(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: -)
خماسيات ابن النقور   (ابن النقور)

القسم: كتب السنة


الكتاب: خماسيات ابن النقور

المؤلف: أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللهِ ابْنُ الشَّيْخِ أَبِي مَنْصُوْرٍ مُحَمَّدِ ابْنِ الشَّيْخِ الكَبِيْرِ أَبِي الحُسَيْنِ أَحْمَدَ بن مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ اللهِ بنِ النَّقُّوْرِ البَغْدَادِيُّ، البَزَّازُ (ت 565هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 16

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আন-নাকূরের খুমাশিয়্যাত   (ইবনে আন-নাকূর)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: ইবনে আন-নাকূরের খুমাশিয়্যাত

লেখক: আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনুল শায়খ আবি মানসুর মুহাম্মাদ ইবনুল শায়খ আল-কাবীর আবি আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আন-নাকূর আল-বাগদাদী, আল-বাযযার (মৃত্যু ৫৬৫ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; ইসলাম ওয়েব সাইটের অন্তর্গত বিনামূল্যে বিতরিত জাওয়ামেউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ أَحَادِيثُ حَسَّانٍ جَمَعَهَا جَعْفَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَكِّيُّ مِنْ أُصُولِ سَمَاعَاتِ الشَّيْخِ أَبِي الْحُسَيْنِ بْنِ النَّقُّورِ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الإِمَامُ أَبُو الْكَرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الشَّهْرُزُورِيُّ، عَنْهُ إِجَازَةً.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الْعَالِمِ الشَّرِيفُ أَبِي مُحَمَّدٍ يُونُسَ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْبَرَكَاتِ الْهَاشِمِيِّ.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ.
একটি পুস্তিকা যাতে হাসান হাদিসসমূহ রয়েছে, যা জাফর বিন ইবরাহিম বিন ইয়াহইয়া বিন আবদুল্লাহ আল-মাক্কি শেখ আবু আল-হুসাইন বিন আন-নাক্কুরের শ্রবণলব্ধ মূল পাণ্ডুলিপি থেকে সংকলন করেছেন।

শেখ ইমাম আবু আল-কারাম আল-মুবারক বিন আল-হাসান বিন আহমাদ আশ-শাহরাযুরির বর্ণনা, তাঁর পক্ষ থেকে ইজাযত সূত্রে।

বিদ্বান ও শরীফ শেখ আবু মুহাম্মদ ইউনুস বিন ইয়াহইয়া বিন আবু আল-হাসান বিন আল-বারাকাত আল-হাশিমির বর্ণনা।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আর সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ أَبُو مُحَمَّدٍ يُونُسُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَبِي الْحَسَنِ الْهَاشِمِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ L- وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الأَوْحَدُ أَبُو الْكَرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الشَّهْرُزُورِيُّ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الثِّقَةُ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ النَّقُّورِالْبَزَّارُ، إِجَازَةً، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عِيسَى بْنِ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ الْجَرَّاحِ الْوَزِيرِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوَيِّ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: ثنا كَامِلُ بْنُ طَلْحَةَ أَبُو يَحْيَى الْجَحْدَرِيُّ، إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ، قَالَ: ثنا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ أَبُو مَعْمَرٍ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«طَبَقَاتُ أُمَّتِي خَمْسُ طَبَقَاتٍ، كُلُّ طَبَقَةٍ مِنْهَا أَرْبَعُونَ سَنَةً، طَبَقَتِي ، وَطَبَقَةُ أَصْحَابِي أَهْلُ الْعِلْمِ وَالإِيمَانِ ، وَالَّذِينَ يَلُونَهُمْ إِلَى الثَّمَانِينَ أَهْلُ الْبِرِّ وَالتَّقْوَى ، وَالَّذِينَ يَلُونَهُمْ إِلَى الْعِشْرِينَ وَمِائَةٍ أَهْلُ التَّرَاحُمِ وَالتَّوَاصُلِ ، وَالَّذِينَ يَلُونَهُمْ إِلَى السِّتِّينَ يَعْنِي وَمِائَةٍ أَهْلُ التَّقَاطُعِ وَالتَّدَابُرِ ، وَالَّذِينَ يَلُونَهُمْ إِلَى الْمِائَتَيْنِ أَهْلُ الْهَرْجِ وَالْحَرْبِ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম আবু মুহাম্মদ ইউনুস বিন ইয়াহইয়া বিন আবিল হাসান আল-হাশিমী—তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করেছি—তিনি বলেন: অনন্য বিজ্ঞ ইমাম আবু আল-কারাম আল-মুবারক বিন আল-হাসান বিন আহমাদ বিন আলী আশ-শাহরাযুরী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁকে বলা হলো: মহান ও নির্ভরযোগ্য শাইখ আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আন-নাক্কুর আল-বায্যার ইজাযত সূত্রে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা বিন দাউদ আল-জাররাহ আল-ওয়াযীরের নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাবীর নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করেছি, তিনি বলেন: কামিল বিন তালহা আবু ইয়াহইয়া আল-জাহদারী তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ বিন আব্দুস সামাদ আবু মা’মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস বিন মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «আমার উম্মতের স্তর হলো পাঁচটি, প্রতিটি স্তর চল্লিশ বছরের। আমার স্তর এবং আমার সাহাবীদের স্তর হলো ইলম ও ঈমানওয়ালাদের স্তর, আর আশি বছর পর্যন্ত যারা তাদের অনুগামী হবে তারা হলো পুণ্য ও তাকওয়াওয়ালাদের স্তর, আর একশ বিশ বছর পর্যন্ত যারা তাদের অনুগামী হবে তারা হলো পারস্পরিক দয়া ও হৃদ্যতা বজায় রাখার স্তর, আর একশ ষাট বছর পর্যন্ত যারা তাদের অনুগামী হবে তারা হলো পারস্পরিক সম্পর্ক ছিন্নকারী ও একে অপরের প্রতি বিমুখ হওয়ার স্তর, আর দুইশ বছর পর্যন্ত যারা তাদের অনুগামী হবে তারা হলো বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধ-বিগ্রহের স্তর।»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخَرِ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ ابْنِ بِنْتِ مَنِيعٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ خَمْسَ عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ أَبُو عُثْمَانَ الصَّيْرَفِيُّ ، مِنْ كِتَابِهِ ، قَالَ: ثنا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيُّ ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«اكْفُلُوا إِلَيَّ بِسِتٍّ أَكْفُلُ لَكُمْ بِالْجَنَّةِ ، إِذَا حَدَّثَ أَحَدُكُمْ فَلا يَكْذِبْ، وَإِذَا ائْتُمِنَ فَلا يَخُنْ ، وَإِذَا وَعَدَ فَلا يُخْلِفْ، غُضُّوا أَبْصَارَكُمْ ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ، وَاحْفَظُوا فُرُوجَكُمْ»
২ - আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন হুবাবাহ তিনশ ছিয়াশি হিজরি সনের রবিউস সানি মাসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ ইবনে বিনতে মানি‘-এর সামনে তিনশ পনেরো হিজরি সনের মুহাররম মাসে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: তালূত বিন আব্বাদ আবু উসমান আস-সাইরাফি তাঁর কিতাব থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফাদদাল বিন জুবাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু উমামাহ আল-বাহিলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‌‌«তোমরা আমার কাছে ছয়টি বিষয়ের জিম্মাদার হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হব: যখন তোমাদের কেউ কথা বলে তখন যেন সে মিথ্যা না বলে, যখন তাকে আমানত প্রদান করা হয় তখন যেন সে খিয়ানত না করে এবং যখন সে ওয়াদা করে তখন যেন তা ভঙ্গ না করে; তোমরা তোমাদের দৃষ্টি অবনত রাখো, তোমাদের হাত সংবরণ করো এবং তোমাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করো।»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ الْجَرَّاحُ ، سَنَةَ تِسْعٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرْكَانِيُّ، قَالَ: ثنا سَعِيدُ بْنُ مَيْسَرَةَ الْبَكْرِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا صَلَّى عَلَى جِنَازَةٍ كَبَّرَ عَلَيْهَا أَرْبَعًا ، وَإِنَّهُ كَبَّرَ عَلَى حَمْزَةَ سَبْعِينَ تَكْبِيرَةً»
৩ - আমাদের নিকট আবুল কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ আল-জাররাহ তিনশত ঊননব্বই হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-ওয়ারকানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে মায়সারা আল-বাকরি, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো জানাজার সালাত আদায় করতেন, তখন তাতে চারবার তাকবির দিতেন; আর তিনি হামযাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জানাজায় সত্তরটি তাকবির দিয়েছিলেন।»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ الْجَرَّاحُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَنْبَا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ أَبُو الْقَاسِمِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا كَامِلٌ هُوَ ابْنُ طَلْحَةَ الْجَحْدَرِيُّ، قَالَ: ثنا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سُلْمِيِّ رَاعِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«مَنْ لَقِيَ اللَّهَ عز وجل يَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُهُ، وَآمَنَ بِالْبَعْثِ وَالْحِسَابِ دَخَلَ الْجَنَّةَ» ، قُلْنَا: أَنْتَ سَمِعْتَ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ؟ فَأَدْخَلَ إِصْبَعَيْهِ فِي أُذَنَيْهِ، وَقَالَ: أَنَا سَمِعْتُ هَذَا مِنْهُ غَيْرَ مَرَّةٍ، وَلا مَرَّتَيْنِ، وَلا ثَلاثٍ وَلا أَرْبَعٍ
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ আল-জাররাহ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ, তিনি হলেন আবুল কাসিম আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কামিল, তিনি হলেন ইবনে তালহা আল-জাহদারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনে আব্দুস সামাদ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাখাল আবু সুলমী, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি মহামহিম আল্লাহর সাথে এই সাক্ষ্য দিয়ে সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, আর পুনরুত্থান ও হিসাবের প্রতি ঈমান আনবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।» আমরা বললাম: আপনি কি এটি আল্লাহর রাসূলের নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তাঁর দুই আঙুল নিজ কানে প্রবেশ করালেন এবং বললেন: আমি এটি তাঁর নিকট থেকে একবার নয়, দুইবার নয়, তিনবার নয়, চারবারও নয় (বরং বহুবার) শুনেছি।
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا عِيسَى، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْبَغَوِيِّ، قَالَ: ثنا طَالُوتُ هُوَ ابْنُ عَبَّادٍ، قَالَ: ثنا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو أُمَامَةَ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: "‌‌ ثَلاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ وَجَدَ حَلاوَةَ الإِيمَانِ: أَنْ يَكُونَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا، وَأَنْ يُحِبَّ الْعَبْدَ لا يُحِبُّهُ إِلا لِلَّهِ عز وجل، وَأَنْ يَكْرَهَ أَنْ يَرْجِعَ فِي الْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنْقَذَهُ اللَّهُ مِنْهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُلْقَى فِي النَّارِ "
৫ - ঈসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাবী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: তালূত (যিনি ইবনে আব্বাদ) আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ফায্যাল ইবনে জুবাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উমামা আল-বাহিলি আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: "‌‌তিনটি গুণ এমন যা যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের মিষ্টতা লাভ করবে: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যেন তার নিকট অন্য সবকিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় হন, এবং সে যেন কোনো বান্দাকে কেবল মহান আল্লাহর জন্যই ভালোবাসে, আর আল্লাহ তাকে কুফর থেকে মুক্তি দেওয়ার পর পুনরায় তাতে ফিরে যাওয়াকে সে যেন তেমন অপছন্দ করে যেমন সে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে।"
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ ، سَنَةَ تِسْعٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنْبَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: ثنا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ ، قَالَ: ثنا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمٍ الضَّبِّيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهُ تبارك وتعالى: ‌‌«مَنْ أُخِذَتْ كَرِيمَتَيْهِ فِي الدُّنْيَا لَمْ أَرْضَ لَهُ إِلا الْجَنَّةَ» .

فَقَالَ أَنَسٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً، قَالَ: «وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً»
৬ - আবু আল-কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ ৩৮৯ হিজরি সালে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শায়বান ইবনে ফাররুখ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে সুলাইম আদ-দাব্বি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা বলেছেন: «দুনিয়াতে যার দুটি প্রিয় বস্তু (চোখ) নিয়ে নেওয়া হয়েছে, তার জন্য আমি জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছুতে সন্তুষ্ট হব না».

অতঃপর আনাস বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! যদি একটি হয়? তিনি বললেন: «যদিও একটি হয়»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا طَالُوتُ بْنُ عَبَّادٍ، قَالَ: ثنا فَضَّالُ بْنُ جُبَيْرٍ، قَالَ: ثنا أَبُو أُمَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِنَّ‌‌ أَوَّلَ الآيَاتِ طُلُوعُ الشَّمْسِ مِنْ مَغْرِبِهَا»
৭ - আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে হুবাবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগাভী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: তালুত ইবনে আব্বাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ফাদদাল ইবনে জুবাইর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উমামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই প্রথম নিদর্শন হলো পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়।»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الدَّقَّاقُ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا دَاوُدُ هُوَ ابْنُ رُشَيْدٍ، قَالَ: ثنا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ ، يَقُولُ: "‌‌ أَنْشَدْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم:

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَجُدُودُنَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو بَعْدَ ذَلِكَ مَظْهَرَا

فَقَالَ ابْنُ الْمُطَهَّرِ: إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى؟ قُلْتُ: الْجَنَّةَ.

قَالَ: أَجَلْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ قُلْتُ:

وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ تَكُنْ … لَهُ بَوَادِرُ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

وَلا خَيْرَ فِي جَهْلٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهُ … حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَا

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «أَجَدْتَ لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ مَرَّتَيْنِ»
৮ - আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আল-হুসাইন আদ-দাক্কাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ (তিনি হলেন ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ (তিনি হলেন ইবন রুশাইদ) আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়ালা ইবন আল-আশদাক আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আন-নাবিগাহকে বলতে শুনেছি: "‌‌ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কবিতা আবৃত্তি করলাম:

আমাদের মর্যাদা ও পূর্বপুরুষগণ আকাশ স্পর্শ করেছে … এবং আমরা এর পরেও আরও উচ্চতর মর্যাদার প্রত্যাশা করি।

তখন ইবনুল মুতাহহার (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: হে আবু লায়লা, কোথায় পৌঁছানোর কথা বলছ? আমি বললাম: জান্নাত।

তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। এরপর আমি আবৃত্তি করলাম:

আর ঐ সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যার মধ্যে এমন … তেজস্বিতা নেই যা তার নির্মলতাকে কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

আর ঐ মূর্খতায় কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য এমন কোনো … সহনশীল ব্যক্তি নেই, যে কোনো বিষয় উপস্থিত হলে তা সুচারুভাবে সমাধান করতে পারে।

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তুমি চমৎকার বলেছ, আল্লাহ তোমার মুখ চূর্ণ না করুন (তোমার দাঁত অক্ষত রাখুন)» - তিনি এটি দুবার বললেন।
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا طَالُوتُ هُوَ ابْنُ عَبَّادٍ، قَالَ: ثنا عَاصِمُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْوَزَّانُ، قَالَ: رَأَيْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَخْضِبُ بِالْحُمْرَةِ، فَسَأَلَهُ أَبَانٌ، فَقَالَ: يَا أَبَا حَمْزَةَ مَا تَقُولُ فِي كَسْبِ الْحَجَّامِ، فَقَالَ:‌‌ احْتَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا أَعْطَاهُ كِرَاهُ، قَالَ: «أَخَذْتَ كِرَاكَ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «فَلا تَأْكُلْهُ وَأَطْعِمْهُ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে হুবাবাহ, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তালুত—যিনি ইবনে আব্বাদ—তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আসিম ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-ওয়াজ্জান, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে লাল রঙের খিজাব ব্যবহার করতে দেখেছি। অতঃপর তাকে আবান জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: হে আবু হামজাহ, সিঙা দানকারীর (হাজ্জাম) উপার্জন সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন:‌‌ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিঙা লাগিয়েছিলেন। অতঃপর যখন তিনি তাকে তার পারিশ্রমিক প্রদান করলেন, তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: «তুমি কি তোমার পারিশ্রমিক গ্রহণ করেছ?» সে বলল: হ্যাঁ। তিনি বললেন: «তবে তুমি তা ভক্ষণ করো না, বরং অন্যকে খাইয়ে দাও»।
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا عِيسَى بْنُ سَالِمٍ الشَّاشِيُّ، قَالَ: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هُدْبَةَ أَبُو هُدْبَةَ الْفَارِسِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَوْ أَنَّ اللَّهَ أَذِنَ للسَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ أَنْ تَتَكَلَّمَ لَبَشَّرَتِ الَّذِي يَصُومُ شَهْرَ رَمَضَانَ بِالْجَنَّةِ»
১০ - আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুল আব্বাস আল-মুখাল্লিস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠকালে তিনি বলেছেন: আব্দুল্লাহ আল-বাগাভী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ঈসা ইবনে সালিম আশ-শাশি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবরাহীম ইবনে হুদবাহ আবু হুদবাহ আল-ফারিসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি আনাস ইবনে মালিককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যদি আল্লাহ আসমানসমূহ ও জমিনকে কথা বলার অনুমতি দিতেন, তবে তারা রমজান মাসে রোজা পালনকারীকে জান্নাতের সুসংবাদ দিত।»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: أَنْبَا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا كَامِلٌ هُوَ ابْنُ طَلْحَةَ الْجَحْدَرِيُّ، قَالَ: ثنا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رَفَعَ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: ‌‌«مَنْ بَلَغَهُ فَضْلٌ عَنِ اللَّهِ أَعْطَاهُ اللَّهُ ذَلِكَ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ ذَلِكَ كَذَلِكَ»
১১ - আবুল কাসিম ঈসা ইবন আলী ইবন ঈসা ইবন দাউদ ইবন আল-জাররাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ (যিনি আল-বাগাউই) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: কামিল (যিনি ইবনে তালহা আল-জাহদারি) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ ইবন আব্দুস সামাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস ইবন মালিক থেকে, যিনি হাদিসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: «যার কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো ফযিলতের সংবাদ পৌঁছেছে, আল্লাহ তাকে তা দান করবেন, যদিও বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে তেমন না-ও হয়ে থাকে।»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ ، إِمْلاءً، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ حَدَّثَكُمْ دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، قَالَ: ثنا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ، عَنْ عَبْدِ اللَّّهِ بْنِ جَرَادٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ‌‌ مَنْ لِلأَرَامِلِ بَعْدَكَ مِنْ قُرَيْشٍ؟ قَالَ: «الآبَاءُ والأَكْفَاءُ مِنْ بَنِي عَامِرٍ»
১২ - আমাদের নিকট আবুল কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ শ্রুতলিখন আকারে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, তাঁকে বলা হয়েছিল যে, আপনাদের নিকট দাউদ ইবনে রুশাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়ালা ইবনুল আশদাক বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জারাদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আয়েশা (রা.) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার পরে কুরাইশ বংশের বিধবাদের জন্য কে থাকবে? তিনি বললেন: «বনী আমের গোত্রের পিতৃবর্গ ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিগণ»
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ الْجَرَّاحِ ، إِمْلاءً، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، ثنا أَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَزَّانِ، قَالَ: ثنا يَعْلَى بْنُ الأَشْدَقِ الْعُقَيْلِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّابِغَةَ الْجَعْدِيَّ ، يَقُولُ: "‌‌ أَنْشَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:

بَلَغْنَا السَّمَاءَ مَجْدُنَا وَثَرَانَا … وَإِنَّا لَنَرْجُو فَوْقَ ذَلِكَ
مَظْهَرَا

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: إِلَى أَيْنَ يَا أَبَا لَيْلَى، فَقُلْتُ إِلَى الْجَنَّةِ، فَقَالَ: إِنْ شَاءَ اللَّهُ:

وَلا خَيْرَ فِي حِلْمٍ إِذَا لَمْ يَكُنْ … لَهُ بَوَادِرٌ تَحْمِي صَفْوَهُ أَنْ يُكَدَّرَا

وَلا خَيْرَ فِي أَمْرٍ إِذْ لَمْ يَكُنْ … لَهُ حَلِيمٌ إِذَا مَا أَوْرَدَ الأَمْرَ أَصْدَرَا.

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: " أَحْسَنْتَ يَا أَبَا لَيْلَى ، لا يَفْضُضِ اللَّهُ فَاكَ.

قَالَ: فَعَاشَ أَكْثَرَ مِنْ مِائَةِ سَنَةٍ، وَكَانَ مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ ثَغْرًا "
১৩ - আবু আল-কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে আল-জাররাহ আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে আল-আশআদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আইয়ুব ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-ওয়াজ্জান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়ালা ইবনে আল-আশদাক আল-উকাইলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নাবিকা আল-জাদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "‌‌ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কবিতা পাঠ করে শুনালাম:

আমাদের মর্যাদা ও আমাদের বংশ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছেছে … আর আমরা তার ঊর্ধ্বে আরও উচ্চ
অবস্থানের আশা রাখি

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হে আবু লায়লা, (গন্তব্য) কোন পর্যন্ত? আমি বললাম: জান্নাত পর্যন্ত। তিনি বললেন: ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চান):

আর সেই সহনশীলতায় কোনো কল্যাণ নেই যার এমন … তেজ নেই যা তার নির্মলতাকে ঘোলাটে হওয়া থেকে রক্ষা করে

আর সেই বিষয়ে কোনো কল্যাণ নেই যার জন্য … এমন কোনো সহনশীল ব্যক্তি নেই যে কোনো বিষয় শুরু করলে তা সুচারুভাবে সম্পন্ন করে।

অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তুমি চমৎকার বলেছ হে আবু লায়লা, আল্লাহ যেন তোমার দাঁত না ভাঙেন।

বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি একশ বছরেরও বেশি সময় বেঁচে ছিলেন এবং তিনি মানুষের মধ্যে সুন্দরতম দাঁতের অধিকারী ছিলেন। "
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْبَغَوِيِّ، قَالَ: ثنا طَالُوتُ هُوَ ابْنُ عَبَّادٍ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَعْيَنَ أَبُو الْعَلانِيَةِ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى‌‌ يُلَبِّي بِالْكُوفَةِ بِأَعْلَى صَوْتِهِ فِي غَيْرِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ، فَسَأَلْتُ بَعْضَهُمْ، فَقَالَ: إِنَّهُ يُلَبِّي مِنَ السَّنَةِ إِلَى السَّنَةِ، وَكَانَ يَأْتِي الصَّيَارِفَةَ، فَيَقُولُ: أَبْشِرُوا، أَبْشِرُوا، فَيَقُولُونَ: بَشَرَّكَ اللَّهُ، فَيَقُولُ: أَبْشِرُوا بِالنَّارِ "
১৪ - আবু আল-কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক বিন হুবাবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-বাগাউয়ি আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: তালূত—যিনি ইবনে আব্বাদ—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আইয়ান আবু আল-আলানিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ বিন আবি আওফাকে কুফায় অত্যন্ত উচ্চস্বরে আইয়ামে তাশরিক ব্যতীত অন্য দিনগুলোতে তালবিয়াহ পাঠ করতে শুনেছি; আমি তাদের কাউকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: তিনি এক বছর থেকে অন্য বছর পর্যন্ত তালবিয়াহ পাঠ করেন। আর তিনি অর্থ বিনিময়কারীদের নিকট আসতেন এবং বলতেন: "সুসংবাদ গ্রহণ করো, সুসংবাদ গ্রহণ করো!" তারা বলত: "আল্লাহ আপনাকে সুসংবাদ দিন।" তখন তিনি বলতেন: "জাহান্নামের আগুনের সুসংবাদ গ্রহণ করো!"
(খণ্ড: ১) খুমাছিয়াতু ইবনিন নাকূর (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا كَامِلٌ هُوَ ابْنُ طَلْحَةَ الْجَحْدَرِيُّ، قَالَ: ثنا عَبَّادُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: ‌‌«مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ يُبَاهِي بِهِ الْعُلَمَاءَ، أَوْ يُمَارِي بِهِ السُّفَهَاءَ، أَوْ يُصْرِفُ أَعْيُنَ النَّاسِ إِلَيْهِ تَبَوَّأَ مَقْعَدَهُ فِي النَّارِ»

أَخْبَرَنَا عِيسَى، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا طَالُوتُ هُوَ ابْنُ عَبَّادٍ، قَالَ: ثنا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَتَكِيُّ، قَالَ:
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ, তাঁর নিকট পঠনকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কামিল—তিনি হলেন ইবনে তালহা আল-জাহদারি—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ ইবনে আব্দুস সামাদ, আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি আলেমদের সাথে বড়াই করার জন্য, কিংবা নির্বোধদের সাথে বিতর্ক করার জন্য, অথবা মানুষের দৃষ্টি নিজের দিকে নিবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে জ্ঞান অন্বেষণ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা নির্ধারণ করে নেয়।”

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাভী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালুত—তিনি হলেন ইবনে আব্বাদ—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আতাকি, তিনি বলেন: