(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: -)
حديث لوين المصيصي   (لوين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: حديث لوين المصيصي

المؤلف: أبو جعفر محمد بن سليمان بن حبيب بن جبير الأسدي المصيصي المعروف بـ لوين (ت 245هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 25

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসী   (লুওয়াইন)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসী

লেখক: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন হাবীব বিন জুবাইর আল-আসাদী আল-মাসিসী, যিনি লুওয়াইন নামে পরিচিত (মৃ. ২৪৫ হি.)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; যা ইসলাম নেটওয়ার্ক (ইসলামওয়েব) ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম নামক বিনামূল্যে বিতরিত প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৫

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হি.

(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১)
فِيهِ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمِصِّيصِيِّ لُوَيْنٍ رحمه الله.

رِوَايَةُ أَبِي عَلِّي بْنِ دَكَّةَ، عَنْهُ.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ للَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
এতে মুহাম্মদ ইবনু সুলাইমান আল-মিসসীসী লুওয়াইন (রাহিমাহুল্লাহ)-এর হাদিসসমূহ সংকলিত।

তাঁর সূত্রে আবু আলী ইবনু দাক্কাহ-এর বর্ণনা।

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে। সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَبُو مَنْصُورٍ شُجَاعُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ شُجَاعٍ الْمَصْقَلِيُّ ، حَرَسَهُ اللَّهُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الثَّقَفِيُّ رحمه الله، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دَكَّةَ، فِي شَهْرِ رَمَضَانَ، مِنْ سَنَةِ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ لُوَيْنٌ الْمِصِّيصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا مُعَاذُ» .

قُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَسَعْدَيْكَ.

قَالَ: "‌‌ أَخْبِرِ النَّاسَ أَنَّهُ مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ "
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সৎকর্মশীল শাইখ আবু মনসুর শুজা ইবনে আলী ইবনে শুজা আল-মাসকালি—আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন—তাঁর নিকট পঠনকালে তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আস-সাকাফি (রাহিমাহুল্লাহ)। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাক্কাহ, ৩১৪ হিজরি সনের রমজান মাসে। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাবিব লুয়াইন আল-মিসসিসি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনে সুহাইব থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে, এবং তিনি মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন: «হে মুয়াজ!»।

আমি বললাম: আমি আপনার খিদমতে হাজির ও আপনার নির্দেশ পালনে প্রস্তুত, হে আল্লাহর রাসূল!

তিনি বললেন: "‌‌ মানুষকে সংবাদ দাও যে, যে ব্যক্তি বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তার জন্য জান্নাত অবধারিত। "
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ أَبِي عَامِرٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ: " نَادِ فِي النَّاسِ:‌‌ مَنْ قَالَ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ ".

قَالَ: فَاسْتَقْبَلَهُ عُمَرُ رضي الله عنه، فَقَالَ: أَيْنَ تُرِيدُ يَا
أَبَا بَكْرٍ؟ قَالَ: أَخْبَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُنَادِي: " مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ ".

قَالَ: ارْجَعْ، فَرَجَعَ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ: «مَا رَدَّكَ؟» قَالَ: اسْتَقْبَلَنِي عُمَرُ رضي الله عنه، فَقَالَ: ارْجَعْ، فَرَجَعْتُ.

فَقَالَ لَهُ عُمَرُ رضي الله عنه: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِذًا يَتَّكِلُوا، فَدَعْهُمْ.

فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «صَدَقَ عُمَرُ»
২ - লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুওয়াইদ ইবনুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত ইবনে আজলান থেকে, তিনি সুলাইম ইবনে আমির আবু আমির থেকে, তিনি আবু বকর আস-সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মানুষের মাঝে ঘোষণা করে দাও: যে ব্যক্তি বলবে 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই', তার জন্য জান্নাত অবধারিত।"

তিনি বলেন: অতঃপর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: হে
আবু বকর, আপনি কোথায় যেতে চাচ্ছেন? তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যেন আমি ঘোষণা করি: "যে ব্যক্তি বলবে: 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই', তার জন্য জান্নাত অবধারিত।"

তিনি (ওমর) বললেন: ফিরে যান। অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন: "কিসে তোমাকে ফিরিয়ে আনল?" তিনি বললেন: ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন: 'ফিরে যান', তাই আমি ফিরে এলাম।

অতঃপর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তবে তো তারা (এর ওপরই) ভরসা করে বসে থাকবে, সুতরাং তাদের ছেড়ে দিন।

তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "ওমর সত্য বলেছে।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ:‌‌ صَلَّيْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، فَجَمَعَ الْمَغْرِبَ بِآذَانٍ، فَلَمَّا فَرَغَ، قَالَ: الصَّلاةُ، فَصَلَّى بِنَا الْعِشَاءَ رَكْعَتَيْنِ، يَعْنِي الْعَتْمَةَ، قُلْتُ: مَا هَذَا يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ؟ قَالَ: «هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَ»
৩ - লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরের (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) সাথে সালাত আদায় করেছি। অতঃপর তিনি এক আজানের মাধ্যমে মাগরিবের সালাত একত্রিত করলেন। যখন তিনি সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন: সালাত। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে ইশার সালাত আদায় করলেন দুই রাকাত—অর্থাৎ আতামাহ (ইশা)। আমি বললাম: হে আবু আবদুর রহমান! এটা কী? তিনি বললেন: «আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এভাবেই করতে দেখেছি»।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ مُؤَدِّبُ بَنِي أَبِي عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُرَيْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ خُدَيْجٍ، عَنْ جَدِّهِ رَافِعِ بْنِ خُدَيْجٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ لِبِلالٍ رضي الله عنه: ‌‌«نُورٌ بِالْفَجْرِ قَدْرُ مَا يُبْصِرُ الرَّجُلُ مَوَاقِعَ نَبْلِهِ»
৪ - মুহাম্মদ লুইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বনু আবু উবায়দুল্লাহর শিক্ষক আবু ইসমাইল আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুরইরা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে খুদাইজ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর দাদা রাফে ইবনে খুদাইজ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বেলাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: «ফজরের সময়কে এমন আলোকিত করো যেন একজন ব্যক্তি তার তীরের পতনের স্থানগুলো দেখতে পায়»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ، عَنْ حَنَشٍ الصَّنْعَانِيِّ، عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ رضي الله عنه، قَالَ:‌‌ أَصَبْتُ يَوْمَ خَيْبَرَ قِلادَةً فِيهَا ذَهَبٌ وَخَرَزٌ، فَأَرَدْتُ بَيْعَهَا، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «افْصِلْ بَعْضَهَا عَنْ بَعْضٍ، ثُمَّ بِعْهَا»
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লুয়াইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, খালিদ বিন আবি ইমরান থেকে, তিনি হানাশ আস-সানআনী থেকে, তিনি ফাদালাহ বিন উবাইদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:‌‌ আমি খায়বার যুদ্ধের দিন একটি কণ্ঠহার লাভ করি যাতে সোনা ও পুঁতি ছিল। আমি সেটি বিক্রি করতে চাইলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট তা উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন: «তুমি এর অংশগুলোকে একটি থেকে অন্যটি পৃথক করো, তারপর তা বিক্রি করো»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه أَرَادَ أَنْ يَنْهَى عَنْ مُتْعَةِ الْحَجِّ، فَقَالَ لَهُ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ رضي الله عنه: «لَيْسَ ذَلِكَ لَكَ،‌‌ قَدْ تَمَتَّعْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَلَمْ يَنْهَنَا عَنْ مُتْعَةٍ بَعْدَ الْحَجِّ» .

قَالَ: فَانْصَرَفَ عُمَرُ
رضي الله عنه عَنْ ذَلِكَ، قَالَ هُشَيْمٌ مَرَّةً فِي الْحَدِيثِ: فَأَرَادَ أَنْ يَنْهَانَا عَنِ الْحُلَلِ الْحِبَرَةِ، وَقَالَ: إِنَّهَا تُصْبَغُ بِالْبَوْلِ، فَقَالَ لَهُ: «إِنَّهُ لَيْسَ ذَاكَ لَكَ، قَدْ لَبِسَهُنَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلَبِسْنَاهُنَّ فِي عَهْدِهِ» .

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: نَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ، فِي هَذَا الْحَدِيثِ، أَنَّ أُبَيًّا رضي الله عنه، قَالَ لَهُ كَمَا قَالَ، وَزَادَ فِيهِ «قَدْ كُفِّنَ فِيهِنَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم»
৬ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট ইউনুস থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হজ্জে তামাত্তু থেকে নিষেধ করার ইচ্ছা করেছিলেন। তখন উবাই ইবনে কাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে বললেন: "এটি আপনার জন্য সংগত নয়, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তামাত্তু করেছি, আর হজ্জের পর তিনি আমাদের তামাত্তু থেকে নিষেধ করেননি।"

বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর উমর
(রাদিয়াল্লাহু আনহু) তা থেকে বিরত হলেন। হুশাইম এই হাদিসের বর্ণনায় একবার বলেছেন: তিনি (উমর) আমাদের ‘হুলালুল হিবারাহ’ (এক প্রকার ইয়ামানি চাদর) পরিধান করতে নিষেধ করার ইচ্ছা করেছিলেন এবং বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই এগুলো প্রস্রাব দিয়ে রঙ করা হয়।" তখন তিনি (উবাই) তাঁকে বললেন: "নিশ্চয়ই এটি আপনার জন্য সংগত নয়; নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এগুলো পরিধান করেছেন এবং আমরাও তাঁর যুগে এগুলো পরিধান করেছি।"

মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট আশ’আস থেকে, তিনি হাসান থেকে এই হাদিসের বর্ণনায় বলেন যে, উবাই (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে অনুরূপ বলেছিলেন এবং তাতে আরও যোগ করেছিলেন যে, "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এগুলোর মধ্যেই কাফন দেওয়া হয়েছিল।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ، وَعَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنَّهَا قَالَتْ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ،‌‌ أَيَرْجِعُ كُلُّ أَهْلِكِ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ غَيْرِي.

قَالَ: «انْفِرِي فَإِنَّهُ يَكْفِيكِ» .

قَالَ الْحَجَّاجُ فِي حَدِيثِهِ: فَأَبْطَأْتُ عَلَى
رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَمَرَهَا أَنْ تَخْرُجَ إِلَى التَّنْعِيمِ، فَتَهِلَّ مِنْهَا بِعُمْرَةٍ، وَقَدَّمَ مَعَهَا أَخَاهَا عَبْدَ الرَّحْمنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ رضي الله عنهما، فَأَهَلَّتْ مِنْهَا بِعُمْرَةٍ، ثُمَّ قَدِمَتْ فَطَافَتْ بِالْبَيْتِ وَسَعَتْ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَقَصَّرَتْ، فَذَبَحَ عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

قَالَ: وَحَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: وَذَبَحَ عَنْهَا بَقَرَةً
৭ - আমাদের নিকট লুওয়াইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাজ্জাজ ও আব্দুল মালিক বর্ণনা করেছেন আতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার পরিবারের সকলে কি হজ ও ওমরাহ পালন করে ফিরবে আমি ব্যতীত?

তিনি বললেন: "তুমি বেরিয়ে পড়ো, কারণ এটিই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।"

হাজ্জাজ তার বর্ণনায় বলেন: আমি আল্লাহর
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসতে বিলম্ব করলাম, তখন তিনি তাকে তানঈমের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার নির্দেশ দিলেন যেন তিনি সেখান থেকে ওমরাহর ইহরাম বাঁধেন। আর তিনি তার সাথে তার ভাই আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রেরণ করলেন। অতঃপর তিনি সেখান থেকে ওমরাহর ইহরাম বাঁধলেন, তারপর ফিরে এসে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করলেন এবং সাফা ও মারওয়ার মাঝে সায়ী করলেন ও চুল ছোট করলেন। এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পক্ষ থেকে কুরবানি করলেন।

তিনি বলেন: এবং আমাদের নিকট হুশাইম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মালিক আতা থেকে, তিনি বলেন: আর তিনি তার পক্ষ থেকে একটি গরু জবেহ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، عَنِ السَّّرِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّعْبِيُّ، قَالَ: بَيْنَا أَنَا فِي ظِلِّ الْكَعْبَةِ أَنْشَدَ نَاسًا مِنْ قُرَيْشٍ، إِذْ أَقْبَلَ لَنَا ابْنُ الزُّبَيْرِ رضي الله عنهما، فَلَمَّا دَنَا مِنَّا سَمِعَ الشِّعْرَ، قَالَ: فَوَاللَّهِ مَا سَلِمَ، قَالَ: فَلَمَّا قَدِمَ عَلَيْنَا، قَالَ: إِنَّ هَذَا الْبَيْتَ لَمْ يُبْنَ لِهَذَا الْحَدِيثِ، وَلَمْ يُخْتَطَّ لِهَذَا الْمَسْجِدِ، فَقَالَ لَهُ شَيْخٌ مِنَ الأَنْصَارِ: يَا ابْنَ الزُّبَيْرِ إِنَّهُ لَيْسَ بِهِ بَأْسٌ إِنْ لَمْ يَفْسَدْ، إِنَّا قَدْ فَعَلْنَا هَذَا بِعَهْدِ مَنْ كَانَ خَيْرًا مِنْكَ وَأَكْرَمَ، وَلَمْ يَنْهَنَا عَنْهُ،‌‌ إِنَّمَا نُهِينَا عَنِ الشِّعْرِ إِذَا مَا رُزِئَتْ فِيهِ لِلأَمْوَالِ وَأُتِيَتْ فِيهِ النِّسَاءُ، وَإِنَّا لَسْنَا نَفْعَلُ ذَلِكَ، فَانْطَلَقَ عَنَّا.

فَانْصَرَفَ ابْنُ الزُّبَيْرِ
৮ - লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আস-সারী ইবনে ইসমাঈল থেকে, তিনি বলেন: আশ-শা'বী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কাবার ছায়ায় কুরাইশদের একদল লোককে কবিতা আবৃত্তি করে শোনাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় ইবনে আয-যুবাইর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদের দিকে এগিয়ে এলেন। যখন তিনি আমাদের নিকটবর্তী হলেন এবং কবিতা শুনলেন, তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, এটি ত্রুটিমুক্ত নয়। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর যখন তিনি আমাদের নিকট উপস্থিত হলেন, তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এই ঘরটি এই ধরণের আলোচনার জন্য নির্মিত হয়নি এবং এই মসজিদটি এর জন্য নকশা করা হয়নি। তখন আনসারদের একজন শাইখ তাকে বললেন: হে ইবনে আয-যুবাইর! এতে কোনো দোষ নেই যদি তা কলুষিত না হয়। নিশ্চয়ই আমরা এটি এমন একজনের যুগে করেছি যিনি আপনার চেয়ে উত্তম এবং অধিক সম্মানিত ছিলেন, অথচ তিনি আমাদের তা থেকে নিষেধ করেননি। নিশ্চয়ই আমাদের কেবল সেই কবিতা থেকে নিষেধ করা হয়েছে যাতে সম্পদের ক্ষতিসাধন করা হয় এবং যাতে নারীদের প্রসঙ্গ (অশ্লীলভাবে) আনা হয়, আর আমরা তো তেমনটি করছি না। অতঃপর তিনি আমাদের নিকট থেকে চলে গেলেন।

ইবনে আয-যুবাইর ফিরে গেলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ مُؤَدِّبُ بَنِي أَبِي عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي الْبِلادِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: «رَأَيْتُ رِجَالا مِنَ الصَّحَابَةِ رضي الله عنهم بِفِنَاءِ الْكَعْبَةِ‌‌ يَتَنَاشَدُونَ الشِّعْرَ»
৯ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ লুওয়াইন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাঈল মুয়াদ্দিব বনী আবি উবায়দিল্লাহ, তিনি আবুল বিলাদ থেকে, তিনি আশ-শা'বী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি কাবার প্রাঙ্গণে সাহাবীগণের (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হন) মধ্য থেকে কিছু ব্যক্তিকে দেখেছি তাঁরা একে অপরকে কবিতা আবৃত্তি করে শোনাচ্ছিলেন।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَأَةَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَبِيهِ،‌‌ أَنَّهُ اشْتَرَى مِنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه دِيبَاجًا مَنْسُوجًا بِالذَّهَبِ بِأَرْبَعَةِ أَلْفِ دِرْهَمٍ لِيَخْرُجَ عَطَاؤُهُ، قَالَ: فَقَبَضَ الذَّهَبَ فَأَصَابَ فِيهِ فَضْلا
10 - আমাদের কাছে লুওয়াইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হুশায়ম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাজ্জাজ ইবনে আরতাত, জাফর ইবনে আমর ইবনে হুরায়স থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন,‌‌ যে তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে চার হাজার দিরহামের বিনিময়ে স্বর্ণখচিত রেশমি বস্ত্র ক্রয় করেছিলেন যাতে তাঁর ভাতা পরিশোধ করা হয়। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি স্বর্ণ গ্রহণ করলেন এবং তাতে কিছু অতিরিক্ত লাভ করলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: ثَنَا أَبُو بِشْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مَاهِكٍ، قَالَ: إِنَّمَا نَهَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه‌‌ عَنِ الْمُتْعَةِ مِنْ أَجْلِ هَذَا الْبَلَدِ، لِيَكُونَ مَوْسِمَانِ فِي عَامٍ لِيُصِيبَ أَهْلُ مَكَّةَ مِنْ مَنْفَعَتِهَا

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ:
حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، قَالَ: قُلْتُ لِعَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ: أَفُرِضَتْ عَلَيْنَا الْعُمْرَةُ كَمَا فُرِضَ عَلَيْنَا الْحَجُّ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: أَفَتَقْضِي مَا وَجَبَ عَلَيْنَا مِنْهَا الْمُتْعَةُ؟ قَالَ: نَعَمْ

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، يَقُولُ: مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ، ثُمَّ أَقَامَ حَتَّى يَحُجَّ فَعَلَيْهِ الْهَدْيُ، فَإِنْ هُوَ انْصَرَفَ إِلَى بَلَدِهِ ثُمَّ حَجَّ مِنْ عَامِهِ ذَلِكَ فَلا هَدْيَ عَلَيْهِ.

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ، عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّهُ قَالَ ذَلِكَ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْمُغِيرَةُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: قُلْتُ لَهُ: أَرَأَيْتَ الَّذِينَ يَعْتَمِرُونَ فِي رَجَبٍ، ثُمَّ يُقِيمُونَ حَتَّى يَحُجُّوا، أَمُتَمَتِّعُونَ هُمْ؟ قَالَ: لا، وَلَكِنَّ الْمُتَمَتِّعَ مَنْ أَهَلَّ بِالْعُمْرَةِ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ، ثُمَّ قَامَ حَتَّى يَحُجَّ، فَهُوَ مُتَمَتِّعٌ وَعَلَيْهِ مَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ، وَالصَّوْمِ إِنْ لَمْ يَجِدْ.

قَالَ هُشَيْمٌ فِي حَدِيثِ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ: فَإِنْ رَجَعَ إِلَى مِصْرِهِ ثُمَّ حَجَّ مِنْ عَامِهِ ذَلِكَ فَلا هَدْيَ عَلَيْهِ

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِيمَنِ اعْتَمَرَ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ، ثُمَّ قَامَ حَتَّى يَحُجَّ، أَوِ انْصَرَفَ إِلَى بِلادِهِ ثُمَّ حَجَّ مِنْ عَامِهِ: فَعَلَيْهِ الْهَدْيُ.

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، وَسَعِيدٌ، وَعَطَاءٌ، قَالُوا: الْمُسْتَحَاضَةُ تُصَلِّي وَتَصُومُ، وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا.

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، وَهُشَيْمٌ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: لَيْسَ فِي سَجْدَتَيِ السَّهْوِ سَهْوٌ.
১১ - মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বিশর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইউসুফ বিন মাহিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: উমর বিন আল-খাত্তাব (রা.) তামাত্তু হজ থেকে কেবল এই শহরের (মক্কার) খাতিরেই নিষেধ করেছিলেন, যেন এক বছরে দুটি মৌসুম (হজ ও উমরার জন্য পৃথক সফর) হয় এবং মক্কাবাসীরা এর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে।

লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন:
হুশাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: দাউদ বিন আবি হিন্দ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আতা বিন আবি রাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম: আমাদের ওপর কি উমরা তেমনি ফরজ করা হয়েছে যেমন হজ ফরজ করা হয়েছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তবে কি আমাদের ওপর যা ওয়াজিব হয়েছে তা কি তামাত্তু আদায় করে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিবকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি হজের মাসগুলোতে উমরার ইহরাম বাঁধল, অতঃপর হজের সময় পর্যন্ত অবস্থান করল, তার ওপর হাদি (কুরবানি) আবশ্যক। আর যদি সে নিজ শহরে ফিরে যায় এবং পুনরায় সেই বছর হজ করে, তবে তার ওপর কোনো হাদি নেই।

লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনিও এ কথাই বলেছেন।

মুহাম্মদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুগীরা ইবরাহীম থেকে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম: আপনি তাদের ব্যাপারে কী বলেন যারা রজব মাসে উমরা করে এবং হজের সময় পর্যন্ত অবস্থান করে, তারা কি তামাত্তুকারী? তিনি বললেন: না, বরং তামাত্তুকারী সেই ব্যক্তি যে হজের মাসগুলোতে উমরার ইহরাম বাঁধে এবং হজের সময় পর্যন্ত অবস্থান করে; সেই ব্যক্তিই তামাত্তুকারী এবং তার ওপর সহজলভ্য হাদি আবশ্যক, আর যদি সে তা না পায় তবে রোজা রাখা আবশ্যক।

হুশাইম ইবরাহীম থেকে মুগীরার হাদীসে বর্ণনা করেছেন: যদি সে নিজ শহরে ফিরে যায় এবং পুনরায় সেই বছর হজ করে, তবে তার ওপর কোনো হাদি নেই।

লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস বিন উবাইদ থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বলতেন যে হজের মাসগুলোতে উমরা করেছে এবং হজের সময় পর্যন্ত অবস্থান করেছে অথবা নিজ শহরে ফিরে গিয়ে সেই বছরই হজ করেছে: তার ওপর হাদি আবশ্যক।

লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান, সাঈদ এবং আতা থেকে বর্ণনা করেন, তারা বলেছেন: ইস্তিহাজাগ্রস্ত নারী নামাজ পড়বে, রোজা রাখবে এবং তার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে।

লুয়াইন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি হাসান থেকে এবং হুশাইম মুগীরা থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: সাহু সেজদার মধ্যে কোনো ভুল (পুনরায় সাহু সেজদা) নেই।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عَامِرٍ، رَفَعَهُ وَعَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ عَامِرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يَؤُمُّ أَحَدٌ بَعْدِي جَالِسًا»
১২ - মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি একে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এবং আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমার পরে কেউ বসে ইমামতি করবে না»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم «كَانَ‌‌ إِذَا سَافَرَ أَمَرَ عَلِيًّا رضي الله عنه أَنْ يَثْلِمَ الْحِيطَانَ لِيَأْكُلَ النَّاسُ مِنَ التَّمْرِ»

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ:
حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ عَنِ الْخُنْثَى، فَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ: يُلْصَقُ بِالْحَائِطِ، فَإِنْ بَالَ عَنِ الْحَائِطِ فَهُوَ غُلامٌ، وَإِنْ بَالَ بَيْنَ فَخْذَيْهِ فَهُوَ جَارِيَةٌ، قَالَ: فَقَالَ سَعِيدٌ: فَإِنْ بَالَ فِيهِمَا جَمِيعًا، قَالَ: قُلْتُ لا أَدْرِي، قَالَ: مِنْ أَيِّهِمَا سَبَقَ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ، سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ عَنِ النَّشْرَة، فَأَمَرَنِي بِهَا، قَالَ: قُلْتُ: أُحَدِّثُ بِهَا مَنْ عِنْدَنَا عَنْكَ، قَالَ: نَعَمْ.

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمُ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ: لَمَّا افْتَتَحَ الْمُسْلِمُونَ السَّوَادَ.
১৩ - লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারীক আমাদের নিকট জাবির থেকে, তিনি আবু জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «তিনি যখন সফরে যেতেন, তখন আলীকে (রাযিয়াল্লাহু আনহু) নির্দেশ দিতেন যেন তিনি প্রাচীরে ছিদ্র করে দেন যাতে মানুষ খেজুর খেতে পারে।»

লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে হিজড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তাকে জাবির ইবনে যাইদের বক্তব্য জানালাম যে: (পরীক্ষার জন্য) তাকে দেয়ালের সাথে ঠেকিয়ে রাখা হবে; যদি সে দেয়ালের দিকে প্রস্রাব করে তবে সে বালক, আর যদি দুই উরুর মাঝখান দিয়ে প্রস্রাব করে তবে সে বালিকা। বর্ণনাকারী বলেন: সাঈদ বললেন: যদি সে উভয় দিক দিয়েই প্রস্রাব করে? আমি (কাতাদাহ) বললাম: আমি জানি না। তিনি বললেন: যেখান দিয়ে আগে প্রস্রাব নির্গত হবে (সেটাই ধর্তব্য)।

মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবকে 'নুশরাহ' (যাদু দূর করার ঝাড়ফুঁক) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে এর অনুমতি দিলেন। আমি বললাম: আমি কি আমার এখানে থাকা লোকদের নিকট আপনার পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ।

লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট মুগীরাহ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন: যখন মুসলিমগণ সওয়াদ বিজয় করলেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَنْ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«صَلَّى عَلَى قَبْرٍ رَطْبٍ» .

قَالَ: قِيلَ لَهُ: مَنْ حَدَّثَكَ؟ قَالَ: ابْنُ عَبَّاسٍ
১৪ - মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শাবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাকে এমন এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন যে তিনি «একটি আর্দ্র কবরের ওপর সালাত আদায় করেছেন»।

তিনি বলেন: তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনার নিকট কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন: ইবনে আব্বাস।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بَسْطَامٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو مَالِكٍ بِشْرُ بْنُ غَالِبِ بْنِ بِشْرٍ الأَسْدِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُجَمِّعِ بْنِ جَارِيَةَ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَمِّهِ رضي الله عنه، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِنَّ الْحَيَاءَ شُعْبَةٌ مِنْ شُعَبِ الإِيمَانِ، وَلا إِيمَانَ لِمَنْ لا حَيَاءَ لَهُ، وَإِنَّمَا يُدْرَكُ الْخَيْرُ كُلُّهُ بِالْعَقْلِ، وَلا دِينَ لِمَنْ لا عَقْلَ لَهُ»
১৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন সুলায়মান লুয়াইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন বাসতাম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু মালিক বিশর বিন গালিব বিন বিশর আল-আসাদি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি যুহরি থেকে, তিনি মুজাম্মি বিন জারিয়া আল-আনসারি থেকে, তিনি তাঁর চাচার সূত্রে (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই লজ্জা ঈমানের অন্যতম একটি শাখা, আর যার লজ্জা নেই তার কোনো ঈমান নেই; এবং সকল কল্যাণ কেবল আকল বা বুদ্ধির মাধ্যমেই অর্জন করা যায়, আর যার আকল বা বুদ্ধি নেই তার কোনো দ্বীন নেই।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: قُلْتُ لِلْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ: " نَهَانَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه‌‌ عَنِ الْمُتْعَةِ، فَقَالَ: نَهَى عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ رضي الله عنه "
১৬ - লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আউন থেকে, তিনি বলেন: আমি আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মাদকে বললাম: "উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আমাদের মুত'আ করতে নিষেধ করেছেন। তখন তিনি বললেন: উসমান ইবনে আফফান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) নিষেধ করেছেন।"
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَثْقَلُ شَيْءٍ وُضِعَ فِي الْمِيزَانِ حُسْنُ الْخُلُقِ»
১৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনে মামলাক থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মীযানে রাখা সবচেয়ে ভারী বস্তু হলো উত্তম চরিত্র»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، ‌‌«أَنَّ زَيْدًا جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَشْكُو زَوْجَهُ، فَأَمَرَهُ أَنْ يُمْسِكَهَا» .

فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل {وَتُخْفِي فِي نَفْسِكَ مَا اللَّهُ مُبْدِيهِ} [الأحزاب: 37] "
১৮ - লুইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে যাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, «যাইদ আল্লাহর রাসূলের (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক) নিকট আসলেন তাঁর স্ত্রীর ব্যাপারে অভিযোগ করতে, তখন তিনি তাঁকে আদেশ করলেন যেন তিনি তাঁকে নিজের কাছেই রাখেন (বিচ্ছেদ না করেন)»।

অতঃপর মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন: {এবং আপনি আপনার অন্তরে যা গোপন করছিলেন আল্লাহ তা প্রকাশকারী} [আল-আহযাব: ৩৭] "
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ ، مَوْلَى الأَنْصَارِ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِيهِ يَزِيدَ بْنِ شَرِيكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا ذَرٍّ رضي الله عنه، يَقُولُ: ‌‌«كَانَتِ الْمُتْعَةُ لَنَا أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَاصَّةً»

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ لُوَيْنٌ، قَالَ:
حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ. . . . .: نَقْلُ الْحُرَّةِ إِلَى الثُّغُورِ.

فَقَالَ: لَلأَمَةُ أَيْسَرُ.

حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْحَاقَ، وَهُوَ يُسْئَلُ عَنِ صَلاةِ الْخَائِفِ، فَحَدَّثَنَا عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: يُصَلِّي رَكْعَةً.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَزَارِيُّ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ يُومِئُ إِيمَاءً يَجْعَلُ السُّجُودَ أَخْفَضَ مِنَ الرُّكُوعِ.
১৯ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হুশাইম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আনসারদের মুক্তদাস আবু সাঈদ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবরাহীম আত-তাইমী তাঁর পিতা ইয়াযীদ ইবনে শারীক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন: «মুতা (সাময়িক বিবাহ) বিশেষভাবে আমাদের জন্য—আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের জন্য—ছিল»

আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান লুওয়াইন হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমাদের নিকট আবু ইসহাক আল-ফাযারী হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন . . . . .: স্বাধীন নারীকে সীমান্ত এলাকায় স্থানান্তর করা সম্পর্কে।

অতঃপর তিনি বললেন: দাসীদের জন্য বিষয়টি সহজতর।

লুওয়াইন আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু ইসহাককে বলতে শুনেছি যখন তাঁকে ভীত ব্যক্তির (ভয়ের সময়ের) সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল, তখন তিনি আমাদের নিকট হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সে এক রাকাত সালাত আদায় করবে।

মুহাম্মাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-ফাযারী মুগীরাহ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে এবং ইশারার মাধ্যমে ইশারা করবে, আর সিজদাহকে রুকুর চেয়ে বেশি নিচু করবে।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، أَنَّ‌‌ عَبْدًا وَجَدَ رِكْزَةً فِي عَهْدِ عُمَرَ رضي الله عنه، فَأَخَذَهَا مِنْهُ عُمَرُ، وَابْتَاعَهَا مِنْهَا فَأَعْتَقَهُ، فَأَعْطَاهُ مِنْهَا مَالا، وَجَعَلَ سَائِرَهَا فِي مَالِ اللَّهِ
২০ - মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক আল-ফাজারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি আমর ইবনে শুয়াইব থেকে বর্ণনা করেন যে,‌‌ উমর (রা.)-এর যুগে এক দাস একটি গুপ্তধন খুঁজে পেয়েছিল। তখন উমর (রা.) সেটি তার নিকট থেকে গ্রহণ করেন এবং তার বিনিময়ে তাকে (মালিকের নিকট থেকে) ক্রয় করে মুক্ত করে দেন। অতঃপর তিনি তাকে সেই সম্পদ হতে কিছু অর্থ প্রদান করেন এবং সেটির অবশিষ্টাংশ আল্লাহর সম্পদে (রাষ্ট্রীয় কোষাগারে) অন্তর্ভুক্ত করেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَزَارِيُّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«بَعَثَهُ وَجَوَارِيَ خَيْبَرَ، وَكَانَ بَدْرِيًّا، سَرِيَّةً وَحْدَه»
২১ - আমাদের নিকট লুইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফাযারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম থেকে, তিনি মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম «তাঁকে এবং খায়বারের দাসীদের প্রেরণ করেছিলেন; আর তিনি বদর যুদ্ধের অংশগ্রহণকারী ছিলেন, তাঁকে একাকী একটি সামরিক অভিযানে পাঠিয়েছিলেন»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفَزَارِيُّ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‌‌«بَايَعَ النِّسَاءَ وَعَلَى يَدِهِ ثَوْبٌ»
২২ - আমাদের নিকট লুওয়াইন হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ফাযারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুগীরা হতে, তিনি ইবরাহীম হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) «নারীদের নিকট থেকে বায়াত গ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর হাতের ওপর একটি কাপড় ছিল»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، أَنَّ سَوْدَاءَ أَوْ أَسْوَدَ، كَانَ يُقِيمُ فِي الْمَسْجِدِ، فَمَاتَ فَدُفِنَ لَيْلا، فَسَأَلَ عَنْهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «مَا فَعَلَ ذَاكَ الإِنْسَانُ» .

فَقَالُوا: مَاتَ فَدَفَنَّاهُ لَيْلا.

قَالَ: " أَفَلا كُنْتُمْ أَعْلَمْتُمُونِي بِهِ، فَدَلُّوهُ عَلَى قَبْرِهَا، فَصَلَّى عَلَيْهَا، ثُمَّ قَالَ: ‌‌«إِنَّ هَذِهِ الْقُبُورَ مَمْلُوءَةٌ ظُلْمَةً عَلَى أَهْلِهَا، وَإِنَّ اللَّهَ عز وجل يُنَوِّرُ عَلَيْهِمْ فِيهَا بِصَلاتِي عَلَيْهِمْ»
২৩ - আমাদের নিকট লুইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাম্মাদ ইবনে যাইদ বর্ণনা করেছেন সাবিত আল-বুনানী থেকে, তিনি আবু রাফে থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা অথবা পুরুষ মসজিদে অবস্থান করতেন। তিনি মারা গেলে তাঁকে রাতে দাফন করা হলো। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং বললেন: «সেই ব্যক্তিটির কী হলো?» .

তাঁরা বললেন: তিনি মারা গেছেন, তাই আমরা তাঁকে রাতে দাফন করেছি।

তিনি বললেন: "কেন তোমরা আমাকে এ সংবাদ দিলে না?" অতঃপর তাঁরা তাঁকে তাঁর কবরের পথ দেখিয়ে দিলেন এবং তিনি তাঁর জানাজা পড়লেন। তারপর তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই এই কবরসমূহ এর বাসিন্দাদের জন্য অন্ধকারে পরিপূর্ণ, আর আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী তাদের জন্য এতে আমার সালাত আদায়ের মাধ্যমে আলোক দান করেন তাদের উপর»
(খণ্ড: ১) হাদিসু লুওয়াইন আল-মাসিসি (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ لُوَيْنٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ:‌‌ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ حَضْرَ مَوْتَ وَرَجُلٌ مِنْ كِنْدَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ الْحَضْرَمِيُّ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا قَدْ غَلَبَنِي عَلَى أَرْضٍ كَانَتْ لأَبِي، فَقَالَ الْكِنْدِيُّ: هَذِهِ أَرْضِي وَفِي يَدِي، أَزْرَعُهَا، مَا لَهُ فِيهَا حَقٌّ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْحَضْرَمِيِّ: «أَلَكَ بَيِّنَةٌ؟» .

قَالَ: لا، قَالَ: «فَلَكَ يَمِينُهُ» .

فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ لَيْسَ يُبَالِي عَلَى مَا حَلَفَ عَلَيْهِ ، لَيْسَ يَتَوَرَّعُ مِنْ شَيْءٍ، قَالَ: «لَيْسَ لَكَ مِنْهُ إِلا ذَاكَ» .

قَالَ: فَانْطَلَقَ لِيَحْلِفَ لَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَهُ لَمَّا أَدْبَرَ: «لَئِنْ حَلَفَ عَلَى مَالِهِ ظُلْمًا لِيَأْخُذَهُ، لَيَلْقَى اللَّهَ وَهُوَ مُعْرِضٌ عَنْهُ»
২৪ - মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান লুওয়াইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াইল থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:‌‌ হাদরামাউতের একজন ব্যক্তি এবং কিন্দাহর একজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন। তখন হাদরামি ব্যক্তিটি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয় এই ব্যক্তিটি আমার পিতার মালিকানাধীন একটি জমির ব্যাপারে আমার ওপর প্রাবল্য বিস্তার করেছে। তখন কিন্দাহর ব্যক্তিটি বললেন: এটি আমার জমি এবং এটি আমার হাতেই রয়েছে, আমি এতে চাষাবাদ করি; এতে তার কোনো অধিকার নেই। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাদরামি ব্যক্তিকে বললেন: «তোমার কি কোনো প্রমাণ আছে?»।

সে বলল: না। তিনি বললেন: «তাহলে তোমার জন্য তার শপথ (পাওনা রইল)»।

সে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! সে কিসের ওপর শপথ করছে সে ব্যাপারে সে কোনো পরোয়া করে না, সে কোনো কিছু থেকেই বিরত থাকে না। তিনি বললেন: «তার নিকট থেকে তোমার জন্য এটি ব্যতীত আর কিছু নেই»।

বর্ণনাকারী বলেন: তারপর সে তার জন্য শপথ করতে রওনা হলো। যখন সে পিঠ ফিরিয়ে চলে যাচ্ছিল, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সম্পর্কে বললেন: «যদি সে অন্যায়ভাবে তার সম্পদ আত্মসাৎ করার জন্য শপথ করে, তবে অবশ্যই সে আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তিনি (আল্লাহ) তার থেকে বিমুখ থাকবেন»।