(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: -)
السادس من فوائد أبي عثمان البحيري   (البحيري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: السادس من فوائد أبي عثمان البحيري

المؤلف: أَبُو عُثْمَانَ سَعِيْدُ بنُ مُحَمَّدِ ابنِ أَبِي الحُسَيْنِ أَحْمَدَ بنِ مُحَمَّدِ بنِ جَعْفَرِ بنِ مُحَمَّدِ بنِ بَحِيْرٍ البَحِيْرِيُّ، النَّيْسَابُوْرِيُّ (ت 451هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 14

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু উসমান আল-বুহাইরির ফাওয়ায়েদ-এর ষষ্ঠ অংশ   (আল-বুহাইরি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু উসমান আল-বুহাইরির ফাওয়ায়েদ-এর ষষ্ঠ অংশ

লেখক: আবু উসমান সাঈদ বিন মুহাম্মদ ইবনে আবি আল-হুসাইন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন বাহীর আল-বুহাইরি, আন-নাইসাবুরি (মৃত্যু: ৪৫১ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাউয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ্জ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ১)
1 -.

حَدَّثَنَا يَحْيَى وَهُوَ ابْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ أَبِي بَزَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: قُلْتُ لابْنِ عَبَّاسٍ:‌‌ أَلِمَنْ قَتَلَ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا مِنْ تَوْبَةٍ قَالَ لا قَالَ فَتَلَوْتُ عَلَيْهِ هَذِهِ الآيَةَ الَّتِي فِي الْفُرْقَانِ: " {وَالَّذِينَ لا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلا بِالْحَقِّ} [الفرقان: 68] ".

قَالَ: هَذِهِ الآيَةُ مَكِّيَّةٌ، نَسَخَتْهَا آيَةٌ مَدَنِيَّةٌ: " {وَمَنْ يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ} [النساء: 93] ".

م عَنْهُ، وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَاشِمٍ
১ -.

ইয়াহইয়া (যিনি ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু জুরাইজ থেকে, তিনি বলেন, আল-কাসিম ইবনু আবি বাযযাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনু জুবাইর থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনু আব্বাসকে বললাম:‌‌ "যে ব্যক্তি কোনো মুমিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তার জন্য কি তওবার সুযোগ আছে?" তিনি বললেন, "না"। তিনি (সাঈদ) বললেন, তখন আমি তাঁর সামনে সূরা আল-ফুরকানের এই আয়াতটি পাঠ করলাম: "যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোনো ইলাহকে ডাকে না এবং আল্লাহ যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন তাকে সঙ্গত কারণ ছাড়া হত্যা করে না।" [আল-ফুরকান: ৬৮]।

তিনি বললেন: এই আয়াতটি মক্কি (মক্কায় অবতীর্ণ), একে একটি মাদানি (মদিনায় অবতীর্ণ) আয়াত রহিত করেছে: "আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করবে, তার প্রতিদান হলো জাহান্নাম।" [আন-নিসা: ৯৩]।

ইমাম মুসলিম তাঁর থেকে এবং আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ২)
2 - أَخْبَرَنَا الْحَاكِمُ أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، أنا أَبُو عِيسَى الْحُسَيْنُ بْنُ عَامِرٍ الْمُقْرِئُ، بِأَنْطَاكِيَةَ، ثنا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيُّ، ثنا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ حَيَّانَ الأَسَدِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ خَالِهِ مَالِكِِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: ‌‌«غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمْ أُصَلِّ خَلْفَ إِمَامٍ أَوْجَزَ صَلاةً مِنْهُ فِي تَمَامِ الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ»
২ - আমাদের জানিয়েছেন আল-হাকিম আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ আল-হাফিজ, আমাদের জানিয়েছেন আবু ঈসা আল-হুসাইন বিন আমির আল-মুকরি, আনতাকিয়ায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ আল-মারওয়াযি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান বিন মুআবিয়া, মানসুর বিন হাইয়ান আল-আসাদি থেকে, তিনি সুলাইমান বিন বিশর থেকে, তিনি তাঁর মামা মালিক বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। রুকু পরিপূর্ণ করার সাথে সাথে তাঁর অপেক্ষা অধিক সংক্ষিপ্ত সালাত আদায়কারী কোনো ইমামের পেছনে আমি সালাত আদায় করিনি এবং সিজদাও।»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৩)
3 - أَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ الْحِيرِيُّ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ زَنْجُوَيْهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ اللَّبَّادُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ الْعَابِدُ الْمُقْرِئُ، ثنا خَلَفُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، ثنا الْفُرَاتُ بْنُ السَّائِبِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ رَجُلا مِمَّنْ قَبْلَكُمْ مَاتَ وَلَيْسَ مَعَهُ شَيْءٌ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عز وجل إِلا تَبَارَكَ، فَلَمَّا وُضِعَ فِي حُفْرَتِهِ، أَتَاهُ الْمَلَكُ، فَثَارَتِ السُّورَةُ فِي وَجْهِهِ، فَقَالَ لَهَا: إِنَّكِ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ، وَإِنِّي أَكْرَهُ مَسَاءَتَكِ، وَإِنِّي لا أَمْلِكُ لَكِ وَلا لَهُ وَلا لِنَفْسِي ضُرًّا وَلا نَفْعًا، فَإِنْ أَرَدْتِ هَذَا بِهِ فَانْطَلِقِي إِلَى الرَّبِّ تبارك وتعالى، فَاشْفَعِي لَهُ، فَتَنْطَلِقُ إِلَى الرَّبِّ عز وجل، فَتَقُولُ: أَيْ رَبِّ إِنَّ فُلانًا عَمِدَ إِلَيَّ مِنْ بَيْنِ كِتَابِكَ، فَتَعَلَّمَنِي وَتَلانِي، أَفَتُحْرِقُهُ أَنْتَ بِالنَّارِ وَتُعَذِّبُهُ وَأَنَا فِي جَوْفِهِ؟ فَإِنْ كُنْتَ فَاعِلا ذَاكَ بِهِ فَامْحُنِي مِنْ كِتَابِكَ.

فَيَقُولُ: «أَلا أَرَاكِ غَضِبْتِ» .

فَتَقُولُ وَحَقٌّ لِي أَنْ أَغْضَبَ، قَالَ: فَيَقُولُ: «اذْهَبِي فَقَدْ وَهَبْتُهُ لَكِ، وَشَفَّعْتُكِ فِيهِ» .

قَالَ: فَيَجِيءُ قَبْرَهُمُ الْمَلَكُ، فَيَخْرُجُ كَاسِفَ الْبَالِ، لَمْ يَحُلْ مِنْهُ شَيْءٌ، قَالَ: فَتَجِيءُ فَتَضَعُ فَاهَا عَلَى فِيهِ، فَيَقُولُ: مَرْحَبًا بِهَذَا الْفَمِ.

فَرُبَّمَا تَلانِي، وَمَرْحَبًا بِهَذَا الصَّدْرِ فَرُبَّمَا وَعَانِي، وَمَرْحَبًا بِهَاتَيْنِ الْقَدَمَيْنِ فَرُبَّمَا قَامَتَا بِي، وَتُؤْنِسُهُ فِي قَبْرِهِ مَخَافَةَ الْوَحْشَةِ عَلَيْهِ.

فَلَمَّا حَدَّثَ بِهَذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَبْقَ صَغِيرٌ وَلا كَبِيرٌ وَلا حُرٌّ وَلا عَبْدٌ بِالْمَدِينَةِ إِلا تَعَلَّمَهَا، وَسَمَّاهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: الْمُنْجِيَةَ "
৩ - আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আমার দাদা আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর আল-হীরী, তিনি আবু মুহাম্মাদ যানজুওয়াইহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-লাব্বাদ থেকে, তিনি আহমাদ বিন নাসর আল-আবিদ আল-মুকরি থেকে, তিনি খালাফ বিন আব্দুল হামিদ থেকে, তিনি আল-ফুরাত বিন আস-সাইব থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছিল এবং তার সাথে মহান আল্লাহর কিতাব থেকে 'তাবারাকা' (সূরা মুলক) ব্যতীত আর কিছুই ছিল না। যখন তাকে কবরের গর্তে রাখা হলো, তখন ফেরেশতা তার নিকট আসলো, তখন সূরাটি তার চেহারার সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। ফেরেশতা তাকে বলল: নিশ্চয় তুমি আল্লাহর কিতাবের অংশ, আর আমি তোমাকে কষ্ট দেওয়া অপছন্দ করি। আমি তোমার জন্য, তার জন্য কিংবা নিজের জন্য কোনো ক্ষতি বা উপকারের মালিক নই। সুতরাং তুমি যদি তার জন্য এটি (নিরাপত্তা) চাও, তবে বরকতময় ও সুউচ্চ রবের নিকট যাও এবং তার জন্য সুপারিশ করো। তখন সূরাটি মহান রবের নিকট চলে যায় এবং বলে: হে রব! নিশ্চয় অমুক ব্যক্তি তোমার কিতাবের মধ্য থেকে আমাকেই বেছে নিয়েছিল, সে আমাকে শিখেছিল এবং তিলাওয়াত করেছিল। এখন কি তুমি তাকে আগুন দিয়ে জ্বালাবে এবং আযাব দিবে অথচ আমি তার অভ্যন্তরে রয়েছি? যদি তুমি তার সাথে এমনটিই করতে চাও, তবে আমাকে তোমার কিতাব থেকে মুছে দাও।

তখন তিনি (আল্লাহ) বলেন: «আমি কি তোমাকে রাগান্বিত হতে দেখছি না?»

সূরাটি বলে: আমার রাগান্বিত হওয়াই সঙ্গত। বর্ণনাকারী বলেন: তখন তিনি (আল্লাহ) বলেন: «যাও, আমি তাকে তোমার নিকট সমর্পণ করলাম এবং তার ব্যাপারে তোমার সুপারিশ কবুল করলাম»।

বর্ণনাকারী বলেন: এরপর ফেরেশতা তাদের কবরে আসে এবং বিষণ্ণ মনে বের হয়ে যায়, সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারে না। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর সূরাটি এসে তার মুখের ওপর নিজের মুখ রাখে এবং বলে: এই মুখে স্বাগতম।

কেননা এই মুখ আমাকে তিলাওয়াত করত; এবং এই বক্ষে স্বাগতম, কেননা এ আমাকে ধারণ করেছিল; এবং এই দুই পায়ে স্বাগতম, কেননা এ দুটি আমাকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত। আর সূরাটি কবরে একাকিত্বের ভয়ে তাকে সঙ্গ দিতে থাকে।

যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটি বর্ণনা করলেন, তখন মদিনার ছোট-বড়, স্বাধীন-ক্রীতদাস এমন কেউ বাকি রইল না যে এটি শিখেনি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নাম দিয়েছিলেন: 'আল-মুনজিয়াহ' (মুক্তিদায়িনী)।"
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৪)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الْمُقْرِئُ الأَدِيبُ، أنبا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْمُطَبَّقِيُّ، ثنا جَحْدَرُ بْنُ الْحَارِثِ، ثنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، ثنا الأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْجَنَّةُ دَارُ الأَسْخِيَاءِ»
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান আল-মুকরি আল-আদিব, তিনি আমাদের অবহিত করেছেন আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মুতাব্বাকি থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাহদার ইবনুল হারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আওযায়ি, যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জান্নাত হলো দানশীলদের আবাসস্থল»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৫)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْمَخْلَدِيُّ الْعَدْلُ، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ الْبَلْخِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي الْحَارِثِ، ثنا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يَقْضِ الْقَاضِي إِلا وَهُوَ شَبْعَانُ رَيَّانُ»
৫ - আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-মাখলাদি আল-আদল, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান ইবনে আবি হামজা আল-বালখি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আবিল হারিস, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে দাউদ, আল-কাসিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আল-আনসারি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কোনো বিচারক যেন তৃপ্ত ও পরিতৃপ্ত (ক্ষুধা ও তৃষ্ণামুক্ত) থাকা ব্যতীত বিচারকার্য পরিচালনা না করেন»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৬)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَمُّوَيْهِ الْوَرَّاقُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَمْدُونِ بْنِ رُسْتُمَ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْعَنْقَزِيُّ، ثنا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، ثنا حَاتِمٌ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الدَّجَّالُ أَعْوَرُ عَيْنَاهُ الْيُمْنَى كَأَنَّهَا عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন হাম্মুওয়াইহ আল-ওয়াররাক, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন হামদুন বিন রুস্তম, আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আমর আল-আনকাযী, আমাদের বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া বিন আদী, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাতিম, ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি নাফি' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «দাজ্জাল এক চোখ অন্ধ, তার ডান চোখটি যেন একটি ভেসে থাকা আঙ্গুর»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৭)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَمْدُونٍ التَّاجِرُ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَافِظُ، ثنا حَمْدَانُ السُّلَمِيُّ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ، ثنا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،‌‌ شَابَتْ عَنْفَقَتُهُ»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামদুন আত-তাজির, আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আল-হাফিজ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হামদান আস-সুলামী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শারীক, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আউন বিন আবি জুহাইফা থেকে, তিনি আবু জুহাইফা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-কে দেখেছি, তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের পশম পেকে সাদা হয়ে গিয়েছিল।»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৮)
8 - أَخْبَرَنَا شَيْخِي أَبُو عُمَرَ الْبَحِيرِيُّ الْحَافِظُ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ التَّاجِرُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ اللَّبَّادُ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، ثنا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ يَعْنِي السَّبِيعِيَّ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ السّوَارِيِّ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،‌‌ شَابَتْ عَنْفَقَتُهُ»
৮ - আমাদের শায়খ আবু উমর আল-বাহিরী আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আত-তাজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে নাসর আল-লাব্বাদ আন-নাইসাবুরী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু নুয়াইম আল-ফাযল ইবনে দুকাইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান আস-সাওরী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইসহাক অর্থাৎ আস-সাবিঈ থেকে, তিনি আবু জুহাইফা আস-সুওয়ারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের কেশগুচ্ছ পেকে গিয়েছিল।»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ৯)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ الْفَقِيهُ، أنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى، قَالَ: قُرِئَ عَلَى بِشْرِ بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ أَبِي يُوسُفَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، قَالَ: كُنَّا قُعُودًا عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَعِنْدَهُ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، فَقَالَ عُرْوَةُ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ: «إِنَّ‌‌ أَوَّلَ مَا فُرِضَتِ الصَّلاةُ رَكْعَتَانِ، فَأَتَمَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَأَقَرَّهَا فِي السَّفَرِ عَلَى الْفَرِيضَةِ» ، فَقَالَ عُمَرُ: وَكَيْفَ تَزْعُمُ. . . . . . .
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান আল-ফকিহ, আমাদের জানিয়েছেন আবু ইয়া’লা আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না, তিনি বলেন: বিশর ইবনুল ওয়ালিদ-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে, আবু ইউসুফ থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনে আলী থেকে বর্ণিত, ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, সালেহ ইবনে কায়সান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা উমর ইবনে আব্দুল আজিজ-এর নিকট বসা ছিলাম এবং তাঁর নিকট উরওয়াহ ইবনুল জুবাইর উপস্থিত ছিলেন। তখন উরওয়াহ বললেন: আমি আয়েশা (রাযিআল্লাহু আনহা)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়‌ ‌ নামাজ যখন প্রথম ফরজ করা হয়েছিল তখন তা ছিল দুই রাকাত, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পূর্ণ করেন এবং সফরের ক্ষেত্রে তা মূল ফরজের ওপর বহাল রাখেন।», তখন উমর বললেন: আপনি কীভাবে দাবি করছেন. . . . . . .
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ১০)
10 -. . . . . . مُحَمَّدٌ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ هِلالٍ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ، قَالَ: سُئِلَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْدِ، فَقَالَ «مَنْ لَمْ تَمْنَعْهُ النَّعْمَاءُ مِنَ الشُّكْرِ، وَلا الْبَلْوَى مِنَ الصَّبْرِ، فَذَاكَ عِنْدَنَا الزُّهْدُ» .

قَالَ أَحْمَدُ: فَقُلْتُ لَهُ: قَدْ يَكُونُ لا تَمْنَعُهُ النَّعْمَاءُ مِنَ الشُّكْرِ، وَيُمْسِكُهَا.

قَالَ: «فَيَضْرِبُ بِمُؤَخِّرِ يَدِهِ سَاقِي» .

ثُمَّ قَالَ: " اسْكُتْ مَنْ لَمْ تَمْنَعْهُ النَّعْمَاءُ مِنَ الشُّكْرِ، وَلا الْبَلْوَى مِنَ الصَّبْرِ، فَذَاكَ عِنْدَنَا الزُّهْدُ
১০ - . . . . . . মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন হিলাল আদ-দিমাশকি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আবিল হাওয়ারি, তিনি বলেন: সুফইয়ান বিন উয়াইনাকে যুহদ (সংসারবিরাগ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বললেন, “যাকে নেয়ামত ও প্রাচুর্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন থেকে বিরত রাখে না এবং বিপদ-আপদ যাকে ধৈর্য (সবর) ধারণ থেকে বিচ্যুত করে না, আমাদের নিকট সেটিই হলো যুহদ।”

আহমদ বলেন: আমি তাকে বললাম, এমনও তো হতে পারে যে নেয়ামত তাকে শুকরিয়া আদায় থেকে বিরত রাখছে না, অথচ সে তা (সম্পদ) নিজের কাছে রেখে দিচ্ছে।

তিনি (আহমদ) বললেন: “তখন তিনি তাঁর হাতের পিছনের অংশ দিয়ে আমার পায়ের নলার ওপর আঘাত করলেন।”

অতঃপর তিনি বললেন: “চুপ করো! যাকে নেয়ামত কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন থেকে বিরত রাখে না এবং বিপদ যাকে ধৈর্য ধারণ থেকে বিচ্যুত করে না, আমাদের নিকট সেটিই হলো যুহদ।”
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ১১)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا الشَّيْبَانِيُّ، أنبا الْحَسَنُ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَصْرٍ، ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: " الْعِلْمُ خَزَائِنُ، وَإِنَّمَا يَفْتَحُهَا الْمَسْأَلَةُ
১১ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন যাকারিয়া আল-শায়বানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন নাসর আমাদের অবহিত করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "জ্ঞান হলো ভাণ্ডারসমূহ, আর প্রশ্ন করাই কেবল তা উন্মুক্ত করে।"
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ১২)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو صَالِحٍ شُعَيْبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَيْهَقِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الأَنْبَارِيُّ، أنبا مُحَمَّدُ بْنُ الْمَرْزُبَانِ، ثنا أَبُو بَكْرٍ الْعَامِرِيُّ، ثنا أَبُو هِشَامٍ الرِّفَاعِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ رَجُلا قَالَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ؟ فَقَالَ: «أَصْبَحْتُ لا يَحْمِلُ بَعْضِي بَعْضًا، كَأَنَّمَا كَانَ شَبَابِي قَرْضًا»
১২ - আবু সালিহ শুআইব ইবনে মুহাম্মদ আল-বাইহাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম ইবনুল আম্বারী আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনুল মারযুবান আমাদের জানিয়েছেন, আবু বকর আল-আমেরী আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু হিশাম আর-রিফাঈ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এক ব্যক্তিকে আবদুল্লাহ ইবনে ইদরীসকে বলতে শুনেছি: হে আবু মুহাম্মাদ, আপনার সকাল কেমন কাটল? তিনি বললেন: «আমি এমন অবস্থায় সকালে উপনীত হয়েছি যে, আমার শরীরের এক অংশ অন্য অংশকে বহন করতে পারছে না, যেন আমার যৌবনকাল ছিল কেবল একটি ঋণ (যা আজ শেষ হয়ে গেছে)।»
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ১৩)
13 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحُسَيْنَ بْنَ يَحْيَى الْوَاعِظَ الصُّوفِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْحَسَنِ الْمُقْرِئَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ يُوسُفَ بْنَ الْحُسَيْنِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ ذَا النُّونِ، يَقُولُ: " مَنْ حَمَلَ قِدْرَهُ هَتَكَ سِتْرَهُ
১৩ - আমি আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-হাফিজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হুসাইন বিন ইয়াহইয়া আল-ওয়াইজ আস-সুফিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ বিন হাসান আল-মুকরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইউসুফ বিন হুসাইনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি যুন-নুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "যে ব্যক্তি নিজের মর্যাদার বড়াই করে, সে তার (গোপন) আবরণ ছিন্ন করে।"
(খণ্ড: ১) আস-সাদিস মিন ফাওয়ায়েদি আবী উসমান আল-বুহাইরী (পৃষ্ঠা: ১৪)
14 - أَخْبَرَنَا النُّعْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجُرْجَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ سَعِيدٍ، ثنا الْمُسَيَّبُ بْنُ زُهَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ هَاشِمٍ السِّمْسَارَ، يَقُولُ: حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ مُصْعَبَ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: ‌‌«النَّاسُ بِزَمَانِهِمْ أَشْبَهُ مِنْهُمْ بِآبَائِهِمْ»
১৪ - নুমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-জুরজানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-মুসায়্যিব ইবনে যুহায়র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে হাশিম আল-সিমসারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব ইবনে সা’দ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: «মানুষ তাদের পিতাদের চেয়ে তাদের যুগের সাথে অধিক সদৃশ হয়»