(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: -)
جزء السقطي القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء السقطي
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 31
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
জুয আস-সাকাতী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: জুয আস-সাকাতী
[‘মুসান্নাফাতে তিরাদ আল-যাইনাবী’ এবং অন্যান্য খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত]
তাহকীককারী: নাবিল সা’দ আদ-দীন জাররার
প্রকাশক: আরওয়িকা ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং, জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরী - ২০১৯ ঈসায়ী
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১
[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শা’বান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৪৯)
أبو عَمرو السَّقَطيُّ وجُزؤُهعبدُ الملكِ بنُ الحسنِ بنِ يوسفَ المُعدلُ البغداديُّ، أبو عمَرو ابنُ السَّقَطيِّ
(1).
سَمعَ: أبا مُسلمٍ الكَجِّيَّ، وأحمدَ بنَ يحيى الحلوانيَّ، ويوسفَ بنَ يعقوبَ القاضي، ومحمدَ بنَ نصرٍ الصائغَ، وأحمدَ بنَ أبي عوفٍ البُزُوريَّ، ويحيى بنَ محمدِ بنِ البَختَريِّ، وجعفراً الفِريابيَّ، وعبدَ اللهِ بنَ الصقرِ السُّكريَّ، وزكريا بنَ يحيى السَّاجي، وعبدَ اللهِ بنَ محمدٍ البغويَّ.
حدَّث عنه محمدُ بنُ أسدٍ الكاتبُ، والحسنُ بنُ أبي بكرٍ، وأبو عليِّ بنُ شاذانَ، وأبو نُعيمٍ الحافظُ.
قالَ الخَطيبُ: كانَ ثقةً، ولم يَزلْ مَقبولَ الشَّهادةِ إلى أن ماتَ.
وقالَ: سألتُ أبا نُعيمٍ الحافظَ عن عبدِ الملكِ بنِ الحسنِ، فقالَ: ثقةٌ، انتَخبَ عليه الدَّارقطنيُّ.
تُوفيَ في ربيعٍ الأولِ سَنةَ اثنتَينِ وسِتينَ وثلاثِمئةٍ، وقَد بلغَ خَمساً وثمانينَ سَنةً
(2).
--------------------------------------------
আবু আমর আস-সাকাতী এবং তাঁর সংকলনআবদুল মালিক বিন আল-হাসান বিন ইউসুফ আল-মুআদ্দিল আল-বাগদাদী, আবু আমর ইবনুস সাকাতী
(১)।
তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন: আবু মুসলিম আল-কাজ্জী, আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আল-হুলওয়ানী, ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাজী, মুহাম্মাদ বিন নাসর আস-সায়িগ, আহমাদ বিন আবি আউফ আল-বুজুরী, ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন আল-বাখতারী, জাফর আল-ফিরইয়াবী, আবদুল্লাহ বিন আস-সাকর আস-সুককারী, যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী এবং আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-বাগাওয়ীর নিকট থেকে।
তাঁর নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আসাদ আল-কাতিব, হাসান বিন আবি বকর, আবু আলী বিন শাযান এবং হাফেজ আবু নুআইম।
আল-খতিব বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ছিলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য ছিল।
তিনি আরও বলেন: আমি হাফেজ আবু নুআইমকে আবদুল মালিক বিন আল-হাসান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, আদ-দারাকুতনী তাঁর পাণ্ডুলিপি থেকে হাদিস নির্বাচন করেছেন।
তিনি তিনশ বাষট্টি হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল পঁচাশি বছর
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫০)
*
جُزءُ السَّقَطيِّهَذا هو الاسمُ المُختصرُ لِهذا الجُزءِ، وهو مَذكورٌ في سماعَينِ مِن السَّماعاتِ المُثبتةِ في آخِرِ الجُزءِ
(1)، وبه ذَكرَه الفاسي في «ذيل التقييد» (2/ 233)، والحافظُ في «المعجم المفهرس» (1262)، والسُّيوطيُّ في «أنساب الكتب» (1998)، ورياض زاده في «كشف الضنون» (1/ 587).
واسمُه كما في ورقةِ العنوانِ: «جزءٌ فيه أحاديثُ أبي عَمرو عبدِ الملكِ بنِ الحسنِ بنِ الفضلِ السَّقَطيِّ».
وبنحوٍ مِن هذا ذَكرَه الضياءُ المقدسيُّ في «ثبت مسموعاته» (ص 192)
(2).
وفي «الفهرست الأوسط» لابنِ طولونَ (4/ 67): «جزءُ أبي عَمرو عبدِ الملكِ بنِ الحسنِ السَّقَطيِّ».
* الأصلُ الخَطيُّ:
والأصلُ الخَطيُّ الذي وَقفتُ عليه لِهذا الجُزءِ يَقعُ في الأوراقِ [58 - 65] مِن المَجموعِ المُصورِ مِن جامعةِ الإمامِ والمُتقدمِ (ص 226).
* وهو مِن روايةِ الحافظِ أبي نُعيمٍ الأَصبهانيِّ عنه
(3).
--------------------------------------------
জুয আস-সাকতিএটি এই পুস্তিকাটির সংক্ষিপ্ত নাম। এটি এই জুযের শেষে সংযোজিত দুটি শ্রবণলিপিতে (সামাআত) উল্লেখ করা হয়েছে
(১)। আল-ফাসি ‘যাইলুত তাকয়িদ’ (২/২৩৩) গ্রন্থে, হাফিয ‘আল-মু’জাম আল-মুফাহরাস’ (১২৬২) গ্রন্থে, আস-সুয়ুতি ‘আনসাবুল কুতুব’ (১৯৯৮) গ্রন্থে এবং রিয়াদ যাদেহ ‘কাশফুজ জুনুন’ (১/৫৮৭) গ্রন্থে এই নামেই এটি উল্লেখ করেছেন।
শিরোনাম পত্রে এর নাম যেভাবে আছে: ‘জুযুন ফীহি আহাদিসু আবি আমরিন আবদিল মালিক ইবনিল হাসান ইবনিল ফাদল আস-সাকতি’ (আবু আমর আব্দুল মালিক বিন হাসান বিন ফাদল আস-সাকতির হাদিসসমূহ সম্বলিত পুস্তিকা)।
যিয়া আল-মাকদিসি তার ‘সাবাতু মাসমুআতিহি’ (পৃ. ১৯২) গ্রন্থে প্রায় অনুরূপভাবে এটি উল্লেখ করেছেন
(২)।
ইবনে তুলুনের ‘আল-ফিহরিসতুল আওসাত’ (৪/৬৭) গ্রন্থে রয়েছে: ‘জুযু আবি আমর আব্দুল মালিক ইবনিল হাসান আস-সাকতি’।
* পাণ্ডুলিপি উৎস:
এই জুযের যে পাণ্ডুলিপিটির সন্ধান আমি পেয়েছি, সেটি ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহের [৫৮-৬৫] পৃষ্ঠাসমূহে বিদ্যমান, যা ইতিপূর্বে (পৃ. ২২৬) উল্লেখ করা হয়েছে।
* এটি তাঁর থেকে হাফিয আবু নুআইম আল-আসফাহানির বর্ণনা
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫১)
* وعنه أبو عليٍّ الحَدادُ الحسنُ بنُ أحمدَ بنِ الحسنِ بنِ محمدِ بنِ عليِّ بنِ مِهْرَةَ الأَصبهانيُّ، الشيخُ الإمامُ المُقرئُ المُجودُ المُحدثُ المُعمَّرُ مُسندُ العصرِ
(1).
* وعنه
(2) مسعودُ بنُ أبي منصورِ بنِ محمدِ بنِ حسنٍ أبو الحسنِ الأَصبهانيُّ الجَمَّالُ الخياطُ، الشيخُ المُعمَّرُ مُسندُ أصبهانَ
(3).
* وعنه يوسفُ بنُ خليلِ بنِ عبدِ اللهِ، أبو الحجاجِ الدِّمشقيُّ الأَدَميُّ، الإمامُ المُحدثُ الصادقُ الرَّحالُ النَّقالُ، شيخُ المُحدِّثينَ، راويةُ الإسلامِ، نَزيلُ حلبَ وشيخُها
(4).
* وعَنه الأخَوان
(5) ابْنا محمدِ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ عبدِ الرحيمِ بنِ العَجميِّ:
أحمدُ أبو بكرٍ الحلبيُّ
(6).
--------------------------------------------
* এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ হাসান বিন আহমদ বিন হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মেহরা আল-আসফাহানি; শাইখ, ইমাম, ক্বারী, মুজাওয়িদ, মুহাদ্দিস, দীর্ঘজীবী এবং যুগের মুসনিদ
(১)।
* এবং তাঁর থেকে
(২) বর্ণনা করেছেন মাসউদ বিন আবি মানসুর বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আবুল হাসান আল-আসফাহানি আল-জাম্মাল আল-খাইয়াত; শাইখ, দীর্ঘজীবী এবং আসফাহানের মুসনিদ
(৩)।
* এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন খলিল বিন আব্দুল্লাহ, আবু হাজ্জাজ আদ-দিমাশকি আল-আদামি; ইমাম, সত্যনিষ্ঠ মুহাদ্দিস, অধিক সফরকারী বর্ণনাকারী, মুহাদ্দিসদের শাইখ, ইসলামের বর্ণনাকারী, আলেপ্পোর অধিবাসী ও সেখানকার শাইখ
(৪)।
* এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন দুই ভাই, মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুর রহিম বিন আল-আজামির দুই পুত্র:
আহমদ আবু বকর আল-হালাবি
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫২)
وعبدُ الرحيمِ شَرفُ الدِّينِ أبو طالبٍ
(1).
* وعنهما البَهاءُ بنُ خليلٍ عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ أبي بكرِ بنِ خليلٍ أبو محمدٍ المكيُّ الشافعيُّ، الإمامُ الفقيهُ المُحدثُ الزاهدُ القدوةُ
(2).
* وكاتبُ النُّسخةِ هو يوسفُ بنُ شاهينَ سِبطُ الحافظِ ابنِ حَجرٍ
(3)، ويأتي في بدايةِ الجزءِ أسانيدُه إلى البهاءِ بنِ خليلٍ.
* وفي آخِرِ النسخةِ سماعاتٌ مَنقولةٌ على أبي عليٍّ الحدادِ فمَن دُونَه، آخِرُها على أبي الفتحِ الشَّرَابيشيِّ بسماعِهِ له على البَهاءِ بنِ خليلٍ سَنةَ (837 هـ).
ثم سَماعاتٌ في أواخِرِ القرنِ التاسعِ على: محمدِ بنِ المشهديِّ
(4)، ويوسفَ بنِ شاهينَ، وأبي الفضلِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ الشِّحْنَةِ
(5)، وعبدِ الهادي بنِ عبدِ الرحمنِ السَّكَندريِّ
(6).
--------------------------------------------
আবদুর রহিম শরাফউদ্দীন আবু তালিব
(১)।
* তাঁদের উভয় থেকে বর্ণনা করেছেন বাহাউদ্দীন ইবন খলীল আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবি বকর ইবন খলীল আবু মুহাম্মাদ আল-মাক্কী আল-শাফিঈ, ইমাম, ফকিহ, মুহাদ্দিস, জাহেদ ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব
(২)।
* আর পাণ্ডুলিপিটির লেখক হলেন ইউসুফ ইবন শাহীন, হাফেয ইবন হাজারের দৌহিত্র
(৩); আর এই খণ্ডের শুরুতে বাহা ইবন খলীল পর্যন্ত তাঁর সনদসমূহ (বর্ণনাসূত্র) আসছে।
* পাণ্ডুলিপির শেষে আবু আলী আল-হাদ্দাদ এবং তাঁর পরবর্তী ব্যক্তিদের নিকট পাঠের শ্রবণলিপি (সামা‘আত) উদ্ধৃত রয়েছে, যার শেষটি হলো আবু ফাতহ আল-শরাবিশীর নিকট, যা তিনি বাহা ইবন খলীলের কাছে ৮৩৭ হিজরীতে শ্রবণ করেছেন।
অতঃপর নবম শতাব্দীর শেষের দিকে (রয়েছে) নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের নিকট শ্রবণলিপি: মুহাম্মাদ ইবন আল-মাশহাদী
(৪), ইউসুফ ইবন শাহীন, আবুল ফযল মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আল-শিহনা
(৫) এবং আবদুল হাদী ইবন আবদুর রহমান আল-সাকান্দারী
(৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫৩)
جزءٌ فيه أحاديثُ
أبي عَمرو عبدِ الملكِ بنِ الحسنِ بنِ الفضلِ السَّقَطيِّ
روايةُ الحافظِ أبي نُعيمٍ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ إسحاقَ الأَصبهانيِّ عنه
روايةُ أبي عليٍّ الحسنِ بنِ أحمدَ بنِ الحسنِ بنِ أحمدَ
بنِ محمدٍ الحَدادِ المُقرئِ عنه
روايةُ أبي الحسنِ مسعودِ بنِ أبي منصورٍ سعدِ بنِ محمدٍ الخَياطِ عُرفَ بالجَمَّالِ عنه
روايةُ الحافظِ أبي الحجاجِ يوسفَ بنِ خليلِ بنِ عبدِ اللهِ الدِّمشقيِّ عنه
روايةُ الأَخوينِ أحمدَ وعبدِ الرحيمِ
ابنَي محمدِ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ العَجميِّ عنه
روايةُ الحافظِ أبي محمدٍ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ خليلٍ القرشيِّ المكيِّ عَنهما
روايةُ أبي الفتحِ محمدِ بنِ عمرَ بنِ أبي بكرِ بنِ محمدٍ الشَّرابيشيِّ عنه
…
হাদিস সংবলিত একটি অংশ
আবু আমর আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান বিন আল-ফাদল আস-সাকাতি
তার সূত্রে হাফিজ আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইসহাক আল-আসফাহানি-র বর্ণনা
তার সূত্রে আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ
বিন মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদ আল-মুকরি-র বর্ণনা
তার সূত্রে আবু আল-হাসান মাসউদ বিন আবি মানসুর সাদ বিন মুহাম্মদ আল-খাইয়াত—যিনি আল-জাম্মাল নামে পরিচিত—তার বর্ণনা
তার সূত্রে হাফিজ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলীল বিন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকি-র বর্ণনা
তার সূত্রে দুই ভাই আহমদ ও আব্দুর রহিম
বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-আজামি-র বর্ণনা
তাদের উভয়ের সূত্রে হাফিজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন খলীল আল-কুরাশি আল-মাক্কি-র বর্ণনা
তার সূত্রে আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন উমর বিন আবি বকর বিন মুহাম্মদ আশ-শরাবিশি-র বর্ণনা
...
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
ربِّ أعِنْ ويسِّرْ يا كريمُ
أخبرتْنا المُسندةُ أمُّ الفضلِ هاجرُ بنتُ محمدِ بنِ محمدِ بنِ أبي بكرٍ القرشيِّ
(1) قراءةً عليها في يومِ الأحدِ ثاني عشرَ شوالٍ سَنةَ (868) بالزاويةِ النُّعمانيةِ (بضياعة؟) مصرَ الفُسطاط: أنبأنا أبي الشَّرفُ القُدسيُّ
(2) إجازةً (ح) وأخبرنا الشيخانِ: الشَّرفُ يونسُ الواحي
(3) والتاجُ الشَّرابيشيُّ
(4) شِفاهاً مِن الأولِ ومُكاتبةً مِن الثاني.
قَالوا: أخبرنا الحافظُ أبو محمدٍ عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ أبي بكرِ بنِ خليلٍ القرشيُّ المكيُّ -قالَ القدسيُّ والتاجُ: سماعاً، وقالَ الواحي: إنْ لم يكنْ فإجازةً-: أخبرنا الأخوانِ: أبو بكرٍ أحمدُ وعبدُ الرحيمِ ابنا محمدِ بنِ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে প্রতিপালক! সাহায্য করুন এবং সহজ করে দিন, হে পরম দয়ালু।
মুসনিদাহ উম্মুল ফাদল হাজার বিনতে মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর আল-কুরাশি
(১) ৮৬৮ হিজরীর ১২ই শাওয়াল রবিবার মিশরের ফুসতাতে অবস্থিত 'যাবিয়াহ নুমানিয়্যাহ'-তে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আশ-শারাফ আল-কুদসি
(২) ইজাজাহর মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ: আশ-শারাফ ইউনুস আল-ওয়াহি
(৩) এবং আত-তাজ আশ-শারাবশি
(৪); প্রথম জনের নিকট থেকে মৌখিকভাবে এবং দ্বিতীয় জনের নিকট থেকে লিখিত পত্রের মাধ্যমে।
তাঁরা বলেন: হাফেজ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবি বকর বিন খলিল আল-কুরাশি আল-মাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—কুদসি ও তাজ বলেছেন: শ্রবণের মাধ্যমে; আর ওয়াহি বলেছেন: যদি শ্রবণ না হয়ে থাকে তবে ইজাজাহর মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই ভাই: আবু বকর আহমাদ এবং আব্দুর রহিম, মুহাম্মাদ বিন... এর দুই পুত্র।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫৬)
عبدِ الرحمنِ بنِ عبدِ الرحيمِ بنِ العَجميِّ قراءةً عليهما، بسماعِ الأولِ وحُضورِ الثاني في الثانيةِ على الحافظِ أبي الحجاجِ يوسفَ بنِ خليلِ بنِ عبدِ اللهِ الدِّمشقيِّ: أخبرنا الشيخُ أبو الحسنِ مسعودُ بنُ أبي منصورٍ سعدِ بنِ محمدِ بنِ الحسنِ الجَمَّالُ بقراءَتي عليه في يومِ الخميسِ سابعَ شوالٍ سَنةَ (591): أخبرنا أبو عليٍّ الحسنُ بنُ أحمدَ بنِ الحسنِ بنِ أحمدَ بنِ محمدٍ الحَدادُ قراءةً عليه وأنا أسمعُ في الثاني مِن شهرِ رَبيعٍ الآخِرِ سَنةَ (515): أخبرنا أبو نُعيمٍ أحمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ إسحاقَ الأَصبهانيُّ الحافظُ: حدثنا أبو عَمرو عبدُ الملكِ بنُ الحسنِ بنِ الفضلِ السَّقَطيُّ:
250 - (1) حدثنا إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ البصريُّ: حدثنا عَمرو بنُ مرزوقٍ: حدثنا عمرانُ القَطانُ، عن قتادةَ، عن أنسِ بنِ مالكٍ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «ما مِن عبدٍ إلا وله ثلاثةُ أخِلاءَ، فأمَّا خَليلٌ فيقولُ: ما أَنفقتَ فلكَ وما أَمسكتَ فليسَ لكَ، فذاكَ مالُهُ، وأمَّا خَليلٌ فيقولُ: أنا مَعكَ فإِذا أتيتَ بابَ المَلِكِ -أحسبُه قالَ: تَركتُك-، فذاكَ أهلُهُ وحشَمُه، وأمَّا آخرُ فيقولُ: أنا مَعكَ حيثُ دَخلتَ وحيثُ خَرجتَ، فذاكَ عملُه، فيقولُ: إنْ كنتَ أَهونَ الثلاثةِ عليَّ»
(1).
251 - (2) وبه عن أنسٍ قالَ: قالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ في الجَنةِ شَجرةً يسيرُ
--------------------------------------------
আবদুর রহমান বিন আবদুর রহীম বিন আল-আজমীর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, যেখানে প্রথমজন শ্রবণ করেছেন এবং দ্বিতীয়জন উপস্থিত ছিলেন; আর এটি ছিল হাফিজ আবু আল-হাজ্জাজ ইউসুফ বিন খলীল বিন আব্দুল্লাহ আদ-দিমাশকীর নিকট দ্বিতীয় পর্যায়ে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হাসান মাসউদ বিন আবী মানসুর সা'দ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-জাম্মাল, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে ৫৯১ হিজরীর ৭ই শাওয়াল বৃহস্পতিবার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাদ্দাদ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি ৫১৫ হিজরীর রবিউস সানী মাসের দ্বিতীয় তারিখে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবু নুআইম আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আল-আসবাহানী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আমর আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান বিন আল-ফাদল আস-সাকাতী:
২৫০ - (১) আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন আব্দুল্লাহ আল-বসরী: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর বিন মারযুক: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইমরান আল-কাত্তান, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন,
নবী (তাঁর উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «এমন কোনো বান্দা নেই যার তিনজন বন্ধু নেই। একজন বন্ধু বলে: তুমি যা ব্যয় করেছ তা তোমার, আর যা জমিয়ে রেখেছ তা তোমার নয়; সেটি হলো তার সম্পদ। আরেকজন বন্ধু বলে: আমি তোমার সাথে আছি, কিন্তু যখন তুমি বাদশাহর দরজায় পৌঁছাবে—বর্ণনাকারী বলেন: আমার ধারণা তিনি বলেছেন—আমি তোমাকে ছেড়ে যাব; সেটি হলো তার পরিবার ও পরিজন। আর অপরজন বলে: তুমি যেখানেই প্রবেশ করো আর যেখান থেকেই বের হও, আমি তোমার সাথেই আছি; সেটি হলো তার আমল। তখন সে (বান্দা) বলে: আল্লাহর কসম, তুমিই ছিলে আমার নিকট এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে তুচ্ছ»
(১)।
২৫১ - (২) এবং একই সূত্রে আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (তাঁর উপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) বলেছেন: «নিশ্চয়ই জান্নাতে এমন একটি গাছ রয়েছে যার ছায়ায় একজন আরোহী ভ্রমণ করলে...»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫৭)
الراكبُ في ظِلِّها مئةَ عامٍ لا يَقطعُها»
(1).
252 - (3) وبه إلى عمرانَ
(2)، عن محمدِ بنِ زيادٍ، عن أبي هريرةَ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم نحوَه
(3).
253 - (4) / وبه إلى عمرانَ القَطانِ، عن قتادةَ، عن أنسٍ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «يُعطَى الرَّجلُ في الجَنةِ قوةَ كَذا وكَذا مِن النِّساءِ» قُلنا: يا رسولَ اللهِ، ويُطيقُ! قالَ: «يُعطَى قُوةَ مئةٍ»
(4).
254 - (5) وبه إلى أنسٍ قالَ
(5): كنتُ فيمَن صُبَّ عليه النُّعاسُ يومَ أُحدٍ.
--------------------------------------------
একজন আরোহী এর ছায়ায় একশ বছর পথ চললেও তা শেষ করতে পারবে না»
(১).
২৫২ - (৩) এবং তাঁর থেকে ইমরান-এর সূত্রে
(২), মুহাম্মাদ বিন যিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন
(৩).
২৫৩ - (৪) / এবং তাঁর থেকে ইমরান আল-ক্বাত্তান-এর সূত্রে, ক্বাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে,
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জান্নাতে একজন ব্যক্তিকে নারী সহবাসের ক্ষেত্রে অমুক অমুক পরিমাণ শক্তি প্রদান করা হবে» আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে কি তা সহ্য করতে পারবে! তিনি বললেন: «তাকে একশ জনের শক্তি দেওয়া হবে»
(৪).
২৫৪ - (৫) এবং তাঁর থেকে আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন
(৫): ওহুদ যুদ্ধের দিন যাদের ওপর তন্দ্রা ছেয়ে গিয়েছিল আমি তাদের মধ্যে ছিলাম।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫৮)
255 - (6) وبه إلى أنسٍ قالَ: كانَ أبو طلحةَ يأكلُ البَرَدَ وهو صائمٌ ويقولُ: ليسَ بطعامٍ ولا شرابٍ
(1).
256 - (7) وبه إلى قتادةَ، عن أبي ميمونةَ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ في ليلةِ القَدرِ إنَّها ليلةُ سابعةٍ أو تاسعةٍ وعشرينَ، وإنَّ الملائكةَ في تلكَ الليلةِ أكثرُ مِن عددِ الحَصى
(2).
257 - (8) وبه عن قتادةَ، عن أبي بُردةَ، عن أبي موسى،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ إذا خافَ قَوماً قالَ: «اللهمَّ إنِّي أجعلُكَ في نُحورِهم، وأعوذُ بكَ مِن شُرورِهم»
(3).
--------------------------------------------
২৫৫ - (৬) এবং একই সনদে আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু তালহা (রা.) রোজা থাকা অবস্থায় শিলাবৃষ্টির পাথর খেতেন এবং বলতেন: এটি কোনো খাদ্যও নয় এবং পানীয়ও নয়।
(১).
২৫৬ - (৭) এবং একই সনদে কাতাদাহ হতে, তিনি আবু মাইমুনাহ হতে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণনা করেন,
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শবে কদর সম্পর্কে বলেছেন: এটি সাতাশ বা ঊনত্রিশতম রাত; এবং সেই রাতে ফেরেশতাদের সংখ্যা ভূপৃষ্ঠের কাঁকর বা নুড়িপাথরের সংখ্যার চেয়েও বেশি।
(২).
২৫৭ - (৮) এবং একই সূত্রে কাতাদাহ হতে, তিনি আবু বুরদাহ হতে, তিনি আবু মুসা (রা.) হতে বর্ণনা করেন,
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কোনো কওম বা জাতিকে ভয় পেতেন তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনাকে তাদের কণ্ঠনালীর সামনে রাখছি (যাতে আপনি তাদের প্রতিরোধ করেন) এবং তাদের অনিষ্ট হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি»
(৩).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৫৯)
258 - (9) وبه عن قتادةَ، عن العلاءِ بنِ زيادٍ العَدويِّ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الجَنةُ لَبنةٌ مِن ذَهبٍ ولَبنةٌ مِن فضةٍ»
(1).
259 - (10) وبه عن قتادةَ، عن زُرارةَ، عن سعدِ بنِ هشامٍ، عن عائشةَ قالَت:
ذُكرَ عندَ النبيِّ صلى الله عليه وسلم رَجلٌ يُقالُ له: شِهابٌ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «بل أنتَ هشامٌ»
(2).
260 - (11) وبه عن قتادةَ، عن سعيدِ بنِ أبي الحسنِ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «ليسَ شيءٌ أكرمَ على اللهِ عز وجل مِن الدُّعاءِ»
(3).
--------------------------------------------
২৫৮ - (৯) এবং এই একই সূত্রে কাতাদাহ থেকে, তিনি আলা ইবনে যিয়াদ আল-অদাবী থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জান্নাত একটি স্বর্ণের ইট এবং একটি রূপার ইট [দ্বারা নির্মিত]»
(১)।
২৫৯ - (১০) এবং এই একই সূত্রে কাতাদাহ থেকে, তিনি যুরারাহ থেকে, তিনি সা'দ ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট শিহাব নামক এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «বরং তুমি হলে হিশাম»
(২)।
২৬০ - (১১) এবং এই একই সূত্রে কাতাদাহ থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবুল হাসান থেকে, তিনি আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার নিকট দুআর চেয়ে অধিক সম্মানজনক আর কিছুই নেই»
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬০)
261 - (12) وبه عن عمرانَ، عن بكرِ بنِ عبدِ اللهِ، عن أبي رافعٍ، عن أبي هريرةَ،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «الرَّجلُ في صلاةٍ ما دامَ في مُصلَّاهُ الذي صلَّى فيه ما لم يُحدِثْ»
(1).
262 - (13) وبه عن عمرانَ، عن قتادةَ، عن يزيدَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ الشِّخيرِ، عن عياضِ بنِ حمارٍ المُجاشعيِّ قالَ:
أَهديتُ لرسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ناقةً أو هديةً، قالَ: فقالَ: «أَسلمتَ؟» قالَ: فقلتُ: لا، قالَ: «إنِّي قَد نُهيتُ عن زَبْدِ المُشركينَ» قالَ: فردَّها
(2).
263 - (14) / وبه إلى عمرانَ، عن قتادةَ، عن عبدِ ربِّه، عن أبي عِياضٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ مسعودٍ،
--------------------------------------------
২৬১ - (১২) এবং তাঁর থেকে, ইমরান হতে, তিনি বকর বিন আবদুল্লাহ হতে, তিনি আবু রাফে হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে,
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «একজন ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত সালাতরত থাকে যতক্ষণ সে তার সালাতের স্থানে অবস্থান করে যেখানে সে সালাত আদায় করেছে, যতক্ষণ না সে অজু ভঙ্গ করে»
(১)।
২৬২ - (১৩) এবং তাঁর থেকে, ইমরান হতে, তিনি কাতাদাহ হতে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-শিখখির হতে, তিনি ইয়াজ বিন হীমার আল-মুজাশি’ঈ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি উষ্ট্রী বা একটি উপহার প্রদান করলাম। তিনি বললেন: «তুমি কি ইসলাম গ্রহণ করেছ?» তিনি বললেন: আমি বললাম: না। তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই আমাকে মুশরিকদের উপঢৌকন গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে» বর্ণনাকারী বলেন: ফলে তিনি তা ফেরত দিলেন
(২)।
২৬৩ - (১৪) / এবং তাঁর থেকে ইমরানের মাধ্যমে, তিনি কাতাদাহ হতে, তিনি আবদ রাব্বিহি হতে, তিনি আবু ইয়াদ হতে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ হতে বর্ণনা করেছেন,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬১)
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إيَّاكم ومُحَقَّراتِ الذُّنوبِ أو الأعمالِ، فإنَّهن يجمعنَ
(1) على الرَّجلِ حتى يُهلِكْنَه». وإنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ضَربَ لهنَّ مَثلاً كمَثلِ قومٍ نَزلوا بأرضِ فَلاةٍ، فحَضَرَ صَنيعُ القومِ، فجَعلَ الرَّجلُ يجيءُ بكَذا، والرَّجلُ يجيءُ بالعُويدِ، حتى جَمعوا مِن ذلك سَواداً كثيراً، ثم أجَّجوا ناراً فأنضَجَت ما قَذفوا فيها»
(2).
264 - (15) وبه عن عمرانَ، عن قتادةَ، عن عبدِ ربِّه، عن أبي عِياضٍ، عن عبدِ اللهِ قالَ:
كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ في الخطبةِ: «الحمدُ للهِ نَحمدُه ونَستعينُه ونَستغفرُه، ونَعوذُ باللهِ مِن شُرورِ أنفُسِنا، مَن يهدِهِ اللهُ فلا مُضلَّ له، ومَن يُضلِلْ فلا هاديَ له، وأشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ، وأشهدُ أنَّ محمداً عبدُهُ ورسولُه، مَن يُطع اللهَ ورسولَه فقَد رَشَدَ، ومَن يعصِهما فإنَّما يضرُّ نفسَه ولن يضُرَّ اللهَ شيئاً»
(3).
265 - (16) حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ نصرٍ الصائغُ: حدثنا إسماعيلُ
--------------------------------------------
নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা তুচ্ছ গুনাহ বা আমলসমূহ থেকে সতর্ক থাকো, কেননা সেগুলো কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমা হতে থাকে যতক্ষণ না তাকে ধ্বংস করে দেয়»। আর নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলোর জন্য একটি উদাহরণ দিয়েছেন এমন এক সম্প্রদায়ের ন্যায় যারা এক নির্জন প্রান্তরে অবতরণ করল, এরপর তাদের আহার প্রস্তুত করার সময় উপস্থিত হলো। তখন এক ব্যক্তি এক টুকরো কাঠ নিয়ে এলো এবং অন্য ব্যক্তি আরেকটি কাঠি নিয়ে এলো, এভাবে তারা প্রচুর জ্বালানি সংগ্রহ করল। এরপর তারা আগুন জ্বালাল এবং তাতে যা নিক্ষেপ করল তা পাকিয়ে ফেলল।
২৬৪ - (১৫) আর এর মাধ্যমে ইমরান থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবদে রাব্বিহি থেকে, তিনি আবু ইয়াজ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবায় বলতেন: «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টসমূহ থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্টকারী কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত দানকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো (সত্য) ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করল সে সঠিক পথ প্রাপ্ত হলো, আর যে ব্যক্তি এই উভয়ের অবাধ্য হলো সে কেবল নিজেরই ক্ষতি করল এবং সে আল্লাহর কোনোই ক্ষতি করতে পারবে না»।
২৬৫ - (১৬) আবু জাফর মুহাম্মদ বিন নাসর আস-সায়েগ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬২)
بنُ أبي أُويسٍ: حدثني سليمانُ بنُ بلالٍ، عن إبراهيمَ بنِ [أبي]
(1) النَّضرِ مَولى عمرَ بنِ عُبيدِ اللهِ، عن أبيه، عن بُسرِ بنِ سعيدٍ، عن زيدِ بنِ ثابتٍ رضي الله عنه،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «صلاةُ المَرءِ في بيتِه أفضلُ مِن صلاةٍ في مَسجدي هذا إلا المَكتوبةَ»
(2).
266 - (17) حدثنا محمدٌ: حدثنا ابنُ أبي أُويسٍ: حدثني أبي، عن ابنِ شهابٍ، أخبَره أنَّ مالكَ بنَ أوسِ بنِ الحَدَثانِ أخبَره قالَ: قالَ عمرُ بنُ الخطابِ: قالَ أبو بكرٍ رضي الله عنهما،
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا نُورَثُ، ما تَركْنا صدقةٌ»
(3).
267 - (18) حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ نصرٍ: حدثنا ابنُ أبي أُويسٍ: حدثني سليمانُ بنُ بلالٍ، عن يونسَ، عن ابنِ شهابٍ، عن سالمٍ، عن أبيه قالَ:
--------------------------------------------
ইবনে আবি উওয়াইস: সুলাইমান ইবনে বিলাল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহীম ইবনে [আবি]
(১) আন-নাদর (উমর ইবনে উবাইদুল্লাহর মুক্তদাস) থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি বুসর ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে সাবিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন,
যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ফরজ সালাত ব্যতীত ব্যক্তির নিজ ঘরে সালাত আদায় করা আমার এই মসজিদে সালাত আদায় করার চেয়ে উত্তম»
(২)।
২৬৬ - (১৭) মুহাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি উওয়াইস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সংবাদ দিয়েছেন যে, মালিক ইবনে আওস ইবনুল হাদাসান তাঁকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন,
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমাদের (নবীদের) কোনো উত্তরাধিকারী হয় না; আমরা যা রেখে যাই তা সদকাহ হিসেবে গণ্য হয়»
(৩)।
২৬৭ - (১৮) আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবি উওয়াইস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সুলাইমান ইবনে বিলাল আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইউনুস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৩)
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَرفَعوا أبصارَكم إلى السماءِ فتُلتَمَعَ» يَعني في الصلاةِ
(1).
268 - (19) حدثنا محمدُ بنُ نصرٍ: حدثنا إسماعيلُ: حدثني قيسٌ أبو
(2) عُمارةَ، عن عبدِ اللهِ بنِ أبي بكرِ / بنِ محمدِ بنِ عَمرو بنِ حزمٍ الأنصاريِّ، عن أبيه، عن جدِّه قالَ:
سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم وهو يقولُ: «مَن عادَ مَريضاً فلا يزالُ يخوضُ في الرَّحمةِ، حتى إذا قَعدَ عندَه استنقَعَ فيها، ثم إذا قامَ مِن عندِهِ فلا يزالُ يخوضُ في الرَّحمةِ حتى يرجعَ مِن حيثُ خرجَ، ومَن عزَّى أخاهُ المؤمنَ مِن مُصيبةٍ كساهُ اللهُ حُلَّلَ الكرامةِ يومَ القيامةِ»
(3).
269 - (20) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا عُبيدُ بنُ جَنَّادٍ
(4): حدثنا عُبيدُ اللهِ بنُ عَمرو، عن زيدِ بنِ أبي أُنيسةَ، عن عديِّ بنِ ثابتٍ، عن يزيدَ بنِ البراءِ، عن أبيه قالَ:
أَتيتُ عَمي وقَد اعتَقدَ رايةً، فقُلتُ: أينَ تُريدُ؟ قالَ: بعثَني رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم
--------------------------------------------
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা তোমাদের দৃষ্টি আকাশের দিকে তোলো না, নতুবা তা ছিনিয়ে নেওয়া হবে» অর্থাৎ সালাতের মধ্যে।
(১).
২৬৮ - (১৯) মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসমাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: কায়স আবু উমারা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে হাযম আল-আনসারী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি কোনো রোগীকে দেখতে যায়, সে রহমতের মধ্যে ডুবে থাকে; যতক্ষণ না সে তার কাছে বসে, সে তাতে নিমজ্জিত থাকে। অতঃপর যখন সে সেখান থেকে উঠে দাঁড়ায়, সে রহমতের মধ্যেই ডুবে থাকে যতক্ষণ না সে যেখান থেকে বের হয়েছিল সেখানে ফিরে আসে। আর যে ব্যক্তি তার কোনো মুমিন ভাইকে বিপদে সান্ত্বনা প্রদান করে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকে সম্মানের পোশাক পরিয়ে দেবেন»
(৩).
২৬৯ - (২০) আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবাইদ ইবনে জান্নাদ
(৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যায়দ ইবনে আবু উনাইসা থেকে, তিনি আদি ইবনে সাবিত থেকে, তিনি ইয়াযিদ ইবনে বারা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি আমার চাচার নিকট আসলাম এমতাবস্থায় যে তিনি একটি পতাকা ধারণ করেছিলেন। আমি বললাম: আপনি কোথায় যাওয়ার ইচ্ছা করছেন? তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে পাঠিয়েছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৪)
إلى رَجلٍ نكحَ امرأةَ أبيه أضربُ عُنقَه وآخذُ مالَه
(1).
270 - (21) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا سعيدُ بنُ سليمانَ، عن أبي بكرِ بنِ عياشٍ، عن عاصمٍ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ رضي الله عنه قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَباغَضوا، ولا تَدابَروا، ولا يَسُمْ أحدُكم على سَومِ أخيهِ، ولا يَبيعَنَّ مُهاجرٌ أعرابياً، دعُوا الناسَ يَرزقُ اللهُ بعضَهم مِن بعضٍ، لا تَشتَرطُ امرأةٌ طلاقَ أُختِها»
(2).
271 - (22) حدثنا أبو بَرزةَ الفضلُ بنُ محمدٍ الحاسبُ: حدثنا سعيدُ بنُ عَمرو الأَشعثيُّ: حدثنا عَبثرُ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ رضي الله عنه قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا اغتَسلَ الرَّجلُ ثم أَتى الجُمعةَ فأنصَتَ حتى يَقضيَ الإمامُ صلاتَه غُفرَ له ما بينَ الجُمعةِ إلى الجُمعةِ وزيادةُ ثلاثةُ أيامٍ، وإنْ قالَ لجَليسِهِ: أنصِتْ، فقَد لَغَا»
(3).
272 - (23) حدثنا الفضلُ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ عمرَ: حدثنا عَمرو بنُ محمدٍ: حدثنا الصَّلتُ بنُ دينارٍ، عن يحيى بنِ أبي كثيرٍ، عن هلالِ بنِ
--------------------------------------------
এমন এক ব্যক্তির কাছে যে তার পিতার স্ত্রীকে বিবাহ করেছে, আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব এবং তার সম্পদ গ্রহণ করব
(১).
২৭০ - (২১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে সুলাইমান, আবু বকর ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি আসেম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না, তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের কেনা-দামের ওপর দাম না করে, আর কোনো মুহাজির যেন কোনো গ্রাম্য ব্যক্তির পক্ষে পণ্য বিক্রয় না করে। মানুষকে তাদের অবস্থায় ছেড়ে দাও, আল্লাহ তাদের একজনের মাধ্যমে অন্যজনকে রিযিক দান করেন। কোনো নারী যেন তার (মুসলিম) বোনের তালাকের শর্ত না দেয়»
(২).
২৭১ - (২২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বারযাহ আল-ফাদল ইবনে মুহাম্মাদ আল-হাসিব: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আমর আল-আশআসি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবসার, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন কোনো ব্যক্তি গোসল করে জুমুআর সালাতে আসে, এরপর ইমাম সালাত শেষ করা পর্যন্ত চুপ থাকে, তবে তার সেই জুমুআ থেকে পরবর্তী জুমুআ পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি (খুতবা চলাকালীন) তার পাশের সঙ্গীকে বলল: 'চুপ করো', সে অনর্থক কাজ করল»
(৩).
২৭২ - (২৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফাদল: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আস-সলত ইবনে দিনার, ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি হিলাল ইবনে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৫)
أبي مَيمونةَ، عن عطاءِ بنِ يَسارٍ، عن الحكمِ بنِ معاويةَ
(1) قالَ:
كانَت لنا شاءٌ قِبلَ أُحدٍ والجَوَّانيَّةِ، وكانتْ لي فيها جاريةٌ سوداءُ وأنا رَجلٌ مِن آدمَ آسَفُ كما يأسَفونَ، فأطلقْتُها ذاتَ يومٍ فوَجدتُّ الذِّئبَ قَد ذَهبَ مِنها بشاةٍ، فأهوَيتُ لوَجهِ جاريَتي فصَككتُه، فشَدَّدَ ذلكَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وعظَّمَه، فقُلتُ: يا رسولَ اللهِ ألا أُعتقُها؟ قالَ: «ائتِني بها» فجِئتُ بها، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أينَ اللهُ؟» قالتْ: في السَّماءِ، قالَ: «فمَن أنا؟» قالتْ: أنتَ رسولُ اللهِ، قالَ: «أعتِقْها فإنَّها مؤمنةٌ».
قالَ: فبَينا أنا مَع رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم في الصُّفَّةِ / فجَعلَ يُوجِّهُ الرَّجلَ مِن المُهاجِرينَ مَع الرَّجلِ مِن الأنصارِ، والرَّجلَينِ والثلاثَ حتى بَقيتُ في أربعةٍ والنبيُّ
(2) صلى الله عليه وسلم خامِسُنا، فقالَ لهم رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «انطَلِقوا بنا» فلمَّا جِئنا قالَ: «يا عائشةُ عَشِّينا» فجاءَتْنا بجَشِيشَةٍ فأكَلْنا، ثم قالَ: «يا عائشةُ أطعِمينا» فجاءَتْ بحَيسَةٍ فأكَلْنا، ثم قالَ: «يا عائشةُ اسقِينا» فجاءَتْ (بجُريعةٍ؟)
(3) مِن لبنٍ فشَرِبنا، ثم قالَ: «يا عائشةُ اسقِينا» فجاءَتْ بعُسٍّ مِن ماءٍ فشَرِبنا، ثم قالَ: «مَن شاءَ مِنكم أَن يَنطلقَ إلى المسجدِ فليَنطلقْ، ومَن شاءَ مِنكم باتَ ها هُنا» قالَ: قُلنا: بل نَنطلقُ إلى المسجدِ.
قالَ الحكمُ: فبينَما أنا نائمٌ على بَطني فإذا رَجلٌ يرفُسُني برِجلِه في جَوفِ الليلِ، فرَفعتُ رَأسي فإذا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فقالَ: «قُم، فإنَّ هذه ضِجعةٌ يُبغضُها
--------------------------------------------
আবু মাইমুনা হতে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার হতে, তিনি হাকাম ইবনে মুয়াবিয়া
(১) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
উহুদ ও জাওয়ানিয়া প্রান্তরে আমাদের কিছু বকরি ছিল। সেখানে আমার একজন কৃষ্ণাঙ্গ দাসী ছিল। আর আমি আদমের সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত একজন মানুষ, তারা যেভাবে রাগান্বিত হয় আমিও সেভাবে রাগান্বিত হই। একদিন আমি তাকে (বকরি চরাতে) পাঠালাম, পরে দেখলাম যে নেকড়ে বাঘ একটি বকরি নিয়ে গেছে। তখন আমি আমার দাসীর মুখে একটি চড় মারলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর ও কঠোর মনে হলো। তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তাকে মুক্ত করে দেব না? তিনি বললেন: «তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো»। সুতরাং আমি তাকে নিয়ে এলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন: «আল্লাহ কোথায়?» সে বলল: আসমানে। তিনি বললেন: «আমি কে?» সে বলল: আপনি আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন: «তাকে মুক্ত করে দাও, কারণ সে মুমিন»।
তিনি বলেন: একদা আমি সুফফায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি একজন মুহাজির ব্যক্তিকে একজন আনসার ব্যক্তির সাথে, এবং দু-তিনজন করে একত্রে পাঠাতে লাগলেন। শেষ পর্যন্ত আমরা চারজন বাকি রইলাম এবং নবী
(২) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন আমাদের মধ্যে পঞ্চম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের বললেন: «আমাদের সাথে চলো»। যখন আমরা আসলাম, তিনি বললেন: «হে আয়েশা! আমাদের রাতের খাবার দাও»। তিনি আমাদের জন্য জাশিশা (এক প্রকার খাবার) নিয়ে আসলেন এবং আমরা তা খেলাম। এরপর তিনি বললেন: «হে আয়েশা! আমাদের খাবার দাও»। তিনি হাইসা (এক প্রকার খাবার) নিয়ে আসলেন এবং আমরা তা খেলাম। এরপর তিনি বললেন: «হে আয়েশা! আমাদের পান করাও»। তিনি সামান্য পরিমাণ (এক চুমুক?)
(৩) দুধ নিয়ে আসলেন এবং আমরা তা পান করলাম। এরপর তিনি বললেন: «হে আয়েশা! আমাদের পান করাও»। তিনি একটি বড় পাত্রে পানি নিয়ে আসলেন এবং আমরা তা পান করলাম। এরপর তিনি বললেন: «তোমাদের মধ্যে যার ইচ্ছা মসজিদে চলে যেতে পারো, আর যার ইচ্ছা এখানে রাত কাটাতে পারো»। তিনি (হাকাম) বলেন: আমরা বললাম: বরং আমরা মসজিদেই চলে যাই।
হাকাম বলেন: গভীর রাতে আমি যখন উপুড় হয়ে ঘুমাচ্ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তার পা দিয়ে আমাকে খোঁচা দিলেন। আমি মাথা তুললাম এবং দেখলাম তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি বললেন: «ওঠো, নিশ্চয়ই এটি এমন শয়ন ভঙ্গি যা (আল্লাহ) ঘৃণা করেন...»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৬)
اللهُ عز وجل».
قالَ: وكنتُ حديثَ عَهدٍ بأَعرابيَّةٍ، فأنا أُصلِّي مع النبيِّ صلى الله عليه وسلم، فعطَسَ رَجلٌ مِن القومِ وهو في الصلاةِ فقلتُ: يرحَمْكَ اللهُ، فأَومأَ القومُ (بأفواهِهِم؟)
(1) فنظَروا إليَّ، فقُلتُ: واثُكْلَ أُمِّيَاه، وهَل قُلتُ بأساً! فصَمَّتوني فصَمتُّ، فلمَّا انصرَفَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم دَعاني، فبِأبي هو وأُمي ما رأيتُ قَبلَه ولا بعدَه أحسَنَ تَعليماً مِنه، ما كَهَرني ولا سبَّني ولا ضَرَبني، قالَ: «إنَّ هذه الصلاةَ لا يَصلحُ فيها شيءٌ مِن كلامِ الناسِ، إنَّما هو التكبيرُ والتهليلُ والتسبيحُ وقراءةُ القرآنِ والحمدُ»
(2).
273 - (24) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا فيضُ بنُ وثيقٍ الثَّقفيُّ: حدثنا أبو إسماعيلَ إبراهيمُ بنُ عبدِ الملكِ: حدثنا قتادةُ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:
كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يتوضَّأُ بالمُدِّ ويَغتسلُ بالصاعِ
(3).
--------------------------------------------
আল্লাহ মহান।
তিনি বলেন: আমি পল্লীবাসীদের জীবন থেকে (ইসলামে) নতুন এসেছি। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করছিলাম। এমতাবস্থায় জামাতের এক ব্যক্তি হাঁচি দিলে আমি বললাম: আল্লাহ আপনার প্রতি রহম করুন। তখন লোকেরা (তাদের মুখ দিয়ে?)
(১) ইশারা করল এবং আমার দিকে তাকাতে লাগল। আমি বললাম: হায়, আফসোস আমার জন্য! আমি কি কোনো মন্দ কথা বলেছি? এরপর তারা আমাকে চুপ করিয়ে দিল এবং আমিও চুপ হয়ে গেলাম। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করলেন, তিনি আমাকে ডাকলেন। আমার পিতা-মাতা তাঁর জন্য উৎসর্গিত হোন, আমি তাঁর আগে বা পরে তাঁর চেয়ে উত্তম কোনো শিক্ষক দেখিনি। তিনি আমাকে ধমক দেননি, গালি দেননি এবং প্রহারও করেননি। তিনি বললেন: «এই সালাতে মানুষের কোনো সাধারণ কথা বলা সমীচীন নয়। এটি কেবল তাকবীর, তাহলীল, তাসবীহ, কুরআন তিলাওয়াত এবং আল্লাহর প্রশংসার জন্য»
(২)।
২৭৩ - (২৪) আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ফায়দ ইবনে ওয়াসীক আস-সাকাফী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু ইসমাঈল ইবরাহীম ইবনে আব্দুল মালিক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট কাতাদাহ আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মুদ পানি দিয়ে ওযু করতেন এবং এক সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৭)
274 - (25) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا عَتيقُ بنُ يعقوبَ الزُّبيريُّ: حدثنا إبراهيمُ بنُ قُدامةَ، عن أبي عبدِ اللهِ الأغرِّ، عن أبي هريرةَ،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ إذا جاءَهم المطرُ فسالَت المَيازِيبُ قالَ: «لا مَحْلَ عليكم العامَ». أي الجَدْب
(1).
275 - (26) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا يحيى بنُ عبدِ الحميدِ: حدثنا عبدُ السلامِ بنُ حربٍ، عن إسحاقَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ أبي فروةَ، عن مكحولٍ، عن أبي إدريسَ، عن غُضَيفٍ أو أبي غُضَيفٍ مِن أصحابِ النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَن أحدَثَ هِجاءً في الإسلامِ فاقطَعوا لِسانَه»
(2).
276 - (27) /حدثنا إبراهيمُ بنُ عبدِ اللهِ: حدثنا ياسينُ بنُ حمادٍ: حدثنا شعبةُ، عن أبي إسحاقَ، عن أبي السَّفَرِ، عن سعيدِ بنِ المُسيبِ
(3)، عن ابنِ عباسٍ،
--------------------------------------------
২৭৪ - (২৫) আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আতিক ইবনে ইয়াকুব আল-জুবাইরি বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে কুদামা বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুল্লাহ আল-আগার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন,
যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখনই বৃষ্টি দেখতেন এবং যখনই বৃষ্টি নালা দিয়ে প্রবাহিত হতো, তখন বলতেন: «এই বছর তোমাদের উপর কোনো দুর্ভিক্ষ হবে না।» অর্থাৎ অনাবৃষ্টি বা দুর্ভিক্ষ।
২৭৫ - (২৬) আমাদের নিকট আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আব্দুস সালাম ইবনে হারব বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি ফারওয়া থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি আবু ইদ্রিস থেকে, তিনি গুদাইফ অথবা আবু গুদাইফ থেকে—যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের একজন—তিনি বলেছেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইসলামে কোনো নিন্দাসূচক কবিতা বা কুৎসা রচনা করবে, তোমরা তার জিহ্বা কেটে দাও।»
২৭৬ - (২৭) /আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াসিন ইবনে হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট শু'বাহ বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবুস সাফার থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৮)
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كانَ إذا خَرجَ مِن بيتِه صلَّى رَكعتَينِ حتى يرجعَ إلى بيتِهِ.
277 - (28) حدثنا إبراهيمُ: حدثنا ياسينُ بنُ حمادٍ: حدثنا بَحرُ بنُ كَنيزٍ: حدثنا عُبيدُ اللهِ العتكيُّ
(1)، عن أبي رجاءٍ، عن عمرانَ بنِ حُصينٍ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم نَهى عن بيعِ السِّلاحِ في الفتنةِ
(2).
278 - (29) حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الصقرِ السُّكريُّ: حدثنا إبراهيمُ بنُ المنذرِ: حدثنا عبدُ الرحمنِ بنُ سعدٍ المؤذنُ، حدثنا عبدُ اللهِ بنُ سعيدٍ المَقبريُّ، عن
(3) أبي هريرةَ رضي الله عنه قالَ:
--------------------------------------------
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখনই তাঁর ঘর থেকে বের হতেন, ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।
২৭৭ - (২৮) আমাদের নিকট ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াসীন বিন হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট বাহর বিন কানীয বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ আল-আতাকী
(১) বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু রাজা থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন যে,
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিতনার সময় অস্ত্র বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন
(২)।
২৭৮ - (২৯) আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন আস-সাকর আস-সুক্কারী বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইবরাহীম বিন আল-মুনযির বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুর রহমান বিন সা’দ আল-মুআযযিন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন সাঈদ আল-মাকবুরী বর্ণনা করেছেন, তিনি
(৩) আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৬৯)
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا ظَننتُم فلا تُحقِّقوا، وإذا حَسدتُّم فلا تَبغوا، وإذا تَطيَّرتُم فامضُوا، وعلى اللهِ فتوكَّلوا».
279 - (30) حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الصقرِ السُّكريُّ: حدثنا أبو معمرٍ القطيعيُّ: حدثنا أبو محمدٍ السلميُّ، عن خُصيفٍ، عن مِقسمٍ، عن ابنِ عباسٍ رضي الله عنهما قالَ:
انتعَلَ رَجلٌ على عهدِ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وهو قائمٌ فأحدَثَ، فنَهى رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَن ينتعِلَ الرَّجلُ وهو قائمٌ
(1).
280 - (31) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى الحلوانيُّ: حدثنا أحمدُ بنُ يونسَ: حدثنا أبو بكرِ بنُ عَياشٍ، عن هشامٍ، عن ابنِ سيرينَ، عن أبي هريرةَ،
أنَّ رَجلاً أَتى أهلَه فرَأى ما بِهم مِن الحاجِةِ فخَرجَ إلى البريةِ، فَقالت امرأتُه: اللهمَّ ارزُقْنا ما نَعجنُ ونَختَبزُ، فإِذا الجَفنةُ ملأَى خَميراً والرَّحى تَطحنُ والتَّنورُ ملأَى جُنُوبَ
(2) شِواءٍ، فجاءَ زَوجُها فقالَ: عندَكم شيءٌ؟
--------------------------------------------
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন তোমরা (মন্দ) ধারণা পোষণ করো তখন তা বাস্তবে রূপ দিও না (বা সত্য বলে ধরে নিও না), যখন তোমরা হিংসা করো তখন সীমা লঙ্ঘন করো না, আর যখন তোমরা কুলক্ষণ অনুভব করো তখন নিজ কাজে এগিয়ে যাও এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করো।"
২৭৯ - (৩০) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনুল সাক্বর আস-সুক্কারী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মা'মার আল-ক্বাতী'ঈ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আস-সুলামী, খুসাইফ থেকে, তিনি মিকসাম থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় জুতো পরিধান করলেন এবং এর ফলে একটি বিপত্তি ঘটল; তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ব্যক্তির দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় জুতো পরিধান করতে নিষেধ করলেন
(১)।
২৮০ - (৩১) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-হালওয়ানী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আইয়্যাশ, হিশাম থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে,
এক ব্যক্তি তার পরিবারের কাছে এসে তাদের অভাব-অনটন দেখতে পেলেন, এরপর তিনি মরুভূমির দিকে বেরিয়ে গেলেন। তখন তার স্ত্রী প্রার্থনা করলেন: হে আল্লাহ, আমাদের এমন রিযিক দান করুন যা দিয়ে আমরা খামির প্রস্তুত করতে পারি এবং রুটি সেঁকতে পারি। এরপর হঠাৎ দেখা গেল একটি বড় পাত্র খামিরে পূর্ণ হয়ে আছে, জাঁতাকলটি নিজে নিজেই পিষছে এবং তন্দুরটি ভুনা পাঁজরের মাংসে পূর্ণ হয়ে আছে। এরপর তার স্বামী ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলেন: তোমাদের কাছে কি কিছু আছে?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭০)
قالتْ: نَعم، رِزقُ اللهِ، فرَفعَ الرَّحى فكنَسَ ما حولَها. قالَ: فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لو تَركَها لدارَت -أو لَطحنَتْ- إلى يومِ القيامةِ»
(1).
281 - (32) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى الحلوانيُّ: حدثنا أحمدُ بنُ يونسَ، عن أبي شهابٍ، عن عَمرو بنِ قيسٍ -كذا قالَ-، عن ابنِ أبي مُليكةَ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي بكرٍ رضي الله عنهما قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ائتِني بدَوَاةٍ أكتُبْ لكم شيئاً لا تَضلِّوا بعدَه» قالَ: ثمَّ ولَّانا قفاهُ، ثم أقبلَ عليهم فقالَ: «يأبَى اللهُ والمؤمِنونَ إلا أبا بكرٍ»
(2).
--------------------------------------------
তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর পক্ষ থেকে রিজিক। এরপর তিনি জাঁতাটি উঠালেন এবং এর চারপাশ ঝাড়ু দিলেন। রাবী বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «যদি তিনি এটি ছেড়ে দিতেন, তবে তা কিয়ামত পর্যন্ত ঘুরতে থাকত -অথবা পেষন করতে থাকত-»
(১).
২৮১ - (৩২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-হুলওয়ানি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস, আবু শিহাব থেকে, তিনি আমর ইবনে কায়স থেকে -এভাবেই তিনি বলেছেন-, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমরা আমার নিকট একটি দোয়াতি (কালি ও কলম) নিয়ে এসো, আমি তোমাদের জন্য এমন কিছু লিখে দেব যার পর তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না» রাবী বলেন: এরপর তিনি আমাদের থেকে বিমুখ হলেন (পিঠ ফেরালেন), পুনরায় তাদের দিকে ফিরে বললেন: «আল্লাহ এবং মুমিনগণ আবু বকর ব্যতীত অন্য কাউকে গ্রহণ করবেন না (বা অস্বীকার করবেন)»
(২).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭১)
282 - (33) / حدثنا عبدُ اللهِ بنُ الصقرِ: حدثنا محمدُ بنُ مُصفَّى: حدثنا سُويدُ بنُ عبدِ العزيزِ، عن عُبيدِ اللهِ، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ رضي الله عنهما،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «كُلُّ مالٍ وإن كانَ تحتَ سبعِ أرَضينَ يُؤدَّى زكاتُه فليسَ بكنزٍ، وكُلُّ مالٍ لا يُؤدَّى زكاتُه وإن كانَ ظاهراً فهو كنزٌ»
(1).
283 - (34) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا سعيدُ بنُ سليمانَ، عن إسحاقَ بنِ يحيى بنِ طلحةَ بنِ عُبيدِ اللهِ قال: حدثني المسيبُ بنُ رافعٍ ومعبدُ بنُ خالدٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ يزيدَ الخَطْميِّ -وكانَ أميراً على الكوفةِ- قالَ:
أتَينا قيسَ بنَ سعدٍ في بيتِه فأذنَ بالصلاةِ، فقُلنا لقيسٍ: قُم فصَلِّ بِنا، قالَ: لم أكُنْ لأُصلِّيَ بقومٍ لستُ عَليهم أميراً، فقالَ رَجلٌ ليسَ بدُونِه يُقالُ له: عبدُ اللهِ بنُ حنظلةَ بنِ الغَسيلِ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ الرَّجلَ أحقُّ بصَدرِ دابتِهِ، وصدرِ فِراشِه، وأَن يُؤمَّ في رَحْلِهِ».
فقالَ قيسُ بنُ سعدٍ لمَولىً له: قُم فصَلِّ بهم
(2).
--------------------------------------------
২৮২ - (৩৩) / আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল সাকর: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু মুসাফফা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ ইবনু আব্দুল আজিজ, উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্রত্যেক সম্পদ, এমনকি তা সাত জমিনের নিচে থাকলেও, যদি তার জাকাত আদায় করা হয় তবে তা 'কানজ' (পুঞ্জীভূত সম্পদ) নয়। আর যে সম্পদের জাকাত আদায় করা হয় না, তা প্রকাশ্য থাকলেও তা 'কানজ'»
(১)।
২৮৩ - (৩৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনু ইয়াহইয়া: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনু সুলাইমান, ইসহাক ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু তালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাইয়াব ইবনু রাফি এবং মাবাদ ইবনু খালিদ, আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াজিদ আল-খাতমি থেকে —যিনি কুফার আমির ছিলেন— তিনি বলেন:
আমরা কায়েস ইবনু সা'দের কাছে তাঁর ঘরে আসলাম, অতঃপর নামাজের আজান দেওয়া হলো। আমরা কায়েসকে বললাম: আপনি দাঁড়ান এবং আমাদের ইমামতি করুন। তিনি বললেন: আমি এমন কোনো সম্প্রদায়ের ইমামতি করব না যাদের ওপর আমি আমির নই। তখন তাঁর চেয়ে কম মর্যাদার নন এমন এক ব্যক্তি, যাকে আব্দুল্লাহ ইবনু হানজালা ইবনুল গাসীল বলা হয়, বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই ব্যক্তি তার পশুর সম্মুখভাগে, তার বিছানার অগ্রভাগে এবং তার নিজ বাসস্থানে ইমামতি করার অধিক হকদার»।
অতঃপর কায়েস ইবনু সা'দ তাঁর এক গোলামকে বললেন: দাঁড়াও এবং তাদের নিয়ে নামাজ পড়ো
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭২)
284 - (35) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى الحلوانيُّ: حدثنا يحيى بنُ عبدِ الحميدِ: حدثنا سليمانُ بنُ بلالٍ، عن يحيى بنِ سعيدٍ، عن محمدِ بنِ يحيى بنِ حَبَّانَ، عن لؤلؤةَ، عن أبي صِرمةَ،
أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «اللهمَّ إنِّي أسألُكَ الغِنى وغِنى المَوالي»
(1).
285 - (36) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا محمدُ بنُ معاويةَ النَّيسابوريُّ: حدثنا محمدُ بنُ صفوانَ، عن ابنِ جُريجٍ، عن عطاءٍ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يُنزِلُ اللهُ عز وجل كلَّ يومٍ مئةَ رَحمةٍ، سِتينَ على الطائفِينَ، وعشرينَ على أهلِ مكةَ، وعشرينَ على سائرِ الناسِ»
(2).
286 - (37) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا سعيدُ بنُ سليمانَ: حدثنا عبدُ العزيزِ بنُ محمدٍ: حدثنا عَمرو بنُ أبي عَمرو، عن عبدِ اللهِ بنِ عُبيدِ اللهِ بنِ أبي رافعٍ، عن أبيه، عن أبي رافعٍ قالَ:
--------------------------------------------
২৮৪ - (৩৫) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইয়াহইয়া আল-হুলওয়ানি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল হামিদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন বিলাল, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন হাব্বান থেকে, তিনি লুলুয়াহ থেকে, তিনি আবু সিরমাহ থেকে,
নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে স্বচ্ছলতা এবং মাওয়ালিদের (মুক্তদাসদের) স্বচ্ছলতা প্রার্থনা করছি»
(১)।
২৮৫ - (৩৬) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইয়াহইয়া: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন মুআবিয়াহ আন-নাইসাবুরি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন সাফওয়ান, ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা প্রতিদিন একশটি রহমত নাজিল করেন; ষাটটি তওয়াফকারীদের ওপর, বিশটি মক্কাবাসীদের ওপর এবং বিশটি অন্যান্য মানুষের ওপর»
(২)।
২৮৬ - (৩৭) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইয়াহইয়া: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন সুলায়মান: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমর বিন আবি আমর, আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবি রাফি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে বর্ণনা করেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭৩)
رأيتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم توضَّأَ فغَسلَ وجهَه ثلاثاً، وغَسلَ يدَيه ثلاثاً، ومسحَ برأسِهِ وأُذنَيهِ، وغَسلَ رِجلَيه ثلاثاً، ورأيتُه غَسلَ مرةً مرةً
(1).
287 - (38) / حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا يحيى بنُ عبدِ الحميدِ: حدثنا خالدُ بنُ عبدِ اللهِ، عن عَمرو بنُ يحيى، عن محمدِ بنِ يحيى بنِ حَبَّانَ، عن وهبِ
(2) بنِ حذيفةَ قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «الرَّجلُ أحقُّ بمجلِسِه، فإنْ بدَت له حاجةٌ فقامَ إليها ثم رَجعَ فهو أحقُّ بمجلِسِه»
(3).
288 - (39) حدثنا يوسفُ بنُ يعقوبَ: حدثنا محمدٌ: حدثنا أبو عَوانةَ، عن عبدِ الملكِ بنِ عُميرٍ قالَ: قالتْ عائشةُ:
أُعطيتُ خِصالاً ما أُعطيَتْها امرأةٌ وما لي بفضلٍ على نساءِ النبيِّ صلى الله عليه وسلم، أملَكَني رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وأنا بنتُ سِتِّ سِنينَ، وأتاهُ الملَكُ بصورَتي في كَفِّه فنظَرَ إليها، وبَنى بي لتسعِ سِنينَ، ورأيتُ جبريلَ ولم ترَهُ امرأةٌ غَيري، وكنتُ أحبَّ نِسائِه إليه، وكانَ أبي أحبَّ أصحابِه إليه، ومرضَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم في
--------------------------------------------
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ওযু করতে দেখেছি; তিনি তাঁর মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করলেন, তাঁর হাত দুটি তিনবার ধৌত করলেন, তাঁর মাথা ও কান মাসাহ করলেন এবং তাঁর পা দুটি তিনবার ধৌত করলেন। আমি তাঁকে একবার একবার করেও ধৌত করতে দেখেছি
(১)।
২৮৭ - (৩৮) / আমাদের নিকট আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বান থেকে, তিনি ওয়াহাব
(২) ইবনে হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ব্যক্তি তার মজলিসের (বসার স্থানের) অধিক হকদার। যদি তার কোনো প্রয়োজন দেখা দেয় এবং সে উঠে যায়, অতঃপর ফিরে আসে, তবে সে-ই তার মজলিসের অধিক হকদার»
(৩)।
২৮৮ - (৩৯) আমাদের নিকট ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু আওয়ানাহ বর্ণনা করেছেন, আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি বলেন: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন:
আমাকে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা অন্য কোনো নারীকে দেওয়া হয়নি, অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যান্য স্ত্রীদের উপর আমার কোনো শ্রেষ্ঠত্বের দাবি নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিয়ে করেছিলেন যখন আমি ছয় বছরের বালিকা ছিলাম। ফেরেশতা তাঁর হাতের তালুতে আমার প্রতিকৃতি নিয়ে তাঁর কাছে এসেছিলেন এবং তিনি সেটির দিকে তাকিয়েছিলেন। নয় বছর বয়সে আমার বাসর হয়েছে। আমি জিবরাঈলকে দেখেছি যা আমি ব্যতীত অন্য কোনো নারী দেখেনি। আমি তাঁর নিকট তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিলাম এবং আমার পিতা তাঁর নিকট তাঁর সাথীদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭৪)
بَيتي فمَرَّضتُّه، وقُبضَ ولن
(1) يشهَدَه غَيري والملائكةُ
(2).
289 - (40) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا أبو أيوبَ الأنصاريُّ أحمدُ بنُ عبدِ الصمدِ: حدثنا إسماعيلُ بنُ قيسٍ، عن يحيى بنِ سعيدٍ، عن أبي الحُبابِ سعيدِ بنِ يَسارٍ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ أنَّه قالَ:
سمعَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صوتاً هالَه ذلكَ، فأتاهُ جبريلُ فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ما هَذا الصوتُ يا جبريلُ؟» قالَ: هذِه صخرةٌ هوَتْ مِن شَفيرِ جهنمَ مُنذُ سبعينَ عاماً، فهَذا حينَ بلَغَت قعرَها، أَحبَّ اللهُ أن يُسمعِكَ صوتَها. فما رُؤيَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بعدَ ذلكِ اليومِ ضاحكاً ملءَ فيه حتى قبَضَه اللهُ
(3).
290 - (41) حدثنا أبو مسلمٍ: حدثنا أبو حذيفةَ: حدثنا عكرمةُ بنُ عمارٍ، عن أبي زُميلٍ، عن ابنِ عباسٍ قالَ: حدثني عمرُ بنُ الخطابِ قالَ:
قُلتُ: يا رسولَ اللهِ، دَعني أضرِب عُنقَ حاطبٍ فقَد كفرَ، فقالَ: «وما
--------------------------------------------
আমার ঘর, আমিই তাঁর সেবা করেছি, এবং তিনি ইন্তেকাল করেছেন এমতাবস্থায় যে আমি এবং ফেরেশতাগণ ব্যতীত অন্য কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না
(১)।
২৮৯ - (৪০) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আইয়ুব আল-আনসারী আহমদ ইবনে আবদুস সামাদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে কায়স, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবুল হুবাব সাঈদ ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি শব্দ শুনতে পেলেন যা তাঁকে আতঙ্কিত করল। জিবরাঈল (আ.) তাঁর নিকট আসলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেন: «হে জিবরাঈল, এটি কিসের শব্দ?» তিনি বললেন: «এটি একটি পাথর যা সত্তর বছর পূর্বে জাহান্নামের কিনারা থেকে নিচে পড়েছিল, এখন তা তলদেশে গিয়ে পৌঁছেছে। আল্লাহ চাইলেন আপনাকে তার শব্দ শোনাতে।» সেই দিনের পর থেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে আর কখনও প্রাণখুলে হাসতে দেখা যায়নি, যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর জান কবজ করেছেন
(৩)।
২৯০ - (৪১) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুজাইফা: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ ইবনে আম্মার, আবু জুমাইল থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অনুমতি দিন আমি হাতিবের গর্দান উড়িয়ে দেই, কেননা সে কুফরি করেছে। তখন তিনি বললেন: «তুমি কী জান...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭৫)
يُدريكَ يا ابنَ الخَطابِ لعلَّ اللهَ قَد اطَّلعَ على أهلِ بدرٍ فقالَ: اعمَلوا ما شِئتُم فقَد غَفرتُ لكُم»
(1).
291 - (42) حدثنا أبو زَكريا يحيى بنُ محمدِ بنِ البَختَريِّ: حدثنا شيبانُ: حدثنا عيسى بنُ شعيبٍ: حدثنا حفصُ بنُ سليمانَ، عن يزيدَ بنِ عبدِ الرحمنِ، عن أبيه، عن أبي أُمامةَ
(2) رضي الله عنه قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «صَنائعُ المَعروفِ تَقي مَصارعَ السُّوءِ، وصدقةُ السِّرِّ تُطفئُ غَضبَ الربِّ، وصلةُ الرَّحمِ تَزيدُ في العمرِ، وكُلُّ معروفٍ صدقةٌ، وإنَّ أهلَ المَعروفِ في الدُّنيا هم أهلُ المَعروفِ في الآخرةِ، وإنَّ أهلَ المُنكرِ في الدُّنيا / هم أهلُ المُنكرِ في الآخرةِ، وإنَّ أولَ أهلِ الجَنةِ دُخولاً الجَنةَ أهلُ المَعروفِ»
(3).
292 - (43) حدثنا أحمدُ بنُ يحيى: حدثنا يحيى بنُ معينٍ: حدثنا
--------------------------------------------
হে খাত্তাবের পুত্র! আপনি কি জানেন, সম্ভবত আল্লাহ তাআলা বদরবাসীদের অবস্থার প্রতি দৃষ্টিপাত করেছেন এবং বলেছেন: «তোমরা যা ইচ্ছা করো, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি»
(১)।
২৯১ - (৪২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল বাখতারি: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শায়বান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে শুআইব: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে সুলাইমান, ইয়াজিদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু উমামাহ
(২) রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «সৎ কাজ মন্দ মৃত্যু থেকে রক্ষা করে, গোপনে দান রবের ক্রোধ নিভিয়ে দেয়, আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখা আয়ু বৃদ্ধি করে এবং প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। নিশ্চয়ই দুনিয়াতে যারা সৎকর্মশীল, আখিরাতেও তারাই সৎকর্মশীল হবে; আর দুনিয়াতে যারা অসৎকর্মশীল, আখিরাতেও তারাই অসৎকর্মশীল হবে। আর জান্নাতবাসীদের মধ্যে যারা সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে, তারা হলো সৎকর্মশীল ব্যক্তিরা»
(৩)।
২৯২ - (৪৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭৬)
عبدُ الرحمنِ بنُ مَهديٍّ، عن داودَ بنِ قيسٍ الفَراءِ، عن موسى بنِ يسارٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:
كانَ صَداقُنا إذ كانَ فينا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَشرةَ أواقٍ
(1).
293 - (44) حدثنا يوسفُ القاضي: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ: حدثنا سليمانُ بنُ حَيانَ
(2)، عن أبي هريرةَ قالَ:
ولا أعلمُه إلا عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قالَ: «يَدخلُ فقراءُ هذه الأُمةِ قبلَ أغنيائِهم الجَنةَ بأربعينَ سَنةً».
294 - (45) حدثنا أحمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ عبدِ اللهِ
(3): حدثنا حجاجُ بنُ
--------------------------------------------
আবদুর রহমান বিন মাহদী, দাউদ বিন কাইস আল-ফাররা থেকে, তিনি মুসা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের মধ্যে ছিলেন তখন আমাদের মোহরানা ছিল দশ উকিয়া
(১)।
২৯৩ - (৪৪) ইউসুফ আল-কাজী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আমর বিন মারজুক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সুলাইমান বিন হাইয়ান
(২) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আর আমি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকেই জানি যে তিনি বলেছেন: «এই উম্মতের দরিদ্ররা তাদের ধনীদের চল্লিশ বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে»।
২৯৪ - (৪৫) আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ
(৩) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: হাজ্জাজ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭৭)
نُصيرٍ: حدثنا عليُّ بنُ المباركِ: حدثنا يحيى بنُ أبي كثيرٍ، عن أبي سلمةَ قالَ:
سألتُ عائشةَ رضي الله عنها عن صلاةِ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فذكَرَ مثلَ حديثِ هشامٍ
(1)، عن يحيى، عن أبي سلمةَ قالَ: سألتُ عائشةَ رضي الله عنها عن صلاةِ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فقالتْ: كانَ يُصلِّي ثلاثَ عشرةً، يُصلِّي ثَمانِ ركعاتٍ، ثم يُوترُ، ثم يُصلِّي ركعتَينِ وهو جالسٌ، فإذا أرادَ أَن يركَعَ قامَ فركَعَ، ويُصلِّي ركعتَينِ بينَ الأذانِ والإقامةِ مِن صلاةِ الصبحِ.
295 - (46) حدثنا يحيى بنُ محمدِ بنِ البَختَريِّ: حدثنا شيبانُ: حدثنا عبدُ العزيزِ بنُ مسلمٍ: حدثنا الحسنُ بنُ عُمارةَ، عن طلحةَ الإِياميِّ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ عَوسجةَ، عن البراءِ بنِ عازبٍ قالَ:
كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَمشي بينَنا في الصفِّ ويمسحُ مناكبَنا ويقولُ: «لا تَختَلفوا فتَختلفَ قُلوبُكم، إنَّ اللهَ وملائكتَه يُصلُّونَ على الصُّفوفِ المُقدَّمةِ»
(2).
296 - (47) حدثنا أحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ: حدثنا إبراهيمُ بنُ بشارٍ قالَ: أوْصانا إبراهيمُ بنُ أدهمَ: اهرُبوا مِن النارِ كهَرَبِكم مِن السَّبعِ الضارِي، ولا تَتخلَّفوا عن الجمعةِ والجماعةِ
(3).
--------------------------------------------
নুসায়র থেকে বর্ণিত: আলী ইবনে মুবারক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
আমি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে হিশামের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন
(১)। আবু সালামাহ বলেন: আমি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি তেরো রাকাত সালাত আদায় করতেন; (প্রথমে) আট রাকাত পড়তেন, তারপর বিতর পড়তেন, তারপর বসা অবস্থায় দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। এরপর যখন তিনি রুকু করার ইচ্ছা করতেন, তখন দাঁড়িয়ে রুকু করতেন। আর তিনি ফজরের সালাতের আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দুই রাকাত (সুন্নাত) সালাত আদায় করতেন।
২৯৫ - (৪৬) ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল বাখতারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: শায়বান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: আব্দুল আজিজ ইবনে মুসলিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে উমারা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তালহা আল-ইয়ামী থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আওসাজাহ থেকে, তিনি বারা ইবনে আযিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাতারগুলোর মাঝখান দিয়ে হেঁটে আমাদের কাঁধসমূহ স্পর্শ করতেন এবং বলতেন: «তোমরা কাতার আঁকাবাঁকা করো না, নতুবা তোমাদের অন্তরসমূহে বিভেদ সৃষ্টি হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ এবং তাঁর ফেরেশতাগণ প্রথমদিকের কাতারগুলোর ওপর সালাত (রহমত ও দুআ) প্রেরণ করেন»
(২)।
২৯৬ - (৪৭) আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: ইব্রাহিম ইবনে বাশার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনে আদহাম আমাদের নসিহত করেছেন: তোমরা জাহান্নাম থেকে সেভাবেই পলায়ন করো যেভাবে তোমরা শিকারি হিংস্র প্রাণী থেকে পলায়ন করো। আর জুমুআ ও জামাত থেকে পিছিয়ে থেকো না
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জুযউস সাকাতী
(পৃষ্ঠা: ২৭৮)
297 - (48) حدثنا يوسفُ بنُ يعقوبَ: حدثنا مُسددٌ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن ابنِ عونٍ، عن ابنِ سيرينَ، عن أنسِ بنِ مالكٍ رضي الله عنه،
أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم دَخلَ بيتاً فيه فَحلٌ
(1)، فكَسَحَ ناحيةً مِنه ورشِّه فصَلَّى فيه.
298 - (49) / حدثنا إبراهيمُ بنُ جعفرِ بنِ محمدٍ البصريُّ الفقيهُ في مجلسِ يوسفَ القاضي: حدثنا محمدُ بنُ مَهدي بنِ هلالٍ: حدثني أبي، عن محمدِ بنِ زيادٍ، عن ميمونِ بنِ مِهرانَ، عن ابنِ عباسٍ رضي الله عنهما،
عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «مَن تعلَّمَ باباً مِن العلمِ عملَ به أو لم يَعملْ به كانَ أفضلَ مِن صلاةِ ألفِ ركعةٍ، فإنْ هو عَملَ به أو علَّمَه كانَ له ثوابُه وثوابُ مَن يَعملُ به إلى يومِ القيامةِ»
(2).
299 - (50) حدثنا يوسفُ: حدثنا سليمانُ بنُ حربٍ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ،
أنَّ رَجلاً فارِسياً كانَ جاراً لرسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ مرقَتُه أطيبَ شيءٍ رِيحاً، وصَنعَ طعاماً ثم جاءَ إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وعائشةُ إلى جنبِه، فأومَأَ إليه أن تعالَ،
--------------------------------------------
২৯৭ - (৪৮) ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল আউন থেকে, তিনি ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে,
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন একটি ঘরে প্রবেশ করলেন যেখানে একটি পুরনো চাটায়
(১) ছিল। তিনি সেটির এক কোণ ঝাড়ু দিলেন এবং তাতে পানি ছিটিয়ে দিলেন, অতঃপর সেখানে সালাত আদায় করলেন।
২৯৮ - (৪৯) / ইউসুফ আল-কাদীর মজলিসে ইব্রাহীম ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-বাসরী আল-ফকীহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে মাহদী ইবনে হিলাল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি মায়মুন ইবনে মিহরান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন,
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইলমের (জ্ঞানের) একটি অধ্যায় শিক্ষা করল, সে অনুযায়ী আমল করুক বা না করুক, তা হাজার রাকাত সালাত আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর যদি সে অনুযায়ী আমল করে অথবা তা শিক্ষা দেয়, তবে তার জন্য এর সওয়াব এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা এর ওপর আমল করবে তাদের সওয়াব রয়েছে»
(২)।
২৯৯ - (৫০) ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: সুলাইমান ইবনে হারব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন,
জনৈক পারস্যদেশীয় ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতিবেশী ছিলেন, যার ঝোল ছিল অত্যন্ত সুগন্ধযুক্ত। তিনি কিছু খাবার তৈরি করলেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এমতাবস্থায় যে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি তাঁকে আসার জন্য ইশারা করলেন,
--------------------------------------------