(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: -)
أمالي أبي يعلى الفراء   (القاضي أبو يعلى ابن الفراء)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أمالي أبي يعلى الفراء

المؤلف: القاضي أبو يعلى، محمد بن الحسين بن محمد بن خلف المعروف بـ ابن الفراء (ت 458هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 18

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা   (আল-কাদি আবু ইয়ালা ইবনুল ফাররা)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা

লেখক: আল-কাদি আবু ইয়ালা, মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন খালাফ যিনি ইবনুল ফাররা নামে পরিচিত (মৃত্যু ৪৫৮ হি.)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি যা ইসলামিক নেটওয়ার্ক (ইসলাম ওয়েব) সাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৮

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১)
أَمَالِي أَبِي يَعْلَى الْفَرَّاءِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
আবু ইয়া‘লা আল-ফাররার আমালি। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ২)
1 - قَالَ: أنبا أَبُو عَلِيٍّ ضِيَاءُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي عَلِيِّ بْنِ الْخُرَيْفِ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَهْبَلِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ كَارِهٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، وَأَنَا أَسْمَعُ، بِبَغْدَادَ، قَالا: أنا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، قَالَ: نا الْقَاضِي أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءِ، إِمْلاءً، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ الْخَامِسِ مِنَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سَبْعٍ وَخَمْسِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ السُّكَّرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي صَفَرٍ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: نا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى السَّامِيُّ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَثَلُ الْمُؤْمِنِ مَثَلُ الزَّرْعِ لا تَزَالُ الرِّيحُ تُمِيلُهُ، وَلا يَزَالُ الْمُؤْمِنُ يُصِيبُهُ بَلاءٌ، وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ كَمَثَلِ شَجَرَةِ الأَرْزِ لا تَهْتَزُّ حَتَّى تُسْتَحْصَدَ» .

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ
১ - তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী জিয়া বিন আবিল কাসিম বিন আবু আলী বিন আল-খুরাইফ এবং আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন দাহবাল বিন আলী বিন কারিহ। বাগদাদে তাদের সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম। তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি। তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন বিচারক আবু ইয়ালা মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাররা, চারশত সাতান্ন হিজরি সালের মহরম মাসের পাঁচ তারিখ শুক্রবার। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-হারবি আস-সুক্কারি। তিনশত ছিয়াশি হিজরি সালের সফর মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আল-হাসান বিন আব্দুল জব্বার আস-সুফি। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি শায়বা। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল আলা বিন আব্দুল আলা আস-সামি, মামার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মুমিনের উদাহরণ হলো শস্যক্ষেত্রের মতো, যাকে বাতাস সর্বদা হেলাতে থাকে এবং মুমিন ব্যক্তি সর্বদা বিপদ-আপদে আক্রান্ত হতে থাকে। আর মুনাফিকের উদাহরণ হলো এরজ (সিডার) গাছের মতো, যা কর্তন করার আগ পর্যন্ত নড়ে না (অটল থাকে)»।

এটি একটি সহিহ হাদিস, মুসলিম বিন হাজ্জাজ এটি আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ الْوَزِيرُ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ، قَالَ: قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌{لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26] .

فَقَالَ: " إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ
نَادَى مُنَادٍ: إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ عز وجل مَوْعِدًا يُرِيدُ أَنْ يُنْجِزَكُمُوهُ، فَيَقُولُونَ: مَا هُوَ؟ ، أَلَمْ يُثَقِّلْ مَوَازِينَنَا، وَيُبَيِّضْ وُجُوهَنَا، وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ، وَيُجِرْنَا مِنَ النَّارِ، فَيَكْشِفُ لَهُمْ عَنِ الْحِجَابِ، فَيَنْظُرُونَ إِلَى اللَّهِ عز وجل، فَمَا شَيْءٌ أُعْطُوهُ هُوَ أَحَبُّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَيْهِ، وَهِيَ الزِّيَادَةُ ".

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، وَعَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، عَنْ حَمَّادٍ، فَكَأَنَّ شَيْخَنَا الْقَاضِي ابْنَ الْفَرَّاءِ سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمٍ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ঈসা বিন আলী বিন ঈসা বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ আল-উজির, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুদবাহ বিন খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, সাবিত থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আবি লাইলা থেকে, তিনি সুহাইব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করলেন: ‌‌{যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং আরও অতিরিক্ত} [ইউনুস: ২৬]।

অতঃপর তিনি বললেন: "যখন জান্নাতবাসীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে,
তখন একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলবেন: আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি তোমাদের জন্য পূর্ণ করতে চান। তখন তারা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের পাল্লাসমূহ ভারী করে দেননি, আমাদের চেহারা উজ্জ্বল করে দেননি, আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? তখন তিনি তাদের জন্য পর্দা উন্মোচন করে দেবেন, ফলে তারা মহান আল্লাহর দিকে তাকাবে। যা কিছু তাদের প্রদান করা হয়েছে, আল্লাহর দিকে তাকানোর চেয়ে প্রিয়তর আর কোনো কিছুই তাদের নিকট হবে না; আর এটিই হলো 'অতিরিক্ত'।"

এটি একটি সহীহ হাদীস, যা মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে; এবং উবায়দুল্লাহ বিন উমর আল-কাওয়ারীরী থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন মাহদী থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে আমাদের শায়খ কাজী ইবনুল ফাররা যেন এটি সরাসরি মুসলিমের থেকেই শুনেছেন।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ مُوسَى بْنُ عِيسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّرَّاجُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ غَيْلانَ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدٍ الزِّمَّانِيِّ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«صَوْمُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ يُكَفِّرُ الْعَامَ الَّذِي قَبْلَهُ، وَصَوْمُ يَوْمِ عَرَفَةَ يُكَفِّرُ الْعَامَ الَّذِي قَبْلَهُ وَالَّذِي بَعْدَهُ»
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম মুসা বিন ঈসা বিন আবদুল্লাহ আস-সাররাজ, তাকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, ৩৮৬ হিজরি সনে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান আল-বাগান্দি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদ আল-আলা বিন হাম্মাদ আন-নারসি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, কাতাদাহ থেকে, তিনি গায়লান ইবনে জারীর থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাবাদ আস-সিমানী থেকে, তিনি আবু কাতাদাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «আশুরা দিবসের সিয়াম তার পূর্ববর্তী বছরের গুনাহ মোচন করে এবং আরাফা দিবসের সিয়াম তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বছরের গুনাহ মোচন করে»
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ الْوَزِيرِ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو سُلَيْمَانَ دَاوُدُ بْنُ عَمْرٍو الضَّبِّيُّ، قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، قَالَ: ثنا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: ‌‌«صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَاشُورَاءَ، وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ، فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ صَامَهُ»
৪ - আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে আল-ওয়াজির, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সুলাইমান দাউদ ইবনে আমর আদ-দাব্বী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আইয়ুব, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আশুরার দিনে রোজা পালন করেছেন এবং এর রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর যখন রমজানের রোজা ফরজ করা হলো, তিনি তা পালন করলেন (অর্থাৎ রমজানের রোজা রাখলেন)»।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ الْعَيْشِيَّ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ يَعْنِي ابْنَ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ إِنَّ اللَّهَ عز وجل إِذَا قَضَى الأَمْرَ فِي السَّمَاءِ ضَرَبَتِ الْمَلائِكَةُ بِأَجْنِحَتِهَا خُضْعَانًا لِقَوْلِهِ، كَصَوْتِ السِّلْسِلَةِ عَلَى الصَّفْوَانِ، فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى: {حَتَّى إِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ قَالُوا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ قَالُوا الْحَقَّ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ} [سبأ: 23] .

قَالَ: وَمُسْتَرِقُ السَّمْعِ رُبَّمَا أَدْرَكَهُ الشِّهَابُ قَبْلَ أَنْ يَرْمِيَ إِلَى صَاحِبِهِ بِهَا، وَرُبَّمَا لَمْ يُدْرِكْهُ الشِّهَابُ حَتَّى يَرْمِيَ بِهَا إِلَى صَاحِبِهِ، فَيَرْمِي بِهَا هَذَا إِلَى هَذَا، وَهَذَا إِلَى هَذَا، حَتَّى تُلْقَى عَلَى فَمِ سَاحِرٍ أَوْ كَاهِنٍ فَيَكْذِبُ مَعَهَا مِائَةَ كِذْبَةٍ ".

قَالَ: " فَيَصْدُقُ، وَيَقُولُ: أَلَمْ يُخْبِرْ يَوْمَ كَذَا وَكَذَا، وَيَوْمَ كَذَا وَكَذَا فَوَجَدْنَاهُ حَقًّا، وَهِيَ الْكَلِمَةُ الَّتِي سُمِعَتْ مِنَ السَّمَاءِ ".

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنِ الْحُمَيْدِيِّ وَعَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ
৫ - আবুল কাসিম উবায়দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন হুবাবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল কাসিম আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ—অর্থাৎ ইবনে মুহাম্মদ আল-আইশী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান—অর্থাৎ ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন আমর থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি বলেন: আবু হুরায়রা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: "‌‌নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা যখন আসমানে কোনো বিষয়ের ফয়সালা করেন, তখন ফেরেশতারা তাঁর বাণীর প্রতি আনুগত্যবশত তাদের ডানাগুলো নাড়াতে থাকে, যা মসৃণ পাথরের ওপর শিকল টানার শব্দের মতো শোনায়, আর এটিই মহান আল্লাহর বাণী: {অবশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় দূর করে দেওয়া হয়, তখন তারা বলে: তোমাদের রব কী বলেছেন? তারা বলে: যা সত্য তা-ই বলেছেন। আর তিনি সমুন্নত ও মহান।} [সাবা: ২৩] ।

তিনি বলেন: "আর আড়ি পেতে শ্রবণকারী (শয়তান), কখনো কখনো তার সঙ্গীর কাছে সংবাদটি পৌঁছানোর আগেই অগ্নিশিখা তাকে পেয়ে ফেলে, আবার কখনো সংবাদটি তার সঙ্গীর কাছে পৌঁছানোর পর অগ্নিশিখা তাকে পায়। এভাবে একজন অন্যজনকে এবং সে তার পরবর্তীজনকে সংবাদটি পৌঁছে দেয়, যতক্ষণ না সেটি কোনো জাদুকর বা গণকের মুখে গিয়ে পৌঁছায়, তখন সে এর সাথে একশটি মিথ্যা মিশ্রিত করে।"

তিনি বলেন: "অতঃপর সে সত্য সাব্যস্ত হয় এবং বলা হয়: সে কি আমাদের অমুক অমুক দিন এবং অমুক অমুক দিন সংবাদ দেয়নি এবং আমরা তা সত্য হিসেবে পাইনি? আর সেটিই হলো সেই বাণী যা আসমান থেকে শোনা গিয়েছিল।"

এটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদী ও আলী ইবনুল মাদীনী থেকে, তাঁরা উভয়ই সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ ابْنِ أَخِي مِيمِيٍّ الدَّقَّاقُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ خَلادٍ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: أنبا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْقَعْقَاعُ بْنُ حَكِيمٍ، أَنَّ أَبَا صَالِحٍ السَّمَّانَ حَدَّثَهُ ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ حَدَّثَهُ ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا أَذْنَبَ ذَنْبًا كَانَتْ نُكْتَةً فِي قَلْبِهِ، فَإِذَا تَابَ صُقِلَ قَلْبُهُ، فَإِذَا زَادَ زَادَتْ حَتَّى تَسُودَ قَلْبَهُ» .

قَالَ: " فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى: {كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ} [المطففين: 14] "
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনু আখি মিমি আদ-দাক্কাক, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনশত ছিয়াশি হিজরি সালে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে খাল্লাদ আল-বাহিলি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আজলান। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাক্কা ইবনে হাকিম যে, আবু সালিহ আস-সাম্মান তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু হুরাইরা তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «নিশ্চয়ই বান্দা যখন কোনো গুনাহ করে, তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে যায়। অতঃপর সে যখন তওবা করে, তখন তার অন্তরকে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়। কিন্তু যদি সে গুনাহ বাড়িয়ে দেয়, তবে সেই দাগও বাড়তে থাকে, এমনকি তা তার পুরো অন্তরকে আচ্ছন্ন করে ফেলে»।

তিনি বলেন: "আর সেটিই মহান আল্লাহর বাণী: {কখনোই নয়, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের হৃদয়ে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে} [সূরা আল-মুতাফফিফিন: ১৪]"
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْمُخَلِّصُ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ الْمَكِّيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُوَيْمِ بْنِ سَاعِدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّ اللَّهَ عز وجل اخْتَارَنِي، وَاخْتَارَ لِي أَصْحَابًا، فَجَعَلَ لِي مِنْهُمْ وُزَرَاءَ وَأَنْصَارًا وَأَصْهَارًا، فَمَنْ سَبَّهُمْ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لا يَقْبَلُ اللَّهُ تَعَالَى مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفًا وَلا عَدْلا»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান ইবনুল আব্বাস আল-মুখাল্লিস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল আজিজ আল-বাগাউয়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আব্বাদ আল-মাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন তালহা আল-মাদানি, তিনি আবদুর রহমান ইবন সালিম ইবন আবদুল্লাহ ইবন উওয়াইম ইবন সায়েদাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আমাকে মনোনীত করেছেন, এবং আমার জন্য সাহাবীগণকে মনোনীত করেছেন। অতঃপর তাদের মধ্য থেকে আমার জন্য উজির (সহযোগী), সাহায্যকারী এবং বৈবাহিক আত্মীয় নির্ধারণ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি তাঁদের গালি দেবে তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের লানত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তার কোনো ফরজ কিংবা নফল ইবাদত কবুল করবেন না।»
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَتْنَا أُمُّ الْفَتْحِ أُمَّةُ السَّلامِ بِنْتُ الْقَاضِي أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ كَامِلٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا، وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَتْ: ثنا أَبُو الطَّيِّبِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ حُمَيْدِ بْنِ الرَّبِيعِ اللَّخْمِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الْكِنْدِيُّ، قَالَ: ثنا تَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ أَبِي الْجَحَّافِ، عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ نَبِيٍّ إِلا لَهُ وَزِيرَانِ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ، وَوَزِيرَانِ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ، فَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ فَجِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ، وَأَمَّا وَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ فَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رضي الله عنهما»

أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مَعْرُوفٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَبَّادَانِيُّ، قَالَ: ثنا أَبِي، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، قَالَ: مَنْ أَحَبَّ أَبَا بَكْرٍ فَقَدْ أَقَامَ الدِّينَ، وَمَنْ أَحَبَّ عُمَرَ فَقَدْ أَوْضَحَ السَّبِيلَ، وَمَنْ أَحَبَّ عُثْمَانَ فَقَدِ اسْتَنَارَ بِنُورِ اللَّهِ، وَمَنْ أَحَبَّ عَلِيًّا فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَى، وَمَنْ قَالَ الْحُسْنَى فِي أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَدْ بَرِئَ مِنَ النِّفَاقِ
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল ফাতহ আমাতুস সালাম বিনতে আল-কাজি আবু বকর আহমাদ বিন কামিল, তার নিকট পাঠের মাধ্যমে, এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনশত ছিয়াশি হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-তাইয়িব মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন হুমাইদ বিন আর-রাবি আল-লাখমি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন সাঈদ আল-কিন্দি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তালিদ বিন সুলাইমান আল-মুহারিবি, আবু আল-জাহহাফ থেকে, তিনি আতিয়্যা বিন সা'দ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন: «এমন কোনো নবী নেই যার জন্য আসমানবাসীদের মধ্য হতে দুইজন উজির (সহকারী) এবং যমিনবাসীদের মধ্য হতে দুইজন উজির নেই। আসমানবাসীদের মধ্য হতে আমার দুইজন উজির হলেন জিবরাঈল ও মিকাইল। আর যমিনবাসীদের মধ্য হতে আমার দুইজন উজির হলেন আবু বকর ও উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)।»

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন মারুফ আল-বাজ্জাজ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইদরিস। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ বিন মুহাম্মদ আল-আব্বাদানি। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: যে ব্যক্তি আবু বকরকে ভালোবাসল সে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করল। যে উমরকে ভালোবাসল সে সঠিক পথকে স্পষ্ট করল। যে উসমানকে ভালোবাসল সে আল্লাহর নূরে আলোকিত হলো। যে আলীকে ভালোবাসল সে এক সুদৃঢ় হাতল ধারণ করল। আর যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের ব্যাপারে উত্তম কথা বলল, সে নিফাক (কপটতা) হতে মুক্ত হলো।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى الْوَزِيرُ، إِمْلاءً، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ الْمَكِّيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَقْبَلَ الْعَبَّاسُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«هَذَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَمُّ نَبِيِّكُمْ، أَجْوَدُ قُرَيْشٍ كَفًّا وَأَوْصَلُهَا رضي الله عنه»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা আল-উজির, শ্রুতিলিপি অনুযায়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আজিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাদ আল-মাক্কি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে তালহা আত-তাইমি, আবু সুহাইল ইবনে মালিক থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে, তিনি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম, এমতাবস্থায় আব্বাস আসলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «ইনি হলেন আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব, তোমাদের নবীর চাচা; তিনি কুরাইশদের মধ্যে সবচেয়ে বড় দাতা এবং তাদের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষায় শ্রেষ্ঠ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)»
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَالِكٍ الْبَيِّعُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي سَنَةِ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو نَصْرٍ اللَّيْثُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ اللَّيْثِ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ أَبُو جَعْفَرٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: ثنا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: ثنا وَرْقَاءُ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ أُلْهِمَ خَمْسَةً لَمْ يُحْرَمْ خَمْسَةً، مَنْ أُلْهِمَ الدُّعَاءَ لَمْ يُحْرَمِ الإِجَابَةَ؛ لأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى، يَقُولُ: {وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ} [غافر: 60] .

وَمَنْ أُلْهِمَ التَّوْبَةَ لَمْ يُحْرَمِ الْقَبُولَ؛ لأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {وَهُوَ الَّذِي يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ} [الشورى: 25] .

وَمَنْ أُلْهِمَ الشُّكْرَ لَمْ يُحْرَمِ الزِّيَادَةَ؛ لأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {لَئِنْ شَكَرْتُمْ لأَزِيدَنَّكُمْ} [إبراهيم: 7] .

وَمَنْ أُلْهِمَ الاسْتِغْفَارَ لَمْ يُحْرَمِ الْمَغْفِرَةَ؛ لأَنَّ اللَّهَ يَقُولُ: {اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا} [نوح: 10] .

وَمَنْ أُلْهِمَ النَّفَقَةَ لَمْ يُحْرَمِ الْخَلَفَ؛ لأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {وَمَا أَنْفَقْتُمْ مِنْ شَيْءٍ فَهُوَ يُخْلِفُهُ} [سبأ: 39] "
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মালিক আল-বায়্যি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনশত ছিয়াশি হিজরি সনে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু নাসর আল-লায়স বিন মুহাম্মদ বিন আল-লায়স আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন জাফর আবু জাফর আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ বিন নাসর আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আল-মুবারক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, সাবিত থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "যাকে পাঁচটি বিষয়ের ইলহাম (অনুপ্রেরণা) প্রদান করা হয়েছে সে পাঁচটি বিষয় থেকে বঞ্চিত হবে না; যাকে দোয়ার ইলহাম করা হয়েছে সে কবুল হওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না; কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন: {এবং বলেছেন তোমাদের পালনকর্তা: তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব} [গাফির: ৬০]।

আর যাকে তাওবার ইলহাম করা হয়েছে সে কবুল হওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না; কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন: {তিনিই তাঁর বান্দাদের তাওবা কবুল করেন} [আশ-শূরা: ২৫]।

আর যাকে কৃতজ্ঞতার ইলহাম করা হয়েছে সে বৃদ্ধি পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না; কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন: {যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের বাড়িয়ে দেব} [ইবরাহীম: ৭]।

আর যাকে ইস্তিগফারের ইলহাম করা হয়েছে সে ক্ষমা থেকে বঞ্চিত হবে না; কারণ আল্লাহ বলেন: {তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল} [নূহ: ১০]।

আর যাকে ব্যয়ের (দান-সদকা) ইলহাম করা হয়েছে সে তার প্রতিদান থেকে বঞ্চিত হবে না; কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন: {তোমরা যা কিছু ব্যয় করো, তিনি তার বিনিময় দান করেন} [সাবা: ৩৯]।"
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مَعْرُوفِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: ثنا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَالِكٍ الْبَيِّعُ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الْوَاسِطِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالدِّيبَاجِيِّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زِيَادٍ الدِّيبَاجِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ الأَهْوَازِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: ‌‌«لا يُقْبَلُ قَوْلٌ إِلا بِعَمَلٍ، وَلا عَمَلٌ إِلا بِقَوْلٍ، وَلا عَمَلٌ وَقَوْلٌ إِلا بِالنِّيَّةِ، وَلا يُقْبَلُ عَمَلٌ وَقَوْلٌ وَنِيَّةٌ إِلا مَا وَافَقَ السُّنَّةَ» .

وَرَوَى هَذَا الْحَدِيثَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَرْفُوعًا

حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى، إِمْلاءً، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ بَدْرِ بْنِ الْهَيْثَمِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ حَدَّثَكُمْ عَمْرُو بْنُ النَّضْرِ الْغَزَّالُ، ثنا عِصْمَةُ، ثنا حَبِيبُ الْجَمَّالُ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، قَالَ: أَوَّلُ قَطْرَةٍ مِنْ دَمِ الأُضْحِيَةِ كَفَّارَةٌ لأَرْبَعَةِ أَلْفِ خَطِيئَةٍ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন মারূফ বিন মুহাম্মদ আল-বায্যায, তাঁর নিকট পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন আব্দুস সামাদ আল-হাশিমী, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মালিক আল-বায়্যি‘, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হাসান আল-ওয়াসিতী, যিনি আদ-দীবাজী নামে পরিচিত। আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যিয়াদ আদ-দীবাজী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন খালিদ আল-আহওয়াযী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলায়মান বিন আমর, আব্দুল মালিক বিন উমায়ের থেকে, আব্দুর রহমান থেকে, তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমল ব্যতীত কোনো কথা কবুল হয় না, কথা ব্যতীত কোনো আমল কবুল হয় না, নিয়ত ব্যতীত আমল ও কথা কবুল হয় না এবং আমল, কথা ও নিয়ত কবুল হয় না যতক্ষণ না তা সুন্নাহর অনুসারী হয়।»।

এবং আনাস বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু এই হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন আলী বিন ঈসা শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম বদর বিন আল-হাইসামের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তাঁকে বলা হলো: আপনাদের নিকট কি হাদীস বর্ণনা করেছেন আমর বিন আন-নযর আল-গায্যাল? তিনি বললেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ‘ইসমাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাবীব আল-জাম্মাল, আবু জাফর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কুরবানির পশুর রক্তের প্রথম ফোঁটা চার হাজার পাপের কাফফারা স্বরূপ।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَرْبِيُّ السُّكَّرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ الْكَبِيرُ، ثنا أَبُو زَكَرِيَّا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، فِي شَعْبَانَ سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَمِائَتَيْنِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ التِّنِّيسِيُّ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ مُوسَى بْنُ عِيسَى السَّرَّاجُ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ جَعْفَرٍ، وَرَّاقُ ِ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ الْهَيْثَمِ، قَالَ: ثنا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ الْحَلَبِيُّ، قَالَ: أنبا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَعِيدٍ وَهُوَ حَفْصُ بْنُ غَيْلانَ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: وَقَالَ السَّرَّاجُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَبْعَثُ الأَيَّامَ عَلَى هَيْئَتِهَا، وَيَبْعَثُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَهِيَ زَهْرَاءُ مُنِيرَةٌ أَهْلُهَا يَحُفُّونَ بِهَا كَالْعَرُوسِ تُهْدَى إِلَى كَرِيمِهَا، تُضِيءُ لَهُمْ يَمْشُونَ فِي ضَوْئِهَا أَلْوَانُهُمْ كَالثَّلْجِ، وَرِيحُهُمْ يَسْطَعُ كَالْمِسْكِ، يَخُوضُونَ فِي جِبَالِ الْكَافُورِ، يَنْظُرُ إِلَيْهِمُ الثَّقَلانِ، مَا يَطْرِفُونَ تَعَجُّبًا حَتَّى يَدْخُلُوا الْجَنَّةَ لا يُخَالِطُهُمْ إِلا الْمُؤَذِّنُونَ الْمُحْتَسِبُونَ»
১২ - আবু আল-হাসান আলী ইবনে উমর আল-হারবি আস-সুক্কারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি শুনছিলাম—তিনশ ছিয়াশি হিজরি সনে। তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুফি আল-কাবীর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন দুইশ ঊনত্রিশ হিজরি সনের শাবান মাসে। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আত-তিন্নিসি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। আর আবুল কাসিম মুসা ইবনে ঈসা আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আল-ফজল ইবনে জাফর আল-ওয়াররাক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আব্দুল কারিম ইবনুল হাইসাম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু তাওবাহ আর-রাবি ইবনে নাফে আল-হালাবি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: আল-হাইসাম ইবনে হুমাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু সাইদ (যিনি হাফস ইবনে গাইলান) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তাউস থেকে, তিনি আবু মুসা আল-আশআরি থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন; এবং সাররাজ বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা দিনগুলোকে তাদের প্রকৃত অবস্থায় পুনরুত্থিত করবেন এবং জুমার দিনকে এমনভাবে পুনরুত্থিত করবেন যা হবে উজ্জ্বল ও জ্যোতির্ময়; জুমার দিনের অধিবাসীরা একে ঘিরে থাকবে যেমন কনেকে তার সম্মানিত বরের নিকট নিয়ে যাওয়া হয়। এটি তাদের জন্য আলো বিকিরণ করবে, তারা এর আলোতে পথ চলবে, তাদের গায়ের রঙ হবে বরফের মতো সাদা এবং তাদের সুগন্ধি কস্তুরীর মতো ছড়িয়ে পড়বে। তারা কপূরের পাহাড়ের মধ্য দিয়ে চলতে থাকবে। জিন ও মানুষ উভয় জাতি তাদের দিকে বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকবে, এমনকি তারা পলকও ফেলবে না যতক্ষণ না তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। সওয়াবের প্রত্যাশী মুয়াজ্জিনরা ব্যতীত অন্য কেউ তাদের সাথে মিশতে পারবে না।»
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ الْبَيِّعُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، فِي مُسْتَهَلِّ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَزْدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْمُغِيرَةِ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ ثَابِتٍ الْقُرَشِيَّ أَخْبَرَهُمْ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَوْنٍ ، يَقُولُ: سَمِعْتُ ابْنَ سِيرِينَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ ، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: ‌‌«أَهْلُ شَغْلِ اللَّهِ فِي الدُّنْيَا هُمْ أَهْلُ شَغْلِ اللَّهِ فِي الآخِرَةِ، وَأَهْلُ شَغْلِ أَنْفُسِهِمْ فِي الدُّنْيَا هُمْ أَهْلُ شَغْلِ أَنْفُسِهِمْ فِي الآخِرَةِ»
১৩ - আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মালিক বিন আল-হারিস আল-বাইয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যা ৩৮৬ হিজরী সনের মহররম মাসের শুরুতে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে—তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ আল-আজদী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-মুগীরা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-কুরাশী তাঁদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে আউনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবনে সিরীনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল—তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক—কে বলতে শুনেছি: «দুনিয়াতে যারা আল্লাহকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে তারাই আখিরাতে আল্লাহকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, আর দুনিয়াতে যারা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে তারাই আখিরাতে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।»
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَكْرِمُوا الشُّهُودَ، فَإِنَّ اللَّهَ عز وجل يَسْتَخْرِجُ بِهِمُ الْحُقُوقَ وَيَدْفَعُ بِهِمُ الظُّلْمَ»
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমরা সাক্ষীদের সম্মান করো, কেননা আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাদের মাধ্যমে অধিকারসমূহ উদ্ধার করেন এবং তাদের মাধ্যমে জুলুম প্রতিহত করেন»
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ عَلِيٍّ الْوَزِيرُ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: ثنا نُعَيْمُ بْنُ الْهَيْصَمِ، قَالَ: أنبا خَلَفٌ يَعْنِي ابْنَ تَمِيمٍ، قَالَ: كَانَ سُفْيَانُ يَقُولُ: صِنْفَانِ إِذَا صَلُحَا صَلُحَتِ الأُمَّةُ وَإِذَا فَسَدَا فَسَدَتِ الأُمَّةُ، السُّلْطَانُ وَالْعُلَمَاءُ
১৫ - ঈসা ইবনে আলী আল-ওয়াযীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নুআইম ইবনুল হায়সাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালাফ—অর্থাৎ ইবনে তামীম—আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বলতেন: দুই শ্রেণির মানুষ এমন যে, যখন তারা সংশোধিত হয় তখন উম্মাহ সংশোধিত হয়, আর যখন তারা পথভ্রষ্ট হয় তখন উম্মাহ পথভ্রষ্ট হয়; তারা হলো শাসক ও আলেমগণ।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّهْرِيُّ، فِيمَا أَذِنَ لَنَا، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ إِسْحَاقَ الْمَدَائِنِيَّ حَدَّثَهُ، قَالَ: ثنا أَبُو الْفَضْلِ الْوَرَّاقُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ هَانِئٍ، عَنْ صَدَقَةَ الْمَقَابِرِيِّ، قَالَ: كَانَ فِي نَفْسِي عَلَى أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ رضي الله عنه، فَرَأَيْتُ فِي النَّوْمِ كَأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَمْشِي فِي طَرِيقٍ وَهُوَ آخِذٌ بِيَدِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، وَهُمَا يَمْشِيَانِ عَلَى تُؤْدَةٍ وَرِفْقٍ، وَأَنَا خَلْفَهُمَا أُجْهِدُ نَفْسِي أَنْ أَلْحَقَ بِهِمَا، فَمَا أَقْدِرُ، فَلَمَّا اسْتَيْقَظْتُ ذَهَبَ مَا كَانَ فِي نَفْسِي، ثُمَّ رَأَيْتُ بَعْدُ كَأَنِّي فِي الْمَوْسِمِ، وَكَانَ النَّاسُ مُجْتَمِعِينَ، فَنَادَى مُنَادٍ: الصَّلاةُ جَامِعَةٌ، فَاجْتَمَعَ النَّاسُ فَنَادَى مُنَادٍ: يَؤُمُّكُمْ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَإِذَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ يُصَلِّي بِهِمْ، وَكُنْتُ بَعْدُ إِذَا سُئِلْتُ عَنْ شَيْءٍ، قُلْتُ: عَلَيْكُمْ بِالإِمَامِ، يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
১৬ - আবু ফজল উবাইদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আজ-জুহরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাতে তিনি আমাদের অনুমতি দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবন ইসহাক আল-মাদায়িনী তাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ফজল আল-ওয়াররাক হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট আহমদ ইবন হানি হাদীস বর্ণনা করেছেন সদাকা আল-মাকাবেরি থেকে, তিনি বলেন: আমার অন্তরে আহমদ ইবন হাম্বল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর প্রতি কিছুটা সংশয় ছিল। অতঃপর আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি পথে হাঁটছেন এবং তিনি আহমদ ইবন হাম্বলের হাত ধরে আছেন; তাঁরা অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে ও শান্তভাবে পথ চলছিলেন। আমি তাঁদের পেছনে নিজেকে অনেক পরিশ্রান্ত করছিলাম তাঁদের নাগাল পেতে, কিন্তু পারছিলাম না। যখন আমি জাগ্রত হলাম, আমার অন্তরের সেই সংশয় দূর হয়ে গেল। এরপর আমি আবারও দেখলাম যেন আমি হজ্জের মৌসুমে রয়েছি এবং মানুষ সমবেত হয়েছে। তখন একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিলেন: ‘নামাজ সমাগত’, ফলে মানুষ একত্রিত হলো। এরপর একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিলেন: আহমদ ইবন হাম্বল তোমাদের ইমামতি করবেন। আর তখনই আহমদ ইবন হাম্বল তাঁদের নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। এর পর থেকে যখনই আমাকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হতো, আমি বলতাম: তোমাদের জন্য ইমামের অর্থাৎ আহমদ ইবন হাম্বল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর পথ অনুসরণ করা আবশ্যক।
(খণ্ড: ১) আমালি আবি ইয়ালা আল-ফাররা (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ الْقَوَّاسُ، أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلَمٍ حَدَّثَهُمْ، قَالَ: قَالَ صَالِحٌ: حَضَرَتْ أَبِي الْوَفَاةُ، فَجَلَسْتُ عِنْدَهُ وَبِيَدِي الْخِرْقَةُ لأَشُدَّ بِهَا لَحْيَيْهِ، فَجَعَلَ يَعْرَقُ ثُمَّ يَفِيقُ، وَيَفْتَحُ عَيْنَيْهِ، وَيَقُولُ بِيَدِهِ هَكَذَا لا بَعْدُ، لا بَعْدُ.

ثَلاثَ مَرَّاتٍ، فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَهْ أَيْشٍ هَذَا الَّذِي قَدْ لَهَجْتَ بِهِ فِي هَذَا الْوَقْتِ؟ قَالَ: يَا بُنَيَّ مَا تَدْرِي؟ قُلْتُ: لا، قَالَ: إِبْلِيسُ لَعَنَهُ اللَّهُ قَائِمٌ بِحِذَائِي، عَاضًّا عَلَى أَنَامِلِهِ، يَقُولُ لِي: يَا أَحْمَدُ أَفْتِنِي، فَأَقُولُ لا
১৭ - আমাদের নিকট আবু আল-ফাতহ ইউসুফ বিন উমর আল-কাওয়াস বর্ণনা করেছেন যে, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলাম তাঁদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: সালিহ বলেছেন: যখন আমার পিতার মৃত্যু উপস্থিত হলো, তখন আমি তাঁর নিকট বসলাম এবং আমার হাতে একটি কাপড়ের টুকরো ছিল যা দিয়ে আমি তাঁর চোয়াল দুটি বেঁধে দেব। তিনি ঘামতে লাগলেন এবং এরপর সংজ্ঞায় ফিরলেন, এবং চোখ খুলে হাত দিয়ে এভাবে ইশারা করে বলতে লাগলেন: "এখনও না, এখনও না।"

তিনি এটি তিনবার বললেন। আমি তাঁকে বললাম: "হে পিতা, এই সময়ে আপনি কী বলছেন?" তিনি বললেন: "হে বৎস, তুমি কি জানো না?" আমি বললাম: "না।" তিনি বললেন: "আল্লাহর অভিশপ্ত ইবলিস আমার পাশে দাঁড়িয়ে নিজের আঙ্গুলের অগ্রভাগ কামড়াচ্ছে এবং আমাকে বলছে: 'হে আহমদ, তুমি আমার নাগালের বাইরে চলে গেলে'। আর আমি বলছি: 'না, এখনও না'।"