(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن فارس   (ابن فارس الأصبهاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء ابن فارس

[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 19

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

জুজ ইবনে ফারিস   (ইবনে ফারিস আল-আসবাহানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: জুজ ইবনে ফারিস

[«তিরাদ আল-যায়নাবীর সংকলনসমূহ, এবং অন্যান্য অংশের» অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত]

সম্পাদক: নাবিল সাদ আদ-দীন জাররার

প্রকাশক: আরওয়িকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং, জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯

[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির সাথে মিল রয়েছে]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২২৫)
ابنُ فارسٍ وجُزؤُه

الشيخُ الإمامُ، المُحدِّثُ الصالحُ، مُسنِدُ أصبهانَ، أبو محمدٍ عبدُ اللهِ ابنُ المُحدِّثِ جعفرِ بنِ أحمدَ بنِ فارسٍ الأَصبهانيُّ.

سمعَ مِن: محمدِ بنِ عاصمٍ الثَّقفيِّ، ويونسَ بنِ حبيبٍ، وأحمدَ بنِ يونسَ الضَّبي، وهارونَ بنِ سليمانَ، وأحمدَ بنِ عصامٍ، وإسماعيلَ سَمويه، ويحيى بنِ حاتمٍ، وحذيفةَ بنِ غياثٍ، والكبارِ، وتفرَّدَ بالرِّوايةِ عَنهم.

وقارَبَ المئةَ.

وكانَ مِن الثقاتِ العُبادِ.

حدَّث عنه: أبو عبدِ اللهِ بنُ مَندة، وأبو ذرِّ بنُ الطَّبرانيِّ، وأبو بكرِ بنُ أبي عليٍّ الذَّكوانيُّ، وأبو بكرِ بنُ فُورَك، وابنُ مَردويه، والحسينُ بنُ إبراهيمَ الجمَّالُ، ومحمدُ بنُ عليِّ بنِ مصعبٍ، وغلامُ مُحسنٍ أحمدُ بنُ يَزدادَ، وأبو نُعيمٍ الحافظُ، وانتَهى إليه عُلوُّ الإسنادِ.

مَولدُه في سَنةِ ثمانٍ وأربعينَ.

قالَ ابنُ مَندةَ: كانَ شُيوخُ الدُّنيا خمسةٌ: ابنُ فارسٍ بأصبهانَ، والأَصمُّ بنَيسابورَ، وابنُ الأَعرابيِّ بمكةَ، وخَيثمةُ بأطرابلسَ، وإسماعيلُ الصَّفارُ ببغدادَ.

قالَ ابنُ مَردويه وعبدُ اللهِ بنُ أحمدَ السُّوذَرْجانيُّ في «تاريخهما»: كانَ ثقةً.
ইবনে ফারেস এবং তাঁর জুজ (পুস্তিকা)

ইমাম, শেখ, পুণ্যবান মুহাদ্দিস, আসফাহানের মুসনিদ, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাদ্দিস জাফর ইবনে আহমাদ ইবনে ফারেস আল-আসফাহানি।

তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে আসিম আস-সাকাফি, ইউনুস ইবনে হাবিব, আহমাদ ইবনে ইউনুস আদ-দাব্বি, হারুন ইবনে সুলাইমান, আহমাদ ইবনে ইসাম, ইসমাইল সামুওয়াইহ, ইয়াহইয়া ইবনে হাতিম, হুযাইফা ইবনে গিয়াস এবং অন্যান্য বড় বড় আলেমদের নিকট থেকে; এবং তাঁদের থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি একক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত ছিলেন।

তিনি প্রায় একশ বছর বয়স পেয়েছিলেন।

তিনি নির্ভরযোগ্য ইবাদতগুজার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ, আবু যর ইবনে আত-তাবারানি, আবু বকর ইবনে আবি আলি আদ-যাকওয়ানি, আবু বকর ইবনে ফুরাক, ইবনে মারদুওয়াইহ, হুসাইন ইবনে ইবরাহিম আল-জাম্মাল, মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মুসআব, গুলামে মুহসিন আহমাদ ইবনে ইযদাদ এবং হাফিয আবু নুআইম। তাঁর মাধ্যমেই উচ্চতর সনদের (উলুউ আদ-ইসনাদ) ধারা সমাপ্ত হয়েছে।

তাঁর জন্ম দুইশ আটচল্লিশ হিজরি সনে।

ইবনে মানদাহ বলেন: দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ শায়খ ছিলেন পাঁচজন: আসফাহানে ইবনে ফারেস, নিশাপুরে আল-আসাম, মক্কায় ইবনুল আরাবি, ত্রিপোলিতে খাইসামাহ এবং বাগদাদে ইসমাইল আস-সাফফার।

ইবনে মারদুওয়াইহ এবং আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আস-সুযারজানি তাঁদের "তারিখ" (ইতিহাস গ্রন্থ)-এ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২২৬)
تُوفيَ في شوالٍ سَنةَ سِتٍّ وأربعينَ وثلاثِمئةٍ(1).

وجُزءُ ابنُ فارسٍ تُوجدُ الورقةُ الأُولى مِنه فَقط في المَجموعِ (51) مِن المَجاميعِ العُمريةِ [186/ب - 187/ب](2)، ولم يُنبِّه على عدمِ اكتمالِ النُّسخةِ فؤادُ سزكين في «تاريخ التراث» (ص 373)، ومِن بعدِه ياسينُ السَّوَّاسُ في «فهرس المجاميع العمرية» (ص 263).

ثم يسَّرَ اللهُ لي الوقوفَ على نسخةٍ كاملةٍ للجزءِ مِن الورقةِ [130] إلى [133] ضمنَ مجموعٍ فيه عِدةُ أجزاءٍ حَديثيةٍ، موجودٍ في جامعةِ الإمامِ محمدِ بنِ سعودٍ الإسلاميةِ بالرياضِ برقم (7236)(3).

--------------------------------------------

(1) انظر «سير أعلام النبلاء» (15/ 553).

(2) في الورقة الأولى اسم الجزء «جزء فيه من حديث أبي محمد عبد الله بن جعفر بن أحمد بن فارس الأصبهاني رحمه الله تعالى» يليه سماع على السلفي سنة (576 هـ)، ثم سماع لأبي الحسن الواني وأحمد بن محمد بن حامد الأرموي على سبط السلفي عبد الرحمن بن مكي سنة (651 هـ). ثم في الثانية بداية الجزء إلى نهاية إسناد الحديث الأول منه.

وفي الورقتين بعده أمالي العراقي على مستدرك الحاكم، ثم في الورقة [189/ب-190/أ] سماع لـ (هذا الجزء) على ابن الشرائحي بإسناده إلى أبي الحسن الواني وأحمد بن محمد الأرموي، بسماعهما من سبط السلفي، عن جده السلفي.

ويغلب على ظني أنه سماع لجزء ابن فارس هذا، بدلالة أن سماع الواني والأرموي له من سبط السلفي تقدم في السماع قبل بداية الجزء، ثم إن في الإسناد إلى الواني: عائشة بنت عبد الرحيم بن جماعة، وفي ترجمتها من «الدرر» (3/ 3): أُسمعت على الواني جزء أبي محمد بن فارس. والله أعلم.

(3) وقد أهداني مصوَّرة واضحة عنه الأخ المكرم محمد الشعار، فجزاه الله خيراً.

وكانت عندي مصورة قديمة عنه كتب في الورقة الأولى منها: أصل هذا المجموع في مكتبة حالت أفندي في إسطنبول بتركيا مجموع رقم (403). ثم في الورقة التي تليها: أصل هذا المجموع موجود في المكتبة الأحمدية بحلب.

তিনি ৩৪৬ হিজরির শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন(১)।

আর ইবনে ফারিসের 'জুয' (পুস্তিকা) এর শুধুমাত্র প্রথম পাতাটি 'মাজমুআ আল-উমরিয়্যাহ'-এর ৫১ নং সংকলনের [১৮৬/খ - ১৮৭/খ] পত্রে পাওয়া যায়(২)। ফুয়াদ সেজগিন তাঁর "তারিখুত তুরাস" (পৃ. ৩৭৩) গ্রন্থে এবং তাঁর পরে ইয়াসিন আস-সাউওয়াস তাঁর "ফিহরিসুল মাজামিউল উমরিয়্যাহ" (পৃ. ২৬৩) গ্রন্থে এই পাণ্ডুলিপিটি অসম্পূর্ণ থাকার বিষয়ে কোনো সতর্কতা প্রদান করেননি।

অতঃপর আল্লাহ তাআলা আমার জন্য রিয়াদের জামিআতুল ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ আল-ইসলামিয়্যাহ-তে ৭২৩৬ নং সংকলনের অধীনে [১৩০] থেকে [১৩৩] নং পত্র পর্যন্ত বেশ কিছু হাদিস-পুস্তিকা সম্বলিত একটি সংকলনের মধ্যে এই জুযটির একটি পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাওয়া সহজ করে দিয়েছেন(৩)।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: "সিয়ারু আলামিন নুবালা" (১৫/ ৫৫৩)।

(২) প্রথম পত্রে পুস্তিকাটির নাম হলো: "এমন একটি জুয (পুস্তিকা) যাতে আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমাদ বিন ফারিস আল-আসবাহানি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর বর্ণিত হাদিস রয়েছে"। এরপর ৫৭৬ হিজরি সনে আস-সিলাফির নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে। অতঃপর ৬৫১ হিজরিতে আস-সিলাফির দৌহিত্র আবদুর রহমান বিন মাক্কির নিকট আবুল হাসান আল-ওয়ানি এবং আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হামিদ আল-আরমুয়ির শ্রবণের বিবরণ আছে। এরপর দ্বিতীয় পত্রে পুস্তিকাটির শুরু থেকে এর প্রথম হাদিসের সনদ শেষ হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান।

আর এর পরবর্তী দুই পত্রে 'মুস্তাদরাক আল-হাকিম'-এর ওপর আল-ইরাকির "আমালি" রয়েছে। এরপর [১৮৯/খ-১৯০/ক] পত্রে এই জুযটি ইবনুশ শারাইহির নিকট শ্রবণের বিবরণ রয়েছে, যা তাঁর সনদে আবুল হাসান আল-ওয়ানি ও আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-আরমুয়ি পর্যন্ত পৌঁছেছে, যারা আস-সিলাফির দৌহিত্রের নিকট থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা আস-সিলাফির নিকট থেকে শ্রবণ করেছেন।

এবং আমার প্রবল ধারণা এই যে, এটি ইবনে ফারিসের এই জুযটিরই শ্রবণের বিবরণ। এর প্রমাণ হলো, আল-ওয়ানি ও আল-আরমুয়ি কর্তৃক আস-সিলাফির দৌহিত্রের নিকট শ্রবণের বিষয়টি জুযটি শুরুর আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আল-ওয়ানির সনদে আইশা বিনতে আবদুর রহিম বিন জামাআ রয়েছেন এবং "আদ-দুরার" (৩/ ৩) গ্রন্থে তাঁর জীবনীতে উল্লেখ আছে যে: তিনি আল-ওয়ানির নিকট আবু মুহাম্মাদ বিন ফারিসের জুযটি শ্রবণ করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।

(৩) সম্মানিত ভাই মুহাম্মাদ আশ-শাআ’র আমাকে এর একটি পরিষ্কার ফটোকপি উপহার দিয়েছেন, আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

আমার কাছে এর একটি পুরনো ফটোকপি ছিল যার প্রথম পাতায় লেখা ছিল: এই সংকলনটির মূল কপি তুরস্কের ইস্তাম্বুলের হালত এফেন্দি লাইব্রেরিতে ৪০৩ নং সংকলন হিসেবে সংরক্ষিত। এরপর পরবর্তী পৃষ্ঠায় লেখা ছিল: এই সংকলনটির মূল কপি আলেপ্পোর আল-মাকতাবাতুল আহমাদিয়্যাহ-তে বিদ্যমান।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২২৭)
وهذه النُّسخةُ مِن رِوايةِ وكتابةِ يوسفَ بنِ شاهينَ سِبطِ الحافظِ ابنِ حَجرٍ(1).

وعلى ورقةِ العنوانِ سَماعٌ بخَطِّه للسَّخاويِّ وغيرِه على الحافظِ ابنِ حَجرٍ سَنةَ (851 هـ). ثم سماعٌ عليه سَنةَ (898 هـ).

وفي آخِرِ الجُزءِ سَماعاتٌ مَنقولةٌ: على السِّلَفيِّ سَنةَ (576 هـ)، ثم على سِبطِه عبدِ الرحمنِ بنِ مكيٍّ (651 هـ)، ثم على أبي الحسنِ الواني سَنةَ (726 هـ).

* والنُّسخَتانِ مِن رِوايةِ الحافظِ السِّلَفيِّ، عن كُلٍّ مِن:

* أبي طالبٍ الكُنْدُلانيِّ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ يوسفَ بنِ دينارٍ(2).

* وأبي الفتحِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ الحسينِ بنِ الحارثِ المُعلِّمِ(3).

--------------------------------------------

(1) غمزه السخاوي في «الضوء اللامع» (10/ 314) بكثرة التحريف وقلة الضبط فيما يكتب، وتعقبه الشوكاني في «البدر الطالع» (2/ 354). وتوفي سنة (899 هـ).

(2) قال السمعاني في «الأنساب» (5/ 103): سمع الحديث الكثير، وخلط ما لم يسمع بما سمع، وسقطت روايته. ذكره أبو زكريا يحيى بن أبي عمرو بن منده الحافظ في «كتاب أصبهان» فقال: أبو طالب الكندلاني، حدث عن أبي بكر بن أبي علي، وأبي عبد الله الجمال، وغلام محسن، وأبي علي الصيدلاني. وروى عن أبي بكر بن مردويه، ولم يسمع منه، ولم تكن الرواية والحديث من صنعته، إن أخطأ لا يعتمد على روايته إلا ما كتب عنه أهل الرواية والمعرفة، ومات في التاسع عشر من المحرم، سنة ثلاث وتسعين وأربعمئة. وكان شيخنا إسماعيل بن محمد بن الفضل الحافظ يقول: أبو طالب الكندلاني فيه لين.

(3) لم أهتد إليه.

এবং এই পাণ্ডুলিপিটি হাফেজ ইবনে হাজারের নাতি ইউসুফ বিন শাহীনের বর্ণনা ও হস্তলিপি থেকে সংগৃহীত(১)।

শিরোনামের পাতায় হাফেজ ইবনে হাজারের নিকট ৮৫১ হিজরিতে সাখাভি ও অন্যদের শ্রবণের (সামা') একটি টীকা তার স্বহস্তে লিখিত রয়েছে। এরপর ৮৯৮ হিজরিতে তার নিকট শ্রবণের একটি টীকা রয়েছে।

এই খণ্ডের শেষে কিছু উদ্ধৃত শ্রবণের টীকা রয়েছে: ৫৭৬ হিজরিতে সিলাফির নিকট, তারপর ৬৫১ হিজরিতে তার নাতি আব্দুর রহমান বিন মাক্কির নিকট, তারপর ৭২৬ হিজরিতে আবুল হাসান আল-ওয়ানির নিকট।

* উভয় পাণ্ডুলিপিই হাফেজ সিলাফির বর্ণনা থেকে প্রাপ্ত, যা তিনি নিমোক্ত ব্যক্তিদের থেকে বর্ণনা করেছেন:

* আবু তালিব আল-কুন্দুলানি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন দিনার(২)।

* এবং আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-হারিস আল-মুআল্লিম(৩)।

--------------------------------------------

(১) সাখাভি 'আদ-দউ আল-লামি' (১০/৩১৪) গ্রন্থে তার লেখায় প্রচুর বিকৃতি এবং নির্ভুলতার অভাবের কারণে তাকে সমালোচনা করেছেন। শাওকানি 'আল-বদর আত-তালি' (২/৩৫৪) গ্রন্থে তার এ বক্তব্য পর্যালোচনা করেছেন। তিনি ৮৯৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(২) সামআনি 'আল-আনসাব' (৫/১০৩) গ্রন্থে বলেছেন: তিনি অনেক হাদিস শ্রবণ করেছেন, তবে যা শোনেননি তাকে শোনার সাথে মিশিয়ে ফেলেছেন, ফলে তার বর্ণনা পরিত্যক্ত হয়েছে। হাফেজ আবু যাকারিয়া ইয়াহিয়া বিন আবি আমর বিন মানদাহ 'কিতাব আসবাহান'-এ তার কথা উল্লেখ করে বলেছেন: আবু তালিব আল-কুন্দুলানি বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি আলি, আবু আব্দুল্লাহ আল-জাম্মাল, গোলাম মুহসিন এবং আবু আলি আস-সাইদালানি থেকে। তিনি আবু বকর বিন মারদুওয়াইহ থেকেও বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি তার থেকে শ্রবণ করেননি। হাদিস ও হাদিস বর্ণনা করা তার বিশেষত্ব ছিল না; যদি তিনি ভুল করেন তবে তার বর্ণনার উপর নির্ভর করা যায় না, কেবল হাদিস বিশারদ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ যা তার থেকে লিখে নিয়েছেন তা ব্যতিরেকে। তিনি ৪৯৩ হিজরির ১৯শে মহররম মৃত্যুবরণ করেন। আমাদের শায়খ হাফেজ ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফজল বলতেন: আবু তালিব আল-কুন্দুলানি হাদিস বর্ণনায় শিথিল (দুর্বল)।

(৩) আমি তার পরিচয় খুঁজে পাইনি।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২২৮)
* كِلاهما عن أبي عليٍّ غُلامِ مُحسنٍ أحمدَ بنِ إبراهيمَ بنِ أحمدَ بنِ يَزدادَ الأصبهانيِّ(1).

* عن ابنِ فارسٍ.

وبهذا الإسنادِ يَرويه الحافظُ ابنُ حَجرٍ في «المجمع المؤسس» (2/ 569)، و «المعجم المفهرس» (1418)(2).

وابنُ طُولونَ في «الفهرست الأوسط» (4/ 341) ووصَفَه بذِكرِ أوَّله وآخِرِه.

وبهذا الإسنادِ أيضاً رَوى الذَّهبيُّ حديثَينِ مِن هذا الجُزءِ (18) (20).

وذكَرَه السَّخاويُّ في «التحفة اللطيفة» (1/ 124، 2/ 532)، والسُّيوطيُّ في «معجمه» (ص 58، 110، 161) باسمِ: «جزء ابن فارس».

وفي «أنساب الكتب» للسُّيوطيِّ (2051): «جزء ابن فارس»: به(3) إلى أبي نُعيمٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ جعفرِ بنِ أحمدَ بنِ فارسٍ به.

وفي «مسموعات الضياء» (ص 150): وقرأتُ عليه(4) في هذا اليومِ

--------------------------------------------

(1) الشيخ الثقة. توفي سنة (418 هـ). انظر «السير» (17/ 388).

(2) إلا أنه وقع فيهما أنه من رواية أبي طالب الكندلاني، عن أبي الفتح محمد بن أحمد، عن غلام محسن. ولعله سبق قلم أو تصحيف، فالكُندلاني معروف بالرواية عن غلام محسن مباشرة، ثم إن ابن طولون يرويه من طريق ابن حجر على الصواب. والله أعلم.

(3) أي بإسناده إلى الفخر بن البخاري، عن أبي جعفر الصيدلاني، عن أبي علي الحداد، عن أبي نعيم.

(4) أي على أبي جعفر الصيدلاني. وأبو علي هو الحداد. و (بن مصعب) سقطت من المطبوع، وهو محمد بن علي بن إبراهيم بن محمد بن مصعب أبو بكر الأصبهاني التاجر. والله أعلم.

তারা উভয়ই আবু আলী গুলাম মুহসিন আহমাদ বিন ইবরাহীম বিন আহমাদ বিন ইয়াজদাদ আল-আসফাহানী(১) থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইবনে ফারিস থেকে।

এবং এই সনদে হাফেজ ইবনে হাজার এটি বর্ণনা করেছেন তাঁর ‘আল-মাজমাউল মুআসসিস’ (২/ ৫৬৯) এবং ‘আল-মুজামুল মুফাহরাস’ (১৪১৮) গ্রন্থে(২)।

আর ইবনে তুলুন এটি উল্লেখ করেছেন ‘আল-ফিহরিসতুল আওসাত’ (৪/ ৩৪১) গ্রন্থে এবং তিনি এর শুরু ও শেষ অংশ উল্লেখ করে এর বর্ণনা দিয়েছেন।

এই একই সনদে ইমাম যাহাবীও এই জুজ (খণ্ড) থেকে দুটি হাদিস (১৮) (২০) বর্ণনা করেছেন।

এবং সাখাভী এটি উল্লেখ করেছেন ‘আত-তুহফাতুল লাতীফাহ’ (১/ ১২৪, ২/ ৫৩২) গ্রন্থে, এবং সুয়ূতী তাঁর ‘মুজাম’ (পৃ. ৫৮, ১১০, ১৬১) গ্রন্থে ‘জুজ ইবনে ফারিস’ নামে এটি উল্লেখ করেছেন।

এবং সুয়ূতীর ‘আনসাবুল কুতুব’ (২০৫১) গ্রন্থে রয়েছে: ‘জুজ ইবনে ফারিস’: এর মাধ্যমে(৩) আবু নুয়াইম পর্যন্ত, তিনি আব্দুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমাদ বিন ফারিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ‘মাসমুআতুয যিয়া’ (পৃ. ১৫০) গ্রন্থে রয়েছে: এবং আমি আজ তাঁর নিকট(৪) পাঠ করেছি...

--------------------------------------------

(১) নির্ভরযোগ্য শায়খ। তিনি (৪১৮ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (১৭/ ৩৮৮)।

(২) তবে এই উভয় গ্রন্থে এমনভাবে এসেছে যে এটি আবু তালিব আল-কানদালানী থেকে বর্ণিত, তিনি আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আহমাদ থেকে, তিনি গুলাম মুহসিন থেকে। সম্ভবত এটি লেখনীর ভুল বা বর্ণবিভ্রাট, কারণ কানদালানী সরাসরি গুলাম মুহসিন থেকে বর্ণনার জন্য প্রসিদ্ধ; অধিকন্তু ইবনে তুলুন এটি ইবনে হাজারের সূত্রে সঠিকভাবে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন।

(৩) অর্থাৎ তাঁর সনদে আল-ফাখর বিন আল-বুখারী পর্যন্ত, তিনি আবু জাফর আস-সাইদালানী থেকে, তিনি আবু আলী আল-হাদ্দাদ থেকে, তিনি আবু নুয়াইম থেকে।

(৪) অর্থাৎ আবু জাফর আস-সাইদালানীর নিকট। আর আবু আলী হলেন আল-হাদ্দাদ। এবং (ইবনে মুসআব) শব্দটি মুদ্রিত কপি থেকে বাদ পড়েছে, তিনি হলেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন মুসআব আবু বকর আল-আসফাহানী আত-তাজির। আল্লাহই ভালো জানেন।

(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২২৯)
«أحاديث ابن فارس عبد الله بن جعفر» روايتُه عن أبي عليٍّ، عن أبي بكرِ [بنِ مصعبٍ] عنه.

فهذانِ إسنادانِ جَديدانِ للجُزءِ إنْ كانَ هو نفسه. واللهُ أعلمُ.
«ইবনে ফারিস আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের হাদিসসমূহ» আবু আলী থেকে তাঁর বর্ণনা, তিনি আবু বকর [ইবনে মুসআব] থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

সুতরাং এই অংশটি যদি সেই একই হয়ে থাকে, তবে এগুলো এর জন্য দুটি নতুন সনদ। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩১)
جزءٌ فيه مِن حديثِ

أبي محمدٍ عبدِ اللهِ بنِ جعفرِ بنِ أحمدَ بنِ فارسٍ

رحمَه اللهُ تعالى
হাদিস সংবলিত একটি অংশ

আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমদ বিন ফারিস

আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

ربِّ أعِنْ ويسِّرْ يا كريمُ

أخبرنا الشيخُ المسنِدُ زينُ الدِّينِ عبدُ الرحيمِ ابنُ العلَّامةِ جمالِ الدِّينِ إبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ عبدِ الرحيمِ بنِ إبراهيمَ بنِ يحيى بنِ أبي المجدِ اللَّخميُّ الأُمْيوطيُّ(1) المكيُّ الشافعيُّ(2) سماعاً عليه في يومِ الأربعاءِ رابعَ عشرَ شوالٍ سَنةَ (853) بالقاهرةِ قدمَ عَلينا: أخبرنا والدِي العلَّامةُ جمالُ الدِّينِ إبراهيمُ الأُمْيوطيُّ(3) سماعاً عليه: أخبرنا أبو الحسنِ عليُّ بنُ عمرَ الواني(4).

(ح) وأخبرنا جَدي شيخُ الإسلامِ والحُفاظِ أبو الفضلِ أحمدُ بنُ عليِّ بنِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ حَجرٍ العَسقلانيُّ سماعاً عليه في يومِ الأحدِ العشرينَ مِن رَبيعٍ الأولِ سَنةَ إِحدى وخمسينَ وثمان (مئة؟): قرأتُ على مريمَ بنتِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ الأَذرعيِّ(5) قالتْ: أخبرنا الواني.

وأخبرنا الزَّاهديُّ الدِّمشقيُّ(6) مُكاتَبةً: أخبرتنا زينبُ بنتُ الكمالِ إِذناً

--------------------------------------------

(1) قال في «معجم البلدان» (1/ 256): بلدة في كورة الغربية من أعمال مصر.

(2) توفي سنة (867 هـ). انظر «الضوء اللامع» (4/ 166).

(3) توفي سنة (790 هـ). انظر «ذيل التقييد» (1/ 446).

(4) المصري، توفي سنة (727 هـ). انظر «ذيل التقييد» (2/ 204).

(5) توفيت سنة (805 هـ). انظر «شذرات الذهب» (9/ 85).

(6) لعله: أحمد بن محمد بن علي بن إسماعيل الزاهدي الدمشقي المعمر، أُسمع من زينب بنت الكمال وقرأ الناس عليه بإجازتها. توفي سنة (839 هـ). انظر «إنباء الغمر» (8/ 394)، «الضوء اللامع» (2/ 145)، «شذرات الذهب» (9/ 335).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে প্রতিপালক! আমাকে সাহায্য করুন এবং সহজ করে দিন, হে মহানুভব।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রবীণ শায়খ, মুসনিদ যাইনুদ্দিন আব্দুর রহিম ইবনে আল্লামা জামালুদ্দিন ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহিম ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবিল মাজদ আল-লাখমি আল-উমইউতি(১) আল-মাক্কি আশ-শাফিঈ(২) তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, বুধবার ১৪ই শাওয়াল ৮৫৩ হিজরিতে কায়রোতে যখন তিনি আমাদের নিকট আগমন করেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আল্লামা জামালুদ্দিন ইব্রাহিম আল-উমইউতি(৩) তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আল-ওয়ানি(৪)।

(হা) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা শায়খুল ইসলাম ও হাফেজদের শিরোমণি আবুল ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাজার আল-আসকালানি তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে, রবিবার ২০শে রবিউল আউয়াল ৮৫১ হিজরিতে: আমি মরিয়ম বিনতে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আজরিঈ-এর(৫) নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়ানি।

এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আয-যাহিদি আদ-দিমাশকি(৬) পত্র বিনিময়ের মাধ্যমে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যায়নাব বিনতে আল-কামাল ইজাজত বা অনুমতির মাধ্যমে।

--------------------------------------------

(১) 'মুজামুল বুলদান' (১/২৫৬) গ্রন্থে বলা হয়েছে: এটি মিসরের গারিবিয়া অঞ্চলের একটি শহর।

(২) তিনি ৮৬৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'আদ-দউ আল-লামি' (৪/১৬৬)।

(৩) তিনি ৭৯০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'যায়লুত তাকিদ' (১/৪৪৬)।

(৪) আল-মিসরি, তিনি ৭২৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'যায়লুত তাকিদ' (২/২০৪)।

(৫) তিনি ৮০৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'শাজারাতুয যাহাব' (৯/৮৫)।

(৬) সম্ভবত তিনি হলেন: আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ইসমাইল আয-যাহিদি আদ-দিমাশকি আল-মুয়াম্মার, যিনি যায়নাব বিনতে আল-কামাল থেকে শুনেছেন এবং তার ইজাজতের ভিত্তিতে মানুষ তাঁর নিকট পাঠ করেছে। তিনি ৮৩৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'ইনবাউল গুমর' (৮/৩৯৪), 'আদ-দউ আল-লামি' (২/১৪৫), 'শাজারাতুয যাহাব' (৯/৩৩৫)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৪)
إنْ لم يكنْ (سَماعاً؟).

قالتْ والواني:

أخبرنا أبو القاسمِ عبدُ الرحمنِ بنُ مَكيِّ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ الحاسبِ سِبطُ الحافظِ(1): أخبرنا جدِّي الشيخُ الإمامُ الحافظُ شيخُ الإسلامِ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ السِّلَفيُّ الأصبهانيُّ بالإسكندريةِ: أخبرنا أبو طالبٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ الرحمنِ الكُنْدُلانيُّ بقراءَتي عليه، وأبو الفتحِ(2) محمدُ بنُ أحمدَ (بنِ محمدِ)(3) بنِ الحسينِ بنِ الحارثِ المعلمُ قراءةً مِن أصلِ سماعِهِ بأصبهانَ قالا: أخبرنا أبو عليٍّ أحمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ أحمدَ بنِ يَزدادَ غُلامُ محسِّنِ(4) بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ: أخبرنا أبو محمدٍ عبدُ اللهِ بنُ جعفرِ بنِ أحمدَ بنِ فارسٍ رحمه اللهُ تعالى قالَ:

 

226 - (1) حدثنا أبو اليمانِ حذيفةُ بنُ غياثِ بنِ حسانَ العَسكريُّ: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ: حدثنا شريكٌ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ،

--------------------------------------------

(1) الشيخ المسند المعمر، سمع من جده كثيراً، وتفرد ورحل إليه الطلبة، وكان قليل العلم. توفي سنة (651 هـ). انظر «السير» (23/ 278).

(2) في نسخة الظاهرية بعد البسملة:

أخبرنا الشيخ الإمام الحافظ أبو طاهر أحمد بن محمد بن أحمد بن إبراهيم السلفي الأصبهاني قراءة عليه وأنا أسمع في يوم السبت ثاني عشر المحرم سنة ست وسبعين وخمسمئة قال: أخبرنا أبو طالب أحمد بن محمد بن أحمد بن عبد الرحمن الكندلاني في شهر رمضان سنة اثنين وتسعين وأربعمئة وأبو الفتح .. .

(3) ليس في نسخة الظاهرية ولا في «فهرست ابن طولون». ولم أهتد إلى ترجمته.

(4) هكذا شُكلت في الأصل، بتشديد السين وكسرها.
যদি (শ্রবণ) না হয়ে থাকে?

ওয়ালওয়ানি বলেন:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান বিন মাক্কী বিন আবদুর রহমান বিন আল-হাসিব, যিনি হাফিজের দৌহিত্র(১): আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা শাইখ ইমাম হাফিজ শাইখুল ইসলাম আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফী আল-আসবাহানী, আলেকজান্দ্রিয়ায়: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুর রহমান আল-কুন্দুলানী, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, এবং আবু আল-ফাতহ(২) মুহাম্মদ বিন আহমদ (বিন মুহাম্মদ)(৩) বিন আল-হুসাইন বিন আল-হারিস আল-মুআল্লিম, আসবাহানে তাঁর মূল শ্রবণকৃত পাণ্ডুলিপি থেকে পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আহমদ বিন ইবরাহিম বিন আহমদ বিন ইযদাদ, যিনি মুহসিন(৪) বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিমের ছাত্র: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আহমদ বিন ফারিস (রহিমাহুল্লাহু তায়ালা) বলেছেন:

 

২২৬ - (১) আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-ইয়ামান হুযাইফা বিন গিয়াস বিন হাসসান আল-আসকারী: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর বিন মারযুক: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন শারীক, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,

--------------------------------------------

(১) দীর্ঘজীবী মুসনিদ শাইখ, তিনি তাঁর দাদার নিকট থেকে প্রচুর শুনেছেন, তিনি একক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন এবং শিক্ষার্থীরা তাঁর কাছে ভ্রমণ করে আসতেন, তবে তাঁর জ্ঞান ছিল সামান্য। তিনি ৬৫১ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'আস-সিয়ার' (২৩/২৭৮)।

(২) জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর রয়েছে:

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম হাফিজ আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আস-সিলাফী আল-আসবাহানী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, শনিবার, ১২ই মুহররম, ৫৭৬ হিজরীতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবদুর রহমান আল-কুন্দুলানী, ৪৯২ হিজরীর রমজান মাসে, এবং আবু আল-ফাতহ...

(৩) এটি জাহিরিয়া পাণ্ডুলিপি বা 'ফিহরিস্ট ইবনে তুলুন'-এ নেই। আমি তাঁর জীবনী সম্পর্কে অবগত হতে পারিনি।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই হরকত দেওয়া হয়েছে, সীন বর্ণে তাশদীদ ও যের সহকারে।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৫)
رفَعَه إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم(1): «إنَّ اللهَ كتبَ كتاباً بيدِهِ قبلَ أَن يَخلُقَ السماواتِ والأرضَ فوضَعَه تحتَ العرشِ: سَبقَتْ رَحمَتي غَضَبي»(2).

 

227 - (2) / حدثنا حذيفةُ: حدثنا عَمرو: حدثنا شعبةُ، عن الحكمِ، عن مجاهدٍ،

أنَّ(3) يعلى بنَ مُنيةَ أو ابنَ أُميةَ قاتَلَ رَجلاً فعَضَّ أحدُهما يدَ صاحبِه، قالَ: فنَزعَ يدَه مِن فيهِ، قالَ: فقَلعَ ثَنيَّتَه، قالَ: فخاصَمَه إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم فقالَ: «أَيعَضُّ أحدُكم أخاهَ كما يَعَضُّ البَكْرُ» قالَ: فأطَلَّها.

فقالَ لي الحكمُ: أتَدري ما أطلَّها؟ قالَ: قُلتُ: نَعم، فأبطَلَها.

 

228 - (3) حدثنا حذيفةُ: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ، عن زائدةَ بنِ قُدامةَ، عن زيادِ بنِ عِلاقةَ، عن أسامةَ بنِ شريكٍ(4) قالَ:

كنتُ عندَ النبيِّ صلى الله عليه وسلم فجاءَت الأَعاريبُ فسألوهُ فَقالوا: يا رسولَ اللهِ،

--------------------------------------------

(1) إلى هنا انتهى ما في النسخة الظاهرية.

(2) أخرجه أحمد (2/ 397) من طريق شريك به.

وهو عند البخاري (3194) وأطرافه، ومسلم (2751) من طريق أبي صالح وغيره، عن أبي هريرة بنحوه.

(3) تحرف في الأصل إلى: «بن»، والمثبت من رواية الطبراني 22/ (666) من طريق عمرو بن مرزوق، وهو مقتضى السياق. وعلى هذا فظاهره الإرسال.

وأخرجه النسائي (4763) (4764)، والطيالسي (1421)، والبغوي في «الجعديات» (252)، والطحاوي في «شرح المشكل» (1293) من طريق شعبة به، وفيه: عن يعلى بن منية.

وهو عند البخاري (2265) (2973) (4417)، ومسلم (1674) من طريق صفوان بن يعلى، عن أبيه بنحوه.

(4) في الأصل: «أسامة بن زيد» وفي الهامش: «أسماء بن شريك» وعليها علامة التصحيح!
তিনি একে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন(১): «নিশ্চয়ই আল্লাহ আসমান ও যমীন সৃষ্টির পূর্বে নিজ হাতে একটি কিতাব লিখেছেন এবং তা আরশের নিচে রেখেছেন: আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর অগ্রগামী হয়েছে»(২).

 

২২৭ - (২) / হুযাইফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শু’বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাকাম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে যে,

নিশ্চয়ই(৩) ইয়ালা বিন মুনইয়া অথবা ইবন উমাইয়া এক ব্যক্তির সাথে লড়াই করলেন, তখন তাদের একজন অন্যজনের হাতে কামড় দিলেন। তিনি বলেন: ফলে সে তার মুখ থেকে হাতটি টেনে বের করে আনলেন। তিনি বলেন: এতে তার সামনের একটি দাঁত উপড়ে গেল। তিনি বলেন: তখন তিনি বিষয়টি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বিচার নিয়ে গেলেন। তিনি বললেন: «তোমাদের কেউ কি তার ভাইকে এমনভাবে কামড় দেয় যেমন উটের বাচ্চা কামড় দেয়?» তিনি বলেন: অতঃপর তিনি সেটিকে বাতিল (ক্ষতিপূরণহীন) করে দিলেন।

অতঃপর হাকাম আমাকে বললেন: তুমি কি জানো 'আত্বাল্লাহা' (সেটিকে বাতিল করা) কী? তিনি বলেন: আমি বললাম: হ্যাঁ, তিনি এটিকে বাতিল করে দিয়েছেন।

 

২২৮ - (৩) হুযাইফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমর বিন মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়িদা বিন কুদামা থেকে, তিনি যিয়াদ বিন ইলাকা থেকে, তিনি উসামা বিন শারীক(৪) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলাম, তখন কিছু গ্রাম্য আরব এল এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল,

--------------------------------------------

(১) যাহিরিয়াহ পাণ্ডুলিপিতে যা ছিল তা এখানেই শেষ হয়েছে।

(২) এটি ইমাম আহমাদ (২/ ৩৯৭) শরীকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এটি বুখারী (৩১৯৪) ও এর বিভিন্ন স্থানে এবং মুসলিম (২৭৫১) আবু সালেহ ও অন্যান্যদের সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে অনুরূপভাবে বর্ণনা করেছেন।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'বিন' হিসেবে বিকৃত হয়েছে, আর যা সাব্যস্ত করা হয়েছে তা তাবারানীর বর্ণনা ২২/ (৬৬৬) থেকে আমর বিন মারযুকের সূত্রে নেওয়া হয়েছে, যা প্রসঙ্গের দাবি। সেই অনুযায়ী এটি বাহ্যত মুরসাল।

নাসাঈ (৪৭৬৩) (৪৭৬৪), তায়ালিসি (১৪২১), বাগভী ‘আল-জাদিয়াত’ (২৫২) গ্রন্থে এবং ত্বহাবী ‘শারহু মুশকিলিল আসার’ (১২৯৩) গ্রন্থে শু’বার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং তাতে রয়েছে: ইয়ালা বিন মুনইয়া থেকে।

এটি বুখারী (২২৬৫) (২৯৭৩) (৪৪১৭) এবং মুসলিম (১৬৭৪) সাফওয়ান বিন ইয়ালা থেকে তার পিতার সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

(৪) মূলে রয়েছে: «উসামা বিন যায়িদ» এবং পার্শ্বটীকাতে রয়েছে: «আসমা বিন শারীক» এবং তার ওপর সংশোধনের চিহ্ন রয়েছে!
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৬)
ما خيرُ ما أُعطيَ الناسُ؟ قالَ: «خُلُقٌ حسنٌ» قالوا: يا رسولَ اللهِ، أنَتَداوى؟ قالَ: «نَعم، عبادَ اللهِ تداوَوا، فإنَّ اللهَ عز وجل لم يضَعْ داءً إلا وضعَ له شِفاءً، غيرَ داءٍ واحدٍ» قَالوا: وما هو؟ قالَ: «الهَرَمُ»(1).

 

229 - (4) حدثنا حذيفةُ: حدثنا عَمرو: حدثنا شعبةُ، عن رَجلٍ(2) مِن مُزينةَ أو جُهينةَ قالَ:

قالَ رَجلٌ: يا رسولَ اللهِ، ما خيرُ ما أُعطيَ الناسُ؟ قالَ: «خُلُقٌ حسنٌ» قالَ: ما شرُّ ما أُعطيَ الناسُ؟ قالَ: «خُلُقٌ سيءٌ، وانظُر الذي تكرَهُ أن يُحَدَّثَ عنكَ إذا عملتَه في بيتِكَ فلا تَعملْهُ».

 

230 - (5) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدُ بنُ كثيرٍ: حدثنا سفيانُ، عن الأعمشِ، عن أبي سفيانَ، عن جابرٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أهلُ الجَنةِ يأكُلونَ ويَشربونَ، ولا يَبولونَ ولا يَتغوَّطونَ ولا يَمتَخِطونَ ولا يَبزُقونَ، يُلْهَمونَ الحمدَ والتَّسبيحَ كما تُلهَمونَ

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري في «الأدب المفرد» (291)، وأبوداود (3855)، والترمذي (2038)، والنسائي في «الكبرى» (7511) (7512)، وابن ماجه (3436)، وأحمد (4/ 287)، وابن حبان (478) (486) (6061) (6064)، والحاكم (1/ 121، 4/ 198 - 199، 399 - 400) من طريق زياد بن علاقة مطولاً ومختصراً.

وقال الترمذي: حسن صحيح. وصححه الحاكم والألباني.

(2) هكذا في الأصل، وقد أخرجه قوام السنة في «الترغيب والترهيب» (1221) من طريق ابن فارس وفيه: (شعبة، عن أبي إسحاق، عن رجل من مزينة أو جهينة).

وكذلك أخرجه البيهقي في «شعب الإيمان» (7625) من طريق عمرو بن مرزوق.

فلعله سقط من الأصل، فكذلك يرويه شعبة وغيره عن أبي إسحاق بسياق آخر، انظر «المطالب» (2574) (2575)، و «الضعيفة» (1911) (1956).
মানুষকে দেওয়া হয়েছে এমন জিনিসের মধ্যে সর্বোত্তম কী? তিনি বললেন: «উত্তম চরিত্র» তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি চিকিৎসা গ্রহণ করব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, হে আল্লাহর বান্দাগণ, তোমরা চিকিৎসা গ্রহণ করো। কেননা মহান আল্লাহ এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি যার জন্য কোনো নিরাময় বা প্রতিষেধক রাখেননি, কেবল একটি রোগ ছাড়া» তারা বললেন: সেটি কী? তিনি বললেন: «বার্ধক্য»(১).

 

২২৯ - (৪) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুযাইফাহ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মুযায়নাহ অথবা জুহায়নাহ গোত্রের একজন ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যে:

এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, মানুষকে দেওয়া হয়েছে এমন জিনিসের মধ্যে সর্বোত্তম কী? তিনি বললেন: «উত্তম চরিত্র» তিনি বললেন: মানুষকে দেওয়া জিনিসের মধ্যে নিকৃষ্টতম কী? তিনি বললেন: «মন্দ চরিত্র; আর তুমি লক্ষ্য করো, তোমার এমন কোনো কাজ যা তুমি নির্জনে তোমার ঘরে করার পর মানুষ তা জানুক বা তা নিয়ে আলোচনা করুক বলে তুমি অপছন্দ করো, তবে তা করো না»।

 

২৩০ - (৫) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুযাইফাহ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন কাসীর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান, আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফইয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জান্নাতবাসীরা সেখানে পানাহার করবে, কিন্তু তারা প্রস্রাব করবে না, মলত্যাগ করবে না, নাক ঝাড়বে না এবং থুথু ফেলবে না। তাদেরকে অবিরত হামদ (আল্লাহর প্রশংসা) এবং তাসবিহ (আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা) পাঠের ইলহাম বা প্রেরণা দেওয়া হবে যেমনটি তোমাদেরকে দেওয়া হয়...

--------------------------------------------

(১) ইমাম বুখারি এটি 'আল-আদাবুল মুফরাদ' (২৯১), আবু দাউদ (৩৮৫৫), তিরমিযী (২০৩৮), নাসায়ী 'আল-কুবরা' (৭৫১১) (৭৫১২), ইবনে মাজাহ (৩৪৩৬), আহমাদ (৪/২৮৭), ইবনে হিব্বান (৪৭৮) (৪৮৬) (৬০৬১) (৬০৬৪) এবং হাকেম (১/১২১, ৪/১৯৮-১৯৯, ৩৯৯-৪০০) যিয়াদ বিন ইলাকাহ-এর সূত্রে দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত উভয়ভাবে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী বলেন: হাদিসটি হাসান সহিহ। হাকেম ও আলবানী একে সহিহ বলেছেন।

(২) মূলে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে, আর কিওয়ামুস সুন্নাহ এটি 'আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব' (১২২১) গ্রন্থে ইবনে ফারিসের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে রয়েছে: (শু'বাহ, আবু ইসহাক থেকে, তিনি মুযায়নাহ অথবা জুহায়নাহ গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে)। একইভাবে বায়হাকী এটি 'শুয়াবুল ঈমান' (৭৬২৫) গ্রন্থে আমর বিন মারযুক-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত মূল পাণ্ডুলিপি থেকে কিছু অংশ বাদ পড়েছে, কারণ শু'বাহ এবং অন্যরা এটি আবু ইসহাক থেকে ভিন্ন বিন্যাসে বর্ণনা করেছেন, দেখুন: 'আল-মাতালিব' (২৫৭৪) (২৫৭৫), এবং 'আদ-দায়িফাহ' (১৯১১) (১৯৫৬)।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৭)
النَّفَسَ، طعامهُم جُشاءٌ ورشحٌ كرشحِ المِسكِ»(1).

 

231 - (6) حدثنا حذيفةُ: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ: حدثنا زائدةُ بنُ قُدامةَ، عن الأعمشِ، عن أبي سفيانَ، عن جابرٍ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ أهلَ الجَنةِ يأكُلونَ ويَشرَبونَ، ولا يَبولونَ ولا يَتغوَّطونَ ولا يمتَخِطونَ، يُلْهَمونَ التَّسبيحَ والتَّحميدَ كما تُلْهَمونَ النَّفَسَ، طعامُهم الجُشاءُ ورَشحٌ كرَشحِ المِسكِ».

 

232 - (7) حدثنا حذيفةُ: حدثنا عَمرو بنُ مَرزوقٍ: حدثنا زائدةُ بنُ قُدامةَ، عن الأعمشِ، عن أبي سفيانَ، عن جابرٍ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ أهلَ الجَنةِ يأكُلونَ ويَشرَبونَ، ولا يَبولونَ ولا يَتغوَّطونَ ولا يمتَخِطونَ، يُلْهَمونَ التَّسبيحَ والتَّحميدَ كما تُلْهَمونَ النَّفَسَ، طعامُهم الجُشاءُ ورَشحٌ كرَشحِ المِسكِ»(2).

 

233 - (8) / حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدُ بنُ كثيرٍ: حدثنا سفيانُ، عن يونسَ بنِ عُبيدٍ: سمعتُ الحسنَ يقولُ:

قَدمَ عَقيلُ بنُ أبي طالبٍ البصرةَ فتزوَّجَ امرأةً مِن بَني جُشَمَ، فَقالوا له: بالرَّفاءِ والبَنينِ، فقالَ: لا تَقولوا ذلكَ، فإنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهانا عن ذلكَ، وأمَرَنا أن نقولَ: «باركَ اللهُ لكَ، وباركَ عليكَ»(3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه مسلم (2835) من طريق الأعمش به.

ثم أخرجه من طريق أبي الزبير، عن جابر. وانظر ما بعده.

(2) هكذا تكرر هذا الحديث في الأصل بإسناده ومتنه.

(3) أخرجه النسائي (3371)، وابن ماجه (1906)، والدارمي (2219)، وأحمد (1/ 201، 3/ 451)، والبزار (2172)، والحاكم (3/ 577)، والبيهقي (7/ 148) من طريق الحسن البصري به.

وأخرجه أحمد (1/ 201، 3/ 451) من وجه آخر عن عقيل بن أبي طالب به.

وصححه الألباني.
শ্বাসপ্রশ্বাস। তাদের খাবারের (পরিণতি) হবে ঢেকুর এবং ঘাম যা কস্তুরীর সুগন্ধির মতো।»(১).

 

২৩১ - (৬) আমাদের নিকট হুযাইফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আমর ইবন মারযূক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট যায়িদাহ ইবন কুদামা বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে,

তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয় জান্নাতবাসীরা আহার করবে এবং পান করবে, কিন্তু তারা মলত্যাগ করবে না, মূত্রত্যাগ করবে না এবং তাদের নাক দিয়ে শ্লেষ্মা ঝরবে না। তাদের অন্তরে তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) ও তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) করার প্রেরণা এমনভাবে সৃষ্টি করে দেওয়া হবে যেমনভাবে তোমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রেরণা দেওয়া হয়। তাদের খাবারের (পরিণতি) হবে ঢেকুর এবং ঘাম যা কস্তুরীর সুগন্ধির মতো হবে।»

 

২৩২ - (৭) আমাদের নিকট হুযাইফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আমর ইবন মারযূক বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট যায়িদাহ ইবন কুদামা বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে,

তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয় জান্নাতবাসীরা আহার করবে এবং পান করবে, কিন্তু তারা মলত্যাগ করবে না, মূত্রত্যাগ করবে না এবং তাদের নাক দিয়ে শ্লেষ্মা ঝরবে না। তাদের অন্তরে তাসবীহ ও তাহমীদ করার প্রেরণা এমনভাবে সৃষ্টি করে দেওয়া হবে যেমনভাবে তোমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রেরণা দেওয়া হয়। তাদের খাবারের (পরিণতি) হবে ঢেকুর এবং ঘাম যা কস্তুরীর সুগন্ধির মতো হবে।»(২).

 

২৩৩ - (৮) / আমাদের নিকট হুযাইফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন কাসীর বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবন উবাইদ থেকে: আমি হাসানকে বলতে শুনেছি:

আকীল ইবন আবি তালিব বসরায় আসলেন এবং বনী জুশাম গোত্রের এক নারীকে বিবাহ করলেন। তখন লোকেরা তাকে বলল: 'মিল-মহব্বত ও পুত্রসন্তানের সাথে দাম্পত্য জীবন সুখের হোক।' তখন তিনি বললেন: তোমরা এরূপ বলো না, কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করেছেন এবং আমাদের বলতে নির্দেশ দিয়েছেন: «আল্লাহ তোমার জন্য বরকত দান করুন এবং তোমার ওপর বরকত নাযিল করুন।»(৩).

--------------------------------------------

(১) মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন (২৮৩৫) আ'মাশ-এর সূত্র ধরে।

অতঃপর তিনি এটি আবু যুবাইর-এর সূত্রে জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন। পরবর্তী অংশ দেখুন।

(২) এভাবেই মূল পাণ্ডুলিপিতে এই হাদীসটি তার সনদ ও মূলপাঠসহ পুনরুক্ত হয়েছে।

(৩) নাসাঈ (৩৩৭১), ইবন মাজাহ (১৯০৬), দারেমী (২২১৯), আহমদ (১/২০১, ৩/৪৫১), বাযযার (২১৭২), হাকিম (৩/৫৭৭), বায়হাকী (৭/১৪৮) হাসান বসরীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আহমদ (১/২০১, ৩/৪৫১) অন্য সূত্রে আকীল ইবন আবি তালিব থেকেও এটি বর্ণনা করেছেন।

আলবানী একে সহীহ বলেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৮)
234 - (9) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدُ بنُ كثيرٍ: حدثنا سفيانُ، عن علقمةَ بنِ مَرثدٍ، عن أبي الربيعِ المقرئِ(1)، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أربعةٌ لا يدَعُها الناسُ مِن أمرِ الجاهليةِ: النِّياحةُ، والتَّفاخرُ(2) في الأحسابِ، وقولُهم: سُقينا بنَوءِ كَذا، والعَدوى، جَرِبَ بعيرٌ فأجرَبَ مِئةً، فمَن أجرَبَ الأولَ؟»(3).

 

235 - (10) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدُ بنُ كثيرٍ: حدثنا سفيانُ، عن أبي الزبيرِ، عن جابرٍ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم مُرَّ عليه بحِمارٍ قَد وُسِمَ في وَجهِه، فقالَ: «أمَا بلغَكم أنِّي نَهيتُ عن وَسْمِ الدَّابةِ في وَجهِها أو ضربِها في وَجهِها» فنَهى عن ذلكَ(4).

قالَ حذيفةُ: «سم في وَجهِه»، والصوابُ: «وُسِمَ في وَجهِه».

 

236 - (11) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدٌ: حدثنا سفيانُ، عن الأعمشِ، عن أبي حازمٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:

--------------------------------------------

(1) هكذا في الأصل، وفي هامشه: المنقري. وفوقها في الموضعين: «كذا». وفي مصادر ترجمته: المدني.

(2) في الهامش إشارة إلى نسخة أخرى: التعاير.

(3) أخرجه الترمذي (1001)، وأحمد (2/ 291، 414، 455، 456، 526، 531)، والطيالسي (2517)، والبيهقي في «الشعب» (5143) من طريق علقمة بن مرثد به.

وحسنه الترمذي والألباني.

(4) أخرجه أبو داود (2564) من طريق محمد بن كثير به.

وانظر روايتي مسلم (2116) (2117) من طريق أبي الزبير.
২৩৪ - (৯) আমাদের নিকট হুজাইফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন কাসির বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, আলকামা বিন মারসাদ থেকে, তিনি আবু রাবি আল-মুকরি(১) থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «চারটি বিষয় এমন যা মানুষ জাহেলিয়াতের রীতিনীতি থেকে পরিহার করবে না: মৃতব্যক্তির জন্য বিলাপ করা, বংশমর্যাদা নিয়ে অহংকার করা(২), তাদের এই কথা বলা যে: অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমরা বৃষ্টি পেয়েছি, এবং সংক্রামক ব্যাধি; একটি উট চর্মরোগগ্রস্ত হলো অতঃপর তা থেকে একশটি উট চর্মরোগগ্রস্ত হলো, তাহলে প্রথমটিকে কে রোগাক্রান্ত করেছিল?»(৩)।

 

২৩৫ - (১০) আমাদের নিকট হুজাইফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন কাসির বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, আবু জুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে,

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে একটি গাধা নিয়ে যাওয়া হলো যার মুখে দাগ (চিহ্ন) দেওয়া হয়েছিল। তিনি বললেন: «তোমাদের নিকট কি পৌঁছায়নি যে, আমি পশুর মুখে দাগ দিতে অথবা তার মুখে আঘাত করতে নিষেধ করেছি?» অতঃপর তিনি তা থেকে নিষেধ করলেন(৪)।

হুজাইফা বলেন: «তার মুখে বিষ দেওয়া হয়েছে», তবে সঠিক হলো: «তার মুখে দাগ দেওয়া হয়েছে»।

 

২৩৬ - (১১) আমাদের নিকট হুজাইফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, আমাশ থেকে, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন:

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, এবং এর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: আল-মানকারি। আর উভয়টির উপরে লেখা আছে: «অনুরূপই রয়েছে»। তার জীবনীগ্রন্থের উৎসসমূহে আছে: আল-মাদানি।

(২) পার্শ্বটীকায় অন্য একটি পাণ্ডুলিপির প্রতি ইশারা রয়েছে: একে অপরকে দোষারোপ করা।

(৩) এটি বর্ণনা করেছেন তিরমিজি (১০০১), আহমদ (২/২৯১, ৪১৪, ৪৫৫, ৪৫৬, ৫২৬, ৫৩১), তায়ালিসি (২৫১৭), এবং বাইহাকি 'আশ-শুআব' গ্রন্থে (৫১৪৩), আলকামা বিন মারসাদের সূত্র ধরে।

আর ইমাম তিরমিজি এবং আলবানী একে হাসান বলেছেন।

(৪) এটি আবু দাউদ (২৫৬৪) মুহাম্মদ বিন কাসিরের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

এবং মুসলিমের (২১১৬) ও (২১১৭) নং বর্ণনাসমূহ দেখুন যা আবু জুবায়েরের সূত্রে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
ما عابَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم طعاماً، إن اشتَهاهُ أكَلَه، وإنْ كرِهَه ترَكَه(1).

 

237 - (12) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدٌ: حدثنا سفيانُ: حدثنا مصعبُ بنُ محمدِ بنِ شرحبيلَ: حدثني يعلى بنُ أبي يحيى، عن فاطمةَ بنتِ الحسينِ(2)، عن الحسينِ بنِ عليٍّ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «للسائلِ حَقٌ وإِن جاءَ على فَرسٍ»(3).

 

238 - (13) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدٌ: حدثنا سفيانُ، عن المقدامِ بنِ شَريحٍ: حدثني أبي، عن عائشةَ قالتْ:

ما بالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قائماً مُنذُ أُنزلَ عليه القرآنُ(4).

 

239 - (14) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدٌ: حدثنا سفيانُ، عن منصورٍ، عن إبراهيمَ، عن علقمةَ قالَ:

جاءَ ابنا مُليكةَ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم فقالا: إنَّ أُمَّنا ماتَت حينَ رَعدَ الإسلامُ وبَرقَ، فهَل يَنفعُها أَن نُصلِّيَ لها مَع كلِّ صلاةٍ صلاةً، ومَع كلِّ صومٍ صوماً، ومَع كلِّ صدقةٍ صدقةً؟ فقالَ: «الوائدةُ والمَوؤدةُ في النارِ» / فلمَّا ولَّيا

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري (3563) (5409)، ومسلم (2064) من طريق الأعمش به.

(2) في الأصل: الحسن.

(3) أخرجه أبو داود (1665)، وأحمد (1/ 201)، وأبو يعلى (6784)، والطبراني (2893)، وابن خزيمة (1468)، والبيهقي (7/ 23) من طريق محمد بن كثير به.

وضعفه الألباني في «الضعيفة» (1378).

(4) أخرجه أحمد (6/ 136، 192، 213)، والحاكم (1/ 181، 185)، والبيهقي (1/ 101) من طريق سفيان الثوري به.

وانظر رواية شريك عن المقدام عند الترمذي (12)، والنسائي (29)، وابن ماجه (307)، وابن حبان (1430).
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনোই খাবারের কোনো ত্রুটি ধরতেন না; যদি তাঁর রুচি হতো তবে তিনি তা খেতেন, আর অপছন্দ হলে তা ছেড়ে দিতেন(১)।

 

২৩৭ - (১২) আমাদের নিকট হুযায়ফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুসআব বিন মুহাম্মদ বিন শুরাহবীল বর্ণনা করেছেন: আমার নিকট ইয়ালা বিন আবি ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, ফাতিমা বিনতুল হুসাইন(২) থেকে, তিনি হুসাইন বিন আলী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সাহায্যপ্রার্থীর হক রয়েছে, যদিও সে ঘোড়ায় চড়ে আসে»(৩)।

 

২৩৮ - (১৩) আমাদের নিকট হুযায়ফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, মিকদাম বিন শুরাইহ থেকে: আমার নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে, তিনি বলেন:

যবে থেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, তবে থেকে তিনি দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেননি(৪)।

 

২৩৯ - (১৪) আমাদের নিকট হুযায়ফা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন, মানসুর থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

মুলাইকার দুই পুত্র নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: আমাদের মা এমন সময়ে মারা গেছেন যখন ইসলাম বিকশিত হচ্ছিল, এমতাবস্থায় আমরা যদি তাঁর পক্ষ থেকে প্রতি সালাতের সাথে সালাত আদায় করি, প্রতি রোযার সাথে রোযা রাখি এবং প্রতিটি সদকার সাথে সদকা করি, তবে কি তা তাঁর উপকারে আসবে? তিনি বললেন: «জীবন্ত প্রোথিতকারিনী এবং যাকে জীবন্ত প্রোথিত করা হয়েছে উভয়েই জাহান্নামে» / এরপর যখন তারা ফিরে যাচ্ছিল

--------------------------------------------

(১) বুখারী (৩৫৬৩) (৫৪০৯), এবং মুসলিম (২০৬৪) আমাশের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে: আল-হাসান।

(৩) আবু দাউদ (১৬৬৫), আহমদ (১/ ২০১), আবু ইয়ালা (৬৭৮৪), তাবারানি (২৮৯৩), ইবনে খুজায়মাহ (১৪৬৮), এবং বায়হাকি (৭/ ২৩) মুহাম্মদ বিন কাসীরের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আলবানি 'আদ-দায়িফাহ' (১৩৭৮) গ্রন্থে এটিকে দুর্বল বলেছেন।

(৪) আহমদ (৬/ ১৩৬, ১৯২, ২১৩), হাকেম (১/ ১৮১, ১৮৫), এবং বায়হাকি (১/ ১০১) সুফিয়ান সাওরীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর তিরমিজি (১২), নাসাঈ (২৯), ইবনে মাজাহ (৩০৭) এবং ইবনে হিব্বান (১৪৩০) গ্রন্থে মিকদাম থেকে শারীকের বর্ণনাটি দেখুন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৪০)
[قالَ](1): «أساءَكما أو شَقَّ عَليكما، أُمِّي مَع أُمِّكما في النارِ»(2).

 

240 - (15) حدثنا حذيفةُ: حدثنا محمدٌ: حدثنا سفيانُ، عن أبي مالكٍ الأَشجعيِّ، عن رِبعيِّ بنِ حِراشٍ، عن حذيفةَ قالَ:

قالَ نَبيُّكم صلى الله عليه وسلم: «كُلُّ معروفٍ صَدقةٌ»(3).

 

241 - (16) حدثنا يحيى بنُ حاتمٍ العَسكريُّ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ: أخبرنا يوسفُ بنُ عَطيةَ: حدثنا ثابتٌ البُنانيُّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ،

أنَّ رَجلاً غَزا وامرأتُه في عُلوٍّ وأبوها في السُّفلِ، وأمرَها أَن لا تَخرجَ مِن بيتِها، فاشتَكى أَبوها، فأرسَلَت إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فأخبَرتهُ واستأذَنتهُ، فأرسَلَ إليها: «أَن اتَّقي اللهَ وأَطيعي زوجَكِ» ثُم إنَّ أباها ماتَ، فأرسَلَت إلى رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَستأذنُهُ، فأرسَلَ إليها: «أَن اتَّقى اللهَ وأَطيعي زَوجَكِ» فخَرجَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وصلَّى على أَبيها وقالَ لها: «إنَّ اللهَ قَد غَفرَ لأَبيكِ بطَوَاعيَتِكِ لِزوجِكِ»(4).

--------------------------------------------

(1) ساقطة من الأصل.

(2) مرسل هنا. وكذلك أخرجه ابن بطة في الإبانة (1484) من طريق محمد بن كثير بهذا اللفظ، والسري بن يحيى في «حديث الثوري» (116) عن قبيصة عن الثوري باختلاف يسير.

في حين أخرجه ابن صاعد في «الثاني من حديث ابن مسعود» (36 - مخطوط) من طريق قبيصة فوصله عن علقمة عن ابن مسعود.

ووصله غيره، وقيل فيه غير ذلك مطولاً ومختصراً، انظر مسند أحمد 1/ 398 (3787)، و «علل الدارقطني» (794).

(3) أخرجه مسلم (1005)، والبخاري في «الأدب المفرد» (233) من طريق أبي مالك الأشجعي به.

(4) أخرجه قوام السنة في «الترغيب والترهيب» (1522) من طريق المصنف.

ويوسف بن عطية متروك. ومن طريقه أخرجه عبد بن حميد (1367)، والحارث في «مسنده» (499 - زوائده)، وابن عدي في «الكامل» (17918).

ويروى من وجه آخر عن ثابت البناني، أخرجه الطبراني في «الأوسط» (7648)، وضعفه الألباني في «الإرواء» (2014).
[তিনি বললেন](১): «তা তোমাদের ব্যথিত করুক কিংবা তোমাদের নিকট কষ্টদায়ক মনে হোক, আমার মা ও তোমাদের মা জাহান্নামে»(২).

 

২৪০ - (১৫) হুযাইফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু মালিক আল-আশজাঈ থেকে, তিনি রিবঈ বিন হিরাশ থেকে, তিনি হুযাইফা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:

তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «প্রত্যেকটি ভালো কাজই সদকা»(৩).

 

২৪১ - (১৬) ইয়াহইয়া বিন হাতিম আল-আসকারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইউসুফ বিন আতিয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: সাবিত আল-বুনানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন,

যে, এক ব্যক্তি যুদ্ধে গেল এবং তার স্ত্রী (বাড়ির) উপরের তলায় ছিল আর তার পিতা ছিল নিচের তলায়। সে (স্বামী) তাকে তার ঘর থেকে বের না হতে আদেশ করেছিল। অতঃপর তার পিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে সে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সংবাদ পাঠাল এবং তাঁকে জানাল ও অনুমতি চাইল। তিনি তার নিকট এই বার্তা পাঠালেন: «তুমি আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমার স্বামীর আনুগত্য করো»। তারপর তার পিতা মারা গেলে সে পুনরায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সংবাদ পাঠিয়ে অনুমতি চাইল। তিনি তার নিকট এই বার্তা পাঠালেন: «তুমি আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমার স্বামীর আনুগত্য করো»। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং তার পিতার জানাযা পড়লেন ও তাকে (স্ত্রীকে) বললেন: «তোমার স্বামীর প্রতি তোমার আনুগত্যের কারণে আল্লাহ তোমার পিতাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন»(৪).

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

(২) এটি এখানে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত। একইভাবে ইবনে বাত্তাহ ‘আল-ইবানাহ’ (১৪৮৪) গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন কাসীর-এর সূত্রে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং আস-সারী বিন ইয়াহইয়া ‘হাদিসুস সাওরী’ (১১৬) গ্রন্থে কাবীসাহ থেকে, তিনি সাওরী থেকে সামান্য ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন।

পক্ষান্তরে ইবনে সাঈদ ‘আস-সানি মিন হাদিসি ইবনি মাসউদ’ (৩৬ - পাণ্ডুলিপি) গ্রন্থে কাবীসাহর সূত্রে একে মাওসুল (সংযুক্ত) হিসেবে আলকামাহ থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এটি অন্যরা মাওসুল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এ ব্যাপারে দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত আরও ভিন্নমত বর্ণিত হয়েছে, দেখুন: মুসনাদে আহমাদ ১/৩৯৮ (৩৭৮৭) এবং ‘ইলালুদ দারাকুতনী’ (৭৯৪)।

(৩) মুসলিম (১০০৫) এবং বুখারী ‘আল-আদাবুল মুফরাদ’ (২৩৩) গ্রন্থে আবু মালিক আল-আশজাঈর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৪) কিওয়ামুস সুন্নাহ ‘আত-তারগীব ওয়াত তারহীব’ (১৫২২) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর ইউসুফ বিন আতিয়্যাহ পরিত্যক্ত (মাতরুক) বর্ণনাকারী। তার সূত্রে আবদ বিন হুমাইদ (১৩৬৭), আল-হারিস তার ‘মুসনাদে’ (৪৯৯ - যাওয়ায়েদ) এবং ইবনে আদী ‘আল-কামিল’ (১৭৯১৮) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

এটি সাবিত আল-বুনানী থেকে অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে, যা তাবারানী ‘আল-আওসাত’ (৭৬৪৮) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং আলবানী ‘আল-ইরওয়া’ (২০১৪) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৪১)
242 - (17) حدثنا يحيى: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ: أخبرنا فائدُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن عبدِ اللهِ بنِ أبي أَوفى قالَ:

كنتُ عندَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فأتاهُ غلامٌ فقالَ: يا رسولَ اللهِ، غلامٌ يتيمٌ له أمٌّ أرملةٌ وأختٌ يتيمةٌ، أطعِمْنا ممَّا أطعمَكَ اللهُ، أعطاكَ اللهُ مِن عندِهِ حتى تَرضى، قالَ: «ما أحسَنَ ما قُلتَ يا غلامُ، يا بلالُ، اذهَب إلى أهلِنا فائتِنا بما وَجدتَّ عِندَهم مِن طعامٍ» فذهبَ فجاءَهُ بأحدٍ(1) وعشرينَ تمرةً فوضَعَها في كفِّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فرفَعَها رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إلى فيهِ، فدَعا فيها بالبَركةِ، قالَ: «يا غلامُ، سبعاً لكَ، وسبعاً لأُمكَ، وسبعاً لأختِكَ، تغدَّ بتمرةٍ، وتعشَّ بأُخرى».

فلمَّا انصرفَ قامَ إليه(2) معاذُ بنُ جبلٍ فوَضعَ يدَه على رأسِهِ فقالَ: يا غلامُ، جَبَرَ اللهُ يُتمَكَ، وجعلَكَ خَلفاً مِن أبيكَ -وكانَ مِن أولادِ المُهاجرينَ-، فقالَ له رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «قَد رأيتُكَ يا معاذُ وما صنعتَ» قالَ: رَحمةً له يا رسولَ اللهِ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «والذي نَفسي بيدِهِ، لا يَلي مسلمٌ يَتيماً فيُحسِنُ وِلايتَهُ فيَضعُ يدَه على رأسِهِ إلا رفَعَه اللهُ بكلِّ شَعرةٍ درجةً، وكَتبَ له بكلِّ شَعرةٍ حسنةً، ومَحا عنه / بكلِّ شعرةٍ سيئةً»(3).

--------------------------------------------

(1) في الهامش: لعله بإحدى.

(2) من الهامش إشارة إلى نسخة أخرى، وهو مقتضى السياق. وفي الأصل: قال له.

(3) أخرجه عبد الله في «زوائد المسند» (4/ 382) -ولم يسق تمام لفظه-، والحارث في «مسنده» (905 - زوائده)، والبزار (3375)، والبيهقي في «الشعب» (10530)، والسخاوي في «البلدانيات» (8) من طريق فائد أبي الورقاء به.

وقال في «المجمع» (8/ 162): وفي الإسناد فائد أبوالورقاء وهو متروك.

وقال السخاوي: هذا حديث ضعيف .. .
২৪২ - (১৭) আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াযীদ ইবনে হারুন বর্ণনা করেছেন: আমাদেরকে ফায়েদ ইবনে আবদুর রহমান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় এক কিশোর তাঁর কাছে এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন ইয়াতিম বালক, আমার একজন বিধবা মা এবং একজন ইয়াতিম বোন আছে; আল্লাহ আপনাকে যা আহার করিয়েছেন তা থেকে আমাদের আহার করান। আল্লাহ আপনাকে তাঁর পক্ষ থেকে দান করুন যতক্ষণ না আপনি সন্তুষ্ট হন। তিনি বললেন: «হে কিশোর! তুমি কতই না চমৎকার কথা বলেছ। হে বিলাল, আমাদের পরিবারের কাছে যাও এবং তাদের কাছে যে খাবার পাও তা নিয়ে এসো।’ অতঃপর তিনি গেলেন এবং একুশটি খেজুর নিয়ে আসলেন এবং সেগুলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের তালুতে রাখলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলো তাঁর মুখের কাছে তুললেন এবং তাতে বরকতের দোয়া করলেন। এরপর তিনি বললেন: «হে কিশোর, সাতটি তোমার জন্য, সাতটি তোমার মায়ের জন্য এবং সাতটি তোমার বোনের জন্য। একটি খেজুর দিয়ে সকালের খাবার আর অন্যটি দিয়ে রাতের খাবার সারবে।»

যখন সে ফিরে যাচ্ছিল, তখন মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) দাঁড়িয়ে তার কাছে গেলেন এবং তার মাথায় হাত রাখলেন। তিনি বললেন: হে কিশোর! আল্লাহ তোমার পিতৃহীনতার দুঃখ লাঘব করুন এবং তোমাকে তোমার পিতার উত্তম স্থলাভিষিক্ত করুন। —সে ছিল মুহাজিরদের সন্তানদের একজন।— অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: «হে মুয়াজ! তুমি যা করেছ তা আমি দেখেছি।» তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তার প্রতি দয়াবশত আমি এটি করেছি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «সেই সত্তার শপথ যাঁর আল্লাহর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, কোনো মুসলিম যখন কোনো ইয়াতিমের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং তার প্রতি সদয় আচরণ করে আর তার মাথায় হাত রাখে, তখন আল্লাহ তাকে প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন, প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি করে নেকি লিখে দেন এবং প্রতিটি চুলের বিনিময়ে তার থেকে একটি করে গুনাহ মুছে দেন।»

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায় রয়েছে: সম্ভবত এটি "إحدى" (স্ত্রীবাচক সংখ্যা) হবে।

(২) পার্শ্বটীকা থেকে অন্য একটি পাণ্ডুলিপির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা প্রসঙ্গের দাবি। আর মূল কপিতে রয়েছে: "তিনি তাকে বললেন"।

(৩) আবদুল্লাহ 'যাওয়ায়েদুল মুসনাদ' (৪/৩৮২) গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন—তবে তিনি এর পূর্ণ পাঠ উল্লেখ করেননি—, এবং আল-হারিস তাঁর 'মুসনাদ' (৯০৫ - যাওয়ায়েদ) গ্রন্থে, আল-বাযযার (৩৩৭৫), আল-বাইহাকী 'আশ-শুআব' (১০৫৩০) এবং আস-সাখাভী 'আল-বুলদানিয়াত' (৮) গ্রন্থে ফায়েদ আবু আল-ওয়ারকার সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

'আল-মাজমা' (৮/১৬২) গ্রন্থে বলা হয়েছে: এর বর্ণনাসূত্রে ফায়েদ আবু আল-ওয়ারকা রয়েছেন, যিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)।

আস-সাখাভী বলেছেন: এই হাদীসটি দুর্বল...
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৪২)
243 - (18) حدثنا يحيى: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ: أخبرنا الحسنُ بنُ واصلٍ: حدثني الأسودُ بنُ عبدِ الرحمنِ العَدويُّ، عن هِصَّانَ بنِ كاهلٍ(1)، عن الأشعريِّ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «ما قَعدَ يَتيمٌ على قَصعَتِهم فقَرُبَ قَصعَتَهم شيطانٌ»(2).

 

244 - (19) حدثنا يحيى: حدثنا يزيدُ: حدثنا شعبةُ، عن عبدِ اللهِ بنِ دينارٍ، عن ابنِ عمرَ،

أنَّ أعرابياً سألَ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عن الضَّبِّ؟ قالَ: «لستُ آكُلُه، ولا أَنهى عنه»(3).

 

245 - (20) حدثنا يحيى: حدثنا يزيدُ: حدثنا إسماعيلُ بنُ أبي خالدٍ، عن سعدٍ الطائيِّ قالَ: أُخبرتُ أنَّ اللهَ تبارك وتعالى لمَّا خَلقَ الجَنةَ قالَ لها:

--------------------------------------------

(1) ويقال: ابن كاهن، كما جاء في الهامش.

(2) أخرجه الذهبي في «معجمه الكبير» (1/ 89) من طريق المصنف.

والحسن بن واصل- وهو الحسن بن دينار- متفق على ضعفه.

ومن طريقه أخرجه الحارث في «مسنده» (زوائده - 907)، والطبراني في «الأوسط» (7165)، وابن عدي في «الكامل» (4909).

والحديث أورده ابن الجوزي في «الموضوعات» (2/ 512).

وقال الألباني في «الضعيفة» (5373): موضوع.

(3) أخرجه البخاري (5536)، ومسلم (1943) من طريق عبد الله بن دينار به.

ثم أخرجه مسلم من طريق نافع، عن ابن عمر به.
২৪৩ - (১৮) ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান বিন ওয়াসিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আল-আসওয়াদ বিন আবদুর রহমান আল-আদাবী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হিসসান বিন কাহিল(১) থেকে, তিনি আল-আশআরি থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: «কোনো এতিম যখন তাদের খাবারের পাত্রে বসে, তখন শয়তান তাদের সেই পাত্রের কাছে আসতে পারে না»(২)।

 

২৪৪ - (১৯) ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন,

যে এক বেদুইন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দ্বব (মরুভূমির বড় টিকটিকি জাতীয় প্রাণী) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন: «আমি এটি খাই না, আবার এটি খেতে নিষেধও করি না»(৩)।

 

২৪৫ - (২০) ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইসমাইল বিন আবি খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সাদ আত-তায়ী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা যখন জান্নাত সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি জান্নাতকে বললেন:

--------------------------------------------

(১) এবং বলা হয়: ইবনে কাহিন, যেমনটি পার্শ্বটীকায় এসেছে।

(২) এটি আয-যাহাবী তাঁর ‘মুজামুল কাবীর’ (১/ ৮৯) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আর আল-হাসান বিন ওয়াসিল—যিনি আল-হাসান বিন দীনার—তাঁর দুর্বল হওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে।

এবং তাঁর সূত্র থেকে আল-হারিস তাঁর ‘মুসনাদ’ (যাওয়ায়েদ - ৯০৭), আত-তাবারানী ‘আল-আওসাত’ (৭১৬৫) এবং ইবনে আদি ‘আল-কামিল’ (৪৯০৯) গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর ইবনে আল-জাওযী হাদিসটি ‘আল-মাওদুআত’ (২/ ৫১২) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

এবং আল-আলবানী ‘আয-যঈফাহ’ (৫৩৭৩) গ্রন্থে বলেছেন: এটি বানোয়াট।

(৩) এটি বুখারী (৫৫৩৬) এবং মুসলিম (১৯৪৩) আবদুল্লাহ বিন দীনারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর মুসলিম নাফে-এর সূত্রে ইবনে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৪৩)
تَزيَّني، فتزيَّنتْ، فقالَ لها: تَكلَّمي، فقالتْ: طُوبى لِمَن رَضيتَ عنه(1).

 

246 - (21) حدثنا يحيى: حدثنا يزيدُ: أخبرنا محمدُ بنُ إسحاقَ، عن الزُّهريِّ، عن سعيدِ بنِ المُسيبِ، عن جُبيرِ بنِ مُطعمٍ قالَ:

لمَّا قَسمَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم سهمَ ذَوي القَرابةِ مِن بَني هاشمٍ وبَني المُطلبِ أَتيتُه أنا وعثمانُ بنُ عفانَ فقُلنا: يا رسولَ اللهِ، هؤلاءِ بَنو هاشمٍ لا نُنكرُ فضلَهم لِمكانِكَ الذي وَضعَكَ اللهُ مِنهم، أرأيتَ إخوانَنا مِن بَني المُطلبِ، أَعطيتَهم ومنعتَنا، وإنَّما نحنُ وهم مِنكَ بمَنزلةٍ، قالَ: «لم يُفارِقوني في جاهليةٍ ولا إسلامٍ، وإنما بَنو هاشمٍ وبَنو المُطلبِ شيءٌ واحدٌ» ثم شبَّكَ بينَ أصابعِهِ(2).

 

247 - (22) حدثنا يحيى: حدثنا عبدُ الوهابِ بنُ عطاءٍ الخَفافُ: أخبرنا سعيدُ بنُ أبي عَروبةَ، عن قتادةَ، عن أنسٍ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قالَ: «بَينا أنا أَسيرُ في الجَنةِ إذْ عَرضَ لي نهرٌ حافَّتاهُ قِبابُ اللؤلؤِ المُجوَّفِ، قلتُ: يا جبريلُ ما هذا؟ قالَ: هذا الكوثرُ الذي أَعطاكَ ربُّكَ، قالَ: فأَضربُ يدِي فإذا طينُه المِسكُ»(3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه الذهبي في «معجمه الكبير» (1/ 141) من طريق المصنف.

وأخرجه ابن أبي شيبة (34107)، والحسين المروزي في «زوائد الزهد» (1524)، وابن أبي الدنيا (36)، وأبو نعيم (19) كلاهما في «صفة الجنة» من طريق إسماعيل بن أبي خالد به.

(2) أخرجه أبو داود (2980)، والنسائي (4137)، وأحمد (4/ 81) من طريق محمد بن إسحاق به.

وهو عند البخاري (3140) (3502) (4229) من طريق الزهري بنحوه.

(3) أخرجه البخاري (4964) (6581) من طريق قتادة به.
তুমি সুসজ্জিত হও, অতঃপর সে সুসজ্জিত হলো। তখন তিনি তাকে বললেন: কথা বলো। সে বলল: তার জন্যই সুসংবাদ যার প্রতি আপনি সন্তুষ্ট হয়েছেন(১)।

 

২৪৬ - (২১) আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট ইয়াযিদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক খবর দিয়েছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি জুবাইর ইবনে মুতয়িম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী হাশেম ও বনী মুত্তালিবের নিকটাত্মীয়দের অংশ বণ্টন করলেন, তখন আমি এবং উসমান ইবনে আফফান তাঁর কাছে আসলাম। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এরা বনী হাশেম, তাদের শ্রেষ্ঠত্ব আমরা অস্বীকার করি না কারণ আল্লাহ আপনাকে তাদের মধ্য থেকে মনোনীত করেছেন। কিন্তু আমাদের ভাই বনী মুত্তালিবের কথা কী বলবেন? আপনি তাদের দিলেন অথচ আমাদের বঞ্চিত করলেন, যদিও আমরা এবং তারা আপনার নিকট সমপর্যায়ের। তিনি বললেন: «তারা জাহেলিয়াত কিংবা ইসলাম কোনোকালেই আমার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি। নিশ্চয়ই বনী হাশেম ও বনী মুত্তালিব অভিন্ন বস্তু» অতঃপর তিনি তাঁর আঙুলগুলো একটির ভেতর অন্যটি প্রবেশ করালেন(২)।

 

২৪৭ - (২২) আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আতা আল-খাফফাফ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ খবর দিয়েছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন: «আমি জান্নাতে ভ্রমণরত ছিলাম, হঠাৎ আমার সামনে একটি নদী উপস্থিত হলো যার দুই তীরে ফাঁপা মুক্তার গম্বুজ রয়েছে। আমি বললাম: হে জিবরাঈল, এটি কী? তিনি বললেন: এটি সেই কাউসার যা আপনার রব আপনাকে দান করেছেন। তিনি (নবী) বলেন: অতঃপর আমি আমার হাত মারলাম, দেখলাম তার কাদা হলো মিশক (কস্তুরী)»(৩)।

--------------------------------------------

(১) আয-যাহাবী তাঁর «মুজামুল কাবীর» (১/১৪১) গ্রন্থে এটি গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে আবি শায়বাহ (৩৪১০৭), আল-হুসাইন আল-মারওয়াযী «যাওয়াইদুয যুহদ» (১৫২৪), ইবনে আবিদ দুনিয়া (৩৬) এবং আবু নুয়াইম (১৯) উভয়েই «সিফাতুল জান্নাহ» গ্রন্থে ইসমাইল ইবনে আবি খালিদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) আবু দাউদ (২৯৮০), নাসাঈ (৪১৩৭) এবং আহমাদ (৪/৮১) মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাকের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এটি বুখারীর (৩১৪০) (৩৫০২) (৪২২৯) নিকট যুহরীর সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।

(৩) বুখারী (৪৯৬৪) (৬৫৮১) কাতাদাহর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৪৪)
248 - (23) حدثنا يحيى: حدثنا عبدُ الوهابِ: أخبرنا سعيدٌ، عن قتادةَ، عن أبي المُتوكلِ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قالَ: «ليُحبَسنَّ أهلُ الجَنةِ بعدَ ما يجاوِزونَ الصراطَ على قَنطرةٍ، فيُؤخَذُ لبعضِهم مِن / بعضٍ مَظالِمُهم التي تَظالَموها في الدُّنيا، حتى إذا هُذِّبوا ونُقُّوا أُذِنَ لهم في دُخولِ الجَنةِ».

قالَ قتادةُ: فلأَحدُهم أعرفُ بمَنزِلِه في الآخرةِ بمَنزِلِه(1) كانَ في الدُّنيا.

قالَ قتادةُ: قالَ أبو عُبيدةَ بنُ عبدِ اللهِ بنِ مسعودٍ: ما شَبيهٌ بهم إلا أهلُ جُمعةٍ انصرَفوا مِن جُمعتِهم(2).

 

249 - (24) حدثنا يحيى: حدثنا عبدُ الوهابِ: أخبرنا سعيدٌ الجَريريُّ، عن أبي الوردِ، عن اللَّجلاجِ، عن معاذِ بنِ جبلٍ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم مرَّ على رَجلٍ وهو يقولُ: اللهمَّ إنِّي أسالكُ الصبرَ، قالَ: «سألتَ البلاءَ فسَل العافيةَ». قالَ: ومرَّ على آخرَ وهو يقولُ: يا ذا الجَلالِ

--------------------------------------------

(1) في الهامش: من منزله.

(2) أخرجه أبو نعيم الحداد في «جامع الصحيحين» (4255) من طريق المصنف.

وأخرجه الحاكم (4/ 572) من طريق عبد الوهاب الخفاف به، إلا أنه جعل كلام قتادة الأول ضمن المرفوع.

وكذلك هو عند البخاري (2440) (6535) من طريق قتادة، ولم يذكر قول قتادة عن أبي عبيدة.

وهذا فعند بعضهم: «قال قتادة: قال بعضهم»، وعند آخرين: «عن قتادة: كان يقال»، وفي «زوائد الزهد» للمروزي (1421): «قال قتادة: قال أبو عياض»، ومن طريقه قوام السنة في «المحجة» (296) لكن فيه: «أبو عياش»، أما الحافظ فقال في «الفتح» (11/ 399): ولم أقف على تسمية القائل.
২৪৮ - (২৩) ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাতাদাহ হতে, তিনি আবুল মুতাওয়াক্কিল হতে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী হতে বর্ণনা করেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «জান্নাতবাসীদের সিরাত পার হওয়ার পর একটি সেতুর (কানতারা) উপর আটকে রাখা হবে। এরপর দুনিয়াতে তাদের একে অপরের প্রতি কৃত অন্যায় ও জুলুমের প্রতিশোধ গ্রহণ করা হবে, এমনকি যখন তারা পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হবে, তখন তাদের জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।»

কাতাদাহ বলেন: তাদের প্রত্যেকে দুনিয়ার আবাসস্থলের তুলনায় আখেরাতের নিজ আবাসস্থলকে অধিক চিনবে।(১)

কাতাদাহ বলেন: আবু উবাইদাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ বলেছেন: তাদের সদৃশ কেবল জুমআর নামাজ শেষে ফিরে আসা মুসল্লিরা।(২)

 

২৪৯ - (২৪) ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সাঈদ আল-জারীরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়ারদ হতে, তিনি আল-লাজলাজ হতে, তিনি মুয়াজ বিন জাবাল হতে বর্ণনা করেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন সে বলছিল: হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট ধৈর্য প্রার্থনা করছি। তিনি বললেন: «তুমি তো বিপদ চেয়েছ, সুতরাং তুমি নিরাপত্তা (আফিয়াত) প্রার্থনা করো।» বর্ণনাকারী বলেন: তিনি অন্য এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন সে বলছিল: হে মহিমাময় ও মহানুভব...

--------------------------------------------

(১) পার্শ্বটীকায়: তার আবাস হতে।

(২) আবু নুআইম আল-হাদ্দাদ এটি গ্রন্থকারের সূত্রে «জামেউস সহীহাইন» (৪২৫৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন।

এবং আল-হাকিম (৪/ ৫৭২) আব্দুল ওয়াহহাব আল-খাফফাফ সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি কাতাদাহর প্রথম কথাটিকে মারফু (রাসূলের বাণী) হিসেবে গণ্য করেছেন।

অনুরূপভাবে ইমাম বুখারী (২৪৪০) (৬৫৩৫) কাতাদাহর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি আবু উবাইদাহ হতে বর্ণিত কাতাদাহর উক্তিটি উল্লেখ করেননি।

কারও কারও নিকট এটি এভাবে রয়েছে: «কাতাদাহ বলেছেন: জনৈক ব্যক্তি বলেছেন», অন্যদের নিকট: «কাতাদাহ হতে বর্ণিত: বলা হতো», এবং মারওয়াযীর «যাওয়ায়েদুয যুহদ» (১৪২১) গ্রন্থে রয়েছে: «কাতাদাহ বলেন: আবু ইয়াদ বলেছেন», এবং তাঁর সূত্রে কাওয়ামুস সুন্নাহ «আল-মাহাজ্জাহ» (২৯৬) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তবে সেখানে রয়েছে: «আবু আইয়াশ», আর হাফেজ (ইবনে হাজার) «আল-ফাতহ» (১১/ ৩৯৯) গ্রন্থে বলেছেন: আমি বক্তার নাম নিশ্চিতভাবে জানতে পারিনি।
(খণ্ড: ১) জুযউ ইবনু ফারিস (পৃষ্ঠা: ২৪৫)
والإكرامِ، فقالَ: «سَل فَقد استُجيبَ لكَ». قالَ: ومرَّ على آخرَ وهو يقولُ: اللهمَّ إنِّي أسألُكَ تَمامَ النِّعمةِ، قالَ: «ويحكَ، هَل تَدري ما تَمامُ النِّعمةِ؟» قالَ: «الفوزُ بالجَنةِ والنجاةُ مِن النارِ»(1).

آخرُ الجزءِ

الحمدُ للهِ وحدَه

صلَّى اللهُ على سيدِنا محمدٍ وآلِهِ وصحبِه وسلَّمَ

حسبُنا اللهُ ونِعمَ الوكيلُ

سمعَه على الحافظِ أبي طاهرٍ أحمدَ بنِ محمدٍ السِّلَفيِّ سِبطُه عبدُ الرحمنِ

بنُ مكيِّ بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ الحاسبِ رحمه الله

يومَ السبتِ ثامنَ عشرَ مُحرمٍ سنةَ (576)

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري في «الأدب المفرد» (725)، والترمذي (3527)، وأحمد (5/ 231، 235)، وعبد بن حميد (107)، وابن أبي شيبة (29356)، والبزار (2634) (2635)، والطبراني 20/ (97) (98) (99) من طريق سعيد الجريري به.

وحسنه الترمذي والعراقي. وقال الألباني في «الضعيفة» (3416): ورجاله ثقات معروفون غير أبي الورد هذا لم يوثقه أحد .. .
এবং মহানুভবতার (মালিক), অতঃপর তিনি বললেন: «তুমি প্রার্থনা করো, তোমার দোয়া কবুল করা হয়েছে।» তিনি বলেন: তিনি অপর এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন যখন সে বলছিল: হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট নেয়ামতের পূর্ণতা প্রার্থনা করছি। তিনি বললেন: «আফসোস তোমার জন্য, তুমি কি জানো নেয়ামতের পূর্ণতা কী?» তিনি বললেন: «জান্নাত লাভ করা এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া।»(১).

খণ্ডের সমাপ্তি

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য

আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক

এটি হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সিলাফির নিকট শ্রবণ করেছেন তাঁর দৌহিত্র আবদুর রহমান

ইবনে মাক্কি ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আল-হাসিব (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)

শনিবার, ১৮ই মহররম, ৫৭৬ হিজরি সনে

--------------------------------------------

(১) ইমাম বুখারী এটি «আল-আদাবুল মুফরাদ» (৭২৫), তিরমিযী (৩৫২৭), আহমদ (৫/ ২৩১, ২৩৫), আবদ ইবনে হুমাইদ (১০৭), ইবনে আবি শাইবাহ (২৯৩৫৬), বাজ্জার (২৬৩৪, ২৬৩৫) এবং তাবারানি ২০/ (৯৭, ৯৮, ৯৯) গ্রন্থে সাঈদ আল-জুরারির সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিযী ও ইরাকী এটিকে হাসান বলেছেন। আলবানী «আদ-দায়িফাহ» (৩৪১৬) গ্রন্থে বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য ও পরিচিত, শুধু এই আবু আল-ওয়ারদ ব্যতীত—যাকে কেউ নির্ভরযোগ্য বলেননি...