(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: -)
قطعة من نتائج الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار القسم: التخريج والأطراف
الكتاب: نتائج الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار
(من المجلس 543 - المجلس 642)
قطعة تطبع لأول مرة
المؤلف: شهاب الدين أبو الفضل أحمد بن على بن محمد الكناني المعروف بابن حجر العسقلاني (773 - 852 هـ)
المحقق: وائل بكر زهران
الناشر: الفاروق الحديثة للطباعة والنشر، القاهرة - مصر
الطبعة: الأولى، 1436 هـ - 2015 م
تنبيه: أتممنا هذه النسخة: بـ (15) مجلسا مما نشره د محمد بن عبد الله السريّع - حفظه الله - على موقعه https://msurayyi.com أضفناها في مواضعها من هذه النسخة الإلكترونية، مع تمييزها
عدد الصفحات: 362
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 ذو الحجة 1446
জিকর সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহের তাখরীজে 'নাতায়েজুল আফকার' গ্রন্থের একটি অংশ বিভাগ: তাখরীজ ও আতরাফ
গ্রন্থ: জিকর সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহের তাখরীজে নাতায়েজুল আফকার
(৫৪৩ নং মজলিস থেকে - ৬৪২ নং মজলিস পর্যন্ত)
একটি অংশ যা প্রথমবারের মতো মুদ্রিত হচ্ছে
লেখক: শিহাবুদ্দীন আবুল ফজল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-কিনানি, যিনি ইবনে হাজার আল-আসকালানি নামে পরিচিত (৭৭৩ - ৮৫২ হিজরি)
সম্পাদক: ওয়ায়েল বকর যাহরান
প্রকাশক: আল-ফারুক আল-হাদিসাহ লিততিবাআতি ওয়ান নাশর, কায়রো - মিশর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৬ হিজরি - ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ
সতর্কবার্তা: আমরা এই পাণ্ডুলিপিটি পূর্ণ করেছি: (১৫) টি মজলিসের মাধ্যমে যা ড. মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সুরাইয়্যি —আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন— তার ওয়েবসাইট https://msurayyi.com-এ প্রকাশ করেছেন। আমরা সেগুলো এই ইলেকট্রনিক সংস্করণের নির্দিষ্ট স্থানে যুক্ত করেছি এবং সেগুলোকে পৃথকভাবে চিহ্নিত করেছি।
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৬২
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ যিলহজ ১৪৪৬
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد ألا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.
{ياأيها الذين آمنوا اتقوا الله حق تقاته ولا تموتن إلا وأنتم مسلمون (102)} (آل عمران).
{ياأيها الناس اتقوا ربكم الذي خلقكم من نفس واحدة وخلق منها زوجها وبث منهما رجالا كثيرا ونساء واتقوا الله الذي تساءلون به والأرحام إن الله كان عليكم رقيبا (1)} (النساء).
{ياأيها الذين آمنوا اتقوا الله وقولوا قولا سديدا * يصلح لكم أعمالكم ويغفر لكم ذنوبكم ومن يطع الله ورسوله فقد فاز فوزا عظيما} (71 الأحزاب).
أما بعد:
فهذه قطعة نفيسة من كتاب تخريج الأذكار للحافظ ابن حجر العسقلاني، من المجلس الثالث والأربعين بعد الخمسمائة إلى المجلس الثاني والأربعين بعد الستمائة، لم تطبع من قبل فهي ناقصة من طبعة الشيخ حمدي السلفي رحمه الله، وقد وقف رضي الله عنه على هذه المخطوطة إلا إن تصويرها كان سيئا فلم يستطع قراءتها، وقد من الله علي بمصورة منها واضحة كالشمس أتحفني إياها الشيخ الفاضل محمود النحال حفظه الله، وقمت بتحقيقها.
وكنت قد ترددت في طباعتها مفردة حتى سألت شيخنا العلامة فضيلة الأستاذ الدكتور أحمد معبد عبد الكريم حفظه الله ورعاه وأمد في عمره ونفع به المسلمين عن
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁরই কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে বিভ্রান্ত করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল।
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (আলে ইমরান: ১০২)।
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার স্ত্রীকে সৃষ্টি করেছেন, আর তাদের উভয় থেকে অনেক পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যার নামে তোমরা একে অপরের কাছে সাহায্য চাও এবং রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তার ব্যাপারে সচেতন থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। (নিসা: ১)।
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই এক মহা সাফল্য অর্জন করল। (আহজাব: ৭০-৭১)।
অতঃপর:
হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি রচিত ‘তাখরিজুল আজকার’ গ্রন্থের এটি একটি মূল্যবান অংশ, যা পাঁচশত তেতাল্লিশতম মজলিস থেকে ছয়শত বিয়াল্লিশতম মজলিস পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি ইতিপূর্বে মুদ্রিত হয়নি, ফলে শেখ হামদি আস-সালাফি (রহিমাহুল্লাহ)-এর সংস্করণে এটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এই পাণ্ডুলিপিটি অবগত হয়েছিলেন, কিন্তু এর অনুলিপিটি অত্যন্ত অস্পষ্ট থাকায় তিনি তা পাঠ করতে পারেননি। অতঃপর আল্লাহ আমাকে এর একটি সূর্যের মতো স্পষ্ট অনুলিপি দিয়ে অনুগ্রহ করেছেন, যা ফজিলতপূর্ণ শাইখ মাহমুদ আন-নাহহাল (হাফিজাহুল্লাহ) আমাকে উপহার দিয়েছেন এবং আমি এটি সম্পাদনা (তাহকিক) করেছি।
আমি এটি পৃথকভাবে মুদ্রণ করার ব্যাপারে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলাম, যতক্ষণ না আমি আমাদের শাইখ, আল্লামা, ফজিলতপূর্ণ উস্তাদ ডক্টর আহমদ মাবাদ আব্দুল করিম (আল্লাহ তাঁকে হিফাজত ও রক্ষা করুন, তাঁর আয়ু বৃদ্ধি করুন এবং মুসলিমদের তাঁর দ্বারা উপকৃত করুন)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করি...
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৬)
ذلك برسالة مكتوبة أرسلتها له مع أخي الفاضل مكاوي جمعة، فقلت له هل يصح طباعتها مفردة في مجلد؟
فأجابني حفظه الله وزاده تواضعا وعلما:
نعم يصح خصوصا منك وأرجو أن تفيدنا مشكورا بالمطبعة على الأقل لنستفيد به وبعملك وشكرا
এটি ছিল একটি লিখিত বার্তার মাধ্যমে, যা আমি আমার সম্মানিত ভাই মাক্কাবি জুমুআহ-এর মাধ্যমে তাঁর নিকট পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর আমি তাঁকে বললাম, এটি কি স্বতন্ত্রভাবে এক খণ্ডে মুদ্রণ করা সঠিক হবে?
অতঃপর তিনি আমাকে উত্তর প্রদান করলেন—আল্লাহ তাঁকে হিফাজত করুন এবং তাঁর বিনয় ও ইলম বৃদ্ধি করে দিন:
হ্যাঁ, এটি সঠিক হবে, বিশেষ করে আপনার পক্ষ থেকে। আমি আশা করি আপনি সদয় হয়ে আমাদের অন্তত মুদ্রণালয় সম্পর্কে অবহিত করবেন যাতে আমরা এটি থেকে এবং আপনার কাজ থেকে উপকৃত হতে পারি। ধন্যবাদ।
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৭)
ترجمة ابن حجر (1)أحمد بن علي بن محمد بن محمد بن علي بن أحمد العسقلاني الأصل المصري المولد والمنشأ نزيل القاهرة.
ولد في شعبان سنة ثلاث وسبعين وسبعمائة.
ومات أبوه في رجب سنة سبع وسبعين، وماتت أمه قبل ذلك وهو طفل فنشأ يتيما، ولم يدخل الكتاب حتى أكمل خمس سنين، فأكمل حفظ القرآن وله تسع سنين، ثم لم يتهيأ له أن يصلي بالناس التراويح إلا في سنة خمس وثمانين، وقد أكمل اثنتي عشرة سنة، وكان وصيه الرئيس الشهير زكي الدين أبو بكر بن نور الدين علي الخروبي، كبير التجار بمصر، قد جاور في تلك السنة واستصحبه معه؛ إذ لم يكن له من يكفله.
وسمع في تلك السنة «صحيح البخاري» على مسند الحجاز عفيف الدين عبد الله النشاوري - خاتمة أصحاب إمام المقام رضي الدين الطبري - ولم يضبط سماعه، لكنه يتحقق أنه لم يسمع الجميع، بل له فيه إجازة شاملة لمروياته، وكان سماعه بقراءة الشيخ شمس الدين محمد بن عمر السلاوي الدمشقي، تحت سكن الخروبي في البيت الذي بباب الصفا، على يمنة الخارج إلى الصفا، ويعرف ببيت عيناء - وهي الشريفة بنت الشريف عجلان - وبالبيت المذكور شباك يطل على المسجد الحرام، ويشاهد من يجلس فيه الكعبة والركن الأسود، فكان المستمع والقارئ يجلسان عند الشباك دون مصطبة تحت الشباك
--------------------------------------------
ইবন হাজারের জীবনী (১)আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ আল-আসকালানী; মূলত আসকালান নিবাসী, জন্ম ও বেড়ে ওঠা মিশরে এবং কায়রোর অধিবাসী।
৭৭৩ হিজরীর শাবান মাসে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
৭৭৭ হিজরীর রজব মাসে তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন এবং এর পূর্বেই তাঁর মা মারা যান যখন তিনি শিশু ছিলেন। ফলে তিনি এতিম হিসেবে লালিত-পালিত হন। পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তিনি মক্তবে প্রবেশ করেননি এবং নয় বছর বয়সে তিনি কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন। এরপর ১২ বছর পূর্ণ হওয়ার পর ৭৮৫ হিজরীতে তিনি প্রথম মানুষকে নিয়ে তারাবীহ সালাত আদায় করার সুযোগ পান। তাঁর অভিভাবক ছিলেন বিখ্যাত প্রধান যাকীউদ্দীন আবু বকর বিন নূরুদ্দীন আলী আল-খাররূবী, যিনি মিশরের বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। ঐ বছর তিনি মক্কায় অবস্থান করেন এবং তাঁকে (ইবন হাজারকে) সাথে নিয়ে যান; কারণ তাঁকে দেখাশোনা করার মতো আর কেউ ছিল না।
ঐ বছর তিনি হিজাযের মুসনিদ আফীফুদ্দীন আব্দুল্লাহ আন-নাশাঊরী —যিনি মাকামে ইবরাহীমের ইমাম রাযীউদ্দীন আত-তাবারীর ছাত্রদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি ছিলেন— তাঁর কাছে «সহীহ বুখারী» শ্রবণ করেন। তাঁর সেই শ্রবণের বিষয়টি সঠিকভাবে সংরক্ষিত ছিল না, তবে এটি নিশ্চিত যে তিনি সম্পূর্ণটি শুনেননি; বরং তাঁর বর্ণিত সকল হাদীসের জন্য তাঁর একটি ব্যাপক অনুমতি (ইজাযাত) ছিল। তাঁর সেই শ্রবণ ছিল শায়খ শামসুদ্দীন মুহাম্মদ বিন উমর আস-সালাউয়ী আদ-দিমাশকীর তিলাওয়াতের মাধ্যমে। স্থানটি ছিল বাব আস-সাফার কাছে আল-খাররূবীর বাসভবনের নিচে, যা 'বায়তে আয়না' নামে পরিচিত ছিল —যিনি ছিলেন শরীফ আজলানের কন্যা শরীফা বিনতে আজলান। উক্ত বাড়িতে একটি জানালা ছিল যা মসজিদুল হারামের দিকে মুখ করা ছিল এবং সেখানে যে বসত সে কাবা ও হাজরে আসওয়াদ দেখতে পেত। শ্রোতা ও পাঠক জানালার কাছে বসতেন, জানালার নিচে কোনো উঁচু মাচা ছিল না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৮)
المذكور، وكان يجلس فيها مؤدب صاحب الترجمة ومن يدرس معه، فكان المؤدب يأمرهم عند قراءة القارئ بالإنصات إلى أن يفرغ حتى ختم الكتاب، لكن كان صاحب الترجمة ربما خرج لقضاء حاجة، ولم يكن هناك ضابط للأسماء، والاعتماد في ذلك كان على الشيخ نجم الدين المرجاني؛ فإنه أعلمني بعد دهر طويل بصورة الحال، فاعتمدت عليه وثوقا به.
وحفظ بعد ذلك كتبا من مختصرات العلوم.
ولازم أحد أوصيائه أيضا، وهو الشيخ شمس الدين محمد بن علي بن محمد بن عيسى بن أبي بكر بن القطان المصري
(1)، فحضر دروسه.
ثم حبب إليه النظر في التواريخ وهو بعد في المكتب، فعلق بذهنه شيء كثير من أحوال الرواة.
وفي غضون ذلك سمع من نجم الدين ابن رزين
(2) وصلاح الدين الزفتاوي
(3) وزين الدين ابن الشيخة
(4).
--------------------------------------------
উল্লিখিত স্থানে জীবনীকারের শিক্ষক এবং তাঁর সহপাঠীরা বসতেন। পাঠক যখন পাঠ করতেন, তখন শিক্ষক তাঁদের শেষ না হওয়া পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনার নির্দেশ দিতেন, এভাবে পুরো কিতাব শেষ হয়। তবে জীবনীকার মাঝে মাঝে প্রয়োজন মেটাতে বাইরে যেতেন। সেখানে নাম লিপিবদ্ধ করার সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ ব্যাপারে শেখ নাজমুদ্দিন আল-মারজানির ওপর নির্ভর করা হয়েছিল; কারণ তিনি দীর্ঘ সময় পর আমাকে অবস্থার বিস্তারিত বিবরণ জানিয়েছিলেন, তাই আমি তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কথার ওপর নির্ভর করেছি।
এরপর তিনি বিভিন্ন শাস্ত্রের সংক্ষিপ্ত সারগ্রন্থসমূহ মুখস্থ করেন।
তিনি তাঁর অন্যতম অভিভাবক শেখ শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন আবু বকর বিন আল-কাত্তান আল-মিসরির
(১) সান্নিধ্যেও থাকেন এবং তাঁর পাঠদানগুলোতে উপস্থিত হন।
এরপর মক্তবে থাকাবস্থায়ই তাঁর মনে ইতিহাসের প্রতি অনুরাগ সৃষ্টি হয়, ফলে বর্ণনাকারীদের অবস্থা সম্পর্কে অনেক তথ্য তাঁর স্মৃতিতে গেঁথে যায়।
এই সময়ের মধ্যে তিনি নাজমুদ্দিন ইবনে রাজিন
(২), সালাহুদ্দিন আল-জাফতাউয়ি
(৩) এবং যাইনুদ্দিন ইবনুল শাইখাহর
(৪) কাছ থেকে হাদিস শ্রবণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৯)
ونظر في فنون الأدب من سنة اثنتين وتسعين، فقال الشعر ونظم مدائح نبوية ومقاطيع.
ثم اجتمع بحافظ العصر زين الدين العراقي
(1)، وذلك في شهر رمضان سنة ست وتسعين، فلازمه عشرة أعوام
(2).
وحبب إليه فن الحديث، فما انسلخت تلك السنة حتى خرج لشيخه مسند القاهرة أبي إسحاق التنوخي
(3) «المائة العشاريات»
(4)، فكان أول من قرأها في جمع حافل الحافظ أبو زرعة ابن الحافظ العراقي
(5).
ثم رحل إلى الإسكندرية فسمع من مسنديها إذاك، ثم حج، ودخل اليمن؛ فسمع بمكة والمدينة وينبع وزبيد وتعز وعدن وغيرها من البلاد والقرى.
--------------------------------------------
তিনি (৭)৯২ হিজরি সাল থেকে আদব (সাহিত্য) শাস্ত্রের বিভিন্ন শাখায় মনোনিবেশ করেন, ফলে তিনি কবিতা রচনা করেন এবং নববী প্রশংসা গীতি ও খণ্ড কবিতা সংকলন করেন।
এরপর তিনি যুগের হাফিজ জয়নুদ্দীন আল-ইরাকির
(১) সাথে সাক্ষাৎ করেন, আর তা ছিল ৭৯৬ হিজরি সালের রমজান মাসে; এরপর তিনি টানা দশ বছর তাঁর সাহচর্যে থাকেন
(২)।
তাঁর নিকট হাদিস শাস্ত্রকে প্রিয় করে তোলা হয়, ফলে সেই বছর শেষ হওয়ার আগেই তিনি তাঁর শায়খ কায়রোর মুসনিদ আবু ইসহাক আত-তানুখীর
(৩) জন্য ‘আল-মিআতুল উশারিয়াত’
(৪) সংকলন করেন। এরপর এক জনাকীর্ণ মজলিসে সর্বপ্রথম যিনি এটি পাঠ করেন তিনি হলেন হাফিজ আবু জুরআ ইবনে হাফিজ আল-ইরাকি
(৫)।
এরপর তিনি আলেকজান্দ্রিয়ার উদ্দেশ্যে সফর করেন এবং সেখানকার সমসাময়িক মুসনিদদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেন। অতঃপর তিনি হজ পালন করেন এবং ইয়ামেনে প্রবেশ করেন। তিনি মক্কা, মদিনা, ইয়ানবু, জাবিদ, তায়িজ, এডেনসহ অন্যান্য শহর ও গ্রামগুলোতে হাদিস শ্রবণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১০)
ولقي باليمن إمام اللغة غير مدافع مجد الدين ابن الشيرازي
(1)، فتناول منه بعض تصنيفه المشهور المسمى «القاموس» في اللغة. ولقي جمعا من فضلاء تلك البلاد.
ثم رجع إلى القاهرة، ثم رحل إلى الشام فسمع بقطية
(2) وغزة والرملة والقدس ودمشق والصالحية وغيرها من القرى والبلاد.
وكانت إقامته بدمشق مائة يوم، ومسموعه في تلك المدة نحو ألف جزء حديثية، منها من الكتب الكبار «المعجم الأوسط» للطبراني، و «معرفة الصحابة» لأبي عبد الله بن منده، وأكثر «مسند أبي يعلى» وغير ذلك، ثم رجع وأكمل كتابه «تعليق التعليق» في حياة كبار مشايخه، فكتبوا عليه.
ولازم الشيخ سراج الدين البلقيني
(3) إلى أن أذن له، وأذن له بعد إذنه: شيخه الحافظ زين الدين العراقي.
ثم أخذ في التصنيف، وأملى «الأربعين المتباينة» بالشيخونية من سنة ثمان وثمانمائة، ثم أملى من «عشاريات الصحابة» نحو مائة مجلس في عدة سنين.
ثم ولي درس الحديث بالمدرسة الجمالية الجديدة فأملى فيها، ثم قطعه لما تركها في سنة أربع عشرة وثمانمائة، وتشاغل بالتصنيف.
ثم ولي مشيخة البيبرسية، ثم تدريس الشافعية بالمدرسة المؤيدية الجديدة.
--------------------------------------------
তিনি ইয়েমেনে ভাষাতত্ত্বের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ইমাম মজিদ উদ্দীন ইবনে আশ-শিরাজি
(১)-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর নিকট থেকে ভাষাতত্ত্বের ওপর তাঁর বিখ্যাত রচনা 'আল-কামুস' গ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি ঐ অঞ্চলের একদল গুণী ব্যক্তির সাথেও সাক্ষাৎ করেন।
অতঃপর তিনি কায়রোতে ফিরে আসেন এবং পরে শামে (সিরিয়া অঞ্চলে) সফর করেন। তিনি কাতিয়া
(২), গাজা, রামলা, কুদস (জেরুজালেম), দামেস্ক, সালিহিয়া এবং অন্যান্য গ্রাম ও জনপদে হাদিস শ্রবণ করেন।
দামেস্কে তাঁর অবস্থান ছিল একশ দিন এবং সেই সময়ে তাঁর শ্রুত হাদিসের পরিমাণ ছিল প্রায় এক হাজার 'জুয' (অংশ)। এর মধ্যে বড় গ্রন্থগুলোর মাঝে ছিল তাবারানির 'আল-মু'জামুল আওসাত', আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মান্দাহর 'মা'রিফাতুস সাহাবা', আবু ইয়া'লার 'মুসনাদ'-এর অধিকাংশ এবং আরও অন্যান্য গ্রন্থ। এরপর তিনি ফিরে আসেন এবং তাঁর বড় বড় শাইখদের জীবদ্দশাতেই তাঁর গ্রন্থ 'তা'লিকুত তা'লিক' সম্পন্ন করেন এবং তাঁরা এই গ্রন্থের ওপর প্রশংসাপত্র লিখে দেন।
তিনি শাইখ সিরাজুদ্দীন আল-বুলকিনির
(৩) সান্নিধ্যে থাকেন যতক্ষণ না তিনি তাঁকে অনুমতি (ইজাযাহ) প্রদান করেন। তাঁর অনুমতির পর হাফেজ জাইনুদ্দীন আল-ইরাকিও তাঁকে অনুমতি প্রদান করেন।
অতঃপর তিনি গ্রন্থ রচনায় মনোনিবেশ করেন। তিনি ৮০৮ হিজরি সাল থেকে শাইখুনিয়া মাদরাসায় 'আল-আরবাউন আল-মুতাবায়িনাহ' শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা (ইমলা) করেন। এরপর কয়েক বছর ধরে 'উশারিইয়াতুস সাহাবা' থেকে প্রায় একশটি মজলিসে ইমলা প্রদান করেন।
এরপর তিনি আল-মাদরাসাতুল জামালিয়া আল-জাদিদাহ-তে হাদিসের দরসের দায়িত্ব লাভ করেন এবং সেখানে ইমলা প্রদান করেন। অতঃপর ৮১৪ হিজরি সালে সেই প্রতিষ্ঠানটি ত্যাগ করার পর তিনি তা বন্ধ করে দেন এবং গ্রন্থ রচনায় আত্মনিয়োগ করেন।
এরপর তিনি বাইবারসিয়া খানকাহর প্রধানের দায়িত্ব পান এবং পরবর্তীতে আল-মাদরাসাতুল মুয়াইয়াদীয়া আল-জাদিদাহ-তে শাফেয়ি ফিকহ পড়ানোর দায়িত্ব লাভ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১১)
ثم ولي القضاء في السابع والعشرين من المحرم سنة سبع وعشرين وثمانمائة، ثم عقد مجلس الإملاء في أوائل صفر منها إلى الآن.
অতঃপর তিনি আটশ সাতাশ হিজরি সনের সাতাশে মুহররম বিচারপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন; এরপর উক্ত বছরেরই সফর মাসের প্রথমার্ধে তিনি ইমলার (শ্রুতিলিপি প্রদানের) মজলিস শুরু করেন, যা বর্তমান সময় পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১২)
توصيف النسخة الخطيةاعتمدت في تحقيقي على نسخة خطية وحيدة نفيسة لم أقف على غيرها، وهي من محفوظات الخزانة العامة بالرباط، تقع في 193 ورقة خطية، وهي نسخة متقنة خاصة في ضبط المشكل، نادرة التحريف رحم الله ناسخها وهو إبراهيم بن علي الأنصاري كما جاء ذكر ذلك في آخر المجلس الثامن والثلاثين بعد الستمائة.
وهذه المجالس من بدايتها
[*] إلى المجلس السابع والثلاثين بعد الستمائة قرئت بالمدرسة الكاملية، ثم من المجلس الثامن والثلاثين بعد الستمائة قرئت بالمدرسة البيبرسية.
وقد قمت بضبط النص والتعليق عليه قدر الإمكان ولم أتوسع في ذلك، وقمت بعمل فهارس علمية ضمنتها الفوائد الواردة في كلام ابن حجر، فما كان من خطإ فمني ومن الشيطان، وما كان من توفيق فهو من الله عز وجل سيدي ومولاي له الفضل والحمد، وما توفيقي إلا به توكلت عليه وهو حسبي ونعم الوكيل.
وكتب
أبو حبيبة
وائل محمد بكر زهران
شنشور/ أشمون/ المنوفية/ مصر الحبيبة
--------------------------------------------
পাণ্ডুলিপির বিবরণআমার সম্পাদনার কাজে আমি একটিমাত্র মূল্যবান পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি, যা ছাড়া অন্য কোনো পাণ্ডুলিপি আমার নজরে আসেনি। এটি রাবাতের সাধারণ গ্রন্থাগারের সংরক্ষিত সংগ্রহশালাভুক্ত। এটি ১৯৩টি হস্তলিখিত পাতার সমন্বয়ে গঠিত। পাণ্ডুলিপিটি অত্যন্ত নিখুঁত, বিশেষ করে জটিল শব্দগুলোর স্বরচিহ্ন প্রদানের ক্ষেত্রে। এতে বিচ্যুতি বা ভুল খুবই বিরল। আল্লাহ এর লিপিকারের ওপর রহম করুন, যিনি হলেন ইবরাহীম বিন আলী আল-আনসারী, যেমনটি ৬৩৮তম মজলিসের শেষে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই মজলিসগুলো এর শুরু থেকে ৬৩৭তম মজলিস পর্যন্ত কামিলিয়্যাহ মাদরাসায় পাঠ করা হয়েছিল, এরপর ৬৩৮তম মজলিস থেকে বাইবার্সিয়্যাহ মাদরাসায় পাঠ করা হয়েছে।
আমি সাধ্যমতো মূল পাঠের পরিমার্জন এবং তাতে টীকা যুক্ত করেছি এবং এ ক্ষেত্রে অহেতুক দীর্ঘায়ন করিনি। আমি এতে ইলমি নির্ঘণ্ট তৈরি করেছি, যাতে ইবনে হাজারের বক্তব্যে আসা বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা কিছু ভুল হয়েছে তা আমার পক্ষ থেকে এবং শয়তানের পক্ষ থেকে, আর যা কিছু সফল হয়েছে তা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি আমার প্রতিপালক ও অভিভাবক; সমস্ত শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। আমার এই তাওফিক কেবল তাঁরই মাধ্যমে; আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি এবং তিনিই আমার জন্য যথেষ্ট ও উত্তম কর্মবিধায়ক।
লিখেছেন
আবু হাবীবাহ
ওয়ায়েল মুহাম্মদ বকর যাহরান
শানশূর/ আশমুন/ আল-মানুফিয়্যাহ/ প্রিয় মিশর
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১৭)
المجلس 542 من تخريج أحاديث الأذكار، وهو 922 من أمالي سيدنا ومولانا شيخ الإسلام ورحلة الحفاظ شهاب الدين ابن حجرقال رضي الله عنه:أخبرنا الإمام مسند الشام أبو العباس بن أبي بكر بن العز -إجازة مكاتبة-، أنا أبو الفضل بن أبي طاهر الحاكم -إجازة، إن لم يكن سماعا-، أنا أبو عبد الله الحافظ، أنا مسعود بن عبيد الله، أنا الحافظ أبو البركات بن محمد(1) الأنماطي، أنا أبو طاهر الكرخي(2)، أنا أبو علي بن أبي بكر البزار(3)، ثنا دعلج بن أحمد، ثنا محمد بن علي بن زيد، ثنا سعيد بن منصور(4)، ثنا سفيان بن عيينة، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال: «ماء زمزم لما شرب له» الحديث، كرواية ابن هشام عن الجارودي(5)، لكن ليس فيه ابن عباس، ولا النبي صلى الله عليه وسلم.وهكذا أخرجه عبد الرزاق في «مصنفه»(6) عن ابن عيينة.وكذا أخرجه الأزرقي -وهو أبو الوليد محمد بن عبد الله ابن أبي الوليد أحمد بن محمد المكي- في كتاب «مكة»(7): حدثني جدي، ثنا ابن عيينة.وكذا أخرجه الحكيم الترمذي في «نوادر الأصول»(8) من طريق(9) عبد الجبار بن العلاء، عن ابن عيينة.فاتفاق هؤلاء الحافظ الأربعة أرجح من انفراد (الجارودي)(10) بوصله ورفعه(11).وأخرجه عبد الرزاق -أيضا-(12) عن معمر، عن عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن مجاهد، أنه كان إذا شرب من زمزم قال: «هي لما شربت له».وبه إلى سعيد بن منصور(13): ثنا عتاب بن بشير، عن خصيف، عن مجاهد، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: «ما من رجل يشرب من ماء زمزم حتى يتضلع، إلا حط الله به داء من جوفه، ومن شربه لعطش روي، ومن شربه لجوع شبع».وهذا موقوف غريب.وخصيف ضعيف(14).* * *وقد جاء عن ابن عيينة أنه صحح الحديث:أخبرنا أبو الحسن محمد بن علي بن محمد بن عقيل، أنا أبو الفرج بن عبد الحميد، أنا أبو العباس النابلسي، أنا يحيى بن محمود الثقفي، أنا إسماعيل بن محمد التيمي(15)، ثنا الحميدي -هو الصغير(16)، صاحب «الجمع بين الصحيحين» -، أنا عبد العزيز بن الحسين بن إسماعيل بن الضراب. حوقرأته عاليا على أبي المعالي الأزهري، عن عائشة بنت علي الصنهاجي -سماعا-، قالت: أنا أحمد بن علي بن يوسف وإسماعيل بن عبد القوي(17)، قالا: أنا محمد بن حمد بن حامد، عن علي بن الحسين بن عمر، أنا عبد العزيز:أنا أبي، أنا أبو بكر بن مروان الدينوري(18)، ثنا محمد بن عبد الرحمن، ثنا الحميدي -هو الكبير، شيخ البخاري-، قال: كنا عند ابن عيينة، فحدثنا بحديث: «ماء زمزم لما شرب له»، فقام رجل من المجلس، ثم عاد، فقال: يا أبا محمد، أليس الحديث الذي حدثتنا في زمزم صحيحا؟ فقال: نعم. فقال الرجل: فإني شربت الآن دلوا من زمزم على أن تحدثني بمائة حديث. فقال له سفيان: اقعد. فقعد، فحدثه بمائة حديث.هكذا أخرجه الدينوري في كتاب «المجالسة»، وهو في الجزء الرابع منه، ولم يقع في القصة بيان سند سفيان لهذا الحديث، هل هو المسند أو المقطوع؟(19) ومع ذلك فإن(20) الدينوري ضعفه الدارقطني …(21).* * * * * *--------------------------------------------
এটি 'আযকার' এর হাদিসসমূহের তাখরিজ বিষয়ক ৫৪২তম মজলিস, যা আমাদের সায়্যিদ ও মাওলা, শাইখুল ইসলাম এবং হাফেজদের আশ্রয়স্থল শিহাবুদ্দিন ইবনে হাজারের 'আমালি'র ৯২২তম মজলিস।তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেছেন:সিরিয়ার মুসনিদ ইমাম আবুল আব্বাস ইবনে আবু বকর ইবনুল ইজ্জ—লিখিত অনুমতির (ইজাজাহ মুকাতাবাহ) মাধ্যমে—আমাদের জানিয়েছেন, আবুল ফজল ইবনে আবু তাহের আল-হাকিম—অনুমতির মাধ্যমে, যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে—আমাদের জানিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের জানিয়েছেন, মাসউদ বিন উবায়দুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, হাফিজ আবু বারাকাত বিন মুহাম্মদ(১) আল-আনমাতি আমাদের জানিয়েছেন, আবু তাহের আল-কারখি(২) আমাদের জানিয়েছেন, আবু আলি বিন আবু বকর আল-বাযযার(৩) আমাদের জানিয়েছেন, দাউলাজ বিন আহমদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আলি বিন যায়েদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ বিন মানসুর(৪) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে আবু নাজিহ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা তারই জন্য» (হাদিসটি), যেমনটি ইবনে হিশাম আল-জারুদি(৫) থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে এতে ইবনে আব্বাস বা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাম নেই।একইভাবে আব্দুর রাজ্জাক তাঁর «মুসান্নাফ»(৬) গ্রন্থে ইবনে উইয়াইনাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।এবং একইভাবে আজরাকি—যিনি হলেন আবু ওয়ালিদ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনে আবু ওয়ালিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মাক্কি—তাঁর «মক্কা» গ্রন্থে(৭) এটি বর্ণনা করেছেন: আমার দাদা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।একইভাবে হাকিম তিরমিযী তাঁর «নাওয়াদিরুল উসুল»(৮) গ্রন্থে আব্দুল জব্বার বিন আল-আলা'র সূত্র(৯) ধরে ইবনে উইয়াইনাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।সুতরাং এই চারজন হাফেজের ঐক্যমত (জারুদি)-র(১০) একাকী বর্ণনার (যাতে তিনি হাদিসটিকে নিরবচ্ছিন্ন এবং মারফু হিসেবে উল্লেখ করেছেন) চেয়ে অধিক শক্তিশালী।(১১)আব্দুর রাজ্জাক আরও বর্ণনা করেছেন(১২) মা'মার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উসমান বিন খুসাইম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে যে, তিনি যখন যমযমের পানি পান করতেন তখন বলতেন: «এটি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়েছে তারই জন্য।»উক্ত সূত্রেই সাঈদ বিন মানসুর পর্যন্ত(১৩): আত্তাব বিন বশির আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খুসাইফ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «কোনো ব্যক্তি যমযমের পানি তৃপ্তিভরে পান করলে আল্লাহ অবশ্যই তার পেট থেকে রোগ দূর করে দেবেন; যে তৃষ্ণার জন্য পান করবে সে তৃপ্ত হবে এবং যে ক্ষুধার জন্য পান করবে সে পরিতৃপ্ত হবে।»এটি একটি মাওকুফ ও গারিব বর্ণনা।আর খুসাইফ একজন দুর্বল বর্ণনাকারী।(১৪)* * *ইবনে উইয়াইনাহ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন:আবু হাসান মুহাম্মদ বিন আলি বিন মুহাম্মদ বিন আকিল আমাদের জানিয়েছেন, আবুল ফারাজ বিন আব্দুল হামিদ আমাদের জানিয়েছেন, আবুল আব্বাস আন-নাবুলুসি আমাদের জানিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ আস-সাকাফি আমাদের জানিয়েছেন, ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আত-তাইমি(১৫) আমাদের জানিয়েছেন, হুমাইদি—যিনি ছোট হুমাইদি(১৬) এবং «আল-জামউ বাইনাস সাহিহাইন»-এর লেখক—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল আজিজ বিন আল-হুসাইন বিন ইসমাইল বিন আদ-দাররাব আমাদের জানিয়েছেন। (হ)এবং আমি এটি উচ্চ সনদে আবু মাআলি আল-আযহারির কাছে পাঠ করেছি, তিনি আয়েশা বিনতে আলি আস-সিনহাজি থেকে—সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আহমদ বিন আলি বিন ইউসুফ এবং ইসমাইল বিন আব্দুল কাবি(১৭) আমাদের জানিয়েছেন, তাঁরা বলেন: মুহাম্মদ বিন হামদ বিন হামিদ আমাদের জানিয়েছেন আলি বিন আল-হুসাইন বিন উমর থেকে, আব্দুল আজিজ আমাদের জানিয়েছেন:আমার পিতা আমাকে জানিয়েছেন, আবু বকর বিন মারওয়ান আদ-দিনাওয়ারি(১৮) আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, হুমাইদি—যিনি বড় হুমাইদি এবং বুখারির শায়খ—আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা ইবনে উইয়াইনাহর কাছে ছিলাম, তখন তিনি আমাদের কাছে এই হাদিসটি বর্ণনা করেন: «যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা তারই জন্য», তখন মজলিস থেকে এক ব্যক্তি উঠে গেল, তারপর ফিরে এসে বলল: হে আবু মুহাম্মদ, আপনি যমযম সম্পর্কে আমাদের কাছে যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন তা কি সহিহ? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তখন লোকটি বলল: আমি এইমাত্র এক বালতি যমযমের পানি পান করে এসেছি এই নিয়তে যে আপনি আমাকে একশটি হাদিস শোনাবেন। সুফিয়ান তাকে বললেন: বসো। সে বসল এবং তিনি তাকে একশটি হাদিস শোনালেন।এভাবেই দিনাওয়ারি তাঁর «আল-মুজালাসাহ» গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন, যা উক্ত গ্রন্থের চতুর্থ খণ্ডে রয়েছে। তবে এই ঘটনায় সুফিয়ানের বর্ণিত হাদিসটির সনদের কোনো স্পষ্ট বর্ণনা আসেনি যে, এটি কি মুসনাদ (সংযুক্ত) নাকি মাকতু' (বিচ্ছিন্ন)?(১৯) এতদসত্ত্বেও দিনাওয়ারিকে দারাকুতনি দুর্বল বলেছেন...(২১)।* * * * * *--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
(1)سفيان: اقعد فقعد فحدثه بمائة حديث.
هكذا أخرجه الدينوري في كتاب «المجالسة»
(2) وهو في الجزء الرابع منه ولم يقع في القصة بيان سند سفيان بهذا الحديث هل هو المسند أو المقطوع ومع ذلك قال الدينوري: ضعفه الدارقطني.
ذكر بقية الشواهد لهذا الحديث:
فمنها ما أخرجه البيهقي من طريق عبد الله بن المؤمل، عن عطاء بن أبي رباح، عن عبد الله بن عمرو بن العاصي رضي الله عنهما مرفوعا كالأول
(3).
وهو سند مقلوب والمعروف عبد الله بن المؤمل عن أبي الزبير، عن جابر كما تقدم
(4).
ومنها ما أخرجه أبو منصور الديلمي من حديث صفية غير منسوبة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ماء زمزم شفاء من كل داء». وسنده ضعيف جدا.
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(১)সুফিয়ান বললেন: বসুন। এরপর তিনি বসলেন এবং তিনি তাকে একশত হাদীস শোনালেন।
দাইনুূরী 'আল-মুজালাসাহ' গ্রন্থে এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন
(২) এবং এটি এর চতুর্থ খণ্ডে রয়েছে। তবে এই ঘটনায় সুফিয়ানের এই হাদীসের সনদের বর্ণনা আসেনি যে এটি কি 'মুসনাদ' (সংযুক্ত) নাকি 'মাকতু' (বিচ্ছিন্ন); তবুও দাইনুূরী বলেছেন: দারা কুতনী একে দুর্বল বলেছেন।
এই হাদীসের অন্যান্য সাক্ষ্যমূলক বর্ণনার (শাওয়াহিদ) উল্লেখ:
তার মধ্যে একটি হলো যা বায়হাকী আব্দুল্লাহ ইবনুল মুয়াম্মিল-এর সূত্রে আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে মারফূ হিসেবে প্রথমটির মতো বর্ণনা করেছেন
(৩)।
এটি একটি 'মাকলূব' (উল্টে যাওয়া) সনদ এবং প্রসিদ্ধ হলো আব্দুল্লাহ ইবনুল মুয়াম্মিল আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন যেমনটি পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে
(৪)।
তার মধ্যে আরেকটি হলো যা আবু মানসুর আদ-দাইলামী সাফিয়াহ-এর (বংশপরিচয়হীন) হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যমযমের পানি সকল রোগের আরোগ্য।" আর এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১৮)
ومنها ما أخرجه الفاكهي واسمه محمد بن إسحاق في كتاب «مكة» من طريق محمد بن إسحاق صاحب المغازي قال: حدثني يحيى بن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن أبيه قال: حج معاوية رضي الله عنه وحججنا معه فلما طاف بالبيت صلى عند المقام ركعتين ثم مر بزمزم وهو خارج إلى الصفا فقال: يا غلام انزع لي منها دلوا. قال: فنزع له دلوا فشرب فصب على وجهه ورأسه وهو يقول: زمزم لما شرب له
(1).
وهذا موقوف حسن الإسناد ليس فيه علة، والله أعلم.
آخر المجلس الثاني والأربعين بعد الخمسمائة من تخريج أحاديث الأذكار وهو الثاني والعشرون بعد التسعمائة من الأمالي المصرية بدار الحديث المدرسة الكاملية يوم الثلاث ثالث ذي الحجة شهر الله الحرام سنة تسع وأربعين وثمانمائة ختمها الله بخير، آمين آمين آمين.
* * *
ذكر شاهد آخر:
أخبرني مسند عصره في مصره الإمام زين الدين عبد الرحمن بن أحمد بن المبارك بن حماد، عن علي بن إسماعيل المخزومي سماعا قال: أخبرنا عبد اللطيف بن عبد المنعم، عن أبي الحسن بن أبي منصور قال: أخبرنا أبو علي الحداد قال: أخبرنا أبو نعيم في «المستخرج» قال: حدثنا أبو أحمد يعني محمد بن أحمد بن الغطريف وإبراهيم بن عبد الله قالا: حدثنا عبد الله بن محمد يعني ابن شيرويه قال: حدثنا إسحاق بن إبراهيم يعني ابن راهويه قال: أخبرنا النضر بن شميل قال: حدثنا سليمان بن المغيرة، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر رضي الله عنه قال: خرجنا من قومنا بني غفار، فذكر حديث إسلامه بطوله
--------------------------------------------
এগুলোর মধ্যে রয়েছে যা আল-ফাকিহি—তাঁর নাম মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক—তাঁর «মক্কা» নামক কিতাবে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক (মাগাজি শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আব্বাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবায়ের তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হজ করেছিলেন এবং আমরাও তাঁর সাথে হজ করেছিলাম। অতঃপর যখন তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলেন, মাকামে (ইবরাহিমে) দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন, এরপর সাফার দিকে বের হওয়ার সময় তিনি যমযমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এবং বললেন: হে বালক, আমার জন্য এখান থেকে এক বালতি পানি তোলো। তিনি বলেন: সে তাঁর জন্য এক বালতি পানি তুললো এবং তিনি তা পান করলেন ও তাঁর মুখমণ্ডল ও মাথায় ঢাললেন এবং বলছিলেন: যমযম যে উদ্দেশ্যে পান করা হয়, তা সে উদ্দেশ্যেই হয়
(১).
এটি একটি 'মাকুফ' বর্ণনা যার সনদ 'হাসান' এবং এতে কোনো ত্রুটি নেই, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
'তাখরিজু আহাদিসিল আযকার'-এর পাঁচশত বিয়াল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি, যা ৮৪৯ হিজরি সালের পবিত্র যিলহজ মাসের তিন তারিখ মঙ্গলবার আল-মাদরাসাতুল কামিলিয়ার দারুল হাদিসে অনুষ্ঠিত 'আল-আমালি আল-মিসরিয়্যাহ'-এর নয়শত বাইশতম মজলিস; আল্লাহ এর সমাপ্তি মঙ্গলের সাথে করুন, আমীন আমীন আমীন।
* * *
অপর একটি সমর্থক বর্ণনার উল্লেখ:
আমাকে তাঁর সময়ের এবং তাঁর অঞ্চলের মুসনিদ (বিখ্যাত বর্ণনাকারী) ইমাম যাইনুদ্দিন আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুবারক ইবনে হাম্মাদ, আলি ইবনে ইসমাইল আল-মাখযুমি থেকে শ্রবণের মাধ্যমে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম, তিনি আবুল হাসান ইবনে আবি মানসুর থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাদ্দাদ, তিনি বলেন: আবু নুআইম «আল-মুস্তাখরাজ» গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-গাতরিফ এবং ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ অর্থাৎ ইবনে শিরুওয়াইহি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইবরাহিম অর্থাৎ ইবনে রাহওয়াইহি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাদর ইবনে শুমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আল-মুগিরা, হুমাইদ ইবনে হিলাল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আস-সামিত থেকে, তিনি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আমাদের কওম বনু গিফার থেকে বের হলাম—অতঃপর তিনি তাঁর ইসলাম গ্রহণের দীর্ঘ হাদিসটি বর্ণনা করলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ১৯)
وفيه دخوله مكة وسؤاله عن النبي صلى الله عليه وسلم وما لقي من قريش من الأذى بسبب ذلك إلى أن قال: فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «متى كنت هاهنا؟»
قلت: منذ ثلاثين من بين يوم وليلة.
قال: «من كان يطعمك؟» قلت: ما كان لي طعام إلا ماء زمزم حتى تكسرت عكن بطني وما أجد على كبدي سخفة جوع.
قال: «إنها مباركة إنها طعام طعم».
وقرأته عاليا على عبد الله بن عمر بن علي بن مبارك الهندي، عن أبي العباس بن أبي الفرج الحلبي سماعا قال: أخبرنا أبو الفرج الحراني قال: أخبرنا أبو محمد الحربي قال: أخبرنا هبة الله بن محمد قال: أخبرنا الحسن بن علي قال: أخبرنا أحمد بن جعفر قال: حدثنا عبد الله بن أحمد ح
وبالسند الأول إلى أبي نعيم قال: حدثنا محمد بن إبراهيم وعبد الله بن محمد قالا: حدثنا أبو يعلى واللفظ له قالا: حدثنا هدبة بن خالد.
وبه إلى أبي نعيم قال: حدثنا سليمان بن أحمد ومحمد بن أحمد بن الحسن قالا: حدثنا بشر بن موسى قال: حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ.
وبه قال أبو نعيم: حدثنا أبو محمد بن حيان وحبيب بن الحسن. قال الأول: حدثنا محمد بن يحيى المروزي. والثاني: حدثنا عمر بن حفص، قالا: حدثنا عاصم بن علي قالوا: حدثنا سليمان بن المغيرة بطوله نحوه.
এতে তার মক্কায় প্রবেশ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে তার জিজ্ঞাসা এবং এ কারণে কুরাইশদের কাছ থেকে তিনি যে কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিলেন তার বর্ণনা রয়েছে, যতক্ষণ না তিনি বলেন: অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং বললেন: «তুমি এখানে কখন থেকে আছো?»
আমি বললাম: ত্রিশ দিন ও রাত যাবৎ।
তিনি বললেন: «তোমাকে কে খাবার দিত?» আমি বললাম: আমার কাছে যমযমের পানি ছাড়া অন্য কোনো খাবার ছিল না, এমনকি আমার পেটের ভাঁজগুলো ভরাট হয়ে গিয়েছিল এবং আমি আমার কলিজায় ক্ষুধার কোনো দুর্বলতা অনুভব করতাম না।
তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই এটি বরকতময়, এটি একটি তৃপ্তিদায়ক খাদ্য।»
আর আমি এটি উচ্চস্বরে পাঠ করেছি আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে মুবারক আল-হিন্দির কাছে, তিনি আবুল আব্বাস ইবনে আবুল ফরাজ আল-হালাবি থেকে শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফরাজ আল-হাররানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হারবি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবনে আলী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ (হা)
আর প্রথম সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু ইয়ালা এবং শব্দসমূহ তার, তারা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুদবা ইবনে খালিদ।
আর এই সনদেই আবু নুআইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান, তারা বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন বিশর ইবনে মুসা, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ আল-মুকরি।
আর এই সনদেই আবু নুআইম বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান এবং হাবীব ইবনুল হাসান। প্রথমজন বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযি। আর দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উমর ইবনে হাফস, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আসেম ইবনে আলী, তারা সকলে বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুলাইমান ইবনুল মুগীরা, তার পূর্ণ দৈর্ঘ্যে এই মর্মে।
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২০)
هذا حديث صحيح أخرجه مسلم عن إسحاق بن إبراهيم وعن هدبة بن خالد، فوقع لنا موافقة عالية من الطريقين
(1).
وأخرجه أحمد عن يزيد بن هارون وأبي النضر هاشم بن القاسم وبهز بن أسد
(2)، وأخرجه أبو بكر بن أبي شيبة عن أبي أسامة
(3)، أربعتهم عن سليمان بن المغيرة.
ولم يقع في رواية أحد منهم زيادة وقعت لنا من وجه آخر عن سليمان بن المغيرة:
قرأت على أبي الحسن بن الجوزي، عن أبي بكر الدشتي قال: أخبرنا يوسف بن خليل الحافظ قال: أخبرنا محمد بن أبي زيد قال: أخبرنا الحسن بن أحمد، قال أحمد بن عبد الله الحافظ قال: أخبرنا عبد الله بن جعفر، قال يونس بن حبيب قال: حدثنا أبو داود الطيالسي قال: حدثنا سليمان بن المغيرة فذكره إلى أبي ذر قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما كان طعامك؟»
قلت: ما كان لي طعام ولا شراب إلا ماء زمزم.
قال: «إنها طعام طعم وشفاء سقم».
هكذا أخرجه يونس بن حبيب العجلي في «مسند أبي داود الطيالسي» بهذه الزيادة واختصار القصة
(4).
وقد أخرجه البزار عن محمد بن معمر
(5)، وأبو عوانة في «صحيحه» عن إبراهيم بن مرزوق عن أبي داود الطيالسي، فذكر الحديث بطوله وليست فيه الزيادة، لكن البزار أخرجها من وجه آخر:
--------------------------------------------
এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক বিন ইবরাহীম ও হুদবাহ বিন খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে উভয় সূত্রে আমাদের নিকট এটি উচ্চপর্যায়ের মুওয়াফাকাত (উচ্চতর সনদসূত্র) হিসেবে পৌঁছেছে
(১)।
এবং ইমাম আহমাদ এটি ইয়াজিদ বিন হারুন, আবু নযর হাশিম বিন কাসিম ও বাহয বিন আসাদ থেকে বর্ণনা করেছেন
(২)। আর আবু বকর বিন আবি শায়বাহ এটি আবু উসামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন
(৩)। তাঁরা চারজনই সুলায়মান বিন মুগীরাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
তাদের কারো বর্ণনায় এমন কোনো অতিরিক্ত অংশ আসেনি যা আমাদের কাছে সুলায়মান বিন মুগীরাহর অন্য একটি সূত্রে পৌঁছেছে:
আমি আবুল হাসান বিন আল-জাওযীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু বকর আদ-দাশতী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফেজ ইউসুফ বিন খলিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আবি যায়দ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাফেজ আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বলেন: আব্দুল্লাহ বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউনুস বিন হাবিব বলেন: আবু দাউদ আত-তায়ালিসি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান বিন মুগীরাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, অতঃপর তিনি আবু যার (রা.) পর্যন্ত হাদীসটি উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন: «তোমার খাবার কী ছিল?»
আমি বললাম: যমযমের পানি ছাড়া আমার কোনো খাবার বা পানীয় ছিল না।
তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই এটি তৃপ্তিদায়ক খাদ্য এবং ব্যাধির আরোগ্যকারী।»
ইউনুস বিন হাবিব আল-ইজলি 'মুসনাদে আবু দাউদ আত-তায়ালিসি'-তে এই অতিরিক্ত অংশসহ এবং ঘটনাটি সংক্ষেপে এভাবেই বর্ণনা করেছেন
(৪)।
আল-বাযযার এটি মুহাম্মাদ বিন মা'মার থেকে বর্ণনা করেছেন
(৫), এবং আবু আওয়ানাহ তাঁর «সহীহ» গ্রন্থে ইবরাহীম বিন মারযুক সূত্রে আবু দাউদ আত-তায়ালিসি থেকে হাদীসটি দীর্ঘভাবে উল্লেখ করেছেন যেখানে এই অতিরিক্ত অংশটি নেই; তবে বাযযার এটি অন্য একটি সূত্রে বর্ণনা করেছেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২১)
وبالسند الأول إلى أبي نعيم قال: حدثنا أبو محمد بن حيان ومحمد بن إبراهيم. قال الأول: حدثنا أحمد بن عمرو بن عبد الخالق. وقال الثاني: حدثنا الحسين بن محمد الحراني، قالا: حدثنا محمد بن المثنى قال: حدثنا ابن أبي عدي قال: حدثنا عبد الله بن عون، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت فذكر الحديث مطولا وقال فيه: «منذ كم أنت ها هنا؟ قلت: منذ خمس عشرة».
وساقه على لفظه الحراني، وأما البزار فقال في روايته: «طعام طعم وشفاء سقم»
(1).
ووقعت لنا هذه الزيادة من وجه آخر عن حميد بن هلال أخرجها أبو نعيم في كتاب «الطب» لكنه ساقه من رواية أخرى بهذا السند بلفظ: «ماء زمزم لما شرب له»
(2).
واللفظ الأول أخرجه الطبراني في (الكبير)
(3) من هذا الوجه وهو
…(4) الحاكم بسند له إلى هدبة وفي آخره: «وشفاء سقم» وقال: أخرجه مسلم عن هدبة
(5)، وهذا مما ينتقد على البيهقي.
وقال عبد الرزاق في «مصنفه»: أخبرنا معمر، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه قال: «ماء زمزم طعام طعم وشفاء سقم»
(6).
هكذا ذكره موقوفا على طاوس وسنده على شرط الصحيح، والله وأعلم.
--------------------------------------------
প্রথম সনদে আবু নুয়াইম পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান এবং মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম। প্রথমজন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আমর ইবনে আব্দুল খালিক। দ্বিতীয়জন বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আল-হাররানি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুসান্না, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি আদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আউন, হুমাইদ ইবনে হিলাল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আস-সামিত থেকে। অতঃপর তিনি দীর্ঘ হাদিসটি উল্লেখ করেন এবং তাতে বলেন: «তুমি এখানে কতদিন ধরে আছো? আমি বললাম: পনেরো দিন ধরে»।
আল-হাররানি এটি তার শব্দে বর্ণনা করেছেন, আর আল-বাযযার তার বর্ণনায় বলেছেন: «তৃপ্তিদায়ক খাদ্য এবং ব্যাধির আরোগ্য»
(১)।
হুমাইদ ইবনে হিলাল থেকে অন্য একটি সূত্রে আমাদের কাছে এই অতিরিক্ত অংশটি এসেছে যা আবু নুয়াইম তার «আত-তিব্ব» গ্রন্থে বের করেছেন। তবে তিনি এই সনদে অন্য একটি বর্ণনায় এই শব্দে উল্লেখ করেছেন: «যমযমের পানি যে উদ্দেশ্যে পান করা হয় তা তারই জন্য»
(২)।
প্রথম শব্দগুলো তাবারানি «আল-কাবীর»
(৩) গ্রন্থে এই সূত্রে বের করেছেন এবং এটি হলো
...(৪) আল-হাকিম তার একটি সনদে হুদবাহ পর্যন্ত, এবং এর শেষে রয়েছে: «এবং ব্যাধির আরোগ্য»। তিনি বলেন: মুসলিম এটি হুদবাহ থেকে বের করেছেন
(৫)। আর এটি ইমাম বায়হাকির উপর করা সমালোচনাগুলোর অন্তর্ভুক্ত।
আব্দুর রাযযাক তার «মুসান্নাফ» গ্রন্থে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, আব্দুল্লাহ ইবনে তাউস থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «যমযমের পানি তৃপ্তিদায়ক খাদ্য এবং ব্যাধির আরোগ্য»
(৬)।
এভাবে তিনি এটি তাউসের উপর মওকুফ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং এর সনদ সহিহ-এর শর্ত অনুযায়ী। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২২)
آخر المجلس الثالث والأربعين بعد الخمسمائة من تخريج أحاديث الأذكار وهو الثالث والعشرون بعد التسعمائة من الأمالي المصرية بدار الحديث المدرسة الكاملية يوم الثلاثاء سابع عشر ذي الحجة الحرام سنة تسع وأربعين وثمانمائة ختمها الله بخير.
* * *
ووجدت لقصة أبي ذر في زمزم لرجل من الصحابة قصة تشبهها أخرجها الفاكهي في كتاب «مكة» من طريق الليث، عن خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال قال: بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عينا له إلى مكة فأقام بها ليالي يشرب من ماء زمزم فلما رجع قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما كان عيشك؟»
فأخبره أنه كان يأتي زمزم فيشرب من مائها، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنها شفاء من سقم وطعام من طعم»
(1).
هذا حديث معضل الإسناد، ورواته ثقات، وسعيد عاصر بعض الصحابة وليس له سماع من صحابي.
وقرأت على فاطمة بنت المنجى، عن سليمان بن حمزة قال: أخبرنا أبو عبد الله الحافظ قال: أخبرنا أبو جعفر الصيدلاني، عن فاطمة الجوزدانية سماعا قالت: أخبرنا محمد بن عبد الله الضبي قال: أخبرنا أبو القاسم الطبراني قال: حدثنا موسى بن هارون وعلي بن سعيد الحافظان قالا: حدثنا الحسن بن أحمد بن أبي شعيب قال: حدثنا مسكين بن بكير قال: حدثنا محمد بن مهاجر قال: حدثنا إبراهيم بن أبي حرة، عن مجاهد، عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خير ماء على وجه الأرض ماء زمزم، فيه طعام من الطعم وشفاء من السقم».
--------------------------------------------
আযকার (যিকিরসমূহ) এর হাদিসসমূহের তাখরিজ বিষয়ক ৫৪৩তম মজলিসের সমাপ্তি, যা আল-আমালি আল-মিসরিয়্যাহ-র ৯২৩তম মজলিস। এটি মাদরাসা কামিলিয়্যার দারুল হাদিসে ৮৪৯ হিজরি সালের ১৭ই যিলহজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহ এর সমাপ্তি মঙ্গলের সাথে করুন।
* * *
আমি আবু যর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর যমযম বিষয়ক ঘটনার অনুরূপ জনৈক সাহাবির অন্য একটি ঘটনা পেয়েছি, যা আল-ফাকিহি তাঁর ‘মক্কা’ গ্রন্থে লাইস, খালিদ বিন ইয়াযিদ ও সাঈদ বিন আবু হিলালের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি (সাঈদ) বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় তাঁর এক গুপ্তচর প্রেরণ করলেন। তিনি সেখানে কয়েক রাত অবস্থান করলেন এবং যমযমের পানি পান করলেন। যখন তিনি ফিরে আসলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: “তোমার জীবিকা কী ছিল?”
তিনি তাঁকে জানালেন যে তিনি যমযমের নিকট আসতেন এবং এর পানি পান করতেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: “নিশ্চয়ই এটি রোগের আরোগ্য এবং খাদ্যের তৃপ্তি”
(১)।
এই হাদিসটির সনদ মু'দাল (সনদ থেকে ধারাবাহিক দুজন বর্ণনাকারী বাদ পড়া), তবে এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। সাঈদ কিছু সাহাবির সমসাময়িক ছিলেন কিন্তু কোনো সাহাবি থেকে তাঁর সরাসরি শ্রবণের প্রমাণ নেই।
আমি ফাতেমা বিনতে আল-মুনজা-র নিকট পাঠ করেছি, তিনি সুলাইমান বিন হামযাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আস-সাইদালানি, তিনি ফাতেমা আল-জুযদানিয়্যাহ থেকে সরাসরি শ্রবণ সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দব্বি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আত-তাবারানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন দুই হাফিয মুসা বিন হারুন ও আলি বিন সাঈদ, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আহমদ বিন আবু শুআইব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মিসকিন বিন বুকাইর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাজির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আবু হুররাহ, তিনি মুজাহিদ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ পানি হলো যমযমের পানি। এতে রয়েছে ক্ষুধার তৃপ্তি এবং রোগের আরোগ্য।”
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৩)
هكذا أخرجه الطبراني في «الكبير»
(1) وأخرجه في «الأوسط»
(2) عن شيخيه وقال: لم يروه عن إبراهيم إلا محمد بن مهاجر ولا عنه إلا مسكين، تفرد به ابن أبي شعيب.
قلت: ورواته موثوقون وفي بعضهم مقال، لكنه قوي في المتابعات.
وجاء عن ابن عباس من وجه آخر موقوفا:
أخبرنا الحافظ أبو الحسن بن أبي بكر قال: أخبرنا محمد بن إسماعيل بن عمر قال: أخبرنا علي بن أحمد بن عبد الواحد، عن منصور بن عبد المنعم قال: أخبرنا محمد بن إسماعيل قال: أخبرنا أحمد بن الحسين قال: أخبرنا محمد بن موسى قال: حدثنا محمد بن يعقوب قال: حدثنا هارون بن سليمان قال: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن قيس بن كركم قال: سمعت ابن عباس رضي الله عنهما يقول: زمزم خير ماء يعلم، طعام طعم وشفاء سقم.
هذا موقوف حسن، أخرجه ابن أبي شيبة
(3) والفاكهي
(4) جميعا من طريق سفيان الثوري عن أبي إسحاق به ولفظه أتم من هذا والمعنى واحد.
وأخرج عبد الرزاق
(5) وسعيد بن منصور
(6) واللفظ له من طريق عبد الله بن عثمان بن خثيم -بمعجمة ومثلثة مصغر، قال: قدم وهب بن منبه علينا مكة فكان لا يشرب ولا يتوضأ إلا من ماء زمزم فقيل له: ما لك عن الماء العدب؟ فقال: ما أنا بالذي يشرب ولا يتوضأ إلا من ماء زمزم حتى أخرج منها، إنكم لا تدرون ما ماء زمزم، والذي نفس
--------------------------------------------
তাবারানি এভাবেই এটি তাঁর ‘আল-মু‘জাম আল-কাবীর’
(১) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর দুই শায়খের সূত্রে এটি ‘আল-মু‘জাম আল-আওসাত’
(২) গ্রন্থে বর্ণনা করে বলেছেন: ইবরাহিম থেকে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাজির ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি, আর তার থেকে মিসকীন ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি; ইবনে আবু শুআইব এই বর্ণনাটিতে একক হয়ে গেছেন।
আমি বলি: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে তাদের কারো কারো ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে; কিন্তু ‘মুতাবায়াত’ (সমর্থনমূলক বর্ণনা) এর ক্ষেত্রে এটি শক্তিশালী।
ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে অন্য এক সূত্রে মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে:
হাফেজ আবুল হাসান ইবনে আবু বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মানসুর ইবনে আব্দুল মুনইম থেকে, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াকুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হারুন ইবনে সুলাইমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসরাঈল থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি কায়স ইবনে কারকাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাস (রাযি.)-কে বলতে শুনেছি: জমজম ভূপৃষ্ঠে জানা থাকা পানিগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম; এটি ক্ষুধার্তের জন্য খাদ্য এবং ব্যাধিগ্রস্তের জন্য নিরাময়।
এই মাওকুফ বর্ণনাটি হাসান (উত্তম)। ইবনে আবু শাইবাহ
(৩) এবং ফাকিহি
(৪) উভয়েই এটি সুফিয়ান সাওরির সূত্রে আবু ইসহাক থেকে একই সনদে বর্ণনা করেছেন। এর শব্দবিন্যাস এই বর্ণনার চেয়ে পূর্ণাঙ্গ, তবে অর্থ একই।
আব্দুর রাজ্জাক
(৫) এবং সাঈদ ইবনে মানসুর
(৬) বর্ণনা করেছেন—এবং শব্দবিন্যাস সাঈদ ইবনে মানসুরের—আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে খুসাইম (খুসাইম শব্দটি নুকতাযুক্ত ‘খ’ এবং তিন নুকতাযুক্ত ‘সা’ বর্ণ যোগে ‘তাসগীর’ বা ক্ষুদ্রতাবাচক রূপে গঠিত) এর সূত্রে, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ মক্কায় আমাদের নিকট আসলেন। তিনি জমজম ব্যতীত অন্য কোনো পানি পান করতেন না এবং তা দিয়ে ওজুও করতেন না। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: সুমিষ্ট পানির কী হলো (কেন তা গ্রহণ করছেন না)? তিনি বললেন: আমি জমজমের পানি পান করা এবং এটি দিয়ে ওজু করা ছাড়া অন্য কিছু করব না যতক্ষণ না আমি মক্কা থেকে বের হই। তোমরা জানো না জমজমের পানি কী! সেই সত্তার কসম, যার হাতে [আমার] প্রাণ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وهب به إنها لفي كتاب الله المضنونة وبرة وشراب الأبرار زمزم لا تنزف ولا تذم، طعام من طعم وشفاء من سقم، لا يعمد إليها امرى فيتضلع منها إلا نفت ما به من داء وأحدثت له شفاء، والنظر إلى زمزم عبادة تحط الخطايا حطا.
هذا أثر مقطوع، وقد أفصح وهب بأنه أخذه من كتاب الله يعني التوراة أو غيرها من الإسرائيليات.
وأخرج ابن أبي شيبة
(1) والفاكهي
(2) من وجهين عن كعب الأحبار أنه كان يقول: إن في كتاب الله المنزل أن ماء زمزم طعام من طعم وشفاء من سقم.
فهذه أخبار وآثار يشد بعضها بعضا تشهد للزيادة في حديث أبي ذر بالقوة، والله أعلم.
آخر المجلس الرابع والأربعين بعد الخمسمائة من تخريج أحاديث الأذكار وهو الرابع والعشرون بعد التسعمائة من الأمالي المصرية بدار الحديث المدرسة الكاملية يوم الثلاثاء رابع عشرين ذي الحجة الحرام سنة تسع وأربعين وثمانمائة ختمها الله بخير.
* * *
ومما يلتحق بما مضى ما أخبرني المسند أبو الطاهر بن أبي اليمن بن عبد اللطيف قال: أخبرنا إبراهيم بن سنان قال: أخبرنا عبد اللطيف بن عبد المنعم قال: أخبرنا أبو المكارم التيمي في كتابه قال: أخبرنا الحسن بن أحمد المقرئ قال: أخبرنا أحمد بن عبد الله الحافظ قال: أخبرنا محمد بن المظفر قال: حدثنا محمد بن محمد بن سليمان من أصل كتابه قال: حدثنا محمد بن حميد قال: حدثنا جرير، عن أبي داود الطيالسي، عن شعبة، عن منصور،
--------------------------------------------
ওহাব হতে বর্ণিত যে, এটি আল্লাহর কিতাবে 'মাদনুনাহ' (সুরক্ষিত), 'বাররাহ' (পুণ্যময়) এবং পুণ্যবানদের পানীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। জমজম কখনো শেষ হয় না এবং নিন্দিতও হয় না। এটি ভক্ষণকারীর জন্য খাদ্য এবং রোগীর জন্য রোগমুক্তি। যে ব্যক্তিই এটি পান করতে আসবে এবং তা দিয়ে পেট পূর্ণ করবে, এটি তার রোগ দূর করবে এবং তাকে সুস্থতা দান করবে। জমজমের দিকে তাকানো ইবাদত যা গুনাহসমূহকে পুরোপুরি মিটিয়ে দেয়।
এটি একটি মাকতু (ছেদযুক্ত) আসার। ওহাব এটি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন যে, তিনি এটি আল্লাহর কিতাব অর্থাৎ তাওরাত বা অন্য কোনো ইসরাইলি বর্ণনা থেকে গ্রহণ করেছেন।
ইবনে আবি শায়বাহ
(১) ও আল-ফাকিহি
(২) কাব আল-আহবার থেকে দুটি ভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলতেন: অবতীর্ণ আল্লাহর কিতাবে বর্ণিত হয়েছে যে, জমজমের পানি ভক্ষণকারীর জন্য খাদ্য এবং রোগীর জন্য রোগমুক্তি।
সুতরাং এই সকল খবর ও আসারসমূহ একে অপরকে শক্তিশালী করে যা আবু যর-এর হাদিসে বর্ণিত অতিরিক্ত অংশটির সত্যতার সাক্ষ্য প্রদান করে। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
'তাখরিজু আহাদিসিল আজকার'-এর ৫৪৪তম মজলিসের সমাপ্তি, যা কামিলিয়্যাহ মাদরাসার দারুল হাদিসে অনুষ্ঠিত 'আল-আমালি আল-মিসরিয়্যাহ'-এর ৯২৪তম মজলিস। এটি ৮৪৯ হিজরি সালের ২৪ জিলহজ হারাম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আল্লাহ এটি কল্যাণের সাথে সমাপ্ত করুন।
* * *
পূর্বে যা অতিবাহিত হয়েছে তার সাথে সংশ্লিষ্ট হলো সেই বর্ণনা যা আমাকে মুসনিদ আবু তাহির বিন আবি ইয়ামান বিন আব্দুল লতিফ জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম বিন সিনান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মাকারিম আল-তাইমি তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন আহমাদ আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন মুজাফফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান তার মূল কিতাব থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন হুমাইদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জারির আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ আল-তায়ালিসি থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি মানসুর থেকে,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৫)
عن مجاهد، عن ابن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا أراد أن ينحف الرجل بتحفة سقاه من ماء زمزم.
هذا حديث غريب من هذا الوجه مرفوعا والمحفوظ وقفه، وكذلك أخرجه الفاكهي في كتاب «مكة» من طريق محمد بن جعفر غندر عن شعبة بهذا السند قال: كان ابن عباس إذا نزل به ضيف أتحفه من ماء زمزم، ولا أطعم قوما طعاما إلا سقاهم من ماء زمزم
(1).
وسند هذا الموقوف على شرط الصحيحين، وفي السند الأول مقال من جهة محمد بن حميد الرازي
(2).
وفيه لطيفة لأنه من رواية الأكابر عن الأصاغر وهو جرير بن عبد الحميد عن الطيالسي وهو دونه علوا وسنا. وقرئ على أم يوسف الصالحية بها ونحن نسمع، عن أبي نصر بن الشيرازي قال: أخبرنا عبد الحميد سبط الحافظ أبي العلاء العطار في كتابه قال: أخبرنا جدي لأمي قال: أخبرنا أبو علي الحداد قال: أخبرنا أبو نعيم قال: أخبرنا الطبراني في «الأوسط» قال: حدثنا محمد بن عبد الله الحضرمي قال: حدثنا سفيان بن بشر قال: حدثنا هشيم، عن عبد الله بن المؤمل، عن ابن محيصن هو السهمي المقرئ، عن عطاء، عن ابن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم استهدى سهيل بن عمرو من ماء زمزم
(3).
--------------------------------------------
মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কাউকে কোনো উপহার দিয়ে সম্মানিত করতে চাইতেন, তখন তাকে যমযমের পানি পান করাতেন।
মারফু হিসেবে এই সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি গরীব (সূত্রগতভাবে একক), আর যা সংরক্ষিত তা হলো এটি মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য)। অনুরূপভাবে ফাকিহি তাঁর 'মক্কা' গ্রন্থে মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার সূত্রে শু'বা থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: ইবনে আব্বাসের নিকট যখন কোনো মেহমান আসতেন, তখন তিনি তাকে যমযমের পানি উপহার দিতেন। আর তিনি কোনো সম্প্রদায়কে খাবার খাওয়ানোর সময় অবশ্যই তাদের যমযমের পানি পান করাতেন
(১)।
এই মাওকুফ বর্ণনাটির সনদ বুখারি ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহিহ, আর প্রথম সনদটির ব্যাপারে মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ আর-রাযীর কারণে আপত্তি রয়েছে
(২)।
এতে একটি সূক্ষ্ম বিষয় রয়েছে, কারণ এটি বড়দের থেকে ছোটদের বর্ণনা (রেওয়ায়েতুল আকাবির আনিল আসাগির); আর তা হলো জারির ইবনে আব্দুল হামিদ তায়ালিসি থেকে বর্ণনা করেছেন, অথচ তায়ালিসি তাঁর চেয়ে মর্তবা ও বয়সে ছোট। এটি উম্মে ইউসুফ আস-সালিহিয়্যাহর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমরা তা শুনছিলাম। আবু নাসর ইবনে শিরাজী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হাফেজ আবুল আলা আল-আত্তারের দৌহিত্র আব্দুল হামিদ তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার মাতামহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানি 'আল-আওসাত' গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনে বিশর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুআম্মাল থেকে, তিনি ইবনে মুহাইসিন আস-সাহমি আল-মুকরি থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুহাইল ইবনে আমরের কাছে যমযমের পানি উপহার হিসেবে চেয়েছিলেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৬)
هذا حديث غريب، وفي سنده ابن المؤمل تقدم ذكره قريبا وقد قال الطبراني: لم يرو (هذا الحديث عن)
(1) ابن محيصن المقرئ من قراء أهل مكة إلا ابن مؤمل، ولا عنه إلا هشيم، تفرد به سفيان بن بشر.
قلت: وقد أخرجه عبد الرزاق عن ابن جريج، عن ابن أبي حسين وهو عبد الله بن عبد الرحمن أن النبي صلى الله عليه وسلم فذكر مثله وزاد: «فبعث إليه بمزادتين» وفيه: «إن جاءك كتابي هذا ليلا فلا تصبحن أو نهارا فلا تمسين حتى تبعث إلي بماء من ماء زمزم».
وذكره الشافعي بلاغا بغير سند.
قوله: «قال العلماء: يستحب لمن شربه أن يقول .. إلى آخره»
(2).
قلت: تقدم عن عبد الله بن المبارك وجاء عن عدد كثير يتعذر حصرهم أنهم شربوه لمقاصد مختلفة فحصلت لهم.
قوله: «فضل: إذا أراد الخروج من مكة إلى وطنه طاف للوداع ثم أتى الملتزم .. فذكر الدعاء بطوله»
(3).
قلت: تقدم فصل مفرد للملتزم وفيه بعض الأدعية، وأما هذا الدعاء فأخرجه البيهقي بسنده إلى الشافعي ثم قال: هذا من كلام الشافعي وهو حسن
(4).
--------------------------------------------
এটি একটি গরীব (অপ্রসিদ্ধ) হাদীস। এর সনদ বা বর্ণনাসূত্রে ইবনুল মুআম্মিল রয়েছেন, যার কথা নিকটেই পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। ইমাম তাবারানি বলেছেন: মক্কাবাসীদের ক্বারীগণের অন্তর্ভুক্ত ইবনে মুহাইসিন আল-মুক্বরি-এর নিকট থেকে (এই হাদীসটি) ইবনুল মুআম্মিল ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি
(১), আর তার থেকে হুশাইম ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি। সুফিয়ান বিন বিশর এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।
আমি বলি: আবদুর রাজ্জাক এটি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি ইবনে আবু হুসাইন (যিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—এরপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন এবং অতিরিক্ত যোগ করেছেন: «অতঃপর তিনি তার নিকট দুটি মশক পাঠালেন» এবং এতে রয়েছে: «যদি তোমার কাছে আমার এই চিঠি রাতে পৌঁছায় তবে সকাল না হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করবে না, আর যদি দিনে পৌঁছায় তবে সন্ধ্যা না হওয়া পর্যন্ত বিলম্ব করবে না যতক্ষণ না তুমি আমার কাছে যমযমের পানি পাঠাও»।
ইমাম শাফেঈ এটি সনদ ছাড়াই সরাসরি বর্ণনা (বালাগ) হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তাঁর বক্তব্য: «উলামায়ে কিরাম বলেন: যে ব্যক্তি যমযমের পানি পান করবে, তার জন্য এটি বলা মুস্তাহাব... শেষ পর্যন্ত»
(২)।
আমি বলি: আব্দুল্লাহ বিন মুবারক থেকে এটি পূর্বে বর্ণিত হয়েছে এবং এমন অসংখ্য ব্যক্তি থেকে এটি বর্ণিত হয়েছে যাদের গণনা করা অসম্ভব যে, তারা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এটি পান করেছিলেন এবং তাদের সেই উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছিল।
তাঁর বক্তব্য: «পরিচ্ছেদ: যখন কেউ মক্কা থেকে নিজ স্বদেশের উদ্দেশ্যে বের হতে চাইবে, তখন সে বিদায়ী তাওয়াফ করবে, অতঃপর মুলতাযামে আসবে... এরপর তিনি দীর্ঘ দুআটি উল্লেখ করেছেন»
(৩)।
আমি বলি: মুলতাযামের বিষয়ে একটি পৃথক পরিচ্ছেদ পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে যেখানে কিছু দুআ রয়েছে। আর এই দুআটি ইমাম বায়হাকি ইমাম শাফেঈ পর্যন্ত স্বীয় সনদে বর্ণনা করেছেন এবং এরপর বলেছেন: এটি ইমাম শাফেঈর বক্তব্য এবং এটি উত্তম
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৭)
قلت: وجدته بمعناه من كلام بعض من روى عنه الشافعي أخرجه الطبراني في كتاب «الدعاء» عن إسحاق بن إبراهيم عن عبد الرزاق قال: إذا أردت أن تخرج إلى أهلك من مكة أتيت البيت فطفت به سبعا، ثم تصلي ركعتين، ثم تأتي الملتزم فتقوم بين الحجر والباب فتقول: اللهم عبدك وابن عبدك وابن أمتك، حملتني على دابتك، وسيرتني في بلادك حتى أدخلتني حرمك وأمنك، وهذا بيتك، وقد رجوتك فيه رب بحسن ظني بك أن تكون قد غفرت لي، فإن كنت رب قد غفرت لي فازدد عني رضا وقربني إليك زلفا، وإن كنت رب لم تغفر لي فمن الآن رب اغفر لي قبل أن ينأى عني بيتك، هذا أوان انصرافي غير راغب عنك ولا عن بيتك، اللهم احفظني من بين يدي ومن خلفي وعن يميني وعن شمالي حتى تقدمني إلى أهلي، فإذا أقدمتني فلا تتخل عني واكفني رب مثونة أهلي ومثونة خلقك، إنك وليي ووليهم، ثم تنصرف إلى أهلك وأنت تأمل الوصول سالها إن شاء الله تعالى.
آخر المجلس الخامس والأربعين بعد الخمسمائة من تخريج أحاديث الأذكار وهو الخامس والعشرون بعد التسعمائة من الأمالي المصرية بالمدرسة الكاملية يوم الثلاث مستهل محرم سنة خمسين أهلها الله علينا بالأمن والإيمان والسلامة والإسلام آمين آمين آمين.
* * *
أخبرني الإمام شيخ الإسلام أبو الفضل بن الحسين الحافظ رحمه الله قال: أخبرني أبو محمد البزوري قال: أخبرنا أبو الحسن بن البخاري قال: أخبرنا أبو عبد الله الكراني في كتابه قال: أخبرنا محمود بن إسماعيل قال: أخبرنا أبو الحسين بن فاذشاه قال: أخبرنا الطبراني فذكر الدعاء بطوله.
আমি বলছি: আমি এর মর্মার্থ এমন কিছু ব্যক্তির কথা থেকে পেয়েছি যাদের থেকে শাফিঈ বর্ণনা করেছেন। তাবারানি এটি ‘কিতাবুদ দুআ’-তে ইসহাক বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: যখন আপনি মক্কা থেকে আপনার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চাইবেন, তখন আপনি বায়তুল্লাহতে আসবেন এবং সাতবার তওয়াফ করবেন। এরপর দুই রাকাত সালাত আদায় করবেন। এরপর মুলতাযামে আসবেন এবং হাজরে আসওয়াদ ও দরজার মাঝখানে দাঁড়াবেন, অতঃপর বলবেন: হে আল্লাহ, আমি আপনার বান্দা, আপনার এক বান্দার সন্তান এবং আপনার এক দাসীর সন্তান। আপনি আমাকে আপনার বাহনে সওয়ার করিয়েছেন এবং আপনার জনপদসমূহে আমাকে ভ্রমণ করিয়েছেন, যতক্ষণ না আপনি আমাকে আপনার হারাম ও নিরাপদ স্থানে প্রবেশ করিয়েছেন। এটি আপনার ঘর। হে আমার রব, আপনার প্রতি আমার সুধারণার বশবর্তী হয়ে আমি আপনার কাছে এই আশা করেছি যে আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। হে রব, যদি আপনি আমাকে ক্ষমা করে থাকেন, তবে আমার প্রতি আপনার সন্তুষ্টি আরও বাড়িয়ে দিন এবং আমাকে আপনার অতি নিকটে স্থান দিন। আর হে রব, যদি আপনি আমাকে ক্ষমা না করে থাকেন, তবে হে রব, আপনার ঘর থেকে দূরে যাওয়ার আগেই এখনই আমাকে ক্ষমা করে দিন। এটি আমার বিদায়ের সময়, আপনার প্রতি বিমুখ হয়ে নয় এবং আপনার ঘরের প্রতিও বিমুখ হয়ে নয়। হে আল্লাহ, আমাকে আমার সামনে থেকে, আমার পিছন থেকে, আমার ডান দিক থেকে এবং আমার বাম দিক থেকে হিফাযত করুন যতক্ষণ না আপনি আমাকে আমার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেন। যখন আপনি আমাকে পৌঁছে দেবেন, তখন আমাকে ছেড়ে দেবেন না। হে রব, আমার পরিবার ও আপনার মাখলুকের ভার ও কষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন। নিশ্চয়ই আপনি আমার এবং তাদের অভিভাবক। এরপর আপনি আপনার পরিবারের দিকে ফিরে যাবেন এবং ইনশাআল্লাহ তাআলা আপনি নিরাপদে পৌঁছানোর আশা রাখবেন।
যিকর সংক্রান্ত হাদিসসমূহের তাখরিজের ৫৪৫তম মজলিসের সমাপ্তি। এটি মাদরাসা কামিলিয়াহতে প্রদত্ত ‘আল-আমালি আল-মিসরিয়্যাহ’ এর ৯২৫তম মজলিস। এটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল পঞ্চাশ হিজরি সনের মুহাররম মাসের শুরুতে মঙ্গলবার। আল্লাহ আমাদের জন্য এটি নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সাথে শুরু করুন। আমিন, আমিন, আমিন।
* * *
ইমাম শায়খুল ইসলাম আবুল ফজল বিন আল-হুসাইন আল-হাফিয (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ আল-বাযুরি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান বিন আল-বুখারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ আল-কারানি তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মাহমুদ বিন ইসমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হুসাইন বিন ফাযশাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, অতঃপর তিনি দীর্ঘ দুআটি উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৮)
ثم وجدته مرويا عن بعض مشايخ
(1) شيخ الشافعي منقولا عمن قبله:
أخبرني العماد أبو بكر بن إبراهيم بن محمد بن إبراهيم الفرضي فيما قرأت عليه بصالحية دمشق قال: قرئ على زينب بنت أحمد بن عبد الرحيم ونحن نسمع، عن يوسف بن خليل ومحمد بن عبد الكريم إجازة مكاتبة وهي خاتمة من روى عنهما. قال يوسف: أخبرنا علي بن أبي سعيد قال: أخبرنا الحسن بن أحمد بن الحسن قال: أخبرنا أحمد بن عبد الله بن أحمد قال: أخبرنا أحمد بن يوسف قال: حدثنا الحارث بن محمد.
وقال الآخر واللفظ له: أخبرنا أبو الحسين بن يوسف وأبو السعادات بن القزاز قالا: أخبرنا المبارك بن عبد الجبار قال: أخبرنا أبو علي بن أبي بكر البزاز قال: حدثنا محمد بن إسماعيل بن مهران قال هو والحارث: حدثنا إبراهيم بن إسحاق الحافظ قال: حدثنا علي بن مسلم قال: حدثنا زيد بن الحباب، عن سليمان بن أبي داود قال: كنت عند جعفر يعني الصادق فقال له رجل: ماذا كان يدعى به عند وداع البيت؟ فقال جعفر: لا أدري. فقال عبد الله يعني الرجل المذكور: كان يعني أحدهم - إذا ودع البيت قام بين الباب والحجر ومد يده اليمنى إلى الباب واليسرى إلى الحجر ثم قال: اللهم أنا عبدك .. فذكر مثل سياق عبد الرزاق لكن قال: فمن الآن فاغفر لي وقال بعد قوله: «انصرافي»: «إن أذن لي». وقال: «ولا مستبدل بك ولا ببيتك» وقال: «فإذا أقدمتني إلى أهلي وقال في آخره: ومئونة عيالي ومئونة خلقك أجمعين فإنك أولى بذلك مني ومنهم». ولم يذكر ما بعده.
ووردت آثار عديدة فيما يدعى به عند الملتزم ليس فيها شيء من المرفوعات ولا الموقوفات فلم أستوعبها واقتصرت على أثر واحد:
--------------------------------------------
এরপর আমি এটি শাফিঈর শাইখের কোনো এক শাইখ
(১) থেকে বর্ণিত অবস্থায় পেয়েছি, যা তাঁর পূর্ববর্তীদের থেকে বর্ণিত হয়েছে:
ইমাদ আবু বকর ইবন ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম আল-ফারদি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন—যা আমি দামেস্কের সালিহিয়্যাতে তাঁর কাছে পড়েছি—তিনি বলেন: যায়নাব বিনতে আহমাদ ইবন আবদির রাহিমের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শুনছিলাম, তিনি ইউসুফ ইবন খলিল এবং মুহাম্মদ ইবন আবদিল কারিম থেকে লিখিত ইজাযতসূত্রে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি তাঁদের উভয়ের নিকট থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি। ইউসুফ বলেন: আলি ইবন আবি সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবন আহমাদ ইবন হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবন ইউসুফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হারিস ইবন মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন।
এবং অন্যজন বর্ণনা করেছেন—আর শব্দগুলো তাঁরই: আবুল হুসাইন ইবন ইউসুফ এবং আবুল সাআদাত ইবন আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেন: মুবারক ইবন আবদিল জাব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলি ইবন আবি বকর আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল ইবন মিহরান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন—তিনি এবং হারিস বলেছেন: হাফিয ইবরাহিম ইবন ইসহাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আলি ইবন মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: যায়িদ ইবনুল হুবাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুলায়মান ইবন আবি দাউদ থেকে, তিনি বলেন: আমি জা’ফর—অর্থাৎ আস-সাদিক—এর নিকট ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল: বাইতুল্লাহ্ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় কী বলে দোয়া করতে হয়? জা’ফর বললেন: আমি জানি না। তখন আবদুল্লাহ—অর্থাৎ উল্লিখিত ব্যক্তি—বললেন: তাদের কেউ—অর্থাৎ যখন বাইতুল্লাহ্ থেকে বিদায় নিতেন—তখন তিনি দরজা ও হাজারে আসওয়াদের মাঝখানে দাঁড়াতেন এবং নিজের ডান হাত দরজার দিকে ও বাম হাত হাজারে আসওয়াদের দিকে প্রসারিত করতেন, তারপর বলতেন: হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা... এরপর তিনি আবদুর রাযযাকের বর্ণনার অনুরূপ উল্লেখ করলেন, তবে তিনি বলেছেন: «কাজেই এখন থেকে আমাকে ক্ষমা করে দিন» এবং তিনি তাঁর কথা «আমার প্রস্থান»-এর পর বলেছেন: «যদি আমাকে অনুমতি দেওয়া হয়»। আরও বলেছেন: «আর আমি আপনার কোনো বিকল্প চাই না এবং আপনার ঘরেরও কোনো বিকল্প চাই না» এবং বলেছেন: «অতঃপর যখন আপনি আমাকে আমার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেবেন» এবং এর শেষে বলেছেন: «আর আমার পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণ এবং আপনার সকল সৃষ্টির ভরণপোষণ (সহজ করে দিন), কেননা নিশ্চয়ই আপনি আমার ও তাদের চেয়ে এর জন্য অধিক যোগ্য»। আর তিনি এরপরের অংশটুকু উল্লেখ করেননি।
মুলতাযামে যে দোয়া করা হয় সে বিষয়ে আরও অনেক আসার বর্ণিত হয়েছে, যার মধ্যে কোনোটিই মারফু বা মাওকুফ পর্যায়ের নয়; তাই আমি সেগুলোর সব বর্ণনা করিনি এবং মাত্র একটি আসারের ওপর সীমাবদ্ধ থেকেছি:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ২৯)
قرأت على عبد الله بن عمر الأزهري، عن عائشة بنت علي سماعا قالت: أخبرنا أحمد بن علي بن يوسف قال: أخبرنا أبو القاسم بن علي البوصيري قال: أخبرنا علي بن الحسين بن عمر الموصلي قال: أخبرنا عبد العزيز بن الحسن بن إسماعيل الضراب قال: أخبرنا أبي قال: حدثنا أبو بكر بن مروان الدينوري قال: حدثنا إبراهيم الحربي قال: حدثنا الرياشي - بكسر الراء المهملة وتخفيف المثناة التحتانية وبعد الألف معجمة واسمه العباس بن الفرج قال: حدثنا الأصمعي قال: رأيت أعرابيا عند الملتزم فقال: اللهم إن لك علي حقوقا فتصدق بها علي، وللناس علي تبعات فتحمل بها عني، وأنا ضيفك وقد أوجبت لكل ضيف قرى فاجعل قراي الليلة الجنة.
«قوله: فصل في زيارة قبر رسول الله صلى الله عليه وسلم .. إلى أن قال: فإن زيارته من أهم القربات»
(1).
فإنما استدل الشيخ في «المهذب» لاستحبابها بحديث ابن عمر، قال الشيخ في شرحه: أخرجه الدارقطني والبيهقي بسندين ضعفين
(2).
قلت: مرجعهما إلى راو واحد فيه الكلام كما سيأتي، وله طريق أخرى إلى ابن عمر عند البزار، وجاء في الباب عدة أحاديث عن غيره من الصحابة اعتنا بجمعها والكلام عليها تعديلا وتجريحا وتعليلا وتصحيحا شيخ شيوخنا السبكي الكبير في كتابه «شفاء السقام في زيارة النبي عليه الصلاة والسلام»
(3).
--------------------------------------------
আমি আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-আযহারীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আয়েশা বিনতে আলীর সূত্রে শ্রবণপূর্বক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম বিন আলী আল-বুসীরী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আল-হুসাইন বিন উমর আল-মাওসিলী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল আযীয বিন আল-হাসান বিন ইসমাঈল আদ-দাররাব, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন মারওয়ান আদ-দিনাওয়ারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম আল-হারবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আর-রিয়াশী—র-এর নিচে কাসরা, ইয়া-এর উপর তাশদীদহীন জবর এবং আলিফের পর শীন বর্ণযুক্ত, তার নাম আব্বাস বিন আল-ফারাজ—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আসমাঈ, তিনি বলেন: আমি মুলতাযামের নিকট এক বেদুঈনকে দেখলাম, সে বলছিল: হে আল্লাহ! আপনার কাছে আমার অনেক দায়বদ্ধতা রয়েছে, আপনি সেগুলো আমাকে সদকা হিসেবে ক্ষমা করে দিন। মানুষের কাছেও আমার অনেক ঋণ ও পাওনা রয়েছে, আপনি আমার পক্ষ থেকে সেই দায়ভার গ্রহণ করুন। আমি আপনার মেহমান, আর আপনি প্রত্যেক মেহমানের জন্য মেহমানদারির বিধান আবশ্যক করেছেন; সুতরাং আজ রাতে জান্নাতকে আমার জন্য মেহমানদারি হিসেবে নির্ধারণ করুন।
«তার উক্তি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কবর যিয়ারত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ... তিনি আরও বলেছেন: নিশ্চয়ই তাঁর যিয়ারত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৈকট্য প্রদানকারী ইবাদত»
(১)।
শায়খ ‘আল-মুহাজ্জাব’ গ্রন্থে এর মুস্তাহাব হওয়ার স্বপক্ষে ইবনে উমরের হাদীস দ্বারা দলিল পেশ করেছেন। শায়খ এর ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলেছেন: দারা কুতনী এবং বায়হাকী একে দুটি দুর্বল সনদে বর্ণনা করেছেন
(২)।
আমি বলি: এই দুটি সনদেরই ভিত্তি হলো একজন বর্ণনাকারী যার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে, যেমনটি সামনে আসবে। বায্যারের নিকট ইবনে উমর হতে এর আরেকটি সূত্র রয়েছে। এই অধ্যায়ে অন্যান্য সাহাবী থেকেও অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আমাদের শায়খদের শায়খ বড় সুবকী তার ‘শিফাউস সিকাম ফি যিয়ারাতিন নবী আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম’ গ্রন্থে সেই হাদীসগুলো সংকলন করার এবং সেগুলোর রাবীদের নির্ভরযোগ্যতা, দুর্বলতা, ত্রুটি ও বিশুদ্ধতা বিষয়ে আলোচনা করার বিশেষ যত্ন নিয়েছেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩০)
آخر المجلس السادس والأربعين بعد الخمسمائة من تخريج أحاديث الأذكار وهو السادس والعشرون بعد التسعمائة من الأمالي المصرية وهو الثالث والعشرون بدار الحديث الكاملية يوم الثلاثاء من شهر محرم سنة خمسين وثمانمائة.
* * *
أخبرني الزين أبو محمد عمر بن محمد بن أحمد بن سلمان البالسي ثم الصالحي فيما قرأت عليه بدمشق، عن أبي بكر بن أحمد الدقاق سماعا قال: أخبرنا علي بن أحمد بن عبد الواحد قال: أخبرنا محمد بن معمر إجازة مكاتبة من أصبهان قال: أخبرنا إسماعيل بن الفضل قال: أخبرنا أبو طاهر محمد بن أحمد بن عبد الرحيم قال: حدثنا علي بن عمر الدارقطني الحافظ
(1) قال: حدثنا الحسين بن إسماعيل قال: حدثنا عبيد بن محمد الوراق قال: حدثنا موسى بن هلال العبدي قال: حدثنا عبيد الله
(2) بن عمر، عن نافع ح وأخبرنا عاليا أبو بكر بن إبراهيم بن أبي عمر قال: أخبرنا أبو المعالي بن الحسين بن أبي التائب وأبو بكر بن محمد بن عنتر وزينب بنت يحيى بن الشيخ عز الدين بن عبد السلام، قال الأول: أخبرنا محمد بن أبي بكر البلخي عن السلفي.
وقال الآخران: أخبرنا عبد الرحمن بن مكي في كتابه قال: أخبرنا جدي لأمي الحافظ أبو الطاهر السلفي قال: أخبرنا أبو سعد أحمد بن الحسن الجرباذقاني بها، قال: أخبرنا أبو بكر بن الفضل المقرئ قال: أخبرنا محمد بن الحسن بن يوسف قال: أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الكريم الرازي قال: حدثنا موسى بن هلال قال: حدثنا عبد الله
(3) بن عمر،
--------------------------------------------
‘আযকার’ এর হাদিসসমূহের তাখরিজ (সূত্র নির্দেশ) সংক্রান্ত পাঁচশত ছেচল্লিশতম মজলিসের সমাপ্তি; যা ‘আল-আমালি আল-মিসরিয়্যাহ’ এর নয়শত ছাব্বিশতম এবং দারুল হাদিস কামিলিয়্যাহ-তে তেইশতম মজলিস, যা ৮৫০ হিজরি সনের মহররম মাসের মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
* * *
আয-জাইন আবু মুহাম্মাদ উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে সালমান আল-বালিসি অতঃপর আস-সালেহি দামেশকে তাঁর নিকট আমার পাঠকালে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আহমাদ আদ-দাক্কাক থেকে শ্রবণ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে মা’মার ইসফাহান হতে পত্রের মাধ্যমে ইজাযত (অনুমতি) প্রদান করে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে আল-ফাদল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুর রহিম, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন হাফেজ আলি ইবনে উমর আদ-দারাকুতনি
(১), তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে হিলাল আল-আবদি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ
(২) ইবনে উমর, তিনি নাফে’ হতে বর্ণনা করেন (সনদ পরিবর্তিত হয়েছে)। এবং উচ্চতর সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবি উমর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আবি আত-তাইব এবং আবু বকর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আন্তার এবং শায়খ ইযযুদ্দিন ইবনে আব্দুস সালামের নাতনি যায়নাব বিনতে ইয়াহইয়া ইবনে আশ-শায়খ; প্রথমজন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আবি বকর আল-বালখি আস-সালাফি হতে।
এবং অপর দুইজন বলেছেন: আব্দুর রহমান ইবনে মাক্কি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার মাতামহ হাফেজ আবু তাহির আস-সালাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সা’দ আহমাদ ইবনে আল-হাসান আল-জারবাদাকানি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনে আল-ফাদল আল-মুকরি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান ইবনে ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল কারিম আর-রাযি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে হিলাল, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ
(৩) ইবনে উমর,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩১)
عن نافع، عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من زار قبري وجبت له شفاعتي».
هذا حديث غريب أخرجه ابن خزيمة في صحيحه عن عبيد بن محمد الوراق فوقع لنا موافقة عالية.
وأخرجه أيضا عن محمد بن إسماعيل الأحمسي - بمهملتين، عن موسى بن هلال فوقع لنا بدلا عاليا.
وتوقف ابن خزيمة فيه فقال: إن ثبت الخبر فإن في القلب من هذا السند وأنا أبرأ إلى الله من عهدته.
ووقع عنده في رواية عبيد: «عبيد الله بن عمر» بالتصغير كما سقناه، وعن الأحمسي «عبد الله بن عمر» بالتكبير كما في رواية الرازي.
قال ابن خزيمة: قول من قال «عبد الله» بالتكبير أشبه لأن «عبيد الله» يعني المصغر أجل وأعلم وأحفظ من أن يروي هذا المنكر.
قلت: إنما أطلق عليه اسم المنكر وفاقا لقول مسلم: «علامة المنكر أن ينفرد راو عن إمام مكثر من الحديث والرواة عنه بشيء لا يوجد عند أحد منهم كالزهري ونافع وغيرهما من المكثرين ثم جوز ابن خزيمة أن يكون موسى إن كان حفظ «عبيد الله» بالتصغير غلط في «نافع» وقد اغتر من لا يد له في الفن فقال: «صححه ابن خزيمة» وأغفل كلامه مع وضوحه.
وقد جاء هذا الخبر من طريق مسلمة بن سالم الجهني عن عبيد الله بن عمر بالتصغير لكنه خالف في السند فزاد سالما بين نافع وابن عمر وخالف في المتن أيضا وهو ضعيف عندهم:
নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার কবর যিয়ারত করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত (সুপারিশ) ওয়াজিব হয়ে যাবে।"
এটি একটি গারীব (বিরল) হাদীস। ইবনে খুযাইমা এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থে উবাইদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট একটি সুউচ্চ 'মুওয়াফাকাত' (সনদগত মিল) হিসেবে পৌঁছেছে।
তিনি এটি মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-আহমাসী (উভয় হরফ নুকতাহীন) থেকে, তিনি মূসা ইবনে হিলাল থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট একটি সুউচ্চ 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
ইবনে খুযাইমা এই হাদীসটির ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করে বলেছেন: "যদি এই বর্ণনাটি প্রমাণিতও হয়, তবুও এই সনদের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে অন্তরে সংশয় রয়েছে। আর আমি এর দায়ভার থেকে আল্লাহর নিকট দায়মুক্ততা ঘোষণা করছি।"
উবাইদ-এর বর্ণনায় তাঁর নিকট 'উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর' (তাসগীর বা ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ) হিসেবে এসেছে যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি। আর আহমাসীর বর্ণনায় এটি 'আবদুল্লাহ ইবনে উমর' (তাকবীর বা পূর্ণ রূপ) হিসেবে এসেছে যেমনটি রাজীর বর্ণনায় রয়েছে।
ইবনে খুযাইমা বলেন: যারা 'আবদুল্লাহ' (পূর্ণ রূপ) বলেছেন তাদের কথাটিই অধিক সঠিক হওয়ার সদৃশ; কারণ 'উবাইদুল্লাহ' তথা ক্ষুদ্রার্থবোধক নামের ব্যক্তিটি এতোই মহান, বিজ্ঞ এবং হাফিয যে, তিনি এমন একটি মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) হাদীস বর্ণনা করবেন না।
আমি (গ্রন্থকার) বলি: ইমাম মুসলিমের বক্তব্যের সাথে মিল রেখেই একে 'মুনকার' বলা হয়েছে। ইমাম মুসলিম বলেন: "মুনকার হাদীসের আলামত হলো—অধিক হাদীস বর্ণনাকারী কোনো ইমাম থেকে কোনো একজন বর্ণনাকারী এককভাবে এমন কিছু বর্ণনা করা যা ঐ ইমামের অন্য কোনো ছাত্রের নিকট পাওয়া যায় না; যেমন ইমাম যুহরী, নাফে এবং অন্যান্য অধিক হাদীস বর্ণনাকারীগণ। অতঃপর ইবনে খুযাইমা সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছেন যে, মূসা যদি 'উবাইদুল্লাহ' (ক্ষুদ্রার্থবোধক) নামটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করেও থাকেন, তবে তিনি 'নাফে'-এর বর্ণনার ক্ষেত্রে ভুল করেছেন। আর এই বিদ্যায় (হাদীস শাস্ত্রে) যাদের কোনো পারদর্শিতা নেই, তারা প্রতারিত হয়ে বলেছে: 'ইবনে খুযাইমা একে সহীহ বলেছেন'। অথচ তারা তাঁর বক্তব্যের স্পষ্টতা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করেছে।"
এই বর্ণনাটি মাসলামাহ ইবনে সালিম আল-জুহানী সূত্রে উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর (ক্ষুদ্রার্থবোধক) থেকেও এসেছে, কিন্তু তিনি সনদে ভিন্নতা করেছেন। তিনি নাফে ও ইবনে উমরের মাঝখানে 'সালিম'-কে যুক্ত করেছেন এবং মতনের (মূল পাঠের) ক্ষেত্রেও ভিন্নতা করেছেন। আর তিনি মুহাদ্দিসগণের নিকট যঈফ (দুর্বল):
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩২)
أخبرنا أبو هريرة بن الحافظ شمس الدين الذهبي إجازة غير مرة، وقرأت على فاطمة بنت محمد بن عبد الهادي، كلاهما عن يحيى بن محمد بن سعد. قال أبو هريرة: سماعا عن الحسن بن يحيى بن الصباح قال: أخبرنا عبد الله بن رفاعة قال: أخبرنا أبو الحسن الخلعي قال: أخبرنا أبو النعمان تراب بن عمر قال: حدثنا علي بن عمر الحافظ
(1) إملاء قال: حدثنا يحيى بن محمد بن صاعد قال: حدثنا عبد الله بن محمد العبادي بضم المهمله وتخفيف الموحدة، قال: حدثنا مسلمة بن سالم، عن عبيد الله بن عمر عن نافع، عن سالم، عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من جاءني زائرا لم تنزعه حاجة إلا زيارتي كان حقا علي أن أكون له شفيعا يوم القيامة».
هذا حديث غريب أخرجه الطبراني
(2) عن الحسين بن إسحاق عن العبادي فوافقناه في شيخ شخه.
ووجدت متابعا للمتن الأول، أخرجه البزار من طريق عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن ابن عمر ولفظه: «من زار قبري حلت له شفاعتي».
قال البزار: لم نكتبه إلا من رواية عبد الله بن إبراهيم الغفاري عن عبد الرحمن وهما ضعيفان والله وأعلم.
آخر المجلس السابع والأربعين بعد الخمسمائة من تخريج أحاديث الأذكار وهو السابع والعشرون بعد التسعمائة من الأمالي المصرية وهو الرابع والعشرون بدار الحديث الكاملية يوم الثلاث خامس عشر المحرم سنة خمسين فتحها الله بخير وبارك الله لنا فيها واختتمها بخير.
* * *
--------------------------------------------
হাফিয শামসউদ্দীন আয-যাহাবীর পুত্র আবু হুরায়রা আমাদের একাধিকবার ইজাযত প্রদান করেছেন, এবং আমি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল হাদীর নিকট পাঠ করেছি, তাঁরা উভয়েই ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু হুরায়রা বলেন: হাসান বিন ইয়াহইয়া বিন আস-সাব্বাহ থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন রিফায়া, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-খালাঈ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুমান তুরাব বিন উমর, তিনি বলেন: হাফিয আলী বিন উমর
(১) শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সা’ইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ আল-আব্বাদী (প্রথম বর্ণে পেশ এবং দ্বিতীয় বর্ণ হালকা উচ্চারণসহ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাসলামাহ বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন উমর থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি শুধুমাত্র আমার যিয়ারতের উদ্দেশ্যে আসলো এবং এই যিয়ারত ব্যতীত অন্য কোনো প্রয়োজন তাকে নিয়ে আসেনি, কিয়ামতের দিন তার জন্য সুপারিশকারী হওয়া আমার জন্য অবধারিত হয়ে গেল।»
এটি একটি গরীব (একক) হাদীস, তাবারানী
(২) এটি হুসাইন বিন ইসহাক থেকে, তিনি আল-আব্বাদী থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা তাঁর উস্তাদের উস্তাদের স্তরে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছি।
এবং আমি প্রথম মূল পাঠের (মতন) একটি সমর্থনকারী বর্ণনা (মুতাবে’) পেয়েছি, যা ইমাম বাযযার আব্দুর রহমান বিন যায়িদ বিন আসলামের সূত্রে তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এর শব্দাবলী হলো: «যে ব্যক্তি আমার কবর যিয়ারত করল, তার জন্য আমার সুপারিশ অবধারিত হয়ে গেল।»
বাযযার বলেন: আমরা এটি শুধুমাত্র আব্দুর রহমান থেকে আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম আল-গিফারীর বর্ণনা হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছি, আর তারা উভয়েই দুর্বল। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
আযকারের হাদীসসমূহের তাখরীজের ৫৪৭তম মজলিসের সমাপ্তি, আর এটি ‘আল-আমালী আল-মিসরিয়্যাহ’ (মিসরীয় শ্রুতলিপি) এর ৯২৭তম মজলিস এবং দারুল হাদীস আল-কামিলিইয়্যাহ-তে ২৪তম মজলিস; যা পঞ্চাশ (সাতশ/আটশ পঞ্চাশ) হিজরী সনের মহররম মাসের ১৫ তারিখ মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে। আল্লাহ তাআলা এটি কল্যাণের সাথে উন্মোচিত করুন, আমাদের জন্য এতে বরকত দান করুন এবং কল্যাণের সাথে এটি সমাপ্ত করুন।
* * *
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
ذكر طريق أخرى لحديث ابن عمر مقيدة بمن حج:
قرأت على أبي المعالي عبد الله بن عمر بن علي الخلاوي رحمه الله، عن أم عبد الله الكمالية، أن يوسف بن خليل الحافظ، أخبرهم في كتابه قال: أخبرنا أبو سعيد بن أبي الرجاء قال: أخبرنا أبو علي المقرئ قال: أخبرنا أبو نعيم الأصبهاني قال: أخبرنا الطبراني في «المعجم الأوسط»
(1) قال: حدثنا جعفر بن بجير بموحدة وجيم ..
(2) قال: حدثنا محمد بن بكار بن الريان ح
وبالسند الماضي قريبا إلى الدارقطني
(3) قال: حدثنا عبد الله بن محمد بن عبد العزيز هو البغوي قال: حدثنا أبو الربيع الزهراني قالا: حدثنا حفص. قال الأول: ابن سليمان. وقال الثاني: ابن أبي داود، قال: حدثنا ليث بن أبي سليم، عن مجاهد، عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من حج فزار قبري بعد وفاتي كان كمن زارني في حياتي».
هذا حديث غريب أخرجه سعيد بن منصور في «السنن» عن حفص بن سليمان.
وأخرجه أبو أحمد بن عدي
(4) عن البغوي فوقع لنا موافقة فيها.
قال ابن عدي: حفص بن سليمان هو حفص بن أبي داود كان أبو الربيع يكني أباه لضعف حفص.
وأخرجه الطبراني في «المعجم الكبير» عن الحسين بن إسحاق عن البغوي
(5).
--------------------------------------------
ইবনে উমরের হাদিসের অন্য একটি সূত্র উল্লেখ করা হলো যা হজ্জ পালনকারীর সাথে সম্পর্কিত:
আমি আবুল মাআলি আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলি আল-খালাবি (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি উম্মু আবদুল্লাহ আল-কামালিয়া হতে বর্ণনা করেন যে, ইউসুফ ইবনে খলিল আল-হাফিয তার কিতাবে তাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ ইবনে আবিল রাজা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলি আল-মুকরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নুয়াইম আল-আসফাহানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তাবারানি ‘আল-মুজামুল আওসাত’-এ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
(১) তিনি বলেন: জাফর ইবনে বুজাইর—এক নুকতাযুক্ত ‘বা’ এবং ‘জীম’ সহকারে—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...
(২) তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার ইবনে রাইয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন (হ)।
এবং দারা কুতনি পর্যন্ত পূর্ববর্তী নিকটবর্তী সনদে
(৩) তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ—যিনি আল-বাগাউয়ি—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু রাবি আয-যাহরানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেন: হাফস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। প্রথমজন (তাবারানি) বলেন: তিনি ইবনে সুলাইমান। এবং দ্বিতীয়জন (দারা কুতনি) বলেন: তিনি ইবনে আবি দাউদ। তিনি বলেন: লাইস ইবনে আবি সুলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুজাহিদ হতে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: «যে ব্যক্তি হজ্জ পালন করল এবং আমার মৃত্যুর পর আমার কবর যিয়ারত করল, সে যেন আমার জীবদ্দশায় আমাকে যিয়ারত করল।»
এটি একটি ‘গারিব’ (অল্প সংখ্যক সূত্রে বর্ণিত) হাদিস, যা সাঈদ ইবনে মানসুর তার ‘আস-সুনান’-এ হাফস ইবনে সুলাইমান হতে বর্ণনা করেছেন।
এবং আবু আহমাদ ইবনে আদি
(৪) এটি বাগাউয়ি হতে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমাদের জন্য এতে একটি ‘মুয়াফাকাত’ (বর্ণনাগত মিল) অর্জিত হয়েছে।
ইবনে আদি বলেন: হাফস ইবনে সুলাইমানই হলেন হাফস ইবনে আবি দাউদ। হাফসের দুর্বলতার কারণে আবু রাবি তার পিতার নামে তাকে ডাকতেন।
এবং তাবারানি তার ‘আল-মুজামুল কাবীর’-এ হুসাইন ইবনে ইসহাক হতে তিনি বাগাউয়ি হতে এটি বর্ণনা করেছেন
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
وأخرجه البيهقي من طريق عبد الرزاق عن حفص، ومن طريق محمد بن إسحاق الصغاني عن محمد بن بكار كما أخرجناه وقال: تفرد به حفص بن سليمان وهو ضعيف
(1) وكذا ابن عدي، وهو حفص القارئ ضعفوه في الحديث جدا مع إمامته في القراءة
(2).
وقد أطلق الطبراني أيضا أن حفصا تفرد به، ثم ناقض فأخرجه من وجه آخر عن ليث:
قرأت علي أبي الحسن علي بن محمد بن الصائغ، عن إسحاق بن يحيى قال: أخبرنا أبو الحجاج الأدمي قال: أخبرنا أبو عبد الله بن أبي زيد قال: أخبرنا محمود بن إسماعيل قال: أخبرنا أحمد بن محمد قال: أخبرنا سليمان بن أحمد قال: حدثنا أحمد بن رشدين قال: حدثنا علي بن الحسن بن هارون الأنصاري قال: حدثنا الليث ابن بنت ليث بن أبي سليم قال: حدثتني عائشة بنت يونس امرأة ليث بن أبي سليم، عن ليث بن أبي سليم، عن مجاهد فذكر الحديث كما مضى لكنه لم يقل في أوله «من حج».
قال: الطبراني في «الأوسط» لا يروى عن ليث بن أبي سليم إلا بهذا الإسناد
(3).
قلت: وهذا الحصر مردود برواية حفص وسند روايته ليس فيه إلا هو.
وأما الثانية فمن شيخ الطبراني وهو أحمد بن محمد بن الحجاج بن رشدين إلى ليث بن أبي سليم إما ضعيف وإما مجهول.
وقد ورد من طريق ثالثة عن ليث لكن السند معلول:
--------------------------------------------
আল-বাইহাকী এটি আবদুর রাজ্জাকের মাধ্যমে হাফস থেকে, এবং মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আস-সাগানি-এর মাধ্যমে মুহাম্মাদ বিন বাক্কার থেকে বর্ণনা করেছেন যেভাবে আমরা এটি উদ্ধৃত করেছি। তিনি বলেছেন: হাফস বিন সুলাইমান এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি দুর্বল
(১)। ইবন আদিও তদ্রূপ বলেছেন। তিনি হলেন হাফস আল-ক্বারী; কিরাআতের ক্ষেত্রে ইমাম হওয়া সত্ত্বেও হাদীসের ক্ষেত্রে তারা তাকে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন
(২)।
আত-তাবারানিও সাধারণভাবে উল্লেখ করেছেন যে হাফস এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে পরবর্তীতে তিনি এর বৈপরীত্য করে অন্য একটি মাধ্যমে লাইস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন:
আমি আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আস-সায়িগের নিকট পড়েছি, তিনি ইসহাক বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাজ্জাজ আল-আদামি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ বিন আবি যায়েদ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাহমুদ বিন ইসমাইল, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন রুশদিন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী বিন আল-হাসান বিন হারুন আল-আনসারি, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-লাইস (যিনি লাইস বিন আবি সুলাইমানের দৌহিত্র), তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আয়েশা বিনতে ইউনুস (যিনি লাইস বিন আবি সুলাইমানের স্ত্রী), তিনি লাইস বিন আবি সুলাইমান থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; অতঃপর তিনি পূর্বোল্লিখিত হাদীসটি উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এর শুরুতে "যে ব্যক্তি হজ করল" কথাটি বলেননি।
তাবারানি 'আল-আওসাত'-এ বলেছেন: লাইস বিন আবি সুলাইমান থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি
(৩)।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি: হাফসের বর্ণনার কারণে এই সীমাবদ্ধতাটি প্রত্যাখ্যাত, এবং তার বর্ণনার সনদে কেবল তিনিই রয়েছেন।
আর দ্বিতীয় বর্ণনার ক্ষেত্রে, তাবারানির উস্তাদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জাজ বিন রুশদিন থেকে শুরু করে লাইস বিন আবি সুলাইমান পর্যন্ত বর্ণনাকারীরা হয় দুর্বল নতুবা অজ্ঞাত।
লাইস থেকে এটি তৃতীয় আরেকটি মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে, তবে সেই সনদটি ত্রুটিযুক্ত:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
أخرجه أبو يعلى من طريق حسان بن إبراهيم، عن حفص بن سليمان، عن كثير بن شنظير - بكسر المعجمة أوله وثالثه بينهما نون ساكنه وقبل الراء مثناه من تحت ساكنة، عن ليث بن أبي سليم.
وقد اتفقوا على أن ذكر «كثير» فيه وهم فهو من المزيد في متصل الأسانيد، والله وأعلم.
آخر المجلس الثامن والأربعين بعد الخمسمائه من تخرج أحاديث الأذكار وهو الثامن والعشرون بعد التسعمائه من الأمالي المصرية وهو الخامس والعشرون بدار الحديث الكاملية يوم الثلاث تاسع عشرين محرم سنة خمسين وثمانمائة.
* * *
وورد في آخر هذه الرواية ما أنبانا أبو علي الفاضلي شفاها قال: أخبرنا يونس بن أبي إسحاق إجازة إن لم يكن سماعا، عن أبي الحسن بن المقير كذلك قال: أخبرنا أبو الكرم الشهرزوري في كتابه قال: أخبرنا إسماعيل بن مسعدة قال: أخبرنا حمزة بن يوسف قال: حدثنا أبو أحمد الجرجاني قال: حدثنا الحسن بن سفيان قال: حدثنا علي بن حجر قال: حدثنا حفص بن سليمان فذكر الحديث وفي آخره: «كان كمن زارني في حياتي وصحبني».
وهكذا أخرجه الحافظ أبو القاسم ابن عساكر في الترجمة النبوية عن أبي القاسم بن السمرقندي عن إسماعيل بن مسعدة فوقع لنا بدلا عاليا وقال: هذه زيادة منكرة.
قلت: كأن راويها ذكرها بالمعنى لأن من لازم من زار النبي صلى الله عليه وسلم في حياته مؤمنا به أن يكون صحابيا فصح التشبيه.
ومما يلتحق بذلك ما اشتهر على الألسنة: «من حج ولم يزرني فقد جفاني».
আবু ইয়ালা এটি হাসসান ইবন ইবরাহিম, হাফস ইবন সুলাইমান এবং কাসীর ইবন শিনযীর (প্রথম ও তৃতীয় অক্ষরে কাসরা বা জের সহকারে, যার মাঝে নুন সাকিন রয়েছে এবং র-এর আগে ইয়া সাকিন রয়েছে) -এর সূত্রে লায়স ইবন আবি সুলিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর উলামাগণ এই বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, এতে 'কাসীর'-এর উল্লেখ একটি ভ্রম। এটি 'আল-মাযিদ ফি মুত্তাসিলিল আসানিদ' (মুত্তাসিল সনদে অতিরিক্ত সংযোজন) এর অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
এটি 'তাখরিজু আহাদিসিল আযকার'-এর পাঁচশত আটচল্লিশতম মজলিস, যা 'আল-আমালি আল-মিসরিয়্যাহ'-এর নয়শত আটাশতম এবং দারুল হাদিস আল-কামিলিয়্যাহ-তে অনুষ্ঠিত পঁচিশতম মজলিসের সমাপ্তি। এটি আটশত পঞ্চাশ হিজরি সনের উনত্রিশে মহরম মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
* * *
এই বর্ণনার শেষে এমন কিছু উদ্ধৃত হয়েছে যা আবু আলী আল-ফাযিলি আমাদের মৌখিকভাবে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইউনুস ইবন আবি ইসহাক আমাদের ইজাযাত প্রদান করেছেন যদি এটি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে, তিনি আবুল হাসান ইবন আল-মুকাইয়ির থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু আল-কারাম আশ-শাহরাযুরি তাঁর কিতাবে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইসমাইল ইবন মাসআদাহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হামযাহ ইবন ইউসুফ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আহমদ আল-জুরজানি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আল-হাসান ইবন সুফিয়ান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আলী ইবন হুজর আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হাফস ইবন সুলাইমান আমাদের নিকট হাদিসটি বর্ণনা করেছেন এবং এর শেষে রয়েছে: "সে যেন আমার জীবদ্দশায় আমাকে যিয়ারত করল এবং আমার সাহচর্য লাভ করল।"
হাফিয আবুল কাসিম ইবন আসাকির 'আত-তারজামাতুন নাবাওইয়্যাহ'-তে আবুল কাসিম ইবন আস-সামারকান্দি থেকে, তিনি ইসমাইল ইবন মাসআদাহ থেকে একইভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য একটি 'বদল আলিন' (উচ্চস্তরের স্থলাভিষিক্ত সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। তিনি বলেছেন: এই অতিরিক্ত অংশটি মুনকার (পরিত্যক্ত)।
আমি বলছি: মনে হচ্ছে বর্ণনাকারী এটি অর্থের ভিত্তিতে বর্ণনা করেছেন। কারণ যে ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর জীবদ্দশায় মুমিন অবস্থায় যিয়ারত করেন, তাঁর জন্য সাহাবী হওয়া অবধারিত। তাই এই উপমাটি সঠিক হয়েছে।
আর এরই সাথে সম্পৃক্ত হলো মানুষের মুখে প্রচলিত সেই কথাটি: "যে ব্যক্তি হজ করল অথচ আমাকে যিয়ারত করল না, সে আমার প্রতি বিমুখতা প্রদর্শন করল।"
(খণ্ড: ১)
কিতআহ মিন নাতাইযুল আফকার ফী তাখরীজি আহাদীসিল আযকার
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
أخرجه ابن عدي
(1) وابن حبان
(2) في كتابيهما في «الضعفاء» والدارقطني في «العلل» كلهم من حديث ابن عمر أيضا وفي سندهم النعمان بن شبل وقد اتهم بالكذب، وأورد ابن الجوزي حديثه هذا في «الموضوعات»
(3).
ذكر حديث آخر في أصل الباب:
أخبرني الإمام أبو الفرج بن حماد قال: أخبرنا أحمد بن منصور الجوهري قال: أخبرنا أبو الحسن بن البخاري، عن أبي المكارم اللبان قال: أخبرنا أبو علي الحداد قال: أخبرنا الحافظ أبو نعيم قال: أخبرنا أبو محمد بن فارس قال: حدثنا يونس بن حبيب قال: حدثنا أبو داود الطيالسي
(4) قال: حدثنا سوار بن ميمون أبو الجراح العبدي قال: حدثني رجل من آل عمر، عن عمر رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من زار قبري كنت له شفيعا أو شهيدا ومن مات في أحد الحرمين بعث من الآمنين يوم القيامة». هذا حديث غريب أخرجه البيهقي عن أبي بكر بن فورك عن ابن فارس وقال: هذا إسناد مجهول
(5).
قلت: قال بعض المتأخرين: ليس فيه إلا الذي لم يسم وأما سوار فروى عنه أيضا شعبة وهي كافية في توثيقه.
قلت: لكنه لم يترجم له البخاري ولا من تبعه ولا ذكره أبو أحمد في الكنى وقد اختلف عليه في هذا الحديث سندا ومتنا:
--------------------------------------------
এটি ইবনে আদি
(১) এবং ইবনে হিব্বান
(২) তাঁদের "দুর্বল বর্ণনাকারী" বিষয়ক গ্রন্থদ্বয়ে এবং আদ-দারাকুতনী "আল-ইলাল" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা সকলে এটি ইবনে ওমরের হাদীস থেকেও বর্ণনা করেছেন। তাঁদের সনদে নুমান ইবনে শিবল রয়েছে, যাকে মিথ্যাচারের দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ইবনুল জাওযী তার এই হাদীসটি "আল-মাওদুআত" (জাল হাদীসসমূহ)
(৩) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
এই বিষয়ের মূল ভিত্তিতে অন্য একটি হাদীসের উল্লেখ:
আমাকে ইমাম আবুল ফারাজ বিন হাম্মাদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মানসুর আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আল-বুখারী, আবু মাকারেম আল-লাব্বান থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু নুআইম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ বিন ফারিস, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস বিন হাবীব, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি
(৪), তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাওয়ার বিন মাইমুন আবুল জাররাহ আল-আবদী, তিনি বলেন: ওমরের বংশের জনৈক ব্যক্তি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আমার কবর যিয়ারত করবে, আমি তার জন্য সুপারিশকারী অথবা সাক্ষী হব। আর যে ব্যক্তি দুই পবিত্র হারামের কোনো একটিতে মৃত্যুবরণ করবে, কিয়ামতের দিন সে নিরাপদ অবস্থায় পুনরুত্থিত হবে»। এই হাদীসটি গারীব (অপরিচিত), বায়হাকী এটি আবু বকর বিন ফাওরাকের সূত্রে ইবনে ফারিস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই সনদটি অজ্ঞাত
(৫)।
আমি বলছি: পরবর্তী যুগের কোনো কোনো আলিম বলেছেন: এই সনদে কেবল সেই ব্যক্তিটিই আছেন যার নাম উল্লেখ করা হয়নি, আর সাওয়ারের কথা হলো, তাঁর থেকে শু'বাও বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর নির্ভরযোগ্যতার জন্য এটিই যথেষ্ট।
আমি বলছি: কিন্তু ইমাম বুখারী বা তাঁর অনুসারী কেউ তাঁর জীবনী আলোচনা করেননি এবং আবু আহমদও "আল-কুনা" গ্রন্থে তাঁকে উল্লেখ করেননি। উপরন্তু, এই হাদীসটির সনদ ও মূল পাঠের (মতন) বিষয়ে মতভেদ রয়েছে:
--------------------------------------------