(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: -)
الثاني من الوخشيات (الوخشي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الثاني من الوخشيات
المؤلف: أَبُو عَلِيٍّ الحَسَنُ بنُ عَلِيِّ بنِ مُحَمَّدِ بنِ أَحْمَدَ بنِ جَعْفَرٍ البَلْخِيُّ، الوَخشِيّ (ت 471هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 59
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ওয়াখশিয়াত থেকে দ্বিতীয় অংশ (আল-ওয়াখশি)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আল-ওয়াখশিয়াত থেকে দ্বিতীয় অংশ
লেখক: আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর আল-বালখি، আল-ওয়াখশি (মৃত্যু ৪৭১ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামি নেটওয়ার্ক সাইটের অন্তর্ভুক্ত বিনামূল্যে বিতরণকৃত জাওয়ামিউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[বইটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫৯
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১)
1 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ اللَّبَّانُ الْمُعَدِّلُ، أَنْبَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ الْمُقْرِئُ، أَنْبَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثنا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفُرَاتِ بْنِ خَالِدٍ الرَّازِيُّ، ثنا عَبْدُ الرّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ، فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ، إِلا السَّامَ» .يُرِيدُ الْمَوْتَ، يَعْنِي الشُّونِيزَ
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু আল-মাকারিম আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-লাব্বান আল-মুয়াদ্দিল, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আহমাদ ইবন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-মুকরি, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আল-হাফিজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন জাফর ইবন আহমাদ ইবন ফারিস—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—তিনশ চুয়াল্লিশ হিজরি সালে, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মাসউদ আহমাদ ইবনুল ফুরাত ইবন খালিদ আল-রাজি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক, মা’মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা এই কালোজিরা ব্যবহার করো, কেননা এতে মৃত্যু ছাড়া প্রতিটি রোগের নিরাময় রয়েছে»।তিনি এর দ্বারা মৃত্যুকে বুঝিয়েছেন, অর্থাৎ কালোজিরা।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২)
2 - حَدَّثَنَاهُ أَبُو عَلِيِّ بْنُ الصَّوَّافِ، بِانْتِقَاءِ الدَّارَقُطْنِيِّ، ثنا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، ثنا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، ثنا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَأَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ، فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلا السَّامَ» .وَالسَّامُ الْمَوْتُ
২ - আদ-দারাকুতনীর নির্বাচন অনুযায়ী আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ আমাদের নিকট তা বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ বিন ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মা’মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান ও আবু সালামাহ থেকে, তারা আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা এই কালোজিরা গ্রহণ করো, কেননা এতে মৃত্যু ব্যতীত প্রতিটি রোগের নিরাময় রয়েছে।» .আর ‘সাম’ হলো মৃত্যু।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৩)
3 - حَدَّثَنَاهُ أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، بِبَغْدَادَ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ، وَثنا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الصَّوَّافِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا عَمِّي أَبُو بَكْرٍ، وَسَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو، وَعَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، ثنا أَبُو خَيْثَمَةَ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالُوا: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ، ثنا مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ الْمُنْذِرِ، ثنا أَبُو الْيَمَانِ، ثنا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، قَالا: عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ، فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ، إِلا السَّامَ» .وَالسَّامُ الْمَوْتُ.حَدَّثَنَاهُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْعَسْقَلانِيُّ، ثنا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى قَالا: ثنا ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي يُونُسُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «عَلَيْكُمْ بِالْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ، فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءً» .فَذَكَرَ مِثْلَهُ
৩ - বাগদাদে আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, বিশর বিন মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং আবু আলী বিন আস-সাওয়াফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবু শাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার চাচা আবু বকর, সাঈদ বিন আমর এবং আলী বিন আল-মাদীনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খাইসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং মুহাম্মদ বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক বিন আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবু উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন ঈসা বিন আল-মুনজির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আল-ইয়ামান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুআইব বিন আবু হামজা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে জুহরী থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা এই কালোজিরা ব্যবহার করো, কারণ এতে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের নিরাময় রয়েছে।» আর 'সাম' হলো মৃত্যু।আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর, আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, এবং মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-আসকালানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারমালা বিন ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস ইবনে শিহাব থেকে আমার নিকট সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «তোমরা কালোজিরা ব্যবহার করো, কারণ এতে নিরাময় রয়েছে।» অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৪)
4 - حَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ الْعَطَّارُ، قَثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مِلْحَانَ، قَثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، وَحَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْعَبْدِيُّ الْحَافِظُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، قَالا: ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَقِيلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ شِفَاءً مِنْ كُلِّ شَيْءٍ إِلا مِنَ السَّامِ» .قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَالسَّامُ الْمَوْتُ، وَالْحَبَّةُ السَّوْدَاءُ الشُّونِيزُ.لَفْظُهُمَا وَاحِدٌ.حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ ثنا أَبُو مَسْعُودٍ الرَّازِيُّ ثنا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ /مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ /أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، نَحْوَهُ
৪ - আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মিলহান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর; এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-আবদী আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে রুমহ। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-লাইস ইবনে সাদ, আকীল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান এবং সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়িব অবহিত করেছেন যে, আবু হুরায়রা তাঁদের উভয়কে অবহিত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই কালোজিরায় মৃত্যু ব্যতীত প্রতিটি রোগের আরোগ্য রয়েছে।’ ইবনে শিহাব বলেন, আস-সাম হলো মৃত্যু, আর আল-হাব্বাতুস সাওদা হলো শুনীজ।তাঁদের উভয়ের বর্ণিত শব্দ অভিন্ন।আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাসউদ আর-রাযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়ালা ইবনে উবাইদ, মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৫)
5 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا أَبُو مَسْعُودٍ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، إِنْ شَاءَ اللَّهُ عَنْ إِسْرَائِيلَ، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطَّلْحِيُّ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ غَنَّامٍ، قَثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: خَرَجْنَا وَمَعَنَا غَالِبُ بْنُ أَبْجَرَ، مَرِضَ فِي الطَّرِيقِ، فَقَدِمْنَا الْمَدِينَةَ وَهُوَ مَرِيضٌ، فَعَادَهُ ابْنُ أَبِي عَتِيقٍ، فَقَالَ لَنَا: عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ، فَخُذُوا مِنْهَا خَمْسًا أَوْ سَبْعًا، فَاسْحَقُوهَا وَاقْطُرُوهَا فِي أَنْفِهِ بِقَطَرَاتِ زَيْتٍ فِي هَذَا الْجَانِبِ وَفِي هَذَا الْجَانِبِ، فَإِنَّ عَائِشَةَ حَدَّثَتْنِي، أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِنَّ هَذِهِ الْحَبَّةَ السَّوْدَاءَ شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلا أَنْ يَكُونَ السَّامَ» .قُلْتُ: وَمَا السَّامُ؟ قَالَ: " الْمَوْتُ
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মাসউদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা, ইনশাআল্লাহ ইসরাঈল থেকে বর্ণিত। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আত-তালহী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে ঘাননাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ, তিনি ইসরাঈল থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি খালিদ ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা বের হলাম এবং আমাদের সাথে গালিব ইবনে আবজার ছিলেন, তিনি পথিমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা মদীনায় পৌঁছালাম এমতাবস্থায় যে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তখন ইবনে আবি আতিক তাকে দেখতে আসলেন এবং আমাদের বললেন: তোমরা এই কালোজিরা গ্রহণ করো; এর থেকে পাঁচটি বা সাতটি দানা নাও, সেগুলো পিষে ফেলো এবং তেলের সাথে মিশিয়ে তার নাকের এই পাশে এবং ওই পাশে কয়েক ফোঁটা দাও। কেননা আয়েশা (রা.) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «নিশ্চয়ই এই কালোজিরা হলো প্রতিটি রোগের আরোগ্য, ‘সাম’ ব্যতীত»।আমি বললাম: ‘সাম’ কী? তিনি বললেন: "মৃত্যু"।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৬)
6 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَاصِمٍ الثَّقَفِيُّ، ثنا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمَسْجِدِ وَأَنَا عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ، فَأَخَذَ بِيَدِي وَأَدْخَلَنِي الْمَسْجِدَ، فَإِذَا رَجُلٌ يُصَلِّي، يَدْعُو، يَقُولُ: " اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ، فَإِنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لا إِلَهَ إِلا أَنْتَ، الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِه لَقَدْ سَأَلَ اللَّهَ بِاسْمِهِ الأَعْظَمِ، الَّذِي إِذَا سُئِلَ بِهِ أَعْطَى، وَإِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ» .وَإِذَا رَجُلٌ إِلَى جَانِبِ الْمَسْجِدِ يَقْرَأُ، فَقَالَ: «لَقَدْ أُعْطِيَ هَذَا مِزْمَارًا مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ» .قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أُخْبِرُهُ؟ قَالَ: «نَعَمْ» .فَأَخْبَرْتُهُ.فَقَالَ: لَنْ يَزَالَ لِي صَدِيقًا، فَإِذَا هُوَ أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ، فَحَدَّثْتُ بِهِ زُهَيْرَ بْنَ مُعَاوِيَةَ، قُلْتُ: إِنَّ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ.فَلَقِيتُ مَالِكًا فَحَدَّثْتُهُ عَنْهُ فَقَالَ زُهَيْرٌ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ السَّبِيعِيَّ، ثنا بِهِ عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারিছ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আসিম আস-সাকাফী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়দ ইবনুল হুবাব, তিনি মালেক ইবনে মিগওয়াল থেকে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদাহ, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে আসলেন এবং আমি তখন মসজিদের দরজায় ছিলাম। তিনি আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে মসজিদে প্রবেশ করালেন। সেখানে এক ব্যক্তি সালাত আদায় করছিল এবং দুআ করছিল, সে বলছিল: "হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, কেননা আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি এক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তিনি জন্ম নেননি এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।" তিনি বললেন: «সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, সে আল্লাহর কাছে তাঁর মহান নামে প্রার্থনা করেছে, যে নামে প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন এবং যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন।»এবং যখন এক ব্যক্তি মসজিদের এক পাশে তিলাওয়াত করছিল, তখন তিনি বললেন: «একে দাঊদ পরিবারের বাঁশিগুলোর মধ্য থেকে একটি বাঁশি দেওয়া হয়েছে।»আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি তাকে তা জানিয়ে দেব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ।»অতঃপর আমি তাকে তা জানালাম।সে বলল: সে সর্বদা আমার বন্ধু হয়ে থাকবে। আর তিনি ছিলেন আবু মূসা আল-আশআরী। অতঃপর আমি এটি যুহাইর ইবনে মুয়াবিয়াকে বর্ণনা করলাম এবং বললাম: সুফিয়ান আমাদের নিকট এই হাদিসটি মালেক ইবনে মিগওয়াল থেকে বর্ণনা করেছেন।এরপর আমি মালেকের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁর নিকট থেকে এটি বর্ণনা করলাম। তখন যুহাইর বললেন: আমি আবু ইসহাক আস-সাবিঈকে মালেক ইবনে মিগওয়াল থেকে এটি বর্ণনা করতে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৭)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الأَنْبَارِيُّ، بِانْتِقَاءِ عُمَرَ الْبَصْرِيِّ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْخَلِيلِ بْنِ ثَابِتٍ الْبُرْجُلانِيُّ، ثنا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُؤَدِّبُ، ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: جَاءَتِ امْرَأَةُ رِفَاعَةَ الْقُرَظِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي نَكَحْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الزُّبَيْرِ، فَوَاللَّهِ مَا مَعَهُ إِلا مِثْلُ هَذِهِ الْهَدِيَّةِ.قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَعَلَّكِ تُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِي إِلَى رِفَاعَةَ، لا حَتَّى يَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ، وَتَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ»
৭ - আমাদের নিকট আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাইসাম আল-আনবারি বর্ণনা করেছেন—ওমর আল-বসরির নির্বাচনের ভিত্তিতে—তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জাফর আহমাদ ইবনুল খলিল ইবনে সাবিত আল-বুরজুলানি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউনুস ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুয়াদ্দিব হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট লাইস ইবনে সাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন আইয়ুব ইবনে মুসা থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়িশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রিফায়া আল-কুরাযির স্ত্রী আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন, "হে আল্লাহর রাসুল! আমি আবদুর রহমান ইবনে যুবায়েরকে বিবাহ করেছি, কিন্তু আল্লাহর কসম, তার সাথে এই উপহারের মতো [সামান্য বস্তু] ছাড়া আর কিছুই নেই।"তিনি (আয়িশা) বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «সম্ভবত তুমি রিফায়ার কাছে ফিরে যেতে চাচ্ছ; কিন্তু না, তা হবে না যতক্ষণ না সে তোমার মধু আস্বাদন করে এবং তুমি তার মধু আস্বাদন করো।»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৮)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ النَّصِيبِيُّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو إِسْمَاعِيلَ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا بُرْدَةَ، وَاصْطَحَبَ هُوَ وَيَزِيدُ بْنُ أَبِي كَبْشَةَ فِي سَفَرٍ، فَكَانَ يَزِيدُ يَصُومُ، فَقَالَ لَهُ أَبُو بُرْدَةَ سَمِعْتُ أَبَا مُوسَى مِرَارًا يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إذَا مَرِضَ الْعَبْدُ أَوْ سَافَرَ كُتِبَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ مَا كَانَ يَعْمَلُ صَحِيحًا مُقِيمًا» .لَمْ يَذْكُرِ الْحَارِثُ: مُقِيمًا.سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عُمَرَ بْنِ مُسْلِمٍ الْقَاضِيَ الْجِعَابِيُّ، وَرَدَ عَلَيْنَا أَصْبَهَانَ، يَقُولُ: الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ يُكَنَّى أَبَا عِيسَى، وَهُمْ أَرْبَعَةُ إِخْوَةٍ: الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ، وَطِلابُ بْنُ حَوْشَبٍ وَيُوسُفُ بْنُ حَوْشَبٍ وَخِرَاشُ بْنُ حَوْشَبٍ.كُلُّهُمْ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ، وَهُمْ مَوَالِي بَنِي شَيْبَانَ
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আন-নাসিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন মুহাম্মদ আত-তামিমি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ বিন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আওয়াম বিন হাওশাব, তিনি বলেন: আমাকে আবু ইসমাইল বর্ণনা করেছেন যে তিনি আবু বুরদাহকে শুনেছেন, এমতাবস্থায় যে তিনি এবং ইয়াযিদ বিন আবি কাবশাহ এক সফরে সঙ্গী ছিলেন, তখন ইয়াযিদ রোজা রাখছিলেন। আবু বুরদাহ তাকে বললেন: আমি আবু মুসাকে বারবার বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন কোনো বান্দা অসুস্থ হয় অথবা সফরে থাকে, তখন তার জন্য ঠিক সেইরূপ সওয়াব লেখা হয় যা সে সুস্থ ও অবস্থানরত (মুকিম) অবস্থায় আমল করত।» .আল-হারিস ‘অবস্থানরত’ কথাটি উল্লেখ করেননি।আমি আবু বকর মুহাম্মদ বিন উমর বিন মুসলিম আল-কাদি আল-জিআবিকে বলতে শুনেছি—যিনি আমাদের নিকট আসফাহানে এসেছিলেন—যে: আল-আওয়াম বিন হাওশাবের উপনাম ছিল আবু ঈসা, এবং তারা ছিলেন চার ভাই: আল-আওয়াম বিন হাওশাব, তুল্লাব বিন হাওশাব, ইউসুফ বিন হাওশাব এবং খিরাশ বিন হাওশাব।তারা সকলেই কুফাবাসী ছিলেন এবং তারা বনু শায়বানের মুক্তদাস (মাওয়ালি) ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ৯)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الأَنْبَارِيُّ، بِانْتِقَاءِ عُمَرَ الْبَصْرِيِّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ أَبِي الْعَوَّامِ الرِّيَاحِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، ثنا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: أَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى وَضَعَ رِجْلَهُ بَيْنِي وَبَيْنَ فَاطِمَةَ، فَعَلَّمَنَا مَاذَا نَقُولُ إِذَا أَخَذْنَا مَضَاجِعَنَا، «ثَلاثًا وَثَلاثِينَ تَسْبِيحَةً، وَثَلاثًا وَثَلاثِينَ تَحْمِيدَةً، وَأَرْبَعًا وَثَلاثِينَ تَكْبِيرَةً» .قَالَ عَلِيٌّ: فَمَا تَرَكْتُهَا بَعْدُ.فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: وَلا لَيْلَةَ صِفِّينَ؟ قَالَ: وَلا لَيْلَةَ صِفِّينَ
৯ - আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাইসাম আল-আনবারী, উমর আল-বসরীর নির্বাচনে, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াজীদ ইবনে আবিল আওয়াম আল-রিয়াহী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইয়াজীদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-আওয়াম ইবনে হাওশাব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন এমনকি তিনি তাঁর পা আমার ও ফাতিমার মাঝখানে রাখলেন, অতঃপর তিনি আমাদের শিখিয়ে দিলেন যখন আমরা বিছানায় যাব তখন কী বলব, "তেত্রিশবার তাসবীহ, তেত্রিশবার তাহমীদ এবং চৌত্রিশবার তাকবীর।"আলী (রা.) বলেন: এরপর আমি আর তা ত্যাগ করিনি।এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন: সিফফীনের রাতেও কি নয়? তিনি বললেন: সিফফীনের রাতেও নয়।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১০)
10 - فَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الْعَطَّارُ، بِانْتِقَاءِ أَبِي الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيِّ عَلَيْهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، ثَنَا أَبُو عَاصِمٍ قَيْسُ بْنُ نُصَيْرٍ، ثنا طِلابُ بْنُ حَوْشَبٍ أَخُو الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّهُ قَالَ لِفَاطِمَةَ: اذْهَبِي إِلَى أَبِيكِ فَاسْأَلِيهِ يُعْطِكِ خَادِمًا يَقِكِ الرَّحَا وَحَرَّ التَّنُّورِ، فَأَتَتْهُ فَسَأَلَتْهُ، قَالَ: «إذَا جَاءَ سَبْيٌ» .فَأَتَيْنَاهُ فَجَاءَ سَبْيٌ،. . . . . . مِنْ سَبْيٍ إِلَى سَبْيٍ، فَجَاءَ سَبْيٌ مِنْ نَاحِيَةِ الْبَحْرَيْنِ، وَلَمْ يَزَلِ النَّاسُ يَطْلُبُونَ وَيَسْأَلُونَهُ إِيَّاهُ.قَالَ: وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِعْطَاءً، لا يُسْأَلُ شَيْئًا إِلا أَعْطَاهُ، حَتَّى إذَا لَمْ يَبْقَ شَيْءٌ أَتَتْهُ تَطْلُبُ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " جَاءَنَا سَبْيٌ فَطَلَبَهُ النَّاسُ، وَلَكِنْ أُعَلِّمُكِ مَا هُوَ خَيْرٌ لَكِ مِنْ خَادِمٍ، إذَا أَوَيْتِ إِلَى فِرَاشِكِ، فَقُولِي: اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، مُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ، أَنْتَ الأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ، وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ ".فَانْصَرَفَتْ فَاطِمَةُ رَاضِيَةً بِذَلِكَ مِنَ الْجَارِيَةِ.قَالَ عَلِيٌّ: فَمَا تَرَكْتُهَا مُنْذُ عَلَّمَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قِيلَ: وَلا لَيْلَةَ صِفِّينَ؟ قَالَ: وَلا لَيْلَةَ صِفِّينَ
১০ - আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ ইবন ইউসুফ আল-আত্তার, তাঁর নিকট আবুল হাসান আদ-দারা কুতনীর বাছাইকৃত বর্ণনানুসারে; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন উসমান ইবন আবি শায়বাহ; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম কায়েস ইবন নুসাইর; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তিললব ইবন হাওশাব, যিনি আওয়াম ইবন হাওশাবের ভাই; জাফর ইবন মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী ইবন আল-হুসাইন থেকে, তিনি আল-হুসাইন ইবন আলী থেকে, তিনি আলী ইবন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ফাতিমাকে বললেন: তুমি তোমার পিতার কাছে যাও এবং তাঁকে অনুরোধ করো যেন তিনি তোমাকে একজন খাদেম দেন যা তোমাকে যাঁতা পেষণ এবং চুল্লির উত্তাপ থেকে রক্ষা করবে। অতঃপর তিনি তাঁর কাছে এলেন এবং তা চাইলেন। তিনি বললেন: "যখন যুদ্ধবন্দী আসবে।" অতঃপর আমরা তাঁর কাছে আসলাম এবং যুদ্ধবন্দী এল... এক যুদ্ধবন্দী থেকে অন্য যুদ্ধবন্দী আসা পর্যন্ত। অবশেষে বাহরাইন অঞ্চল থেকে যুদ্ধবন্দী এল, এবং লোকজন ক্রমাগত তাঁর কাছে তা চাইতে লাগল এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে লাগল। তিনি বললেন: আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন অত্যন্ত দানশীল, তাঁর কাছে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা অবশ্যই দিতেন। এমনকি যখন আর কিছুই অবশিষ্ট থাকল না, তখন তিনি (ফাতিমা) তাঁর কাছে এসে তা চাইলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: " আমাদের কাছে যুদ্ধবন্দী এসেছিল এবং মানুষ তা চেয়ে নিয়েছে। তবে আমি তোমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিচ্ছি যা তোমার জন্য একজন খাদেমের চেয়েও উত্তম। যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে, তখন বলবে: হে আল্লাহ, সাত আসমানের রব এবং সুমহান আরশের রব, আমাদের রব এবং সবকিছুর রব, তাওরাত, ইনজিল ও কুরআনের অবতীর্ণকারী, শস্যবীজ ও আঁটি বিদীর্ণকারী। আমি আপনার নিকট সেই প্রতিটি সত্তার অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যার ললাট আপনি ধারণ করে আছেন। আপনিই প্রথম, সুতরাং আপনার পূর্বে কিছু নেই; আপনিই শেষ, সুতরাং আপনার পরে কিছু নেই; আপনিই প্রকাশ্য, সুতরাং আপনার উপরে কিছু নেই। আপনি আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং দারিদ্র্য দূর করে আমাদের অভাবমুক্ত করুন।" অতঃপর ফাতিমা খাদেমের পরিবর্তে তাতেই সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে গেলেন। আলী (রাযি.) বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এটি শেখানোর পর থেকে আমি কখনো তা ত্যাগ করিনি। জিজ্ঞেস করা হলো: সিফফিনের রাতেও কি নয়? তিনি বললেন: সিফফিনের রাতেও নয়।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১১)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ حُبَيْشٍ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا، ثنا أَبُو كُرَيْبٍ، ثنا أَبُو أُسَامَةَ، وَحَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، ثنا ابْنُ أَبِي غَنِيَّةَ، ثنا أَبِي، قَالا: عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَتَتْ فَاطِمَةُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَسْأَلُهُ خَادِمًا، فَقَالَ لَهَا: «قُولِي اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ»
১১ - মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে হুবাইশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-কাসিম ইবনে যাকারিয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু কুরাইব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। এবং আবু আমর ইবনে হামদান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু বকর ইবনে আবী শায়বাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবী গানিয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে আল-আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফাতিমা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একজন খাদেম প্রার্থনা করতে আসলেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন: «তুমি বলো, হে আল্লাহ! হে পালনকর্তা... আসমানসমূহের»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১২)
12 - وَحَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حَمْدَانَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ.ح، وَثنا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ زَاذَانَ، قَالا: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ هِلالٍ، ثنا أَبُو خَيْثَمَةَ، قَالا: ثنا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ: قَالَ: كَانَ َأبُو صَالِحٍ يَأْمُرُنَا إذَا أَرَادَ أَحَدُنَا أَنْ يَنَامَ أَنْ يَضْجَعَ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ، ثُمَّ يَقُولُ: اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَرَبَّ الأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى مُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ.وَقَالَ عُثْمَانُ: الْفُرْقَانُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ، اللَّهُمَّ أَنْتَ الأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ، وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ، وَكَانَ يَرْوِي ذَلِكَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১২ - এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে হামদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আবু শায়বাহ।(হ), এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ ইবনে হাইয়ান এবং আবু বকর ইবনে জাজান, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আলী ইবনে হিলাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খাইসামাহ, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর, সুহায়ল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আবু সালিহ আমাদের নির্দেশ দিতেন যে, আমাদের মধ্যে কেউ যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করে সে যেন তার ডান পার্শ্বের ওপর শুয়ে পড়ে, অতঃপর বলে: হে আল্লাহ! আসমানসমূহের রব, জমিনের রব এবং মহান আরশের রব; আমাদের রব এবং প্রতিটি জিনিসের রব; শস্যদানা ও আঁটি বিদীর্ণকারী; তাওরাত, ইঞ্জিল ও কুরআন অবতীর্ণকারী।আর উসমান (তাঁর বর্ণনায়) বলেছেন: 'আল-ফুরকান'। আমি আপনার নিকট প্রতিটি জিনিসের অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যার কপাল আপনি ধারণ করে আছেন। হে আল্লাহ! আপনিই প্রথম, সুতরাং আপনার পূর্বে কিছু নেই; আপনিই শেষ, সুতরাং আপনার পরে কিছু নেই; আপনিই প্রকাশ্য, সুতরাং আপনার উপরে কিছু নেই; এবং আপনিই গোপন, সুতরাং আপনার নিচে কিছু নেই। আপনি আমাদের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং অভাব হতে আমাদের স্বচ্ছলতা দান করুন। আর তিনি এটি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৩)
13 - وَحَدِيثُ يُوسُفَ بْنِ حَوْشَبٍ فَحَدَّثَنَاهُ الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُسْلِمٍ الْجِعَابِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سِيمَاءَ الْبَزَّازُ، قَالا: ثنا عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ، زَادَ الْقَاضِي وَابْنُ نَاجِيَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبَانٍ، قَالُوا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانٍ، ثنا يُوسُفُ بْنُ حَوْشَبٍ، ثنا أَبُو يَزِيدَ الأَعْوَرُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «لا تَذْهَبُ الدُّنْيَا حَتَّى يَمْلِكَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ بَيْتِي يُوَاطِئُ اسْمُهُ اسْمِي» .فَسَمِعْتُ الْقَاضِيَ أَبَا بَكْرٍ الْجِعَابِيَّ يَقُولُ: سَأَلْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ بْنَ عُقْدَةَ عَنْ أَبِي يَزِيدَ الأَعْوَرِ فَقَالَ: هُوَ خَلَفُ بْنُ حَوْشَبٍ
১৩ - ইউসুফ বিন হাওশাবের বর্ণিত হাদীস; এটি আমাদের নিকট কাযী আবু বকর মুহাম্মাদ বিন উমর বিন মুসলিম আল-জিআবী এবং মুহাম্মাদ বিন সীমা আল-বায্যায বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন ইসহাক বর্ণনা করেছেন; কাযী (আল-জিআবী), ইবনে নাজিয়াহ এবং মুহাম্মাদ বিন আবান অতিরিক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আবান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউসুফ বিন হাওশাব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইয়াযীদ আল-আওয়ার বর্ণনা করেছেন আমর বিন মুররাহ থেকে, তিনি যির বিন হুবাইশ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “ততক্ষণ পর্যন্ত পৃথিবী নিঃশেষ হবে না, যতক্ষণ না আমার পরিবারবর্গের মধ্য থেকে এমন একজন ব্যক্তি মালিক (শাসক) হবেন, যাঁর নাম আমার নামের অনুরূপ হবে।”অতঃপর আমি কাযী আবু বকর আল-জিআবীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-আব্বাস বিন উকদাহকে আবু ইয়াযীদ আল-আওয়ার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: তিনি হলেন খালাফ বিন হাওশাব।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৪)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الصَّوَّافِ، بِانْتِقَاءِ أَبِي الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيِّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مَيْمُونٍ الْحَرْبِيُّ، حَدَّثَنِي حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا شَيْبَانُ، عَنْ قَتَادَةَ، ثنا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ أَبَا طَلْحَةَ، قَالَ: " غَشِيَنَا النُّعَاسُ وَنَحْنُ فِي مَصَافِّنَا يَوْمَ أُحُدٍ، قَالَ: فَجَعَلَ سَيْفِي يَسْقُطُ مِنْ يَدِي، وَآخُذُهُ وَيَسْقُطُ وَآخُذُهُ "
১৪ - আবু আলী মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন আল-হাসান, যিনি ইবনুস সাউওয়াফ নামে পরিচিত, আবুল হাসান আদ-দারা কুতনীর নির্বাচনে আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবন আল-হাসান ইবন মাইমুন আল-হারবী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুসাইন ইবন মুহাম্মদ আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শায়বান আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদা থেকে, তিনি বলেন: আনাস ইবন মালিক আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আবু তালহা বলেছেন: " উহুদ যুদ্ধের দিন আমরা যখন আমাদের সারিতে ছিলাম, তখন তন্দ্রা আমাদের আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল। তিনি বলেন: ফলে আমার হাত থেকে তলোয়ারটি পড়ে যাচ্ছিল আর আমি তা কুড়িয়ে নিচ্ছিলাম, আবার তা পড়ে যাচ্ছিল এবং আমি তা কুড়িয়ে নিচ্ছিলাম।"
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৫)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الأَنْبَارِيُّ، بِانْتِقَاءِ عُمَرَ الْبَصْرِيِّ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَاكِرٍ الصَّائِغُ، ثنا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: فَزِعَ النَّاسُ فَرَكِبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَرَسًا لأَبِي طَلْحَةَ بَطِيئًا، ثُمَّ خَرَجَ يَرْكُضُ وَحْدَهُ، فَرَكِبَ النَّاسُ يَرْكُضُونَ خَلْفَهُ، فَقَالَ: «لَنْ تُرَاعُوا إِنَّهُ لَبَحْرٌ» .قَالَ: فَوَاللَّهِ مَا سُبِقَ بَعْدَ ذَلِكَ الْيَوْمِ
১৫ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাইসাম আল-আনবারি (ওমর আল-বসরির নির্বাচনে) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শাকির আস-সাইগ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জারির ইবনে হাযিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবু তালহার একটি ধীরগতির ঘোড়ায় আরোহণ করলেন। এরপর তিনি একাই দ্রুতবেগে বের হয়ে গেলেন এবং লোকজনও তাঁর পেছনে দ্রুত ছুটতে লাগল। তখন তিনি বললেন: «তোমরা আতঙ্কিত হয়ো না, নিশ্চয় এটি একটি সমুদ্রের মতো (বেগবান)»।তিনি বলেন: আল্লাহর কসম, ঐ দিনের পর থেকে ঐ ঘোড়াটিকে আর কখনো কেউ পেছনে ফেলতে পারেনি।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৬)
16 - حَدَّثَنَا أَبُو بَحْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، وَانْتَقَى الدَّارَقُطْنِيُّ عَلَيْهِ وَانْتَخَبَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ شَاذَانَ الْجَوْهَرِيُّ، ثنا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: إِنَّ أُمِّي مَاتَتْ وَعَلَيْهَا صَوْمُ نَذْرٍ، فَقَالَ: «أَكُنْتِ قَاضِيَةً دَيْنًا لَوْ كَانَ عَلَى أُمِّكِ؟» قَالَتْ: نَعَمْ.قَالَ: «فَصُومِي عَنْهَا»
১৬ - আবু বাহর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-বাগদাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর আদ-দারাকুতনী তাঁর নিকট থেকে (হাদিস) চয়ন ও নির্বাচন করেছেন; মুহাম্মদ ইবনে শাযান আল-জাওহারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাকারিয়্যা ইবনে আদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ ইবনে আবী উনাইসাহ থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন: আমার মা মারা গেছেন এবং তাঁর ওপর মানতের রোজা অবশিষ্ট রয়েছে। তিনি বললেন: «তোমার মায়ের ওপর যদি কোনো ঋণ থাকত, তবে কি তুমি তা পরিশোধ করতে?» তিনি বললেন: হ্যাঁ.তিনি বললেন: «তবে তাঁর পক্ষ থেকে রোজা রাখো»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৭)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الْعَطَّارُ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُسَامَةَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ قُتَيْبَةَ، ثنا مِسْعَرٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَأْذِنُهُ فِي الْجِهَادِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَحَيٌّ أَبَوَاكَ؟» .قَالَ: نَعَمْ.قَالَ: «اجْلِسْ عِنْدَهُمَا»
১৭ - আবু বকর আহমদ বিন ইউসুফ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারিস বিন মুহাম্মদ বিন আবি উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বিন কুতাইবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিস'আর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন জুহাদাহ থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত?»।সে বলল: হ্যাঁ.তিনি বললেন: «তুমি তাঁদের নিকট অবস্থান করো»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৮)
18 - حَدَّثَنَاهُ أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ اللَّخْمِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ.ح وَثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا إِدْرِيسُ بْنُ جَعْفَرٍ الْعَطَّارُ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ.ح وثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ قُتَيْبَةَ.ح وَثنا الطَّبَرَانِيُّ، ثنا الْمِقْدَامُ بْنُ دَاوُدَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُغِيرَةِ.ح وَثنا أَبُو عَلِيٍّ الصَّوَّافُ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثنا الْحُمَيْدِيُّ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالُوا كُلُّهُمْ: ثنا مِسْعَرٌ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَأْذِنُهُ فِي الْجِهَادِ، فَقَالَ: «أَحَيٌّ أَبَوَاكَ؟» .قَالَ: نَعَمْ.قَالَ: «فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ» .حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي حُصَيْنٍ، بِالْكُوفَةِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ح، وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْيَقْطِينِيُّ، بِبَغْدَادَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي، بِالأَهْوَازِ، قَالا: ثنا عَبْدَانُ.ح، وَثنا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ 9، بِنَيْسَابُورَ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ.ح، وَثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ، ثنا أَبُو الْحُرَيْشِ، قَالُوا: ثنا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ، ثنا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا أَبِي عَنْ مِسْعَرٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ رَجُلا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَذَكَرَ مِثْلَهُ "
১৮ - এটি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমদ ইবনে আইয়ুব আল-লাখমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আবদুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইদ্রিস ইবনে জাফর আল-আত্তার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবনে হারুন।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারিস ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে কুতাইবাহ।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাবারানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিকদাম ইবনে দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুগিরা।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী আস-সাওয়াফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ। তারা সকলে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর, হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি আবুল আব্বাস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে তাঁর কাছে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি বললেন: «তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত আছেন?» ।তিনি বললেন: হ্যাঁ।তিনি বললেন: «তবে তাদের মধ্যেই জিহাদ করো (অর্থাৎ তাদের সেবা করো)» ।আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আহমদ ইবনে আবি হুসাইন, কুফায়, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-হাদরামি; (হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-ইয়াকতিনি, বাগদাদে, এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-কাদি, আহওয়াজে, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে হামদান, নিশাপুরে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান।(হ) এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হুরাইশ। তারা সকলে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে নাদর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবনে সুলাইমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, মিসআর থেকে, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে, তিনি আবুল আব্বাস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন, অতঃপর তিনি অনুরুপ হাদীস উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ১৯)
19 - حَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، وَزَائِدَةُ، فَرَّقَهُمَا حَدِيثَيْنِ وَإِنَّمَا جَمَعْتُ بَيْنَهُمَا، كِلاهُمَا قَالَ: عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُرِيدُ الْجِهَادَ.قَالَ: «أَحَيٌّ وَالِدَاكَ؟» .قَالَ: نَعَمْ.قَالَ: «فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ»
১৯ - আবু বকর আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুআবিয়া বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক আল-ফাজারি এবং যায়িদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি তাঁদের দুজনকে পৃথক বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন তবে আমি তাঁদের একত্রিত করেছি। তাঁরা উভয়েই আল-আ'মাশ থেকে, তিনি হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি আবু আল-আব্বাস থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আমি জিহাদ করতে চাই।তিনি জিজ্ঞেস করলেন: «তোমার পিতামাতা কি জীবিত আছেন?» ।তিনি বললেন: হ্যাঁ।তিনি বললেন: «তবে তাঁদের সেবাতেই জিহাদ করো»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২০)
20 - حَدَّثَنَاهُ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ، ثنا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، ثنا مُسَدَّدٌ.ح وَثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ، ثنا أَبُو مُوسَى، قَالا: ثنا يَحْيَى الْقَطَّانُ، قَالَ أَبُو مُوسَى: عَنْ سُفْيَانَ وَشُعْبَةَ، وَلَمْ يَذْكُرْ مُسَدَّدٌ سُفْيَانَ قَالَ: ثنا حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ، وَقَالَ مُسَدَّدٌ ، عَنْ شُعْبَةَ، أَخْبَرَنِي حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ الشَّاعِرَ، وَكَانَ لا يُتَّهَمُ عَلَى الْحَدِيثِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو، وَقَالَ أَبُو مُوسَى ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ وَقَالَ مُسَدَّدٌ: أَتَى رَجُلٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، يَسْتَأْذِنُهُ فِي الْجِهَادِ.فَقَالَ: «أَحَيٌّ أَبَوَاكَ؟» .قَالَ: نَعَمْ.قَالَ: «فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ» .وَحَدِيثُ مِسْعَرٍ وَالثَّوْرِيِّ وَشُعْبَةَ فَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلادٍ، بِبَغْدَادَ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبَانٍ ثنا مِسْعَرٌ.ح، وَثنا فَارُوقُ بْنُ عَبْدِ الْكَبِيرِ، بِالْبَصْرَةِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَيَّانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، 25 ثنا الثَّوْرِيُّ، ح، وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ كُوشِيذَ، ثنا بْنُ سَعْدَانَ ثنا بَكْرُ بْنُ بَكَّارٍ ثنا شُعْبَةُ كُلُّهُمْ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَاهُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، نَحْوَهُ.حَدَّثَنَاهُ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بَرَّةَ الصَّنْعَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ شَرُوسٍ، ثنا رَبَاحُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ حَبِيبٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: إِنِّي أُرِيدُ الْجِهَادَ.فَذَكَرَ مِثْلَهُ.حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْعَبْدِيُّ أَبُو أَحْمَدَ الْحَافِظُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ هَاشِمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي ثنا الْمُسَيِّبُ بْنُ شَرِيكٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي الْجِهَادِ، فَذَكَرَ مِثْلَهُ
২০ - আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুআয ইবনুল মুসান্না, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ।এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন জাফর, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন মানদাহ, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুসা। তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া আল-কাত্তান। আবু মুসা বলেছেন: সুফিয়ান ও শু'বাহ থেকে বর্ণিত। তবে মুসাদ্দাদ সুফিয়ানের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাবিব ইবন আবি সাবিত। আর মুসাদ্দাদ শু'বাহ থেকে বর্ণনা করে বলেন: হাবিব ইবন আবি সাবিত আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আশ-শা'য়ির-কে বলতে শুনেছি—যিনি হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ছিলেন না—তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবন আমরকে বলতে শুনেছি। আবু মুসা আবুল আব্বাস থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি এল। মুসাদ্দাদ বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এল, জিহাদে যাওয়ার জন্য তাঁর কাছে অনুমতি চাইল।তিনি বললেন: «তোমার পিতামাতা কি জীবিত আছেন?» ।সে বলল: হ্যাঁ।তিনি বললেন: «তাহলে তাদের সেবার মাধ্যমেই জিহাদ করো» ।এবং মিসআর, সাওরী ও শু'বাহর হাদিস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবন খাল্লাদ বাগদাদে, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হারিস ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ ইবন আবান, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মিসআর।এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ফারুক ইবন আবদুল কাবীর বসরায়, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন হাইয়ান, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন কাসীর, ২৫ তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাওরী। এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক ইবন আইয়ুব ইবন কুশীয, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবন সা'দান, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বকর ইবন বাক্কার, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু'বাহ। তাঁরা সবাই হাবিব ইবন আবি সাবিত থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন বাবাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমর থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবন আহমদ, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন বাররাহ আস-সান'আনী, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহিম ইবন শারূস, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাবাহ ইবন যায়েদ, তিনি মা'মার থেকে, তিনি হাবিব থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলল: আমি জিহাদ করতে চাই।অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করলেন।আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আহমদ আল-আবদী আবু আহমদ আল-হাফিয, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম ইবন হাশিম, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসাইয়িব ইবন শারীক, তিনি সুফিয়ান সাওরী থেকে, তিনি হাবিব ইবন আবি সাবিত থেকে, তিনি ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইল, অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২১)
21 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ فَارِسٍ، ثنا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، ثنا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهَا سَتَكُونُ فِتْنَةٌ» ، أَوْ «فِتَنٌ يَكُونُ النَّائِمُ فِيهَا خَيْرًا مِنَ الْيَقْظَانِ، وَالْمَاشِي فِيهَا خَيْرًا مِنَ السَّاعِي، وَالْقَاعِدُ فِيهَا خَيْرًا مِنَ الْقَائِمِ، وَالْقَائِمُ فِيهَا خَيْرًا مِنَ الْمَاشِي، فَمَنْ وَجَدَ مِنْهَا مَلْجَأً أَوْ مَعَاذًا فَلْيَسْتَعِذْ بِهِ»
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ফারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে হাবীব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে সাদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রাহ (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই অচিরেই ফিতনা দেখা দেবে», অথবা «এমন সব ফিতনা যাতে ঘুমন্ত ব্যক্তি জাগ্রত ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে, এবং পথচারী ব্যক্তি ধাবমান ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে, আর বসা ব্যক্তি দণ্ডায়মান ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে, এবং দণ্ডায়মান ব্যক্তি পথচারী ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি তার থেকে কোনো আশ্রয়স্থল বা নিরাপদ স্থান পায়, সে যেন তাতে আশ্রয় গ্রহণ করে।»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২২)
22 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْحَسَنِ بْنِ حَسَّانٍ الأَزْدِيُّ، الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي الْعَزَائِمِ، بِالْكُوفَةِ، ثنا أَبُو عَمْرٍو أَحْمَدُ بْنُ حَازِمِ بْنِ أَبِي غَرْزَةَ الْغِفَارِيُّ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ حَنْظَلَةَ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ: وَلا أَعْلَمُهُ إِلا قَدْ رَفَعَهُ يَعْنِي إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لأَنْ يَمْتَلِئَ جَوْفُ أَحَدِكُمْ قَيْحًا خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِئَ شِعْرًا»
২২ - আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাসান ইবনে হাসসান আল-আজদি, যিনি কুফায় ইবনে আবিল আজাইম নামে পরিচিত; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আমর আহমদ ইবনে হাযিম ইবনে আবি গারযা আল-গিফারি; তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে মুসা, হানজালা থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন। উবায়দুল্লাহ বলেন: আমি এটি কেবল মারফু হিসেবেই জানি (অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছেছে), তিনি বলেছেন: «তোমাদের কারো উদর পুঁজ দ্বারা পূর্ণ হওয়া তার জন্য কবিতা দ্বারা পূর্ণ হওয়ার চেয়ে উত্তম।»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৩)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الأَنْبَارِيُّ، بِانْتِقَاءِ عُمَرَ الْبَصْرِيِّ عَلَيْهِ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْخَلِيلِ بْنِ ثَابِتٍ الْبُرْجُلانِيُّ، ثنا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ سَعِيدٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أُسَيْرِ بْنِ جَابِرٍ، قَالَ: كَانَ مُحَدِّثُ بِالْكُوفَةِ يُحَدِّثُنَا، فَإِذَا فَرَغَ مِنْ حَدِيثِهِ تَفَرَّقُوا، وَيَبْقَى رَهْطٌ فِيهِ رَجُلٌ يَتَكَلَّمُ بِكَلامٍ لا أَسْمَعُ أَحَدًا يَتَكَلَّمُ بِكَلامِهِ، فَأَحْبَبْتُهُ فَفَقَدْتُهُ، فَقُلْتُ لأَصْحَابِي: هَلْ تَعْرِفُونَ رَجُلا يُجَالِسُنَا كَذَا وَكَذَا؟ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: نَعَمْ، أَنَا أَعْرِفُهُ، ذَاكَ أُوَيْسٌ الْقَرَنِيُّ.قُلْتُ: أَتَعْرِفُ مَنْزِلَهُ؟ قَالَ: نَعَمْ.فَانْطَلَقْتُ مَعَهُ حَتَّى جِئْتُ حُجْرَتَهُ، فَخَرَجَ إِلَيَّ، فَقُلْتُ: يَا أَخِي مَا حَبَسَكَ عَنَّا؟ قَالَ: الْعُرْيُ.وَكَانَ أَصْحَابُهُ يَسْخَرُونَ مِنْهُ وَيُؤْذُونَهُ.قَالَ: قُلْتُ: خُذْ هَذَا الْبُرْدَ فَالْبِسْهُ.قَالَ: لا تَفْعَلْ، فَإِنَّهُمْ إِذًا يُؤْذُونِي إِذَا رَأَوْهُ.قَالَ: فَلَمْ أَزَلْ بِهِ حَتَّى لَبِسَهُ، فَخَرَجَ عَلَيْهِمْ فَقَالُوا: مَنْ تَرَوْنَ خَدَعَ عَنْ بُرْدِهِ هَذَا؟ قَالَ: فَجَاءَ فَوَضَعَهُ، قَالَ: أَتَرَى؟ قَالَ: فَأَتَيْتُ الْمَجْلِسَ، فَقُلْتُ: مَا تُرِيدُونَ مِنْ هَذَا الرَّجُلِ قَدْ آذَيْتُمُوهُ؟ الرَّجُلُ يَعْرَى مَرَّةً وَيَكْتَسِي مَرَّةً.قَالَ: فَأَخَذْتُهُمْ بِلِسَانِي أَخْذًا شَدِيدًا.قَالَ: فَقَضَى أَنَّ أَهْلَ الْكُوفَةِ وَفَدُوا إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، فَوَفَدَ رَجُلٌ مِمَّنْ كَانَ يَسْخَرُ بِهِ، فَقَالَ عُمَرُ: هَلْ هَاهُنَا أَحَدٌ مِنَ الْقَرَنِيِّينَ؟ قَالَ: فَجَاءَ ذَلِكَ الرَّجُلُ، قَالَ: فَقَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَد قَالَ: " إِنَّ رَجُلا يَأْتِيكُمْ مِنَ الْيَمَنِ، يُقَالُ لَهُ: أُوَيْسٌ لا يَدَعُ بِالْيَمَنِ غَيْرَ أُمٍّ لَهُ، قَدْ كَانَ بِهِ بَيَاضٌ، فَدَعَا اللَّهُ فَأَذْهَبَهُ عَنْهُ إِلا مِثْلَ مَوْضِعِ الدِّينَارِ أَوِ الدِّرْهَمِ، فَمَنْ لَقِيَهُ مِنْكُمْ فَمُرُوهُ فَلْيَسْتَغْفِرْ لَكُمْ ".قَالَ: فَقَدِمَ عَلَيْنَا.قَالَ: قُلْتُ: مِنْ أَيْنَ؟ قَالَ: مِنَ الْيَمَنِ.قَالَ: مَا اسْمُكَ؟ قَالَ: أُوَيْسٌ.قَالَ: فَمَنْ تَرَكْتَ بِالْيَمَنِ؟ قَالَ أُمًّا لِي قَالَ: أَكَانَ بِكَ بَيَاضٌ فَدَعَوْتَ اللَّهَ فَأَذْهَبَهُ عَنْكَ؟ قَالَ نَعَمْ.قَالَ: فَاسْتَغْفِرْ.قَالَ: أَوَ يَسْتَغْفِرُ مِثْلِي لِمِثْلِكَ يَا /أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَ: فَاسْتَغْفَرَ لَهُ.قَالَ: قُلْتُ: أَنْتَ أَخِي لا تُفَارِقُنِي، فَانْمَلَسَ مِنِّي، فَأُنْبِئْتُ أَنَّهُ قَدِمَ عَلَيْكُمُ الْكُوفَةَ قَالَ: فَجَعَلَ ذَلِكَ الرَّجُلُ الَّذِي كَانَ يَسْخَرُ مِنْهُ يُحَقِّرُهُ قَالَ: يَقُولُ: مَا هَذَا فِينَا وَلا نَعْرِفُهُ.قَالَ عُمَرُ: بَلَى إِنَّهُ رَجُلٌ كَذَا، كَأَنَّهُ يَضَعُ شَأْنَهُ، قَالَ: فِينَا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: أُوَيْسٌ.قَالَ: أَدْرَكَ وَلا أَرَاكَ تُدْرِكُ.قَالَ: فَأَقْبَلَ ذَلِكَ الرَّجُلُ حَتَّى دَخَلَ عَلَيْهِ قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَ أَهْلَهُ، فَقَالَ لَهُ أُوَيْسٌ: مَا هَذَا بِعَادَتِكَ، فَمَا بَدَا لَكَ؟ قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ يَقُولُ فيِكَ: كَذَا وَكَذَا.فَاسْتَغْفِرْ لِي يَا أُوَيْسُ قَالَ: لا أَفْعَلُ حَتَّى تَجْعَلَ لِي عَلَيْكَ أَلا تَسْخَرَ بِي فِيمَا بَعْدُ، وَأَلا تَذْكُرَ الَّذِي سَمِعْتَهُ مِنْ عُمَرَ إِلَى أَحَدٍ.قَالَ: فَاسْتَغْفَرَ لَهُ.قَالَ أُسَيْرٌ: فَمَا لَبِثْنَا أَنْ فَشَا أَمْرُهُ بِالْكُوفَةِ، قَالَ: فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَخِي أَلا أَرَاكَ الْعَجَبَ وَنَحْنُ لا نَشْعُرُ.فَقَالَ: مَا كَانَ فِي هَذَا مَا أَتَبَلَّغُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَمَا يُجْزَى كُلُّ عَبْدٍ إِلا بِعَمَلِهِ.قَالَ: ثُمَّ انْمَلَسَ مِنْهُمْ فَذَهَبَ
২৩ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবন জাফর ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হাইসাম আল-আনবারী (উমর আল-বসরীর নির্বাচনের ভিত্তিতে) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর আহমদ ইবন আল-খালীল ইবন সাবিত আল-বুরজুলানী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু আন-নাদর হাশিম ইবনুল কাসিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবনুল মুগীরা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আল-জুরায়রী থেকে বর্ণিত, আবু নাদরা থেকে বর্ণিত, উসাইর ইবন জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: কুফায় এক হাদিস বর্ণনাকারী আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করতেন। যখন তিনি তার আলোচনা শেষ করতেন, তখন উপস্থিত সবাই চলে যেত, কিন্তু একটি দল বাকি থেকে যেত যার মধ্যে এক ব্যক্তি এমন কথা বলতেন যা আমি অন্য কাউকে বলতে শুনিনি। আমি তাকে ভালোবেসে ফেললাম, কিন্তু একসময় তাকে আর দেখতে পেলাম না। তখন আমি আমার সাথীদের বললাম: তোমরা কি এমন এক ব্যক্তিকে চেনো যে আমাদের সাথে এভাবে এভাবে বসত? তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল: হ্যাঁ, আমি তাকে চিনি; তিনি হলেন ওয়াইস আল-কারানী।আমি বললাম: আপনি কি তার ঘর চেনেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।তারপর আমি তার সাথে গেলাম এবং তার ছোট কামরার কাছে পৌঁছালাম। তিনি আমার কাছে বেরিয়ে এলেন। আমি বললাম: হে আমার ভাই, কোন জিনিস আপনাকে আমাদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখল? তিনি বললেন: কাপড়ের অভাব (বস্ত্রহীনতা)।আর তার সাথীরা তাকে নিয়ে উপহাস করত এবং তাকে কষ্ট দিত।উসাইর বলেন: আমি বললাম: এই চাদরটি নিন এবং এটি পরিধান করুন।তিনি বললেন: এমনটি করবেন না, কারণ তারা যখন এটি দেখবে তখন আমাকে কষ্ট দেবে।উসাইর বলেন: আমি তাকে পিড়াপিড়ি করতেই থাকলাম যতক্ষণ না তিনি এটি পরিধান করলেন। তারপর তিনি যখন লোকদের সামনে বের হলেন, তারা বলতে লাগল: তোমাদের কি মনে হয়, কে তার এই চাদরটি দিয়ে একে ধোঁকা দিয়েছে? তিনি (ওয়াইস) এসে সেটি খুলে রাখলেন এবং বললেন: দেখছ তো? উসাইর বলেন: এরপর আমি মজলিসে আসলাম এবং বললাম: তোমরা এই লোকটির থেকে কী চাও? তোমরা তাকে কষ্ট দিচ্ছ। লোকটির কখনও কাপড়ের অভাব হয়, কখনও কাপড় থাকে।উসাইর বলেন: তখন আমি আমার কথা দিয়ে তাদের কঠোরভাবে তিরস্কার করলাম।তিনি বলেন: এরপর নির্ধারিত হলো যে কুফাবাসীদের একটি প্রতিনিধি দল উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন)-এর কাছে যাবে। তাদের সাথে এমন এক ব্যক্তিও প্রতিনিধি হয়ে গিয়েছিল যে তাকে (ওয়াইসকে) নিয়ে উপহাস করত। উমর (রা.) বললেন: এখানে কি কারান গোত্রের কেউ আছে? বর্ণনাকারী বলেন: তখন সেই লোকটি এগিয়ে আসল। উমর (রা.) বললেন: নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তার উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: " তোমাদের কাছে ইয়েমেন থেকে এক ব্যক্তি আসবে যাকে ওয়াইস বলা হয়। সে ইয়েমেনে তার মা ব্যতীত অন্য কাউকে রেখে আসবে না। তার শরীরে ধবল রোগ ছিল, এরপর সে আল্লাহর কাছে দুআ করল এবং আল্লাহ তা তার শরীর থেকে দূর করে দিলেন, শুধু একটি দিনার বা দিরহাম পরিমাণ জায়গা ব্যতীত। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার সাক্ষাৎ পাবে, সে যেন তাকে দিয়ে নিজের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অনুরোধ করে।"উসাইর বলেন: এরপর তিনি (ওয়াইস) আমাদের কাছে আসলেন।উমর (রা.) বললেন: আপনি কোথা থেকে এসেছেন? তিনি বললেন: ইয়েমেন থেকে।উমর (রা.) বললেন: আপনার নাম কী? তিনি বললেন: ওয়াইস।উমর (রা.) বললেন: আপনি ইয়েমেনে কাকে রেখে এসেছেন? তিনি বললেন: আমার মাকে। উমর (রা.) বললেন: আপনার কি ধবল রোগ ছিল এবং আপনি আল্লাহর কাছে দুআ করেছিলেন যার ফলে তিনি তা দূর করে দিয়েছেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ।উমর (রা.) বললেন: তবে আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।তিনি বললেন: হে আমিরুল মুমিনীন! আমার মতো লোক কি আপনার মতো লোকের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে? উমর (রা.) বললেন: (হ্যাঁ), এরপর তিনি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন।উমর (রা.) বললেন: আপনি আমার ভাই, আমার থেকে আলাদা হবেন না। কিন্তু তিনি অলক্ষ্যে সরে গেলেন। এরপর আমাকে জানানো হলো যে তিনি আপনাদের কুফায় এসেছেন। উসাইর বলেন: সেই ব্যক্তিটি যে তাকে উপহাস করত, সে তাকে তুচ্ছজ্ঞান করতে শুরু করল এবং বলতে লাগল: এ আমাদের মধ্যে কে? আমরা তো তাকে চিনি না।উমর (রা.) বললেন: অবশ্যই, তিনি তো এমন মর্যাদাবান ব্যক্তি, যদিও তিনি নিজেকে তুচ্ছ করে রাখতেন। লোকটি বলল: হে আমিরুল মুমিনীন, আমাদের মধ্যে ওয়াইস নামে এক ব্যক্তি আছেন।উমর (রা.) বললেন: সে তো (মর্যাদা) পেয়ে গেছে, আর আমি তোমাকে তা পেতে দেখছি না।বর্ণনাকারী বলেন: সেই লোকটি দ্রুত ফিরে আসলো এবং নিজের পরিবার পরিজনের কাছে যাওয়ার আগেই ওয়াইস (রহি.)-এর কাছে প্রবেশ করল। ওয়াইস তাকে বললেন: এটি তো আপনার স্বভাব নয়, আজ আপনার কী হলো? সে বলল: আমি উমরকে আপনার সম্পর্কে এভাবে এভাবে বলতে শুনেছি।অতএব হে ওয়াইস, আপনি আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তিনি বললেন: আমি তা করব না যতক্ষণ না আপনি আমার কাছে এই অঙ্গীকার করেন যে, ভবিষ্যতে আপনি আমাকে নিয়ে আর উপহাস করবেন না এবং উমরের থেকে যা শুনেছেন তা অন্য কাউকে বলবেন না।উসাইর বলেন: এরপর তিনি তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন।উসাইর বলেন: অল্প সময়ের মধ্যেই কুফায় তার বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেল। তিনি বলেন: তখন আমি তার কাছে প্রবেশ করলাম এবং তাকে বললাম: হে আমার ভাই, আপনার ব্যাপারে এত বিস্ময়কর বিষয় থাকতেও আমরা কেন কিছু বুঝলাম না?তিনি বললেন: মানুষের মধ্যে এর দ্বারা আমার প্রসিদ্ধি পাওয়ার কিছু নেই এবং প্রত্যেক বান্দাকে কেবল তার কর্মের ভিত্তিতেই প্রতিদান দেওয়া হবে।উসাইর বলেন: এরপর তিনি তাদের থেকে অলক্ষ্যে সরে গেলেন এবং চলে গেলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৪)
24 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ بُنْدَارٍ الْمَدِينِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّائِغُ ، فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ.ح، وَثنا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَرَجِ الأَزْرَقُ، قَالا، ثنا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: أَخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي، فَقَالَ: «خَلَقَ اللَّهُ التُّرْبَةَ يَوْمَ السَّبْتِ، وَخَلَقَ فِيهَا الْجِبَالَ يَوْمَ الأَحَدِ، وَخَلَقَ الشَّجَرَ يَوْمَ الاثْنَيْنِ، وَخَلَقَ الْمَكْرُوهَ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ، وَخَلَقَ النُّورَ يَوْمَ الأَرْبِعَاءِ، وَبَثَّ فِيهَا الدَّوَابَّ يَوْمَ الْخَمِيسِ، وَخَلَقَ آدَمَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ فِي آخِرِ سَاعَةٍ مِنْ سَاعَاتِ الْجُمُعَةِ، فِيمَا بَيْنَ الْعَصْرِ وَاللَّيْلِ»
২৪ - আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন বুন্দার আল-মাদিনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আস-সাইগ মসজিদে হারামে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।এবং আহমদ বিন ইউসুফ বিন খাল্লাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আল-ফারাজ আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন, হাজ্জাজ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে জুরাইজ বলেছেন, ইসমাঈল বিন উমাইয়াহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আইয়ুব বিন খালিদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন রাফি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাত ধরলেন এবং বললেন: «আল্লাহ শনিবার মাটি সৃষ্টি করেছেন, রবিবার তাতে পাহাড় সৃষ্টি করেছেন, সোমবার গাছপালা সৃষ্টি করেছেন এবং সৃষ্টি করেছেন মঙ্গলবার অপ্রিয় বস্তু, বুধবার নূর সৃষ্টি করেছেন, বৃহস্পতিবার তাতে জীবজন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং জুমার দিন আসরের পর জুমার সময়ের শেষ মুহূর্তে, অর্থাৎ আসর ও রাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদমকে সৃষ্টি করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৫)
25 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عِصَامِ بْنِ عَبْدِ الْمَجِيدِ الأَنْصَارِيُّ، ثنا أَبُو عَاصِمٍ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، وَعَامِرُ بْنُ مُصْعَبٍ، أَنَّهُمَا سَمِعَا أَبَا الْمِنْهَالِ يَقُولُ: سَأَلْتُ الْبَرَاءَ ، وَزَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ عَنِ الصَّرْفِ، فَقَالا: كُنَّا تَاجِرَيْنِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَأَلَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الصَّرْفِ؟ فَقَالَ: «مَا كَانَ يَدًا بِيَدٍ فَلا بَأْسَ بِهِ، وَمَا كَانَ نَسِيئَةً فَلا يَصْلُحُ»
২৫ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ ইবনে ইসাম ইবনে আব্দুল মাজীদ আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আসিম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবনে জুরাইজ বর্ণনা করেছেন, আমাকে আমর ইবনে দীনার এবং আমির ইবনে মুসআব সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁরা উভয়ই আবুল মিনহালকে বলতে শুনেছেন: আমি বারা এবং যায়িদ ইবনে আরকামকে মুদ্রা বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তাঁরা বললেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ব্যবসায়ী ছিলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মুদ্রা বিনিময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: «যা হাতে হাতে হয় তাতে কোনো সমস্যা নেই, আর যা বাকিতে হয় তা সঠিক নয় (বৈধ নয়)»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৬)
26 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ خَلادٍ الْعَطَّارُ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «» إذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ مِنَ الطَّعَامِ فَلا يَمْسَحْ يَدَهُ حَتَّى يَلْعَقَهَا «» ، أَوْ «» يُلْعِقَهَا «»
২৬ - আবু বকর আহমাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে খাল্লাদ আল-আত্তার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রাওহ ইবনে উবাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আতা’কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «» যখন তোমাদের কেউ খাবার গ্রহণ করে, তখন সে যেন তার হাত না মুছে যতক্ষণ না সে তা নিজে চেটে নেয় «» , অথবা «» অন্য কাউকে দিয়ে চাটিয়ে নেয় «»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৭)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ النَّصِيبِيُّ، ثنا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، «يَرْمِي يَوْمَ النَّحْرِ ضُحًى وَاحِدَةً، وَأَمَّا بَعْدَ ذَلِكَ فَبَعْدَ زَوَالِ الشَّمْسِ»
২৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইউসুফ আন-নাসিবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন মুহাম্মাদ আত-তামীমী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আল-হাইসাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু জুরাইজ, তিনি বলেন: আমাকে খবর দিয়েছেন আবু আয-যুবাইর যে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «কুরবানির দিন চাশতের সময়ে একবার (কঙ্কর) নিক্ষেপ করতেন, আর এর পরবর্তী দিনগুলোতে সূর্য ঢলে যাওয়ার পর (কঙ্কর) নিক্ষেপ করতেন»
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৮)
28 - حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ جَابِرِ بْنِ الْهَيْثَمِ الْمَوْصِلِيُّ الْجَابِرِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ أَبِي الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، ثنا إسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لأَتَأَخَّرُ عَنْ صَلاةِ الْغَدَاةِ مِنْ أَجْلِ فُلانٍ مِمَّا يُطِيلُ بِنَا.قَالَ: فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَشَدَّ غَضَبًا فِي مَوْعِظَةٍ مِنْه يَوْمِئِذٍ، فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ مِنْكُمْ مُنَفِّرِينَ فَمَنْ صَلَّى بِالنَّاسِ فَلْيُوجِزْ، فَإِنَّ فِيهِمُ الضَّعِيفَ وَالْكَبِيرَ وَذَا الْحَاجَةِ»
২৮ - আমাদের নিকট বসরায় আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে ইসহাক ইবনে আলী ইবনে জাবির ইবনুল হাইসাম আল-মাওসিলি আল-জাবিরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আবু আল-মুসান্না বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট জাফর ইবনে আউন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ বর্ণনা করেছেন কায়েস ইবনে আবি হাজিম থেকে, তিনি আবু মাসউদ আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি অমুক ব্যক্তির কারণে ফজরের সালাতে আসতে বিলম্ব করি, যেহেতু সে আমাদের নিয়ে অনেক দীর্ঘ সালাত আদায় করে।তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোনো উপদেশের সময় সেদিনের চেয়ে অধিক রাগান্বিত হতে দেখিনি। অতঃপর তিনি বললেন: “হে লোকসকল! নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে এমন লোক রয়েছে যারা (মানুষকে দ্বীন থেকে) দূরে সরিয়ে দেয়। সুতরাং যে ব্যক্তি মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করবে, সে যেন তা সংক্ষিপ্ত করে। কেননা তাদের মধ্যে রয়েছে দুর্বল, বৃদ্ধ এবং প্রয়োজনগ্রস্ত ব্যক্তি।”
(খণ্ড: ১)
আস-সানী মিনাল ওয়াখশিয়াত
(পৃষ্ঠা: ২৯)
29 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ الْوَرَّاقُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السَّقَطِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُوَن، أَنْبَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، وَسُئِلَ هَلْ صَنَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَاتَمًا؟ قَالَ: نَعَمْ، أَخَّرَ الصَّلاةَ ذَاتَ لَيْلَةٍ إِلَى شَطْرِ اللَّيْلِ، فَجَعَلَ النَّاسُ يُصَلُّونَ وَيَنْكَفِتُونَ، فَخَرَجَ وَقَدْ بَقِيَتْ عِصَابَةٌ، فَصَلَّى بِهِمْ، فَلَمَّا سَلَّمَ أَقْبَلَ عَلَيْهِمْ بِوَجْهِهِ، فَقَالَ: «إِنَّ النَّاسَ قَدْ صَلُّوا وَرَقَدُوا، وَإِنَّكُمْ لَنْ تَزَالُوا فِي صَلاةٍ مَا انْتَظَرْتُمُوهَا» .قَالَ: «فَكَأَنِّي أَنْظُرُ وَبِيصَ خَاتَمِهِ فِي يَدِهِ»
২৯ - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াকুব আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সাক্বাতী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনাস (রা.) থেকে; তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি কোনো আংটি তৈরি করেছিলেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি এক রাতে সালাতকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছিলেন। ফলে লোকেরা সালাত আদায় করে চলে যেতে শুরু করল। এরপর তিনি বের হলেন এমতাবস্থায় যে একটি দল তখনও অবশিষ্ট ছিল, তিনি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাম ফিরালেন, তখন তাদের দিকে নিজ চেহারা ফিরিয়ে বললেন: «নিশ্চয়ই লোকেরা সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েছে, আর তোমরা যতক্ষণ সালাতের অপেক্ষা করছিলে ততক্ষণ সালাতের মধ্যেই ছিলে»।তিনি বললেন: «আমি যেন এখনও তাঁর হাতে তাঁর আংটির উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছি»।