(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: -)
جزء من حديث أبي بكر النجاد (أبو بكر النجاد)
القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء من حديث أبي بكر النجاد
المؤلف: أبو بكر النجاد، أحمد بن سلمان بن الحسن بن إسرائيل بن يونس البغدادي (ت 348هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 76
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু বকর আন-নাজ্জাদ বর্ণিত হাদিসের অংশ (আবু বকর আন-নাজ্জাদ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু বকর আন-নাজ্জাদ বর্ণিত হাদিসের অংশ
লেখক: আবু বকর আন-নাজ্জাদ, আহমাদ বিন সালমান বিন হাসান বিন ইসরাঈল বিন ইউনুস আল-বাগদাদী (মৃত্যু ৩৪৮ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামওয়েব সাইটের অন্তর্ভুক্ত ‘জাওয়ামি-উল কালিম’ নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৬
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١)
الْجُزْءُ مِنْ حَدِيثِ: أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ الْحَسَنِ الْفَقِيهِ النَّجَّادِ رحمه الله.فَوَائِدُ الْحَاجِّ سُؤَالاتُ مُنْتَقَى الْمُنْتَقَى عَوَالِي الإِسْنَادِ غَرَائِبُ.رِوَايَةُ: أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّازِ ، عَنْهُ رِوَايَةُ: أَبِي الْمَعَالِي ثَابِتِ بْنِ بُنْدَارِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَقَّالِ ، عَنْهُ.رِوَايَةُ: وَلَدِهِ أَبِي الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْهُ.بسم الله الرحمن الرحيم
আবু বকর আহমাদ বিন সুলায়মান বিন হাসান আল-ফকিহ আন-নাজ্জাদ (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণিত হাদিসের অংশ।হাজ্জের ফাওয়ায়েদসমূহ, সুয়ালাত, মুনতাকা আল-মুনতাকা, উচ্চমানের সনদসমূহ এবং বিরল হাদিসসমূহ।বর্ণনায়: আবু আলি আল-হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন হাসান বিন শাযান আল-বাযযার, তাঁর থেকে; বর্ণনায়: আবুল মাআলি সাবিত বিন বুন্দার বিন ইবরাহিম আল-বাক্কাল, তাঁর থেকে।বর্ণনায়: তাঁর পুত্র আবুল কাসিম ইয়াহইয়া বিন সাবিত, তাঁর থেকে।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شَاذَانَ الْبَزَّازُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ السَّادِسِ مِنْ شَعْبَانَ، سَنَةَ أَرْبَعٍ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ، قَالَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ النَّجَّادُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الآخِرِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِمِائَةٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمِ بْنِ حَسَّانٍ ، ثنا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، نا شُعْبَةُ، وَيُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، وَابْنُهُ إِسْرَائِيلُ بْنُ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ، يَقُولُ: رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْخَنْدَقِ وَهُوَ يَنْقُلُ التُّرَابَ وَقَدْ وَارَى شَعْرَ صَدْرِهِ، وَهُوَ يَرْتَجِزُ بِكَلِمَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَوَاحَةَ ، يَقُولُ: «اللَّهُمَّ لَوْلا أَنْتَ مَا اهْتَدَيْنَا … وَلا تَصَدَّقْنَا وَلا صَلَّيْنَافَأَنْزِلَنَّ سَكِينَةً عَلَيْنَا … وَثَبِّتِ الأَقْدَامَ إِنْ لاقَيْنَاإِنَّ الأُلَى قَدْ بَغَوْا عَلَيْنَا … وإِنْ أَرَادُوا فِتْنَةً أَبَيْنَا»قَالَ: ثُمَّ يَمُدُّ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صَوْتَهُ.وَلَمْ يَذْكُرْ إِسْرَائِيلُ: يَمُدُّ بِهَا صَوْتَهُ
১ - আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শাযান আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম—৪২৪ হিজরি সনের ৬ই শাবান জুমুআর দিনে। তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে সুলাইমান আন-নাজ্জাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তার নিকট পাঠকালে আমি শ্রবণ করছিলাম—৩৪৪ হিজরি সনের রবিউল আখির মাসে। হাসান ইবনে মুকরাম ইবনে হাসসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবাবাহ ইবনে সাওয়ার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ, ইউনুস ইবনে আবি ইসহাক এবং তাঁর পুত্র ইসরাঈল ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি বলেন: আমি বারা ইবনে আযিবকে বলতে শুনেছি: আমি খন্দকের যুদ্ধের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, এমতাবস্থায় যে তিনি মাটি স্থানান্তর করছিলেন এবং মাটি তাঁর বুকের পশমকে আবৃত করে ফেলেছিল। তিনি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহার পংক্তিগুলো আবৃত্তি করে বলছিলেন: «হে আল্লাহ! আপনি না থাকলে আমরা হেদায়েত পেতাম না … এবং আমরা সদকা করতাম না আর সালাতও আদায় করতাম নাসুতরাং আপনি আমাদের ওপর প্রশান্তি অবতীর্ণ করুন … এবং আমরা যখন (শত্রুর) মুখোমুখি হই তখন আমাদের পা অটল রাখুননিশ্চয়ই তারা আমাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছে … তারা যদি ফিতনা (বিপর্যয়) চায়, তবে আমরা তা অস্বীকার করি»তিনি বলেন: এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠস্বর দীর্ঘায়িত করতেন।তবে ইসরাঈল (তাঁর বর্ণনায়) 'কণ্ঠস্বর দীর্ঘায়িত করতেন' কথাটি উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٣)
2 - أنا أَحْمَدُ، نا الْحَسَنُ بْنُ سَلامٍ ، وَجَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَاكِرٍ، قَالا: ثنا عَفَّانُ، نا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْقُلُ مَعَنَا التُّرَابَ يَوْمَ الأَحْزَابِ، وَقَدْ وَارَى التُّرَابُ بَيَاضَ إِبْطَيْهِ، وَهُوَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ لَوْلا أَنْتَ مَا اهْتَدَيْنَا … وَلا تَصَدَّقْنَا وَلا صَلَّيْنَافَأَنْزِلَنْ سَكِينَةً عَلَيْنَا … فَإِنَّ الأُولَى قَدْ بَغَوْا عَلَيْنَاإِذَا أَرَادُوا فِتْنَةً أَبَيْنَا» .أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نابِشْرُ بْنُ عُمَرَ، نا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْبَرَاءَ ، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَنْقُلُ مَعَنَا، ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ.أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، نا عَارِمُ بْنُ الْفَضْلِ، نا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ الْخَنْدَقِ، يَنْقُلُ مَعَنَا التُّرَابَ وَهُوَ يَقُولُ: «وَاللَّهِ لَوْلا اللَّهُ مَا اهْتَدَيْنَا» ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ
২ - আমি আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন সালাম এবং জাফর বিন মুহাম্মদ বিন শাকির, তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি বারা ইবনে আযিবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আহযাব যুদ্ধের দিন আমাদের সাথে মাটি বহন করছিলেন, আর মাটি তাঁর বগলের শুভ্রতাকে ঢেকে দিয়েছিল, এমতাবস্থায় তিনি বলছিলেন: «হে আল্লাহ! আপনি না থাকলে আমরা হেদায়াত পেতাম না … দান-সদকা করতাম না এবং সালাত আদায় করতাম নাসুতরাং আপনি আমাদের ওপর প্রশান্তি অবতীর্ণ করুন … নিশ্চয়ই তারা আমাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করেছেযখনই তারা ফিতনা সৃষ্টি করতে চেয়েছে, আমরা তা প্রত্যাখ্যান করেছি»।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেনবিশর বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক, তিনি বলেন: আমি বারা-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের সাথে (মাটি) বহন করছিলেন, এরপর তিনি অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আরিম বিন আল-ফাযল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর বিন হাযিম, আবু ইসহাক থেকে, বারা ইবনে আযিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে খন্দকের যুদ্ধের দিন আমাদের সাথে মাটি বহন করতে দেখেছি, আর তিনি বলছিলেন: «আল্লাহর কসম! আল্লাহ না থাকলে আমরা হেদায়াত পেতাম না» এরপর তিনি অনুরুপ উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٤)
3 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْقَاضِي، نا أَبُو حُذَيْفَةَ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ لِرَجُلٍ وَهُوَ يُعَلِّمُهُ أَنْ يَقُولَ عِنْدَ مَنَامِهِ: «اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ ، وَوَجَّهْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ ، لا مَنْجَا مِنْكَ إِلا إِلَيْكَ، آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ ، فَإِنْ مَاتَ مَاتَ عَلَى الْفِطْرَةِ، وَإِنْ عَاشَ أَصَابَ خَيْرًا» .أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا أَحْمَدُ بْنُ مُلاعِبٍ، نا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ السّليحِينِيُّ، نا شَرِيكٌ، وَيَزِيدُ بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنِ الْبَرَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ.أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ ، وَنا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ التَّغْلِبِيُّ، نا حَبِيبُ بْنُ حَبِيبِ بْنِ أَخِي حَمْزَةَ الزَّيَّاتِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ: قَالَ لِي النَّبِيُّ: «أَلا أُعَلِّمُكَ دَعَوَاتٍ تَقُولَهُنَّ إِذَا أَخَذْتَ مَضْجَعَكَ» ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ.أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، نا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، نا شُعْبَةُ، أَنْبَأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، وَأَبُو الْحَسَنِ، أَنَّهُمَا سَمِعَا الْبَرَاءَ، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ رَجُلا ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ঈসা আল-কাদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুযাইফা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন তাহমান, আবু ইসহাক থেকে, তিনি বারা ইবন আযিব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে শিক্ষা দেওয়ার সময় বললেন যে সে যেন ঘুমানোর সময় বলে: «হে আল্লাহ! আমি নিজেকে আপনার নিকট সমর্পণ করলাম, আমার চেহারা আপনার দিকে ফিরালাম, আমার বিষয়াদি আপনার নিকট ন্যস্ত করলাম, আপনার প্রতি অনুরাগ ও ভীতি নিয়ে। আপনার নিকট ছাড়া আপনার থেকে কোনো আশ্রয়স্থল নেই এবং কোনো মুক্তি নেই। আমি আপনার নাযিলকৃত কিতাবের ওপর ঈমান আনলাম যা আপনি নাযিল করেছেন এবং আপনার নবীর ওপর যা আপনি প্রেরণ করেছেন। অতঃপর সে যদি ঐ রাতে মারা যায়, তবে ফিতরাতের (ইসলামের) ওপর মৃত্যুবরণ করল। আর যদি সে বেঁচে থাকে, তবে সে কল্যাণ লাভ করবে»।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন মুলাইব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন ইসহাক আস-সালিহিনি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক ও ইয়াযিদ ইবন আতা, আবু ইসহাক থেকে, তিনি বারা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন উসমান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আত-তাগলিবি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামযাহ আয-যাইয়্যাতের ভ্রাতুষ্পুত্র হাবিব ইবন হাবিব, আবু ইসহাক থেকে, তিনি বারা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন: «আমি কি তোমাকে এমন কিছু দোয়া শিক্ষা দেব না যা তুমি বিছানায় যাওয়ার সময় পাঠ করবে?» অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করলেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ঈসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবন আব্দুল মালিক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ও আবুল হাসান, তারা উভয়েই বারাকে বলতে শুনেছেন যে: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন... অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করলেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٥)
4 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، أنا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، حَدَّثَنِي عِكْرِمَةُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا الرِّبَا فِي النَّسِيئَةِ»
৪ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আলী ইবনে আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ আল-হাজ্জা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইকরিমাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আব্বাস থেকে, উসামাহ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই সুদ কেবল নাসীআ বা বাকিতে লেনদেনের মধ্যেই হয়»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٦)
5 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى هِلالِ بْنِ الْعَلاءِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، حَدَّثَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، أَنَّهُ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الذَّهَبِ بِالذَّهَبِ وَكَانَتْ تِجَارَةُ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا بَأْسَ بِذَلِكَ يَدًا بِيَدٍ»
৫ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিলাল ইবনুল আলার নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম, সুলাইমান ইবনু উবাইদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনু আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যায়দ ইবনু আবু আনাইসা থেকে, তিনি জাবির ইবনু ইয়াযিদ থেকে, তিনি আমর ইবনু দীনার থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে, উসামাহ ইবনু যায়দ আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং এটি যায়দ ইবনু আরকামের ব্যবসা ছিল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: «এতে কোনো অসুবিধা নেই যদি তা হাতে হাতে হয়»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٧)
6 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، نا حُصَيْنُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، نا أَبُو ظَبْيَانَ ، ثنا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ ، قَالَ: بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْحُرَقَةِ مِنْ جُهَيْنَةَ فَصَبَّحْنَا الْحَيَّ غُدْوَةً فَهَزَمْنَاهُمْ وَابْتَدَرْتُ أَنَا وَرَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ رَجُلا مِنْهُمْ فَلَمَّا غَشِينَاهُ ، قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.فَكَفَّ الأَنْصَارِيُّ وَأَوْجَزْتُهُ الرُّمْحَ فَقَتَلْتُهُ ، فَلَمَّا رَجَعْنَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ فَحَدَّثُوهُ عَنْ مَسِيرِنَا ، قَالَ: فَصَبَّحْنَا الْحَيَّ غُدْوَةً فَهَزَمْنَاهُمْ وَابْتَدَرَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ وَأُسَامَةُ رَجُلا مِنْهُمْ فَلَمَّا غَشَوْهُ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ.فَكَفَّ الأَنْصَارِيُّ ، وَأَوْجَزَهُ أُسَامَةُ الرُّمْحَ فَقَتَلَهُ، فَنَظَرَ إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: «يَا أُسَامَةُ، أَقَتَلْتَ رَجُلا يَقُولُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ؟» قَلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّمَا كَانَ مُتَعَوِّذًا مِنَ السِّلاحِ.فَقَالَ: «فَكَيْفَ تَصْنَعُ بِلا إِلَهَ إِلا اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» قَالَ: فَمَا زَالَ يُكَرِّرُ ذَلِكَ حَتَّى وَدِدْتُ أَنِّي لَمْ أَكُنْ أَسْلَمْتُ قَبْلَ يَوْمَئِذٍ ، قَالَ فَلَمَّا قُتِلَ عُثْمَانَ فِي بَيْتِهِ قَعَدَ وَلَمْ يَدْخُلْ فِي شَيْءٍ.أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، أنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، أنا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ عليه السلام ، نَحْوَهُ
৬ - আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, আলী ইবনে আসিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু জবইয়ান আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উসামা ইবনে যায়েদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জুহাইনা গোত্রের 'হুরাকা' নামক স্থানের দিকে পাঠালেন। আমরা ভোরবেলা সেই জনপদে পৌঁছালাম এবং তাদের পরাজিত করলাম। আমি এবং জনৈক আনসারী ব্যক্তি তাদের একজনের পিছু নিলাম। যখন আমরা তাকে ঘিরে ফেললাম, তখন সে বলল: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।তখন আনসারী ব্যক্তিটি বিরত হলেন, কিন্তু আমি তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করলাম এবং তাকে হত্যা করলাম। যখন আমরা আল্লাহর রাসূলের নিকট ফিরে এলাম, তখন লোকেরা আমাদের অভিযানের কথা তাঁর কাছে বর্ণনা করল। তিনি বললেন: "আমরা ভোরবেলা সেই জনপদে পৌঁছালাম এবং তাদের পরাজিত করলাম। এরপর একজন আনসারী ব্যক্তি ও উসামা তাদের একজনের পিছু নিল। যখন তারা তাকে ঘিরে ফেলল, তখন সে বলল: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।"অতঃপর আনসারী ব্যক্তিটি বিরত হলেন, কিন্তু উসামা তাকে বর্শা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিকে তাকালেন এবং বললেন: «হে উসামা, তুমি কি এমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করলে যে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই) বলেছে?» আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে তো কেবল অস্ত্রের হাত থেকে বাঁচার জন্য তা বলেছিল।তিনি বললেন: «তাহলে কিয়ামতের দিন যখন 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' আসবে, তখন তুমি কী করবে?» উসামা বলেন: তিনি অনবরত কথাটি বলতে থাকলেন, এমনকি আমার মনে হতে লাগল যে, আজকের দিনের আগে যদি আমি ইসলাম গ্রহণ না করতাম (তবে ভালো হতো)। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর উসমান যখন তাঁর নিজ ঘরে শহীদ হলেন, তখন তিনি (উসামা) বসে রইলেন এবং কোনো ফিতনায় জড়ালেন না।আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, আলী ইবনে আসিম আমাদের জানিয়েছেন, আতা ইবনে সাইব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি আবু আবদুর রহমান থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি নবী আলাইহিস সালাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٨)
7 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا الْحَارِثُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ أُسَامَةَ ، قَالَ: غَزَوْنَا أَهْلَ بَيْتٍ مِنْ جُهَيْنَةَ فَحَمَلْتُ عَلَى رَجْلٍ فَقَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ ، فَقَتَلْتُهُ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَتَلْتَ رَجُلا يَقُولُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ؟» قُلْتُ: إِنَّمَا قَالَهَا تَقِيَّةً، قَالَ: «فَهَلا شَقَقْتَ عَنْ قَلْبِهِ»
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন জাফরের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তখন শুনছিলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবন মানসুর, সুফইয়ান থেকে, তিনি আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু যাবইয়ান থেকে, তিনি উসামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা জুহাইনা গোত্রের একটি পরিবারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলাম। তখন আমি এক ব্যক্তির ওপর চড়াও হলাম, আর সে বলল: ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’, তবুও আমি তাকে হত্যা করলাম। অতঃপর নবী আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক বললেন: “তুমি কি এমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করলে যে ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই’ বলেছিল?” আমি বললাম: সে কেবল আত্মরক্ষার ভয়ে তা বলেছিল। তিনি বললেন: “তুমি কেন তার হৃদয় বিদীর্ণ করে দেখলে না?”
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٩)
8 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَحْمَدَ بْنِ الْخَلِيلِ، وَأَنَا أَسْمَعُ ، نا الْوَاقِدِيُّ، نا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: سَمِعْتُ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ ، يَقُولُ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي الْكَعْبَةِ رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ الأُسْطُوَانَتَيْنِ الْمُقَدَّمَتَيْنِ
৮ - আমাদের আহমাদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনুল খলীল-এর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের নিকট আল-ওয়াকিদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মূসা ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উসামাহ ইবনে যাইদ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি তিনি কাবার অভ্যন্তরে সামনের দুই স্তম্ভের মাঝখানে দুই রাকাত সালাত আদায় করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، نا شُعْبَةُ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا فَرَعَ وَلا عَتِيرَةَ فِي الإِسْلامِ» .أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عَبْدِ الْمَلِكِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، نا شُعْبَةُ، عَنْ مَعْمَرٍ، وَسُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ، مِثْلَهُ
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আবদুল মালিক বিন মুহাম্মাদের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ বিন আবদুল ওয়ারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মা’মার থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «ইসলামে ‘ফারা’ (প্রথমজাত উটের বলি) এবং ‘আতিরাহ’ (রজব মাসের বিশেষ বলি) নেই»।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আবদুল মালিকের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন মারযুক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মা’মার ও সুফিয়ান বিন হুসাইন থেকে, তাঁরা যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) হতে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١١)
10 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، نا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، نا بَيَانُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ مِرْدَاسٍ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَذْهَبُ الصَّالِحُونَ الأَوَّلُ فَالأَوَّلُ حَتَّى تَبْقَى مِثْلُ حُثَالَةِ التَّمْرِ وَالشَّعِيرِ لا يُبَالِي عَنْهُمْ»
১০ - আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আলী বিন আসিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, বায়ান বিন বিশর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, কায়েস বিন আবু হাযিম হতে, মিরদাস আল-আসলামী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নেককার ব্যক্তিরা একের পর এক চলে যাবেন, অবশেষে খেজুর বা যবের তুষের ন্যায় কিছু লোক অবশিষ্ট থাকবে, যাদের প্রতি (আল্লাহ) কোনো পরোয়া করবেন না।»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، نا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ الرَّازِيُّ، نا حَنْظَلَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّه ِ يَقُولُ: مَا أَدْرِي كَمْ رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ قَائِمًا بِالسُّوقِ ، يَقُولُ: يَعْنِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " يُقْبَضُ الْعِلْمُ وَتَظْهَرُ الْفِتَنُ وَيَكْثُرُ الْهَرْجُ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْهَرْجُ؟ فَقَالَ: «بِيَدِهِ وَحَرَّفَهَا»
১১ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইয়াহইয়া ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে সুলাইমান আর-রাজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হানজালা ইবনে আবি সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সালিম ইবনে আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি জানি না কতবার আমি আবু হুরায়রাকে বাজারে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি, তিনি বলতেন: অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! হারজ কী? তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে তা বাঁকিয়ে দেখালেন।"
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى الْحَسَنِ بْنِ مُكْرَمٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَرَأْنَا عَلَى قَيْسِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَصْرِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ نَاجِيَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «تَدُورُ رَحَى الإِسْلامِ فِي خَمْسٍ وَثَلاثِينَ أَوْ سِتٍّ وَثَلاثِينَ، أَوْ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ ، فَإِنْ يَهْلِكُوا فَسَبِيلُ مَنْ هَلَكَ وَإِنْ يَقُمْ لَهُمْ دِينُهُمْ يَقُمْ لَهُمْ سَبْعِينَ عَامًا» ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مِمَّا مَضَى أَوْ مِمَّا بَقِيَ؟ ، قَالَ: «مِمَّا بَقِيَ»
১২ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনে মুকরামের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, আমরা কায়স ইবনে মুহাম্মদ আল-বাসরির নিকট পাঠ করেছি, তিনি সুফইয়ান আস-সাওরি থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি রিবয়ী থেকে, তিনি আল-বারা ইবনে নাজিয়াহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «ইসলামের আবর্তনচক্র পঁয়ত্রিশ বা ছত্রিশ বা সাঁইত্রিশ (বছর) পর্যন্ত আবর্তিত হবে। অতঃপর তারা যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা হবে ধ্বংসপ্রাপ্তদের পথ আর যদি তাদের জন্য তাদের দ্বীন সুপ্রতিষ্ঠিত থাকে, তবে তা সত্তর বছর পর্যন্ত বহাল থাকবে», আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! যা অতিবাহিত হয়েছে তা থেকে, নাকি যা অবশিষ্ট আছে তা থেকে? তিনি বললেন: «যা অবশিষ্ট আছে তা থেকে»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى الْحَسَنِ بْنِ مُكْرَمٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى قَيْسِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ صَفْوَانَ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ حُيَيٍّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ: " لا يَدَعُ النَّاسُ غَزْوَ هَذَا الْبَيْتِ، حَتَّى إِذَا كَانُوا بِالْبَيْدَاءِ خُسِفَ بِأَوَّلِهِمْ، وَآخِرِهِمْ، وَلَمْ يَنْجُ أَوْسَطُهُمْ، قَالَ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنْ كَانَ فِيهِمُ الْمُكْرَهُ، قَالَ: يُبْعَثُونَ عَلَى مَا فِي أَنْفُسِهِمْ "
১৩ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে মুকরামের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেন: আমি কায়স ইবনে মুহাম্মদের নিকট পাঠ করেছি, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি আবু ইদরীস থেকে, তিনি ইবনে সাফওয়ান থেকে, তিনি সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "লোকেরা এই ঘরে আক্রমণ করা ত্যাগ করবে না, যতক্ষণ না তারা যখন মরুপ্রান্তরে পৌঁছাবে, তখন তাদের প্রথম ও শেষাংশকে মাটির নিচে ধসিয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের মধ্যবর্তী কেউ নিষ্কৃতি পাবে না। তিনি (সাফিয়্যা) বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদিও তাদের মধ্যে এমন কেউ থাকে যাকে বাধ্য করা হয়েছে? তিনি বললেন: তাদেরকে তাদের অন্তরের অবস্থা অনুযায়ী পুনরুত্থিত করা হবে।"
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى هِلالِ بْنِ الْعَلاءِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا أَبِي، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي ضَرِيرُ الْبَصَرِ شَاسِعُ الدَّارِ، وَلَيْسَ لِي قَائِدٌ يُلازِمُنِي، فَهَلْ تَجِدُ لِي رُخْصَةً؟ ، قَالَ: «أَيَبْلُغُكَ النِّدَاءُ؟» قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: «مَا أَجِدُ لَكَ رُخْصَةً»
১৪ - আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হিলাল ইবনুল আলার সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম, আমার পিতা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যায়েদ ইবনে আবি আনাইসা থেকে, তিনি আসিম থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: ইবনে উম্মে মাকতুম আল্লাহর রাসূলের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি দৃষ্টিহীন ব্যক্তি এবং আমার ঘর অনেক দূরে, আর আমার এমন কোনো পথপ্রদর্শক নেই যে সর্বদা আমার সাথে থাকবে; এমতাবস্থায় আপনি কি আমার জন্য কোনো অবকাশ খুঁজে পান? তিনি বললেন: “তুমি কি আযান শুনতে পাও?” আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি বললেন: “আমি তোমার জন্য কোনো অবকাশ পাচ্ছি না।”
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ نا هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ، نا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ وَاقِدٍ الْحَرَّانِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحِيمِ، حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْقِلٍ، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ أَعْمَى إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أَسْمَعُ النِّدَاءَ وَلَعَلِّي لا أَجِدُ قَائِدًا ، وَيَشُقُّ عَلَيَّ ، أَفَأَتَّخِذُ مَسْجِدًا فِي دَارِي؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيَبْلُغُكَ النِّدَاءُ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «إِذَا سَمِعْتَ النِّدَاءَ فَأَجِبْ»
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিলাল ইবনুল আলা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাঈদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে ওয়াকিদ আল-হাররানি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আবু আব্দুর রাহীম থেকে, যায়িদ ইবনে আবি আনাইসাহ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, আদী ইবনে সাবিত থেকে, আব্দুল্লাহ ইবনে মা’কিল থেকে, কা’ব ইবনে উজরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক অন্ধ ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি আযানের শব্দ শুনতে পাই এবং সম্ভবত আমি কোনো পথপ্রদর্শক পাই না, যা আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর। এমতাবস্থায় আমি কি আমার বাড়িতেই সালাতের কোনো স্থান নির্ধারণ করে নিতে পারি? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তোমার নিকট কি আযানের শব্দ পৌঁছায়?» তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি বললেন: «তবে যখন তুমি আযান শুনবে, তখন তার উত্তর দাও (অর্থাৎ জামাতে উপস্থিত হও)»।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - حَدَّثَنَا هِلالٌ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْحَارِثِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «عُرِضَ عَلَيَّ الأَنْبِيَاءُ فَكَانَ النَّبِيُّ يَجِيءُ لَيْسَ مَعَهُ إِلا رَجُلٌ، وَيَجِيءُ الآخَرُ لَيْسَ مَعَهُ إِلا الرَّجُلانِ، وَيَجِيءُ الآخَرُ لَيْسَ مَعَهُ إِلا النَّفَرُ الْيَسِيرُ» .كَذَلِكَ، قَالَ: فَنَظَرْتُ فَرَأَيْتُ سَوَادًا كَثِيرًا فَظَنَنْتُ أَنَّهُمْ أُمَّتِي فَلَمَّا دَنَوْا إِذَا هُمْ قَوْمُ مُوسَى ثُمَّ رَأَيْتُ سَوَادًا كَبِيرًا قَدْ كَادَ أَنْ يَمْلأَ أُفُقَ السَّمَاءِ، فَقُلْتُ: مَنْ هَؤُلاءِ؟ فَقِيلَ لِي: هَؤُلاءِ أُمَّتُكَ فَفَرِحْتُ بِذَلِكَ وَاسْتَبْشَرْتُ ثُمَّ قَالَ لِي: انْظُرْ فَنَظَرْتُ، فَإِذَا بِسَوَادٍ كَثِيرٍ أَيْضًا فَقِيلَ هَؤُلاءِ مِنْ أُمَّتِكَ فَفَرِحْتُ بِذَلِكَ وَاسْتَبْشَرْتُ، ثُمَّ قِيلَ لِي: إِنَّ مَعَ هَؤُلاءِ سَبْعِينَ أَلْفًا مِنْ أُمَّتِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ لا حِسَابَ عَلَيْهِمْ، وَلا عَذَابَ ، قَالَ: ثُمَّ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ: أَصْحَابُهُ مَنْ هَؤُلاءِ السَّبْعُونَ أَلْفًا؟ فَأَجْمَعَ رَأْيُهُمْ عَلَى أَنَّهُمْ مَنْ وُلِدَ فِي الإِسْلامِ وَهُوَ لَمْ يُدْرِكْ شَيْئًا مِنْ أَمْرِ الشِّرْكِ، قَالَ: فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلُوهُ ، فَقَالَ: «هُمُ الَّذِينَ لا يَكْتَوُونَ وَلا يَسْتَرْقُونَ وَلا يَتَطَيَّرُونَ وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ» .فَقَامَ عُكَّاشَةُ بْنُ مِحْصَنٍ الأَسَدِيُّ ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ، فَقَالَ: " أَنْتَ مِنْهُمْ أَوْ قَالَ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ مِنْهُمْ» فَقَامَ رَجُلٌ آخَرَ فَقَالَ: ادْعُ اللَّهَ أَنْ يَجْعَلَنِي مِنْهُمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَقَالَ: «سَبَقَكَ بِهَا عُكَّاشَةُ»
১৬ - হিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আর-রাক্কি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যাইদ ইবনে আবি উনাইসা থেকে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হারিস থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার নিকট সকল নবীকে উপস্থাপন করা হলো। তখন কোনো নবী আসছিলেন যাঁর সাথে মাত্র একজন লোক ছিল, আবার কোনো নবী আসছিলেন যাঁর সাথে মাত্র দুইজন লোক ছিল, আবার অন্য এমন নবী আসছিলেন যাঁর সাথে কেবল একটি ছোট দল ছিল।’তদ্রূপ, তিনি বললেন: অতঃপর আমি লক্ষ্য করলাম এবং বিশাল এক জনসমষ্টি দেখতে পেলাম। আমি মনে করলাম যে তারা বুঝি আমার উম্মত, কিন্তু তারা যখন নিকটবর্তী হলো তখন দেখা গেল তারা মূসার কওম। অতঃপর আমি আরও এক বিশাল জনসমষ্টি দেখলাম যা আকাশের দিগন্ত পূর্ণ করে ফেলার উপক্রম করেছিল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম: এরা কারা? আমাকে বলা হলো: এরা আপনার উম্মত। এতে আমি আনন্দিত ও উৎফুল্ল হলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো: আপনি পুনরায় লক্ষ্য করুন। আমি লক্ষ্য করলাম এবং সেখানেও এক বিশাল জনসমষ্টি দেখতে পেলাম। বলা হলো: এরাও আপনার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত। এতে আমি আনন্দিত ও উৎফুল্ল হলাম। অতঃপর আমাকে বলা হলো: এদের সাথে আপনার উম্মতের সত্তর হাজার এমন লোক রয়েছে যারা কোনো হিসাব ও শাস্তি ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভেতরে প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর সাহাবীগণ আলোচনা করতে লাগলেন যে, সেই সত্তর হাজার লোক কারা হতে পারে? তাঁদের অভিমত এই বিষয়ে একমত হলো যে, সম্ভবত তারা হলেন ঐসব লোক যারা ইসলামের ওপর জন্মগ্রহণ করেছেন এবং শিরকের কোনো বিষয়ের সংস্পর্শে আসেননি। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে আসলেন এবং তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন: «তারা ঐসব লোক যারা আগুনের দাগ (লৌহদাহ) নেয় না, ঝাড়ফুঁক করায় না, কুলক্ষণ মানে না এবং তারা কেবল তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’তখন উক্কাসাহ ইবনে মিহসান আল-আসাদি দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে দুআ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন: «তুমি তাদেরই অন্তর্ভুক্ত» অথবা বললেন: «হে আল্লাহ! তাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।’ অতঃপর অন্য একজন লোক দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর নিকট দুআ করুন যেন তিনি আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি বললেন: «উক্কাসাহ তোমার আগেই এটি অর্জন করে নিয়েছে।’
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٨)
17 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ أَبِي الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا قَالَ: «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ»
১৭ - আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিলাল ইবনুল আলা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদ ইবনে আবি আনাইসা থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি আবুদ দুহা থেকে, তিনি মাসরূক থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ (ইবনে মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রুকু বা সিজদাহরত থাকতেন তখন বলতেন: «হে আল্লাহ, আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তাওবা করছি»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ١٩)
18 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا هِلالُ بْنُ الْعَلاءِ ، بِالرَّقَّةِ، نا أَبِي، نا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ الْعَبْدِيُّ، عَنْ حَوْشَبٍ، وَمَطَرٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ: أَخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عِمَامَتِي مِنْ وَرَائِي ، فَقَالَ: «يَا عِمْرَانُ، إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الإِنْفَاقَ وَيُبْغِضُ الإِقْتَارَ فَأَنْفِقْ وَأَطْعِمْ وَلا تَصُرَّ صَرًّا فَيَعْسُرَ عَلَيْكَ الطَّلَبُ ، إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْبَصَرَ النَّافِذَ عِنْدَ هَجْمِ الشُّبُهَاتِ وَالْعَقْلَ الْكَامِلَ عِنْدَ نُزُولِ الشَّهَوَاتِ، وَيُحِبُّ السَّمَاحَةَ وَلَوْ عَلَى تَمَرَاتٍ، وَيُحِبُّ الشَّجَاعَةَ وَلَوْ عَلَى قَتْلِ حَيَّةٍ»
১৮ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হিলাল বিন আল-আলা আর-রাক্কায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমর বিন হাফস আল-আবদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাওশাব ও মাতার থেকে, তারা হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেছন থেকে আমার পাগড়ি ধরলেন এবং বললেন: «হে ইমরান, নিশ্চয়ই আল্লাহ দান করা পছন্দ করেন এবং কৃপণতা অপছন্দ করেন। সুতরাং তুমি ব্যয় করো ও আহার করাও এবং কৃপণভাবে আটকে রেখো না, নতুবা তোমার জন্য অন্বেষণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সংশয়ের আক্রমণের সময় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এবং লালসা ধেয়ে আসার সময় পূর্ণ বিবেককে পছন্দ করেন। আর তিনি উদারতা পছন্দ করেন যদিও তা সামান্য কয়েকটি খেজুরের বিনিময়ে হয়, এবং তিনি সাহসিকতা পছন্দ করেন যদিও তা একটি সাপ মারার ক্ষেত্রে হয়।»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
19 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، نا سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعْدًا يَقُولُ: لَقَدْ جَمَعَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَوَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ
১৯ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনু জা'ফরের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম, আলী ইবনু আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাদকে বলতে শুনেছি: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতামাতাকে একত্রিত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - أنا أَحْمَدُ، نا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبَانٍ، نا عِيسَى بْنُ الْمُسَيَّبِ، نا قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ قَرَأَ: {يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنْفُسَكُمْ لا يَضُرُّكُمْ مَنْ ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ} [المائدة: 105] .فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِذَا رَأَى النَّاسُ الْمُنْكَرَ فَلَمْ يُغَيِّرُوا، وَرَأَوُا الظَّالِمَ فَلَمْ يَأْخُذُوا عَلَى يَدَيْهِ فَيُوشِكُ أَنْ يَعُمَّهُمُ اللَّهُ بِعِقَابٍ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হারিস ইবন মুহাম্মদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল আজিজ ইবন আবান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনুল মুসাইয়্যিব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়েস ইবনু আবি হাযিম, তিনি বলেন: আমি আবু বকর আস-সিদ্দিককে তিলাওয়াত করতে শুনেছি: {হে মুমিনগণ, তোমাদের ওপর তোমাদের নিজেদের দায়িত্ব। তোমরা যদি সৎপথে পরিচালিত হও, তবে যে পথভ্রষ্ট হয়েছে সে তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না} [আল-মায়িদাহ: ১০৫] .অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যখন মানুষ কোনো অন্যায় কাজ দেখে অথচ তা পরিবর্তন করে না এবং যখন তারা কোনো অত্যাচারীকে দেখে অথচ তার হাত ধরে তাকে প্রতিহত করে না, তখন অচিরেই আল্লাহ তাদের সকলকে তাঁর শাস্তিতে আচ্ছন্ন করবেন।»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
21 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، أنا شُعْبَةُ، وَهِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، نا شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: صَلَّيْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْفَجْرَ بِمِنًى فَجَاءَ رَجُلانِ حَتَّى وَقَفَا عَلَى رَوَاحِلِهِمَا فَأَمَرَ بِهِمَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَجِيءَ بِهِمَا تُرْعَدُ فَرَائِصُهُمَا، فَقَالَ: «لَهُمَا مَا مَنَعَكُمَا أَنْ تُصَلِّيَا مَعَ النَّاسِ أَلَسْتُمَا مُسْلِمَيْنِ؟» قَالا: بَلَى، يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا كُنَّا صَلَّيْنَا فِي رِحَالِنَا ، فَقَالَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا صَلَّيْتُمَا فِي رِحَالِكُمَا ثُمَّ أَتَيْتُمَا الإِمَامَ فَصَلِّيَا مَعَهُ فَإِنَّهَا نَافِلَةٌ» .أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، نا عَارِمٌ، نا سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ، نا يَعْلَى بْنُ عَطَاءٍ، حَدَّثَنِي جَابِرُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالنَّاسِ فِي مَسْجِدِ الْخَيْفِ صَلاةَ الْغَدَاةِ ، فَلَمَّا قَضَى صَلاتَهُ إِذَا رَجُلانِ فِي مُؤَخِّرَةِ الْمَسْجِدِ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِمَا فَجَاءَا تَرْعَدُ فَرَائِصُهُمَا ثُمَّ ذَكَرَ مِثْلَهُ سَوَاءً.أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، وَأَنَا أَسْمَعُ، نا أَبُو حُذَيْفَةَ، نا سُفْيَانُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى ، ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ.أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَاكِرٍ، نا عَفَّانُ، نا أَبُو عَوَانَةَ، نا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ الأَسْوَدِ السُّوَائِيِّ ، أَخْبَرَنَا أَبِي، قَالَ: كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَسْجِدِ الْخَيْفِ صَلاةَ الْفَجْرِ ثُمَّ ذَكَرَ نَحْوَهُ
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন মুকরাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবন আতা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ এবং হিশাম ইবন হাসসান, তাঁরা ইয়া’লা ইবন আতা থেকে, তিনি জাবির ইবন ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওয়াহব ইবন জারীর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন শু’বাহ, তিনি ইয়া’লা ইবন আতা থেকে, তিনি জাবির ইবন ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা নবী (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর সাথে মিনায় ফজরের সালাত আদায় করলাম। তখন দুই ব্যক্তি আসল এবং তারা তাদের বাহনের ওপর অবস্থান করল। নবী (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) তাদের ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন, ফলে তাদের আনা হলো এমতাবস্থায় যে (ভয়ে) তাদের কাঁধের মাংস কাঁপছিল। তিনি তাদের বললেন: «তোমাদেরকে মানুষের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে বাধা দিল? তোমরা কি মুসলিম নও?» তারা বলল: অবশ্যই হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আমাদের তাঁবুতে সালাত আদায় করে নিয়েছিলাম। তখন আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) তাদের বললেন: «যখন তোমরা তোমাদের তাঁবুতে সালাত আদায় করে নাও, তারপর ইমামের কাছে আসো, তবে তার সাথেও সালাত আদায় করো; কারণ তা তোমাদের জন্য নফল হিসেবে গণ্য হবে।»আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবন ইসহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আরিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন যায়দ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়া’লা ইবন আতা, তিনি বলেন: আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাবির ইবন ইয়াযীদ, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) মসজিদে খায়েফে লোকদের নিয়ে ভোরের সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন মসজিদের শেষ প্রান্তে দুই ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন। তিনি তাদের কাছে লোক পাঠালেন, ফলে তাদের আনা হলো এমতাবস্থায় যে তাদের কাঁধের মাংস কাঁপছিল। এরপর তিনি হুবহু অনুরূপ বর্ণনা করলেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ঈসার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু হুযাইফা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি ইয়া’লা ইবন আতা থেকে, তিনি জাবির ইবন ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর সাথে মিনায় সালাত আদায় করেছি। অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করলেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাফর ইবন মুহাম্মদ ইবন শাকির, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আফফান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবন সালামাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়া’লা ইবন আতা, তিনি জাবির ইবন ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ আস-সুওয়ায়ী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি বিদায় হজের সময় আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল (তাঁর উপর আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) মসজিদে খায়েফে ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করলেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، نا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، نا شَرِيكٌ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ أَحَدَ الرَّجُلَيْنِ الَّذَيْنِ صَلَّيَا فِي رِحَالِهِمَا ، قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: اسْتَغْفِرْ لِي ، قَالَ: «غَفَرَ اللَّهُ لَكُمَا» وَأَخَذَ بِيَدِهِ فَوَضَعَهَا عَلَى صَدْرِهِ، فَوَجَدْتُ بَرْدَهَا فِي ظَهْرِي مَعًا، قَالَ: فَمَا شَمَمْتُ رِيحًا قَطُّ أَطْيَبَ مِنْ يَدِهِ صلى الله عليه وسلم ، وَلَقَدْ كَانَتْ يَدُهُ أَبْرَدَ مِنَ الثَّلْجِ "
২২ - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাঈল ইবনে ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল হামীদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারীক ইয়লা ইবনে আতা থেকে, তিনি জাবির ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, সেই দুই ব্যক্তির একজন যারা তাঁদের আবাসে সালাত আদায় করেছিলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তিনি বললেন: «আল্লাহ তোমাদের উভয়কে ক্ষমা করুন» এবং তিনি তাঁর হাত ধরলেন ও তা তাঁর বুকের ওপর রাখলেন, ফলে আমি একই সাথে আমার পিঠে সেটির শীতলতা অনুভব করলাম। তিনি বলেন: আমি কখনও এমন কোনো সুগন্ধি ঘ্রাণ পাইনি যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত ছিল, আর প্রকৃতপক্ষে তাঁর হাত ছিল বরফের চেয়েও অধিক শীতল।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، نا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَخَوَّلُنَا بِالْمَوْعِظَةِ فِي الأَيَّامِ كَرَاهِيَّةَ السَّآمَةِ عَلَيْنَا
২৩ - আমাদের নিকট হাসান বিন মুকরম বর্ণনা করেছেন, তিনি আসওয়াদ বিন আমির থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়েল থেকে, আর তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বিরক্তির আশঙ্কায় দিনগুলো বেছে বেছে নসিহত প্রদান করতেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، نا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: إِنِّي لأُخْبِرُ بِجَمَاعَتِكُمْ فَمَا أَخْرُجُ إِلَيْكُمْ خَشْيَةَ أَنْ أُمِلَّكُمْ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَخَوَّلُنَا بِالْمَوْعِظَةِ بَيْنَ الأَيَّامِ خَشْيَةَ السَّآمَةِ عَلَيْنَا
২৪ - আব্দুল মালিক বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বিশর বিন উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুবা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে তোমাদের সমাবেশের সংবাদ দেওয়া হয়, কিন্তু আমি তোমাদের নিকট বের হয়ে আসি না এই ভয়ে যে পাছে আমি তোমাদের বিরক্ত করে ফেলি। আর নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উপর বিরক্তি আসার আশঙ্কায় মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে আমাদের উপদেশ প্রদান করতেন।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، ثنا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ ، ثنا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «لا تُمِلُّوا النَّاسَ، فَيَمَلُّوا الذِّكْرَ»
25 - আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে মুকরাম বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-আসওয়াদ ইবনে আমির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «তোমরা মানুষকে অতিষ্ঠ করো না, ফলে তারা যিকিরের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়বে»
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
26 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، ثنا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، نا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَالأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «إِذَا كُنْتُمْ ثَلاثَةً فَلا يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ الثَّالِثِ» .حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدٍ، نا أَبُو زَيْدٍ الْهَرَوِيُّ، نا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَلَمْ يَذْكُرْ مَنْصُورًا
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর বিন উমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি মানসুর ও আমাশ থেকে, তারা আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যখন তোমরা তিনজন থাকবে, তখন তৃতীয়জনকে বাদ দিয়ে যেন দুজন গোপনে কথা না বলে»।আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যায়িদ আল-হারাউয়ি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়ায়িল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে তিনি (আবু যায়িদ) মানসুরের নাম উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
27 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، نا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، نا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، وَالأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «لا تُبَاشِرُ الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ، فَتَنْعَتَهَا لِزَوْجِهَا فَإِنَّهُ يَنْظُرُ إِلَيْهَا» .حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، نا أَبُو زَيْدٍ، نا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، وَلَمْ يَذْكُرْ مَنْصُورًا
২৭ - আব্দুল মালিক আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শুবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মানসুর ও আমাশ থেকে, তাঁরা আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “কোনো নারী যেন অন্য নারীর শরীরের সাথে স্পর্শ না লাগে (বা তাকে এমনভাবে না দেখে), অতঃপর সে তার স্বামীর কাছে ওই নারীর দৈহিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে; যেন তার স্বামী তাকে সরাসরি দেখছে।”আব্দুল মালিক আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আবু যায়িদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, শুবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন; তবে তিনি মানসুরের নাম উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
জুজউন মিন হাদিসি আবি বকরিন নাজ্জাদ
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
28 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُكْرَمٍ، نا الْحَسَنُ بْنُ قُتَيْبَةَ، نا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جِبْرِيلَ عليه السلام فِي صُورَتِهِ لَهُ سِتُّمِائَةِ جَنَاحٍ قَدْ سَدَّ الأُفُقَ، يَسْقُطُ مِنْ جَنَاحِهِ مَا اللَّهُ بِهِ عَلِيمٌ مِنَ الْيَاقُوتِ وَالدُّرِّ
২৮ - আল-হাসান ইবনে মুকরাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে কুতায়বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শারীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দেখেছেন, যাঁর ছিল ছয়শত ডানা এবং তিনি দিগন্তকে আবৃত করে ফেলেছিলেন, তাঁর ডানা থেকে ইয়াকুত ও মুক্তাসমূহ ঝরছিল যার প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।