(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: -)
جزء بانتخاب أبي طاهر السلفي   (أبو طاهر السلفي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: جزء بانتخاب أبي طاهر السلفي

المؤلف: صدر الدين، أبو طاهر السِّلَفي أحمد بن محمد بن أحمد بن محمد بن إبراهيم سِلَفَه الأصبهاني (ت 576هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 31

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু তাহের আস-সালাফি কর্তৃক নির্বাচিত অংশ   (আবু তাহের আস-সালাফি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: আবু তাহের আস-সালাফি কর্তৃক নির্বাচিত অংশ

লেখক: সদরুদ্দীন, আবু তাহের আস-সালাফি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম সিলাফাহ আল-আসবাহানি (মৃত্যু ৫৭৬ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্গত বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য ‘জাওয়ামিউল কালিম’ প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[গ্রন্থটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الأَوَّلُ مِنَ انْتِخَابِ الشَّيْخِ الْإِمَامِ الْحَافِظِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّلَفِيِّ الأَصْبَهَانِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ.

مِنْ أُصُولِ كُتُبِ الشَّيْخِ أَبِي مُحَمَّدٍ جَعْفَرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ السَّرَّاجِ اللُّغَوِيِّ وَمُصَنَّفَاتِهِ، رَحْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى عَلَيْهِ.

بسم الله الرحمن الرحيم
শাইখ, ইমাম, হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানী (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর চয়নকৃত প্রথম অংশ।

ভাষাবিদ শাইখ আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আহমদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আস-সাররাজ-এর মূল গ্রন্থাবলী ও তাঁর সংকলনসমূহ থেকে, তাঁর ওপর আল্লাহ তাআলার রহমত বর্ষিত হোক।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ السَّرَّاجِ، بِبَغْدَادَ، مِنْ أُصُولِ كُتُبِهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْخَلالُ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْعُمَرِيُّ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا مُسْهِرُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ سَلْعٍ الْهَمْدَانِيُّ، قَالَ أَبِي: قُلْتُ لِعَبْدِ خَيْرِ بْنِ يَزِيدَ: يَا أَبَا عُمَارَةَ، إِنَّكَ قَدْ كَبُرْتَ، فَكَمْ أَتَى عَلَيْكَ؟ قَالَ: عِشْرُونَ وَمِائَةُ سَنَةٍ.

قُلْتُ: فَهَلْ تَذْكُرُ مِنْ زَمَنِ الْجَاهِلِيَّةِ شَيْئًا؟ قَالَ: نَعَمْ، أَذْكُرُ أَنَّ أُمِّي طَبَخَتْ لَنَا قِدْرًا، فَقُلْتُ: أَطْعِمِينَا، فَقَالَتْ: حَتَّى يَجِئَ أَبُوكَ.

فَجَاءَ أَبِي، فَقَالَ: «إِنَّ كِتَابَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ جَاءَنَا،‌‌ فَنَهَانَا عَنْ لُحُومِ الْمَيْتَةِ» .

قَالَ: فَأَذْكُرُ أَنَّهَا كَانَتْ لَحْمَ مَيْتَةٍ، فَكَفَأْنَاهَا

قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ
جَعْفَرٍ النَّجَّارُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي سَهْلٍ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سَلامٍ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَيَّاشٍ، يَقُولُ: قُتِلَ ذُو الْيَدَيْنِ يَوْمَ بدْرٍ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْعُمَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ خَالِدِ بْنِ حَيَّانَ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ نُوحٍ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ يَحْيَى، قَالَ: قُلْتُ لِشُعْبَةَ: رَوَيْتَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ خَمِيسٍ، وَإِنَّمَا كَانَ شُرَطِيًّا لِهِشَامٍ، قَالَ: وَيْحَكَ كَانَ صَدُوقًا.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْعُمَرِيُّ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ يَزِيدَ الْبَحْرَانِيُّ، قَالَ: سَمْعِتُ ابْنَ عُيَيْنَةَ، وَذَكَرَ شُعْبَةُ، قَالَ: كَانَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فِي الْحَدِيثِ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ بْنِ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رِزْمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْفَضْلَ بْنَ مُوسَى، يَقُولُ: اسْمُ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ كُنْيَتُهُ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا أَبُو طَالِبٍ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ الْهَيْثَمَ بْنَ عَدِيٍّ، يَقُولُ: اسْمُ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ مُطَرِّفُ بْنُ عَيَّاشٍ النَّهْشَلِيُّ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْبَيِّعُ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي رِزْمَةَ، أَخْبَرَنَا أَبِي، أَخْبَرَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ مُجَاهِدٍ، قَالَ: كَانَتِ امْرَأَةُ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ تَحْمِلُ وَتَضَعُ فِي أَرْبَعِ سِنِينَ، قَالَ: وَكَانَتْ تُسَمَّى حَامِلَةَ الْفِيلِ.

وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَلِيٍّ اللِّحْيَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ الْفَامِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ هَانِئٍ، قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ عَنِ الْحَدِيثِ الَّذِي جَاءَ «إِذَا بَلَغَكَ عَنْ أَخِيكَ شَيْءٍ فَاحْمِلْهُ عَلَى أَحْسَنِهِ حَتَّى لا تَجِدَ مَحْمَلا» .

فَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: نَقُولُ بِعُذْرِهِ، نَقُولُ: لَعَلَّهُ كَذَا، لَعَلَّهُ كَذَا.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا حَنْبَلٌ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْخٍ، حَدَّثَنَا صِلَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: قُلْنَا لِشُعْبَةَ: كَيْفَ رَوَيْتَ عَنْ جَابِرٍ وَأَنْتَ تنْتَقِدُ الرِّجَالَ؟ قَالَ: إِنَّ جَابِرًا كَانَ جَيِّدَ الْحَدِيثِ.

يَعْنِي الْجُعْفِيَّ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدِ بْنُ الأَعْرَابِيِّ، بِمَكَّةَ بِبَابِ الصَّفَا، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا إِسْمَاعِيل التِّرْمِذِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ نُعَيْمَ بْنَ حَمَّادٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: سَأَلْتُ، أَوْ سُئِلَ شُعْبَةُ عَمَّنْ يَتْرُكُ حَدِيثَهُ؟ قَالَ: إِذَا رَوَى عَنِ الْمَعْرُوفِينَ مَا لا يَعْرِفُهُ الْمَعْرُوفُونَ فَأَكْثَرَ طَرَحَ حَدِيثَهُ، وَإِذَا اتُّهِمَ بِالْكَذِبِ طَرَحَ حَدِيثَهُ، وَمَنْ رَوَى حَدِيثًا غَلَطًا مُجْتَمَعًا عَلَيْهِ فَتَمَادَى فِي رِوَايَتِهِ طَرَحَ حَدِيثَهُ، وَمَنْ أَكْثَرَ الْغَلَطَ طَرَحَ حَدِيثَهُ، وَمَا كَانَ غَيْرَ هَؤُلاءِ فَارْوُوا عَنْهُ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَرَّاحِ، قَالَ: قَالَ إِسْحَاقُ بْنُ سَيَّارٍ سَمِعْتُ أَبَا نُعَيْمٍ، يَقُولُ: يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ يَنْتَقِدُ الرِّجَالَ، وَهُوَ يَرْوِي عَنْ بَجَالَةَ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَيَّارٍ، حَدَّثَنِي بَعْضُ أَصْحَابِنَا، أَنَّ الْمُعْيَطِيَّ، أَوْ غَيْرَهُ، قَالَ لِيَزِيدَ بْنِ هَارُونَ: لِمَ لَمْ تَكْتُبْ عَنْ مُجَاهِدٍ؟ قَالَ: أَتَيْتُهُ لأَكْتُبَ، فَقَالَ: أَيْشٍ يَنْفَعُكَ تَكْتُبُ عَنِّي وَأَنَا كَذَّابٌ، وَالشَّعْبِيُّ أَكْذَبُ مِنِّي.
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু মুহাম্মদ জাফর ইবনে আহমদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আস-সাররাজ বাগদাদে তাঁর মূল কিতাব থেকে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-খাল্লাল আল-হাফিজ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমারী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আল-মুকরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুসহির ইবনে আবদুল মালিক ইবনে সাল আল-হামদানি। তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন: আমি আবদ খাইর ইবনে ইয়াজিদকে বললাম: হে আবু উমারা, আপনার বয়স তো অনেক হয়েছে, আপনার বয়স কত হলো? তিনি বললেন: একশত বিশ বছর।

আমি বললাম: আপনি কি জাহেলিয়াত যুগের কোনো কিছু স্মরণ করতে পারেন? তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমার মনে আছে যে আমার মা আমাদের জন্য একটি পাতিল রান্না করেছিলেন। আমি বললাম: আমাদের খেতে দিন। তিনি বললেন: যতক্ষণ না তোমার পিতা আসে।

অতঃপর আমার পিতা আসলেন এবং বললেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পত্র আমাদের নিকট এসেছে,‌‌ যাতে তিনি আমাদের মৃত প্রাণীর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।»

তিনি বললেন: আমার মনে আছে যে সেটি ছিল মৃত প্রাণীর গোশত, তাই আমরা তা উল্টে ফেলে দিলাম।

তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে
জাফর আন-নাজ্জার, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবু সাহল আল-হুলওয়ানি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সালাম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন জাকারিয়া ইবনে আদি। তিনি বলেন: আমি আবু বকর ইবনে আইয়াশকে বলতে শুনেছি: যুল ইয়াদাইন বদরের যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমারী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আয়লি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে খালিদ ইবনে হাইয়ান আর-রাক্কি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনে নুহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হাইসাম ইবনে ইয়াহইয়া। তিনি বলেন: আমি শু'বাকে বললাম: আপনি ইয়াজিদ ইবনে খামিস থেকে বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি হিশামের একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বললেন: তোমার আফসোস! তিনি সত্যবাদী ছিলেন।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমারী, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবনে ইয়াজিদ আল-বাহরানি। তিনি বলেন: আমি ইবনে উয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি শু'বা সম্পর্কে আলোচনা করলেন এবং বললেন: তিনি ছিলেন হাদীস শাস্ত্রে আমীরুল মুমিনীন।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনে হাইয়ুওয়াইহি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে হারুন ইবনে হুমাইদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ ইবনে আবু রিজমাহ। তিনি বলেন: আমি ফজল ইবনে মুসাকে বলতে শুনেছি: আবু বকর ইবনে আইয়াশের নাম ছিল তাঁর উপনামই (কুনিয়াত)।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উমর, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হারুন, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু তালিব আল-হারাউয়ি। তিনি বলেন: আমি হাইসাম ইবনে আদি-কে বলতে শুনেছি: আবু বকর ইবনে আইয়াশের নাম ছিল মুতাররিফ ইবনে আইয়াশ আন-নাহশালি।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনে হাইয়ুওয়াইহি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-বায়্যি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবু রিজমাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক ইবনে মুজাহিদ। তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আজলানের স্ত্রী চার বছর গর্ভবতী থাকতেন এবং সন্তান প্রসব করতেন। তিনি বলেন: তাঁকে 'হাতি বহনকারী' বলা হতো।

এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আলী আল-লিহইয়ানি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-ফামি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হানি। তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহ আহমদ ইবনে হাম্বলকে সেই হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যাতে এসেছে: «যখন তোমার ভাই সম্পর্কে তোমার নিকট কোনো সংবাদ পৌঁছে, তখন তার উত্তম ব্যাখ্যা তালাশ করো, যতক্ষণ না আর কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।»

অতঃপর আবু আবদুল্লাহ বললেন: আমরা তাঁর ওজর পেশ করব, আমরা বলব: হয়তো এমন হয়েছে, হয়তো তেমন হয়েছে।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মুকরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্বল, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে আবু শায়খ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সিলাহ ইবনে সুলাইমান। তিনি বলেন: আমরা শু'বাকে বললাম: আপনি কীভাবে জাবির থেকে বর্ণনা করলেন অথচ আপনি বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করেন? তিনি বললেন: জাবির হাদীসের ক্ষেত্রে ভালো ছিলেন।

অর্থাৎ আল-জু'ফি।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনে হাইয়ুওয়াইহি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ ইবনে আল-আরাবি মক্কায় সাফা দরজায়। তিনি বলেন: আমি আবু ইসমাঈল আত-তিরমিযীকে বলতে শুনেছি: আমি নুআইম ইবনে হাম্মাদকে বলতে শুনেছি: আমি আবদুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি: আমি শু'বাকে জিজ্ঞাসা করেছি—অথবা তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে—কাদের হাদীস ত্যাগ করতে হবে? তিনি বললেন: যখন কেউ পরিচিত বর্ণনাকারীদের উদ্ধৃতিতে এমন কিছু বর্ণনা করে যা অন্যান্য পরিচিত বর্ণনাকারীরা জানে না এবং তা অধিক মাত্রায় হয়, তবে তার হাদীস বর্জন করা হবে। আর যদি কেউ মিথ্যা বলার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তবে তার হাদীস বর্জন করা হবে। আর যে ব্যক্তি এমন কোনো ভুল হাদীস বর্ণনা করে যে ভুলের ব্যাপারে সবাই একমত, অথচ সে বারবার তা বর্ণনা করে চলে, তবে তার হাদীস বর্জন করা হবে। আর যার ভুল অধিক হয়, তার হাদীস বর্জন করা হবে। আর যারা এদের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাদের থেকে বর্ণনা করো।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাসরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-জাররাহ। তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে সাইয়ার বলেছেন, আমি আবু নুআইমকে বলতে শুনেছি: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করেন, অথচ তিনি বাজালার থেকে বর্ণনা করেন।

আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাসরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-জাররাহ, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে সাইয়ার। আমার এক সঙ্গী বর্ণনা করেছেন যে, আল-মুয়াইতি অথবা অন্য কেউ ইয়াজিদ ইবনে হারুনকে বললেন: আপনি মুজাহিদ থেকে কেন লেখেননি? তিনি বললেন: আমি তাঁর নিকট লিখতে গিয়েছিলাম, তখন তিনি বললেন: আপনি আমার থেকে লিখে কী লাভ করবেন অথচ আমি একজন মিথ্যাবাদী, আর শাবী তো আমার চেয়েও বড় মিথ্যাবাদী।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا مُكْرَمُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ شَبِيبَةَ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ تَمَّارٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: ‌‌«لا يَكُونُ الْعَالِمُ عَالِمًا حَتَّى لا يَبْتَغِيَ بِعِلْمِهِ ثَمَنًا»

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي
دَاوُدَ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى الْحَارِثِ بْنِ مِسْكِينٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، أَوْ عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ: قِيلَ لِمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ: لِمَ لَمْ تَسْمَعْ مِنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ؟ قَالَ: قَدْ أَتَيْتُهُ فَوَجَدْتُ النَّاسَ يَأْخُذُونَ عَنْهُ قِيَامًا، فَأَجْلَلْتُ حَدِيثَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ آخُذَهُ وَأَنَا قَائِمٌ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْمُهْتَدِي، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ رِشْدِينَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ صَالِحٍ الْمِصْرِيَّ، يَقُولُ: مَا رَأَيْتُ بِالْعِرَاقِ مِثْلَ هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ: أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ بِبَغْدَادَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ بِالْكُوفَةِ، جَامِعَيْنِ لَمْ أَرَ مِثْلَهُمَا بِالْعِرَاقِ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّجَّارُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْهَيْثَمِ الطِّينِيُّ، قَالَ: سَمْعِتُ عُثْمَانَ بْنَ سَعِيدِ بْنِ سَيَّارٍ الْوَاسِطِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَوْنٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ حَمَّادَ بْنَ زَيْدٍ، يَقُولُ: مَا رَأَيْتُ فِي الْمُحَدِّثِينَ أَجَلَّ مِنْ هُشَيْمٍ.

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَسْكَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطِيَّةَ بْنَ بَقِيَّةَ، يَقُولُ: أَنَا عَطِيَّةُ بْنُ بَقِيَّةْ وَأَحَادِيثِي نَقِيَّةْ فَإِذَا مَاتَ عَطِيَّةْ ذَهَبَ حَدِيثُ بَقِيَّةْ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيٍّ الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ صَاعِدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ شُعَيْبٍ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكَيْسَانِيُّ، بِمِصْرَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْهَيْثَمِ خَالِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْخُرَاسَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ صَاعِدٍ، سُئِلَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ عَنْهُ؟ فَقَالَ: ثِقَةٌ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ: أَبُو سَلَمَةَ سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ هُوَ مَنْ أَوْثَقِ النَّاسِ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، قَالَ: سَمِعْتُ حَسَنَوَيْهِ الْبَقََّالَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا نُعَيْمٍ، يَقُولُ: الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى أَثْبَتُ مِنَ ابْنِ الْمُبَارَكِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا نُعَيْمٍ، يَقُولُ: الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى.

حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حَيْدَرَةَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ الضَّحَّاكِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْخَوَّاصُ، قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، يَقُولُ: كَانَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ حُلْوَ الْحَدِيثِ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَسْرُوقٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيُّ، قَالَ: قُلْتُ لأَبِي: يَا أَبَةِ، مَنْ فَقِيهُ الْعَرَبِ؟ قَالَ: سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ.

فَلَمَّا مَاتَ سُفْيَانُ، قُلْتُ: يَا أَبَةِ، مَنْ فَقِيهُ الْعَرَبِ؟ قَالَ: عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ.

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَوْصِلِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَحْمُودٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ السُّكَّرِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ الْقَاسَانِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ عَنْ قَوْلِهِ عز وجل: " {فَمَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلا صَالِحًا} [الكهف: 110] ، فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ: مَنْ أَرَادَ النَّظَرَ إِلَى وَجْهِ خَالِقِهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلا صَالِحًا وَلا يُخْبِرُ بِهِ أَحَدًا " حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَدَّثَنَا أَبُو ذَرِّ بْنُ الْبَاغَنْدِيِّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفَتْحِ المَرْوَزِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ، يَقُولُ: إِنْ أَرَدْتَ أَنْ تُلَقِّنَ الْعِلْمَ فَلا تَقُصَّ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَرَفَةَ النَّحْوِيُّ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى لا تُتْعِبُوا فِي الرِّزْقِ أَبْدَانَكُمْ فَإِنَّمَا الرِّزْقُ بِِمقْدَارٍ قَدْ جَفَّتِ الأَقَْلامُ فِيهِ بِمَا يَكُونُ مِنْ يُسْرٍ وَإِعْسَارٍ.

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاهِينَ الْوَاعِظُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ زِيَادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، وَسُئِلَ عَنِ الْحَدِيثِ الَّذِي رَوَى أَنَّ السُّنَّةَ قَاضِيَةٌ عَلَى الْكِتَابِ؟ فَقَالَ أَحْمَدُ: مَا أَجْسَرُ عَلَى هَذَا أَنْ أَقُولَهُ، وَلَكِنَّ السُّنَّةَ تفسر الكتاب، وتعرف الكتاب، وتبينه.
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাকরাম ইবনে আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে উসমান ইবনে শাবিবাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উকবাহ ইবনে মাকরাম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে তাম্মার, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «একজন আলেম ততক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃত আলেম হতে পারেন না, যতক্ষণ না তিনি তার ইলমের বিনিময়ে কোনো পার্থিব মূল্য অন্বেষণ না করেন।»

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনে হাইয়ুওয়াইহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি দাউদ, তিনি বলেন: হারিস ইবনে মিসকিনের নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, তিনি আবদুর রহমান ইবনে কাসিম থেকে অথবা ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাসকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি আমর ইবনে দিনার থেকে কেন (হাদিস) শ্রবণ করেননি? তিনি বললেন: আমি তার নিকট গিয়েছিলাম এবং দেখলাম মানুষ দাঁড়িয়ে তার থেকে ইলম গ্রহণ করছে; তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের প্রতি সম্মান প্রদর্শনবশত দাঁড়িয়ে তা গ্রহণ করা অপছন্দ করলাম।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাসরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনুল মুহতাদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে রুশদিন, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে সালিহ আল-মিসরিকে বলতে শুনেছি: আমি ইরাকে এই দুই ব্যক্তির মতো কাউকে দেখিনি: বাগদাদে আহমদ ইবনে হাম্বল এবং কুফায় মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর; ইলমের বিশাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে আমি ইরাকে তাদের দুজনের মতো কাউকে দেখিনি।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাজ্জার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হাইসাম আত-তীনি, তিনি বলেন: আমি উসমান ইবনে সাঈদ ইবনে সাইয়্যার আল-ওয়াসিতিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমর ইবনে আউনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাম্মাদ ইবনে যায়েদকে বলতে শুনেছি: আমি মুহাদ্দিসদের মধ্যে হুশাইমের চেয়ে মহান আর কাউকে দেখিনি।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আমর ইবনে সাহল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আলী আল-আসকারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমি আতিয়্যাহ ইবনে বাকিয়্যাহকে বলতে শুনেছি: আমি আতিয়্যাহ ইবনে বাকিয়্যাহ, আর আমার হাদিসসমূহ স্বচ্ছ; যখন আতিয়্যাহ মারা যাবে, তখন বাকিয়্যাহর হাদিস হারিয়ে যাবে।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী আল-কাসরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে সায়িদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান ইবনে শুআইব আবু মুহাম্মদ আল-কায়সানি মিশরে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাইসাম খালিদ ইবনে আবদুর রহমান আল-খুরাসানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে সায়িদ, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তিনি নির্ভরযোগ্য।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আলী ইবনুল মাদিনি বলেছেন: আবু সালামাহ সাঈদ ইবনে ইয়াজিদ মানুষের মধ্যে অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনে হাইয়ুওয়াইহ, তিনি বলেন: আমি হাসানওয়াইহ আল-বাক্কালকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু নুআইমকে বলতে শুনেছি: ফজল ইবনে মুসা ইবনুল মুবারকের চেয়ে বেশি মজবুত (নির্ভরযোগ্য)। তিনি বলেন: আমি আবু নুআইমকে বলতে শুনেছি: ফজল ইবনে মুসা।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুসাইন ইবনে হায়দারাহ আল-কাদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ ইবনুল যাহহাক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ আল-খাওওয়াস, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি: আবদুর রহমান ইবনে মাহদি হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে মিষ্টভাষী ছিলেন।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আসাদ ইবনে আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনুল কাসিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মাসরুক, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে মাসলামাহ ইবনে কা’নাব, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুতামির ইবনে সুলাইমান আত-তাইমি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বললাম: হে আব্বাজান, আরবদের মধ্যে ফকিহ কে? তিনি বললেন: সুফিয়ান আস-সাওরি।

তারপর যখন সুফিয়ান ইন্তেকাল করলেন, আমি বললাম: হে আব্বাজান, আরবদের মধ্যে ফকিহ কে? তিনি বললেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-মাওসিলি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল করিম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সুক্কারি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনুল মাদিনি আল-কাসানি, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারককে মহামহিম আল্লাহর এই বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম: "অতএব যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সাক্ষাৎ প্রত্যাশা করে, সে যেন সৎকর্ম করে" [সূরা কাহাফ: ১১০], তখন আব্দুল্লাহ বললেন: "যে ব্যক্তি তার সৃষ্টিকর্তার চেহারার দিকে তাকাতে চায়, সে যেন সৎকর্ম করে এবং তা কাউকে না জানায়।" আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনে..., আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু যার ইবনুল বাগান্দি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল ফাতহ আল-মারওয়াজি, তিনি বলেন: আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি: তুমি যদি ইলম প্রদান করতে চাও, তবে কিচ্ছা-কাহিনী বা গল্প বলো না।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাসরি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আরাফাহ আন-নাহবি, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন: জীবিকার অন্বেষণে তোমরা তোমাদের শরীরকে ক্লান্ত করো না, কেননা জীবিকা তো নির্ধারিত পরিমাপে। সচ্ছলতা ও অভাবের ক্ষেত্রে যা কিছু ঘটবে, সে বিষয়ে কলমসমূহ শুকিয়ে গেছে।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে আহমদ ইবনে শাহীন আল-ওয়ায়িজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফজল ইবনে জিয়াদ, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে সেই হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যাতে বর্ণিত হয়েছে যে সুন্নাহ কিতাবুল্লাহর (কুরআনের) উপর ফয়সালাকারী? তখন আহমদ বললেন: এ কথা বলার সাহস আমি রাখি না; বরং সুন্নাহ কিতাবুল্লাহর ব্যাখ্যা প্রদান করে, কিতাবুল্লাহকে চিনিয়ে দেয় এবং তা সুস্পষ্ট করে।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ السَّرَّاجِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بْنَ خَالِدٍ الْحَزَوَّرِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدَ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْمُقْرِئَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ، يَقُولُ فِي قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا مِنْ أَحَدٍ يُسَلِّمُ عَلَيَّ إِلا رَدَّ اللَّهُ عَلَيَّ رُوحِي حَتَّى أَرُدَّ عليه السلام» .

فَقَالَ: هَذَا فِي الزِّيَارَةِ ، إِذَا
زَارَنِي فَسَلَّمَ عَلَيَّ رَدَّ اللَّهُ عَلَيَّ رُوحِي حَتَّى أَرُدَّ عَلَيْهِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْخَطَّابِ الْحُسَيْنُ بْنُ حَيْدَرَةَ الْقَاضِي، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَزْرَقُ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنِي النَّضْرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: قِيلَ: مَنْ أَفْقَهُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ؟ قَالَ: أَتْقَاهُمْ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِيسَى الْوَرَّاقُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا بِشْر بْنُ عُمَرَ، قَالَ: سَأَلْتُ مَالِكًا، عَنْ رَجُلٍ لَمْ يُسَمِّهِ، فَقُلْتُ لَهُ: ثِقَةٌ؟ قَالَ: تَجِدُهُ فِي كُتُبِي؟ قُلْتُ: لا.

قَالَ: لَيْسَ بِثِقَةٍ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ خَشْرَمٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ وَكِيعًا، يَقُولُ: قَالَ الْأَعْمَشُ: لا تُطِيقُونَ بِأَحَدٍ يَعْنِي أَصْحَابَ الْحَدِيثِ إِلا حَمَلْتُمُوهُ عَلَى الْكَذِبِ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: إِذَا أَحْبَبْتَ أَنْ يَكْذِبَ صَاحِبُكَ فَلَقِّنْهُ.
৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ইবনু মুহাম্মাদ আস-সাররাজি, তিনি আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ ইবনু খালিদ আল-হাযাওয়ারিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযিদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-মুকরি আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযিদকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী সম্পর্কে বলতে শুনেছি: «এমন কোনো ব্যক্তি নেই যে আমাকে সালাম দেয়, তবে আল্লাহ আমার নিকট আমার রুহ ফিরিয়ে দেন যাতে আমি তার সালামের উত্তর দিতে পারি।»

অতঃপর তিনি বললেন: এটি যিয়ারতের ক্ষেত্রে, যখন
সে আমাকে যিয়ারত করে এবং আমাকে সালাম দেয়, তখন আল্লাহ আমার নিকট আমার রুহ ফিরিয়ে দেন যাতে আমি তার উত্তর দিতে পারি।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল খাত্তাব আল-হুসাইন ইবনু হায়দারা আল-কাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইউসুফ ইবনু ইয়াকুব আল-আযরাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনু আরাফাহ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আন-নাদর ইবনু ইসমাঈল, মিসআর থেকে, তিনি সা'দ ইবনু ইবরাহিম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জিজ্ঞাসা করা হলো: মদিনাবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফকিহ কে? তিনি বললেন: তাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকি।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনু আলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনু ঈসা আল-ওয়াররাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনু উমর, তিনি বলেন: আমি মালিককে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যার নাম তিনি উল্লেখ করেননি, আমি তাঁকে বললাম: সে কি নির্ভরযোগ্য? তিনি বললেন: তুমি কি তাকে আমার কিতাবসমূহে পাও? আমি বললাম: না।

তিনি বললেন: সে নির্ভরযোগ্য নয়।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর ইবনু হাইয়ুওয়াইহি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনু আবি দাউদ, তিনি বলেন: আমি আলী ইবনু খাশরামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ওয়াকি'কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল-আ'মাশ বলেছেন: তোমরা কোনো ব্যক্তিকে অর্থাৎ হাদিস অন্বেষণকারীদের সহ্য করতে পারো না, বরং তোমরা তাকে মিথ্যুক সাব্যস্ত করো।

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবনু সুফিয়ান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনু আসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন তুমি চাও যে তোমার সাথী মিথ্যা বলুক, তবে তাকে কথা শিখিয়ে দাও।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاهِينَ الْوَاعِظُ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ الْقَاسِمِ الْفَرَائِضِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْرَائِيلَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ الأَقْرَعُ أَبُو إِسْحَاقَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ أَبِي جَعْفَرٍ، يَذْكُرُ عَنْ أَبِي الصَّهْبَاءِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: ‌‌«النَّظَرُ إِلَى الْمُصْحَفِ عِبَادَةٌ، وَالنَّظَرُ إِلَى الرَّجُلِ الَّذِي يَدْعُو إِلَى السُّنَّةِ وَيَنْهَى عَنِ الْبِدْعَةِ عِبَادَةٌ»

حَدَّثَنَا
أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لأَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ: بَلَغَنِي أَنَّ نَصَارَى يَكْتُبُونَ الْمَصَاحِفَ، فَهَلْ يَكُونُ ذَلِكَ؟ قَالَ: نَعَمْ، نَصَارَى الْحِيرَةِ كَانُوا يَكْتُبُونَ الْمَصَاحِفَ، وَإِنَّمَا كَانُوا يَكْتُبُونَهَا لِقَلَّةِ مَنْ كَانَ يَكْتُبُهَا.

فَقَالَ رَجُلٌ: يُعْجِبُكَ ذَلِكَ؟ قَالَ: لا يُعْجِبُنِي.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ رُشَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، قَالَ: اجْتَمَعَ الْحَبْرَانِ: الْحَسَنُ، وَالشَّعْبِيُّ، عَلَى أَنَّهُ لا بَأْسَ بِبَيْعِ الْمَصَاحِفِ.

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ الْقَزَّازُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرَفَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنَ يَحْيَى، قَالَ: تُوُفِّيَ الْكِسَائِيُّ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ في يوم واحد، فقال الرشيد دفنت اليوم الفقه واللغة.

حدثنا عمر بن أحمد بن عثمان، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِدْرِيسُ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: مَلَكَ الدُّنْيَا أَرْبَعَةٌ: مُؤْمِنَانِ، وَكَافِرَانِ، فَأَمَّا الْمُؤْمِنَانِ: فَسُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، وَذُو الْقَرْنَيْنِ، وَأَمَّا الْكَافِرَانِ: فَبُخْتُ نَصْرٍ، وَنُمْرُودُ بْنُ كَنْعَانَ الَّذِي حَاجَّ إِبْرَاهِيمَ فِي رَبِّهِ.

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْقَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مِدْرِكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَكِّيَّ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، يَقُولُ: دَخَلْتُ عَلَى سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ بِمِكَّةَ يَوْمًا وَبَيْنَ يَدَيْهِ رَغِيفٌ، وَكَفُّ زَبِيبٍ، فَقَالَ لِي: ادْنُ يَا مَكِّيُّ.

فَقُلْتُ: دَخَلْتُ إِلَيْكَ غَيْرَ مَرَّةٍ وَأَنْتَ تَأْكُلُ فَلَمْ تَدْعُنِي.

فَقَالَ: الْيَوْمَ حَضَرَتْنِي النِّيَّةُ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَلِيٍّ اللِّحْيَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ عِيسَى الْفَامِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ هَانِئٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، وَسُئِلَ عَنْ قَوْلِ شُعْبَةَ: إِنَّ هَذَا الْحَدِيثَ يَصُدُّكُمْ عَنْ ذِكْرِ اللَّهِ، وَعَنِ الصَّلاةِ، فَهَلْ أَنْتُمْ مُنْتَهُونَ؟ فَقَالَ: لَعَلَّ شُعْبَةَ كَانَ يَصُومُ، فَإِذَا طَلَبَ الْحَدِيثَ وَسَعَى فِيهِ يَضْعُفُ فَلا يَصُومُ، أَوْ يُرِيدُ شَيْئًا مِنْ أَعْمَالِ الْبِرِّ فَلا يَقْدِرُ أَنْ يَفْعَلَهُ لِلطَّلَبِ، فَهَذَا مَعْنَاهُ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجَبَلِيُّ، حَدَّثَنَا السِّينَانِيُّ، عَنْ فُضَيْلٍ، عَنْ مُغِيرَةَ، قَالَ: مَا طَلَبَ أَحَدٌ الْحَدِيثَ إِلا ضَيَّعَ الصَّلاةَ.

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ وَاقِدٍ الْعَجِّيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خَالِدٍ الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كَثُرَ شِعْرُ الأَعْمَشِ، فَدَخَلَ عَلَيْهِ جَمَاعَةٌ مِنْ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ، فَقَالُوا: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، قَدْ كَثُرَ شِعْرُكَ، فَقَالَ: مَا يَمْنَعُنِي مِنْ أَخْذِهِ إِلا كَثْرَةُ فُضُولِ الْحَجَّامِينَ، قَالَ: فَخَرَجْنَا إِلَى حَجَّامٍ، يُقَالُ لَهُ: عُنْقُودٌ، فِي بَنِي حَرَامٍ، فَقُلْتُ لَهُ: تَأْخُذُ شَعْرَ أَبِي مُحَمَّدٍ وَلا تُكَلِّمْهُ كَلِمَةً، فَدَخَلَ، فَسَلَّمَ عَلَيْهِ، وَابْتَدَأَ يَأْخُذُ شَعْرَهُ، فَلَمَّا أَخَذَ نَحْوًا مِنْ نِصْفِهِ، قَالَ: يَا أَبَا مُحَمَّدٍ، أَسْأَلُكَ عَنْ مَسْأَلَةٍ، قَالَ: سَلْ.

قَالَ: مَا تَقُولُ فِي رَجُلٍ قَالَ لامْرَأَتِهِ: أَنْتِ طَالِقٌ الْيَوْمَ، لا بَلْ إِلَى غَدٍ، لا بَلْ بَعْدَ غَدٍ؟ قَالَ: فَنَفَضَ الْأَعْمَشُ ثِيَابَهُ وَقَامَ.

فَمَكَثَ نَحْوًا مِنْ شَهْرَيْنِ آخِذًا نِصْفَ شَعْرِهِ.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْمَدَائِنِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الْمُحَارِبِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ هَاشِمٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ: يُوشُكَ أَنْ يُبَاعَ الْحَدِيثُ كَمَا يُبَاعُ الْبَقْلُ عَلَى الأَطْبَاقِ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ عَبَّاسِ بْنِ مُغِيرَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: قَدِمَ عَلَيْنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، فَكَانَ فِينَا بِمَنْزِلَةِ الْحَسَنِ، وَابْنِ سِيرِينَ.

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمُحَازُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ نَصْرٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو هَمَّامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ الضَّرِيرُ، قَالَ: سَمِعْتُ الأَعْمَشَ، يَقُولُ: مَنْ لَمْ يَطْلُبِ الْحَدِيثَ أَشْتَهِي أَنْ أَصْفَعَهُ بِنَعْلِي.

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ الصَّفَّارُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَامِرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَفَّانَ بْنَ مُسْلِمٍ، قَالَ: بَصُرْتُ أَبَا عَوَانَةَ، وَعِنْدَهُ قَوْمٌ يَسْأَلُونَهُ يَنْتَخِبُونَ.

فَقَالَ: مَا تَصْنَعُونَ؟ قَالُوا: نَنْتَخِبُ، فَقَالَ لا تَتْرَكُوا مِنْهُ شَيْئًا، فَإِنَّهُ لَيْسَ شَيْءٌ مِنْهَا إِلا أُرِيدَ بِهِ شَيْئًا.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ الْخَزَّازُ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَلامٍ ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْأَعْمَشَ، يَقُولُ: إِنِّي لأَغَارُ عَلَيْهِ كَمَا يُغَارُ عَلَى الْجَارِيَةِ الْحَسْنَاءِ يَعْنِي الْحَدِيثَ.

حَدَّثَنَا أَبُو الْخَطَّابِ الْحُسَيْنُ بْنُ حَيْدَرَةَ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنِ شَبِيبٍ، حَدَّثَنِي يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالَ: قَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ حَسَنٍ: كُنْتُ مَعَ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ صَالِحٍ، إِذْ كَانَ وَالِيًا عَلَى الْمَدِينَةِ، وَمَعَهُ جَمَاعَةٌ مِنَ الْهَاشِمِيِّينَ طَالِبِيِّينَ، وَعَبَّاسِيِّينَ، فَقَالَ: هَلْ عِنْدَكُمْ فِي آلِ مُحَمَّدٍ مِنْ هَمٍّ؟ قُلْنَا: أَصْلَحَ اللَّهُ الأَمَيِر، نَحْنُ وَأَنْتُمْ.

فَقَالَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ صَالِحٍ: فِي هَذَا خِلافٌ يَا غُلامُ، ادْعُ لِي مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، فَدُعِيَ، فَلَمَّا دَخَلَ أَجْلَسَهُ إِلَى جَنْبِهِ، ثُمّ قَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، مَنْ آلُ مُحَمَّدٍ؟ قَالَ مَالِكٌ: أَصْلَحَكَ اللَّهُ أَيُّهَا الأَمَيِرُ، فِي مَوْضِعِكَ، وَشَرَفِكَ يَخْفَى عَلَيْكَ هَذَا؟ آلُ مُحَمَّدٍ: أُمَّةُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ تَلا مَالِكٌ آيًا مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عز وجل: {أَدْخِلُوا آلَ فِرْعَوْنَ أَشَدَّ الْعَذَابِ} [غافر: 46] .

ثُمَّ أَخَذَ مَالِكٌ نَعْلَهُ، وَقَامَ، فَقَالَ: وَفَّقَكَ اللَّهُ، أَيُّهَا الأَمِيرُ.

قَالَ: فَلا وَاللَّهِ، ما كلمه أحد بكلمة هيبة له، ولو تكلم غيره بذلك مزقناه بيننا.

حدثنا محمد بن أحمد المقرئ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا حَنْبَلٌ، قَالَ: قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ قَلْتُ لِمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ: مَا كَانَ اسْمُ أَبِي طَالِبٍ؟ قَالَ: شَيْبَةُ.

قُلْتُ: فَهَاشِمٌ؟ قَالَ: عَمْرٌو.

قُلْتُ: فَعَبْدُ مَنَافٍ؟ قَالَ: لا أَدْرِي، قُلْتُ: لَكِنِّي أَدْرِي، اسْمُهُ الْمُغِيرَةُ.

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الزُّهْرِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَأَلْتُ إِبْرَاهِيمَ الْحَرْبِيَّ، عَنْ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: «الصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ» ؟ قَالَ: لا يَعْلَمُ قَدْرَ مِقْدَارِ مَا أَجْزِي بِهِ غَيْرِي حَدَّثَنَا أَبُو الْخَطَّابِ الْحُسَيْنُ بْنُ حَيْدَرَةَ بْنِ عُمَرَ الْقَاضِي الدَّاوُدِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ ثَابِتٍ الْحَرِيرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّاغَانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْعَزِيزِ بْنَ أَبَانَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مِسْعَرًا، يَقُولُ: مَنْ أَبْغَضَنِي جَعَلَهُ اللَّهُ مُحَدِّثًا.

حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ بْنُ حَيُّوَيْهِ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ جَعْفَرٍ اللَّبَّانُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ عبد الجَبَّارِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ ثَابِتِ ابْنِ أُخْتِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَتَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ يَوْمًا، فَخَرَجَ إِلَيَّ، فَقَالَ: كَيْفَ أَصْبَحْتَ؟ كَيْفَ حَالُكَ وَالضَّبْنَةُ؟ قُلْتُ: مَا الضَّبْنَةُ؟ قَالَ: جَمَاعَةُ الْعِيَالِ، وَالْحَشَمِ.

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ التَّرَّاسُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَسْرُوقٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ الْفَرَجِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا رُؤْبَةَ، يَقُولُ: قَالَ: الْخَلِيلُ بْنُ أَحْمَدَ:

كَمْ وَكَمْ أَكْتُبُ عِلْمًا … بَعْدَ عِلْمٍ أَسْتَفِيدُ

قَدْ قَسَى قَلْبِي عَلَيْهِ … مِثْلَ مَا يَقْسُو الْحَدِيدُ.

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ عَلِيٍّ اللِّحْيَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ عِيسَى الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ: قَالَ شُعْبَةُ: الْقِرَاءَةُ عِنْدِي أَثْبَتُ مِنَ السَّمَاعِ.

قَالَ: وَكَانَ شُعْبَةُ يَقُولُ: قَرَأْتُ عَلَى فُلانٍ وَفُلانٍ، قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: يَعْنِي إِذَا لَمْ يَكُنْ سَمِعَ مِنْهُمَا، قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: فَقُلْتُ لِمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ: الرَّجُلُ يَقْرَأُ عَلَى الْمُحَدِّثِ فَيَجُوزُ لَهُ أَنْ يَقُولَ حَدَّثَنَا؟ قَالَ: نَعَمْ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ.

قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ: كُنْتُ إِذَا قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ أَقُولُ لَهُ: قَدْ تُثْبِتُهُ عَنِّي؟ فَيَقُولُ: نَعَمْ.

قَالَ: فَأَقُولُ: أُحَدِّثُ بِهِ عَنْكَ؟ فَيَقُولُ: نَعَمْ.
৪ - আমাদের কাছে উমর ইবনে আহমদ ইবনে শাহীন আল-ওয়াইজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে নাসর ইবনে কাসিম আল-ফারাইদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইসহাক ইবনে আবি ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইসমাঈল আল-আকরা আবু ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসান ইবনে আবি জাফরকে আবু সাহবা থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা) থেকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, তিনি বলেন: «মুসহাফের (কুরআন) দিকে তাকানো ইবাদত, এবং এমন ব্যক্তির দিকে তাকানো ইবাদত যে সুন্নাহর দিকে আহ্বান করে এবং বিদআত থেকে নিষেধ করে।»

আমাদের কাছে
আবু উমর ইবনে হাইয়্যুইয়্যি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবুল কাসিম আল-বাগাভী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি শুনতে পেলাম জনৈক ব্যক্তি আহমদ ইবনে হাম্বলকে বললেন: আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, খ্রিস্টানরা মুসহাফ (কুরআনের পাণ্ডুলিপি) লিখছে, এটা কি হতে পারে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, হিরার খ্রিস্টানরা মুসহাফ লিখত, তারা মূলত এগুলো লিখত কারণ তা লিখে দেওয়ার মতো লোকের অভাব ছিল।

তখন লোকটি বলল: আপনি কি এটি পছন্দ করেন? তিনি বললেন: আমি এটি পছন্দ করি না।

আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাভী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে দাউদ ইবনে রুশাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুতাররিফ বর্ণনা করেছেন মা’মার থেকে, তিনি মাতার আল-ওয়াররাক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দুই প্রাজ্ঞ আলিম আল-হাসান ও আশ-শা’বী এই বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, মুসহাফ বিক্রি করাতে কোনো সমস্যা নেই।

আমাদের কাছে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাসান আল-কাযযায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আরাফাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: কিসায়ী এবং মুহাম্মদ ইবনে হাসান একই দিনে মৃত্যুবরণ করেছেন, তখন হারুনুর রশীদ বলেছিলেন: আজ আমি ফিকহ এবং ভাষাতত্ত্বকে দাফন করলাম।

আমাদের কাছে উমর ইবনে আহমদ ইবনে উসমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উসমান ইবনে আবি শাইবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন হুসাইন থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: চারজন ব্যক্তি পৃথিবীর রাজত্ব করেছে: দুইজন মুমিন এবং দুইজন কাফির। মুমিন দুইজন হলেন: দাউদ পুত্র সুলাইমান এবং যুল-কারনাইন। আর কাফির দুইজন হলো: বুখতে নাসর এবং কানআনের পুত্র নমরূদ, যে ইব্রাহিমের সাথে তার রব সম্পর্কে বিতর্ক করেছিল।

আমাদের কাছে ইয়াহইয়া ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাসরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইব্রাহিম ইবনে হাম্মাদ ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উমর ইবনে মিদরিক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মাক্কী ইবনে ইব্রাহিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি একদিন মক্কায় সুফিয়ান ইবনে সাঈদের কাছে প্রবেশ করলাম, তখন তার সামনে একটি রুটি এবং এক মুঠো কিশমিশ ছিল। তিনি আমাকে বললেন: হে মাক্কী, কাছে এসো।

আমি বললাম: আমি আপনার কাছে বহুবার এসেছি যখন আপনি খাচ্ছিলেন, কিন্তু আপনি কখনো আমাকে ডাকেননি।

তিনি বললেন: আজ আমার মাঝে সেই নিয়ত (আন্তরিকতা) উপস্থিত হয়েছে।

আমাদের কাছে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আলী আল-লিহয়ানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে ঈসা আল-ফামি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হানি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, যখন তাকে শু’বাহর এই উক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে: ‘নিশ্চয়ই এই হাদিস তোমাদের আল্লাহর জিকির ও সালাত থেকে বিমুখ রাখে, তবে কি তোমরা নিবৃত্ত হবে না?’ তখন তিনি (আহমদ ইবনে হাম্বল) বললেন: সম্ভবত শু’বাহ রোজা রাখতেন, কিন্তু যখন তিনি হাদিস অন্বেষণ ও তাতে চেষ্টা করতেন তখন তিনি দুর্বল হয়ে পড়তেন এবং রোজা রাখতে পারতেন না; অথবা তিনি কোনো নেক আমল করতে চাইতেন কিন্তু হাদিস অন্বেষণের কারণে তা করতে সক্ষম হতেন না—এটিই তার কথার অর্থ।

আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আলী ইবনে ইব্রাহিম আল-ওয়াসিতি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুসা ইবনে ইসমাঈল আল-জাবালি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে সিনানি বর্ণনা করেছেন ফুদাইল থেকে, তিনি মুগীরা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যে কেউ হাদিস অন্বেষণ করেছে, সে সালাতকে নষ্ট করেছে (অর্থাৎ তাতে নিমগ্ন হয়ে সালাতের গুরুত্বে অবহেলা করেছে)।

আমাদের কাছে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে হাসান আল-বাযযায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ওয়াকিদ আল-আজ্জি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু উসমান সাঈদ ইবনে উসমান ইবনে খালিদ আল-আ’মাশ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আ’মাশের চুল বড় হয়ে গিয়েছিল, তখন একদল হাদিস অন্বেষণকারী তার কাছে প্রবেশ করলেন। তারা বললেন: হে আবু মুহাম্মদ, আপনার চুল তো অনেক বড় হয়ে গেছে। তিনি বললেন: হাজ্জামদের (নাপিত) অতিরিক্ত প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই আমাকে চুল কাটানো থেকে বিরত রাখছে না। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর আমরা বনী হারামের উনকুদ নামক এক নাপিতের কাছে গেলাম এবং তাকে বললাম: তুমি আবু মুহাম্মদের চুল কাটবে কিন্তু তার সাথে একটি কথাও বলবে না। নাপিত ভেতরে প্রবেশ করে তাকে সালাম দিল এবং তার চুল কাটতে শুরু করল। যখন অর্ধেক চুল কাটা শেষ হলো, সে বলল: হে আবু মুহাম্মদ, আপনাকে একটি মাসয়ালা জিজ্ঞাসা করতে চাই। তিনি বললেন: জিজ্ঞাসা করো।

নাপিত বলল: আপনার মতামত কী এমন ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে বলল: তুমি আজ তালাক, না বরং আগামীকাল, না বরং আগামীকালের পরদিন? বর্ণনাকারী বলেন: তখন আল-আ’মাশ তার কাপড় ঝেড়ে উঠে দাঁড়ালেন।

এরপর তিনি প্রায় দুই মাস ওই অর্ধেক চুল কাটা অবস্থাতেই কাটালেন।

আমাদের কাছে আবু উমর ইবনে হাইয়্যুইয়্যি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে ইসহাক আল-মাদায়িনি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-কুফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-মুহারিবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আলী ইবনে হাশিম বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি বলেন: এমন সময় সন্নিকটে যখন হাদিস বিক্রি করা হবে যেভাবে থালায় করে শাকসবজি বিক্রি করা হয়।

আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আব্বাস ইবনে আব্বাস ইবনে মুগীরা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে হাইসাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুসা ইবনে ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উহাইব ইবনে খালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিশাম ইবনে উরওয়াহ আমাদের কাছে আগমন করলেন, তিনি আমাদের মাঝে হাসান (বসরী) ও ইবনে সিরিনের মর্যাদায় ছিলেন।

আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-মুহায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আহমদ ইবনে কাসিম ইবনে নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু হাম্মাম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-আ’মাশকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি হাদিস অন্বেষণ করে না, আমার ইচ্ছা হয় তাকে আমার জুতো দিয়ে চড় মারি।

আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সাফফার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি সাঈদ আল-বাযযায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে জাফর ইবনে আমির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আফফান ইবনে মুসলিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু আওয়ানাকে দেখলাম, তার কাছে একদল লোক তাকে প্রশ্ন করছিল এবং তারা হাদিস বাছাই করছিল।

তিনি বললেন: তোমরা কী করছ? তারা বলল: আমরা হাদিস বাছাই করছি। তিনি বললেন: এর কোনো কিছুই বাদ দিও না, কারণ এর প্রতিটি অংশই কোনো না কোনো উদ্দেশ্যে বর্ণিত হয়েছে।

আমাদের কাছে আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে আব্বাস আল-খাযযায বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু বকর ইবনে আবি দাউদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালাম বর্ণনা করেছেন—ইনশাআল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু উসামা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-আ’মাশকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হাদিসের ব্যাপারে তেমন আত্মমর্যাদাবোধ (ঈর্ষা) পোষণ করি যেমনটি একজন সুন্দরী যুবতীর ব্যাপারে করা হয়।

আমাদের কাছে আবুল খাত্তাব হুসাইন ইবনে হাইদারা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হুসাইন ইবনে ইসমাঈল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে শাবিব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দাউদ ইবনে হুসাইন ইবনে হাসান আমাকে বলেছেন: আমি আব্দুল মালিক ইবনে সালিহ-এর সাথে ছিলাম যখন তিনি মদিনার গভর্নর ছিলেন এবং তার সাথে হাশেমী, তালেবী এবং আব্বাসী বংশীয় একদল লোক ছিল। তিনি বললেন: মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পরিবারের ব্যাপারে কি তোমাদের কোনো চিন্তা আছে? আমরা বললাম: আমির, আল্লাহ আপনাকে সংশোধন করুন, আমরা এবং আপনারা সবাই তো তার পরিবার।

তখন আব্দুল মালিক ইবনে সালিহ বললেন: এই বিষয়ে মতভেদ আছে। ওহে বালক, মালিক ইবনে আনাসকে আমার কাছে ডেকে আনো। তাকে ডাকা হলো, তিনি যখন প্রবেশ করলেন তখন গভর্নর তাকে নিজের পাশে বসালেন। তারপর বললেন: হে আবু আবদুল্লাহ, মুহাম্মদের পরিবার বা আল-মুহাম্মদ কারা? মালিক বললেন: হে আমির, আল্লাহ আপনাকে সংশোধন করুন, আপনার এই অবস্থানে ও সম্মানে থেকেও কি বিষয়টি আপনার কাছে অস্পষ্ট? মুহাম্মদের পরিবার হলো মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মত। এরপর মালিক মহান আল্লাহর কিতাব থেকে এই আয়াত পাঠ করলেন: {ফিরআউনের পরিবারকে কঠোরতম আজাবে প্রবেশ করাও} [সূরা গাফির: ৪৬]।

অতঃপর মালিক তার জুতো নিলেন এবং উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন: হে আমির, আল্লাহ আপনাকে তাওফিক দান করুন।

বর্ণনাকারী বলেন: আল্লাহর কসম, তার ব্যক্তিত্বের প্রভাবে কেউ তাকে একটি কথাও বলতে পারেনি। অথচ অন্য কেউ যদি এমন কথা বলত, তবে আমরা তাকে ছিঁড়ে ফেলতাম।

আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-মুকারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উসমান ইবনে আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাম্বল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু নুআয়ম বলেছেন, আমি মালিক ইবনে আনাসকে বললাম: আবু তালিবের নাম কী ছিল? তিনি বললেন: শাইবাহ।

আমি বললাম: তাহলে হাশিমের? তিনি বললেন: আমর।

আমি বললাম: তবে আবদ মানাফের? তিনি বললেন: আমি জানি না। আমি বললাম: কিন্তু আমি জানি, তার নাম ছিল আল-মুগীরা।

আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আয-যুহরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইব্রাহিম আল-হারবিকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর এই উক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে: «রোজা আমারই জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব»। তিনি বললেন: আমি যে প্রতিদান দেব তার পরিমাণ ও মর্যাদা আমার অন্য কেউ জানে না। আমাদের কাছে আবুল খাত্তাব হুসাইন ইবনে হাইদারা ইবনে উমর আল-কাদি আদ-দাউদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনে সাবিত আল-হারিরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল আজিজ ইবনে আবানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মিসআরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি আমাকে ঘৃণা করবে, আল্লাহ তাকে মুহাদ্দিস বানিয়ে দেবেন।

আমাদের কাছে আবু উমর ইবনে হাইয়্যুইয়্যি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উসমান ইবনে জাফর আল-লাব্বান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে নাসর আল-মারওয়াযি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ফাদল ইবনে আবদিল জাব্বার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মনসুর ইবনে সাবিত—যিনি ইবনুল মুবারকের ভাগ্নে—আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি একদিন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের কাছে গেলাম। তিনি আমার কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেন: তোমার সকাল কেমন হয়েছে? তোমার অবস্থা এবং ‘দাবনাহ’ কেমন? আমি বললাম: ‘দাবনাহ’ কী? তিনি বললেন: পরিবার-পরিজন ও সেবকদের দল।

আমাদের কাছে ইউসুফ ইবনে উমর আত-তাররাস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে জাফর ইবনে কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আহমদ ইবনে মাসরুক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে ফারাজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু রু'বাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: খলিল ইবনে আহমদ বলেছেন:

কতই না ইলম লিখি... একের পর এক ইলম থেকে উপকার লাভ করি

এর কারণে আমার হৃদয় কঠোর হয়ে গেছে... যেমনভাবে লোহা কঠোর হয়।

আমাদের কাছে আবদুল ওয়াহিদ ইবনে আলী আল-লিহয়ানি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে ঈসা আল-ওয়াররাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-ওয়াররাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আহমদ ইবনে ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুর রহমান ইবনে মাহদি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু’বাহ বলেছেন: আমার কাছে (উস্তাদের সামনে) পাঠ করা শোনা অপেক্ষা অধিক নির্ভরযোগ্য।

তিনি বলেন: শু’বাহ বলতেন: আমি অমুক ও অমুকের কাছে পাঠ করেছি। আবদুর রহমান বলেন: অর্থাৎ যখন তিনি তাদের থেকে সরাসরি শোনেননি। আবদুর রহমান বলেন: আমি মালিক ইবনে আনাসকে বললাম: কোনো ব্যক্তি যদি মুহাদ্দিসের কাছে (হাদিস) পাঠ করে, তবে কি তার জন্য ‘আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন’ (হাদ্দাসানা) বলা জায়েয? তিনি বললেন: হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ।

আবদুর রহমান বলেন: আমি যখন মালিকের কাছে পাঠ করতাম তখন তাকে বলতাম: আপনি কি এটি আমার পক্ষ থেকে সাব্যস্ত করছেন? তিনি বলতেন: হ্যাঁ।

তিনি বলেন: তখন আমি বলতাম: আমি কি আপনার পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করব? তিনি বলতেন: হ্যাঁ।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ، عَنْ دَاوُدَ الطَّائِيِّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: "‌‌ تَحَرُّوا لَيْلَةَ الْقَدْرِ لِسَبْعَ عَشْرَةَ، فِي صَبِيحَةِ يَوْمِ بَدْرٍ، وَلِسَبْعٍ يَبْقَيْنَ، وَلِتِسْعٍ يَبْقَيْنَ؛ فَإِنَّ الشَّمْسَ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ، وَإِنَّهَا تَطْلُعُ صَبِيحَةَ لَيْلَةِ الْقَدْرِ لَيْسَ لَهَا شُعَاعٌ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُلْوَيْهِ الرَّقِّيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ إِسْحَاقَ الصَّيْرَفِيَّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ الْحُسَيْنَ الْخَيَّاطَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ، يَقُولُ: مَنْعُ النَّفْسِ هَوَاهَا دَوَاؤُهَا وَإِعْطَاءُ النَّفْسِ هَوَاهَا دَاؤُهَا.
৫ - উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আন-নাক্বিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুয়াইব ইবনে আইয়ুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসআব ইবনুল মিকদাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দাউদ আত-তাঈ থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি আল-আসওয়াদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "‌‌তোমরা লাইলাতুল কদর তালাশ করো সতেরো তারিখে, বদর যুদ্ধের দিনের সকালে, এবং অবশিষ্ট সাত রাতে ও অবশিষ্ট নয় রাতে; কেননা সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে থাকে, আর লাইলাতুল কদরের সকালে তা এমনভাবে উদিত হয় যে তার কোনো রশ্মি থাকে না।

আলী ইবনে আমর ইবনে সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উলওয়াইহ আর-রাক্কী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইবরাহীম ইবনে ইসহাক আস-সাইরাফীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হুসাইন আল-খাইয়াতকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: নফসকে তার খেয়াল-খুশি থেকে বিরত রাখাই হলো তার প্রতিকার বা ওষুধ, আর নফসকে তার খেয়াল-খুশি পূরণ করতে দেওয়া হলো তার ব্যাধি।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَهْلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنَا أَبُو غَيْلَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو حَمْزَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ الصَّائِغِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنَّهُ كَانَ‌‌ لا يَخْرُجُ مِنْ بَيْتِهِ حَتَّى يَنْظُرَ فِي كُتُبِهِ
৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আমর ইবনে সাহল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জিয়াদ ইবনে আইয়ুব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু গায়লা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামজাহ, ইব্রাহিম আস-সাইগ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর কিতাবসমূহে দৃষ্টিপাত না করা পর্যন্ত তাঁর ঘর থেকে বের হতেন না।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْجَهْمِ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، صَاحِبُ اللُّؤْلُؤِ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيِّ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«مَنْ خَرَجَ فِي طَلَبِ الْعِلْمِ فَهُوَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ حَتَّى يَرْجِعَ»
৭ - আলী বিন উমর বিন আহমাদ আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন মানসুর বিন আবুল জাহম আল-মারওয়াযী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাসর বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাহিবুল লু'লু' খালিদ বিন ইয়াযিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর আর-রাযী থেকে, তিনি রাবী বিন আনাস থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণে বের হয়, সে ফিরে আসা পর্যন্ত আল্লাহর পথে থাকে»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ النَّجَّارُ، حَدَّثَنَا قُطْبَةُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الأَسَدِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْخَصِيبِ بْنِ جَحْدَرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غُنْمٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لا يَنْبَغِي أَنْ يَكُونَ الْحَسَدُ وَالْمَلَقُ إِلا فِي طَلَبِ الْعِلْمِ» .

أَوْ كَمَا قَالَ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ
بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْبَلَدِيُّ الْبَزَّارُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْمُعَافَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى الْجُرَيْرِيُّ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ دُرَيْدٍ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ خِضْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: دَخَلَ رَجُلٌ عَلَى الْمَنْصُورِ، فَقَالَ:

أَقُولُ لَهُ حِينَ وَاجَهْتُهُ … عَلَيْكَ السَّلامُ أَبَا جَعْفَرٍ

فَقَالَ لَهُ الْمَنْصُورُ: وَعَلَيْكَ السَّلامُ، فَقَالَ:

فَأَنْتَ الْمُهَذَّبُ مِنْ هَاشِمٍ … وَفِي الْفَرْعِ مِنْهَا الَّذِي يُذْكَرُ

فَقَالَ لَهُ الْمَنْصُورُ: ذَاكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

فَقَالَ:

فَهَذِي ثِيَابِي قَدْ أَخْلََقَتْ … وَقَدَ عَضَّنِي زَمَنٌ مُنْكَرٌ

فَأَلْقَى إِلَيْهِ الْمَنْصُورُ ثِيَابَهُ، فَقَالَ: هَذِهِ بَدَلَهَا.

حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْقَاسِمِ الْكَوْكَبِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عِكْرِمَةَ الضِّبِّيُّ، قَالَ: كَتَبَ الْبُحْتُرِيُّ إِلَى الْمُتَوَكِّلِ حِينَ خَرَجَ إِلَى الشَّامِ هَذَيْنِ الْبَيْتَيْنِ:

إِلَى اللَّهِ أَشْكُو عَْبَرَةً تَتََجَلُّدُ … وَلَوْ قَدْ حَدَى الْحَادِي أَظَلَّتْ تُخْبِرُ

فَوَاحُزْنًا إِذْ كُنْتُ فِي سُرَّ مَنْ رَأَى … مُقِيمًا وَبِالشَّامِ الْخَلِيفَةُ جَعْفَرُ

فَلَمَّا قَرَأَهَا الْمُتَوَكِّلُ ، قَالَ: وَاللَّهِ لأُقِرَّنَّ عَيْنَ قَائِلِهَا.

فَبَعَثَ إِلَيْهِ بِخَمْسِينَ أَلْفَ دِرْهَمٍ.

أَنْشَدَنَا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ التَّنُوخِيُّ، أَنْشَدَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَبَّاسِ الأَنْبَارِيُّ، أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ دُرَيْدٍ، فِي سَنَةِ ثَمَانِ عَشْرَةَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، وَقَالَ: مَا قِيلَ فِي كِتْمَانِ السِّرِّ أَحْسَنُ مِنْهَا:

لَمَّا رَأَيْتُكَ قَدْ مَلَلْتَ مَوَدَّتِي … آلَيْتُ فِيكَ بِأَعْظَمِ الأَيْمَانِ

إِنِّي كَذَاكَ إِذَا تَنَكَّرَ صَاحِبٌ … دَارَيْتُهُ بِالصَّرْمِ وَالْهُجْرَانِ

وَأَعِفُّ عَنْ بُغْضِ الصَّدِيقِ تَكُرُّمًا … نَفْسِي وَمَا دَهْرِي لَهُ بِهَوَانِ

وَأُفَارِقُ الْخِلانَ عَنْ غَيْرِ الْقِلَى … وَأَمَيْتُ نَشْرَ السِّرِّ بِالْكِتْمَانِ.

قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ، أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ الصَّوْلِيُّ، أَنْشَدَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُعْتَزِّ، لِنَفْسِهِ:

وَغِنَاءُ مُلَّحَنِ كُلِّ نَفْسٍ بِالَّذِي … تَهْوَاهُ لِلشُّكِْر غَدْرٌ

لا يَمُرُّ الْمَوْتُ مِنْهُ مُهَرْوِلا … وَلا يَقْطَُعُهُ عَنْ بَهْرٍ.

قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ، أَنْشَدَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْخَلالُ، فِي صِفَةِ الثَّدْيِ:

كُنْتُ إِنْ جِئْتُكَ لا يَحْجُبُِني … عَنْكَ إِلا حَاجِبٌ يَحْبِسُنِي

نَاهِدٌ فِي الصَّدْرِ غَضْبَانُ عَلَيَّ … قَتَبُ الْبَطْنِ وَطَيُّ الْعَكَنِ

يَمْلأُ الْكَفَّ وَلا يَفْضُلُهَا … وَإِذَا ثَنَيْتُُه لا يَنْثَنِي.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنُ شَادَانَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ صَالِحِ بْنِ زُفَرَ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ الْجَاحِظَ، يَقُولُ: خَصْلَتَانِ أَعْيَتْنِي فِيهِمَا الْحِيلَةُ: خَادِمٌ لا يُدَمْدِمُ، وَإِبْرِيقٌ لا يُسَيِّلُ.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْعَلافِ الْمُحَدِّثُ، قَالَ: كَانَتْ لِي جَارِيَةٌ حَمَلْتُهَا إِلَى السُّوقِ دَفَعَاتٍ، وَلَمْ أَبِعْهَا، فَقَالَ فِيهَا:

رَدَدْنَا خِمَارًا مَرَّةً بَعْدَ مَرَّةٍ … مِنَ السُّوقِ وَاخْتَرْنَا حِمَارًا عَلَى الثَّمَنْ

وَكُنَّا أَلِفْنَاهَا وَلَمْ تَكُ مَأْلَفًا … وَقَدْ يُؤْلَفُ الشَّيْءُ الَّذِي لَيْسَ بِالْحَسَنْ

كَمَا تُؤَلَّفُ الأَرْضُ الَّّتِي لَمْ يَكُنْ بِهَا … هَوَاءٌ وَلا مَاءٌ سِوَى أَنَّهَا الْوَطَنْ.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْر، حَدَّثَنَا أَحْمَد بْن مَسْعُود الزُّبَيْريّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى بْنِ مَنْصُورٍ، قَالَ: كَانَ أَبُو الْعَبَّاسِ رَجُلا بَخِيلا، وَكَانَ إِذَا أَخَذَ الدِّرْهَمَ نَقَرَهُ، وَقَالَ: كَمْ مِنْ يَدٍ قَدْ وَقَعْتَ فِيهَا، وَمِنْ بَلَدٍ دَخَلْتَهُ، اسْكُنْ وَقَرَّ عَيْنًا، فَقَدِ اسْتَقَرَّتْ بِكَ الدَّارُ، وَاطْمَأَنَّ بِكَ الْمَنْزِلُ، ثُمَّ يَرْفَعُهُ.

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْعَلافِ الشَّاعِرُ، قَالَ: جَلَسْتُ عِنْدَ حَبَشُونَ الْخَلالِ، فَمَرَّ بِنَا جَزَّارٌ يُنَادِي عَلَى لَحْمِ الْبَقَرِ، فَسَأَلْتُهُ، فَاشْتَرَى لِي مِنْهُ، فَلَمْ أَحْمَدْهُ، فَقُلْتُ فِيهِ:

أْعَجَبُ بِحَبَشُونَ وَقَدْ جِئُْتُه … وَكَانَ مِنْ إِخْوَانِهِ فِي نَفَرْ

فَبَيْنَمَا نَحْنُ كَذَا عِنْدَهُ … إِذْ مَرَّ جَزَّارٌ بِلَحْمِ الَْبقَرْ

وَكَانَ لِي خِلا فَشَاوَرْتُهُ … سِرًّا وَمَنْ يُوثَقْ بِهِ يُسْتَشَرْ

فَمَدَّ عَيْنَيْهِ إِلَى قِطْعَةٍ … أَوْقَعَنِي فِيهَا وَفِيهِ الْقِدْرُ

فَلَمْ يَزَلْ يُوهِمُنِي أَنَّهَا … أَنْفَعُ لِي مِنْ لَحِْم ضَأْنِ ذَكَرْ

وَأَنَّهَا فَائِقَةٌ رَطْبَةٌ … وَلَمْ يُخَالِفْ قَوْلَهُ مَنْ حَضَرْ

ثُمَّ اشْتَرَى لْحَمًا وَفِي الْمُشْتَرِي … مِنْهُ وَفِيمْنَ بَاعَهُ مُعْتَبَرْ

لْحَمًا طَبَخْنَاهُ سُرُورًا بِهِ … ثُمَّ أَكَلْنَاهُ فَإِذَا لَمْ تَسِرْ

وَلَمْ تُطِقْ أَضْرَاسُنَا مْضَغَهُ … وَهَلْ يُطِيقُ الضِّرْسُ مَضْغَ الْحَجَرْ

كُنَّا نَمُدُّ اللَّحْمَ عَنْ عَظْمِهِ … كَأَنَّمَا كُنَّا نَمُدُّ الْوَتَرْ

فَقُلُ لِحَبَشُونَ وَلأَشْيَاعِهِ … لَبِئْسَ مَا جِئْتُمْ بِهِ يَا عِرَرْ

أَلَيْسَ جَزَّارٌ عَلَى أَنَّهُ … أَخَسُّ مَنْ فِي بَدْوِهَا وَالْحَضَرْ

قَامَرَكُمْ فِي دِرْهَمٍ جَيِّدٍ … بِلَحْمٍ سُوءٍ فَانْظُرُوا مَنْ قَمَرْ

وَلا تُطِعْ حَبَشُونَ فِي أَمْرِهِ … فَمِثْلُهُ يُعْصَى إِذَا مَا أَمَرْ

وَلا يَغُرَّنَّكَ عَيْنُ امْرِئٍ … مَفْتُوحَةٌ فِي رَأْسِهِ لِلنَّظَرِ

فَرُبَّ أَبْصَارٍ عَلَى مَعْشَرِ … خَيٍْر لَهُمْ مِنْهَا ذَهَابُ الْبَصَرْ.

قَالَ لَنَا أَبُو بَكْرٍ: قَالَ لَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْعَلافِ: غَابَ عَنَّا أَبُو حَامِدٍ الْمُسْتَمْلِي، فَقُلْتُ فِيهِ:

أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ أَبَا حَامِدٍ … وَأَسْتَخْلِفُ اللَّهَ عَلَى أَهْلِهِ

وَأَدْعُ لَهُ إِنَّ دُعَاءَ امْرِئٍ … لِصَالِحِ الإِخْوَانِ مِنْ عَقْلِهِ

ارْجِعْ إِلَيْنَا يَا أَبَا حَامِدٍ … يَرْجُِع بِكَ الْعِلْمُ إِلَى نِيلِهِ

كُنْتَ لَعَمْرِي نِيلَهُ كُلَّهُ … فَغِبْتَ إِذْ غِبْتَ بِهِ كُلِّهِ.

قَالَ قَرَأْتُ عَلَى أَبِي عُمَرَ بْنِ حَيُّوَيْهِ، قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَرَفَةَ، يَتَغَنَّى بِهِ لِنَفْسِهِ:

تَوَاصُلُنَا عَلَى الأَيَّامِ بَاقٍ … وَلَكِنَّ هَجَرَنَا مَطَرُ الرَّبِيعِ

يَرُوعُكَ صَوْبُهُ لَكِنْ تَرَاهُ … عَلَى رَوْعَاتِهِ دَانِيَ النُّزُوعِ

كَذَا الْعُشَّاقُ هَجْرُهُمْ دَلالٌ … فَيَرْجِعُ وَصْلُهُمْ حَسَنَ الرُّجُوعِ

مَعَاذَ اللَّهِ أَنْ نَلْقَى غِضَابًا … سِوَى ذُلِّ الْمُطَاعِ عَلَى الْمُطِيعِ.

قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ بَشَّارٍ الأَنْبَارِيُّ، أَنْشَدَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْوَرَّاقُ، لِمُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُمَيَّةَ:

مَلَّ الْوِصَالُ فَعَادَ بِالْهَجْرِ … وَتَكَّلَمَتْ عَيْنَاهُ بِالْغَدْرِ

وَظَلِلْتُ مَحْزُونًا أُفَكِّرُ فِي … إِعْرَاضِهِ عَنِّي وَفِي صَبْرِي

مَا نِلْتُ مِنْهُ فِي مَوَدَّتِهِ … يَوْمًا أُسَرُّ بِهِ مَعَ الدَّهِْر

فِي كُلِّ مَوْضِعٍ لَذَّةُ حُزْنٍ … يَغْتَالُهُ مِنْ حَيْثُ لا يَدْرِي.

قَالَ: أَنْشَدَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ طَاهِرٍ، قَالَ: أَنْشَدَنِي أَبِي، لِبَعْضِ الشُّعَرَاءِ:

لَيْتَ الأَمِيرَ أَطَاعَنِي فَنَقَّيْتُهُ … مِنْ كُلِّ مَنْ يَقْرَأُ وَلَيْسَ بِقَارِئٍ

قَوْمٌ إِذَا صَامُوا عَلِمْتُ بِصَوْمِهِمْ … وَإِنْ أَفْطَرُوا لَمْ يُدْرَ بِالإِفْطَارِ

مُتَعَلِّقِينَ فِعَالَهُمْ بِأَكُفِّهِمْ … غُلْبَ الرِّقَابِ مُحَلِّلِي الأَزْرَارِ

حَكُّوا الْحَصَى بِجِبَاهِهِمْ فَكَأَنَّمَا … حَكُّوا جِبَاهَهُمْ بَأَيْرِ حِمَارِ.

قَالَ: أَنْشَدَنَا جَحْظَةُ الْبَرْمَكِيُّ، لِنَفْسِهِ:

لِي صَدِيقٌ عَدِمْتُهُ مِنْ صَدِيقٍ … وَلَهُ فِي الإِخَاءِ وَجْهٌ صَفِيقُ

قَوْلُهُ إِنْ شَدَوْتُ أَحْسَنْتَ زِدْنِي … وَبِأَحْسَنْتَ لا يُبَاعُ الرَّقِيقُ.

قَالَ: أَنْشَدَنَا أَبُو بَكْرٍ الْعَلافُ الأَحْوَلُ، لِبَعْضِ إِخْوَانِهِ:

وَإِنِّي لأُغْضِي مِنْ رِجَالٍ عَلَى الْقَذَى … مِرَارًا وَمَا مِنْ هَيْبَةٍ لَهُمْ أُغْضِي

وَلَكِنَّنِي أُقْنِي الْحَيَاءَ تَكَرُّمًا … وَأُكْرِمُ عَنْ إِدْنَاسِ عِرْضِهِمْ عِرْضِي.

قَالَ: أَنْشَدَنَا الْعَبَّاسُ ، أَنْشَدَنَا الْمُبَرِّدُ، لأَبِي نُوَاسٍ:

لَوْ كَانَ لِي مَسْعَدٌ فِي الرَّاحِ يُسْعِدُنِي … لَمَا انْتَظَرْتُ بِشُرْبِ الرَّاحِ إِقْطَارًا

الرَّاحُ شَيْءٌ عَجِيبٌ أَنْتَ شَارِبُهُ … فَاشْرَبْ وَإِنْ حَمَّلَتْكَ الرَّاحُ أَوْزَارًا

يَا مَنْ يَلُومُ عَلَيَّ صَفْرَاءَ صَافِيَةً … كُنْ فِي الْجِنَانِ وَدَعْنِي أَسْكُنُ النَّارَا.

قَالَ: أَنْشَدَنَا ابْنُ الْمُغِيرَةِ الْجَوْهَرِيُّ، لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُعْتَزِّ:

غَلَبَ الزَّمَانُ الْمُكَدِّرُ الْحِيَلا … وَاشْتَدَّ حَتَّى هَانَ مَا فَعَلا

وَحَلاوَةُ الدُّنْيَا لِجَاهِلِهَا … وَمَرَارَةُ الدُّنْيَا لِمَنْ عَقَلا.

قَالَ: أَنْشَدَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ، أَنْشَدَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ الدَّيْنَوَرِيُّ:

خَلْقٌ وَاسِعٌ وَمَالٌ قَلِيلُ … وَاغْتَرَّ امْرَأً بِالزَّمَانِ طَوِيلُ

كُلَّمَا رَامَ نَهْضََةً أَقْعَدَتْهُ … نَوْبَةُ الدَّهْرِ بَلْ عَلَيْهِ تَدُولُ

فَاجْعَلِ الصَّبْرَ جُنَّةً وَالأَمَانِيُّ … بَيْنَ عَيْنَيْكَ يُلْهِكَ التَّأْمِيلُ

فَلَعَلَّ الإِلَهُ يَأْتِي بِيَوْمٍ … لَكَ فِيهِ إِلَى مُنَاكَ سَبِيلُ

.
৮ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন জাফর আন-নাজ্জার বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট কুতবাহ ইবন ইসমাইল আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসা ইবন ইসহাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমর ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-আসাদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট খাসিব ইবন জাহদার থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুর রহমান ইবন গুনম থেকে, তিনি মুয়াজ ইবন জাবাল (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «জ্ঞান অন্বেষণ ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষেত্রে হিংসা ও তোষামোদ করা শোভনীয় নয়।»

অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন।

আমাদের নিকট আবুল হাসান আলী ইবন মুহাম্মদ
ইবন আব্দুল ওয়াহিদ আল-বালাদী আল-বাজ্জার সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল ফারাজ আল-মুয়াফা ইবন জাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া আল-জুরাইরী শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবন দুরাইদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাসান ইবন খিজর তাঁর পিতা থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আল-মনসুরের নিকট প্রবেশ করে বলল:

আমি তাকে বললাম যখন তার মুখোমুখি হলাম … আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক হে আবু জাফর।

তখন আল-মনসুর তাকে বললেন: তোমার ওপরও শান্তি বর্ষিত হোক। তখন সে বলল:

আপনি তো হাশেম বংশের সেই মার্জিত ব্যক্তি … আর সেই শাখা থেকে যার কথা স্মরণ করা হয়।

তখন আল-মনসুর তাকে বললেন: তিনি তো আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)।

তখন সে বলল:

এই যে আমার পোশাকগুলো জীর্ণ হয়ে গেছে … আর এক প্রতিকূল সময় আমাকে দংশন করেছে।

তখন আল-মনসুর তার দিকে নিজের পোশাক নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন: এগুলো তার পরিবর্তে।

আমাদের নিকট আল-হুসাইন ইবনুল কাসিম আল-কাওকাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু ইকরিমা আদ-দাব্বি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-বুহতুতি যখন সিরিয়ার দিকে রওনা হলেন, তখন আল-মুতাওয়াক্কিলের নিকট এই দুটি পঙক্তি লিখে পাঠালেন:

আমি আল্লাহর কাছে সেই অশ্রুর অভিযোগ করি যা আমি সংবরণ করছি … আর যদি সারথি উট চালিয়ে নিয়ে যায়, তবে তা প্রকাশ হতে শুরু করবে।

হায় আফসোস! যখন আমি 'সাররা মান রাআ' (সামাররা) শহরে ছিলাম … অবস্থানকারী হিসেবে, আর খলিফা জাফর তখন সিরিয়ায়।

আল-মুতাওয়াক্কিল যখন তা পাঠ করলেন, তখন তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই এর কবির চোখ জুড়িয়ে দেব।

অতঃপর তিনি তার নিকট পঞ্চাশ হাজার দিরহাম পাঠালেন।

কাজী আবু কাসিম আলী ইবনুল হাসান ইবন আলী আত-তানুখী আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল আব্বাস আল-আনবারী আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবন দুরাইদ তিনশ আঠারো হিজরি সালে আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন এবং তিনি বলেছেন: গোপনীয়তা রক্ষা করার বিষয়ে এর চেয়ে সুন্দর কিছু বলা হয়নি:

যখন আমি দেখলাম যে আপনি আমার ভালোবাসায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন … তখন আমি আপনার ব্যাপারে সর্বোচ্চ শপথ করলাম।

আমিও এমন যে, যখন কোনো বন্ধু অপরিচিত আচরণ করে … তখন আমি তার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ ও বিচ্ছেদের মাধ্যমে ধৈর্য ধরি।

আর আমি বন্ধুর প্রতি বিদ্বেষ পোষণ থেকে বিরত থাকি নিজের মর্যাদাবোধের কারণে … আর আমার কাছে তার সময়টা তুচ্ছ নয়।

আমি বন্ধুদের ছেড়ে চলে যাই ঘৃণা ছাড়াই … আর আমি গোপনীয়তা বজায় রাখার মাধ্যমে রহস্যের বিস্তারকে স্তিমিত করি।

তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আস-সুলি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনুল মুতায নিজের জন্য আবৃত্তি করেছেন:

প্রতিটি প্রাণের কাঙ্ক্ষিত সুরের গান যা … কৃতজ্ঞতার বদলে তা এক প্রকার বিশ্বাসঘাতকতা।

মৃত্যু সেখান থেকে দ্রুতবেগে অতিক্রম করে না … আর তা তাকে হাঁপিয়ে ওঠা থেকে বিচ্ছিন্ন করে না।

তিনি বলেন: আবু আল-হুসাইন আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম আল-খাল্লাল স্তনের বর্ণনায় আবৃত্তি করেছেন:

আমি যদি আপনার কাছে আসতাম তবে কোনো দ্বাররক্ষী আমাকে … আপনার থেকে বাধা দিত না, কেবল সেই দ্বাররক্ষী ছাড়া যে আমাকে আটকে রাখে।

বক্ষে উন্নত এক রাগান্বিত সত্তা আমার ওপর … পেটের খাঁজ এবং ভাঁজের সাথে।

তা হাতের তালু পূর্ণ করে দেয় কিন্তু অতিরিক্ত হয় না … আর আমি যদি তা বাঁকাতে চাই, তবে তা বাঁকে না।

আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবন ইব্রাহিম ইবন শাদান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবন আলী ইবন সালেহ ইবন জুফার আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আল-জাহিজকে বলতে শুনেছি: দুটি বিষয় আমাকে কৌশলে ক্লান্ত করে দিয়েছে: এমন সেবক যে বিড়বিড় করে অভিযোগ করে না এবং এমন কুঁজো যা দিয়ে পানি ঝরে পড়ে না।

আমাদের নিকট আবু বকর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাদ্দিস আবু বকর ইবনুল আল্লাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার এক দাসী ছিল যাকে আমি কয়েকবার বাজারে নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু বিক্রি করিনি, তাই তিনি তার সম্পর্কে বললেন:

আমরা বাজার থেকে বারবার ওড়না ফিরিয়ে এনেছি … এবং মূল্যের বিনিময়ে গাধাকেই বেছে নিয়েছি।

আমরা তার অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যদিও সে পছন্দনীয় ছিল না … আর মানুষ এমন জিনিসের সাথেও অভ্যস্ত হয়ে যায় যা সুন্দর নয়।

যেমন মানুষ সেই ভূমির সাথে অভ্যস্ত হয়ে যায় যেখানে … আবহাওয়া বা পানি নেই, কেবল এই কারণে যে সেটি তার স্বদেশ।

আমাদের নিকট আবু বকর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবন মাসউদ আজ-জুবাইরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবন মুসা ইবন মনসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল আব্বাস ছিলেন অত্যন্ত কৃপণ লোক। তিনি যখন কোনো দিরহাম হাতে নিতেন, তখন তাতে টোকা দিতেন এবং বলতেন: কত হাতেই না তুমি পড়েছ, কত দেশই না তুমি ভ্রমণ করেছ; এবার স্থির হও এবং চোখ জুড়াও, কেননা তোমার স্থায়ী আবাস অর্জিত হয়েছে এবং তোমার গন্তব্য নিশ্চিত হয়েছে, এরপর তিনি তা তুলে রাখতেন।

কবি আবু বকর ইবনুল আল্লাফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাবশুন আল-খাল্লালের নিকট বসেছিলাম, তখন আমাদের পাশ দিয়ে এক কসাই গরুর মাংসের ডাক দিতে দিতে যাচ্ছিল। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, সে আমার জন্য তা থেকে কিছু কিনল। কিন্তু মাংসটি আমার পছন্দ হলো না, তাই আমি সে সম্পর্কে বললাম:

আমি হাবশুনের ওপর বিস্মিত হই যখন আমি তার কাছে আসলাম … আর সে তার একদল ভাইয়ের সাথে ছিল।

এমতাবস্থায় যখন আমরা তার কাছে ছিলাম … তখন এক কসাই গরুর মাংস নিয়ে যাচ্ছিল।

সে আমার বন্ধু ছিল, তাই আমি তার সাথে গোপনে পরামর্শ করলাম … আর যার ওপর আস্থা রাখা যায় তার সাথেই পরামর্শ করা হয়।

সে একটি টুকরোর দিকে চোখ মেলল … এবং আমাকে সেই বিপদে ফেলল যাতে সে নিজেও ছিল।

সে অবিরত আমাকে ধারণা দিচ্ছিল যে এটি … আমার জন্য পুরুষ ভেড়ার মাংসের চেয়েও উপকারী।

আর এটি অত্যন্ত উৎকৃষ্ট ও নরম … সেখানে উপস্থিত কেউই তার কথার প্রতিবাদ করল না।

অতঃপর সে মাংস কিনল; আর ক্রেতার মাঝে … এবং বিক্রেতার মাঝে শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে।

সেই মাংস আমরা খুশিমনে রান্না করলাম … এরপর যখন আমরা তা খেতে গেলাম তখন তা গিলতে পারলাম না।

আমাদের দাঁতগুলো তা চিবানোর ক্ষমতা রাখল না … আর দাঁত কি পাথর চিবানোর ক্ষমতা রাখে?

আমরা হাড় থেকে মাংস ছাড়ানোর চেষ্টা করছিলাম … যেন আমরা ধনুকের ছিল্লা টানছিলাম।

তুমি হাবশুন এবং তার অনুসারীদের বলো … হে অপদার্থরা! তোমরা যা নিয়ে এসেছ তা কতই না নিকৃষ্ট!

সেই কসাই কি এমন নয় যে … গ্রাম ও শহরের মানুষের মাঝে সবচেয়ে নীচ?

সে একটি ভালো দিরহামের বিনিময়ে তোমাদের সাথে জুয়া খেলেছে … এই পচা মাংস দিয়ে, এবার দেখ কে কার সাথে জুয়া খেলল।

হাবশুনের কথায় কোনো বিষয়ে কর্ণপাত করো না … কারণ তার মতো লোককে আদেশ করলে অমান্য করাই শ্রেয়।

আর কোনো ব্যক্তির এমন চোখ তোমাকে বিভ্রান্ত না করুক … যা দেখার জন্য তার মাথায় খোলা আছে।

কারণ অনেক দৃষ্টি এমন এক সম্প্রদায়ের ওপর আছে … যাদের জন্য সেই দৃষ্টি চলে যাওয়াই উত্তম ছিল।

আবু বকর আমাদের বলেন: আবু বকর ইবনুল আল্লাফ আমাদের বলেছেন: আবু হামিদ আল-মুস্তামলী আমাদের থেকে অনুপস্থিত ছিলেন, তাই আমি তার সম্পর্কে বললাম:

আমি আবু হামিদকে আল্লাহর জিম্মায় সোপর্দ করছি … আর তার পরিবারের জন্য আল্লাহকেই স্থলাভিষিক্ত করছি।

আমি তার জন্য দোয়া করছি, কারণ কোনো ব্যক্তির তার নেককার ভাইদের জন্য … দোয়া করা তার বুদ্ধিমত্তারই পরিচায়ক।

হে আবু হামিদ! আমাদের কাছে ফিরে আসুন … জ্ঞানও যেন আপনার সাথে তার প্রাপ্য স্থানে ফিরে আসে।

আমার জীবনের কসম! আপনিই ছিলেন জ্ঞানের পূর্ণতা … তাই আপনি যখন অনুপস্থিত হলেন, তখন জ্ঞানও তার সবটুকু নিয়ে অনুপস্থিত হলো।

তিনি বলেন: আমি আবু উমর ইবন হাইয়ুওয়াইহ-এর কাছে পাঠ করেছি, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ ইব্রাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন আরাফা আমাদের নিকট নিজের রচিত সুর করে আবৃত্তি করেছেন:

দিন অতিবাহিত হলেও আমাদের পারস্পরিক যোগাযোগ বজায় আছে … তবে আমাদের বিচ্ছেদ তো বসন্তের বৃষ্টির মতো।

তার বর্ষণ তোমাকে ভীত করবে ঠিকই, কিন্তু তুমি দেখবে … সেই ভীতি জাগানিয়া অবস্থার ভেতরেও তার চলে যাওয়ার সময় নিকটবর্তী।

প্রেমিকদের অবস্থাও এমনই, তাদের বিচ্ছেদ তো কেবল অভিমান … এরপর তাদের মিলন আবার সুন্দরভাবে ফিরে আসে।

আল্লাহর পানাহ! আমরা কখনো ক্রোধের সাথে সাক্ষাৎ করি না … কেবল অনুগতের ওপর মান্যকারীর বিনয় ছাড়া।

তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আবুল কাসিম ইবন বাশশার আল-আনবারী আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবন আব্দুল্লাহ আল-ওয়াররাক মুহাম্মদ ইবন আবি উমাইয়্যার এই কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:

মিলন এখন বিরক্তিকর হয়ে পড়েছে, তাই বিচ্ছেদ ফিরে এসেছে … আর তার চোখ দুটি বিশ্বাসঘাতকতার কথা বলছে।

আমি দুঃখিত হৃদয়ে চিন্তা করতে থাকলাম … তার বিমুখতা এবং আমার ধৈর্য সম্পর্কে।

তার ভালোবাসায় আমি এমন কিছু পাইনি … কোনো একদিনও না, যা নিয়ে আমি এই পৃথিবীর বুকে আনন্দিত হতে পারি।

প্রতিটি স্থানেই দুঃখের এক স্বাদ আছে … যা তাকে এমনভাবে গ্রাস করে যা সে জানেও না।

তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন তাহির আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট জনৈক কবির এই কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:

হায়! যদি আমির আমার কথা শুনতেন, তবে আমি তাকে পবিত্র করতাম … এমন প্রত্যেক ব্যক্তি থেকে যে পড়ে কিন্তু আসলে পাঠক নয়।

এমন এক সম্প্রদায় যে, তারা যখন রোজা রাখে তখন আমি তাদের রোজা সম্পর্কে জানতে পারি … আর তারা যখন ইফতার করে তখন তাদের ইফতার সম্পর্কে জানা যায় না।

তারা তাদের কর্মগুলোকে নিজেদের হাতের তালুর সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে … ঘাড় বাঁকিয়ে এবং বোতাম খুলে রেখে।

তারা তাদের কপাল দিয়ে কাঁকর ঘষেছে এমনভাবে যেন … তারা তাদের কপাল গাধার পুরুষাঙ্গ দিয়ে ঘষেছে।

তিনি বলেন: জাহজা আল-বারমাকি নিজের জন্য আবৃত্তি করেছেন:

আমার এক বন্ধু আছে যাকে বন্ধু হিসেবে আমি হারিয়েছি … আর বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে তার মুখটি বড়ই নির্লজ্জ।

আমি গান গাইলে তার উক্তি হলো—'চমৎকার করেছেন, আরও বাড়ান' … অথচ কেবল 'চমৎকার' শব্দ দিয়ে তো আর গোলাম কেনা যায় না।

তিনি বলেন: আবু বকর আল-আল্লাফ আল-আহওয়াল তাঁর এক ভাইয়ের জন্য আবৃত্তি করেছেন:

আমি অনেক সময় বহু মানুষের অনেক পীড়াদায়ক বিষয় উপেক্ষা করি … অথচ তাদের প্রতি কোনো ভয়ের কারণে আমি তা করি না।

বরং আমি মহানুভবতা হিসেবে লজ্জাকেই প্রাধান্য দেই … আর তাদের সম্মানকে কলুষিত করা থেকে নিজের সম্মানকে রক্ষা করি।

তিনি বলেন: আব্বাস আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুবররাদ আবু নুওয়াসের এই কবিতাটি আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:

মদ পানে যদি সাহায্য করার মতো কেউ আমাকে সাহায্য করত … তবে আমি মদ পানের জন্য বৃষ্টির প্রতীক্ষা করতাম না।

মদ এক আশ্চর্য বস্তু যা তুমি পান করছ … অতএব পান করো, যদিও সেই মদ তোমাকে পাপের বোঝা বহন করায়।

হে ঐ ব্যক্তি! যে আমার এই স্বচ্ছ পীত বর্ণের মদের জন্য আমাকে তিরস্কার করছ … তুমি জান্নাতে থাকো আর আমাকে জাহান্নামে বাস করতে দাও।

তিনি বলেন: ইবনুল মুগীরা আল-জাওহারী আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ ইবনুল মুতাযের এই কবিতাটি আবৃত্তি করেছেন:

বিপর্যয় সৃষ্টিকারী সময় সমস্ত কৌশলের ওপর জয়ী হয়েছে … আর তা এত কঠিন হয়েছে যে তার কৃতকর্মগুলো তুচ্ছ হয়ে গেছে।

দুনিয়ার মিষ্টতা তো কেবল মূর্খদের জন্য … আর দুনিয়ার তিক্ততা তাদের জন্য যারা বুদ্ধিমান।

তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন আবি ইয়াকুব আদ-দিনাওয়ারী আমার নিকট আবৃত্তি করেছেন:

বিশাল সৃষ্টিজগত কিন্তু সম্পদ অতি সামান্য … আর দীর্ঘ সময় একজন মানুষকে প্রবঞ্চিত করে।

যখনই সে উঠে দাঁড়াতে চায়, তখনই তাকে বসিয়ে দেয় … কালের বিপর্যয়, বরং তা তার ওপর চেপে বসে।

কাজেই ধৈর্যকে ঢাল বানাও এবং আকাঙ্ক্ষাগুলোকে … তোমার চোখের সামনে রাখো, তবে দীর্ঘ আশা তোমাকে ভুলিয়ে রাখবে।

হয়তো বা আল্লাহ এমন এক দিন আনবেন … যে দিনটিতে তোমার মনের বাসনা পূর্ণ হওয়ার পথ খুলে যাবে।

(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوبَ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الضَّحَّاكِ، بِالرَّمْلَةِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلْمَانَ الْمُنَقِّرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ دُعِيَ إِلَى وَلِيمَةٍ فَلَمْ يُجِبْ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
৯ - আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু আল-আব্বাস সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আদ-দাহহাক রামলায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ বিন সালমান আল-মুনাককিরি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন কাসীর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফইয়ান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যাকে ওয়ালিমার দাওয়াত দেওয়া হলো অথচ সে তাতে সাড়া দিল না, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলো»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الأَزْهَرِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ صُهَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بْنُ الْحَجَّاجِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، بِحَدِيثِ: ‌‌«كُلُّكُمْ رَاعٍ»
১০ - আবুল হুসাইন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল আযহার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ ইবনে সুহাইব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে দীনার থেকে, তিনি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুমা) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন: «তোমাদের প্রত্যেকেই রাখাল (দায়িত্বশীল)»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ شَاذَانَ الْحَافُظِ، بِإِسْفَرَائِينَ، إِمْلاءً عَلَيْنَا، قَالَ: حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ يَعْقُوبَ الْمَقْدِسِيُّ، بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُشَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: رَأَى ابْنُ عُمَرَ رَجُلا نَاوَلَ رَجُلا رَيْحَانَةً فَرَدَّهَا، فَأَخَذَهَا ابْنُ عُمَرَ فَقَبَّلَهَا، وَوَضَعَهَا عَلَى عَيْنَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: «إِنَّ هَذِهِ‌‌ الرَّيَاحِينَ الطَّيِّبَةَ مِنْ نَبْتِ الْجَنَّةِ، فَإِذَا نُوِّلَ أَحَدُكُمْ مِنْهَا شَيْئًا فَلا يَرُدَّهُ»
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবন আলী ইবনুল হুসাইন ইবন শাযান আল-হাফিয, ইসফারায়িনে, আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া ইবন ইয়াকূব আল-মাকদিসী, বাইতুল মাকদিসে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবন মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান আল-কুশায়রী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবন উমর, নাফে’ থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইবন উমর এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে সে অন্য এক ব্যক্তিকে একটি সুগন্ধি ফুল প্রদান করল কিন্তু সে তা ফিরিয়ে দিল। তখন ইবন উমর সেটি গ্রহণ করলেন এবং তাতে চুমু খেলেন ও তা তাঁর দুই চোখের ওপর রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: «নিশ্চয়ই এই উত্তম সুগন্ধিগুলো জান্নাতের উদ্ভিদ থেকে আগত; সুতরাং তোমাদের কাউকে যখন এর কিছু প্রদান করা হয়, সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়।»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي جَعْفَرٍ الطَّحَاوِيُّ، بِمِصْرَ، قُلْتُ لَهُ حَدَّثَكُمْ سُلَيْمَانُ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُنْذِرِ بْنُ عَمْرٍو الْبَجَلِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ أَدْرَكَ لَيْلَةَ عَرَفَةَ الَّتِي تُعَدُّ يَوْمَ عَرَفَةَ قَبْلَ أَنْ يَطْلُعَ الْفَجْرُ فَقَدْ أَدْرَكَ الْحَجَّ»
১২ - আবু আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি মিসরে আবু জাফর আত-তাহাবীর নিকট পাঠ করেছি, আমি তাঁকে বললাম, সুলায়মান ইবনে শুআইব আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবুল মুনজির ইবনে আমর আল-বাজালী বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি আমর ইবনে দীনার থেকে, তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ফজর উদিত হওয়ার পূর্বে আরাফার রাত পেল—যাকে আরাফার দিন হিসেবে গণ্য করা হয়—সে অবশ্যই হজ পেল।»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ عُقْدَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ تَغْلِبَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ: «إِنَّ‌‌ خَلْقَ أَحَدِكُمْ» .

فَذَكَرَ الْحَدِيثَ
১৩ - আবু আলী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবুল আব্বাস বিন উকদাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ বিন ফাদল বিন ইবরাহীম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, নুহ বিন তাগলিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আ’মাশ থেকে, যায়িদ বিন ওয়াহাব থেকে, আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি সত্যবাদী ও সত্যপ্রত্যায়িত: «নিশ্চয়ই‌‌ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি» .

অতঃপর তিনি হাদীসটি উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُذَكِّرُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ الْحُمَيْدِيُّ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ‌‌ يُمَرَّ بِاللَّحْمِ فِي الْمَسْجِدِ»
১৪ - আমাদের নিকট আবু আলী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইয়াকুব ইবনে আবদুর রহমান আল-মুজাক্কির বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে উমর আল-হুমাইদি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শাবাবাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুয যুবাইর থেকে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন যে মসজিদের ভেতর দিয়ে গোশত নিয়ে যাওয়া হবে।»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَجَّاجِ بْنِ رِشْدِينَ بْنِ سَعْدٍ، بِمِصْرَ، حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، حَدَّثَنِي خَالِي أَبُو رَجَاءٍ عَبْدُ الْحَمِيدِ الْمَهْرِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: «إِنَّ‌‌ اللَّهَ عز وجل بَنَى الْفِرْدَوْسَ بِيَدِهِ، وَحَرَّمَهَا، وَحَظَرَهَا عَلَى كُلِّ مُشْرِكٍ، وَكُلِّ مُدْمِنٍ بِالْخَمْرِ سِكِّيرٍ»
১৫ - আবু আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মিশরে আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জাজ বিন রুশদিন বিন সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু তাহের আহমাদ বিন আমর বিন আস-সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার মামা আবু রাজা আব্দুল হামিদ আল-মাহরি আমাকে বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব আমাকে বর্ণনা করেছেন, দাউদ বিন আবি হিন্দ থেকে বর্ণিত, আনাস বিন মালিক (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ ফিরদাউস নিজ হাতে নির্মাণ করেছেন, এবং তা প্রত্যেক মুশরিক এবং মদ্যপানে আসক্ত মাতালের জন্য হারাম ও নিষিদ্ধ করেছেন।»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نَاجِيَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ هِلالٍ الْعَبْدِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ زَارَنِي بَعْدَ مَوْتِي وَجَبَتْ لَهُ شَفَاعَتِي»
১৬ - বিশর ইবন আহমদ আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবন নাজিয়া আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দ ইবন মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবন হিলাল আল-আবদী আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, উবায়দুল্লাহ থেকে, নাফে থেকে, ইবন উমর (আল্লাহ তাআলা তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আমার মৃত্যুর পর আমার যিয়ারত করবে, তার জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব হয়ে যাবে»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৮)
17 - حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ عَدِيٍّ، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ زَنْجَوَيْهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلانَ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ إِذَا عَطَسَ خَمَّرَ وَجْهَهُ»
১৭ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ বিন আদি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুসা বিন জানজুওয়াইহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবিস সারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান আস-সাওরি, মুহাম্মাদ বিন আজলান থেকে, তিনি সুমাই থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হাঁচি দিতেন, তখন তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ঢেকে নিতেন।»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ১৯)
18 - وَبِهِ، إِلَى شَيْخِ الإِسْلامِ أَبِي إِسْمَاعِيلَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ الْقُرَشِيُّ، أَخْبَرَنَا مَنْصُورُ بْنُ الْعَبَّاسِ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَمَّرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: وَكَانَ هَرَوِيًّا، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ الْمُؤَدِّبُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي بَزَّةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، مَا لِي مِنْ مَالِي؟ قَالَ: ‌‌«مَا لَكَ مِنْ مَالِكَ إِلا مَا أَكَلْتَ فَأَفْنَيْتَ، أَوْ لَبِسْتَ فَأَبْلَيْتَ، أَوْ أَعْطَيْتَ فَأَمْضَيْتَ، وَمَا بَقِيَ فَلِمَوَالِيكَ»
১৮ - এবং তাঁরই সূত্রে শায়খুল ইসলাম আবু ইসমাইল আল-আনসারী পর্যন্ত; তিনি বলেন: আবু উসমান আল-কুরাশি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মানসুর ইবনুল আব্বাস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে সুফিয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুয়াম্মার ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—তিনি হারাবী (হেরাত নিবাসী) ছিলেন—আবু ইসমাইল আল-মুয়াদ্দিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস থেকে, তিনি কাসিম থেকে, তিনি আবু বাজাহ থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন যে, এক বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পদ থেকে আমার জন্য কী (পাওনা) আছে? তিনি বললেন: “তোমার সম্পদ থেকে তোমার জন্য কেবল তা-ই রয়েছে যা তুমি আহার করে শেষ করেছ, অথবা পরিধান করে জীর্ণ করেছ, অথবা দান করে কার্যকর করেছ; আর যা অবশিষ্ট রইল তা তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্য।”
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২০)
19 - وَبِهِ إِلَى شَيْخِ الْإِسْلَامِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو يَعْقُوبَ إِسْحَاقُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، فَأَقَرَّ بِهِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْيَدَ المَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ المَرَْوزِيِّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جِبْرِيلَ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا نَهْشَلُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أَتَاكُمْ شَهْرُ رَمَضَانُ، أَتَاكُمْ سَيِّدُ الشُّهُورِ، فَمَرْحَبًا وَأَهْلا بِشَهْرِ مَصَحَّةٍ وَأَجْرٍ وَخَيْرٍ، وَهُوَ شَهْرُ الصَّبْرِ، تُغَلُّ فِيهِ الشَّيَاطِينُ، وَتَنْزِلُ فِيهِ الرَّحْمَةُ ، وَتُبْسَطُ فِيهِ التَّوْبَةُ، وَتُغْلَقُ فِيهِ أَبْوَابُ النَّارِ، وَتُفْتَحُ فِيهِ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ»

وَبِهِ إِلَى شَيْخِ الْإِسْلامِ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ الْكَرِيمِ بْنَ مِينَاسٍ الْحَرَّارَ الصَّدَفِيَّ الْبُوشَنْجِيَّ، يَقُولُ: تَرَكْتُ أَبَا ذَرٍّ حَيًّا بِمَكَّةَ، وَخَرَجْتُ إِلَى فَارِسٍ ، فَنُعِيَ إِلَيْنَا، مَاتَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَثَلاثِينَ هُوَ وَالْفَقِيهُ الشَّهْرَزَوْرِيُّ فِي عَامٍ.

وَسَمْعِتُ شَيْخَ الإِسْلامِ ، يَقُولُ: هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ السَّمَّاكِ الْحَافِظُ، صَدُوقٌ، تَكَلَّمُوا فِي رَأْيِهِ أَيْ فِي مَذْهَبِهِ سَمِعْتُ مِنْهُ حَدِيثًا وَاحِدًا، عَنْ شَيْبَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الضُّبَعِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، عَنْ أَبِي خَلِيفَةَ، عَنِ ابْنِ الْمَدِينِيِّ، عَنْ جَابِرٍ حَدِيثَ الْحِجِّ بِطُولِهِ، وَقِصَّتَهُ قَالَ لِي: اقْرَأْهُ حَتَّى تَعْتَادَ قِرَاءَةَ الْحَدِيثِ وَهُوَ أَوَّلُ حَدِيثٍ قَرَأْتُهُ عَلَى شَيْخٍ وَنَاوَلْتُهُ الْجُزْءَ، فَقَالَ: لَسْتُ عَلَى وُضُوءٍ، فَضَعْهُ.

قَالَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ، مِنْ قَصِيدَةٍ فِي مَنَاقِبِ أَحْمَدَ، قَرَأْتُهَا عَلَى شَيْخِ الإِسْلام، وَنَقَلْتُ مِنْهَا هَذِهِ الأَبْيَاتِ:

تَمَسَّكْ بِالْعِلْمِ الَّذِي كَانَ قَدْ وَعَى … وَلَمْ يُلْهِهِ عَنْهُ الْخَبِيصُ الْمُزَعْفَرُ

وَلا بَغْلَةٌ هَمْلاجَةٌ مَغْرِبِيَّةٌ … وَلا حِلَّةٌ تُطْوَى مِرْارًا وَتُنْشَرُ

وَلا مَنْزِلٌ بِالسَّاجِ وَالْكَيْسِ مُتْقَنٌ … يُنْقَشُ فِيهِ جُصُّهُ وَيُصَوَّرُ

وَلا أَمَّةٌ بَرَّاقَةُ الْجِيدِ بَضَّةٌ … بِمَنْطِقِهَا يُضْنَى الْحَلِيمُ وَيُسْحَرُ

حَمَى نَفْسَهُ الدُّنْيَا وَقَدْ سَنَحَتْ لَهُ … فَمَنْزِلُهُ الآمِنُ الْقُوتُ مُفْقَرُ

وَإِنْ يَكُ فِي الدُّنْيَا مُقِلا فَإِنَّهُ … مِنَ الأَدَبِ الْمَحْمُودِ وَالْعِلْمِ مُكْثِرُ.

أَنْشَدَنَا شَيْخُ الإِسْلامِ، أَنْشَدَنَا أَبُو الرَّشِيدِ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ زَكَرِيَّا الْمُسَبَّتِيُّ الْفَقِيهُ السَّبْتِيُّ، لأَبِي الْعَلاءِ الْمَعَرِيِّ:

أَرَحْتَنِي وَأَرَحْتَ الضَّمِيرَ الْفُودَا … وَالْعَجْزُ كَانَ طِلابِي عِنْدَكَ الْجُودَا

كَانَ جَفْنِي سَقِطًا نَافِرًا فَزِعًا إِذَا … أَرَادَ وُقُوعًا رِيعَ أَوْ ذِيدَا

تَنَاعَسَ الْبَرْقُ أَيْلا أَسْتَطِيعُ سَرًى … فَنَامَ صَحْبِي وَأَمْسَى يَقْطَُع الْبِيدَا

كَأَنَّهُ غَارَ مِنِّي أَنْ أُصَاحِبَهَا … وَخَافَ أَنْ أَتَقَاضَاكَ الْمَوَاعِيدَا

زِدْنِي حَدِيثَكَ مَا أَمْلَيْتُ مُسْتَمِعًا … وَمْنَ يَمَلُّ مِنَ الأَنْفَاسِ تَرْدِيدًا.

أَخْبَرَنَا شَيْخُ الإِسْلامِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ الْخُوَارِزْمِيُّ ثُمَّ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّفَّاءُ، حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ رحمه الله، يَقُولُ: حَادِثُوا هَذِهِ الْقُلُوبَ؛ فَإِنَّهَا سَرِيعَةُ الدُّثُورِ.
১৯ - এবং তাঁর সূত্রেই শায়খুল ইসলামের নিকট হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়াকুব ইসহাক ইবনে আবি ইসহাক, তিনি এটি স্বীকার করেছেন। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুস সামাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহইয়াদ আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিবরীল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে হাফস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মানসুর ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাহশাল ইবনে সাঈদ, যাহহাক ইবনে মুযাহিম হতে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের নিকট রমজান মাস এসেছে, তোমাদের নিকট মাসের সরদার এসেছে। সুতরাং সুস্বাস্থ্য, নেকি ও কল্যাণের মাসকে স্বাগত ও খোশআমদেদ। এটি সবর বা ধৈর্যের মাস, এতে শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, এতে রহমত নাজিল হয়, এতে তওবা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, এতে জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এতে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়।»

এবং তাঁর সূত্রেই শায়খুল ইসলামের নিকট হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আবুল কাসিম আব্দুল কারীম ইবনে মীনাস আল-হাররার আস-সাদাফী আল-বুশাঞ্জীকে বলতে শুনেছি: আমি আবু যরকে মক্কায় জীবিত রেখে এসেছিলাম, এরপর পারস্যে চলে যাই, সেখানে আমাদের কাছে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছে। তিনি এবং ফকিহ শাহরাযূরী একই বছর চারশত চৌত্রিশ (৪৩৪) হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

এবং আমি শায়খুল ইসলামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আস-সাম্মাক আল-হাফিয, তিনি সত্যবাদী, লোকেরা তাঁর মতামত অর্থাৎ তাঁর মাযহাব নিয়ে সমালোচনা করেছেন। আমি তাঁর নিকট থেকে একটি মাত্র হাদিস শুনেছি, যা শায়বান ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুবায়ী হতে, বসরায় আবু খলিফা হতে, তিনি ইবনে আল-মাদীনী হতে, তিনি জাবির হতে হজ্জের দীর্ঘ হাদিস ও তার বর্ণনাটি। তিনি আমাকে বললেন: এটি পড়ো যাতে তুমি হাদিস পাঠে অভ্যস্ত হও। আর এটিই প্রথম হাদিস যা আমি কোনো শায়খের সামনে পাঠ করেছি এবং আমি তাঁকে পাণ্ডুলিপিটি প্রদান করলাম। তখন তিনি বললেন: আমি ওজু অবস্থায় নেই, তাই এটি রাখো।

আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ রচিত আহমদের গুণগান সম্বলিত একটি কাসিদা হতে, যা আমি শায়খুল ইসলামের নিকট পাঠ করেছি এবং তা হতে এই পঙক্তিগুলো সংগ্রহ করেছি:

সেই ইলমকে আঁকড়ে ধরো যা সংরক্ষিত হয়েছে … আর জাফরান মিশ্রিত সুস্বাদু খাবার যাকে গাফেল করতে পারেনি।

না কোনো দ্রুতগামী মাগরিবী খচ্চর … আর না কোনো জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক যা বারবার ভাঁজ করা হয় ও খোলা হয়।

না সেগুন কাঠ ও কারুকার্যখচিত কোনো মজবুত গৃহ … যাতে নকশা করা হয়েছে এবং চুনকাম ও চিত্রায়ণ করা হয়েছে।

না কোনো উজ্জ্বল গ্রীবা ও লাবণ্যময়ী দাসী … যার মিষ্টভাষায় ধৈর্যশীল ব্যক্তিও কাতর ও মোহিত হয়ে পড়ে।

তিনি দুনিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করেছেন যখন তা তাঁর সামনে এসে ধরা দিয়েছিল … তাই তাঁর আবাসস্থল নিরাপদ এবং তাঁর জীবিকা ছিল সামান্য।

দুনিয়ায় যদি তিনি নিঃস্বও হয়ে থাকেন, তবুও তিনি … প্রশংসিত আদব ও ইলমে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিলেন।

শায়খুল ইসলাম আমাদের নিকট পাঠ করেছেন, আবুুর রশীদ আব্দুল মালিক ইবনে যাকারিয়া আল-মুসাব্বাতী আল-ফকিহ আস-সাবতী আমাদের নিকট আবুুল আলা আল-মা'আররীর কবিতা পাঠ করেছেন:

তুমি আমাকে শান্ত করেছ এবং আমার অন্তর ও কপালকে প্রশান্ত করেছ … তোমার নিকট আমার অক্ষমতাই ছিল দান লাভের উপায়।

আমার চোখের পাতা ছিল অশান্ত, পলায়নপর ও ভীত, যখনই … তা বুজতে চাইত, সে চমকে উঠত অথবা তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হত।

বিদ্যুৎ ঝিলিক দেওয়া বন্ধ করে দিল যেন আমি রাতে চলতে না পারি … তখন আমার সঙ্গীরা ঘুমিয়ে পড়ল আর সে মরুভূমি পাড়ি দিতে লাগল।

সে যেন আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত ছিল যে আমি তার সঙ্গী হব … এবং সে ভয় পাচ্ছিল পাছে আমি তোমার কাছে প্রতিশ্রুতির পূর্ণতা চেয়ে বসি।

তোমার কথা আরও বাড়িয়ে বলো যা আমি শ্রোতা হিসেবে গ্রহণ করছি … দীর্ঘশ্বাসের পুনরাবৃত্তিতে কে আর ক্লান্ত হয়!

শায়খুল ইসলাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আলী ইবনে আবি তালিব আল-খাওয়ারিযমী অতঃপর আল-হারাবী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হামিদ ইবনে মুহাম্মদ আর-রাফ্ফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবুল হাসান মুয়ায ইবনে আল-মুসান্না আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ ইবনে যায়েদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউনুস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি হাসান রহমতুল্লাহি আলাইহিকে বলতে শুনেছি: তোমরা এই অন্তরগুলোকে উপদেশ দিয়ে পুনরুজ্জীবিত করো; কেননা এগুলো খুব দ্রুতই মলিন হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২১)
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو شُعَيْبِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبُوشَنْجِيُّ، حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّفَّاءُ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ سَيَّارٍ، عَنْ أَبِي قُرْصَافَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِِي جَهَنَّمَ يَرْتَعُ فِيهِ»
২০ - আবু শুআইব মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহিম আল-বুশানজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হামিদ ইবন মুহাম্মদ আর-রাফ্ফা আমাদের বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবন মুহাম্মদ ইবনুল ফজল আমাদের বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব ইবন আলী আমাদের বর্ণনা করেছেন, যিয়াদ ইবন সাইয়্যার আমাদের বর্ণনা করেছেন, আবু কুর্সাফাহ থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, তার জন্য জাহান্নামে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে যাতে সে বিচরণ করবে»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২২)
21 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، هَذَا، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْميِّ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، وَغِيَاثٌ، مَوْلَى هُرْمُزٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ»
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, সুলাইমান আত-তাইমি, আব্দুল আজিজ বিন সুহাইব এবং হুরমুজের মুক্ত দাস গিয়াস থেকে, তারা আনাস (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৩)
22 - أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا الرَّفَّاءُ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا، قَالَتْ: ‌‌«أَهْدَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّةً غَنَمًا»
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শুআইব ইবনে মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাফ্ফা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আব্দুল আজিজ, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু নুআইম, আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-আ’মাশ, ইব্রাহিম থেকে, আসওয়াদ থেকে, আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বকরি হাদিয়া পাঠিয়েছিলেন»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৪)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ جِبْرِيلَ الْمَاحِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الإِسْمَاعِيلِيُّ السَّرَّاجُ، بِنَيْسَابُورَ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْمُثَنَّى الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، حَدَّثَهُ، قَالَ: قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَنَحْنُ بِالْغَارِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ يَنْظُرُ إِلَى قَدَمَيْهِ لأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ، فَقَالَ: «يَا أَبَا بَكْرٍ،‌‌ مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا؟»
২৩ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন জিবরীল আল-মাহি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন ইসমাইল আল-ইসমাঈলি আস-সাররাজ নিশাপুরে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান বিন আল-মুসান্না আল-আনবারি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাবিত, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললাম যখন আমরা গুহায় ছিলাম: হে আল্লাহর রাসূল, যদি তাদের কেউ নিজের দুই পায়ের দিকে তাকাত, তবে সে অবশ্যই আমাদের তার দুই পায়ের নিচে দেখে ফেলত। তখন তিনি বললেন: «হে আবু বকর, সেই দুই জন সম্পর্কে তোমার ধারণা কী যাদের তৃতীয় জন হলেন আল্লাহ?»
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৫)
24 - حَدَّثَنَا الْقَاضِي أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَزْدِيُّ، إِمْلاءً، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقِيقِيُّ ، بِحُلْوَانَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ زُهَيْرٍ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:‌‌ أَيُصَلِّي الرَّجُلُ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ؟ قَالَ: «مَا كُلُّكُمْ يَجِدُ ثَوْبَيْنِ»
২৪ - আমাদের নিকট কাজী আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আযদি শ্রুতিলিখন হিসেবে বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট আলী ইবনে আহমদ আদ-দাকীকি হুলওয়ানে বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে জুহাইর আল-হুলওয়ানি বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট মাক্কী ইবনে ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট হিশাম ইবনে হাসান বর্ণনা করেছেন ইবনে সীরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: ব্যক্তি কি এক কাপড়ে সালাত আদায় করতে পারবে? তিনি বললেন: "তোমাদের প্রত্যেকের কি দুইখানা কাপড় জোটে?"
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৬)
25 - حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْجَارُودِيُّ، إِمْلاءً، سَنَةَ عَشْرٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَاضِي، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَرْبٍ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو حُذَيْفَةَ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَابِسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا، فَقُلْتُ: يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ،‌‌ حَرَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُؤْكَلَ لُحُومُ الأَضَاحِي فَوْقَ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ؟ قَالَتْ: " مَا فَعَلَ ذَلِكَ إِلا فِي عَامٍ جَاعَ فِيهِ النَّاسُ ، فَأَرَادَ أَنْ يُطْعِمَ الْغَنِيُّ الْفَقِيرَ، قَالَتْ: وَلَقَدْ كُنَّا نَرْفَعُ الْكِرَاعَ خَمْسَ عَشْرَةَ لَيْلَةً ".

فَقُلْتُ: فَمَا كَانَ يَضْطَرُّكُمْ إِلَى ذَلِكَ؟ فَضَحِكَتْ، وَقَالَتْ: «مَا شَبِعَ آلُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم مِنْ خُبْزٍ مَأْدُومٍ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ حَتَّى لَحِقَ بِاللَّهِ عز وجل» .

مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ خَلادٍ، وَقَبِيصَةَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ.

مِنْ غَيْرِ سَمَاعٍ مِنْهُ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ وَكِيعٍ، كُلُّهُمْ عَنْ سُفْيَانَ.

وَرُبَّمَا اخْتَصَرَ مُحَمَّدَ بْنَ يُوسُفَ، وَوَكِيعًا
২৫ - আমাদের কাছে আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-জারুদী বর্ণনা করেছেন, শ্রুতলিপি প্রদানের মাধ্যমে, তিনশত দশ হিজরী সনে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আল-হাসান আল-কাজী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হারব আদ-দাব্বী; আমাদের কাছে আবু হুযাইফা বর্ণনা করেছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান; তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবিস থেকে; তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহা)-র নিকট প্রবেশ করলাম এবং বললাম: হে মুমিন জননী, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি কুরবানীর পশুর গোশত তিন দিনের বেশি সময় ধরে খাওয়া নিষিদ্ধ করেছিলেন? তিনি বললেন: "তিনি তা কেবল এমন এক বছরে করেছিলেন যখন মানুষ দুর্ভিক্ষের শিকার হয়েছিল, ফলে তিনি চেয়েছিলেন যেন ধনীরা দরিদ্রদের আহার দান করে।" তিনি আরও বললেন: "অবশ্যই আমরা পশুর পায়া পনের রাত পর্যন্ত তুলে রাখতাম।"

আমি বললাম: কিসে আপনাদের এমন করতে বাধ্য করত? তখন তিনি হাসলেন এবং বললেন: "মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবার মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত টানা তিন দিন রুটি ও সালন দ্বারা তৃপ্ত হয়ে খেতে পারেননি।"

সুফিয়ান আস-সাওরীর হাদিস থেকে খাল্লাদ, ক্বাবীসাহ, মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ এবং মুহাম্মদ ইবনে কাসীরের বর্ণনায় এটি মুত্তাফাকুন আলাইহি।

তার নিকট থেকে সরাসরি শ্রবণ ব্যতিরেকেই।

আর ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর থেকে, তিনি ওয়াকী থেকে, তাঁরা সকলে সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং কখনো কখনো মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ও ওয়াকী এটিকে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৭)
26 - أَخْبَرَنَا أَبُو إِبْرَاهِيمَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ النَّصْرَأَبَاذِيُّ ، بِنَيْسَابُورَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْجَوْهَرِيُّ ، بِمَرْوَ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَاسُوَيْهِ، حَدَّثَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو غَانِمٍ، عَنْ أَبِي غَالِبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: "‌‌ مَنْ ضَمِنَ لِي سِتًّا ضَمِنْتُ لَهُ الْجَنَّةَ: لا تَجْبُنُوا عَنْ عَدُوِّكُمْ، وَلا تَغْلُوا فِي دِينِكُمْ، وَأَنْصِفُوا النَّاسَ مِنْ أَنْفُسِكُمْ، وَخُذُوا لِمَظْلُومِكُمْ مِنْ ظَالِمِكُمْ، وَلا تَظَالَمُوا فِي قِسْمَةِ بَوَادِيكُمْ، وَلا تَحْمِلُوا ذُنُوبَكُمْ عَلَى رَبِّكُمْ، فَإِذَا فَعَلْتُمْ ذَلِكَ دَخَلْتُمُ الْجَنَّةَ ".

مَعْنَى قَوْلِهِ: «وَلا تَحْمِلُوا ذُنُوبَكُمْ عَلَى رَبِّكُمْ» .

أَنْ يَعْذُرَ الْعَبْدُ رَبَّهُ مِنْ نَفْسِهِ فِي الْمَعَاصِي أَنَّهَا مِنْ قَضَاءِ اللَّهِ ، الذُّنُوبُ بِقَضَاءِ اللَّهِ ، وَالْعَبْدُ فِيهَا مُجْرِمٌ ، مَنْ قَالَ بِغَيْرِ هَذَا فَقَدْ خَرَجَ إِلَىالْقَوْلِ بِالْجَبْرِ الْقَبِيحِ
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইব্রাহিম ইসমাইল বিন ইব্রাহিম আন-নাসরাবাদি, নিশাপুরে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন উমর আল-জাওহারি, মার্ভে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাসুওয়াইহি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উতবা বিন আব্দুল্লাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু গানিম; তিনি আবু গালিব থেকে, তিনি আবু উমামা আল-বাহিলি (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি আমার নিকট ছয়টি বিষয়ের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব: তোমরা তোমাদের শত্রুর মোকাবিলায় ভীরুতা প্রদর্শন করো না, তোমাদের দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না, মানুষের সাথে নিজেদের পক্ষ থেকে ইনসাফ করো, তোমাদের মজলুমের পাওনা জালেমের থেকে আদায় করে দাও, তোমাদের মরু অঞ্চলের বণ্টনে একে অপরের প্রতি জুলুম করো না এবং তোমাদের পাপের দায়ভার তোমাদের রবের ওপর চাপিও না। যখন তোমরা এগুলো করবে, তখন তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে।"

তাঁর এই বাণীর অর্থ: "এবং তোমাদের পাপের দায়ভার তোমাদের রবের ওপর চাপিও না।"

অর্থাৎ বান্দা যেন নাফরমানির ক্ষেত্রে আল্লাহর ফয়সালার দোহাই দিয়ে নিজেকে নির্দোষ সাব্যস্ত না করে যে, এগুলো আল্লাহর ফয়সালা; গুনাহসমূহ আল্লাহর ফয়সালাক্রমেই হয়ে থাকে, তবে বান্দা তাতে অপরাধী। যে ব্যক্তি এর বিপরীত কিছু বলবে, সে জঘন্য জবরবাদের (জাবরিয়া মতবাদ) প্রবক্তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৮)
27 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْبَاسَانِيُّ ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ يَاسِينَ ، إِمْلاءً ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعُمَيْسِ ، أَخْبَرَنَا قَيْسُ بْنُ مُسْلِمٍ ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَنَّ رَجُلا مِنَ الْيَهُودِ ، قَالَ لَهُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ، آيَةٌ فِي كِتَابِكُمْ تَقْرَءُونَهَا ، لَوْ عَلَيْنَا مَعْشَرَ الْيَهُودِ نَزَلَتْ لاتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا.

قَالَ: «أَيَّةُ آيَةٍ؟» قَالَ: ‌‌{الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلامَ دِينًا} [المائدة: 3] .

قَالَ عُمَرُ:
«قَدْ عَرَفْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ، وَالْمَكَانَ الَّذِي نَزَلَتْ فِيهِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَهُوَ قَائِمٍ بِعَرَفَةَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ» .

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ الصَّبَّاحِ ، وَمِسْلُمٌ عَنْ غُنْدَرٍ ، كِلاهُمَا عَنْ جَعْفَرٍ
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আল-বাসানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক বিন ইয়াসিন শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উবাইদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান বিন আস-সাব্বাহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর বিন আউন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল উমাইস, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাইস বিন মুসলিম, তারিক বিন শিহাব থেকে বর্ণিত, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণিত যে, ইহুদিদের এক ব্যক্তি তাঁকে বলল: হে আমিরুল মুমিনিন, আপনাদের কিতাবে এমন একটি আয়াত আছে যা আপনারা পাঠ করেন, যদি তা আমাদের ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর নাজিল হতো তবে আমরা সেই দিনটিকে ঈদ হিসেবে গ্রহণ করতাম।

তিনি বললেন: «কোন আয়াতটি?» সে বলল: ‌‌«আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের ওপর আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম» [আল-মায়িদাহ: ৩]।

উমর বললেন:
«আমরা অবশ্যই সেই দিন এবং সেই স্থানটি সম্পর্কে জানি যাতে এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর নাজিল হয়েছিল; আর তখন তিনি জুমার দিনে আরাফায় দাঁড়িয়ে ছিলেন»।

এটি বর্ণনা করেছেন বুখারি আল-হাসান বিন আস-সাব্বাহ থেকে এবং মুসলিম গুন্দার থেকে, তাঁরা উভয়ই জাফর থেকে।
(খণ্ড: ১) জুজউন বিইনতিখাবি আবি তাহের আস-সালাফী (পৃষ্ঠা: ২৯)
28 - أَخْبَرَنَا أَبُو دُلَفَ طَاهِرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْقَيْسِيُّ ، حَدَّثَنَا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّفَّاءُ ، أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدٍ ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ جَعَلَ الاسْتِطَاعَةَ إِلَى نَفْسِهِ فَهُوَ كَافِرٌ» .

غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ الْخَرَاسَانِيُّ، عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ السُّنِّيِّ أَبِي إِسْمَاعِيلَ الْبَصْرِيِّ ، مَخْرَجُهُ مِنْ هَرَاةَ، وَأَبُو سَعِيدٍ هَذَا هَرَوِيٌّ ، وَهُوَ صَاحِبُ التَّفْسِيرِ، تَفَرَّدَ بِغَرَابَتِهِ، وَلَمْ يَرْوِهِ عَنْهُ إِلا الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، وَإِنَّمَا يُعْرَفُ هَذَا الْكَلامُ مِنْ قَوْلِ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ
২৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু দুলাফ তাহির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-কায়সী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হামিদ ইবনে মুহাম্মদ আর-রাফ্ফা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবনে আব্দুল কারিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-ফাদল, তিনি আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি সক্ষমতাকে নিজের সামর্থ্যভুক্ত মনে করে, সে কাফির»।

এটি মুহাম্মদ ইবনে আল-ফাদল ইবনে আতিয়্যাহ আল-খুরাসানি কর্তৃক আবান ইবনে আবি আইয়াশ আস-সুন্নি আবু ইসমাইল আল-বাসরি থেকে বর্ণিত একটি গরিব (একক) হাদীস। এর উৎসস্থল হেরাত, এবং এই আবু সাঈদ একজন হেরাতী ব্যক্তি ও তাফসিরগ্রন্থের রচয়িতা। তিনি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন, এবং আল-ফাদল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর সূত্রে এটি বর্ণনা করেননি। প্রকৃতপক্ষে এই কথাটি ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ-এর উক্তি হিসেবেই পরিচিত।