(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: -)
مجلس من أمالي أبي سعد البغدادي القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلس من أمالي أبي سعد البغدادي
المؤلف: أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ أَحْمَدَ بنِ الحَسَنِ بنِ عَلِيِّ بنِ أَحْمَدَ بنِ سُلَيْمَانَ االبَغْدَادِيُّ الأَصْل، الأَصْبَهَانِيُّ (ت 540هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 12
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু সাদ আল-বাগদাদির আমালি থেকে একটি মজলিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আবু সাদ আল-বাগদাদির আমালি থেকে একটি মজলিস
লেখক: আবু সাদ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আলি বিন আহমাদ বিন সুলাইমান আল-বাগদাদি আল-আসল, আল-আসফাহানি (মৃত্যু ৫৪০ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনে জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ১)
فِيهِ مَجْلِسٌ مِنْ أَمَالِي الشَّيْخِ الإِمَامِ الْوَاعِظِ أَبِي سَعْدٍ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَغْدَادِيِّ، رحمه الله.
رِوَايَةُ أَبِي الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الأَخْشِيذِ السَّرَّاجِ، وَأَبِي طَاهِرٍ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ الْحَسْنَابَاذِيِّ عَنْهُ.
رِوَايَةُ أَبِي الْفَرَجِ يَحْيَى بْنِ مَحْمُودِ بْنِ سَعْدٍ الثَّقَفِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْهُمَا.
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ.
এতে শায়খ, ইমাম, ওয়াজকারী আবু সা'দ আহমদ ইবনে আলী ইবনে সুলায়মান আল-বাগদাদীর (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) আমালি (শ্রুতিলিখন) থেকে একটি মজলিস রয়েছে।
এটি তাঁর থেকে আবুল ফাতহ ইসমাঈল ইবনে আল-ফজল ইবনে আহমদ আল-আখশীদ আস-সাররাজ এবং আবু তাহির আব্দুল কারীম ইবনে আব্দুল রাজ্জাক আল-হাসনাবাদীর বর্ণনা।
এটি তাঁদের উভয়ের থেকে আবুল ফরাজ ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ ইবনে সা'দ আস-সাকাফী আল-আসবাহানীর বর্ণনা।
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। এবং আল্লাহ মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - 0 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْقُرْطُبِيُّ، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، بِمَسْجِدِ قُلُوسَ، فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، سَنَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الْحَقِّ بْنِ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ عَبْدِ الْحَقِّ الصَّقَلِّيِّ، فِي الشَّهْرِ الْمَذْكُورِ، قَالا: أَنَا أَبُو الْفَرَجِ يَحْيَى بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ بْنِ أَبِي الْفَرَجِ بْنِ أَبِي طَاهِرِ بْنِ مَحْمُودٍ الثَّقَفِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ، قَدِمَ عَلَيْنَا دِمَشْقَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أنا الشَّيْخَانُ الزَّكِيُّ أَبُو الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الإِخْشِيذِ L- السَّرَّاجُ، بِقَرَاءَةِ وَالِدِي عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي شَعْبَانَ سَنَةَ ثَمَانِ عَشْرَةَ، وَالزَّاهِدُ الْمُقْرِئُ الإِمَامُ شَيْخُ الشُّيُوخِ أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ عَبْدِ الرَّزَّاقِ الْحَسْنَابَاذِيُّ L-، بِقَرَاءَةِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي نَصْرٍ اللَّفْتُوَانِيِّ عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي شَعْبَانَ سَنَةَ عِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَنَا الشَّيْخُ الْوَاعِظُ أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَغْدَادِيُّ، فِي الْمَسْجِدِ الْجَامِعِ، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ التَّاسِعِ وَالْعِشْرِينَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، نا أَبِي أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَارِثِ التَّمِيمِيُّ الْهَمَذَانِيُّ، بِهَا ، نا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ الْبَصْرِيُّ، نا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، نا حَاتِمُ بْنُ أَبِي صَغِيرَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَنَّ عَائِشَةَ رضي الله عنها، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«تُحْشَرُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حُفَاةً عُرَاةً غُرْلا» .
قَالَتْ عَائِشَةُ رضي الله عنها: فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ الرِّجَالُ وَالنِّسَاءُ يَنْظُرُ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ، قَالَ: «يَا عَائِشَةُ إِنَّ الأَمْرَ أَشَدُّ مِنْ ذَلِكَ أَنْ يُهِمَّهُمْ ذَاكِ»
১ - ০ - ইমাম আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলি ইবনে আবি বকর আল-কুরতুবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ৬২৭ হিজরি সনের রমজান মাসে কলুস মসজিদে নিজ শব্দে তা শ্রুতলিপি করিয়েছেন এবং আমি উক্ত মাসেই আবু মুহাম্মাদ আব্দুল হক ইবনে আব্দুল সালাম ইবনে আব্দুল হক আস-সাকল্লির নিকট পাঠ করেছি। তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া ইবনে আবুর রাজা ইবনে আবুল ফারাজ ইবনে আবি তাহির ইবনে মাহমুদ আস-সাকাফি আল-আসফাহানি, তিনি দামেস্কে আমাদের নিকট এসেছিলেন, তার নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ— পবিত্র সত্তা আবু আল-ফাতহ ইসমাইল ইবনে আল-ফাদল ইবনে আহমাদ ইবনে আল-ইখশিদ আস-সাররাজ, আমার পিতার তার নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম, ৫১৮ হিজরি সনের শাবান মাসে; এবং জাহিদ, মুকরি, ইমাম, শায়খুশ শুয়ুখ আবু তাহির আব্দুল কারিম ইবনে আব্দুল রাজ্জাক আল-হাসনাবাদী, আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আবি নাসর আল-লাফতুয়ানির তার নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম, ৫২০ হিজরি সনের শাবান মাসে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ওয়ায়েজ আবু সাদ আহমাদ ইবনে আলি ইবনে আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগদাদী, জামে মসজিদে, তার নিজ শব্দে শ্রুতলিপি করার মাধ্যমে, ৪৪৬ হিজরি সনের রমজান মাসের ২৯ তারিখ শুক্রবার। তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা আবু আলি আল-হাসান ইবনে আলি ইবনে আহমাদ ইবনে সুলাইমান। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান ইবনে আলি ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হারিস আত-তামিমি আল-হামাদানি সেখানে। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে ইয়াজিদ আল-বাসরি। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে আল-হারিস। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম ইবনে আবি সাগিরা, আব্দুল্লাহ ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেছেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে খালি পায়ে, উলঙ্গ অবস্থায় এবং খতনাবিহীন অবস্থায় সমবেত করা হবে।”আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! পুরুষ এবং নারী সবাই কি একে অপরের দিকে তাকাবে? তিনি বললেন: “হে আয়েশা! বিষয়টি এর চেয়েও অনেক ভয়াবহ হবে যে তারা এই দিকে ভ্রুক্ষেপ করবে।”
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - 0 - حَدَّثَنَا أَبِي، رحمه الله، نا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْكَرِيمِ، نا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ الْخَوْلانِيُّ، نا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: " بَيْنَا أَنَا نَائِمٌ إِذْ رَأَيْتَنِي فِي الْجَنَّةِ، فَإِذَا امْرَأَةٌ تَوَضَّأَتْ إِلَى جَانِبِ قَصْرٍ، فَقُلْتُ: لِمَنْ هَذَا الْقَصْرُ؟ فَقَالُوا: لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، فَذَكَرْتُ غِيرَةَ عُمَرَ، فَوَلَّيْتُ مُدْبِرًا " قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ رضي الله عنه: فَبَكَى عُمَرُ رضي الله عنه وَنَحْنُ جَمِيعًا فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعَلَيْكَ أَغَارُ؟
২ - ০ - আমাদের নিকট আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল কারীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাহর ইবনে নাসর আল-খাওলানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আমি ঘুমন্ত অবস্থায় নিজেকে জান্নাতে দেখতে পেলাম। সেখানে একটি প্রাসাদের পাশে একজন নারীকে ওযু করতে দেখে আমি জিজ্ঞাসা করলাম: এই প্রাসাদটি কার? তারা বলল: উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর জন্য। তখন আমি উমরের আত্মমর্যাদাবোধের কথা স্মরণ করলাম এবং সেখান থেকে ফিরে আসলাম।" আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বলেন: তখন উমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) কেঁদে ফেললেন, আর আমরা সকলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে সেই মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। অতঃপর উমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গ হোক, আমি কি আপনার ক্ষেত্রে আত্মমর্যাদাবোধ (বা ঈর্ষা) প্রদর্শন করব?
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - 0 - حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَمِيلٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي صَفَرٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، نا جَدِّي أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَمِيلٍ، نا أَبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، نا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، أنا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: دَخَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْمَسْجِدَ فَإِذَا حَبْلٌ مَمْدُودٌ، فَقَالَ: «مَا هَذَا؟» فَقِيلَ: فُلانَةٌ تُصَلِّي، فَإِذَا أَعْيَتِ اسْتَرَاحَتْ عَلَى هَذَا الْحَبْلِ، قَالَ: «فَلْتُصَلِّ مَا نَشَطَتْ فَإِذَا أَعْيَتْ فَلْتَنَمْ»
৩ - ০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ ইবন ইয়াকুব ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন জামিল, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, ৩৮৫ হিজরির সফর মাসে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবন ইবরাহিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন জামিল; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আহমাদ ইবন মানি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম ইবন বাশির; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুমাইদ আত-তবিল; আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং দেখলেন একটি দড়ি টানানো রয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "এটি কী?" বলা হলো: অমুক নারী নামাজ পড়ছেন, যখন তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন তখন এই দড়িতে ভর দিয়ে বিশ্রাম নেন। তিনি বললেন: "তোমরা যতক্ষণ উদ্যমী থাকো ততক্ষণ নামাজ পড়ো, আর যখন ক্লান্ত হয়ে পড়বে তখন ঘুমিয়ে পড়ো।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - 0 - حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ، نا جَدِّي أَبُو يَعْقُوبَ، نا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم " لَمَّا رَمَى الْجَمْرَةَ نَاوَلَ الْحَلاقَ رَأْسَهُ فَنَاوَلَهُ الشِّقَّ الأَيْمَنَ فَأَعْطَاهُ أَبَا طَلْحَةَ، ثُمَّ نَاوَلَهُ الشِّقَّ الأَيْسَرَ فَأَعْطَاهُ أَبَا طَلْحَةَ، فَقَالَ: «اقْسِمْهُ بَيْنَ النَّاسِ»
৪ - ০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ উবায়দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবু ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মানি‘, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, তিনি হিশাম ইবনে হাসসান থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) "যখন জামরায় পাথর নিক্ষেপ সম্পন্ন করলেন, তখন ক্ষৌরকারকে তাঁর মাথা বাড়িয়ে দিলেন; অতঃপর তাকে (মাথার) ডান পাশ দিলেন এবং সেটি আবু তালহাকে প্রদান করলেন। এরপর তাকে বাম পাশ দিলেন এবং তা আবু তালহাকে দান করে বললেন: «এটি মানুষের মাঝে বণ্টন করে দাও»"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - 0 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْدَهْ الْحَافِظُ، إِمْلاءً، أنا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا حَسَدَ إِلا فِي اثْنَتَيْنِ: رَجُلٌ أَتَاهُ اللَّهُ عز وجل الْقُرْآنَ فَهُوَ يَقُومُ بِهِ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَرَجُلٌ أَتَاهُ اللَّهُ عز وجل مَالا فَهُوَ يُنْفِقُهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ "
৫ - ০ - ইমাম আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানদাহ আল-হাফিজ আমাদের নিকট শ্রুতলিপি (ইমলা) প্রদানের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আবু সাঈদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান বিন মুহাম্মদ আস-সাব্বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান বিন উয়ায়না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি সালিম বিন আবদিল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কেবল দুটি বিষয়েই ঈর্ষা করা যায়: এমন এক ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ কুরআন দান করেছেন এবং সে রাত ও দিনের বিভিন্ন প্রহরে তা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে (সালাতে ইবাদত করে); এবং এমন এক ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন এবং সে তা রাত ও দিনের বিভিন্ন প্রহরে ব্যয় করে।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - 0 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، أَنَا خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفِ بْنِ سُفْيَانَ، نا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ الْحِمْصِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُهَاجِرٍ، نا عُرْوَةُ بْنُ رُوَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ عز وجل خَلَقَ خَلْقَهُ فِي ظُلْمَةٍ، ثُمَّ أَلْقَى عَلَيْهِ مِنْ نُورِهِ، فَمَنْ أَصَابَهُ يَوْمَئِذٍ شَيْءٌ مِنَ النُّورِ اهْتَدَى، وَمَنْ أَخْطَأَ ضَلَّ ، فَذَلِكَ قَوْلُ جَفَّ الْقَلَمُ عَلَى عَلْمِ اللَّهِ عز وجل "
৬ - ০ - ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, খাইসামাহ বিন সুলাইমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন আউফ বিন সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান বিন সাইদ আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাজির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উরওয়াহ বিন রুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন আদ-দাইলামি থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ মহামহিম ও মহিমান্বিত তাঁর সৃষ্টিজগতকে অন্ধকারে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাদের ওপর তাঁর নূর থেকে কিছুটা নিক্ষেপ করেছেন। সেদিন যার ওপর সেই নূরের সামান্য অংশ পড়েছে সে সঠিক পথপ্রাপ্ত হয়েছে, আর যে তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে সে পথভ্রষ্ট হয়েছে। আর একারণেই বলা হয় যে, আল্লাহর জ্ঞানের প্রেক্ষিতে কলম শুকিয়ে গেছে।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - 0 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمَعْرُوفُ بِالْكَوْسَجِ الْمُعَدَّلِ، نا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ السِّنْدِيِّ بْنِ عَلِيٍّ الْفِرْسَانِيُّ، نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الزِّيَادِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ خَمْسٍ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ، نا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ الأَعْمَشِ، عَنْ خَيْثَمَةَ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم:
«اتَّقُوا النَّارَ» .وَأَعْرَضَ وَأَشَاحَ، ثُمَّ قَالَ: «اتَّقُوا النَّارَ» .فَأَعْرَضَ وَأَشَاحَ، ثُمَّ قَالَ: «اتَّقُوا النَّارَ» .فَأَعْرَضَ وَأَشَاحَ ".
حَتَّى أُرِينَا أَنَّهُ يَنْظُرُ إِلَيْهَا، ثُمَّ قَالَ: «اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ ، فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ»
৭ - ০ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আহমাদ বিন জাফর বিন সুলাইমান, যিনি আল-কাওসাজ আল-মুআদ্দাল নামে পরিচিত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন আস-সিন্দি বিন আলী আল-ফিরসানি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন যিয়াদ বিন উবাইদুল্লাহ আয-যিয়াদি, বসরায়, দুইশত পঞ্চান্ন হিজরী সালের মুহাররাম মাসে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফুদাইল বিন ইয়াদ, সুলাইমান আল-আমাশ থেকে, তিনি খাইসামাহ থেকে, তিনি আদি বিন হাতিম (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন:
«তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকো।»এবং তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও বিমুখ হলেন। অতঃপর তিনি বললেন: «তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকো।»অতঃপর তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও বিমুখ হলেন। এরপর তিনি বললেন: «তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকো।»অতঃপর তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন ও বিমুখ হলেন।
এমনকি আমাদের নিকট মনে হলো যে তিনি যেন সেটির (আগুনের) দিকেই তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি বললেন: «তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকো, এমনকি তা যদি একটি খেজুরের অর্ধাংশের বিনিময়েও হয়। অতঃপর যে ব্যক্তি তা পাবে না, সে যেন উত্তম কথার মাধ্যমে (আগুন থেকে বাঁচে)»।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - 0 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ السِّنْدِيِّ، نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرُ بْنُ بَكَّارٍ، حَدَّثَنِي سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ رضي الله عنه، عَنِ ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، أَنَّهُ قَالَ: «لا يَحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ يَلْتَقِيَانِ فَيَصُدُّ هَذَا وَيَصُدُّ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلامِ»
৮ - ০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনুল সিন্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আয-যুবাইর ইবনে বাক্কার, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, যুহরি থেকে, আতা ইবনে ইয়াযিদ আল-লাইসি থেকে, আবু আইয়ুব আল-আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: «কোনো মুসলিমের জন্য তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের অধিক সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়। তাদের দুজনের দেখা হলে এ ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং ও ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নেয়; আর তাদের উভয়ের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে শুরু করে সালামের মাধ্যমে।»
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - 0 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّاجِرُ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ خُرَّشِيذَ قَوْلُهُ، نا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ الأَنْمَاطِيُّ، نا حُمَيْدُ بْنُ الرَّبِيعِ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي زَيْدٍ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ قَيْسٍ الْمُلائِيُّ، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
يَقُولُ الرَّبُّ عز وجل: «إِذَا شَغَلَ عَبْدِي الْقُرْآنُ عَنْ مَسْأَلَتِي أَعْطَيْتُهُ أَفْضَلَ مَا أُعْطِيَ السَّائِلِينَ» .
وَفَضْلُ كَلامِ اللَّهِ عز وجل عَلَى سَائِرِ الْكَلامِ كَفَضْلِ اللَّهِ تَعَالَى عَلَى خَلْقِهِ "
৯ - ০ - আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আত-তাজির—যিনি ইবনে খুররাশীদ নামে পরিচিত—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনুর রাবী আল-আনমাতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনুর রাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনে আবি যাইদ আল-হামদানি, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে কাইস আল-মুলাই, আতিয়্যাহ আল-আউফি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
“মহামহিম প্রতিপালক বলেন: যদি কুরআন (পাঠে নিমগ্নতা) আমার বান্দাকে আমার নিকট প্রার্থনা করা হতে বিরত রাখে, তবে আমি তাকে যাঞ্চাকারীদের যা প্রদান করি তার চেয়েও উত্তম বস্তু দান করি।”
আর অপরাপর বাণীর ওপর মহান আল্লাহর বাণীর শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, যেমন তাঁর সৃষ্টির ওপর মহান আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব।
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - 0 - حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، نا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ الأَعْرَابِيِّ، نا أَبُو أُسَامَةَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُسَامَةَ الْكَلْبِيُّ، نا عُبَيْدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْعَطَّارُ، نا عَمَّارُ بْنُ سَيْفٍ، فَكَانَ شَيْخٌ صَدِقٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "
أَوْحَى اللَّهُ عز وجل إِلَى مَلَكٍ مِنَ الْمَلائِكَةِ أَنِ اقْلِبْ مَدِينَةَ كَذَا وَكَذَا عَلَى أَهْلِهَا.
قَالَ: فَقَالَ: يَا رَبِّ إِنَّ فِيهِمْ عَبْدَكَ فُلانًا لَمْ يَعْصِكَ طَرْفَةَ عَيْنٍ، قَالَ: فَقَالَ: اقْلِبْهَا عَلَيْهِ وَعَلَيْهِمْ فَإِنَّ وَجْهَهُ لَمْ يَتَمَعَّرْ فِيَّ سَاعَةً قَطُّ "
১০ - ০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ ইবনুল আরাবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উসামা আব্দুল্লাহ ইবন উসামা আল-কালবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবন ইসহাক আল-আত্তার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার ইবন সাইফ—আর তিনি ছিলেন একজন সত্যবাদী শাইখ—আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "
আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা জনৈক ফিরিশতার প্রতি ওহী পাঠালেন যে, অমুক অমুক জনপদকে তার অধিবাসীদের ওপর উল্টে দাও।
তিনি বলেন: তখন তিনি (ফিরিশতা) বললেন: হে আমার রব! নিশ্চয়ই তাদের মধ্যে আপনার অমুক বান্দা রয়েছে যে চোখের পলকের জন্যও আপনার অবাধ্য হয়নি। তিনি (আল্লাহ) বললেন: তাকেসহ তাদের সকলের ওপর তা উল্টে দাও, কেননা আমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে এক মুহূর্তের জন্যও তার চেহারা কখনও বিবর্ণ হয়নি।"
(খণ্ড: ১)
মজলিসুম মিন আমালী আবী সাদ আল-বাগদাদী
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - 0 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ ابْنُ مَنْدَهْ، أَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، نا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيْيَنَةَ، عَنِ السَّرِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ:
خُذُوا عَنِّي هَؤُلاءِ الْكَلِمَاتِ فَلَوْ رَحَلْتُمْ فِيهِنَّ الْمَطِيَّ حَتَّى تَتْعِبُوهُ لَمْ تَبْلُغُوهُ لا يَرْجُوا الْعَبْدُ إِلا رَبَّهُ عز وجل، وَلا يَخَافُ إِلا ذَنْبَهُ، وَلا يَسْتَحْيِي إِذَا كَانَ لا يَعْلَمُ أَنْ يَتَعَلَّمَ، وَلا يَسْتَحْيِي مَنْ لا يَعْلَمُ إِذَا سُئِلَ عَمَّا لا يَعْلَمُ أَنْ يَقُولَ لا أَعْلَمُ، وَاعْلَمُوا أَنَّ الصَّبْرَ مِنَ الإِيمَانِ بِمَنْزِلَةِ الرَّأْسِ مِنَ الْجَسَدِ، وَلا خَيْرَ فِي جَسَدٍ لا رَأْسَ لَهُ "
حَدَّثَنَا أَبِي، نا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبَانٍ الْعَبْدِيُّ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَاكِرٍ، نا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي الْحَوَارِيِّ، نا مَحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الطَّائِيُّ، عَنْ دَاوُدَ الطَّائِيِّ، قَالَ: مَا أَخْرَجَ اللَّهُ عز وجل عَبْدًا مِنْ ذِلِّ الْمَعَاصِي إِلَى عِزِّ التَّقْوَى إِلا أَغْنَاهُ بِلا مَالٍ، وَأَعَزَّهُ بِلا عَشِيرَةٍ، وَآنَسَهُ بِلا أَنِيسٍ
سَمِعْتُ أَبَا الْفَرَجِ يَحْيَى بْنَ أَبِي الرَّجَاءِ الأَصْبَهَانِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ إِسْمَاعِيلَ بْنَ الإِخْشِيذِ، وَعَبْدَ الْكَرِيمِ بْنَ عَبْدِ الرَّزَّاقِ الْحَسْنَابَاذِيَّ، يَقُولانِ سَمِعْنَا أَحْمَدَ بْنَ عَلِيَّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَغْدَادِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ شَيْخِي أَبَا مَنْصُورٍ مَعْمَرَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، إِمَامَ وَقْتِهِ فِي التَّصَوُّفِ، قَدَّسَ اللَّهُ رُوحَهُ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنَ أَبِي عِمْرَانَ الصَّوْلِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ بَعْضَ أَصْحَابِنَا، يَقُولُ: رَأَيْتُ شَابًّا عَلَيْهِ أَثَرُ الذِّلَّةِ وَالْخُضُوعِ، وَكَانَ يُكْثِرُ التَّنَفُّسَ، فَخَلَوْتُ بِهِ، وَسَأَلْتُهُ عَنْ
১১ - ০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সা’দান ইবনে নাসর, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি সারী ইবনে ইসমাইল থেকে, তিনি শা’বী থেকে, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন:
আমার নিকট থেকে এই কথাগুলো গ্রহণ করো; যদি তোমরা এগুলোর সন্ধানে সওয়ারি ছুটিয়ে তাকে ক্লান্তও করে ফেলো, তবুও তোমরা এগুলোর সমতুল্য কিছু পাবে না: বান্দা যেন কেবল তার রবের প্রতিই আশা পোষণ করে মহান ও মহিমান্বিত, এবং সে যেন কেবল তার গুনাহকেই ভয় করে। যে ব্যক্তি জানে না, তার জন্য শেখার ব্যাপারে লজ্জিত হওয়া উচিত নয়; আর যাকে এমন কিছু জিজ্ঞাসা করা হয় যা সে জানে না, তার জন্য 'আমি জানি না' বলতে লজ্জিত হওয়া উচিত নয়। তোমরা জেনে রেখো, ঈমানের ক্ষেত্রে সবর বা ধৈর্যের স্থান হলো শরীরের মাথার স্থানের মতো; আর সেই শরীরে কোনো কল্যাণ নেই যার মাথা নেই।
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আবান আল-আবদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে শাকির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবি আল-হাওয়ারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আত-তায়ি, দাউদ আত-তায়ি থেকে, তিনি বলেছেন: মহান ও মহিমান্বিত আল্লাহ কোনো বান্দাকে গুনাহর লাঞ্ছনা থেকে বের করে যখন তাকওয়ার সম্মানের দিকে নিয়ে আসেন, তখন তাকে সম্পদ ছাড়াই অভাবমুক্ত করে দেন, বংশমর্যাদা ছাড়াই সম্মানিত করেন এবং কোনো সঙ্গী ছাড়াই তাকে একাকীত্ব থেকে মুক্তি দেন।
আমি আবুল ফারাজ ইয়াহইয়া ইবনে আবির রাজা আল-আসবাহানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইসমাইল ইবনে আল-ইখশিদ এবং আব্দুল কারিম ইবনে আব্দুর রাজ্জাক আল-হাসনাবাদীকে বলতে শুনেছি, তারা বলেন: আমরা আহমদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান ইবনে সুলাইমান আল-বাগদাদিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার শাইখ আবু মানসুর মা’মার ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ—যিনি তাঁর সময়ের তাসাউউফের ইমাম ছিলেন, আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন—তাঁকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল ফজল আহমদ ইবনে আবি ইমরান আস-সউলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমাদের কিছু সঙ্গীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এক যুবককে দেখলাম যার মধ্যে লাঞ্ছনা ও বিনয়ের ছাপ ছিল, এবং সে দীর্ঘশ্বাস ফেলছিল। আমি তার সাথে নির্জনে গেলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম...