(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: -)
ثلاثة مجالس من أمالي أبي عبد الله الروذباري (الروذباري)
القسم: كتب السنة
الكتاب: ثلاثة مجالس من أمالي أبي عبد الله الروذباري
المؤلف: أَبُو عَبْدِ اللهِ أَحْمَدُ بنُ عَطَاءٍ الرُّوْذْبَارِيُّ (ت 396هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 43
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু আব্দুল্লাহ আল-রূদবারীর আমালি (শ্রুতলিপি) থেকে তিনটি মাজলিস (আল-রূদবারী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু আব্দুল্লাহ আল-রূদবারীর আমালি থেকে তিনটি মাজলিস
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন আতা আল-রূদবারী (মৃত্যু ৩৯৬ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক (Islamweb) ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৩
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ ثَلاثَةُ مَجَالِسَ مِنْ أَمَالِي أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ عَطَاءٍ الرُّوذْبَارِيِّ الصُّوفِيِّ.رِوَايَةُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَلَبِيِّ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيِّ، عَنْهُ.رِوَايَةُ أَبِي الْفَتْحِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ، عَنْهُ.رِوَايَةُ الشَّيْخِ أَبِي إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ أَيُّوبَ الْكَاشْغَرِيِّ، عَنْهُ.بسم الله الرحمن الرحيم
আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে আতা আর-রুজবারী আস-সুফী-এর আমালী (শ্রুতিলিপি) থেকে তিনটি মজলিস সংবলিত একটি অংশ।তাঁর থেকে আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হালাবীর বর্ণনা।তাঁর থেকে আবু বকর আহমদ ইবনে উমর আস-সামারকান্দীর বর্ণনা।তাঁর থেকে আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদিল বাকী ইবনে আহমদ ইবনে সালমানের বর্ণনা।তাঁর থেকে শায়খ আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে উসমান ইবনে ইউসুফ ইবনে আইয়ুব আল-কাশগারীর বর্ণনা।পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ الأَمِينُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ يُوسُفَ بْنِ أَيُّوبَ الْكَاشْغَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ 25 وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَجَلُّ الثِّقَةُ أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ أَحْمَدَ بْنِ سَلْمَانَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي الأَشْعَثِ السَّمَرْقَنْدِيُّ، فِي الْحَادِي عَشَرَ مِنْ شَعْبَانَ سَنَةَ سَبْعٍ وَثَمَانِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، بِمَدِينَةِ السَّلامِ بِبَابِ الْمَرَاتِبِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَلَبِيُّ، فِي سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَطَاءٍ الرُّوذْبَارِيُّ الصُّوفِيُّ، إِمْلاءً، بِصُورَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي الْجَامِعِ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَنْطَرِيُّ، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْعَلَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أبي، عَنْ أبيه، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، عليه السلام، قَالَ: كُنْتُ أَدْخُلُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيْلا وَنَهَارًا، وَكُنْتُ إِذَا سَأَلْتُهُ أَجَابَنِي وَإِنْ سَكَتَ ابْتَدَأَنِي، وَمَا نَزَلَتْ عَلَيْهِ آيَةٌ إِلا قَرَأْتُهَا، وَعَلَّمَنِي تَفْسِيرَهَا وَتَأْوِيلَهَا، وَدَعَا اللَّهَ لِي أَنْ لا أَنْسَى شَيْئًا عَلَّمَنِي إِيَّاهُ، فَمَا نَسِيتُهُ، مِنْ حَلالٍ وَلا حَرَامٍ وَأَمْرٍ وَنَهْيٍ، وَطَاعَةٍ وَمَعْصِيَةٍ، وَلَقَدْ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى صَدْرِي، وَقَالَ: «اللَّهُمَّ امْلأْ قَلْبَهُ عِلْمًا وَفَهْمًا، وَحِكَمًا وَنُورًا» .ثُمَّ قَالَ لِي: «أَخْبَرَنِي رَبِّي عز وجل أَنَّهُ قَدِ اسْتَجَابَ لِي فِيكَ»
১ - নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার শায়খ আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে উসমান ইবনে ইউসুফ ইবনে আইয়ুব আল-কাশঘারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: মহান ও নির্ভরযোগ্য শায়খ আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আবদ আল-বাকি ইবনে আহমদ ইবনে সালমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: মহান শায়খ আবু বকর আহমদ ইবনে উমর ইবনে আবি আল-আশআদ আস-সামারকান্দি চারশত সাতাশি হিজরি সনের ১১ই শাবান মাদিনাতুস সালামের বাবুল মারাতিব নামক স্থানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: শায়খ আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হালাবি চারশত তেত্রিশ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে আতা আর-রুজবারি আস-সুফি সুর নামক স্থানে জুমার দিন জামে মসজিদে শ্রুতিলিপির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আল-কান্তারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আলী ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আলাভি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব থেকে (তাঁদের সবার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক), তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা আলী ইবনে আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি দিন ও রাতে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট প্রবেশ করতাম। আমি যখন তাঁকে কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করতাম, তিনি আমাকে উত্তর দিতেন; আর আমি চুপ থাকলে তিনি নিজেই কথা শুরু করতেন। তাঁর ওপর এমন কোনো আয়াত নাজিল হয়নি যা আমি পাঠ করিনি এবং তিনি আমাকে সেটির তাফসির (ব্যাখ্যা) ও তাবিল (মর্মার্থ) শিখিয়েছেন। তিনি আল্লাহর কাছে আমার জন্য দোয়া করেছেন যেন আমি তাঁর শেখানো কোনো কিছু ভুলে না যাই, ফলে আমি তা ভুলিনি; চাই তা হালাল হোক বা হারাম, আদেশ হোক বা নিষেধ এবং আনুগত্য হোক বা অবাধ্যতা। নিশ্চয়ই তিনি আমার বুকের ওপর হাত রাখলেন এবং বললেন: “হে আল্লাহ! আপনি তাঁর অন্তরকে ইলম (জ্ঞান), ফাহম (উপলব্ধি), হিকমাহ (প্রজ্ঞা) এবং নূর (আলো) দ্বারা পূর্ণ করে দিন।” অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: “আমার মহান ও পরাক্রমশালী রব আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি আপনার বিষয়ে আমার দোয়া কবুল করেছেন।”
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، نا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ الدُّورِيُّ، نا أَبُو حُذَافَةَ أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ السَّهْمِيُّ، نا سَعْدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ، عَنْ أَخِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لا سَهْمَ فِي الإِسْلامِ لِمَنْ لا صَلاةَ لَهُ، وَلا صَلاةَ لِمَنْ لا وُضُوءَ لَهُ، وَلا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اللَّهَ عَلَيْهِ، وَثَلاثٌ مُنَجِّيَاتٌ وَثَلاثٌ مُهْلِكَاتٌ، فَأَمَّا الْمُنَجِّيَاتُ: فَخَشْيَةُ اللَّهِ فِي السِّرِّ وَالْعَلانِيَةِ، وَالاقْتِصَادُ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى، وَالْحُكْمُ بِالْعَدْلِ عِنْدَ الْغَضَبِ وَالرِّضَى، وَالْمُهْلِكَاتُ: شُحٌّ مُطَاعٌ، وَهَوًى مُتَّبَعٌ، وَإِعْجَابُ الْمَرْءِ بِنَفْسِهِ "
২ - আমাদের নিকট আহমদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আদ-দুরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু হুজাফাহ আহমদ ইবনে ইসমাইল আস-সাহমি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট সাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-মাকবুরি বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর ভাই আবদুল্লাহ ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: " ইসলামে তার কোনো অংশ নেই যার কোনো সালাত নেই, এবং তার কোনো সালাত নেই যার ওজু নেই, আর তার কোনো ওজু নেই যে আল্লাহর নাম স্মরণ করেনি তার ওপর। এবং তিনটি বিষয় মুক্তিদানকারী আর তিনটি বিষয় ধ্বংসকারী; মুক্তিদানকারী বিষয়গুলো হলো: গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করা, দারিদ্র্য ও সচ্ছলতায় মিতব্যয়িতা অবলম্বন করা এবং ক্রোধ ও সন্তুষ্টির অবস্থায় ন্যায়ের ফয়সালা করা। আর ধ্বংসকারী বিষয়গুলো হলো: অনুসরিত কৃপণতা, অনুসারিত কুপ্রবৃত্তি এবং ব্যক্তির নিজের সম্পর্কে আত্মতৃপ্তি।"
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، نا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، نا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، نا بَقِيَّةُ، عَنْ عِيسَى بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ رَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «بَشِّرِ الْمَشَّائِينَ فِي الظُّلْمِ إِلَى الْمَسَاجِدِ أَنَّهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ، يَفْزَعُ النَّاسُ وَلا يَفْزَعُونَ»
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ বিন সুলায়মান বিন আল-আশআস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসির বিন উবাইদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, ঈসা বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি রাশিদ বিন সাদ থেকে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «অন্ধকারে মসজিদের দিকে হেঁটে গমনকারীদের সুসংবাদ দাও যে, কিয়ামতের দিন তারা নূরের মিম্বরসমূহের উপরে থাকবে; মানুষ যখন আতঙ্কিত হবে তখন তারা আতঙ্কিত হবে না»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: نا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْحَافِظُ، نا جَعْفَرُ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ، ثنا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، نا أَبُو عُبَيْدَةَ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ عُبَيْدٍ السُّلَمِيُّ، قَالَ: ثنا الضَّحَّاكُ بْنُ مُزَاحِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ لِي رَبِّي عز وجل: «نَحَلْتُ إِبْرَاهِيمَ خُلَّتِي، وَكَلَّمْتُ مُوسَى تَكْلِيمًا، وَأُعْطِيتَ يَا مُحَمَّدُ كِفَاحًا»
৪ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আল-হাফিয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাফর বিন আবি উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন মাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উবাইদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন উবাইদ আস-সুলামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাহহাক বিন মুজাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমার রব মহান ও মহিমান্বিত আমাকে বলেছেন: «আমি ইবরাহিমকে আমার পরম বন্ধুত্ব (খুল্লাত) দান করেছি, মুসার সাথে সরাসরি কথা বলেছি, আর হে মুহাম্মদ! তোমাকে সরাসরি সাক্ষাৎ দান করেছি»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِشَاةٍ لِمَيْمُونَةَ قَدْ مَاتَتْ، فَقَالَ: «هَلا اسْتَمْتَعْتُمْ بِإِهَابِهَا» .قَالُوا: إِنَّهَا مَيْتَةٌ.فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «إِنَّ دِبَاغَ الأَدِيمِ طُهُورُهُ»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে হাফস ইবনে আবদুল্লাহ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে তাহমান থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি ইবনে আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাইমুনাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর একটি মৃত বকরির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন: “তোমরা কেন এর চামড়া দ্বারা উপকৃত হলে না?” .তারা বলল: “নিশ্চয়ই এটি মৃত”।অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “নিশ্চয়ই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করাই হলো তার পবিত্রতা।”
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، نا عَبْدُ اللَّهِ، نا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَلَّى الْغَدَاةَ فَهُوَ فِي ذِمَّةِ اللَّهِ، فَلا يَطْلُبَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَيْءٍ مِنْ ذِمَّتِهِ»
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবন তাহমান হতে, তিনি হাজ্জাজ ইবন হাজ্জাজ হতে, তিনি কাতাদাহ হতে, তিনি হাসান হতে, তিনি জুনদুব ইবন আবদুল্লাহ আল-বাজালি হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ভোরের সালাত আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তায়) থাকল। সুতরাং আল্লাহ যেন তাঁর জিম্মার কোনো বিষয়ে তোমাদের নিকট কৈফিয়ত তলব না করেন।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، نا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْحَافِظُ، ثنا جَعْفَرٌ الطَّيَالِسِيُّ، ثنا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، ثنا أَبُو عُبَيْدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: " بَيْنَمَا إِبْرَاهِيمُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ يَسِيرُ فِي أَرْضِ جَبَّارٍ مِنَ الْجَبَابِرَةِ وَمَعَهُ سَارَّةُ عليهما السلام، إِذْ سُعِيَ إِلَى الْجَبَّارِ، فَقِيلَ لَهُ: قَدْ نَزَلَ رَجُلٌ مَعَهُ امْرَأَةٌ مَا رَأَيْنَا أَحْسَنَ مِنْهَا، فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ، فَسَأَلَهُ عَنْهَا، فَقَالَ: هِيَ أُخْتِي.ثُمَّ قَالَ لَهَا إِبْرَاهِيمُ: يَا سَارَّةُ لَيْسَ الْيَوْمَ مُسْلِمٌ غَيْرِي وَغَيْرَكِ، وَقَدْ قُلْتُ إِنَّكِ أُخْتِي، وَاعْتَقَدْتُ فِي اللَّهِ فَلا تُكَذِّبِينِي إِنْ أَخَذَكِ، فَوَجَّهَ جِسْمَهُ، فَانْطَلَقَ بِهَا إِلَيْهِ، فَلَمَّا دَخَلَتْ عَلَيْهِ ذَهَبَ لِيَتَنَاوَلَهَا فَدَعَتِ اللَّهَ فَأَمْسَكَ عَنِ الْحَرَكَةِ، فَقَالَ لَهَا: ادْعِي لِي إِلَهَكِ فَلا أَضُرَّكِ، فَدَعَتْ لَهُ، فَأَرْسَلَ كَذَلِكَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ يَغْدِرُ وَيَعُودُ، فَلَمَّا رَأَى أَنْ لا سَبِيلَ لَهُ عَلَيْهَا، قَالَ لأَدْنَى حَجَبَتِهِ: خُذْهَا فَلَيْسَتْ بِإِنْسَانٍ وَأَخْدِمْهَا هَاجَرَ، فَجَاءَتْ وَإِبْرَاهِيمُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ يُصَلِّي، قَالَ لَهَا: مَهْيَمْ؟ قَالَتْ: كَفَى اللَّهُ أَمْرَ الْفَاجِرِ وَأَخْدَمَ هَاجَرَ "حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْكَلاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كُلَيْبٍ ، قَاضِي صَنْعَاءَ، ثنا مُسْلِمُ بْنُ بَشِيرٍ الصَّنْعَانِيُّ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ مَعْقِلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ وَهْبَ بْنَ مُنَبِّهٍ، يَقُولُ: مَا عُبِدَ اللَّهُ بِشَيْءٍ أَفْضَلَ مِنَ الْعَقْلِ، خَيْرُ الْعَاقِلِ مَأْمُولٌ ، وَسِرُّهُ مَأْمُونٌ، وَفَضْلُهُ مَبْذُولٌ.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ، ثنا يَحْيَى، نا مُسْلِمٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَبْدِ الصَّمَدِ، قَالَ: قَالَ وَهْبُ بْنُ مُنَبِّهٍ: أَوْحَى اللَّهُ إِلَى إِشْمَائِيلَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: إِنِّي إِنَّمَا أُكْرِمُ مَنْ أَطَاعَنِي، وَأُهِينُ مَنْ هَانَ عَلَيْهِ أَمْرِي.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، نا عَلِيُّ بْنُ مُسْلِمٍ، نا سَيَّارُ بْنُ حَاتِمٍ، نا جَعْفَرُ بْنُ حَاتِمٍ، نا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، قَالَ: كَانَ شَابٌّ بِهِ رَهَقٌ وَلَهْوٌ، فَكَانَتْ أُمُّهُ تَعِظُهُ، فَتَقُولُ لَهُ: يَا بُنَيَّ إِنَّ لَكَ يَوْمًا فَاذْكُرْ يَوْمَكَ.فَلَمَّا نَزَلَ بِهِ الْمَوْتُ، قَالَتْ لَهُ: قَدْ كُنْتُ أُحَذِّرُكَ.فَقَالَ لَهَا: يَا أُمَّهْ إِنَّ رَبِّي كَثِيرُ الْمَعْرُوفِ، وَإِنِّي لأَرْجُو أَنْ لا يُعَذِّبَنِي.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْخَصِيبِ، ثنا كُرْدُوسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، قَالَ: قَالَ عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: الدَّوَاوِينُ ثَلاثَةٌ: دِيوَانُ نِعَمٍ، وَدِيوَانُ حَسَنَاتٍ، وَدِيوَانُ سَيِّئَاتٍ، فَمَعَ كُلِّ حَسَنَةٍ نِعْمَةٌ تَسْتَوْعِبُهَا، وَتَبْقَى السَّيِّئَاتُ لِلَّهِ عز وجل فِيهَا الْمَشِيئَةُ.
৭ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবন মুহাম্মাদ ইবন উবাইদ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর আত-তায়ালিসি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন মাঈন, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু উবাইদাহ, তিনি হিশাম থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবন সিরিন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: " একদা ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম) এক প্রতাপশালী শাসকের ভূখণ্ড দিয়ে ভ্রমণ করছিলেন এবং তাঁর সাথে সারা (আলাইহাস সালাম) ছিলেন। এমতাবস্থায় সেই প্রতাপশালী শাসকের কাছে খবর পৌঁছে দেওয়া হলো যে, এখানে এক ব্যক্তি অবতীর্ণ হয়েছে যার সাথে এমন এক নারী রয়েছে যার চেয়ে সুন্দরী আমরা কখনো দেখিনি। তখন সে তাঁর (ইব্রাহিমের) নিকট লোক পাঠাল এবং তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেন: সে আমার বোন।অতঃপর ইব্রাহিম তাঁকে (সারাকে) বললেন: হে সারা, আজ আমি আর তুমি ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো মুসলিম নেই। আর আমি তাকে বলেছি যে তুমি আমার বোন, আর আমি তা আল্লাহর খাতিরেই মনে করেছি; সুতরাং সে যদি তোমাকে নিয়ে যায় তবে আমাকে মিথ্যাবাদী প্রতিপন্ন করো না। এরপর তিনি ইবাদতে মনোনিবেশ করলেন এবং সারাকে নিয়ে সে চলে গেল। যখন সারা তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, সে তাঁর দিকে হাত বাড়াতে চাইল। তখন সারা আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন এবং তাঁর হাত নাড়াচাড়া থেকে অবশ হয়ে গেল। তখন সে সারাকে বলল: আমার জন্য তোমার ইলাহের কাছে দোয়া করো, আমি তোমার কোনো ক্ষতি করব না। সারা তাঁর জন্য দোয়া করলেন। এভাবে তিনবার সে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করল এবং পুনরায় হাত বাড়ানোর চেষ্টা করল। যখন সে দেখল যে তাঁর ওপর কোনো উপায় নেই, তখন সে তার নিকটতম দ্বাররক্ষীকে বলল: একে নিয়ে যাও, কারণ এ তো কোনো মানুষ নয়। আর হাজেরাকে তার সেবিকা হিসেবে দিয়ে দাও। অতঃপর সারা ফিরে এলেন এমতাবস্থায় যে ইব্রাহিম (আলাইহিস সালাম) সালাত পড়ছিলেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন: কী খবর? সারা বললেন: আল্লাহ পাপাচারীর ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন এবং হাজেরাকে সেবিকা হিসেবে দান করেছেন।"আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন ইব্রাহিম ইবন ইসমাইল আল-কালাঈ, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন আব্দুল্লাহ ইবন কুলাইব, যিনি সানআর বিচারক ছিলেন, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবন বাশির আস-সানআনী, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবন আব্দুল কারিম, তিনি আব্দুস সামাদ ইবন মাকিল থেকে, তিনি বলেন: আমি ওয়াহব ইবন মুনাব্বিহকে বলতে শুনেছি: বুদ্ধিবৃত্তির চেয়ে উত্তম কোনো কিছু দিয়ে আল্লাহর ইবাদত করা হয়নি; বুদ্ধিমান ব্যক্তির কল্যাণ প্রত্যাশিত, তার গোপনীয়তা নিরাপদ এবং তার অনুগ্রহ অবারিত থাকে।আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসলিম, তিনি ইসমাইল থেকে, তিনি আব্দুস সামাদ থেকে, তিনি বলেন: ওয়াহব ইবন মুনাব্বিহ বলেছেন: আল্লাহ তাআলা ইশমাইল (আলাইহিস সালাম) নবীর প্রতি ওহি পাঠালেন যে: নিশ্চয়ই আমি তাকেই সম্মানিত করি যে আমার আনুগত্য করে, আর তাকেই লাঞ্ছিত করি যার কাছে আমার আদেশ তুচ্ছ হয়।আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবন মুহাম্মাদ ইবন সাঈদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবন মুসলিম, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সাইয়্যার ইবন হাতিম, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন হাতিম, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন সুলাইমান, তিনি সাবিত আল-বুনানি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক যুবক ছিল যার মধ্যে উচ্ছৃঙ্খলতা ও খেল-তামাশার প্রবণতা ছিল। তার মা তাকে নসিহত করতেন এবং বলতেন: হে বৎস! তোমার জন্য একটি নির্দিষ্ট দিন রয়েছে, সুতরাং তোমার সেই দিনটির কথা স্মরণ করো।যখন তার মৃত্যু উপস্থিত হলো, মা তাকে বললেন: আমি তো তোমাকে সতর্ক করতাম।তখন সে তাকে বলল: হে মা! নিশ্চয়ই আমার রব অত্যন্ত দয়ালু ও মহানুভব, আর আমি আশা করি তিনি আমাকে শাস্তি দেবেন না।আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উসমান ইবন আহমাদ ইবন আল-খাসিব, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কুরদুস ইবন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযিদ ইবন হারুন, তিনি মাসউদি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আউন ইবন আব্দুল্লাহ বলেছেন: আমলনামার দপ্তর তিনটি: নিয়ামতের দপ্তর, নেক আমলের দপ্তর এবং গুনাহের দপ্তর। প্রতিটি নেক আমলের সাথে একটি করে নিয়ামত রয়েছে যা তাকে পরিবেষ্টন করে নেয়, আর গুনাহসমূহ আল্লাহর ইচ্ছাধীন থাকে।
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَطَاءٍ الرُّوذْبَارِيُّ، إِمْلاءً، بِصُورَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ، ثنا الطَّيَالِسِيُّ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: ثنا أَبُو عُبَيْدَةَ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ وَاصِلٍ، قَالَ: ثنا سُكَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ، عَنْ أَخِيهِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ مَلَكَ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ وَلِسَانَهُ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ»
৮ - আবু আবদুল্লাহ আহমদ বিন আতা আর-রুজবারি সুর নামক স্থানে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তায়ালিসি জাফর বিন আবু উসমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন মাঈন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবায়দাহ আবদুল ওয়াহিদ বিন ওয়াসিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুকাইন বিন আবদুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবনে আব্বাস আমার নিকট তার ভাই ফাদল বিন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার শ্রবণশক্তি, তার দৃষ্টিশক্তি এবং তার জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَلِيٌّ، ثنا جَعْفَرٌ، ثنا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، ثنا أَبُو عُبَيْدَةَ، ثنا طَرِيفُ بْنُ عِيسَى، قَالَ: حَدَّثَنِي يُوسُفُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، قَالَ: قَالَ لِي ثَوْبَانُ ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: أَجْلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ عَلَى فَخِذَيْهِ، وَفَاطِمَةُ رضي الله عنهم فِي حِجْرِهِ، وَاعْتَنَقَ عَلِيًّا عليه السلام، ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ إِنَّ هَؤُلاءِ أَهْلُ بَيْتِي»
৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন: আমাকে বর্ণনা করেছেন আলী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন জা'ফর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু উবাইদাহ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন তরীফ বিন ঈসা, তিনি বলেন: আমাকে বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন আব্দুল হামীদ, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আযাদকৃত দাস সাওবান আমাকে বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাসান ও হুসাইনকে তাঁর দুই উরুর ওপর এবং ফাতিমাকে (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) তাঁর কোলে বসালেন, আর আলীকে (আলাইহিস সালাম) জড়িয়ে ধরলেন, অতঃপর বললেন: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই এরা আমার আহলে বাইত।"
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْقَنْطَرِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أبي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِيهِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عليهم السلام، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ بَعَثَنِي إِلَى كُلِّ أَحْمَرَ وَأَسْوَدَ، وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ، وَأَحَلَّ لِي الْمَغْنَمِ، وَجُعِلَتْ لِي الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا، وَأُعْطِيتُ الشَّفَاعَةَ لِلْمُذْنِبِينَ مِنْ أُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ»
১০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন আল-কানতারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবু তালিব, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা আলী ইবনে আবু তালিব (তাঁদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে প্রত্যেক লাল ও কালো (বর্ণের মানুষের) নিকট প্রেরণ করেছেন, আমাকে ভীতি দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে, আমার জন্য গনিমতের মাল হালাল করা হয়েছে, এবং আমার জন্য জমিনকে সিজদাহর স্থান ও পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম করা হয়েছে, এবং কিয়ামতের দিন আমার উম্মতের পাপীদের জন্য আমাকে শাফায়াত দান করা হয়েছে।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، ثنا جَحْدَرُ بْنُ الْحَارِثِ، ثنا بَقِيَّةُ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يُغْفَرُ لِلشَّهِيدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ خَطَايَاهُ إِلا الدِّينَ، هَكَذَا قَالَ جِبْرِيلُ»
১১ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, জাহদার ইবনুল হারিস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মা’শার থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আল্লাহর পথে শহীদের যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয় ঋণ ব্যতীত; জিবরাঈল এভাবেই বলেছেন»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ وَعْلَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِإِهْرَاقِ الْخَمْرِ، وَقَالَ: «إِنَّ الَّذِي حَرَّمَ شُرْبَهَا حَرَّمَ بَيْعَهَا»
১২ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আযীয আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব ইবন আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক ইবন আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ ইবন আসলাম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন ওয়ালাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ ঢেলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই যিনি এর পান করা হারাম করেছেন, তিনি এর বিক্রয় করাও হারাম করেছেন।"
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفًّى، ثنا بَقِيَّةُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ خَالِدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الثَّقَفِيِّ، عَنْ بِلالِ بْنِ أَبِي الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «حُبُّكَ الشَّيْءَ يُعْمِي وَيُصِمُّ»
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুসাফফা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, তিনি আবু বকর ইবনে আবি মারইয়াম থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মুহাম্মদ আস-সাকাফী থেকে, তিনি বিলাল ইবনে আবিদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «কোনো বস্তুর প্রতি তোমার ভালোবাসা তোমাকে অন্ধ ও বধির করে দেয়»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُصَفًّى، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْعَطَّارُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي عُبَيْدِ اللَّهِ مُسْلِمِ بْنِ مِشْكَمٍ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل يُبْغِضُ الْمَشَّائِينَ بِالنَّمِيمَةِ، الْمُفَرِّقِينَ بَيْنَ الأَحِبَّةِ»
১৪ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন মুসাফফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবন আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু উবাইদুল্লাহ মুসলিম ইবন মিশকাম থেকে, তিনি আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ عز وجل (মহান ও পরাক্রমশালী) চোগলখুরি বা পরনিন্দা নিয়ে বিচরণকারীদের ঘৃণা করেন, যারা বন্ধুদের মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا ابْنُ مُصَفًّى، ثنا بَقِيَّةُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «اخْبُرْ تَقْلِهْ»
১৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে মুসাফফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, আবু বকর বিন আবি মারইয়াম থেকে, তিনি আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু দারদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «পরীক্ষা করো, তবেই তুমি তাকে অপছন্দ করবে»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا ابْنُ مُصَفًّى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا عُمَرُ بْنُ رُؤْبَةَ التَّغْلِبِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّصْرِيِّ، عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " تُحْرِزُ الْمَرْأَةُ ثَلاثَةَ مَوَارِيثَ: لَقِيطَهَا، وَعَتِيقَهَا، وَوَلَدَهَا الَّذِي لاعَنَتْ عَنْهُ "
১৬ - আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন মুসাফফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর ইবন রুবাহ আত-তাগলিবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আব্দুল্লাহ আন-নাসরি থেকে, তিনি ওয়াসিলাহ ইবনুল আসকা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "নারী তিনটি উত্তরাধিকার লাভ করে: তার কুড়িয়ে পাওয়া শিশু, তার মুক্ত করা ক্রীতদাস এবং তার সেই সন্তান যার ব্যাপারে সে লিআন করেছে।"
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا ابْنُ مُصَفًّى، ثنا بَقِيَّةُ، عَنْ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْمَكِّيِّ، عَنِ النَّصْرِيِّ، عَنْ وَاثِلَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ، دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ عَلَيْهِ حَرَامٌ، الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ لا يَظْلِمُهُ وَلا يَخْذُلُهُ، التَّقْوَى هَاهُنَا، وَأَوْمَأَ إِلَى الْقَلْبِ، وَحَسْبُ امْرِئٍ مِنَ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ»
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনু মুসাফফা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাকিয়্যাহ, আব্দুল ওয়াহহাব আল-মাক্কী থেকে, আন-নাসরী থেকে, ওয়াসিলাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই; তার রক্ত, তার সম্পদ এবং তার সম্মান (হানি করা) তার জন্য হারাম। এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই; সে তার ওপর জুলুম করবে না এবং তাকে লাঞ্ছিত বা অসহায় অবস্থায় পরিত্যাগ করবে না, তাকওয়া এখানে—এবং তিনি তাঁর হৃদয়ের দিকে ইঙ্গিত করলেন। একজন মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ জ্ঞান করে।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا ابْنُ مُصَفًّى، ثنا حَرْمَلَةُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الرَّبِيعِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمِّي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عَلِّمُوا الصَّبِيَّ الصَّلاةَ ابْنَ سَبْعٍ، وَاضْرِبُوهُ عَلَيْهَا ابْنَ عَشْرٍ»
১৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে মুসাফফা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারমালাহ বিন আব্দুল আজিজ বিন আর-রাবী‘, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার চাচা আব্দুল মালিক বিন আর-রাবী‘, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা শিশুকে সাত বছর বয়সে সালাত শিক্ষা দাও এবং দশ বছর বয়সে তার জন্য তাকে প্রহার করো»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، ثنا ابْنُ مُصَفًّى، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حِمْيَرَ، قَالَ: نا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، مَا طُرِفَتْ عَيْنَايَ إِلا ظَنَنْتُ أَنَّ الشُّفْرَيْنِ لا يَلْتَقِيَانِ، وَلا رَفَعْتُ طَرْفِي فَظَنَنْتُ أَنِّي لَمْ أَضَعْهُ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّ الَّذِي تُوعَدُونَ لآتٍ وَمَا أَنْتُمْ بِمُعْجِزِينَ، فَإِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُونَ فَعُدُّوا أَنْفُسَكُمْ مِنَ الْمَوْتَى»
১৯ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুসাফফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে হিমইয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, আমার দুই চোখ যখনই পলক ফেলে আমি কেবল এই ভাবি যে চোখের পাতা দুটি হয়তো আর মিলিত হবে না, আর যখনই আমি আমার দৃষ্টি উপরে তুলি আমি কেবল এই ভাবি যে আমি হয়তো তা আর নিচে নামাতে পারব না। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, নিশ্চয়ই তোমাদেরকে যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে তা অবশ্যই আসবে এবং তোমরা তা ব্যর্থ করতে পারবে না। সুতরাং যদি তোমরা বুদ্ধিমান হও, তবে নিজেদের মৃতদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করো।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو سَالِمٍ مُحَمَّدُ بْنُ سَالِمِ بْنِ أَبِي حَمَّادٍ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ الأَشْعَثِ، ثنا مُؤَمَّلُ بْنُ الْفَضْلِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أَحَبَّ فِي اللَّهِ وَأَبْغَضَ فِي اللَّهِ وَأَعْطَى لِلَّهِ وَمَنَعَ لِلَّهِ فَقَدِ اسْتَكْمَلَ الإِيمَانَ»حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، صَاحِبُ الْجُنَيْدِ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ أَحْمَدَ الْخَوَّاصَ، يَقُولُ: الْخَاسِرُ مَنْ رَاءَى النَّاسَ بِأَحْسَنِ أَعْمَالِهِ، وَبَارَزَ بِالْقَبِيحِ مَنْ هُوَ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ، وَالْهَالِكُ مَنْ ضَلَّ فِي آخِرِ سَفَرِهِ وَقَدْ قَارَبَ الْمَنْزِلَ، وَالأَعْمَى حَقًّا مَنْ عَمِيَ بَعْدَ الْبَصَرِ وَمَنْ لَمْ تَبْكِ الدُّنْيَا عَلَيْهِ لَمْ تَضْحَكِ الآخِرَةُ إِلَيْهِ، وَعَلامَةُ قَسْوَةِ الْقَلْبِ الْغَفْلَةُ عَنِ الْمَوْعِظَةِ، وَمِنْ دَوَاعِي الْمَقْتِ ذَمُّ الدُّنْيَا فِي الْعَلانِيَةِ وَاعْتِنَاقُهَا فِي السِّرِّ.قَالَ: وَقَالَ الْجُنَيْدُ قَالَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَدْهَمَ: خَفِ اللَّهَ يُلْهِمُكَ، وَاعْمَلْ لِلَّهِ لا يُحْوِجُكَ إِلَى ذَلِيلٍ.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ الأَخْبَارِيُّ، ثنا وُرَيْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْغَسَّانِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حِمْيَرَ، قَالَ: قَالَ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ ، عليه السلام: مَنْ صَلَّى عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي كِتَابِ صَلَّتِ الْمَلائِكَةُ عَلَيْهِ غُدْوَةً وَرَوَاحًا مَا دَامَ اسْمُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْكِتَابِ.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدٍ الْمَرْوَزِيَّ، يَقُولُ: كُنْتُ أَنَا وَأَبِي نَتَقَابَلُ بِاللَّيْلِ بِالْحَدِيثِ، فَرُئِيَ فِي الْمَوْضِعِ الَّذِي كُنَّا نَتَقَابَلُ فِيهِ عَمُودُ نُورٍ يَبْلُغُ أَعْنَانَ السَّمَاءِ، فَقِيلَ: مَا هَذَا النُّورُ؟ فَقِيلَ: صَلاتُهُمَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا تَقَابَلا.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا صَالِحٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ صَالِحٍ الصُّوفِيَّ، يَقُولُ: رُئِيَ بَعْضُ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ فِي الْمَنَامِ، فَقِيلَ: مَا فَعَلَ اللَّهُ بِكَ؟ فَقَالَ: غَفَرَ لِي.فَقِيلَ لَهُ: بِأَيِّ شَيْءٍ؟ فَقَالَ: بِصَلاتِي فِي كُتُبِي عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: أَمْلَى عَلَيْنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ يَسَارٍ النَّحْوِيُّ الأَنْبَارِيُّ فِي مَعْنَى أُمَّةٍ، فَقَالَ: الرَّجُلُ يُقَالُ لَهُ: أُمَّةً، وأُمَّةٌ: جَمَاعَةٌ، قَالَ اللَّهُ عز وجل: {وَجَدَ عَلَيْهِ أُمَّةً مِنَ النَّاسِ يَسْقُونَ} [القصص: 23] .وَأُمَّةٌ: الدِّينُ، قَالَ اللَّهُ عز وجل: {إِنَّا وَجَدْنَا آبَاءَنَا عَلَى أُمَّةٍ} [الزخرف: 22] .وَأُمَّةٌ: قَالَ اللَّهُ عز وجل: {وَلَئِنْ أَخَّرْنَا عَنْهُمُ الْعَذَابَ إِلَى أُمَّةٍ مَعْدُودَةٍ} [هود: 8] .{وَادَّكَرَ بَعْدَ أُمَّةٍ} [يوسف: 45] .وَأُمَّةٌ: الرَّجُلُ الَّذِي يُؤْتَمُّ قَالَ اللَّهُ عز وجل: {إِنَّ إِبْرَاهِيمَ كَانَ أُمَّةً قَانِتًا لِلَّهِ} [النحل: 120] .وَأُمَّةٌ: أَتْبَاعُ الأَنْبِيَاءِ عليهم السلام، نَحْوَ أُمَّةِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، وَكَذَلِكَ أُمَّةِ مُوسَى، وَأُمَّةِ عِيسَى، وَأُمَّةٌ: الْعَامَّةُ، وَإِمَّةٌ بِكَسْرِ الأَلِفِ: النِّعْمَةُ.قَالَ أَحْمَدُ: أَنْشَدَنَا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، يَظُنُّهُ لأَبِي الْعَتَاهِيَةِ:الْمَرْءُ دُنْيَا نَفْسُهُ فَإِذَا … انْقَضَى فَقَدِ انْقَضَتْتَغْتَالُهُ فِي غَابِهِ … وَتَعُودُ فِيمَنْ خَلَّفَتْمَا خَبَرُ مُرْضِعَةٍ بِكَأْسِ … الْمَوْتِ تَفْطِمُ مَنْ غَذَتْبَيْنَا تَوَدُّ صَلاحَهُ … إِذْ أَفْسَدَتْ مَا أَصْلَحَتْ.
২০ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সালিম মুহাম্মদ বিন সালিম বিন আবি হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুলাইমান বিন আশআস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুয়াম্মাল বিন ফাদল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন শুআইব বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন হারিস থেকে, তিনি কাসিম আবু আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু উমামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য ভালোবাসলো, আল্লাহর জন্য ঘৃণা করলো, আল্লাহর জন্য দান করলো এবং আল্লাহর জন্য প্রদান করা থেকে বিরত থাকলো, সে তার ঈমান পূর্ণ করলো»আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ জাফর বিন মুহাম্মদ, যিনি জুনাইদের সঙ্গী ছিলেন, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম বিন আহমাদ আল-খাওয়াসকে বলতে শুনেছি: সেই ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত যে তার সর্বোত্তম আমলগুলো মানুষকে দেখানোর জন্য করে, অথচ তার সামনে কুৎসিত কাজে লিপ্ত হয় যিনি তার ঘাড়ের শাহরগের চেয়েও অধিক নিকটবর্তী। আর ধ্বংসপ্রাপ্ত সেই ব্যক্তি যে তার সফরের শেষ প্রান্তে এসে পথভ্রষ্ট হলো যখন সে গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। আর প্রকৃতপক্ষে অন্ধ সেই যে দৃষ্টিশক্তি লাভের পর অন্ধ হয়ে গেল। আর যার জন্য দুনিয়া কাঁদেনি, আখেরাত তার দিকে তাকিয়ে হাসবে না। অন্তরের কঠোরতার লক্ষণ হলো উপদেশ গ্রহণে উদাসীনতা। আর আল্লাহর অসন্তুষ্টির অন্যতম কারণ হলো প্রকাশ্যে দুনিয়ার নিন্দা করা কিন্তু গোপনে তাকে জড়িয়ে ধরা।তিনি বলেন: জুনাইদ বলেছেন যে ইব্রাহিম বিন আদহাম বলেছেন: আল্লাহকে ভয় করো, তিনি তোমাকে ইলহাম (অনুপ্রেরণা) দান করবেন। আর আল্লাহর জন্য কাজ করো, তিনি তোমাকে কোনো হীন ব্যক্তির মুখাপেক্ষী করবেন না।আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন হুমাইদ আল-আখবারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উরাইজাহ বিন মুহাম্মদ আল-গাসসানি বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন হিমইয়ার থেকে, তিনি বলেন: জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-হুসাইন (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো বইয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর দরুদ পাঠ করে (লেখে), ফেরেশতারা তার জন্য সকাল-সন্ধ্যা রহমতের দোয়া করতে থাকে যতক্ষণ সেই বইয়ে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাম অবশিষ্ট থাকে।আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-মারওয়াযিকে বলতে শুনেছি: আমি এবং আমার পিতা রাতে হাদিস নিয়ে আলোচনা করতাম। তখন যে স্থানে আমরা আলোচনা করতাম সেখানে একটি নূরের স্তম্ভ দেখা যেত যা আকাশের দিগন্ত পর্যন্ত পৌঁছে যেত। জিজ্ঞেস করা হলো: এই নূর কিসের? বলা হলো: এটি তাদের দুজনের আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর পাঠ করা দরুদ, যা তারা আলোচনার সময় পাঠ করত।আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু সালিহ আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আস-সুফিকে বলতে শুনেছি: জনৈক হাদিস বিশারদকে স্বপ্নে দেখা গেল। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: কিসের বিনিময়ে? তিনি বললেন: আমার লিখিত বইসমূহ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর দরুদ লেখার কারণে।আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ বিন কাসিম বিন ইয়াসার আন-নাহবি আল-আনবারি আমাদের নিকট 'উম্মত' (أمة) শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন: একজন ব্যক্তিকেও 'উম্মত' বলা হয়। আবার উম্মত মানে একটি দল; আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: {সেখানে তিনি একদল মানুষকে পেলেন যারা পানি পান করাচ্ছিল} [আল-কাসাস: ২৩]।উম্মত মানে দ্বীন বা ধর্ম; আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: {নিশ্চয়ই আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের এক ধর্মের ওপর পেয়েছি} [আয-যুখরুফ: ২২]।উম্মত অর্থ সময় বা কাল; আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: {আর যদি আমি তাদের থেকে আজাবকে এক নির্ধারিত সময়ের জন্য পিছিয়ে দেই} [হুদ: ৮]।{এবং দীর্ঘকাল পর তার স্মরণ হলো} [ইউসুফ: ৪৫]।উম্মত সেই ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করা হয়; আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: {নিশ্চয়ই ইব্রাহিম ছিলেন এক উম্মত (যাকে অনুসরণ করা হয়), আল্লাহর অনুগত} [আন-নাহল: ১২০]।উম্মত অর্থ নবীদের অনুসারীগণ, যেমন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উম্মত, মূসার উম্মত এবং ঈসার উম্মত। উম্মত অর্থ সাধারণ জনগণ। আর 'ইম্মত' (ইফ-এর নিচে কাসরা দিয়ে) অর্থ হলো নেয়ামত বা অনুগ্রহ।আহমাদ বলেন: আবু সালিহ আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আমাদের একটি কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি মনে করেন এটি আবু আল-আতাহিয়ার:মানুষ নিজেই তার নিজের দুনিয়া, যখন সে … শেষ হয়ে যায়, তখন তার দুনিয়াও শেষ হয়ে যায়।দুনিয়া তাকে তার অরণ্যে শিকার করে … আর যারা পেছনে রয়ে যায় তাদের কাছে ফিরে আসে।সেই ধাত্রী মাতার খবর কী যে মৃত্যুর … পেয়ালা পান করিয়ে তাকে দুধ ছাড়িয়ে দেয় যাকে সে প্রতিপালন করেছিল?এক মুহূর্ত সে তার কল্যাণ চায় … পরক্ষণেই সে যা গড়েছিল তা ধ্বংস করে দেয়।
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ عَطَاءٍ الرُّوذْبَارِيُّ ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، ثنا مُصْعَبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ، ثنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْوَلاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ»
২১ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ ইবনে আতা আর-রুজবারী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসআব ইবনে আব্দুল্লাহ আজ-জুবাইরী, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ালা (উত্তরাধিকারের অধিকার) বিক্রয় করা এবং তা দান করা থেকে নিষেধ করেছেন»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ، نا مُصْعَبٌ، ثنا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ النَّجْشِ»
২২ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুসআব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশ (ক্রেতাকে প্রতারিত করতে কৃত্রিমভাবে পণ্যের দাম বাড়ানো) থেকে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ الدُّورِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الطَّعَامِ حَتَّى يَجْرِيَ فِيهَا الصَّاعَانِ، صَاعُ الْبَيِّعِ وَصَاعُ الْمُشْتَرِي»
২৩ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাখলাদ আদ-দুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-হাসসানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' বিন আল-জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন আবি লায়লা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আয-যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্যদ্রব্য বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন যতক্ষণ না তাতে দুটি সা’ অতিক্রান্ত হয়; বিক্রেতার সা’ এবং ক্রেতার সা’।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الضَّبِّيُّ، ثنا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى بْنِ رَاشِدٍ، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، ثنا إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْجَزَرِيِّ، عَنْ قَيْسِ بْنِ حَبْتَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ مَهْرِ الْبَغِيِّ وَثَمَنِ الْخَمْرِ وَثَمَنِ الْكَلْبِ»
২৪ - আমাদের নিকট আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আদ-দাব্বী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনে মূসা ইবনে রাশিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকী‘ ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসরাঈল ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল কারীম আল-জাজারী থেকে, তিনি কায়স ইবনে হাবতার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যভিচারিণীর বিনিময় (উপার্জন), মদের মূল্য এবং কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا الْحُسَيْنُ، ثنا يُوسُفُ، ثنا وَكِيعٌ، ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعَيْنِ: بَيْعِ الْمُنَابَذَةِ وَبَيْعِ الْمُلامَسَةِ "
২৫ - আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হুসাইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি' আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের নিকট খুবাইব ইবনে আবদুর রহমান থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি হাফস ইবনে আসিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন দুই ধরনের ক্রয়-বিক্রয় থেকে: মুনাবাজাহ কেনাবেচা এবং মুলামাসাহ কেনাবেচা।
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا الْحُسَيْنُ، ثنا يُوسُفُ، ثنا وَكِيعٌ، ثنا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْمَجْرِ» .قَالَ وَكِيعٌ: اشْتِرَاءُ مَا فِي بُطُونِ الأَنْعَامِ
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ, তিনি হুসাইন থেকে, তিনি ইউসুফ থেকে, তিনি ওয়াকী থেকে, তিনি মূসা ইবনে উবায়দাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, আর তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মাজর’ (ভ্রূণ) বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন»।ওয়াকী বলেন: (মাজর হলো) গবাদি পশুর গর্ভে যা রয়েছে তা ক্রয় করা।
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْهَيْثَمِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ حَبَلِ الْحَبَلَةِ "
২৭ - আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান আলী ইবনে আহমদ ইবনুল হায়সাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসলামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মালিক থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হাবালুল হাবালা’ (গর্ভস্থ পশুর গর্ভস্থ সন্তান) বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
সালাসাতু মাজালিসা মিন আমালি আবি আবদিল্লাহির রুজবারি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ، ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ، ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، ثنا إِسْرَائِيلُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا اشْتَرَيْتَ الذَّهَبَ بِالْفِضَّةِ أَحَدَهُمَا بِالآخَرِ فَلا يُفَارِقْكَ صَاحِبُكَ وَبَيْنَكَ وَبَيْنَهُ لَبْسٌ»
২৮ - আহমদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-হাসসানি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন তুমি রূপার বিনিময়ে স্বর্ণ ক্রয় করবে—একটির বদলে অন্যটি—তখন তোমার লেনদেনকারী সাথী যেন তোমাকে ছেড়ে না যায় যতক্ষণ তোমাদের মাঝে কোনো অস্পষ্টতা থাকে (অর্থাৎ হাতে হাতে লেনদেন সম্পন্ন করার আগে)।»