(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: -)
أحاديث منتقاة من سماعات ابن الشيخة القسم: كتب السنة
الكتاب: أحاديث منتقاة من سماعات ابن الشيخة
المؤلف: عبد الرحمن بن أحمد بن مبارك بن حماد بن تركي الغزي الشيخ الزاهد زين الدين أبو الفرج المعروف بابن الشيخة المصري الحسيني (ت 799هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 19
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইবনুল শায়খার শ্রুতিসমূহ হতে নির্বাচিত হাদীসসমূহ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: ইবনুল শায়খার শ্রুতিসমূহ হতে নির্বাচিত হাদীসসমূহ
লেখক: আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন মুবারক বিন হাম্মাদ বিন তুর্কি আল-গাজ্জি, শায়খুল জাহিদ যাইনুদ্দীন আবুল ফারাজ, ইবনুল শায়খা আল-মিসরি আল-হুসাইনি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৭৯৯ হিজরি)
প্রকাশক: ইসলাম নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত জাওয়ামিউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৯
শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ أَحَادِيثُ عَوَالٍ وَفَوَائِدُ مُنْتَقَاةٌ مِنْ سَمَاعَاتِ الشَّيْخِ الْمُسْنِدِ أَبِي الْفَرَجِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ الْغَزِّيِّ الشَّافِعِيِّ ، الشَّهِيرِ بِابْنِ الشَّيْخَةِ.
تَخْرِيجُ الْحَافِظِ وَلِيِّ الدِّينِ أَبِي زُرْعَةَ أَحْمَدَ بْنِ الْحَافِظِ أَبِي الْفَضْلِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْعِرَاقِيِّ الْحَافِظِ.
بسم الله الرحمن الرحيم
একটি খণ্ড, যাতে রয়েছে উচ্চ সনদবিশিষ্ট হাদিসসমূহ এবং সংকলিত ফায়দাসমূহ; যা শায়খ, মুসনিদ আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন মুবারক আল-গাজ্জি আশ-শাফিয়ি—যিনি ইবনুল শায়খা নামে প্রসিদ্ধ—এর শ্রুত বিষয়াদি থেকে সংগৃহীত।
হাফেজ ওয়ালিউদ্দীন আবু জুরআ আহমদ বিন হাফেজ আবুল ফজল আবদুর রহীম বিন আল-হুসাইন বিন আবদুর রহমান আল-ইরাকি আল-হাফেজ কর্তৃক সংকলিত।
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - قَالَ سَيِّدُنَا وَمَوْلانَا وَشَيْخُنَا شَيْخُ الإِسْلامِ جَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْفَتْحِ إِبْرَاهِيمُ ابْنُ سَيِّدِنَا وَمَوْلانَا شَيْخِ الإِسْلامِ عَلاءِ الدِّينِ أَبِي الْفُتُوحِ عَلِيِّ ابْنِ الْقَاضِي قُطْبِ الدِّينِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْقُرَشِيِّ الْقَلْقَشَنْدِيِّ الشَّافِعِيِّ ، فَسَّحَ اللَّهُ تَعَالَى فِيْ مَدَّتِهِ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْعَلامَةُ قَاضِي الْمُسْلِمِينَ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَلاحٍ الأُمَوِيُّ الشَّهِيرُ بِابْنِ الْمُجْمَرَةِ، وَبِابْنِ السِّمْسَارِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنا أَسْمَعُ، فِيِ الْخَامِسِ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ الْمُعَظَّمِ قَدْرُهُ مِنْ شَهْرٍ، سَنَةَ سَبْعٍ وَثَلاثِينَ وَثَمَانِ مِائَةٍ، وَالشَّيْخَةُ الصَّالِحَةُ الْمُكْثِرَةُ أُمُّ الْفَضْلِ هَاجَرُ الْقُدْسِيَّةُ، سَمَاعًا عَلَيْهَا، قَالَتْ هِيَ، وَابْنُ السِّمْسَارِ أَخْبَرَنَا بِهِ الشَّيْخُ الإِمَامُ الْمُسْنِدُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ الْغَزِّيُّ الشَّافِعِيُّ، الشَّهِيرُ بِابْنِ الشَّيْخَةِ، سَمَاعًا، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْوَانِيُّ الصُّوفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدُ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْفَضْلِ الْمَرْسِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيِّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الطُّوسِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ الْفُرَاوِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّد عَبْدُ الغَافِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْغَافِرِ الْفَارِسِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ عَمْرَوَيْهِ الْجُلُودِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُفْيَانَ الْفَقِيهُ الزَّاهِدُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ الْقُشَيْرِيُّ، قَالَ: وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: إِنَّهُ لَيَمْنَعُنِي أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدِيثًا كَثِيرًا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«مَنْ تَعَمَّدَ عَلَيَّ كَذِبًا فَلَيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» ، أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِيْ سُنَنِهِ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُليَّةَ، بِهِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ.
وَاتَّفَقَ عَلَيْهِ الشَّيْخَانِ مِنْ حَدِيثِ أَنَسٍ، وَهُوَ أَحَدُ الأَحَادِيثِ الَّتِي قِيلَ فِيهَا: إِنَّهَا بَلَغَتْ حَدَّ التَّوَاتُرِ، فَقَدْ رَوَاهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوُ مِائَةٍ مِنَ الصَّحَابَةِ مِنْهُمْ: الْعَشَرَةُ الْمَشْهُودُ لَهُمْ بِالْجَنَّةِ، وَلا أَعْلَمُ حَدِيثًا رَوَاهُ الْعَشَرَةُ إِلا ثَلاثَةَ أَحَادِيثَ، هَذَا، وَحَدِيثُ رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاةِ، وَحَدِيثُ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ
১ - আমাদের সরদার, আমাদের অভিভাবক ও আমাদের শাইখ, শাইখুল ইসলাম জামালুদ্দীন আবুল ফাতহ ইবরাহীম—যিনি আমাদের সরদার ও অভিভাবক শাইখুল ইসলাম আলাউদ্দীন আবুল ফুতুহ আলী ইবনুল কাজী কুতুবুদ্দীন আহমদ বিন ইসমাঈল আল-কুরাশি আল-কালকাশান্দি আশ-শাফিঈ এর পুত্র (আল্লাহ তাআলা তাঁর আয়ু দীর্ঘায়িত করুন)—তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, আলিম, আল্লামা, মুসলিমদের বিচারপতি আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন সালাহ আল-উমাউয়ি—যিনি ইবনুল মুজমারা ও ইবনুস সিমসার নামে পরিচিত—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম, আটশত সাইত্রিশ হিজরি সনের মহিমান্বিত রমজান মাসের পাঁচ তারিখে। এবং পুণ্যবতী ও বহু হাদিস বর্ণনাকারী শাইখা উম্মুল ফজল হাজার আল-কুদসিয়া তাঁর নিকট সরাসরি শোনার মাধ্যমে। তিনি (হাজার) ও ইবনুস সিমসার বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ, ইমাম, মুসনিদ আবুল ফারাজ আবদুর রহমান বিন আহমদ বিন আল-মুবারক আল-গাজ্জি আশ-শাফিঈ—যিনি ইবনুশ শাইখা নামে পরিচিত—সরাসরি শোনার মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আবু বকর আল-ওয়ানি আস-সুফি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবুল ফজল আল-মারসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-মুয়াইয়াদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আত-তুসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আল-ফজল বিন আহমদ আল-ফুরাওয়ি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ আবদুল গাফির বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল গাফির আল-ফারিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আমরুয়াইহ আল-জুলুদি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন সুফিয়ান আল-ফকিহ আজ-জাহিদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল হুসাইন মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ আল-কুশাইরি। তিনি বলেন: এবং আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জুহাইর বিন হারব। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল—অর্থাৎ ইবনে উলাইয়্যা—আবদুল আজিজ বিন শুয়াইব থেকে, তিনি আনাস (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (আনাস) বলেন: আমাকে তোমাদের কাছে অধিক হাদিস বর্ণনা করা থেকে যা বাধা দেয় তা হলো—রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।” নাসায়ি এটি তাঁর সুনানে ইসহাক বিন ইবরাহীম—যিনি ইবনে উলাইয়্যা থেকে বর্ণনা করেছেন—তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য তাঁর (নাসায়ির) 'বাদাল' (উচ্চমানের বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
শাইখাইন (বুখারি ও মুসলিম) আনাস (রা.)-এর হাদিস থেকে এর ওপর একমত হয়েছেন। এটি সেই সকল হাদিসের অন্তর্ভুক্ত যেগুলোকে মুতাওয়াতির বলা হয়। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে প্রায় একশত সাহাবি এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবিও রয়েছেন। জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সেই দশজন সাহাবিই বর্ণনা করেছেন এমন তিনটি হাদিস ছাড়া আমি অন্য কোনো হাদিস জানি না; (সেই তিনটি হলো:) এই হাদিসটি, সালাতে হাত তোলার হাদিস এবং মোজার ওপর মাসেহ করার হাদিস।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو النُّونِ يُونُسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ بْنِ قَاسِمٍ الدُّبُوسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُقِيرِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِيْ سَادِسَ عَشَرَ مِنْ رَمَضَانَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، بِالْمَدْرَسَةِ الْفَخْرِيَّةِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ نَاصِرٍ السَّلامِيُّ، إِذْنًا، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعيِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَبَّالُ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ عَبْدُ الْحَمِيدِ ، الْحَافِظَانِ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي الْكِرَامِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي مُسْلِمٍ الْفَرَضِيُّ الْمُقْرِئُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْمِصْرِيُّ الْجَوْهَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، لِتِسْعٍ بَقِينِ مِنْ ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، فِيْ مَنْزِلِهِ، حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ القُرَشِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلالٍ، حَدَّثَنِي سُهَيْلٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لا يَحِلُّ لامْرِئٍ أَنْ يَأْخُذَ عَصَا أَخِيهِ بَغَيْرِ طِيبِ نَفْسِهِ، وَذَلِكَ لِشِدَّةِ مَا حَرَّمَ اللَّهُ عز وجل مَالَ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আন-নুন ইউনুস বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল কাবি বিন কাসিম আদ-দাব্বুসি, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান বিন আবি আব্দুল্লাহ বিন আল-মুকির, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৬৪২ হিজরি সনের ১৬ই রমজানে ফখরিয়া মাদরাসায়, তিনি বলেন: হাফিজ আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন নাসির আস-সালামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন অনুমতিক্রমে, আমাদের ইজাযাতক্রমে সংবাদ দিয়েছেন দুই হাফিজ—আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন সাঈদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাব্বাল এবং আবু আব্দুল্লাহ আব্দুল হামিদ, শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-ফজল বিন জাফর বিন আবিল কিরাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমরা তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন আবি মুসলিম আল-ফারদি আল-মুকরি তাঁর সামনে পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আল-মিসরি আল-জাওহারি তাঁর সামনে পাঠ করা অবস্থায়, ৩২৭ হিজরি সনের যিলকদ মাসের নয় দিন অবশিষ্ট থাকতে তাঁর নিজ গৃহে, আমাদের বর্ণনা করেছেন রাবি বিন সুলাইমান আল-মুরাদি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন ওয়াহাব আল-কুরাশি, সুলাইমান বিন বিলাল থেকে, তিনি বলেন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন সুহাইল, আব্দুল্লাহ বিন সাদ থেকে, তিনি আবু হুমাইদ আস-সাঈদি থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: «কোনো ব্যক্তির জন্য তার ভাইয়ের লাঠি তার স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি ব্যতীত গ্রহণ করা হালাল নয়; আর তা হলো আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এক মুসলিমের সম্পদকে অত্যন্ত কঠোরভাবে হারাম করেছেন অন্য মুসলিমের ওপর»
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَلِيٍّ الْخُتَنِيُّ الْحَنَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ ظَافِرِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ رَوَاجٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، وَأَنَا فِيْ آخِرِ الثَّالِثَةِ مِنْ عُمْرِي، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَطَّابِ نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَطِرِ الْقَارِي، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي دَارِهِ بِبَغْدَادَ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى بْنِ زَكَرِيَّا بْنِ الْبَيِّعِ، حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَحَامِلِيُّ، إِمْلاءً، فِيْ شَهْرِ رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ ثَلاثِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمْدَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، حَدَّثَنَا إِيَاسُ بْنُ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ عَيْنًا لِلْمُشْرِكِينَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَسَلَّمَ وَطَعِمَ، ثُمَّ انْسَلَّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«عَلَيَّ الرَّجُلَ، عَلَيَّ الرَّجُلَ، فَاقْتُلُوهُ» .فَابْتَدَأَهُ الْقَوْمُ، فَكَانَ أَبِي يَسْبِقُ الْفَرَسَ شَدًّا، قَالَ: فَسَبَقَهُمْ حتَّى أَخَذَ بِخِطَامِ رَاحِلَتِهِ، ثُمَّ قَتَلَهُ: فَنَفَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَلَبَهُ ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْجِهَادِ مِن صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ.
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي السَّيْرِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَوْنٍ، كِلاهُمَا، عَنْ أَبِي الْعُمَيْسِ ، بِهِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمَا عَالِيًا بِالنِّسْبَةِ إِلَى رِوَايَةِ النَّسَائِيِّ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন উমর বিন হুসাইন বিন আবি বকর বিন আলি আল-খুতানি আল-হানাফি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলি বিন রাওয়াজ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে, তখন আমি আমার বয়সের তৃতীয় বর্ষের শেষাংশে ছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাফিজ আবু তাহির আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সিলাফি আল-আসবাহানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল খাত্তাব নাসর বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-বাতর আল-কারি, বাগদাদে তাঁর নিজ বাসভবনে পাঠ করা অবস্থায়, আমি তাঁকে বললাম: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া বিন জাকারিয়া বিন আল-বাইয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাদি আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আল-মাহামিলি, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনশ ত্রিশ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হামদান বিন উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর বিন আউন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমাইস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াস বিন সালামাহ বিন আল-আকওয়া, তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মুশরিকদের একজন গোয়েন্দা ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলো। সে সালাম দিল এবং আহার করল, অতঃপর সে সটকে পড়ল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
“ঐ লোকটিকে আমার কাছে নিয়ে এসো, ঐ লোকটিকে আমার কাছে নিয়ে এসো এবং তাকে হত্যা করো।”অতঃপর কওমের লোকেরা তার পিছু নিল, আমার পিতা দ্রুত দৌড়ে ঘোড়াকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন: তিনি তাদের আগে বেড়ে গেলেন এমনকি তিনি তার উটের লাগাম ধরে ফেললেন, অতঃপর তাকে হত্যা করলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে প্রাপ্ত মালামাল তাঁকে পুরস্কারস্বরূপ দান করলেন। এটি একটি সহিহ হাদিস, ইমাম বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থের জিহাদ অধ্যায়ে এটি আবু নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম নাসায়ি তাঁর সুনান গ্রন্থের আস-সাইয়ার অধ্যায়ে আহমদ বিন সুলাইমান থেকে, তিনি জাফর বিন আউন থেকে—তাঁরা উভয়ে আবু উমাইস থেকে এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে নাসায়ির বর্ণনার তুলনায় এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের ‘বাদল’ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - وَبِهَذَا الإِسْنَادِ إِلَى الْمَحَامِلِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خِدَاشٍ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ، عَنْ أَبِي الشِّمَالِ بْنِ ضِبَابٍ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " أَرْبَعٌ مِنْ سُنَنِ الْمُرْسَلِينَ: الْخِتَانُ، وَالسِّوَاكُ، وَالتَّعَطُّرُ، وَالنِّكَاحُ " ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي النِّكَاحِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ خِدَاشٍ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً، فَكَأَنَّنِي سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ طِبَرْزَدْ، وَمَاتَ سَنَةَ سَبْعٍ وَسِتِّ مِائَةٍ
৪ - এবং আল-মাহামিলী পর্যন্ত এই সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন: আমাদের নিকট মাহমুদ বিন খিদাশ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্বাদ বিন আল-আওয়াম বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট মাকহুল বর্ণনা করেছেন, আবুশ শিমাল বিন দিবাব থেকে বর্ণিত, আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "রাসূলগণের সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত হলো চারটি বিষয়: খতনা করা, মিসওয়াক করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা এবং বিবাহ করা।" ইমাম তিরমিযী তাঁর সুনান গ্রন্থের বিবাহ অধ্যায়ে এটি বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন খিদাশের সূত্র থেকে, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের ‘মুওয়াফাকাত’ (একই সূত্রে মিলন) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে; যেন আমি এটি আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মা'মার বিন তিবারযাদ থেকে শুনেছি, আর তিনি ৬০৭ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ الْعَسْقَلانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ ظَافِرِ بْنِ عَلِيٍّ، إِجَازَةً، قَالَ: أَخْبَرَنَا الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ، أَوِ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيْنَبِيُّ، فِيْ كِتَابِهِ إِلَيَّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَضْلِ الْقَطَّانُ.
ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الصَّلاحِ، إِجَازَةً مُشَافَهَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ الْحَاسِبِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا جَدِّي لأَبِي الْحَافِظِ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سِلَفَةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ الرِّبْعِيُّ، وَجَمَاعَةٌ بِبَغْدَادَ.
ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ حُسَيْنٍ الْخُتَنِيُّ، إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَخْزُومِيُّ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحَلَبِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ غَالِي بْنِ نَجْمٍ الدِّمْيَاطِيُّ، وَالأَخَوَانِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدٌ، وَأَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ، ابْنَا كُشْتُغْدِيُّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْخَطَّابِيِّ، وَآخَرُونَ سَمَاعًا عَلَيْهِمْ، قَالَ الأَوَّلانِ أَخْبَرَنَا شَيْخُ الشُّيُوخِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمُحْسِنِ الأَنْصَارِيُّ، وَقَالَ الثَّانِي أَيْضًا، وَالْبَاقُونَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدٍ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَمْرِيُّ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَزَّازُ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ الْعَبْدِيُّ.
ح قَالَ طَرَّادٌ الزَّيْنَبِيُّ وَأَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَسْنُونٍ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، قَالا: حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ أَبُو النَّصْرِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "
آتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بَابَ الْجَنَّةِ فَأَسْتَفْتِحُ، فَيَقُولُ الْخَازِنُ: مَنْ أَنْتَ؟ فَأَقُولُ: مُحَمَّدٌ، فَيَقُولُ: بِكَ أُمِرْتُ أَنْ لا أَفْتَحَ لأَحَدٍ قَبْلَكَ " ، أخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِيْ صَحِيحِهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ النَّاقِدِ، وَزُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، كِلاهُمَا، عَنْ أَبِي النَّصْرِ هَاشِمِ بْنِ الْقَاسِمِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا، فَكَأَنَّنِي سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ صَدَقَةَ الْحَرَّانِيِّ، وَمَاتَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَهَذَا فِيْ غَايَةِ الْعُلُوِّ، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
৫ - ইউনুস বিন ইবরাহিম বিন আব্দুল কাবি আল-আসকালানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহহাব বিন জাফির বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইজাজাত সূত্রে, তিনি বলেন: ইমাম হাফিজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট ইস্কান্দারিয়ায় পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবুল ফাওয়ারিস অথবা ইবনে মুহাম্মদ বিন আলী আল-জয়নাবি তার পত্রের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু হুসাইন মুহাম্মদ বিন হুসাইন বিন ফাদল আল-কাত্তান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(হা) এবং আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আবি বকর বিন আস-সালাহ আমাদের নিকট মৌখিক ইজাজাত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আবু কাসিম আব্দুর রহমান বিন মাক্কি বিন আল-হাসিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তার নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, আমার দাদা হাফিজ আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন সিলাফাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আলী বিন হুসাইন আর-رিবয়ি এবং বাগদাদের এক জামাত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(হা) এবং আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন উমর বিন হুসাইন আল-খুতানি আমাদের ইজাজাত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন যদি তা শ্রবণ সূত্রে না হয়ে থাকে, এবং আবুল হাসান আলী বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম আল-মাখজুমি, আবু আব্বাস আহমাদ বিন মানসুর বিন ইবরাহিম আল-হালাবি, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন গালি বিন নাজমুদ দিময়াতি, এবং দুই ভাই আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ও আবু আব্বাস আহমাদ—কুশতুগদি বিন আব্দুল্লাহ আল-খাত্তাবির দুই পুত্র, এবং অন্যান্যরা যাদের থেকে শ্রবণ করা হয়েছে। প্রথম দুইজন বলেন: শাইখুশ শুয়ুখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুহসিন আল-আনসারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। দ্বিতীয় জনও তা বলেছেন। অবশিষ্টরা বলেন: আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনয়িম বিন আলী আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল ফারাজ আব্দুল মুনয়িম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সাদ আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-আমরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাজজাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তারা দুজনে বলেন: আবু আলী ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াজিদ আল-আবদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(হা) তাররাদ আল-জয়নাবি বলেন এবং আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাসনুন আন-নারসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু জাফর মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-বাখতারি আমাদের বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন জাফর আমাদের বর্ণনা করেছেন। তারা দুজনে বলেন: হাশিম বিন আল-কাসিম আবু আন-নাসর আমাদের বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান বিন আল-মুগিরা আমাদের বর্ণনা করেছেন সাবিত আল-বুনানি থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "
আমি কিয়ামতের দিন জান্নাতের দরজায় আসব এবং তা খোলার আবেদন করব। তখন জান্নাতের রক্ষী বলবে: আপনি কে? আমি বলব: মুহাম্মদ। তখন সে বলবে: আপনার ব্যাপারেই আমি আদিষ্ট হয়েছি যে আপনার পূর্বে যেন আর কারো জন্য দরজা না খুলি। " ইমাম মুসলিম এটি তার সহিহ গ্রন্থে আমর বিন মুহাম্মদ আন-নাকিদ এবং জুহাইর বিন হারব থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে আবু নাসর হাশিম বিন আল-কাসিম থেকে। ফলে এটি আমাদের জন্য তার একটি উঁচু স্তরের স্থলাভিষিক্ত (বাদাল আলিন) হিসেবে সাব্যস্ত হলো, যেন আমি এটি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন সাদাকা আল-হাররানি থেকে শুনেছি, যিনি ৫৮৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেছেন। এটি সর্বোচ্চ স্তরের উচ্চতা (সনদ), এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَحْمَدَ الْفَرَّاءُ الْوَانِيُّ الدِّمَشْقِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا الْقَاهِرَةَ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ رِزْقِ اللَّهِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمَقْدِسِيُّ النَّابُلْسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ الأَصْبَهَانِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا دِمَشْقَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِيْ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ ثَلاثٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي عَلِيٍّ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَدَّادِ، بِأَصْبَهَانَ، وَأَنَا حَاضِرٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِصَامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، يَقُولُ: إِنَّ أَعْرَابِيًّا، قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: مَتَّى السَّاعَةُ؟ قَالَ: «هِيَ آتِيَةٌ، فَمَا أَعْدَدْتَ لَهَا؟» قَالَ: مَا أَعْدَدْتُ لَهَا مِنْ كَثِيرِ عَمَلٍ، إِلا أَنِّي أُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ.
قَالَ:
«الْمَرْءُ مَعَ مَنْ أَحَبَّ» ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي حَمْزَةَ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّضْرِ بْنِ ضَمْضَمِ بْنِ زَيْدِ بْنِ حَرَامِ بْنِ جُنْدُبِ بْنِ عَامِرِ بْنِ غُنْمِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ النَّجَّارِ الأَنْصَارِيِّ الْبُخَارِيِّ الْمَدَنِيِّ، خَادِمِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَوَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا عُشَارِيًّا، وَهَذَا مِنْ أَعْلَى الْعُلُوِّ بِالدِّيَارِ الْمِصْرِيَّةِ
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবন আবদুর রহমান ইবন আবি বকর ইবন আহমাদ আল-ফাররা আল-ওয়ানি আদ-দিমাশকি, তিনি কায়রোতে আমাদের নিকট এসেছিলেন, এবং আবু আল-হাসান আলি ইবন রিযকুল্লাহ ইবন মানসুর আল-মাকদিসি আন-নাবলুসি—তাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম। তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস আহমাদ ইবন আবদুদ দায়িম ইবন নি'মাহ আল-মাকদিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবন মাহমুদ আল-আসবাহানি, তিনি দামেস্কে আমাদের নিকট এসেছিলেন, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম, ৫৮৩ হিজরি সনের মুহাররম মাসে। তিনি বলেন: ইসফাহানে আবু আলি আল-হাসান ইবন আহমাদ আল-হাদ্দাদের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন জাফর ইবন ফারিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন ইসাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবন সাদ, তিনি বলেন: আমি আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: একজন গ্রাম্য ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন: কিয়ামত কখন হবে? তিনি বললেন: «তা তো অবশ্যই আসবে, তবে তুমি তার জন্য কী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ?» তিনি বললেন: আমি তার জন্য খুব বেশি আমল প্রস্তুত করতে পারিনি, তবে আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসি।
তিনি বললেন:
«ব্যক্তি তারই সাথে থাকবে যাকে সে ভালোবাসে», এটি একটি সহিহ হাদিস যার বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে, এটি আবু হামযাহ আনাস ইবন মালিক ইবনুন নাদর ইবনু দামদাম ইবনু যাইদ ইবনু হারাম ইবনু জুনদুব ইবনু আমির ইবনু গুনম ইবনু আদি ইবনুন নাজ্জার আল-আনসারি আল-বুখারি আল-মাদানি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খাদেম-এর বর্ণিত হাদিস। এটি আমাদের নিকট দশ রাবির উচ্চ সনদে পৌঁছেছে, আর এটি মিশরীয় ভূখণ্ডে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ের উচ্চতর সনদসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْوَانِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ رِزْقِ اللَّهِ بْنِ مَنْصُورٍ الْمَقْدِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْقَاهِرَةِ ، مُفْتَرِقِينَ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي الْعَشْرِ الأُوَلِ مِنْ صَفَرَ مِنْ سَنَةِ ثَلاثٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْهَيْثَمِ الصَّبَّاغُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ، فِي سَنَةِ إِحْدَى عَشْرَةَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُعْتَزِّ بْنِ مَنْصُورٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي طَاهِرٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ صَالِحِ بْنِ بَكْرٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَنَا جَدِّي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا الْعَلاءُ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "
إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَمَلُهُ إِلا مِنْ ثَلاثٍ: صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ، أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ، أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ " ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الْوَصَايَا مِنْ صَحِيحِهِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةَ، وَعَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ.
وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ.
وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ، وَالنَّسَائِيُّ، جَمِيعًا، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ، ثَلاثَتُهُمْ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، بِهِ فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لِمُسْلِمٍ فِي أَحَدِ شُيُوخِهِ، وَلِلتِّرْمِذِيِّ، وَلِلنَّسَائِيِّ، وَبَدَلا عَالِيًا لِمُسْلِمٍ فِي شَيْخَيْهِ الآخَرَيْنِ، وَلأَبِي دَاوُدَ، وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর আল-ওয়ানি এবং আবুল হাসান আলি ইবনে রিজকুল্লাহ ইবনে মানসুর আল-মাকদিসি, তাঁদের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি কায়রোতে পৃথকভাবে তা শুনেছি, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমাদ ইবনে আবদুদ দাইম ইবনে নিমাহ আল-মাকদিসি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া আস-সাকাফি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, ৫৮৩ হিজরি সালের সফর মাসের প্রথম দশ দিনে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আবদুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হাইসাম আস-সাব্বাগ, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি উপস্থিত থেকে শুনছিলাম, ৫১১ হিজরি সালে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান উবাইদুল্লাহ ইবনে আল-মুতাজ ইবনে মানসুর আন-নিসাবুরি, তিনি আমাদের নিকট আগমন করেন, তিনি বলেন: আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে আল-ফাদল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ ইবনে আল-মুগিরা ইবনে সালিহ ইবনে বকর-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুজাইমাহ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে হুজর আস-সাদি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে জাফর, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবনে আবদুর রহমান ইবনে ইয়াকুব, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "
যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি ব্যতীত: সদকায়ে জারিয়া, অথবা এমন জ্ঞান যা দ্বারা উপকৃত হওয়া যায়, অথবা এমন নেক সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।" , এটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থের অসিয়ত অধ্যায়ে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, কুতাইবা এবং আলি ইবনে হুজর থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং আবু দাউদ এটি ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং তিরমিজি ও নাসাঈ উভয়েই এটি আলি ইবনে হুজর থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা তিনজনই ইসমাইল ইবনে জাফরের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য মুসলিমের একজন শায়খের সূত্রে, এবং তিরমিজি ও নাসাঈর সূত্রে 'মুওয়াফাকাত আলিয়া' হিসেবে এবং মুসলিমের অপর দুইজন শায়খ ও আবু দাউদের বিপরীতে 'বাদাল আলি' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর আল্লাহই তাওফিক দানকারী।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو النُّونِ يُونُسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ الدَّبَابِيسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُرَجَّا بْنُ شُقَيْرَةَ الْوَاسِطِيُّ، إِجَازَةً، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الْكِتَّانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُكْرَمِ الْمُبَارَكُ بْنُ فَاخِرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ النَّحْوِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا وَاسِطَ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: قَالَ اللَّهُ عز وجل:
«الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ، يَدَعُ شَهْوَتَهُ وَأَكْلَهُ وَشُرْبَهُ مِنْ أَجْلِي ، وَالصَّوْمُ جُنَّةٌ، وَلِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ، فَرْحَةٌ حِينَ يُفْطِرُ، وَفَرْحَةٌ حِينَ يَلْقَى رَبَّهُ تَعَالَى، وَلَخَلُوفُ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ تَعَالَى مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ» ، هَذَا صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُحَمَّدٍ سُلَيْمَانَ بْنِ مِهْرَانَ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ، وَاسْمُهُ ذَكْوَانُ، مَوْلَى جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ امْرَأَةٌ مِنْ قَيْسٍ، وَيُقَالُ: مَوْلًى لِعَبْدِ اللَّهِ غَطْفَانَ مَدَنِيٌّ، كَانَ يَجْلِبُ السَّمْنَ إِلَى الْكُوفَةِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ الدَّوْسِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَالأَصَحُّ فِي اسْمِهِ، وَاسْمِ أَبِيهِ، عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَخْرٍ، مِنْ أَقْوَالٍ كَثِيرَةٍ.
وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ، عَنْ أَبِي نُعَيْمٍ الْفَضْلِ بْنِ دُكَيْنٍ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً
৮ - আবু আল-নুন ইউনুস ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবদ আল-কাউয়ি আল-দাবাবিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবু আল-ফাদল মুরাজ্জা ইবনে শুকাইরা আল-ওয়াসিতি ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁকে বলা হয়েছিল: আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ আল-কিতানি আপনার নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-মুকরাম আল-মুবারক ইবনে ফাখির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আন-নাহবি আমাদের নিকট ওয়াসিত শহরে আগমনকালে সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারি আমাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর আল-কাতিয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আ'মাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: মহান আল্লাহ বলেছেন:
«রোজা কেবল আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব, সে আমারই কারণে তার প্রবৃত্তি, আহার ও পানীয় বর্জন করে। রোজা হচ্ছে ঢাল স্বরূপ। রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে; একটি আনন্দ যখন সে ইফতার করে এবং অন্যটি যখন সে তার মহান রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে। অবশ্যই রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট মিশকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক উত্তম।» এটি সহিহ এবং এর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে সকলে একমত, যা আবু মুহাম্মদ সুলাইমান ইবনে মিহরান আল-আ'মাশের হাদিস থেকে বর্ণিত, তিনি আবু সালিহ আস-সাম্মান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নাম হলো যাকওয়ান, তিনি কাইস গোত্রের জনৈক নারী জুওয়ায়রিয়া বিনতে আল-হারিসের মুক্তদাস ছিলেন। কেউ কেউ বলেন: তিনি আব্দুল্লাহ গাতফানের মুক্তদাস ছিলেন এবং মদিনার বাসিন্দা ছিলেন; তিনি কুফায় ঘি নিয়ে আসতেন। তিনি বর্ণনা করেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবী আবু হুরায়রা আদ-দাওসি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে। বহু মতামতের মধ্যে তাঁর এবং তাঁর পিতার নামের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সঠিক মতটি হলো আব্দুর রহমান ইবনে সাখর।
ইমাম বুখারী তাঁর সহিহ গ্রন্থে এটি আবু নুআইম আল-ফাদল ইবনে দুকাইন থেকে বর্ণনা করেছেন। এর মাধ্যমে আমাদের জন্য একটি সুউচ্চ স্তরের সামঞ্জস্যতা (মুওয়াফাকাতুন আলিয়াতুন) অর্জিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قُرَيْشٍ الْمَخْزُومِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ كُشْتُغْدِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الصَّيْرَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: أَخْبَرَنَا النَّجِيبُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ الصَّيْقَلِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ الْحَرَّانِيُّ الإِسْكَافُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُذْهِبِ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ الْقَطِيعِيُّ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، عَمُّكَ أَبُو طَالِبٍ كَانَ يَحُوطُكَ وَيَفْعَلُ، قَالَ: «إِنَّهُ فِي ضَحْضَاحٍ مِنَ النَّارِ، وَلَوْلا أَنَا كَانَ فِي الدَّرْكِ الأَسْفَلِ» ، متُفَّقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ وَكِيعٍ، بِهِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا عَالِيًا
৯ - দুই শাইখ—আবুল হাসান আলী ইবন ইসমাইল ইবন ইবরাহিম ইবন কুরাইশ আল-মাখজুমি এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন কুশতুগদি ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাইরাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাদের সামনে পাঠ করা হচ্ছিল আর আমি তা শুনছিলাম, তারা উভয়ে বলেন: আন-নাজিব আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবন আব্দুল মুনইম ইবন আলী ইবন নাসর ইবন মানসুর ইবন আস-সাইকাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন আবিল মাজদ আল-হাররানি আল-ইস্কাফ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন আশ-শায়বানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আলী হাসান ইবন আলী ইবনুল মুযহিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমাদ ইবন জাফর ইবন হামদান আল-কাতিয়ি আশ-শায়বানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল রহমান আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবন উমাইর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আব্বাস ইবন আব্দুল মুত্তালিব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, আপনার চাচা আবু তালিব আপনার রক্ষণাবেক্ষণ করতেন এবং আপনার জন্য (বিবিধ কাজ) করতেন। তিনি (রাসুলুল্লাহ ﷺ) বললেন: “সে জাহান্নামের আগুনের এক অগভীর স্তরে আছে; আর আমি না থাকলে সে আগুনের সর্বনিম্ন স্তরে থাকত।” এটি সহিহ হওয়ার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয়েছে (মুত্তাফাকুন আলাইহি)। ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর ইবন আবি শাইবা থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে—এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চস্তরের বর্ণনাক্রম (বাদাল আলিন) হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا الشُّيُوخُ الثَّلاثَةُ، أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ بْنِ سِنَانٍ الزّرْزَارِيُّ عُرِفَ بِابْنِ الْقُطْبِيِّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ كُشْتُغْدِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعَزِّيُّ الصَّيْرَفِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ غَالِي بْنِ نَجْمٍ الدِّمْيَاطِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا النَّجِيبُ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي عِيسَى مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ اللَّبَّانُ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " رَأَيْتُنِي دَخَلْتُُ الْجَنَّةَ، وَسَمِعْتُ خَشْفًا أَمَامِي، فَقُلْتُ: مَنْ هَذَا يَا جِبْرِيلُ؟ فَقَالَ: هَذَا بِلالٌ " ، اتَّفَقَ الشَّيْخَانِ عَلَى إِخْرَاجِهِ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ الْمَاجِشُونِ الْمَدَنِيِّ، هَكَذَا، فَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الْفَضَائِلِ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ الْمِنْهَالِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ، بِحَمْدِ اللَّهِ تَعَالَى وَعَوْنِهِ
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিনজন শায়খ: আবু ইমরান মুসা ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ ইবনে সিনান আল-জারজারি—যিনি ইবনুল কুতবি নামে পরিচিত, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে কুশতুগদি ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আযযি আস-সাইরাফি, এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে গালি ইবনে নাজমু আদ-দিময়াতি; তাঁদের সামনে (হাদীস) পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আন-নাজিব আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনিম ইবনে আলী আল-হাররানি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাকারিম আহমাদ ইবনে আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-লাব্বান—ইজাজতসূত্রে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে হাসান আল-হাদ্দাদ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিজ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে হাবিব। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আবু সালামা। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুনকadir, তিনি জাবের (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: " আমি দেখলাম যে আমি জান্নাতে প্রবেশ করেছি এবং আমার সামনে পদধ্বনি শুনতে পেলাম। আমি বললাম: হে জিবরাঈল, ইনি কে? তিনি বললেন: ইনি বিলাল। " শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) একমত হয়েছেন এটি আব্দুল আজিজ ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে, আবু সালামা আল-মাজিশুন আল-মাদানির সূত্রে বর্ণনা করার ব্যাপারে; ইমাম বুখারী এটি ‘ফাদায়িল’ (মর্যাদা) অধ্যায়ে হাজ্জাজ ইবনুল মিনহাল থেকে, আব্দুল আজিজের সূত্রে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট তাঁর (বুখারীর সূত্রের) ‘বদল’ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে, আল্লাহ তাআলার প্রশংসা ও তাঁরই সাহায্যে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرِ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْمَعْدِنِيُّ الْحَنْبَلِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ الإِسْكَافُ، أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
«جَعَلَ يَوْمَ حُنَيْنٍ لِلْفَرَسِ سَهْمَيْنِ وَلِلرَّجُلِ سَهْمًا» ، وَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ: أَسْهَمَ لِلرَّجُلِ وَلِفَرَسِهِ ثَلاثَةَ أَسْهُمٍ، سَهْمًا لَهُ وَسَهْمَيْنِ لِفَرَسِهِ.
أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي الْجِهَادِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ.
وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، كِلاهُمَا، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ مُحَمَّدِ بْنِ خَازِمٍ الضَّرِيرِ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لأَبِي دَاوُدَ، وَبَدَلا عَالِيًا لابْنِ مَاجَةَ، وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ বিন নাসর বিন আবুল কাসিম আল-মা'দিনি আল-হানবালি, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আবু মুহাম্মদ বিন আলী আল-হাররানি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-ইস্কাফ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আশ-শাইবানি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী আত-তামিমি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন জাফর আল-কাতিয়ি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল। তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুশাইম বিন বাশির, উবাইদুল্লাহ থেকে এবং আবু মুয়াবিয়া বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
«হুনাইনের দিন ঘোড়ার জন্য দুই অংশ এবং ব্যক্তির জন্য এক অংশ নির্ধারণ করেছেন»। আবু মুয়াবিয়া বলেন: তিনি ব্যক্তি ও তার ঘোড়ার জন্য তিন অংশ নির্ধারণ করেছেন; এক অংশ ব্যক্তির জন্য এবং দুই অংশ তার ঘোড়ার জন্য।এটি আবু দাউদ তাঁর 'সুনান'-এর জিহাদ অধ্যায়ে আহমদ বিন হাম্বল থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং এটি ইবনে মাজাহ আলী বিন মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ বিন খাযিম আদ-দাবির থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য আবু দাউদের সাথে একটি সুউচ্চ 'মুওয়াফাকাহ' এবং ইবনে মাজাহর জন্য একটি সুউচ্চ 'বাদাল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর আল্লাহই তাওফিক দানকারী।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخُتَنِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو التُّقَى صَالِحُ بْنُ شُجَاعٍ الْمُدْلَجِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الأَدِيبُ أَبُو مُطِيعٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عُمَرَوَأَبُو سَعِيدٍ النَّقَّاشُ، إِمْلاءً، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ سَهْلِ بْنِ كَثِيرٍ الْوَشَّاءُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ:
«أُمِرَ بِلالٌ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ» ، هَذَا حَدِيثٌ اتَّفَقَ عَلَى إِخْرَاجِهِ الأَئِمَّةُ السِّتَّةُ، فَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، كِلاهُمَا، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عُلَيَّةَ الْبَصْرِيِّ، بِهِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمَا عَالِيًا ، بِحَمْدِ اللَّهِ وَعَوْنِهِ، وَخَالِدٌ هَذَا هُوَ خَالِدُ بْنُ مِهْرَانَ الْحَذَّاءُ أَبُو الْمُنَازِلِ الْبَصْرِيُّ، مَوْلَى يُوِنسُ، وَقِيلَ: مَوْلَى بَنِي مُجَاشِعٍ، وَلَمْ يَكُنْ حَذَّاءً، وَاخْتُلِفَ فِي سَبَبِ انْتِسَابِهِ لِذَلِكَ، فَقَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، فِيمَا حَكَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي التَّارِيخِ: مَا حَذَا نَعْلا قَطُّ، إِنَّمَا كَانَ يَجْلِسُ إِلَى حَذَّاءٍ فَنُسِبَ إِلَيْهِ.
وَكَذَا قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سَعْدٍ: لَمْ يَكُنْ بِحَذَّاءٍ، وَلَكِنْ كَانَ يَجْلِسُ إِلَيْهِمْ.
وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ حَيَّانَ: لَمْ يَحْذِ خَالِدٌ قَطُّ، وَإِنَّمَا كَانَ يَقُولُ: أَحَذَ عَلَى هَذَا النَّحْوِ، فَلُقِّبَ الْحَذَّاءَ، نَقَلَهُ ابْنُ سَعْدٍ، عَنْ فَهْدٍ
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাহাসিন ইউসুফ বিন উমর বিন আল-হুসাইন আল-খুতানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আত-তুক্বা সালিহ বিন শুজা আল-মাদলাজি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিয আবু তাহির আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সিলাফি আল-আসবেহানি, অনুমতিক্রমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিজ্ঞ শাইখ আবু মুতি মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আহমাদ আল-মিসরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন উমর এবং আবু সাঈদ আন-নাক্কাশ, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফিঈ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুসা বিন সাহল বিন কাসীর আল-ওয়াশশা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ, খালিদ থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
"বিলাল (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তিনি আযানের বাক্যগুলো জোড়ায় জোড়ায় এবং ইকামতের বাক্যগুলো বিজোড়ভাবে বলেন।" এটি এমন একটি হাদীস যার সংকলনের ব্যাপারে ছয় ইমাম ঐকমত্য পোষণ করেছেন। ইমাম বুখারী এটি আলী বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং ইমাম মুসলিম এটি ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই ইসমাঈল বিন ইবরাহিম বিন উলাইয়্যাহ আল-বাসরি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর সাহায্যে এটি আমাদের নিকট তাঁদের বর্ণিত হাদীসটির একটি উচ্চমানের 'বাদাল' সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। আর এই খালিদ হলেন খালিদ বিন মিহরান আল-হাজ্জা আবু আল-মানাযিল আল-বাসরি, তিনি ইউনুসের মুক্তদাস ছিলেন, মতান্তরে তিনি বনু মুজাশির মুক্তদাস ছিলেন। তিনি প্রকৃতপক্ষে জুতা নির্মাতা ছিলেন না। তাঁর এই উপাধির কারণ সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে। ইয়াযিদ বিন হারুন বলেন, যা ইমাম বুখারী 'আত-তারিখ'-এ উল্লেখ করেছেন: তিনি কখনো জুতা সেলাই করেননি, বরং তিনি একজন জুতা নির্মাতার পাশে বসতেন, তাই তাঁর দিকে সম্বন্ধ করে তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে।
মুহাম্মাদ বিন সাদ-ও অনুরূপ বলেছেন: তিনি জুতা নির্মাতা ছিলেন না, তবে তিনি তাদের মজলিসে বসতেন।
মুহাম্মাদ বিন হাইয়ান বলেছেন: খালিদ কখনো জুতা তৈরি করেননি, বরং তিনি বলতেন: "এই পদ্ধতির অনুকরণ করো", তাই তাঁকে 'আল-হাজ্জা' উপাধি দেওয়া হয়েছে। ইবনে সাদ এটি ফাহদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ غَالِي بْنِ نَجْمٍ الدِّمْيَاطِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ كُلَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ بَدْرَانَ الْحُلْوَانِيُّ الْمُقْرِئُ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَتْحِ الْعُشَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ شَاهِينَ الْوَاعِظُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ الشَّيْبَانِيُّ، بِدِمَشْقَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُنْقِذٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ بُكَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ سُهَيْلَ بْنَ أَبِي صَالِحٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " وَفْدُ اللَّهِ عز وجل ثَلاثَةٌ: الْغَازِي، وَالْحَاجُّ، وَالْمُعْتَمِرُ " ، أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الْجِهَادِ مِنْ سُنَنِهِ، عَنْ عِيسَى بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، بِهِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا، وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে গালি ইবনে নাজমুদ দিময়াতি, তাঁর কাছে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আব্দুল মুনয়িম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে কুলাইব আল-হাররানি, তাঁর কাছে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে বদরান আল-হুলওয়ানি আল-মুকরি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-ফাতহ আল-উশারি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান ইবনে শাহীন আল-ওয়াইয; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আশ-শায়বানি, দামেস্কে; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে মুনকিয; তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব; মাখরামা ইবনে বুকাইর থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি সুহাইল ইবনে আবু সালিহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মহামহিম আল্লাহর প্রতিনিধিদল তিন প্রকার: আল্লাহর পথের যোদ্ধা, হাজ্বী এবং উমরাকারী।" এটি নাসাঈ তাঁর সুনান-এর জিহাদ অধ্যায়ে উদ্ধৃত করেছেন, ঈসা ইবনে ইবরাহিম থেকে, ইবনে ওয়াহাব-এর সূত্রে; ফলে এটি আমাদের কাছে তাঁর একটি উচ্চ সনদবিশিষ্ট বিকল্প (বাদাল) হিসেবে পৌঁছেছে, আর সকল প্রশংসা আল্লাহর।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو النُّونِ يُونُسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ الْكِنَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْبَرَكَاتِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمَقْدِسِيُّ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْحَافِظُ، حُضُورًا، حَدَّثَنَا أَبُو مُطِيعٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمِصْرِيُّ، بِأَصْبَهَانَ، سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ مَرْدَوَيْهِ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ دُحَيْمٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي حَازِمِ بْنِ أَبِي عُرْوَةَ، قَالَ أَبُو مُطِيعٍ وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سَلامٍ السَّوَّاقُ، قَالا: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرْيَحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ:
كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَنَحْنُ سِتَّةُ نَفَرٍ، فَقَالَ الْمُشْرِكُونَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: اطْرُدْهُمْ لا يَجْتَرِئُونَ عَلَيْنَا.
قَالَ: وَكُنْتُ أَنَا، وَابْنَ مَسْعُودٍ، وَرَجُلا مِنْ هُذَيْلٍ، وَرَجُلَيْنِ نَسِيتُ اسْمَهُمَا، فَوَقَع فِي نَفْسِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَقَعَ، فَحَدَّثْ بِهِ نَفْسَهُ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى: {وَلا تَطْرُدِ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ} [الأنعام: 52] ، وَنَزَلَتْ: {وَكَذَلِكَ فَتَنَّا بَعْضَهُمْ بِبَعْضٍ} [الأنعام: 53] ، إِلَى آخِرِ هَذِهِ الآيَةِ ، أَوْ نَحْوِهِ.
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُوسَى، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا، فَكَأَنَّ شَيْخِي سَمِعَهُ مِنْ أَبِي زُرْعَةَ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَقْدِسِيِّ، وَتُوُفِّيَ سَنَةَ سِتٍّ وَسِتِّينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، بِهَمَذَانَ
১৪ - আবু আল-নুন ইউনুস ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবদুল কাবি আল-কিনানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর সামনে পাঠ করা হচ্ছিল আর আমি শুনছিলাম; আবু আল-বারাকাত হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকদিসি ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হাফিজ আবু তাহির আমাদের উপস্থিতিসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন; আবু মুতি' মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব ইবনে আবদুল আজিজ আল-মিসরি আস্পাহানে ৯১ হিজরি সনে শ্রুতলিখন হিসেবে আমাদের বর্ণনা করেছেন; হাফিজ আবু বকর আহমদ ইবনে মুসা ইবনে মারদুওয়াইহ আমাদের বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে দুহাইম আমাদের বর্ণনা করেছেন; আহমদ ইবনে আবি হাজিম ইবনে আবি উরওয়াহ আমাদের বর্ণনা করেছেন; আবু মুতি' বলেন এবং আবু বকর আমাদের বর্ণনা করেছেন; আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আমাদের বর্ণনা করেছেন; হাসান ইবনে সালাম আস-সাউওয়াক আমাদের বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেছেন: উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা আমাদের বর্ণনা করেছেন; ইসরাঈল আমাদের বর্ণনা করেছেন মিকদাম ইবনে শুরাইহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম এবং আমরা ছিলাম ছয়জন লোক। তখন মুশরিকরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল: তাদের তাড়িয়ে দিন যাতে তারা আমাদের ওপর দুঃসাহস দেখাতে না পারে।
তিনি (সা'দ) বললেন: সেখানে ছিলাম আমি, ইবনে মাসউদ, হুযাইল গোত্রের এক ব্যক্তি এবং দুইজন লোক যাদের নাম আমি ভুলে গেছি। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মনে তেমন কিছু উদয় হলো যা আল্লাহ চাইলেন, আর তিনি মনে মনে তা নিয়ে ভাবছিলেন। তখন আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করলেন: {আর যারা তাদের রবের নিকট সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর চেহারা কামনা করে তাঁর প্রার্থনা করে, তাদেরকে আপনি তাড়িয়ে দেবেন না} [আল-আনআম: ৫২], এবং অবতীর্ণ হলো: {আর এভাবেই আমি তাদের একদলকে অপর দল দ্বারা পরীক্ষা করেছি} [আল-আনআম: ৫৩] এই আয়াতের শেষ পর্যন্ত বা অনুরূপ।
এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম নাসায়ি এটি ইসহাক ইবনে ইবরাহিম থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের ‘বাদাল’ হিসেবে পৌঁছেছে। যেন মনে হয় আমার শায়খ এটি আবু যুরআহ তাহির ইবনে মুহাম্মদ আল-মাকদিসি থেকে শুনেছেন, যিনি ৫৬৬ হিজরি সনে হামাদানে মৃত্যুবরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْحَنَفِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْوَانِيٌّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ زَكِيُّ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَظِيمِ بْنُ عَبْدِ الْقَوِيِّ الْمُنْذِرِيُّ، قَالَ الأَوَّلُ: سَمَاعًا، وَقَالَ الثَّانِي: إِجَازَةً، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفُتُوحِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُبَارَكِ يَعْنِي ابْنَ الْجَلاجِلِيِّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، وَأَبُو الثَّنَاءِ حَمَّادُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ، إِذْنًا، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى، إِمْلاءً، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ أَبُو هَمَّامٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: سُئِلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، " مَتَى وَجَبَتْ لَكَ النُّبُوَّةُ؟ قَالَ: بَيْنَ خَلْقِ آدَمَ وَنَفْخِ الرُّوحِ فِيهِ " ، أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ فِي الْمَنَاقِبِ مِنْ جَامِعِهِ، عَنْ أَبِي هَمَّامٍ الْوَلِيدِ بْنِ شُجَاعِ بْنِ الْوَلِيدِ الْبَغْدَادِيِّ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُ عَالِيًا، وَقَالَ الْحَسَنُ: غَرِيبٌ
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাহাসিন ইউসুফ বিন উমর বিন আল-হুসাইন আল-হানাফি এবং আবুল হাসান আলি বিন উমর বিন আবি বকর আল-ওয়ানি, তাদের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ জাকিউদ্দিন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিম বিন আব্দুল কাবি আল-মুনজিরি; প্রথমজন শ্রবণের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়জন ইজাজতের মাধ্যমে বলেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-মুবারক অর্থাৎ ইবনে আল-জালাজিলি—তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, এবং আবু সানা হাম্মাদ বিন হিবাতুল্লাহ—অনুমতির মাধ্যমে, তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আল-হুসাইন বিন আলি—তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আল-বাজ্জাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ঈসা বিন আলি বিন ঈসা—শ্রুতলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তাঁকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাম্মাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন মুসলিম, আওজায়ি থেকে, ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, “আপনার জন্য নবুওয়াত কখন অবধারিত হয়েছিল? তিনি বললেন: আদমের সৃষ্টি এবং তাতে রুহ ফুঁকে দেওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে।” এটি তিরমিযী তাঁর জামে’র ‘মানাকিব’ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন আবু হাম্মাম আল-ওয়ালিদ বিন শুজা বিন আল-ওয়ালিদ আল-বাগদাদি থেকে, ফলে এটি আমাদের জন্য তাঁর একটি উচ্চতর পর্যায়ের বিকল্প হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে, এবং তিনি বলেছেন: এটি হাসান গরিব।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ السُّكَّرِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ الْحَرَّانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّيْبَانِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌَ: " يَا رَسُولَ اللَّهِ
حَلَقْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ، قَالَ: ارْمِ وَلا حَرَجَ " ، وَقَالَ مَرَّةً: قَبْلَ أْنَ أَذْبَحَ ، فَقَالَ: «اذْبَحْ وَلا حَرَجَ» ، وَقَالَ مَرَّةً: ذَبَحْتُ قَبْلَ أَنْ أَرْمِيَ، قَالَ: «ارْمِ وَلا حَرَجَ» ، هَذَا حَدِيثٌ اتَّفَقَ الأَئِمَّةُ السِّتَّةُ عَلَى إِخْرَاجِهِ فِي كُتُبِهِمُ الْمَشْهُورَةِ، مِنْ حَدِيثِ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ التَّيْمِيِّ الْمَدَنِيِّ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ بْنِ وَائِلٍ الْقُرَشِيِّ السَّهْمِيِّ.
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ مِنْ طُرُقٍ إِحْدَاهَا، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ.
وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيِّ، وَابْنِ أَبِي عُمَرَ.
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ، عَنْ قُتَيْبَةَ.
وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ، سَتِّتُهُمْ ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، فَوَقَعَ لَنَا بَدَلا لَهُمْ عَالِيًا
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বিন আস-সুক্কারি, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম বিন আলী আল-হাররানি, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আবিল মাজদ আল-হাররানি, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শাইবানি, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আলী আত-তামিমি, তিনি বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর আল-কাতিয়ি, তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল, তিনি বললেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, যুহরি থেকে, তিনি ঈসা বিন তালহা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি বলল: "হে আল্লাহর রাসুল!
আমি পাথর নিক্ষেপ করার পূর্বেই মাথা মুণ্ডন করে ফেলেছি।" তিনি বললেন: "এখন নিক্ষেপ করো, এতে কোনো দোষ নেই।" এবং তিনি একবার বলেছেন: "জবেহ করার পূর্বে", তিনি বললেন: "এখন জবেহ করো, এতে কোনো দোষ নেই।" এবং তিনি একবার বলেছেন: "আমি পাথর নিক্ষেপ করার পূর্বেই জবেহ করে ফেলেছি।" তিনি বললেন: "এখন নিক্ষেপ করো, এতে কোনো দোষ নেই।" এটি এমন একটি হাদিস যা ছয়জন ইমাম তাঁদের প্রসিদ্ধ গ্রন্থসমূহে ঈসা বিন তালহা বিন উবাইদুল্লাহ আত-তাইমি আল-মাদানি-এর সূত্রে আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস বিন ওয়ায়িল আল-কুরাশি আস-সাহমি থেকে বর্ণনা করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
ইমাম মুসলিম এটি কয়েকটি পথে বর্ণনা করেছেন, যার একটি হলো আবু বকর বিন আবি শায়বাহ ও জুহাইর বিন হারব থেকে।
ইমাম তিরমিজি এটি সাঈদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাখযুমি ও ইবনে আবি উমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম নাসাঈ এটি কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম ইবনে মাজাহ এটি আলী বিন মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের ছয়জনই সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট তাঁদের জন্য উচ্চ পর্যায়ের ‘বাদাল’ (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَتْنَا أُمُّ الْحَسَنِ فَاطِمَةُ ابْنَةُ الْمُحَدِّثِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ جِبْرِيلَ الدَّرَبَنْدِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنَا أَسْمَعُ، يَوْمَ عَاشُورَاءَ، سَنَةَ ثَلاثِينَ وَسَبْعِ مِائَةٍ، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي غَالِبٍ الْوِقَايَاتِيُّ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَلِيٍّ الْمَنْصُورِيُّ، الْبَغْدَادِيَّانِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ، بِبَغْدَادَ، أَنَّ هِبَةَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبَ، أَخْبَرَهُمْ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَهُمْ يَسْمَعُونَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْغَيْلانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّازَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، وَثَابِتٌ الزَّاهِدُ، وَخَلادُ بْنُ يَحْيَى، قَالُوا: حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ:
دَخَلْتُُ الْمَسْجِدَ ضُحًى، فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَاعِدًا، فَقَالَ: «قُمْ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ» ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي صَحِيحِهِ، فِي مَوَاضِعَ، فَأَخْرَجَهُ فِي الصَّلاةِ، وَفِي الاسْتِقْرَاضِ، عَنْ خَلادِ بْنِ يَحْيَى، وَفِي الْهِبَةِ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ مُحَمَّدٍ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً لَهُ فِي شَيْخِهِ، وَاللَّهُ وَلِيُّ التَّوْفِيقِ
أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْفَرَّاءُ، وَعَلِيُّ بْنُ رِزْقِ اللَّهِ النَّابُلْسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ الْمَقْدِسِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودِ بْنِ سَعْدٍ الثَّقَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ الْمُقْرِئُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ، أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنُ الْمُظَفَّرِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ قَانِعٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ طَاهِرٍ، يَقُولُ: رَأَيْتُ سُلَيْمَانَ الشَّاذْكُونِيَّ فِي النَّوْمِ، فَقُلْتُ: مَا فَعَلَ اللَّهُ بِكَ يَا أَبَا أَيُّوبَ؟ قَالَ: غَفَرَ لِي، قُلْتُ: بِمَاذَا؟ قَالَ: كُنْتُ فِي طَرِيقِ أَصْبَهَانَ وَإِلَيْهَا أَمُرُّ فَأَخَذَتْنِي مَطَرَةٌ، وَكَانَ مَعِيَ كُتُبِي، وَلَمْ أَكُنْ تَحْتَ سَقِيفَةٍ وَلا شَيْءَ، فَانْكَبَيْتُ عَلَى كُتُبِي حَتَّى أَصْبَحْتُ وَهَدَأَ الْمَطَرُ، فَغَفَرَ اللَّهُ عز وجل لِي بِذَلِكَ.
أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْمَحَاسِنِ يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْخُتَنِيُّ، وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْوَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا، وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالا: أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ زَكِيُّ الدِّينِ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَظِيمِ بْنُ عَبْدِ الْقَوِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُنْذِرِيُّ، قَالَ الأَوَّلُ: سَمَاعًا، وَقَالَ الثَّانِي: إِجَازَةً، قَالَ: أَنْشَدَنَا الأَدِيبُ أَبُو الطَّاهِرِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ ، لِنَفْسِهِ، بِالْمَنْصُورَةِ:
يَا رَشَأُ يَخْتَالُ شَاكِيَ السِّلاحِ
… اللَّحْظُ سَيْفٌ وَالنُّهُودُ الرِّمَاحْ
وَخَدُّهُ وَرْدٌ وَمِنْ صَدْغِهِ
… آسٌ وَإِنْ تَبَسَّمَ فَيَبُدِّدْ إِقَاحْ
لامَ عَدَّارٌ غَرَّثَتْ حُسْنَهُ
… فَقَدْ غَدَا مَعْرِفَةً فِي الْمِلاحْ
قَدْ دَلَّ رُمَّانُ نُهُودٍ عَلَى
… أَنَّكِ غُصْنٌ فَوْقَ حِقْنِ رَدَاحْ
وَلَيْلَ شِعْرٍ قَدْ سَرَى طَارِقًا
… بِنَارٍ شَرْقِيٍّ يَهْتَدِي حِينَ لاحْ
وَطَرْفُ دَمْعِي أَشْقَرُ قَدْ جَرَى
… لَهُ عَلَى مَيْدَانِ خَدِّي جِمَاحْ
حَتَّى نَضَى خَاقَانُ تَجْرِي عَلَى
… رِيحِ دُجَى الْعَاشِقِ سَيِّدِ الصَّبَاحْ
أَنْشَدَنَا أَبُو النُّونِ يُونُسُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ الدُّبُوسِيُّ، عَلَيْهِ، قَالَ: أَنْشَدَنَا الطَّوَاشِيُّ أَبُو الدُّرْيَاقُوتِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَسْعُودِيُّ، لِنَفْسِهِ ، إِجَازَةً، وَكَتَبَهَا عَنْهُ الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ الدِّمْيَاطِيُّ ، رحمه الله:
إِذَا كُنْتَ ذَا مَالٍ وَعِزٍّ وَرِفْعَةٍ
… وَلَسْتَ عَنِ الإِخْوَانِ فِي الْعُسْرِ دَافِعًا
فَلا تَأْمَنِ الدُّنْيَا عَلَى مَا مَلَكْتَهُ
… وَكُنْ مُنْفِقًا مِنْهُ وَلا تَكُ طَامِعًا
فَقَدْ يُصْبِحُ الإِنْسَانُ بِالْمَالِ مُعْجَبًا
… فَيَهْدِي لَهُ الإِمْسَاءُ مِنْهُ الْفَجَائِعَا
وَيَرْجِعُ بَعْدَ الْعِزِّ وَالْمَالِ مُعْسَرًا
… وَيَرْجُو مِنَ الإِخْوَانِ مَا كَانَ مَانِعًا.
أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ الْقَوِيِّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِبْرَاهِيمَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحُبَابِ، إِجَازَةً، قَالَ: سَمِعْتُ الإِمَامَ الْحَافِظَ أَبَا طَاهِرٍ السِّلَفِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْقَاضِيَ أَبَا رَجَاءٍ بُنْدَارَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ الْخَلْقَانِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرٍ أَحْمَدَ بْنَ جَعْفَرٍ ، الْمَعْرُوفَ بِالْفَقِيهِ، وَكَانَ مِنْ أَهْلِ الْحِفْظِ وَالْمَعْرِفَةِ بِالْحَدِيثِ، يَقُولُ: يَنْبَغِي لِمَنْ يَطْلُبُ الْحَدِيثَ أَنْ يَكُونَ سَرِيعَ الْقِرَاءَةِ وَالْكِتَابَةِ سَرِيعَ الْمَشْيِ.
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল হাসান ফাতিমা, যিনি মুহাদ্দিস আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন জিবরীল আদ-দারাবান্দীর কন্যা, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি ৭৩০ হিজরীর আশুরার দিনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম বিন আলী আল-হাররানী, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান বিন আবি গালিব আল-উকায়াতী এবং আব্দুল ওয়াহহাব বিন আলী আল-মানসূরী বাগদাদীদ্বয়, তাঁদের নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি বাগদাদে তা শ্রবণ করেছি যে, হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কাতিব তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁদের নিকট পঠিত হয়েছে এমতাবস্থায় যে তাঁরা শ্রবণ করছিলেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-গাইলানী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ অর্থাৎ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাযযায। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন সুলাইমান। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মূসা, সাবিত আজ-জাহিদ এবং খাল্লাদ বিন ইয়াহইয়া। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মিসআর, মুহারিব বিন দিসার থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি চাশতের সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলাম, এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেন: "দাঁড়াও এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করো।" এটি একটি সহীহ হাদীস এবং এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে। ইমাম বুখারী এটি তাঁর সহীহ গ্রন্থের একাধিক স্থানে সংকলন করেছেন; তিনি এটি সালাত অধ্যায়ে এবং ঋণ গ্রহণ অধ্যায়ে খাল্লাদ বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, আর হিবা (দান) অধ্যায়ে সাবিত বিন মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে হাদীসটি তাঁর শাইখের সনদের সাথে আমাদের নিকট সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পৌঁছেছে। আর আল্লাহই তাওফীক দাতা।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-ফাররা এবং আলী বিন রিযকুল্লাহ আন-নাবুলুসী, তাঁদের নিকট পঠিত হয়েছে। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল দায়িম আল-মাকদিসী, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন মাহমুদ বিন সাদ আস-সাকাফী, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-মুক্রী, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি উপস্থিত ছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমি ইবনুল মুযাফফরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আল-হুসাইন বিন কানি’কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইসমাইল বিন ফাদল বিন তাহিরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি স্বপ্নে সুলাইমান আশ-শাযকুনীকে দেখেছি। আমি জিজ্ঞেস করলাম: হে আবু আইয়ুব! আল্লাহ আপনার সাথে কী আচরণ করেছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। আমি বললাম: কিসের বিনিময়ে? তিনি বললেন: আমি আস্পাহানের পথে ছিলাম এবং সেদিকেই যাচ্ছিলাম, তখন প্রবল বৃষ্টি আমাকে পেয়ে বসল। আমার সাথে আমার (হাদীসের) কিতাবগুলো ছিল, অথচ আমি কোনো ছাদ বা আশ্রয়ের নিচে ছিলাম না। তখন আমি আমার কিতাবগুলোর ওপর (সেগুলোকে রক্ষার জন্য) উপুড় হয়ে পড়ে রইলাম সকাল হওয়া পর্যন্ত এবং বৃষ্টি থামা পর্যন্ত। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা এই কাজের কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু আল-মাহাসিন ইউসুফ বিন উমর বিন আল-হুসাইন আল-খুতানী এবং আবু আল-হাসান আলী বিন উমর বিন আবি বকর আল-ওয়ানী, তাঁদের নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিয যাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আযীম বিন আব্দুল কাভী বিন আব্দুল্লাহ আল-মুনযিরী। প্রথমজন (খুতানী) শ্রবণের মাধ্যমে এবং দ্বিতীয়জন (ওয়ানী) অনুমতির (ইজাযাহ) মাধ্যমে। তিনি বলেন: সাহিত্যিক আবু আত-তাহির ইসমাইল বিন আলী বিন ইউসুফ মানসূরা নামক স্থানে নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:
হে সেই হরিণশাবক, যে পূর্ণ অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দম্ভভরে বিচরণ করে
… যার চোখের পলক হলো তলোয়ার আর বক্ষদেশ হলো বর্শা।
তার গাল যেন গোলাপ আর অলকগুচ্ছ যেন
… রায়হান ফুল, আর যখন সে হাসে তখন যেন মুক্তো ঝরে পড়ে।
নিন্দুক তার গালের রেখাকে দোষারোপ করে, যা তার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে
… ফলে সে সুন্দরীদের মাঝে সুপরিচিত হয়ে উঠেছে।
বক্ষের ডালিম ফলগুলো প্রমাণ করেছে যে
… তুমি যেন কোমল বালুর টিলার ওপর দোদুল্যমান এক শাখা।
আর চুলের অন্ধকার রাত যেন হঠাৎ আবির্ভূত এক আগন্তুক
… যা পূর্ব দিগন্তের আগুনের আলোয় পথ খুঁজে পায় যখন তা উজ্জ্বল হয়।
আমার অশ্রুর ঘোড়াটি যেন লোহিত বর্ণের, যা প্রবাহিত হচ্ছে
… আমার গালের ময়দানে তা অবাধ্য হয়ে ছুটে চলে।
এমনকি যখন মহাপ্রতাপশালী বাদশাহ (সূর্য) উদিত হলো, তখন তা প্রবাহিত হয়
… প্রেমিকের অন্ধকারের বাতাসের ওপর প্রভাতের অধিপতি হয়ে।
আমাদের শুনিয়েছেন আবু আন-নূন ইউনুস বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল কাভী আদ-দাব্বুসী, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে। তিনি বলেন: আমাদের শুনিয়েছেন খাজা আবু আদ-দুর ইয়াকুত বিন আব্দুল্লাহ আল-মাসউদী নিজের রচিত কবিতা থেকে, অনুমতির মাধ্যমে, এবং হাফিয আবু মুহাম্মদ আদ-দিমইয়াতি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর নিকট থেকে এটি লিখে নিয়েছেন:
যখন তুমি সম্পদ, সম্মান ও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হও
… অথচ কঠিন সময়ে তুমি ভাইদের বিপদ দূর না করো;
তবে তোমার মালিকানাধীন সম্পদের ব্যাপারে দুনিয়াকে নিরাপদ মনে করো না
… বরং তা থেকে ব্যয় করো এবং লোভী হয়ো না।
কেননা কোনো মানুষ সকালবেলা তার সম্পদ নিয়ে আত্মতৃপ্ত থাকতে পারে
… অথচ সন্ধ্যাবেলা সেই সম্পদই তার জন্য বড় কোনো বিপদ নিয়ে আসে।
আর সম্মান ও প্রাচুর্যের পর সে নিঃস্ব হয়ে ফিরে আসে
… এবং ভাইদের নিকট সেই সাহায্যই প্রত্যাশা করে যা সে নিজে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউনুস বিন আবি ইসহাক বিন আব্দুল কাভী, তাঁর নিকট পঠিত হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইব্রাহিম মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হুবাব, অনুমতির মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমি ইমাম হাফিয আবু তাহির আস-সিলাফীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি কাযী আবু রাজা বুন্দার বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন জাফর আল-খালকানীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর আহমদ বিন জাফরকে বলতে শুনেছি—যিনি ফকীহ হিসেবে পরিচিত এবং হাদীস মুখস্থ ও ইলমে হাদীসের গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন—তিনি বলতেন: যে ব্যক্তি হাদীস অন্বেষণ করে, তার উচিত দ্রুত পঠন, দ্রুত লিখন এবং দ্রুত চলাফেরায় অভ্যস্ত হওয়া।
(খণ্ড: ১)
আহাদিসু মুনতাকাহ মিন সামাআতি ইবনিশ শাইখাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - أَخْبَرَنَا الشُّيُوخُ الثَّلاثَةُ، أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ الْقُطْبِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ كُشْتُغْدِيٍّ الْخَطَّابِيُّ، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ غَالِي بْنِ نَجْمٍ الدِّمْيَاطِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالُوا: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ اللَّبَّانُ، إِجَازَةً، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالا: حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «مَا مِنْكُمْ إِلا ضَيْفٌ وَمَالُهُ عَارِيَةٌ، فَالضَّيْفُ مُرْتَحَلٌ، وَالْعَارِيَةُ مُؤَدَّاةٌ إِلَى أَهْلِهَا»
১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তিনজন শাইখ— আবু ইমরান মুসা বিন আলী বিন ইউসুফ আল-কুতবী, আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন কুশতুগদী আল-খাত্তাবী এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন গালী বিন নাজ্ম আদ-দিমইয়াতী; তাঁদের উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফরাজ আব্দুল লতীফ বিন আব্দুল মুনঈম বিন আলী আল-হাররানী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাকারিম আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-লাব্বান অনুমতিক্রমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আহমদ বিন আল-হাসান আল-হাদ্দাদ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাফিয। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন আহমদ এবং সুলাইমান বিন আহমদ। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খলীফা। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম বিন ইব্রাহীম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুররাহ বিন খালিদ, যাহহাক বিন মুযাহিম থেকে। তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ বলেছেন: “তোমাদের প্রত্যেকেই কেবল একজন মেহমান এবং তার সম্পদ হলো ধারস্বরূপ। মেহমান তো প্রস্থান করবেই আর ধারকৃত বস্তু তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিতে হবে।”