(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: -)
عوالي طراد الزينبي   (طراد الزينبي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: عوالي طراد الزينبي

[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]

المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار

الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان

الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 64

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445

আওয়ালি তিরাদ আদ-জয়নাবি   (তিরাদ আদ-জয়নাবি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আওয়ালি তিরাদ আদ-জয়নাবি

[«তিরাদ আদ-জয়নাবীর রচনাবলি এবং অন্যান্য অংশসমূহ»-এর অন্তর্ভুক্ত মুদ্রিত]

সম্পাদক: নাবিল সাদ আদ-দীন জাররার

প্রকাশক: আরওয়িকাহ লিদ-দিরাসাত ওয়ান-নাশর, জর্ডান - আম্মান

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫

(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
عَوالي طِرَادٍ الزَّينَبيِّ

تخريجُ أبي عليٍّ البَرَدانيِّ

في جُزأينِ لا ثالثَ لهما(1)، مِن رِوايةِ شُهدةَ الكاتبةِ عنه.

وقَولُ الذَّهبيِّ عَنها: «العوالي المشهورة»، يُنبئُ عن شُهرتِها واعتناءِ رُواةِ الحديثِ بها، وهي كذلكَ، فقَد ذكَرَها السِّراجُ القَزوينيُّ في «مشيخته» (ص 311)، والعلائيُّ في «إثارة الفوائد» (1/ 380)، وابنُ حَجرٍ في «المعجم المفهرس» (1337)، و «المجمع المؤسس» (1/ 468، 480)، وابنُ طُولونَ في «الفهرست الأوسط» (5/ 148)، والسُّيوطيُّ في «أنساب الكتب» (2020)، و «المنجم في المعجم» (ص 102)، كُلُّهم بأسانيدِهم إلى شُهدةَ.

ومِن رِوايتِها تكرَّرَ ذِكرُ هذه «العوالي» في كُتبِ التَّراجمِ، انظُر على سَبيلِ المِثالِ: «السير» (17/ 226)، «تاريخ الإسلام» (13/ 440، 14/ 163، 15/ 611)، «معجم السبكي» (ص 601)، «الوفيات» لابنِ رافعٍ (2/ 188)، «ذيل التقييد» للفاسيِّ (1/ 69، 261، 471)، «المشيخة الباسمة» تخريجُ ابنِ حجرٍ (ص 108)، «الضوء اللامع» للسَّخاويِّ (2/ 304).

أمَّا ابنُ خيرٍ الإِشبيليُّ فيَرويها في «فهرسته» (ص 160 - 161) مِن طريقِ أبي عليٍّ الصَّدَفيِّ، والقاضي أبي بكرِ بنِ العَربيِّ، وعبدِ الرحمنِ بنِ عبدِ الملكِ

--------------------------------------------

(1) قاله ابن طولون في «فهرسته».

তিরাদ আজ-জাইনাবীর ‘আওয়ালী’

আবু আলী আল-বারাদানীর তাখরীজকৃত

এটি দুই খণ্ডে সমাপ্ত, যার কোনো তৃতীয় খণ্ড নেই(১), যা তাঁর নিকট থেকে শুহদাহ আল-কাতিবার বর্ণনায় এসেছে।

এই গ্রন্থ সম্পর্কে ইমাম আয-যাহাবীর উক্তি: “আল-আওয়ালী আল-মাশহুরাহ” (সুপ্রসিদ্ধ আওয়ালীসমূহ), এর প্রসিদ্ধি এবং হাদীস বর্ণনাকারীদের নিকট এর গুরুত্বের কথা ব্যক্ত করে; আর এটি বাস্তবতই তেমন। সিরাজ আল-কাযওয়িনী তাঁর ‘মাশইয়াখাহ’ (পৃ. ৩১১) গ্রন্থে, আল-আলাঈ তাঁর ‘ইসারাতুল ফাওয়াইদ’ (১/৩৮০) গ্রন্থে, ইবনে হাজার তাঁর ‘আল-মুজামুল মুফাহরাস’ (১৩৩৭) ও ‘আল-মাজমাউল মুয়াসসিস’ (১/৪৬৮, ৪৮০) গ্রন্থে, ইবনে তুলুন তাঁর ‘আল-ফিহরিসতুল আওসাত’ (৫/১৪৮) গ্রন্থে এবং আস-সুয়ূতী তাঁর ‘আনসাবুল কুতুব’ (২০২০) ও ‘আল-মুনজাম ফিল মুজাম’ (পৃ. ১০২) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন; তাঁরা সকলেই শুহদাহ পর্যন্ত নিজ নিজ সনদসহ এটি বর্ণনা করেছেন।

তাঁর বর্ণনাসূত্রে এই ‘আওয়ালী’র উল্লেখ জীবনীগ্রন্থগুলোতে বারবার এসেছে; উদাহরণস্বরূপ দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (১৭/২২৬), ‘তারিখুল ইসলাম’ (১৩/৪৪০, ১৪/১৬৩, ১৫/৬১১), ‘মুজামুস সুবকী’ (পৃ. ৬০১), ইবনে রাফির ‘আল-ওয়াফায়াত’ (২/১৮৮), আল-ফাসীর ‘যাইলুত তাকয়ীদ’ (১/৬৯, ২৬১, ৪৭১), ইবনে হাজার সংকলিত ‘আল-মাশইয়াখাতুল বাসিমা’ (পৃ. ১০৮) এবং আস-সাখাবীর ‘আদ-দাওউল লামি’ (২/৩০৪)।

তবে ইবনে খায়র আল-ইশবিলী তাঁর ‘ফিহরিসত’ (পৃ. ১৬০-১৬১) গ্রন্থে আবু আলী আস-সাফাদী, আল-কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবী এবং আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মালিকের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) ইবনে তুলুন তাঁর ‘ফিহরিসত’ গ্রন্থে এটি বলেছেন।

(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢١)
بنِ غَشَلْيانَ(1)، إجازةً له وسماعاً للأُوليَينِ، عن طِرادٍ الزَّينبيِّ.

 

*‌‌ النُّسخُ الخَطيةُ:

وقَد يسَّرَ اللهُ لي الوقوفَ على نُسخَتينِ خَطيتَينِ لهذه العَوالي:

[1] النُّسخةُ الأُولى في الأوراقِ [104 - 118] مِن المجموعِ (1584) في مكتبةِ كُوبرلي في تُركيا.

وفي آخِرِها سماعاتٌ مُلخصةٌ مِن الأصلِ في سَنوات (691، 764، 756، 757 هـ).

* وهي مِن روايةِ أمِّ هانئٍ مريمَ بنتِ عليِّ بنِ عبدِ الرحمنِ الهُورينيِّ المصريةِ الشافعيةِ(2).

* عن النَّشاوريِّ عَفيفِ الدِّينِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ محمدِ بنِ سليمانَ أبي محمدٍ المكيِّ(3).

* عن الرَّضيِّ الطَّبريِّ إبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ أبي بكرِ بنِ محمدٍ أبي إسحاقَ المكيِّ(4).

--------------------------------------------

(1) أبو الحكم الأنصاري السرقسطي. توفي سنة (541 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (11/ 788).

(2) امرأة صالحة خيرة فاضلة كثيرة النحيب والبكاء عند ذكر الله ورسوله محبة في الحديث وأهله. توفيت سنة (871 هـ). انظر «الضوء اللامع» (12/ 156).

والسيوطي يروي هذا الجزء عنها.

(3) مسند مكة. توفي سنة (790 هـ). انظر «ذيل التقييد» (2/ 63).

(4) إمام المقام، شيخ عالم فقيه محدث عابد ورع كبير القدر، طلب الحديث وسمع ونسخ الأجزاء، وطال عمره وبعد صيته. توفي سنة (722 هـ). انظر «معجم الشيوخ» للذهبي (1/ 150)، و «الدرر الكامنة» (1/ 60).

বিন গাশলিয়ান(১), তাঁর প্রতি ইজাযত ও প্রথম দুটির শ্রবণের মাধ্যমে, তিরাদ আল-যাইনাবী থেকে।

 

*‌‌ পাণ্ডুলিপিসমূহ:

আল্লাহ তাআলা আমার জন্য এই আওয়ালি (উচ্চতর সনদবিশিষ্ট হাদিস)-এর দুটি পাণ্ডুলিপি পাওয়া সহজ করে দিয়েছেন:

[১] প্রথম পাণ্ডুলিপিটি তুরস্কের কোপরুলু লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত (১৫৮৪) নম্বর সংকলনের [১০৪ - ১১৮] পাতায় রয়েছে।

এর শেষে মূল কপি থেকে সংক্ষেপিত শ্রুতি-লিপি (সামা‘আত) রয়েছে যা হিজরি (৬৯১, ৭৬৪, ৭৫৬, ৭৫৭) সালের।

* আর এটি উম্মে হানি মারইয়াম বিনতে আলী বিন আব্দুর রহমান আল-হুরিনী আল-মিসরিয়্যাহ আশ-শাফিয়্যাহর(২) বর্ণনা থেকে।

* তিনি আন-নাশাওয়াুরী আফীফুদ্দীন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান আবু মুহাম্মাদ আল-মাক্কী(৩) থেকে।

* তিনি আর-রাদী আত-তাবারী ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন আবু বকর বিন মুহাম্মাদ আবু ইসহাক আল-মাক্কী(৪) থেকে।

--------------------------------------------

(১) আবু আল-হাকাম আল-আনসারী আস-সারাগোস্তি। তিনি (৫৪১ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: «তারিখুল ইসলাম» (১১/ ৭৮৮)।

(২) তিনি একজন নেককার, কল্যাণময়ী ও বিদুষী নারী ছিলেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের স্মরণে তিনি প্রচুর কান্নাকাটি ও রোনাজারি করতেন এবং হাদিস ও হাদিসবিদদের ভালোবাসতেন। তিনি (৮৭১ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: «আদ-দউ আল-লামি» (১২/ ১৫৬)। ইমাম সুয়ূতী এই অংশটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৩) মক্কার মুসনিদ। তিনি (৭৯০ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: «যায়লুত তাকয়ীদ» (২/ ৬৩)।

(৪) মাকাম (ইবরাহীম)-এর ইমাম, বরেণ্য শায়খ, আলিম, ফকীহ, মুহাদ্দিস, আবিদ ও অত্যন্ত পরহেযগার ব্যক্তি। তিনি হাদিস অন্বেষণ করেছেন, শ্রবণ করেছেন এবং অনেক জুয (অংশ) অনুলিপি করেছেন। তিনি দীর্ঘায়ু লাভ করেন এবং তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তিনি (৭২২ হিজরি) সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আয-যাহাবীর «মু'জামুশ শুয়ূখ» (১/ ১৫০) এবং «আদ-দুরারুল কামিনাহ» (১/ ৬০)।

(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
* عن ابن المُقَيَّرِ عليِّ بنِ الحسينِ بنِ عليِّ بنِ منصورٍ أبي الحسنِ البغداديِّ(1) إجازةً.

* عن شُهدةَ.

[2] والنُّسخةُ الثانيةُ ضمنَ المَجموعِ (452) مِن الخزانةِ الكتانيَّةِ، في الأوراقِ [101 - 119](2)، فَرغَ مِنها [محمدُ بنُ محمدِ منصور الحُسينيُّ(3) نهارَ الجمعةِ (26) شعبانَ سَنةَ (1881)(4)].

وهي تَتفقُ مَع السابقةِ في أنَّها مِن رِوايةِ النَّشاوريِّ عن الرَّضيِّ الطَّبريِّ، ثم أنَّهما مِن رِوايةِ ابنِ المُقَيَّرِ عن شُهدةَ، لكنْ تَفتَرقانِ بينَ ذلكَ، فالأُولى

--------------------------------------------

(1) الشيخ المسند الصالح رحلة الوقت. توفي سنة (643 هـ). انظر «السير» (23/ 119).

(2) كتب بخط باهت في أسفل الورقة الأولى [101]، والأخيرة [119] وخلت بقية الأوراق من أي ترقيم، فاعتمدت هذا الترقيم في الجزء وإن كان لا يتوافق مع ترقيم بقية الأجزاء في المجموع.

(3) لم أهتد إلى ترجمة الناسخ بادئ الأمر، حتى وقفت على ترجمته في مقدمة كتاب «بر الوالدين» للبخاري بتحقيق بسام الحمزاوي، فهو ناسخه أيضاً فرغ منه سنة (887 هـ).

وهو محمد بن محمد بن علي بن هاشم رضي الدين أبو بكر الحسيني الموسوي الحلبي الحنبلي، ويعرف بابن منصور، ومنصور هو لقب والده*. ولد بحلب سنة (863 هـ)، ونشأ بها فاشتغل وطلب الحديث، وقدم القاهرة مرتين. انظر «الضوء اللامع» (9/ 164)، «در الحبب في أعيان حلب» (2/ 310).

* لذلك سطر اسمه في آخر هذا الجزء وفي مواضع أخرى من هذا المجموع وفي «الرحلة الشامية» له -مخطوط في التيمورية [حديث 226] بخطه-: محمد بن محمد منصور.

(4) كذا، وظاهر ما فيه، والصواب -إن شاء الله-: (881). إذ في المجموع المذكور جزآن نسَخَهما ابن منصور بعده بيومين: الأحد (28) شعبان (881).

* ইবনুল মুকাইয়্যার আলি ইবনুল হুসাইন ইবনে আলি ইবনে মানসুর আবুল হাসান আল-বাগদাদি(১) থেকে ইজাজতপ্রাপ্ত হয়ে।

* শুহদাহ থেকে।

[২] এবং দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপিটি খিজানাতুল কাত্তানিয়্যাহ-এর (৪৫২) নম্বর সংকলনের অন্তর্ভুক্ত, পৃষ্ঠা [১০১ - ১১৯](২) এর মধ্যে। এটি সমাপ্ত করেছেন [মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ মানসুর আল-হুসাইনি(৩) জুমুয়াবার ২৬ শে শাবান ১৮৮১ হিজরি(৪) সালে]।

এটি পূর্ববর্তী পাণ্ডুলিপির সাথে এই বিষয়ে একমত যে, এটি রাজি আত-তাবারির সূত্রে আন-নাশাওয়ারির বর্ণনা। অতঃপর উভয়টিই শুহদাহর সূত্রে ইবনুল মুকাইয়্যারের বর্ণনা। কিন্তু এ দুটির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে; প্রথমটি হলো—

--------------------------------------------

(১) তিনি শাইখ, উচ্চ সনদধারী, নেককার এবং স্বীয় সময়ের একজন বড় পর্যটক ছিলেন। ৬৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘আস-সিয়ার’ (২৩/১১৯)।

(২) প্রথম পৃষ্ঠার নিচে [১০১] এবং শেষ পৃষ্ঠায় [১১৯] অস্পষ্ট হস্তাক্ষরে লেখা হয়েছে। বাকি পৃষ্ঠাগুলো কোনো প্রকার সংখ্যায়ন থেকে মুক্ত ছিল। তাই আমি এই খণ্ডে এই সংখ্যায়নটিই গ্রহণ করেছি, যদিও তা সংকলনের বাকি অংশগুলোর সংখ্যায়নের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

(৩) শুরুতে আমি অনুলিপিকারীর জীবনী খুঁজে পাচ্ছিলাম না, যতক্ষণ না বাসসাম আল-হামজাওয়ির সম্পাদনায় বুখারির ‘বিররুল ওয়ালিদাইন’ গ্রন্থের ভূমিকায় তার জীবনী পেলাম। তিনি সেটিরও অনুলিপিকারী এবং ৮৮৭ হিজরিতে তা সম্পন্ন করেন।

তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে হাশিম রাজি উদ্দিন আবু বকর আল-হুসাইনি আল-মুসাবি আল-হালাবি আল-হানবালি। তিনি ইবনে মানসুর নামে পরিচিত, আর মানসুর হলো তার পিতার উপাধি*। তিনি ৮৬৩ হিজরিতে হালাবে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি জ্ঞানচর্চায় নিয়োজিত হন ও হাদিস অন্বেষণ করেন এবং দুইবার কায়রো সফর করেন। দেখুন: ‘আদ-দাওউল লামি’ (৯/১৬৪), ‘দুররুল হাবাব ফি আইয়ানি হালাব’ (২/৩১০)।

* একারণেই এই খণ্ডের শেষে এবং এই সংকলনের অন্যান্য স্থানে এবং তার স্বহস্তে লিখিত ‘আর-রিহলাতুশ শামিয়্যাহ’ গ্রন্থে (তৈমুরিয়্যাহ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপি [হাদিস ২২৬]) তার নাম এভাবে লিখিত হয়েছে: মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ মানসুর।

(৪) মূল পাঠে এমনই আছে এবং যা প্রকাশমান। তবে সঠিক হলো—ইনশাআল্লাহ—(৮৮১)। কারণ উক্ত সংকলনে ইবনে মানসুর এর দুই দিন পর আরও দুটি খণ্ড অনুলিপি করেছেন: রবিবার ২৮ শে শাবান ৮৮১ হিজরি।

(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
تقدَّمَ أنَّها مِن رِوايةِ الرَّضيِّ الطَّبريِّ عن ابنِ المُقَيَّرِ إجازةً، أمَّا هذه فهي مِن رِوايةِ الرَّضيِّ الطَّبريِّ، عن المُحِبِّ الطَّبريِّ(1) سَماعاً، عن ابنِ المُقَيَّرِ سَماعاً(2).

وقَد تأخَّرَ وُصولُ هذِه النُّسخةِ إليَّ، بل لم أكنْ أعلمُ بها، حتى أرسَلَها لي الأخُ محمدٌ الشَّعار -صاحبُ دارِ الحديثِ الكتانيةِ- جزاهُ اللهُ خيراً، فوصَلتني وقَد حَققتُ الجُزءَ على نُسخةِ كوبرلي السابقةِ، ولمَّا قارنتُ بينَ النُّسختَينِ وَجدتُّ هذه أقلَّ خَطأً بمعدلِ النِّصفُ، فآثرتُ أن أتخِذَها أصلاً، ورَمزتُ للأُولى بـ (كو). واللهُ الموفقُ.

 

*‌‌ اسمُ الجزءِ:

واسمُ الجزءِ كما جاءَ في النُّسخةِ الأصلِ: الفوائدُ المُنتقاةُ الصِّحاحُ العَوالي تخريجُ الشيخِ الحافظِ أبي عليٍّ البَرَدانيِّ للشَّريفِ الكاملِ نَقيبِ النُّقباءِ أبي الفَوَارسِ طِرَادِ بنِ محمدٍ الزَّينَبيِّ عن شيوخِهِ.

وبذلكَ ذكَرَه القَزوينيُّ في «مشيخته».

وقريبٌ مِنه ما في «فهرست الإشبيلي»: الأحاديثُ العَوالي المُنتقاةُ

--------------------------------------------

(1) أحمد بن عبد الله بن محمد بن أبي بكر بن محمد أبو العباس المكي، الإمام المحدث المفتي فقيه الحرم شيخ الشافعية ومحدث الحجاز. توفي سنة (694 هـ). انظر «تذكرة الحفاظ» (4/ 177).

(2) وجمع بين الإسنادين السيوطي في «أنساب الكتب» (2020): أخبرتنا أم هانئ بنت أبي الحسن الهوريني سماعاً عليها: أخبرنا العفيف النشاوري: أخبرنا الرضي الطبري، عن أبي الحسن بن المقير -وحدثنا عنه المحب أحمد بن عبد الله الطبري-: أخبرتنا شهدة .. .

পূর্বে বর্ণিত হয়েছে যে, এটি ইবনুল মুকাইয়ির থেকে রাযী আত-তাবারীর ইজাযাহ সূত্রে বর্ণিত; তবে এটি মুহিব্ব আত-তাবারী(১)-এর মাধ্যমে শ্রবণ সূত্রে এবং ইবনুল মুকাইয়ির থেকে শ্রবণ সূত্রে রাযী আত-তাবারীর বর্ণনা(২)।

আমার কাছে এই পাণ্ডুলিপিটি পৌঁছাতে বিলম্ব হয়েছে, এমনকি আমি এটি সম্পর্কে জানতামও না, যতক্ষণ না দারুল হাদীস আল-কাত্তানিয়্যাহর স্বত্বাধিকারী ভাই মুহাম্মদ আশ-শা’আর এটি আমার নিকট পাঠিয়েছেন—আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দিন। এটি যখন আমার নিকট পৌঁছাল, ততক্ষণে আমি পূর্ববর্তী কোপরুলি পাণ্ডুলিপি অনুযায়ী এই খণ্ডটির তাহকীক সম্পন্ন করে ফেলেছিলাম। এরপর যখন আমি পাণ্ডুলিপি দুটির মধ্যে তুলনা করলাম, তখন দেখলাম যে এতে ভুলের পরিমাণ অর্ধেকেরও কম। তাই আমি এটিকে মূল (আসল) হিসেবে গ্রহণ করাকে শ্রেয় মনে করলাম এবং পূর্বেরটিকে (কু) সংকেত দিয়ে চিহ্নিত করলাম। আর আল্লাহই তাওফীকদাতা।

 

*‌‌ খণ্ডের নাম:

মূল পাণ্ডুলিপিতে খণ্ডটির নাম যেভাবে এসেছে: ‘আল-ফাওয়ায়েদুল মুনতাকাতুস সিহাহুল আওয়ালী’, এটি হাফেজ আবু আলী আল-বারাদানী কর্তৃক শরীফ কামেল নাকীবুন নুকাবা আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মদ আজ-জায়নাবীর জন্য তার মাশায়েখদের থেকে সংকলিত।

আল-কাযভীনী তার ‘মাশইয়াখাহ’-তে এভাবেই উল্লেখ করেছেন।

আর ‘ফিহরিস্তুল ইশবিলী’-তে এর কাছাকাছি নাম রয়েছে: ‘আল-আহাদীসুল আওয়ালীল মুনতাকাহ’

--------------------------------------------

(১) আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ আবুল আব্বাস আল-মাক্কী; ইমাম, মুহাদ্দিস, মুফতী, হারামের ফকীহ, শাফেঈদের শাইখ এবং হিজাযের মুহাদ্দিস। তিনি (৬৯৪ হিজরী) সালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তাযকিরাতুল হুফফায’ (৪/১৭৭)।

(২) আস-সুয়ূতী তার ‘আনসাবুল কুতুব’ (২০২০)-এ সনদ দুটির সমন্বয় ঘটিয়েছেন এভাবে: উম্মু হানি বিনতে আবুল হাসান আল-হাওরিনী আমাদের নিকট তার সামনে শ্রুত বর্ণনা হিসেবে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল-আফীফ আন-নাশাভুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: রাযী আত-তাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবুল হাসান ইবনুল মুকাইয়ির থেকে—এবং আমাদের নিকট তার সূত্রে মুহিব্ব আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তাবারী বর্ণনা করেছেন—তিনি বলেন: শুহদাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...।

(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
الصِّحاحُ المُخرَّجةُ مِن أصولِ سماعِ السيدِ الشريفِ نَقيبِ النُّقباءِ .. .

أمَّا في نُسخةِ كوبرلي: الجزءُ الأولُ والثاني مِن أُصولِ الشَّريفِ النَّقيبِ أبي الفَوارسِ طِرَادِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيِّ عن شُيوخِه تَخريجُ الشيخِ الحافظِ أبي عليٍّ البَرَدانيِّ له رحمه الله.

وأكثرُ المصادرِ تذكُرُه باسمِه المختصرِ: «عوالي طراد».

وبعضُهم يزيدُ: تخريج أبي عليٍّ البَرَدانيِّ.

وعندَ آخَرِين: «الأول والثاني من عوالي طراد».
সাইয়্যিদ শরীফ নাকীবুন নুকালা-এর মূল শ্রবণ-পাণ্ডুলিপি থেকে চয়নকৃত সহীহ হাদিসসমূহ...

পক্ষান্তরে কোপ্রুলু পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: শরীফ নাকীব আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আয-যাইনাবী তাঁর উস্তাদদের সূত্রে যা বর্ণনা করেছেন, সেই মূল পাণ্ডুলিপি থেকে সংকলিত প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড; যা হাফেজ আবু আলী আল-বারাদানী (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর জন্য চয়ন করেছেন।

অধিকাংশ উৎস-গ্রন্থে একে এর সংক্ষিপ্ত নামে উল্লেখ করা হয়েছে: "আওয়ালি তিরাদ"।

কেউ কেউ এর সাথে অতিরিক্ত যুক্ত করেন: "আবু আলী আল-বারাদানী কর্তৃক চয়নকৃত"।

আবার অন্যদের নিকট এটি: "আওয়ালি তিরাদ-এর প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড"।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
الجزءُ الأولُ والثاني

مِن الفوائدِ المُنتقاةِ الصِّحاحِ العَوالي

تَخريجُ الشيخِ الحافظِ أبي عليٍّ البَرَدانيِّ

للشَّريفِ الكامل نَقيبِ النُّقباءِ أبي الفَوارسِ طِرَادِ

بنِ محمدٍ الزَّينَبيِّ عن شُيوخِه

روايةُ الشيخةِ فَخرِ النِّساءِ شُهدةَ ابنةِ أحمدَ بنِ الفرجِ

الإِبريِّ عنه

روايةُ الشيخِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ أبي عبدِ اللهِ بنِ المُقَيَّرِ البغداديِّ عنها

روايةُ العلامةِ مُحبِّ الدِّينِ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ

بنِ أبي بكرٍ الطَّبريِّ عنه

روايةُ الشيخِ رَضيِّ الدِّينِ إبراهيمَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ الطَّبريِّ إمامِ المَقامِ عنه

روايةُ الشيخِ عَفيفِ الدِّينِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ محمدِ

بنِ سليمانَ النَّشاوِريِّ عنه
প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড

নির্বাচিত, বিশুদ্ধ ও উচ্চ সনদযুক্ত ফায়দাহসমূহ হতে

শায়খ আল-হাফিজ আবু আলী আল-বারদানীর সংকলন ও বিন্যাস (তাখরিজ)

শরিফুল কামেল নাকীবুন নুকাবা (প্রধানদের প্রধান) আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ

বিন মুহাম্মদ আয-যাইনাবীর সূত্রে তাঁর শায়খদের পক্ষ থেকে বর্ণিত

শায়খা ফখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আহমাদ বিন আল-ফারজ

আল-ইবরী কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত রেওয়ায়েত

শায়খ আবু আল-হাসান আলী বিন আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-মুকাইয়ির আল-বাগদাদী কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত রেওয়ায়েত

আল্লামা মুহিব্বুদ্দীন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ

বিন আবু বকর আত-তাবারী কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত রেওয়ায়েত

মাকামে ইব্রাহিমের ইমাম শায়খ রদিউদ্দীন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাবারী কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত রেওয়ায়েত

শায়খ আফীফুদ্দীন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ

বিন সুলাইমান আন-নাশাউরী কর্তৃক তাঁর থেকে বর্ণিত রেওয়ায়েত
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥١)
بسم الله الرحمن الرحيم

أخبرنا الشيخُ العلَّامةُ مُفتي المُسلمينَ مُحبُّ الدِّينِ أحمدُ بنُ عبدِ اللهِ الطَّبريُّ بقراءَتي عليه في شهرِ رَجبٍ سَنةَ (668) بالمدرسةِ المَنصوريةِ بمكةَ المُشرفةِ، بحقِّ سماعِهِ على الشيخِ الصالحِ أبي الحسنِ عليِّ بنِ المُقَيَّرِ البغداديِّ، بحقِّ سماعِهِ على الصالحةِ شُهدةَ بنتِ أحمدَ الإِبريِّ في جُمادَى الآخِرِ مِن سَنةِ (572) قالَت: قُرئَ على الشَّريفِ الكاملِ نَقيبِ النُّقباءِ أبي الفَوارسِ طِرَادِ بنِ محمدِ بنِ عليٍّ الزَّينَبيِّ وأنا أسمعُ في ذي القعدةِ مِن سَنةِ تِسعينَ وأربعِمئةٍ:

 

1 - أخبركم أبو نصرٍ أحمدُ(1) بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ الشيخُ الصالحُ قالَ: حدثنا(2) أبو جعفرٍ محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ الرَّزَّازُ إملاءً قالَ: حدثنا سعدانُ بنُ نصرٍ قالَ: حدثنا سفيانُ، عن الزُّهريِّ، عن عروةَ، عن زينبَ بنتِ أبي سلمةَ، عن حَبيبةَ، عن أمِّها أمِّ حَبيبةَ، عن زينبَ زوجِ النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالتْ:

استَيقظَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم مِن نومٍ مُحمَراً وجهُهُ وهو يقولُ: «لا إلهَ إلا اللهُ -ثلاثَ مراتٍ- ويلٌ للعربِ مِن شَرٍّ قَد اقتربَ، فُتحَ مِن رَدْمِ يأجوجَ ومأجوجَ

--------------------------------------------

(1) في (كو) بعد البسملة: رب زدني علماً

ثم بياض في الأصل بمقدار ستة أو سبعة أسطر، ثم: أخبرنا أبو نصر أحمد .. .

(2) سقطت من (كو).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

শায়খ, আল্লামা, মুসলিমদের মুফতি মুহিব্বুদ্দীন আহমাদ বিন আবদুল্লাহ আত-তাবারী ৬৬৮ হিজরি সনের রজব মাসে মক্কাতুল মোকাররমার মানসুরিয়া মাদ্রাসায় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি পুণ্যবান শায়খ আবুল হাসান আলী বিন আল-মুকায়্যার আল-বাগদাদীর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে এটি প্রাপ্ত হয়েছেন; তিনি পুণ্যবতী শুহদাহ বিনতে আহমাদ আল-ইবরীর নিকট থেকে ৫৭২ হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসে শ্রবণের মাধ্যমে এটি পেয়েছেন। তিনি (শুহদাহ) বলেন: আশ-শরীফুল কামিল নাকীবুন নুকাবা আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আজ-জাইনাবীর সামনে ৪৯০ হিজরি সনের জিলকদ মাসে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম:

 

১ - পুণ্যবান শায়খ আবু নাসর আহমাদ(১) বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন হাসনুন আন-নারসী আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারী আর-রাজ্জাজ আমাদের কাছে শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন(২), তিনি বলেন: সাদান বিন নাসর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি জয়নাব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি হাবীবা থেকে, তিনি তাঁর মা উম্মে হাবীবা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী জয়নাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরক্তিম চেহারায় ঘুম থেকে জেগে উঠলেন এবং বলছিলেন: «আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই -তিনবার- আরবদের জন্য ধ্বংস সেই অনিষ্টের কারণে যা নিকটবর্তী হয়েছে; ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে (ছিদ্র হয়েছে)

--------------------------------------------

(১) 'কাফ-ওয়াও' পাণ্ডুলিপিতে বিসমিল্লাহর পর রয়েছে: হে আমার প্রতিপালক, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।

এরপর মূল পাণ্ডুলিপিতে ছয় বা সাত লাইনের মতো শূন্যস্থান রয়েছে, তারপর: আবু নাসর আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...।

(২) এটি 'কাফ-ওয়াও' পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٢)
مِثلُ هذِه» وحَلَّقَ حلقةً، فقلتُ(1): يا رسولَ اللهِ أنَهلِكُ وفينا الصالِحونَ؟ قالَ: «نَعم، إذا كثُرَ الخَبثُ»(2).

رواهُ (خ) [7059] عن أبي غسانَ مالكِ بنِ إسماعيلَ النَّهديِّ. ورواهُ (م) [2880] عن أبي بكرِ بنِ أبي شيبةَ الكوفيِّ وسعيدِ بنِ عَمرو الأَشعثيِّ(3) وزهيرِ بنِ حربٍ، كلُّهم عن / سفيانَ، إلا أنَّ (خ) لم يَذكرْ حَبيبةَ في الإسنادِ(4).

 

2 - أخبرنا أبو الحسينِ(5) عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ بِشرانَ المُعدلُ السُّكريُّ(6) قالَ: حدثنا أبو عليٍّ إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ الصَّفارُ قراءةً عليه سَنة (336) قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ قالَ: حدثنا عبدُ الرزاقِ بنُ همامٍ قالَ: أخبرنا معمرٌ، عن هشامِ بنِ عروةَ، عن أبيه، عن زينبَ بنتِ أبي سلمةَ، عن أمِّ سلمةَ أنَّها قالتْ:

يا رسولَ اللهِ، إنَّ بَني أبي سلمةَ في حِجْري وليسَ لهم شيءٌ إلا ما أَنفقتُ عليهم، وليسَ(7) بتارِكتِهم، أفَلي أجرٌ إِن أَنفقتُ عليهم؟ فقالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «أنفِقي عليهم، فإنَّ لكِ أجرَ ما أَنفقتِ عَليهم»(8).

--------------------------------------------

(1) في (كو): قلت.

(2) هو في «ستة مجالس من أمالي ابن البختري» (63)، و «جزء سعدان بن نصر» (131).

ومن طريق المصنف أخرجته شهدة في «مشيختها» (10).

(3) تحرف في (كو) إلى: الأشعري.

(4) وكذا لم يذكرها مسلم في روايته عن عمرو الناقد، عن سفيان بن عيينة.

(5) تحرف في (كو) إلى: الحسن.

(6) من (كو)، وتحرف في الأصل إلى: البكري.

(7) كذا في الأصل، وفي (كو) والمصادر التي وقفت عليها: ولستُ.

(8) هو في «جامع معمر» (19628)، وليس في المطبوع: «عن أم سلمة».

ومن طريق المصنف أخرجته شهدة في «مشيختها» (2)، وابن المقير في «جزء من أحاديثه» (3)، والسبكي في «معجمه» (ص 605).
...এই পরিমাণ" এবং তিনি একটি বৃত্ত তৈরি করলেন। আমি বললাম(১): হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে নেককার লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, যখন পাপাচার বৃদ্ধি পাবে»(২)।

এটি বর্ণনা করেছেন (খ) [৭০৫৯] আবু গাসসান মালিক ইবন ইসমাঈল আন-নাহদী থেকে। এবং এটি বর্ণনা করেছেন (ম) [২৮৮০] আবু বকর ইবন আবি শায়বা আল-কুফি ও সাঈদ ইবন আমর আল-আশআসি(৩) এবং জুহাইর ইবন হারব থেকে; তারা সকলেই সুফিয়ান থেকে। তবে (খ) তাঁর সনদে হাবিবার কথা উল্লেখ করেননি(৪)।

 

২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন(৫) আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বিশরান আল-মুআদ্দিল আস-সুক্কারি(৬), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী ইসমাঈল ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসমাঈল আস-সাফফার, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছিল ৩৩৬ হিজরি সালে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন মানসুর। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক ইবন হাম্মাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি জয়নব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন:

হে আল্লাহর রাসূল, আবু সালামাহর সন্তানেরা আমার লালন-পালনে রয়েছে, তাদের জন্য আমার ব্যয় করা ছাড়া আর কিছুই নেই। আর আমি তাদের (অসহায় অবস্থায়) ছেড়ে দিতে পারি না(৭)। আমি যদি তাদের জন্য ব্যয় করি তবে কি আমি সওয়াব পাব? তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তুমি তাদের জন্য ব্যয় করো, কেননা তাদের ওপর যা কিছু ব্যয় করবে তার প্রতিদান তুমি পাবে»(৮)।

--------------------------------------------

(১) (কু)-তে আছে: কুলতু।

(২) এটি ইবনুল বাখতারির ‘আমালি’-র ‘সিত্তাতু মাজালিস’ (৬৩) এবং ‘জুযউ সা’দান ইবন নাসর’ (১৩১)-এ রয়েছে।

আর গ্রন্থকারের সনদে শাহদাহ তাঁর ‘মাশয়াখাহ’ (১০)-তে এটি সংকলন করেছেন।

(৩) (কু)-তে ভুলবশত ‘আল-আশআরি’ হয়ে গেছে।

(৪) অনুরূপভাবে মুসলিম আমর আন-নাক্বিদ থেকে সুফিয়ান ইবন উইয়াইনাহর মাধ্যমে বর্ণিত বর্ণনায় তাঁর নাম উল্লেখ করেননি।

(৫) (কু)-তে ভুলবশত ‘আল-হাসান’ হয়ে গেছে।

(৬) (কু) থেকে গৃহীত, মূল পাণ্ডুলিপিতে ভুলবশত ‘আল-বাকরি’ ছিল।

(৭) মূলে এভাবেই আছে, তবে (কু) এবং আমার কাছে প্রাপ্ত অন্যান্য উৎসগুলোতে রয়েছে: ‘ওয়া লাসতু’ (এবং আমি নই)।

(৮) এটি ‘জামে মা’মার’ (১৯৬২৮)-এ রয়েছে, তবে মুদ্রিত কপিতে ‘উম্মে সালামাহ থেকে’ কথাটি নেই।

আর গ্রন্থকারের সূত্রে শাহদাহ তাঁর ‘মাশয়াখাহ’ (২), ইবনুল মুক্বাইয়ার তাঁর ‘জুযউন মিন আহাদিসিহি’ (৩) এবং আস-সুবকি তাঁর ‘মু’জাম’ (পৃ. ৬০৫)-এ এটি সংকলন করেছেন।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٣)
أخرجَه (م) [1001] عن إسحاقَ بنِ راهويه وعن عبدِ بنِ حُميدِ بنِ نصرٍ الكَشيِّ، عن عبدِ الرزاقِ(1).

 

3 - أخبرنا أبو الحسينِ محمدُ بنُ الحسينِ [بنِ محمدِ] بنِ الفضلِ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا الحسنُ بنُ عَرفةَ بنِ يزيدَ العَبديُّ: حدثنا هُشيمٌ، عن أبي بشرٍ، عن سعيدِ بنِ جُبيرٍ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:

بِتُّ ليلةً(2) عندَ خالَتي ميمونةَ بنتِ الحارثِ، قالَ: فقامَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم يُصلِّي مِن الليلِ، قالَ: فقُمتُ عن يسارِهِ أُصلِّي بصلاتِهِ، قالَ: فأخذَ بذُؤابٍ كانَ لي أو برَأسي فأقامَني عن يمينِهِ(3).

رواهُ (خ) [5919] عن قُتيبةَ بنِ سعيدٍ(4) -وهو أبو رجاءٍ، وقيلَ: اسمُه(5) يحيى، وقيلَ: عليٌّ، وإنَّما غَلبَ عليه قُتيبةُ-، عن هُشيمٍ.

 

4 - أخبرنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ رِزْقويه: أخبرنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ قالَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ: عن الزُّهريِّ، / عن عُبيدِ اللهِ بنِ عبدِ اللهِ، عن ابنِ عباسٍ، عن مَيمونةَ،

أنَّ فأرةً وقعَت في سَمنٍ على عهدِ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فقالَ: «أَلقوها وما حَولَها

--------------------------------------------

(1) كما أخرجه والبخاري (1467) (5369) من طريق هشام بن عروة به.

(2) في (كو): ذات ليلة.

(3) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (81).

(4) تحرف في (كو) إلى: سعد.

(5) في (كو): وقيل إن اسمه.
এটি (মুসলিম) [১০০১] বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন রাহওয়াইহ এবং আবদ ইবন হুমাইদ ইবন নাসর আল-কাশশি থেকে, তারা আবদুর রাজ্জাক থেকে(১)।

 

৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আল-হুসাইন [ইবন মুহাম্মদ] ইবন আল-ফাদল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবন মুহাম্মদ আস-সাফফার: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন আরাফাহ ইবন ইয়াযিদ আল-আবদি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হুশাইম, আবু বিশর থেকে, তিনি সাঈদ ইবন জুবাইর থেকে, তিনি ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি এক রাতে(২) আমার খালা মাইমুনা বিনত আল-হারিসের নিকট রাত যাপন করলাম। তিনি বলেন: অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। তিনি বলেন: আমি তাঁর বাম পাশে সালাত আদায় করতে দাঁড়ালাম। তিনি বলেন: তখন তিনি আমার চুলের ঝুঁটি অথবা আমার মাথা ধরলেন এবং আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন(৩)।

এটি (বুখারি) [৫৯১৯] কুতাইবা ইবন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন(৪)—আর তিনি হলেন আবু রাজা, বলা হয় তাঁর নাম ইয়াহইয়া, আবার বলা হয় আলী, তবে কুতাইবা নামটিই তাঁর ওপর প্রসিদ্ধি লাভ করেছে—হুশাইম থেকে।

 

৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন রিযকুওয়াইহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন উমর ইবন আলী ইবন হারব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবন হারব, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন উয়াইনা: যুহরি থেকে, / উবাইদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে, তিনি মাইমুনা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে,

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে একটি ইঁদুর ঘিয়ের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। তখন তিনি বললেন: «তোমরা ওটি এবং তার চারপাশের অংশ ফেলে দাও

--------------------------------------------

(১) যেভাবে ইমাম বুখারিও (১৪৬৭) (৫৩৬৯) এটি হিশাম ইবন উরওয়ার সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(২) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: এক রাতে।

(৩) এটি «জুযউল হাসান ইবন আরাফাহ» (৮১)-তে রয়েছে।

(৪) (কু) পাণ্ডুলিপিতে বিকৃত হয়ে 'সা'দ' হয়ে গেছে।

(৫) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: এবং বলা হয় যে তাঁর নাম।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٤)
وكُلوهُ»(1).

رواهُ (خ) [5538] عن أبي بكرٍ عبدِ اللهِ بنِ الزبيرِ بنِ عيسى الحُميديِّ المكيِّ، عن سفيانَ بنِ عُيينةَ. وأخرجَه أيضاً [236] عن عليِّ بنِ المَدينيِّ عن مَعنِ بنِ عيسى القَزازِ، عن مالكٍ، عن الزُّهريِّ.

 

5 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ قالَ: أخبرنا(2) الحسينُ بنُ صفوانَ البَرذَعيُّ قالَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ عُبيدٍ(3) قالَ: حدثنا خالدُ بنُ خِداشٍ قالَ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن ثابتٍ، عن ابنِ بُريدةَ(4)، عن الأَغَرِّ المُزنيِّ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّه ليُغانُ على قَلبي فأستَغفرُ اللهَ في اليومِ(5) مئةَ مرَّةٍ».

--------------------------------------------

(1) هو في «جزء سفيان بن عيينة رواية الطائي» (18).

ومن طريق المصنف أخرجه الذهبي في «معجمه الكبير» (2/ 268).

(2) في (كو): حدثنا.

(3) في (كو): بن عبيد الله.

(4) كذا في الأصلين، وصوابه: (عن أبي بردة) -وهو ابن أبي موسى الأشعري- كما عند ابن أبي الدنيا في «التوبة» (172) وقد رواه المصنف من طريقه. والحديث معروف به.

ويظهر أن ما في الأصلين ليس خطأً من الناسخ، بل لعله هكذا في رواية شهدة عن المصنف، فقد وقع كذلك عند دانيال في «مشيخته» (119/أ- مخطوط)، والسبكي في «معجمه» (ص 606) * من طريقها.

ووقع على الصواب عند ابن الدبيثي في «ذيل تاريخ بغداد» (3/ 465) وقد رواه من وجه آخر عن المصنف. والله أعلم.

* وقال محققه: جاء في الحاشية تصويب نصه: (صوابه عن أبي بردة).

(5) في (كو) والمصادر السابقة الذكر: كل يوم.
এবং তা খাও।”(১)

এটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারি [৫৫৩৮] আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের বিন ঈসা আল-হুমাইদি আল-মাক্কি থেকে, তিনি সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ থেকে। এবং তিনি এটি আরও বর্ণনা করেছেন [২৩৬] আলী বিন আল-মাদিনি থেকে, তিনি মা’ন বিন ঈসা আল-কায্যায থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি যুহরি থেকে।

 

৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুয়াদ্দাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন(২) আল-হুসাইন বিন সাফওয়ান আল-বারযা’য়ি, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ(৩) তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খালিদ বিন খিদাশ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়িদ, সাবিত থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদাহ(৪) থেকে, তিনি আল-আগার আল-মুযানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই আমার অন্তরে আবরণ পড়ে, তাই আমি দিনে(৫) একশত বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি।”

--------------------------------------------

(১) এটি ‘জুযউ সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ রিওয়ায়াতুত তায়ি’ (১৮)-তে রয়েছে।

এবং লেখকের সূত্র ধরে আয-যাহাবি এটি তাঁর ‘মু’জামুল কাবীর’ (২/২৬৮)-এ বর্ণনা করেছেন।

(২) ‘কু’ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

(৩) ‘কু’ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: বিন উবাইদুল্লাহ।

(৪) মূল কপি দুটিতে এমনই রয়েছে, তবে এর সঠিক হলো: (আবু বুরদাহ থেকে) —তিনি হলেন ইবনে আবু মুসা আল-আশ’আরি— যেমনটি ইবনে আবিদ দুনিয়ার ‘আত-তাওবাহ’ (১৭২)-তে বর্ণিত হয়েছে এবং লেখক তাঁর সূত্রেই এটি বর্ণনা করেছেন। হাদিসটি তাঁর মাধ্যমেই প্রসিদ্ধ।

দৃশ্যত মূল কপি দুটিতে যা রয়েছে তা লিপিকারের ভুল নয়, বরং সম্ভবত লেখকের কাছ থেকে শাহদাহর বর্ণনায় এমনই ছিল। কেননা দানিয়ালের ‘মাশইয়াখাহ’ (১১৯/আ- পাণ্ডুলিপি) এবং আস-সুবকির ‘মু’জাম’ (পৃ. ৬০৬)-এ তাঁর সূত্রেই এভাবেই এসেছে।

আর ইবনে আদ-দুবাইছির ‘যাইলু তারিখি বাগদাদ’ (৩/৪৬৫)-এ এটি সঠিকভাবে এসেছে এবং তিনি লেখকের কাছ থেকে অন্য একটি সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

* এর গবেষক বলেছেন: পার্শ্বটীকায় মূল পাঠের সংশোধনী এসেছে: (সঠিক হলো আবু বুরদাহ থেকে)।

(৫) ‘কু’ পাণ্ডুলিপি এবং পূর্বে উল্লেখিত উৎসগুলোতে রয়েছে: প্রতিদিন।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٥)
أخرجَه (م) [2702] عن أبي الرَّبيعِ الزَّهرانيِّ، عن حمادٍ.

وليسَ للأَغَرِّ(1) المُزنيِّ غيرُ هذا، ولم يُخرِّج له (خ) شيئاً.

 

6 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ، عن همامٍ، أنَّه سمعَ أبا هريرةَ يقولُ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يقُلْ أحدُكم(2): اللهمَّ اغفِرْ لي إنْ شِئتَ، اللهمَّ ارحمْني إنْ شِئتَ، اللهمَّ ارزقْني إنْ شِئتَ، لِيَعزِمْ مَسألتَه، فإنَّه يَفعلُ ما يشاءُ لا مُكرِهَ له»(3).

رواهُ (خ) [7477] عن يحيى بنِ موسى خَتٍّ، عن عبدِ الرزاقِ.

 

7 - أخبرنا القاضي الشريفُ أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ (بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ)(4) بنِ داودَ بنِ عيسى بنِ موسى بنِ عليِّ بنِ / عبدِ اللهِ بنِ عباسٍ في سلخِ شهرِ رمضانَ سَنةَ (411) قالَ: حدثنا أبو عَمرو عثمانُ بنُ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ الدَّقاقُ إملاءً قالَ: حدثنا

--------------------------------------------

(1) في (كو): الأغر.

(2) في (كو): أحد.

(3) هو في «جامع معمر» (19641).

ومن طريق المصنف أخرجه ابن العديم في «تاريخ حلب» (6/ 2730 - 2731).

(4) وهكذا في «مشيخة ابن طرخان» -ولم يثبتها المحقق وهي في الأصل-، و «معجم السبكي»، ولم ترد في «مشيخة شهدة»، وكلهم من طريق المصنف، ولم يذكرها الخطيب في ترجمة العيسوي من «تاريخه» (13/ 450)، ولعله الصواب. والله أعلم.

وقوله بعدها «بن داود» سقط من (كو).
এটি মুসলিম (২৭০২) আবু রাবি' আয-যাহরানি হতে, তিনি হাম্মাদ হতে বর্ণনা করেছেন।

আর আল-আগার(১) আল-মুযানী-এর এটি ছাড়া আর কোনো বর্ণনা নেই, এবং ইমাম বুখারি তাঁর থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করেননি।

 

৬ - আলী বিন মুহাম্মদ বিন বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আহমদ বিন মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মা'মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মাম হতে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযি.)-কে বলতে শুনেছেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যেন না বলে(২): হে আল্লাহ, আপনি চাইলে আমাকে ক্ষমা করুন; হে আল্লাহ, আপনি চাইলে আমার প্রতি দয়া করুন; হে আল্লাহ, আপনি চাইলে আমাকে রিযিক দিন। বরং সে যেন দৃঢ়তার সাথে প্রার্থনা করে, কেননা তিনি যা চান তা-ই করেন, তাঁকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই»(৩)।

এটি বুখারি (৭৪৭৭) ইয়াহইয়া বিন মুসা খাত্ত হতে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক হতে বর্ণনা করেছেন।

 

৭ - আল-কাদি আশ-শরিফ আবুল হাসান আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ (বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ)(৪) বিন দাউদ বিন ঈসা বিন মুসা বিন আলী বিন / আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস ৪১১ হিজরির রমজান মাসের শেষে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আমর উসমান বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আদ-দাক্কাক শ্রুতিলিপি হিসেবে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) 'কু' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল-আগার।

(২) 'কু' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: কেউ (আহাদ)।

(৩) এটি 'জামে মা'মার' (১৯৬৪১)-এ রয়েছে।

আর গ্রন্থকারের সূত্রের মাধ্যমে ইবনুল আদীম এটি 'তারিখে হালাব' (৬/২৭৩০-২৭৩১)-এ বর্ণনা করেছেন।

(৪) এটি 'মাশয়াখাতু ইবনে তারখান'-এ এভাবেই আছে —তবে গবেষক এটি অন্তর্ভুক্ত করেননি অথচ এটি মূল পাণ্ডুলিপিতে আছে— এবং 'মু'জামুস সুবকি'-তে। এটি 'মাশয়াখাতু শাহদাহ'-তে আসেনি, তাঁরা সবাই গ্রন্থকারের সূত্রের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আর খতিব তাঁর 'তারিখ' (১৩/৪৫০)-এ আল-ঈসাভির জীবনীতে এটি উল্লেখ করেননি, আর সম্ভবত এটিই সঠিক। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

আর এরপরের 'বিন দাউদ' কথাটি 'কু' পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٦)
أبو سعيدٍ عبدُ الرحمنِ بنُ محمدِ بنِ منصورٍ الحارثيُّ سَنةَ (271): حدثنا يحيى بنُ سعيدٍ القَطانُ: حدثنا الأعمشُ: حدثنا زيدُ بنُ وهبٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ مسعودٍ قالَ:

حدثنا رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وهو الصادقُ المُصدَّقُ(1): «إنَّ أحدَكم يُجمَعُ خَلقُه في بطنِ أُمِّه أربعينَ يوماً -أو قالَ: أربعينَ ليلةً-، ثم يكونُ عَلقةً مِثلَ ذلكَ، ثم يكونُ مُضغةً مِثلَ ذلكَ، ثم يُرسَلُ إليه المَلَكُ فيُؤمَرُ بأربعِ كلماتٍ، قالَ: فيَكتبُ رِزقَه، وأجَلَه، وعمَلَه، وشقيٌّ أو سعيدٌ، ويُنفَخُ(2) فيه الروحُ» قالَ: «فوَالذي لا إلهَ غيرُه إنَّ أحدَكم ليَعملُ بعملِ أهلِ الجَنةِ حتى ما يكونُ بينَه وبينَها إلا ذراعٌ، فيَسبقُ عليه الكتابُ فيُختَمُ له بعملِ النارِ فيكونُ مِن أهلِها، وإنَّ أحدَكم ليَعملُ بعملِ النارِ حتى ما يكونُ بينَه وبينَها إلا ذراعٌ فيَسبقُ عليه الكتابُ فيُختَمُ له بعملِ الجَنةِ(3) فيَكونُ مِن أهلِها».

أخرجَه (خ) عن أبي الوليدِ هشامِ بنِ عبدِ الملكِ الطَّيالسيِّ [6594]، وعن آدمَ بنِ أبي إياسٍ [7454]-وهو أبو الحسنِ المَروزيُّ، ثم نَزلَ عَسقلانَ فقيلَ له: العَسقلانيُّ-، عن شعبةَ. وأخرجَه (م) [2643] عن أبي بكرِ بنِ أبي

--------------------------------------------

(1) كذا في الأصل، وفي (كو) ومصادر التخريج: المصدوق.

(2) في (كو): ثم ينفخ.

(3) في (كو): فيعمل بعمل الجنة.

والحديث في فوائد العيسوي» (28).

ومن طريق المصنف أخرجته شهدة في «مشيختها» (1)، وابن طرخان في «مشيخته» (ص 204 - 205)، والسبكي في «معجمه» (ص 222)، وأبو بكر المراغي في «مشيخته» (ص 134 - 135).

ويأتي بنفس الإسناد (152)، وعن العيسوي بإسناد آخر (77)، وبإسناد ثالث عن الأعمش (499).
আবু সাঈদ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মানসুর আল-হারিছি, বছর (২৭১): আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আমাশ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন ওয়াহাব, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমাদের নিকট আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন সত্যবাদী ও (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সত্যায়িত(১): «তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টির উপাদান তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন -অথবা তিনি বলেছেন: চল্লিশ রাত- একত্রিত করা হয়, তারপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য রক্তপিণ্ডে পরিণত হয়, তারপর তা অনুরূপ সময়ের জন্য মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়। এরপর তার নিকট ফেরেশতা পাঠানো হয় এবং তাকে চারটি বিষয় (লিখে রাখার) নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি (রাসূল) বললেন: অতঃপর সে তার রিজিক, তার আয়ু, তার কর্ম এবং সে হতভাগ্য না কি সৌভাগ্যবান তা লিখে দেয়। এরপর তার মধ্যে রুহ ফুঁকে দেওয়া হয়(২)» তিনি বললেন: «সেই সত্তার কসম, যাঁর ব্যতীত অন্য কোনো ইলাহ নেই! তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি অবশ্যই জান্নাতিদের আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাত ব্যবধান থাকে, এমন সময় তার ওপর তাকদির প্রবল হয় এবং তার পরিসমাপ্তি ঘটে জাহান্নামিদের আমলের মাধ্যমে, ফলে সে জাহান্নামিদের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি অবশ্যই জাহান্নামিদের আমল করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মধ্যে মাত্র এক হাত ব্যবধান থাকে, এমন সময় তার ওপর তাকদির প্রবল হয় এবং তার পরিসমাপ্তি ঘটে জান্নাতিদের আমলের মাধ্যমে(৩), ফলে সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হয়।»

এটি ইমাম বুখারি (খ) আবু আল-ওয়ালিদ হিশাম বিন আব্দুল মালিক আল-তায়ালিসি [৬৫৯৪] থেকে এবং আদম বিন আবি ইয়াস [৭৪৫৪]—যিনি আবু আল-হাসান আল-মারওয়াযি, পরবর্তীতে আসকালানে বসবাস করায় তাকে আসকালানি বলা হয়—শু’বাহর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম (ম) [২৬৪৩] এটি আবু বকর বিন আবি... থেকে বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে (কু) এবং তাখরিজের উৎসসমূহে রয়েছে: আল-মাসদুক।

(২) (কু)-তে আছে: অতঃপর রুহ ফুঁকে দেওয়া হয়।

(৩) (কু)-তে আছে: অতঃপর সে জান্নাতিদের আমল করে।

হাদিসটি 'ফাওয়ায়িদুল ইসাউয়ি' (২৮)-তে রয়েছে।

গ্রন্থকারের সূত্রে এটি শাহদাহ তার ‘মাশয়াখা’ (১), ইবনে তারখান তার ‘মাশয়াখা’ (পৃ. ২০৪ - ২০৫), সুবকি তার ‘মু’জাম’ (পৃ. ২২২) এবং আবু বকর আল-মারাগি তার ‘মাশয়াখা’ (পৃ. ১৩৪ - ১৩৫)-তে বর্ণনা করেছেন।

এটি একই সনদে (১৫২), আল-ইসাউয়ি থেকে অন্য সনদে (৭৭) এবং আল-আমাশ থেকে তৃতীয় আরেকটি সনদে (৪৯৯) আসবে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٧)
شيبةَ عن أبي معاويةَ محمدِ بنِ خازمٍ، وعن محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ نُميرٍ عن أبيه، وعن(1) عثمانَ بنِ أبي شيبةَ عن جريرِ بنِ عبدِ الحميدِ، كلُّهم عن الأعمشِ.

وأخرجَه (م) أيضاً نازِلاً عن عُبيدِ اللهِ بنِ معاذِ بنِ معاذٍ العَنبريِّ، عن أبيه، [عن شعبةَ]، عن الأعمشِ. وكأنَّ(2) القاضي الشريفَ / سمعَه مِن(3) (م).

والحُفاظُ مِن المُحدِّثينَ، لهم عِنايةٌ بجمعِ طُرقِه ويُسمُّونَه حديثَ القَدَرِ.

 

8 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ(4): حدثنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ، عن الزُّهريِّ قالَ: أخبرني أبو سلمةَ بنُ عبدِ الرحمنِ والأَغَرُّ أبو عبدِ اللهِ صاحبُ أبي هريرةَ، أنَّ أبا هريرةَ أخبرهما،

عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «يَنزلُ ربُّنا عز وجل كلَّ ليلةٍ حينَ يَبقى الثلثُ الآخِرُ إلى السماءِ الدُّنيا فيقولُ: مَن يَدْعوني فأَستَجيبَ(5) له، مَن يَستَغفرُني فأَغفرَ له، مَن يَسألُني فأُعطيَه»(6).

رواه مالكٌ في «الموطأ» [1/ 214] عن الزُّهريِّ. ورواهُ أحمدُ بنُ حنبلٍ [2/ 267] عن عبدِ الرزاقِ. ورواه البخاريُّ عن القَعنبيِّ [1145]،

--------------------------------------------

(1) من (كو)، وفي الأصل: عن.

(2) في (كو): فكأن.

(3) من (كو)، وفي الأصل: عن.

(4) تحرف في (كو) إلى: بشار.

(5) في (كو): أستجيب.

(6) هو في «جامع معمر» (19653).
শায়বাহ আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মাদ ইবনে খাযিম থেকে, এবং মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর তাঁর পিতা থেকে, এবং(১) উসমান ইবনে আবু শায়বাহ জারির ইবনে আব্দুল হামিদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে আল-আ'মাশ থেকে।

এবং এটি (ম) 'নাযিল' (নিম্নতর) সনদে উবায়দুল্লাহ ইবনে মুয়ায ইবনে মুয়ায আল-আনবারী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, [শু'বাহ থেকে], তিনি আল-আ'মাশ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর মনে হয়(২) আল-কাজী আশ-শরীফ এটি (ম) থেকে(৩) শুনেছেন।

মুহাদ্দিসগণের মধ্যে যাঁরা হাফেয, তাঁরা এর সূত্রসমূহ সংগ্রহের ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান ছিলেন এবং তাঁরা একে তাকদীরের হাদীস নামে অভিহিত করেন।

 

৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বিশরান(৪): আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার: আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসুর: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, আয-যুহরী থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান এবং আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গী আল-আগার আবু আব্দুল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু তাঁদের উভয়কে সংবাদ দিয়েছেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «আমাদের মহান ও পরাক্রমশালী রব প্রতি রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে, তখন দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন: কে আছো যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব(৫)? কে আছো যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব? কে আছো যে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব?»(৬)।

ইমাম মালেক এটি «আল-মুয়াত্তা» [১/ ২১৪] গ্রন্থে আয-যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ইবনে হাম্বল এটি [২/ ২৬৭] আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং বুখারী এটি আল-কা'নাবী থেকে [১১৪৫] বর্ণনা করেছেন,

--------------------------------------------

(১) (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে, আর মূলে রয়েছে: ‘আন’ (থেকে)।

(২) (কু)-তে রয়েছে: ‘ফাকান’ (সুতরাং যেন)।

(৩) (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে, আর মূলে রয়েছে: ‘আন’ (থেকে)।

(৪) (কু)-তে এটি বিকৃত হয়ে ‘বাশার’ হয়েছে।

(৫) (কু)-তে রয়েছে: ‘আসতাজিবু’।

(৬) এটি «জামে মা’মার» (১৯৬৫৩)-এ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٨)
وعن عبدِ العزيزِ بنِ عبدِ اللهِ الأُويسيِّ [6321] عن مالكٍ. ورواه (م) [758] عن يحيى بنِ يحيى، عن مالكٍ.

 

9 - أخبرنا أبو الفرجِ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ عمرَ بنِ الحسنِ بنِ المُسْلِمةِ(1) المُعدلُ إملاءً سَنةَ (412): حدثنا(2) أبو بكرٍ أحمدُ بنُ يوسفَ بنِ خَلَّادٍ: حدثنا الحارثُ بنُ محمدِ بنِ أبي أسامةَ: حدثنا عفانُ: حدثنا همامٌ، عن قتادةَ، أنَّ عَوناً وسعيدَ بنَ أبي بُردةَ حدَّثاه، أنَّهما شهِدا أبا بُردةَ يُحدِّثُ عمرَ بنَ عبدِ العزيزِ، عن أبيه،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «لا يَموتُ رَجلٌ مُسلمٌ إلا أدخَلَ اللهُ تبارك وتعالى مَكانَه النارَ يَهودياً أو نَصرانياً».

قالَ: فاستحلَفَه عمرُ بنُ عبدِ العزيزِ بالَّذي(3) لا إلهَ إلا هو / ثلاثَ مرَّاتٍ أنَّ أباه حدَّثه عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قالَ: فحلَفَ له، فلم يُحدِّثني سعيدٌ أنَّه استحلَفَه، ولم يُنكِر على عَونٍ قولَه(4).

أخرجَه (م) [2767 - 50] عن أبي بكرِ بنِ أبي شَيبةَ، عن عفانَ بنِ مسلمٍ.

 

10 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه قالَ:

--------------------------------------------

(1) من (كو)، وتحرف في الأصل إلى: المسلم.

(2) في (كو): أخبرنا.

(3) في (كو): بالله الذي .. .

(4) أخرجته شهدة في «مشيختها» (8) عن المصنف. ويأتي (188).
আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-উয়ায়সী [৬৩২১] মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং এটি (মুসলিম) [৭৫৮] বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মালিক থেকে।

 

৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে হাসান ইবনে আল-মুসলিমাহ(১) আল-মুআদ্দিল, ৪১২ হিজরি সনে শ্রুতলিখন হিসেবে: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন(২) আবু বকর আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি উসামাহ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আফফান: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, কাতাদাহ থেকে, আউন এবং সাঈদ ইবনে আবি বুরদাহ তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁরা দুজন আবু বুরদাহকে উমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে তাঁর পিতার পক্ষ থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «কোনো মুসলিম ব্যক্তি মারা যায় না, তবে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তাআলা তার পরিবর্তে জাহান্নামে একজন ইহুদি অথবা একজন খ্রিস্টানকে প্রবেশ করান।»

তিনি বলেন: অতঃপর উমর ইবনে আব্দুল আজিজ তাঁকে সেই সত্তার কসম করালেন(৩) যাঁকে ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই - তিনবার - যে তাঁর পিতা তাঁকে এটি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি তাঁর কাছে শপথ করলেন; তবে সাঈদ আমাকে বর্ণনা করেননি যে তিনি তাঁকে শপথ করিয়েছেন, আর তিনি আউনের কথার কোনো প্রতিবাদও করেননি(৪)।

এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [২৭৬৭ - ৫০] আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ থেকে, তিনি আফফান ইবনে মুসলিম থেকে।

 

১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুআদ্দিল: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সাফফার: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মনসুর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর ইবনে মুত’ইম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) 'কু' পাণ্ডুলিপি থেকে, মূল পাঠে এটি বিকৃত হয়ে 'আল-মুসলিম' হয়ে গিয়েছিল।

(২) 'কু' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

(৩) 'কু' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আল্লাহর নামে, যিনি...

(৪) শাহদাহ এটি তাঁর «মাশয়াখাহ» (৮) গ্রন্থে সংকলকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এবং এটি সামনে (১৮৮) নম্বরে আসবে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٥٩)
سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «إنَّ لي أسماءً: أنا محمدٌ، وأنا أحمدُ، وأنا الماحي(1) الذي يَمحو اللهُ بي الكفرَ، وأنا الحاشِرُ الذي يُحشَرُ الناسُ على قَدمي، وأنا العاقِبُ».

قالَ: قلتُ للزُّهريِّ: ما العاقِبُ؟ قالَ: الذي ليسَ بعدَه نبيٌّ صلى الله عليه وسلم(2).

أخرجَه (خ) عن محمودِ بنِ غَيلانَ(3). وأخرجَه (م) [2354] عن عبدِ بنِ حُميدٍ. كِلاهما عن عبدِ الرزاقِ.

 

11 - أخبرنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ رِزْقويه قالَ: أخبرنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ: [حدثنا عليُّ بنُ حربٍ]: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه قالَ:

قالَ النبيُّ(4) صلى الله عليه وسلم: «إنِّي أنا محمدٌ، وأنا أحمدُ، وأنا الماحي الذي يُمحَى بي الكفرُ، وأنا الحاشِرُ الذي أحشُرُ الناسَ، وأنا العاقِبُ الذي ليسَ بَعدي نبيٌّ»(5).

--------------------------------------------

(1) في (كو): إن لي أسماء: إني أنا أحمد، والماحي .. .

(2) هو في «جامع معمر» (19657).

(3) ليس هو عند البخاري عن محمود بن غيلان، بل لم يخرجه من طريق عبد الرزاق أصلاً، إنما أخرجه من طريق مالك (3532) وشعيب (4896) عن الزهري.

وانظر ما بعده.

(4) في (كو): رسول الله.

(5) هو في «حديث سفيان بن عيينة» رواية علي بن حرب الطائي (36).

ومن طريق المصنف أخرجه عبد الخالق الحنفي في «معجمه» (182)، وابن عساكر في «معجمه» (132) (545) (829)، وفي «تاريخه» (3/ 22)، وشهدة في «مشيختها» (3)، والتجيبي في «برنامجه» (ص 164 - 165)، والسبكي في «معجمه» (ص 569).

ويأتي بنفس الإسناد (95) (222)، وانظر ما قبله.
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমার বেশ কিছু নাম রয়েছে: আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহি(১) যার মাধ্যমে আল্লাহ কুফর মিটিয়ে দেন, আমি আল-হাশির যার পায়ের ওপর মানুষকে হাশর করা হবে (একত্রিত করা হবে), এবং আমি আল-আকিব»।

তিনি বললেন: আমি যুহরিকে জিজ্ঞেস করলাম: আল-আকিব কী? তিনি বললেন: যার পরে কোনো নবী নেই, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম(২)।

এটি বুখারি মাহমুদ ইবন গাইলান থেকে বর্ণনা করেছেন(৩)। এবং এটি মুসলিম [২৩৫৪] আবদ ইবন হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়েই আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

১১ - মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন রিজকওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন উমর ইবন আলি ইবন হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: [আলি ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন]: সুফইয়ান ইবন উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন জুবাইর ইবন মুতইম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:

নবী(৪) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহি যার মাধ্যমে কুফর মিটিয়ে দেওয়া হয়, আমি আল-হাশির যে মানুষকে একত্রিত করবে, এবং আমি আল-আকিব যার পরে কোনো নবী নেই»(৫)।

--------------------------------------------

(১) ‘কু’ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: নিশ্চয়ই আমার নামসমূহ রয়েছে: আমি আহমাদ এবং আল-মাহি...।

(২) এটি ‘জামে মা'মার’ (১৯৬৫৭)-এ রয়েছে।

(৩) এটি বুখারিতে মাহমুদ ইবন গাইলান থেকে নেই, বরং তিনি এটি মূলগতভাবে আবদুর রাজ্জাকের সূত্রে বর্ণনা করেননি, বরং তিনি এটি মালিক (৩৫৩২) ও শুআইব (৪৮৯৬) এর সূত্রে যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং পরবর্তীটি দেখুন।

(৪) ‘কু’ পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ।

(৫) এটি ‘হাদিস সুফইয়ান ইবন উয়াইনাহ’ আলি ইবন হারব আত-তাঈ-এর বর্ণনা (৩৬)-এ রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি আব্দুল খালেক আল-হানাফি তার ‘মুজাম’ (১৮২)-এ, ইবন আসাকির তার ‘মুজাম’ (১৩২) (৫৪৫) (৮২৯)-এ এবং তার ‘তারিখ’ (৩/২২)-এ, শাহদাহ তার ‘মাশয়াখাহ’ (৩)-এ, আত-তুজিবি তার ‘বারনামাজ’ (পৃ. ১৬৪ - ১৬৫)-এ এবং আস-সুবকি তার ‘মুজাম’ (পৃ. ৫৬৯)-এ বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি একই সনদে (৯৫) (২২২) সামনে আসবে, আর পূর্ববর্তীটি দেখুন।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٠)
أخرجَه (م) [2354] عن زهيرِ بنِ حربٍ وإسحاقَ بنِ رَاهويه ومحمدِ بنِ يحيى بنِ أبي عمرَ العَدَنيِّ، ثلاثتُهم عن سفيانَ بنِ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ. وأخرجَه (خ) [3532] عن إبراهيمَ بنِ المنذرِ الحِزاميِّ، عن مَعنِ بنِ عيسى القَزازِ، عن مالكِ بنِ أنسٍ، عن الزُّهريِّ. وأخرجَه (م) أيضاً عن عبدِ الملكِ بنِ شعيبِ بنِ الليثِ بنِ سعدٍ، عن أبيه، عن جدِّه، عن عُقيلٍ، عن الزُّهريِّ.

وكانَت وفاةُ عبدِ الملكِ بنِ شُعيبٍ سَنةَ (248). / ووفاةُ شيخِنا ابنِ رِزْقويه سَنةَ (412).

 

12 - أخبرنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ عمرَ بنِ بَرهانَ الغَزَّالُ الشيخُ الصالحُ: حدثنا أبو عَمرو عثمانُ بنُ أحمدَ المعروفُ بابنِ السَّمَّاكِ إملاءً: حدثنا أبو قِلابةَ عبدُ الملكِ بنُ محمدٍ الرَّقَاشيُّ: حدثنا أزهرُ بنُ سعدٍ السَّمانُ: حدثنا ابنُ عونٍ، عن إبراهيمَ، عن عَبيدةَ، عن عبدِ اللهِ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «خيرُ الناسِ قَرني، ثم الذينَ يَلونَهم، ثم الذينَ يَلونَهم(1)» لا أدْري أذَكرَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بعدَ قَرنِه قَرنَينِ أو ثلاثةً.

صحيحٌ مِن حديثِ أبي مسلمٍ عَبيدةَ بنِ عَمرو السَّلْمانيِّ -وسلمانُ بَطنٌ مِن مرادٍ- عن ابنِ مسعودٍ. وثابتٌ(2) مِن روايةِ أبي عمرانَ إبراهيمَ بنِ يزيدَ النَّخعيِّ. رواه (م) [2533] عن الحسنِ بنِ عليٍّ الحُلوانيِّ، عن أزهرَ بنِ سعدٍ

--------------------------------------------

(1) في (كو) هنا زيادة: «ثم الذين يلونهم» وعليها علامات التضبيب.

وهي ثابتة في أصل «مشيخة شهدة» (7) عن المصنف، ووردت عند أحمد (1/ 378)، وابن حبان (7227) وغيرهما من طريق إبراهيم النخعي.

وقوله بعده: لا أدري. في (كو): ولا أدري.

(2) في (كو): ثابت.
এটি বর্ণনা করেছেন (ম) [২৩৫৪] যুহাইর ইবনে হারব, ইসহাক ইবনে রাহাওয়াইহ এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর আল-আদানি থেকে, তাঁরা তিনজনেই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি যুহরি থেকে। আর এটি বর্ণনা করেছেন (খ) [৩৫৩২] ইব্রাহিম ইবনে আল-মুনজির আল-হিযামি থেকে, তিনি মান ইবনে ঈসা আল-ক্বাযায থেকে, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি যুহরি থেকে। এবং (ম) আরও বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইব ইবনে আল-লায়স ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি যুহরি থেকে।

আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইবের মৃত্যু হয়েছিল (২৪৮) হিজরি সনে। / এবং আমাদের শায়খ ইবনে রিযকুওয়াইহ-এর মৃত্যু হয়েছিল (৪১২) হিজরি সনে।

 

১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সৎকর্মশীল শায়খ আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে উমর ইবনে বারহান আল-গাজ্জাল: আমাদের কাছে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান ইবনে আহমাদ, যিনি ইবনে আস-সাম্মাক নামে পরিচিত: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু কিলাবাহ আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মদ আল-রাকাশি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আযহার ইবনে সাদ আস-সাম্মান: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবনে আওন, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবিদাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মানুষদের মধ্যে সর্বোত্তম হলো আমার যুগের লোক, তারপর যারা তাদের পরবর্তী, তারপর যারা তাদের পরবর্তী» আমি জানি না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যুগের পর দুই যুগের কথা উল্লেখ করেছেন নাকি তিন যুগের।

এটি আবু মুসলিম আবিদাহ ইবনে আমর আস-সালমানি—আর সালমান হলো মুরাদ গোত্রের একটি শাখা—এর সূত্রে ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। এবং এটি আবু ইমরান ইব্রাহিম ইবনে ইয়াযিদ আন-নাখায়ি-এর বর্ণনা থেকে প্রমাণিত। এটি (ম) [২৫৩৩] বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে আলি আল-হুলওয়ানি থেকে, তিনি আযহার ইবনে সাদ থেকে।

--------------------------------------------

(১) (কু) পাণ্ডুলিপিতে এখানে অতিরিক্ত রয়েছে: «তারপর যারা তাদের পরবর্তী» এবং এর উপর সংশোধনী চিহ্ন রয়েছে।

এটি ইব্রাহিম নাখায়ি-এর সূত্রে মুসান্নিফ থেকে বর্ণিত 'মাশইয়াখাতু শাহদাহ' (৭)-এর মূলে সুসাব্যস্ত, এবং এটি আহমাদ (১/৩৭৮), ইবনে হিব্বান (৭২২৭) ও অন্যদের নিকট বর্ণিত হয়েছে।

এবং এর পরবর্তী অংশ: 'আমি জানি না'; (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'আর আমি জানি না'।

(২) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: 'সাবিত' (সুসাব্যস্ত)।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦١)
السَّمانِ، عن ابنِ عونٍ وهو عبدُ اللهِ بنُ عونِ بنِ أَرْطَبانَ أبو عونٍ، وأتى به بلفظٍ أتمَّ مِن هذا(1).

 

13 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا (معمرٌ، عن)(2) ثابتٍ وعاصمٍ، عن أنسِ بنِ مالكٍ،

أنَّ رَجلاً خَياطاً دَعى رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فقَرَّبَ إليه ثَريداً قَد صُبَّ عليه دُبَّاءٌ، فكانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يأخُذُ الدُّباءَ فيأكُلُه. قالَ: وكانَ يُحبُّ الدُّباءَ.

أخرجَه (م) [2041] عن حجاجِ بنِ يوسفَ الشاعرِ وعبدِ بنِ حُميدٍ، عن عبدِ الرزاقِ.

 

14 - أخبرنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ رِزْقويه: أخبرنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ(3) بنِ / عليِّ بنِ حربٍ قالَ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ: حدثنا سفيانُ، عن الزُّهريِّ، عن سالمٍ، عن أبيه،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ بلالاً يُنادي بلَيلٍ، فكُلوا واشرَبوا حتى تَسمَعوا

--------------------------------------------

(1) وأخرجه والبخاري (2652) وأطرافه من طريق إبراهيم النخعي به.

(2) ما بين القوسين ساقط من (كو).

وما في الأصل هو في «بغية الملتمس» للعلائي (ص 154) من طريق المصنف.

وكذلك أخرجه البيهقي في «الشعب» (5546)، و «الآداب» (514) عن أبي الحسين بن بشران شيخ المصنف.

وكذلك هو عند مسلم وأبي عوانة (8327) من طريق عبد الرزاق.

بينما هو في مطبوع «جامع معمر» (19667): (عن معمر، عن ثابت البناني، عن عاصم، عن أنس بن مالك).

(3) من (كو)، وتحرف في الأصل إلى: عمرو.
সাম্মান, তিনি ইবনে আউন থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন আবদুল্লাহ বিন আউন বিন আরতাবান আবু আউন; আর তিনি এটি এর চেয়ে অধিক পূর্ণাঙ্গ শব্দে নিয়ে এসেছেন(১).

 

১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন বিশরান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (মা'মার, তিনি) সাবিত এবং আসিম থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন,

জনৈক দর্জি ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাওয়াত দিলেন, এরপর তিনি তাঁর সামনে সারীদ (এক প্রকার খাদ্য) পেশ করলেন যার ওপর কদু ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কদু তুলে নিয়ে খেতেন। বর্ণনাকারী বলেন: তিনি কদু পছন্দ করতেন।

এটি (মুসলিম) [২০৪১] হাজ্জাজ বিন ইউসুফ আশ-শা'য়ির এবং আব্দ বিন হুমাইদ এর সূত্রে আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন রিজকওয়াইহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর বিন / আলী বিন হারব, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই বিলাল রাতে আযান দেয়, সুতরাং তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না তোমরা শুনতে পাও

--------------------------------------------

(১) আর এটি বুখারি (২৬৫২) এবং এর বিভিন্ন সূত্রে ইব্রাহিম নাখয়ি এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।

(২) বন্ধনীভুক্ত অংশটি (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

আর মূল পাঠে যা রয়েছে তা আলাইয়ির ‘বুগইয়াতুল মুলতামিস’ (পৃ. ১৫৪) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্রে বিদ্যমান।

একইভাবে বায়হাকি ‘আশ-শুআব’ (৫৫৪৬) এবং ‘আল-আদাব’ (৫১৪) গ্রন্থে গ্রন্থকারের উস্তাদ আবু হুসাইন বিন বিশরান থেকে বর্ণনা করেছেন।

একইভাবে এটি মুসলিম এবং আবু আওয়ানা (৮৩২৭)-এর নিকট আব্দুর রাজ্জাকের সূত্রে বর্ণিত।

পক্ষান্তরে ‘জামে মা‘মার’ (১৯৬৬৭)-এর মুদ্রিত কপিতে রয়েছে: (মা‘মার থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে)।

(৩) (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া হয়েছে, আর মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি ‘আমর’ শব্দে বিকৃত হয়েছিল।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٢)
أذانَ ابنِ أُمِّ مَكتومٍ»(1).

أخرجَه (م) [1092] عن حَرملةَ بنِ يحيى التُّجيبيِّ، عن عبدِ اللهِ بنِ وهبٍ، عن يونسَ بنِ يزيدَ الأَيليِّ، عن الزُّهريِّ(2).

 

15 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ قالَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ، عن الزُّهريِّ، عن عروةَ بنِ الزبيرِ، عن حَكيمِ بنِ حِزامٍ قالَ:

قُلتُ: يا رسولَ اللهِ، أرأيتَ أُموراً كنتُ أتحَنَّثُ بها في الجاهليةِ مِن عَتاقَةٍ وصِلةِ رَحمٍ، هَل لي فيها أجرٌ؟ قالَ: فقالَ له النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «أسلمْتَ على ما أَسلفتَ لكَ(3) مِن خَيرٍ».

رواهُ (خ) [2220، 5992] عن أبي اليَمانِ، عن شعيبٍ، عن الزُّهريِّ، وقالَ (خ): وقالَ معمرٌ(4).

وأخرجَه (م) [123] عن إسحاقَ بنِ راهويه وعبدِ بنِ حُميدٍ، عن

--------------------------------------------

(1) هو في «حديث سفيان بن عيينة رواية الطائي» (2).

ومن طريق المصنف أخرجته شهدة في «مشيختها» (4).

(2) وأخرجه والبخاري (617) (623) (1919) (2656) (7248) من طريق سالم وغيره، عن ابن عمر به.

(3) وكذا في روايةٍ لمسلم.

وفي (كو): سلف لك. وكذلك هي في «جامع معمر» (19685) وغيره.

(4) قال البخاري بعد الرواية الثانية (5992): عن أبي اليمان: «أتحنت»، وقال معمر وصالح وابن المسافر: «أتحنث» .. .

وانظر بيان ذلك وشرحه في «فتح الباري» (10/ 424)، و «عمدة القاري» (22/ 96). ورواية معمر هذه كان البخاري قد وصلها (1436).
ইবনে উম্মে মাকতূমের আযান»(১)।

এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [১০৯২] হারমালাহ ইবনে ইয়াহইয়া আত-তুজীবী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ আল-আইলী থেকে, তিনি যুহরী থেকে(২)।

 

১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বিশরান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসুর: আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনে যুবাইর থেকে, তিনি হাকীম ইবনে হিযাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি মনে করেন যে, জাহেলী যুগে আমি ইবাদত হিসেবে দাসমুক্ত করা এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার মতো যে সব কাজ করতাম, তাতে কি আমার জন্য কোনো প্রতিদান আছে? তিনি বলেন: তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন: «তুমি অতীতে যে সব কল্যাণ করেছিলে, সেইসহ তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছ(৩)»।

এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী) [২২২০, ৫৯৯২] আবুল ইয়ামান থেকে, তিনি শুআইব থেকে, তিনি যুহরী থেকে। এবং (বুখারী) বলেছেন: আর মা’মার বলেছেন(৪)।

এবং এটি (মুসলিম) [১২৩] বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ এবং আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে, তারা... থেকে।

--------------------------------------------

(১) এটি ‘হাদীস সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা রিওয়ায়াতুত ত্বায়ী’ (২)-এ রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি শাহদাহ তার ‘মাশইয়াখাহ’ (৪)-এ বর্ণনা করেছেন।

(২) এবং ইমাম বুখারী এটি (৬১৭) (৬২৩) (১৯১৯) (২৬৫৬) (৭২৪৮) সালেম ও অন্যদের সূত্রে ইবনে উমর থেকে একই বিষয়ে বর্ণনা করেছেন।

(৩) মুসলিমের একটি বর্ণনায় এভাবেই রয়েছে।

এবং (কু)-তে আছে: ‘সালাফা লাকা’। অনুরূপভাবে এটি ‘জামে মা’মার’ (১৯৬৮৫) ও অন্যান্য গ্রন্থে রয়েছে।

(৪) ইমাম বুখারী দ্বিতীয় বর্ণনার (৫৯৯২) পরে আবুল ইয়ামান থেকে বলেছেন: ‘আতাহান্নাতু’, আর মা’মার, সালিহ এবং ইবনুল মুসাফির বলেছেন: ‘আতাহান্নাসু’...।

এবং এর বর্ণনা ও ব্যাখ্যা দেখুন ‘ফাতহুল বারী’ (১০/ ৪২৪) এবং ‘উমদাতুল ক্বারী’ (২২/ ৯৬)-তে। মা’মারের এই বর্ণনাটি ইমাম বুখারী (১৪৩৬) নং এ নিরবচ্ছিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٣)
عبدِ الرزاقِ، عن معمرٍ، عن الزُّهريِّ، عن عروةَ، عن حكيمِ بنِ حزامِ بنِ خُويلدِ بنِ أسدٍ، ويُكنى أبا خالدٍ(1)، وُلدَ داخلَ الكعبةِ، ولا يُعلمُ أنَّ(2) في الدُّنيا مَن وُلدَ داخلَ الكعبةِ سِواهُ.

 

16 - أخبرنا أبو الفتحِ هلالُ بنُ محمدِ بنِ جعفرِ بنِ سَعدانَ(3) بنِ عبدِ الرحمنِ بنِ ماهويه بنِ مهيارَ بنِ المَرْزُبانِ المعروفُ بالحفَّارِ: حدثنا أبو عبدِ اللهِ الحسينُ بنُ يحيى بنِ عَياشٍ: حدثنا عليُّ بنُ مسلمٍ: حدثنا أبو(4) داودَ: حدثنا همامٌ، عن قتادةَ، عن صالحٍ أبي الخَليلِ، عن عبدِ اللهِ بنِ الحارثِ، عن حَكيمِ بنِ حِزامٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «البيِّعانِ بالخِيارِ / حتى يَتفرَّقا -أو قالَ: ما لم يَتفرَّقا(5) -، فإنْ صَدَقا وبيَّنا بُورِكَ لهما في بيعِهما، وإنْ كَتَما مُحِقَ بركةُ بيعِهما»(6).

أخرجَه (خ) [2114] عن إسحاقَ غيرِ منسوبٍ(7)، عن حَبَّانَ بنِ هلالٍ. وأخرجَه (م) [1532] عن عَمرو بنِ عليٍّ، عن ابنِ مَهديٍّ، كِلاهما

--------------------------------------------

(1) تحرف في (كو) إلى: «حكيم»، وتحتمل: «حليم».

(2) ليست في (كو).

(3) في (كو): سعد.

(4) سقطت من (كو).

(5) في (كو): ما لم يفترقا.

(6) هو في «جزء هلال الحفار» رواية طراد الزينبي (160 - مخطوط) وليس في المطبوع.

ومن طريق المصنف أخرجته شهدة في «مشيختها» (6).

ويأتي عن الحفار بإسناد آخر (105).

(7) ولعله إسحاق بن منصور، انظر «الفتح» (1/ 236).
আবদুর রাজ্জাক, মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি হাকীম ইবনে হিযাম ইবনে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ থেকে বর্ণনা করেন, যাঁর কুনিয়া বা উপনাম হলো আবু খালিদ(১); তিনি কাবার অভ্যন্তরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং পৃথিবীতে তিনি ছাড়া আর কেউ কাবার ভেতরে জন্মগ্রহণ করেছেন বলে জানা নেই(২)।

 

১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে সা’দান(৩) ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মাহুওয়াইহি ইবনে মিহ্‌ইয়ার ইবনে আল-মারযুবান, যিনি আল-হাফফার নামে পরিচিত: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে মুসলিম: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু(৪) দাউদ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাম, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি সালিহ আবু আল-খলীল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি হাকীম ইবনে হিযাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্য (চুক্তি বাতিল করার) ইখতিয়ার বা সুযোগ থাকে যতক্ষণ না তারা বিচ্ছিন্ন হয় —অথবা তিনি বলেছেন: যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা পৃথক হয়(৫)—। যদি তারা সত্য বলে এবং (পণ্যের অবস্থা) স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে, তবে তাদের কেনাবেচায় বরকত দান করা হয়। আর যদি তারা (কোনো কিছু) গোপন করে এবং মিথ্যা বলে, তবে তাদের কেনাবেচার বরকত মিটিয়ে দেওয়া হয়»(৬)।

এটি ইমাম বুখারী (খ) [২১১৪] ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন যাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করা হয়নি(৭), তিনি হাব্বান ইবনে হিলাল থেকে। এবং এটি ইমাম মুসলিম (ম) [১৫৩২] আমর ইবনে আলী থেকে, তিনি ইবনে মাহদী থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই...

--------------------------------------------

(১) (কু) পান্ডুলিপিতে এটি পরিবর্তিত হয়ে ‘হাকীম’ হয়ে গেছে, তবে এটি ‘হালীম’ হওয়ার সম্ভাবনাও রাখে।

(২) এটি (কু) পান্ডুলিপিতে নেই।

(৩) (কু) পান্ডুলিপিতে: সা’দ।

(৪) এটি (কু) পান্ডুলিপি থেকে বাদ পড়েছে।

(৫) (কু) পান্ডুলিপিতে: যতক্ষণ না তারা পৃথক হয়।

(৬) এটি তিরাদ আল-যায়নাবীর বর্ণনায় ‘জুযউ হিলাল আল-হাফফার’-এ রয়েছে (১৬০ - পাণ্ডুলিপি), তবে মুদ্রিত কপিতে নেই।

এবং গ্রন্থকারের সূত্র ধরে শুহদাহ তাঁর ‘মাশয়াখাহ’ (৬)-তে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর আল-হাফফার থেকে এটি অন্য সূত্রেও আসবে (১০৫)।

(৭) সম্ভবত তিনি হলেন ইসহাক ইবনে মানসূর, দেখুন ‘আল-ফাতহ’ (১/২৩৬)।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٤)
عن هَمامٍ(1).

 

17 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ: حدثنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ قالَ: أخبرنا معمرٌ، عن همامِ بنِ مُنبهٍ، أنَّه سمعَ أبا هريرةَ يقولُ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «يَضحكُ اللهُ عز وجل مِن رَجلَينِ يَقتلُ أحدُهما الآخَرُ كِلاهما يَدخلُ الجَنةِ» قَالوا: وكيفَ [ذاكَ] يا رسولَ اللهِ؟ قالَ: «يَقتُله(2) هذا فيَلجُ الجَنةَ، ثم يتوبُ اللهُ على الآخَرِ فيَهديهِ إلى الإسلامِ، ثم يُجاهدُ في سبيلِ اللهِ فيُستَشهدُ»(3).

أخرجَه (م) [1890] عن محمدِ بنِ رافعٍ، عن عبدِ الرزاقِ(4).

 

18 - أخبرنا محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلِ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ: حدثنا الحسنُ بنُ عرفةَ: حدثنا سلمُ بنُ سالمٍ، عن نوحِ بنِ أبي مريمَ، عن ثابتٍ البُنانيِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:

سُئلَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عن هذِه الآيةِ: {لِّلَّذِينَ أَحْسَنُواْ الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26] فقالَ: «للذينَ أحسَنوا العملَ في الدُّنيا الحُسنى وهي الجَنةُ» قالَ: «والزِّيادةُ النظرُ إلى وجهِ اللهِ الكريمِ»(5).

--------------------------------------------

(1) لكن رواية مسلم عن همام، عن أبي التياح، عن عبد الله بن الحارث، عن حكيم بن حزام. فهمام يرويه بالوجهين عن عبد الله بن الحارث، وجمع البخاري بين هذين الوجهين في روايته.

(2) هكذا في الأصل، مع فتح أوله، وفي (كو) والمصادر: يُقتَلُ هذا.

(3) هو في «جامع معمر» (20280).

(4) وأخرجه والبخاري (2826) من طريق الأعرج، عن أبي هريرة به.

(5) هو في «جزء الحسن بن عرفة» (23).
হাম্মাম থেকে বর্ণিত(১)।

 

১৭ - আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বিশরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুর রাজ্জাক বলেছেন: মা’মার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ থেকে বর্ণিত যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এমন দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসেন যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করে, অথচ তারা উভয়ই জান্নাতে প্রবেশ করবে» তারা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! [তা] কীভাবে সম্ভব? তিনি বললেন: «এ ব্যক্তি তাকে হত্যা করে ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে, এরপর আল্লাহ অপরজনের তাওবা কবুল করেন এবং তাকে ইসলামের পথে পরিচালিত করেন, অতঃপর সে আল্লাহর পথে জিহাদ করে এবং শহীদ হয়»(৩)।

এটি মুসলিম (ম) [১৮৯০] বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে রাফে’ থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে(৪)।

 

১৮ - মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাদল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সালাম ইবনে সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নূহ ইবনে আবি মারইয়াম থেকে, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: {যারা কল্যাণকর কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত এবং আরও অধিক} [ইউনুস: ২৬] তখন তিনি বললেন: «যারা দুনিয়াতে উত্তম আমল করেছে তাদের জন্য ‘হুসনা’ বা কল্যাণ রয়েছে আর তা হলো জান্নাত» তিনি বললেন: «আর ‘যিয়াদাহ’ বা অধিক হলো আল্লাহর মহান চেহারার দিকে তাকানো»(৫)।

--------------------------------------------

(১) তবে হাম্মাম থেকে মুসলিমের বর্ণনাটি হলো—আবু আত-তাইয়াহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি হাকিম ইবনে হিযাম থেকে। সুতরাং হাম্মাম এটি আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে উভয় সূত্রেই বর্ণনা করেছেন এবং বুখারি তাঁর বর্ণনায় এই দুই সূত্রকে একত্র করেছেন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই প্রথম বর্ণে ফাতহা সহ আছে, তবে (কু) এবং অন্যান্য উৎসে: ‘সে নিহত হয়’ রূপে আছে।

(৩) এটি ‘জামে মা’মার’ (২০২৮০) গ্রন্থে রয়েছে।

(৪) এবং এটি বুখারি (২৮২৬) আল-আ’রাজ-এর সূত্রে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৫) এটি ‘জুযউ হাসান ইবনে আরাফাহ’ (২৩) গ্রন্থে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٥)
كذا رَوى نوحُ بنُ أبي مريمَ هذا الحديثَ عن ثابتٍ، عن أنسٍ، ووَهِمَ فيه وَهماً قَبيحاً وأَخطأَ فيه(1) خطأً بيِّناً، والصوابُ(2):

 

19 - ما أخبرنا(3) الشريفُ القاضي أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ / الهاشميُّ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ بنِ يزيدَ الدَّقاقُ: حدثنا الحارثُ بنُ أبي أسامةَ: حدثنا يزيدُ بنُ هارونَ قالَ: حدثنا حمادُ بنُ سلمةَ، عن ثابتٍ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ أبي لَيلى، عن صُهيبٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا دَخلَ أهلُ الجَنةِ الجَنةَ نُودوا: يا أهلَ الجَنةِ، إنَّ لكم عندَ اللهِ مَوعداً لم تَروهُ: قَالوا: وما هُو؟ ألم يُبيِّض وُجوهَنا، ويُزحزِحْنا عن النارِ، ويُدخِلْنا الجَنةَ؟ قالَ: فيَكشفُ الحِجابَ فيَنظرونَ إليه، فواللهِ ما أَعطاهم اللهُ شيئاً أحبَّ إليهم مِنه» ثُم قرأَ: {لِّلَّذِينَ أَحْسَنُواْ الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ}» [يونس: 26](4).

كَذلكَ(5) أخرجَه الإمامُ أحمدُ بنُ حنبلٍ [6/ 15] عن يزيدَ بنِ هارونَ. وانفردَ (م) بإخراجِه، فرواهُ [181] عن أبي بكرِ بنِ أبي شَيبةَ، عن يزيدَ بنِ هارونَ.

 

20 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ المُعدلُ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ،

--------------------------------------------

(1) ليست في (كو).

(2) وكذلك قال الدارقطني في «علله» (2378)، والخطيب في «تاريخه» (10/ 202).

(3) في (كو): ما أخبرناه القاضي الشريف.

(4) هو في «فوائد العيسوي» (37). ويأتي (68) (96) (178) (483).

(5) في (كو): كذا.
নূহ ইবনে আবি মারইয়াম সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে এই হাদিসটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন। তিনি এতে অত্যন্ত কুৎসিত একটি সংশয় এবং স্পষ্ট ভুল করেছেন। সঠিকটি হলো:

 

১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শরীফ আল-কাজী আবুল হাসান আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম হাশেমী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াজিদ আদ-দাক্কাক: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হারিস ইবনে আবি উসামা: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, সাবিত থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জান্নাতিরা যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তাদের উদ্দেশ্যে আহ্বান করা হবে: হে জান্নাতবাসীরা! আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য এমন একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তোমরা এখনও দেখনি। তারা বলবে: সেটা কী? তিনি কি আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি এবং আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি? তিনি (রাসূল) বলেন: অতঃপর আল্লাহ পর্দা সরিয়ে দেবেন এবং তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহর কসম! আল্লাহ তাদের এমন কোনো জিনিস দান করেননি যা তাদের কাছে এর চেয়ে বেশি প্রিয়।» তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {যারা কল্যাণকর কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত এবং আরও অধিক কিছু} [ইউনুস: ২৬](৪)।

একইভাবে(৫) ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল [৬/১৫] ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন। আর ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি [১৮১] আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-মুয়াদদাল: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানসুর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার,

--------------------------------------------

(১) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) একইভাবে দারাকুতনী তাঁর ‘ইলাল’ গ্রন্থে (২৩৭৮) এবং খতিব তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে (১০/২০২) এটি উল্লেখ করেছেন।

(৩) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের এই সংবাদ দিয়েছেন আল-কাজী আশ-শরীফ।

(৪) এটি ‘ফাওয়াইদ আল-ঈসাভী’ (৩৭)-তে বর্ণিত হয়েছে। এটি সামনেও আসবে (৬৮), (৯৬), (১৭৮), (৪৮৩)।

(৫) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: এইরূপ।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٦)
عن الزُّهريِّ، عن ابنِ المسيبِ، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَثلُ المؤمنِ كمثلِ الزَّرعِ، لا تَزالُ الرِّيحِ تُميلُه، ولا يَزالُ المؤمنُ يُصيبُه البلاءُ، ومَثلُ المنافقِ كمَثلِ شجرةِ الأرزِ، لا تَهتزُّ حتى تُحصَدَ(1)».

رواهُ (م) [2809] عن محمدِ بنِ رافعٍ وعبدِ بنِ حُميدٍ، عن عبدِ الرزاقِ(2).

 

21 - وبإسنادِهِ قالَ: أخبرنا معمرٌ(3)، عن ابن طاوسٍ، عن أبيه، عن أبي هريرةَ قالَ:

«أُرسِلَ مَلكُ الموتِ إلى موسى عليه السلام، فلمَّا جاءَه صَكَّه ففَقَأ عينَه، فرَجعَ إلى ربِّه عز وجل فقالَ: أرسلتَني إلى عبدٍ لا يُريدُ الموتَ، قالَ: فردَّ اللهُ عليه عينَه وقالَ: ارجِعْ إليه فقُل له يَضعْ / يدَه على مَتنِ ثورٍ، فله ما غطَّت يدُه بكُلِّ شَعرةٍ سَنةٌ، فقالَ: أيْ ربِّ، ثُم ماذا؟ قالَ: ثُم الموتُ، قالَ: فالآنَ، قالَ: فسألَ اللهَ أَن يُدنيَهُ مِن الأرضِ المُقدسةِ رَميةَ حجرٍ» فقالَ: رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «فلو كنتُ ثَمَّ لأريتُكم قَبرَه إلى جانبِ الطريقِ، بجنبِ الكَثيبِ الأحمرِ»(4).

رواهُ (خ) و (م) مَوقوفاً على أبي هريرةَ. رواهُ (خ) عن محمودِ بنِ غَيلانَ [1339]، وعن(5) يحيى بنِ موسى خَتٍّ [3407]. ورواهُ (م) [2372 - 157]

--------------------------------------------

(1) في (كو): تستحصد.

والحديث في «فوائد أبي الحسين بن بشران» (63).

(2) وأخرجه البخاري (5644) (7466) من طريق عطاء بن يسار، عن أبي هريرة بنحوه.

(3) في (كو): وبإسناده عن معمر.

(4) هو في «جامع معمر» (20530).

(5) من (كو)، وفي الأصل: عن.
যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মুমিনের উদাহরণ হলো শস্যক্ষেত্রের মতো, বাতাস তাকে সর্বদা দোলাতে থাকে এবং মুমিন সর্বদা বিপদে পতিত হতে থাকে। আর মুনাফিকের উদাহরণ হলো সিডার (আর্য) গাছের মতো, যা কাটা পড়ার আগে পর্যন্ত নড়ে না(১)»।

এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [২৮০৯] মুহাম্মদ ইবনে রাফে' ও আব্দ ইবনে হুমাইদ থেকে, তারা আব্দুর রাজ্জাক থেকে(২)।

 

২১ - এবং তাঁর সনদেই তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার(৩), ইবনে তাউস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

«মৃত্যুদূতকে মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর কাছে পাঠানো হলো। যখন তিনি তাঁর কাছে আসলেন, তখন মূসা (আলাইহিস সালাম) তাকে একটি চড় মারলেন এবং তার চোখ উপড়ে ফেললেন। তখন মৃত্যুদূত তাঁর মহান রবের কাছে ফিরে গিয়ে বললেন: আপনি আমাকে এমন এক বান্দার কাছে পাঠিয়েছেন যে মৃত্যু চায় না। তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহ তার চোখ ফিরিয়ে দিলেন এবং বললেন: তুমি তার কাছে ফিরে যাও এবং তাকে বলো যেন সে একটি ষাঁড়ের পিঠের ওপর তার হাত রাখে; তার হাত যতগুলো পশম ঢাকবে, তার বিনিময়ে তার জন্য এক এক বছর করে হায়াত বরাদ্দ হবে। মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেন: হে রব, তারপর কী হবে? তিনি বললেন: তারপর মৃত্যু। মূসা (আলাইহিস সালাম) বললেন: তাহলে এখনই। তিনি বলেন: তখন তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন যেন তাকে পবিত্র ভূমির একটি পাথর ছোঁড়া দূরত্বের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়» অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «আমি যদি সেখানে থাকতাম, তবে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে রাস্তার পাশে লাল বালুর ঢিবির ধারে তাঁর কবরটি দেখিয়ে দিতাম»(৪)।

এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী) ও (মুসলিম) আবু হুরায়রা থেকে মাওকুফ হিসেবে। এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারী) মাহমুদ ইবনে গায়লান থেকে [১৩৩৯], এবং(৫) ইয়াহইয়া ইবনে মুসা খাত্ত থেকে [৩৪০৭]। আর এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [২৩৭২ - ১৫৭]

--------------------------------------------

(১) 'কু' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: কাটা পড়ার উপক্রম হয়।

এবং হাদীসটি «ফাওয়ায়েদ আবি আল-হুসাইন বিন বিশরান» (৬৩)-এ রয়েছে।

(২) এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী (৫৬৪৪) (৭৪৬৬) আতা ইবনে ইয়াসারের সূত্র ধরে আবু হুরায়রা থেকে এই মর্মেই।

(৩) 'কু' পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: এবং তাঁর সনদে মা'মার থেকে।

(৪) এটি «জামে মা'মার» (২০৫৩০)-এ রয়েছে।

(৫) 'কু' পাণ্ডুলিপি থেকে সংগৃহীত, মূল নুসখায় রয়েছে: থেকে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٧)
عن محمدِ بنِ رافعٍ، ثلاثتُهم عن عبدِ الرزاقِ.

وقَد أخرجاهُ مِن حديثِ همامِ بنِ مُنبِّهٍ، عن أبي هريرةَ مرفوعاً.

 

22 - أخبرنا(1) عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ(2) الصَّفارُ: أخبرنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ: أخبرنا همامٌ، عن أبي هريرةَ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم مِثلَه(3).

أخرجَه (خ) عن يحيى بنِ موسى [3407]. ورواهُ (م) [2372 - 158] عن محمدِ بنِ رافعٍ، عن عبدِ الرزاقِ.

 

23 - أخبرنا الحسينُ بنُ عمرَ بنِ بَرهانَ الغَزَّالُ: حدثنا أبو عَمرو عثمانُ بنُ أحمدَ المعروفُ بابنِ السَّمَّاكِ إملاءً سَنةَ أربعينَ وثلاثِمئةٍ: حدثنا الحسنُ بنُ مُكْرَمِ بنِ حسانَ البزازُ: حدثنا عثمانُ بنُ عمرَ(4): حدثنا داودُ بنُ قيسٍ، عن إبراهيمَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ حُنينٍ، عن أبيه، عن ابنِ عباسٍ قالَ: قالَ عليٌّ(5) رضي الله عنه:

نَهاني حِبِّي رسولُ اللهِ(6) صلى الله عليه وسلم عن اثنَينِ(7) -ولا أقولُ نَهاكم-: أنْ أَقرأَ راكعاً أو ساجداً، وعن تَختُّمِ الذَّهبِ، ولُبسِ القَسِّيِّ.

--------------------------------------------

(1) في (كو): أخبرناه.

(2) «بن محمد» ليست في (كو).

(3) هو في «جامع معمر» (20531).

(4) تحرف في (كو) إلى: عمرو.

(5) في (كو) هنا زيادة: «بن أبي طالب» وعليها علامات التضبيب.

(6) «رسول الله» ليس في (كو).

(7) في (كو): اثنتين.
মুহাম্মদ বিন রাফি থেকে, তাঁরা তিনজনই আব্দুর রাজ্জাক থেকে।

তাঁরা উভয়ই (বুখারি ও মুসলিম) এটি হাম্মাম বিন মুনাব্বিহ-এর বর্ণিত হাদিস থেকে সংকলন করেছেন, যা আবু হুরায়রা থেকে মারফু হিসেবে বর্ণিত।

 

২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন বিশরান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মনসুর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাম, আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এটি বুখারি সংকলন করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুসা [৩৪০৭] থেকে। এবং এটি মুসলিম [২৩৭২ - ১৫৮] বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন রাফি থেকে, তিনি আব্দুর রাজ্জাক থেকে।

 

২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন বিন উমর বিন বারহান আল-গাজ্জাল: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আমর উসমান বিন আহমদ—যিনি ইবনুল সাম্মাক নামে পরিচিত—শ্রুতিলিখন হিসেবে ৩৪০ হিজরিতে: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন মুকরাম বিন হাসসান আল-বাজজাজ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান বিন উমর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন কাইস, ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন হুনাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন:

আমার প্রিয়তম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দুটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন—আর আমি বলছি না যে তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন—রুকু বা সিজদাহ অবস্থায় কিরাত পড়া থেকে, এবং স্বর্ণের আংটি পরিধান করা ও কাসসি (রেশমি) বস্ত্র পরিধান করা থেকে।

--------------------------------------------

(১) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।

(২) «বিন মুহাম্মদ» অংশটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) এটি ‘জামে মা’মার’-এ (২০৫৩১) রয়েছে।

(৪) (কু) পাণ্ডুলিপিতে এটি বিকৃত হয়ে ‘উমর’ হয়েছে।

(৫) (কু) পাণ্ডুলিপিতে এখানে অতিরিক্ত রয়েছে: «বিন আবি তালিব» এবং এর ওপর সংশোধনী চিহ্ন রয়েছে।

(৬) «আল্লাহর রাসূল» অংশটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৭) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: দুইটি।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٨)
رواهُ (م) [480] عن زهيرِ بنِ حربٍ وابنِ راهويه، عن أبي عامرٍ عبدِ الملكِ بنِ عَمرو، عن داودَ بنِ قيسٍ.

 

24 - / أخبرنا أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ الهاشميُّ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ يزيدَ(1): حدثنا أبو عوفٍ عبدُ الرحمنِ بنُ مَرزوقٍ قالَ: حدثنا كثيرُ بن هشامٍ: حدثنا جعفرُ بنُ بُرْقانَ، عن يزيدَ بنِ(2) الأصمِّ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «إنَّ اللهَ تعالى لا يَنظرُ إلى صُوَركمِ وأموالِكم، وإنَّما يَنظرُ إلى قلوبِكم وأعمالِكم»(3).

أخرجَه (م) [2564] عن عَمرو بنِ محمدٍ الناقدِ، عن كثيرِ بنِ هشامٍ.

 

25 - أخبرنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ رِزْقويه: أخبرنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ(4) بنِ عليِّ بنِ حربٍ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ: حدثنا سفيانُ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه قالَ:

سمعتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم يقرأُ في المغربِ بالطورِ(5).

رواه(6) (خ) عن الحُميديِّ [4854]. و (م) [463] عن أبي بكرِ بنِ أبي

--------------------------------------------

(1) من (كو)، وتحرف في الأصل إلى: زيد.

(2) ليست في (كو).

(3) هو في «فوائد العيسوي» (46).

ومن طريق المصنف أخرجه قاضي المارستان في «مشيخته» (294)، والعلائي في «إثارة الفوائد» (281). ويأتي (127).

(4) تحرف في (كو) إلى: عمرو.

(5) هو في «حديث سفيان بن عيينة رواية الطائي» (37).

(6) ليست في (كو).
এটি (মুসলিম) [৪৮০] বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবনে হারব এবং ইবনে রাহাওয়াইহ থেকে, তিনি আবু আমির আবদুল মালিক ইবনে আমর থেকে, তিনি দাউদ ইবনে কায়স থেকে।

 

২৪ - / আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আল-হাশেমি: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন উসমান ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ(১): আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আউফ আবদুর রহমান ইবনে মারযুক, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাসীর ইবনে হিশাম: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জাফর ইবনে বুরকান, ইয়াযিদ ইবনুল(২) আসম্ম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের বাহ্যিক অবয়ব এবং তোমাদের সম্পদের দিকে তাকান না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর এবং তোমাদের আমলের দিকে তাকান»(৩)।

এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [২৫৬৪] আমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাক্বিদ থেকে, তিনি কাসীর ইবনে হিশাম থেকে।

 

২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে রিযকুওয়াইহ: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর(৪) ইবনে আলী ইবনে হারব: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে হারব: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর ইবনে মুতইম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন:

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের নামাজে সূরা আত্ব-তূর পাঠ করতে শুনেছি(৫)।

এটি বর্ণনা করেছেন(৬) (বুখারি) আল-হুমাইদি থেকে [৪৮৫৪]। এবং (মুসলিম) [৪৬৩] আবু বকর ইবনে আবি...

--------------------------------------------

(১) (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া হয়েছে, মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি ‘যায়েদ’ হিসেবে বিকৃত হয়েছিল।

(২) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) এটি ‘ফাওয়াইদুল ঈসাভি’ (৪৬)-তে রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি কাযি আল-মারিস্তান তার ‘মাশইয়াখাহ’ (২৯৪) গ্রন্থে এবং আল-আলাই ‘ইসারাতুল ফাওয়াইদ’ (২৮১) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আর এটি সামনে (১২৭) নম্বরে আসবে।

(৪) (কু) পাণ্ডুলিপিতে এটি ‘আমর’ হিসেবে বিকৃত হয়েছে।

(৫) এটি ‘হাদিসু সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ রিওয়ায়াতুত ত্বায়ি’ (৩৭)-এ রয়েছে।

(৬) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٦٩)
شَيبةَ وزهيرِ بنِ حربٍ، ثلاثتُهم عن سفيانَ.

 

26 - أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ: حدثنا محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ: حدثنا سعدانُ بنُ نصرِ بنِ منصورٍ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن عَمرو بنِ دينارٍ قالَ: سمعتُ سعيدَ بنَ الحُويرثِ يقولُ: عن ابنِ عباسٍ قالَ:

كُنا عندَ النبيِّ صلى الله عليه وسلم فأتى الخَلاءَ، ثم إنَّه رَجعَ فأُتيَ بطعامٍ، فقيلَ له(1): يا رسولَ اللهِ ألا تَتوضأُ؟ فقالَ: «لم أُصَلِّي فأتَوضَأَ»(2).

رواهُ (م) [374] عن أبي بكرِ بنِ أبي شَيبةَ، عن سفيانَ.

 

27 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ بِشرانَ: أخبرنا إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ قالَ: قالَ لي الزُّهريُّ: / لأحدِّثنكَ بحديثَينِ عَجيبَينِ:

أخبَرني حُميدُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن أبي هريرةَ،

عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أَسرفَ رَجلٌ على نفسِهِ، فلمَّا حضَرَه الموتُ أوصى بَنيهِ فقالَ: إذا مِتُّ فأحرِقوني ثم اسْحَقوني ثم اذْرُوني في الرِّيحِ في البحرِ، فوَاللهِ لئِن قدَرَ عليَّ رَبي ليُعذِّبَني عَذاباً ما عذَّبَه أحداً. قالَ: ففَعلوا به ذلكَ، فقالَ اللهُ عز وجل للأرضِ: أدِّي ما أخذْتِ، فإذا هو قائمٌ، فقالَ له: ما حمَلَكَ على

--------------------------------------------

(1) ليست في (كو).

(2) هو في «مصنفات ابن البختري» (97) (200)، و «جزء سعدان» (14).

ومن طريق المصنف أخرجه العلائي في «إثارة الفوائد» (238)، والسبكي في «معجمه» (ص 598).
শায়বা এবং জুহাইর ইবনে হারব, তারা তিনজনই সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।

 

২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাসনুন আন-নারসি: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি: আমাদের বর্ণনা করেছেন সা'দান বিন নাসর বিন মানসুর: আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, আমর বিন দিনার থেকে, তিনি বলেন: আমি সাঈদ বিন আল-হুয়াইরিসকে বলতে শুনেছি: ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ছিলাম, অতঃপর তিনি শৌচাগারে গেলেন, এরপর তিনি ফিরে আসলেন এবং তাঁর নিকট খাবার আনা হলো। তখন তাঁকে বলা হলো(১): হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি অজু করবেন না? তিনি বললেন: «আমি কি সালাত আদায় করব যে অজু করব?»(২)।

এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [৩৭৪] আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে, সুফিয়ান সূত্রে।

 

২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলি বিন মুহাম্মাদ বিন বিশরান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন মুহাম্মাদ আস-সাফফার: আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, তিনি বলেন: আয-যুহরি আমাকে বললেন: / আমি অবশ্যই তোমাকে বিস্ময়কর দুটি হাদিস শোনাব:

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান, আবু হুরায়রা থেকে,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত: «এক ব্যক্তি নিজের নফসের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছিল। অতঃপর যখন তার মৃত্যু উপস্থিত হলো, তখন সে তার সন্তানদের অসিয়ত করে বলল: যখন আমি মারা যাব, তখন তোমরা আমাকে পুড়িয়ে ফেলবে, এরপর আমাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে, তারপর সাগরের বাতাসে (আমার ছাই) উড়িয়ে দেবে। আল্লাহর কসম! আমার রব যদি আমাকে ধরার সামর্থ্য রাখেন, তবে তিনি আমাকে এমন শাস্তি দেবেন যা কাউকে দেননি। তিনি (নবী) বললেন: তারা তার সাথে তেমনই করল। অতঃপর আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা জমিনকে বললেন: তুমি যা গ্রহণ করেছ তা ফিরিয়ে দাও। অমনি সে দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ তাকে বললেন: কিসে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করল...

--------------------------------------------

(১) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) এটি «মুসান্নাফাত ইবনুল বাখতারি» (৯৭) (২০০), এবং «জুযউ সা'দান» (১৪)-এ রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি আল-আলাই «ইসারাতুল ফাওয়াইদ» (২৩৮) গ্রন্থে এবং আস-সুবকি তাঁর «মু'জাম» (পৃ. ৫৯৮) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٧٠)
ما صنعتَهُ؟ قالَ: خَشْيَتُكَ يا ربِّ -أو قالَ(1): مَخافَتُكَ- فغَفرَ له بذلكَ»(2).

 

28 - قالَ: وحدثني حُميدُ بنُ عبدِ الرحمنِ، عن أبي هريرةَ قالَ(3): دَخلَت امرأةٌ النارَ في هرَّةٍ ربطَتْها، فلا هي أطعمَتْها، ولا هي أرسلَتْها تأكُلُ مِن خَشاشِ الأرضِ حتى ماتَت.

أخرجَهما (م) [4/ 2110] عن محمدِ بنِ رافعٍ وعبدِ بنِ حُميدٍ، عن عبدِ الرزاقِ.

 

29 - أخبرنا محمدُ بنُ أحمدَ بنِ رِزْقويه: حدثنا محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ بنِ عليِّ بنِ حربٍ: حدثنا عليُّ بنُ حربٍ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه قالَ:

سمعتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «لا يَدخلُ الجَنةَ قاطعٌ»(4).

رواهُ (م) [2556] عن ابنِ أبي عمرَ العَدَنيِّ وزهيرِ بنِ حربٍ، عن سفيانَ. وأخرجَه (خ) [5984] عن يحيى بنِ عبدِ اللهِ بنِ بُكيرٍ، عن الليثِ

--------------------------------------------

(1) ليست في (كو).

(2) هو في «جامع معمر» (20548).

ومن طريق المصنف أخرجه السبكي في «طبقات الشافعية» (1/ 143).

ويأتي (141).

(3) كذا في الأصل موقوفاً، وكذلك هو عند السبكي في «طبقات الشافعية» (1/ 143) من طريق المصنِّف.

ولعلها رواية طراد عن أبي الحسين بن بشران، وإلا فقد أخرجه البيهقي في «الشعب» (1016)، والبغوي في شرح السنة» (4184) من طريق ابن بشران مرفوعاً.

وكذلك هو في «جامع معمر» (20549) و «صحيح مسلم» وغيرهما.

(4) هو في «حديث سفيان بن عيينة رواية الطائي» (5).
তুমি কেন এমনটি করলে? সে বলল: হে আমার রব, আপনার ভয়ে —অথবা বলল(১): আপনার প্রতি ভীতির কারণে— ফলে তিনি এর কারণে তাকে ক্ষমা করে দিলেন।(২)

 

২৮ - তিনি বলেন: এবং হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান আমাকে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন(৩): এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করেছে যাকে সে বেঁধে রেখেছিল; সে তাকে খাবারও দেয়নি, আবার ছেড়েও দেয়নি যাতে সে জমিনের কীটপতঙ্গ খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে, শেষ পর্যন্ত বিড়ালটি মারা যায়।

ইমাম মুসলিম (ম) [৪/২১১০] এটি মুহাম্মাদ ইবনে রাফে ও আবদ ইবনে হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা আবদুর রাজ্জাক থেকে।

 

২৯ - মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে রিজকুয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আলী ইবনে হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে জুবাইর ইবনে মুতয়িম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না»(৪)।

এটি ইমাম মুসলিম (ম) [২৫৫৬] ইবনে আবু উমর আল-আদানি ও জুহাইর ইবনে হারব থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা সুফিয়ান থেকে। এবং এটি ইমাম বুখারি (খ) [৫৯৮৪] ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বুকাইর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি লাইস থেকে।

--------------------------------------------

(১) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) এটি «জামে মামার» (২০৫৪৮)-এ রয়েছে।

এবং গ্রন্থকারের সূত্রে এটি সুবকি «তাবাকাতুশ শাফিইয়াহ» (১/১৪৩)-এ বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি সামনে (১৪১) নং-এ আসবে।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই মাওকুফ (সাহাবীর উক্তি) হিসেবে রয়েছে, এবং গ্রন্থকারের সূত্রে সুবকিও «তাবাকাতুশ শাফিইয়াহ» (১/১৪৩)-এ এভাবেই বর্ণনা করেছেন।

সম্ভবত এটি আবু আল-হুসাইন ইবনে বিশরান থেকে তিরাদের বর্ণনা, অন্যথায় বাইহাকি «আশ-শুআব» (১০১৬)-এ এবং বাগউই «শারহুস সুন্নাহ» (৪১৮৪)-এ ইবনে বিশরানের সূত্রে মারফু (রাসূলের উক্তি) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

অনুরূপভাবে এটি «জামে মামার» (২০৫৪৯) ও «সহিহ মুসলিম» এবং অন্যান্য গ্রন্থেও রয়েছে।

(৪) এটি «হাদিসু সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ রিওয়ায়াতুত তায়ি» (৫)-এ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٧١)
بنِ سعدِ بنِ الحارثِ الفَهْميِّ، عن عُقيلِ بنِ خالدٍ، عن الزُّهريِّ.

 

30 - وبإسنادِهِ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن أيوبَ، عن عطاءٍ، عن ابنِ عباسٍ سمعتُهُ يقولُ:

أَشهدُ أنِّي شَهدتُّ العيدَ مَع رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم / فبَدأَ بالصلاةِ قبلَ الخُطبةِ، ثم خَطبَ فرَأى أنَّه لم يُسمِع النِّساءَ، فأتاهُنَّ فوعظَهنَّ وذكَّرهنَّ وأمَرَهنَّ بالصدقةِ، ومَعه بلالٌ قائلٌ بثوبِهِ هكذا -وبَسطَ ابنُ عُيينةَ طرفَ رِدائِهِ- فجعَلَت المرأةُ تُلقي الخُرصَ والخاتمَ والثوبَ والشيءَ(1).

رواه(2) (م) [884] عن أبي بكرِ بنِ أبي شَيبةَ ومحمدِ بنِ يحيى بنِ أبي عمرَ، عن سفيانَ.

 

31 - أخبرنا عليُّ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ بِشرانَ: أخبرنا(3) إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ: حدثنا عبدُ الرزاقِ: أخبرنا معمرٌ، عن همامِ بنِ مُنبِّهٍ، عن أبي هريرةَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «العَينُ حَقٌّ» ونَهى عن الوَشمِ(4).

أخرجَه (خ) [5740] عن إسحاقَ بنِ نصرٍ(5)، و (م) [2187] عن محمدِ

--------------------------------------------

(1) هو في «حديث سفيان بن عيينة رواية الطائي» (10).

وأخرجه البخاري (98) (1449)، ومسلم (884) من طريق أيوب السختياني به.

ويأتي (130).

(2) ليست في (كو).

(3) في (كو): حدثنا.

(4) هو في «جامع معمر» (19778).

ومن طريق المصنف أخرجه ابن المقير في «جزء من أحاديثه» (4).

(5) من «صحيح البخاري» وهو إسحاق بن إبراهيم بن نصر، وربما نسبه البخاري إلى جده.

وتحرف في الأصل إلى: بشير، وفي (كو): بسر.
বিন সাদ বিন আল-হারিস আল-ফাহমি থেকে, উকাইল বিন খালিদ থেকে, আল-যুহরি থেকে।

 

৩০ - এবং তাঁর সনদে: আমাদের কাছে সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি:

আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঈদের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগে সালাত শুরু করলেন, এরপর খুতবা দিলেন। এরপর তিনি দেখলেন যে নারীরা (খুতবা) শুনতে পায়নি, তাই তিনি তাদের কাছে আসলেন এবং তাদের উপদেশ দিলেন, নসিহত করলেন এবং তাদের সদকা করার নির্দেশ দিলেন। তাঁর সাথে বিলাল (রা.) ছিলেন, যিনি তাঁর কাপড় এভাবে ধরেছিলেন—আর ইবনে উইয়াইনাহ তাঁর চাদরের এক প্রান্ত বিস্তার করে দেখালেন—তখন মহিলারা কানের দুল, আংটি, কাপড় এবং অন্যান্য জিনিস (দান হিসেবে) ফেলতে শুরু করল(১)।

এটি বর্ণনা করেছেন(২) (মুসলিম) [৮৮৪] আবু বকর বিন আবি শায়বাহ এবং মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আবি উমর থেকে, তাঁরা সুফিয়ান থেকে।

 

৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বিশরান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মানসুর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, তিনি হাম্মাম বিন মুনাব্বিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নজর লাগা সত্য» এবং তিনি উল্কি আঁকতে নিষেধ করেছেন(৪)।

এটি বর্ণনা করেছেন (বুখারি) [৫৭৪০] ইসহাক বিন নাসর থেকে(৫), এবং (মুসলিম) [২১৮৭] মুহাম্মদ থেকে

--------------------------------------------

(১) এটি ‘হাদিসু সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ রিওয়ায়াতুত তায়ী’ (১০)-তে রয়েছে।

আর বুখারি (৯৮) (১৪৪৯) এবং মুসলিম (৮৮৪) আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি সামনে আসবে (১৩০)।

(২) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৩) (কু) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।

(৪) এটি ‘জামে মা’মার’ (১৯৭৭৮)-এ রয়েছে।

আর লেখকের সূত্রে ইবনুল মুকাইয়ির তাঁর ‘জুযউ মিন আহাদিসিহি’ (৪)-তে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৫) ‘সহিহ বুখারি’ থেকে, আর তিনি হলেন ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন নাসর, সম্ভবত বুখারি তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্পৃক্ত করেছেন।

আর মূল কপিতে এটি বিকৃত হয়ে ‘বশির’ হয়েছে, এবং (কু) পাণ্ডুলিপিতে ‘বুসর’ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٧٢)
بنِ رافعٍ، كِلاهما عن عبدِ الرزاقِ، ولم يذكرْ مسلمٌ: «ونَهى عن الوَشمِ».

 

32 - وبإسنادِهِ قالَ: قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا هَمَّ عَبدي بالحَسنةِ فاكتُبوها له حَسنةً، فإنْ عمِلَها فاكتُبوها له(1) بعشرِ أمثالِها، وإذا هَمَّ بالسيئةِ فعمِلَها فاكتُبوها سَيئةً واحدةً، فإنْ ترَكَها فاكتُبوها له حَسنةً»(2).

رواه(3) (م) [129] عن محمدِ بنِ رافعٍ، عن عبدِ الرزاقِ.

 

33 - أخبرنا أحمدُ بنُ محمدِ بنِ عمرَ بنِ الحسنِ: أخبرنا أبو بكرٍ أحمدُ بنُ جعفرِ بنِ محمدِ بنِ سَلْمٍ(4) الخُتُّليُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ أحمدَ بنِ الحسنِ الحَرانيُّ: حدثنا داودُ بنُ عَمرو: حدثنا جريرُ بنُ عبدِ الحميدِ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ قالَ:

كانَ بينَ خالدِ بنِ الوليدِ وعبدِ الرحمنِ كَلامٌ، فشَتَمَه خالدٌ، فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَسبُّوا أحداً مِن أَصحابي، فإنَّ / أَحدَكم لو أنفَقَ مِثلَ أُحدٍ ذَهباً ما بَلغَ مُدَّ أحدِهم ولا نَصيفَه».

قالَ جريرٌ: قالَ الأعمشُ: كانَ أَحدُهم يَتصدَّقُ بالمُدِّ ونِصفِه.

أخرجَه (م) [2540] عن أبي بكرِ بنِ أبي شَيبةَ وأبي كُريبٍ، عن

--------------------------------------------

(1) ليست في (كو).

(2) هو في «فوائد أبي الحسين بن بشران» (14)، و «جامع معمر» (20557).

وتقدم (131).

(3) ليست في (كو).

(4) من (كو) وتحرف في الأصل إلى: مسلم.
বিন রাফে, তারা উভয়েই আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে মুসলিম (এই অংশটি) উল্লেখ করেননি: "আর তিনি উল্কি আঁকতে নিষেধ করেছেন।"

 

৩২ - এবং তাঁর সনদে তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন আমার বান্দা কোনো নেক কাজের সংকল্প করে, তখন তার জন্য তা একটি নেকি হিসেবে লিখে রাখো। আর যদি সে তা সম্পাদন করে, তবে তা তার জন্য(১) দশ গুণ হিসেবে লিখে রাখো। আর যদি সে কোনো পাপের সংকল্প করে এবং তা করে ফেলে, তবে তা একটি পাপ হিসেবেই লিখে রাখো। আর যদি সে তা বর্জন করে, তবে তার জন্য তা একটি নেকি হিসেবে লিখে রাখো।"(২)।

এটি বর্ণনা করেছেন(৩) (মুসলিম) [১২৯] মুহাম্মদ বিন রাফে থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে।

 

৩৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন উমর বিন হাসান: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন সালম(৪) আল-খুত্তুলি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাসান আল-হাররানি: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন দাউদ বিন আমর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জারির বিন আবদুল হামিদ, আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

খালিদ বিন ওয়ালিদ এবং আবদুর রহমানের মধ্যে কিছু বাদানুবাদ হয়েছিল, তখন খালিদ তাকে গালি দেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমরা আমার সাহাবীদের কাউকে গালি দিও না। কারণ তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবুও তাদের কারো এক 'মুদ' (এক অঞ্জলি) কিংবা তার অর্ধেক পরিমাণ (আমলের) সমান হতে পারবে না।"

জারির বলেন: আমাশ বলেছেন: তাদের কেউ এক মুদ কিংবা তার অর্ধেক সদকা করতেন।

এটি বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) [২৫৪০] আবু বকর বিন আবি শায়বাহ এবং আবু কুরাইব থেকে...

--------------------------------------------

(১) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(২) এটি 'ফাওয়াইদ আবি আল-হুসাইন বিন বিশরান' (১৪) এবং 'জামে মা'মার' (২০৫৫৭)-এ রয়েছে।

এবং পূর্বে (১৩১) বর্ণিত হয়েছে।

(৩) এটি (কু) পাণ্ডুলিপিতে নেই।

(৪) (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে; মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি ভুলবশত 'মুসলিম' হয়ে গিয়েছিল।
(খণ্ড: ১) আওয়ালি তুরাদ আয-যাইনাবী (পৃষ্ঠা: ٧٣)
أبي معاويةَ، عن الأعمشِ، عن أبي صالحٍ، عن أبي هريرةَ(1). والصوابُ عن أبي سعيدٍ كما أخرجناهُ.

 

34 - أخبرنا القاضي الشريفُ أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ: حدثنا عثمانُ بنُ أحمدَ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ روحٍ المَدائنيُّ: حدثنا عثمانُ بنُ عمرَ: حدثنا ابنُ عونٍ، عن أبي سعيدٍ قالَ: أنبأني وَرَّادٌ، أنَّ معاويةَ كتبَ إلى المغيرةِ بنِ شُعبةَ: اكتُبْ إليَّ بحديثٍ سمعتَه مِن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فكتبَ إليه،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ إذا سلَّمَ قالَ: «لا إلهَ إلا اللهُ -قالَ: وأظنُّ فيها: وحدَه [لا شريكَ لَه](2) - وله المُلكُ، وهو على كلِّ شيءٍ قديرٌ، اللهمَّ لا مانعَ لِما أَعطيتَ، ولا مُعطيَ لِما مَنعتَ، ولا يَنفعُ ذا الجَدِّ مِنكَ الجَدُّ»(3).

أخرجَه (م) [593] عن حامدِ بنِ عمرَ البَكراويِّ، عن بشرِ بنِ المُفضلِ، عن ابنِ عونٍ(4) -وهو عبدُ اللهِ بنُ عونِ بنِ أَرْطَبانَ أبو عونٍ بصريٌّ جَليلٌ-[عن] أبي سعيدٍ(5)، وقيلَ إنَّ اسمَه عبدُ ربِّه(6).

--------------------------------------------

(1) ثم أخرجه (2541) من طريق جرير بالإسناد المذكور إلى أبي سعيد، والبخاري كما سيأتي (144) (210).

وللحافظ ابن حجر جزء لطيف تكلم فيه عن رواية مسلم هذه والوهم فيها، وهو مطبوع بتحقيق الشيخ مشهور باسم: «جزء في طرق حديث لا تسبوا أصحابي»، وذكر فيه (ص 42) رواية المصنف منسوبة لكتابه «فضائل الصحابة».

(2) من (كو)، وهي عند العيسوي وكتب فوقها: «غلط»، مع علامة الحذف (لا إلى).

وقوله بعده: «وله الملك» كذا في الأصل وكذا عند العيسوي، وفي (كو): له الملك.

(3) هو في «فوائد العيسوي» (47).

(4) وأخرجه والبخاري (844) وأطرافه، من طريق وراد به.

(5) من (كو) وكذا قوله «عن» قبله. وفي الأصل: ابن سعيد.

(6) وقيل غير ذلك، وقيل: لا يعرف اسمه. انظر «تهذيب الكمال» (33/ 357).
আবু মুয়াবিয়া থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা(১) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর সঠিক হলো আবু সাঈদ থেকে, যেমনটি আমরা বর্ণনা করেছি।

 

৩৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আশ-শারিফ আবুল হাসান আলি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আহমাদ: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে রুহ আল-মাদায়িনি: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে উমর: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনুন আউন, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে ওয়াররাদ সংবাদ দিয়েছেন যে, মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু মুগিরা ইবনে শুবা রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট লিখে পাঠালেন: আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে যা শুনেছেন, এমন একটি হাদিস আমাকে লিখে পাঠান। তখন তিনি তাঁর নিকট লিখে পাঠালেন,

নিশ্চয়ই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাম ফিরাতেন তখন বলতেন: «আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই—তিনি (রাবি) বলেন: আমার মনে হয় এতে রয়েছে: তিনি একক, [তাঁর কোনো শরিক নেই](২) —সার্বভৌমত্ব তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ, আপনি যা দান করেন তা রোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রোধ করেন তা দান করার কেউ নেই। আর কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার পাকড়াও থেকে তাকে বাঁচাতে পারবে না»(৩)।

ইমাম মুসলিম (ম) এটি বর্ণনা করেছেন [৫৯৩] হামিদ ইবনে উমর আল-বাকরাবি থেকে, তিনি বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল থেকে, তিনি ইবনুন আউন(৪) থেকে—আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আউন ইবনে আরতাবান আবু আউন, একজন মহান বসরি আলেম—[তিনি] আবু সাঈদ(৫) থেকে, আর বলা হয়েছে যে তাঁর নাম হলো আব্দুর রাব্বিহি(৬)।

--------------------------------------------

(১) এরপর তিনি (২৫৪১) জারিরের সূত্রে উল্লেখিত সনদে আবু সাঈদ পর্যন্ত এটি বর্ণনা করেছেন, এবং বুখারি যেমনটি সামনে আসবে (১৪৪) (২১০)।

হাফিজ ইবনে হাজার একটি চমৎকার পুস্তিকা লিখেছেন যাতে তিনি মুসলিমের এই বর্ণনা এবং এতে থাকা ভ্রম সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যা শেখ মাশহুরের সম্পাদনায়: «জুযউন ফি তুরুকি হাদিসি লা তাসুব্বু আসহাবি» নামে মুদ্রিত হয়েছে। তিনি সেখানে (পৃ. ৪২) গ্রন্থকারের বর্ণনাটি তাঁর «ফাদায়িলুস সাহাবা» গ্রন্থের উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন।

(২) এটি (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া, আর এটি ঈসাওয়ির কাছে রয়েছে এবং তিনি এর ওপরে লিখেছেন: «ভুল», সাথে বিলুপ্তির চিহ্ন দিয়েছেন (লা ইলা)।

আর এর পরের অংশ: «সার্বভৌমত্ব তাঁরই» মূল কপিতে এভাবেই আছে এবং ঈসাওয়ির কাছেও এমনটিই আছে, আর (কু)-তে আছে: সার্বভৌমত্ব তাঁরই।

(৩) এটি «ফাওয়ায়েদুল ঈসাওয়ি» (৪৭) গ্রন্থে রয়েছে।

(৪) এবং এটি ইমাম বুখারি (৮৪৪) ও তাঁর অন্যান্য স্থানে ওয়াররাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

(৫) এটি (কু) পাণ্ডুলিপি থেকে নেওয়া এবং এর পূর্বের «থেকে» শব্দটিও। আর মূল কপিতে রয়েছে: ইবনে সাঈদ।

(৬) এছাড়াও অন্য কিছু বলা হয়েছে, আবার বলা হয়েছে যে তাঁর নাম জানা যায় না। দেখুন: «তাহজিবুল কামাল» (৩৩/ ৩৫৭)।