(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: -)
فوائد ابن جماعة (العز ابن جماعة)
القسم: كتب السنة
الكتاب: فوائد ابن جماعة
المؤلف: عبد العزيز بن محمد بن إبراهيم بن سعد الله بن جماعة الكناني
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 8
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ফাওয়াইদ ইবন জামা'আহ (আল-ইযয ইবন জামা'আহ)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ফাওয়াইদ ইবন জামা'আহ
লেখক: আবদুল আযীয বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন সা'দুল্লাহ বিন জামা'আহ আল-কিনানী
প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক (ইসলামওয়েব) ওয়েবসাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম নামক ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত পাণ্ডুলিপি
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮
শামিলাহ লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১ হিজরী
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ فِيهِ أَحَادِيثُ وَفَوائِدُ وَغَيْرُ ذَلِكَ مِنْ فَوَائِدِ الإِمَامِ الْحَافِظِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدِ اللَّهِ بْنِ جَمَاعَةَ الْكِنَانِيِّ.تَخْرِيجُهُ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ.بسم الله الرحمن الرحيم
একটি খণ্ড যাতে রয়েছে ইমাম হাফেজ আব্দুল আজিজ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন সাদুল্লাহ বিন জামাআহ আল-কিনানির সংগৃহীত হাদিসসমূহ, শিক্ষণীয় বিষয়াবলি এবং আরও অন্যান্য তথ্য।তাঁর কৃত সংকলন, তাঁর প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ الْمُحَدِّثُ فَخْرُ الدِّينِ أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ التَّوْزَرِيُّ رحمه الله، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِمَكَّةَ شَرَّفَهَا اللَّهُ تَعَالَى وَعَظَّمَهَا، تِجَاهَ الْكَعْبَةِ الْمُعَظَّمَةِ، وَالشَّيْخُ الْجَلِيلُ الأَصِيلُ الْمُسْنِدُ الْعَدْلُ عَلَمُ الدِّينِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ النُّصَيْرِ بْنِ أَمِينِ الدَّوْلَةِ الْحَنَفِيُّ رحمه الله، بِقَرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْقَاهِرَةِ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُمَا، قَالا: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ بَهَاءُ الدِّينِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ سَلامَةَ الشَّافِعِيُّ، سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْنَاهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ السَّرَّاجُ، بِبَغْدَادَ، وَأَبُو الْحَسَنِ طَرِيفُ بْنُ مُحَمَّدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، بِبَغْدَادَ، وَأَبُو الْوَفَاءِ عَلِيُّ بْنُ زَيْدِ بْنِ شَهْرَيَارَ الزَّعْفَرَانِيُّ، بِأَصْبَهَانَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُمْ، قَالَ جَعْفَرٌ حَدَّثَنَا أَبُو نُصَيْرٍ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ حَاتِمٍ السِّجْزِيُّ الْحَافِظُ، بِمَكَّةَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْلَى حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمُهَلَّبِيُّ ، بِنَيْسَابُورَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، وَقَالَ الآخَرَانِ أَخْبَرَنَا أَبُو صَالِحٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمُؤَذِّنُ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْنَاهُ مِنْهُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَحْمَشٍ الزِّيَادِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ هُوَ وَالْمُهَلَّبِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ بِلالٍ الْبَزَّارُ وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْنَاهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ الْعَبْدِيُّ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْهُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي قَابُوسٍ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «الرَّاحِمُونَ يَرْحَمُهُمُ الرَّحْمَنُ ، ارْحَمُوا مَنْ فِي الأَرْضِ يَرْحَمْكُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ»
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, আলিম, মুহাদ্দিস ফাখরুদ্দীন আবু আমর উসমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উসমান আত-তাওজারী (রাহিমাহুল্লাহ), তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি মক্কায়—আল্লাহ তাআলা একে সম্মানিত ও মহিমান্বিত করুন—মুয়াজ্জাম কাবার সামনে; এবং মহান, বংশীয় মর্যাদা সম্পন্ন, মুসনিদ, ন্যায়পরায়ণ শাইখ আলামুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুন নুসাইর ইবনে আমিনুদ্দাওলাহ আল-হানাফী (রাহিমাহুল্লাহ), কায়রোতে তাঁর সামনে আমার পাঠ করার মাধ্যমে। এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁদের উভয়ের নিকট থেকে শুনেছি। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম বাহাউদ্দীন আবুল হাসান আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে সালামাহ আশ-শাফিয়ী, ৬৪৬ হিজরি সনে, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমরা তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, হাফিজ আবু তাহির আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ, ৫৭৩ হিজরি সনে, এবং এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাগদাদে আবু মুহাম্মাদ জাফর ইবনে আহমাদ ইবনুল হুসাইন আস-সাররাজ, এবং বাগদাদে আবুল হাসান তারিফ ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাইসাবুরী, এবং ইসফাহানে আবুল ওয়াফা আলী ইবনে যাইদ ইবনে শাহরিয়ার আয-যাফরানী, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁদের নিকট থেকে শুনেছি। জাফর বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মক্কায় আবু নুসাইর উবায়দুল্লাহ ইবনে সাঈদ ইবনে হাতিম আস-সিজযী আল-হাফিজ, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নিশাপুরে আবু ইয়ালা হামজাহ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-মুহাল্লাবী, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। আর অপর দুইজন বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সালিহ আহমাদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-মুআযযিন, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমরা তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাহমাশ আয-যিয়াদী, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি এবং আল-মুহাল্লাবী বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু হামিদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে বিলাল আল-বাযযার, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমরা তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম আল-আবদী, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি। তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ, আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি, আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি আবু কাবুস থেকে—যিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের মুক্তদাস ছিলেন—তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «দয়াবানদের ওপর পরম দয়াময় দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।’
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمَّرُ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الدِّمَشْقِيُّ عُرِفَ بِابْنِ الْقَوَّاسِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا قَاضِي الْقَضَاةِ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الأَنْصَارِيُّ الْحَرَسْتَانِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ فِي الرَّابِعَةِ سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ جَمَالُ الإِسْلامِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْمُسْلِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ السُّلَمِيُّ، قِرَاءَة عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، بِقَرَاءَةِ الْحَافِظِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَسَاكِرَ رحمه الله، فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرٍ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ طَلابٍ الْخَطِيبُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ، فِي رَجَبٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَسِتِّينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ جُمَيْعٍ الْغَسَّانِيُّ الصَّيْدَاوِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي دَارِهِ بِصَيْدَا فِي شُهُورِ سَنَةِ أَرْبَعٍ وَتِسْعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ، بِالرَّمْلَةِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَسَّانٍ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «نِعْمَ الإِدَامُ الْخَلُّ»وَبِهِ إِلَىابْنِ جُمَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: سَمِعْتُ جَعْفَرًا الْخُلْدِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْجُنَيْدَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ سَرِيًّا السَّقَطِيَّ، يَقُولُ: أَشْتَهِي أَنْ لا أَمُوتَ فِي بَلَدِي أَفْزَعُ لأَنْ لا وَأَفْتَضِحَ تَقْبَلَنِي الأَرْضُ،
২ - আমাদেরকে প্রবীণ মুসনিদ শায়খ আবু হাফস উমর বিন আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল আজিজ আদ-দিমাশকী—যিনি ইবনুল কাওয়াস নামে পরিচিত—অবহিত করেছেন, আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন: প্রধান বিচারপতি আবুল কাসিম আব্দুস সামাদ বিন মুহাম্মদ বিন আবুল ফজল আল-আনসারী আল-হারাসতানী আমাদেরকে অবহিত করেছেন, ৬০৯ হিজরি সালে আমার চতুর্থ বর্ষে আমি উপস্থিত থাকাকালীন তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন: শায়খ ইমাম জামালুল ইসলাম আবু হাসান আলী বিন মুসলিম বিন মুহাম্মদ আস-সুলামী আমাদেরকে অবহিত করেছেন, ৫২৮ হিজরির জিলকদ মাসে হাফেজ আবুল কাসিম আলী বিন হাসান বিন আসাকির (রহ.)-এর পাঠের মাধ্যমে আমরা শ্রবণরত অবস্থায় তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন: খতীব আবু নাসর আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন তুল্লাব আমাদেরকে অবহিত করেছেন, ৪৬৫ হিজরির রজব মাসে আমরা শ্রবণরত অবস্থায় তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল। তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন জামি' আল-গাসসানী আস-সাইদাবী আমাদেরকে অবহিত করেছেন, ৩৯৪ হিজরির মাসগুলোতে সাইদা শহরে তাঁর নিজ গৃহে তাঁর নিকট পাঠ করার সময়। তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন হাসান রমলা শহরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন হাসসান আল-আজরাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ওয়াকি বিন আল-জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়া তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «সিরকা কতই না চমৎকার সালন!»এবং একই সনদে ইবনে জামি' থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি জাফর আল-খুলদীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি জুনায়েদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি সাররী আস-সাকাতীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আমি কামনা করি যেন আমার নিজ শহরে আমার মৃত্যু না হয়; কারণ আমি এই ভয়ে ভীত যে, পৃথিবী আমাকে গ্রহণ না করার কারণে আমি হয়তো লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হব।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الأَصِيلُ مُسْنِدُ وَقْتِهِ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ الدِّمَشْقِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ بِدِمَشْقَ، أَنَّ أَبَا رَوْحٍ عَبْدَ الْمُعِزِّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الْفَضْلِ الْهَرَوِيَّ، أَجَازَ لَهُم سَنَةَ أَرْبَعَ عَشْرَةَ وَسِتِّ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفُضَيْلِيُّ ، سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الأَشْكَابِيُّ الْمَعْرُوفُ بِالْعَيَّارِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفَامِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ: «إِنَّ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُونِي أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ فَلا آذَانَ ، ثُمَّ لا آذَانَ، إِلا أَنْ يُرِيدَ ابْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ؛ فَإِنِّمَا هِيَ بِضْعَةٌ مِنِّي يُرِيبُنِي مَا رَابَهَا ، وَيُؤْذِينِي مَا آذَاهَا»
৩ - আমাদের অবহিত করেছেন মহান ও উচ্চবংশীয় শায়খ, নিজ সময়ের মুসনিদ আবু আল-ফজল আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আসাকির আদ-দিমাশকি—তার নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি দামেস্কে উপস্থিত ছিলাম—যে আবু রাওহ আব্দুল মুয়িজ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবিল ফজল আল-হারাওয়ী ৬১৪ হিজরি সালে তাদের ইজাযত (অনুমতি) প্রদান করেছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-ফুদাইলি ৫২৯ হিজরি সালে আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু উসমান সাঈদ ইবনে আবি সাঈদ আল-আশকাবি, যিনি আল-আইয়ার নামে পরিচিত, আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু আল-ফজল আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ফামি আমাদের অবহিত করেছেন। তিনি বলেন: আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের অবহিত করেছেন। কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবি মুলাইকা থেকে, তিনি আল-মিসওয়ার ইবনে মাখরামা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের ওপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই বনু হিশাম ইবনে আল-মুগিরা তাদের কন্যাকে আলী ইবনে আবি তালিবের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য আমার কাছে অনুমতি চেয়েছে; কিন্তু আমি অনুমতি দিচ্ছি না, অতঃপর আমি অনুমতি দিচ্ছি না; তবে যদি আলী ইবনে আবি তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিয়ে তাদের কন্যাকে বিয়ে করতে চায় (তবে ভিন্ন কথা); কারণ সে (ফাতিমা) আমারই একটি অংশ, যা তাকে বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।»
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ بْنُ عَسَاكِرَ الْمَذْكُورُ، وَزَيْنَبُ ابْنَةُ عُمَرَ بْنِ كِنْدِيٍّ، رَحِمَهُمَا اللَّهُ تَعَالَى إِجَازَةً عَنْ أَبِي الْمُظَفَّرِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ الإِمَامِ أَبِي سَعِيدٍ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ السَّمْعَانِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ الْخَرْقَانِيُّ، بِسَمَرْقَنْدَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ الْعَلَوِيُّ، إِجَازَةً، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَارِسِيُّ ، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَامِعٍ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَطَاءٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا مَسْلَمَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِبْعِيٍّ الْجُهَنِيُّ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، يَقُولُ: تَذَاكَرْنَا زِيَادَةَ الْعُمْرِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «لَنْ يُؤَخِّرَ اللَّهُ نَفْسًا إِذَا جَاءَ أَجَلُهَا ، وَلَكِنْ زِيَادَةُ الْعُمْرِ ذُرِّيَّةٌ صَالِحَةٌ يُرْزَقُهَا الْعَبْدُ يَدْعُونَ لَهُ بَعْدَ مَوْتِهِ فَيَلْحَقُهُ دُعَاؤُهُمْ فِي قَبْرِهِ فَتِلْكَ الزِّيَادَةُ فِي الْعُمْرِ»وَأَنْبَأَنَا الشَّيْخَانِ الْمَذْكُورَانِ، عَنْ أُمِّ الْمُؤَيِّدِ زَيْنَبَ ابْنَةِ أَبْيِ الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَسَنِ الشِّعْرِيِّ، قَالَتْ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجُرْجَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الزَّاهِدُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَدِينِيُّ، فِيمَا أَمْلاهُ بِنَيْسَابُورَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو مَنْصُورٍ عَبْدُ الْقَاهِرِ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ الْبَغْدَادِيُّ ، أَخْبَرَنَا أَبِي ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ الرَّبِيعَ بْنَ سُلَيْمَانَ، يَقُولُ: كَانَ لِلشَّافِعِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ فِي كُلِّ شَهْرٍ ثَلاثُونَ خَتْمَةً، وَفِي شَهْرِ رَمَضَانَ سِتُّونَ خَتْمَةً، سِوَى مَا يَقْرَأُ فِي الصَّلاةِ.
৪ - উল্লেখিত আবুল ফজল ইবন আসাকির এবং যয়নব বিনতে উমর ইবন কিন্দি (আল্লাহ তাআলা তাঁদের প্রতি দয়া করুন) ইজাজতসূত্রে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুজাফ্ফর আবদুর রহীম ইবন ইমাম আবু সাঈদ আবদিল কারীম ইবন আবি বকর মুহাম্মদ ইবন মানসুর আস-সামআনি থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ আহমাদ ইবন আল-হুসাইন আল-খারকানি সমরকন্দে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন যাইদ আল-আলাভি ইজাজতসূত্রে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবন আহমাদ আল-ফারিসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইউনুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন জামি আল-আত্তার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন আবদিল জাব্বার আল-হিমসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবন আতা আল-হাররানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাসলামাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন রিবঈ আল-জুহানি তাঁর চাচা থেকে, তিনি বলেন: আমি আবু আদ-দারদা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-কে বলতে শুনেছি: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আয়ু বৃদ্ধি সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম, তখন তিনি বললেন: «আল্লাহ কোনো প্রাণকে অবকাশ দেবেন না যখন তার নির্ধারিত সময় উপস্থিত হবে, তবে আয়ু বৃদ্ধি হলো নেককার সন্তান যা বান্দাকে রিযিক হিসেবে দান করা হয়, যারা তার মৃত্যুর পর তার জন্য দোয়া করে এবং তাদের দোয়া কবরে তার কাছে পৌঁছে; আর এটাই হলো আয়ু বৃদ্ধি»এবং উল্লেখিত দুই শাইখ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল মুআইয়াদ যয়নব বিনতে আবিল কাসিম আবদুর রহমান ইবন আল-হাসান আশ-শারিয়্যাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ আল-জুরজানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইখ ইমাম যাহেদ আবু আল-হাসান আলি ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মদ আল-মাদিনি নিশাপুরে তাঁর শ্রুতিলিখন থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আবু মানসুর আবদুল কাহির ইবন তাহির ইবন মুহাম্মদ আত-তামিমি আল-বাগদাদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ, তিনি বলেন: আমি রাবি ইবন সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: ইমাম শাফিঈ (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) প্রতি মাসে ত্রিশটি খতম এবং রমজান মাসে নামাযের তিলাওয়াত ব্যতীত ষাটটি খতম করতেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْجَلِيلُ الْمُسْنِدُ الْمُعَمَّرُ أَبُو الْمَعَالِي أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ الْمُؤَيِّدِ الأَبَرْقُوهِيُّ رحمه الله، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْمُبَارَكُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُبَارَكِ أَبِي الْجُودِ الْبَغَدَادِيُّ ، بِهَا ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الزَّاهِدُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي غَالِبِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الطَّلايَةِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ الأَنْمَاطِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُخَلِّصُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ عَبْدِ السَّلامِ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُمَيْدٍ.ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ عَسَاكِرَ الدِّمْشَقْيُّ، حُضُورًا، عَنْ أَبِي رَوْحٍ عَبْدِ الْمُعِزِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيِّ، وَزَيْنَبَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَسَنِ الشِّعْرِيِّ ، قَالَ أَبُو رَوْحٍ أَخْبَرَنَا زَاهِرُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّّحَّامِيُّ، وَقَالَتْ زَيْنَبُ أَخْبَرَنَا وَجِيهُ بْنُ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيُّ، قَالَ زَاهِرٌ أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْعَيَّارُ، وَقَالَ وَجِيهٌ أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الأَزْهَرِيُّ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَخْلَدِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو قُدَامَةَ، حَدَّثَنَا حَرْمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ ، عَنْ شُعْبَةَ ، عَنْ قَتَادَةَ، كِلاهُمَا عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.ح وَأَخْبَرَنَا أَعْلَى مِنْ هَاتَيْنِ الرِّوَايَتَيْنِ بِدَرَجَةٍالشَّيْخُ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ عَسَاكِرَ، الْمَذْكُورِ حُضُورًا بِسَنَدِهِ إِلَى مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ السَّرَّاجِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.ح وَأَخْبَرَنَا أَعْلَى مِنْ هَذِهِ الرِّوَايَةِ بِدَرَجَةٍ الشَّيْخَانِ الْمُعَمَّرَانِ: الإِمَامُ كَمَالُ الدِّينِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّطِيفِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ وُرَيْدَةَ بْنِ الْمُكْبِرِ الْمُقْرِئُ شَيْخُ، فِيمَا كُتِبَ إِلَيْنَا مِنْ بَغْدَادَ سَنَةَ سِتٍّ وَتِسْعِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، عَنِ الْمُعَمَّرِ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَبَرَزْدَ، وَنَاصِرُ الدِّينِ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ غُدَيْرٍ الدِّمَشْقِيُّ، إِذْنًا، عَنْ أَبِي الْيُمْنِ زَيْدِ بْنِ الْحَسَنِ الْكِنْدِيِّ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الأَنْصَارِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ، حُضُورًا، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَاسِيَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكَجِّيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، كِلاهُمَا عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ» .هَذَا حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ مُتَوَاتِرٌ مَعْنًى لا لَفْظًا، رَوَاهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَدَدٌ كَثِيرٌ مِنْهُمْ: الْعَشَرَةُ الْمَشْهُودُ لَهُمْ بِالْجَنَّةِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمْ، وَلا يُعْرَفُ حَدِيثٌ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَذَلِكَ غَيْرُهُ، وَقَدْ وَقَعَ لِي هَذَا الْحَدِيثُ تُسَاعِيًّا مُتَّصِلا بِالسَّمَاعِ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মহান শায়খ, দীর্ঘজীবী মুসনিদ আবু আল-মাআলি আহমাদ বিন ইসহাক বিন আল-মুআইয়্যাদ আল-আবারকুহি (রহিমাহুল্লাহ), তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছে এমতাবস্থায় আমি তা শ্রবণ করছিলাম, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আল-মুবারাক বিন আলী বিন আল-মুবারাক আবি আল-জুদ আল-বাগদাদি, বাগদাদে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাহিদ আবু আল-আব্বাস আহমাদ বিন আবি গালিব বিন আহমাদ বিন আত-তালাইয়াহ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল আজিজ বিন আলী বিন আহমাদ আল-আনমাতি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল-মুখলিস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হারুন আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন আব্দুস সালাম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নাদর বিন শুমাইল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হুমাইদ হতে। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফদল আহমাদ বিন হিবাতুল্লাহ বিন আসাকির আদ-দিমাশকি, উপস্থিতির মাধ্যমে (হুদুরান), আবু রাওহ আব্দুল মুয়িয বিন মুহাম্মদ আল-হারাওয়ি এবং জয়নাব বিনতে আব্দুর রহমান বিন আল-হাসান আশ-শা'রি হতে; আবু রাওহ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাহির বিন তাহির আশ-শাহহামি; এবং জয়নাব বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াজিহ বিন তাহির আশ-শাহহামি; যাহির বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ বিন আবি সাঈদ আল-আইয়ার; এবং ওয়াজিহ বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমাদ বিন আল-হাসান আল-আযহারি; তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমাদ আল-মাখলাদি, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কুদামাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হারমি বিন উমারা, শু'বাহ হতে, তিনি কাতাদাহ হতে, তাঁরা উভয়ই আনাস (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এই দুটি বর্ণনার চেয়ে এক স্তর উচ্চতর সনদে শায়খ আবু আল-ফদল বিন আসাকির, যিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাররাজ পর্যন্ত তাঁর সনদে হুদুরান (উপস্থিতির মাধ্যমে) উল্লিখিত হয়েছেন; তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আল-জাররাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, আব্দুল আজিজ বিন সুহাইব হতে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এই বর্ণনার চেয়েও এক স্তর উচ্চতর সনদে দুই দীর্ঘজীবী শায়খ: ইমাম কামালুদ্দিন আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন উরাইদাহ বিন আল-মুকবির আল-মুকরি আল-শায়খ—যিনি ছয়শ ছিয়ানব্বই হিজরি সনে বাগদাদ থেকে আমাদের নিকট লিখেছেন—দীর্ঘজীবী আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন তাবারজাদ হতে; এবং নাসেরুদ্দিন আবু হাফস উমর বিন আব্দুল মুনইম বিন গুদাইর আদ-দিমাশকি, অনুমতিক্রমে, আবু আল-ইউমন যায়েদ বিন আল-হাসান আল-কিন্দী হতে; তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন উমর বিন আহমাদ আল-বারমাকি, হুদুরান (উপস্থিতির মাধ্যমে), তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন মাসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কাজ্জি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি; তাঁরা উভয়ই আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামের আগুনে তার আবাসস্থল বানিয়ে নেয়।» এটি একটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত) হাদিস যা অর্থের দিক থেকে মুতাওয়াতির, শব্দের দিক থেকে নয়। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এক বিশাল সংখ্যক বর্ণনাকারী এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুম) রয়েছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই হাদিসের অনুরূপ আর কোনো হাদিস (এই সংখ্যায়) বর্ণিত হতে দেখা যায় না। আর আমি এই হাদিসটি শ্রবণ পরম্পরায় নিরবচ্ছিন্নভাবে নবম স্তরের উচ্চ সনদে (তুসাইয়্যান) লাভ করেছি।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَاهُ أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْهَمَذَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْجُودِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي غَالِبٍ الْوَرَّاقُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيِّ ابْنِ بِنْتِ السُّكَّرِيِّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الذَّهَبِيُّ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْرَائِيلَ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأُبَلِّيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ الْعَدْلُ عِزُّ الدِّينِ أَبُو الْفِدَاءِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو الْفَرَّاءُ، حُضُورًا قَالَ: أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ، سَنَةَ ثَلاثٍ وَعِشْرِينَ وَسِتِّ مِائَةٍ، أَخْبَرَنَا جَدِّي أَبُو الْقَاسِمِ الْحُسَيْنُ، سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْفَقِيهُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمِصِّيصِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ نَظِيفٍ الْفَرَّاءُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا أَبُو حُصَيْنٍ الْقَاضِي ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ يَعِيشَ ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ قَادِمٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ، يَقُولُ: لا تُعِرْ أَحَدًا كِتَابًا.حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ ، قَالَ: قَالَ الْعَبْدِيُّ قَالَ ابْنُ الْمَدِينِيِّ قَالَ لِي مُوسَى بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ: أَنْتَ تُسْرِفُ فِي مَالِكَ وَمَا يُعْطِيكَ السُّلْطَانُ، قَالَ: فَكَتَبْتُ إِلَيْهِ:تَوَسَّعْ بِمَالِ اللَّهِ فِي غَرَضِ خَلْقِهِ … فَإِنِّكَ مَا أَنْفَقْتَ فَاللَّهُ يُخْلِفُوَلا يَنْعَمَنَّ بِالْمَالِ بَعْدَكَ وَارِثٌ … وَأَنْتَ عَلَيْكَ الْوِزْرُ فِيمَا تُخْلِفُلأَخْذِكَ حَقًّا أَوْ لِمَنْعِكَ بَاطِلا … لِمُسْتَخْلَفٍ فِيهِ بِذَنْبِكَ يُقْصَفُ.قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَنْبَارِيُّ ، لِخَلَفٍ الْكَاتِبِ:قَدُّ الْقَضِيبِ حَكَى رَشَاقَةَ قَدِّهِ … وَالْوَرْدُ يَحْسِدُ وَرْدَهُ فِي خَدِّهِوَالشَّمْسُ جَوْهَرٌ نُورُهَا مِنْ نُورِهِ … وَالْبَدْرُ أَسْعَدُ سَعْدِهِ مِنْ سَعْدِهِخَشَفٌ أَرَقُّ مِنَ الْبَهَاءِ بَهَاؤُهُ … وَمِنَ الْفَرْنَدِ الْمَحْضِ فِي إِفْرَنْدِهِلَوْ مَكَّنْتَ عَيْنَاكَ مِنْ وَجْنَاتِهِ … لَرَأَيْتَ وَجْهَكَ فِي صَفِيحَةِ خَدِّهِ.وَلَهُ أَيْضًا:لَلَّهِ جَارَكَ يَا سَمْعِي وَيَا بَصَرِي … مِنَ الْعُيُونِ الَّتِي تَرْمِيكَ بِالنَّظَرِوَمِنْ نَفَاسَةِ خَدَّيْكَ اللَّذَيْنِ لَكَ … الْمَعْنَى وَقَدْ وُسِمَا بِالشَّمْسِ وَالْقَمَرِمَحَا سَنَاكَ فَمَا فَازَا بِحُسْنِهِمَا … وَخَاطَرَاكَ فَمَا فَاتَاكَ بِالْخَطَرِمَنْ كَانَ فِيكَ إِلَى الْعُذَّالِ مُعْتَذِرًا … مِنَ الأَنَامِ فَإِنِّي غَيْرُ مُعْتَذِرِ.حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: أَنْشَدَنِي أَبِي ، لِلنِّظَامِ:بَدْرُ الدُّجَى فِي بَطْنِ شَطْبٍ … عَطَّلَ حُسْنَ اللُّؤْلُؤِ الرَّطْبِيَلُومُنِي النَّاسُ عَلَى حُبِّهِ … يَا جَهْلَهُمْ بِاللَّوْمِ فِي الْحُبِّيَعْشَقُ مِنْ صِبْغَتِهِمْ مَا حَلا … فَكَيْفَ مَا مِنْ صِبْغَةِ الرَّبِّ.حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: قَالَ الْهَيْثَمُ بْنُ عَدِيٍّ ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ الْيَمَانِيِّ، قَالَ: مَكْتُوبٌ فِي الْحِكْمَةِ: إِنَّ الأَحْمَقَ إِذَا تَكَلَّمَ فَضَحَهُ حُمْقُهُ، وَإِنْ سَكَتَ فَضَحَهُ عِيُّهُ، وَإِنْ عَمِلَ أَفْسَدَ، وَإِنْ تَرَكَ أَضَاعَ، لا عِلْمُهُ يُغْنِيهِ، وَلا عِلْمُ غَيْرِهِ يَنْفَعُهُ، تَتَمَنَّى أُمُّهُ أَنَّهَا ثَكِلَتْهُ وَتَتَمَنَّى زَوْجَتُهُ أَنَّهَا عَدِمَتْهُ، وَيَتَمَنَّى جَارُهُ مِنْهُ الْوَحْدَةَ وَيَوَدُّ جَلِيسُهُ مِنْهُ الْوَحْشَةَ ، إِنْ كَانَ أَصْغَرُ أَهْلِ بَيْتِهِ عَلا مَنْ فَوْقَهُ، وَإِنْ كَانَ أَكْبَرُ أَهْلِ بَيْتِهِ أَفْسَدَ مَنْ دُونَهُ ".وَفِي ذَلِكَ يَقُولُ مِسْكِينٌ الدَّارِمِيُّ:اتَّقِ الأَحْمَقَ أَنْ تَصْحَبَهُ … إِنِّمَا الأَحْمَقُ كَالثَّوْبِ الْخَلِقْكُلَّمَا رَقَّعْتَ مِنْهُ جَانِبًا … حَرَّكَتْهُ الرِّيحُ وَهْنًا فَانْخَرَقْأَوْ كَصَدْعٍ فِي زُجَاجٍ فَاحِشٍ … هَلْ تَرَى صَدْعَ زُجَاجٍ يَتَّفِقْوَإِذَا نَبَّهْتَهُ كَيْ يَرْعَوِي … زَادَ مَهْلا فَتَمَادَى فِي الْحُمُقْوَإِذَا جَالَسْتَهُ فِي مَجْلِسٍ … أَفْسَدَ الْمَجْلِسَ مِنْهُ بِالْخُرَقْ
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে ইসহাক আল-হামাযানী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক ইবনে আবিল জূদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে আবি গালিব আল-ওয়াররাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল আজিজ ইবনে আলী ইবনে বিনত আস-সুক্কারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আয-যাহাবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে হারুন, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে আবি ইসরাঈল, আমাদের বর্ণনা করেছেন কাসীর ইবনে আবদুল্লাহ আল-উবাল্লি, আমাদের বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু), তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল নির্ধারণ করে নেয়»আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, আল-মুসনিদ (হাদিস বর্ণনাকারী), আল-আদল (ন্যায়পরায়ণ) ইযযুদ্দীন আবু আল-ফিদা ইসমাঈল ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আমর আল-ফাররা উপস্থিত থেকে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আল-হাসান, ছয়শত তেইশ হিজরি সনে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার দাদা আবুল কাসিম আল-হুসাইন, পাঁচশত বিয়াল্লিশ হিজরি সনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবুল কাসিম আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মিসসিসী, তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে নাযীফ আল-ফাররা, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু হুসাইন আল-কাদী, আমাদের বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে ইয়াঈশ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে কাদিম, তিনি বলেন: আমি সুফিয়ানকে বলতে শুনেছি: কাউকে কিতাব ধার দিও না।আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম, তিনি বলেন: আল-আবদি বলেছেন যে ইবনে আল-মাদিনী বলেছেন: মুসা ইবনে আব্দুল মালিক আমাকে বললেন: তুমি তোমার সম্পদে এবং সুলতান তোমাকে যা প্রদান করেন তাতে অপব্যয় করছ। তিনি বলেন: অতঃপর আমি তাকে লিখে পাঠালাম:আল্লাহর দেওয়া সম্পদ দিয়ে সৃষ্টির প্রয়োজনে প্রশস্ত হও … কারণ তুমি যা ব্যয় করবে, আল্লাহ তার বিনিময় দান করবেন।তোমার পর কোনো উত্তরাধিকারী যেন সেই সম্পদ ভোগ না করে … যার গুনাহের বোঝা তোমার কাঁধে থেকে যাবে যা তুমি পেছনে ছেড়ে গিয়েছ।حق (অধিকার) গ্রহণ কিংবা বাতিল (অন্যায্য কিছু) প্রতিহত করার জন্য … এমন উত্তরাধিকারীর জন্য যার প্রতি তোমার পাপের কারণে বিপর্যয় নেমে আসে।তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম আল-আনবারী আমাদের নিকট খালাফ আল-কাতিব-এর এই কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:তার দেহের লতাটি যেন তার শরীরের কমনীয়তারই প্রতিচ্ছবি … আর গোলাপ তার গালের গোলাপী আভার প্রতি ঈর্ষা করে।সূর্য একটি রত্ন যার নূর তারই নূর থেকে প্রাপ্ত … আর পূর্ণিমা চাঁদ তার কল্যাণ থেকেই কল্যাণমন্ডিত।সে এক হরিণশাবক যার লাবণ্য অতি সূক্ষ্ম … যা তলোয়ারের বিশুদ্ধ ঔজ্জ্বল্য থেকেও বেশি উজ্জ্বল।যদি তুমি তার গালের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে … তবে তার গালের মসৃণতায় তোমার নিজের মুখচ্ছবি দেখতে পেতে।তাঁর আরও কবিতা:আল্লাহ তোমার হেফাযত করুন হে আমার শ্রবণ ও দৃষ্টি … সেই চোখগুলো থেকে যা তোমার দিকে নজর ছুড়ে মারে।তোমার গাল দুটির সৌন্দর্য ও শ্রেষ্ঠত্ব থেকে যা তোমার রয়েছে … যার তাৎপর্য সূর্য ও চন্দ্রের চিহ্নে চিহ্নিত।তোমার জ্যোতি তাদের ম্লান করে দিয়েছে ফলে তারা নিজেদের সৌন্দর্যে জয়ী হতে পারেনি … তারা তোমার সাথে পাল্লা দিয়েছে কিন্তু তোমার শ্রেষ্ঠত্বকে অতিক্রম করতে পারেনি।মানুষের মধ্যে যারা তোমার ব্যাপারে নিন্দুকদের কাছে কৈফিয়ত দেয় … দিক না, কিন্তু আমি কোনো কৈফিয়ত দেব না।আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম, তিনি বলেন: আমার পিতা নিযযামের এই কবিতাটি আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন:অন্ধকারের পূর্ণিমা যেন মসৃণ পত্রের মাঝে … যা সতেজ মুক্তার সৌন্দর্যকে ম্লান করে দিয়েছে।লোকে আমাকে তার ভালোবাসার জন্য নিন্দা করে … প্রেমের ক্ষেত্রে নিন্দার ব্যাপারে তারা কতই না অজ্ঞ।তাদের রং থেকে যা সুন্দর তারা তা ভালোবাসে … তাহলে রবের রং (সৃষ্টি) কেমন হবে? (যা আরও সুন্দর)।আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-কাসিম, আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাইসাম ইবনে আদি ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ আল- ইয়ামানী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিকমতের কিতাবে লেখা আছে: "মূর্খ যখন কথা বলে তখন তার মূর্খতা তাকে লজ্জিত করে, আর যখন চুপ থাকে তখন তার অক্ষমতা তাকে প্রকাশ করে দেয়। সে যদি কাজ করে তবে তা নষ্ট করে, আর যদি ছেড়ে দেয় তবে তা হারিয়ে ফেলে। তার জ্ঞান তার কোনো উপকারে আসে না এবং অন্যের জ্ঞানও তাকে লাভবান করে না। তার মা কামনা করে সে যদি তাকে না জন্ম দিত (সন্তানহারা হতো), তার স্ত্রী কামনা করে সে যদি তার কাছে না থাকত, তার প্রতিবেশী তার থেকে একাকীত্ব কামনা করে আর তার সহচর তার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে চায়। সে যদি পরিবারের ছোট হয় তবে বড়দের ওপর চড়াও হয়, আর যদি বড় হয় তবে ছোটদের নষ্ট করে।"এই প্রসঙ্গে মিসকীন আদ-দারিমি বলেন:মূর্খের সঙ্গ থেকে বেঁচে থাকো … নিশ্চয়ই মূর্খ হলো একটি জীর্ণ বস্ত্রের ন্যায়।যখনই তুমি তার একপাশ তালি দেবে … তখনই বাতাস সামান্য আঘাতে তা ছিঁড়ে ফেলবে।অথবা কাঁচের জঘন্য ফাটলের মতো … তুমি কি দেখেছ কখনও কাঁচের ফাটল জোড়া লাগতে?যখন তুমি তাকে সতর্ক করবে যেন সে বিরত থাকে … সে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং মূর্খতায় ডুবে থাকে।যখন তুমি তার সাথে কোনো মজলিসে বসবে … সে তার বোকামি দিয়ে পুরো মজলিসটি নষ্ট করে দেবে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু ইবনু জামাআহ
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنِ الأَنْبَارِيِّ ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَنَّ الْحَسَنَ بْنَ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا سَمِعَ رَجُلا إِلَى جَنْبِهِ يَسْأَلُ اللَّهَ أَنْ يَرْزُقَهُ عَشَرَةَ آلافِ دِرْهَمٍ فَانْصَرَفَ فَبَعَثَ إِلَيْهِ بِهَاوَإِلَى هُنَا عَنِ ابْنِ حَيَّوَيْهِ ، عَنْ شُيُوخَهِ.قَالَ لَنَا أَبُو عُمَرَ ابْنُ حَيَّوَيْهِ: اجْتَزْتُ يَوْمًا فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ بَعْدَ انْصِرَافِي مِنْ مَجْلِسِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الأَنْبَارِيِّ بِحَلْقَةِ أَبِي بَكْرٍ الصُّولِيِّ ، فَرَأَيْتُهُ يُمْلِي ، فَوَقَفْتُ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَشَيْئًا مِنْ شَوَّالٍ فَكَأَنَّمَا صَامَ الدَّهْرَ» .فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا بَكْرٍ أَعَزَّكَ اللَّهُ، أَعِدِ الْحَدِيثَ ، فَأَعَادَهُ ثَانِيًا ، فَقُلْتُ لَهُ: يَا أَبَا بَكْرٍ، اجْعَلِ النُّقْطَتَيْنِ فَوْقَ ، وَقَدْ أَصَبْتَ، فَلَمْ يَفْطِنْ لِمَا قُلْتُهُ ، فَقُلْتُ لَهُ: سِتًّا.فَقَالَ: صَدَقْتَ يَا أَبَا عُمَرَ.فَتَرَكْتُهُ وَانْصَرَفْتُ
৭ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনুল আম্বারি, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু ইসমাইল আত-তিরমিযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, হাসান ইবনে আলী (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুমা) তাঁর পাশে থাকা এক ব্যক্তিকে আল্লাহর নিকট দশ হাজার দিরহাম রিযিক প্রদানের প্রার্থনা করতে শুনলেন। অতঃপর তিনি ফিরে গিয়ে তাঁর নিকট সেই পরিমাণ অর্থ পাঠিয়ে দিলেন।আর ইবনে হাইয়াওয়াইহ থেকে তাঁর শিক্ষকদের সূত্রে এ পর্যন্তই বর্ণিত।আবু উমর ইবনে হাইয়াওয়াইহ আমাদের বলেন: একদিন জুমার দিনে আবু বকর ইবনুল আম্বারির মজলিস থেকে ফেরার পথে আমি আবু বকর আস-সুলির পাঠদান চক্রের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি তাকে হাদীস শ্রুতিলিপি প্রদান করতে দেখলাম, তাই আমি দাঁড়ালাম এবং তাকে বলতে শুনলাম: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এবং শাওয়ালের কিছু অংশ রোজা রাখল, সে যেন পুরো বছর রোজা রাখল।"আমি তাকে বললাম: হে আবু বকর, আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন, হাদীসটি পুনরায় পাঠ করুন। তিনি দ্বিতীয়বার তা পাঠ করলেন। আমি তাকে বললাম: হে আবু বকর, (অক্ষরের নিচের) নুকতা দুটি উপরে তুলে দিন, তবেই আপনি সঠিক হবেন। আমি যা বলতে চেয়েছি তা তিনি বুঝতে পারলেন না, তখন আমি তাকে বললাম: "সিত্তান" (অর্থাৎ শাওয়ালের ছয় দিন)।তিনি বললেন: আপনি সত্য বলেছেন হে আবু উমর।এরপর আমি তাকে রেখে ফিরে আসলাম।