(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: -)
الأول من حديث أبي علي بن شاذان (ابن شاذان، الحسن بن أحمد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الأول من حديث أبي علي بن شاذان
المؤلف: الحسن بن أحمد بن إبراهيم بن الحسن ابن محمد بن شاذان، أبو علي البَزَّاز (ت 425هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 160
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আলী বিন শাযানের হাদীসের প্রথম খণ্ড (ইবনে শাযান, আল-হাসান বিন আহমদ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু আলী বিন শাযানের হাদীসের প্রথম খণ্ড
লেখক: আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইব্রাহীম বিন আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ বিন শাযান, আবু আলী আল-বাযযায (মৃত্যু ৪২৫ হিজরি)
প্রকাশক: ইসলামওয়েব (আশ-শাবাকাতুল ইসলামিয়্যাহ) ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত ‘জাওয়ামিউল কালিম’ বিনামূল্যে বিতরণকৃত সফটওয়্যারে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬০
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الأَوَّلُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَاذَانَ، عَنْ شُيُوخِهِ.انْتِقَاءُ أَبِي الْقَاسِمِ الأَزْجِيِّ.رِوَايَةُ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ التِّكَكِيِّ، وَأَبِي غَالِبٍ الْبَاقِلانِيِّ ، عَنْهُ.رِوَايَةُ الأَمِيرِ الأَجَلِّ السَّيِّدِ أَبِي جَعْفَرٍ الْهَيْثَمِ بْنِ هِلالِ بْنِ الْهَيْثَمِ، وَأَبِي مُحَمَّدٍ النَّرْسِيِّ ، عَنْهُمَا ، عَنْهُ.وَرِوَايَةُ أَبِي الْحُسَيْنِ عَبْدِ الْحَقِّ بْنِ عَبْدِ الْخَالِقِ، عَنْ أَبِي غَالِبٍ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ رَبِّ أَنْعَمْتَ فَزِدْ
আবু আলী আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইব্রাহিম বিন শাযানের হাদীসসমূহের প্রথম খণ্ড, যা তিনি তাঁর শিক্ষকদের থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু আল-কাসিম আল-আযজীর চয়নকৃত সংকলন।তাঁর থেকে আবু আলী আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আযীয বিন ইসমাঈল আত-তিকাকি এবং আবু গালিব আল-বাকিলানীর বর্ণনা।তাঁদের উভয়ের সূত্রে তাঁর থেকে পরম সম্মানিত আমির সাইয়্যেদ আবু জাফর আল-হাইসাম বিন হিলাল বিন আল-হাইসাম এবং আবু মুহাম্মদ আন-নারসীর বর্ণনা।এবং আবু গালিবের সূত্রে আবু আল-হুসাইন আব্দুল হক বিন আব্দুল খালিকের বর্ণনা।পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আমার প্রতিপালক, আপনি অনুগ্রহ দান করেছেন, সুতরাং তা বৃদ্ধি করে দিন।
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَمِيرُ أَبُو جَعْفَرٍ الْهَيْثَمُ بْنُ هِلالِ بْنِ الْهَيْثَمِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ التِّكَكِيُّ، وَالشَّيْخُ أَبُو الْحُسَيْنِ عَبْدُ الْحَقِّ بْنُ عَبْدِ الْخَالِقِ بْنِ يُوسُفَ، قَالَ: أنبا أَبُو غَالِبٍ الْبَاقِلانِيُّ، وَأنبا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ النَّرْسِيِّ، قَالَ: أنبا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَاذَانَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، فِي مَسْجِدِهِ بِدَرْبِ الْمَجُوسِ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ إِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ النَّجَّادُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى الْحَسَنِ بْنِ مُكْرَمٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: نا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، ثنا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، وَهِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الصَّلاةِ فَلا يَسْعَ، وَلَكِنْ يَمْشِي وَعَلَيْهِ السَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ، فَلْيُصَلِّ مَا أَدْرَكَ وَلْيَقْضِ مَا سَبَقَهُ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আল-আমীর আবু জাফর আল-হাইসাম ইবন হিলাল ইবন আল-হাইসাম, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম। তাঁকে বলা হয়েছে: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজ ইবন ইসমাইল আত-তিকাকি এবং শাইখ আবু আল-হুসাইন আবদুল হক ইবন আবদুল খালিক ইবন ইউসুফ। তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু গালিব আল-বাকিল্লানি এবং আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনুন নারসি। তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আলী আল-হাসান ইবন আহমদ ইবন ইব্রাহিম ইবন আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন শাযান, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, ৪২৫ হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে, দারবুল মাজুসে অবস্থিত তাঁর মসজিদে। আমাদের অবহিত করেছেন আবু বকর আহমদ ইবন সালমান ইবন আল-হাসান ইবন ইসরাঈল ইবন ইউনুস আন-নাজ্জাদ, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, ৩৪৪ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসে। তিনি বলেন: আল-হাসান ইবন মুকরামের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন আসিম। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-হাযযা এবং হিশাম ইবন হাসসান, মুহাম্মদ ইবন সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন সালাতের দিকে আসে, তখন সে যেন দৌড়ে না আসে। বরং সে যেন হেঁটে আসে এবং তার ওপর যেন প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য বজায় থাকে। সুতরাং সে (সালাতের) যতটুকু অংশ পায় তা যেন আদায় করে এবং যা তার থেকে অতিবাহিত হয়ে গেছে তা যেন পূর্ণ করে।”
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، ثنا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّمَا نَسَمَةُ الْمُسْلِمِ طَيْرٌ يُعَلَّقُ فِي شَجَرِ الْجَنَّةِ حَتَّى يُرْجِعَهُ اللَّهُ فِي جَسَدِهِ يَوْمَ يَبْعَثُهُ»
২ - আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবনে মুকরাম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে উমর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, যুহরী থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মুসলিমের আত্মা হলো একটি পাখি যা জান্নাতের গাছে বিচরণ করে, যতক্ষণ না আল্লাহ তাকে তার দেহে ফিরিয়ে দেন সেই দিনে যেদিন তিনি তাকে পুনরুত্থিত করবেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، نا الْحَسَنُ، نا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، ثنا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «قَلَّ مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْرُجُ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا إِلا يَوْمَ الْخَمِيسِ»
৩ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন কা’ব বিন মালিক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো সফরের ইচ্ছা করতেন, তখন খুব কম সময়ই বের হতেন ব্যতীত বৃহস্পতিবার»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى هِلالِ بْنِ الْعَلاءِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُمْ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ الزِّبْرِقَانِ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
৪ - আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিলাল ইবনুল আলার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম যে, তাঁর পিতা তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট দাউদ ইবনুয যিবরিকান বর্ণনা করেছেন মাতার আল-ওয়াররাক থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আলী ইবনু আবি তালিব থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «শিঙা দানকারী এবং যার শিঙা লাগানো হয়েছে উভয়েরই রোজা ভেঙে গেছে»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، أَنَبا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لأَنْ يَجْلِسَ أَحَدُكُمْ عَلَى جَمْرَةٍ فَتَحْرِقَ ثِيَابَهُ حَتَّى تَصِلَ إِلَى جِلْدِهِ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَجْلِسَ عَلَى قَبْرٍ»
৫ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান বিন মুকরাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আসিম আমাদের বর্ণনা করেছেন, সুহাইল বিন আবি সালেহ আমাদের অবহিত করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ আগুনের অঙ্গারের ওপর বসা, যা তার কাপড় পুড়িয়ে চামড়া পর্যন্ত পৌঁছে যাবে, তা তার জন্য কোনো কবরের ওপর বসার চেয়ে উত্তম।’»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - وَبِإِسْنَادِهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أُشْكِلَ عَلَى أَحَدِكُمْ وَهُوَ فِي صَلاتِهِ أَخَرَجَ مِنْهُ شَيْءٌ أَمْ لَمْ يَخْرُجْ؟ فَلا يَنْفَتِلْ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا أَوْ يَشُمَّ رِيحًا»
6 - এবং তিনি তাঁর সনদে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি তোমাদের কেউ সালাত রত অবস্থায় সংশয়ে পতিত হয় যে, তার থেকে কিছু বের হয়েছে কি না? তবে সে যেন সালাত থেকে না ফেরে যতক্ষণ না সে শব্দ শোনে অথবা ঘ্রাণ পায়।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا أَبِي، نا عَلِيُّ بْنُ جَنَدٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا أَنَسُ أَكْثِرْ مِنَ الصَّلاةِ فِي بَيْتِكَ يَكْثُرْ خَيْرُ بَيْتِكَ، وَسَلِّمْ عَلَى مَنْ لَقِيتَ مِنْ أُمَّتِي تَكْثُرْ حَسَنَاتُكَ»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল মালিক ইবনে মুহাম্মাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে জানাদ আত-তায়েফি, আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «হে আনাস! তুমি তোমার ঘরে অধিক পরিমাণে সালাত আদায় করো, তবে তোমার ঘরের কল্যাণ বৃদ্ধি পাবে; আর আমার উম্মতের মধ্যে যার সাথেই তোমার সাক্ষাৎ হবে তাকে সালাম দিও, এতে তোমার বৃদ্ধি পাবে নেকসমূহ।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ صَائِمًا فَلا يَرْفُثْ وَلا يَجْهَلْ وَإِنِ امْرُؤٌ شَاتَمَهُ أَوْ قَاتَلَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ»
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান বিন মুকরাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক, আবুয যিনাদ হতে, তিনি আল-আ’রাজ হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন রোজা থাকে, তখন সে যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং মূর্খতাসূলভ আচরণ না করে। আর যদি কোনো ব্যক্তি তাকে গালি দেয় বা তার সাথে লড়াই করে, তবে সে যেন বলে, ‘আমি রোজাদার’»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِكُلِّ عَمَلٍ بَابٌ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ يُدْعَوْنَ بِذَلِكَ الْعَمَلِ، وَلأَهْلِ الصِّيَامِ بَابٌ، يُقَالُ لَهُ الرَّيَّانُ» .فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ مِنْ أَحَدٍ يُدْعَى مِنْ تِلْكَ الأَبْوَابِ؟ قَالَ: «نَعَمْ وَأَرْجُو أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ يَا أَبَا بَكْرٍ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন মুকরম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবন হারুন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, যুহরী থেকে, তিনি হুমাইদ ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «প্রত্যেক আমলের জন্য জান্নাতের দরজাগুলোর মধ্য থেকে একটি করে দরজা রয়েছে যার মাধ্যমে সেই আমলকারীদের ডাকা হবে। আর সিয়াম পালনকারীদের জন্য একটি দরজা রয়েছে, যাকে বলা হয় রাইয়ান»।অতঃপর আবু বকর বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এমন কেউ কি আছেন যাকে এই সকল দরজা থেকে ডাকা হবে? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, এবং হে আবু বকর, আমি আশা করি আপনি তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবেন»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، نا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَرْوِيهِ عَنْ رَبِّهِ عز وجل: «لِكُلِّ عَمَلٍ كَفَّارَةٌ، وَالصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ، وَلَخَلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ»
১০ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান ইবনে মুকরাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াজিদ ইবনে হারুন আমাদের বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এবং তিনি তাঁর মহান ও পরাক্রমশালী রব থেকে বর্ণনা করেন: «প্রত্যেক আমলেরই কাফফারা রয়েছে, আর রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব। আর অবশ্যই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট সুগন্ধি কস্তুরীর চেয়েও অধিক সুগন্ধময়।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ، ثنا أَبِي، ثنا عبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم،: «لِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ عِنْدَ فِطْرِهِ، وَحِينَ يَلْقَى رَبَّهُ عز وجل»
১১ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিলাল বিন আল-আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন আবি উনাইসাহ থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি হারিস থেকে, তিনি আলী (রা.) থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন: «রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি তার ইফতারের সময়, আর অপরটি যখন সে তার মহান ও পরাক্রমশালী প্রতিপালকের সাথে সাক্ষাৎ করবে।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، أنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، أنا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَسَمَّعْ إِلَى حَدِيثِ قَوْمٍ وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ، صُبَّ فِي أُذُنِهِ الآنُكُ، وَمَنْ تَحَلَّمَ كُلِّفَ أَنْ يَعْقِدَ شَعِيرَةً، وَيُعَذَّبُ وَلَيْسَ بِعَاقِدٍ، وَمَنْ صَوَّرَ صُورَةً فِي الدُّنْيَا كُلِّفَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا الرُّوحَ وَلَيْسَ بِنَافِخٍ»
১২ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলী বিন আসিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খালিদ আল-হায্যা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইকরিমা থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের কথা আড়ি পেতে শুনবে যখন তারা তা অপছন্দ করে, কিয়ামতের দিন তার কানে গলিত সিসা ঢেলে দেওয়া হবে। আর যে ব্যক্তি মিথ্যা স্বপ্ন দেখার দাবি করবে, তাকে দুটি যব-দানার মাঝে গিঁট দেওয়ার ভার দেওয়া হবে এবং তাকে শাস্তি দেওয়া হবে অথচ সে গিঁট দিতে সক্ষম হবে না। আর যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোনো ছবি তৈরি করবে, কিয়ামতের দিন তাকে তাতে প্রাণ সঞ্চারের দায়িত্ব দেওয়া হবে, অথচ সে তা করতে সক্ষম হবে না।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عِيسَى بْنِ الْمَنْصُورِ يُعْرَفُ بِابْنِ بَرِّيَّةَ الْهَاشِمِيِّ، وَأَبُو أَحْمَدَ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ الْحَارِثِ الدِّهْقَانُ الْعَقَبِيُّ، وَأَبُو سَهْلٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ الْقَطَّانُ، وَأَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّمَّاكِ، قَالُوا: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعُطَارِدِيُّ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرَةً عَلَى الدِّينِ عَزِيزَةً إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ»
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আব্দুল্লাহ ইবন ইসমাঈল ইবন ইব্রাহিম ইবন ঈসা ইবনুল মানসুর, যিনি ইবন বাররিয়াহ আল-হাশিমী নামে পরিচিত; এবং আবু আহমাদ হামযা ইবন মুহাম্মাদ ইবনুল আব্বাস ইবনুল হারিস আদ-দিহকান আল-আকাবী; এবং আবু সাহল আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন যিয়াদ আল-কাত্তান; এবং আবু আমর উসমান ইবন আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুস সাম্মাক। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন আব্দুল জাব্বার আল-উতারিদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া আদ-দারীর, ইসমাঈল ইবন আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়াস ইবন আবি হাযিম থেকে, তিনি সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মতের একটি দল সর্বদা দ্বীনের ওপর বিজয়ী ও শক্তিশালী থাকবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرِ بْنُ بَرِّيَّةَ، وَأَبُو أَحْمَدَ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَأَبُو سَهْلِ بْنُ زِيَادٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ السَّمَّاكِ، وَمَيْمُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالُوا: نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَهْلَ الدَّرَجَاتِ الْعُلا لَيَرَاهُمْ مَنْ تَحْتَهُمْ، كَمَا يُرَى الْكَوْكَبُ الدُّرِّيُّ فِي الأُفُقِ مِنْ آفَاقِ السَّمَاءِ، وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ، وَعُمَرَ مِنْهُمْ وَأَنْعَمَا»
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর বিন বাররিয়্যাহ, আবু আহমদ হামযাহ বিন মুহাম্মদ, আবু সাহল বিন যিয়াদ, উসমান বিন আস-সাম্মাক এবং মাইমুন বিন ইসহাক। তাঁরা বললেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমদ বিন আব্দুল জব্বার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুয়াবিয়া, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই উচ্চ মর্যাদার স্তরের অধিবাসীদের তাদের নিচের স্তরের লোকেরা দেখতে পাবে, যেমন আকাশের দিগন্তসমূহে উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা যায়; আর নিশ্চয়ই আবু বকর ও উমর তাঁদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁরা কতই না উত্তম!»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ الْحَارِثِ الدِّهْقَانُ الْعَقَبِيُّ، كَانَ يَنْزِلُ الْعَقَبَةَ، ثنا أَبُو الْفَضْلِ عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ الدُّورِيُّ، ثَنَا طَلْقُ بْنُ غَنَّامٍ النَّخَعِيُّ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، وَقَيْسٌ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَدِّ الأَمَانَةَ إِلَى مَنِ ائْتَمَنَكَ، وَلا تَخُنْ مَنْ خَانَكَ»
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ হামযাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্বাস বিন ফজল বিন হারিস আদ-দিহকান আল-আকাবি, তিনি আল-আকাবায় বসবাস করতেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল আব্বাস বিন মুহাম্মাদ বিন হাতিম আদ-দুরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালক বিন গান্নাম আন-নাখায়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক এবং কায়স, আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমার নিকট যে আমানত রেখেছে তাকে তা ফেরত দাও, এবং যে তোমার সাথে খিয়ানত করেছে তুমি তার সাথে খিয়ানত করো না»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا حَمْزَةُ، ثنا عَبَّاسٌ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أنا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: " لَقِيَ شَيْطَانُ الْمُؤْمِنِ شَيْطَانَ الْكَافِرِ، فَإِذَا شَيْطَانُ الْمُؤْمِنِ مَهْزُولٌ، وَإِذَا شَيْطَانُ الْكَافِرِ سَمِينٌ، فَقَالَ: مَا لَكَ؟ قَالَ: مَا لِيَ مِنْهُ شَيْءٌ، إِذَا دَخَلَ بَيْتَهُ ذَكَرَ اسْمَ اللَّهِ تَعَالَى، وَإِذَا شَرِبَ ذَكَرَ اسْمَ اللَّهِ، قَالَ الآخَرُ: لَكِنِّي آكُلُ مَعَهُ وَأَشْرَبُ مَعَهُ "
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামযাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন মূসা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসরাঈল, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: " মু’মিনের শয়তান কাফিরের শয়তানের সাথে সাক্ষাৎ করল। দেখা গেল মু’মিনের শয়তানটি জীর্ণ-শীর্ণ, আর কাফিরের শয়তানটি স্থূলকায়। সে জিজ্ঞেস করল: তোমার কী হলো? সে বলল: তার থেকে আমার পাওয়ার কিছু নেই; যখন সে তার ঘরে প্রবেশ করে তখন আল্লাহ তাআলার নাম স্মরণ করে, আর যখন সে পান করে তখন আল্লাহর নাম স্মরণ করে। অন্যজন বলল: কিন্তু আমি তো তার সাথেই আহার করি এবং তার সাথেই পান করি।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا حَمْزَةُ، ثنا عَبَّاسٌ، قَالَ: ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ، أنبا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، وَأَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لا يَتَمَثَّلُ عَلَى صُورَتِي»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামযাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্বাস, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ, আমাদের অবহিত করেছেন ইসরাঈল, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস ও আবু উবায়দাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে আমাকেই দেখল; কেননা শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّمَّاكِ الدَّقَّاقُ، أنا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الْهَيْثَمِ، ثنا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُوسَى اللاحُونِيُّ، ثنا عُمَرُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ بَاتَ وَفِي يَدِهِ رِيحُ غِمْرٍ فَأَصَابَهُ شَيْءٌ، فَلا يَلُومَنَّ إِلا نَفْسَهُ»
১৮ - উসমান ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আস-সাম্মাক আদ-দাক্কাক আমাদের অবহিত করেছেন, আব্দুল কারীম ইবনে আল-হাইসাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল আজিজ ইবনে মুসা আল-লাহুনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবনে আলী হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি হাতে চর্বির গন্ধ থাকা অবস্থায় রাত যাপন করল এবং তার কোনো ক্ষতি হলো, সে যেন কেবল নিজেকেই তিরস্কার করে»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ بَرِّيَّةَ الْهَاشِمِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الآدَمِيُّ، وَمَيْمُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالُوا: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، نا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، أَوْ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِذَا قَالَ الرَّجُلُ سُبْحَانَ اللَّهِ، قَالَ الْمَلَكُ: وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَإِذَا قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، قَالَ الْمَلَكُ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَإِذَا قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، قَالَ الْمَلَكُ: وَاللَّهُ أَكْبَرُ، فَإِذَا قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، قَالَ الْمَلَكُ: يَرْحَمُكَ اللَّهُ "
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে আহমদ আদ-দাক্কাক, আবদুল্লাহ ইবনে ইসমাইল ইবনে বাররিয়্যাহ আল-হাশিমী, আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আদামী এবং মাইমুন ইবনে ইসহাক; তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবদিল জাব্বার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ অথবা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: " যখন কোনো ব্যক্তি বলে 'সুবহানাল্লাহ' (আল্লাহ অতীব পবিত্র), তখন ফেরেশতা বলেন: 'ওয়ালহামদুলিল্লাহ' (এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য), আর যখন সে বলে: 'সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহ', তখন ফেরেশতা বলেন: 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই), আর যখন সে বলে: 'সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', তখন ফেরেশতা বলেন: 'ওয়াল্লাহু আকবার' (এবং আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ), অতঃপর যখন সে বলে: 'সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার', তখন ফেরেশতা বলেন: 'আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করুন'।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، وَمَيْمُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، وَأَبُو سَهْلِ بْنُ زِيَادٍ، قَالُوا: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، ثنا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، عَلِّمْنِي شَيْئًا يُقَرِّبُنِي مِنَ الْجَنَّةِ وَيُبَاعِدُنِي مِنَ النَّارِ، قَالَ: «إِذَا عَمِلْتَ سَيِّئَةً فَأَتْبِعْهَا حَسَنَةً» .قَالَ: مِنَ الْحَسَنَاتِ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ؟ قَالَ: «هِيَ أَحْسَنُ الْحَسَنَاتِ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওসমান বিন আহমদ, মায়মুন বিন ইসহাক এবং আবু সাহল বিন যিয়াদ, তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আব্দুল জাব্বার, ইউনুস বিন বুকাইর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম আত-তাইমী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিন যা আমাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে। তিনি বললেন: “যখন তুমি কোনো মন্দ কাজ করবে, তখন তার পরপরই একটি নেক কাজ করো।” .তিনি (আবু যার) বললেন: ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’ কি নেক কাজগুলোর অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: “এটি সর্বোত্তম নেক কাজ।”
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ السَّمَّاكِ، وَمَيْمُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، أنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، رَأَى رَجُلا مُنْبَطِحًا عَلَى وَجْهِهِ، فَقَالَ: «إِنَّ هَذِهِ لَضَجْعَةٌ مَا يُحِبُّهَا اللَّهُ تَعَالَى»
২১ - উসমান বিন আস-সাম্মাক এবং মায়মুন বিন ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন আব্দুল জব্বার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আমর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতে দেখলেন, তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই এটি এমন এক শয়নভঙ্গি যা মহান আল্লাহ পছন্দ করেন না»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ السَّمَّاكِ، وَمَيْمُونُ بْنُ إِسْحَاقَ، وَأَبُو سَهْلِ بْنُ زِيَادٍ، قَالُوا: نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، ثنا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ: قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ : {فَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَقْصُرُوا مِنَ الصَّلاةِ إِنْ خِفْتُمْ} [النساء: 101] .وَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ، فَقَالَ: عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ، فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوا صَدَقَتَهُ»
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনুস সাম্মাক, মায়মুন ইবনে ইসহাক এবং আবু সাহল ইবনে যিয়াদ, তাঁরা বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল জব্বার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে ইদরীস, ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি ইবনে আবি আম্মার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে বাবাইহ থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনে উমাইয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে বললাম: {তবে তোমাদের জন্য কোনো পাপ নেই যে তোমরা সালাত সংক্ষিপ্ত করবে, যদি তোমরা আশঙ্কা করো} [আন-নিসা: ১০১] ।অথচ এখন মানুষ নিরাপদ হয়ে গেছে। তখন তিনি (উমর) বললেন: তুমি যে বিষয়ে বিস্মিত হয়েছ, আমিও সে বিষয়ে বিস্মিত হয়েছিলাম। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন: «এটি একটি সদকা (দান), যা আল্লাহ তোমাদেরকে প্রদান করেছেন; সুতরাং তোমরা তাঁর সদকা গ্রহণ করো।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرِّيَّةَ، وَأَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الآدَمِيُّ، قَالُوا: ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي رَزِينٍ، قَالَ: رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَضْرِبُ خَيْمَتَهُ بِيَدِهِ وَيَقُولُ: يَا أَهْلَ الْعِرَاقِ، تَزْعُمُونَ أَنِّي أَكْذِبُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، لِيَكُونَ لَكُمُ الْمَهْنَأُ وَعَلَيَّ الإِثْمُ، أَشْهَدُ لَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِذَا انْقَطَعَ شِسْعُ أَحَدِكُمْ فَلا يَمْشِ فِي نَعْلِهِ الأُخْرَى حَتَّى يُصْلِحَهَا»
২৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান, আবদুল্লাহ ইবন বারিয়্যাহ এবং আহমদ ইবন ইয়াহইয়া আল-আদামি; তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবন আবদিল জাব্বার; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া; আমাশ থেকে; তিনি আবু রাজিন থেকে; তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে নিজের হাত দিয়ে তাঁর তাবু ঠিক করতে দেখলাম এবং তিনি বলছিলেন: হে ইরাকবাসী! তোমরা ধারণা করছ যে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর মিথ্যা আরোপ করছি, যাতে স্বাচ্ছন্দ্য তোমাদের হয় আর পাপভার আমার ওপর বর্তায়। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি অবশ্যই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «তোমাদের কারো জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে সে যেন অপর জুতাটি পরে না হাঁটে, যতক্ষণ না সে সেটি মেরামত করে নেয়।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ السَّمَّاكِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَسُبُّوا أَصْحَابِي، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ أَحَدكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلا نَصِيفَهُ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে আস-সাম্মাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না; কারণ সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, যদি তোমাদের কেউ উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবে তাদের কারোর এক মুদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবে না এবং তার অর্ধেকও নয়।»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُنَيْنٍ، ثنا عِمْرَانُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْخِرِّيتِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «طَلَبُ الْحَلالِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ»
২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ইবরাহিম ইবন সুনাইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমরান ইবন আবি ইমরান আর-রামলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জারির ইবন হাজিম, তিনি যুবাইর ইবনুল খিররিত থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «হালাল অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলিমের ওপর ওয়াজিব»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْحُنَيْنِ، ثنا ابْنُ الأَصْبَهَانِيِّ، أنا شَرِيكٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنِ الْحسَنِ، عَنْ صَعْصَعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ صَلاتُهُ، فَإِنْ تَمَّتْ قُبِلَ مِنْهُ سَائِرُ عَمَلِهِ، وَإِنْ نَقَصَتْ، قَالَ: انْظُرُوا هَلْ لَهُ مِنْ تَطَوُّعٍ فَأَكْمِلُوهَا بِهِ "
২৬ - আমাদের নিকট উসমান বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন বিন আবিল হুনাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবনুল আসবাহানী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, শারীক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন মুসলিম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি সা’সা’আ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "বান্দার আমলের মধ্যে সর্বপ্রথম যার হিসাব নেওয়া হবে তা হলো তার সালাত। যদি তা পূর্ণাঙ্গ হয় তবে তার অবশিষ্ট আমল কবুল করা হবে, আর যদি তাতে ঘাটতি থাকে তবে তিনি বলবেন: দেখো তার কোনো নফল ইবাদত আছে কি না, তবে তোমরা তা দিয়ে এটি পূর্ণ করো।"
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُنَادِي، ثنا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، نا هُشَيْمٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِمَالِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا، فَعَلَيْكَ بِذَاتِ الدِّينِ تَرِبَتْ يَدَاكَ»
২৭ - আমাদের নিকট উসমান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনুল মুনাদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমর ইবনে আওন বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক থেকে, তিনি আতা থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নারীকে তার সম্পদ, তার সৌন্দর্য এবং তার দ্বীনের জন্য বিবাহ করা হয়। সুতরাং তুমি দ্বীনদার নারীকেই গ্রহণ করো, (অন্যথায়) তোমার হাত ধূলিধূসরিত হোক»
(খণ্ড: ১)
আল-আউয়াল মিন হাদীসি আবী আলী বিন শাযান
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أنبا عُثْمَانُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْبِرْتِيُّ، ثنا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلُ، ثنا أَبَانٌ، ثنا قَتَادَةُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، يُحَاسَبُ بِصَلاتِهِ، فَإِنْ صَلُحَتْ فَقَدْ أَفْلَحَ وَأَنْجَحَ، وَإِنْ فَسَدَتْ فَقَدْ خَابَ وَخَسِرَ»
২৮ - উসমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আল-বিরতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান থেকে, তিনি আনাস ইবনে হাকিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «কিয়ামতের দিন বান্দার আমলসমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম যে জিনিসের হিসাব নেওয়া হবে, তা হলো তার সালাত। সুতরাং যদি তা সঠিক হয়, তবে সে সফল ও কামিয়াব হলো; আর যদি তা নষ্ট হয়ে যায়, তবে সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো।»