(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: -)
الثالث من مشيخة ابن حيويه (ابن حيويه الخزاز)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الثالث من مشيخة ابن حيويه
المؤلف: محمد بن العباس بن محمد بن زكرياء، أبو عمر ابن حيويه الخزاز (ت 382هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 18
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনে হাইউইয়াহ-এর মাশইয়াখার তৃতীয় অংশ (ইবনে হাইউইয়াহ আল-খাযযায)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইবনে হাইউইয়াহ-এর মাশইয়াখার তৃতীয় অংশ
গ্রন্থকার: মুহাম্মাদ ইবনে আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যাকারিয়্যা، আবু উমর ইবনে হাইউইয়াহ আল-খাযযায (মৃত্যু ৩৮২ হিজরী)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অন্তর্ভুক্ত ‘জাওয়ামিউল কালিম’ নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ الثَّالِثُ مِنْ تَخْرِيجِ الدَّارَقُطْنِيِّ رحمه الله.مِنْ حَدِيثِ أَبِي عُمَرَ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيَّوَيْهِ الْخَزَّازِ، عَنْ شُيُوخِهِ.رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيِّ الْمُقَنَّعِيِّ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي غَالِبٍ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّاءِ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَسَّانٍ الْمُؤَدِّبِ، عَنْهُ.رِوَايَةُ شَيْخِنَا شَمْسِ الدِّينِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَسَاكِرَ الدِّمَشْقِيِّ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ أَخْبَرَنَا. . . . . .، قَالَ: أَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حَسَّانِ بْنِ طَبَرْزَدَ الْمُؤَدِّبُ الْبَغْدَادِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا دِمَشْقَ ، قِرَاءَةًً عَلَيْهِ بِهَا فِي يَوْمِ السَّبْتِ تَاسِعَ عَشَرَ جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ وَسِتِّ مِائَةٍ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّاءِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنْتَ تَسْمَعُ، بِبَغْدَادَ، فِي شَهْرِ رَجَبٍ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بِبَغْدَادَ، فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ:
ইমাম দারাকুতনী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সংকলন (তাখরিজ) থেকে সংগৃহীত তৃতীয় অংশ।আবু উমর মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন হাইয়ুওয়াইহ আল-খাজ্জাজ-এর বর্ণিত হাদিস থেকে, যা তিনি তাঁর উস্তাদদের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জওহারী আল-মুকান্নায়ী-এর বর্ণনা, যা তিনি তাঁর থেকে করেছেন।আবু গালিব আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বান্না-এর বর্ণনা, যা তিনি তাঁর থেকে করেছেন।আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মা'মার বিন ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন হাসান আল-মুয়াদ্দিব-এর বর্ণনা, যা তিনি তাঁর থেকে করেছেন।আমাদের শায়খ শামসুদ্দিন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আসাকির আদ-দিমাশকী-এর বর্ণনা।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন . . . . . . , তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মা'মার বিন ইয়াহইয়া বিন আহমদ বিন হাসান বিন তাবারযাদ আল-মুয়াদ্দিব আল-বাগদাদী; তিনি দামেস্কে আমাদের নিকট এসেছিলেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে শনিবার, ৬০৩ হিজরি সালের ১৯শে জুমাদাল আখিরাহ তারিখে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনাকে কি আবু গালিব আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বান্না সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আপনি তা শ্রবণরত ছিলেন—বাগদাদে, ৫২৫ হিজরি সালের রজব মাসে? তখন তিনি তা স্বীকার করলেন এবং বললেন:
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيَّوَيْهِ الْخَزَّازُ، أَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ النَّيْسَابُورِيُّ، ثَنَا حَم، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ خَالِدٍ الْمَخْزُومِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ عَلَى رَاحِلَتِهِ»
১ - আমি আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওহারী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন হাইয়ুওয়াইহ আল-খাযযায; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন হামদান আন-নাইসাবুরী; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাল্লাম বিন সালিম; তিনি মুসলিম বিন খালিদ আল-মাখযুমী থেকে; তিনি ইসমাঈল থেকে; তিনি নাফি‘ থেকে; তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সওয়ারীর ওপর বিতর সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمُّ بْنُ نُوحٍ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «وَقَّتَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَلْقِ الْعَانَةِ وَالإِبِطَيْنِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا» .لَمْ يُحَدِّثْ بِهِ إِلا حَمٌّ
২ - ইসহাক ইবনে হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মু ইবনে নুহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম ইবনে সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য নাভির নিচের লোম মুণ্ডানো এবং বগলের পশম পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে চল্লিশ দিন সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন।”হাম্মু ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمُّ بْنُ نُوحٍ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ الضُّبَعِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَتَاهُ رَجُلٌ، وَمَعَهُ امْرَأَةٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ هَذِهِ رَضِيَتْ بِي، وَرَضِيتُ بِهَا، فَزَوِّجْهَا مِنِّي.قَالَ: «مَا تُمْهِرُهَا؟» قَالَ: مَا عِنْدِي شَيْءٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ.قَالَ: «أَمْهِرْهَا مَا قَلَّ، أَوْ كَثُرَ» .قَالَ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ، مَا أَمْلِكُ شَيْئًا.قَالَ: وَلا خَاتَمٌ.قَالَ: «أُزَوِّجُهَا مِنْكَ عَلَى أَنْ تُعَلِّمَهَا أَرْبَعَ سُوَرٍ، أَوْ خَمْسَ سُوَرٍ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى»
৩ - ইসহাক ইবনে হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মু ইবনে নূহ আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, সালম ইবনে সালিম আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর আর-রাজি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হামজা আদ-দুবায়ি হতে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এক ব্যক্তি আসলেন এবং তাঁর সাথে একজন নারী ছিলেন। তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নিশ্চয়ই এই নারী আমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং আমিও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছি, তাই তাঁকে আমার সাথে বিয়ে দিন।তিনি বললেন: «তুমি তাকে মোহর হিসেবে কী দেবে?» তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমার নিকট কিছুই নেই।তিনি বললেন: «তাকে মোহর দাও, তা অল্প হোক কিংবা বেশি।’তিনি বললেন: সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমার মালিকানায় কিছুই নেই।তিনি বললেন: এমনকি একটি আংটিও নয়?তিনি বললেন: «আমি তাঁকে তোমার সাথে এই শর্তে বিয়ে দিচ্ছি যে, তুমি তাঁকে মহান আল্লাহর কিতাব থেকে চারটি অথবা পাঁচটি সূরা শিক্ষা দেবে।’
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمٌّ، ثَنَا سَلْمٌ، ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، «أنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَى سُبَاطَةَ قَوْمٍ، فَبَالَ، ثُمَّ تَوَضَّأَ، وَمَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَالْعِمَامَةِ»
৪ - ইসহাক বিন হামদান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাল্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি হুজাইফা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি গোত্রের আবর্জনার স্তূপের কাছে আসলেন এবং প্রস্রাব করলেন, অতঃপর তিনি অজু করলেন এবং মোজাদ্বয় ও পাগড়ির ওপর মাসাহ করলেন।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمٌّ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «غَيِّرُوا الشَّيْبَ، وَلا تُغَيِّرُوا بِالسَّوَادِ، وَلا تَشَبَّهُوا بِأَعْدَائِكُمْ مِنَ الْمُشْرِكِينَ، وَخَيْرُ مَا غَيَّرْتُمْ بِهِ الْحِنَّاءُ وَالْكَتَمُ»
৫ - ইসহাক বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে জুরাইজ থেকে, আতা থেকে, জাবির (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা বার্ধক্যের শুভ্রতা (সাদা চুল) পরিবর্তন করো এবং কালো রঙের মাধ্যমে তা পরিবর্তন করো না, আর মুশরিকদের মধ্য থেকে তোমাদের শত্রুদের সাদৃশ্য অবলম্বন করো না। আর যা দিয়ে তোমরা শুভ্রতা পরিবর্তন করো তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো মেহেদি এবং কাতাম।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمٌّ، أَنَا سَلْمٌ، ثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، «أنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ صَائِمٌ، وَأَعْطَى أَجْرَهُ، وَلَوْ كَانَ حَرَامًا مَا أَعْطَاهُ»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্ম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাল্ম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ বিন আবি রাওয়াদ, তিনি নাফি‘ থেকে, আর তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম ও রোজা অবস্থায় থাকাকালীন সিঙা (হিজামা) গ্রহণ করেছেন এবং তিনি তার পারিশ্রমিক প্রদান করেছেন; আর যদি তা হারাম হতো, তবে তিনি তা প্রদান করতেন না।»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمٌّ، ثَنَا سَالِمٌ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا سَلَّمَ الرَّجُلُ عَلَى النَّفَرِ فَرَدَّ أَحَدُهُمْ أَجْزَئَ عَنِ الْبَقِيَّةِ، وَإِذَا مَرَّ النَّفَرُ بِالْقَوْمِ، فَسَلَّمَ وَاحِدٌ مِنْهُمْ أَجْزَئَ عَنِ الْبَقِيَّةِ، وَإِذَا دُعِيَ قَوْمٌ إِلَى طَعَامٍ، فَاسْتَأْذَنَ وَاحِدٌ مِنْهُمْ، فَأُذِنَ لَهُ، أَجْزَئَ عَنِ الْبَقِيَّةِ»
৭ - ইসহাক ইবনে হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্ম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্বাদ ইবনে কাসীর থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যখন কোনো ব্যক্তি একদল মানুষকে সালাম দেয় এবং তাদের একজন উত্তর প্রদান করে, তবে তা বাকিদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে; আর যখন একদল মানুষ কোনো সম্প্রদায়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে এবং তাদের একজন সালাম দেয়, তবে তা বাকিদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে; আর যখন কোনো সম্প্রদায়কে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হয় এবং তাদের একজন অনুমতি প্রার্থনা করে এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়, তবে তা বাকিদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে।’
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمُّ بْنُ نُوحٍ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، وَثنا بِهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ السَّلْمَانِيِّ، عَنْ جَابِرٍ، وَثَلاثَةٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَابَ قَبْلَ أَنْ يُغَرْغِرَ قَبِلَ اللَّهُ تَعَالَى تَوْبَتَهُ»
৮ - ইসহাক বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম্মু বিন নূহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবরাহীম থেকে, এবং তিনি এটি বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন আসলাম থেকে, আব্দুর রহমান বিন আস-সালমানী থেকে, জাবির থেকে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তিনজন সাহাবী থেকে: «যে ব্যক্তি প্রাণ কণ্ঠাগত হওয়ার পূর্বে তওবা করে, আল্লাহ তাআলা তার তওবা কবুল করেন»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمُّ بْنُ نُوحٍ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، عَنِ النَّجْمِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لِقَاتِلِ الْمُشْرِكِينَ يَوْمَ الْقُرْآنِ نُورَانِ، وَلَقَاتِلُ الْخَوَارِجِ يَفْضُلُ سِتَّةَ أَنْوَارٍ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন হামদান, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাম্ম বিন নূহ, আমাদের বর্ণনা করেছেন সাল্ম বিন সালিম, নাজম থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাব থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «কুরআনের দিনে মুশরিকদের হত্যাকারীর জন্য রয়েছে দুটি নূর, আর খারেজীদের হত্যাকারী (তার তুলনায়) ছয়টি নূরে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করবে»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمُّ بْنُ نُوحٍ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَا مِنْ عَبْدٍ مُؤْمِنٍ يَذْكُرُنِي، فَيُصَلِّي عَلَيَّ، إِلا كُتِبَ لَهُ عَشْرُ حَسَنَاتٍ، وَمُحِيَ عَنْهُ عَشْرُ سَيِّئَاتٍ، وَرُفِعَ لَهُ عَشْرُ دَرَجَاتٍ، وَلا سَأَلَ عَبْدٌ الْجَنَّةَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، إِلا قَالَتِ الْجَنَّةُ: اللَّهُمَّ أَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَلا اسْتَجَارَ مِنَ النَّارِ ثَلاثَ مَرَّاتٍ، إِلا قَالَتِ: اللَّهُمَّ أَجِرْهُ مِنَ النَّارِ "
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক ইবনে হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মু ইবনে নূহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালম ইবনে সালিম, সুফিয়ান থেকে, তিনি ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবি মারইয়াম থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: " এমন কোনো মুমিন বান্দা নেই যে আমাকে স্মরণ করে এবং আমার প্রতি সালাত পাঠ করে, তবে তার জন্য দশটি নেকি লেখা হয়, তার থেকে দশটি পাপ মুছে ফেলা হয় এবং তার জন্য দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। আর কোনো বান্দা যদি তিনবার জান্নাত প্রার্থনা করে, তবে জান্নাত বলে: হে আল্লাহ! তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর যদি কোনো ব্যক্তি তিনবার জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে জাহান্নাম বলে: হে আল্লাহ! তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمٌّ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، ثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ، قَالَ: أَتَيْتُ عَائِشَةَ فَسَأَلْتُهَا عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، قَالَتِ: ائْتِ عَلِيًّا، فَإِنَّهُ كَانَ يُسَافِرُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ أَعْلَمُ مِنِّي بِهَذَا، فَأَتَيْتُ عَلِيًّا، فَقَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَمْسَحُ الْمُسَافِرُ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيهِنَّ، وَالْمُقِيمُ يَوْمًا وَلَيْلَةً»
১১ - ইসহাক বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সালম বিন সালিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আবি ইসহাক থেকে, তিনি শুরাইহ বিন হানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আয়েশা (রা.)-এর নিকট আসলাম এবং তাঁকে চামড়ার মোজার ওপর মাসেহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তুমি আলীর নিকট যাও, কেননা তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সফর করতেন এবং তিনি এ বিষয়ে আমার চেয়ে অধিক অবগত। অতঃপর আমি আলীর নিকট আসলাম, তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মুসাফির তিন দিন ও তিন রাত এবং মুকীম (নিবাসী) এক দিন ও এক রাত মাসেহ করবে»
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ حَمْدَانَ، ثَنَا حَمُّ بْنُ نُوحٍ، ثَنَا سَلْمُ بْنُ سَالِمٍ، ثَنا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ الْعَتَكِيُّ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " عَشَرَةٌ مِنْ قُرَيْشٍ فِي الْجَنَّةِ: رَسُولُ اللَّهِ فِي الْجَنَّةِ، وَأَبُو بَكْرٍ فِي الْجَنَّةِ، وَعُمَرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعُثْمَانُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَلِيٌّ فِي الْجَنَّةِ، وَطَلْحَةُ فِي الْجَنَّةِ، وَالزُّبَيْرُ فِي الْجَنَّةِ، وَسَعْدٌ فِي الْجَنَّةِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ فِي الْجَنَّةِ ".فَقِيلَ لِسَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ: وَمَنِ الْعَاشِرُ؟ فَبَكَى، ثُمَّ قَالَ: سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসহাক বিন হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মু বিন নূহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালম বিন সালিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ বিন ইয়াজিদ আল-আতাকি, আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি সাঈদ বিন যায়িদ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "কুরাইশদের দশজন জান্নাতে: আল্লাহর রাসূল জান্নাতে, আবু বকর জান্নাতে, উমর জান্নাতে, উসমান জান্নাতে, আলী জান্নাতে, তালহা জান্নাতে, যুবাইর জান্নাতে, সাদ জান্নাতে এবং আব্দুর রহমান জান্নাতে।"অতঃপর সাঈদ বিন যায়িদকে জিজ্ঞাসা করা হলো: দশম ব্যক্তি কে? তখন তিনি কাঁদলেন, অতঃপর বললেন: সাঈদ বিন যায়িদ।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُؤَمَّلِ بْنِ أَبَانِ بْنِ تَمَّامٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَهُوَ يَنْظُرُ فِي أَصْلِهِ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْحُدَّانِيُّ، ثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، ثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عِيسَى بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ.ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ، قَالَ: وَثنا نَصْرُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثَنا هُشَيْمٌ، عَنِ الْعَوَّامِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: " صَاحِبُكُمْ خَامِسُ خَمْسَةٍ، فَبُشِّرَ بِهِمْ قَبْلَ أَنْ يَكُونُوا: إِسْحَاقُ وَيَعْقُوبُ، قَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: {فَبَشَّرْنَاهَا بِإِسْحَاقَ وَمِنْ وَرَاءِ إِسْحَاقَ يَعْقُوبَ} [هود: 71] ، وَيَحْيَى: {أَنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيَى مُصَدِّقًا} [آل عمران: 39] ، وَعِيسَى بْنِ مَرْيَمَ: {إِنَّ اللَّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِنْهُ اسْمُهُ} [آل عمران: 45] ، وَمُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم، قَوْلُ عِيسَى: {يَأْتِي مِنْ بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ} [الصف: 6] ، فَهَؤُلاءِ أُخْبِرَ بِهِمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَكُونُوا "
১৩ - আবু উবাইদ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল মুআম্মাল ইবনে আবান ইবনে তাম্মাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, এমতাবস্থায় তিনি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপির দিকে লক্ষ্য রাখছিলেন; আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আল-হুদ্দানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারুন ইবনে মারূফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে উমর থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে। (হা) এবং আবু উবাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাসর ইবনে হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওয়াম থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি মুররাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "তোমাদের সাথী পাঁচ জনের পঞ্চম জন, যাদের অস্তিত্বে আসার পূর্বেই তাঁদের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল: ইসহাক ও ইয়াকুব; মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর আমি তাঁকে সুসংবাদ দিলাম ইসহাকের এবং ইসহাকের পর ইয়াকুবের} [হূদ: ৭১], এবং ইয়াহইয়া: {নিশ্চয় আল্লাহ তোমাকে ইয়াহইয়া সম্পর্কে সুসংবাদ দিচ্ছেন যিনি সত্যায়নকারী হবেন} [আল-ইমরান: ৩৯], এবং ঈসা ইবনে মারইয়াম: {নিশ্চয় আল্লাহ তোমাকে তাঁর পক্ষ থেকে একটি কালিমাহ (বাণী)-র সুসংবাদ দিচ্ছেন যার নাম...} [আল-ইমরান: ৪৫], এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; ঈসার উক্তি: {যিনি আমার পরে আসবেন তাঁর নাম আহমদ} [আস-সাফ: ৬]; এই ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে তাঁদের অস্তিত্বে আসার পূর্বেই সংবাদ প্রদান করা হয়েছিল।"
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ الصَّيْرَفِيُّ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ يَحْيَى الأُمَوِيُّ، ثَنَا مَالِكُ بْنُ مِغْوَلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، عَنِ الْمُسَيِّبِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ أَبِي إِيَاسٍ الْبَجَلِيِّ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ تَوَاضَعَ تَعَظُّمًا حَفِظَهُ اللَّهُ، وَمَنْ تَوَاضَعَ لِلَّهِ تَخَشُّعًا شَرَّفَهُ اللَّهُ، وَمَنْ سَمَّعَ سَمَّعَ اللَّهُ بِهِ، وَمَنْ رَاءَى رَاءَى اللَّهُ بِهِ، أَلا إِنَّ لابْنِ آدَمَ لُمَّةً مِنَ الشَّيْطَانِ، وَلُمَّةً مِنَ الْمَلَكِ، فَأَمَّا لُمَّةُ الْمَلَكِ فَإِيعَاذٌ بِالْخَيْرِ، وَتَصْدِيقٌ بِالْحَقِّ، فَمَنْ أَحَسَّ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَلْيَحْمَدِ اللَّهَ عز وجل، وَأَمَّا لُمَّةُ الشَّيْطَانِ، فَإِيعَاذٌ بِالشَّرِّ، وَتَكْذِيبٌ بِالْحَقِّ، فَمَنْ أَحَسَّ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْهُ»
১৪ - আবু উবাইদ আস-সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমাওয়ি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবনে মিগওয়াল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে মাসরুক থেকে, তিনি আল-মুসাইয়্যিব ইবনে রাফি থেকে, তিনি আবু ইয়াস আল-বাজালি থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি বড় হওয়ার উদ্দেশ্যে বিনয় প্রকাশ করে, আল্লাহ তাকে (সেই হীন অবস্থাতেই) রাখেন; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিনয়াবত হয়ে বিনয় প্রকাশ করে, আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেন। আর যে ব্যক্তি মানুষকে শোনানোর জন্য কাজ করে, আল্লাহ তার স্বরূপ শুনিয়ে দেন (অপদস্থ করেন); আর যে ব্যক্তি লোকদেখানোর জন্য কাজ করে, আল্লাহ তার লোকদেখানো মনোভাব প্রকাশ করে দেন। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই আদম সন্তানের ওপর শয়তানের পক্ষ থেকে একটি প্রভাব রয়েছে এবং ফেরেশতার পক্ষ থেকে একটি প্রভাব রয়েছে। ফেরেশতার প্রভাব হলো কল্যাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং সত্যকে সত্যায়ন করা; সুতরাং যে ব্যক্তি নিজের মাঝে এর কিছুটা অনুভব করে, সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে। আর শয়তানের প্রভাব হলো অকল্যাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং সত্যকে অস্বীকার করা; সুতরাং যে ব্যক্তি নিজের মাঝে এর কিছুটা অনুভব করে, সে যেন তার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে।’
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو اللَّيْثِ نَصْرُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ نَصْرٍ الْفَرَائِضِيُّ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْخُشُوعِيُّ، سَنَةَ أَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، ثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهُ كَانَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَلامٌ، فَقَالَ لَهَا: «مَنْ تَرْضَيْنَ بَيْنِي وَبَيْنَكِ؟ أَتَرْضَيْنَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ؟» قَالَتْ: لا أَرْضَاهُ؛ عُمَرُ غَلِيظٌ، فَقَالَ: «أَتَرْضَيْنَ بِأَبِيكِ بَيْنِي وَبَيْنِكِ؟» قَالَتْ: نَعَمْ.قَالَ: فَبَعَثَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَجَاءَ، فَقَالَ: «وَإِنَّ هَذِهِ مِنْ أَمْرِهَا كَذَا، وَمِنْ أَمْرِهَا كَذَا» .قَالَتْ: قُلْتُ: اتَّقِ اللَّهَ، وَلا تَقُلْ إِلا حَقًّا.قَالَتْ: فَرَفَعَ أَبُو بَكْرٍ يَدَهُ، فَرَثَمَ بِهِ أَنْفَهَا، وَقَالَ: أَنْتِ لا أُمَّ لَكِ، يَا ابْنَةَ أُمِّ رُومَانَ تَقُولِينَ الْحَقَّ وَأَبُوكِ، وَلَا يَقُولُهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم! قَالَتْ: فَابْتَدَرَتْ مِنْخَرَاهَا كَأَنَّهَا غَزْلا، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ: «الْبَيْتَ» .وَجَعَلَ يَضْرِبُهَا بِهَا، فَقَامَتْ هَارِبَةً مِنْهُ، فَلَزِقَتْ بِظَهْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: حَتَّى قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَقْسَمْتُ عَلَيْكَ، لَمَّا خَرَجْتَ، فَإِنَّا لَمْ نَدْعُكَ لِهَذَا» .فَلَمَّا خَرَجَ قَامَتْ فَتَنَحَّتْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ، فَقَالَ لَهَا: «ادْنُ مِنِّي» .فَأَبَتْ أَنْ تَفْعَلَ، فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ لَهَا: «لَقَدْ كُنْتِ قَبْلَ هَذَا شَدِيدَةَ اللُّزُوقِ بِظَهْرِي»
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল লাইস নাসর ইবনুল কাসিম ইবনে নাসর আল-ফারাইদি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-খুশুয়ি, ২৪০ হিজরি সনে, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-হাদরামি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল ওয়ারিস ইবনে সাইদ আল-আনবারি। মুমিন জননী আয়েশা আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর ও আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে কিছু কথা (মনোমালিন্য) হয়েছিল। তখন রাসুল তাঁকে বললেন: “তোমার ও আমার মাঝে (সালিশ হিসেবে) তুমি কাকে পছন্দ করো? তুমি কি ওমর ইবনুল খাত্তাবকে পছন্দ করো?” তিনি বললেন: “না, আমি তাঁকে পছন্দ করি না; ওমর তো অত্যন্ত কঠোর।” অতঃপর রাসুল বললেন: “তোমার ও আমার মাঝে তোমার পিতাকে তুমি কি পছন্দ করো?” তিনি বললেন: “হ্যাঁ।”বর্ণনাকারী বলেন: তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট লোক পাঠালেন এবং তিনি আসলেন। রাসুল বললেন: “তার বিষয়টি এমন এমন এবং এমন এমন (অর্থাৎ তিনি তাঁর অভিযোগ ব্যক্ত করলেন)।”আয়েশা বলেন: আমি বললাম, “আল্লাহকে ভয় করুন এবং সত্য ছাড়া কিছু বলবেন না।”আয়েশা বলেন: তখন আবু বকর তাঁর হাত তুললেন এবং আমার নাকে আঘাত করলেন। আর তিনি বললেন: “হে উম্মে রোমানের কন্যা! তোমার মা না থাকুক! তুমি এবং তোমার পিতা সত্য কথা বলো, আর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্য বলেন না (এমন দাবি করছো)!” আয়েশা বলেন: তখন আমার দুই নাসারন্ধ্র দিয়ে পশম কাটার যন্ত্রের মতো (রক্ত) ফিনকি দিয়ে বের হতে লাগল। আল্লাহর রাসুল বললেন: “(তুমি) ঘরে (যাও)।”আর তিনি (আবু বকর) তাঁকে মারতে লাগলেন, তখন আয়েশা তাঁর থেকে পলায়ন করে দাঁড়িয়ে পড়লেন এবং আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিঠের সাথে লেপটে রইলেন। আয়েশা বলেন: পরিশেষে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে (আবু বকরকে) বললেন: “আমি আপনাকে কসম দিয়ে বলছি যে আপনি বেরিয়ে যান, কেননা আমরা আপনাকে এই কাজের (মারপিটের) জন্য ডাকিনি।”অতঃপর যখন তিনি বেরিয়ে গেলেন, আয়েশা দাঁড়িয়ে আল্লাহর রাসুলের থেকে সরে দাঁড়ালেন। তখন রাসুল তাঁকে বললেন: “আমার নিকটবর্তী হও।”কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকার করলেন। তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসলেন এবং তাঁকে বললেন: “এর কিছুক্ষণ আগে তো তুমি আমার পিঠের সাথে খুব শক্তভাবে লেপটে ছিলে।”
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ الصَّيْرَفِيُّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُؤَمَّلِ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْيَمَانِيُّ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي يَحْيَى، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «صَلَّتِ الْمَلائِكَةُ عَلَيَّ وَعَلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ سَبْعَ سِنِينَ» .قَالُوا: وَلِمَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «لَمْ يَكُنْ مَعِي مِنَ الرِّجَالِ غَيْرُهُ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উবাইদ আস-সাইরাফি মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল মুআম্মাল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-ইয়ামানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া, তিনি সুহাইল ইবনে আবি সালিহ হতে, তিনি ইকরিমা হতে এবং তিনি ইবনে আব্বাস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ফেরেশতারা সাত বছর পর্যন্ত আমার এবং আলী ইবনে আবি তালিবের ওপর সালাত পাঠ করেছেন»।তারা জিজ্ঞেস করলেন: হে আল্লাহর রাসূল, কেন এমন হয়েছিল? তিনি বললেন: «কারণ পুরুষদের মধ্যে তিনি ব্যতীত অন্য কেউ আমার সাথে ছিল না»।
(খণ্ড: ১)
আস-সালিছ মিন মাশইয়াখাতি ইবনি হাইউইয়াহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو عُبَيْدٍ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ حَرْبَوَيْهِ، أَنْبَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي يَعْلَى بْنِ صَالِحٍ، ثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أُخْبِرُكُمْ بِرِجَالِكُمْ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ: النَّبِيُّ فِي الْجَنَّةِ، وَالصِّدِّيقُ فِي الْجَنَّةِ، وَالشَّهِيدُ فِي الْجَنَّةِ، وَالرَّجُلُ يَزُورُ أَخَاهُ فِي نَاحِيَةِ الْمِصْرِ لا يَزُورُهُ إِلا لِلَّهِ فِي الْجَنَّةِ، وَنِسَاؤُكُمْ فِي الْجَنَّةِ: الْوَدُودُ الْوَلُودُ، الَّتِي إِذَا غَضِبَ أَوْ غَضِبَتْ جَاءَتْ حَتَّى تَضَعَ يَدَهَا فِي يَدِ زَوْجِهَا، ثُمَّ تَقُولُ: لا أَذُوقُ غُمْضًا حَتَّى تَرْضَى "
১৭ - কাজী আবু উবাইদ আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে হারবুইয়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আবি ইয়ালা ইবনে সালিহ আমাদের জানিয়েছেন, খালাফ ইবনে খালিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হাশিম থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবাইর থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি কি তোমাদের জান্নাতবাসী পুরুষদের সম্পর্কে সংবাদ দেব না? নবী জান্নাতী, সিদ্দিক জান্নাতী, শহীদ জান্নাতী এবং সেই ব্যক্তি যে শহরের এক প্রান্তে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তার ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে যায়, সেও জান্নাতী। আর তোমাদের জান্নাতী নারীরা হলো: যারা অধিক প্রেমময়ী ও অধিক সন্তান প্রসবকারিনী; যারা (স্বামী) রাগান্বিত হলে অথবা নিজে রাগান্বিত হলে (স্বামীর নিকট) এসে তার হাত স্বামীর হাতের ওপর রাখে এবং বলে: আপনি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আমি ঘুমের স্বাদ গ্রহণ করব না।"