(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: -)
مجموع فيه ثلاثة أجزاء حديثية - جرار   (مجموعة من المؤلفين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجموع فيه ثلاثة أجزاء حديثية

المؤلف:

فوائد أبي علي الرَّفَّاء / حامد بن محمد بن عبدالله بن محمد بن معاذ الهروي (356 هـ)

فوائد الخُلْدي / أبي محمد جعفر بن محمد بن نصير بن قاسم البغدادي (348 هـ)

فوائد مُكْرَم البزّاز / أبي بكر مكرم بن أحمد بن محمد بن مكرم القاضي البغدادي (345 هـ)

تحقيق: نبيل سعد الدين جرار

الناشر: دار البشائر الإسلامية

الطبعة: الأولى 1431 هـ - 2010 م

تنبيه/ هذه النسخة مطابقة للمطبوع حرفاً بحرف، فمصدرها نفس الملفات التي طبع منها الكتاب (سلسلة النشر الوقفي).

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

عدد الصفحات: 354

تاريخ النشر بالشاملة: 6 صفر 1432

তিনটি হাদিস বিষয়ক অংশের সংকলন - জাররার   (একদল লেখক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: তিনটি হাদিস বিষয়ক অংশের সংকলন

লেখক:

আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ / হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুয়ায আল-হারাউয়ী (৩৫৬ হিজরি)

আল-খুলদীর ফাওয়ায়েদ / আবু মুহাম্মদ জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নাসির বিন কাসিম আল-বাগদাদি (৩৪৮ হিজরি)

মুকরাম আল-বাজ্জাযের ফাওয়ায়েদ / আবু বকর মুকরাম বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন মুকরাম আল-কাদি আল-বাগদাদি (৩৪৫ হিজরি)

তাহকিক: নাবিল সা’দ আদ-দীন জাররার

প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ

সতর্কবার্তা/ এই কপিটি মূল মুদ্রিত কপির সাথে অক্ষরে অক্ষরে মিল রয়েছে, কারণ এর উৎস সেই ফাইলগুলো যা থেকে কিতাবটি মুদ্রিত হয়েছে (সিলসিলাতুন নাশরিল ওয়াকফি)।

[কিতাবটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫৪

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৬ সফর ১৪৩২

(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: -)
ـ[مجموع فيه ثلاثة أجزاء حديثية]ـ

المؤلف:

فوائد أبي علي الرَّفَّاء / حامد بن محمد بن عبدالله بن محمد بن معاذ الهروي (356 هـ)

فوائد الخُلْدي / أبي محمد جعفر بن محمد بن نصير بن قاسم البغدادي (348 هـ)

فوائد مُكْرَم البزّاز / أبي بكر مكرم بن أحمد بن محمد بن مكرم القاضي البغدادي (345 هـ)

تحقيق: نبيل سعد الدين جرار

الناشر: دار البشائر الإسلامية

الطبعة: الأولى 1431 هـ - 2010 م

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

--------------------------------------------

تنبيه: هذه النسخة مطابقة للمطبوع حرفاً بحرف، فمصدرها نفس الملفات التي طبع منها الكتاب (سلسلة النشر الوقفي).
তিনটি হাদিস বিষয়ক অংশ সম্বলিত সংকলন

লেখক:

আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়াইদ / হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুআজ আল-হারাবি (৩৫৬ হিজরি)

আল-খুলদির ফাওয়াইদ / আবু মুহাম্মদ জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নুসায়ের বিন কাসিম আল-বাগদাদি (৩৪৮ হিজরি)

মুকরাম আল-বাজ্জাযের ফাওয়াইদ / আবু বকর মুকরাম বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুকরাম আল-কাদি আল-বাগদাদি (৩৪৫ হিজরি)

সম্পাদনা: নাবিল সাদ উদ্দিন জাররার

প্রকাশক: দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ

সংস্করণ: প্রথম ১৪৩১ হিজরি - ২০১০ খ্রিস্টাব্দ

[বইটির নম্বরবিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

--------------------------------------------

সতর্কতা: এই কপিটি মূল মুদ্রণের সাথে অক্ষরে অক্ষরে হুবহু মিল রয়েছে, কারণ এর উৎস সেই একই ফাইলগুলো যা থেকে বইটি মুদ্রিত হয়েছে (ওয়াকফ প্রকাশনা সিরিজ)।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: -)
سِلسِلَةُ النَّشْرِ الوَقْفِي (1)

 

مَجاميعُ الأَجزاءِ الحَديثيَّةِ (7)

 

‌‌مَجموعٌ فيه ثَلاثةُ أَجْزاءٍ حَديثيَّةٍ

 

فَوائدُ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ

حامدِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدٍ الهَرويِّ

356 هـ

فَوائدُ الخُلْديِّ

أبي محمدٍ جعفرِ بنِ محمدِ بنِ نُصيرٍ البغداديِّ

348 هـ

فَوائدُ مُكْرَمٍ البزَّازِ

أبي بكرٍ مُكْرَمِ بنِ أحمدَ بنِ محمدٍ القاضي البَغداديِّ

345 هـ

 

تحقيق

نبيل سعد الدين جرَّار

 

دار البشائر الإسلامية
ওয়াকফ প্রকাশনা সিরিজ (১)

 

হাদিস সংকলনসমূহ (৭)

 

‌‌তিনটি হাদিস অংশ সংবলিত একটি সংকলন

 

আবু আলি আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ

হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-হারাওয়ি

৩৫৬ হিজরি

আল-খুলদির ফাওয়ায়েদ

আবু মুহাম্মদ জাফর বিন মুহাম্মদ বিন নুসায়ের আল-বাগদাদি

৩৪৮ হিজরি

মুকরাম আল-বাজ্জারের ফাওয়ায়েদ

আবু বকর মুকরাম বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-কাদি আল-বাগদাদি

৩৪৫ হিজরি

 

তাহকিক

নাবিল সাদ উদ্দিন জাররার

 

দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣)
‌‌سلسلة النشر الوقفي

 

«وقف مقره بالمدرسة الضيائية»

«وقف الحافظ ضياء الدين المقدسي تقبل الله منه»

«وقف الحافظ عبد الغني المقدسي رحمه الله»

 

عباراتٌ كثيرةٌ حولَ هذا المعنى نجدُها عندَ بدايةِ الكتبِ والأجزاءِ الحديثيَّةِ.

وليسَ غريباً مِن أئمتِنا الأعلام الحرصُ على نشرِ العلمِ، والعملُ على أن يكونَ في مُتناولِ يدِ كلِّ طالبٍ ومُريدٍ، ومِن وسائلِ ذلكَ وَقفُ الكتبِ والأجزاءِ للانتفاعِ بها في المكتباتِ والمدارسِ العامرةِ.

والآنَ ونحنُ في عصرِ تَقنيةِ المعلوماتِ، أصبحَ نشرُ الكتبِ على شبكةِ المعلوماتِ العالميةِ مِن أفضلِ الوسائلِ لتيسيرِ الانتفاعِ بها لكلِّ طالبٍ ومريدٍ.

فليسَ كلُّ أحدٍ يتيسرُ له الحصولُ على الكتابِ المطبوعِ، ثم إنَّ طباعةَ الكتابِ لا تُغني في وقتِنا هذا عن النسخةِ الألكترونيةِ التي تُستخدمُ في البرامجِ الحاسوبيةِ، لاستِخدامِها في البحثِ السريعِ والدقيقِ في الكتبِ.

ولكنَّ وضعَ الكتبِ على شبكةِ المعلوماتِ لا يسلمُ مِن إضرارٍ بحقوقِ الطباعةِ، التي لا يُنكرُها مَن يعلمُ طبيعةَ العملِ في تحقيقِ التراثِ وطباعتِه، وما يحتاجُه مِن جهدٍ ووقتٍ ومالٍ.

إلا إذا تكفَّل أهلُ الخيرِ والإحسانِ بتأمينِ نفقاتِ التحقيقِ والطباعةِ احتساباً عندَ الله عز وجل، ليخرجَ الكتابُ المطبوعُ في نفسِ الوقتِ الذي يوضعُ فيه على

شبكةِ المعلوماتِ وَقفاً على جميعِ المسلمينَ.
ওয়াকফ প্রকাশনা সিরিজ

 

«যার সদর দপ্তর আল-মাদরাসাতুদ দিয়াইয়্যাহতে ওয়াকফকৃত»

«হাফেজ জিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসীর ওয়াকফ, আল্লাহ তাঁর পক্ষ থেকে কবুল করুন»

«হাফেজ আব্দুল গনি আল-মাকদিসী (রহিমাহুল্লাহ)-এর ওয়াকফ»

 

এই অর্থ বহনকারী বহু অভিব্যক্তি আমরা কিতাবসমূহ এবং হাদিসের অংশবিশেষের শুরুতে দেখতে পাই।

আমাদের বরেণ্য ইমামগণের পক্ষ থেকে জ্ঞান প্রচারের ব্যাপারে এমন আগ্রহ এবং তা প্রত্যেক শিক্ষার্থী ও জ্ঞানপিপাসুর হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা মোটেও আশ্চর্যজনক নয়। আর এর অন্যতম মাধ্যম হলো সমৃদ্ধ পাঠাগার ও মাদরাসাগুলোতে কিতাব এবং তার অংশবিশেষসমূহ ব্যবহারের জন্য ওয়াকফ করে দেওয়া।

বর্তমানে আমরা তথ্যপ্রযুক্তির যুগে রয়েছি, তাই বিশ্বজুড়ে তথ্য-নেটওয়ার্কে (ইন্টারনেটে) বই প্রকাশ করা প্রতিটি শিক্ষার্থী ও জ্ঞানপিপাসুর জন্য তা থেকে উপকৃত হওয়ার পথ সুগম করার অন্যতম সেরা মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।

কারণ, প্রত্যেকের পক্ষে ছাপানো বই সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া বর্তমান সময়ে কিতাব ছাপানো হলেই তা ইলেকট্রনিক কপির প্রয়োজন মিটিয়ে দেয় না, যা কম্পিউটার প্রোগ্রামে কিতাবসমূহের মধ্যে দ্রুত ও নির্ভুল অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহৃত হয়।

তবে ইন্টারনেটে কিতাব আপলোড করা মুদ্রণ ও প্রকাশনা সত্ত্ব (কপিরাইট)-এর ক্ষতির আশঙ্কামুক্ত নয়; আর যারা ঐতিহ্যবাহী পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা (তাহকিক) ও তা মুদ্রণের কাজের ধরন এবং এতে যে শ্রম, সময় ও অর্থের প্রয়োজন হয় সে সম্পর্কে অবগত, তারা এই বিষয়টি অস্বীকার করবেন না।

তবে যদি কল্যাণকামী ও দানশীল ব্যক্তিগণ আল্লাহর নিকট সওয়াবের আশায় পাণ্ডুলিপি সম্পাদনা ও মুদ্রণের খরচ বহনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তবে ছাপানো কিতাবটি প্রকাশের সাথে সাথেই তা সমস্ত মুসলিমদের জন্য ওয়াকফ হিসেবে ইন্টারনেটে উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٤)
فمَن لم يستطعْ شراءَ الكتابِ المطبوعِ فهاهو الكتابُ مُيسرٌ لمن أرادَ مجاناً (1):

* بصيغة ( PDF).

* وصيغة ( WORD).

* وصيغة برنامجِ الشاملة لغرضِ البحثِ الحاسوبيِّ.

* وصور المخطوطات منفردةً، وصورها مع ما يقابلُها مِن التحقيقِ.

وكلُّ هذا مطابقٌ للكتابِ المطبوعِ حرفاً بحرفٍ، ودونَ أن يتضررَ أو يعترضَ أحدٌ مِن أصحابِ الحقوقِ.

ويَبقى الكتابُ المطبوعُ في الأسواقِ ينتظرُ الراغبينَ بدعمِ هذا النشرِ الوَقفيِّ، حيثُ أنَّ مردودَ البيعِ سيُحتفظُ به في دار النشرِ لدعمِ الكتابِ التالي في هذه السلسلةِ، وهكذا كي يتسنَّى إخراجُ العديدِ مِن الكتبِ المُسندةِ بهذه الطريقةِ.

واللهَ نسألُ أن يوفِّقنا لخدمةِ سُنةِ نبيِّه المُصطفى صلى الله عليه وسلم، وأَن يجعلَنا ممن قالَ فيهم:

«نضَّرَ اللهُ امرءاً سمعَ مِنا حديثاً فبلَّغَه كما سمعَه، فرُبَّ مبلَّغٍ أوعى مِن سامعٍ»

--------------------------------------------

(1) على شبكة المعلومات العالمية، ويمكن البحث عنه بالبحث عن جملة:

«سلسلة النشر الوقفي»

عبر محركات البحث المختصة.

وتم إفراد موضوع خاص لهذا الغرض في:

ملتقى أهل الحديث ( www.ahlalhdeeth.com)

(*) للمراسلة: Nabeel_ [email protected]
সুতরাং যে ব্যক্তি মুদ্রিত বইটি ক্রয় করতে সক্ষম নন, তাদের জন্য যারা এটি বিনামূল্যে পেতে চান বইটি সহজলভ্য করা হয়েছে (১):

* পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে।

* ওয়ার্ড (WORD) ফরম্যাটে।

* কম্পিউটারে অনুসন্ধানের উদ্দেশ্যে শামিলা প্রোগ্রাম ফরম্যাটে।

* পাণ্ডুলিপির একক ছবি এবং সেগুলোর বিপরীতে সম্পাদিত পাঠের ছবি।

এই সব কিছুই মুদ্রিত বইয়ের সাথে অক্ষরে অক্ষরে মিলসম্পন্ন, এবং এতে স্বত্বাধিকারীদের কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না বা আপত্তি করবেন না।

তবে বাজারে মুদ্রিত বইটি সেইসব আগ্রহী পাঠকদের অপেক্ষায় থাকবে যারা এই ওয়াকফ প্রকাশনাটিকে সহায়তা করতে চান; কেননা বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রকাশনা সংস্থায় এই সিরিজের পরবর্তী বইটির সহায়তার জন্য সংরক্ষিত থাকবে, যাতে এই পদ্ধতিতে আরও অনেক সনদভিত্তিক (মুসনাদ) গ্রন্থ প্রকাশ করা সম্ভব হয়।

আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের তাঁর মনোনীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাহর খিদমত করার তাওফিক দান করেন এবং আমাদের তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন যাদের সম্পর্কে তিনি বলেছেন:

«আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও উজ্জ্বল রাখুন যে আমাদের থেকে কোনো হাদিস শুনেছে এবং তা হুবহু পৌঁছে দিয়েছে যেভাবে সে শুনেছে। কেননা অনেক সময় যাকে পৌঁছানো হয় সে শ্রবণকারীর চেয়ে অধিক অনুধাবনকারী হয়ে থাকে।»

--------------------------------------------

(১) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (ইন্টারনেটে); এবং এটি নিম্নোক্ত বাক্যটি লিখে অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে:

«সিলসিলাতুন নাশরিল ওয়াকফি» (ওয়াকফ প্রকাশনা সিরিজ)

নির্দিষ্ট সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মাধ্যমে।

এবং এই উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ বিষয় বা থ্রেড এখানে নির্দিষ্ট করা হয়েছে:

মুলতাকা আহলিল হাদিস ( www.ahlalhdeeth.com)

(*) যোগাযোগের জন্য: নাবিল_ [ইমেইল সংরক্ষিত]
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌المقدمة

إنَّ الحمدَ للهِ نحمدُه ونستعينُه ونستغفرُه، ونعوذُ باللهِ مِن شُرورِ أنفسِنا، ومِن سيئاتِ أعمالِنا، مَن يهدِهِ اللهُ فلا مُضلَّ له، ومَن يُضللْ فلا هاديَ له، وأشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ وحدَه لا شريكَ له، وأشهدُ أنَّ محمداً عبدُه ورسولُه.

وبعدُ، فهذا هو المجموعُ السابعُ الذي يُوفقني اللهُ لإخراجِهِ ضمنَ سلسلةِ مجاميعِ الأجزاءِ الحديثيةِ، وهو مجموعٌ فيه ثلاثةُ أَجزاءٍ حديثيةٍ:

* فوائدُ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ: الجزءُ الثَّاني مِنه، ووَرَقتانِ مِن الأولِ.

* فوائدُ الخُلْديِّ: الجزءُ الأولُ والثَّاني.

* فوائدُ مُكْرَمٍ البزَّازِ: الجزءُ الأولُ والثَّاني.

فهي ثلاثةُ أجزاءٍ باعتبارِ مُؤلِّفيها، أمَّا باعتبارِ عددِها فهي خمسةٌ.

وهذِه الأَجزاءُ تَشتركُ في عدةِ أُمورٍ:

* فهي كلُّها (1) بخطِّ عبدِ الغنيِّ المقدسيِّ: الإمامُ العالمُ الحافظُ الصادقُ القدوةُ العابدُ الأثريُّ المتَّبَعُ عالمُ الحفاظُ أبو محمدٍ عبدُ الغنيُّ بنُ عبدِ الواحدِ بنِ عليِّ بنِ سرورٍ المقدسيُّ الجمَّاعيليُّ الصالحيُّ الحنبليُّ، صاحبُ التصانيفِ السائرةِ (2).

--------------------------------------------

(1) فوائد أبي علي الرفاء سنة (569 هـ)، وفوائد الخلدي ومكرم البزاز سنة (566 هـ).

(2) توفي سنة (600 هـ). انظر «سير أعلام النبلاء» (21/ 443).
ভূমিকা

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁর নিকট সাহায্য চাই এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলের মন্দ দিকগুলো থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে পথ দেখান তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।

অতঃপর, এটি হলো সপ্তম সংকলন যা প্রকাশের তাওফিক আল্লাহ আমাকে দান করেছেন হাদীস বিষয়ক সংকলন সিরিজের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে। এটি এমন এক সংকলন যাতে তিনটি হাদীস বিষয়ক অংশ রয়েছে:

* আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়াইদ: এর দ্বিতীয় অংশ এবং প্রথম অংশের দুটি পাতা।

* আল-খুলদির ফাওয়াইদ: প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ।

* মুকরাম আল-বাজ্জারের ফাওয়াইদ: প্রথম ও দ্বিতীয় অংশ।

সুতরাং এটি লেখকদের বিবেচনায় তিনটি অংশ, তবে সংখ্যার বিবেচনায় পাঁচটি।

আর এই অংশগুলো বেশ কিছু বিষয়ে অভিন্ন:

* এই সবগুলোই (১) আব্দুল গনি আল-মাকদিসীর হস্তাক্ষরে লিখিত: তিনি ইমাম, আলেম, হাফেজ, সত্যবাদী, অনুসরণীয় আদর্শ, ইবাদতকারী, আসারি, সুন্নাহর একনিষ্ঠ অনুসারী, হাফেজদের আলেম আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আলী ইবনে সুরুর আল-মাকদিসী আল-জাম্মাইলি আস-সালিহি আল-হাম্বলি, যিনি অনেক প্রসিদ্ধ কিতাবের রচয়িতা (২)।

--------------------------------------------

(১) আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়াইদ ৫৬৯ হিজরি সালের, এবং আল-খুলদি ও মুকরাম আল-বাজ্জারের ফাওয়াইদ ৫৬৬ হিজরি সালের।

(২) তিনি ৬০০ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: «সিয়ারু আলামিন নুবালা» (২১/৪৪৩)।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٦)
ضمنَ مجموعٍ واحدٍ مِن المَجاميعِ العُمريةِ، وهو المجموعُ الخامسُ والأَربعونَ مِن المَجاميعِ العُمريةِ المَحفوظةِ في المكتبةِ الظاهريةِ بدمشقَ.

إلا الجزءَ الأولَ مِن فوائدِ مُكْرَمٍ البزَّازِ، فقَد تأخَّرَ إلى المجموعِ (63)، وهو أيضاً بخطِّ الحافظِ عبدِ الغنيِّ المقدسيِّ.

* ثُم هي كلُّها بسندٍ واحدٍ إلى مُصنِّفيها:

* يَرويها عبدُ الغنيِّ المقدسيُّ عن أبي طاهرٍ السِّلَفيِّ: الإمامُ العلَّامةُ المحدِّثُ الحافظُ المُفتي شيخُ الإسلامِ، أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ الأصبهانيُّ (1).

* عن أبي عليِّ بنِ شاذانَ: الإمامُ الفاضلُ الصدوقُ، مسندُ العراقِ، أبو عليٍّ الحسنُ بنُ أحمدَ بنِ إبراهيمَ بنِ الحسنِ بنِ محمدِ بنِ شاذانَ، البغداديُّ البزَّازُ. له المَشيخةُ الكُبرى والمَشيخةُ الصُّغرى.

قالَ الخطيبُ: كَتبنا عنه، وكانَ صحيحَ السَّماعِ صدوقاً (2).

* عن محمدِ بنِ عبدِ السلامِ بنِ أحمدَ بنِ محمدٍ أبي الفضلِ الشريفِ الأَنصاريِّ، كانَ ثقةً صالحاً مِن بيتِ حديثٍ وخيرٍ (3).

* عن المُصنِّفينَ الثلاثةِ: الرَّفَّاءِ والخُلْديِّ ومُكْرَمٍ البزَّازِ.

ومَنهجي في هذا المجموعِ كسوابقِه مِن حيثُ الاهتمامُ بضبطِ النصِّ، وموافقةِ المطبوعِ للمخطوطِ، وتصحيحِ التحريفاتِ والتصحيفاتِ قدرَ الإمكانِ.

--------------------------------------------

(1) توفي سنة (576 هـ). انظر «سير أعلام النبلاء» (21/ 5).

(2) توفي سنة (425 هـ). انظر «سير أعلام النبلاء» (17/ 415).

(3) توفي سنة (498 هـ). انظر «تاريخ الإسلام» (34/ 286).
দামেস্কের জাহিরিয়া লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত উমরিয়া সংকলনগুলোর মধ্যে এটি একটি একক সংকলনের অন্তর্ভুক্ত, যা উমরিয়া সংকলনসমূহের মধ্যে পঁয়তাল্লিশতম সংকলন।

তবে মুকরাম আল-বাজজারের ‘ফাওয়াইদ’-এর প্রথম খণ্ড ব্যতীত, যা ৬৩ নম্বর সংকলন পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে এবং এটিও হাফেজ আব্দুল গনি আল-মাকদিসির হস্তাক্ষরে লিখিত।

* অতঃপর এই সবগুলোই তাদের রচয়িতাদের পর্যন্ত একটিই সনদে বর্ণিত:

* আব্দুল গনি আল-মাকদিসি এটি বর্ণনা করেছেন আবু তাহের আস-সিলাফি থেকে: তিনি হলেন ইমাম, আল্লামা, মুহাদ্দিস, হাফেজ, মুফতি, শাইখুল ইসলাম আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-আসবাহানি (১)।

* আবু আলী বিন শাযান থেকে: তিনি হলেন ফজিলতপূর্ণ ইমাম, সত্যবাদী, ইরাকের মুসনিদ, আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন শাযান আল-বাগদাদি আল-বাজজার। তাঁর ‘আল-মাশইয়াহাতুল কুবরা’ এবং ‘আল-মাশইয়াহাতুস সুগরা’ নামক গ্রন্থদ্বয় রয়েছে।

আল-খতিব বলেন: আমরা তাঁর থেকে বর্ণনা লিখেছি, তাঁর শ্রবণ বিশুদ্ধ ছিল এবং তিনি সত্যবাদী ছিলেন (২)।

* মুহাম্মদ বিন আব্দুস সালাম বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আবুল ফজল আশ-শরিফ আল-আনসারি থেকে, তিনি নির্ভরযোগ্য ও নেককার ছিলেন এবং একটি হাদিস ও কল্যাণের ধন্য পরিবারভুক্ত ছিলেন (৩)।

* তিন জন গ্রন্থকারের পক্ষ থেকে: আর-রাফ্ফা, আল-খুলদি এবং মুকরাম আল-বাজজার।

এই সংকলনে আমার অনুসৃত পদ্ধতি তার পূর্ববর্তীগুলোর মতোই; যা হলো পাঠ্য বিশুদ্ধকরণের প্রতি গুরুত্বারোপ, পাণ্ডুলিপির সাথে মুদ্রিত কপির সামঞ্জস্য বিধান এবং যথাসম্ভব বিকৃতি ও লিখনশৈলীর ভুলসমূহ সংশোধন করা।

--------------------------------------------

(১) তিনি ৫৭৬ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (২১/৫)।

(২) তিনি ৪২৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’ (১৭/৪১৫)।

(৩) তিনি ৪৯৮ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: ‘তারিখুল ইসলাম’ (৩৪/২৮৬)।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٧)
والاكتفاءُ في التخريجِ بالعزوِ للصحيحينِ أو أحدِهما إِن وجدَ، فإن لم يكنْ فكتبُ الحديثِ المتداولةُ المشهورةُ مُتجنباً الإطالةَ وحشدَ المصادرِ.

واللهَ أسألُ أن يجعلَ هذا العملَ خالصاً لوجهِهِ الكريمِ، وأن يُوفقَني لإخراجِ أعمالٍ أُخرى خدمةً لسنةِ نبيِّه المصطفى صلى الله عليه وسلم، واللهُ وليُّ التوفيقِ.

وكتب

نبيل سعد الدين جرار

آخر ربيع الأول سنة 1430 هـ

الأردن - عمان
হাদীস যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সহীহাইন অথবা এর যেকোনো একটির উদ্ধৃতির ওপরই নির্ভর করা হয়েছে যদি তা সেখানে পাওয়া যায়। আর যদি সেখানে না থাকে, তবে দীর্ঘসূত্রিতা এবং উৎসের বাহুল্য পরিহার করে প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থসমূহের উদ্ধৃতি প্রদান করা হয়েছে।

আমি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজটিকে কেবল তাঁর মহান চেহারার জন্য কবুল করেন এবং তাঁর মনোনীত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহর সেবায় আমাকে আরও কাজ করার তাওফীক দান করেন; আর আল্লাহই তাওফীক দানকারী।

লিখিত ও সংকলিত

নাবীল সাদউদ্দীন জাররার

১৪৩০ হিজরীর রবিউল আউয়াল মাসের শেষাংশ

জর্ডান - আম্মান
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٩)
‌‌فوائد أبي علي الرفاء

حامدِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدٍ الهَرويِّ
আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়াইদ

হামিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হারাওয়ী
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌ترجمةُ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ

الشيخُ الإمامُ، المُحدِّثُ الصادقُ، الواعظُ الكبيرُ، أبو عليٍّ حامدُ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ معاذٍ الهَرويُّ الرَّفَّاءُ.

سمعَ مِن: عثمانَ بنِ سعيدٍ الدارميِّ، والفضلِ بنِ عبدِ اللهِ اليَشكُريِّ، ومحمدِ بنِ المغيرةِ الهمَذانيِّ السُّكريِّ، ومحمدِ بنِ صالحٍ الأشجِّ، وعليِّ بنِ عبدِ العزيزِ البغويِّ، ومحمدِ بنِ يونسَ الكُديميِّ، وإبراهيمَ الحربيِّ، وبشرِ بنِ موسى، ومحمدِ بنِ أيوبَ البجليِّ، وداودَ بنِ الحسينِ البيهقيِّ، وخلقٍ كثيرٍ.

واشتهرَ اسمُه، وانتشَرَ حديثُه، وكانَ ذا معرفةٍ وفهمٍ وسعةِ علمٍ، وغيرُه أَحفظُ مِنه وأَحذقُ بالفنِّ.

وانتَهى إليه علوُّ الإسنادِ بهراةَ.

حدثَ عنه: أبو عبدِ اللهِ الحاكمُ، والقاضي أبو منصورٍ محمدُ بنُ محمدِ الأزديُّ، وأبو الفضلِ محمدُ بنُ أحمدَ الجاروديُّ، ويحيى بنُ عمارٍ الواعظُ، ومحمدُ بنُ عبدِ الرحمنِ الدَّباسُ، وأبو عليِّ بنُ شاذانَ، وأبو عثمانَ سعيدُ بنُ العباسِ القرشيُّ، وآخَرونَ.

انتَخبَ عليه أبو الحسنِ الدَّارقطنيُّ ببغدادَ، ووثَّقَه الخطيبُ وغيرُه.

قالَ الحافظُ أبو بشرٍ الهرويُّ: ثقةٌ صالحٌ.

[وقالَ السمعانيُّ: كانَ ثقةً صدوقاً مُكثراً مِن الحديثِ مَقبولاً].
আবু আলী আর-রাফ্ফা-এর জীবনী

শায়খ, ইমাম, সত্যবাদী হাদিস বিশারদ, বিশিষ্ট ওয়ায়েজ (উপদেশক), আবু আলী হামিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুআয আল-হারাওয়ী আর-রাফ্ফা।

তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন: উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি, আল-ফাদল ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ইয়াশকারী, মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুগীরা আল-হামাযানী আস-সুককারী, মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-আশাজ্জ, আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, মুহাম্মাদ ইবনে ইউনুস আল-কুদীমী, ইব্রাহিম আল-হারবী, বিশর ইবনে মুসা, মুহাম্মাদ ইবনে আইয়ুব আল-বাজালী, দাউদ ইবনে আল-হুসাইন আল-বাইহাকী এবং আরও অনেকের নিকট থেকে।

তাঁর নাম সুপ্রসিদ্ধ হয়েছিল এবং তাঁর বর্ণিত হাদিসসমূহ ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি প্রজ্ঞা, বোধশক্তি এবং ইলমের ব্যাপকতার অধিকারী ছিলেন; যদিও অন্য কেউ কেউ তাঁর চেয়ে অধিক স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন এবং এই শিল্পে (হাদিস বিদ্যায়) অধিকতর পারদর্শী ছিলেন।

হেরাত অঞ্চলে উচ্চতর সনদ (উলুউ আল-ইসনাদ) তাঁর মাধ্যমেই সমাপ্ত হয়েছিল।

তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আল-কাজী আবু মানসুর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আযদী, আবু আল-ফাদল মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-জারুদী, ইয়াহইয়া ইবনে আম্মার আল-ওয়ায়েজ, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আদ-দাব্বাস, আবু আলী ইবনে শাযান, আবু উসমান সাঈদ ইবনে আল-আব্বাস আল-কুরাশী এবং অন্যান্যরা।

বাগদাদে আবু আল-হাসান আদ-দারা কুতনী তাঁর থেকে হাদিস নির্বাচন (ইনতিখাব) করেছিলেন এবং আল-খাতীব ও অন্যান্যরা তাঁকে বিশ্বস্ত (সিকাহ) বলে সাব্যস্ত করেছেন।

হাফেজ আবু বিশর আল-হারাওয়ী বলেছেন: "তিনি বিশ্বস্ত ও নেককার।"

[আস-সামআনী বলেছেন: "তিনি বিশ্বস্ত, অত্যন্ত সত্যবাদী, প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী এবং গ্রহণযোগ্য ছিলেন।"]
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١٢)
قلتُ: تُوفيَ بهراةَ في شهرِ رمضانَ سنةَ ستٍّ وخمسينَ وثلاثِمئةٍ.

وأظنُّه ماتَ عن نيفٍ وتسعينَ سنةً (1).

--------------------------------------------

(1) «سير أعلام النبلاء» (16/ 16). وانظر:

«تاريخ بغداد» (8/ 172). و «الأنساب» للسمعاني (3/ 78)، و «المنتظم» لابن الجوزي (14/ 184). و «شذرات الذهب» لابن العماد الحنبلي (4/ 293).
আমি বলছি: তিনি তিনশ ছাপ্পান্ন হিজরি সনের রমজান মাসে হেরাতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং আমার ধারণা তিনি নব্বইয়ের কিছু বেশি বছর বয়সে মারা গেছেন (১)।

--------------------------------------------

(১) «সিয়ারু আলামিন নুবালা» (১৬/ ১৬)। এবং দেখুন:

«তারিখে বাগদাদ» (৮/ ১৭২), আস-সামআনি রচিত «আল-আনসাব» (৩/ ৭৮), ইবনুল জাওজি রচিত «আল-মুনতাজাম» (১৪/ ১৮৪) এবং ইবনুল ইমাদ আল-হাম্বলি রচিত «শাযারাতুজ যাহাব» (৪/ ২৯৩)।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌فوائدُ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ

يبدأُ المجموعُ الخامسُ والأربعونَ مِن المَجاميعِ العُمريةِ بفوائدِ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ.

بالورقةِ الأخيرةِ مِن الأولِ مِن الجزءِ الأولِ، تليهِ الورقةُ الأُولى مِن الثاني مِن الجزءِ الأولِ مِن فوائدِ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ (1).

وفي الورقةِ الخامسةِ يبدأُ الجزءُ الأولُ مِن الثاني مِن الفوائدِ.

ويبدأُ الثاني مِن الثاني بالورقةِ [23].

وتَنتهي فوائدُ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ بالورقةِ [30] مِن هذا المجموعِ، لتبدأَ بعدَه فوائدُ الخُلْديِّ.

فحاصلُ ما في هذا المجموعِ مِن فوائدِ أبي عليٍّ الرَّفَّاءِ هو الجزءُ الثاني بتمامِه (2). ووَرقتانِ مِن الجزءِ الأولِ: ورقةٌ مِن آخرِ الأولِ مِن الأولِ، وورقةٌ مِن أولِ الثاني مِن الأولِ (3).

--------------------------------------------

(1) وقد رقمت هذه الأحاديث بترقيم (أبجد هوز)، وتبدأ الأرقام بالجزء الثاني.

(2) وهذا الجزء ذكره الحافظ في «المجمع المؤسس» (2/ 159)، و «المعجم المفهرس» (1091)، وهو يرويه من طريق السلفي بإسناد النسخة المعتمدة في التحقيق.

(3) وجاء في أول ورقة من المجموع:

(بخط ابن الحصري على نسخته بالجزء الأول جميعه وهو في جزء واحد بخطه، جملة ما في هذا الجزء من الحديث خمسمئة وأربعون حديثاً)

قلت: وابن الحصري هذا لعله أبو الفتوح نصر بن محمد المترجم في «السير» (22/ 163).
আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ

উমরিয়া সংকলনসমূহের পঁয়তাল্লিশতম সংকলনটি আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ (উপকারিতাসমূহ) দ্বারা শুরু হয়েছে।

আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ-এর প্রথম খণ্ডের প্রথম ভাগের শেষ পৃষ্ঠা দ্বারা এটি শুরু হয়েছে, যার পরেই রয়েছে প্রথম খণ্ডের দ্বিতীয় ভাগের প্রথম পৃষ্ঠা (১)।

এবং পঞ্চম পৃষ্ঠায় ফাওয়ায়েদ-এর দ্বিতীয় খণ্ডের প্রথম ভাগ শুরু হয়েছে।

এবং দ্বিতীয় খণ্ডের দ্বিতীয় ভাগ [২৩] নম্বর পৃষ্ঠায় শুরু হয়েছে।

এবং এই সংকলনের [৩০] নম্বর পৃষ্ঠায় আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ শেষ হয়েছে, যার পর আল-খুলদির ফাওয়ায়েদ শুরু হয়েছে।

সুতরাং এই সংকলনে আবু আলী আর-রাফফার ফাওয়ায়েদ থেকে যা বিদ্যমান তা হলো পূর্ণাঙ্গ দ্বিতীয় খণ্ড (২)। এবং প্রথম খণ্ডের দুটি পৃষ্ঠা: প্রথম খণ্ডের প্রথম ভাগের শেষ থেকে একটি পৃষ্ঠা, এবং প্রথম খণ্ডের দ্বিতীয় ভাগের শুরু থেকে একটি পৃষ্ঠা (৩)।

--------------------------------------------

(১) আর এই হাদিসগুলো (আবজাদ হাওয়াজ) পদ্ধতিতে নম্বর দেওয়া হয়েছে, এবং নম্বরসমূহ দ্বিতীয় খণ্ড থেকে শুরু হয়েছে।

(২) আর এই খণ্ডটির কথা হাফেজ (ইবনে হাজার) ‘আল-মাজমাউল মুআসসিস’ (২/ ১৫৯) এবং ‘আল-মুজামুল মুফাহরাস’ (১০৯১) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিনি এটি আস-সালাফির সূত্রে তাহকিকের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য পাণ্ডুলিপির সনদসহ বর্ণনা করেছেন।

(৩) এবং সংকলনটির প্রথম পৃষ্ঠায় এসেছে:

(ইবনুল হুসরির হস্তাক্ষরে তার পাণ্ডুলিপিতে সম্পূর্ণ প্রথম খণ্ড সম্পর্কে, যা তার নিজের হাতে লেখা একটি খণ্ডে রয়েছে: এই খণ্ডে মোট হাদিসের সংখ্যা হলো পাঁচশত চল্লিশটি হাদিস)

আমি বলছি: এই ইবনুল হুসরি সম্ভবত আবুল ফুতুহ নাসর বিন মুহাম্মদ, যার জীবনী ‘আস-সিয়ার’ (২২/ ১৬৩) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١٥)
(أ) حدثنا محمدُ بنُ صالحٍ: حدثنا عبدُ الصمدِ بنُ حسانَ: حدثنا خارجةُ بنُ مصعبٍ، عن أبانَ، عن سعيدِ بنِ جُبيرٍ، عن مسروقِ بنِ الأجدعِ قالَ:

دَخلتُ على عائشةَ رضي الله عنها فقالتْ: مَرحباً بأبي عائشةَ، كيفَ أنتَ، كيفَ الناسُ؟ قالَ: قلتُ: صالِحونَ، قالتْ: ما فعلَ يزيدُ بنُ قيسٍ الأَرحبيُّ لعنَه اللهُ؟ قلتُ: ماتَ، قالتْ: أَستَغفرُ اللهَ، قلتُ: يا أمَّ المؤمنينَ، بما استَحللتِ لعنتَه وبما استَغفرتِ مِن لعنِه؟ قالتْ: إنَّه كانَ سَفيراً بيني وبينَ عليِّ بنِ أبي طالبٍ، وإنَّه كذبَ عَليَّ، وقالَ عَليَّ ما لم أقُلْ، فبذلكَ استَحللتُ لعنَه،

وأمَّا استِغفاري مِن لعنِه، فإنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ يَنهى عن لعنِ الميتِ (1).

(ب) حدثنا محمدُ بنُ صالحٍ: حدثنا عبدُ الصمدِ: حدثنا خارجةُ، عن

--------------------------------------------

(1) خارجة بن مصعب متروك.

وأخرجه الخطيب في «الأسماء المبهمة في الأنباءالمحكمة» (ص 338)، والدارقطي في الأفراد (كما في أطرافه - 6321) من طريق مجاعة بن الزبير - وفيه كلام - عن أبان بن أبي عياش، عن سليمان بن قيس العامري - وعند الدارقطني: سليم بن قيس الأشعري -، عن مسروق به.

وأبان متروك.

وأخرجه الخرائطي في «مساوئ الأخلاق» (94) من طريق مسروق بنحوه.

وأخرجه ابن حبان (3021) من طريق مجاهد،

والطبراني في «مسند الشاميين» (1576) من طريق عبد الله بن أبي قيس،

كلاهما عن عائشة بنحوه.

وعند البخاري (1393) (6516) من طريق مجاهد عنها النهي عن سب الأموات.
(ক) আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সালেহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুস সামাদ ইবনে হাসান বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট খারিযা ইবনে মুসআব বর্ণনা করেছেন, আবান থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি মাসরুক ইবনে আল-আজদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন: আবু আয়েশাকে মারহাবা, আপনি কেমন আছেন এবং মানুষজন কেমন আছে? তিনি (মাসরুক) বললেন: আমি বললাম: তারা ভালো আছে। তিনি (আয়েশা) বললেন: ইয়াজিদ ইবনে কাইস আল-আরহাবি কী করেছে, আল্লাহ তাকে লানত করুন? আমি বললাম: সে মারা গিয়েছে। তিনি বললেন: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি বললাম: হে উম্মুল মুমিনীন, কিসের ভিত্তিতে আপনি তাকে লানত করা বৈধ মনে করেছিলেন এবং কিসের কারণে আপনি তার ওপর লানত করা থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন? তিনি বললেন: সে আমার এবং আলী ইবনে আবি তালিবের মধ্যে দূত ছিল। সে আমার নামে মিথ্যা বলেছে এবং আমি যা বলিনি তা আমার নামে বলেছে, সেই কারণে আমি তাকে লানত করা বৈধ মনে করেছিলাম।

আর তার ওপর লানত করা থেকে আমার ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণ হলো, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত ব্যক্তিকে লানত করতে নিষেধ করতেন (১)।

(খ) আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সালেহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুস সামাদ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট খারিযা বর্ণনা করেছেন... থেকে।

--------------------------------------------

(১) খারিযা ইবনে মুসআব মাতরুক (পরিত্যক্ত)।

এবং আল-খাতিব 'আল-আসমাউল মুবহামা ফিল আনবাউল মুহকামা' (পৃ. ৩৩৮) গ্রন্থে এবং আদ-দারা কুতনি 'আল-আফরাদ' গ্রন্থে (তার আতরাফে যেমনটি আছে - ৬৩২১) মুজাআ ইবনে যুবায়ের-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন—এবং তার ব্যাপারে আপত্তি আছে—আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে কাইস আল-আমেরি থেকে—আদ-দারা কুতনির কাছে: সুলাইম ইবনে কাইস আল-আশআরি—তিনি মাসরুক থেকে এই সূত্রে।

এবং আবান মাতরুক (পরিত্যক্ত)।

এবং আল-খারাইতি 'মাসাউল আখলাক' (৯৪) গ্রন্থে মাসরুকের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে হিব্বান (৩০২১) মুজাহিদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন,

এবং তাবারানি 'মুসনাদুশ শামিয়্যিন' (১৫৭৬) গ্রন্থে আবদুল্লাহ ইবনে আবি কাইসের সূত্রে,

উভয়েই আয়েশা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

এবং বুখারিতে (১৩৯৩) (৬৫১৬) মুজাহিদের সূত্রে তার (আয়েশা) থেকে মৃতদের গালি দিতে নিষেধ করার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١٦)
أيوبَ، عن سعيدِ بنِ جُبيرٍ قالَ: ما حُدِّثتُ بحديثٍ عن رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إلا وجدتُّ مِصداقَهُ في كتابِ اللهِ، حتى حدَّثَ أنَّه بلَغَه،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قالَ: «ما مِن أحدٍ مِن هذه الأُمةِ لا يَهوديٌّ ولا نَصرانيٌّ يَسمعُ بي ثم لم يؤمنْ بما أُرسلتُ به إلا أُدخِلَ النارَ».

فقلتُ: أينَ تَصديقُها مِن كتابِ اللهِ؟ حتى أَتيتُ على هذه الآيةِ: {أَفَمَنْ كَانَ عَلَى بَيِّنَةٍ مِنْ رَبِّهِ وَيَتْلُوهُ شَاهِدٌ مِنْهُ وَمِنْ قَبْلِهِ كِتَابُ مُوسَى إِمَامًا وَرَحْمَةً أُولَئِكَ يُؤْمِنُونَ بِهِ وَمَنْ يَكْفُرْ بِهِ مِنَ الْأَحْزَابِ فَالنَّارُ مَوْعِدُهُ} يقولُ: مِن جميعِ المِللِ (1).

(ج) أخبرنا عليُّ بنُ عبدُ العزيزِ: حدثنا مسلمُ بنُ إبراهيمَ: حدثنا أبو الخطابِ العَتكيُّ: حدثنا ثابتٌ البُنانيُّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لا تَزالُ أُمتي على الفِطرةِ ما صَلُّوا المغربَ ما لم تَبدو النجومُ» (2).

آخِرُه

--------------------------------------------

(1) أخرجه عبد الرزاق (2/ 303)، والطبري (12/ 25، 26)، وابن أبي حاتم (10769) في «تفاسيرهم» من طريق أيوب السختياني بنحوه.

والمرفوع وصله أبو بشر جعفر بن أبي وحشية، عن سعيد بن جبير، عن أبي موسى الأشعري.

أخرجه النسائي في «الكبرى» (11177)، وأحمد (4/ 396، 398) وانظر تمام تخريجه فيه.

(2) أبو الخطاب العتكي ذكره البخاري في «الكنى» (ص 27)، وسماه ابن أبي حاتم (3/ 471): الربيع، ولم يذكرا فيه جرحاً أو تعديلاً.

والحديث لم أهتد إليه.
আইয়ুব, সাঈদ বিন জুবাইর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এমন কোনো হাদীস আমার কাছে বর্ণিত হয়নি যার সত্যতা আমি আল্লাহর কিতাবে খুঁজে পাইনি, এমনকি তাঁর কাছে এই সংবাদটি পৌঁছানো পর্যন্ত,

যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এই উম্মতের এমন কেউ নেই—চাই সে ইহুদি হোক বা খ্রিস্টান—যে আমার কথা শুনেছে, অতঃপর আমি যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছি তার ওপর ঈমান আনেনি, তাকে অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে।»

অতঃপর আমি বললাম: আল্লাহর কিতাবে এর সত্যতা কোথায়? শেষ পর্যন্ত আমি এই আয়াতে উপনীত হলাম: {তবে কি সে ব্যক্তি যে তার রবের পক্ষ থেকে আসা সুস্পষ্ট প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং তার সাথে তার রবের পক্ষ থেকে এক সাক্ষী বিদ্যমান, আর এর আগে ছিল মুসার কিতাব পথনির্দেশক ও রহমতস্বরূপ (সে কি অন্যদের মত)? তারাই এতে ঈমান আনে। আর বিভিন্ন দলের যারা একে অস্বীকার করবে, জাহান্নামই তাদের প্রতিশ্রুত স্থান।} তিনি বলেন: (বিভিন্ন দল বলতে) সকল ধর্মাদর্শের লোক। (১)।

(জ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসলিম বিন ইবরাহিম: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-খাত্তাব আল-আতাকি: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাবিত আল-বুনানি, আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মত ততক্ষণ ফিতরাতের (স্বভাবজাত দ্বীনের) ওপর থাকবে যতক্ষণ তারা মাগরিবের সালাত আদায় করবে যতক্ষণ না নক্ষত্ররাজি প্রকাশ পায়» (২)।

সমাপ্ত

--------------------------------------------

(১) এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক (২/ ৩০৩), তাবারী (১২/ ২৫, ২৬), এবং ইবনে আবি হাতিম (১০৭৬৯) তাঁদের «তাফসীর» গ্রন্থে আইয়ুব আস-সাখতিয়ানি-এর সূত্রে অনুরূপভাবে।

আর মারফু বর্ণনাটি আবু বিশর জাফর বিন আবি ওয়াহশিয়া মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন জুবাইর থেকে, তিনি আবু মুসা আল-াশআরী থেকে।

এটি বর্ণনা করেছেন নাসায়ি «আল-কুবরা» গ্রন্থে (১১১৭৭), এবং আহমদ (৪/ ৩৯৬, ৩৯৮); এর পূর্ণাঙ্গ সূত্র সেখানে দেখুন।

(২) আবু আল-খাত্তাব আল-আতাকি-এর কথা বুখারী «আল-কুনা» গ্রন্থে (পৃ. ২৭) উল্লেখ করেছেন, এবং ইবনে আবি হাতিম (৩/ ৪৭১) তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন: আর-রাবি; তবে তাঁরা তাঁর ব্যাপারে কোনো সমালোচনা (জারহ) বা প্রশংসা (তাদীল) উল্লেখ করেননি।

আর এই হাদীসটির হদিস আমি পাইনি।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١٧)
والحمدُ للهِ ربِّ العالَمينَ

وصلَّى اللهُ على محمدٍ وآلِهِ أَجمعينَ

وحَسبُنا اللهُ ونِعمَ الوَكيلُ

يَتلوهُ إنْ شاءَ اللهُ: أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ
এবং সকল প্রশংসা সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহর জন্য।

এবং আল্লাহ মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবারবর্গের সকলের উপর রহমত বর্ষণ করুন।

এবং আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।

এর পরবর্তী অংশ ইনশাআল্লাহ: আলী বিন আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ١٩)
الجزءُ الثاني مِن الجزءِ الأولِ

مِن فوائدِ أبي عليٍّ حامدِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ معاذٍ الهرويِّ الرَّفَّاءِ

انتخابُ الدَّارقُطنيِّ الحافظِ

روايةُ الشريفِ أبي الفضلِ محمدِ بنِ عبدِ السلامِ بنِ أحمدَ الأنصاريِّ

عن أبي عليٍّ الحسنِ بنِ أحمدَ بنِ إبراهيمَ بنِ شاذانَ البزازِ عن الرَّفَّاءِ

وعنه الشيخُ الإمامُ الحافظُ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ السِّلَفيُّ الأَصبهانيُّ

سماعٌ لعبدِ الغني بنِ عبدِ الواحدِ بنِ عليِّ بنِ سرورٍ المقدسيِّ

نفَعَه اللهُ بالعلمِ
প্রথম খণ্ডের দ্বিতীয় অংশ

আবু আলী হামিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুয়ায আল-হারাউয়ী আর-রাফ্ফা-এর ফাওয়াইদ (উপকারিতা) হতে সংগৃহীত

হাফেজ আদ-দারাকুতনীর নির্বাচন

শরীফ আবুল ফজল মুহাম্মাদ বিন আব্দুস সালাম বিন আহমাদ আল-আনসারীর বর্ণনা

আবু আলী হাসান বিন আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন শাযান আল-বায্যায থেকে, তিনি আর-রাফ্ফা থেকে

এবং তার থেকে শাইখ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহের আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আস-সিলাফী আল-আসবাহানী বর্ণনা করেছেন

আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন সুরুর আল-মাকদিসীর শ্রবণকৃত

আল্লাহ তাকে ইলমের মাধ্যমে উপকৃত করুন
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢١)
بسم الله الرحمن الرحيم

ولا حولَ ولا قوةَ إلا باللهِ العليِّ العظيمِ

أخبرنا الشيخُ الإمامُ الحافظُ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ السِّلَفيُّ بقراءَتي عليه بالإسكندريةِ: أخبرنا الشريفُ أبو الفضلِ محمدُ بنُ عبدِ السلامِ بنِ أحمدَ الأنصاريُّ: أخبرنا أبو عليٍّ الحسنُ بنُ أحمدَ بنِ إبراهيمَ بنِ شاذانَ البزازُ: أخبرنا أبو عليٍّ حامدُ بنُ عبدِ اللهِ الهرويُّ:

(د) أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثنا مسلمُ بنُ إبراهيمَ: حدثنا عُمارةُ بنُ زاذانَ: أخبرنا ثابتٌ البُنانيُّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كانَ يُوترُ بتسعِ ركعاتٍ وهو قائمٌ، فلمَّا أنْ بدُنَ (1) وكثُرَ لحمُه أوتَرَ بسبعٍ وهو جالسٌ، يقرأُ فيها بالواقعةِ والرحمنِ.

قالَ ثابتٌ: ولم يكنْ يقرأُ السورَ القِصارَ (2).

(هـ) أخبرنا عليٌّ: حدثنا مسلمُ بنُ إبراهيمَ: حدثنا الحسنُ بنُ أبي جعفرٍ: حدثنا ثابتٌ البُنانيُّ، عن أنسِ بنِ مالكٍ قالَ:

--------------------------------------------

(1) هكذا ضبطت في الأصل، وانظر الكلام على ظبط هذه اللفظة بين «بدُن» وَ «بدَّن» في «شرح صحيح مسلم» للنووي (6/ 13).

(2) أخرجه ابن خزيمة (1079) (1105)، والبيهقي (3/ 33) من طريق عمارة بن زاذان به.

وقال الألباني: إسناده ضعيف .. وقد صح الحديث عن عائشة دون ذكر السورتين.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

মহান ও শ্রেষ্ঠ আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা ক্ষমতা নেই।

শাইখ, ইমাম, হাফিজ আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আস-সিলাফী ইস্কান্দারিয়ায় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আশ-শরীফ আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ বিন আব্দুস সালাম বিন আহমদ আল-আনসারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন ইবরাহীম বিন শাযান আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আলী হামিদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হারাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন:

(দাল) আলী বিন আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুসলিম বিন ইবরাহীম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: উমারাহ বিন জাযান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: সাবিত আল-বুনানী আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন,

নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় নয় রাকাত বিতর সালাত আদায় করতেন। অতঃপর যখন তিনি বয়োবৃদ্ধ (১) ও স্থূলকায় হলেন তখন বসে সাত রাকাত বিতর আদায় করতেন, যাতে তিনি সূরা আল-ওয়াকিআহ এবং সূরা আর-রাহমান তিলাওয়াত করতেন।

সাবিত বলেন: তিনি ছোট ছোট সূরাগুলো পাঠ করতেন না (২)।

(হা) আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: মুসলিম বিন ইবরাহীম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: আল-হাসান বিন আবি জাফর আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: সাবিত আল-বুনানী আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই হরকত প্রদান করা হয়েছে। ‘বাদুনা’ এবং ‘বাদ্দানা’ শব্দটির উচ্চারণের পার্থক্যের আলোচনার জন্য ইমাম নববীর ‘শরহ সহীহ মুসলিম’ (৬/১৩) দেখুন।

(২) ইবন খুযাইমাহ (১০৭৯, ১১০৫) এবং বায়হাকী (৩/৩৩) উমারাহ বিন জাযানের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আলবানী বলেছেন: এর সনদ দুর্বল... তবে আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত সহীহ হাদিসে এই দুটি সূরার নাম উল্লেখ ছাড়াই মূল বিষয়টি সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢٢)
قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «خيرُ شَبابِكم مَن تَشبَّهَ بكُهولِكم، وشرُّ كُهولِكم مَن تَشبَّهَ بشَبابِكم، ولو يَعلمُ المُتخلِّفونَ عن هاتينِ الصَّلاتينِ لأَتوهُما ولو حَبواً: صلاةُ الصبحِ والعشاءِ، ولا يَقبلُ اللهُ صلاةً بغيرِ طُهورٍ، ولا صدقةً مِن غُلولٍ» (1).

(و) أخبرنا عليٌّ: حدثنا أبو غسانَ: حدثنا عُمارةُ بنُ زاذانَ، عن ثابتٍ، عن أنسٍ،

أنَّ مَلِكَ ذي يَزَنٍ أَهدى لرسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم حُلَّةً قد أُخذتْ بثلاثةٍ وثلاثينَ بعيراً، أو ثلاثةٍ وثلاثينَ حَمَلاً (2).

(ز) أخبرنا عليٌّ: حدثنا أبو غسانَ: حدثنا عُمارةُ بنُ زاذانَ، عن ثابتٍ البُنانيِّ، عن أنسٍ قالَ:

بلالٌ أولُ مُؤذنٍ يُقيمُ حتى يَدخلَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم (3) فيَستقبلُه الرجلُ، فيَقومُ مَعه في الحديثِ حتى يَخفقَ عامَّتُهم برُؤوسِهم (4).

--------------------------------------------

(1) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (5904)،والبزار (6944) (6945)، وابن عدي في «الكامل» (2/ 307)، وأبو نعيم في «تاريخ أصبهان» (2/ 37)، والقضاعي في «مسند الشهاب» (1255) من طريق الحسن بن أبي جعفر مطولاً ومختصراً.

والحسن بن أبي جعفر ضعيف.

والفقرة الثانية عند أحمد (3/ 151)، والثالثة عند ابن ماجه (273) من وجه آخر عن أنس.

(2) عمارة بن زاذان ضعيف.

ومن طريقه أخرجه أبو داود (4034)، وأحمد (3/ 221)، والحاكم (4/ 187).

(3) هكذا وقع المتن في الأصل، وفي مصادر التخريج: إن المؤذن أو بلال كان يقيم فيدخل النبي صلى الله عليه وسلم فيستقبله الرجل .. .

(4) أخرجه أحمد (3/ 238)، وأبو يعلى (3401)، وابن عدي في «الكامل» (5/ 80) من طريق عمارة بن زاذان به. وعمارة ضعيف.

وانظر رواية حماد بن سلمة ومعمر عن ثابت عند مسلم (376)، وأحمد (3/ 160، 161).
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের যুবকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তারা যারা তোমাদের বৃদ্ধদের সদৃশ হয় (গাম্ভীর্যে), আর তোমাদের বৃদ্ধদের মধ্যে নিকৃষ্ট তারা যারা তোমাদের যুবকদের সদৃশ হয় (চপলতায়)। আর যদি এই দুই সালাত থেকে পিছিয়ে থাকা ব্যক্তিরা এর গুরুত্ব জানত, তবে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতে উপস্থিত হতো: তা হলো ফজরের সালাত এবং ইশার সালাত। আর আল্লাহ পবিত্রতা ছাড়া কোনো সালাত কবুল করেন না এবং আত্মসাৎকৃত মাল থেকে কোনো সদকা গ্রহণ করেন না» (১)।

(ওয়াও) আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু গাসসান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: উমারা ইবনে জাযান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন যে,

যী-ইয়াযানের বাদশাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটি পোশাক উপহার দিয়েছিলেন যা তেত্রিশটি উট বা তেত্রিশটি মেষের বিনিময়ে ক্রয় করা হয়েছিল (২)।

(যা) আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু গাসসান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন: উমারা ইবনে জাযান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

বিলাল ছিলেন প্রথম মুয়াজ্জিন যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করা পর্যন্ত ইকামাত দিতেন (৩); অতঃপর কোনো লোক তাঁর (নবীর) মুখোমুখি হতো এবং তাঁর সাথে কথা বলতে দাঁড়িয়ে থাকত, এমনকি (অপেক্ষারত) তাদের অধিকাংশের মাথা (তন্দ্রায়) নুয়ে পড়ত (৪)।

--------------------------------------------

(১) আত-তাবারানি ‘আল-আওসাত’ (৫৯০৪), আল-বাযযার (৬৯৪৪) (৬৯৪৫), ইবনে আদি ‘আল-কামিল’ (২/ ৩০৭), আবু নুআইম ‘তারিখ আসবাহান’ (২/ ৩৭), এবং আল-কুদাঈ ‘মুসনাদ আশ-শিহাব’ (১২৫৫)-এ আল-হাসান ইবনে আবি জাফর থেকে দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্তভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

আল-হাসান ইবনে আবি জাফর দুর্বল।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদটি আহমাদ (৩/ ১৫১)-এ এবং তৃতীয়টি ইবনে মাজাহ (২৭৩)-এ আনাস থেকে ভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

(২) উমারা ইবনে জাযান দুর্বল।

তাঁর সূত্র থেকে আবু দাউদ (৪০৩৪), আহমাদ (৩/ ২২১), এবং আল-হাকিম (৪/ ১৮৭) এটি বর্ণনা করেছেন।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে পাঠ্যটি এভাবেই এসেছে, তবে সূত্রের উৎসগুলোতে রয়েছে: নিশ্চয়ই মুয়াজ্জিন বা বিলাল ইকামাত দিতেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করতেন, তখন কোনো ব্যক্তি তাঁর মুখোমুখি হতো...।

(৪) আহমাদ (৩/ ২৩৮), আবু ইয়ালা (৩৪০১), এবং ইবনে আদি ‘আল-কামিল’ (৫/ ৮০)-এ উমারা ইবনে জাযান থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। উমারা দুর্বল।

মুসলিম (৩৭৬) ও আহমাদ (৩/ ১৬০, ১৬১)-এ সাবিত থেকে হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এবং মা'মারের বর্ণনাটি দেখুন।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢٣)
(ح) حدثنا محمدُ بنُ عبدِ اللهِ بنِ سليمانَ: حدثنا إسماعيلُ بنُ بَهْرامَ: حدثنا الأَشجعيُّ: حدثنا مسعرُ بنُ كدامٍ، عن خَشرمٍ، عن عامرِ بنِ مالكٍ قالَ:

بَعثتُ إلى النبيِّ صلى الله عليه وسلم مِن / (1) [وَعَكٍ كانَ بي أَلتمسُ مِنه دواءً أو شِفاءً، فبَعثَ إليَّ بعُكةٍ مِن عسلٍ] (2).

--------------------------------------------

(1) إلى هنا انتهى ما في المخطوطة من الثاني من الأول من فوائد أبي علي الرفاء، وتمام الحديث من مصادر التخريج.

(2) أخرجه ابن قانع في «معجمه» (1306)، وأبو نعيم في «المعرفة» (5184)، وابن الأعرابي في «معجمه» (1029)، وابن عساكر (26/ 97، 98) من طريق إسماعيل بن بهرام به.

ثم أخرجه ابن عساكر، وابن قانع (1305) من طريقين عن مسعر، عن خشرم مرسلاً.

وخشرم هو ابن حسان لم يوثقه غير ابن حبان، ولم يذكروا راوياً عنه غير مسعر.
(হ) মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইসমাঈল ইবনে বাহরাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আল-আশজায়ি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: মিসআর ইবনে কিদাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন খাশরাম থেকে, তিনি আমের ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সংবাদ পাঠালাম / (১) [আমার শরীরে হওয়া এক জ্বরের কারণে, আমি তাঁর নিকট ঔষধ বা আরোগ্য অনুসন্ধান করছিলাম। অতঃপর তিনি আমার নিকট একটি মধুর পাত্র পাঠালেন] (২)।

--------------------------------------------

(১) আবু আলী আর-রাফ্ফা-এর ‘ফাওয়াইদ’-এর প্রথম অংশের দ্বিতীয় ভাগের পাণ্ডুলিপিতে যা ছিল তা এখানেই শেষ হয়েছে, এবং হাদীসটির বাকি অংশ তাখরীজের উৎসসমূহ হতে পূর্ণ করা হয়েছে।

(২) এটি ইবনে কানি' তাঁর ‘মুজাম’ (১৩০৬) গ্রন্থে, আবু নুয়াইম ‘আল-মারিফাহ’ (৫১৮৪) গ্রন্থে, ইবনে আল-আরাবি তাঁর ‘মুজাম’ (১০২৯) গ্রন্থে এবং ইবনে আসাকির (২৬/ ৯৭, ৯৮) ইসমাঈল ইবনে বাহরামের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এরপর ইবনে আসাকির এবং ইবনে কানি' (১৩০৫) মিসআরের সূত্রে খাশরাম থেকে মুরসাল হিসেবে দুটি পথে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর খাশরাম হলেন ইবনে হাসসান, ইবনে হিব্বান ছাড়া আর কেউ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেননি, এবং তারা মিসআর ছাড়া তাঁর থেকে অন্য কোনো বর্ণনাকারীর উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢٥)
الجزءُ فيه الأولُ مِن الثاني

مِن فوائدِ أبي عليٍّ حامدِ بنِ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ معاذٍ الهرويِّ

انتخابُ الدَّارَقَطنيِّ الحافظِ رحمه الله

روايةُ أبي عليٍّ الحسنِ بنِ أحمدَ بنِ إبراهيمَ بنِ شاذانَ البزازِ عنه

وعنه الشريفُ أبو الفضلِ محمدُ بنُ عبدِ السلامِ بنِ أحمدَ الأَنصاريُّ

أخبرنا به عنه الشيخُ الإمامُ الحافظُ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ السِّلَفيُّ الأَصبهانيُّ

سماعُ عبدِ الغني بنِ عبدِ الواحدِ بنِ عليِّ بنِ سرورٍ المَقدسيِّ

نفَعَه اللهُ بالعلمِ وعَفا عنه
দ্বিতীয় খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত প্রথম অংশ

আবু আলী হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুয়ায আল-হারাভীর সংকলিত উপকারী বিষয়াবলী থেকে

হাফেজ আদ-দারা কুতনী (রহিমাহুল্লাহ)-এর সংকলিত নির্বাচন

তাঁর সূত্রে আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাযান আল-বায্যাযের বর্ণনা

এবং তাঁর সূত্রে আশ-শরীফ আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম ইবনে আহমদ আল-আনসারী

তাঁর সূত্রে শায়খ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সিলাফী আল-আসফাহানী আমাদের এটি সংবাদ দিয়েছেন

আব্দুল গনী ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আলী ইবনে সুরূর আল-মাকদিসীর শ্রবণকৃত

আল্লাহ তাঁকে ইলমের মাধ্যমে উপকৃত করুন এবং তাঁকে ক্ষমা করুন
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢٧)
بسم الله الرحمن الرحيم

ولا حولَ ولا قوةَ إلا باللهِ العليِّ العظيمِ

ربِّ يسِّرْ

أخبرنا الشيخُ الإمامُ الحافظُ أبو طاهرٍ أحمدُ بنُ محمدِ بنِ أحمدَ بنِ محمدِ بنِ إبراهيمَ السِّلَفيُّ الأَصبهانيُّ: أخبرنا الشريفُ أبو الفضلِ محمدُ بنُ عبدِ السلامِ بنِ أحمدَ الأَنصاريُّ ببغدادَ في شوالٍ مِن سنةِ سبعٍ وتِسعينَ وأربعِمئةٍ: أخبرنا أبو عليٍّ الحسنُ بنُ أحمدَ بنِ إبراهيمَ بنِ شاذانَ البزازُ: أخبرنا أبو عليٍّ حامدُ بنُ محمدِ بنِ عبدِ اللهِ بنِ محمدِ بنِ معاذٍ الهرويُّ بانتخابِ الدَّارَقَطنيِّ الحافظِ:

1 - حدثنا أبو جعفرٍ محمدُ بنُ صالحٍ الأشجُّ: حدثنا يحيى بنُ نصرٍ: حدثنا المغيرةُ السرَّاجُ، عن أبانَ، عن عاصمٍ، عن زرِّ بنِ حُبيشٍ قالَ: كنتُ بمِنى فقيلَ لي: هذا صفوانُ بنُ عَسالٍ المُراديُّ صاحبُ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فسلمتُ عليه فرحَّبَ وقالَ: ما جاءَ بكَ؟ قالَ: قلتُ: جئتُ ابتغاءَ العلمِ، قالَ:

أمَا إنِّي سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «مَن خرجَ مِن بيتِهِ يَبتَغي علماً وَضعَت الملائكةُ أَجنحتَها رِضاً لِما يَصنعُ».

قلتُ: يا صفوانُ، إنِّي رجلٌ آسفٌ في المسحِ على الخُفينِ. وقصَّ الحديثَ بطولِهِ. كَذا عندَه (1).

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن ماجه (226)، وأحمد (4/ 239، 240، 241)، وابن خزيمة (193)، وابن حبان (85) (1319) (1325) من طريق عاصم به مطولاً ومختصراً.

وانظر بقية طرقه وألفاظه في «المسند الجامع» (5392).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ছাড়া কোনো ক্ষমতা ও শক্তি নেই।

হে আমার প্রতিপালক, সহজ করে দিন।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শরিফ আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে আবদুস সালাম ইবনে আহমদ আল-আনসারি বাগদাদে, ৪৯৭ হিজরি সালের শাওয়াল মাসে: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শাযান আল-বায্যায: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হামিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুয়াজ আল-হারাবি, হাফেজ আদ-দারা কুতনির নির্বাচনের ভিত্তিতে:

১ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল-আশাজ্জ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে নাসর: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুগিরা আস-সাররাজ, আবান থেকে, তিনি আসেম থেকে, তিনি জির ইবনে হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মিনায় ছিলাম, তখন আমাকে বলা হলো: ইনি হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী সাফওয়ান ইবনে আসসাল আল-মুরাদি। আমি তাকে সালাম দিলাম, তিনি আমাকে স্বাগত জানালেন এবং বললেন: কোন উদ্দেশ্যে তোমার আগমন? তিনি (জির) বলেন: আমি বললাম: আমি ইলম বা জ্ঞান অন্বেষণে এসেছি। তিনি বললেন:

জেনে রেখো, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণে নিজ ঘর থেকে বের হয়, সে যা করছে তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে ফেরেশতারা তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়।"

আমি বললাম: হে সাফওয়ান, মোজার ওপর মাসেহ করার বিষয়ে আমার মনে সংশয় কাজ করছে। এরপর তিনি দীর্ঘ হাদিসটি বর্ণনা করলেন। তার নিকট এভাবেই বর্ণিত।

--------------------------------------------

(১) এটি ইবনে মাজাহ (২২৬), আহমদ (৪/ ২৩৯, ২৪০, ২৪১), ইবনে খুজাইমা (১৯৩) এবং ইবনে হিব্বান (৮৫) (১৩১৯) (১৩২৫) আসেমের সূত্রে দীর্ঘ ও সংক্ষিপ্ত উভয়ভাবেই বর্ণনা করেছেন।

এর অন্যান্য সূত্র ও শব্দবিন্যাস দেখুন 'আল-মুসনাদ আল-জামি' (৫৩৯২) গ্রন্থে।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢٨)
2 - حدثنا محمدُ بنُ المغيرةِ الهَمَذانيُّ: حدثنا قَبيصةُ: حدثنا سفيانُ، عن الحسنِ بنِ عَمرو الفُقيميِّ، عن محمدِ بنِ مسلمٍ، عن عبدِ اللهِ بنِ عَمرو قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إذا رَأيتُم أُمتي لا يَقولونَ للظالمِ: أنتَ ظالمٌ فقَد تُودِّعَ مِنهم» (1).

3 - أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثنا أبو نعيمٍ: حدثنا فطرٌ، عن عبدِ الجبارِ بنِ وائلٍ الحضرميِّ، عن أبيه قالَ:

رأيتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إذا افتَتحَ الصلاةَ رفعَ يدَيه حتى يُحاذيَ طرفُ إبهامَيه شَحمةَ أُذنيهِ (2).

4 - أخبرنا عليٌّ: حدثنا أبو نُعيمٍ: حدثنا مسعرٌ، عن سماكٍ قالَ: سمعتُ النعمانَ بنَ بشيرٍ يقولُ:

إنْ كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ليُسوِّي صُفوفَنا في الصلاةِ كما تُسوَّى الرماحُ أو القِداحُ (3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه أحمد (2/ 163، 189، 190)، والبزار (3303)، والحاكم (4/ 96) من طريق الحسن بن عمرو به.

وصححه الحاكم ووافقه الذهبي. وتعقبهما الألباني في «الضعيفة» (577) بقوله: كلا ليس بصحيح، فإن أبا الزبير لم يسمع من ابن عمرو، كما قال ابن معين وأبو حاتم.

(2) أخرجه أبو داود (737)، والنسائي (882)، وأحمد (4/ 316)، والطبراني 22/ (72) من طريق فطر بن خليفة به.

ومعناه عند مسلم (401) من وجه آخر عن عبد الجبار بن وائل.

(3) أخرجه مسلم (436) من طريق سماك به.
২ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুগীরাহ আল-হামাদানী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ক্বাবীসাহ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, হাসান ইবনে আমর আল-ফুকাইমী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যখন তোমরা দেখবে যে আমার উম্মত জালেমকে বলছে না: ‘তুমি জালেম’, তখন তাদের থেকে বিদায় নেওয়া হয়েছে (অর্থাৎ আল্লাহ তাদের পরিত্যাগ করেছেন)» (১)।

৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ফিতর, আব্দুল জাব্বার ইবনে ওয়াইল আল-হাদরামী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, যখন তিনি সালাত শুরু করতেন তখন তাঁর হাত দুটি তুলতেন এমনকি তাঁর দুই বৃদ্ধাঙ্গুলির অগ্রভাগ তাঁর কানের লতি বরাবর হতো (২)।

৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মিসআর, সিমাক থেকে, তিনি বলেন: আমি নুমান ইবনে বশীরকে বলতে শুনেছি:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে আমাদের কাতারসমূহ এমনভাবে সোজা করতেন যেমনভাবে বর্শা বা তীর সোজা করা হয় (৩)।

--------------------------------------------

(১) এটি আহমদ (২/ ১৬৩, ১৮৯, ১৯০), বাজ্জার (৩৩০৩) এবং হাকেম (৪/ ৯৬) হাসান ইবনে আমরের সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

হাকেম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন। আলবানী ‘আদ-দাঈফাহ’ (৫৭৭) গ্রন্থে তাদের উভয়ের সমালোচনা করে বলেছেন: না, এটি সহীহ নয়; কারণ আবু যুবাইর ইবনে আমর থেকে শ্রবণ করেননি, যেমনটি ইবনে মাইন এবং আবু হাতিম বলেছেন।

(২) এটি আবু দাউদ (৭৩৭), নাসায়ী (৮৮২), আহমদ (৪/ ৩১৬) এবং তাবারানী ২২/ (৭২) ফিতর ইবনে খলিফার সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এর মর্মার্থ মুসলিম (৪০১) গ্রন্থে আব্দুল জাব্বার ইবনে ওয়াইলের অন্য এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

(৩) এটি মুসলিম (৪৩৬) সিমাকের সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٢٩)
5 - أخبرنا عليٌّ: حدثنا أبو نُعيمٍ: حدثنا مسعرٌ، عن منصورٍ، عن أبي حازمٍ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «مَن حجَّ فلم يَرفُثْ ولم يَفسُقْ رجعَ كيومِ ولدَتْه أُمُّه» (1).

6 - حدثنا أبو يزيدَ خلادُ بنُ محمدِ بنِ هانئٍ / بمكةَ: حدثني أبي: حدثنا عبدُ العزيزِ بنُ عبدِ الرحمنِ: حدثنا خُصيفٌ، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «بُنيَ الإسلامُ على خصالٍ: على شهادةِ أن لا إلهَ إلا اللهُ وأنَّ محمداً رسولُ اللهِ، والإقرارِ بما جاءَ مِن عندِ اللهِ، والجهادُ ماضٍ منذُ بعثَ اللهُ رسولَهُ إلى آخِرِ عِصابةٍ مِن المسلمينَ يُقاتِلونَ الدَّجالَ، لا يُنقصُهُ جَورُ مَن جارَ، ولا عَدلُ مَن عدلَ، وأهلُ لا إلهَ إلا اللهُ فلا تُكفِّروهم بذَنبٍ، ولا تَشهدوا عليهم بشركٍ، والقَدرُ خيرُه وشرُّه مِن اللهِ عز وجل» (2).

7 - حدثنا أبو يزيدَ خلادُ بنُ محمدِ بنِ هانئٍ: حدثنا أبي: حدثنا عبدُ العزيزِ: حدثنا خُصيفٌ، عن عطاءِ بنِ أبي رباحٍ، عن عائشةَ أنَّها قالتْ:

سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يقولُ: «إنَّ كاتبَينِ يَكتبانِ يومَ الجمعةِ الأولَ فالأولَ، حتى يَكتُبا أربعينَ رَجلاً، ثم تُطوَى الصحفُ، ثم يَقعدونَ يَستَمعونَ إلى الذِّكرِ» (3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري (1521) (1819) (1820)، ومسلم (1350) من طريق أبي حازم به. ويأتي (497).

(2) نسبه في «كنز العمال» (30) لابن النجار.

وعبد العزيز بن عبد الرحمن هو البالسي اتهمه الإمام أحمد، وقال ابن عدي: يروي عن خصيف أحاديث بواطيل. ومن فوقه لم أجد لهما ترجمة.

(3) إسناده ضعيف جداً كسابقه.
৫ - আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মিসআর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মানসুর থেকে, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «যে ব্যক্তি হজ করল এবং তাতে কোনো অশ্লীল কাজ ও পাপাচার করল না, সে ঐ দিনের মতো (নিষ্পাপ হয়ে) ফিরে আসবে যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিল» (১)।

৬ - আবু ইয়াজিদ খাল্লাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হানি মক্কায় আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল আজিজ বিন আব্দুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: খুসাইফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাফি' থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «ইসলাম কতিপয় বৈশিষ্ট্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, এবং যা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে তার স্বীকৃতি দেওয়া; আর জিহাদ জারি থাকবে আল্লাহ যখন থেকে তাঁর রাসূলকে পাঠিয়েছেন তখন থেকে নিয়ে মুসলমানদের শেষ দল পর্যন্ত যারা দাজ্জালের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, কোনো অত্যাচারীর অত্যাচার একে হ্রাস করতে পারবে না এবং কোনো ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির ন্যায়বিচারও নয়; আর যারা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এর অনুসারী, কোনো পাপের কারণে তোমরা তাদের কাফের সাব্যস্ত করো না এবং তাদের বিরুদ্ধে শিরকের সাক্ষ্য দিও না; আর তাকদিরের ভালো ও মন্দ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে» (২)।

৭ - আবু ইয়াজিদ খাল্লাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: খুসাইফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আতা বিন আবি রাবাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন:

আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই দুইজন লেখক (ফেরেশতা) জুমার দিনে ক্রমানুসারে নাম লিখতে থাকেন, যতক্ষণ না তারা চল্লিশ জন ব্যক্তির নাম লেখেন, এরপর দপ্তরগুলো গুটিয়ে নেওয়া হয় এবং তারা বসে জিকির শুনতে থাকেন» (৩)।

--------------------------------------------

(১) এটি বুখারি (১৫২১) (১৮১৯) (১৮২০) এবং মুসলিম (১৩৫০) আবু হাজিমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটি সামনে (৪৯৭) নম্বরে আসবে।

(২) একে «কানজুল উম্মাল» (৩০) গ্রন্থে ইবনুন নাজ্জারের সাথে সম্পর্কিত করা হয়েছে।

আর আব্দুল আজিজ বিন আব্দুর রহমান হলেন আল-বালিসি, ইমাম আহমাদ তাকে অভিযুক্ত করেছেন এবং ইবনে আদি বলেছেন: সে খুসাইফ থেকে ভিত্তিহীন হাদিসসমূহ বর্ণনা করে। আর তার ওপরের বর্ণনাকারীদের কোনো জীবনী আমি খুঁজে পাইনি।

(৩) এর সনদ পূর্বেরটির ন্যায় অত্যন্ত দুর্বল।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٠)
8 - حدثنا أبو عبدِ اللهِ محمدُ بنُ مهرانَ بنِ شدادٍ القُومِسيُّ: حدثنا إسحاقُ بنُ إبراهيمَ: حدثنا يحيى بنُ آدمَ: حدثنا سفيانُ (1)، عن عمَّارٍ الدُّهنيِّ، عن أبي الزبيرِ، عن جابرٍ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم دخلَ مكةَ ولواؤُهُ أبيضُ (2).

9 - أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثنا أبو نُعيمٍ: حدثنا يونسُ بنُ أبي إسحاقَ قالَ: سمعتُ جُرَي النَّهديَّ قالَ:

يا أبا إسحاقَ، لقيتُ شيخاً مِن بَني سُليمٍ بالكُناسةِ، فحدَّثني أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عدَّ خمساً في يدِهِ - أو في يدِي -، قالَ: «التَّسبيحُ نصفُ الميزانِ، والحمدُ يملؤُهُ، والتكبيرُ يملأُ ما بينَ السماءِ والأرضِ، والصومُ نصفُ الصبرِ، والطُّهورُ نصفُ الإيمانِ» (3).

10 - حدثنا محمدُ بنُ المغيرةِ: حدثنا مكيُّ بنُ إبراهيمَ: حدثنا يزيدُ بنُ أبي عُبيدٍ، عن سلمةَ بنِ الأكوعِ قالَ:

بايعتُ النبيَّ صلى الله عليه وسلم ثم عَدلتُ إلى ظلِّ شجرةٍ، فلمَّا خفَّ عنه الناسُ قالَ: «يا ابنَ الأَكوعِ، أَلا تُبايعُ؟» قالَ: قلتُ: قَد بايعتُ يا رسولَ اللهِ.

--------------------------------------------

(1) هكذا في الأصل. وفي مصادر التخريج: شريك. والله أعلم.

(2) أخرجه أبو داود (2592)، والترمذي (1679)، والنسائي (2866)، وابن ماجه (2817)، وابن حبان (4743) من طريق يحيى بن آدم، عن شريك، عن عمار الدهني به.

وانظر كلام الإمام الترمذي، والألباني في «الصحيحة» (2100).

(3) أخرجه الترمذي (3519)، وأحمد (4/ 260، 5/ 363، 365، 370، 372) من طريق جري النهدي به.

وقال الترمذي: حديث حسن. وضعفه الألباني.
৮ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাহরান বিন শাদ্দাদ আল-কুমিুসী: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ইব্রাহিম: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান (১), আম্মার আদ-দুহনী থেকে, তিনি আবু জুবায়ের থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন,

যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেছিলেন এবং তাঁর পতাকা ছিল সাদা (২)।

৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আব্দুল আজিজ: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন আবু ইসহাক, তিনি বলেন: আমি জুরাই আন-নাহদীকে বলতে শুনেছি যে তিনি বলেছেন:

হে আবু ইসহাক, আমি কুনাসাহ নামক স্থানে বনু সুলাইম গোত্রের একজন শায়খের সাথে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাতে - অথবা আমার হাতে - পাঁচটি বিষয় গণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ বলা) মিজানের অর্ধেক, আলহামদুলিল্লাহ তা পূর্ণ করে দেয়, তাকবীর (আল্লাহু আকবার) আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যবর্তী স্থান পূর্ণ করে দেয়, রোজা হচ্ছে ধৈর্যের অর্ধেক এবং পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক» (৩)।

১০ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আল-মুগীরা: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাক্কী বিন ইব্রাহিম: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন আবু উবায়েদ, সালামা বিন আল-আকওয়া থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বাইয়াত (আনুগত্যের শপথ) গ্রহণ করলাম, তারপর আমি একটি গাছের ছায়ার দিকে সরে গেলাম। যখন মানুষের ভিড় কমে গেল, তিনি বললেন: «হে ইবনুল আকওয়া, তুমি কি বাইয়াত গ্রহণ করবে না?» তিনি (সালামা) বললেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমি তো বাইয়াত গ্রহণ করেছি।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে। আর তাখরীজের উৎসসমূহে রয়েছে: শারীক। আল্লাহই ভালো জানেন।

(২) এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ (২৫৯২), তিরমিযী (১৬৭৯), নাসাঈ (২৮৬৬), ইবনে মাজাহ (২৮১৭), ইবনে হিব্বান (৪৭৪৩), ইয়াহইয়া বিন আদমের সূত্র ধরে, তিনি শারীক থেকে, তিনি আম্মার আদ-দুহনী থেকে এই সনদে।

এবং ইমাম তিরমিযী ও আলবানীর বক্তব্য দেখুন «আস-সহীহাহ» (২১০০) গ্রন্থে।

(৩) এটি বর্ণনা করেছেন তিরমিযী (৩৫১৯), আহমাদ (৪/২৬০, ৫/৩৬৩, ৩৬৫, ৩৭০, ৩৭২) জুরাই আন-নাহদীর সূত্র ধরে।

তিরমিযী বলেছেন: হাদিসটি হাসান। আর আলবানী একে যঈফ (দুর্বল) বলেছেন।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣١)
قالَ يزيدُ: قلتُ: يا أبا مسلمٍ، على أيِّ شيءٍ تُبايعونَ يومَئذٍ؟ قالَ: على الموتِ (1).

11 - حدثنا محمدُ بنُ أيوبَ الرَّازي: حدثنا محمدُ بنُ المنهالِ: حدثنا يزيدُ بنُ زُريعٍ: حدثنا شعبةُ، عن سليمانَ الأعمشِ، عن أبي ظَبيانَ، عن ابنِ عباسٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أيُّما صبيٍّ حجَّ ثم بلَغَ فعَليه / أَن يَحجَّ حجةً أُخرى، وأيُّما أَعرابيٍّ حجَّ ثم هاجَرَ فعَليه أَن يَحجَّ حجةً أُخرى، وأيُّما عبدٍ حجَّ ثم أُعتقَ فعَليه أَن يحجَّ حجةً أُخرى» (2).

12 - حدثنا أحمدُ بنُ داودَ السِّمنانيُّ: حدثنا أبو كاملٍ: حدثنا القَنادُ: حدثنا قتادةُ، عن أنسٍ،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم وأصحابَهُ مرُّوا بسَخلةٍ مَيتةٍ، فقالَ: «هل تَدرونَ (3) هذه هَانتْ على أَهلِها؟» قَالوا: نَعم يا رسولَ اللهِ، مِن هَوانِها أَلقوها، قالَ: «فوَالذي نَفسُ محمدٍ بيدِهِ، لَلدُّنيا أَهونُ على اللهِ مِن هذه على أَهلِها حينَ أَلقَوها» (4).

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري (2960) (4169) (7206) (7208)، ومسلم (1860) من طريق يزيد بن أبي عبيد به.

(2) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (2731)، وابن خزيمة (3050)، والحاكم (1/ 481)، والبيهقي (4/ 325) من طريق محمد بن المنهال به.

وصححه الحاكم على شرط الشيخين، ووافقه الذهبي، والألباني في «الإرواء» (986).

(3) هكذا في الأصل. وفي المصادر: ترون.

(4) أخرجه عبد الله بن أحمد في «الزهد» (122)، والبزار (7201)، والضياء في «المختارة» (2533) من طريق أبي كامل الجحدري به.

وقال في «المجمع» (10/ 287): ورجاله وثقوا. بينما قال العقيلي (1/ 58) في هذا الحديث والذي بعده: وكلاهما غير محفوظين من حديث قتادة.
ইয়াজিদ বলেন: আমি বললাম: হে আবু মুসলিম, সেদিন আপনারা কিসের ওপর বায়আত করেছিলেন? তিনি বললেন: মৃত্যুর ওপর (১)।

১১ - মুহাম্মাদ বিন আইয়ুব আর-রাজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ বিন আল-মিনহাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াজিদ বিন জুরাই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: শু’বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু জাবইয়ান থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে শিশু হজ্জ করল এরপর সে সাবালক হলো, তার ওপর পুনরায় হজ্জ করা আবশ্যক; যে বেদুইন হজ্জ করল এরপর সে হিজরত করল, তার ওপর পুনরায় হজ্জ করা আবশ্যক; এবং যে দাস হজ্জ করল এরপর সে মুক্ত হলো, তার ওপর পুনরায় হজ্জ করা আবশ্যক» (২)।

১২ - আহমাদ বিন দাউদ আস-সিমনানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু কামিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আল-কানাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: কাতাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আনাস থেকে,

যে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ একটি মৃত ছাগলছানার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বললেন: «তোমরা কি জানো (৩) এটি তার মালিকের নিকট কতটা তুচ্ছ ছিল?» তাঁরা বললেন: হ্যাঁ হে আল্লাহর রাসূল, তুচ্ছ হওয়ার কারণেই তারা এটিকে ফেলে দিয়েছে। তিনি বললেন: «সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, নিশ্চয়ই দুনিয়া আল্লাহর নিকট তার চাইতেও অধিক তুচ্ছ, যতটা এই মৃত ছানাটি তার মালিকের নিকট তুচ্ছ ছিল যখন তারা এটিকে ফেলে দিয়েছিল» (৪)।

--------------------------------------------

(১) ইমাম বুখারি (২৯৬০) (৪১৬৯) (৭২০৬) (৭২০৮) এবং মুসলিম (১৮৬০) ইয়াজিদ বিন আবি উবাইদ-এর সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) তাবারানি 'আল-আওসাত' (২৭৩১), ইবনে খুজাইমাহ (৩০৫০), হাকেম (১/৪৮১) এবং বায়হাকি (৪/৩২৫) মুহাম্মাদ বিন আল-মিনহাল-এর সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন।

হাকেম এটিকে শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম)-এর শর্তানুযায়ী সহিহ বলেছেন এবং জাহাবি তাঁর সাথে একমত হয়েছেন, আর আলবানি 'আল-ইরওয়া' (৯৮৬) গ্রন্থে একে সহিহ বলেছেন।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে। তবে অন্যান্য উৎসে রয়েছে: 'তোমরা কি দেখছ' (তারওনা)।

(৪) আবদুল্লাহ বিন আহমাদ 'আয-যুহদ' (১২২), বাজ্জার (৭২০১) এবং জিয়া 'আল-মুখতারা' (২৫৩৩) গ্রন্থে আবু কামিল আল-জাহদারি-এর সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন।

'আল-মাজমা' (১০/২৮৭) গ্রন্থে বলা হয়েছে: এর বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্য বলা হয়েছে। পক্ষান্তরে উকাইলি (১/৫৮) এই হাদিস এবং এর পরের হাদিসটি সম্পর্কে বলেছেন: কাতাদাহর বর্ণনা হিসেবে এ দুটি সংরক্ষিত নয়।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٢)
13 - وأنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ يَتوضَّأُ بالمُدِّ للصلاةِ المَكتوبةِ، ويَغتسلُ بالصَّاعِ (1).

14 - حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ وهبٍ: حدثني هارونُ بنُ سعيدٍ الأَيليُّ: حدثنا ابنُ وهبٍ: حدثني سليمانُ بنُ بلالٍ: حدثني ربيعةُ بنُ أبي عبدِ الرحمنِ، عن القاسمِ بنِ محمدٍ، عن عائشةَ،

أنَّ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كانَ يُصلِّي صلاتَه بالليلِ وهي مُعترضةٌ بينَ يَديهِ، فإذا بَقيَ الوترُ أيقَظَها فأَوتَرتْ (2).

15 - حدثنا عبدُ اللهِ بنُ محمدِ بنِ وهبٍ: حدثني محمدُ بنُ عيسى الدَّامَغانيُّ: حدثنا حكَّامُ بنُ سَلْمٍ: حدثنا سفيانُ الثوريُّ، عن عبدِ اللهِ بنِ ذكوانَ، عن عليِّ بنِ حسينٍ، عن عائشةَ،

أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم كانَ يُقبِّلُ وهو صائمٌ، ويُقبِّلُ ولا يَتوضَّأُ (3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه الطبراني في «الأوسط» (922)، والبزار (7200)، والعقيلي (1/ 58) من طريق أبي إسماعيل القناد به.

وأفاد البزار والعقيلي أن هذا الحديث عن قتادة معلول.

وهو عند البخاري (201)، ومسلم (325) من وجه آخر عن أنس بنحوه.

(2) أخرجه مسلم (744) عن هارون بن سعيد به. وانظر (646) (647).

(3) ذكره الدارقطني في «علله» (3864) وقال: حدث به حكام بن سلم، ولم يروه عنه غير محمد بن عيسى الدامغاني، ووهم فيه هو أو حكام. والمحفوظ بهذا الإسناد عن الثوري: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم، فقط.

قلت وكذلك أخرجه مسلم (1106) (72) من طريق عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان الثوري.

ولشقيه الأول والثاني طرق عن عائشة، انظر «المسند الجامع» (16020) (16584) وما بعدهما.
১৩ - এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয নামাজের জন্য এক মুদ পানি দিয়ে ওজু করতেন এবং এক সা’ পানি দিয়ে গোসল করতেন (১)।

১৪ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: হারুন ইবনে সাঈদ আল-আয়লি আমাকে বলেছেন: ইবনে ওয়াহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সুলাইমান ইবনে বিলাল আমাকে বলেছেন: রাবিয়া ইবনে আবি আবদুর রহমান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে তাঁর সালাত আদায় করতেন এমতাবস্থায় যে, তিনি (আয়িশা) তাঁর সামনে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন। অতঃপর যখন বিতর নামাজ অবশিষ্ট থাকত, তখন তিনি তাঁকে জাগিয়ে দিতেন এবং তিনি বিতর আদায় করতেন (২)।

১৫ - আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ওয়াহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আদ-দামাঘানি আমাকে বলেছেন: হাক্কাম ইবনে সালম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন: সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাকওয়ান থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে, তিনি আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন,

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় চুম্বন করতেন এবং তিনি চুম্বন করতেন অথচ ওজু করতেন না (৩)।

--------------------------------------------

(১) এটি তাবারানি 'আল-আওসাত' (৯২২), আল-বাজজার (৭২০০) এবং আল-উকায়লি (১/৫৮) গ্রন্থে আবু ইসমাইল আল-কান্নাদ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আল-বাজজার এবং আল-উকায়লি উল্লেখ করেছেন যে, কাতাদা থেকে বর্ণিত এই হাদিসটি ত্রুটিপূর্ণ।

এটি বুখারি (২০১) এবং মুসলিম (৩২৫) গ্রন্থে আনাস থেকে অন্য সূত্রে অনুরূপভাবে বর্ণিত হয়েছে।

(২) মুসলিম (৭৪৪) হারুন ইবনে সাঈদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। দেখুন (৬৪৬) (৬৪৭)।

(৩) আদ-দারা কুতনি তাঁর 'ইলাল' (৩৮৬৪) গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: হাক্কাম ইবনে সালম এটি বর্ণনা করেছেন, আর মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আদ-দামাঘানি ছাড়া আর কেউ এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি। তিনি অথবা হাক্কাম এতে বিভ্রান্ত হয়েছেন। আস-সাওরি থেকে এই সনদে সংরক্ষিত বর্ণনাটি হলো: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় চুম্বন করতেন—কেবল এতটুকুই।

আমি বলছি, একইভাবে মুসলিম (১১০৬) (৭২) আব্দুর রহমান ইবনে মাহদির সূত্রে সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এর প্রথম ও দ্বিতীয় অংশের জন্য আয়িশা থেকে আরও বিভিন্ন সূত্র রয়েছে, দেখুন 'আল-মুসনাদ আল-জামি' (১৬০২০) (১৬৫৮৪) এবং পরবর্তীগুলো।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٣)
16 - حدثنا يوسفُ بنُ موسى المَرْوَرُّوذيُّ: حدثنا أحمدُ بنُ صالحٍ: حدثنا عَنبسةُ بنُ خالدٍ: حدثنا يونسُ بنُ يزيدَ قالَ: رأيتُ ابنَ شهابٍ وهو يَغرسُ وَديَّاً (1)، فقلتُ: يا أبا بكرٍ، تَفعلُ هذا وقَد بَلغتَ ما بَلغتَ؟ فقالَ: ألمْ أُحدِّثكَ عن سعيدِ بنِ المسيبِ وأبي سلمةَ بنِ عبدِ الرحمنِ، عن أبي هريرةَ،

عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم قالَ: «قَلبُ الكبيرِ شابٌّ على حبِّ اثنَينِ: حبِّ المالِ، والشَّرفِ» (2).

17 - أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثنا أبو نُعيمٍ: حدثنا يونسُ بنُ أبي إسحاقَ، عن هلالِ بنِ خبابٍ أبي العلاءِ: حدثني عكرمةُ: حدثني عبدُ اللهِ بنُ عَمرو بنِ العاصِ قالَ:

بينَما نحنُ حولَ رسولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إذ ذَكرَ الفتنةَ أو ذُكرتْ عندَه، فقالَ: «إذا رأيتُم الناسَ مَرجَتْ عُهودُهم، وخفَّتْ أماناتُهم، وَكانوا هكذا» / وشبَّكَ بينَ أَصابِعِه، قالَ: فقُمتُ إليه فقلتُ: كيفَ أَفعلُ عندَ ذلكَ جعَلَني اللهُ فداكَ؟ فقالَ: «الزَمْ بيتَكَ، واملكْ عليكَ لِسانَكَ، وخُذْ ما تَعرفُ، ودَعْ ما تُنكرُ، وعليكَ بأمرِ الخاصَّةِ، ودَع عنكَ أَمرَ العامَّةِ» (3).

--------------------------------------------

(1) صغار النخل.

(2) أخرجه البخاري (6420)، ومسلم (1046)، والنسائي في «الكبرى» (11766) من طريق يونس بن يزيد مختصراً بالمرفوع. ورواية الصحيحين عن ابن المسيب وحده.

ورواية أبي سلمة وحده أخرجها أحمد (2/ 501)، وانظر تمام تخريجه فيه.

قلتُ: وفي رواية المصنف: «حب المال والشرف»، والذي وقفت عليه في روايات هذا الحديث: «حب الدنيا وطول الأمل» «حب الحياة وحب المال» ونحو ذلك، لا ذكر فيه للشرف، والله أعلم.

(3) أخرجه أبو داود (4343)، والنسائي في «عمل اليوم والليلة» (205)، وأحمد (2/ 212)، والحاكم (4/ 525) من طريق يونس بن أبي إسحاق به.

وصححه الحاكم، ووافقه الذهبي. وأورده الألباني في «الصحيحة» (205).

وله عن ابن عمرو طرق يأتي أحدها (262).
১৬ - ইউসুফ ইবন মুসা আল-মারওয়াররুযী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আহমাদ ইবন সালিহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আনবাসা ইবন খালিদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইউনুস ইবন ইয়াযীদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবন শিহাবকে একটি ছোট খেজুর গাছ রোপণ করতে দেখলাম (১), তখন আমি বললাম: হে আবু বকর, আপনি এই বয়সে উপনীত হয়েও এটি করছেন? তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এবং আবু সালামা ইবন আবদুর রহমান থেকে, তারা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এমন হাদীস শোনাইনি,

যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "বৃদ্ধের অন্তর দুটি জিনিসের ভালোবাসায় সর্বদা যুবক থাকে: সম্পদের মোহ এবং প্রতিপত্তির মোহ" (২)।

১৭ - আলী ইবন আব্দুল আযীয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ইউনুস ইবন আবী ইসহাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হিলাল ইবন খাব্বাব আবুল আ'লা থেকে: ইকরিমা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চারপাশে থাকাবস্থায় তিনি ফিতনা সম্পর্কে আলোচনা করলেন অথবা তাঁর নিকট সেটি আলোচিত হলো। তখন তিনি বললেন: "যখন তোমরা দেখবে যে মানুষের অঙ্গীকারসমূহ কলুষিত হয়ে গেছে, তাদের আমানতদারি হ্রাস পেয়েছে এবং তারা এমন হয়ে গেছে" - এই বলে তিনি তাঁর আঙ্গুলসমূহ একটির ভেতর অন্যটি ঢুকিয়ে দেখালেন। বর্ণনাকারী বলেন: তখন আমি তাঁর দিকে দাঁড়িয়ে বললাম: আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন, সেই সময়ে আমি কী করব? তিনি বললেন: "তুমি তোমার ঘরে অবস্থান করো, তোমার জিহবাকে নিয়ন্ত্রণে রাখো, যা তুমি (সঠিক বলে) জানো তা গ্রহণ করো এবং যা তুমি প্রত্যাখ্যান করো তা বর্জন করো। আর তুমি তোমার বিশেষ (ব্যক্তিগত) বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হও এবং সাধারণ মানুষের কর্মকাণ্ড পরিহার করো" (৩)।

--------------------------------------------

(১) ছোট খেজুর গাছ।

(২) এটি বুখারী (৬৪২০), মুসলিম (১০৪৬) এবং নাসাঈ তাঁর 'আল-কুবরা' গ্রন্থে (১১৭৬৬) ইউনুস ইবন ইয়াযীদের সূত্রে মারফূ' হিসেবে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। আর সহীহাইন-এর বর্ণনাটি কেবল ইবনুল মুসায়্যিব থেকে।

কেবল আবু সালামার বর্ণনাটি আহমাদ (২/৫০১) সংকলন করেছেন, সেখানে এর পূর্ণ তাখরীজ দেখুন।

আমি (টীকা লেখক) বলছি: গ্রন্থকারের বর্ণনায় রয়েছে: "সম্পদের মোহ ও প্রতিপত্তি", কিন্তু এই হাদীসের অন্যান্য বর্ণনায় আমি যা পেয়েছি তা হলো: "দুনিয়ার মোহ ও সুদীর্ঘ আশা", "জীবনের প্রতি মোহ ও সম্পদের প্রতি মোহ" এবং এই জাতীয় শব্দাবলী, সেখানে প্রতিপত্তির (শরাফ) কোনো উল্লেখ নেই। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

(৩) এটি আবু দাউদ (৪৩৪৩), নাসাঈ 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' গ্রন্থে (২০৫), আহমাদ (২/২১২) এবং হাকেম (৪/৫২৫) ইউনুস ইবন আবী ইসহাকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

হাকেম এটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাঁর সাথে একমত হয়েছেন। আলবানী একে 'আস-সহীহাহ' (২০৫) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

ইবন আমর থেকে এর আরও কিছু সূত্র রয়েছে যার একটি সামনে আসবে (২৬২)।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٤)
18 - حدثنا عثمانُ بنُ سعيدٍ الدَّارميُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ صالحٍ المصريُّ، أنَّ نافعَ بنَ يزيدَ حدَّثَه، عن عُقيلٍ، عن ابنِ شهابٍ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ عبدِ اللهِ، عن أبي سعيدٍ الخُدريِّ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «مَن باتَ وفي يدِهِ الغَمرُ فأصابَهُ شيءٌ فلا يَلومَنَّ إلا نفسَهُ» (1).

19 - حدثنا الحسينُ بنُ السَّميدعِ: حدثنا محمدُ بنُ المباركِ الصُّوريُّ: حدثنا مالكٌ، عن الزُّهريِّ، عن أنسٍ قالَ:

دخلَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وعلى رأسِهِ المِغفَرُ، فلمَّا نزَعَه قَالوا: يا رسولَ اللهِ، هذا ابنُ خَطَلٍ مُتعلقٌ (2) بالأستارٍ؟ فقالَ النبيُّ صلى الله عليه وسلم: «اقتُلوهُ» (3).

20 - وعن ابنِ شهابٍ، عن سالمٍ وحمزةَ، عن أبيهما قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنْ كانَ في شيءٍ فَفي المرأةِ والفرسِ والدارِ» يَعني: الشُّؤمَ (4).

--------------------------------------------

(1) أخرجه الطبراني (5435)، والبيهقي في «شعب الإيمان» (5428) من طريق عبد الله بن صالح به.

وقد اختلف فيه على الزهري كما بين البيهقي، وانظر «الصحيحة» (6/ 1109).

(2) تكررت في الأصل مرتين.

(3) أخرجه البخاري (1846) (3044) (4286) (5808)، ومسلم (1357) من طريق مالك به.

(4) أخرجه البخاري (2858) (5093) (5753)، ومسلم (2225) من طريق الزهري به. وبعض الروايات لا تذكر حمزة.
১৮ - উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আল-মিসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নাফে ইবনে ইয়াজিদ তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উকাইল থেকে, তিনি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি হাতে চর্বি বা খাবারের গন্ধ থাকা অবস্থায় রাত অতিবাহিত করল, অতঃপর সে কোনো বিপদে আক্রান্ত হলো, সে যেন নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে দোষারোপ না করে» (১)।

১৯ - আল-হুসাইন ইবনুল সামাইদা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মাদ ইবনুল মুবারক আস-সুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে তাঁর মাথায় লৌহবর্ম ছিল। যখন তিনি তা খুললেন, তখন তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল, এই যে ইবনে খাতাল কাবার পর্দার সাথে ঝুলে আছে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «তাকে হত্যা করো» (৩)।

২০ - এবং ইবনে শিহাব থেকে বর্ণিত, তিনি সালিম ও হামজা থেকে, তাঁরা তাঁদের পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি কোনো কিছুতে কুলক্ষণ থেকে থাকে, তবে তা নারী, ঘোড়া এবং ঘরের মধ্যে রয়েছে» অর্থাৎ: কুলক্ষণ (৪)।

--------------------------------------------

(১) তাবারানি (৫৪৩৫) এবং বাইহাকি 'শুআবুল ঈমান'-এ (৫৪২৮) আবদুল্লাহ ইবনে সালিহের সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন।

বাইহাকি যেমন বর্ণনা করেছেন, এটি যুহরির বর্ণনায় মতভেদপূর্ণ; আরও দেখুন 'আস-সহিহাহ' (৬/১১০৯)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি দুইবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে।

(৩) বুখারি (১৮৪৬) (৩০৪৪) (৪২৭৬) (৫৮০৮) এবং মুসলিম (১৩৫৭) মালিকের সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন।

(৪) বুখারি (২৮৫৮) (৫০৯৩) (৫৭৫৩) এবং মুসলিম (২২২৫) যুহরির সূত্র ধরে এটি বর্ণনা করেছেন। কিছু বর্ণনায় হামজার উল্লেখ নেই।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٥)
21 - حدثنا محمدُ بنُ صالحٍ الأشجُّ: حدثنا عبدُ اللهِ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثني أبي، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إنَّ مِن كُنوزِ البرِّ كِتمانُ الأمراضِ» (1).

22 - حدثنا محمدُ بنُ المغيرةِ: حدثنا قَبيصةُ: حدثنا سفيانُ، عن عاصمِ بنِ عُبيدِ اللهِ بنِ عاصمٍ، عن عبدِ الرحمنِ بنِ يزيدَ، عن أبيه قالَ:

سمعتُ رسولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم في حجةِ الوداعِ يقولُ: «أَرِقاءَكم - ثلاثَ مراتٍ - أَطعِموهم مما تأكلونَ، واكسُوهم مما تَلبسونَ، فإنْ جاؤوا بذَنبٍ لا تُريدونَ أَن تَغفروهُ فَبيعوا عبادَ اللهِ ولا تُعذِّبوهم» (2).

23 - حدثنا أبو الفضلِ جعفرُ بنُ محمدِ بن أبي القَتيلِ ببغدادَ: حدثنا خلَّادُ بنُ أَسلمَ: حدثنا أبو همامٍ الأَهوازيُّ، عن عُبيدِ اللهِ بنِ عمرَ، عن نافعٍ، عن ابنِ عمرَ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ما خَلَّفتُ على أُمتي فتنةً أَضرَّ على الرجالِ مِن النساءِ».

هَكذا في كِتابي هذا الحديثُ بهذا الإسنادِ (3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه الخطيب البوشنجي في «المنظوم والمنثور» (6)، وأبو عبدرحمن السلمي في «الأربعين الصوفية» (17)، والبيهقي في «الشعب» (9576) من طريق المصنف به.

وإسناده ضعيف.

وله طرق أخرى ضعفها الألباني في «الضعيفة» (693).

(2) أخرجه أحمد (4/ 35 - 36)، وعبد الرزاق (17935)، والطبراني 22/ (636) من طريق سفيان الثوري به.

وقال في «المجمع» (4/ 236): وفيه عاصم بن عبيدالله وهو ضعيف.

(3) ولم أقف عليه.
২১ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-আশাজ্জ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই অসুস্থতা গোপন রাখা পুণ্যের ভাণ্ডারসমূহের অন্তর্ভুক্ত» (১)।

২২ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুগীরা বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট কাবীসাহ বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন আসিম ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আসিম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:

আমি বিদায় হজ্জের সময় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: «তোমাদের অধীনস্থদের বিষয়ে সাবধান —তিনবার বললেন— তোমরা যা খাও তা থেকে তাদের খাওয়াও, এবং তোমরা যা পরিধান করো তা থেকে তাদের পরিধান করাও। তারা যদি এমন কোনো অপরাধ করে যা তোমরা ক্ষমা করতে চাও না, তবে আল্লাহর এই বান্দাদের বিক্রি করে দাও, কিন্তু তাদের কষ্ট দিয়ো না» (২)।

২৩ - আমাদের নিকট বাগদাদের আবুল ফজল জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল কাতীল বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট খাল্লাদ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট আবু হাম্মাম আল-আহওয়াযী বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য নারীদের চেয়ে অধিক ক্ষতিকর কোনো ফিতনা (পরীক্ষা) রেখে যাইনি»।

আমার এই কিতাবে হাদিসটি এই সনদেই রয়েছে (৩)।

--------------------------------------------

(১) আল-খতিব আল-বুশানজী এটি 'আল-মানযুম ওয়াল মানসুর' (৬) গ্রন্থে, আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী 'আল-আরবাউন আস-সুফিয়্যাহ' (১৭) গ্রন্থে এবং আল-বায়হাকী 'আশ-শুআব' (৯৫৭৬) গ্রন্থে গ্রন্থকারের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

এর সনদ দুর্বল।

এর অন্যান্য আরও সূত্র রয়েছে যেগুলোকে আলবানী 'আদ-দঈফাহ' (৬৯৩) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন।

(২) এটি আহমদ (৪/ ৩৫-৩৬), আব্দুর রাজ্জাক (১৭৯৩৫) এবং তাবারানী (২২/ ৬৩৬) সুফিয়ান সাওরী-র সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

'আল-মাজমা' (৪/ ২৩৬) গ্রন্থে বলা হয়েছে: এর সনদে আসিম ইবনে উবাইদুল্লাহ রয়েছে এবং সে দুর্বল।

(৩) আমি এটি (এই নির্দিষ্ট সনদে) খুঁজে পাইনি।
(খণ্ড: ১) মাজমুউ ফিহি সালাসাতু আজযাইন হাদিসিয়্যাহ - জাররার (পৃষ্ঠা: ٣٦)
24 - أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثنا أبو نُعيمٍ: حدثنا عبدُ الجبارِ بنُ العباسِ الهمْدانيُّ، عن عونِ بنِ أبي جُحيفةَ، عن أبيه قالَ:

كانَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم في سفرِهِ الذي نَاموا فيه / حتى طَلعَت الشمسُ فقالَ: «إنَّكم كُنتم أَمواتاً ورَدَّ اللهُ إليكم أَرواحَكم، فمَن نامَ عن صلاةٍ فليُصلِّها إذا استَيقظَ، ومَن نَسيَ فليُصلِّها إذا ذَكرَ» (1).

25 - أخبرنا عليُّ بنُ عبدِ العزيزِ: حدثنا أبو نُعيمٍ: حدثنا عبدُ الجبارِ بنُ العباسِ: حدثنا عونُ بنُ أبي جُحيفةَ، عن أبيه قالَ:

نَهى رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عن ثمنِ الدمِ، ومهرِ البَغيِّ، وثمنِ الكلبِ (2).

26 - حدثنا محمدُ بنُ صالحٍ الأشجُّ: حدثنا يحيى بنُ نصرِ بنِ حاجبٍ: حدثنا هلالُ بنُ خَبَّابٍ، عن زاذانَ أبي عمرَ، عن عليِّ بنِ أبي طالبٍ قالَ:

قالَ رسولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «حقُّ المُسلمِ على المُسلمِ ستٌّ: يُسلِّمُ عليهِ إذا لقيَهُ، ويُجيبُه إذا دَعاهُ، ويُشمتُ عليه إذا عَطسَ، ويَعودُه إذا مرضَ، ويَنصحُهُ إذا غابَ، ويَشهدُ جنازتَهُ إذا ماتَ» (3).

--------------------------------------------

(1) أخرجه أبو يعلى (895)، والطبراني 22/ (268) من طريق أبي نعيم به.

وقال في «المجمع» (1/ 322): ورجاله ثقات.

وقال الألباني في «الصحيحة» (396): وهذا إسناد جيد.

(2) أخرجه أبو يعلى (896)، والطبراني 22/ (272) (273) من طريق عبد الجبار بن العباس به.

وهو عند البخاري (2086) (2238) (5347) (5962) من طريق عون بن أبي جحيفة بزيادة.

(3) أخرجه أبو يعلى (509)، وابن عدي في «الكامل» (7/ 246) من طريق يحيى بن نصر به.

وأخرجه الترمذي (2736)، وابن ماجه (1433)، وأحمد (1/ 89)، وابن أبي شيبة (10842) (25738)، وأبو يعلى (435)، والبزار (850) من طريق الحارث، عن علي به.
২৪ - আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল জাব্বার ইবনে আব্বাস আল-হামদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আউন ইবনে আবি জুহাইফা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সেই সফরে ছিলেন যাতে তাঁরা (সকলে) ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, এমনকি সূর্য উদিত হয়ে গিয়েছিল। তখন তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই তোমরা মৃত ছিলে এবং আল্লাহ তোমাদের নিকট তোমাদের রুহসমূহ ফিরিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি সালাত ছেড়ে ঘুমিয়ে থাকে, সে যেন জাগ্রত হওয়ার পর তা আদায় করে নেয়; আর যে ব্যক্তি ভুলে যায়, সে যেন তা স্মরণে আসার পর আদায় করে নেয়» (১)।

২৫ - আলী ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু নুয়াইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আব্দুল জাব্বার ইবনে আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আউন ইবনে আবি জুহাইফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাঁর পিতা থেকে, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রক্তের বিনিময় মূল্য, ব্যভিচারিণীর উপার্জন এবং কুকুরের বিনিময় মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন (২)।

২৬ - মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আল-আশাজ্জ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: ইয়াহইয়া ইবনে নাসর ইবনে হাজিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হিলাল ইবনে খাব্বাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাযান আবু উমর থেকে, তিনি আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এক মুসলিমের ওপর অন্য মুসলিমের হক ছয়টি: যখন তার সাথে সাক্ষাৎ হবে তখন তাকে সালাম দেবে, যখন সে তাকে দাওয়াত দেবে তখন তা কবুল করবে, যখন সে হাঁচি দেবে তখন তার জবাব দেবে (ইয়ারহামুকাল্লাহ বলবে), যখন সে অসুস্থ হবে তখন তাকে দেখতে যাবে, যখন সে অনুপস্থিত থাকবে তখন তার কল্যাণ কামনা করবে এবং যখন সে মারা যাবে তখন তার জানাজায় উপস্থিত হবে» (৩)।

--------------------------------------------

(১) এটি আবু ইয়ালা (৮৯৫) এবং তাবারানি ২২/ (২৬৮) আবু নুয়াইমের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

তিনি ‘আল-মাজমা’ (১/ ৩২২) গ্রন্থে বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।

আলবানী ‘আস-সহীহাহ’ (৩৯৬) গ্রন্থে বলেছেন: এই সনদটি উত্তম।

(২) এটি আবু ইয়ালা (৮৯৬) এবং তাবারানি ২২/ (২৭২) (২৭৩) আব্দুল জাব্বার ইবনে আব্বাসের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

এটি বুখারীতে (২০৮৬) (২২৩৮) (৫৩৪৭) (৫৯৬২) আউন ইবনে আবি জুহাইফার সূত্রে অতিরিক্ত অংশসহ বর্ণিত হয়েছে।

(৩) এটি আবু ইয়ালা (৫০৯) এবং ইবনে আদি ‘আল-কামিল’ (৭/ ২৪৬) গ্রন্থে ইয়াহইয়া ইবনে নাসরের সূত্র ধরে বর্ণনা করেছেন।

এবং এটি তিরমিজি (২৭৩৬), ইবনে মাজাহ (১৪৩৩), আহমদ (১/ ৮৯), ইবনে আবি শাইবাহ (১০৮৪২) (২৫৭৩৮), আবু ইয়ালা (৪৩৫) এবং বাজ্জার (৮৫০) হারিসের সূত্রে আলী (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।