(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: -)
مجلس الروضة - طراد الزينبي القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلس الروضة
[مطبوع ضمن «مصنفات طراد الزينبي، وأجزاء أخرى»]
المحقق: نبيل سعد الدين جرَّار
الناشر: أروقة للدراسات والنشر، الأردن - عمان
الطبعة: الأولى،1440 هـ - 2019 م
عدد الصفحات: 11
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 14 شعبان 1445
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আল-জাইনাবি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মজলিসুর রওজা
[এটি «তিরাদ আল-জাইনাবির রচনাবলি, এবং অন্যান্য খণ্ডসমূহের» অন্তর্ভুক্ত হয়ে মুদ্রিত]
তাহকীককারী: নাবীল সাদউদ্দীন জাররার
প্রকাশক: আরওয়িকাহ ফর স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিশিং, জর্ডান - আম্মান
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪০ হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৪ শাবান ১৪৪৫
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
مَجلسُ الرَّوضةِ
وهو المَجلسُ الذي أَملاه طِرَادٌ الزَّينَبيُّ [بينَ القبرِ والمِنبرِ بالرَّوضةِ المُقدسةِ طهَّرَها اللهُ تُجاهَ منبرِ رسولِ اللهِ عليه السلام، بعدَ الصلاةِ يومَ الجُمعةِ السابعَ مِن المُحرَّمِ سَنةَ سَبعينَ
(1) وأربعِمئةٍ، بإملاءِ الشَّيخِ الحافظِ أبي نصرٍ محمودِ بنِ الفضلِ الأَصبهانيِّ].
هذا ما جاءَ في نُسخةِ مكتبةِ الأسكوريال في أسبانيا، في الأوراقِ [30 - 34] مِن المَجموعِ (5349).
وهي مِن رِوايةِ القاضي أبي بكرِ بنِ العَربيِّ عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ سَماعاً
(2).
ويَرويها عنه كُلٌّ مِن:
* محمدِ بنِ إبراهيمَ بنِ خلفِ بنِ أحمدَ أبي عبدِ اللهِ الأَنصاريِّ الأَندلسيِّ المالِقيِّ الحافظِ
(3).
--------------------------------------------
রওজার মজলিস
এটি সেই মজলিস যা তিরাদ আয-যায়নাবী শ্রুতলিপি করিয়েছেন [পবিত্র রওজায় কবর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে—আল্লাহ একে পবিত্র রাখুন—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মিম্বরের সামনে, ৪৭০
(১) হিজরী সালের ৭ই মুহররম শুক্রবারের নামাযের পর, শায়খ হাফিজ আবু নাসর মাহমুদ বিন ফাদল আল-আসবাহানীর শ্রুতলিপি অনুযায়ী]।
স্পেনের এসকোরিয়াল লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপির ৫৩৪৯ নম্বর সংকলনের [৩০ - ৩৪] পাতায় এটি এভাবেই বর্ণিত হয়েছে।
আর এটি তিরাদ আয-যায়নাবী থেকে শ্রবণপূর্বক কাজী আবু বকর ইবনুল আরাবীর বর্ণনা
(২)।
তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন:
* মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন খালাফ বিন আহমাদ আবু আব্দুল্লাহ আনসারী আন্দালুসী মালিদী আল-হাফিজ
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ৪০)
* وعبدِ الحقِّ بنِ عبدِ الملكِ بنِ بُوْنُه أبي محمدٍ المالِقيِّ
(1).
وفي هذِه النُّسخةِ جاءَت تَسميةُ هذا المَجلسِ بمَجلسِ الرَّوضةِ
(2).
* أمَّا في النُّسخةِ التي يَرويها السِّلَفيُّ عن طِرَادٍ الزَّينَبيِّ إجازةً، في الأوراقِ [147 - 151] مِن المَجموعِ (63) مِن المَجاميعِ العُمريةِ، فجاءَ في ورقةِ العنوانِ:
الجزءُ فيه مجلسٌ مِن إملاءِ الشريف أبو الفَوارسِ طِرَادُ بنُ محمدٍ الزَّينَبيُّ.
وفي أَحدِ السَّماعاتِ: مَجلسٌ مِن أَمالي طِرَادٍ الزَّينَبيِّ
(3).
ويَرويها عن السِّلَفيِّ ابنُ رَوَاجٍ عبدُ الوهابِ بنُ ظافرِ بنِ عليِّ بنِ فُتُوحِ بنِ الحسينِ، رَشيدُ الدِّينِ أبو محمدٍ الأَزديُّ الإِسكندرانيُّ المالكيُّ، الشيخُ الإمامُ المُحدِّثُ مُسندُ الإسكندريةِ
(4).
سماعٌ مِنه لصاحبِ النُّسخةِ عليِّ بنِ حسنِ بنِ داودَ الجَزريِّ
(5).
--------------------------------------------
*এবং আব্দুল হক বিন আব্দুল মালিক বিন বুনুহ আবু মুহাম্মদ আল-মালাকি
(১)।
আর এই পাণ্ডুলিপিতে এই মজলিসটির নামকরণ 'মাজলিসুর রওজা' হিসেবে এসেছে
(২)।
পক্ষান্তরে আস-সিলাফি ইজাজত (অনুমতি) সূত্রে তিরাদ আয-যায়নাবি থেকে যে পাণ্ডুলিপিটি বর্ণনা করেছেন—যা 'আল-মাজামি আল-উমারিয়্যাহ' এর ৬৩ নম্বর সংকলনের [১৪৭-১৫১] পৃষ্ঠাসমূহে রয়েছে—তার শিরোনামের পাতায় এসেছে:
এই অংশটিতে (জুয) শরীফ আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ আয-যায়নাবি-এর ইমলাকৃত (শ্রুতিলিপিকৃত) একটি মজলিস রয়েছে।
আর একটি সামা' (শ্রবণ অনুলিপি) তে রয়েছে: তিরাদ আয-যায়নাবি-এর আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস
(৩)।
আর এটি আস-সিলাফি থেকে বর্ণনা করেছেন ইবনু রাওয়াজ আব্দুল ওয়াহাব বিন জাফির বিন আলী বিন ফুতুহ বিন আল-হুসাইন, রশীদুদ্দীন আবু মুহাম্মদ আল-আযদি আল-ইসকান্দারানি আল-মালিকি; যিনি শাইখ, ইমাম, মুহাদ্দিস এবং আলেকজান্দ্রিয়ার মুসনিদ
(৪)।
এটি পাণ্ডুলিপির মূল স্বত্বাধিকারী আলী বিন হাসান বিন দাউদ আল-জাজারি-এর পক্ষ থেকে তাঁর (ইবনু রাওয়াজ) নিকট থেকে একটি সামা' (পাঠ শ্রবণ)
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ৪১)
وفي آخِرِ الجُزءِ سَماعٌ بخَطِّه للفَخرِ بنِ البُخاريِّ وغيرِه على ابنِ رَوَاجٍ سَنةَ (633 هـ).
وعلى جانبِ الوَرقةِ سَماعٌ عليه سَنةَ (657 هـ).
ثم سَماعٌ على الفَخرِ بنِ البخاريِّ سَنةَ (680 هـ).
ثم سَماعٌ على [الشيخِ المُسندِ الصالحِ سعدِ الدِّينِ يحيى بنِ محمدِ بنِ سعدِ بنِ عبدِ اللهِ المَقدسيِّ
(1)، بإجازتِهِ مِن عبدِ الوهابِ بنِ رَوَاجٍ، بقراءةِ كاتبِ السَّماعِ عبدِ اللهِ بنِ أحمدَ بنِ المُحِبِّ المَقدسيِّ] سَنةَ (715 هـ).
ثم سَماعٌ مُطوَّلٌ على [الشَّيخَينِ: الزاهدِ العابدِ الوَرعِ بقيةِ السَّلفِ شِهابِ الدِّينِ أبي العباسِ أحمدَ بنِ عليِّ بنِ حسنِ بنِ داودَ الجَزَريِّ الكُرديِّ نَزيلِ حَماةَ
(2)، والعَدلِ الأَصيلِ شِهابِ الدِّينِ أبي العباسِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ عمرَ ابنِ الشيخِ أبي عمرَ المَقدسيِّ
(3)، بسَماع الأولِ مِن والدِهِ، وبسَماعِ الثاني مِن ابنِ البخاريِّ، كِلاهما عن ابنِ رَوَاجٍ] سَنةَ (733 هـ).
وآخِرُ سَماعٍ في الوَرقةِ [151/ب] على أحمدَ بنِ عليٍّ الجَزَريِّ [بسَماعِهِ له مِن والدِهِ المَذكورِ، بسَماعِهِ مِن ابنِ رَوَاجٍ، بسَماعِهِ مِن السِّلَفيِّ (ح) وبإجازتِهِ أيضاً مِن محمدِ بنِ عبدِ الهادي بنِ يوسفَ بنِ محمدِ بنِ قُدامةَ المَقدسيِّ
(4)، بإجازتِهِ مِن الحافظِ السِّلَفيِّ بسندِهِ فيه] سَنةَ (742 هـ).
--------------------------------------------
এই খণ্ডের শেষে ফাখর ইবনে আল-বুখারি এবং অন্যদের তাঁর নিজ হাতের হস্তাক্ষরে একটি শ্রবণলিপি (সামা') রয়েছে যা ইবনে রাওয়াজের উপস্থিতিতে ৬৩৩ হিজরি সনে সম্পন্ন হয়েছে।
এবং পৃষ্ঠার একপাশে ৬৫৭ হিজরি সনে তাঁর নিকট একটি শ্রবণলিপি রয়েছে।
অতপর ৬৮০ হিজরি সনে ফাখর ইবনে আল-বুখারির নিকট একটি শ্রবণলিপি রয়েছে।
অতপর [শাইখ আল-মুসনিদ আস-সালিহ সা'দ আদ-দীন ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সা'দ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাকদিসি
(১)-এর নিকট ৭১৫ হিজরি সনে একটি শ্রবণলিপি রয়েছে, যা তিনি আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে রাওয়াজের নিকট থেকে প্রাপ্ত ইজাজতের ভিত্তিতে শ্রবণ করেছেন এবং শ্রবণলিপি রচয়িতা আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-মুহিব আল-মাকদিসির পাঠের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন হয়েছে]।
অতপর ৭৩৩ হিজরি সনে [দুই শাইখের নিকট একটি দীর্ঘ শ্রবণলিপি রয়েছে: যাহেদ, আবেদ, পরহেজগার এবং সালাফদের উত্তরসূরি শিহাব আদ-দীন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আলী ইবনে হাসান ইবনে দাউদ আল-জাযারি আল-কুর্দি, যিনি হামাহ-এর বাসিন্দা ছিলেন
(২); এবং আদল ও উচ্চবংশীয় শিহাব আদ-দীন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আশ-শাইখ আবু উমর আল-মাকদিসি
(৩)। প্রথমজন তাঁর পিতার নিকট শ্রবণ করেছেন এবং দ্বিতীয়জন ইবনে আল-বুখারির নিকট শ্রবণ করেছেন, তাঁরা উভয়ই ইবনে রাওয়াজ থেকে বর্ণনা করেছেন]।
এবং [১৫১/খ] পৃষ্ঠার শেষ শ্রবণলিপিটি হলো ৭৪২ হিজরি সনে আহমাদ ইবনে আলী আল-জাযারির নিকট [তাঁর উল্লিখিত পিতার নিকট শ্রবণের ভিত্তিতে, যিনি ইবনে রাওয়াজের নিকট শ্রবণ করেছেন, যিনি আস-সিলাফির নিকট শ্রবণ করেছেন (হ) এবং মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হাদি ইবনে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি
(৪)-এর কাছ থেকেও তাঁর প্রাপ্ত ইজাজতের ভিত্তিতে, যিনি হাফিজ আস-সিলাফি থেকে প্রাপ্ত ইজাজত ও এর সনদের ভিত্তিতে এটি বর্ণনা করেছেন]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ৪২)
* وقَد اتخذتُ نُسخةَ الأسكوريالِ أصلاً، ورَمزتُ لهذِه بـ مج (63).
وتقدَّمت الإشارةُ إلى أنَّ هذا المَجلسَ هو المَجلسُ الأولُ مِن المَجالسِ التِّسعةِ المُتقدمةِ، مَع بعضِ اختلافٍ في تَرتيبِ أحاديثِهِ والتَّعقيبِ عَليها.
* আমি এসকোরিয়াল পাণ্ডুলিপিটিকে মূল হিসেবে গ্রহণ করেছি এবং একে 'মাজ' (৬৩) দ্বারা চিহ্নিত করেছি।
পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই মজলিসটি পূর্বোক্ত নয়টি মজলিসের মধ্যে প্রথম মজলিস, তবে এর হাদিসগুলোর বিন্যাস এবং সেগুলোর ওপর করা মন্তব্যের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২১৫)
مَجلسُ الرَّوضةِ
إملاءُ أبي الفَوارسِ الشَّريفِ الكاملِ
طِرَادِ بنِ محمدٍ العَباسيِّ الزَّينَبيِّ
رضي الله عنه
রওজা মজলিস
আশ-শারিফ আল-কামিল আবু আল-ফাওয়ারিস-এর শ্রুতিলিপি
তিরাদ বিন মুহাম্মদ আল-আব্বাসি আজ-জায়নাবি
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২১৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
صلَّى اللهُ على سيِّدِنا محمدٍ وعلى آلِهِ
أخبرنا الشيخُ الفَقيهُ الإمامُ المُشاوَرُ الحافظُ أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ إبراهيمَ بنِ خلفِ بنِ أحمدَ الأنصاريُّ رضي الله عنه وعن سَلفِه الكريمِ قراءةً عليه وأنا أسمعُ قالَ: حدثنا الإمامُ الحافظُ أبو بكرِ بنُ العَربيِّ سَماعاً عليه رحمه الله.
وَحدثنا الشيخُ المُسِنُّ المُحدثُ أبو محمدٍ عبدُ الحقِّ ابنُ الفَقيهِ القاضي أبي مروانَ عبدِ الملكِ بنِ بُوْنُه سَماعاً عليه أيضاً بمدينةِ مالِقةَ حرَسَها اللهُ قالَ: حدثنا الإمامُ أبو بكرِ بنُ العَربيِّ إذناً ونَقلتُه مِن كتابِه / بخَطِّه قالَ: أخبرنا الشَّريفُ الأجلُّ الكاملُ نَقيبُ النُّقباءِ ذُو الشَّرفَينِ شِهابُ الحَضرَتينِ أبو الفَوَارسِ طِرَادُ بنُ محمدٍ الزَّينَبيُّ، بينَ القبرِ والمِنبرِ بالرَّوضةِ المُقدسةِ طهَّرَها اللهُ تُجاهَ منبرِ رسولِ اللهِ عليه السلام، بعدَ الصلاةِ يومَ الجُمعةِ السابعَ مِن المُحرَّمِ سَنةَ تِسعينَ
(1) وأربعِمئةٍ، بإملاءِ الشَّيخِ الحافظِ أبي نصرٍ محمودِ
--------------------------------------------
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।
আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ফকিহ, ইমাম, পরামর্শদাতা, হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে খালাফ ইবনে আহমাদ আল-আনসারী (আল্লাহ তাঁর প্রতি ও তাঁর সম্মানিত পূর্বসূরীদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তাঁর নিকট পাঠকালে এবং আমি শ্রবণরত ছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম হাফেজ আবু বকর ইবনুল আরাবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণকালে।
এবং আমাদের নিকট আরও বর্ণনা করেছেন প্রবীণ শায়খ, মুহাদ্দিস আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হক ইবনুল ফকিহ আল-কাজী আবু মারওয়ান আব্দুল মালিক ইবনে বুনাহ, মালাগাহ (আল্লাহ একে রক্ষা করুন) শহরে তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণকালে; তিনি বলেন: ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবী আমাদের নিকট অনুমতিসূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং আমি তাঁর কিতাব থেকে তাঁর স্বহস্তে লেখা অনুলিপি করেছি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অতিশয় সম্মানিত, পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব, নকীবদের প্রধান, দুই আভিজাত্যের অধিকারী, দুই দরবারের নক্ষত্র, আবু ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ আয-যাইনাবী; (এই সংবাদ প্রদান করেছেন) পবিত্র রওজায় কবর ও মিম্বরের মাঝখানে, যা আল্লাহ পবিত্র করেছেন, রাসুলুল্লাহ (আলাইহিস সালাম)-এর মিম্বরের সামনে, চারশত নব্বই হিজরির
(১) সাতই মহররম জুমার সালাতের পর, শায়খ হাফেজ আবু নাসর মাহমুদের শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২১৮)
بنِ الفضلِ الأَصبهانيِّ
(1) قالَ له:
221 - (1) أخبركَ رضي اللهُ عنكَ الشيخُ أبو الحسينِ
(2) محمدُ بنُ الحسينِ بنِ الفضلِ القَطانُ قالَ: أخبرنا أبو عليٍّ إسماعيلُ بنُ محمدِ بنِ إسماعيلَ الصَّفارُ قالَ: أخبرنا الحسنُ بنُ عَرفةَ بنِ يزيدَ العَبديُّ [ح] وأخبركَ أيضاً
(3) الشيخُ الصالحُ أبو نصرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ حَسْنونَ النَّرسيُّ قالَ: حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ الرَّزازُ
(4) قالَ: حدثنا يحيى بنُ جعفرٍ،
قالا
(5): حدثنا هاشمُ بنُ القاسمِ أبو النضرِ قالَ: حدثنا سليمانُ بنُ / المغيرةِ، عن ثابتٍ البُنانيِّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ رضي الله عنه قالَ:
--------------------------------------------
ইবনুল ফাদল আল-আসফাহানি
(১) তাকে বললেন:
২২১ - (১) আপনার প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন, শায়খ আবু আল-হুসাইন
(২) মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাদল আল-কাত্তান আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী ইসমাইল ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাইল আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনু আরাফাহ ইবনু ইয়াযিদ আল-আবদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন [হা] এবং নেককার শায়খ আবু নাসর আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু হাসনুন আন-নারসিও আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন
(৩), তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনুল বাখতারি আর-রাজ্জায
(৪) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনু জাফর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন,
তারা উভয়েই
(৫) বলেছেন: হাশিম ইবনুল কাসিম আবু আন-নাদর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনুল মুগিরা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাবিত আল-বুনানির সূত্রে, তিনি আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২১৯)
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «آتي يومَ القيامةِ بابَ الجنةِ فأَستَفتحُ، فيقولُ الخازنُ: مَن أنتَ؟ فأقولُ: محمدٌ، فيقولُ: بكَ أُمرتُ ألا أفتَحَ لأحدٍ قبلَكَ»
(1).
قالَ الشريفُ: هذا حديثٌ صحيحٌ. خرَّجَه
(2) مسلمُ بنُ الحجاجِ في «صحيحه» [197] عن عَمرو الناقدِ وزهيرٍ، عن أبي النَّضرِ.
222 - (2) حدثنا الشَّريفُ الأجلُّ الكاملُ قالَ: أخبرنا أبو الحسنِ محمدُ بنُ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ رِزْقويه قالَ: أخبرنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ يحيى بنِ عمرَ
(3) بنِ عليِّ بنِ حربٍ: [حدثنا عليُّ بنُ حربٍ]
(4) قالَ: حدثنا سفيانُ بنُ عُيينةَ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرِ بنِ مُطعمٍ، عن أبيه قالَ:
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنِّي أنا محمدٌ، وأنا أحمدُ، وأنا الماحي الذي يُمحى بي الكفرُ، وأنا الحاشِرُ الذي أحشُرُ الناسَ، وأنا العاقِبُ / الذي ليسَ بَعدي نبيٌّ»
(5).
قالَ الشَّريفُ: هذا حديثٌ صحيحٌ
(6) متفقٌ عليه. أخرجَه البخاريُّ ومسلمٌ في «صحيحيهما»، فأمَّا البخاريُّ فأخرجَه [2532] عن إبراهيمَ بنِ المُنذرِ
--------------------------------------------
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কিয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় আসব এবং তা খোলার অনুরোধ করব। তখন দ্বাররক্ষী জিজ্ঞেস করবেন: আপনি কে? আমি বলব: মুহাম্মদ। তখন তিনি বলবেন: আপনার ব্যাপারেই আমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে যেন আপনার আগে কারো জন্য জান্নাত না খুলি»
(১)।
শরীফ বলেছেন: এটি একটি সহিহ হাদিস। মুসলিম বিন হাজ্জাজ তাঁর «সহিহ» গ্রন্থে [১৯৭] আমর আন-নাকিদ ও যুহাইর থেকে, আবু আন-নাদর-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন
(২)।
২২২ - (২) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মহান ও পূর্ণবান শরীফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন রিযকওয়াইহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন উমর
(৩) বিন আলী বিন হারব: [আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী বিন হারব]
(৪) তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন জুবাইর বিন মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আমি মুহাম্মদ, আমি আহমাদ, আমি আল-মাহু (মোচনকারী) যার মাধ্যমে কুফরকে মিটিয়ে দেওয়া হয়, আমি আল-হাশির (একত্রকারী) যার পেছনে মানুষকে পুনরুত্থিত করা হবে, এবং আমি আল-আকিব (সর্বশেষ) / যার পরে আর কোনো নবী নেই»
(৫)।
শরীফ বলেছেন: এটি একটি সহিহ হাদিস
(৬) যা মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত)। বুখারি ও মুসলিম তাঁদের «সহিহ» গ্রন্থদ্বয়ে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি এটি বর্ণনা করেছেন [২৫৩২] ইব্রাহিম বিন আল-মুনজির থেকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২২০)
الحِزاميِّ، عن مَعنِ
(1) بنِ عيسى القَزازِ
(2)، عن مالكِ بنِ أنسٍ، عن الزُّهريِّ، عن محمدِ بنِ جُبيرٍ، عن أبيه. وأمَّا مسلمٌ فأخرجَه [2354] عن عبدِ الملكِ بنِ شُعيبِ بنِ الليثِ بنِ سعدٍ، عن أبيه، عن جدِّه، عن عُقيلٍ، عن الزُّهريِّ.
وكانَت وفاةُ عبدِ الملكِ بنِ شُعيبٍ سَنةَ ثمانٍ وأربعينَ ومئتَينِ. ووفاةُ شيخِنا أبي الحسنِ
(3) بنِ رِزْقويه في سَنةِ اثنتَي عشرةَ وأربعِمئةٍ. فكأنَّ شيخَنا أبا الحسنِ سمعَه مَع البخاريِّ، وكأنَّ مسلمَ بنَ الحجاجِ
(4) سمعَه مَعنا مِن ابنِ رِزْقويه.
223 - (3) وحدثنا الشَّريفُ الأجلُّ قالَ: حدثنا
(5) أبو الفتحِ هلالُ بنُ محمدِ بنِ جعفرٍ الحَفارُ قالَ: أخبرنا الحسينُ / بنُ يحيى بنِ عَياشٍ قالَ: أخبرنا أبو الأشعثِ أحمدُ بنُ المِقدامِ
(6) العِجليُّ قالَ: حدثنا حمادُ بنُ زيدٍ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ قالَ:
ما مَسِستُ بيَدي دِيباجاً ولا حَريراً ولا شيئاً كانَ أليَنَ مِن كفِّ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ولا شَمِمتُ رائحةً قطُّ أطيبَ مِن رائحةِ
(7) رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ولقد خَدمتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَشرَ سِنينَ، فواللهِ ما قالَ لي: أفٍّ قطُّ، ولا قالَ لِشيءٍ فعلتُ: لِمَ فعلتَ كَذا؟ ولا لِشيءٍ لَم أفعَلْهُ: ألا فعلتَ كَذا
(8).
--------------------------------------------
আল-হিযামি থেকে, তিনি মা'ন
(১) ইবনে ঈসা আল-কাযযায
(২) থেকে, তিনি মালিক ইবনে আনাস থেকে, তিনি আয-যুহরি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন [২৩৫৪] আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইব ইবনে লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি উকাইল থেকে, তিনি আয-যুহরি থেকে।
আর আবদুল মালিক ইবনে শুয়াইবের মৃত্যু হয়েছিল দুইশ আটচল্লিশ হিজরি সনে। এবং আমাদের শাইখ আবুল হাসান
(৩) ইবনে রিযকুবাইহর মৃত্যু হয়েছিল চারশ বারো হিজরি সনে। ফলে মনে হয় যেন আমাদের শাইখ আবুল হাসান এটি ইমাম বুখারির সাথে শুনেছেন, এবং যেন মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ
(৪) এটি ইবনে রিযকুবাইহ থেকে আমাদের সাথে শুনেছেন।
২২৩ - (৩) আর আমাদের নিকট অতি সম্মানিত শরীফ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
(৫) আবুল ফাতহ হিলাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-হাফফার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আশআস আহমদ ইবনে আল-মিকদাম
(৬) আল-ইজলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি আমার হাত দিয়ে এমন কোনো মিহি রেশম বা রেশম অথবা এমন কোনো বস্তু স্পর্শ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতের তালুর চেয়ে অধিক নরম ছিল। আর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুগন্ধির চেয়ে অধিক সুঘ্রাণযুক্ত কোনো ঘ্রাণ
(৭) কখনোই পাইনি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দশ বছর সেবা করেছি; আল্লাহর কসম, তিনি কখনো আমাকে ‘উফ’ পর্যন্ত বলেননি। আমি কোনো কাজ করলে তিনি কখনো বলেননি যে, ‘তুমি এটি কেন করলে?’ আর আমি কোনো কাজ না করলে তিনি বলেননি যে, ‘তুমি এটি কেন করলে না?’
(৮)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২২১)
قالَ الشريفُ: هذا حديثٌ صحيحٌ كبيرٌ. أخرجَه البخاريُّ [3561] عن سليمانَ بنِ حربٍ، عن حمادِ بنِ زيدٍ.
224 - (4) وأخبرنا الشَّريفُ الأجلُّ الكاملُ قالَ: حدثنا
(1) الشيخُ أبو الحسينِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ بِشرانَ المُعدلُ قالَ: أخبرنا أبو عليٍّ إسماعيلُ بنُ محمدٍ الصَّفارُ / قالَ: حدثنا أحمدُ بنُ منصورٍ الرَّماديُّ قالَ: حدثنا عبدُ الرزاقِ بنُ همامٍ قالَ: أخبرنا معمرٌ، عن الزُّهريِّ قالَ: حدثني أنسُ بنُ مالكٍ رضي الله عنه،
أنَّ رَجلاً مِن الأعرابِ أَتى رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فقالَ: يا رسولَ اللهِ، مَتى الساعةُ؟ فقالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ما أَعدَدتَّ لها؟» فقالَ الأَعرابيُّ: ما أَعدَدتُّ لها مِن كبيرٍ أحمدُ عليه نَفسي، إلا أنيِّ أحبُّ اللهَ ورسولَه، فقالَ له رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «فإنَّكَ مَع مَن أَحبَبتَ»
(2).
قالَ الشَّريفُ: هذا حديثٌ صحيحٌ ثابتٌ. رواه مسلمٌ [2639] عن محمدِ بنِ رافعٍ، عن عبدِ الرزاقِ.
225 - (5) وحدثنا الشَّريفُ قالَ: أخبرنا القاضي الشريفُ أبو الحسنِ عليُّ بنُ عبدِ اللهِ بنِ إبراهيمَ الهاشميُّ قالَ: حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ عَمرو بنِ البَختَريِّ قالَ: حدثنا محمدُ بنُ أحمدَ / بنِ البراءِ العَبديُّ قالَ: حدثني عُبيدُ اللهِ
(3) بنُ فَرقدٍ مَولى المَهديِّ قالَ: هاجَتْ رِيحٌ زَمنَ المَهديِّ، فدَخلَ
--------------------------------------------
শরীফ বলেন: এটি একটি সহীহ ও সুবৃহৎ হাদিস। ইমাম বুখারি [৩৫৬১] এটি সুলাইমান ইবন হারব থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবন যায়িদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
২২৪ - (৪) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অত্যন্ত সম্মানিত ও পূর্ণাঙ্গ শরীফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন
(১) শায়খ আবুল হুসাইন আলী ইবন আবদুল্লাহ ইবন বিশরান আল-মুআদ্দাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইসমাইল ইবন মুহাম্মদ আস-সাফফার / তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন মানসুর আর-রামানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক ইবন হাম্মাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা’মার, যুহরি থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু),
এক বেদুইন ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল, কিয়ামত কখন হবে? তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ?» তখন বেদুইনটি বলল: আমি এর জন্য উল্লেখযোগ্য তেমন কিছু প্রস্তুত করিনি যার ওপর আমি নিজের প্রশংসা করতে পারি, তবে আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসি। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: «নিশ্চয়ই তুমি যার সাথে মহব্বত রাখো, (পরকালে) তারই সাথে থাকবে»
(২)।
শরীফ বলেন: এটি একটি সহীহ ও সুসাব্যস্ত হাদিস। ইমাম মুসলিম [২৬৩৯] এটি মুহাম্মদ ইবন রাফি থেকে, তিনি আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
২২৫ - (৫) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শরীফ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অত্যন্ত সম্মানিত বিচারক আবুল হাসান আলী ইবন আবদুল্লাহ ইবন ইবরাহিম আল-হাশিমী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন আল-বাখতারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ / ইবনুল বারা আল-আবদি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ
(৩) ইবন ফারকাদ, যিনি মাহদীর মুক্তদাসী ছিলেন, তিনি বলেন: মাহদীর যুগে একবার প্রচণ্ড বাতাস বইল, অতঃপর প্রবেশ করল...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
মজলিসুর রওজা - তিরাদ আয-যাইনাবী
(পৃষ্ঠা: ২২২)
المَهديُّ بيتاً في جَوفِ بيتٍ، فألزَقَ خدَّهُ بالترابِ، ثم قالَ: اللهمَّ إنَّه بريءٌ مِن هذه الجِنايةِ كُلُّ هذا الخَلقِ غَيري، فإنْ كُنتُ المَطلوبَ مِن بينِ خَلقِكَ فهأنا
(1) بينَ يدَيكَ، اللهمَّ لا تُشمِتْ بي أهلَ الأَديانِ. فلم يزَلْ كذلكَ حتى انجَلَت الرِّيحُ.
كَمُلَ المَجلسُ بحَمدِ اللهِ وعَونِه
وصلَّى اللهُ على نبيِّه محمدٍ وعلى آلِهِ وسلَّمَ تَسليماً كثيراً كثيراً كثيراً
(2)--------------------------------------------
মাহদী ঘরের অভ্যন্তরে একটি ঘরে প্রবেশ করলেন, অতঃপর তিনি তাঁর গাল মাটির সাথে মিশিয়ে দিলেন এবং বললেন: হে আল্লাহ! আমি ব্যতীত তোমার এই সৃষ্টির সকলেই এই অপরাধ থেকে মুক্ত। সুতরাং যদি তোমার সৃষ্টিজগতের মধ্য থেকে আমিই উদ্দিষ্ট ব্যক্তি হই, তবে এই তো আমি তোমার দুই হাতের সামনে উপস্থিত। হে আল্লাহ! আমাকে নিয়ে অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপহাস করার সুযোগ দিও না। বাতাস প্রশমিত হওয়া পর্যন্ত তিনি এভাবেই অবস্থান করলেন।
আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর সাহায্যে মজলিসটি সম্পন্ন হলো।
আল্লাহ তাঁর নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর অবারিত ধারায় অনেক অনেক দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
(২)--------------------------------------------