(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: -)
حديث مطين القسم: كتب السنة
الكتاب: الجزء فيه من حديث أبي جعفر محمد بن عبد الله بن سليمان الحضرمي، ويعرف بـ «مطين»
المؤلف: أبو جعفر محمد بن عبد الله بن سليمان الحضرمي ويعرف بـ «مطين» (ت 297 هـ)
المحقق: خالد عبد العظيم الحويني
الناشر: دار الأمل، الإسكندرية - مصر
الطبعة: الأولى، 1443 هـ - 2022 م
عدد الصفحات: 49
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
মুতাইয়্যিনের হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি বর্ণিত হাদিসের অংশ، যা «মুতাইয়্যিন» নামে পরিচিত
লেখক: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি, যিনি «মুতাইয়্যিন» নামে পরিচিত (মৃত্যু ২৯৭ হিজরি)
মুহাক্কিক: খালিদ আবদুল আজিম আল-হুওয়াইনি
প্রকাশক: দারুল আমাল، আলেকজান্দ্রিয়া - মিশর
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৪৩ হিজরি - ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৯
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১)
الجزء فيه
من حديثِ أبي جعفرٍ محمَّد بنِ عبدِ الله بنِ سُليمانَ الحَضْرميِّ
رَحِمه الله تعالى، ويُعرف: ب «مُطَيَّن» (ت: 297 هـ)
ويليه
فيه من الأخبارِ والحكاياتِ من كلامِ العلماءِ
لأبي جعفر محمد بن عبد الله بن سليمان الحضرمي
تحقيق
خالد عبد العظيم الحويني
এই খণ্ডটিতে রয়েছে
আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলায়মান আল-হাদরামি বর্ণিত হাদিসসমূহ
আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন, তিনি "মুতাইয়্যান" নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৯৭ হিজরি)
এবং এর পরবর্তী অংশে রয়েছে
আলেমদের বাণী থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন সংবাদ ও ঘটনাবলি
আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলায়মান আল-হাদরামির সংকলন
সম্পাদনা ও তাহকিক
খালিদ আব্দুল আজিম আল-হুওয়াইনি
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة بسم الله الرحمن الرحيم
إنّ الحمدَ لله، نحمَدُه، ونستعينُه، ونستغفرُه، ونعوذُ بالله من شرورِ أنفُسِنا، ومن سيِّئاتِ أعمالِنا.
مَنْ يهدِه الله فلا مُضلَّ له، ومَنْ يضلِلْ فلا هاديَ له.
وأشهَدُ أنْ لا إلهَ إلّا الله، وحدَه لا شريكَ له، وأشهَدُ أنّ محمَّدا عبدُه ورسولُه.
أمَّا بعدُ؛
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُّسْلِمُونَ} [آل عمران: 102].
{يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ من نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ منهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ منهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالأَرْحَامَ إِنَّ اللهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا} [النساء: 1].
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا* يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب: 70، 71]
الإمامُ الحافظُ الكبيرُ أبو جعفرٍ محمَّد بنُ عبدِ الله بنِ سليمانَ الحضرميُّ الكوفيُّ المعروفُ ب «مُطَيَّن» (ت: 297 هـ) أحدُ الأئمةِ الحفاظ، ثقةٌ، جبلٌ، كَتَب عن أكثرَ من خمسِ مئةٍ شيخ، عدَّه الإمامُ الذهبيُّ فيمَن يُعتمد قولُه في الجرحِ والتعديل.
صنَّف المسندَ والتاريخَ والتفسيرَ، لكن لم يصلنا شيءٌ ممَّا صنَّف خلا هذين الجزأين الآتيَين -فيما أعلم-.
ভূমিকা পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা ও আমাদের মন্দ আমলসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।
আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত দেওয়ার কেউ নেই।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
অতঃপর;
{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।} [আল ইমরান: ১০২]।
{হে মানবকুল! তোমরা তোমাদের সেই রবকে ভয় করো যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন আর তাদের উভয় থেকে বহু নর-নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে যাচনা করো এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা থেকে সতর্ক থাকো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন।} [আন-নিসা: ১]।
{হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের আমলসমূহ সংশোধন করে দেবেন এবং তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে, সে অবশ্যই মহাসাফল্য লাভ করবে।} [আল-আহযাব: ৭০, ৭১]
মহান ইমাম ও হাফিজ আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি আল-কুফি, যিনি 'মুতায়্যিন' (মৃত্যু: ২৯৭ হিজরি) নামে পরিচিত; তিনি হাফিজ ইমামগণের অন্যতম, নির্ভরযোগ্য ও পাহাড়সম ব্যক্তিত্ব। তিনি পাঁচশতরও বেশি শাইখের নিকট থেকে (হাদিস) সংগ্রহ করেছেন। ইমাম যাহাবি তাঁকে সেসব ইমামদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যাঁদের বক্তব্য জারহ ও তাদিলের (বর্ণনাকারী যাচাইয়ের) ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য বলে গণ্য হয়।
তিনি মুসনাদ, ইতিহাস এবং তাফসির গ্রন্থ সংকলন করেছেন; কিন্তু আমার জানামতে, এই পরবর্তী দুটি খণ্ড ব্যতীত তাঁর সংকলিত কোনো কিছুই আমাদের কাছে পৌঁছেনি।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৬)
الجزء الأول: «من حديث أبي جعفر محمد بن عبد الله بن سليمان الحضرمي، ويعرف ب مطين». وهو من رواية أبي الحسن علي بن عبد الرحمن بن أبي السري البكائي (ت: 376 هـ)، عنه. اشتمل على (42) إسناداً.
الجزء الثاني: «من الأخبار والحكايات من كلام العلماء لأبي جعفرٍ محمَّدِ بنِ عبدِ الله بنِ سليمانَ الحضرميِّ» وهو من رواية أبي محمَّد جعفر بن محمَّد بن نُصير الخُلْدي (ت: 348 هـ)، عنه. اشتمل على (74) إسناداً.
وكان منهجي في تحقيقِهما كالتالي:أولًا: قمتُ بنسخِهما عن أصلِهما، مُراعيًا علاماتِ الترقيم.
ثانيًا: كَتَبتُ الآياتِ القرآنيةَ بالرسمِ العثمانيّ، مع عزوِها لمواضعِها من المصحفِ الشريفِ.
ثالثًا: رَقَّمتُ أسانيدَهما وجَعَلته ترقيمًا متَّصلًا فيهما، وضَبَطتُ ما يُشكِل في النصِّ.
رابعًا: خرَّجت أحاديثَهما، واكتَفيتُ فيه بمَن أخرجه من طريقِ المصنِّفِ أو تابعه.
خامسًا: وَضَعتُ فهرسًا للآياتِ والأحاديثِ والمراجعِ، ثمَّ فهرسًا عامًّا للمحتوياتِ.
سادسًا: قدَّمت بين يدي النصِّ المُحَقَّقِ ب: ترجمةٍ لصاحبِ الجزأَين (مُطَيَّن)، ورواةِ الجزأَين عنه. ثمَّ وَصَفتُ النسختَين الخطِّيتَين، وأتبعتُهما بصورٍ منهما.
وختامًا: أسأل الله العظيم، ربَّ العرشِ الكريمِ أن يتقبَّلَه منّي، وأن يرضى
প্রথম অংশ: «আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি-এর হাদিস থেকে, যিনি মুতায়্যিন নামে পরিচিত»। এটি তাঁর সূত্রে আবুল হাসান আলী বিন আবদুর রহমান বিন আবি আল-সাররি আল-বুকায়ি (মৃত্যু: ৩৭৬ হিজরি)-এর বর্ণনা। এতে (৪২)টি ইসনাদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দ্বিতীয় অংশ: «আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি-এর আলেমদের বাণী থেকে সংগৃহীত সংবাদ ও কাহিনীসমূহ» এটি তাঁর সূত্রে আবু মুহাম্মদ জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নুসাইর আল-খুলদি (মৃত্যু: ৩৪৮ হিজরি)-এর বর্ণনা। এতে (৭৪)টি ইসনাদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উভয়টি সম্পাদনার ক্ষেত্রে আমার কর্মপদ্ধতি ছিল নিম্নরূপ:প্রথমত: আমি বিরামচিহ্নের প্রতি লক্ষ রেখে মূল পাণ্ডুলিপি থেকে সেগুলো অনুলিপি করেছি।
দ্বিতীয়ত: আমি কুরআনের আয়াতগুলো উসমানি লিপিতে লিখেছি এবং পবিত্র মুসহাফ থেকে সেগুলোর উৎস নির্দেশ করেছি।
তৃতীয়ত: আমি এগুলোর ইসনাদসমূহ নম্বরযুক্ত করেছি এবং উভয় অংশে একটি নিরবচ্ছিন্ন ক্রমধারা অনুসরণ করেছি এবং মূলপাঠের অস্পষ্ট ও জটিল শব্দসমূহের সঠিক উচ্চারণ নির্ধারণ করে দিয়েছি।
চতুর্থত: আমি এগুলোর হাদিসসমূহের তাখরিজ করেছি এবং এক্ষেত্রে যারা মূল গ্রন্থকারের সূত্রে বা তাঁর অনুগামী হয়ে বর্ণনা করেছেন, তাদের উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছি।
পঞ্চমত: আমি আয়াত, হাদিস ও তথ্যসূত্রের একটি নির্ঘণ্ট এবং এরপর বিষয়বস্তুর একটি সাধারণ সূচিপত্র যুক্ত করেছি।
ষষ্ঠত: মূল সম্পাদিত পাঠের শুরুতে আমি উভয় অংশের লেখক (মুতায়্যিন) এবং তাঁর থেকে উভয় অংশের বর্ণনাকারীদের সংক্ষিপ্ত জীবনী পেশ করেছি। এরপর পাণ্ডুলিপি দুটির বিবরণ দিয়েছি এবং সেগুলোর প্রতিলিপি যুক্ত করেছি।
পরিশেষে: আমি মহান আল্লাহ, যিনি সম্মানিত আরশের রব, তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমার এই কাজ কবুল করেন এবং সন্তুষ্ট হন।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৭)
به عني، وأن يجعلَه خالصًا لوجهِه الكريم، إنّه وليُّ ذلك والقادرُ عليه.
وآخرُ دعوانا أنِ الحمدُ لله ربِّ العالمين
وصلى الله وسلَّم وبارك على سيِّدِنا محمَّد وعلى آلِه وصحبِه أجمعين.
كتب/
خالد عبد العظيم الحويني
قرية حوين، مركز الرياض، محافظة كفر الشيخ، مصر.
مساء الأحد: 9 ربيع ثان 1443 هـ
13/ 11/ 2021 م
তিনি যেন এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করেন এবং একে তাঁর মহান চেহারার জন্য একনিষ্ঠ করেন; নিশ্চয়ই তিনি এর অভিভাবক এবং এর ওপর সক্ষম।
আর আমাদের শেষ কথা হলো, সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য
আর আল্লাহ সালাত, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর ওপর।
লিখেছেন/
খালিদ আব্দুল আজীম আল-হুওয়াইনী
হুওয়াইন গ্রাম, রিয়াদ কেন্দ্র, কাফরুশ শাইখ জেলা, মিশর।
রবিবার সন্ধ্যা: ৯ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
১৩/ ১১/ ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৯)
ترجمةُ الإمامِ
ইমামের জীবনী
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১১)
ترجمةُ الإمامِ محمَّد بنِ عبدِ الله بنِ سليمانَ الحضرميِّ مُطيَّن (1)
اسمُه:محمَّدُ بنُ عبدِ الله بنِ سليمانَ الحضرميُّ الكوفيُّ، أبو جعفرٍ، الملقَّب بمُطَيَّنٍ.
مولدُه:وُلد رحمه الله سنةَ اثنتين ومئتَين.
طلبُه العلمَ:قال جعفرٌ الخُلْديُّ: قلتُ لمطيَّنٍ: لم لُقِّبت بهذا؟ قال: كنتُ صبيًّا ألعبُ مع الصبيان، وكنتُ أطولَهم، فنسبحُ ونخوضُ، فيطيِّنون ظهري، فبصُر بي يومًا
--------------------------------------------
ইমাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুলায়মান আল-হাদরামি মুতাইইয়িন-এর জীবনী (১)
তাঁর নাম:মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সুলায়মান আল-হাদরামি আল-কুফি, আবু জাফর, তিনি ‘মুতাইইয়িন’ উপাধিতে পরিচিত।
তাঁর জন্ম:তিনি (রহিমাহুল্লাহ) দুইশত দুই হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর জ্ঞান অন্বেষণ:জাফর আল-খুলদি বলেন: আমি মুতাইইয়িনকে জিজ্ঞেস করলাম, কেন আপনাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে? তিনি বললেন: আমি বালক থাকাকালীন অন্য বালকদের সাথে খেলা করতাম। আমি তাদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘদেহী ছিলাম। আমরা যখন সাঁতার কাটতাম এবং পানিতে নামতাম, তখন তারা আমার পিঠে কাদা মেখে দিত। একদিন আমাকে দেখলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১২)
أبو نعيمٍ، فقال لي: يا مطيَّن، لم لا تحضرُ مجلسَ العلم؟ فلمّا طَلَبتُ الحديثَ، مات أبو نُعيم، وكَتَبتُ عن أكثرَ من خمسِ مئةِ شيخٍ.
شيوخُه:كَتَب مطيَّنٌ عن أكثرَ من خمسِ مئةِ شيخٍ؛ فمنهم:
أحمدُ بنُ أسدٍ البجليُّ، وأحمدُ بنُ زكريّا الواسطي، وأحمدُ بنُ سنانٍ الواسطيُّ، وأحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ حنبلٍ، وأحمدُ بنُ يونسَ، والحسنُ بنُ الخلّالِ، والحسنُ بنُ قزعةَ، والحسينُ بنُ حسنٍ، والحكمُ بنُ موسى، ورَوحُ بنُ عبدِ المؤمنِ، وسعيدُ بنُ عمرٍو الأشعثيُّ، وسفيانُ بنُ وكيعٍ، وسَلمُ بنُ جُنادةَ، وسلمةُ بنُ شبيبٍ، وشيبانُ بنُ فروخٍ، وضرارُ بنُ صردٍ، والعباسُ بنُ عبدِ العظيمِ العنبريُّ، وعبدُ الله بنُ أحمدَ بنِ حنبلٍ، وعبدُ الله بنُ أحمدَ بنِ شبّويهِ، وعبدُ الله بنُ خُبيقٍ، وعبدُ الحميدِ بنُ صالحٍ، وعبدُ الواحدِ بنُ غياثٍ، وعبدُ الوارثِ بنُ عبدِ الصمدِ، وعبدُ الوهّابِ بنُ زكريّا الأصبهانيُّ، وعبيدُ بنُ إسماعيلَ الهباريُّ، وعبيدُ بنُ يعيشَ، وعثمانُ بنُ أبي شيبةَ، وعقبةُ بنُ قبيصةَ، وعليُّ بنُ الجعدِ، وعليُّ بنُ حربٍ الموصليُّ، وعليُّ بنُ حكيمٍ الأوديُّ، والفضلُ بنُ دُكَينٍ أبو نعيمٍ، وكاملُ بنُ طلحةَ، ومحمَّدُ بنُ إسماعيلَ بنِ سمرةَ الأحمسيُّ، ومحمَّدُ بنُ بشّارٍ، ومحمَّدُ بنُ حفصِ بنِ راشدٍ، ومحمَّدُ بنُ زَنجَويهِ أبو بكرٍ، ومحمَّدُ بنُ عبدِ الله بنِ نُمَيرٍ، ومحمَّدُ بنُ عمرِو بنِ حيّانَ، ومحمَّدُ بنُ العلاءِ أبو كريبٍ، ومحمَّدُ بنُ المثنّى أبو موسى، ومحمودُ بنُ غيلانَ، ومسروقُ بنُ المَرزُبانِ، ومِسعَرُ بنُ كِدامٍ، ومصرفُ بنُ عمرٍو، ومنجابُ بنُ الحارثِ، ونعيمُ بنُ يعقوبَ، وهلالُ بنُ العلاءِ، والهيثمُ بنُ عبيدِ الله القرشيُّ، ووهبُ بنُ بقيّةَ، ويحيى بنُ بشرٍ الحريريُّ، ويحيى بنُ حسّانَ، ويحيى بنُ عبدِ الحميدِ الحمانيُّ،
আবু নুআয়ম (আমাকে দেখে) বললেন: হে মুতাইয়িন, কেন তুমি ইলমের মজলিসে উপস্থিত হও না? এরপর যখন আমি হাদিস অন্বেষণ শুরু করলাম, তখন আবু নুআয়ম ইন্তেকাল করলেন। আর আমি পাঁচ শতাধিক শাইখের নিকট থেকে (হাদিস) লিখেছি।
তাঁর উস্তাদগণ:মুতাইয়িন পাঁচ শতাধিক শাইখ থেকে (হাদিস) লিখেছিলেন; তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
আহমাদ ইবনে আসাদ আল-বাজালি, আহমাদ ইবনে জাকারিয়া আল-ওয়াসিতি, আহমাদ ইবনে সিনান আল-ওয়াসিতি, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল, আহমাদ ইবনে ইউনুস, আল-হাসান ইবনুল খাল্লাল, আল-হাসান ইবনে কাযাআহ, আল-হুসাইন ইবনে হাসান, আল-হাকাম ইবনে মুসা, রাওহ ইবনে আব্দুল মুমিন, সাঈদ ইবনে আমর আল-আশআসি, সুফিয়ান ইবনে ওয়াকি, সালাম ইবনে জুনাদাহ, সালামাহ ইবনে শাবিব, শাইবান ইবনে ফাররুখ, দিরার ইবনে সুরদ, আল-আব্বাস ইবনে আব্দুল আজিম আল-আনবারি, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে শাব্বাউয়িহ, আব্দুল্লাহ ইবনে খুবাইক, আব্দুল হামিদ ইবনে সালিহ, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে গিয়াস, আব্দুল ওয়ারিস ইবনে আব্দুল সামাদ, আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে জাকারিয়া আল-আসবাহানি, উবাইদ ইবনে ইসমাইল আল-হাব্বারি, উবাইদ ইবনে ইয়াইশ, উসমান ইবনে আবু শায়বাহ, উকবাহ ইবনে কুবায়েসাহ, আলী ইবনুল জাদ, আলী ইবনে হারব আল-মাওসিলি, আলী ইবনে হাকিম আল-আওদি, আল-ফজল ইবনে দুকাইন আবু নুআয়ম, কামিল ইবনে তালহা, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনে সামুরাহ আল-আহমাসি, মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার, মুহাম্মাদ ইবনে হাফস ইবনে রাশিদ, মুহাম্মাদ ইবনে জানজুয়াইহ আবু বকর, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর, মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে হাইয়ান, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আবু কুরাইব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আবু মুসা, মাহমুদ ইবনে গাইলান, মাসরুক ইবনুল মারজুবান, মিসআর ইবনে কিদাম, মুসরিফ ইবনে আমর, মুঞ্জাব ইবনুল হারিস, নুআয়ম ইবনে ইয়াকুব, হিলাল ইবনুল আলা, আল-হাইসাম ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-কুরাশি, ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যাহ, ইয়াহইয়া ইবনে বিশর আল-হারিরি, ইয়াহইয়া ইবনে হাসসান এবং ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামিদ আল-হিম্মানি।
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৩)
ويوسفُ بنُ مسلمٍ، وأبو بكرِ بنُ أبي شيبةَ، وأبو معمرٍ القطيعيُّ.
سمع منه:إبراهيمُ بنُ أحمدَ بنِ أبي الحصينِ الهمدانيُّ، وأحمدُ بنُ إبراهيمَ أبو بكرٍ الإسماعيليُّ، وأحمدُ بنُ إسحاقَ بنِ بُنجاب الطيبيُّ، وأحمدُ بنُ سلمانَ بنِ الحسنِ الفقيهُ أبو بكرٍ النجادُ، وأحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ إبراهيمَ المذكرُ الطوسيُّ البلاذريُّ، وأحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ إسماعيلَ أبو حامدٍ الإسماعيليُّ، وأحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ حكيمٍ أبو الحسنِ الحكيميُّ، وأحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ حَمدانَ أبو بكرِ بنُ الصابونيِّ، وأحمدُ بنُ موسى بنِ العباسِ أبو بكرِ بنُ مجاهدٍ، وأحمدُ بنُ يوسفَ بنِ خلّادٍ النصيبيُّ، وبرهانُ بنُ عليٍّ الصوفيُّ، وجعفرُ بنُ محمَّدِ بنِ هشامٍ الكنديُّ، وجعفرُ بنُ محمَّدِ بنِ نصيرٍ الخلديُّ، والحسنُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ خلّادٍ أبو محمَّدٍ الرامهرمزيُّ، والحسنُ بنُ محمَّدٍ السكونيُّ المعدّلُ، والحسينُ بنُ حمزةَ الخثعميُّ، وزيدُ بنُ عليِّ بنِ أحمدَ العجليُّ، وسليمانُ بنُ أحمدَ الطبرانيُّ، وعبدُ الله بنُ يحيى بنِ معاويةَ أبو بكرٍ الطلحيُّ، وعبدُ الباقي بنُ قانعِ بنِ مرزوقٍ، وعليُّ بنُ الحسينِ بنِ محمَّدٍ أبو الفرجِ الأصبهانيُّ، والفضلُ بنُ جعفرٍ المدائنيُّ، ومحمَّدُ بنُ أحمدَ بنِ نصرٍ أبو جعفرٍ الترمذيُّ، ومحمَّدُ بنُ الحسنِ أبو بكرٍ النقّاشُ، ومحمَّدُ بنُ خلفِ بنِ حيّانَ الملقَّبُ بوكيعٍ، ومحمَّدُ بنُ عبدِ الملكِ الدقيقيُّ، ومحمَّدُ بنُ عمرِو بنِ موسى أبو جعفرٍ العقيليُّ، ونعيمُ بنُ أبي نعيمٍ الجُرجانيُّ، والهيثمُ بنُ كُلَيبٍ الشاشيُّ، وأبو العبّاسِ بنُ عُقدةَ، وأبو عوانةَ الإسفرايينيُّ وغيرهم.
ثناءُ العلماءِ عليه:قال ابنُ أبي حاتم: «كَتَب إلينا ببعضِ حديثِه، وهو صدوقٌ».
ইউসুফ বিন মুসলিম, আবু বকর বিন আবি শায়বা এবং আবু মামার আল-কাতিয়ি।
তার থেকে শ্রবণ করেছেন:ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন আবিল হুসাইন আল-হামদানি, আহমদ বিন ইব্রাহিম আবু বকর আল-ইসমাঈলি, আহমদ বিন ইসহাক বিন বুঞ্জাব আত-তিবি, আহমদ বিন সালমান বিন আল-হাসান আল-ফকিহ আবু বকর আন-নাজ্জাদ, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-মুযাক্কির আত-তুসি আল-বালাযুরি, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আবু হামিদ আল-ইসমাঈলি, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাকিম আবুল হাসান আল-হাকিমি, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হামদান আবু বকর বিন আস-সাবুনি, আহমদ বিন মুসা বিন আল-আব্বাস আবু বকর বিন মুজাহিদ, আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আন-নাসিবি, বুরহান বিন আলি আস-সুফি, জাফর বিন মুহাম্মদ বিন হিশাম আল-কিন্দি, জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নুসাইর আল-খুলদি, আল-হাসান বিন আব্দুর রহমান বিন খাল্লাদ আবু মুহাম্মদ আর-রামাহুরমুজি, আল-হাসান বিন মুহাম্মদ আস-সুকুনি আল-মুয়াদদিল, আল-হুসাইন বিন হামজা আল-খাসআমি, যাইদ বিন আলি বিন আহমদ আল-ইজলি, সুলাইমান বিন আহমদ আত-তাবারানি, আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন মুয়াবিয়া আবু বকর আত-তালহি, আব্দুল বাকি বিন কানি বিন মারজুক, আলি বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আবু আল-ফারাজ আল-আসবাহানি, আল-ফাদল বিন জাফর আল-মাদায়েনি, মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নাসর আবু জাফর আত-তিরমিযি, মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আবু বকর আন-নাক্কাশ, মুহাম্মদ বিন খালাফ বিন হাইয়ান (যিনি ওয়াকি নামে পরিচিত), মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আদ-দাকিকি, মুহাম্মদ বিন আমর বিন মুসা আবু জাফর আল-উকাইলি, নুআইম বিন আবি নুআইম আল-জুরজানি, আল-হাইসাম বিন কুলাইব আশ-শাশি, আবুল আব্বাস বিন উকদাহ, আবু আওয়ানা আল-ইসফারায়িনি এবং অন্যান্য।
তার সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের প্রশংসা:ইবনে আবি হাতিম বলেন: «তিনি আমাদের কাছে তার কিছু হাদিস লিখে পাঠিয়েছেন এবং তিনি সত্যবাদী।»
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৪)
قال السهميُّ: «سألتُ أبا الحسنِ عليَّ بنَ عمرَ بنِ مهديٍّ الحافظَ -الدارقطنيَّ- عن محمَّدِ بنِ سليمانَ، مُطيَّن؟ فقال: ثقةٌ جبلٌ».
وقال السلميُّ: «سألتُ الدارقطنيَّ عن مُطيَّن، فقال: جبلٌ لوثاقتِه».
قال الخليلي: «ثقةٌ حافظٌ».
قال أبو نصرِ بنُ ماكولا: «أحدُ الأئمةِ الحُفّاظِ».
قال ابنُ أبي يعلى: «أحدُ الحُفّاظ والأذكياءِ الأيقاظ .. ذَكَره أبو بكرٍ الخلّالُ، فقال: «سَمِعنا منه أحاديثَ ومسائلَ عن أبي عبدِ الله حسانًا جيادًا».
قال السمعانيُّ: «كان من ثقاتِ الكوفيِّين».
قال ابن نُقطةَ: «حافظٌ ثقةٌ».
قال عزُّ الدين بنُ الأثيرِ: «كان ثقةً».
قال الذهبيُّ: «الشيخُ الحافظُ الصادق، محدِّثُ الكوفة، كان مُتقِنًا».
وقال: «الحافظُ الكبيرُ .. ثقةٌ مطلقًا».
وعدَّه الذهبيُّ فيمَن يُعتمد قولُه في الجرحِ والتعديلِ.
طعنُ محمَّدِ بنِ عثمانَ بن أبي شيبةَ في مُطيَّن:قال الخطيبُ البغداديُّ: «وَقَع بينه؛ أي: محمَّدِ بنِ عثمانَ بنِ أبي شيبةَ، وبين محمَّدِ بنِ عبدِ الله بن سليمانَ مطيَّنٍ الحضرميِّ كلامٌ، حتّى خَرَج كلُّ واحدٍ منهما إلى الخشونةِ والوقيعةِ في صاحبه، فأجريتُ بعضَ ما بينهما لمحمَّدِ بنِ عثمانَ بنِ أبي شيبةَ بعد أن سَمِعتُ المكروهَ من كلِّ واحدٍ منهما في صاحبِه، فقلتُ: ما هذا الاختلافُ الذي وَقَع بينكما؟
সাহমি বলেন: «আমি হাফেজ আবুল হাসান আলী ইবনে ওমর ইবনে মাহদি —আদ-দারাকুতনি— কে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান মুতাইয়িন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন: তিনি নির্ভরযোগ্য এবং পাহাড়সম (দৃঢ়)।’
সুলামি বলেন: «আমি দারাকুতনিকে মুতাইয়িন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: তাঁর নির্ভরযোগ্যতার কারণে তিনি পাহাড়সম।’
খালিলি বলেন: «নির্ভরযোগ্য হাফেজ।’
আবু নাসর ইবনে মাকুলা বলেন: «তিনি হাফেজ ইমামগণের অন্যতম।’
ইবনে আবি ইয়ালা বলেন: «তিনি হাফেজদের অন্যতম এবং সজাগ মেধাবীদের অন্তর্ভুক্ত... আবু বকর আল-খাল্লাল তাঁর উল্লেখ করে বলেছেন: ‘আমরা তাঁর নিকট থেকে আবু আব্দুল্লাহ (আহমাদ বিন হাম্বল) বর্ণিত সুন্দর ও চমৎকার হাদিস ও মাসয়ালাসমূহ শুনেছি।’
সামআনি বলেন: «তিনি কুফাবাসীদের নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।’
ইবনে নুকতাহ বলেন: «নির্ভরযোগ্য হাফেজ।’
ইজ্জুদ্দিন ইবনুল আসির বলেন: «তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন।’
জাহাবি বলেন: «তিনি শায়খ, হাফেজ, সত্যবাদী এবং কুফার মুহাদ্দিস; তিনি অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন: «মহান হাফেজ... নিরঙ্কুশভাবে নির্ভরযোগ্য।’
জাহাবি তাঁকে ঐ সকল ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যাঁদের বক্তব্য জারহ ও তাদিল (সনদ সমালোচনা) এর ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য।
মুতাইয়িন সম্পর্কে মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শাইবাহর সমালোচনা:খতিব বাগদাদি বলেন: «তাঁর অর্থাৎ মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শাইবাহ এবং মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান মুতাইয়িন আল-হাদরামি-এর মধ্যে বাদানুবাদ হয়েছিল, এমনকি তাদের প্রত্যেকে অপরজনের সাথে কর্কশ আচরণ এবং একে অপরের কুৎসা রটনায় লিপ্ত হয়েছিলেন। আমি তাদের প্রত্যেকের থেকে অপরজন সম্পর্কে অপ্রীতিকর কথা শোনার পর মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শাইবাহর নিকট তাদের মধ্যকার কিছু বিষয় উপস্থাপন করলাম এবং বললাম: আপনাদের দু’জনের মধ্যে এই যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, এটি কীসের জন্য?
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قال: روى مُطيَّن، عن عُبيدِ بنِ يعيشَ، عن مصعبِ بنِ سلامٍ، عن أبي سعدٍ، عن عكرمةَ، عن ابنِ عبّاسٍ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنّه قال: «تناصحوا في العلمِ؛ فإنّ خيانةَ أحدِكم في علمِه، أشدُّ من خيانتِه في مالِه، والله مُسائلُكم عنه».
فقال: غَلِط فيه مُطيَّنٌ، وإنَّما هو عن مصعبِ بنِ سلامٍ، عن أبي سعيدٍ وليس هو أبا سعدٍ.
قال: وإنّما رواه مطينٌ، فقال عن أبي سعدٍ، يريد به البقّالَ.
ورَوَيتُ أنا وقلتُ: عن أبي سعيدٍ عبدِ القدّوسِ بنِ حبيبٍ.
فقلتُ له: عمَّن رَوَيتَ؟ فقال: حدَّثنا إبراهيمُ بنُ محمَّدِ بنِ ميمونٍ، قال: حدَّثنا مصعبُ بنُ سلامٍ، قال: حدَّثنا عبدُ القدوسِ بنُ حبيبٍ الدمشقيُّ أبو سعيدٍ، عن عكرمةَ، عن ابنِ عبّاسٍ، قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم: «تناصحوا في العلمِ؛ فإنّ خيانةَ أحدِكم في علمِه، أشدُّ من خيانتِه في مالِه»
(1).
قال أبو نعيمٍ: فسَبَق إلى وهمي أنّ هذا الغلطَ قد يكونُ من عُبيدِ بنِ يعيشَ؛ إذ كانت روايةُ محمَّدِ بنِ عثمانَ هي عن إبراهيمَ بنِ محمَّدِ بنِ ميمونٍ، ثمَّ ذَكَرتُ فيما: حدَّثنا عمّارُ بنُ رجاءٍ، قال: حدَّثنا عبيدُ بنُ يعيشَ، قال: حدَّثنا مصعبُ بنُ سلامٍ، عن أبي سعيدٍ، عن عكرمةَ، عن ابنِ عبّاسٍ، قال: قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم
… فذَكَر هذا الحديثَ.
وحدَّثنا مطينٌ، قال: حدَّثنا عبيدُ بنُ يعيشَ، قال: حدَّثنا مصعبُ بنُ سلامٍ، عن أبي سعدٍ، عن عكرمةَ، فذَكَر مثلَه.
--------------------------------------------
তিনি বললেন: মুতায়্যান বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে ইয়াইশ থেকে, তিনি মুসআব ইবনে সালাম থেকে, তিনি আবু সা'দ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা ইলমের ব্যাপারে একে অপরের হিতাকাঙ্ক্ষী হও; কেননা তোমাদের কারো তার ইলমের ক্ষেত্রে খেয়ানত করা, তার মালের ক্ষেত্রে খেয়ানত করার চেয়েও গুরুতর। আর আল্লাহ তোমাদেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।»
অতঃপর তিনি বললেন: মুতায়্যান এতে ভুল করেছেন, আসলে এটি মুসআব ইবনে সালাম থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে হবে; তিনি আবু সা'দ নন।
তিনি বললেন: মুতায়্যান এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আবু সা'দ বলেছেন, এর দ্বারা তিনি আল-বাক্কালকে বুঝিয়েছেন।
আর আমি বর্ণনা করেছি এবং বলেছি: আবু সাঈদ আব্দুল কুদ্দুস ইবনে হাবিব থেকে।
অতঃপর আমি তাকে বললাম: আপনি কার থেকে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাইমুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: মুসআব ইবনে সালাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আবু সাঈদ আব্দুল কুদ্দুস ইবনে হাবিব আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমরা ইলমের ব্যাপারে একে অপরের হিতাকাঙ্ক্ষী হও; কেননা তোমাদের কারো তার ইলমের ক্ষেত্রে খেয়ানত করা, তার মালের ক্ষেত্রে খেয়ানত করার চেয়েও গুরুতর»
(১)।
আবু নুয়াইম বললেন: আমার মনে এই ধারণা এসেছিল যে এই ভুলটি সম্ভবত উবাইদ ইবনে ইয়াইশ-এর পক্ষ থেকে হয়েছে; যেহেতু মুহাম্মদ ইবনে উসমানের বর্ণনাটি ছিল ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাইমুন থেকে। অতঃপর আমি তা স্মরণ করেছি যা আম্মার ইবনে রাজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদ ইবনে ইয়াইশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসআব ইবনে সালাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
… অতঃপর তিনি এই হাদীসটি উল্লেখ করলেন।
এবং মুতায়্যান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: উবাইদ ইবনে ইয়াইশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: মুসআব ইবনে সালাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সা'দ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৬)
قال أبو نعيمٍ: فقلتُ: إنّ الصوابَ فيما رواه محمَّدُ بنُ عثمانَ، وأنَّه لم يغلطْ فيما ردَّ على مُطيَّنٍ من روايتِه عن عبيدِ بنِ يعيشَ.
قال أبو نعيمٍ: وهذا سماعي قديمًا، ثمَّ سَمِعتُ من مُطيَّنٍ الحضرميِّ هذا الحديثَ بعد ذلك بعشرين سنةً في «فوائد الحاجّ»، قال: حدَّثنا عبيدُ بنُ يعيشَ، قال: حدَّثنا مصعبُ بنُ سلامٍ، عن أبي سعدٍ، قال: أبو جعفرٍ الحضرميُّ: يعني عبدَ القدوسِ بنَ حبيبٍ الدمشقيَّ، عن عكرمةَ، عن ابنِ عبّاسٍ.
كأنَّ الحضرميَّ بيَّنه بذلك، وقال: يعني عبدَ القدوسِ، ولم يقل: عن أبي سعيدٍ، وقال: عن أبي سعدٍ، فأقرَّ سعدًا على حالِه، ولم يُقرَّ الاسمَ.
قال لي محمَّدُ بنُ عثمانَ: وقد غَلِط أيضًا في حديثٍ آخرَ، ثم قال: حدَّثنا أبي، قال: حدَّثنا جريرٌ، عن مغيرةَ، عن عاصمٍ، عن زِرٍّ، عن أُبيِّ بنِ كعبٍ في ليلةِ القدرِ ليلةَ سبعٍ وعشرين
(1).
قال محمَّدُ بنُ عثمانَ: وإنَّما هو موقوفٌ، وقد حدَّث به مُطيَّنٌ مرفوعًا، ولم يُحدِّث به أُبيٌّ إلا موقوفًا.
ثمَّ قال محمَّدُ بنُ عثمانَ: حدَّثنا يحيى الحِمّانيُّ، قال: حدَّثنا يحيى بنُ اليمانِ، عن شَرِيكٍ، عن عثمانَ أبي اليقظانِ، عن أنسٍ {ولدينا مزيد} [ق: 35].
قال: يظهرُ الربُّ تعالى يومَ القيامةِ
(2).
قال محمَّدُ بنُ عثمانَ: وحدَّث به مطينٌ، عن يحيى الحمانيِّ.
--------------------------------------------
আবু নুয়াইম বলেন: আমি বলেছি: মুহাম্মদ বিন উসমান যা বর্ণনা করেছেন তা-ই সঠিক, এবং উবাইদ বিন ইয়াইশ থেকে তাঁর বর্ণিত বর্ণনার বিষয়ে মুতাইয়্যিনের ওপর তিনি যে আপত্তি করেছেন তাতে তিনি কোনো ভুল করেননি।
আবু নুয়াইম বলেন: এটি আমার দীর্ঘকাল আগের শ্রবণ, তারপর আমি মুতাইয়্যিন আল-হাদরামি থেকে বিশ বছর পর এই হাদিসটি ‘ফাওয়াইদুল হাজ্জ’ গ্রন্থে শুনেছি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবাইদ বিন ইয়াইশ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসআব বিন সাল্লাম বর্ণনা করেছেন আবু সা’দ থেকে, আবু জাফর আল-হাদরামি বলেন: অর্থাৎ আবদুল কুদ্দুস বিন হাবিব আদ-দিমাশকি, ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে।
মনে হয় হাদরামি এর মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন এবং তিনি বলেছেন: অর্থাৎ আবদুল কুদ্দুস; তিনি ‘আবু সাঈদ থেকে’ বলেননি, বরং বলেছেন ‘আবু সা’দ থেকে’। ফলে তিনি ‘সা’দ’ নামটিকে তার অবস্থায় বহাল রেখেছেন, কিন্তু নামটি (সঠিক হিসেবে) স্বীকৃতি দেননি।
মুহাম্মদ বিন উসমান আমাকে বললেন: তিনি অন্য একটি হাদিসেও ভুল করেছেন। তারপর তিনি বললেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জারির বর্ণনা করেছেন মুগিরাহ থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি উবাই ইবনে কাব থেকে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে যে, তা সাতাশতম রাত
(১)।
মুহাম্মদ বিন উসমান বলেন: এটি মূলত মাওকুফ (সাহাবীর বক্তব্য), কিন্তু মুতাইয়্যিন এটি মারফু (রাসূলের বক্তব্য) হিসেবে বর্ণনা করেছেন; অথচ উবাই এটি মাওকুফ ছাড়া বর্ণনা করেননি।
তারপর মুহাম্মদ বিন উসমান বললেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া আল-হিমান্নি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন আল-য়ামান বর্ণনা করেছেন শারিক থেকে, তিনি উসমান আবু আল-ইয়াকযান থেকে, তিনি আনাস থেকে {এবং আমার নিকট আরও অধিক রয়েছে} [ক্বাফ: ৩৫]।
তিনি বলেন: মহান রব কিয়ামতের দিন আত্মপ্রকাশ করবেন
(২)।
মুহাম্মদ বিন উসমান বলেন: মুতাইয়্যিন এটি ইয়াহইয়া আল-হিমান্নি থেকে বর্ণনা করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৭)
قال: حدَّثنا يحيى، قال: حدَّثنا شريكٌ
… ولم يذكر يحيى بنَ اليمانِ فيما بينهما.
قال أبو نُعيمٍ: ثمَّ لَقِيتُ محمَّدَ بنَ عثمانَ ببغدادَ سنةَ تسعٍ وثمانين، وسنةَ تسعين وإحدى، وهو يذكرُ مُطيَّنًا بسوءٍ، وبَلَغني أنّ مُطيَّنًا يذكرُه أيضًا بسوءٍ، وأنّ تلك المقالاتِ والمراسلاتِ باقيةٌ بعدُ إلى تلك الغايةِ.
قال أبو نعيمٍ: وسألتُ الحضرميَّ بالكوفةِ سنةَ تسعين عن محمَّدِ بنِ عثمانَ، -ومحمَّدُ بنُ عثمانَ حينئذٍ مقيمٌ ببغدادَ-، فقال: حدَّثنا عبيدُ الله، قال: حدَّثنا ابنُ مهديِّ، عن حمادِ بنِ زيدٍ، قال: سألتُ أيوبَ عن رجلٍ، فقال: لم يكن مستقيمَ اللسانِ. فرأيتُه يذكرُه بالطعنِ عليه.
فقيل له: إنّ محمَّدَ بنَ عثمانَ يروي عن محمَّدِ بنِ عمرانَ بنِ أبي ليلى، عن أبيه، عن ابنِ أبي ليلى، عن فُضيلٍ في التشهُّدِ.
فقال: موضوعٌ.
قال أبو نعيمٍ: والذي يُعرف بهذا الإسنادِ حديثُ ابنِ أبي ليلى، عن فضيلِ بنِ عمرٍو، عن إبراهيمَ، عن علقمةَ، عن عبدِ الله بنِ مسعودٍ، عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم كان إذا استخار الله في الأمر يريدُ أن يصنعَه يقول: «اللهم إنّي أستخيرُك بعلمِك، وأستقدرُك بقدرتِك
… »
(1) فذَكَر الحديثَ.
قال مطينٌ: ومن أين لَقِي محمَّدَ بنَ عمرانَ؟ فعَلِمتُ أنّه يحملُ عليه من غيرِ توقُّفٍ.
--------------------------------------------
তিনি বললেন: আমাদের কাছে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বললেন: আমাদের কাছে শারিক বর্ণনা করেছেন
… এবং ইয়াহইয়া তাদের মাঝে ইয়াহইয়া ইবনুল ইয়ামান-এর উল্লেখ করেননি।
আবু নুয়াইম বলেন: এরপর আমি উননব্বই, নব্বই এবং বিরানব্বই হিজরি সনে বাগদাদে মুহাম্মদ ইবনে উসমানের সাথে সাক্ষাৎ করি। তখন তিনি মুতাইয়্যিনকে মন্দভাবে উল্লেখ করছিলেন। আমার কাছে এ খবরও পৌঁছেছে যে, মুতাইয়্যিনও তাকে মন্দভাবে উল্লেখ করেন। আর সেই সব কথাবার্তা এবং পত্রালাপ আজও সেই পর্যায় পর্যন্ত বিদ্যমান রয়েছে।
আবু নুয়াইম বলেন: আমি নব্বই হিজরি সনে কুফায় হাযরামীকে মুহাম্মদ ইবনে উসমান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম—তখন মুহাম্মদ ইবনে উসমান বাগদাদে অবস্থান করছিলেন—তিনি বলেন: আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইবনে মাহদী বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে, তিনি বলেন: আমি আইয়ুবকে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তার যবান সোজা ছিল না। ফলে আমি দেখলাম তিনি তাকে সমালোচনা ও দোষারোপের সাথে উল্লেখ করছেন।
তাকে বলা হলো: মুহাম্মদ ইবনে উসমান তাশাহহুদ সম্পর্কে মুহাম্মদ ইবনে ইমরান ইবনে আবি লাইলা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি ইবনে আবি লাইলা থেকে, তিনি ফুযাইল থেকে বর্ণনা করেন।
তিনি বললেন: এটি জাল।
আবু নুয়াইম বলেন: এই সনদে যা পরিচিত তা হলো ইবনে আবি লাইলার হাদিস, যা তিনি ফুযাইল ইবনে আমর থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যখন কোনো কাজ করার ইচ্ছা করে আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করতেন, তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের মাধ্যমে আপনার কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং আপনার কুদরতের মাধ্যমে আপনার কাছে সামর্থ্য প্রার্থনা করছি
… »
(১) অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করলেন।
মুতাইয়্যিন বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উসমান মুহাম্মদ ইবনে ইমরানের সাথে কোথায় সাক্ষাৎ পেলেন? তখন আমি বুঝতে পারলাম যে তিনি কোনো দ্বিধা ছাড়াই তার ওপর দোষারোপ করছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৮)
فقلتُ لمطينٍ: ومتى مات محمَّدُ بنُ عمرانَ؟ فقال: سنةَ أربعٍ وعشرين.
فقلتُ لابني: اكتب هذا التاريخَ.
فرأيتُه قد نَدِم على ذلك، فقال: مات محمَّدُ بنُ عمرانَ بعد هذا، فذَكَر موتَه بعد ذلك بسنين، وذكر منجابًا، فقال: مات بعد ثلاثين.
ثم قال: مات إسماعيلُ بنُ الخليلِ سنةَ أربعٍ وعشرين، وشهابُ بنُ عبّادٍ سنةَ أربعٍ وعشرين.
فرأيتُه قد غَلِط في موتِ محمَّدِ بنِ عمرانَ فضمَّه إلى إسماعيلَ بنِ الخليلِ، وشهابِ بنِ عبادٍ، ورأيتُه قد أنكر عليه أيضًا أحاديثَ.
وذَكَرتُ لمحمَّدِ بنِ عثمانَ شيئًا من ذكرِ مطينٍ، فذَكَر أحاديثَ عن مطينٍ مما ينكرُ عليه، وقد كنتُ وَقَفتُ على تعصُّبٍ وَقَع بينهما بالكوفةِ سنةَ سبعين، وعلى أحاديثَ يُنكِر كلُّ واحدٍ منهما على صاحبِه، ثمَّ ظَهَر أنّ الصوابَ الإمساكُ عن القبولِ من كلِّ واحدٍ منهما في صاحبِه.
قال أبو نُعيمٍ: «ورأيتُ موسى بنَ إسحاقَ الأنصاريَّ يميلُ إلى مطينٍ في هذا المعنى حين ذُكِر عنده، ولا يطعنُ على محمَّدِ بنِ عثمانَ، ويثني على مُطيَّن ثناءً حسنًا»
(1).
قال الذهبيُّ: «وقد تكلَّم فيه محمَّدُ بنُ عثمانَ بنِ أبي شيبةَ، وتكلَّم هو في ابنِ عثمانَ، فلا يُعتدُّ غالبًا بكلامِ الأقرانِ، لا سيَّما إذا كان بينهما منافسةٌ؛ فقد عدَّد ابنُ عثمانَ لمطيَّنٍ نحوًا من ثلاثةِ أوهامٍ، فكان ماذا؟ ومطيَّنٌ أوثقُ
--------------------------------------------
আমি মুতায়্যিনকে বললাম: "মুহাম্মাদ ইবনে ইমরান কবে মারা গেছেন?" তিনি বললেন: "চব্বিশ সালে।"
আমি আমার ছেলেকে বললাম: "এই তারিখটি লিখে রাখো।"
অতঃপর আমি দেখলাম তিনি এ ব্যাপারে লজ্জিত হলেন এবং বললেন: "মুহাম্মাদ ইবনে ইমরান এর পরে মারা গেছেন।" তারপর তিনি তার মৃত্যুর কথা এর কয়েক বছর পর উল্লেখ করলেন এবং মিনজাব-এর কথা উল্লেখ করে বললেন: "তিনি ত্রিশ সালের পর মারা গেছেন।"
এরপর তিনি বললেন: "ইসমাঈল ইবনুল খলীল চব্বিশ সালে এবং শিহাব ইবনে আব্বাদ চব্বিশ সালে মারা গেছেন।"
আমি দেখলাম তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইমরানের মৃত্যুর ব্যাপারে ভুল করেছেন এবং তাকে ইসমাঈল ইবনুল খলীল ও শিহাব ইবনে আব্বাদের সাথে মিলিয়ে ফেলেছেন। এছাড়া আমি তাকে তার কিছু হাদিসও অস্বীকার করতে দেখেছি।
আমি মুহাম্মাদ ইবনে উসমানের কাছে মুতায়্যিন সম্পর্কে কিছু বিষয় উল্লেখ করলাম। তখন তিনি মুতায়্যিনের এমন কিছু হাদিসের কথা উল্লেখ করলেন যা আপত্তিকর বা প্রত্যাখ্যাত। আমি সত্তর সালে কুফায় তাদের দুজনের মধ্যে বিদ্যমান দলাদলি সম্পর্কে অবগত হয়েছিলাম এবং এমন কিছু হাদিস সম্পর্কেও জেনেছিলাম যা তারা একে অপরের ক্ষেত্রে অস্বীকার করতেন। পরবর্তীতে এটি স্পষ্ট হলো যে, একে অপরের ব্যাপারে তাদের দেওয়া বক্তব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকাই সঠিক পন্থা।
আবু নুআইম বলেন: "আমি মূসা ইবনে ইসহাক আল-আনসারিকে দেখেছি যে, যখনই এই প্রসঙ্গে আলোচনা হতো তিনি মুতায়্যিনের পক্ষ অবলম্বন করতেন, তবে তিনি মুহাম্মাদ ইবনে উসমান সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য করতেন না এবং মুতায়্যিনের ভূয়সী প্রশংসা করতেন।"
(১)।
আয-যাহাবি বলেন: "মুহাম্মাদ ইবনে উসমান ইবনে আবি শায়বাহ তার সমালোচনা করেছেন, আবার তিনিও ইবনে উসমানের সমালোচনা করেছেন। সমসাময়িকদের একে অপরের সমালোচনা সাধারণত ধর্তব্য হয় না, বিশেষ করে যখন তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকে। ইবনে উসমান মুতায়্যিনের প্রায় তিনটি ভুলের কথা উল্লেখ করেছেন, তো তাতে কী হয়েছে? মুতায়্যিন অধিক নির্ভরযোগ্য।"
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الرجُلَين، ويكفيه تزكيةُ مثلِ الدارقطنيِّ له»
(1).
وقال أيضًا: «ولأبي جعفرٍ العبسيِّ -هو محمَّدُ بنُ عثمانَ بنِ أبي شيبةَ- كلامٌ في مطيَّنٍ، وعدَّد له نحوًا من ثلاثةِ أوهامٍ، فلا يُلتَفت إلى كلامِ الأقرانِ بعضِهم في بعضٍ، وبكلِّ حالٍ فمُطيَّنٌ ثقةٌ مطلقًا، وليس كذلك العبسيُّ»
(2).
وقال: «حطَّ عليه محمَّدُ بنُ عثمانَ بنِ أبي شيبةَ، وحطَّ هو على ابنِ أبي شيبةَ، وآل أمرُهما إلى القطيعةِ. ولا يُعتدُّ -بحمد الله- بكثيرٍ من كلامِ الأقرانِ بعضِهم في بعضٍ».
وقال: «مطينٌ وثَّقه النّاس، وما أصغوا إلى ابنِ أبي شيبةَ»
(3).
قال الحافظُ ابنُ حجرٍ: «وقد أنكر موسى بنُ هارونَ الحافظُ أيضًا على مطينٍ أحاديثَ، لكن ظَهَر الصوابُ مع مطينٍ».
وقال الحاكمُ في تاريخِه: «سَمِعتُ أبا عبدِ الله محمَّدَ بنَ العبّاسِ يقول: سَمِعتُ أبا ترابٍ الموصليَّ -هو محمَّدُ بنُ إسحاقَ بنِ محمَّدٍ- يقولُ: جَمَع موسى بنُ هارونَ، عن أبي جعفرٍ الحضرميِّ ثلاثَ مئةِ حديثٍ أنكرها عليه، فكَتَبتُها وخَرَجتُ إلى الكوفةِ، فدَخَلتُ على أبي جعفرٍ فسألني فلمّا خلا بي قال: ما هذا الذي يبلغُني عن أبي عمرانِ تاب الله علينا وعليه؟ فقلتُ: قد جَمَعتُ الأحاديثَ التي يذكرُها، فقال: ائتني بها، فأتيتُه بها فقال: اذكر حديثًا حديثًا، فكنتُ أذكرُ الحديثَ، فيقومُ ويخرجُه من أصلِ كتابِه، في مجالس كُتُبه،
--------------------------------------------
উভয় ব্যক্তি, এবং তাঁর জন্য দারা কুতনীর মতো ব্যক্তির প্রশংসাই যথেষ্ট»
(১).
তিনি আরও বলেন: «এবং আবু জাফর আল-আবসি —তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আবু শায়বাহ— মুতাইয়্যিন সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেছেন এবং তাঁর প্রায় তিনটি ভুলের কথা উল্লেখ করেছেন। সুতরাং সমসাময়িকদের একে অপরের সম্পর্কে করা মন্তব্যের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করা যাবে না। যাই হোক না কেন, মুতাইয়্যিন নিরঙ্কুশভাবে নির্ভরযোগ্য, কিন্তু আল-আবসি তেমন নন»
(২).
তিনি বলেন: «মুহাম্মাদ বিন উসমান বিন আবু শায়বাহ তাঁর সমালোচনা করেছেন এবং তিনিও ইবনে আবু শায়বাহর সমালোচনা করেছেন, যার ফলে তাঁদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। আল্লাহর প্রশংসা যে, সমসাময়িকদের একে অপরের সম্পর্কে করা অনেক মন্তব্যই ধর্তব্য নয়।»
তিনি বলেন: «মুতাইয়্যিনকে সকলে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং তাঁরা ইবনে আবু শায়বাহর কথার দিকে কর্ণপাত করেননি»
(৩).
হাফেজ ইবনে হাজার বলেন: «হাফেজ মুসা বিন হারুনও মুতাইয়্যিনের বর্ণিত কিছু হাদিস প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, কিন্তু মুতাইয়্যিনই সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছেন।»
আল-হাকিম তাঁর ইতিহাস গ্রন্থে বলেন: «আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু তুরাব আল-মাউসিলিকে —তিনি মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মাদ— বলতে শুনেছি: মুসা বিন হারুন আবু জাফর আল-হাদরামির থেকে এমন তিনশটি হাদিস সংগ্রহ করেছিলেন যেগুলোর প্রতি তিনি আপত্তি জানিয়েছিলেন। আমি সেগুলো লিখে কুফায় গেলাম এবং আবু জাফরের কাছে উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন, এরপর যখন তিনি আমার সাথে একাকী হলেন তখন বললেন: আবু ইমরান সম্পর্কে আমার কাছে যা পৌঁছেছে তা কী? আল্লাহ আমাদের ও তাঁর তওবা কবুল করুন। আমি বললাম: তিনি যে হাদিসগুলো উল্লেখ করেন আমি তা সংগ্রহ করেছি। তিনি বললেন: সেগুলো আমার কাছে নিয়ে এসো। আমি সেগুলো তাঁর কাছে নিয়ে এলাম, তখন তিনি বললেন: একটি একটি করে হাদিস উল্লেখ করো। আমি একে একে হাদিসগুলো বলছিলাম আর তিনি উঠে তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর কিতাব সংগ্রহের স্থান থেকে সেগুলো বের করে দেখাচ্ছিলেন,
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২০)
حتى أخرجها كلَّها من أصولِه»
(1).
مصنفاته:1 - التاريخ.
2 - تاريخ صفِّين.
3 - تفسير القرآن.
4 - تفسير المسند.
5 - كتاب الأدب.
6 - كتاب السُّنن في الفقه.
7 - المسند.
8 - معرفة الصحابة
(2).
9 - معجم شيوخه.
10 - الوُحْدان
(3).
11 - الوُحْدان من الصحابة
(4).
وفاته:توفي رحمه الله في ربيع الأول، سنة سبع وتسعين ومئتين
(5).
--------------------------------------------
যতক্ষণ না তিনি তাঁর মূল উৎসগুলো থেকে সেগুলোর সবকটি বের করেছেন»
(১).
তাঁর রচনাবলি:১ - আত-তারিখ।
২ - তারিখু সিফফিন।
৩ - তাফসিরুল কুরআন।
৪ - তাফসিরুল মুসনাদ।
৫ - কিতাবুল আদাব।
৬ - কিতাবুস সুনান ফিল ফিকহ।
৭ - আল-মুসনাদ।
৮ - মারিফাতুস সাহাবাহ
(২)।
৯ - মুজামু শুয়ুখিহি (তাঁর উস্তাদদের জীবনীগ্রন্থ)।
১০ - আল-উহদান
(৩)।
১১ - আল-উহদান মিনাস সাহাবাহ
(৪)।
তাঁর মৃত্যু:তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) ২৯৭ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২১)
ترجمة رواة الجزء.
أبو الحسن البكّائي (1)هو عليُّ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ عبدِ الله بنِ أبي السريِّ البكّائيُّ، أبو الحسنِ الكوفيُّ.
حدَّث عن: عبدِ الله بنِ بحرٍ، محمَّدِ بنِ الحسينِ الوادعيِّ أبي حصينٍ، محمَّدِ بنِ عبدِ الله بنِ سليمانَ الحضرميِّ.
حدَّث عنه: أحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ خرجةَ النهاونديُّ، صاعدُ بنُ محمَّدٍ أبو العلاءِ، عبيدُ الله بنُ عليٍّ العجليُّ الحذّاءُ، محمَّدُ بنُ إسحاقَ بنِ فدّويه، محمَّدُ بنُ الحسنِ بنِ حمزةَ السكريُّ، محمَّدُ بنُ عبدِ العزيزِ بنِ أحمدَ بنِ بيانٍ الدهانُ، محمَّدُ بنُ محمَّدِ بنِ عيسى البكريُّ، وأبو عبدِ الله بنُ باكويه الشيرازيُّ.
ثناء العلماء عليه:قال أبو بكرٍ السمعانيُّ: «شيخٌ كبيرٌ ثقةٌ، من مشايخِ الكوفةِ».
قال الذهبيُّ: «الإمامُ المحدِّثٌ الصدوقُ، مُسنِدُ الكوفةِ».
وفاتُه:مات رحمه الله في ثالث عشر ربيعٍ الأولِ، سنةَ ستٍّ وسبعين وثلاثِ مئةٍ، وله تسعٌ وتسعون سنةً.
--------------------------------------------
এই অংশের বর্ণনাকারীদের পরিচিতি।
আবুল হাসান আল-বাক্কায়ী (১)তিনি হলেন আলী বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আবুস সারী আল-বাক্কায়ী, আবুল হাসান আল-কুফি।
তিনি বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ বিন বাহর, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-ওয়াদেয়ি আবু হাসিন এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান আল-হাদরামি থেকে।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন খারজাহ আল-নাহাওয়ান্দি, সায়েদ বিন মুহাম্মদ আবু আল-আলা, উবাইদুল্লাহ বিন আলী আল-ইজলি আল-হায্যা, মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ফাদ্দুয়াইহ, মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন হামজাহ আল-সুক্কারি, মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন বায়ান আদ-দাহ্হান, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-বাকরি এবং আবু আব্দুল্লাহ বিন বাকুয়াইহ আশ-শিরাজি।
তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:আবু বকর আস-সামআনি বলেন: «তিনি একজন প্রবীণ ও নির্ভরযোগ্য শায়খ, কুফার শায়খদের অন্তর্ভুক্ত।»
আয-যাহাবি বলেন: «তিনি ইমাম, মুহাদ্দিস, সত্যবাদী এবং কুফার মুসনিদ (বিরাট বর্ণনাকারী)।»
তাঁর মৃত্যু:তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) তিনশত ছিয়াত্তর হিজরির তেরোই রবিউল আউয়ালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল নিরানব্বই বছর।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২২)
أبو عبد الله النهاونديُّ (1)هو أحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ محمَّدِ بنِ خُرجةَ النهاونديُّ.
سَمِع من: عليِّ بنِ عبدِ الرحمنِ البكّائيِّ.
روى عنه: الحسنُ بنُ محمَّدِ بنِ خرجةَ أبو محمَّدٍ، عبيدُ الله بنُ محمَّدِ بنِ خُرجةَ أبو القاسمِ، العفيفُ محمَّدُ بنُ المظفَّرِ، محمَّدُ بنُ غزو النهاونديُّ.
ثناء العلماء عليه:قال الذهبيُّ: «القاضي العلّامةُ».
وفاته:ذَكَره الذهبيُّ في «تاريخ الإسلام» في وفيات عام (441 هـ) قال: «روى عنه العفيفُ محمَّدٌ
… سَمِعوا منه في هذا العام، ولا أدري متى مات».
أبو منصورٍ المُعَدِّلُ (2)هو محمَّدُ بنُ المظفَّرِ بنِ عبيدِ الله النهاونديُّ.
سَمِع: القاضيَ أحمدَ بنَ عبدِ الرحمنِ بنِ محمَّدٍ الراويَ.
أَخَذ عنه: أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ أحمدَ بنِ محمَّدٍ السِّلفيُّ.
وفاته:ذَكَره الذهبيُّ في «تاريخ الإسلام» فيمَن تُوفِّي تقريبًا في سنةِ (500 هـ).
--------------------------------------------
আবু আবদুল্লাহ আন-নাহাওয়ান্দি(১)তিনি হলেন আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খুরজাহ আন-নাহাওয়ান্দি।
তিনি যার নিকট থেকে শুনেছেন: আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-বাক্কায়ি।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খুরজাহ আবু মুহাম্মাদ, উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খুরজাহ আবু আল-কাসিম, আল-আফিফ মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুজাফ্ফার, মুহাম্মাদ ইবনে গাজওয়াহ আন-নাহাওয়ান্দি।
তাঁর সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামের প্রশংসা:আয-যাহাবি বলেন: «বিচারক (কাযী), বিজ্ঞ আলেম (আল্লামা)»।
তাঁর মৃত্যু:আয-যাহাবি তাঁকে «তারিখুল ইসলাম» গ্রন্থে ৪৪১ হিজরি সনের মৃত্যু তালিকায় উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: «তাঁর থেকে আল-আফিফ মুহাম্মাদ বর্ণনা করেছেন
… তাঁরা এই বছরে তাঁর কাছ থেকে শুনেছেন, তবে আমি জানি না তিনি ঠিক কখন মারা গেছেন»।
আবু মানসুর আল-মুয়াদদিল(২)তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুজাফ্ফার ইবনে উবায়দুল্লাহ আন-নাহাওয়ান্দি।
তিনি শুনেছেন: বর্ণনাকারী কাযী আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ-এর নিকট থেকে।
তাঁর নিকট থেকে ইলম অর্জন করেছেন: আবু তাহের আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সিলাফি।
তাঁর মৃত্যু:আয-যাহাবি তাঁকে «তারিখুল ইসলাম» গ্রন্থে সেইসব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন যারা আনুমানিক ৫০০ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৩)
أبو طاهرٍ السِّلَفيُّ (1)هو أحمدُ بنُ محمَّدِ بنِ أحمدَ بنِ محمَّدِ بنِ إبراهيمَ، أبو طاهرِ بنُ أبي أحمدَ الأصبهانيُّ السِّلفيُّ.
مولده:قال الذهبيُّ: «وُلد سنة خمسٍ وسبعين وأربعِ مئةٍ، أو قبلها بسنةٍ»
(2).
كَتَب عن: سعيدِ بنِ محمَّدِ بنِ يحيى الجوهريِّ، عبدِ الرحمنِ بنِ محمَّدِ بنِ يوسفَ النصريِّ، القاسمِ بنِ الفضلِ بنِ محمودٍ الثقفيِّ، محمَّدِ بنِ المظفَّرِ بنِ عبيدِ الله المعدلِ، مكيِّ بنِ منصورِ بنِ علّانَ الكرجيِّ.
حدَّث عنه: أحمدُ بنُ طارقِ بنِ سنانٍ الكركيُّ، أحمدُ بنُ عمرَ الخيوقيُّ أبو الجنابِ، عبدُ الله بنُ عبدِ الجبارِ العثمانيُّ، عبدُ الغنيِّ بنِ عبدِ الواحدِ المقدسيُّ، عبدُ القادرِ بنِ عبدِ الله الرهاويُّ، وعليُّ بنُ المفضلِ المقدسيُّ.
ثناء العلماء عليه:قال السمعانيُّ: «السِّلفيُّ ثقةٌ، ورعٌ، متقنٌ، متثبِّتٌ، فَهِمٌ، حافظٌ، له حظٌّ من العربيةِ، كثيرُ الحديثِ، حَسَنُ الفهمِ والبصيرةِ فيه».
قال ابن نُقطةَ: «وكان جوّالًا في الآفاقِ، تغرَّب، وكَتَب الكثيرَ، وكان
--------------------------------------------
আবু তাহির আস-সিলাফি (১)তিনি হলেন আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহিম, আবু তাহির ইবনু আবি আহমাদ আল-আসবাহানি আস-সিলাফি।
তাঁর জন্ম:আয-যাহাবি বলেন: «তিনি চারশত পঁচাত্তর হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন, অথবা এর এক বছর আগে»
(২)।
তিনি যাঁদের নিকট থেকে হাদীস লিখেছিলেন: সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া আল-জাওহারি, আব্দুর রহমান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ আন-নাসরি, আল-কাসিম ইবনুল ফাদল ইবনু মাহমুদ আস-সাকাফি, মুহাম্মাদ ইবনুল মুজাফ্ফর ইবনু উবাইদিল্লাহ আল-মুয়াদ্দিল, মাক্কি ইবনু মানসুর ইবনু আল্লান আল-কারজি।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবনু তারিক ইবনু সিনান আল-কারকি, আহমাদ ইবনু উমার আল-খাইয়ুকি আবু আল-জানাব, আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুল জাব্বার আল-উসমানি, আব্দুল গনি ইবনু আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি, আব্দুল কাদির ইবনু আব্দুল্লাহ আর-রাহাউয়ি এবং আলি ইবনুল মুফাদ্দাল আল-মাকদিসি।
তাঁর ব্যাপারে আলেমদের প্রশংসা:আস-সামআনি বলেন: «আস-সিলাফি একজন নির্ভরযোগ্য, মুত্তাকি, অত্যন্ত দক্ষ, সুদৃঢ়, প্রজ্ঞাবান এবং হাফেজ। আরবি ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল, তিনি প্রচুর হাদীস জানতেন এবং হাদীস শাস্ত্রে তাঁর গভীর বোধ ও অন্তর্দৃষ্টি ছিল»।
ইবনু নুকতাহ বলেন: «তিনি বিভিন্ন দিগন্তে পরিভ্রমণকারী পর্যটক ছিলেন, প্রবাস যাপন করেছেন এবং প্রচুর পরিমাণে হাদীস লিখেছিলেন, আর তিনি ছিলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৪)
حافظًا، ثقةً، ضابطًا، متقِنًا، سَمِع منه أقرانُه وأشياخُه، وحدَّث ببغدادَ لما قَدِمها لسماعِ الحديثِ، وكان على طريقةِ المُتقدِّمِين».
قال ابنُ الأبّارِ: «بقيّةُ المُسنِدين المعمِّرِين، وخاتمةُ المُحدِّثِين المُكثِرِين».
قال ابنُ خلِّكانَ: «أحدُ الحُفّاظِ المُكثِرِين».
قال الذهبيُّ: «الإمامُ العلّامةُ، المُحدِّثُ الحافظُ، المُفتي، شيخُ الإسلامِ، شرفُ المُعمِّرِين».
وفاته:مات رحمه الله في صبيحةِ يومِ الجمعةِ خامس شهر ربيعٍ الآخر، سنةَ ستٍّ وسبعين وخمسِ مئةٍ.
أبو الحسنِ ابنُ بنتِ الجُمَّيْزيِّ (1)هو عليُّ بنُ هبةِ الله بنِ سلامةَ بنِ المسلمِ اللخميُّ المصريُّ الشافعيُّ، أبو الحسنِ، ابنُ بنتِ الشيخِ أبي الفوارسِ الجُمَّيْزيِّ.
مولده:وُلد يومَ النحرِ سنةَ تسعٍ وخمسين وخمسِ مئةٍ بمصرَ.
سَمِع من: الحافظِ ابنِ عساكرَ، وشرفِ الدينِ بنِ أبي عصرونَ، وعبدِ الحقِّ اليوسفيِّ، وأبي الطاهرِ السلفيِّ، وأبي طالبٍ اللخميِّ، وغيرِهم.
--------------------------------------------
হাফিজ, নির্ভরযোগ্য, প্রখর স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন ও নিখুঁত বর্ণনাকারী ছিলেন; তাঁর সমসাময়িক এবং শিক্ষকগণ তাঁর নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন। তিনি যখন হাদিস শ্রবণের উদ্দেশ্যে বাগদাদে আসেন, তখন সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন এবং তিনি পূর্বসূরিদের পন্থার অনুসারী ছিলেন।
ইবনুল আব্বার বলেন: «তিনি দীর্ঘজীবী উচ্চ সনদধারী বর্ণনাকারীদের অবশিষ্টাংশ এবং অধিক হাদিস বর্ণনাকারী মুহাদ্দিসদের শেষ প্রতিনিধি»।
ইবনে খাল্লিকান বলেন: «তিনি অধিক হাদিস বর্ণনাকারী হাফিজদের একজন»।
যাহাবি বলেন: «তিনি ইমাম, আল্লামা, মুহাদ্দিস, হাফিজ, মুফতি, শাইখুল ইসলাম এবং দীর্ঘজীবীদের গৌরব»।
তাঁর মৃত্যু:তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) ৫৭৬ হিজরি সনের ৫ই রবিউস সানি শুক্রবার সকালে মৃত্যুবরণ করেন।
আবুল হাসান ইবনু বিনতি জাম্মাইজি (১)তিনি হলেন আলি বিন হিবাতুল্লাহ বিন সালামাহ বিন মুসলিম আল-লাখমি আল-মিসরি আশ-শাফেয়ি, আবুল হাসান; তিনি শাইখ আবু ফাওয়ারিস আল-জাম্মাইজির দৌহিত্র।
তাঁর জন্ম:তিনি ৫৫৯ হিজরি সনে মিসরে কুরবানির দিন (১০ই জিলহজ) জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি হাদিস শুনেছেন: হাফিজ ইবনে আসাকির, শারাফুদ্দীন বিন আবি আসরুন, আব্দুল হক আল-ইউসুফি, আবু তাহের আস-সালাফি, আবু তালিব আল-লাখমি এবং অন্যদের নিকট থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৫)
روى عنه: البرزاليُّ، والمنذريُّ، وابنُ النجّارِ، والدمياطيُّ، وابنُ الصيرفيِّ، والرضيُّ الطبريُّ، وابنُ الشيرازيِّ، وغيرُهم.
ثناء العلماء عليه:قال الذهبيُّ: «بَرَع في المذهبِ، وخَطَب بجامعِ القاهرةِ، وانتَهت إليه مشيخةُ العلمِ،
… وهو مُسدَّدُ الفتاوى، وافرُ الجلالةِ، حسنُ التصوُّنِ، مُسنِدُ زمانِه».
وقال: «تفرَّد في زمانِه، ورَحَل إليه الطلبةُ، ودَرَّس وأفتى، وانتَهت إليه مشيخةُ العلمِ بالديارِ المصريةِ».
وقال: «الإمامُ العلّامةُ، مسندُ الديارِ المصريةِ».
وفاته:مات رحمه الله في الرابعِ والعشرين من ذي الحجةِ، سنةَ تسعٍ وأربعين وستِّ مئةٍ.
أبو أحمدَ الطبريُّ (1)إبراهيمُ بنُ محمَّدِ بنِ إبراهيمَ بنِ أبي بكرِ بنِ محمَّدِ بنِ إبراهيمَ، رضيُّ الدينِ، أبو إسحاقَ الطبريُّ المكيُّ الشافعيُّ.
مولده:وُلد سنة ستٍّ وثلاثين وستِّ مئة.
--------------------------------------------
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আল-বারজালি, আল-মুনজিরি, ইবনুন নাজ্জার, আদ-দামইয়াতি, ইবনুস সাইরাফি, আর-রাযি আত-তাবারী, ইবনুশ শিরাজি এবং আরও অনেকে।
তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:আয-যাহাবি বলেন: «তিনি মাযহাবে পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন, কায়রোর জামে মসজিদে খুতবা দিতেন এবং ইলমের নেতৃত্ব তাঁর কাছে এসে সমাপ্ত হয়েছিল,
… তিনি ফতোয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ভুল ছিলেন, অত্যন্ত মর্যাদাবান ছিলেন, অত্যন্ত আত্মমর্যাদাশীল ও সচ্চরিত্রবান ছিলেন এবং তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ মুসনিদ (হাদিস বর্ণনাকারী) ছিলেন।»
তিনি আরও বলেন: «তিনি তাঁর যুগে অনন্য ছিলেন, শিক্ষার্থীরা তাঁর কাছে ভ্রমণ করে আসত, তিনি পাঠদান করতেন ও ফতোয়া দিতেন এবং মিসরীয় ভূখণ্ডে ইলমের নেতৃত্ব তাঁর কাছে এসে সমাপ্ত হয়েছিল।»
তিনি আরও বলেন: «তিনি ইমাম, আল্লামা এবং মিসরীয় ভূখণ্ডের মুসনিদ।»
তাঁর মৃত্যু:তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) ৬৪৯ হিজরির ২৪শে জিলহজ মৃত্যুবরণ করেন।
আবু আহমদ আত-তাবারী (১)ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন আবি বকর বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম, রাযিউদ্দীন, আবু ইসহাক আত-তাবারী আল-মাক্কি আশ-শাফিয়ি।
তাঁর জন্ম:তিনি ৬৩৬ হিজরি সালে জন্মগ্রহণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৬)
حدَّث عن: هبة الله ابنِ بنتِ الجميزيّ، وشعيبِ بنِ يحيى الزعفراني، وعبدِ الرحمن بن أبي حَرَميّ، وشرف الدين بنِ أبي الفضل المرسي، وغيرهم.
حدَّث عنه: النجمُ بنُ عبدِ الحميد، وعبدُ الله بنُ أسعدَ بن عليٍّ عفيفُ الدين اليافعي، وأبو محمَّد عبيدُ الله بنُ محمَّد النشاوري، وآخرون.
ثناء العلماء عليه:قال الذهبيُّ: «إمامُ المقامِ شيخٌ عالم فقيهٌ محدِّث عابد ورع كبيرُ القدر».
قال اليافعي: «المحدِّث الإمامُ، العلّامةُ الراوية، صاحبُ الأسانيدِ العالية، بركةُ الوقت، فريدُ العصر، بقية المحدثين الصالحِين .. ذو الأوصاف الرضية، والمنصبِ المنيف».
قال ابنُ كثير: «الإمام العالمُ بقيةُ السلف».
وقال تقيُّ الدين الفاسي: «كان محبًّا في الحديثِ وأهله، حَسَنَ الاستماعِ لما يُقرأ عليه، سريعَ الدمعة».
وفاته:مات رحمه الله في ثامن المحرَّم، سنة اثنتين وعشرين وسبعِ مئة.
أبو محمَّدٍ النشاوريُّ (1)عبدُ الله بنُ محمَّدِ بنِ محمَّدِ بنِ سليمانَ بنِ موسى، عفيفُ الدين، أبو محمَّدٍ النشاوريُّ المكيُّ.
--------------------------------------------
তিনি বর্ণনা করেছেন: হিবাতুল্লাহ ইবনে বিন্তিল জুমায়যী, শুয়াইব বিন ইয়াহইয়া আয-যাফরানী, আবদুর রহমান বিন আবি হারামী, শারাফুদ্দীন বিন আবিল ফাদল আল-মুরসী এবং অন্যদের থেকে।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আন-নাজম বিন আব্দুল হামীদ, আব্দুল্লাহ বিন আস'আদ বিন আলী আফীফুদ্দীন আল-ইয়াফিয়ী, আবু মুহাম্মদ উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আন-না শাওয়ুরী এবং অন্যান্যরা।
তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:আয-যাহাবী বলেন: «মাকামের ইমাম, শায়খ, আলেম, ফকিহ, মুহাদ্দিস, ইবাদতগুজার, পরহেযগার এবং সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী»।
আল-ইয়াফিয়ী বলেন: «মুহাদ্দিস, ইমাম, আল্লামা, বর্ণনাকারী, সুউচ্চ সনদের অধিকারী, সময়ের বরকত, যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব, নেককার মুহাদ্দিসদের উত্তরসূরি... সন্তোষজনক গুণাবলি এবং উচ্চ পদের অধিকারী»।
ইবনে কাসীর বলেন: «ইমাম, আলেম, সালাফদের উত্তরসূরি»।
তাকীউদ্দীন আল-ফাসী বলেন: «তিনি হাদিস এবং হাদিসবিদদের প্রতি অনুরাগী ছিলেন, তাঁর নিকট যা পাঠ করা হতো তা অত্যন্ত মনোযোগের সাথে শ্রবণ করতেন এবং তিনি ছিলেন দ্রুত অশ্রুপাতকারী (কোমল হৃদয়ের অধিকারী)»।
তাঁর মৃত্যু:তিনি রহমতুল্লাহি আলাইহি সাতশ বাইশ হিজরি সনের আটই মহররম মৃত্যুবরণ করেন।
আবু মুহাম্মদ আন-না শাওয়ুরী (১)আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান বিন মুসা, আফীফুদ্দীন, আবু মুহাম্মদ আন-না শাওয়ুরী আল-মাক্কী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৭)
مولده:وُلد سنة خمسٍ وسبعِ مئة. وقيل: إحدى وسبعِ مئة.
قال تقيُّ الدينِ الفاسي: «وَجَدتُ بخطّه أنّه وُلد سنةَ خمسٍ وسبعِ مئةٍ بمكة، وذَكَر لي مَنْ أعتمدُه من أصحابِنا، أنّه سَمِعه يقولُ: أخبر بأنّه وُلد في السنةِ التي تُوفي فيها أبو نمى صاحبُ مكة، وهي سنةُ إحدى وسبعِ مئة، إلا أنّه يكتبُ مولدَه في سنةِ خمسٍ وسبعِ مئةٍ احتياطًا».
سَمِع من: إمام المقام إبراهيمَ بنِ محمَّدٍ الطبريِّ -وكان خاتمةَ أصحابِه بالسماع-، ومحمَّدِ بنِ عبدِ الله بن عليٍّ المصريِّ.
وأجازه كثيرون؛ منهم: إسماعيلُ بنُ مكتوم، وابنُ سعد، وابنُ الشيرازي، وابنُ عبد الدائم، وابنُ عساكرَ، والدشتيُّ، وغيرُهم.
سَمِع منه: الحافظُ ابنُ حجر، وأحمدُ بنُ عليِّ بنِ دقيقِ العيد تاجِ الدين، وعليُّ بن عيسى بن رمضانَ، وعليُّ بن نصر الله بنِ الصوّاف، ومسعود بن أحمدَ الحارثيُّ، وموسى بنُ عليِّ بن أبي طالبٍ الهاشميُّ، وأمُّ هانئٍ الهورينيةُ وغيرهم.
ثناء العلماء عليه:قال تقيُّ الدين الفاسي: «أجاز لي مروياتِه غيرَ مرة، وكان حسنَ الطريقة بأخرة».
قال تقيُّ الدين المقريزي: «وكان خيِّرًا ساكنًا».
قال الحافظ ابن حجر: «وهذا الشيخُ هو أولُ شيخٍ أعرفُ أنني سَمِعتُ عليه الحديث، وذلك في شهرِ رمضانَ سنة 785 وأنا مجاورٌ مع بعضِ أهلي،
তাঁর জন্ম:তিনি ৭০৫ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। মতান্তরে বলা হয়েছে: ৭০১ হিজরি।
তাকিউদ্দীন আল-ফাসি বলেন: «আমি তাঁর স্বহস্তে লেখা পাণ্ডুলিপিতে পেয়েছি যে, তিনি ৭০৫ হিজরিতে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেছেন। আমাদের সঙ্গীদের মধ্যে এমন একজন ব্যক্তি যাঁকে আমি বিশ্বাস করি, তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁকে বলতে শুনেছেন: তাঁকে জানানো হয়েছে যে, মক্কার শাসনকর্তা আবু নুমাই যে বছর ইন্তেকাল করেন, সে বছরই তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন; আর সেই বছরটি হলো ৭০১ হিজরি। তবে তিনি সতর্কতামূলকভাবে তাঁর জন্মসাল ৭০৫ হিজরি লিখতেন।»
তিনি যাঁর নিকট হাদিস শ্রবণ করেছেন: মাকামে ইবরাহিমের ইমাম ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ আত-তবারী — তিনি ছিলেন তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণকারীদের মধ্যে সর্বশেষ ব্যক্তি — এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী আল-মিসরি।
এবং অনেকে তাঁকে ইজাজত দিয়েছেন; তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: ইসমাইল ইবনে মাকতুম, ইবনে সাদ, ইবনে শিরাজী, ইবনে আব্দুল দাইম, ইবনে আসাকির, আদ-দাশতী প্রমুখ।
তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন: হাফেজ ইবনে হাজার, আহমাদ ইবনে আলী ইবনে দাকীকুল ঈদ তাজউদ্দীন, আলী ইবনে ঈসা ইবনে রমজান, আলী ইবনে নাসরুল্লাহ ইবনে আস-সাওয়াফ, মাসউদ ইবনে আহমাদ আল-হারিসি, মুসা ইবনে আলী ইবনে আবু তালিব আল-হাশিমী, উম্মে হানি আল-হুরিনীয়া এবং অন্যান্যরা।
তাঁর সম্পর্কে আলেমগণের প্রশংসা:তাকিউদ্দীন আল-ফাসি বলেন: «তিনি আমাকে তাঁর বর্ণনাগুলোর ইজাজত একাধিকবার দিয়েছেন এবং জীবনের শেষভাগে তাঁর নীতি-পদ্ধতি অত্যন্ত সুন্দর ছিল।»
তাকিউদ্দীন আল-মাকরিজি বলেন: «তিনি ছিলেন অত্যন্ত নেককার ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ।»
হাফেজ ইবনে হাজার বলেন: «এই শাইখই হলেন প্রথম শাইখ, যাঁর কাছে আমি হাদিস শ্রবণ করেছি বলে জানি। আর তা ছিল ৭৮৫ হিজরি সনের রমজান মাসে, যখন আমি আমার পরিবারের কিছু সদস্যের সাথে সেখানে অবস্থান করছিলাম (মুজাওয়ির হিসেবে),
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৮)
وصلَّيتُ في تلك السنةِ بالناسِ التراويحَ، وأُحضر هذا الشيخُ إلى المكان الذي يقرئني فيه المؤدِّب، فقَرَأ عليه شهابُ الدين السلاوي صحيحَ البخاريِّ فيما بين الظهرِ والعصرِ كلَّ يوم ونحن نسمع، ولكنني لا أضبطُ ما فاتني عليه».
وفاته:مات رحمه الله في اليوم الأوَّل أو الثاني من ذي الحجة، سنة سبعين وسبعِ مئة، بمكّة. ودُفن بالمعلاة.
أمّ هانئ الهورينية (1)مريمُ ابنةُ نورِ الدين عليِّ ابنِ القاضي تقيِّ الدين عبدِ الرحمن بن عبد المؤمن بن عبد الملك، أمّ هانئ الهورينية الأصلِ المصريةُ الشافعيةُ.
مولدها:وُلدت في يوم الجمعة ليلةَ نصفِ شعبانَ سنة ثمان وسبعين وسبعِ مئةٍ بمصر.
سَمِعتْ من: عبدِ الله بن محمَّد بنِ محمَّدٍ النشاوري، وأبي العبّاسِ بنِ عبد المعطي، والشهابِ بن ظهيرةَ، والمحبِّ الطبريِّ المتأخر، وغيرهم.
وأجاز لها: العراقي، والهيثمي، وابنُ الملقِّن والبرهان الآمدي، وغيرهم.
سَمِع منها: السخاويُّ.
ثناء العلماء عليها:قال السخاويُّ: «وهي امرأةٌ صالحة، خيِّرة، فاضلة، كثيرةُ النحيبِ والبُكاءِ عند ذكرِ الله ورسولِه، محبّةٌ في الحديثِ وأهلِه، مواظبةٌ على الصومِ والتهجُّد،
--------------------------------------------
আর আমি সেই বছর মানুষের সাথে তারাবিহ সালাত আদায় করেছিলাম। এই শাইখকে সেই স্থানে নিয়ে আসা হয়েছিল যেখানে আমার শিক্ষক আমাকে শিক্ষা দিতেন। এরপর শিহাব আল-দীন আল-সালাউয়ী প্রতিদিন জোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ে তাঁর কাছে সহীহ আল-বুখারী পাঠ করতেন এবং আমরা তা শুনতাম। তবে তাঁর নিকট থেকে আমার যে অংশগুলো ছুটে গিয়েছিল, সেগুলো আমি যথাযথভাবে আয়ত্ত করতে পারিনি।
তাঁর মৃত্যু:তিনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) সাতশত সত্তর হিজরি সালের জিলহজ মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় দিনে মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে আল-মুআল্লায় দাফন করা হয়।
উম্মে হানি আল-হুরিনীয়া (১)তিনি হলেন মরিয়ম বিনতে নূর আল-দীন আলী ইবনে কাজী তাকি আল-দীন আব্দুল রহমান বিন আব্দুল মুমিন বিন আব্দুল মালিক; যিনি উম্মে হানি আল-হুরিনীয়া নামে পরিচিত, আদিতে হুরিনীয়া বংশোদ্ভূত, মিশরীয় ও শাফিঈ মাযহাবের অনুসারী ছিলেন।
তাঁর জন্ম:তিনি সাতশত আটাত্তর হিজরি সালের শা’বান মাসের মধ্যবর্তী রাতে (পনের তারিখ) জুমার দিনে মিশরে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন: আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-নাশা ওয়ারী, আবুল আব্বাস বিন আব্দুল মু’তী, শিহাব বিন জাহীরাহ, পরবর্তী যুগের মুহিব্ব আল-তাবারী এবং আরও অনেকের নিকট থেকে।
তাঁকে ইজাযত (সনদ প্রদানের অনুমতি) দিয়েছেন: আল-ইরাকী, আল-হায়সামী, ইবনুল মুলাক্কিন, বুরহান আল-আমিদী এবং আরও অনেকে।
তাঁর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন: আল-সাখাবী।
তাঁর সম্পর্কে আলেমদের প্রশংসা:আল-সাখাবী বলেন: «তিনি ছিলেন একজন নেককার, কল্যাণময়ী ও মহীয়সী নারী। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের স্মরণে তিনি অত্যন্ত অঝোরে কাঁদতেন ও রোদন করতেন। তিনি হাদিস এবং হাদিস বিশারদদের প্রতি অত্যন্ত অনুরক্ত ছিলেন এবং সর্বদা রোজা ও তাহাজ্জুদে অবিচল থাকতেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ২৯)
متينةُ الديانة، كثيرةُ التحرِّي في الطهارة، فصيحةُ العبارة، مجيدةٌ للكتابة، ولديها فهمٌ وإجادةٌ لإقامةِ الشعرِ بالطبع، حَفِظت القرآنَ في صغرِها، ومختصرَ أبي شجاعٍ في الفقه، والملحةَ في الإعرابِ وغيرها، وسَمِعنا من لفظِها وحفظِها سورةَ الصفِّ بفصاحةٍ وحسنِ تلاوة، وحجَّت ثلاثَ عشرةَ مرة، وجاورت في بعضها، وكُفَّت من زمنٍ طويلٍ، فصَبَرت واحتسبت».
وفاتها:ماتت رحمها الله يوم السبتِ الثلاثين من صفرٍ سنةَ إحدى وسبعين وثمان مئة. ودُفنت بتُربة جدِّها الفخرِ القاياني، بالقُرب من مقامِ الشافعيِّ من القرافة.
أبو الفضل القلقشندي (1)عبدُ الرحمنِ بنُ أحمدَ بنِ إسماعيلَ بنِ محمَّدِ بنِ إسماعيلَ بنِ عليّ، أبو الفضلِ بنُ القُطْبِ القلقشنديُّ الأصل، القاهريُّ الشافعي.
مولده:وُلد في ليلة سادس رجب سنة سبع عشرة وثمان مئة بالقاهرة.
سَمِع من:
والدِه، وأخيه علي، والمحبِّ بنِ نصرِ الله البغداديِّ الحنبلي، والمقريزي،
--------------------------------------------
তিনি ছিলেন দ্বীনদারিতে সুদৃঢ়, পবিত্রতার বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক, অভিব্যক্তিতে প্রাঞ্জল এবং লিখনশৈলীতে অনন্য। স্বভাবজাতভাবেই কাব্য রচনায় তাঁর প্রজ্ঞা ও বুৎপত্তি ছিল। শৈশবেই তিনি কুরআন হিফজ করেছিলেন, আর ফিকহ শাস্ত্রে 'মুখতাসার আবি শুজা' এবং নাহু শাস্ত্রে 'মুলহাতুল ই'রাব' ও অন্যান্য কিতাব মুখস্থ করেছিলেন। আমরা তাঁর মুখে তাঁর স্মৃতি থেকে সূরা আস-সাফ প্রাঞ্জল ও সুন্দর তিলাওয়াতের সাথে শুনেছি। তিনি তেরো বার হজ পালন করেছেন এবং কয়েকবার মক্কায় অবস্থান (জিওয়ার) করেছেন। দীর্ঘ সময় যাবত তিনি দৃষ্টিহীন ছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি ধৈর্য ধারণ করেছেন এবং আল্লাহর কাছে প্রতিদান আশা করেছেন।
তাঁর মৃত্যু:তিনি—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—আটশ একাত্তর হিজরি সনের সফর মাসের ত্রিশ তারিখ শনিবার মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে কারাফায় ইমাম শাফিঈর মাকামের নিকট তাঁর দাদা ফখর আল-কায়ানি-র কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবু আল-ফজল আল-কালকাশান্দি (১)আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন আলী, আবু আল-ফজল বিন আল-কুতুব, বংশসূত্রে কালকাশান্দি, কায়রোবাসী শাফিঈ।
তাঁর জন্ম:তিনি আটশ সতেরো হিজরি সনের ছয়ই রজব রাতে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেছেন:
তাঁর পিতা, তাঁর ভাই আলী, মুহিব্ব বিন নাসরুল্লাহ আল-বাগদাদি আল-হানবালি এবং আল-মাকরিজির নিকট থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৩০)
وابنِ خطيبِ الناصرية، والزينِ الزركشي، والشرابيشي، وناصرِ الدينِ الفاقوسي، والشمسِ البالسي، وغيرهم.
قال السخاوي: «وقد حدَّث، ودرَّس قليلًا، وربَّما أفتى، وكان إنسانًا مُتجمِّلًا في ملبسِه وهيئتِه، وضيءَ الهيئة، سريعَ الدرجِ في القراءة، غيرَ قائمِ الإعرابِ في كلِّها».
وقال: «قرأ على صاحبِ الترجمةِ جملةً من تصانيفِه وغيرها، ولازمه، وفهرَسَ له صاحبُ الترجمةِ «الأربعين المتباينة» من جمعِه، ووَصَفه عليها -بعنايةِ الفاضلِ تغري برمش- بالمحدِّث، الفاضل، المفنَّن، الكامل، الأوحد في الفضائلِ المستوجبةِ للفواضل، الحافظ، البارع، فلان، كثَّر الله فوائده
… »
(1).
وفاته:مات رحمه الله سنة إحدى وسبعين وثمان مئة.
أبو الفتح القلقشندي (2)محمَّدُ بنُ عبدِ الرحمنِ بنِ أحمدَ بنِ إسماعيل، أبو الفتح، المحبُّ بنُ التقيِّ بنِ القُطْب القلقشنديُّ الأصل، القاهري.
قال السخاويُّ: «اعتنى به أبوه فأحضره على شيخِنا وابنِ الفراتِ وغيرهما، وحَفِظ كُتبًا، وعرض على جماعةٍ، واشتَغل عند البهاءِ المشهديِّ وغيره، ومات ظنًّا بعد السبعين والثمان مئة».
--------------------------------------------
এবং ইবনু খতিব আন-নাসিরিয়্যাহ, আয-যাইন আয-যারকাশি, আশ-শারাবিশি, নাসিরুদ্দিন আল-ফাকুসি, আশ-শামস আল-বালিসি এবং আরও অনেকে।
সাখাভী বলেন: «তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন, অল্প কিছুদিন অধ্যাপনা করেছেন এবং কখনো কখনো ফতোয়াও দিয়েছেন। তিনি তাঁর পোশাকে ও অবয়বে অত্যন্ত মার্জিত ও পরিপাটি মানুষ ছিলেন। তাঁর অবয়ব ছিল উজ্জ্বল। তিনি পাঠে দ্রুতগতি সম্পন্ন ছিলেন, তবে সর্বত্র পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণরীতি রক্ষা করতে পারতেন না।»
তিনি আরও বলেন: «তিনি এই জীবনীগ্রন্থের লেখকের কাছে তাঁর সংকলিত কিতাবসমূহ এবং অন্যান্য বিষয়ের একাংশ পাঠ করেছেন এবং তাঁর সান্নিধ্যে ছিলেন। এই জীবনীগ্রন্থের লেখক তাঁর সংকলিত ‘আল-আরবাউন আল-মুতাবায়িনাহ’ এর নির্ঘণ্ট প্রস্তুত করে দিয়েছেন এবং ফাযিল তাগরি বারমাসের তত্ত্বাবধানে তার ওপর তাঁর পরিচয় লিখেছিলেন এভাবে: মুহাদ্দিস, ফাযিল, বহুমুখী প্রতিভাধর, পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তি, সুরুচিপূর্ণ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী অনন্য ব্যক্তি, হাফেজ, দক্ষ অমুক—আল্লাহ তাঁর উপকারিতা বৃদ্ধি করুন...»
(১)।
তাঁর মৃত্যু:তিনি—আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন—আটশ একাত্তর হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
আবুল ফাতহ আল-কালকাশান্দি (২)মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন ইসমাইল, আবুল ফাতহ, আল-মুহিব বিন আত-তাকি বিন আল-কুতুব, মূলত কালকাশান্দি বংশীয়, কায়রোবাসী।
সাখাভী বলেন: «তাঁর পিতা তাঁর প্রতি বিশেষ যত্নবান ছিলেন। তিনি তাঁকে আমাদের শায়খ, ইবনু ফুরাত এবং অন্যদের কাছে নিয়ে যেতেন। তিনি বেশ কিছু কিতাব মুখস্থ করেছিলেন এবং একদল আলেমের কাছে তা পেশ করেছিলেন। তিনি বাহাউদ্দিন আল-মাশহাদি ও অন্যদের কাছে জ্ঞান অর্জন করেন। ধারণা করা হয় যে, তিনি আটশ সত্তর হিজরির পরে মৃত্যুবরণ করেন।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৩১)
وصف النسخة الخطيةوقفتُ على نسخة خطية وحيدة لهذا الجزء، في مكتبة فيض الله بتركيا، ضمن مجموع رقم (507) تتألّف من (5) ورقات، في كل ورقة وجهان، في كل وجهٍ ما بين (26 و 27) سطرًا. كُتبت بخطٍّ نسخي. تشتمل على (42) إسنادًا.
في طُرَّة العنوان كتب: «بقراءة محمَّد المظفري».
و «الحمد لله. سمعه على الشيخة الخيرة الكاتبة أم هانئ مريم ابنة الشيخ نور الدين علي بن القاضي تقي الدين عبد الرحمن بن عبد المؤمن الهوريني بسماعها من أبي محمَّد عبد الله بن محمَّد بن محمَّد النشاوري المكِّي بسنده بمقلوبها، للجماعة: أبو الفضل عبد الرحمن بن أحمد بن إسماعيل بن القلقشندي القرشي [
… ] وابنه محبّ الدين محمَّد، وابن أخيه الفاضل جمال الدين إبراهيم بن الإمام العلّامة علاء الدين علي بن أحمد بن القلقشندي.
والسماع بقراءته وحفيد المُسمعة: محمَّد بن يونس بن محمَّد بن عمر بن قطلوبغا البكتمري، وشمس الدين محمَّد بن محمَّد بن محمَّد السنباطي وصحَّ يوم السبت سادس عشر من ذي الحجة الحرام سنة أربع وستين وثمان مئة، بمنزل المُسمعة المطلِّ على بركة الفيل
(1) بدرب ابن البابا من القاهرة، وأجازت.
--------------------------------------------
পাণ্ডুলিপির বিবরণআমি তুরস্কের ফয়জুল্লাহ লাইব্রেরিতে এই খণ্ডের একটি মাত্র পাণ্ডুলিপির সন্ধান পেয়েছি, যা সংগ্রহ নম্বর (৫০৭)-এর অন্তর্ভুক্ত। এটি ৫টি পৃষ্ঠা নিয়ে গঠিত, প্রতি পৃষ্ঠায় দুটি পার্শ্ব রয়েছে এবং প্রতি পার্শ্বে ২৬ থেকে ২৭টি করে লাইন আছে। এটি নাসখ লিপিতে লিখিত এবং এতে ৪২টি ইসনাদ (বর্ণনাসূত্র) রয়েছে।
শিরোনামের পৃষ্ঠায় লেখা আছে: «মুহাম্মাদ আল-মুজাফফারির পাঠে»।
এবং «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। এটি পুণ্যবতী শাইখা ও লেখিকা উম্মু হানি মারিয়াম-এর নিকট শ্রবণ করা হয়েছে, যিনি শাইখ নূরুদ্দীন আলী বিন কাজী তাকিউদ্দীন আবদুর রহমান বিন আবদিল মুমিন আল-হাওরিনীর কন্যা। তিনি এটি আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আন-নাশাওয়ারি আল-মাক্কির নিকট থেকে তাঁর সনদে এর উল্টো পৃষ্ঠায় শ্রবণ করেছেন। শ্রবণকারী জামাতটি হলো: আবুল ফজল আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন ইসমাইল বিন আল-কালকাশান্দি আল-কুরাশি [
… ] এবং তাঁর পুত্র মুহিব্বুদ্দীন মুহাম্মাদ, এবং তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র ফাজিল জামালুদ্দীন ইবরাহিম বিন ইমাম আল্লামা আলাউদ্দীন আলী বিন আহমাদ বিন আল-কালকাশান্দি।
এই শ্রবণ মজলিসটি তাঁর পাঠে সম্পন্ন হয়েছে এবং উপস্থিত ছিলেন শাইখার নাতি: মুহাম্মাদ বিন ইউনুস বিন মুহাম্মাদ বিন উমার বিন কুতলুবুগা আল-বাক্তামারি, এবং শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আস-সানবাতি। এটি ৮৬৪ হিজরি সনের ১৬ই জিলহজ শনিবারে কায়রোর 'দারব ইবনে আল-বাবা'-তে অবস্থিত বারাকাতুল ফিল
(১) এর সন্নিকটে শাইখার বাসভবনে বিশুদ্ধভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি অনুমতি (ইজাজাহ) প্রদান করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৩২)
الحمد لله وحده، وصلَّ الله على محمَّد، وآله وصحبه وسلم.
و «الحمد لله. قرأتُه أجمع على الشيخ الإمام، العالم العلامة، شيخ المسلمين، جمال الدين إبراهيم ابن الإمام علاء الدين بن علي بن أحمد بن القلقشندي بسماعه قراءةً، وأجاز، وصحَّ، وثبت على المُسمِّع بحارة بهاء الدين
(1) في القاهرة يوم الثلاثاء رابع عشرة من ربيع الآخر سنة (898) وكتب خليل بن عبد القادر بن عمر الجعبري الشافعي
(2) لطف الله تعالى بهم، حامدًا مصلِّيًا مُسلِّمًا».
و «الحمد لله. تم قراءةً على كاتبه إبراهيم بن القلقشندي اثنا عشر من خامس ذي القعدة [
… ] سنة إحدى وتسع مئة، الفاضل شمس الدِّين محمَّد بن أحمد القاهري [
… ]، وأجزتُ له رواية ما يجوز لي روايته بشرطه ولله الحمد».
وفي قيد الفراغ كتب:
«على الأصل المنقول منه ما ملخصه: سمعه على الحافظ أبي طاهر السِّلَفي بقراءة عبد العزيز بن عيسى بن عبد الواحد: أبو الفضل جعفر بن أبي الحسن الهمداني، وعبد الوهاب بن ظافر بن رواج وآخرون، في يوم الأحد سابع رجب سنة اثنتين وسبعين وخمس مئة، وكانت السماع على ابن مُفرِّج المقدسي».
«وسمعه على عبد الوهاب بن رواج بقراءة عيسى بن أبي بكر الحميدي: أحمد بن محمَّد بن علي المحمود الصابوني، ووالده، والسماع بخطِّه
--------------------------------------------
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহ মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সঙ্গীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
এবং «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমি এটি আদ্যোপান্ত পাঠ করেছি শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ পণ্ডিত, আল্লামা, মুসলিমদের শায়খ জামালুদ্দিন ইবরাহিম ইবনুল ইমাম আলাউদ্দীন বিন আলী বিন আহমাদ বিন আল-কালকাশান্দির নিকট, তাঁর পাঠ শ্রবণ করার মাধ্যমে। তিনি এর অনুমতি (ইজাজাহ) প্রদান করেছেন, এটি সঠিক বলে সাব্যস্ত করেছেন এবং তা শ্রবণকারীর নিকট প্রমাণিত হয়েছে। এটি কায়রোর বাহাউদ্দিন মহল্লায়
(১) ৮৯৮ হিজরি সনের ১৪ই রবিউস সানি মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে। খলিল বিন আব্দুল কাদির বিন উমর আল-জা’বারি আশ-শাফিঈ
(২) এটি লিখেছেন; মহান আল্লাহ তাঁদের প্রতি অনুগ্রহ করুন। তিনি (লেখক) আল্লাহর প্রশংসা করে এবং (রাসূলের প্রতি) দরুদ ও সালাম পেশ করে এটি সমাপ্ত করেছেন।»
ও «সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। এর লেখক ইবরাহিম বিন আল-কালকাশান্দির নিকট ৯০১ হিজরি সনের ৫ই জিলকদ তারিখে পাঠ করার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে [...], গুণী ব্যক্তি শামসুদ্দিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আল-কাহিরি [...] এবং আমি তাকে আমার পক্ষ থেকে বর্ণনাযোগ্য বিষয়সমূহ এর শর্তানুসারে বর্ণনা করার অনুমতি প্রদান করেছি; আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।»
এবং সমাপ্তি নোটে লেখা হয়েছে:
«যে মূল পাণ্ডুলিপি থেকে এটি নকল করা হয়েছে তাতে যা সংক্ষেপে লেখা ছিল তা হলো: হাফেজ আবু তাহির আস-সিলাফির নিকট আব্দুল আজিজ বিন ঈসা বিন আব্দুল ওয়াহিদের পাঠের মাধ্যমে শ্রবণ করেছেন: আবুল ফজল জাফর বিন আবিল হাসান আল-হামাদানি, আব্দুল ওয়াহাব বিন জাফির বিন রাওয়াজ এবং অন্যান্যরা। এটি ৫৭২ হিজরি সনের ৭ই রজব রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং শ্রবণের বিষয়টি ইবনে মুফাররিজ আল-মাকদিসির নিকট সাব্যস্ত ছিল।»
«এবং আব্দুল ওয়াহাব বিন রাওয়াজের নিকট ঈসা বিন আবি বকর আল-হুমাইদির পাঠের মাধ্যমে শ্রবণ করেছেন: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-মাহমুদ আস-সাবুনি এবং তাঁর পিতা; আর শ্রবণের এই নোটটি তাঁর নিজ হাতের লেখায়।»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
وآخرون، في ليلة الاثنين ثاني صفر سنة سبع وأربعين وست مئة، وسمعه معهم محمَّد بن يوسف بن أبي محمَّد المقدسي».
«وسمعه عليه بقراءة الرشيد العطّار، والسماع بخطِّه: ولداه أبو صادق محمَّد، وأبو طاهر أحمد، وعمر بن عبد العزيز بن علي القرشي وآخرون، في ليلة الخامس من جمادى الأول سنة إحدى وثلاثين وست مئة».
«وسمعه على أبي الحفظ شهاب بن علي المحسني، سماعه من ابن رواج، بقراءة عثمان بن بلبان المقاتلي: تقي الدين علي بن عبد الكافي السبكي، وشمس الدين محمود بن خليفة بن محمَّد بن خلف المنبجي وآخرون. وصحَّ يوم الأحد لثلاث بقين من جمادى الآخرة سنة سبع وسبع مئة. كتبه ابن القلقشندي».
এবং অন্যান্যেরা, ৬৪৭ হিজরির সফর মাসের দ্বিতীয় তারিখ সোমবার রাতে; তাঁদের সাথে এটি শ্রবণ করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন আবু মুহাম্মদ আল-মাকদিসি।"
"এবং এটি তাঁর নিকট রশীদ আল-আত্তারের পাঠের মাধ্যমে শ্রবণ করা হয়েছে, আর শ্রবণলিপিটি তাঁর স্বহস্তে লিখিত: তাঁর দুই পুত্র আবু সাদিক মুহাম্মদ ও আবু তাহের আহমদ, উমর বিন আব্দুল আজিজ বিন আলী আল-কুরাশি এবং অন্যান্যেরা, ৬৩১ হিজরির পাঁচই জুমাদাল উলা রাতে।"
"এবং এটি আবুল হাফজ শিহাব বিন আলী আল-মুহসিনির নিকট শ্রবণ করেছেন—যিনি এটি ইবনুল রাওয়াজ থেকে শ্রবণ করেছিলেন—উসমান বিন বালবান আল-মুকাতিলির পাঠের মাধ্যমে: তাকিউদ্দীন আলী বিন আব্দুল কাফি আস-সুবকি, শামসুদ্দীন মাহমুদ বিন খলিফা বিন মুহাম্মদ বিন খালাফ আল-মানবিজি এবং অন্যান্যেরা। এটি ৭০৭ হিজরির জুমাদাল আখিরা মাসের তিন দিন অবশিষ্ট থাকতে রবিবার দিন শুদ্ধ করা হয়েছে। এটি লিখেছেন ইবনুল কালকাশান্দি।"
(খণ্ড: ১)
হাদীছু মুতাইয়িন
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
صورٌ من الأصل
صفحة العنوان من نسخة فيض الله
মূল পাণ্ডুলিপির চিত্রসমূহ
ফয়জুল্লাহ পাণ্ডুলিপির শিরোনাম পাতা