابنُ طُولونَ كما في «الفهرست الأوسط» (3/ 306)، ووصفَهُ بذِكرِ أولِهِ وآخِرِه.

 

*‌‌ النُّسخُ الخطيَّة:

وهو إسنادُ الجُزءِ في النُّسخةِ المصريةِ التي اتخذتُها أصلاً. أمَّا نُسخة شهيد علي فتَزيدُ عن الفُراويِّ راوياً رابعاً هو ابنُ الحَرَسْتانيِّ عبدُ الصمدِ بنُ محمدِ بنِ أبي الفضلِ أبو القاسمِ الدِّمشقيُّ(1). فقَد يسَّرَ اللهُ لي الحصولَ على ثلاثِ نُسخٍ خطيَّةٍ لهذا الجُزءِ:

[1] نسخةٌ ضِمنَ المجموعِ (1584) مِن مكتبةِ كوبرلي، الأوراق [26 - 31]، وليسَ فيها إسنادُ الجزءِ لا في ورقةِ العنوانِ ولا في بدايةِ الجُزءِ، وكذا خَلتْ مِن السَّماعاتِ، إلا سماعاتٍ مُختصرةً مُسطَّرةً أعلى ورقةِ العنوانِ. ولها الرمزُ (ك)(2).

[2] وليسَ الأمرُ كذلكَ في الأصلِ الذي اعتمدتُّهُ، وهي النُّسخةُ الموجودةُ ضمنَ المجموعِ (1558) مِن مجاميعِ دارِ الكتبِ المصريةِ، الأوراق [235 - 246].

--------------------------------------------

(1) الشيخ الإمام العالم المفتي المعمر الصالح، مسند الشام، شيخ الإسلام، قاضي القضاة. توفي سنة (614 هـ). انظر «السير» (22/ 80).

(2) وعلى الرغم من كثرة الأخطاء فيها فقد تفوقت على النسختين الأخريين في مواضع قليلة. ولم أثبت ما بينها وبين الأصل من فروق في صيغ السماع لكثرتها بين النسختين فلا يكاد يخلو منها إسناد. والله الموفق.

(৬৫), এবং আল-হাফিজ যেমনটি ‘আল-মু'জাম আল-মুফাহরাস’ (১৬০০)-এ উল্লেখ করেছেন, এবং ‘আল-মুজতামিউল মুয়াসসাস’ (১/ ৩২৬, ২/ ৫৬১, ৬১৫), আর সুয়ূতী ‘আনসাবুল কুতুব’ (২১৩৩)-এ উল্লেখ করেছেন।

আর প্রথম দুটি সূত্রের মাধ্যমে ইবনে তুলুন এটি বর্ণনা করেছেন যেমনটি ‘আল-ফিহরিসতুল আওসাত’ (৩/ ৩০৬)-এ বর্ণিত হয়েছে, এবং তিনি এর শুরু ও শেষ উল্লেখ করে এর বর্ণনা দিয়েছেন।

 

*‌‌ পাণ্ডুলিপিসমূহ:

আর এটি হলো সেই মিশরীয় পাণ্ডুলিপিতে থাকা জুয বা খণ্ডের সনদ যা আমি মূল হিসেবে গ্রহণ করেছি। তবে শহীদ আলীর পাণ্ডুলিপিতে ফুরাউয়ী থেকে চতুর্থ একজন বর্ণনাকারী বেশি রয়েছে, যিনি হলেন ইবনুল হারাসতানি আব্দুস সামাদ বিন মুহাম্মদ বিন আবিল ফাদল আবুল কাসিম আদ-দিমাশকি(১)। আল্লাহ তাআলা আমার জন্য এই জুযের তিনটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া সহজ করে দিয়েছেন:

[১] কুপরুলি লাইব্রেরির মাজমুয়া (১৫৮৪)-এর অন্তর্ভুক্ত একটি পাণ্ডুলিপি, পৃষ্ঠা [২৬ - ৩১], যাতে এই জুযের কোনো সনদ নেই—না শিরোনামের পাতায়, না জুযের শুরুতে। তেমনিভাবে এতে কোনো সামা-আত (শ্রবণলিপি) নেই, কেবল শিরোনামের পাতার উপরে সংক্ষিপ্তভাবে লেখা কিছু সামা-আত ব্যতীত। এর জন্য (কাফ) সংকেত ব্যবহার করা হয়েছে(২)।

[২] আর আমি যে মূল কপির ওপর নির্ভর করেছি তার বিষয়টি এমন নয়, এটি হলো মিশরের দারুল কুতুবের মাজমুয়াসমূহের মধ্য হতে মাজমুয়া (১৫৫৮)-এর অন্তর্ভুক্ত পাণ্ডুলিপি, পৃষ্ঠা [২৩৫ - ২৪৬]।

--------------------------------------------

(১) শায়খ, ইমাম, আলেম, মুফতি, দীর্ঘজীবী, নেককার, সিরিয়ার মুসনিদ, শায়খুল ইসলাম, প্রধান বিচারপতি। তিনি ৬১৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২২/ ৮০)।

(২) এতে ভুলের আধিক্য থাকা সত্ত্বেও সামান্য কিছু স্থানে এটি অপর দুটি পাণ্ডুলিপির চেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছে। আমি এই পাণ্ডুলিপি এবং মূল পাণ্ডুলিপির মাঝে সামা-আতের শব্দগত পার্থক্যের বিষয়গুলো উল্লেখ করিনি, কারণ দুই পাণ্ডুলিপির মাঝে এর সংখ্যা অনেক বেশি, এমন কোনো সনদ নেই বললেই চলে যা এ থেকে মুক্ত। আল্লাহই তৌফিকদাতা।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৮)
فقَد أُثبتَ في ورقةِ العنوانِ أنَّها مِن روايةِ الثلاثةِ المُتقدِّمِ ذِكرُهم -الفُرَاويُّ وإسماعيلُ وتَميمٌ-، عن أبي حفصِ بنِ مسرورٍ. وذُكرَ في بدايةِ الجُزءِ إسنادُ هذه النُّسخةِ إليهم كما يأتي.

وبعدَ نهايةِ الجُزءِ سماعاتٌ مَنقولةٌ مِن الأصلِ، لخَّصَها أبو الفضلِ بنُ القَلْقَلشنديِّ(1)، وفيها سماعاتٌ على الرُّواةِ الثلاثةِ سَنةَ (530، 531 هـ)، ثم سماعاتٌ على الطبقتَينِ بعدَهم.

جاءتْ هذه السماعاتُ المَنقولةُ بينَ سماعَين بخطِّ أبي الفضلِ بنِ القَلْقَشنديِّ سَنةَ (853، 857 هـ).

وعلى ورقةِ العنوانِ سماعانِ بخطِّه أيضاً سَنةَ (838، 839 هـ)، أولُهما على عائشةَ أمِّ الفضلِ راويةِ هذه النُّسخةِ.

[3] والنسخةُ الثالثةُ في الأوراقِ [137 - 145/أ] مِن المجموعِ (546) مِن مكتبةِ شهيد علي بتركيا. ولها الرمزُ (ش).

وصاحبُها وكاتبُها هو يوسفُ بنُ حسنِ بنِ مَروانَ التَّتَائيُّ المالكيُّ(2).

--------------------------------------------

(1) عبد الرحمن بن أحمد بن إسماعيل بن محمد، أبو الفضل ابن القطب القلقشندي القاهري الشافعي، يعرف بالتقي القلقشندي. توفي سنة (871 هـ). «الضوء اللامع» (4/ 46).

(2) ولد في تتا -قرية من قرى المنوفية في مصر- قال السخاوي في «الضوء اللامع» (10/ 311): طلب الحديث وقتاً وسمع الكثير بقراءتي وقراءة غيري .. وقد حج في سنة ثلاث وتسعين.

قلتُ: كذا في المطبوع، ولعله: سنة ثلاث وتسعمئة، كما في «نيل الابتهاج بتطريز الديباج» (ص 630)، و «شجرة النور الزكية في طبقات المالكية» (1/ 394) وزاد: لم أقف على وفاته.

ويأتي في السماعات أنه قرئ عليه هذا الجزء في شوال سنة (916 هـ)، ودفعني هذا للنظر السريع في سماعات أجزاء مجموع شهيد علي، حيث أن بعضها بخطه، فوجدت عدة سماعات عليه وبخطه سنة (915 هـ)، وسماعين في خامس عشر ذي الحجة سنة (916 هـ).

শিরোনাম পত্রে এটি সাব্যস্ত করা হয়েছে যে, এটি পূর্বে উল্লিখিত তিনজনের বর্ণনা—আল-ফুরাভি, ইসমাইল এবং তামিম—যাঁরা আবু হাফস ইবনে মাসরুর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর খণ্ডের শুরুতে এই পাণ্ডুলিপির সনদ তাঁদের পর্যন্ত নিম্নোক্তভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

খণ্ডটি শেষ হওয়ার পর মূল কপি থেকে সংকলিত শ্রবণ-অনুমতিপত্রসমূহ (সামা‘আত) রয়েছে, যা আবুল ফজল ইবনে আল-কালকাশান্দি(১) সংক্ষেপ করেছেন; এবং এতে ৫৩০ ও ৫৩১ হিজরি সালে উক্ত তিন রাবির নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে, অতঃপর তাঁদের পরবর্তী দুই স্তরের রাবিদের নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে।

এই সংকলিত শ্রবণ-অনুমতিপত্রগুলো ৮৫৩ ও ৮৫৭ হিজরি সালে আবুল ফজল ইবনে আল-কালকাশান্দির হস্তাক্ষরে লিখিত দুটি শ্রবণের মধ্যবর্তী সময়ে এসেছে।

শিরোনাম পত্রে তাঁর হস্তাক্ষরে আরও দুটি শ্রবণ-অনুমতিপত্র রয়েছে যা ৮৩৮ ও ৮৩৯ হিজরি সালের; তার প্রথমটি এই পাণ্ডুলিপির বর্ণনাকারী আয়েশা উম্মুল ফজল থেকে শ্রুত।

[৩] তৃতীয় পাণ্ডুলিপিটি তুরস্কের শহিদ আলি লাইব্রেরির ৫৪৬ নম্বর সংকলনের [১৩৭ - ১৪৫/ক] পত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে। এর সংকেত চিহ্ন হলো (শ)।

এর মালিক ও লেখক হলেন ইউসুফ ইবনে হাসান ইবনে মারওয়ান আত-তাতাঈ আল-মালিকি(২)।

--------------------------------------------

(১) আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ, আবুল ফজল ইবনুল কুতুব আল-কালকাশান্দি আল-কাহিরি আশ-শাফিয়ি, তিনি তাকি আল-কালকাশান্দি নামে পরিচিত। তিনি ৮৭১ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। ‘আদ-দাউ আল-লামি’ (৪/ ৪৬)।

(২) তিনি মিশরের মানুফিয়া প্রদেশের তাতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাখাভি ‘আদ-দাউ আল-লামি’ (১০/ ৩১১)-তে বলেছেন: তিনি কিছুকাল হাদিস অন্বেষণ করেছেন এবং আমার পাঠে ও অন্যদের পাঠে প্রচুর হাদিস শ্রবণ করেছেন... এবং তিনি তিরাশি (৯৩) সালে হজ করেছেন।

আমি (সম্পাদক) বলছি: মুদ্রিত কপিতে এভাবেই আছে, সম্ভবত এটি ৯০৩ হিজরি সাল হবে, যেমনটি ‘নাইলুল ইবতিহাজ বি তাতরিযিদ দিবাজ’ (পৃ. ৬৩০) এবং ‘শাজারাতুন নূর আজ-জাকিয়্যাহ ফি তাবাকাতিল মালিকিয়্যাহ’ (১/ ৩৯৪)-তে রয়েছে এবং তাতে আরও যোগ করা হয়েছে: আমি তাঁর মৃত্যুর সময়কাল জানতে পারিনি।

শ্রবণ-অনুমতিপত্রগুলোতে দেখা যায় যে, ৯১৬ হিজরি সালের শাওয়াল মাসে তাঁর নিকট এই অংশটি পাঠ করা হয়েছে। এটি আমাকে শহিদ আলি সংকলনের বিভিন্ন অংশের শ্রবণ-অনুমতিপত্রগুলো দ্রুত পর্যালোচনার দিকে ধাবিত করেছে, যেহেতু তার কতকাংশ তাঁর স্বহস্তে লিখিত। ফলে আমি ৯১৫ হিজরি সালে তাঁর নিকট এবং তাঁর হস্তাক্ষরে বেশ কিছু শ্রবণ-অনুমতিপত্র এবং ৯১৬ হিজরি সালের ১৫ই জিলহজ তারিখের দুটি শ্রবণ-অনুমতিপত্র পেয়েছি।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৮৯)
* بروايتِه عن أمِّ هانئٍ مريمَ بنتِ عليِّ بنِ عبدِ الرحمنِ الهُورينيِّ المصريةِ الشافعيةِ.

* عن النَّشاوريِّ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ سليمانَ أبي محمدٍ المكيِّ.

* عن الرَّضيِّ الطَّبريِّ إبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ أبي بكرٍ أبي أحمدَ المكيِّ(1).

* عن المُرْسِي محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ أبي الفضلِ أبي عبدِ اللهِ الأندلسيِّ(2).

* بروايتِه عن المشايخِ الأربعةِ المُتقدمِ ذِكرُهم: المُؤيدِ الطُّوسيِِّ، وزينبَ بنتِ الشَّعْريِّ، وأبي رَوحٍ الهَرويِّ، وابنِ الحَرَسْتانيِّ، بأسانيدِهم المُتقدمةِ.

وفي آخِرِ الجُزءِ سماعاتٌ مَنقولةٌ:

سماعٌ سَنةَ (694 هـ) لأبي الفتحِ بنِ سيِّدِ الناسِ(3) وغيرِهِ على سيدةَ بنتِ

--------------------------------------------

(1) الرضي الطبري والنشاوري وأم هانئ تقدمت تراجمهم (ص 21).

(2) الإمام العلامة البارع القدوة. توفي سنة (655 هـ). انظر «السير» (23/ 312).

(3) محمد بن محمد بن محمد بن أحمد أبو الفتح اليعمري، العلامة المحدث الحافظ الأديب البارع صاحب المصنفات. توفي سنة (734 هـ). انظر «تذكرة الحفاظ» (4/ 197).

* উম্মে হানি মরিয়ম বিনতে আলি বিন আব্দুর রহমান আল-হুরিনি আল-মিসরিয়্যাহ আশ-শাফিয়্যাহ-এর মাধ্যমে তাঁর বর্ণনায়।

* আন-নাশাঅরি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আবু মুহাম্মদ আল-মাক্কি থেকে।

* আর-রাদি আত-তাবারী ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবু বকর আবু আহমদ আল-মাক্কি থেকে(১)।

* আল-মুরসি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবু আল-ফাদল আবু আব্দুল্লাহ আল-আন্দালুসি থেকে(২)।

* ইতিপূর্বে উল্লিখিত চারজন শায়খ: আল-মুওয়াইয়্যাদ আত-তুসি, যায়নাব বিনতে আশ-শা’রি, আবু রাওহ আল-হারাবি এবং ইবনুল হারাসতানি-এর মাধ্যমে তাঁদের ইতিপূর্বে বর্ণিত সনদসমূহের সাথে তাঁর বর্ণনায়।

এবং পাণ্ডুলিপির এই অংশের শেষে কিছু নকলকৃত শ্রুত বিবরণ রয়েছে:

সাইয়্যিদা বিনতে এর নিকট আবু আল-ফাতহ ইবনে সাইয়্যিদুন নাস(৩) এবং অন্যদের (৬৯৪ হিজরি) সনের শ্রুত বিবরণ...

--------------------------------------------

(১) আর-রাদি আত-তাবারী, আন-নাশাঅরি এবং উম্মে হানির জীবনী ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (পৃষ্ঠা ২১)।

(২) ইমাম, আল্লামা, বিজ্ঞ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি (৬৫৫ হিজরি) সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২৩/৩১২)।

(৩) মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আবু আল-ফাতহ আল-ইয়ামারি, আল্লামা, মুহাদ্দিস, হাফেজ, বিজ্ঞ সাহিত্যিক ও বহু গ্রন্থের প্রণেতা। তিনি (৭৩৪ হিজরি) সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: ‘তাযকিরাতুল হুফফাজ’ (৪/১৯৭)।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৯০)
موسى المارانيِّ(1)، بإجازَتِها مِن المَشايخِ الثلاثةِ: المُؤيدِ الطُّوسيِّ وزينبَ وأبي روحٍ الهَرويِّ. ثم سماعٌ على ابنِ سيِّدِ الناسِ سَنةَ (733 هـ). ثم سماعٌ لأمِّ هانئٍ على النَّشاوريِّ سَنةَ (785 هـ). وسماعٌ على ابنِ الأَنماطيِّ(2) بسماعِهِ مِن ابنِ الحَرَسْتانيِّ وإجازتِهِ مِن المُؤيدِ وزينبَ سَنةَ (681 هـ). ثم سماعٌ بخطِّ كاتبِ الجُزءِ التَّتَائيِّ على أمِّ هانئٍ سَنةَ (863 هـ).

ثم في الورقةِ التي تَليها [145/ أ] سماعٌ بخطِّه عَليها بقراءةِ السَّخاويِّ سَنةَ (865 هـ) لِهذا الجُزءِ وأجزاءٍ أُخرى هي: «السَّلَماسيات»، وَ «مجلسين من أمالي نِظام الملك»، وَ «خماسيات ابن النَّقُّور»، وَ «وصية النبي ^ لعلي رضي الله عنه» وَ «جزء الحضرمي»، وَ «فضائل رجب» للخلالِ، وَ «الأربعين المختارة» لابنِ مُسْدِي، بسماعِها لِجميعِ ما ذُكرَ على العَفيفِ النَّشاوريِّ، عن الرَّضيِّ إبراهيمَ الطَّبريِّ بأسانيدِه إليها.

وعلى جانبِ الورقةِ [144/أ] سَماعٌ على التَّتَائيِّ بخطِّه في شوالٍ سَنةَ (916 هـ).

وعلى جانبِ الورقةِ الأُولى [138/أ] سماعٌ بخطِّ محمدٍ المُظفَّري سَنةَ (917 هـ).

 

*‌‌ طبعةٌ سابقةٌ:

وقَد طُبعَ هذا الجزءُ مَع بقيةِ أجزاءِ مجموعِ دارِ الكتبِ المصريةِ في مجلَّدينِ باسمِ «الفوائد لابن منده» لَدى دارِ الكتبِ العلميةِ، بتحقيقِ خلاف

--------------------------------------------

(1) توفيت سنة (695 هـ). انظر «ذيل التقييد» (2/ 377).

(2) محمد بن إسماعيل بن عبد الله بن عبد المحسن المصري ثم الدمشقي. توفي سنة (684 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (15/ 526).

মুসা আল-মারানি(১), তিনজন শাইখের কাছ থেকে তার ইজাযতের মাধ্যমে: আল-মুয়াইয়িদ আত-তুসি, যাইনাব এবং আবু রুহ আল-হারাউয়ি। এরপর ৭৩৩ হিজরি সনে ইবনু সাইয়িদিন নাস-এর নিকট শ্রবণের মজলিস। এরপর ৭৮৫ হিজরি সনে আন-নাশাওয়ারির নিকট উম্মু হানির শ্রবণের মজলিস। এবং ৬৮১ হিজরি সনে ইবনুল আনমাতি(২)-এর নিকট শ্রবণের মজলিস, যা তিনি ইবনুল হারাসতানি থেকে শ্রবণ করেছেন এবং আল-মুয়াইয়িদ ও যাইনাব থেকে ইজাযত প্রাপ্ত হয়েছেন। এরপর ৮৬৩ হিজরি সনে এই পাণ্ডুলিপির অংশটির লেখক আত-তাতায়ি-এর হস্তলিপিতে উম্মু হানির নিকট শ্রবণের মজলিস।

তারপর পরবর্তী পৃষ্ঠায় [১৪৫/অ] তার হস্তলিপিতে তার কাছে আস-সাখাওয়ির পাঠের মাধ্যমে ৮৬৫ হিজরি সনে এই অংশ এবং অন্যান্য অংশসমূহের শ্রবণের মজলিস; সেগুলো হলো: «আস-সালামাসিয়্যাত», এবং «আমালি নিযামিল মুলক-এর দুটি মজলিস», এবং «খুমাসিয়্যাত ইবনুন নাক্কুর», এবং «আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসিয়ত», এবং «জুযউল হাদরামি», এবং আল-খাল্লালের «ফাদাইলু রাজাব», এবং ইবনু মুসদির «আল-আরবাউনাল মুখতারা»; উল্লিখিত সকল কিতাব তিনি আফিফ আন-নাশাওয়ারির নিকট শ্রবণ করেছেন, যা তিনি আর-রাদি ইবরাহিম আত-তাবারির নিকট থেকে তার সনদসমূহসহ লাভ করেছেন।

এবং পৃষ্ঠার পার্শ্বভাগে [১৪৪/অ] ৯১৬ হিজরি সনের শাওয়াল মাসে আত-তাতায়ি-এর হস্তলিপিতে তার নিকট শ্রবণের মজলিস।

এবং প্রথম পৃষ্ঠার পার্শ্বভাগে [১৩৮/অ] ৯১৭ হিজরি সনে মুহাম্মাদ আল-মুজাফফারির হস্তলিপিতে শ্রবণের মজলিস।

 

*‌‌ পূর্ববর্তী সংস্করণ:

আর এই অংশটি দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহর সংগ্রহের অবশিষ্ট অংশগুলোর সাথে দুই খণ্ডে «আল-ফাওয়াইদ লি-ইবনু মানদাহ» নামে দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, যা খিলাফ কর্তৃক সম্পাদিত।

--------------------------------------------

(১) তিনি ৬৯৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: «যাইলুত তাকয়িদ» (২/৩৭৭)।

(২) মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাইল ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল মুহসিন আল-মিসরি, অতঃপর আদ-দিমাশকি। তিনি ৬৮৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: «তারিখুল ইসলাম» (১৫/৫২৬)।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৯১)
محمود عبد السميع، سَنةَ (1423 هـ - 2002 م).

ثم قابلتُ هذا الجزءَ -مَع الأجزاءِ التي لم تُطبعْ مُفردةً مِن أجزاءِ هذا المجموعِ- على المَخطوطِ، ونَشرتُهُ مَنسوخاً دونَ تَخريجٍ أو تعليقٍ في «ملتقى أهل الحديث» على شبكةِ المَعلوماتِ العالميَّةِ.
মাহমুদ আবদুস সামি, সন (১৪২৩ হিজরি - ২০০২ খ্রিস্টাব্দ)।

অতঃপর আমি এই অংশটি—এই সংকলনের সেই অংশগুলোর সাথে যা পৃথকভাবে মুদ্রিত হয়নি—পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়েছি এবং কোনো তাখরিজ বা টীকা ছাড়াই অনুলিপি হিসেবে ইন্টারনেটে ‘মুলতাকা আহলিল হাদিস’-এ প্রকাশ করেছি।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৯৭)
الجزءُ فيه

مِن أحاديثِ أبي عَمرو إسماعيلَ بنِ نُجيدِ بنِ أحمدَ

بنِ يوسفَ السُّلميِّ

روايةُ أبي حفصٍ عمرَ بنِ أحمدَ بنِ مَسرورٍ الزاهدِ عنه

روايةُ أبي عبدِ اللهِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ الفضلِ(1)

الفُرَاويِّ عنه

وكَذا أبو القاسمِ تَميمُ بنُ أبي سعيدٍ الجُرجانيُّ

وكَذا أبو محمدٍ إسماعيلُ بنُ أبي القاسمِ عبدِ الرحمنِ

بنِ أبي بكرٍ القارئُ

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل، وهو أبو عبد الله محمد بن الفضل بن أحمد الفراوي.
এই খণ্ডে রয়েছে

আবু আমর ইসমাঈল বিন নুজাইদ বিন আহমাদ

বিন ইউসুফ আস-সুলামীর হাদিসসমূহ থেকে

তাঁর সূত্রে আবু হাফস উমর বিন আহমাদ বিন মাসরুর আজ-জাহিদের বর্ণনা

তাঁর সূত্রে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-ফাদল(১)

আল-ফুরাভীর বর্ণনা

এবং অনুরূপভাবে আবু আল-কাসিম তামীম বিন আবু সাঈদ আল-জোরজানী

এবং অনুরূপভাবে আবু মুহাম্মাদ ইসমাঈল বিন আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান

বিন আবু বকর আল-কারী

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এমনই রয়েছে, আর তিনি হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আল-ফাদল বিন আহমাদ আল-ফুরাভী।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ২৯৯)
بسم الله الرحمن الرحيم

ربِّ زِدْني عِلماً وفَهماً(1)

قرأتُ على المُسنِدةِ الأَصيلةِ الكاتبةِ أمِّ الفضلِ عائشةَ ابنةِ الإمامِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ محمدٍ العَسقلانيِّ(2)، عن جَدِّها لأُمِّها أبي الحرمِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ محمدٍ القَلانسيِّ(3) قالَ: أخبرنا أبو العزِّ عبدُ العزيزِ بنُ أبي الفُتوحِ نصرِ بنِ أبي الفرجِ بنِ عليِّ بنِ الحُصْريِّ(4)، وأبو حامدٍ محمدُ بنُ عمرَ بنِ عليِّ بنِ المُفْرِضِ(5) سَنةَ (687) بإجازتِهما مِن: المؤيَّدِ بنِ(6) محمدِ بنِ عليٍّ الطوسيِّ، وأبي روحٍ عبدِ المعزِ بنِ محمدٍ الهَرويِّ، وزينبَ بنتِ عبدِ الرحمنِ

--------------------------------------------

(1) ليست في (ك)، وبعده بياض لعدة أسطر، ثم: أخبرنا أبو عمرو إسماعيل .. .

(2) وتسمى ست العيش، أكثر عنها الطلبة بأخرة، وكانت خيرة صالحة من بيت علم ورواية. توفيت سنة (840 هـ). «الضوء اللامع» (12/ 78).

(3) كان خيراً ديناً متواضعاً، وحدث بالكثير وصار مسند الديار المصرية في زمانه. مات سنة (765 هـ). «الدرر الكامنة» (5/ 505).

(4) توفي سنة (688 هـ). «تاريخ الإسلام» (15/ 609).

(5) قال في «الأنساب» (5/ 356): هذه اللفظة اسم لمن يعمل الفرائض، وأهل مصر يقولون له المفرض والفارض.

وهو أبو حامد ابن الشيخ شرف الدين بن الفارض. توفي سنة (688 هـ). «تاريخ الإسلام» (15/ 619).

(6) كنت أثبتها في النسخة التي نشرتها على الشبكة: «المؤيدين: محمد .. »!! شأني في ذلك شأن الطبعة التي وصفتها -ولا أزال- بأن فيها [من التصحيف والتحريف والسقط ما الله به عليم]. والحمد لله على كل حال.
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে আমার রব! আমার জ্ঞান ও বোধশক্তি বৃদ্ধি করে দিন।(১)

আমি পাঠ করেছি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী (মুসনিদাহ), বিদুষী লেখিকা উম্মুল ফদল আয়িশাহ বিনতে ইমাম আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ আল-আসকালানির(২) নিকট, তিনি তাঁর মাতামহ আবুল হারাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-কালানিসির(৩) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয আব্দুল আযীয বিন আবিল ফুতুহ নাসর বিন আবিল ফারাজ বিন আলী বিন আল-হুসরি(৪) এবং আবু হামিদ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আলী বিন আল-মুফরিদ(৫) ৬৮৭ হিজরিতে, তাঁরা উভয়ে ইজাযতপ্রাপ্ত হয়েছেন: মুয়াইয়িদ বিন(৬) মুহাম্মদ বিন আলী আত-তুসি, আবু রুহ আব্দুল মুয়িয বিন মুহাম্মদ আল-হারাউয়ি এবং যাইনাব বিনতে আব্দুর রহমান-এর নিকট থেকে।

--------------------------------------------

(১) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এটি নেই, এর পরে কয়েক লাইনের ফাঁকা জায়গা রয়েছে, এরপর আছে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইসমাইল...।

(২) তাঁকে সিত্তুল আইশও বলা হতো। শেষ বয়সে অনেক ছাত্র তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন। তিনি একজন নেককার ও সচ্চরিত্রবান নারী ছিলেন এবং ইলম ও বর্ণনার ঐতিহ্যের অধিকারী এক পরিবারের সদস্য ছিলেন। তিনি ৮৪০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‘আদ-দাওউল লামি’ (১২/৭৮)।

(৩) তিনি সজ্জন, ধর্মপ্রাণ ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সময়ে মিসর ভূখণ্ডের শীর্ষ বর্ণনাকারী (মুসনিদ) ছিলেন। তিনি ৭৬৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‘আদ-দুরারুল কামিনাহ’ (৫/৫০৫)।

(৪) তিনি ৬৮৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‘তারিখুল ইসলাম’ (১৫/৬০৯)।

(৫) ‘আল-আনসাব’ (৫/৩৫৬) গ্রন্থে বলা হয়েছে: এই শব্দটি এমন ব্যক্তির উপাধি যিনি উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েয) নিয়ে কাজ করেন; মিসরবাসীরা তাঁকে ‘আল-মুফরিদ’ বা ‘আল-ফারিস’ বলে ডাকে। তিনি হলেন শায়খ শরাফ উদ্দিন বিন আল-ফারিসের পুত্র আবু হামিদ। তিনি ৬৮৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ‘তারিখুল ইসলাম’ (১৫/৬১৯)।

(৬) ইন্টারনেটে আমি যে পাণ্ডুলিপিটি প্রকাশ করেছিলাম তাতে আমি একে ‘আল-মুয়াইয়িদাইন: মুহাম্মদ...’ হিসেবে লিখেছিলাম!! এক্ষেত্রে আমার অবস্থা ছিল সেই মুদ্রণটির মতোই যা সম্পর্কে আমি বলেছি—এবং এখনও বলছি—যে তাতে [এত বেশি ভুল, বিকৃতি ও বিচ্যুতি রয়েছে যা আল্লাহই ভালো জানেন]। সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০০)
بنِ الحسنِ الشَّعْريِّ.

قالَ الأولُ: أخبرنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ الفضلِ الفُرَاويُّ فقيهُ الحرمِ الشريفِ، وقالَ الثاني: أخبرنا أبو القاسمِ تميمُ بنُ أبي سعيدٍ الجُرجانيُّ، وقالتْ زينبُ: أخبرنا أبو محمدٍ إسماعيلُ بنُ أبي بكرٍ القارئُ،

قالوا: أخبرنا أبو حفصٍ عمرُ بنُ أحمدَ بنِ مسرورٍ الزاهدُ سَنةَ (445): أخبرنا أبوعَمرو إسماعيلُ(1) بنُ نُجيدِ بنِ أحمدَ بنِ يوسفَ السُّلميُّ [قراءةً

--------------------------------------------

(1) في (ش) بعد البسملة: اللهم صل على عبدك وسيدنا محمد

أخبرتنا المسندة الأصيلة أم هانئ مريم ابنة العلامة نور الدين علي ابن قاضي القضاة عبد الرحمن الهوريني قراءة عليها وأنا أسمع بمنزلها من القاهرة في يوم الثلاثاء خامس شهر الله الحرام ذي الحجة ختام سنة ثلاث وستين وثمانمئة قالت: أخبرنا الإمام عفيف الدين أبو محمد عبد الله بن محمد بن محمد بن سليمان النشاوري قال: أخبرنا العلامة رضي الدين إمام المقام أبو أحمد إبراهيم بن محمد بن إبراهيم بن أبي بكر الطبري قال: أخبرنا الشيخ الإمام الزاهد شرف الدين محمد بن عبد الله بن محمد المرسي قال: أخبرنا المشايخ الأربعة: الإمام المسند رضي الدين أبو الحسن المؤيد بن محمد بن علي الطوسي، وأبو روح عبد المعز بن محمد بن أبي الفضل الهروي، وجمال الدين أبو القاسم عبد الصمد بن محمد بن أبي الفضل بن علي بن عبد الواحد بن الحرستاني، وأم المؤيد زينب بنت عبد الرحمن بن الحسن الأشعري.

قال المؤيد الطوسي وابن الحرستاني: أخبرنا الإمام أبو عبد الله فقيه الحرم محمد بن الفضل بن أحمد بن صاعد الصاعدي الفراوي، قال المؤيد: سماعاً، وابن الحرستاني: إجازة. وقال أبو روح عبد المعز الهروي: أخبرنا أبو القاسم تميم بن أبي سعيد بن أبي العباس الجرجاني. وقالت زينب: أخبرنا أبو محمد إسماعيل بن أبي القاسم بن أبي بكر القارئ.

قال هو والجرجاني والفراوي: أخبرنا الإمام الزاهد أبو حفص عمر بن أحمد بن عمر بن مسرور قال: أخبرنا الإمام أبو عمرو إسماعيل .. .
বিন হাসান আল-আশআরী।

প্রথমজন বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারাম শরীফের ফকিহ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-ফুরাওয়ি। দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম তামিম বিন আবি সাঈদ আল-জোরজানি। যায়নাব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আবি বকর আল-ক্বারি।

তাঁরা বলেন: ৪৪৫ হিজরি সালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহিদ আবু হাফস ওমর বিন আহমাদ বিন মাসরুর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইসমাইল(১) বিন নুজাইদ বিন আহমাদ বিন ইউসুফ আস-সুলামি [পাঠ করার মাধ্যমে...

--------------------------------------------

(১) (শ) পাণ্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর রয়েছে: হে আল্লাহ! আপনার বান্দা ও আমাদের নেতা মুহাম্মদের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।

মূল সনদধারী আমানতদার উম্মে হানি মারিয়াম, যিনি আল্লামা নূরুদ্দিন আলি ইবনে প্রধান বিচারপতি আব্দুর রহমান আল-হাওরিনির কন্যা, তিনি আমাদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন—তখন আমি কায়রোতে তাঁর বাসভবনে তা শুনছিলাম—মঙ্গলবার দিন, আল্লাহর পবিত্র মাস জিলহজ মাসের পাঁচ তারিখ, ৮৬৩ হিজরি সালের শেষে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আফিফুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আন-নাশাভুরি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল্লামা রাদিউদ্দিন মাক্বামের ইমাম আবু আহমাদ ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবি বকর আত-তাবারী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম জাহিদ শরফুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-মুরসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন চারজন মাশায়েখ: মুসনিদ ইমাম রাদিউদ্দিন আবু আল-হাসান আল-মুয়াইয়্যাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলি আত-তুসি, আবু রুহ আব্দুল মুয়িজ বিন মুহাম্মদ বিন আবি আল-ফজল আল-হারাওয়ি, জামালুদ্দিন আবু আল-কাসিম আব্দুল সামাদ বিন মুহাম্মদ বিন আবি আল-ফজল বিন আলি বিন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আল-হারাস্তানি এবং উম্মুল মুয়াইয়্যাদ যায়নাব বিনতে আব্দুর রহমান বিন হাসান আল-আশআরী।

মুয়াইয়্যাদ আত-তুসি ও ইবনুল হারাস্তানি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হারাম শরীফের ফকিহ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বিন আহমাদ বিন সাঈদ আস-সায়িদি আল-ফুরাওয়ি। মুয়াইয়্যাদ বলেন: শ্রবণের মাধ্যমে এবং ইবনুল হারাস্তানি বলেন: অনুমতির (ইজাজত) মাধ্যমে। আবু রুহ আব্দুল মুয়িজ আল-হারাওয়ি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম তামিম বিন আবি সাঈদ বিন আবি আল-আব্বাস আল-জোরজানি। যায়নাব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আবি আল-কাসিম বিন আবি বকর আল-ক্বারি।

তিনি, আল-জোরজানি এবং আল-ফুরাওয়ি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম জাহিদ আবু হাফস ওমর বিন আহমাদ বিন ওমর বিন মাসরুর। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আমর ইসমাইল...।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০১)
عليه](1) في رجبٍ سَنةَ (364)(2) قالَ:

 

303 - (1) أخبرنا أبو مسلمٍ إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ الكَجِّيُّ: حدثنا أبو عاصمٍ الضحاكُ بنُ مَخلدٍ النَّبيلُ، عن الأَوزاعيِّ: حدثني قرةُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن ابنِ شهابٍ، عن أبي سلمةَ، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «(يقولُ اللهُ)(3): أَحبُّ عِبادي إليَّ أعجَلُهم فِطراً»(4).

 

304 - (2) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ بنِ يحيى بنِ ضُريسٍ الرَّازي: أخبرنا الفَرَويُّ(5): حدثنا عبدُ اللهِ بنُ عمرَ، عن عُبيدِ اللهِ، عن القاسمِ، عن عائشةَ،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كُفنَ في ثلاثةِ أثوابٍ بِيضٍ سُحُوليَّةٍ، أُدرِجَ فيها إِدراجاً(6).

--------------------------------------------

(1) من (ك).

(2) من (ك)، وفي الأصل و (ش): «أربع وثلاثين وثلاثمئة»، والمثبت هو الصواب إن شاء الله، لأن ابن مسرور ولد سنة (358) كما في «المنتخب من تاريخ نيسابور» (ص 402).

(3) ليست في (ش). وفي (ك): قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يعني قال الله .. .

(4) أخرجه ابن عساكر (242)، وابن نقطة في «التقييد» (1/ 209) من طريق المصنف.

وأخرجه الترمذي (700) (701)، وأحمد (2/ 237 - 238، 329)، وابن خزيمة (2062)، وابن حبان (3507) (3508)، والبيهقي (4/ 237) من طريق الأوزاعي به. وقال الترمذي: حسن غريب. وضعفه الألباني.

(5) هو إسحاق بن محمد بن أبي فروة، وتحرف في (ش) إلى: الهروي.

(6) أخرجه أبو بكر الشافعي في «الغيلانيات» (554) (555) من طريق عبد الله بن عمر العمري به.

وأخرجه البخاري (1264) وأطرافه، ومسلم (941)، وأحمد (6/ 118، 132) من طريق عروة، عن عائشة بنحوه، وليس عند الشيخين: أدرج فيها إدراجاً.
তাঁর উপর](১) ৩৬৪ হিজরীর(২) রজব মাসে তিনি বলেছেন:

 

৩০৩ - (১) আবু মুসলিম ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আল-কাজ্জী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আসিম আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ আন-নাবিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আওযাঈ থেকে: কুররাহ ইবনে আবদুর রহমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে শিহাব থেকে, আবু সালামাহ থেকে, আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «(আল্লাহ বলেন)(৩): আমার বান্দাদের মধ্যে আমার কাছে অধিক প্রিয় তারা, যারা দ্রুত ইফতার করে»(৪)।

 

৩০৪ - (২) মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দুরীস আর-রাযী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন: আল-ফারাবী(৫) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ থেকে, কাসিম থেকে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত,

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তিনটি সাদা সুহুলী কাপড়ে কাফন দেওয়া হয়েছিল, যাতে তাঁকে স্রেফ জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল(৬)।

--------------------------------------------

(১) (ক) পাণ্ডুলিপি থেকে।

(২) (ক) পাণ্ডুলিপি থেকে; আর মূল কপি এবং (শ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «তিনশ চৌত্রিশ», তবে যা এখানে সাব্যস্ত করা হয়েছে তা-ই সঠিক ইনশাআল্লাহ, কারণ ইবনে মাসরুর ৩৫৮ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেছেন যেমনটি «আল-মুনতাখাব মিন তারিখি নাইসাপুর» (পৃ. ৪০২) গ্রন্থে উল্লেখ আছে।

(৩) এটি (শ) পাণ্ডুলিপিতে নেই। আর (ক) পাণ্ডুলিপিতে আছে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন অর্থাৎ আল্লাহ বলেছেন...।

(৪) এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে আসাকির (২৪২), এবং ইবনে নুকতাহ তাঁর «আত-তাকয়ীদ» (১/২০৯) গ্রন্থে সংকলকের সূত্রে।

তথা এটি তিরমিযী (৭০০) (৭০১), আহমাদ (২/২৩৭-২৩৮, ৩২৯), ইবনে খুযাইমাহ (২০৬২), ইবনে হিব্বান (৩৫০৭) (৩৫০৮), এবং বায়হাকী (৪/২৩৭) আওযাঈর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেছেন: হাদীসটি হাসান গরীব। আলবানী এটিকে দুর্বল (যঈফ) বলেছেন।

(৫) তিনি হলেন ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি ফারওয়াহ, (শ) পাণ্ডুলিপিতে এটি ভুলবশত «আল-হারাবী» হয়ে গেছে।

(৬) এটি আবু বকর আশ-শাফিঈ তাঁর «আল-গাইলানিয়াত» (৫৫৪) (৫৫৫) গ্রন্থে আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-উমরীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

বুখারী (১২৬৪) ও এর অন্যান্য স্থানে, মুসলিম (৯৪১), এবং আহমাদ (৬/১১৮, ১৩২) উরওয়ার সূত্রে আয়েশা (রা.) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তবে শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর নিকট «যাতে তাঁকে স্রেফ জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল» কথাটি নেই।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০২)
305 - (3) حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ سعيدٍ البُوشَنجيُّ: حدثنا يحيى بنُ عبدِ اللهِ بنِ بُكيرٍ: حدثني الليثُ بنُ سعدٍ، عن حيوةَ بنِ شُريحٍ، عن عقبةَ بنِ مسلمٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ الحارثِ بنِ جَزءٍ الزُّبيديِّ:

سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «ويلٌ للأَعقابِ وبُطونِ الأقدامِ مِن النارِ»(1).

 

306 - (4) أخبرنا يوسفُ بنُ يعقوبَ القاضي: حدثنا حفصُ بنُ عمرَ: حدثنا شعبةُ، عن منصورٍ، عن أبي الضُّحى، عن مسروقٍ، عن عائشةَ قالتْ:

كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ في رُكوعِه: «سُبحانَكَ اللهمَّ ربَّنا(2) وبحمدِكَ، اللهمَّ اغفِرْ لي»(3).

 

307 - (5) / أخبرنا عليُّ بنُ الحسينِ بنِ الجُنيدِ الرَّازي: حدثنا المُعافَى بنُ سليمانَ: حدثنا زهيرٌ: حدثنا إسماعيلُ بنُ أبي خالدٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ أبي أَوفَى قالَ:

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن عساكر في «تاريخه» (51/ 204)، وفي «معجمه» (1516)، والذهبي في «السير» (10/ 615)، وفي «تاريخ الإسلام» (5/ 963) من طريق المصنف.

وأخرجه أحمد (4/ 191) -مرفوعاً بعد أن أخرجه موقوفاً-، وابن خزيمة (163)، والدارقطني (1/ 95)، والحاكم (1/ 262)، والبيهقي (1/ 70)، والضياء في «المختارة» (203) من طريق حيوة بن شريح به.

وصححه الحاكم، والألباني، وقال الذهبي في «السير»: هذا حديث صالح الإسناد من العوالي.

(2) ليست في (ك) ولا (ش).

(3) أخرجه التقي المقدسي في «الأحاديث المئة» (106) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (794) وأطرافه، ومسلم (484) من طريق أبي الضحى به.
৩০৫ - (৩) আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম বিন সাঈদ আল-বুশানজি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া বিন আবদুল্লাহ বিন বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: লাইস বিন সাদ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে, তিনি উকবাহ বিন মুসলিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন জায আল-জুবাইদি থেকে বর্ণনা করেন:

আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «গোড়ালি এবং পায়ের তলার অংশের জন্য জাহান্নামের আগুনের দুর্ভোগ রয়েছে»(১)।

 

৩০৬ - (৪) ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাফস বিন উমর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: শু’বাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মানসুর থেকে, তিনি আবুয জুহা থেকে, তিনি মাসরুক থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর রুকুতে বলতেন: «হে আল্লাহ, আমাদের রব! আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং আপনার প্রশংসা করছি। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন»(৩)।

 

৩০৭ - (৫) / আলী বিন আল-হুসাইন বিন আল-জুনাইদ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-মু’আফা বিন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: যুহাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল বিন আবু খালিদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) ইবনে আসাকির তাঁর ‘তারিখ’ (৫১/ ২০৪) গ্রন্থে এবং তাঁর ‘মু’জাম’ (১৫১৬) গ্রন্থে এবং আয-যাহাবি ‘আস-সিয়ার’ (১০/ ৬১৫) ও ‘তারিখুল ইসলাম’ (৫/ ৯৬৩) গ্রন্থে এটি গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং আহমদ (৪/ ১৯১) এটি বর্ণনা করেছেন—প্রথমে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করার পর পুনরায় মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন—ইবনে খুযাইমাহ (১৬৩), আদ-দারাকুতনি (১/ ৯৫), আল-হাকিম (১/ ২৬২), আল-বায়হাকি (১/ ৭০) এবং আল-দিয়া ‘আল-মুখতারা’ (২০৩) গ্রন্থে হাইওয়াহ বিন শুরাইহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আল-হাকিম এবং আলবানি একে সহিহ বলেছেন এবং আয-যাহাবি ‘আস-সিয়ার’ গ্রন্থে বলেছেন: এই হাদিসটির সনদ নির্ভরযোগ্য এবং এটি একটি ‘আওয়ালি’ (উচ্চ সনদসমৃদ্ধ) হাদিস।

(২) এটি (ক) এবং (শ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) আত-তাকি আল-মাকদিসি ‘আল-আহাদিসুল মিআহ’ (১০৬) গ্রন্থে এটি গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

বুখারি (৭৯৪) ও এর সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহ এবং মুসলিম (৪৮৪) আবুয জুহার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৩)
دَعا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم على الأحزابِ فقالَ: «اللهمَّ مُنزلَ الكتابِ، سريعَ الحسابِ، اللهمَّ اهزِم الأحزابَ، اللهمَّ اهزِمْهم وزَلزِلْهم»(1).

 

308 - (6) حدثنا عيسى بنُ محمدِ بنِ عيسى المَروزيُّ: حدثنا شبيبُ بنُ الفضلِ أبو عبدِ الرحمنِ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ أبي(2) جعفرٍ، عن قيسِ بنِ الرَّبيعِ، عن أبي إسحاقَ، عن الحارثِ، عن عليٍّ كرمَ اللهُ وجهَه،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا نِكاحَ إلا بوَليٍّ»(3).

 

309 - (7) حدثنا أبو مسلمٍ [إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ](4) الكَجِّيُّ: حدثنا محمدُ(5) بنُ عبدِ اللهِ الأنصاريُّ وأبو عاصمٍ النبيلُ قالا: حدثنا بهزُ بنُ حَكيمٍ، عن أبيه، عن جدِّه قالَ:

قُلتُ: يا رسولَ اللهِ، مَن أَبَرُّ؟ قالَ: «أمَّكَ» قلتُ: ثُم مَن؟ قالَ: «[ثُم] أمَّكَ، ثُم أباكَ(6)، ثم الأقربَ فالأقربَ»(7).

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن عساكر (41/ 355)، والذهبي في «تذكرة الحفاظ» (2/ 177)، وفي «معجم شيوخه» (1/ 142) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (2933) وأطرافه، ومسلم (1742) من طريق ابن أبي خالد به.

(2) سقطت من (ك).

(3) أخرجه ابن عدي في «الكامل» (10500) من طريق عيسى شيخ المصنف به.

وقال الدارقطني في «علله» (338): والصواب عن أبي بردة عن أبي موسى.

وحديث أبي موسى في «السنن»، وللحديث عن علي مرفوعاً طرق لا يفرح بها، انظر تفصيل ذلك في «زوائد تاريخ بغداد» (194).

(4) من (ك).

(5) تحرف في (ك) إلى: ومحمد. وبناءً على ذلك كتب فوق (قالا) الآتية: «كذا»، أو: «لوا» -الشك مني- تصويباً لها إلى «قالوا»!.

(6) «ثم أباك» تكررت في (ك) مرتين.

(7) أخرجه ابن عساكر في «معجمه» (1589)، وفي «الأربعين البلدانية» (11)، والسلفي في «أحاديث وحكايات» (1)، وابن الدبيثي في «ذيل تاريخ بغداد» (2/ 123)، والذهبي في «السير» (9/ 484 - 485)، وفي «معجم شيوخه» (2/ 394 - 395)، وابن ناصر الدين في «تنوير الفكرة» (ص 257) من طريق المصنف.

وهو في «جزء الأنصاري» (23).

وأخرجه البخاري في «الأدب المفرد» (3)، وأبوداود (5139)، والترمذي (1897) وأحمد (5/ 3، 5)، والحاكم (3/ 642، 4/ 105) من طريق بهز بن حكيم به.

وحسنه الترمذي والألباني وابن عساكر، وصححه الحاكم.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব (শত্রু জোট)-এর বিরুদ্ধে দুআ করে বললেন: «হে আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী, হে আল্লাহ! আপনি আহযাবদের পরাজিত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদের পরাজিত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করে দিন»(১).

 

৩০৮ - (৬) ঈসা বিন মুহাম্মাদ বিন ঈসা আল-মারওয়াযী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: শাবীব বিন আল-ফাযল আবু আবদুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ বিন আবু জাফর কায়েস বিন আর-রাবী থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি আলী (আল্লাহ তার চেহারাকে সম্মানিত করুন) থেকে,

তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ নেই»(৩).

 

৩০৯ - (৭) আবু মুসলিম [ইবরাহীম বিন আবদুল্লাহ] আল-কাজ্জী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারী এবং আবু আসিম আন-নাবীল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়েই বলেছেন: বাহয বিন হাকিম তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি (দাদা) বললেন:

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কে আমার সদাচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার? তিনি বললেন: «তোমার মা»। আমি বললাম: তারপর কে? তিনি বললেন: «[তারপর] তোমার মা, তারপর তোমার পিতা, তারপর পর্যায়ক্রমে নিকটাত্মীয়রা»(৭).

--------------------------------------------

(১) ইবনে আসাকির (৪১/৩৫৫), আয-যাহাবী ‘তাযকিরাত আল-হুফফায’ (২/১৭৭) এবং ‘মুজাম শুয়ুখিহি’ (১/১৪২)-তে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আল-বুখারী (২৯৩৩) ও এর অন্যান্য সূত্রসমূহ এবং মুসলিম (১৭৪২) ইবনে আবি খালিদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে এটি বাদ পড়েছে।

(৩) ইবনে আদি ‘আল-কামিল’ (১০৫০০) গ্রন্থে গ্রন্থকারের উস্তাদ ঈসার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আদ-দারাকুতনী তার ‘ইলাল’ (৩৩৮) গ্রন্থে বলেছেন: সঠিক হলো আবু বুরদাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে।

আবু মুসার হাদিসটি ‘সুনান’ গ্রন্থসমূহে রয়েছে। আলী থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত হাদিসটির সূত্রগুলো নির্ভরযোগ্য নয়, এ বিষয়ে বিস্তারিত দেখুন ‘যাওয়াইদ তারিখ বাগদাদ’ (১৯৪)-এ।

(৪) (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে।

(৫) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে বিকৃত হয়ে ‘ওয়া মুহাম্মাদ’ হয়ে গেছে। এর ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী ‘ক্বলা’ (তারা দুইজন বললেন) শব্দের উপরে লেখা হয়েছে: ‘কাযা’ (এরূপ) অথবা ‘লাওয়া’ -এটি আমার পক্ষ থেকে সন্দেহ- যাতে সেটিকে ‘ক্বালু’ (তারা বললেন) হিসেবে সংশোধন করা যায়!

(৬) ‘তারপর তোমার পিতা’ কথাটি (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে দুইবার এসেছে।

(৭) ইবনে আসাকির তার ‘মুজাম’ (১৫৮৯) এবং ‘আল-আরবাইন আল-বালদানিয়্যাহ’ (১১)-এ, আস-সিলাফি ‘আহাদিস ওয়া হিকায়াত’ (১)-এ, ইবনে আদ-দুবাইসি ‘যাইল তারিখ বাগদাদ’ (২/১২৩)-এ, আয-যাহাবী ‘আস-সিয়ার’ (৯/৪৮৪-৪৮৫) ও ‘মুজাম শুয়ুখিহি’ (২/৩৯৪-৩৯৫)-এ এবং ইবনে নাসিরুদ্দীন ‘তানভীর আল-ফকরাহ’ (পৃষ্ঠা ২৫৭)-এ গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এটি ‘জুয আল-আনসারী’ (২৩)-তে রয়েছে।

আল-বুখারী ‘আল-আদাব আল-মুফরাদ’ (৩), আবু দাউদ (৫১৩৯), আত-তিরমিযী (১৮৯৭), আহমাদ (৫/৩, ৫) এবং আল-হাকিম (৩/৬৪২, ৪/১০৫) বাহয বিন হাকিমের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আত-তিরমিযী, আল-আলবানী এবং ইবনে আসাকির হাদিসটিকে হাসান বলেছেন এবং আল-হাকিম একে সহিহ বলেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৪)
310 - (8) أخبرنا أبو مسلمٍ: حدثنا أبو عاصمٍ، عن أيمنَ بنِ نابلٍ، عن قُدامةَ بنِ عبدِ اللهِ قالَ:

رأيتُ رسولَ اللهِ(1) صلى الله عليه وسلم على ناقةٍ صَهباءَ يَرمي الجَمرةَ، لا ضَربَ ولا طَردَ ولا جَلدَ، ولا إليكَ إليكَ(2).

 

311 - (9) حدثنا عبدُ اللهِ بنُ أحمدَ بنِ حنبلٍ: حدثني الصلتُ بنُ مسعودٍ الجَحْدَريُّ: حدثنا جعفرُ بنُ سليمانَ: حدثنا أبو عمرانَ الجَونيُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الصامتِ، عن أبي ذرٍّ قالَ:

قالَ لي(3) رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يا أبا ذرٍّ، صَلِّ الصلاةَ(4) لوَقتِها، فإنْ صلَّيتَ

--------------------------------------------

(1) في هامشي الأصل و (ش): النبي. وكذلك هي في (ك).

(2) أخرجه ابن عساكر في «تاريخه» (5/ 490، 10/ 149، 43/ 61)، وفي «معجمه» (184)، وفي «الأربعين البلدانية» (10)، وابن العطار في «تساعياته» (7)، والعراقي في «الأربعين العشارية» (19) من طريق المصنف.

وأخرجه الترمذي (903)، والنسائي (3061)، وابن ماجه (3035)، وأحمد (3/ 412، 413)، والدارمي (1942)، وابن خزيمة (2878)، والحاكم (1/ 466، 4/ 507)، والبيهقي (5/ 101، 130) من طريق أيمن بن نابل به.

وقال الترمذي: حسن صحيح. وصححه الحاكم والألباني.

(3) ليست في (ك).

(4) في هامشي الأصل و (ش): الصلوات.
৩১০ - (৮) আবু মুসলিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আসিম আমাদের বর্ণনা করেছেন আইমান ইবনে নাবিল থেকে, তিনি কুদামা ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি আল্লাহর রাসূল(১) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি লালচে উটনীর পিঠে চড়ে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি; সেখানে (ভিড় সরাতে) কোনো প্রহার ছিল না, কাউকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল না, কোনো বেত্রাঘাত ছিল না এবং 'সরে যাও সরে যাও' জাতীয় কোনো চিৎকার ছিল না(২)।

 

৩১১ - (৯) আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের বর্ণনা করেছেন: আস-সালত ইবনে মাসউদ আল-জাহদারি আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন: জাফর ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আবু ইমরান আল-জাওনি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে আস-সামিত আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু যার থেকে, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে(৩) বলেছেন: «হে আবু যার, তুমি সালাত(৪) তার সঠিক সময়ে আদায় করো, এরপর যদি তুমি সালাত আদায় করো...

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকা এবং (শ) সংস্করণে রয়েছে: 'নবী'। (ক) সংস্করণেও অনুরূপ রয়েছে।

(২) ইবনে আসাকির এটি তাঁর ‘তারিখ’ (৫/৪৯০, ১০/১৪৯, ৪৩/৬১), ‘মু'জাম’ (১৮৪), এবং ‘আল-আরবাউন আল-বুলদানিয়্যাহ’ (১০)-তে বর্ণনা করেছেন; এছাড়াও ইবনুল আত্তার তাঁর ‘তুসায়িয়্যাত’ (৭) এবং আল-ইরাকি তাঁর ‘আল-আরবাউন আল-উশারিয়্যাহ’ (১৯)-তে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এটি ইমাম তিরমিজি (৯০৩), নাসায়ি (৩০৬১), ইবনে মাজাহ (৩০৩৫), আহমদ (৩/৪১২, ৪১৩), দারেমি (১৯৪২), ইবনে খুজাইমাহ (২৮৭৮), হাকিম (১/৪৬৬, ৪/৫০৭) এবং বায়হাকি (৫/১০১, ১৩০) আইমান ইবনে নাবিলের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিজি বলেছেন: এটি হাসান সহিহ। হাকিম ও আলবানি একে সহিহ বলেছেন।

(৩) এটি (ক) সংস্করণে নেই।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকা এবং (শ) সংস্করণে রয়েছে: 'সালাতসমূহ'।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৫)
لوَقتِها كانَت لكَ نافلةً، وإلا كُنتَ قَد أحرَزْتَ صَلاتَكَ»(1).

 

312 - (10) حدثنا محمدُ بنُ إبراهيمَ البُوشَنجيُّ: حدثنا يحيى بنُ عبدِ اللهِ بنِ بُكيرٍ: حدثني(2) المغيرةُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن أبي الزِّنادِ، عن موسى(3)، عن أبيه، عن أبي هريرةَ،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا يَحلُّ لامرأةٍ تَصومُ وزَوجُها شاهدٌ إلا بإذنِه، أو تأذَنَ في بيتِه إلا بإذنِه، وما أنفقَتْ مِن نَفقةٍ مِن غيرِ أمرِهِ فإنَّها تُؤدِّي إليه شَطرَه»(4).

 

313 - (11) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ [بنِ يحيى](5) الرَّازي: حدثنا محمدُ بنُ كثيرٍ(6): أخبرنا شعبةُ، عن أيوبَ، عن أبي قِلابةَ، عن أنسٍ قالَ:

--------------------------------------------

(1) أخرجه مسلم (648) من طريق جعفر بن سليمان به.

(2) في (ش): حدثنا. وفي (ك): أخبرنا.

(3) زاد في (ك): عن موسى [بن عقبة].

وما أراه إلا تصحيفاً أو وهماً، فالحديث معروف من رواية أبي الزناد، عن موسى بن أبي عثمان، عن أبيه، عن أبي هريرة. والله أعلم.

(4) أخرجه ابن عساكر (51/ 204) من طريق المصنف.

وأخرجه النسائي في «الكبرى» (2932)، وأحمد (2/ 245، 444، 476، 500)، والدارمي (1762)، وابن حبان (3573)، والحاكم (4/ 173) من طريق أبي الزناد به مختصراً بذكر الصوم.

وعلقه البخاري بعد الحديث (5195) الذي أخرجه من طريق أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة بلفظ المصنف، فقال: ورواه أبو الزناد، أيضاً عن موسى، عن أبيه، عن أبي هريرة في الصوم.

(5) من (ك).

(6) مكانها في (ك) بياض.
সময়ে আদায় করলে সেটি তোমার জন্য নফল হবে, অন্যথায় তুমি তোমার (ফরজ) সালাত লাভ করলে»(১).

 

৩১২ - (১০) মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম আল-বুশাঞ্জী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুকাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুগীরাহ ইবনে আব্দুর রহমান আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন(২), আবুয যিনাদ থেকে, তিনি মূসা(৩) থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কোনো নারীর জন্য তার স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া (নফল) রোজা রাখা হালাল নয়, কিংবা তার অনুমতি ছাড়া তার ঘরে কাউকে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়াও বৈধ নয়। আর সে (তার স্বামীর) নির্দেশ ছাড়া যা কিছু ব্যয় করবে, তার অর্ধেক তার (স্বামীর) আমলনামায় যাবে»(৪).

 

৩১৩ - (১১) মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব [ইবনে ইয়াহইয়া](৫) আর-রাযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর(৬) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: শু'বাহ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন, আইয়ুব থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন:

--------------------------------------------

(১) মুসলিম (৬৪৮) এটি জাফর ইবনে সুলাইমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(২) (শ) পাণ্ডুলিপিতে: 'আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন'। আর (ক) পাণ্ডুলিপিতে: 'আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন'।

(৩) (ক) পাণ্ডুলিপিতে অতিরিক্ত রয়েছে: মূসা [ইবনে উকবাহ] থেকে।

আমি এটিকে কেবল লিখনপ্রমাদ বা বিভ্রম মনে করি, কারণ হাদীসটি আবুয যিনাদ-এর সূত্রে মূসা ইবনে আবু উসমান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হিসেবে সুপরিচিত। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

(৪) ইবনে আসাকির (৫১/ ২০৪) এটি গ্রন্থকারের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

নাসাঈ তাঁর 'আল-কুবরা' (২৯৩২), আহমাদ (২/ ২৪৫, ৪৪৪, ৪৭৬, ৫০০), দারেমী (১৭৬২), ইবনে হিব্বান (৩৫৭৩) এবং হাকেম (৪/ ১৭৩) আবুয যিনাদ-এর সূত্রে এটি সংক্ষেপে রোজার বর্ণনাসহ উল্লেখ করেছেন।

বুখারী ৫১৯৫ নম্বর হাদীসের পরে এটিকে 'তা'লীক' হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা তিনি আবুয যিনাদ-এর সূত্রে আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে গ্রন্থকারের শব্দাবলীতে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেছেন: আবুয যিনাদ এটি মূসা থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে রোজার বিষয়ে।

(৫) (ক) পাণ্ডুলিপি থেকে।

(৬) (ক) পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানটি শূন্য রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৬)
أُمرَ بلالٌ أَن يَشفعَ الأذانَ ويُوتِرَ الإقامةَ(1).

 

314 - (12) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ: أخبرني عُبيدُ اللهِ بنُ محمدٍ العَيشيُّ(2): حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ حمادٍ الطَّلحيُّ: حدثنا طلحةُ بنُ يحيى بنِ طلحةَ، عن أبيه، عن طلحةَ بنِ عُبيدِ اللهِ قالَ:

دخلتُ على رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وفي يدِهِ سَفرجلةٌ، فألقَاها إليَّ -أو قالَ: رَمى بها إليَّ- وقالَ: «دُونَكها يا أبا محمدٍ، فإنَّها / تُجِمُّ الفؤادَ»(3).

 

315 - (13) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ الرَّازي: حدثنا محمدُ بنُ سنانٍ العَوَقيُّ: حدثنا إبراهيمُ بنُ طَهمانَ، عن بُديلٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ شقيقٍ، عن مَيسرةَ الفَجرِ قالَ:

قُلتُ: يا رسولَ اللهِ، مَتى كُنتَ(4) نبياً؟ قالَ: «كُنتُ نبياً وآدمُ بينَ الرُّوحِ

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن عساكر في «تاريخه» (28/ 285)، وفي «معجمه» (690) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (603) وأطرافه، ومسلم (378) من طريق أبي قلابة به.

(2) تحرف في (ك) إلى: العبسي.

(3) أخرجه البزار (949)، وابن حبان في «المجروحين» (2/ 60)، والحاكم (3/ 370، 4/ 411)، وأبو نعيم في «الطب» (357) (790) من طريق عبد الرحمن بن حماد الطلحي به.

وقال أبو زرعة في «العلل» (1539): هذا حديث منكر.

وصححه الحاكم، وتعقبه الذهبي بقوله: ابن حماد قال أبو حاتم: منكر الحديث.

وتابعه عند أبي نعيم (358) (791) عبد الرحمن بن مسهر، وهو متروك.

وله عن طلحة طريقان لا يفرح بهما، أحدهما عند ابن ماجه (3369)، والثاني عند الطبراني (219)، وأبي نعيم (356) (792)، والضياء في «المختارة» (839) (840). وانظر «الضعيفة» (7044).

(4) في الهامش: كتبت. وكذلك هي في (ش) (ك) في هذا الموضع والموضع التالي.
বিলালকে আযান দ্বিগুণ শব্দে এবং একামত একগুণ (বেজোড়) শব্দে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল(১)।

 

৩১৪ - (১২) মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আইশি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন(২): আবদুর রহমান ইবনে হাম্মাদ আত-তালহি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: তালহা ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তালহা তাঁর পিতা থেকে, তিনি তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম, এমতাবস্থায় তাঁর হাতে একটি সফেদা (কুইন্স ফল) ছিল। তিনি সেটি আমার দিকে ছুঁড়ে দিলেন—অথবা তিনি বলেছেন: সেটি আমার দিকে নিক্ষেপ করলেন—এবং বললেন: «হে আবু মুহাম্মাদ, এটি নাও; কারণ এটি অন্তরকে প্রশান্ত করে»(৩)।

 

৩১৫ - (১৩) মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে সিনান আল-আওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে তাহমান বুদাইল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে শাকিক থেকে, তিনি মায়সারা আল-ফজর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কখন থেকে নবী ছিলেন?(৪) তিনি বললেন: «আমি তখনও নবী ছিলাম যখন আদম রুহ ও শরীরের মধ্যবর্তী অবস্থায় ছিলেন।

--------------------------------------------

(১) ইবনে আসাকির তাঁর 'তারিখ' (২৮/২৮৫) গ্রন্থে এবং তাঁর 'মু'জাম' (৬৯০) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর বুখারি (৬০৩) ও এর অন্যান্য সূত্রে এবং মুসলিম (৩৭৮) আবু কিলাবার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) (ক) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে 'আল-আবসি' হয়ে গেছে।

(৩) এটি বাজ্জার (৯৪৯), ইবনে হিব্বান 'আল-মাজরুহিন' (২/৬০) গ্রন্থে, হাকেম (৩/৩৭০, ৪/৪১১) এবং আবু নুয়াইম 'আত-তিব' (৩৫৭) (৭৯০) গ্রন্থে আবদুর রহমান ইবনে হাম্মাদ আত-তালহির সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আবু জুরআ 'আল-ইলাল' (১৫৩৯) গ্রন্থে বলেছেন: এটি একটি মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস।

হাকেম এটিকে সহিহ বলেছেন, কিন্তু জাহাবি তাঁর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন: ইবনে হাম্মাদ সম্পর্কে আবু হাতিম বলেছেন: সে মুনকারুল হাদিস।

আবু নুয়াইম (৩৫৮) (৭৯১) গ্রন্থে আবদুর রহমান ইবনে মুসাহহার তাঁর অনুসরণ করেছেন, তবে তিনি মাতরুক (পরিত্যক্ত)।

আর তালহা থেকে এর দুটি সূত্র রয়েছে যা সন্তোষজনক নয়; একটি ইবনে মাজাহ (৩৩৬৯) গ্রন্থে এবং দ্বিতীয়টি তাবারানি (২১৯), আবু নুয়াইম (৩৫৬) (৭৯২) এবং আদ-দিয়া 'আল-মুখতারা' (৮৩৯) (৮৪০) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। দেখুন: 'আদ-দায়িফাহ' (৭০৪৪)।

(৪) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: 'লিখেছেন' (কুতুবতা)। তদ্রূপ এটি (শ) ও (ক) পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানে এবং পরবর্তী স্থানে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৭)
والجَسدِ»(1).

 

316 - (14) أخبرنا يوسفُ بنُ يعقوبَ القاضي: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ(2): أخبرنا عِمرانُ القاضي، عن قتادةَ(3)، عن الحسنِ، عن عبدِ اللهِ بنِ عمرَ،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «قَتلُ المؤمنِ دُونَ مالِهِ مَظلوماً شهيدٌ»(4).

--------------------------------------------

(1) أخرجه السلفي في «أحاديث وحكايات» (2)، والذهبي في «السير» (13/ 451) من طريق المصنف.

وأخرجه أحمد (5/ 59)، والطبراني 20/ (833) (834)، والحاكم (2/ 608 - 609)، والبيهقي في «الدلائل» (1/ 84، 2/ 129) من طريق بديل بن ميسرة به.

وصححه الحاكم، والألباني في «الصحيحة» (1856). وقال الهيثمي (8/ 223): ورجاله رجال الصحيح.

وانظر الاختلاف في إسناده في «علل الدارقطني» (3432).

(2) مكانها في (ك) بياض.

(3) في (ك): «عبادة»، ولعل الصواب ما في الأصلين.

وقوله قبله: «عمران القاضي» كذا في النسخ الثلاث ولم أميزه، وفي طبقته عمران القطان، يروي عن قتادة وعنه عمرو بن مرزوق، وكذلك هو عند الطبراني وأبي عمرو الداني على خلاف في إسناده كما يأتي. والله أعلم.

(4) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (2617)، وأبو عمرو الداني في «الفتن» (111) عن عمرو بن مرزوق، عن عمران القطان، عن الحسن، عن عبد الله بن عمرو. فخالفا ما وقع هنا في ثلاثة مواضع: جعلاه من مسند عبد الله بن عمرو بن العاص، ولم يذكرا قتادة، وقالا: «عمران القطان». والله أعلم.

وأخرجه بنحوه أبو علي الرفاء في «فوائده» (63) والخطيب في «تاريخه» (7/ 65 - 66) بإسناد ضعيف جداً عن الحسن، عن ابن عمر كما هنا.

وعن الحسن مرسلاً هو في «مصنف عبد الرزاق» (9579).

وللحديث عن ابن عمر طرق يأتي أحدها في هذا الجزء (36)، وآخر عند ابن ماجه (2581)، وانظر لبقيتها «معجم أبي يعلى» (113)، و «فوائد أبي علي الرفاء» (64)، و «تاريخ بغداد» (5/ 278).
এবং শরীর»(১).

 

৩১৬ - (১৪) ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আমর ইবনে মারজুক আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইমরান আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন,

যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মুমিন ব্যক্তি তার সম্পদের রক্ষার্থে অন্যায়ভাবে নিহত হলে সে শহীদ»(৪).

--------------------------------------------

(১) আস-সালাফী ‘আহাদীস ওয়া হিকায়াত’ (২)-এ এবং আয-যাহাবী ‘আস-সিয়ার’ (১৩/ ৪৫১) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং আহমাদ (৫/ ৫৯), তাবারানি ২০/ (৮৩৩) (৮৩৪), হাকেম (২/ ৬০৮ - ৬০৯), বায়হাকি ‘আদ-দালাইল’ (১/ ৮৪, ২/ ১২৯) গ্রন্থে বুদাইল ইবনে মাইসারাহর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

হাকেম একে সহীহ বলেছেন এবং আলবানী ‘আস-সহীহাহ’ (১৮৫৬) গ্রন্থে সহীহ বলেছেন। আল-হাইসামি (৮/ ২২৩) বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ বুখারীর বর্ণনাকারী।

আর এর সনদের মতপার্থক্য সম্পর্কে দেখুন ‘ইলাল আদ-দারাকুতনী’ (৩৪৩২)।

(২) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানটি শূন্য রয়েছে।

(৩) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: «উবাদাহ», তবে সম্ভবত মূল পাণ্ডুলিপিদ্বয়ে যা আছে তা-ই সঠিক।

আর এর আগে তাঁর উক্তি: «ইমরান আল-কাদি» তিনটি পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে এবং আমি তাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে পারিনি, তবে তাঁর সমসাময়িক হচ্ছেন ইমরান আল-কাত্তান, যিনি কাতাদাহ থেকে এবং তাঁর থেকে আমর ইবনে মারজুক বর্ণনা করেছেন। তাবারানি ও আবু আমর আদ-দানির কাছেও সনদের মতপার্থক্যসহ এভাবেই রয়েছে যা সামনে আসবে। আল্লাহ ভালো জানেন।

(৪) তাবারানি ‘আল-আওসাত’ (২৬১৭) গ্রন্থে এবং আবু আমর আদ-দানি ‘আল-ফিতান’ (১১১) গ্রন্থে আমর ইবনে মারজুক থেকে, তিনি ইমরান আল-কাত্তান থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তারা এখানে বর্ণিত পাঠের তিনটি স্থানে ভিন্নতা করেছেন: তারা একে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস-এর মুসনাদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, কাতাদাহর নাম উল্লেখ করেননি এবং তারা বলেছেন: «ইমরান আল-কাত্তান»। আল্লাহ ভালো জানেন।

আর আবু আলী আর-রাফ্ফা তাঁর ‘ফাওয়াইদ’ (৬৩) গ্রন্থে এবং আল-খতিব তাঁর ‘তারিখ’ (৭/ ৬৫ - ৬৬) গ্রন্থে হাসানের সূত্রে ইবনে উমর থেকে বর্ণিত এখানে বিদ্যমান সনদের ন্যায় অত্যন্ত দুর্বল সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর হাসানের মুরসাল বর্ণনাটি ‘মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক’ (৯৫৭৯) গ্রন্থে রয়েছে।

ইবনে উমর থেকে বর্ণিত এই হাদীসের আরও কিছু সূত্র রয়েছে যার একটি এই খণ্ডেই (৩৬) সামনে আসবে এবং আরেকটি ইবনে মাজাহ (২৫৮১) গ্রন্থে রয়েছে; অন্যান্য সূত্রের জন্য দেখুন ‘মু’জাম আবু ইয়া’লা’ (১১৩), ‘ফাওয়াইদ আবু আলী আর-রাফ্ফা’ (৬৪) এবং ‘তারিখ বাগদাদ’ (৫/ ২৭৮)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৮)
317 - (15) حدثنا محمدُ بنُ عَبدُوسِ بنِ كاملٍ ببغدادَ: أخبرنا مسروقُ بنُ المَرزبانِ: حدثنا عبدُ السلامِ بنُ حربٍ، عن يزيدَ بنِ عبدِ الرحمنِ، عن محمدِ بنِ مسلمٍ، عن جابرِ بنِ عبدِ اللهِ قالَ:

نُهينا عن قتلِ تُجارِ المُشرِكينَ(1).

 

318 - (16) حدثنا محمدُ بنُ عمارِ بنِ عطيةَ الرَّازي: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الحسنِ: حدثنا عبدُ الرزاقِ، عن معمرٍ، عن أيوبَ، عن عبدِ اللهِ بنِ سعيدٍ، عن أبيه، عن ابنِ عباسٍ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم سُئلَ: أيُّ الحجِّ أفضلُ؟ فقالَ(2): «العَجُّ والثَّجُّ»(3).

 

319 - (17) حدثنا أحمدُ بنُ داودَ السِّمْنانيُّ: حدثنا محمدُ بنُ حُميدٍ الرَّازي: حدثنا أشعثُ بنُ عَطَّافٍ: حدثنا سفيانُ(4)، عن داودَ بنِ أبي هندٍ، عن

--------------------------------------------

(1) أخرجه الذهبي في «تذكرة الحفاظ» (2/ 185) من طريق المصنف.

ويزيد بن عبد الرحمن أبو خالد الدالاني صدوق يخطئ كثيراً ويدلس. ويرويه غيره عن أبي الزبير محمد مسلم بن تدرس بلفظ: كنا لا نقتل تجار المشركين، وفي رواية: كانوا لا يقتلون .. . انظر «المطالب» (1956).

(2) في (ش): قال. وفي (ك): قالوا!

(3) عبد الله بن سعيد هو ابن جبير، وعبد الله بن الحسن هو أبو محمد الرازي، قال أبو حاتم (5/ 34): صدوق.

والحديث فلم أهتد إليه في غير هذا الموضع مرفوعاً، وإنما أخرجه ابن أبي شيبة في «مصنفه» (15049) من طريق أيوب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس موقوفاً.

(4) تحرف في (ك) إلى: سليمان.
৩১৭ - (১৫) মুহাম্মাদ বিন আবদুস বিন কামিল বাগদাদে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মাসরূক বিন আল-মারযুবান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবদুস সালাম বিন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন মুসলিম থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমাদের মুশরিকদের ব্যবসায়ীদের হত্যা করতে নিষেধ করা হয়েছে(১)।

 

৩১৮ - (১৬) মুহাম্মাদ বিন আম্মার বিন আতিয়্যাহ আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’মার থেকে, তিনি আইয়ূব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: কোন হাজ্জ সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন(২): «উচ্চস্বরে তালবিয়াহ পাঠ করা এবং কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করা»(৩)।

 

৩১৯ - (১৭) আহমাদ বিন দাউদ আস-সিমনানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন হুমাইদ আর-রাযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আশআছ বিন আত্তাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান(৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ বিন আবী হিন্দ থেকে...

--------------------------------------------

(১) আয-যাহাবী এটি তাঁর ‘তাযকিরাতুল হুফফায’ (২/১৮৫) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আর ইয়াযীদ বিন আব্দুর রহমান আবু খালিদ আদ-দালানী সত্যবাদী, তবে অনেক ভুল করেন এবং তাদলীস করেন। অন্য বর্ণনাকারীরা এটি আবু যুবাইর মুহাম্মাদ মুসলিম বিন তাদরুস থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: আমরা মুশরিকদের ব্যবসায়ীদের হত্যা করতাম না। অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে: তারা হত্যা করত না... দেখুন ‘আল-মাতালিব’ (১৯৫৬)।

(২) (শীন) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: তিনি বললেন। এবং (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: তারা বলল!

(৩) আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ হলেন ইবনে জুবায়ের, আর আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান হলেন আবু মুহাম্মাদ আর-রাযী; আবু হাতিম (৫/৩৪) বলেছেন: সত্যবাদী।

এই হাদীসটি আমি এই স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও মারফূ’ (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী) হিসেবে খুঁজে পাইনি। তবে ইবনে আবী শাইবাহ এটি তাঁর ‘মুসান্নাফ’ (১৫০৪৯) গ্রন্থে আইয়ূব, তিনি সাঈদ বিন জুবায়ের, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে মাওকূফ (সাহাবীর বাণী) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

(৪) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে ‘সুলাইমান’ হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩০৯)
سعيدِ بنِ المسيبِ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه(1) قالَ: «يأتي على الناسِ زَمانٌ يُخيَّرُ الرَّجلُ (1) بينَ العجزِ والفُجورِ، فمَن أدركَ ذلكَ فليختَر العجزَ على الفُجورِ»(2).

 

320 - (18) حدثنا أحمدُ بنُ داودَ السِّمْنانيُّ: حدثنا مسروقُ بنُ المَرزبانِ: حدثنا حفصُ بنُ غياثٍ، عن عاصمٍ الأحولِ، عن أبي عثمانَ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ(3) صلى الله عليه وسلم قالَ: «أعجزُ الناسِ مَن عجزَ بالدُّعاءِ، وإنَّ أبخلَ الناسِ مَن بخلَ بالسَّلامِ»(4).

--------------------------------------------

(1) ليست في (ك).

(2) أشعث بن عطاف يخالف الثقات في الأسانيد، قاله ابن عدي بعد أن ساق له عدة أحاديث عن الثوري من رواية محمد بن حميد عنه، وقال أيضاً: وابن حميد لا اعتماد عليه.

وقد أخرجه أحمد 2/ 278 (7744)، 447 (9767) وغيره من طريق الثوري، فلم يسم راويه عن أبي هريرة، وسماه الحاكم من طريق عباد بن العوام، عن داود بن أبي هند (4/ 438): سعيد بن أبي خيرة.

وقيل فيه غير ذلك، قال الدارقطني في «علله» (2233): والمحفوظ عن الثوري، عن داود، عن شيخ، عن أبي هريرة، وهو الصواب.

وانظر «الضعيفة» (3711) (5842).

(3) في الهامش: «قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن أعجز الناس». وكذلك هي في (ش) و (ك).

(4) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (5591)، وفي «الدعاء» (60)، وأبو الشيخ في «الأمثال» (247)، والبيهقي في «الشعب» (8392) (8393)، وعبد الغني المقدسي في «الترغيب في الدعاء» (20) من طريق مسروق بن المرزبان به.

وحسن الألباني إسناده في «الصحيحة» (601) ثم صححه بشاهده عن عبد الله بن مغفل. وصوب الدارقطني في «علله» (2234) وقفه.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে তিনি(১) বলেছেন: «মানুষের নিকট এমন এক সময় আসবে যখন ব্যক্তিকে (১) অক্ষমতা ও পাপাচারের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি সেই সময়ের সম্মুখীন হবে, সে যেন পাপাচারের পরিবর্তে অক্ষমতাকেই বেছে নেয়»(২)।

 

৩২০ - (১৮) আহমদ বিন দাউদ আস-সিমনানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মাসরুক বিন আল-মারযুবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাফস বিন গিয়াস আমাদের নিকট আসিম আল-আহওয়াল থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,

নবী(৩) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «মানুষের মধ্যে সবচেয়ে অক্ষম সেই ব্যক্তি, যে দুআ করতে অক্ষম হয়; আর মানুষের মধ্যে সবচেয়ে কৃপণ সেই ব্যক্তি, যে সালাম প্রদানে কার্পণ্য করে»(৪)।

--------------------------------------------

(১) এটি (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) আশ’আসা বিন আত্তাাফ বর্ণনাসূত্রে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বিরোধিতা করেন। ইবনে আদি তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন হুমাইদের বর্ণনায় সাওরির সূত্রে বেশ কিছু হাদিস উল্লেখ করার পর এটি বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন: ইবনে হুমাইদের ওপর নির্ভর করা যায় না।

আহমদ ২/২৭৮ (৭৭৪৪), ৪৪৭ (৯৭৬৭) এবং অন্যান্যরা সাওরির সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেননি। আল-হাকিম আব্বাদ বিন আল-আওয়ামের সূত্রে দাউদ বিন আবি হিন্দ থেকে (৪/৪৩৮) তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন: সাঈদ বিন আবি খাইরাহ।

এ বিষয়ে আরও মতভেদ রয়েছে। আদ-দারা কুতনি তাঁর ‘ইলাল’ গ্রন্থে (২২৩৩) বলেছেন: সাওরি, দাউদ, জনৈক শায়খ, আবু হুরায়রা—এই সূত্রে বর্ণিত হাদিসটিই সংরক্ষিত (মাহফুজ), আর এটিই সঠিক।

দেখুন: ‘আদ-দঈফাহ’ (৩৭১১), (৫৮৪২)।

(৩) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয়ই সবচেয়ে অক্ষম ব্যক্তি»। (শিন) ও (কাফ) পাণ্ডুলিপিতেও অনুরূপ রয়েছে।

(৪) এটি বর্ণনা করেছেন তাবারানি ‘আল-আওসাত’ (৫৫৯১) এবং ‘আদ-দুআ’ (৬০) গ্রন্থে, আবুশ শেখ ‘আল-আমসাল’ (২৪৭) গ্রন্থে, বায়হাকি ‘আশ-শুআব’ (৮৩৯২) (৮৩৯৩) গ্রন্থে এবং আব্দুল গনি আল-মাকদিসি ‘আত-তারগিব ফিত দুআ’ (২০) গ্রন্থে মাসরুক বিন আল-মারযুবানের সূত্রে।

আলবানি ‘আস-সহিহাহ’ (৬০১) গ্রন্থে এর সনদকে হাসান বলেছেন এবং পরবর্তীতে আব্দুল্লাহ বিন মুগাফফাল থেকে বর্ণিত এর শাহিদ (সমর্থনমূলক বর্ণনা) দ্বারা একে সহিহ সাব্যস্ত করেছেন। আদ-দারা কুতনি তাঁর ‘ইলাল’ গ্রন্থে (২২৩৪) একে ‘মাওকুফ’ হওয়াকেই সঠিক বলেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১০)
321 - (19) حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الحسينِ بنِ أيوبَ الرَّازي بالريِّ: حدثنا محمدُ بنُ يحيى بنِ الفَياضِ: حدثنا صُغْدِيُّ بنُ سنانٍ: حدثنا يونسُ بنُ عُبيدٍ، عن الحسنِ، عن عمرانَ بنِ حصينٍ قالَ:

جَمعَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بينَ الحجِّ والعمرةِ ولم يَنزلْ بعدُ كتابٌ ينسخُهُ(1).

 

322 - (20) حدثنا عمرانُ بنُ موسى السَّخْتِيانيُّ: حدثنا إبراهيمُ بنُ المنذرِ الحِزاميُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ موسى التَّيميُّ: حدثنا يعقوبُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ أُميةَ الضَّمريُّ، عن جعفرِ بنِ عَمرو، عن أبيه عَمرو بنِ أُميةَ قالَ:

قلتُ: يا رسولَ اللهِ، أُرسِلُ وأتوكَّلُ أو أُقيدُ وأتوكَّلُ؟ قالَ: «بَل قيِّدْ وتوكَّلْ»(2).

 

323 - (21) حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ نُعيمٍ: حدثنا قُتيبةُ / بنُ سعيدٍ: حدثنا حاتمٌ، عن(3) موسى بنِ عُقبةَ، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ،

--------------------------------------------

(1) في (ش) و (ك): نسخه.

وصغدي بن سنان ضعفوه.

والحديث عند أحمد (4/ 438، 439) من طريق الحسن البصري بنحوه.

وانظر روايتي البخاري (1571) (4518)، ومسلم (1226).

(2) أخرجه ابن حبان (731)، وابن أبي عاصم في «الآحاد والمثاني» (971)، وابن قانع في «معرفة الصحابة» (2/ 210)، والحاكم (3/ 623)، والبيهقي في «الشعب» (1158) (1159) (1160)، وأبو نعيم في «المعرفة» (5009) (5010)، والقضاعي في «مسند الشهاب» (633) من طريق يعقوب بن عبد الله به.

وقال الذهبي: سنده جيد. وقال الهيثمي (10/ 303): رواه الطبراني من طرق ورجال أحدها رجال الصحيح، غير يعقوب بن عبد الله بن عمرو بن أمية وهو ثقة. وحسنه الألباني.

(3) تحرف في (ك) إلى: بن.
৩২১ - (১৯) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আইয়ুব আল-রাজি আল-রাইয়ে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-ফাইয়াদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুগদি বিন সিনান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন উবাইদ, আল-হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ ও উমরাহকে একত্র করেছেন এবং এর পরে তা রহিত করার জন্য আর কোনো কিতাব অবতীর্ণ হয়নি(১)।

 

৩২২ - (২০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান বিন মুসা আস-সাখতিয়ানি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির আল-হিযামি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুসা আল-তাইমি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন উমাইয়া আদ-দামরি, জাফর বিন আমর থেকে, তিনি তার পিতা আমর বিন উমাইয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি [উট] ছেড়ে দিয়ে তাওয়াক্কুল করব নাকি বেঁধে তাওয়াক্কুল করব? তিনি বললেন: «বরং বাঁধো এবং তাওয়াক্কুল করো»(২)।

 

৩২৩ - (২১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন নুআইম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ বিন সাঈদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম,(৩) মুসা বিন উকবাহ থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন,

--------------------------------------------

(১) (শ) এবং (ক) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: নাসখাহু।

আর সুগদি বিন সিনানকে মুহাদ্দিসগণ দুর্বল বলেছেন।

হাদিসটি আহমাদ (৪/ ৪৩৮, ৪৩৯) গ্রন্থে হাসান বসরির সূত্রে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে।

আরও দেখুন বুখারি (১৫৭১) (৪৫১৮), এবং মুসলিম (১২২৬)।

(২) এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে হিব্বান (৭৩১), ইবনে আবি আসিম ‘আল-আহাদ ওয়াল মাসানি’ গ্রন্থে (৯৭১), ইবনে কানি ‘মা’রিফাতুস সাহাবা’ গ্রন্থে (২/ ২১০), আল-হাকিম (৩/ ৬২৩), আল-বাইহাকি ‘আশ-শুআব’ গ্রন্থে (১১৫৮) (১১৫৯) (১১৬০), আবু নুআইম ‘আল-মা’রিফাহ’ গ্রন্থে (৫০০৯) (৫০১০), এবং আল-কুদায়ি ‘মুসনাদুশ শিহাব’ গ্রন্থে (৬৩৩) ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহর সূত্রে।

আর আল-জাহাবি বলেন: এর সনদ উত্তম। আল-হাইসামি বলেন (১০/ ৩০৩): তাবারানি এটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তার একটির বর্ণনাকারীগণ সহিহ হাদিসের বর্ণনাকারী, কেবল ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন উমাইয়া ব্যতীত, আর তিনি নির্ভরযোগ্য। আলবানি একে হাসান বলেছেন।

(৩) (ক) পাণ্ডুলিপিতে ভুলবশত পরিবর্তিত হয়ে ‘বিন’ হয়ে গিয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১১)
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم حلقَ رأسَه في حَجةِ الوداعِ(1).

 

324 - (22) حدثنا جعفرُ بنُ محمدِ بنِ سَوَّارٍ: حدثنا قُتيبةُ بنُ سعيدٍ: حدثنا المغيرةُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن أبي الزِّنادِ، عن الأعرجِ، عن أبي هريرةَ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «والذي نفسُ محمدٍ بيدِهِ، لو تَعلمونَ ما أعلمُ لبَكيتُم كثيراً ولضحكتُم قليلاً».

 

325 - (23) وبإسنادِهِ(2)، أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «قالَ اللهُ عز وجل: أنفِقْ أُنفِقْ عليكَ»(3).

 

326 - (24) حدثنا أبو إسحاقَ إبراهيمُ بنُ أبي طالبٍ: حدثنا أبو(4) كُريبٍ: حدثنا أبو خالدٍ، عن شعبةَ، عن عاصمٍ، عن زِرٍّ، عن عليٍّ قالَ:

قالَ لي(5) رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يا عليُّ، سَل اللهَ الهُدى والسَّدادَ، واذكُر بالهُدى هِدايتَكَ الطريقَ، وبالسَّدادِ(6) تَسديدَكَ السَّهمَ»(7).

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن نقطة في «التقييد» (1/ 103) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (4410) (4411)، ومسلم (1304) من طريق موسى بن عقبة به.

(2) في (ك): وبهذا الإسناد.

(3) أخرجه مع ما قبله الذهبي في «السير» (13/ 575 - 576) من طريق المصنف.

وهذا فأخرجه البخاري (4684)، ومسلم (993) من طريق أبي الزناد به.

والذي قبله عند البخاري (6485) (6637) من طريقين عن أبي هريرة.

(4) سقطت من (ك).

(5) ليست في (ك).

(6) في (ك): السداد.

(7) أخرجه الذهبي في «السير» (13/ 551)، وفي «تذكرة الحفاظ» (2/ 157)، وفي «تاريخ الإسلام» (6/ 909)، وفي «معجم شيوخه» (1/ 350) من طريق المصنف. وقال في «السير»: إسناده قوي، ولم يخرجه أرباب الكتب الستة. وفي «المعجم»: هذا حديث صالح الإسناد غريب لم أجده في الكتب الستة.

وأخرجه البزار (562)، وابن عدي في «الكامل» (7787)، والخطيب في «تاريخه» (4/ 54) من طريق أبي خالد الأحمر به. وقال البزار: وهذا الحديث أحسب أن أبا خالد أخطأ في إسناده، لأنه لم يتابعه على هذا الحديث بهذا الإسناد أحد، وإنما يروى هذا الحديث عن عاصم بن كليب، عن أبي بردة، عن علي رضي الله عنه.

ووافقه ابن عدي، والدارقطني في «علله» (492) مع أنه ذكر لأبي خالد الأحمر متابِعاً، وعند الحاكم في «مستدركه» (4/ 268) متابِع ثالث.

وحديث أبي بردة عن علي عند مسلم (2725).
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিদায় হজে তাঁর মাথা মুণ্ডন করেছিলেন(১).

 

৩২৪ - (২২) আমাদের নিকট জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাওয়ার বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট কুতায়বা ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুগীরা ইবনে আবদুর রহমান বর্ণনা করেছেন, আবু যিনাদ থেকে, তিনি আরায থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই বেশি কাঁদতে এবং কম হাসতে।»

 

৩২৫ - (২৩) এবং তাঁর সনদে(২), আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেছেন: তুমি খরচ করো, আমিও তোমার ওপর খরচ করব»(৩).

 

৩২৬ - (২৪) আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আবু তালিব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু(৪) কুরায়ব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু খালিদ বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে(৫) বলেছেন: «হে আলী, তুমি আল্লাহর কাছে হিদায়াত (সঠিক পথনির্দেশ) এবং সাদাদ (দৃঢ়তা/সঠিকতা) প্রার্থনা করো। আর হিদায়াত প্রার্থনার সময় পথ প্রদর্শনের কথা স্মরণ করবে এবং সাদাদ(৬) প্রার্থনার সময় তীরে লক্ষ্যভেদ করার কথা স্মরণ করবে»(৭).

--------------------------------------------

(১) ইবনে নুকতাহ তাঁর 'আত-তাকয়ীদ' (১/১০৩) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর বুখারী (৪৪১০) (৪৪১১) এবং মুসলিম (১৩০৪) মুসা ইবনে উকবার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: এবং এই সনদে।

(৩) যাহাবী তাঁর 'আস-সিয়ার' (১৩/৫৭৫ - ৫৭৬) গ্রন্থে পূর্ববর্তী হাদিসসহ এটি গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আর এই হাদিসটি বুখারী (৪৬৮৪) এবং মুসলিম (৯৯৩) আবু যিনাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং পূর্ববর্তী হাদিসটি বুখারীর নিকট (৬৪৮৫) (৬৬৩৭) আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত দুটি সূত্রে রয়েছে।

(৪) (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে এটি বাদ পড়েছে।

(৫) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এটি নেই।

(৬) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: সাদাদ।

(৭) যাহাবী 'আস-সিয়ার' (১৩/৫৫১), 'তাযকিরাতুল হুফফায' (২/১৫৭), 'তারিখুল ইসলাম' (৬/৯০৯) এবং 'মু'জামু শুয়ূখিহি' (১/৩৫০) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি 'আস-সিয়ার' গ্রন্থে বলেছেন: এর সনদ শক্তিশালী, তবে ছয় কিতাবের লেখকগণ এটি বর্ণনা করেননি। আর 'মু'জাম' গ্রন্থে বলেছেন: এটি একটি হাদিস যার সনদ গ্রহণযোগ্য ও গরীব, আমি এটি ছয় কিতাবে পাইনি।

বাযযার (৫৬২), ইবনে আদি 'আল-কামিল' (৭৭৮৭) গ্রন্থে এবং খতিব তাঁর 'তারিখ' (৪/৫৪) গ্রন্থে আবু খালিদ আল-আহমারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। বাযযার বলেছেন: আমি মনে করি আবু খালিদ এর সনদে ভুল করেছেন, কারণ এই সনদে কেউ তাঁর অনুসরণ করেনি; মূলত এই হাদিসটি আসিম ইবনে কুলাইব, আবু বুরদাহ থেকে এবং তিনি আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আদি এবং দারাকুতনি তাঁর 'ইলাল' (৪৯২) গ্রন্থে তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন, যদিও তিনি আবু খালিদ আল-আহমারের জন্য একজন অনুসরণকারী (মুতাবি') উল্লেখ করেছেন। হাকেমের 'মুসতাদরাক' (৪/২৬৮) গ্রন্থে তৃতীয় একজন অনুসরণকারী রয়েছে।

আর আলী থেকে আবু বুরদাহর হাদিসটি মুসলিমের (২৭২৫) নিকট রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১২)
327 - (25) حدثنا أبو بكرٍ محمدُ بنُ إسماعيلَ بنِ مِهرانَ الإِسماعيليُّ: حدثنا سَوَّارُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ سَوَّارٍ العَنبريُّ: حدثنا المُعتمرُ بنُ سليمانَ، عن أيوبَ السَّخْتِيانيِّ، عن محمدِ بنِ سيرينَ، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا وَلغَ الكلبُ في الإناءِ غُسلَ سبعَ مراتٍ أوَّلهُنَّ -أو أُولاهُنَّ- بالترابِ، وإذا وَلغَ الهِرُّ غُسلَ مرةً»(1).

 

328 - (26) حدثنا محمدُ بنُ إسحاقَ بنِ خُزيمةَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدٍ الزُّهريُّ: حدثنا ابنُ أبي(2) عديٍّ، عن شعبةَ، عن العلاءِ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ،

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن عساكر (52/ 111)، وأبو المنجى ابن اللتي في «مشيخته» (ص 519)، والذهبي في «تذكرة الحفاظ» (2/ 184 - 185) من طريق المصنف.

وأخرجه الترمذي (91) عن سوار بن عبد الله به، وقال: هذا حديث حسن صحيح .. .. وقد روي هذا الحديث من غير وجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ولم يذكر فيه «إذا ولغت فيه الهرة غسل مرة».

وكذلك هو عند مسلم (279) (91) من طريق ابن سيرين.

وانظر «علل الدارقطني» (1443)، و «الروض البسام» (138).

(2) سقطت من (ك).
৩২৭ - (২৫) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে মিহরান আল-ইসমাঈলী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাওয়ার ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সাওয়ার আল-আনবারী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-মু'তামির ইবনে সুলাইমান, আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন কোনো পাত্রে কুকুর মুখ দেয়, তখন তা সাতবার ধৌত করতে হবে, যার প্রথমবার হবে মাটি দিয়ে। আর যখন বিড়াল মুখ দেয়, তখন তা একবার ধৌত করতে হবে»(১)।

 

৩২৮ - (২৬) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমা: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আজ-জুহরী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি(২) আদী, শু'বাহ থেকে, তিনি আল-আলা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,

--------------------------------------------

(১) এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে আসাকির (৫২/ ১১১), আবু আল-মুনজা ইবনুল লাত্তি তার «মাশইয়াখাহ» (পৃ. ৫১৯) গ্রন্থে এবং আয-যাহাবী «তাযকিরাতুল হুফফাজ» (২/ ১৮৪ - ১৮৫) গ্রন্থে মুসান্নিফের (গ্রন্থকারের) সূত্র থেকে।

তিরমিযী (৯১) এটি সাওয়ার ইবনে আব্দুল্লাহর সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই হাদীসটি হাসান সহীহ... আবু হুরায়রা থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে এই হাদীসটি বিভিন্নভাবে বর্ণিত হয়েছে, তবে তাতে «যখন বিড়াল মুখ দেয় তখন একবার ধৌত করতে হবে» এই অংশটির উল্লেখ নেই।

অনুরূপভাবে এটি মুসলিমের (২৭৯) (৯১) বর্ণনায় ইবনে সিরীনের সূত্রে রয়েছে।

দেখুন: «ইলালুত দারা কুতনী» (১৪৪৩) এবং «আর-রাওদ আল-বাসসাম» (১৩৮)।

(২) এটি (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১৩)
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الدُّنيا سِجنُ المؤمنِ وجَنةُ الكافرِ»(1).

 

329 - (27) أخبرنا أبو مسلمٍ إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ الكَجِّيُّ: حدثنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ الأنصاريُّ: حدثني حُميدٌ الطويلُ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «انصُرْ أخاكَ ظالِماً أو مَظلوماً» قلتُ: يا رسولَ اللهِ، أنصُرُه مَظلوماً، فكيفَ أنصُرُه ظالماً؟ قالَ: «تَمنعُه مِن الظلمِ، فذلكَ نصرُكَ إيَّاهُ»(2).

 

330 - (28) حدثنا أبو مسلمٍ [الكَجِّيُّ](3) إملاءً: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ رجاءٍ: حدثنا عبدُ العزيزِ الماجِشونُ، عن ابنِ شهابٍ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ عبدِ اللهِ، عن ابنِ عباسٍ، عن أبي طلحةَ:

سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «لا تدخُلُ الملائكةُ بيتاً فيه كلبٌ ولا صورةٌ»(4).

--------------------------------------------

(1) أخرجه النسفي في «أخبار سمرقند» (ص 446) من طريق المصنف.

وأخرجه مسلم (2956) من طريق العلاء بن عبد الرحمن به. ويأتي (461)

(2) أخرجه ابن عساكر في «معجمه» (229)، والنسفي في «أخبار سمرقند» (ص 477 - 478)، وأبو علي الكردي في «ثمانية وخسين حديثاً» (56)، وابن حمويه الجويني في «الأربعين التساعية» (1)، والعطار في «تساعياته» (6)، وابن جماعة في «مشيخته» (2/ 504 - 505) من طريق المصنف.

وهو في «جزء الأنصاري» (17).

وأخرجه البخاري (2443) (2444) (6952) من طريق حميد وعبيد الله بن أبي بكر، كلاهما عن أنس به.

(3) من (ك).

(4) أخرجه ابن عساكر (19/ 391)، والذهبي في «معجمه» (1/ 255) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (3225) (3322) (4002) (5949)، ومسلم (2106) من طريق الزهري به.
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফেরের জন্য জান্নাত»(১)।

 

৩২৯ - (২৭) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাজ্জি: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি: আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন হুমায়দ আত-তবিল, আনাস বিন মালিক থেকে, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক বা মজলুম।’ আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে মজলুম হলে তো তাকে সাহায্য করব, কিন্তু সে জালেম হলে তাকে কীভাবে সাহায্য করব? তিনি বললেন: «তাকে জুলুম করা থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই তাকে তোমার সাহায্য করা»(২)।

 

৩৩০ - (২৮) আমাদের কাছে আবু মুসলিম [আল-কাজ্জি] শ্রুতলিখন হিসেবে হাদীস বর্ণনা করেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন রাজা: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুল আজিজ আল-মাজিশুন, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আবু তালহা থেকে:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «এমন ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না যে ঘরে কুকুর অথবা ছবি থাকে»(৪)।

--------------------------------------------

(১) নাসাফি এটি তার ‘আখবারু সামারকান্দ’ (পৃষ্ঠা ৪৪৬) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম (২৯৫৬) এটি আল-আলা বিন আব্দুর রহমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি সামনে আসছে (৪৬১)।

(২) এটি ইবনে আসাকির তার ‘মুজাম’ (২২৯) গ্রন্থে, নাসাফি ‘আখবারু সামারকান্দ’ (পৃষ্ঠা ৪৭৭ - ৪৭৮) গ্রন্থে, আবু আলি আল-কুরদি ‘সামানিয়াহ ওয়া খামসিন হাদিসান’ (৫৬) গ্রন্থে, ইবনে হামুওয়াহ আল-জুওয়াইনি ‘আল-আরবাউনাত তিসাইয়্যাহ’ (১) গ্রন্থে, আল-আত্তার তার ‘তিসাইয়্যাত’ (৬) গ্রন্থে এবং ইবনে জামাআহ তার ‘মাশইয়াখাহ’ (২/ ৫০৪ - ৫০৫) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি ‘জুযউল আনসারি’ (১৭) গ্রন্থে রয়েছে।

ইমাম বুখারি এটি (২৪৪৩) (২৪৪৪) (৬৯৫২) হুমায়দ এবং উবায়দুল্লাহ বিন আবু বকর—উভয়ের সূত্রে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৩) (কাফ) পাণ্ডুলিপি থেকে।

(৪) এটি ইবনে আসাকির (১৯/ ৩৯১) এবং যাহাবি তার ‘মুজাম’ (১/ ২৫৫) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম বুখারি (৩২২৫) (৩৩২২) (৪০০২) (৫৯৪৯) এবং ইমাম মুসলিম (২১০৬) যুহরির সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১৪)
331 - (29) حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إبراهيمَ البُوشَنجيُّ: حدثنا أميةُ بنُ بِسطام: حدثنا يزيدُ بنُ زُريعٍ: حدثنا روحُ بنُ القاسمِ، عن سُهيلِ(1) بنِ أبي صالحٍ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ،

عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الأرواحُ جُنودٌ مُجنَّدةٌ، فما تَعارفَ مِنها ائتلَفَ، وما تناكَرَ مِنها اختلَفَ»(2).

 

332 - (30) حدثنا محمدُ بنُ إبراهيمَ البُوشَنجيُّ: حدثنا / روحُ بنُ صلاحٍ(3) المصريُّ: حدثنا موسى بنُ عُليِّ بنِ رباحٍ، عن أبيه، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو بنِ العاصِ،

عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الحسدُ في اثنتَينِ: رَجلٍ آتاهُ اللهُ القرآنَ فقامَ به، وأحلَّ حلالَه وحرَّمَ حرامَه(4)، ورَجلٍ آتاهُ اللهُ مالاً، فوَصلَ به أقرباءَه ورحِمَه وعملَ بطاعةِ اللهِ، تمنَّى أَن يكونَ مِثلَه، ومَن تكُنْ(5) فيه أربعُ خِصالٍ(6) فلا يَضرُّه ما زُوِيَ عنه مِن الدُّنيا: حُسنُ خَليقةٍ، وعَفافٌ، وصدقُ حَديثٍ، وحفظُ

--------------------------------------------

(1) مكانها في (ك) بياض.

(2) أخرجه مسلم (2638) من طريق سهيل بن أبي صالح به.

(3) في هامشي الأصل و (ش) إشارة إلى نسخة أخرى: صالح. وما في الأصل هو ما في (ك) وهو الصواب، والله أعلم.

(4) زاد هنا في (ك): «تمن أن يكون مثله». وليست في مصادر التخريج، فلعلها مقحمة هنا، والله أعلم.

(5) في (ك): تكون.

(6) ليست في (ك) مع تنوين ما قبلها.
৩৩১ - (২৯) আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-বুশানজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উমাইয়্যাহ বিন বিসতাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াযিদ বিন যুরাই' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: রাওহ বিন আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুহাইল(১) বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «আত্মাসমূহ সমবেত সৈন্যদলের মতো। অতঃপর তাদের মধ্যে যারা একে অপরের পরিচিত হয়, তারা পরস্পর মিলেমিশে যায়; আর যারা একে অপরের অপরিচিত থাকে, তাদের মধ্যে অনৈক্য তৈরি হয়»(২)।

 

৩৩২ - (৩০) মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-বুশানজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: রাওহ বিন সালাহ(৩) আল-মিসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুসা বিন উলাই বিন রাবাহ তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «ঈর্ষা কেবল দুটি ক্ষেত্রে: এমন এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ কুরআন দান করেছেন, অতঃপর সে তা নিয়ে দাঁড়িয়ে যায় (সালাত ও তিলাওয়াতে), এর হালালকে হালাল হিসেবে গ্রহণ করে এবং হারামকে হারাম হিসেবে গণ্য করে(৪); এবং এমন এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন, অতঃপর সে তা দিয়ে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে এবং আল্লাহর আনুগত্যের কাজে ব্যয় করে, আর সে (অন্যজন) তার মতো হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে। আর যার মধ্যে চারটি বৈশিষ্ট্য(৫) বিদ্যমান থাকে, দুনিয়ার যা কিছু তার থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে তাতে তার কোনো ক্ষতি হবে না: উত্তম চরিত্র, পবিত্রতা, সত্য কথা বলা এবং (আমানত) রক্ষা করা...»

--------------------------------------------

(১) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এর স্থানটি শূন্য রয়েছে।

(২) ইমাম মুসলিম (২৬৩৮) সুহাইল বিন আবি সালিহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপির পার্শ্বটীকা এবং (শীন) পাণ্ডুলিপিতে অন্য একটি সংস্করণের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে: 'সালিহ'। তবে মূল পাণ্ডুলিপিতে যা আছে তা-ই (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে এবং সেটিই সঠিক, আল্লাহই ভালো জানেন।

(৪) এখানে (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে অতিরিক্ত আছে: «সে তার মতো হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে»। এটি তাখরিজের মূল উৎসগুলোতে নেই, সম্ভবত এটি এখানে প্রক্ষিপ্ত হয়েছে, আল্লাহই ভালো জানেন।

(৫) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে: 'তাকুনু'।

(৬) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এই শব্দটি নেই এবং এর পূর্ববর্তী শব্দে তানভীন রয়েছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১৫)
أمانةٍ»(1).

 

333 - (31) أخبرنا عليُّ بنُ الحسينِ بنِ الجُنيدِ الرَّازي: حدثنا المُعافى بنُ سليمانَ: حدثنا زهيرٌ: حدثنا محمدُ بنُ جُحادةَ، أنَّ أبانَ حدَّثه عن أبي الصِّديقِ الناجي، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ للهِ عُتقاءَ مِن(2) النارِ في كُلِّ يومٍ وليلةٍ، ولكُلِّ مسلمٍ في كُلِّ يومٍ دَعوةٌ مُستجابةٌ»(3).

 

334 - (32) حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ أيوبَ بنِ يحيى بنِ ضُريسٍ الرَّازي: أخبرنا عبدُ اللهِ بنُ الجراحِ: حدثنا حمادُ(4) بنُ زيدٍ، عن أيوبَ، عن أبي رجاءٍ العُطارديِّ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أدُّوا صاعاً مِن طعامٍ» يَعني في الفِطرِ(5).

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن عساكر (61/ 4)، والذهبي في «السير» (13/ 588)، وفي «التذكرة» (2/ 169)، وفي «تاريخه» (4/ 524، 6/ 1003)، وفي «ميزانه» (3/ 87)، والسبكي في «طبقات الشافعية» (2/ 192) من طريق المصنف.

وأخرجه الطبراني في «الكبير» (14612)، و «الأوسط» (231)، والبيهقي في «الشعب» (7644) من طريق روح بن صلاح به، وليس عند الطبراني شطره الثاني.

وقال الألباني في «الضعيفة» (2380): وهذا إسناد ضعيف، لأن روح بن صلاح ضعيف الحديث كما قال الدارقطني، وضعفه غيره .. وجملة الحسد قد صحت باختصار في «الصحيحين» وغيرهما من حديث ابن مسعود وغيره.

ولشطره الثاني عند أحمد (2/ 177) إسناد آخر ضعيف عن ابن عمرو.

(2) في (ك): في.

(3) تقدم (167).

(4) تحرف في (ك) إلى: محمد.

(5) أخرجه أبو نعيم في «الحلية» (3/ 12، 6/ 262)، والبيهقي (4/ 167)، والضياء في «المختارة» (13/ 10) من طريق محمد بن أيوب به.

وكان البيهقي قد أخرجه قبله من طريق حماد بن زيد موقوفاً، وقال: هذا هو الصحيح موقوف.

وأروده الألباني في «الصحيحة» (1179).
আমানত»(১).

 

৩৩৩ - (৩১) আলী ইবনুল হুসাইন ইবনুল জুনাইদ আর-রাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুআফা ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: যুহাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনে জুহাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবান তার কাছে আবুস সিদ্দিক আন-নাজি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই প্রত্যেক দিন ও রাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত একদল লোক থাকে এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য প্রতিদিন একটি কবুলযোগ্য দোয়া রয়েছে»(৩)।

 

৩৩৪ - (৩২) আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দুরুইস আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল জাররাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাম্মাদ(৪) ইবনে যাইদ আইয়ুব থেকে, তিনি আবু রাজা আল-উতারিদি থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা এক সা' পরিমাণ খাদ্য প্রদান করো» অর্থাৎ ফিতরের ক্ষেত্রে(৫)।

--------------------------------------------

(১) এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে আসাকির (৬১/ ৪), আয-যাহাবি তার ‘আস-সিয়ার’ (১৩/ ৫৮৮), ‘আত-তাযকিরাহ’ (২/ ১৬৯), ‘তারিখ’ (৪/ ৫২৪, ৬/ ১০০৩) এবং ‘মিযান’ (৩/ ৮৭) গ্রন্থে এবং আস-সুবকি ‘তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ’ (২/ ১৯২) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে।

তাবারানি ‘আল-কাবির’ (১৪৬১২) ও ‘আল-আওসাত’ (২৩১) গ্রন্থে এবং বায়হাকি ‘আশ-শুআব’ (৭৬৪৪) গ্রন্থে রাওহ ইবনে সালাহ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তাবারানির বর্ণনায় এর দ্বিতীয় অংশটি নেই।

আলবানি ‘আয-যাঈফাহ’ (২৩৮০) গ্রন্থে বলেছেন: এটি একটি দুর্বল সনদ, কারণ রাওহ ইবনে সালাহ হাদিস বর্ণনায় দুর্বল যেমনটি দারাকুতনি বলেছেন এবং অন্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন... তবে হিংসা সংক্রান্ত অংশটি সংক্ষেপে ‘সহিহাইনে’ এবং অন্যান্য গ্রন্থে ইবনে মাসউদের হাদিস ও অন্যদের থেকে সহিহ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

ইবনে আমরের সূত্রে আহমাদ (২/ ১৭৭) এর নিকট এর দ্বিতীয় অংশের আরেকটি দুর্বল সনদ রয়েছে।

(২) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে: মধ্যে।

(৩) পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে (১৬৭)।

(৪) (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে ‘মুহাম্মাদ’ হয়েছে।

(৫) আবু নুআইম ‘আল-হিলইয়া’ (৩/ ১২, ৬/ ২৬২) গ্রন্থে, বায়হাকি (৪/ ১৬৭) গ্রন্থে এবং আদ-দিয়া ‘আল-মুখতারা’ (১৩/ ১০) গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুবের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

বায়হাকি এর আগে এটি হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটিই মাওকুফ হিসেবে সঠিক।

আলবানি এটি ‘আস-সহিহাহ’ (১১৭৯) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১৬)
335 - (33) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ الرَّازي: حدثنا(1) يحيى بنُ هاشمٍ الغسانيُّ: حدثنا هشامُ بنُ عروةَ، عن أبيه، عن عائشةَ قالتْ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا حَضرَ الطعامُ أو العَشاءُ، وحَضرَت الصلاةُ فابدَؤوا بالطعامِ»(2).

 

336 - (34) حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ: أخبرنا محمدُ بنُ كثيرٍ: أخبرنا سفيانُ، عن محمدِ بنِ عقبةَ، عن كريبٍ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:

رَفعَت امرأةٌ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم صَبياً(3) لها في مِحَفَّةٍ فقالتْ: يا رسولَ اللهِ، ألِهذا حجٌّ؟ قالَ: «نَعم، ولكِ أجرٌ»(4).

 

337 - (35) حدثنا يوسفُ بنُ يعقوبَ القاضي: حدثنا عبدُ الواحدِ بنُ غياثٍ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن قتادةَ، عن شهرِ بنِ حوشبٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو(5)،

--------------------------------------------

(1) في (ش): أخبرنا.

(2) أخرجه ابن عساكر في «تاريخه» (40/ 238)، وفي «معجمه» (1302)، ويوسف بن خليل في «عوالي هشام بن عروة» (15) من طريق المصنف.

وأخرجه البخاري (671) (5465)، ومسلم (558) من طريق هشام بن عروة به.

(3) في (ك): رَفَعت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يعني امرأة صبياً .. .

(4) أخرجه الذهبي في «السير» (13/ 452) من طريق المصنف.

وأخرجه مسلم (1336) من طريق محمد وإبراهيم ابني عقبة، عن كريب به.

(5) تحرف في (ك) إلى: عمر.
৩৩৫ - (৩৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আর-রাযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন(১) ইয়াহইয়া ইবনে হাশিম আল-গাসসানী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যখন রাতের খাবার উপস্থিত হয় এবং সালাতও উপস্থিত হয়, তখন তোমরা খাবার দিয়ে শুরু করো»(২)।

 

৩৩৬ - (৩৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে কাসীর: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, মুহাম্মদ ইবনে উকবাহ থেকে, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি ডুলিতে করে তাঁর এক শিশুকে তুললেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এর জন্য কি হজ হবে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, আর তোমার জন্য রয়েছে সওয়াব»(৪)।

 

৩৩৭ - (৩৫) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাযী: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে গিয়াস: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি শাহর ইবনে হাওশাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর থেকে(৫),

--------------------------------------------

(১) (শ) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

(২) এটি ইবনে আসাকির তাঁর «তারিখ» (৪০/ ২৩৮) এবং তাঁর «মু'জাম» (১৩০২) গ্রন্থে এবং ইউসুফ ইবনে খলিল তাঁর «আওয়ালী হিশাম ইবনে উরওয়াহ» (১৫) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি ইমাম বুখারী (৬৭১) (৫৪৬৫) এবং ইমাম মুসলিম (৫৫৮) হিশাম ইবনে উরওয়াহ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(৩) (ক) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট তুললেন অর্থাৎ এক মহিলা একটি শিশুকে...।

(৪) এটি আয-যাহাবী তাঁর «আস-সিয়ার» (১৩/ ৪৫২) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি ইমাম মুসলিম (১৩৩৬) মুহাম্মদ এবং ইব্রাহিম ইবনে উকবাহ-এর সূত্রে কুরাইব থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৫) (ক) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে: উমর হয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু নুজাইদ - তাহকীক জাররার (পৃষ্ঠা: ৩১৭)
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «المقتولُ دونَ مالِه شهيدٌ»(1).

 

338 - (36) * أخبرنا يوسفُ بنُ يعقوبَ: حدثنا سليمانُ بنُ حربٍ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن عَمرو بنِ دينارٍ، (عن عبدِ اللهِ بنِ عمرَ،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «المَقتولُ دونَ مالِه شهيدٌ»(2).

 

339 - (37) أخبرنا أبو مسلمٍ الكَجِّيُّ: حدثنا حجاجُ بنُ مِنهالٍ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن عَمرو بنِ دينارٍ)(3)، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو،

--------------------------------------------

(1) أخرجه السلفي في «أحاديث وحكايات» (3) من طريق المصنف.

وأخرجه أحمد (2/ 209، 215) من طريق حماد بن سلمة به.

وللحديث عن ابن عمرو طرق، أخرج البخاري (2480) أحدها، وعند مسلم (141) آخر. وانظر الأحاديث التالية.

(2) * هذا الحديث كله ليس في (ش)، بل وليس في (ك) بهذا السياق كما يأتي.

(3) كل ما بين القوسين ليس في (ك). وهذا اختلاف شديد بين النسخ الثلاث، حاصله أن الحديث (36) ليس في (ش)، والحديثين (36) (37) لا وجود لهما في (ك)، وفيها مكانهما حديث واحد فقط بإسناد مختلف، هو هذا:

* [36/ ك] حدثنا يوسف بن يعقوب: حدثنا سليمان بن حرب: حدثنا حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «القتيل دون ماله شهيد».

ولم أجد من روى أحد هذه الأحاديث الثلاثة من طريق المصنف أو شيوخه لرفع الإشكال، وإن كانت ثلاثتها محتمَلة.

- أما الحديث الأول (36) الذي انفرد به الأصل فقد ذكره الدارقطني في «علله» (2817) فقال: يرويه ورقاء، عن عمرو بن دينار، عن ابن عمر. ورواه حماد بن زيد، واختلف عنه، فرواه عمرو بن عون، وعبد الله بن عاصم الحماني، وعبد الواحد بن غياث، وجبارة، عن حماد، عن عمرو، عن ابن عمر.

- وأما الحديث الثاني (37) الذي اتفقت عليه نسختان: الأصل و (ش)، فهو من رواية حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن عبد الله بن عمرو بن العاص. وقد قال أبو نعيم في «الحلية» (3/ 353) بعد أن أسند حديث ورقاء عن عمرو بن دينار عن ابن عمر، قال: رواه ابن جريج، والحمادان، وحاتم بن أبي صغيرة، عن عمرو، عن عبد الله بن عمرو بن العاص.

قلتُ: ورواية ابن جريج عند عبد الرزاق (18567)، والطبراني (14320)، ورواية حاتم عند النسائي (4084)، والطبراني (14323)، أما رواية حماد بن زيد فلم أجدها بعدُ في غير هذا الموضع. والله أعلم.

- أما الحديث الذي انفردت به (ك) فهو وإن كان محتمَلاً بالنظر لأسانيد المصنف وموافقاً لما قبله من حيث أنه من رواية حماد بن زيد، عن عمرو بن دينار، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، فإن كثرة الأخطاء الواردة في (ك) تدفع إلى القول بأن هذا الحديث لا وجود له هنا، فلعل ناسخها بدأ بالحديث الأول (36) ثم انتقل نظره إلى الذي بعده (37) فأكمل به ما بدأه. والله أعلم.
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ»(১)।

 

৩৩৮ - (৩৬) * ইউসুফ বিন ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: সুলাইমান বিন হারব আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন যায়েদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দীনার থেকে, (আবদুল্লাহ বিন উমর থেকে,

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ»(২)।

 

৩৩৯ - (৩৭) আবু মুসলিম আল-কাজ্জী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাজ্জাজ বিন মিনহাল আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন যায়েদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দীনার থেকে)(৩), আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে,

--------------------------------------------

(১) আস-সালাফি এটি 'আহাদীস ওয়া হিকায়াত' (৩) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং আহমাদ (২/ ২০৯, ২১৫) হাম্মাদ বিন সালামার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইবনে আমর থেকে বর্ণিত এই হাদীসটির একাধিক পথ রয়েছে, বুখারী (২৪৮০) একটি এবং মুসলিম (১৪১) অন্যটি বর্ণনা করেছেন। পরবর্তী হাদীসগুলো দেখুন।

(২) * এই সম্পূর্ণ হাদীসটি (শীন) পাণ্ডুলিপিতে নেই, এমনকি (কাফ) পাণ্ডুলিপিতেও পরবর্তী বর্ণনার মতো এই প্রেক্ষাপটে নেই।

(৩) বন্ধনীভুক্ত অংশটুকু (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে নেই। এটি তিনটি পাণ্ডুলিপির মধ্যে একটি প্রবল মতপার্থক্য। এর সারসংক্ষেপ হলো: হাদীস (৩৩৮) 'শীন' পাণ্ডুলিপিতে নেই, এবং হাদীস (৩৩৮) ও (৩৩৯) 'কাফ' পাণ্ডুলিপিতে নেই। সেখানে এই দুটির পরিবর্তে ভিন্ন সনদে কেবল একটি হাদীস রয়েছে, যা নিম্নরূপ:

* [৩৬/ কাফ] ইউসুফ বিন ইয়াকুব আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: সুলাইমান বিন হারব আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ বিন যায়েদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমর বিন দীনার থেকে, আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হয়, সে শহীদ»।

জটিলতা নিরসনের জন্য আমি গ্রন্থকার বা তাঁর উস্তাদদের সূত্রে এই তিনটি হাদীসের কোনো একটির বর্ণনাকারী খুঁজে পাইনি, যদিও তিনটি বর্ণনাই সম্ভাব্য হতে পারে।

- প্রথম হাদীস (৩৩৮) যা কেবল মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে, সেটি সম্পর্কে দারাকুতনী তাঁর 'ইলাল' (২৮১৭) গ্রন্থে বলেছেন: এটি ওয়ারকা, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। হাম্মাদ বিন যায়েদ এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে। আমর বিন আউন, আবদুল্লাহ বিন আসিম আল-হাম্মানী, আবদুল ওয়াহিদ বিন গিয়াস এবং জাব্বারাহ - তারা হাম্মাদের সূত্রে, আমর থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

- দ্বিতীয় হাদীস (৩৩৯) যেটিতে মূল পাণ্ডুলিপি এবং (শীন) একমত হয়েছে, সেটি হাম্মাদ বিন যায়েদের বর্ণনা, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে। আবু নুয়াইম 'আল-হিলইয়াহ' (৩/ ৩৫৩) গ্রন্থে ওয়ারকার বর্ণনাটি (আমর বিন দীনার থেকে ইবনে উমরের সূত্রে) উল্লেখ করার পর বলেছেন: এটি ইবনে জুরাইজ, দুই হাম্মাদ এবং হাতিম বিন আবি সাগীরা আমর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমি বলছি: ইবনে জুরাইজের বর্ণনাটি আবদুর রাজ্জাক (১৮৫৬৭) এবং তাবারানী (১৪৩২০)-এর কাছে রয়েছে। হাতিমের বর্ণনাটি নাসাঈ (৪০৮৪) এবং তাবারানী (১৪৩২৩)-এর কাছে রয়েছে। তবে হাম্মাদ বিন যায়েদের বর্ণনাটি আমি এই স্থান ছাড়া অন্য কোথাও খুঁজে পাইনি। আল্লাহই ভালো জানেন।

- আর যে হাদীসটি কেবল (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে এসেছে, তা গ্রন্থকারের সনদ অনুযায়ী সম্ভাব্য এবং এর পূর্ববর্তী হাদীসের সাথে সংগতিপূর্ণ হলেও (যেহেতু এটি হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে), (কাফ) পাণ্ডুলিপিতে বিদ্যমান অসংখ্য ভুলের কারণে বলা যায় যে, এই হাদীসটির অস্তিত্ব এখানে নেই। সম্ভবত এর অনুলিপিকার প্রথম হাদীসটি (৩৩৮) শুরু করেছিলেন, তারপর তাঁর নজর পরবর্তীটির (৩৩৯) ওপর পড়ায় তিনি যা শুরু করেছিলেন তা দিয়ে শেষ করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।