(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة ابن حذلم   (أحمد بن حذلم)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مشيخة ابن حذلم

المؤلف: أبو الحسن القاضي أحمد بن سليمان بن أيوب بن داود بن عبد الله بن حَذْلَم الأسدي الدمشقي الأوزاعي (ت 347هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 64

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মাশয়াখাতু ইবনে হাযলাম   (আহমদ বিন হাযলাম)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মাশয়াখাতু ইবনে হাযলাম

লেখক: আবু আল-হাসান আল-কাজী আহমদ বিন সুলায়মান বিন আইয়ুব বিন দাউদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাযলাম আল-আসাদী আদ-দিমাশকী আল-আওযায়ী (মৃত ৩৪৭ হি.)

প্রকাশক: ইসলাম ওয়েব সাইটের জাওয়ামি আল-কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৪

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ مِنْ حَدِيثِ الْقَاضِي أَبِي الْحَسَنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ حَذْلَمٍ الْقَاضِي ، عَنْ شُيُوخِهِ.

رِوَايَةُ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ ، عَنْهُمَا ، رحمهم الله.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عُقَيْلِ بْنِ رِيشٍ الْبَزَّارِ ، رضي الله عنه ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ.
ক্বাজী আবুল হাসান আহমাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আইয়ুব ইবনে হাযলাম আল-ক্বাজীর তাঁর শায়খদের থেকে বর্ণিত হাদীসের একটি অংশ।

আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান ইবনে উসমান ইবনে আল-কাসিম ইবনে আবু নাসরের বর্ণনা, তাঁদের উভয়ের পক্ষ থেকে, আল্লাহ তাঁদের ওপর রহম করুন।

শাইখ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে উকাইল ইবনে রিশ আল-বায্যারের বর্ণনা, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, আবু মুহাম্মাদ ইবনে আবু নাসর থেকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২)
1 - نا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ الْكَتَّانِيُّ، مِنْ لَفْظِهِ، وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عُقَيْلِ بْنُ رِيشِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي دَارِهِ ، فِي جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ خَمْسَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَذْلَمٍ الْقَاضِي إِمْلاءً بِدِمَشْقَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ لِيَوْمٍ بَقِيَ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو زُرْعَةَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرُو، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ: نا ابْنُ سَلْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ الْحَسَنِ، وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، وَعَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يَسْرِقُ السَّارِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلا يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلا يَشْرَبُ الْخَمْرَ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، فَإِنْ فَعَلَ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ بَرِئَ الإِيمَانُ مِنْ قَلْبِهِ، فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عز وجل عَلَيْهِ»
১ - আমাদের নিকট শাইখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইবনে আহমদ আল-কাত্তানি তার নিজ শব্দে বর্ণনা করেছেন এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে উকাইল ইবনে রিশ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাজ্জাজ—তার নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে উসমান ইবনে আল-কাসিম ইবনে আবি নাসর—তার বাসগৃহে তার নিকট পাঠের মাধ্যমে—চারশত পনেরো হিজরি সনের জুমাদাল আখিরা মাসে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল হাসান আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাজলাম আল-কাজি দামেস্কে শ্রুতলিখনের (ইমলা) মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন তিনশত তেতাল্লিশ হিজরি সনের রবিউস সানি মাসের একদিন অবশিষ্ট থাকতে জুমার দিনে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু জুরআ আব্দুর রহমান ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে বিশর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে সালম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাকাম ইবনে আব্দুল মালিক বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এবং আতা থেকে, তারা আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো চোর যখন চুরি করে তখন সে মুমিন অবস্থায় চুরি করে না, কোনো ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে তখন সে মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না এবং কোনো ব্যক্তি যখন মদ পান করে তখন সে মুমিন অবস্থায় তা পান করে না। যদি সে এর কোনোটি করে ফেলে, তবে তার অন্তর থেকে ঈমান বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অতঃপর সে যদি তাওবা করে তবে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তার তাওবা কবুল করেন।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا عُبَيْدُ بْنُ حَبَّانَ، قَالَ: نا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: نا قَتَادَةُ بْنُ دِعَامَةَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«إِذَا قَعَدْتَ بَيْنَ شُعَبِهَا الأَرْبَعِ، ثُمَّ جَهَدْتَهَا بِهِ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদ বিন হাব্বান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস বিন সাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাতাদাহ বিন দিআমাহ, তিনি হাসান বিন আবুল হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যখন তুমি তার (স্ত্রীর) চার শাখার মাঝে বসবে, অতঃপর তার সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হবে, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যাবে»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لَغَدْوَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل أَوْ رَوْحَةٌ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا جَمِيعًا، وَلَقَابُ قَوْسِ أَحَدِكُمْ مِنَ الْجَنَّةِ أَوْ قِيدُ سَوْطِهِ خَيْرٌ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পথে একটি সকাল বা একটি সন্ধ্যা অতিবাহিত করা সমগ্র দুনিয়া অপেক্ষা উত্তম। আর জান্নাতে তোমাদের কারো একটি ধনুক সমপরিমাণ স্থান অথবা পরিমাপ তার চাবুকের, যা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী সবকিছুর চেয়ে উত্তম।’»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: نا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: "‌‌ أَيُّمَا رَجُلٍ تَرَكَ كَنْزًا مُثِّلَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُجَاعًا أَقْرَعَ، قَالَ: يَقُولُ: وَيْلَكَ مَا أَنْتَ؟ قَالَ: يَقُولُ: أَنَا كَنْزُكَ، قَالَ: فَمَا يَنْتَهِي بِهِ حَتَّى يُلْقِمَهُ يَدَهُ، فَيَقْضَمُهَا، ثُمَّ يُتْبِعُهَا يَدَيْهِ "
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, আর তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তিই কোনো ধন-ভাণ্ডার রেখে যাবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য একটি টেকো বিষধর সাপের রূপ ধারণ করবে। সে বলবে: তোমার ধ্বংস হোক! তুমি কে? সে বলবে: আমি তোমার ধন-ভাণ্ডার। তিনি বলেন: অতঃপর সেটি তাকে ছাড়বে না যতক্ষণ না সে তার হাত তার মুখে ঢুকিয়ে দেয় এবং সেটি তা চিবিয়ে ফেলে; অতঃপর সে তার হাতদ্বয়কে তার অনুগামী করবে।"
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: نا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ نَهَى أَنْ تَصُومَ الْمَرْأَةُ إِلا بِإِذْنِ زَوْجِهَا "
৫ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন বাক্কার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নারীর জন্য তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: أنا أَحْمَدُ ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: نا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«الْحُمَّى مِنْ كِيرِ جَهَنَّمَ ، فَمَنْ وَجَدَ مِنْهَا شَيْئًا فَلْيَسِيحِهَا عَنْهُ بِالْمَاءِ الْبَارِدِ»
৬ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে বাক্কার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রাহ থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «জ্বর হলো জাহান্নামের হাপরের উত্তাপ থেকে, সুতরাং কেউ যদি এর কিছু অনুভব করে, তবে সে যেন তা ঠান্ডা পানি দিয়ে নিজের থেকে দূর করে (শীতল করে)।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارٍ، قَالَ: نا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: "‌‌ إِذَا صَامَ أَحَدُكُمْ فَلا يَرْفُثْ، وَلا يَجْهَلْ، فَإِنْ ظُلِمَ أَوْ شُتِمَ فَلْيَقُلْ: إِنِّي صَائِمٌ "
৭ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু যুরআহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবন বাক্কার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "‌‌ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন রোজা রাখে, তখন সে যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং মূর্খতাসুলভ আচরণ না করে। যদি তার প্রতি জুলুম করা হয় অথবা তাকে গালি দেওয়া হয়, তবে সে যেন বলে: আমি রোজা আছি। "
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ: نا الْحَكَمُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ مَثَلُ الْغَازِي فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل كَمَثَلِ الْقَائِمِ لا يَفْتُرُ مِنْ صَلاةٍ وَلا صَوْمٍ حَتَّى يَرْجِعَ ، وَقَالَ رَبُّكُمْ تبارك وتعالى: «الْغَازِي عَلَيَّ مَضْمُونٌ ، إِنْ أَقْلَبْتُهُ أَقْلَبْتُهُ بِأَجْرٍ وَغَنِيمَةٍ، وَإِنْ تَوَفَّيْتُهُ غَفَرْتُ لَهُ»
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন বিশর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম বিন আব্দুল মালিক, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আল-হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর পথে জিহাদকারীর দৃষ্টান্ত হলো সেই ব্যক্তির ন্যায় যে সালাত ও সিয়াম পালনে কোনো ক্লান্তি বা বিরতি ছাড়াই ইবাদতে রত থাকে যতক্ষণ না সে ফিরে আসে। আর তোমাদের বরকতময় ও সুউচ্চ রব বলেছেন: "জিহাদকারীর দায়িত্বভার আমার ওপর; যদি আমি তাকে ফিরিয়ে আনি, তবে সওয়াব ও গনীমতসহ ফিরিয়ে আনব, আর যদি আমি তার মৃত্যু ঘটাই, তবে তাকে ক্ষমা করে দেব।"
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا حُمَيْدُ بْنُ زَنْجُوَيْهِ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: نا الْحَجَّاجُ بْنُ أَبِي زَيْنَبَ أَبُو يُوسُفَ الصَّيْقَلُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عُثْمَانَ النَّهْدِيَّ يُحَدِّثُ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«إِنَّ اللَّهَ عز وجل يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ خَلَقَ مِائَةَ رَحْمَةٍ كُلُّ رَحْمَةٍ طِبَاقُهَا، فَقَسَمَ رَحْمَةً وَاحِدَةً بَيْنَ جَمِيعِ الْخَلْقِ، وَأَخَّرَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ رَحْمَةً، فَإِذَا يَوْمُ الْقِيَامَةِ رَدَّ هَذِهِ الرَّحْمَةَ، فَصَارَتْ مِائَةَ رَحْمَةٍ يَرْحَمُ بِهَا عِبَادَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমায়দ ইবনে যানজুয়াইহি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ ইবনে হারুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাজ্জাজ ইবনে আবি যায়নাব আবু ইউসুফ আস-সাইকাল, তিনি বলেন: আমি আবু উসমান আন-নাহদীকে বর্ণনা করতে শুনেছি আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল যেদিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন তিনি একশত রহমত সৃষ্টি করেছেন; প্রতিটি রহমত আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণকারী। অতঃপর তিনি একটি রহমত সকল সৃষ্টির মাঝে বণ্টন করেছেন এবং নিরানব্বইটি রহমত স্থগিত রেখেছেন। অতঃপর যখন কিয়ামতের দিন হবে, তখন তিনি এই রহমতটিও ফিরিয়ে নেবেন; ফলে তা পূর্ণ একশত রহমতে পরিণত হবে, যার মাধ্যমে কিয়ামতের দিন তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়া করবেন।’»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، قَالَ: نا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَبْدُ السَّلامِ بْنُ عَجْلانَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو عُثْمَانَ النَّهْدِيُّ، وَأَبُو يَزِيدَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ حَرَّمَ اللَّهُ عز وجل الْجَنَّةَ عَلَى آدَمِيٍّ يَدْخُلُهَا قَبْلِي ، غَيْرَ أَنِّي أَنْظُرُ فَإِذَا أَنَا بِامْرَأَةٍ بِبَابٍ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ، فَأَقُولُ: يَا رَبِّ مَا هَذِهِ؟ فَيُقَالُ: هَذِهِ امْرَأَةٌ حَسْنَاءُ جَمْلاءُ لَهَا أَيْتَامٌ قَامَتْ عَلَيْهِمْ حَتَّى بَلَغَ مِنْ أَمْرِهِمْ مَا بَلَغَ، فَهِيَ تُبَادِرُكَ بِبَابِ الْجَنَّةِ "
১০ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: উকবা ইবনে মুকরাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুস সালাম ইবনে আজলান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উসমান আন-নাহদি এবং আবু ইয়াযিদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আমার পূর্বে কোনো মানুষের জান্নাতে প্রবেশ করা হারাম করেছেন; তবে আমি লক্ষ্য করব যে জান্নাতের একটি দরজায় একজন নারী রয়েছে , তখন আমি বলব: হে আমার রব! ইনি কে? তখন বলা হবে: ইনি একজন রূপবতী ও সুন্দরী নারী যার এতিম সন্তান ছিল এবং সে তাদের লালন-পালনে ধৈর্য ধরে নিয়োজিত ছিল যতক্ষণ না তারা সাবালক হয়েছে; সে জান্নাতের দরজায় আপনার সাথে অগ্রগামী হওয়ার চেষ্টা করছে।"
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا هَوْذَةُ، قَالَ: نا عَوْفٌ، عَنِ الْحَسَنِ، وَعَنْ مُحَمَّدٍ، وَخِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«الْعَائِدُ فِي عَطِيَّتِهِ كَمَثَلِ الْكَلْبِ أَكَلَ حَتَّى إِذَا شَبِعَ قَاءَ، ثُمَّ عَادَ فِي قَيْئِهِ فَأَكَلَهُ»
১১ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাওজাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আওফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান, মুহাম্মদ এবং খিলাস থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি নিজের দান ফেরত নেয়, তার উদাহরণ সেই কুকুরের মতো যে আহার করল এবং যখন তৃপ্ত হলো তখন বমি করল, অতঃপর সে তার বমির দিকে ফিরে গেল এবং তা ভক্ষণ করল।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا هَوْذَةُ، قَالَ: نَا عَوْفٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

وَعَنْ مُحَمَّدٍ، وَخِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«إِذَا صَامَ أَحَدُكُمْ يَوْمًا فَنَسِيَ فَأَكَلَ وَشَرِبَ فَلْيُتَمَّ صَوْمَهُ، فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ»
১২ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাওযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হাসান থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং মুহাম্মদ ও খিলাস থেকে বর্ণিত, তারা আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তোমাদের কেউ যখন কোনো একদিন রোজা রাখে, অতঃপর ভুলে গিয়ে পানাহার করে, সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে; কারণ আল্লাহই তাকে আহার করিয়েছেন এবং পান করিয়েছেন»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا هَوْذَةُ، قَالَ: نا عَوْفٌ، عَنْ مُحَمَّدٍ.

وَخِلاسٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لا تَسُبُّوا الدَّهْرَ؛ فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل هُوَ الدَّهْرُ»
১৩ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু যুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হাওযাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আউফ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ থেকে।

এবং খিলাস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা কালকে গালি দিও না; কেননা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লাই হলেন কাল»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، قَالَ: نا النَّضْرُ، قَالَ: نا عَوْفٌ، عَنْ خِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لا يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ فِي الْمَاءِ الدَّائِمِ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ مِنْهُ»
১৪ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমায়দ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খিলাস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই স্থির পানিতে প্রস্রাব না করে, অতঃপর তা থেকে ওযু করে»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا حُمَيْدٌ، قَالَ: نا النَّضْرُ، قَالَ: أنا عَوْفٌ، عَنْ خِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنِ اشْتَرَى نَعْجَةً مُصَرَّاةً أَوْ شَاةً مُصَرَّاةً فَحَلَبَهَا فَهُوَ يَأْخُذُ النَّظَرَيْنِ بِالْخِيَارِ بَيْنَ أَنْ يَحُوزَهَا ، أَوْ يَرُدَّهَا وَإِنَاءً مِنْ طَعَامٍ» .

قَالَ عَوْفٌ: ذَلِكَ إِذَا نَقَصَ مِنْ لَبَنِهَا
১৫ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু জুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: হুমায়দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আওফ আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন খিলাস থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি ওলানে দুধ জমিয়ে রাখা মাদি ভেড়া বা ছাগল ক্রয় করল, অতঃপর সেটির দুধ দোহন করল, সে দুইটি বিষয়ের মধ্যে উত্তমটি গ্রহণ করার ইখতিয়ার পাবে; চাইলে সে সেটিকে নিজের কাছে রেখে দেবে অথবা সেটিকে ফেরত দেবে এবং এক পাত্র খাদ্য প্রদান করবে»।

আওফ বলেন: এটি তখন প্রযোজ্য হবে যখন তার দুধ কমে যাবে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا حُمَيْدٌ، قَالَ: أنا النَّضْرُ، قَالَ: نا عَوْفٌ، عَنْ خِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تُقَاتِلُوا أَقْوَامًا عِرَاضَ الْوُجُوهِ، صِغَارَ الأَعْيُنِ، خُنْسَ الأَنْفِ، كَأَنَّ وُجُوهَهُمُ الْمَجَانُّ الْمُطْرَقَةُ»
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আন-নাদর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওফ, খিলাস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে যাদের চেহারা প্রশস্ত, চোখ ছোট এবং নাক চ্যাপ্টা; তাদের চেহারাগুলো যেন ঢাল যা চামড়া দ্বারা আবৃত।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، قَالَ: أنا النَّضْرُ، قَالَ: أنا عَوْفٌ، عَنْ خِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَوْلا بَنُو إِسْرَائِيلَ لَمْ يَخْنَزِ اللَّحْمُ وَلَمْ يَخْبُثِ الطَّعَامُ، وَلَوْلا حَوَّاءُ لَمْ تَخُنْ أُنْثَى زَوْجَهَا»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাদর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আওফ, খিলাস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যদি বনী ইসরাঈল না হতো, তবে গোশত দুর্গন্ধযুক্ত হতো না এবং খাদ্য নষ্ট হতো না; আর যদি হাওয়া না হতেন, তবে কোনো নারী তার স্বামীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করত না।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحَمْنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا حُمَيْدٌ، قَالَ: أنا النَّضْرُ، قَالَ: أنا عَوْفٌ، عَنْ خِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عز وجل عَلَى رَجُلٍ قَتَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَاشْتَدَّ غَضَبُ اللَّهِ عز وجل عَلَى رَجُلٍ تَسَمَّى مَلِكَ الأَمْلاكِ، لا مَلِكَ إِلا اللَّهُ عز وجل»
১৮ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুমায়দ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আন-নাদর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আওফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খিলাস হতে বর্ণিত, আবু হুরাইরা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «সেই ব্যক্তির ওপর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ক্রোধ অত্যন্ত তীব্র হয়েছে যাকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হত্যা করেছেন, এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর ক্রোধ অত্যন্ত তীব্র হয়েছে সেই ব্যক্তির ওপর যে নিজেকে রাজাধিরাজ (মালিকুল আমলাক) নামে অভিহিত করেছে, অথচ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মালিক নেই।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، قَالَ: نا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ عَوْفٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ‌‌ لِلَّهِ عز وجل مِائَةَ رَحْمَةٍ، وَأَنَّهُ قَسَمَ وَاحِدَةً بَيْنَ أَهْلِ الدُّنْيَا فَوَسِعَتْهُمْ إِلَى آجَالِهِمْ، وَادَّخَرَ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ رَحْمَةً لأَوْلِيَائِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: نا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، قَالَ: نا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ خِلاسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، مِثْلَ ذَلِكَ
১৯ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উকবাহ ইবনে মুকরাম আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি আদি আমাদের বর্ণনা করেছেন আওফ থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, মহাপরাক্রমশালী ও মহান আল্লাহর একশত রহমত রয়েছে। তিনি তার একটি দুনিয়াবাসীর মধ্যে বন্টন করেছেন, যা তাদের মৃত্যুর সময় পর্যন্ত পরিব্যপ্ত হয়েছে এবং তিনি নিরানব্বইটি রহমত সঞ্চিত রেখেছেন কিয়ামতের দিন তাঁর বন্ধুদের জন্য।

আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উকবাহ ইবনে মুকরাম আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আবি আদি আমাদের বর্ণনা করেছেন আওফ থেকে, তিনি খিলাস থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ ، قَالَ: حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحَمْنِ، قَالَ: نا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: نا عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ خِلاسِ بْنِ عَمْرٍو الْهَجَرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولٍ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«إِنَّ مَثَلَ الَّذِي يَعُودُ فِي عَطِيَّتِهِ كَمَثَلِ الْكَلْبِ يَعُودُ فِي قَيْئِهِ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ, তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুলায়মান ইবনে আবদুর রহমান, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আওফ আল-আরাবি, তিনি খিলাস ইবনে আমর আল-হাজারি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি নিজের দান ফিরিয়ে নেয়, তার উদাহরণ সেই কুকুরের মতো, যে নিজের বমি পুনরায় ভক্ষণ করে।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحَمْنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، قَالَ: نا عَوْفٌ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ خِلاسِ بْنِ عَمْرٍو الْهَجَرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لَوْلا بَنُو إِسْرَائِيلَ لَمْ يَخْنَزِ اللَّحْمُ، وَلَمْ يَخْبُثِ الطَّعَامُ، وَلَوْلا حَوَّاءُ لَمْ تَخُنْ أُنْثَى زَوْجَهَا»
২১ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু যুরআহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সুলাইমান বিন আব্দুর রহমান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আউফ আল-আ'রাবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খিলাস বিন আমর আল-হাজারি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যদি বনী ইসরাঈল না হতো তবে গোশত পচত না এবং খাদ্য নষ্ট হতো না; আর যদি হাওয়া না হতেন তবে কোনো নারীই তার স্বামীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করত না।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو زُرْعَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ زَنْجُوَيْهِ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أنا الْعَوَّامُ بْنُ حَوْشَبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ ، ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ، يَقُولُ: "‌‌ أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاثٍ لَسْتُ بِتَارِكِهِنَّ: أَلا أَنَامُ إِلا عَلَى وِتْرٍ، وَأَنْ أَصُومَ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ فِي السَّفَرِ وَالْحَضَرِ، وَأَلا أَدَعَ رَكْعَتَيِ الضُّحَى؛ فَإِنَّهَا صَلاةُ الأَوَّابِينَ "

مِنْ حَدِيثِ يَزِيدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যুরআহ, তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন হুমায়দ ইবন জানজুয়াইহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবন হারুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আওয়াম ইবন হাওশাব, তিনি বলেন: আমাকে সুলাইমান ইবন আবু সুলাইমান সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছেন: "‌‌আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের ওসিয়ত করেছেন যা আমি কখনো ত্যাগ করব না: আমি যেন বিতর আদায় না করে না ঘুমাই, এবং তিন দিন সফর ও বাড়িতে থাকা অবস্থায় সিয়াম পালন করি, আর চাশতের দুই রাকাত সালাত যেন না ছাড়ি; কারণ তা হলো আউয়াবীনদের (আল্লাহ অভিমুখীদের) সালাত।"

ইয়াজিদ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুস সামাদের হাদীস হতে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ، قَالَ: نا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا سَعْدَانُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: نا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ ، عَنْ عُرْوَةَ ، أَنَّ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ جَاءَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَتْ تُسْتَحَاضُ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُسْتَحَاضُ فَلا أَطْهُرُ، أَفَأَدَعُ الصَّلاةَ أَبَدًا؟ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ، وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاةَ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي»
২৩ - আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুস সামাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান বিন আবদুর রহমান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সা'দান বিন ইয়াহইয়া আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হিশাম বিন উরওয়াহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উরওয়াহ থেকে, নিশ্চয়ই আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, ফাতিমা বিনতে আবি হুবাইশ আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন, এমতাবস্থায় যে তিনি ইস্তিহাজায় আক্রান্ত ছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল! আমি ইস্তিহাজায় আক্রান্ত এবং আমি পবিত্র হতে পারছি না, আমি কি সর্বদা সালাত বর্জন করব? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «নিশ্চয়ই এটি কেবল একটি শিরা (থেকে নির্গত রক্ত), এটি ঋতুস্রাব নয়। সুতরাং যখন ঋতুস্রাব শুরু হবে তখন সালাত বর্জন করো, আর যখন তা শেষ হয়ে যাবে তখন তোমার থেকে রক্ত ধুয়ে ফেলো এবং সালাত আদায় করো।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: نا سُلَيْمَانُ، قَالَ: نا سَعْدَانُ، قَالَ: نا هِشَامٌ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَدْعُو بِهَؤُلاءِ الدَّعَوَاتِ: ‌‌«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ، وَمِنْ فِتْنَةِ النَّارِ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيخِ الدَّجَّالِ، اللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ، وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ»
২৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সা'দান, তিনি বলেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই দোয়াগুলোর মাধ্যমে প্রার্থনা করতেন: «হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট জাহান্নামের আযাব থেকে, আগুনের ফিতনা থেকে, কবরের ফিতনা থেকে, কবরের আযাব থেকে এবং অনিষ্ট থেকে ধনবত্তার ফিতনার, এবং দারিদ্র্যের ফিতনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি; আর আমি আপনার নিকট মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! আপনি আমার পাপসমূহ বরফ ও শীতল পানি দ্বারা ধৌত করে দিন এবং আমার অন্তরকে পাপ হতে পরিচ্ছন্ন করুন যেভাবে আপনি সাদা কাপড়কে ময়লা হতে পরিচ্ছন্ন করেন। আর আমার ও আমার পাপসমূহের মাঝে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন যেভাবে আপনি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট অলসতা, অতি বার্ধক্য, পাপাচার ও ঋণগ্রস্ততা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: نا سُلَيْمَانُ، قَالَ: نا سَعْدَانُ، قَالَ: نا هِشَامٌ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، أَنَّهَا قَالَتْ: ‌‌«قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ سَفَرٍ وَقَدْ سَتَرْتُ عَلَى بَيْتِي دُرْنُوكًا فِيهِ الْخَيْلُ أُولاتُ الأَجْنِحَةِ ، فَأَمَرَنِي فَنَزَعْتُهُ»
২৫ - আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াজিদ ইবন মুহাম্মাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সা’দান, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর থেকে ফিরে আসলেন, এমতাবস্থায় যে আমি আমার ঘরে একটি চিত্রিত পর্দা ঝুলিয়েছিলাম যাতে ডানা বিশিষ্ট ঘোড়ার ছবি ছিল, অতঃপর তিনি আমাকে আদেশ করলেন এবং আমি তা সরিয়ে ফেললাম।”
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَزِيدُ، قَالَ: نا سُلَيْمَانُ، قَالَ: نا سَعْدَانُ، قَالَ: نا هِشَامٌ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، قَالَتْ: ‌‌«حَكَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْقِبْلَةِ نُخَامَةً أَوْ مُخَاطًا أَوْ بُزَاقًا»
২৬ - আমাদের আবদুর রহমান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াজিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা'দান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলার দিক থেকে শ্লেষ্মা, সর্দি অথবা থুতু ঘষে তুলে ফেলেছেন।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: نا سُلَيْمَانُ، قَالَ: نا سَعْدَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، قَالَتْ: «لَقَدْ‌‌ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ إِحْرَامِهِ بِأَطْيَبِ مَا أَجِدُ»
২৭ - আব্দুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াযিদ বিন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলায়মান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা'দান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর ইহরামের সময় আমার নিকট থাকা সর্বোত্তম সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলাম।»
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনু হাদলাম (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: نا أَحْمَدُ، قَالَ: نا يَزِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: نا سُلَيْمَانُ، قَالَ: نا سَعْدَانُ، قَالَ: نا هِشَامٌ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، «أَنَّهَا‌‌ كَانَتْ تُتِمُّ الصَّلاةَ فِي السَّفَرِ، وَلا تَرَاهُ عَلَى أَحَدٍ»
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সা'দান, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সফরে পূর্ণ নামাজ আদায় করতেন এবং তিনি এটি অন্য কারও জন্য (আবশ্যকীয় বলে) মনে করতেন না।