(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: -)
الجزء الرابع من رباعي التابعين (أبو موسى المديني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الجزء الرابع من رباعي التابعين
المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 22
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তাবেয়ীদের রুবাইয়াতের চতুর্থ খণ্ড (আবু মুসা আল-মাদিনী)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: তাবেয়ীদের রুবাইয়াতের চতুর্থ খণ্ড
লেখক: মুহাম্মাদ বিন উমর বিন আহমাদ বিন উমর বিন মুহাম্মাদ আল-আসবাহানি আল-মাদিনী, আবু মুসা (মৃত্যু ৫৮১ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলাম ওয়েব সাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪
[বইটি পাণ্ডুলিপি আকারে রয়েছে]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২২
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الرَّابِعُ مِنْ رُبَاعِي التَّابِعِينَ إِمْلاءُ الإِمَامِ الْحَافِظِ شَيْخِ الإِسْلامِ مُحْيِي السُّنَّةِ نُورِ الشَّرِيعَةِ أَبِي مُوسَى مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي عِيسَى الْمَدِينِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ أَدَامَ اللَّهُ تَوْفِيقَهُ.بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَلا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ
তাবেঈগণের রুবায়িয়াতের (চতুষ্টয়) চতুর্থ খণ্ড; এটি ইমাম, হাফেজ, শাইখুল ইসলাম, সুন্নাহর পুনর্জীবনদানকারী, শরীয়তের আলোকবর্তিকা আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে আবু ঈসা আল-মাদিনী আল-আসবাহানীর—আল্লাহ তাঁর তাওফিক অব্যাহত রাখুন—শ্রুতিলিপি।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ২)
1 - أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الْقَصَّارُ الْمَعْرُوفُ بِالْقَرَافِيِّ، وَأَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْكُوشِيذِيُّ، قَالا: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبْذَةَ الثَّانِي، أنبا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ الْحَافِظُ، ثنا الْهَيْثَمُ بْنُ خَالِدٍ الْمِصِّيصِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ الصَّيَّادُ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي غَلابٍ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ، قَالَ: صَلَّيْنَا مَعَ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ رضي الله عنه صَلاةَ الْعِشَاءِ، فَلَمَّا جَلَسْنَا، قَالَ رَجُلٌ: أُقِرَّتِ الصَّلاةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ، فَلَمَّا انْفَتَلَ أَبُو مُوسَى، قَالَ: أَيُّكُمُ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا؟ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: قُلْتُهَا يَا حِطَّانُ؟ فَقُلْتُ: لا وَاللَّهِ مَا قُلْتَهَا، فَقَالَ قَائِلُهَا أَنَا قُلْتُهَا وَلَمْ أُرِدْ إِلا الْخَيْرَ، فَقَالَ: أَلا تَعْلَمُونَ صَلاتَكُمْ؟ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعَلِّمُنَا صَلاتَنَا وَيُبَيِّنُ لَنَا سُنَّتَنَا، فَقَالَ: «أَقِيمُوا الصَّلاةَ، وَلْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ، ثُمَّ إِذَا كَبَّر الإِمَامُ فَكَبِّرُوا، وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا، وَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا؛ فَإِنَّ الإِمَامَ يُكَبِّرُ قَبْلَكُمْ وَيَرْكَعُ قَبْلَكُمْ» .أَوْ قَالَ: «يَرْفَعُ قَبْلَكُمْ» .قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " فَتِلْكَ بِتِلْكَ، فَإِذَا كَبَّرَ الإِمَامُ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا، فَإِذَا كَانَتِ الْقَعْدَةُ فَلْيَكُنْ أَوَّلَ مَا يَقُولُ أَحَدُكُمْ: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ".هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ قَتَادَةَ، رَوَاهُ عَنْهُ النَّاسُ، وَمَعْمَرٌ، وَأَبُو عَوَانَةَ، وَهِشَامٌ الدَّسْتُوَائِيُّ، وَأَبَانٌ الْعَطَّارُ، وَغَيْرُهُمْ.أنبا بِهِ عَالِيًا أَبُو بَكْرٍ، وَأَبُو غَالِبٍ، قَالا: أنبا ابْنُ رَبْذَةَ، أنبا الطَّبَرَانِيُّ، ثنا الدَّبَرِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّازِقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ.وَقَالَ الطَّبَرَانِيُّ ثنا مُحَمَّدُ بْنُ النَّضْرِ الأَزْدِيُّ، ثنا خَالِدُ بْنُ خِدَاشٍ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ.فَقَوْلُهُ: صَلاةُ الْعِشَاءِ.عَزِيزٌ غَرِيبٌ، وَقَوْلُهُ: فَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا.تَفَرَّدَ بِهِ سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ.وَلَمْ يُورِدْهُ الطَّبَرَانِيُّ فِي مُسْنَدِ سُفْيَانَ.أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ مِنْ حَدِيثِ جَرِيرٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ، وَمِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ قَتَادَةَ، وَفِي إِسْنَادِهِ أَرْبَعَةُ تَابِعِينَ: التَّيْمِيُّ، وَقَتَادَةُ رَوَيَا عَنْ أَنَسٍ، وَأَبُو غَلابٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَقَوْلُهُ: أَقْرَنْتُ كَذَا فِي الْحَدِيثِ وَالْفَصِيحُ قَرَنْتُ بِلا أَلِفٍ، وَقَدْ جَاءَ فِي بَعْضِ الأَحَادِيثِ أَيْضًا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «أَنَّهُ نَهَى عَنِ الإِقْرَانِ» .عَلَى هَذِهِ اللُّغَةِ وَالأَفْصَحُ مَا فِي غَالِبِ الرِّوَايَاتِ: أَنَّهُ نَهَى عَنِ الْقِرَانِ بِغَيْرِ أَلِفٍ.وَالْمَحْفُوظُ فِي هَذَا الْحَدِيثِ: أُقِرَّتِ الصَّلاةُ
১ - আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনুল ফাদল আল-কাসসার, যিনি আল-কারাফি নামে পরিচিত, এবং আবু গালিব আহমাদ ইবনুল আব্বাস আল-কুশিযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু রাবযাহ আস-সানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। হাফিজ আবু কাসিম সুলাইমান ইবনু আহমাদ ইবনু আইয়ুব আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আল-হাইসাম ইবনু খালিদ আল-মিসসিসি আমাদের বর্ণনা করেছেন। সাঈদ ইবনুল মুগিরা আস-সাইয়্যাদ আমাদের বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক আল-ফাযারি আমাদের বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি সুলাইমান আত-তাইমি থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু গাল্লাব ইউনুস ইবনু জুবাইর থেকে, তিনি হিত্তান ইবনু আব্দুল্লাহ আর-রাকাশি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: আমরা আবু মুসা আল-আশআরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন)-এর সাথে এশার সালাত আদায় করলাম। আমরা যখন (তাশাহহুদের জন্য) বসলাম, তখন এক লোক বলল: সালাতকে নেক আমল ও জাকাতের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। আবু মুসা যখন সালাত শেষ করে ফিরলেন, তখন তিনি বললেন: তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি কে, যে এমন এমন কথা বলেছে? লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলল: হে হিত্তান, আপনি কি তা বলেছেন? আমি বললাম: না, আল্লাহর কসম, আমি তা বলিনি। তখন সেই কথা বলা ব্যক্তিটি বলল: আমিই তা বলেছি এবং আমি কেবল কল্যাণই চেয়েছি। তখন তিনি (আবু মুসা) বললেন: তোমরা কি তোমাদের সালাত সম্পর্কে জানো না? নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) আমাদের সালাত শিক্ষা দিতেন এবং আমাদের সুন্নাত স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দিতেন। তিনি বলেছেন: «তোমরা সালাত কায়েম করো এবং তোমাদের মধ্যে কেউ একজন ইমামতি করবে। অতঃপর ইমাম যখন তাকবির বলবে, তখন তোমরাও তাকবির বলবে। আর যখন সে তিলাওয়াত করবে, তখন তোমরা চুপ থাকবে। আর যখন সে তাকবির বলবে ও রুকু করবে, তখন তোমরাও তাকবির বলবে ও রুকু করবে; কেননা ইমাম তোমাদের আগে তাকবির বলে এবং তোমাদের আগে রুকু করে।» অথবা তিনি বলেছেন: «তোমাদের আগে মাথা উঠায়।» আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "এটি ওটির বদলে (অর্থাৎ ইমামের আগে রুকু করার কারণে যে সময়টুকু তোমাদের আগে হয়েছে, তা ইমামের আগে মাথা উঠানোর মাধ্যমে সমান হয়ে যায়)। অতঃপর ইমাম যখন তাকবির বলে ও সিজদা করে, তখন তোমরাও তাকবির বলো ও সিজদা করো। যখন বসার সময় হবে, তখন তোমাদের প্রত্যেকের প্রথম কথা যেন হয়: সমস্ত অভিবাদন আল্লাহর জন্য এবং সমস্ত সালাত ও পবিত্র বিষয়সমূহও। হে নবী, আপনার ওপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ওপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।" এটি কাতাদাহর বর্ণিত একটি সহিহ হাদিস। তাঁর থেকে এটি সাধারণ বর্ণনাকারীগণ এবং মা'মার, আবু আওয়ানাহ, হিশাম আদ-দাস্তাওয়ায়ি, আবান আল-আত্তার ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। উচ্চ সনদে আবু বকর ও আবু গালিব আমাকে এর সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা বলেন: ইবনু রাবযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আদ-দাবারি আমাদের বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক থেকে, তিনি মা'মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে। তাবারানি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনুন নাদর আল-আযদি আমাদের বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনু খিদাশ আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে। তাঁর কথা: 'এশার সালাত'। এটি অত্যন্ত দুর্লভ ও অনন্য। আর তাঁর কথা: 'যখন সে তিলাওয়াত করবে, তখন তোমরা চুপ থাকবে'। সুলাইমান আত-তাইমি এককভাবে এটি কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাবারানি এটিকে সুফিয়ানের মুসনাদে উল্লেখ করেননি। ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে জারিরের হাদিস থেকে সুলাইমান সূত্রে এবং একাধিক পথে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এই সনদে চারজন তাবিঈ রয়েছেন: আত-তাইমি ও কাতাদাহ (উভয়ই আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন) এবং আবু গাল্লাব (যিনি ইবনু উমর থেকে বর্ণনা করেছেন)। হাদিসে 'আকরানতু' (আমি যুক্ত করেছি) শব্দটি এভাবেই আলিফ যোগে এসেছে, তবে শুদ্ধ ও সাবলীল রূপ হলো আলিফ ছাড়া 'কারানতু'। নবী (আল্লাহর দরুদ ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণিত কিছু হাদিসেও 'ইকরান' (একত্রে মিলিয়ে খাওয়া) করতে নিষেধ করার ক্ষেত্রে এই ভাষা অর্থাৎ আলিফ যোগে শব্দটি এসেছে। এই ভাষার ওপর ভিত্তি করে এবং অধিকাংশ বর্ণনায় যা সাবলীলভাবে এসেছে তা হলো, তিনি আলিফ ছাড়া 'কিরান' করতে নিষেধ করেছেন। আর এই হাদিসে সংরক্ষিত পাঠ হলো: 'উকিররাত আস-সালাত' (সালাতকে প্রতিষ্ঠিত বা যুক্ত করা হয়েছে)।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَيْثَمِ الصَّبَّاغُ، أنبا أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الصَّفَّارُ، وَأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ الْكُوشِيذِيُّ، وَأَبُو طَاهِرٍ الصَّبَّاغُ، وَفَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْقَاسِمِ بْنِ عُقَيْلٍ، قَالُوا: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبْذَةَ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ، ثنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْحَاقَ التُّسْتَرِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ ثَوَابٍ الْحُصَرِيِّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، ثنا أَشْعَثُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ يَعْنِي ابْنَ حُصَيْنٍ رضي الله عنهما، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «صَلَّى بِهِمْ فَسَهَى فِي صَلاتِهِ فَسَجَدَ سَجْدَتَيِ السَّهْوِ ثُمَّ سَلَّمَ» .وَهَذَا أَيْضًا صَحِيحٌ عَلَى شَرْطِ مُسْلِمٍ.أَخْرَجَهُ مِنْ حَدِيثِ خَالِدٍ، وَفِيهِ أَرْبَعَةُ تَابِعِينَ: مُحَمَّدُ ابْنُ سِيرِينَ يَرْوِي عَنْ جَمَاعَةٍ جَمَّةٍ مِنَ الصَّحَابَةِ رضي الله عنهم، وَخَالِدٌ رَوَى عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنْهُ عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم «دَخَلَ عَلَى أَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الأَنْصَارِ فَنَضَحَ بِسَاطًا وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ» .وَأَبُو قِلابَةَ يَرْوِي عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ الأَنْصَارِيِّ، وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ الْكَعْبِيِّ، وَمَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، وَالنُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، وَغَيْرِهِمْ رضي الله عنهم.وَأَبُو الْمُهَلَّبِ هُوَ عَمُّهُ.وَفِي هَذَا الإِسْنَادِ دَقِيقَةٌ لَطِيفَةٌ، وَهِيَ أَنَّ مُحَمَّدَ ابْنَ سِيرِينَ يَرْوِي عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ فِي صَحِيحِ مُسْلِمٍ وَيَرْوِي عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ، أَيْضًا.فَعَدَّهُ فِي هَذَا عَنْ رَجُلٍ آخَرَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ.وَهَذَا الإِسْنَادُ تَفَرَّدَ بِهِ هَكَذَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাইসাম আস-সাব্বাগ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে উমর আস-সাফফার, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আল-কুশিযি, আবু তাহের আস-সাব্বাগ এবং ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনুল কাসিম ইবনে উকাইল; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রাবযা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাসিম আত-তাবারানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হুসাইন ইবনে ইসহাক আত-তুস্তারি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাওয়াব আল-হুসারি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আশআস ইবনে আব্দুল মালিক, মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি খালিদ আল-হায্যা থেকে, তিনি আবু কিলাবা থেকে, তিনি আবু মুহাল্লাব থেকে, তিনি ইমরান অর্থাৎ ইবনে হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, সালাতে তিনি ভুল করলেন, ফলে তিনি সহো সিজদা (ভুলের জন্য সিজদা) করলেন, এরপর সালাম ফিরালেন»।এটিও ইমাম মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ।তিনি এটি বর্ণনা করেছেন খালিদ-এর হাদীস থেকে এবং এতে চারজন তাবেঈ রয়েছেন: মুহাম্মদ ইবনে সিরীন, যিনি একদল সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণনা করেন। আর খালিদ বর্ণনা করেছেন ইবনে উলাইয়্যা থেকে, তিনি তাঁর থেকে, তিনি আনাস থেকে যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) «আনসারদের একটি পরিবারের ঘরে প্রবেশ করলেন এবং একটি বিছানার ওপর পানি ছিটিয়ে দিলেন ও দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন»।আর আবু কিলাবা বর্ণনা করেন আনাস ইবনে মালিক আল-আনসারি, আনাস ইবনে মালিক আল-কাব্বি, মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস, নুমান ইবনে বাশীর এবং অন্যান্যদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে।আর আবু মুহাল্লাব হলেন তাঁর চাচা।এই ইসনাদে একটি সূক্ষ্ম দিক রয়েছে, আর তা হলো মুহাম্মদ ইবনে সিরীন সহীহ মুসলিমে ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, আবার তিনি আবু মুহাল্লাব থেকেও বর্ণনা করেন, যিনি ইমরান থেকে বর্ণনা করেন।সুতরাং এতে তিনি অন্য একজন ব্যক্তির মাধ্যমে আবু মুহাল্লাব থেকে, তিনি ইমরান থেকে বর্ণনা করেছেন বলে গণ্য করা হয়েছে।আর এই ইসনাদটি এভাবে এককভাবে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أْخَبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ التَّاجِرُ، أنبا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ثنا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ.قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الصَّوَّافُ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: وَجَدْتُ فِي كِتَابِ أَبِي، بِخَطِّهِ حَدِيثًا عَنْ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رضي الله عنه حَدِيثَ الْقُرْعَةِ.وَهَذَا صَحِيحُ الْمَتْنِ غَرِيبُ الإِسْنَادِ، تَفَرَّدَ بِهِ مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، هَكَذَا.وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ، مِنْ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ حَسَّانٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ عِمْرَانَ، نَفْسِهِ.وَتَابَعَ هِشَامًا غَيْرَهُ كَذَلِكَ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ ইসমাঈল ইবনুল ফাদল ইবনে আহমাদ আত-তাজির, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির ইবনে আব্দুর রহিম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসমাঈল ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনে আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মু'আয ইবনে মু'আয।আদ-দারাকুতনী বলেন: এবং আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আস-সাওয়াফ, তিনি বলেন আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার কিতাবে তাঁর নিজ হস্তাক্ষরে মু'আয ইবনে মু'আয থেকে, তিনি আশ’আস থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন থেকে, তিনি খালিদ আল-হাদ্দা থেকে, তিনি আবু কিলাবা থেকে, তিনি আবুল মুহাল্লাব থেকে, এবং তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত লটারি সংক্রান্ত হাদিস।এর মতন (মূলপাঠ) সহিহ কিন্তু সনদ (বর্ণনাসূত্র) গরিব; মু'আয ইবনে মু'আয এককভাবে এটি এভাবে বর্ণনা করেছেন।এবং ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে হিশাম ইবনে হাসসানের সূত্রে ইবনে সিরিন থেকে এবং তিনি স্বয়ং ইমরান থেকে বর্ণনা করেছেন।অন্যান্যরাও একইভাবে হিশামের অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو غَالِبٍ الْكُوشِيذِيُّ، وَأَبُو طَاهِرٍ الصَّبَّاغُ، وَفَاطِمَةُ الْجَوْزَدَانِيَّةُ، قَالُوا: أنبا ابْنُ رَبْذَةَ.ح وَأنبا أَبُو طَاهِرٍ، أنبا أَبُو سَعْدٍ الصَّفَّارُ، قَالا: أنبا الطَّبَرَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجُذُوعِيُّ، ثنا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرِمٍ، ثنا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ رضي الله عنه، أَّن رَجُلا كَانَ لَهُ سِتَّةٌ مِنَ الرَّقِيقِ فَأَعْتَقَهُمْ عِنْدَ مَوْتِهِ، فَأَقْرَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَهُمْ، فَأَعْتَقَ اثْنَيْنِ وَأَرَقَّ أَرْبَعَةً ".وَقَالَ الطَّبَرَانِيُّ: ثنا مَحْمُودُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ، ثنا أَبُو الشَّعْثَاءِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ، ثنا وَكِيعٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ إِبْرَاهيِمَ، عَنِ الْحَسَنِ، وَابْنِ سِيرِينَ، عَنْ عِمْرَانَ، مِثْلَهُ
৪ - আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবু গালিব আল-কুশিজি, আবু তাহির আস-সাব্বাগ এবং ফাতিমা আল-জাওজাদানিয়্যাহ; তারা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে রাবযাহ। (সনদ পরিবর্তন) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আস-সাফফার, তারা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-জুযুয়ি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উকবাহ বিন মুকরিম, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাদরামি, ইয়াযিদ বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন সিরিন থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তির ছয়জন দাস ছিল, সে তার মৃত্যুর সময় তাদের মুক্ত করে দেয়। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যে লটারি করলেন, অতঃপর তিনি দুইজনকে মুক্ত করে দিলেন এবং চারজনকে দাস হিসেবেই রেখে দিলেন। এবং তাবারানি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মাহমুদ বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল শা’সা আলী বিন আল-হুসাইন, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ওয়াকি, ইয়াযিদ বিন ইবরাহিম থেকে, তিনি হাসান ও ইবনে সিরিন থেকে, তারা ইমরান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفَضْلِ الإِخِشْيدُ، أنبا أَبُو طَاهِرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أنبا الدَّارَقُطْنِيُّ، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ سُلَيْمَانَ الْوَرَّاقُ، ثنا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سَلامٍ الرَّزَّازُ الْوَاسِطِيُّ.وَثنا حَفْصُ بْنُ عِمْرَانَ أَبُو عِمْرَان الْوَاسِطِيُّ، ثنا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ رضي الله عنه، قَالَ: «نَهَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ أَبِيعَ مَا لَيْسَ عِنْدِي» .قُلْتُ: مَا أُنْكِرُ مِنْ حَدِيثِكَ.قَالَ: حَدَّثَنِي أَيُّوبُ السِّخْتِيَانِيُّ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِصْمَةَ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ.هَكَذَا رَوَاهُ حَفْصٌ الْوَاسِطِيُّ.وَرَوَاهُ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ يَزِيدَ.فَلَمْ يَذْكُرَا فِيهِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عِصْمَةَ.وَكَذَلِكَ رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ عَتِيقٍ، وَأَبُو خُشَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ يُوسُفَ، عَنْ حَكِيمٍ.وَرَوَاهُ عَامِرٌ الأَحْوَلُ، وَيَعْلَى بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِصْمَةَ، عَنْ حَكِيمٍ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন আল-ফজল আল-ইখশীদ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির বিন আবদুর রহিম, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আদ-দারাকুতনী, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আব্দুল হামিদ বিন সুলাইমান আল-ওয়াররাক, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আব্দুর রহিম বিন সালাম আর-রাযযায আল-ওয়াসিতী।এবং আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাফস বিন ইমরান আবু ইমরান আল-ওয়াসিতী, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াযীদ বিন ইব্রাহিম, তিনি মুহাম্মদ বিন সিরীন থেকে, তিনি হাকিম বিন হিযাম রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে নিষেধ করেছেন যে আমি যেন আমার নিকট নেই এমন কিছু বিক্রি না করি»।আমি বললাম: আপনার হাদীসের কোনো কিছুই আমি অস্বীকার করি না।তিনি বললেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী, তিনি ইউসুফ বিন মাহিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ইসমাহ থেকে, তিনি হাকিম বিন হিযাম থেকে।হাফস আল-ওয়াসিতী এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন।আর এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস এবং সুলাইমান বিন হারব, ইয়াযীদ থেকে।তারা উভয়ে এতে আব্দুল্লাহ বিন ইসমাহর নাম উল্লেখ করেননি।একইভাবে এটি বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আতিক এবং আবু খুশাইনাহ, ইবন সিরীন থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি ইউসুফ থেকে, তিনি হাকিম থেকে।আর এটি বর্ণনা করেছেন আমির আল-আহওয়াল এবং ইয়ালা বিন হাকিম, ইউসুফ বিন মাহিক থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন ইসমাহ থেকে, তিনি হাকিম থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ السَّرَّاجُ، أنبا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ الدَّارَقُطْنِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ الصَّفَّارُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْمَجِيدِ الْحُلْوَانِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرْعَرَةَ، قَالَ: دَفَعَ إِلَيْنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ كِتَابًا، قَالَ: سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي، فَنَسَخْنَاهُ وَلَمْ نَقْرَأْهُ عَلَيْهِ وَكَانَ فِيهِ عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَامِرٍ الأَحْوَلِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «عُمْرَةٌ فِي رَمَضَانَ تَعْدِلُ حِجَّةً» .فِي هَذَا الإِسْنَادِ أَرْبَعَةٌ مِنَ التَّابِعِينَ: قَتَادَةُ يَرْوِي عَنْ أَنَسٍ، وَعَامِرٌ عَنْ عَائِذِ بْنِ عَمْرٍو، وَبَكْرٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল আস-সাররাজ, আমাদের খবর দিয়েছেন আবু তাহির বিন আবদুর রহিম, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল হাসান আদ-দারা কুতনী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইসমাইল আস-সাফফার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবদুল মাজিদ আল-হুলওয়ানি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আরআরহ, তিনি বলেন: মুয়ায বিন হিশাম আমাদের কাছে একটি কিতাব পেশ করলেন এবং বললেন: আমি এটি আমার পিতার নিকট থেকে শুনেছি। অতঃপর আমরা তা অনুলিপি করে নিলাম কিন্তু তা তাঁর নিকট পাঠ করিনি। সেখানে বর্ণিত ছিল কাতাদাহ থেকে, তিনি আমির আল-আহওয়াল থেকে, তিনি বকর বিন আবদুল্লাহ আল-মুযানী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «রমজানে একটি উমরা পালন করা একটি হজের সমতুল্য».এই সনদে চারজন তাবেঈ রয়েছেন: কাতাদাহ বর্ণনা করেন আনাস থেকে, আমির বর্ণনা করেন আইয বিন আমর থেকে এবং বকর বর্ণনা করেন ইবনে উমর ও আবদুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَدْنَانَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمُطَهِّرِ بْنُ أَبِي نِزَارٍ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَخَمْسِ مِائَةٍ وَعَشَرَةً، قَال: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبْذَةَ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِّيُ الْحَافِظُ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمَرْوَزِيُّ الْحَافِظُ، بِبَغْدَادَ، ثنا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْمَرْوَزِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا بِهَا، وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ اللَّيْثِ الْمَرْوَزِيُّ، وَاللَّفْظُ لِرِوَايَتِهِ؛ لأَنَّهُ أَتَمُّ، قَالا: ثنا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ الْكَاجَغُونِيُّ، ثنا عَبْدُ الْكَبِيرِ بْنُ دِينَارٍ الصَّائِغُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه، قَالَ: " خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَخْرَجًا، فَلَمْ نُصِبْ مَاءً نَتَوَضَّأُ مِنْهُ وَلا نَشْرَبُهُ، وَمَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِدَاوَةٌ فِيهَا شَيْءٌ مِنْ مَاءٍ، فَصَبَّهُ فِي إِنَاءٍ، ثُمَّ وَضَعَ كَفَّيْهِ عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «هَلُمَّ عَلَى الْوُضُوءِ، وَالْبَرَكَةُ مِنَ اللَّهِ عز وجل» .قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: فَلَقَدْ رَأَيْتُ مَا بَيْنَ أَصَابِعِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَفَجَّرَ عُيُونًا، وَشَرِبَ النَّاسُ وَتَوَضَّئُوا، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: إِنْ كُنَّا مَعْشَرَ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَرَى الآيَاتِ بَرَكَةً، وَأَنْتُمْ تَرَوْنَهَا تَخْوِيفًا.وَكَانَ جَابِرٌ رضي الله عنه مَعَهُمْ، وَإِنَّ الْقَوْمَ يَوْمَئِذٍ بَلَغُوا أَلْفًا وَخَمْسَ مِائَةِ رَجُلٍ.قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَعْمَشِ، تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ الْكَبِيرِ، وَلَمْ يَرْوِهِ إِلا أَهْلُ مَرْوَ بِهَذَا الإِسْنَادِ.قَالَ الطَّبَرَانِيُّ: لَمْ يَرْوِهِ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ إِلا عَبْدُ الْكَبِيرِ، وَلا عَنْهُ إِلا يَحْيَى.قَالَ الشَّيْخُ: وَفِي إِسْنَادِهِ أَرْبَعَةٌ مِنَ التَّابِعِينَ: أَبُو إِسْحَاقَ عَمْرُو بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي شُعَيْرَةَ الْهَمْدَانِيُّ السَّبِيعِيُّ، أَدْرَكَ نَيِّفًا وَعِشْرِينَ صَحَابِيًّا، وَرِوَايَتُهُ عَنِ الأَعْمَشِ، مِنْ رِوَايَةِ الأَكَابِرِ عَنِ الأَصَاغِرِ، وَالأَعْمَشِ، وَإِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ، وَذَكَرْنَاهَا غَيْرَ مَرَّةٍ، وَكَاجَغُونُ قَرْيَةٌ مِنْ قُرَى مَرْوَ.وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيُ بِالشِّينِ، وَيَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ كَانَ يُثْنِي عَلَيْهِ خَيْرًا، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مِنْ حُفَّاظِ أَهْلِ مَرْوَ، وَرَوَى عَنْهُ أَهْلُهَا، وَلَعَلَّهُ حَجَّ فَكَتَبَ عَنْهُ بِبَغْدَادَ وَالْكُوفَةِ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আদনান মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবিল মুতাহহির ইবনে আবি নিযার, পাঁচশ দশ হিজরি সালে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাবজাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু কাসেম সুলায়মান ইবনে আহমাদ আত-তাবারানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-মারওয়াযি, বাগদাদে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওমর ইবনে আহমাদ ইবনে আলী আল-মারওয়াযি, যিনি আমাদের নিকট এখানে এসেছিলেন, এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে লায়স আল-মারওয়াযি, আর শব্দগুলো তার বর্ণনা অনুযায়ী; কারণ তা অধিকতর পূর্ণাঙ্গ, তারা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইসহাক আল-কাজাগুনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল কবির ইবনে দিনার আস-সাইগ, তিনি আবু ইসহাক আল-হামদানি থেকে, তিনি সুলায়মান আল-আ’মাশ থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এক সফরে বের হলাম, কিন্তু ওজু করার জন্য বা পান করার জন্য কোনো পানি পেলাম না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি চামড়ার পাত্র ছিল যাতে সামান্য পানি ছিল, তিনি তা একটি পাত্রে ঢাললেন, এরপর তাঁর উভয় হাতের তালু তার ওপর রাখলেন এবং বললেন: «ওজুর জন্য এসো, আর বরকত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে»।আবদুল্লাহ বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আঙ্গুলসমূহের মাঝখান থেকে ঝরনার মতো পানি প্রবাহিত হতে দেখেছি। মানুষ তা পান করল এবং ওজু করল। আবদুল্লাহ বলেন: আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ অলৌকিক নিদর্শনসমূহকে বরকত হিসেবে দেখতাম, আর তোমরা সেগুলোকে ভীতিপ্রদর্শন হিসেবে মনে করো।জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুও তাদের সাথে ছিলেন এবং সেদিন লোকের সংখ্যা এক হাজার পাঁচশ জনে পৌঁছেছিল।আদ-দারাকুতনি বলেন: এটি আবু ইসহাকের হাদিস হিসেবে বিরল (গারিব), আব্দুল কবির এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং এই সনদসহ মার্ভের অধিবাসী ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেনি।আত-তাবারানি বলেন: আব্দুল কবির ছাড়া আর কেউ আবু ইসহাক থেকে এটি বর্ণনা করেননি, এবং ইয়াহইয়া ছাড়া কেউ তার থেকে এটি বর্ণনা করেননি।শায়খ বলেন: এর সনদে চারজন তাবিঈ রয়েছেন: আবু ইসহাক আমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি শুয়াইরাহ আল-হামদানি আস-সাবিঈ, তিনি বিশের অধিক সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন; আর আ’মাশ থেকে তার বর্ণনাটি বড়দের ছোটদের থেকে বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া আ’মাশ ও ইব্রাহিম আন-নাখায়ি রয়েছেন, এবং আমরা তাদের কথা একাধিকবার উল্লেখ করেছি। আর কাজাগুন হলো মার্ভের গ্রামগুলোর একটি।আত-তাবারানি এটি 'শিন' বর্ণ যোগে (কাশাগুন) বর্ণনা করেছেন, এবং ইয়াহইয়া ইবনে ইসহাক তার ভূয়সী প্রশংসা করতেন। আর মুহাম্মদ ইবনে আলী হলেন মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আবু আবদুল্লাহ, যিনি মার্ভের হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, মার্ভের অধিবাসীরা তার থেকে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত তিনি হজ করেছিলেন, যার ফলে বাগদাদ ও কুফায় তার থেকে (হাদিস) লেখা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ الْحَدَّادُ الْمُقْرِئُ، وَغَيْرُهُ، قَالا: أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ الْمُقْرِئُ، ثنا أَبُو زُرْعَةَ رَوْحُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَفِيدُ أَبِي بَكْرٍ السُّنِّيِّ، ثنا أَبُو أَحْمَدَ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا أَبُو عَوَانَةَ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْمِهْرَجَانِيُّ، حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ الْهُنَائِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، «صَلَّى عَلَى قَبْرٍ بَعْدَ مَا دُفِنَ» .قَالَ شُعْبَةُ: فَقُلْتُ لِقَتَادَةَ: مِمَّنْ سَمِعْتَهُ؟ فَقَالَ: حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ.قَالَ شُعْبَةُ: فَسَأَلْتُ عَاصِمًا مِمَّنْ سَمِعْتَهُ؟ فَقَالَ: حَدَّثَنِي الشَّيْبَانِيُّ.فَلَقِيتُ الشَّيْبَانِيَّ، فَسَأَلْتُهُ مِمَّنْ سَمِعْتَهُ؟ فَقَالَ: حَدَّثَنِي الشَّعْبِيُّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى عَلَى قَبْرٍ.رَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ.فَخَالَفَ فِي الإِسْنَادِ فِي مَوْضِعَيْنِ.قَالَ: عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ كَثِيرٍ الْعَنْبَرِيِّ، عَنْ شُعْبَةَ.وَقَالَ عَاصِمٌ الأَحْوَلُ بَدَلَ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ.وَفِيهِ أَرْبَعَةٌ مِنَ التَّابِعِينَ: قَتَادَةُ رَوَى عَنْ أَنَسٍ، وَعَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، وَعَاصِمٌ الأَحْوَلُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجَسٍ، وَالشَّيْبَانِيُّ هُوَ سُلَيْمَانُ بْنُ فَيْرُوزَ أَبُو إِسْحَاقَ، أَدْرَكَ ابْنَ أَبِي أَوْفَى
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-মুকরি এবং অন্যান্যরা, তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে আল-ফাদল আল-মুকরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জুরআহ রাওহ ইবনে মুহাম্মদ—যিনি আবু বকর আস-সুন্নীর পৌত্র, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমদ আল-হুসাইন ইবনে আলী আন-নায়সাবুরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ ইয়াকুব ইবনে ইসহাক আল-মিহরাজানি, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল-হুনাই, শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আশ-শা'বী থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, «এক ব্যক্তিকে দাফন করার পর তার কবরের ওপর সালাত আদায় করেছেন।» শু'বাহ বলেন: আমি কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: আমার নিকট আসিম ইবনে বাহদালা বর্ণনা করেছেন। শু'বাহ বলেন: এরপর আমি আসিমকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: আমার নিকট আশ-শাইবানী বর্ণনা করেছেন।অতঃপর আমি আশ-শাইবানীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এটি কার নিকট থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: আমার নিকট আশ-শা'বী বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে যে, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কবরের ওপর সালাত আদায় করেছেন।এটি মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান, জাফর ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।তবে তিনি সনদের (বর্ণনাসূত্র) দুটি স্থানে ভিন্নতা করেছেন।তিনি বলেছেন: জাফর থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর আল-আনবারী থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে।এবং তিনি আসিম ইবনে বাহদালার পরিবর্তে আসিম আল-আহওয়াল-এর নাম উল্লেখ করেছেন।এই সনদে চারজন তাবেয়ী রয়েছেন: কাতাদাহ—যিনি আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন; আসিম ইবনে বাহদালা—যিনি মালিক ইবনে আল-হুওয়াইরিস থেকে বর্ণনা করেছেন; আসিম আল-আহওয়াল—যিনি আব্দুল্লাহ ইবনে সারজাস থেকে বর্ণনা করেছেন; এবং আশ-শাইবানী—যিনি হলেন সুলাইমান ইবনে ফাইরুজ আবু ইসহাক, তিনি ইবনে আবি আওফার সাক্ষাৎ পেয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ أَحْمَدَ السَّرَّاجُ، أنبا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أنبا الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَكَرِيَّا النَّيْسَابُورِيُّ، بِمِصْرَ، ثنا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّسَائِيُّ، ثنا عَمَّارُ بْنُ الْحَسَنِ النَّسَائِيُّ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ وَهُوَ ابْنُ سَعْدٍ الدَّشْتَكِيُّ، أنبا إِبْرَاهِيمُ الصَّائِغُ، عَنْ حَمَّادٍ وَهُوَ ابْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، ثنا أَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رضي الله عنه، قَالَ: «كُنَّا نَحْمِلُ لَحْمَ الصَّيْدِ صَفِيفًا، وَكُنَّا نَتَزَوَّدُهُ وَنَحْنُ مُحْرِمُونَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم» .هَذَا إِسْنَادٌ غَرِيبٌ جِدًّا، لَمْ أَكْتُبْهُ إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.وَرَوَاهُ حَمَّادٌ عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ، مِنْ رِوَايَةِ الأَكَابِرِ عَنِ الأَصَاغِرِ، وَفِيهِ أَرْبَعَةٌ مِنَ التَّابِعِينَ: حَمَّادٌ رَوَى عَنْ أَنَسٍ، وَابْنِ أَبِي أَوْفَى، وَأَبُو حَنِيفَةَ قِيلَ: أَدْرَكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ جَزْءٍ، وَهِشَامٌ أَدْرَكَ جَابِرًا وَابْنَ عُمَرَ وَغْيَرَهُمَا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন ফজল বিন আহমাদ আস-সাররাজ, আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহের বিন আব্দুল রহিম, আমাদের জানিয়েছেন হাফেজ দারা কুতনী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যাকারিয়া আন-নাইসাবুরি মিশরে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আম্মার বিন হাসান আন-নাসায়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ (যিনি ইবনে সাদ আদ-দাশতাকি), আমাদের জানিয়েছেন ইব্রাহিম আস-সায়িগ, হাম্মাদ (যিনি ইবনে আবি সুলায়মান) থেকে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হানিফা, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি জুবায়ের বিন আওয়াম (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ইহরাম অবস্থায় থাকাকালীন শিকার করা পশুর গোশত রোদে শুকানো অবস্থায় বহন করতাম এবং তা পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করতাম।»এটি একটি অত্যন্ত বিরল সনদ, আমি এটি এই সূত্র ব্যতিরেকে লিপিবদ্ধ করিনি।আর হাম্মাদ এটি আবু হানিফা থেকে বর্ণনা করেছেন, যা বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের থেকে বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত; এতে চারজন তাবিঈ রয়েছেন: হাম্মাদ, যিনি আনাস ও ইবনে আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন; আবু হানিফা, যার সম্পর্কে বলা হয় যে তিনি আব্দুল্লাহ বিন হারিস বিন জায-এর সাক্ষাৎ পেয়েছেন; এবং হিশাম, যিনি জাবির, ইবনে উমর ও অন্যান্যদের (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) সাক্ষাৎ পেয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ سَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ الصَّيْرَفِيُّ، أنبا أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ الْبَاطِرْقَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ الْحَارِثِ الْبُخَارِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، أنبا الْمُنْذِرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي عَمِّي، عَنْ أَبِيهِ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، وَأَبُو حَنِيفَةَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ رضي الله عنه، «أَنَّهُ خَرَجَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ، فَانْطَلَقَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَضَى حَاجَةً، ثُمَّ رَجَعَ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ لَهُ رُومِيَّةٌ، ضَيِّقَةُ الْكُمَّيْنِ، فَرَفَعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ضِيقِ كُمَّيْهَا، وَكُنْتُ أَصُبُّ يَعْنِي عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَتَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاةِ، وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ وَلَمْ يَنْزِعْهُمَا» .رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ، وَفِيهِ أَيْضًا أَرْبَعَةُ تَابِعِينَ: أَبُو حَنِيفَةَ، وَحَمَّادٌ، وَالشَّعْبِيُّ، وَابْنُ أَبِي مُوسَى
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ সাঈদ ইবনে আবি আল-রাজা আল-সাইরাফি, তিনি বলেন, আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ ইবনে আল-ফাদল আল-বাতিরকানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে আল-হারিস আল-বুখারি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন, আমাদের জানিয়েছেন আল-মুনজির ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমাকে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন, আমাকে বর্ণনা করেছেন আমার চাচা, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি বলেন, আমাকে বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে হাম্মাদ ইবনে আবি সুলাইমান এবং আবু হানিফা; তাঁরা হাম্মাদ থেকে, তিনি আমির আশ-শা'বি থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আবি মুসা আল-আশআরি থেকে, তিনি মুগিরা ইবনে শু'বাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, «তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে এক সফরে বের হয়েছিলেন। অতঃপর আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রস্থান করলেন এবং হাজত পূরণ করলেন, তারপর তিনি ফিরে আসলেন। তখন তাঁর পরিধানে ছিল একটি রোমান জুব্বা, যার হাতা দুটি ছিল সংকীর্ণ। হাতা সংকীর্ণ হওয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা (জুব্বাটি) উপরে উঠালেন। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপর পানি ঢেলে দিচ্ছিলাম। অতঃপর তিনি নামাজের অজুর ন্যায় অজু করলেন এবং তাঁর মোজা দুটির উপর মাসাহ করলেন, সেগুলো খুললেন না»।এটি আবু হানিফা থেকে একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। আর এই সনদে চারজন তাবেঈ রয়েছেন: আবু হানিফা, হাম্মাদ, আশ-শা'বি এবং ইবনে আবি মুসা।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ السَّرَّاجُ، أنبا أَبُو طَاهِرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أنبا الدَّارَقُطْنِيُّ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ الْقَرَاطِيسِيُّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْبَجَلِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: «عَهِدَ إِلَيَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ لا يُحِبُّكَ إِلا مُؤْمِنٌ، وَلا يُبْغِضُكَ إِلا مُنَافِقٌ» .فَقَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: غَرِيبٌ لَمْ نَسْمَعْهُ إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল আস-সাররাজ, আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহির বিন আবদুর রহীম, আমাদের জানিয়েছেন আদ-দারাকুতনী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন আল-হাসান আল-কিরাতিসী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আল-কাসিম বিন আল-হুসাইন আল-বাজালী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সালিহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম বিন ইউসুফ, তিনি তাঁর পিতার নিকট হতে, তিনি আবু ইসহাকের নিকট হতে, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান, তিনি আদী বিন সাবিতের নিকট হতে, তিনি যির বিন হুবাইশের নিকট হতে, তিনি আলী বিন আবু তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার নিকট অঙ্গীকার করেছেন যে, “মুমিন ব্যতীত কেউ তোমাকে ভালোবাসবে না এবং মুনাফিক ব্যতীত কেউ তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না।” .অতঃপর আদ-দারাকুতনী বলেন: এটি গরীব, আমরা কেবল এই সূত্র থেকেই এটি শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - وَبِهِ، قَالَ: أنبا الدَّارَقُطْنِيُّ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُسْتَوْرِدٍ، وَنَجِيحُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ قُتَيْبَةَ، قَالُوا: أنبا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أنبا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ رضي الله عنه: «اجْعَلُوا إِمَامَكُمْ خَيْرُكُمْ كَمَا جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِمَامَنَا خَيْرَنَا بَعْدَهُ» .فِي كُلِّ وَاحِدٍ مِنَ الإِسْنَادَيْنِ أَرْبَعُ تَابِعِينَ: أَبُو إِسْحَاقَ فِي الإِسْنَادَيْنِ هُوَ السَّبِيعِيُّ، وَسُلَيْمَانُ هُوَ الأَعْمَشُ، وَعَدِيٌّ يَرْوِي عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، وَحَمَّادٌ هُوَ ابْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، وَإِبْرَاهِيمُ هُوَ النَّخَعِيُّ، وَإْبِرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ هُوَ ابْنُ أَبِي إِسْحَاقَ السَّبِيعِيُّ، وَكَذَلِكَ إِسْرَائِيلُ هُوَ ابْنُ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ هُمَا ابْنَا عَمٍّ
১২ - এবং সেই একই সনদে তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আদ-দারাকুতনী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদ, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুসতাওরিদ, নাজিহ বিন ইবরাহিম এবং আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন কুতাইবাহ; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন ইবরাহিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসরাঈল, আবু ইসহাক থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন ইয়াযিদ থেকে; তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: «তোমরা তোমাদের মধ্য হতে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে ইমাম নিযুক্ত করো, যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরে আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমাদের ইমাম নিযুক্ত করেছিলেন।» .এই উভয় সনদের প্রত্যেকটিতে চারজন করে তাবিঈ রয়েছেন: উভয় সনদে উল্লেখিত আবু ইসহাক হলেন আস-সাবিঈ; সুলাইমান হলেন আল-আমাশ; আদী বর্ণনা করেন আল-বারা ইবন আযিব থেকে; হাম্মাদ হলেন ইবনে আবি সুলাইমান; ইবরাহিম হলেন আন-নাখাঈ; ইবরাহিম বিন ইউসুফ হলেন আবু ইসহাক আস-সাবিঈর বংশধর (নাতি); একইভাবে ইসরাঈল হলেন ইউনুস বিন আবু ইসহাকের পুত্র—তাঁরা দুজন পরস্পর চাচাতো ভাই।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ الْحَدَّادُ، فِي كِتَابِ الْحِلْيَةِ سَنَةَ سِتٍّ، وَفِي مُسْنَدِ الشَّامِيِّينَ سَنَةَ ثَمَانٍ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ جَرِيرٍ الصُّورِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَكَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ، قَالا: ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الْخَلالُ، ثنا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الطَّاطَرِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ حُمْرَانَ، عَنْ عُثْمَانَ رضي الله عنه، " أَنَّهُ تَوَضَّأَ فَتَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ، ثَلاثًا ثَلاثًا، وَمَسَحَ رَأْسَهُ وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ، ثُمَّ تَبَسَّمَ، ثُمَّ قَالَ: أَلا تَسْأَلُونِي لِمَا تَبَسَّمْتُ؟ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ نَحْوًا مِنْ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ تَبَسَّمَ، فَقَالَ: «أَلا تْسَأَلُونِي لِمَ تَبَسَّمْتُ؟» قَالَ: فَسَأَلْنَاهُ لِمَ تَبَسَّمْتَ؟ فَقَالَ: «إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا تَوَضَّأَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ حَطَّ اللَّهُ تَعَالَى خَطَايَا وَجْهِهِ، فَإِذَا غَسَلَ ذِرَاعَيْهِ حَطَّ اللَّهُ تَعَالَى خَطَايَا ذِرَاعَيْهِ، فَإِذَا مَسَحَ رَأْسَهُ حَطَّ اللَّهُ تَعَالَى خَطَايَا رَأْسِهِ، فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ حَطَّ اللَّهُ تَعَالَى خَطَايَا رِجْلَيْهِ» .هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ وَغَيْرُهُمَا مِنْ حَدِيثِ حُمْرَانَ.وَلَمْ يَرْوِهِ عَنْ قَتَادَةَ بِإِدْخَالِ أَبِي قِلابَةَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ مُسْلِمٍ إِلا سَعِيدٌ.وَفِيهِ أَرْبَعَةٌ مِنَ التَّابِعِينَ: قَتَادَةُ يَرْوِي عَنْ أَنَسٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجَسٍ، وَحَنْظَلَةَ الْكَاتِبِ، وَأَبِي الطُّفَيْلِ.وَأَبُو قِلابَةَ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ، يَرْوِي عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنَ الصَّحَابَةِ، ذَكَرْنَاهُ فِيمَا قَبْلُ.وَمُسْلِمُ بْنُ يَسَارٍ ذَكَرَ أَبُو نُعَيْمٍ أَنَّهُ رَوَى عَنْ عِدَّةٍ مِنَ الصَّحَابَةِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْ جَمِيعِهِمْ، وَالطَّاطَرِيُّ بِلِسَانِ أَهْلِ دِمَشْقَ هُوَ الْبَزَّازُ
১৩ - আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনুল হুসাইন আল-হাদ্দাদ [হিলয়াহ কিতাবে ৪৬৬ হিজরি সনে এবং মুসনাদুশ শামিয়্যীন-এ ৪৬৮ হিজরি সনে] আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিজ আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আল-হাসান ইবনে জারীর আস-সূরী এবং মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বাকার আদ-দিমাশকি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আব্বাস ইবনুল ওয়ালিদ আল-খাল্লাল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আত-তাতারী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে বশীর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, কাতাদাহ থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি মুসলিম ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি হুমরান থেকে, তিনি উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, "তিনি অযু করলেন; তিনি কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং তাঁর মুখমণ্ডল ও দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করলেন—তিনবার তিনবার করে। এরপর তিনি তাঁর মাথা মাসাহ করলেন এবং দুই পা ধৌত করলেন। অতঃপর তিনি মুচকি হাসলেন। এরপর বললেন: আমি কেন মুচকি হাসলাম তা কি তোমরা আমাকে জিজ্ঞাসা করবে না? আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ঠিক আমার এই অযুর মতোই অযু করতে দেখেছি, এরপর তিনি মুচকি হেসেছিলেন। অতঃপর তিনি বলেছিলেন: ‘আমি কেন মুচকি হাসলাম তা কি তোমরা আমাকে জিজ্ঞাসা করবে না?’ বর্ণনাকারী বলেন: তখন আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কেন মুচকি হাসলেন? তিনি বললেন: ‘নিশ্চয়ই বান্দা যখন অযু করে এবং তার মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন আল্লাহ তাআলা তার মুখমণ্ডলের গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন। আর যখন সে তার দুই হাত ধৌত করে, তখন আল্লাহ তাআলা তার দুই হাতের গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন। যখন সে তার মাথা মাসাহ করে, তখন আল্লাহ তাআলা তার মাথার গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন এবং যখন সে তার দুই পা ধৌত করে, তখন আল্লাহ তাআলা তার দুই পায়ের গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন।’এটি একটি সহিহ হাদিস এবং মুত্তাফাকুন আলাইহি। ইমাম বুখারি, মুসলিম এবং অন্যরা হুমরানের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।এবং সাঈদ ব্যতিরেকে অন্য কেউ আবু কিলাবাহকে তাঁর এবং মুসলিমের মাঝখানে অন্তর্ভুক্ত করে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেননি।এবং এতে চারজন তাবেয়ী রয়েছেন: কাতাদাহ—যিনি আনাস, আব্দুল্লাহ ইবনে সারজাস, হানজালা আল-কাতিব এবং আবু তুফায়েল থেকে বর্ণনা করেন।আবু কিলাবাহর নাম হলো আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ, তিনি একাধিক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।এবং মুসলিম ইবনে ইয়াসার সম্পর্কে আবু নুআইম উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একদল সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাঈন) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর দামেস্কবাসীদের ভাষায় তাতারী হলেন বাজ্জাজ (কাপড় ব্যবসায়ী)।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْكُوشِيذِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ الْقَصَّارُ، وَأَبُو مُحَمَّدٍ نُوشِرْوَانُ بْنُ شِيرَزَادَ الدَّيْلَمِيُّ، قَالُوا: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبْذَةَ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ التُّرْجُمَانِيُّ، ثنا أَبُو حَفْصٍ الآبَّارُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلابَةَ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ، عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ الإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ، فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقَتْلَةَ، وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذَّبْحَ، وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ، وَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ» .وَهَذَا أَيْضًا صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ.وَفِيهِ أَرْبَعَةُ تَابِعِينَ: الأَعْمَشُ، وَخَالِدٌ، وَأَبُو قِلابَةَ، وَأَبُو الأَشْعَثِ، ذَكَرْنَا تَابِعِيَّتَهُمْ فِيمَا تَقَدَّمَ
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমদ ইবনুল আব্বাস আল-কুশিযী, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবিল কাসিম আল-কাসসার এবং আবু মুহাম্মদ নুশিরওয়ান ইবনে শিরযাদ আদ-দাইলামী। তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে রাবযাহ, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আত-তাবারানীকে, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আত-তুরজুমানি, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু হাফস আল-আব্বার, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি খালিদ আল-হাযযা থেকে, তিনি আবু কিলাবাহ থেকে, তিনি আবু আশ-শা’সা থেকে, তিনি শাদ্দাদ ইবনে আউস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের ওপর ইহসান (উত্তমতা) অবধারিত করেছেন। অতএব, যখন তোমরা হত্যা করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে হত্যা করবে; আর যখন যবাই করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে যবাই করবে। তোমাদের প্রত্যেকে যেন ধারালো করে নেয় তার ছুরিটি এবং তার যবাইকৃত পশুকে আরাম দেয়।’ .আর এটি জাবিরের (রা.) হাদিস থেকেও সহিহ হিসেবে বর্ণিত।এতে চারজন তাবিঈ রয়েছেন: আ’মাশ, খালিদ, আবু কিলাবাহ এবং আবু আশ-শা’সা; তাঁদের তাবিঈ হওয়ার কথা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَتْحِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفَضْلِ التَّاجِرُ السَّرَّاجُ، أنبا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ، أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الدَّارَقُطْنِيُّ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي حُصَيْنٍ، حَدَّثَنِي جَدِّي أَبُو حُصَيْنٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ حَبِيبٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ حَسَّانٍ، ثنا وَكِيعٌ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عُبَيْدَةَ السَّلْمَانِيِّ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رضي الله عنه: اسْتَشَارَنِي أَمِيرُ الْمُؤْمِنِينَ عُمَرُ رضي الله عنه فِي بَيْعِ أُمَّهَاتِ الأَوْلادِ، فَأَجْمَعَ رَأْيُنَا عَلَى أَنَّهَا حُرَّةٌ، ثُمَّ رَأَيْتُ بَعْدُ أَنْ أَرِقَّهَا ".قَالَ الشَّعْبِيُّ: فَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، عَنْ عُبَيْدَةَ، قَالَ: قُلْتُ لَهُ: فَرَأْيُكُمَا فِي الْجَمَاعَةِ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ رَأْيِكَ فِي الْفُرْقَةِ.وَهَذَا أَيْضًا فِيهِ أَرْبَعَةُ تَابِعِينَ: إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، وَعَامِرٌ الشَّعْبِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، وَعُبَيْدَةُ، قَدْ ذَكَرْنَاهُمْ
১৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ ইসমাঈল ইবনুল ফজল আত-তাজির আস-সাররাজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আবদুর রহীম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আহমদ ইবনে আবু হুসাইন, আমাকে বর্ণনা করেছেন আমার দাদা আবু হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে হাবীব, আমাদের বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে হাসসান, আমাদের বর্ণনা করেছেন ওয়াকি', আমাদের বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ, আমির থেকে, তিনি উবায়দাহ আস-সালমানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: "আমীরুল মুমিনীন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উম্মাহাতুল আওলাদ (সন্তানবতী দাসী)-দের বিক্রয় করার ব্যাপারে আমার সাথে পরামর্শ করেছিলেন, তখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ রায় হয়েছিল যে তারা মুক্ত। এরপর আমার নিকট অভিমত ব্যক্ত হয়েছে যে, তাদের দাসী হিসেবে গণ্য করা হবে।".আশ-শা'বী বলেন: অতঃপর মুহাম্মদ ইবনে সিরীন আমাকে উবায়দাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি তাঁকে (আলী রা.-কে) বললাম, জামাআত বা ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় আপনাদের উভয়ের রায় আমার নিকট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আপনার একক রায়ের চেয়ে অধিক প্রিয়।আর এই সনদেও চারজন তাবিঈ রয়েছেন: ইসমাঈল ইবনে আবু খালিদ, আমির আশ-শা'বী, মুহাম্মদ ইবনে সিরীন এবং উবায়দাহ, যাঁদের কথা আমরা ইতোপূর্বে উল্লেখ করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ، أنبا أَبُو طَاهِرٍ، أنبا الدَّارَقُطْنِيُّ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الْمَجِيدِ، وَابْنُ مَخْلَدٍ، قَالا: ثنا سَعِيدُ بْنُ عَتَّابٍ الدَّهْقَانُ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ تُكَفِّرَانِ مَا بَيْنَهُمَا، وَالْحِجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءً إِلا الْجَنَّةُ» .قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ: تَابَعَهُ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ، فَرَفَعَهُ.وَوَقَّفَهُ إِسْمَاعِيلُ الْقَاضِي عَنْ سُلَيْمَانَ.وَرَوَاهُ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، عَنْ أَيُّوبَ، فَرَفَعَهُ.إِلا أَنَّهُ، قَالَ: عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ.قَالَ الشَّيْخُ: وَأَيُّوبُ رَوَاهُ عَنْ أَنَسٍ وَغَيْرِهِ.وَعُبَيْدُ اللَّهِ أَدْرَكَ أُمَّ خَالِدٍ بِنْتَ خَالِدِ بْنِ سَعِيدٍ وَهُوَ ابْنُ الْعَاصِ، وَسُمَيٌّ لا أَعْرِفُ لَهُ رِوَايَةً عَنْ صَحَابِيٍّ
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল, আমাদের জানিয়েছেন আবু তাহের, আমাদের জানিয়েছেন আদ-দারা কুতনী, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবদুল মাজীদ এবং ইবনে মাখলাদ, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ ইবনে আত্তাব আদ-দেহকান, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুলাইমান ইবনে হারব, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, আইয়ুব থেকে, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন: «এক ওমরাহ হতে অপর ওমরাহ—এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের পাপসমূহের জন্য কাফফারা স্বরূপ, আর কবুল হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ভিন্ন অন্য কিছু নয়।» .দারা কুতনী বলেন: আল-হাসান ইবনে আলী আল-হুলওয়ানী সুলাইমান থেকে একে মারফু হিসেবে বর্ণনা করে তাঁর অনুসরণ করেছেন।আর ইসমাইল আল-কাজী একে সুলাইমান থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।আর আবদুল আজিজ ইবনে আব্দুস সামাদ একে আইয়ুব থেকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।তবে তিনি বলেছেন: আইয়ুব থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে।শাইখ বলেন: আর আইয়ুব একে আনাস এবং অন্যান্যদের থেকেও বর্ণনা করেছেন। আর উবাইদুল্লাহ উম্মে খালিদ বিনতে খালিদ ইবনে সাঈদকে পেয়েছেন—যিনি ইবনুল আস এর পুত্র, আর সুমাই সম্পর্কে কোনো সাহাবী থেকে সরাসরি বর্ণনার কথা আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو شُكْرٍ حَمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَبَّالُ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الْقَصَّارُ، وَأَبُو غَالِبٍ الْكُوشِيذِيُّ، وَنُوشِرْوَانُ الدَّيْلَمِيُّ، قَالُوا: أنبا أَبُو بَكْرِ بْنُ رَبْذَةَ، أنبا أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ.قَالَ الطَّبَرَانِيّ وَثنا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّي، وَأَبُو خَلِيفَةَ، قَالا: ثنا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَثْقَلَ شَيْءٍ فِي الْمِيزَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حُسْنُ الْخُلُقِ»
১৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু শুকর হামাদ বিন আলি আল-হাব্বাল, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-কাসসার, আবু গালিব আল-কুশিযি এবং নুশিরওয়ান আদ-দাইলামি, তারা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন রাবযাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন উসমান বিন আবি শায়বাহ।আত-তাবারানি বলেন এবং আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুআয বিন আল-মুসান্না ও আবু খলিফা, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলি বিন আল-মাদিনি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ, আমর বিন দিনার থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি ইয়ালা বিন মামলাক থেকে, তিনি উম্মু দারদা থেকে এবং তিনি আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিন মিযানে সবচেয়ে ভারী বস্তু হলো উত্তম চরিত্র»
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - وَبِهَذَا الإِسْنَادِ أَيْضًا: عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللَّهَ عز وجل يُبْغِضُ الْفَاحِشَ الْبَذِئَ»
১৮ - এবং এই একই সনদে: আমর ইবন দীনার থেকে, তিনি ইবন আবী মুলাইকা থেকে, তিনি ইয়ালা ইবন মামলাক থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে এবং তিনি আবুদ্ দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ অশ্লীল ও কটুভাষী ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ২০)
19 - أَخْبَرَنَا حَمَدُ، وأَبُو بَكْرٍ، وَأَبُو غَالِبٍ، وَنُوشِرْوَانُ، قَالُوا: أنبا ابْنُ رَبْذَةَ، أنبا الطَّبَرَانِيُّ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ، وعُثْمَانُ ابْنَا أَبِي شَيْبَةَ، قَالا: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ فَقَدْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الْخَيْرِ، وَمَنْ مُنِعَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ مُنِعَ حَظَّهُ مِنَ الْخَيْرِ» .عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ وَابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ مِنْ مَشْهُورِي التَّابِعِينَ، غَيْرَ أَنَّ يَعْلَى لا أَعْرِفُ لَهُ رِوَايَةً عَنْ صَحَابِيٍّ، وَأُمُّ الدَّرْدَاءِ هِيَ الصُّغْرَى تَابِعِيَّةٌ، وَأُمُّ الدَّرْدَاءِ الْكُبْرَى صَحَابِيَّةٌ تُوُفِّيَتْ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামাদ, আবু বকর, আবু গালিব এবং নুশিরওয়ান। তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুন রাবযাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাবারানি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ আল-হাদরামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর এবং উসমান—আবু শায়বাহর দুই পুত্র। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনু উয়ায়নাহ, আমর ইবনু দিনার থেকে, তিনি ইবনু আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনু মামলাক থেকে, তিনি উম্মুদ দারদা থেকে, তিনি আবু দারদা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: “যাকে নম্রতার অংশ দান করা হয়েছে, তাকে কল্যাণেরই অংশ দান করা হয়েছে। আর যাকে নম্রতার অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তাকে কল্যাণের অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”আমর ইবনু দিনার এবং ইবনু আবি মুলাইকাহ প্রসিদ্ধ তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত। তবে ইয়ালার কোনো সাহাবীর সূত্রে বর্ণনা আমার জানা নেই। আর এখানে উম্মুদ দারদা হলেন ‘সুগরা’ (কনিষ্ঠা), যিনি একজন তাবেয়ী। আর উম্মুদ দারদা ‘কুবরা’ (জ্যেষ্ঠা) ছিলেন একজন সাহাবী, যিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগেই ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَوَاهِبِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الْوَرَّاقُ، بِبَغْدَادَ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، أنبا أَبُو مُحَمَّدِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، بِقِرَاءَةِ أَبِي بَكْرٍ الْخَطِيبِ، عَلَيْهِ سَنَةَ سِتٍّ وَأَرْبَعِينَ، أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ بْنِ مُوسَى الْحَافِظُ، ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرٍ، وَعُثْمَانُ ابْنَا أَبِي شَيْبَةَ، وَالْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ، قَالُوا: أنبا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: «سَجَدْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ»
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাওয়াহিব আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-ওয়াররাক, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী, ছেচল্লিশ সনে তাঁর নিকট আবু বকর আল-খাতীবের পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনে আল-মুজাফ্ফর ইবনে মুসা আল-হাফিয; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ও উসমান—আবু শাইবাহর দুই পুত্র—এবং আব্বাস ইবনে ইয়াযীদ; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনে হাযম থেকে, তিনি উমর ইবনে আব্দুল আযীয থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-হারিস ইবনে হিশাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «আমরা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ‘ইযাস সামাউন্ শাক্কাত’ (সূরা আল-ইনশিকাক) পাঠকালে সিজদাহ করেছি»
(খণ্ড: ১)
আল-জুযউ আর-রাবিউ মিন রুবাই আত-তাবিইন
(পৃষ্ঠা: ২২)
21 - قَالَ الْبَاغَنْدِيُّ: ثنا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَالْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ، قَالُوا: ثنا ابْنُ عُيْيَنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ وَجَدَ مَتَاعَهُ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ بِعَيْنِهِ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ» .يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَدْرَكَ أَسْمَاءَ، وَعُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ تَابِعِيٌّ أَيْضًا، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ لا أَعْلَمُ أَنَّهُ أَدْرَكَ صَحَابِيًّا
২১ - আল-বাঘান্দি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন মুসা আল-আনসারি, মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ এবং আল-আব্বাস বিন ইয়াজিদ। তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবন উয়াইনাহ, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি আবু বকর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হাযম থেকে, তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে, তিনি আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার মাল হুবহু এমন ব্যক্তির নিকট পায় যে দেউলিয়া হয়ে গেছে, তবে সে-ই তার অধিক হকদার»।ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আসমা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর সাক্ষাৎ পেয়েছেন, এবং উমর বিন আব্দুল আজিজও একজন তাবিঈ, আর আবু বকর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হাযম সম্পর্কে আমার জানা নেই যে তিনি কোনো সাহাবীর সাক্ষাৎ পেয়েছেন।