(খণ্ড: ১) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: -)
مجلس من أمالي أبي الفتح المقدسي_1   (المقدسي، أبو الفتح)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجلس من أمالي أبي الفتح المقدسي

المؤلف: نصر بن إبراهيم بن نصر بن إبراهيم ابن داود النابلسي المقدسي، أبو الفتح الشافعي (ت 490هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 17

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু আল-ফাতহ আল-মাকদিসি-এর আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস_১   (আল-মাকদিসি, আবু আল-ফাতহ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: আবু আল-ফাতহ আল-মাকদিসি-এর আমালি থেকে একটি মজলিস

লেখক: নাসর বিন ইবরাহিম বিন নাসর বিন ইবরাহিম ইবনে দাউদ আন-নাবুলুসি আল-মাকদিসি, আবু আল-ফাতহ আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৪৯০ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য 'জাওয়ামিউল কালিম' প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[বইটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١)
فِيهِ مَجْلِسٌ مِنْ أَمَالِي الْفَقِيهِ أَبِي الْفَتْحِ نَصْرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَصْرِ بْنِ دَاوُدَ الزَّاهِدِ الْمَقْدِسِيِّ، قَدَّسَ اللَّهُ رُوحَهُ.

رِوَايَةُ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ عَسَاكِرَ بْنِ سُرُورٍ الْمَقْدِسِيِّ الْخَشَّابِ، عَنْهُ.

رِوَايَةُ أَبِي الْقَاسِمِ الْحُسَيْنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مَحْفُوظِ بْنِ صَصْرَى، عَنْهُ.

رِوَايَةُ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُؤْمِنٍ، عَنِ ابْنِ صَصْرَى، كِتَابَةً.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَبِهِ أَسْتَعِينُ
এতে ফকিহ আবুল ফাতহ নাসর বিন ইবরাহিম বিন নাসর বিন দাউদ আজ-জাহিদ আল-মাকদিসির ‘আমালি’ (শ্রুতিলিপি) থেকে একটি মজলিস রয়েছে, আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন।

তাঁর সূত্রে আবুল হাসান আলি বিন আসাকির বিন সুরুর আল-মাকদিসি আল-খাশ্শাবের বর্ণনা।

তাঁর সূত্রে আবুল কাসিম আল-হুসাইন বিন হিবাতুল্লাহ বিন মাহফুজ বিন সসরার বর্ণনা।

ইবনে সসরার সূত্রে আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন মুমিনের লিখিত বর্ণনা।

পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে এবং তাঁরই নিকট আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْأَجَلُّ الْعَدْلُ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْقَاسِمِ الْحُسَيْنُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مُحْفُوظِ بْنِ صَصْرَى التَّغْلِبِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي سَابِعَ عَشَرَ جُمَادَى الْآخِرَةِ، سَنَةَ أَرْبَعٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَسَاكِرَ بْنِ سُرُورٍ الْمَقْدِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ مُسْتَهَلِّ صَفَرٍ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَخَمْسِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ: ثنا الْفَقِيهُ أَبُو الْفَتْحِ نَصْرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَصْرٍ الْمَقْدِسِيُّ، إِمْلاءً بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ، عَمَرَهُ اللَّهُ بِالْإِسْلامِ، أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ السَّالُوسِيُّ، رحمه الله، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْحَنَّاطِيُّ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْبَحِيرِيُّ، أَنْبَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، ثنا عِيسَى بْنُ مِهْرَانَ الْبَغْدَادِيُّ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ صَالِحٍ، ثنا دَاوُدُ الْمَكِّيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: مَرَّ عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْعَاصِ بِكِلابِ بْنِ أُمَيَّةَ، وَهُوَ عَشَّارٌ بِالْأُبُلَّةِ، فَقَالَ: مَا يُجْلِسُكَ هَاهُنَا؟ قَالَ: اسْتُعْمِلْتُ عَلَى الْعُشُورِ، قَالَ: أَفَلا أُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ إِذَا مَضَى نِصْفُ اللَّيْلِ نَادَى مُنَادٍ مِنَ السَّمَاءِ: هَلْ مِنْ دَاعٍ يُسْتَجَابُ لَهُ، هَلْ مِنْ مَكْرُوبٍ فَيُكْشَفُ كَرْبُهُ، فَلا يَبْقَى عَبْدٌ مُؤْمِنٌ دَعَا اللَّهَ عز وجل إِلا اسْتَجَابَ لَهُ، إِلا زَانِيَةً تَسْعَى بِفَرْجِهَا، أَوْ عَشَّارًا ".

فَخَرَجَ كِلابٌ مِنَ الْأُبُلَّةِ
১ - মহান, ন্যায়পরায়ণ শায়খ শামসুদ্দীন আবুল কাসিম আল-হুসাইন ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে মাহফুজ ইবনে সাসরা আত-তাগলিবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ছয়শ চব্বিশ হিজরি সালের সতেরোই জুমাদাল আখিরাতে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম: আবুল হাসান আলী ইবনে আসাকির ইবনে সুরুর আল-মাকদিসি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন—আপনার উপস্থিতিতে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে—পাঁচশ বাহান্ন হিজরি সালের সফর মাসের শুরুতে জুমুআর দিনে। অতঃপর তিনি তা স্বীকার করলেন। তিনি বললেন: ফকীহ আবুল ফাতহ নাসর ইবনে ইবরাহীম ইবনে নাসর আল-মাকদিসি বাইতুল মাকদিসে (আল্লাহ একে ইসলামের মাধ্যমে আবাদ রাখুন) শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে আব্দুল কারীম আস-সালুসি (রাহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন আল-হান্নাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসমাইল আল-বাহিরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা ইবনে মিহরান আল-বাগদাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়ালিদ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ আল-মাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে হাসসান থেকে, তিনি ইবনে সিরীন থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: উসমান ইবনে আবিল আস কিলাব ইবনে উমাইয়াহর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, যখন তিনি উবুল্লাহতে কর সংগ্রাহক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আপনি এখানে কী করছেন? তিনি বললেন: আমাকে কর আদায়ের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। উসমান বললেন: আমি কি আপনাকে এমন একটি হাদীস শোনাব না যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট থেকে শুনেছি? তিনি বললেন: "‌‌ যখন মধ্যরাত অতিক্রান্ত হয়, তখন আসমান থেকে এক আহ্বানকারী আহ্বান করেন: কোনো আহ্বানকারী আছে কি যার আহ্বানে সাড়া দেওয়া হবে? কোনো বিপদগ্রস্ত আছে কি যার বিপদ দূর করা হবে? অতঃপর এমন কোনো মুমিন বান্দা অবশিষ্ট থাকে না যে আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লার নিকট দোয়া করে আর তিনি তার ডাকে সাড়া দেন না; তবে সেই ব্যভিচারিণী ব্যতীত যে তার লজ্জাস্থান দ্বারা উপার্জনের চেষ্টা করে, অথবা সেই কর সংগ্রাহক।"

অতঃপর কিলাব উবুল্লাহ থেকে বেরিয়ে গেলেন।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٣)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْأَنْمَاطِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ الرُّويَانِيُّ، أَخْبَرَنِي أَبِي، أَخْبَرَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ طَازَاذَ الْمَوْصِلِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الْخَوَّاصُ، ثنا عَفِيفُ بْنُ سَالِمٍ، ثنا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي هَانِئٍ الْخَوْلانِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«فَرَغَ اللَّهُ عز وجل مِنْ مَقَادِيرِ الدُّنْيَا قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ بِخَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আনমাতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম আশ-শাফিয়ি আর-রুয়ানি, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন তাজায আল-মাওসিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি বিন আল-হুসাইন আল-খাওওয়াস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফিফ বিন সালিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে লাহিয়াহ, আবু হানি আল-খাওলানি থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আসমানসমূহ ও জমিন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বেই দুনিয়ার তাকদিরসমূহ নির্ধারণ সম্পন্ন করেছেন»
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٤)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ الْأَنْمَاطِيُّ، أَنْبَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُطَهَّرِيُّ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي يَحْيَى الْإِمَامُ، ثنا أَبُو يَعْقُوبَ الْبَحْرِيُّ الْجُرْجَانِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ نُصَيْرٍ، ثنا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ زَيْدٍ الْعَمِّيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ مَنْ أَحْيَا اللَّيَالِيَ الْأَرْبَعَ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ: لَيْلَةَ التَّرْوِيَةِ، وَلَيْلَةَ عَرَفَةَ، وَلَيْلَةَ النَّحْرِ، وَلَيْلَةَ الْفِطْرِ "
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর আল-আনমাতি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ আল-মুতাহহারি, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন আবি ইয়াহইয়া আল-ইমাম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইয়াকুব আল-বাহরি আল-জুরজানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলি ইবন নুসায়ের, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুওয়াইদ ইবন সাঈদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহিম ইবন যাইদ আল-আম্মি, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ওয়াহব ইবন মুনাব্বিহ থেকে, তিনি মুআজ ইবন জাবাল থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি চারটি রাত (ইবাদতের মাধ্যমে) জীবিত রাখবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে: তারউয়িয়াহর রাত, আরাফার রাত, কুরবানির রাত এবং ঈদুল ফিতরের রাত।"
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّحْوِيُّ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ النَّصِيبِيُّ، قَالا: أَنْبَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ يَزِيدَ الطَّرَسُوسِيُّ، أنبا أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْأَعْرَابِيِّ، ثنا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ السَّجِسْتَانِيُّ، ثنا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ، رضي الله عنه " نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ‌‌ صِيَامِ يَوْمَيْنِ: يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الْأَضْحَى "
৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাহবি এবং আবু মুহাম্মাদ আবদুল আজিজ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর আন-নাসিবি; তাঁরা উভয়ই বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে ইয়াজিদ আত-তারসুসি; আমাদের জানিয়েছেন আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আল-আরাবি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আল-আশআস আস-সাজাস্তানি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুসা ইবনে ইসমাইল; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উহাইব ইবনে খালিদ, আমর ইবনে ইয়াহইয়া হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, "আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুইটি দিনে রোজা রাখা থেকে নিষেধ করেছেন: ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন।"
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٦)
5 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْإِمَامِ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ حَفْصٍ الْبَهْرَانِيِّ، أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ الْحَافِظُ الشِّيرَازِيُّ بِهَا، أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، ثنا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الْأَشْعَثِ، ثنا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، ثنا حَمَّادٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ ، رضي الله عنه، قَالَ: قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ وَلَهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا، فَقَالَ: ‌‌«مَا هَذَانِ الْيَوْمَانِ؟» قَالُوا: كُنَّا نَلْعَبُ فِيهِمَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَدْ أَبْدَلَكُمْ يَوْمَيْنِ خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ الْأَضْحَى وَيَوْمَ الْفِطْرِ "
৫ - আমি ইমাম আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ-এর নিকট পাঠ করেছি, আবু আলী আল-হাসান বিন হাফস আল-বাহরানী থেকে, হাফেজ আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মনসুর আশ-শিরাজী সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন বকর বিন আব্দুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু দাউদ সুলায়মান বিন আল-আশ’আস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসা বিন ইসমাইল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হুমায়দ থেকে, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদীনায় আগমন করলেন, তখন তাদের দুটি দিন ছিল যাতে তারা খেলাধুলা করত। তিনি বললেন: «এই দিন দুটি কী?» তারা বলল: আমরা জাহেলিয়াতের যুগে এই দিন দুটিতে খেলাধুলা করতাম। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে এই দুই দিনের পরিবর্তে তাদের চেয়ে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন: ঈদুল আজহার দিন এবং ঈদুল ফিতরের দিন।"
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٧)
6 - قَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ الْإِمَامِ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الْبَهْزَانِيِّ، أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ الشِّيرَازِيُّ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ السُّرِّيِّ بْنِ صَالِحٍ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو الْعَتَكِيُّ، ثنا أَبُو كَامِلٍ، ثنا يُوسُفُ بْنُ خَالِدٍ، ثنا أَبُو جَعْفَرٍ الْخَطْمِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَدَّهُ الْفَاكِهَ بْنَ سَعْدٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ يَغْتَسِلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَيَوْمَ عَرَفَةَ، وَيَوْمَ النَّحْرِ، وَيَوْمَ الْفِطْرِ» ، وَكَانَ الْفَاكِهُ يَأْمُرُ أَهْلَهُ بِالْغُسْلِ فِي هَذِهِ الْأَيَّامِ
৬ - আমি আবুল হাসান আল-ইমামের নিকট পাঠ করেছি, তিনি আবু আলী আল-বাহজানী থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আশ-শিরাজী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আস-সুররি ইবনে সালিহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আমর আল-আতাকি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু কামিল, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউসুফ ইবনে খালিদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু জাফর আল-খাতমি, আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর দাদা আল-ফাকিহ ইবনে সা’দকে বলতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন, আরাফার দিন, নহরের দিন (কুরবানীর দিন) এবং ঈদুল ফিতরের দিন গোসল করতেন; আর আল-ফাকিহ তাঁর পরিবারকে এই দিনগুলোতে গোসল করার আদেশ দিতেন এই দিনগুলোতে।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٨)
7 - حَدَّثَنَا الْفَقِيهُ أَبُو الْفَتْحِ سُلَيْمُ بْنُ أَيَّوبَ الرَّازِيُّ، أنبا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الْإِمَامُ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَتِيقٍ الْعَبْسِيُّ، بِدِمَشْقَ، ثنا مَرْوُانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيُّ، ثنا أَبُو يَزِيدَ الْخَوْلانِيُّ، ثنا سَيَّارُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الصَّدَفِيُّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«زَكَاةُ الْفِطْرِ طُهْرَةٌ لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ، وَطُعْمَةٌ لِلْمَسَاكِينِ، مَنْ أَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلاةِ فَهِيَ زَكَاةٌ مَقْبُولَةٌ، وَمَنْ أَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلاةِ فَهِيَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ»
৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফকিহ আবুল ফাতহ সুলাইম ইবনে আইয়ুব আর-রাযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু হামিদ আহমদ ইবনে আবু তাহির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারা কুতনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আতীক আল-আবসী দামেস্কে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আদ-দিমাশকী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াযীদ আল-খাওলানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাইয়্যার ইবনে আব্দুর রহমান আস-সাদাফী, ইকরিমা থেকে বর্ণিত, ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “সাদাকাতুল ফিতর হলো রোযাদারের জন্য অনর্থক কথা ও অশ্লীলতা থেকে পবিত্রতাস্বরূপ এবং মিসকীনদের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থাস্বরূপ। যে ব্যক্তি নামাযের আগে তা আদায় করবে, তা একটি যাকাত হিসেবে কবুলযোগ্য হবে, আর যে ব্যক্তি নামাযের পর তা আদায় করবে, তা সাধারণ দানসমূহের মধ্যে একটি দান।”
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ٩)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ سُلَيْمٌ، أنبا أَبُو حَامِدٍ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، ثنا الْقَاسِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ زُرَارَةَ، ثنا عُمَيْرُ بْنُ عَمَّارٍ الْهَمَذَانِيُّ، ثنا الْأَبْيَضُ بْنُ الْأَغَرِّ، حَدَّثَنِي الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، رضي الله عنه، قَالَ: أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ بِصَدَقَةِ الْفِطْرِ عَنِ الصَّغِيرِ وَالْكَبِيرِ وَالْحُرِّ وَالْعَبْدِ مِمَّنْ تَمُونُونَ "
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ সুলাইম, আমাদের জানিয়েছেন আবু হামিদ, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হাসান আদ-দারাকুতনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন সাঈদ আল-হামদানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আমির বিন যুরারাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমাইর বিন আম্মার আল-হামাযানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আবইয়ায বিন আল-আগার, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আয-যাহহাক বিন উসমান, তিনি নাফে‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমরা যাদের ভরণপোষণ করো, তাদের মধ্য থেকে ছোট, বড়, স্বাধীন ও দাসের পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতর আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ، أنبا أَبُو حَامِدٍ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالا: ثنا أَبُو يُوسُفَ الْقَلُوسِيُّ، ثنا بَكْرُ بْنُ الْأَسْوَدِ، ثنا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، رضي الله عنه النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«حَضَّ عَلَى صَدَقَةِ رَمَضَانَ، عَلَى كُلِّ إِنْسَانٍ صَاعٌ مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعٌ مِنْ شَعِيرٍ، أَوْ صَاعٌ مِنْ قَمْحٍ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল ও মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু ইউসুফ আল-কালুসী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বাকর ইবনে আল-আসওয়াদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্বাদ ইবনে আল-আওয়াম, তিনি সুফিয়ান ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে এবং তিনি নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রমজানের সদকা (ফিতরা) প্রদানের ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন; প্রত্যেক ব্যক্তির পক্ষ থেকে এক সা খেজুর, অথবা এক সা যব, অথবা এক সা গম।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١١)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ سُلَيْمٌ، أنبا أَبُو حَامِدٍ، أَنْبَا أَبُو الْحَسَنِ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْأُبُلِّيُّ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، ثنا عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ خُنَيْسٍ، ثنا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَطَاءٍ، ثنا الْوَلِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا الزُّهْرِيُّ، أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ ، رضي الله عنه، أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ يُكَبِّرُ يَوْمَ الْفِطْرِ مِنْ حِينِ يَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهِ حَتَّى يَأْتِيَ الْمُصَلَّى»
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ সুলাইম, আমাদের অবহিত করেছেন আবু হামিদ, আমাদের অবহিত করেছেন আবু হাসান, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-উবুল্লি মুহাম্মাদ বিন আলী বিন ইসমাঈল, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উবাইদ বিন মুহাম্মাদ বিন খুনাইস, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মূসা বিন মুহাম্মাদ বিন আতা, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ওয়ালিদ বিন মুহাম্মাদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আয-যুহরী, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সালিম বিন আবদুল্লাহ, যে আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) তাকে অবহিত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঈদুল ফিতরের দিন নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় থেকে ঈদগাহে আসা পর্যন্ত তাকবীর পাঠ করতেন।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ سُلَيْمٌ، أنبا أَبُو حَامِدٍ، أَنْبَا أَبُو الْحَسَنِ، ثنا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، ثنا ابْنُ لَهِيعَةَ، ثنا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ ، رضي الله عنها، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‌‌«يُكَبِّرُ فِي الْعِيدَيْنِ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ تَكْبِيرَةً سِوَى تَكْبِيرَةِ الافْتِتَاحِ، وَيَقْرَأُ بِ ق وَالْقُرْءَانِ الْمَجِيدِ واقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ»
১১ - আবুল ফাতহ সুলাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হামিদ আমাদের অবহিত করেছেন, আবুল হাসান আমাদের অবহিত করেছেন, আবু বকর আন-নাইসাবুরী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইসহাক ইবনে ঈসা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনে লাহিয়াহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, খালিদ ইবনে ইয়াজিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «দুই ঈদে তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত বারোটি তাকবীর প্রদান করতেন এবং 'ক্বাফ ওয়াল কুরআনিল মাজীদ' ও 'ইক্বতারাবাতিস সাআতু' পাঠ করতেন।»
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي عِيسَى الدِّينَوَرِيُّ، أنبا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ غَزْوٍ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّحْوِيُّ الْكُوفِيُّ، بِهَا، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْخَزَّازُ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَكَمِ الْبَجَلِيُّ، ثنا الْقَاسِمُ الْقُرَشِيُّ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ ، رضي الله عنه، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: إِنَّ‌‌ الْجَنَّةَ لَتُنَجَّدُ وَتُزَيَّنُ مِنَ الْحَوْلِ إِلَى الْحَوْلِ، فَإِذَا كَانَتْ أَوَّلُ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ، يَقُولُ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: «يَا رِضْوَانُ افْتَحْ أَبْوَابَ الْجِنَانِ، يَا مَالِكُ أَغْلِقْ أَبْوَابَ الْجَحِيمِ عَنِ الصَّائِمِينَ مِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَا جِبْرِيلُ اهْبِطْ إِلَى الْأَرْضِ فَصَفِّدْ مَرَدَةَ الشَّيَاطِينِ وَغُلَّهُمْ فِي الْأَغْلالِ، ثُمَّ اقْذِفْ بِهِمْ فِي لُجَجِ الْبِحَارِ، حَتَّى لا يُفْسِدُوا عَلَى أُمَّةِ حَبِيبِي صِيَامَهُمْ» .

قَالَ: وَيَقُولُ اللَّهُ تبارك وتعالى فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ ثُلُثَ اللَّيْلِ الْآخِرِ: «هَلْ مِنْ تَائِبٍ فَأَتُوبُ عَلَيْهِ، هَلْ مِنْ مُسْتَغْفِرٍ فَأَغْفِرُ لَهُ، مَنْ يُقْرِضُ الْمَلِيَّ غَيْرَ الْمُعْدَمِ، الْوَفِيَّ غَيْرَ الظَّلُومِ» .

قَالَ: وَلِلَّهِ تبارك وتعالى فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ عِنْدَ الإِفْطَارِ أَلْفُ أَلْفِ عَتِيقٍ مِنَ النَّارِ، فَإِذَا كَانَتْ لَيْلَةُ الْجُمُعَةِ أَوُ يَوْمُ الْجُمُعَةِ أَعْتَقَ فِي كُلِّ سَاعَةٍ مِنْهَا أَلْفَ أَلْفِ عَتِيقٍ مِنَ النَّارِ كُلُّهُمْ قَدِ اسْتَوْجَبَ الْعَذَابَ، فَإِذَا كَانَ فِي آخِرِ يَوْمٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ أَعْتَقَ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ بِعَدَدِ مَنْ أَعْتَقَ مِنْ أَوَّلِ الشَّهْرِ إِلَى آخِرِهِ، فَإِذَا كَانَ لَيْلَةُ الْقَدْرِ يَأْمُرُ اللَّهُ تبارك وتعالى جِبْرِيلَ عليه السلام فَيَهْبِطُ فِي كَبْكَبَةٍ مِنَ الْمَلائِكَةِ إِلَى الأَرْضِ وَمَعَهُ لِوَاءٌ أَخْضَرُ، فَيُرَكِّزُ اللِّوَاءَ عَلَى ظَهْرِ الْكَعْبَةِ، وَلَهُ سِتُّ مِائَةِ جَنَاحٍ، مِنْهَا جَنَاحَانِ لا يَنْشُرُهُمَا إِلا فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ، فَيَنْشُرُهُمَا فِي تِلْكَ اللَّيْلَةِ، فَيَتَجَاوَزَانِ الْمَشْرِقَ وَالْمَغْرِبَ، وَيَحُثُّ جِبْرِيلُ عليه السلام الْمَلائِكَةَ فِي هَذِهِ الْأُمَّةِ، فَيُسَلِّمُونَ عَلَى كُلِّ قَائِمٍ وَقَاعِدٍ وَمُصَلٍّ وَذَاكِرٍ، فَيُصَافِحُونَهُمْ وَيُؤَمِّنُونَ عَلَى دُعَائِهِمْ حَتَّى يَطْلَعَ الْفَجْرُ، فَإِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ نَادَى جِبْرِيلُ: مَعَاشِرَ الْمَلائِكَةِ الرَّحِيلُ، فَيَقُولُونَ: يَا جِبْرِيلُ فَمَا صَنَعَ اللَّهُ تبارك وتعالى فِي حَوَائِجِ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم؟ فَيَقُولُ: اللَّهُ تبارك وتعالى نَظَرَ إِلَيْهِمْ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ فَعَفَا عَنْهُمْ وَغَفَرَ لَهُمْ إِلا أَرْبَعَةً، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: وَهَؤُلاءِ الأَرْبَعَةُ: رَجُلٌ يُدْمِنُ الْخَمْرَ، وَعَاقُّ وَالِدَيْهِ، وَقَاطِعُ رَحِمٍ، وَمُشَاحِنٌ، قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْمُشَاحِنُ؟ قَالَ: هُوَ الْمُصَارِمُ ، فَإِذَا كَانَتْ لَيْلَةُ الْفِطْرِ سُمِّيَتْ تَلْكَ اللَّيْلَةُ لَيْلَةَ الْجَائِزَةِ، فَإِذَا كَانَ غَدَاةُ الْفِطْرِ يَبْعَثُ اللَّهُ عز وجل الْمَلائِكَةَ فِي كُلِّ بِلادٍ، يَهْبِطُونَ إِلَى الأَرْضِ، وَيَقُومُونَ عَلَى أَفْوَاهِ السِّكَكِ فَيُنَادُونَ بِصَوْتٍ يَسْمَعُهُ جَمِيعُ مَنْ خَلَقَ اللَّهُ عز وجل إِلا الْجِنَّ وَالْإِنْسَ، فَيَقُولُونَ: يَا أُمَّةَ أَحْمَدَ اخْرُجُوا إِلَى رَبٍّ كَرِيمٍ يُعْطِي الْجَزِيلَ وَيَغْفِرُ الْعَظِيمَ، فَإِذَا بَرَزُوا فِي مُصَلاهُمْ، يَقُولُ اللَّهُ عز وجل لِمَلائِكَتِهِ: «يَا مَلائِكَتِي مَا جَزَاءُ الْأَجِيرِ إِذَا عَمِلَ عَمَلَهُ؟» قَالَ: تَقُولُ الْمَلائِكَةُ: إِلَهَنَا وَسَيِّدَنَا، جَزَاؤُهُ أَنْ تُوَفِّيَهُ أَجْرَهُ، قَالَ: فَيَقُولُ اللَّهُ عز وجل: «فَإِنِّي أُشْهِدُكُمْ يَا مَلائِكَتِي أَنِّي قَدْ جَعَلْتُ ثَوَابَهُمْ مِنْ صِيَامِهِمْ شَهْرَ رَمَضَانَ وَقِيَامِهِمْ رِضَايَ وَمَغْفِرَتِي» .

قَالَ: وَيَقُولُ اللَّهُ عز وجل: «يَا عِبَادِي سَلُونِي، فَوَعِزَّتِي وَجَلالِي لا تَسْأَلُونِي الْيَوْمَ شَيْئًا مِنْ مَجْمَعِكُمْ هَذَا لِآخِرَتِكُمْ إِلا أَعْطَيْتُكُمْ، وَلا لِدُنْيَاكُمْ إِلا نَظَرْتُ لَكُمْ، وَعِزَّتِي لأَسْتُرَنَّ عَلَيْكُمْ عَوْرَاتِكُمْ مَا رَاقَبْتُمُونِي، وَعِزَّتِي لا أُخْزِيكُمْ وُلا أَفْضَحُكُمْ بَيْنَ يَدَيْ أَصْحَابِ الْحُدُودِ، فَانْصَرِفُوا مَغْفُورًا لَكُمْ، قَدْ أَرْضَيْتُمُونِي وَرَضِيتُ عَنْكُمْ» .

قَالَ: فَتَفْرَحُ الْمَلائِكَةُ وَيَسْتَبْشِرُونَ بِمَا يُعْطِي اللَّهُ عز وجل هَذِهِ الْأُمَّةَ إِذَا أَفْطَرُوا مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন আলী বিন আবু ঈসা আদ-দিনাওয়ারী, তিনি আবু মুসলিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন গযওয়াহ্ থেকে, তিনি আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন মুহাম্মাদ আন-নাহবী আল-কুফী থেকে কুফায়, তিনি আবুল কাসিম জাফর বিন আহমাদ আল-খাযযায থেকে, তিনি হাসান বিন আরাফাহ্ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-হাকাম আল-বাজালী থেকে, তিনি কাসিম আল-কুরাশী থেকে, তিনি যাহহাক বিন মুযাহিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: নিশ্চয় জান্নাতকে এক বছর থেকে অন্য বছর পর্যন্ত সুসজ্জিত ও অলঙ্কৃত করা হয়। যখন রমজান মাসের প্রথম রাত উপস্থিত হয়, তখন বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ বলেন: «হে রিদওয়ান! জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দাও। হে মালিক! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের রোজাদারদের জন্য জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দাও। হে জিবরীল! জমিনে নেমে যাও এবং বিদ্রোহী শয়তানদের শৃঙ্খলিত করো ও তাদের গলায় বেড়ি পরিয়ে দাও, তারপর তাদের সমুদ্রের অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করো, যাতে তারা আমার প্রিয় হাবীবের উম্মতের রোজা নষ্ট করতে না পারে।’

তিনি বলেন: এবং বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ রমজান মাসের প্রতি রাতে শেষ তৃতীয়াংশে বলেন: ‘আছে কি কোনো তওবাকারী, যার তওবা আমি কবুল করব? আছে কি কোনো ক্ষমা প্রার্থনাকারী, যাকে আমি ক্ষমা করব? কে আছে যে এমন সচ্ছল সত্তাকে ঋণ দেবে যিনি অভাবগ্রস্ত নন এবং পূর্ণরূপে প্রদানকারী যিনি জুলুম করেন না?’

তিনি বলেন: এবং রমজান মাসের প্রতি রাতে ইফতারের সময় বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহর পক্ষ থেকে দশ লক্ষ জাহান্নাম থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি থাকে। যখন জুমার রাত বা জুমার দিন হয়, তখন তার প্রতি ঘণ্টায় দশ লক্ষ লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়, যাদের প্রত্যেকের ওপর আজাব অবধারিত হয়ে গিয়েছিল। যখন রমজান মাসের শেষ দিন আসে, তখন তিনি সেই দিনে মাসজুড়ে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যতজনকে মুক্তি দিয়েছিলেন, তাদের সমপরিমাণ লোককে মুক্তি দেন। যখন লাইলাতুল কদর আসে, তখন বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ জিবরীল আলাইহিস সালামকে নির্দেশ দেন, ফলে তিনি একদল ফেরেশতা নিয়ে জমিনে অবতরণ করেন এবং তাঁর সাথে একটি সবুজ পতাকা থাকে। তিনি পতাকাটি কাবার ছাদে স্থাপন করেন। তাঁর ছয়শ ডানা রয়েছে, যার মধ্যে দুটি ডানা তিনি কেবল লাইলাতুল কদর ছাড়া বিস্তার করেন না। তিনি এই রাতে সেই ডানা দুটি বিস্তার করেন, যা পূর্ব ও পশ্চিম পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। জিবরীল আলাইহিস সালাম এই উম্মতের মধ্যে ফেরেশতাদের উৎসাহিত করেন, ফলে তারা প্রত্যেক দণ্ডায়মান, উপবিষ্ট, নামাজরত ও জিকিরকারীকে সালাম দেয়। তারা তাদের সাথে মুসাফাহা করে এবং ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত তাদের দোয়ায় আমিন বলে। যখন ফজর উদিত হয়, জিবরীল আহ্বান করেন: হে ফেরেশতার দল! প্রস্থানের সময় হয়েছে। তখন তারা বলে: হে জিবরীল! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের মুমিনদের হাজত বা চাহিদার ব্যাপারে বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ কী ফয়সালা করেছেন? তিনি বলেন: বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ এই রাতে তাদের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিয়েছেন এবং চারজন ব্যক্তি ব্যতীত তাদের সকলকে মার্জনা ও ক্ষমা করে দিয়েছেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: আর সেই চারজন হলো: মদপানে আসক্ত ব্যক্তি, পিতামাতার অবাধ্য সন্তান, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী এবং বিদ্বেষ পোষণকারী। জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! বিদ্বেষ পোষণকারী (মুশাহিন) কে? তিনি বললেন: যে সম্পর্ক ছিন্ন করে। যখন ঈদুল ফিতরের রাত আসে, তখন সেই রাতকে ‘পুরস্কারের রাত’ নামকরণ করা হয়। যখন ঈদুল ফিতরের সকাল হয়, তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা প্রত্যেক শহরে ফেরেশতাদের প্রেরণ করেন। তারা জমিনে নেমে আসে এবং অলিগলির মুখে দাঁড়িয়ে এমন উচ্চস্বরে আহ্বান জানায় যা আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সৃষ্ট সমস্ত মাখলুক শুনতে পায়—জিন ও ইনসান ব্যতীত। তারা বলে: হে আহমাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উম্মত! এক দয়ালু রবের দিকে বের হয়ে চলো, যিনি অঢেল দান করেন এবং বড় বড় অপরাধ ক্ষমা করেন। যখন তারা তাদের ঈদগাহে সমবেত হয়, তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর ফেরেশতাদের বলেন: «হে আমার ফেরেশতারা! কোনো শ্রমিক যখন তার কাজ সম্পন্ন করে, তখন তার প্রতিদান কী হওয়া উচিত?» তিনি বলেন: ফেরেশতারা বলে: হে আমাদের ইলাহ ও আমাদের মালিক! তার প্রতিদান হলো আপনি তাকে তার মজুরি পূর্ণরূপে পরিশোধ করবেন। তিনি বলেন: তখন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন: «আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি হে আমার ফেরেশতারা! আমি তাদের রমজান মাসের রোজা ও কিয়ামের সওয়াব হিসেবে আমার সন্তুষ্টি ও ক্ষমা দান করলাম।’

তিনি বলেন: এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন: «হে আমার বান্দারা! আমার কাছে চাও। আমার মর্যাদা ও প্রতাপের কসম! আজ তোমাদের এই জমায়েতে তোমাদের আখেরাতের জন্য যা কিছু চাইবে, আমি তোমাদের তা দান করব। আর তোমাদের দুনিয়ার বিষয়ের জন্য যা চাইবে, তাতে আমি তোমাদের প্রতি দৃষ্টি দেব। আমার মর্যাদার কসম! যতক্ষণ তোমরা আমাকে লক্ষ্য রাখবে, ততক্ষণ আমি তোমাদের দোষ-ত্রুটিগুলো গোপন রাখব। আমার মর্যাদার কসম! অপরাধীদের (বিচারের সম্মুখীনদের) সামনে আমি তোমাদের অপমান ও লাঞ্ছিত করব না। তোমরা ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে যাও। তোমরা আমাকে সন্তুষ্ট করেছ এবং আমিও তোমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়েছি।’

তিনি বলেন: তখন ফেরেশতারা আনন্দিত হয় এবং আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা রমজান মাসের রোজা শেষে এই উম্মতকে যা দান করেন, তাতে তারা সুসংবাদ গ্রহণ করে।
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ، أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَلَطِيُّ، ثنا أَبُو الْعَبَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْخَلَجِيُّ، ثنا طَاهِرُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ سَعِيدٍ، ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ، أَخِي يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ صَامَ شَهْرَ رَمَضَانَ وَأَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ فَكَأَنَّمَا صَامَ الدَّهْرَ»
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উমর বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-মালাতি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল আব্বাস আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক আল-খালাজি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তাহির বিন আল-ফজল বিন সাঈদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, সাদ বিন সাঈদ আল-আনসারী থেকে বর্ণিত—যিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদের ভাই—তিনি উমর বিন সাবিত আল-আনসারী থেকে, তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি রমযান মাসের রোযা রাখল এবং এর পরবর্তীতে শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখল, সে যেন সারা বছরই রোযা রাখল।»
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ النَّصِيبِيُّ، وَأَبُو زَكَرِيَّا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ أَحْمَدَ الْبُخَارِيُّ، قَالا: أَنْبَا أَبُو الْفَتْحِ. . . . . .، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ زَيْدٍ الْبَصْرِيّ ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ سَلامٍ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ. . . . . . الْأَزْرَقُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ ، حَدَّثَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَسِتَّةً مِنْ شَوَّالٍ فَكَأَنَّمَا صَامَ السَّنَةَ»
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমদ আন-নাসিবি এবং আবু জাকারিয়া আব্দুর রহিম বিন আহমদ আল-বুখারি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ . . . . . . , আল-কাসিম বিন আহমদ বিন যাইদ আল-বাসরি থেকে, আবুল হাসান আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন সালাম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবুল কাসিম আব্দুর রহমান . . . . . . আল-আযরাক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি সা'দ বিন সাঈদ থেকে, তিনি উমর বিন সাবিত থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে; তিনি তাঁদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এবং শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, তবে সে যেন সারা বছরই রোজা রাখল»
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ عَلِيٍّ الْمِيمَاسِيُّ، بِعَسْقَلانَ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعَسْقَلانِيُّ الْخَطِيبُ، ثنا أَبُو الْمَيْمُونِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُطَرِّفٍ، ثنا ابْنُ قُتَيْبَةَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السُّرِّيِّ، ثنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يَزَالُ صِيَامُ الْعَبْدِ مُعَلَّقًا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ حَتَّى يُؤَدِّيَ زَكَاةَ مَالِهِ»
১৫ - আসকালানে আবু বকর মুহাম্মদ ইবন জাফর ইবন আলী আল-মিমাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান আল-আসকালানি আল-খতিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল মাইমুন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন মুতাররিফ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন কুতাইবা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আবুস সুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান ইবন উসমান ইবন উমর, আনাস ইবন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «বান্দার রোজা আসমান ও জমিনের মাঝে ততক্ষণ পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, যতক্ষণ না সে তার সম্পদের জাকাত আদায় করে»
(খণ্ড: ١) মজলিসুম মিন আমালিল আবিল ফাতহ আল-মাকদিসী ১ (পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - أَخْبَرَنِي أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ بُنْدَارِ بْنِ عَلِيٍّ الشِّيرَازِيُّ، فِي كِتَابِهِ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخَوْلانِيُّ، ثنا أَحْمَدٌ يَعْنِي ابْنَ الْحَسَنِ بْنِ مَاجَهْ الْقَزْوِينِيُّ ، ثنا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي ، ثنا سَيَّارٌ، ثنا جَعْفَرٌ، ثنا النَّضْرُ بْنُ حُمَيْدٍ الْكِنْدِيُّ، عَنِ الْجَارُودِ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّهُ كَانَ‌‌ يَقُولُ فِي آخِرِ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ: «مَنْ هَذَا الْمَقْبُولُ اللَّيْلَةَ فَنُهَنِّئَهُ، مَنْ هَذَا الْمَرْدُودُ اللَّيْلَةَ فَنُعَزِّيَهُ، يَأَيُّهَا الْمَقْبُولُ هَنِيئًا، وَيَأَيُّهَا الْمَحْرُومُ الْمَرْدُودُ جَبَرَ اللَّهُ مُصِيبَتَكَ»

وَلِبَعْضِهِمْ:

مَا ذَاقَ رُوحَ الْغِنَى مَنْ لا قُنُوعَ لَهُ … وَلَنْ تَرَى قَانِعًا مَا عَاشَ

مُفْتَقِرًا

الْعُرْفُ مَنْ يَأْتِهِ يَحْمَدْ عَوَاقِبَهُ … مَا ضَاعَ عُرْفٌ وَإِنْ أَوْلَيْتُهُ حَجَرًا
১৬ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম আব্দুল আজিজ ইবনে বুন্দার ইবনে আলী আশ-শিরাজী, তাঁর কিতাবে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খাওলানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ অর্থাৎ ইবনুল হাসান ইবনে মাজাহ আল-কাজভিনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জিয়াদ ইবনে আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাইয়্যার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নাদর ইবনে হুমাইদ আল-কিন্দি, আল-জারুদ থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রমজানের শেষ রাতে বলতেন: “আজ রাতে কবুলকৃত ব্যক্তিটি কে, যাকে আমরা অভিনন্দন জানাব? আর আজ রাতে প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিটি কে, যাকে আমরা সমবেদনা জানাব? হে কবুলকৃত ব্যক্তি! তোমার জন্য শুভকামনা, আর হে বঞ্চিত ও প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তি! আল্লাহ তোমার মুসিবত দূর করে ক্ষতিপূরণ দান করুন।”

আর কারো কারো কবিতা:

যার অল্পেতুষ্টি নেই সে সচ্ছলতার প্রকৃত স্বাদ পায়নি … আর তুমি কোনো অল্পেতুষ্ট ব্যক্তিকে তার জীবদ্দশায় দেখতে পাবে না

অভাবী হিসেবে

যে ব্যক্তি সৎকর্ম করে সে তার পরিণামকে প্রশংসা করে … সৎকর্ম কখনো বৃথা যায় না, এমনকি তুমি যদি তা কোনো পাথরের প্রতিও করো।