(খণ্ড: ১) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: -)
الموافقات العوالي للضياء المقدسي_1   (ضياء الدين المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الموافقات العوالي

المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 9

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-মুওয়াফাকাত আল-আওয়ালী - দ্বিয়া আল-মাকদিসী_১   (দ্বিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-মুওয়াফাকাত আল-আওয়ালী

লেখক: দ্বিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরী)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; ইসলামিক নেটওয়ার্ক (IslamWeb) সাইটের অন্তর্ভুক্ত বিনামূল্যে বিতরণকৃত 'জাওয়ামিউল কালিম' প্রোগ্রামে প্রকাশিত

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ١)
الْجُزْءُ فِيهِ مِنَ الْمُوَافَقَاتِ الْعَوَالِي تَخْرِيجُ الْإِمَامِ الْحَافِظِ ضِيَاءِ الدِّينِ أَبِي عَبْدِ اللََّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيِّ رحمه الله ، مِنْ مَسْمُوعَاتِهِ ، عَنْ شُيُوخِهِ.

بسم الله الرحمن الرحيم
এই খণ্ডটিতে উচ্চমানের সামঞ্জস্যপূর্ণ বর্ণনাসমূহ রয়েছে, যা ইমাম হাফিজ জিয়াউদ্দীন আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ ইবন আহমাদ আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) তাঁর উস্তাদদের নিকট থেকে শ্রুত বর্ণনাগুলো হতে সংকলন করেছেন।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الْإِمَامُ الْمُحَدِّثُ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللََّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ الْمَقْدِسِيُّ ، قِرَاءَةً مِنْ لَفْظِهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ثَالِثَ عَشَرَ صَفَرَ مِنْ ثَلاثَةٍ وَأَرْبَعِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ بِمَرْجِ الْعِبيدِيَّةِ مِنْ مَرْجِ الزَّبَدَانِيِّ ، أَنَا قَاضِي الْقُضَاةِ تَقِيُّ الدِّينِ أَبُو الْفَضْلِ سَلْمَانُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ ، أَنَا الْحَافِظُ ضِيَاءُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللََّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَقْدَسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْه وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِسَفْحِ جَبَلِ قَاسِيُونَ ظَاهِرَ دِمَشْقَ الْمَحْرُوسَةِ ، قَالَ: هَذِهِ أَحَادِيثُ اتَّفَقَ الْبُخَارِيُّ ، وَمُسْلِمٌ ، وَأَبُو دَاوُدَ ، وَالتِّرْمِذِيُّ ، وَالنَّسَائِيُّ ، عَلَى إِخْرَاجِهَا ، عَنْ شَيْخٍ وَاحِدٍ ، أَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلانِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْه بِأَصْبَهَانَ ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَدَّادُ ، وَأَنْتَ حَاضِرٌ فَأَقَرَّ بِهِ ، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللََّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ ، قِرَاءَةً ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، ثنا مُوسَى بْنُ هَارُونَ ، نا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، نا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللََّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللََّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، يَقُولُ: أَنَّهُ سَمِعَ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ، يَقُولُ: أَنَّهُ سَمِع رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ: «إِنَّ‌‌ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي فِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ فَلا آذَنُ ثُمَّ لا آذَنُ إِلا أَنْ يُحِبَّ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ ، فَإِنَّمَا فَاطِمَةُ بِضْعَةٌ مِنِّي يُرِيبُنِي مَا رَابَهَا وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا» .

أَخْرَجَهُ الأَئِمَّةُ الْخَمْسَةُ عَنْ قُتَيْبَةَ بِمِثْلِهِ أَوْ نَحْوِهِ
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ, ইমাম, মুহাদ্দিস শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাদ আল-মাকদিসি, তাঁর নিজ কণ্ঠের পাঠ থেকে এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম শুক্রবার, ১৩ই সফর, ৭৪৩ হিজরি সনে, মারজ আল-উবাইদিয়্যাহ নামক স্থানে যা মারজ আল-জাবাদানির অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযীউল কুযাত তাকিউদ্দিন আবু আল-ফজল সালমান ইবন হামজাহ ইবন আহমাদ ইবন উমর আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ জিয়াউদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আহমাদ আল-মাকদিসি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা শ্রবণ করছিলাম সুরক্ষিত দামেস্কের উপকণ্ঠে কাসিউন পাহাড়ের পাদদেশে। তিনি বলেন: এগুলি এমন কিছু হাদিস যেগুলোর বর্ণনার ক্ষেত্রে ইমাম বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি এবং নাসাঈ একজন শাইখের (উস্তাদের) ব্যাপারে একমত হয়েছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন নাসর আস-সাইদালানি, আসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে বললাম: হাসান ইবন আহমাদ আল-হাদ্দাদ কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন এবং আপনি তখন উপস্থিত ছিলেন? তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন ইসহাক, পঠনকৃত। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন মা'মার। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসা ইবন হারুন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ ইবন সাইদ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস ইবন সাদ। আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন আবি মুলাইকাহ, তিনি বলেন: তিনি মিসওয়ার ইবন মাখরামাহ-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: «নিশ্চয়ই বনু হিশাম ইবনুল মুগিরাহ তাদের কন্যাকে আলি ইবন আবি তালিবের নিকট বিবাহ দিতে আমার কাছে অনুমতি প্রার্থনা করেছে; কিন্তু আমি অনুমতি দেব না, পুনরায় বলছি আমি অনুমতি দেব না, যতক্ষণ না আলি ইবন আবি তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিয়ে তাদের কন্যাকে বিবাহ করতে চায়। কারণ ফাতেমা তো আমারই একটি অংশ; যা তাকে বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।»

পাঁচজন ইমাম এটি কুতাইবাহ থেকে অনুরূপ বা এর কাছাকাছি শব্দে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٣)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الثَّقَفِيُّ بِأَصْبَهَانَ ، أَنَا زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّحَّامِيُّ ، أَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكَنْجَرُوذِيُّ، أَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَرْوَانِيُّ ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ السَّرَّاجُ ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ عَقِيلِ بْنِ خَالِدٍ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللََّهِ بْنِ عَبْدِ اللََّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: لَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ بَعْدَهُ وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنَ الْعَرَبِ ، قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه لأَبِي بَكْرٍ: كَيْفَ تُقَاتِلُ النَّاسَ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لا إِلَهَ إِلا اللََّهُ ، فَمَنْ قَالَ لا إِلَهَ إِلا اللََّهُ عَصَمَ مِنِّي مَالَهُ وَنَفْسَهُ إِلا بِحَقِّهَا وَحِسَابُهُ عَلَى اللَّهِ عز وجل» .

فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَاللَّهِ لأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلاةِ وَالزَّكَاةِ ، فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ ، وَاللََّهِ لَوْ مَنْعُونِي عِقَالا كَانُوا يُؤَدُّونَهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهِ ، فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ: فَوَاللََّهِ مَا هُوَ إِلا أَنِّي رَأَيْتُ اللََّهَ شَرَحَ صَدْرَ أَبِي بَكْرٍ لِلْقِتَالِ فَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ.

أَخْرَجُوهُ عَنْ قُتَيْبَةَ بِمَعْنَاهُ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাজদ জহির ইবনে আবি তাহির আস-সাকাফি ইসফাহানে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জহির ইবনে তাহির ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাহহামি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-কানজারুজি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আহমদ আল-মারওয়ানি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন লাইস ইবনে সাদ, তিনি আকিল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি জুহরি থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন এবং তাঁর পরে আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) খলিফা নিযুক্ত হলেন এবং আরবদের মধ্যে যারা কুফরি করার তারা কুফরি করল, তখন উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বললেন: আপনি মানুষের সাথে কীভাবে যুদ্ধ করবেন? অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতক্ষণ না তারা বলে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’। সুতরাং যে ব্যক্তি বলবে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’, সে আমার পক্ষ থেকে তার সম্পদ ও জীবন নিরাপদ করে নিল তার হক ব্যতিরেকে, আর তার হিসাবের ভার মহান আল্লাহর ওপর।”

অতঃপর আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: “আল্লাহর কসম! যে ব্যক্তি নামায ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, আমি অবশ্যই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। কেননা যাকাত হলো সম্পদের হক। আল্লাহর কসম! তারা যদি আমাকে একটি উটের রশি দিতেও অস্বীকার করে যা তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রদান করত, তবে তা দিতে অস্বীকার করার কারণে আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব।” উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: “আল্লাহর কসম! আমি তখন দেখতে পেলাম যে, আল্লাহ তাআলা যুদ্ধের জন্য আবু বকরের বক্ষ উন্মোচন করে দিয়েছেন, ফলে আমি বুঝতে পারলাম যে এটাই সত্য।”

মুহাদ্দিসগণ এটি কুতাইবা থেকে এই অর্থেই বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٤)
3 - قُرِئَ عَلَى الشَّيْخِ الْجَلِيلِ أَبِي الْفَتْحِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَمُّوَيْهِ ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ بِدِمَشْقَ ، أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الصَّفَّارِ ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمُ الْقُشَيْرِيُّ ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْخَفَّافُ ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ السَّرَّاجُ ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، ثنا اللَّيْثُ ، عَنْ عَقِيلٍ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُبَيْدِ اللََّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم‌‌ شَرِبَ لَبَنًا ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ فَتَمَضْمَضَ ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ لَهُ دَسَمًا» .

أَخْرَجُوهُ جَمِيعُهُمْ عَنْ قُتَيْبَةَ
৩ - মহান শায়খ আবু আল-ফাতহ উমর বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন হাম্মুওয়াইহ-এর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে, আর আমরা শ্রবণ করছিলাম পাঁচশত সাতাত্তর হিজরী সালে দামেস্কে। আবু আল-কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন আস-সাফফার আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আল-কাসিম আল-কুশাইরী আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন আল-খাফফাফ আমাদের জানিয়েছেন, আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ আমাদের জানিয়েছেন, কুতাইবা বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উকাইল থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুধ পান করলেন, অতঃপর পানি আনিয়ে কুলি করলেন এবং বললেন: «নিশ্চয়ই এতে চর্বি রয়েছে»।

তাঁরা সকলেই এটি কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو رَوْحٍ عَبْدُ الْمُعِزِّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الْهَرَوِيُّ ، بِهَا ، أَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفُضَيْلِ الْفُضَيْلِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أَنَا أَبُو مُضَرَ مُحَكِّمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الضَّبِّيُّ ، أَنَا الْقَاضِي أَبُو سَعِيدٍ الْخَلِيلُ بْنُ أَحْمَدَ السِّجْزِيُّ ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ السَّرَّاجُ ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، ثنا بَكْرٌ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ بُكَيْرٍ ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ ، قَالَ: "‌‌ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ {وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ} [البقرة: 184] .

قَالَ: كَانَ مَنْ أَرَادَ
مِنَّا أَنْ يُفْطِرَ وَيَفْتَدِيَ حَتَّى نَزَلَتِ الآيَةُ الَّتِي بَعْدَهَا فَنَسَخَتْهَا ".

أَخْرَجُوهُ عَنْ قُتَيْبَةَ
৪ - আবু রাওহ আব্দুল মুয়িজ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল ফাদল আল-হারাবি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল ফাদল মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল ইবনুল ফুদাইল আল-ফুদাইলি—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুদার মুহাক্কিম ইবনে ইসমাইল আদ-দাব্বি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কাযী আবু সাঈদ আল-খলিল ইবনে আহমাদ আস-সিজযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম আস-সাকাফি আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কুতাইবাহ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনুল হারিস থেকে, তিনি বুকাইর থেকে, তিনি সালামাহ ইবনুল আকওয়ার মুক্তদাস ইয়াযিদ থেকে, তিনি সালামাহ ইবনুল আকওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌‌ যখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো: {আর যাদের জন্য তা (রোজা রাখা) অত্যন্ত কষ্টকর, তাদের ওপর ফিদইয়া হলো একজন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো} [আল-বাকারা: ১৮৪]।

তিনি বলেন: আমাদের মধ্যে যারা
রোজা ভঙ্গ করতে এবং ফিদইয়া দিতে চাইত তারা তা করত, যতক্ষণ না তার পরবর্তী আয়াতটি অবতীর্ণ হয়ে একে রহিত করল।"

তাঁরা এটি কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٦)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي نَصْرٍ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الصَّبَّاغِ الْمُؤَذِّنِ ، بِأَصْبَهَانَ ، أَنْبَأَتْنَا أُمُّ الْبَهَاءِ فَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سَعْدٍ الْبَغْدَادِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا ، قَالَتْ: أَنَا الشَّيْخُ أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْعَيَّارُ ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللََّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الرُّومِيُّ ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ السَّرَّاجُ ، ثنا قُتَيْبَةُ ، ثنا اللَّيْثُ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، أَنَّ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَخْبَرَتْهُ أَنَّ بَرِيرَةَ جَاءَتْ عَائِشَةَ تَسْتَعِينُهَا فِي كِتَابَتِهَا وَلَم تَكُنْ قَضَتْ مِنْ كِتَابَتِهَا شَيْئًا ، قَالَتْ لَهَا عَائِشَةُ: ارْجِعِي إِلَى أَهْلِكِ فَإِن أَحَبُّوا أَنْ أَقْضِيَ عَنْكِ كِتَابَتَكِ وَيَكُونَ وَلاؤُكِ لِي فَعَلْتُ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ بَرِيرَةُ لأَهْلِهَا فَأَبَوْا وَقَالُوا: إِنْ شَاءَتْ أَنْ تَحْتَسِبَ عَلَيْكِ فَلْتَفْعَلْ وَيَكُونَ لَنَا وَلاؤُكِ ، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «ابْتَاعِي فَأَعْتِقِي فَإِنَّ‌‌ الْوَلاءَ لِمَنْ أَعْتَقَ» .

قَالَتْ: ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: «مَا بَالُ أُنَاسٍ يَشْتَرِطُونَ
شُرُوطًا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ عز وجل ، مَنِ اشْتَرَطَ شَرْطًا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ ، فَلَيْسَ لَهُ وَإِنْ شَرَطَ مِائَةَ شَرْطٍ شَرْطُ اللَّهِ أَحَقُّ وَأَوْثَقُ» .

أَخْرَجُوهُ بِنَحْوِهِ عَنْ قُتَيْبَةَ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে আবি নাসর সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল আযীয ইবনুস সাব্বাগ আল-মুয়াযযিন, ইসফাহানে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল বাহা ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ ইবনে আবি সাঈদ আল-বাগদাদি, তার নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-আইয়্যার; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আর-রুমি; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহীম আস-সাকাফি আস-সাররাজ; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন কুতাইবা; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন লাইস, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাকে সংবাদ দিয়েছেন—বারিরা তার নিকট এসে তার গোলামি মুক্তির চুক্তির ব্যাপারে সাহায্য চাইলেন, অথচ তখন পর্যন্ত তিনি তার চুক্তির কোনো অংশই পরিশোধ করেননি। আয়েশা তাকে বললেন: 'তুমি তোমার মালিকপক্ষের কাছে ফিরে যাও; যদি তারা পছন্দ করে যে আমি তোমার পক্ষ থেকে তোমার চুক্তির অর্থ পরিশোধ করে দেব এবং তোমার "ওয়ালা" (মুক্ত করার সূত্রে প্রাপ্ত সখ্যতার অধিকার) আমার হবে, তবে আমি তা করব।' বারিরা বিষয়টি তার মালিকপক্ষের কাছে উল্লেখ করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করল এবং বলল: 'সে (আয়েশা) যদি তোমার ওপর সওয়াব হাসিলের উদ্দেশ্যে ব্যয় করতে চায় তবে তা করুক, কিন্তু তোমার "ওয়ালা" আমাদেরই থাকবে।' তিনি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন: «তুমি তাকে ক্রয় করো এবং মুক্ত করে দাও, কেননা "ওয়ালা" তো তারই প্রাপ্য যে মুক্ত করে।»

তিনি (আয়েশা) বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং বললেন: «লোকদের কী হলো যে তারা এমন সব শর্তারোপ করে
যা আল্লাহর কিতাবে নেই? যে ব্যক্তি এমন শর্তারোপ করল যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তা তার জন্য গণ্য হবে না, যদিও সে একশটি শর্ত আরোপ করে। আল্লাহর শর্তই অধিক সত্য এবং অধিক সুদৃঢ়।’

তারা এটি অনুরূপভাবে কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٧)
6 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ ، أَنْبَأَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ ، قَالَتْ: أَنَا سَعِيدٌ ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَخْلَدِيُّ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ ، ثنا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، وَعَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَرَضِيَ عَنْهَا قَالَتْ: "‌‌ إِنْ كُنْتُ لأَدْخُلُ الْبَيْتَ لِلْحَاجَةِ وَالْمَرِيضُ فِيهِ فَمَا أَسْأَلُ عَنْهُ إِلا وَأَنَا مَارَّةٌ ، وَإِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُدْخِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ فَأُرَجِّلُهُ ، قَالَتْ: وَكَانَ لا يَدْخُلُ الْبَيْتَ إِلا لِحَاجَةٍ إِذَا كَانَ مُعْتَكِفًا ".

أَخْرَجَهُ الْجَمَاعَةُ جَمِيعُهُمْ بِمَعْنَاهُ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ
৬ - মুহাম্মদ বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের জানিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-মাখলাদি আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, কুতাইবা বিন সাঈদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, লাইস বিন সাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ এবং আমরাহ বিনতে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন: " আমি প্রয়োজনে ঘরে প্রবেশ করতাম অথচ সেখানে অসুস্থ ব্যক্তি থাকত, তখন আমি কেবল পথ চলতে চলতেই তার অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে থাকা অবস্থায় তাঁর মাথা (ঘরের ভেতর) বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি তাঁর চুল আঁচড়ে দিতাম। তিনি (আয়িশা) বলেন: আর তিনি ইতিকাফ অবস্থায় অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘরে প্রবেশ করতেন না।"

জামাআতের সকল ইমাম কুতাইবা বিন সাঈদের সূত্রে একই অর্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٨)
7 - وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو رَوْحٍ عَبْدُ الْمُعِزِّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الصُّوفِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْه بِهَرَاةَ قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمُ الْإِمَامُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفُضَيْلِ الْفُضَيْلِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نُعَيْمٍ الصُّوفِيُّ ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الصَّيْرَفِيُّ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَحْمَدَ ، أَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ ، ثنا قُتَيْبَةُ ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي جَنِينِ امْرَأَةٍ مِنْ بَنِي لَحْيَانَ سَقَطَ مَيِّتًا بِغُرَّةٍ عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ ، ثُمَّ إِنَّ الْمَرْأَةَ الَّتِي قَضَى عَلَيْهَا بِالْغُرَّةِ تُوُفِّيَتْ فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِأَنَّ مِيرَاثَهَا لِبَنِيهَا وَزَوْجِهَا ، وَأَنَّ الْعَقْلَ عَلَى عَصَبَتِهَا» .

أَخْرَجُوهُ بِنَحْوِهِ عَنْ قُتَيْبَةَ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু রাওহ আব্দুল মুয়িজ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল ফাদল আস-সুফি, হেরাতে তাঁর সম্মুখে পাঠের মাধ্যমে; তাঁকে বলা হয়েছে: ইমাম আবু ফাদল মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে আল-ফুদাইল আল-ফুদাইলি আপনার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর সম্মুখে পাঠের মাধ্যমে; (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে নুয়াইম আস-সুফি; (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আস-সাইরাফি অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ; (তিনি বলেন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস; আমাদের বর্ণনা করেছেন কুতাইবা; আমাদের বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ, ইবনে শিহাব থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বনু লিহ্ইয়ান গোত্রের এক মহিলার গর্ভস্থ ভ্রূণের ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছিলেন যা মৃত অবস্থায় নিপতিত হয়েছিল—একটি গোলাম বা দাসী (ঘুররাহ) প্রদান করার। অতঃপর যে মহিলার ওপর তিনি ঘুররাহর ফয়সালা করেছিলেন সে মৃত্যুবরণ করল; তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফয়সালা দিলেন যে, তার উত্তরাধিকার তার সন্তানদের এবং স্বামীর প্রাপ্য হবে, আর রক্তপণ (আকল) আদায়ের দায়িত্ব তার আসাবার (পিতৃপক্ষীয় পুরুষ আত্মীয়দের) ওপর বর্তাবে।» .

তারা কুতাইবা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ١) আল-মুওয়াফাকাতুল আওয়ালি লিদ দিয়া আল-মাকদিসি ১ (পৃষ্ঠা: ٩)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْبَقَاءِ الْعَاقُولِيُّ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقَزَّازُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، أَنَا يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمَذَانِيُّ ، أَنَا أَبُو عُمَرَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ الْفَارِسِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، ثنا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ ، إِمْلاءً ، ثنا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى ، ثنا ابْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«جَاءَ إِلَى مَكَّةَ دَخَلَهَا مِنْ أَعْلاهَا وَخَرَجَ مِنْ أَسْفَلِهَا» .

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ ، وَمُسْلِمٌ ، وَأَبُو دَاوُدَ ، وَالتِّرْمِذِيُّ ، وَالنَّسَائِيُّ ، عَنْ أَبِي مُوسَى بِخَطِّ الْمُخَرِّجِ فِي حَاشِيَتِهِ ، لَمْ أَرَهُ فِي النَّسَائِيِّ ، فَإِنْ كَانَ فِي كِتَابِهِ الْكَبِيرِ وَإِلا فَلَيْسَ هُوَ مِنَ الْمُجْتَنَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবিল বাকা আল-আকুলী, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে বললাম: আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আল-কাযযায আপনাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইউসুফ ইবনে মুহাম্মদ আল-হামাদানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু উমর আবদুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাহদী আল-ফারিসী আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, কাযী আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-মাহামিলী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আবু মূসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে উয়াইনাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «মক্কায় আসলেন, এর উপরিভাগ দিয়ে প্রবেশ করলেন এবং এর নিম্নভাগ দিয়ে বের হলেন»।

এটি ইমাম বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী এবং নাসাঈ বর্ণনা করেছেন আবু মূসার সূত্রে। সংকলকের হস্তাক্ষরে তাঁর পার্শ্বটীকায় রয়েছে: আমি এটি নাসাঈ-তে দেখিনি; সুতরাং এটি যদি তাঁর বৃহৎ কিতাবে (আস-সুনান আল-কুবরা) থেকে থাকে তবে ভিন্ন কথা, নতুবা এটি 'আল-মুজতানা' (সুনান আন-নাসাঈ আস-সুগরা) এর অন্তর্ভুক্ত নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন।