(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: -)
الحادي والخمسون من أمالي ابن عساكر   (أبو القاسم ابن عساكر)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الحادي والخمسون من أمالي ابن عساكر

المؤلف: ثقة الدين، أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المعروف بابن عساكر (ت 571هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 17

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

ইবনে আসাকিরের আমালির একান্নতম খণ্ড   (আবুল কাসিম ইবনে আসাকির)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


গ্রন্থ: ইবনে আসাকিরের আমালির একান্নতম খণ্ড

লেখক: সিকাতুদ্দীন, আবুল কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫৭১ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনে বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য 'জাওয়ামিউল কালিম' সফটওয়্যারে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭

শামিলা সফটওয়্যারে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১)
الْجُزْءُ الْحَادِي وَالْخَمْسُونَ مِنْ أَمَالِي الشَّيْخِ الإِمَامِ الْحَافِظِ الثِّقَةِ أَبِي الْقَاسِمِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ الشَّافِعِيِّ رضي الله عنه.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ. . رَبِّ وَفِّقْ وَأَعِنْ
শাইখ, ইমাম, হাফিজ, নির্ভরযোগ্য আবুল কাসিম আলী বিন আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ আশ-শাফিঈ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর আমালির (শ্রুতিলিপি) ৫১তম অংশ।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আমার রব, তাওফিক দান করুন এবং সাহায্য করুন।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أنا الشَّيْخَانِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْحُسَيْنِ النَّحْوِيُّ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَاصِمُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ خَالِدٍ ، بِأَصْفَهَانَ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو الطَّيِّبِ عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُوسَى التَّاجِرُ، قَالَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَاصِمٍ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ جَرِيرٍ الْعَسَّالُ الْخَوْلانِيُّ ، بِمِصْرَ، قَالَ: ثنا أَبُو مُوسَى عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ زُغْبَةُ، قَالَ: ثنا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ 26، أَنَّ مُطَرِّفًا - مِنْ بَنِي عَامِرِ بْنِ صَعْصَعَةَ حَدَّثَهُ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ أَبِي الْعَاصِ الثَّقَفِيَّ رضي الله عنه دَعَا لَهُ بِلَبَنٍ يَسْقِيهِ، فَقَالَ مُطَرِّفٌ: إِنِّي صَائِمٌ ، فَقَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«الصِّيَامُ جُنَّةٌ مِنَ النَّارِ كَجُنَّةِ أَحَدِكُمْ مِنَ الْقِتَالِ» ، وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: " صِيَامٌ حَسَنٌ: ثَلاثَةُ أَيَّامٍ مِنَ الشَّهْرِ " ، رَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي سُنَنِهِ، عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ.

وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَةَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ، جَمِيعًا، عَنْ لَيْثٍ.

وَمُطَرِّفٌ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শায়খ আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক বিন আল-হুসাইন আন-নাহবী এবং আবু আল-কাসিম আসিম বিন খালিদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন খালিদ, আসফাহানে। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আত-তাইয়িব আব্দুর রাজ্জাক বিন উমর বিন মুসা আত-তাজির। তিনি বলেছেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আসিম। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন আব্দুল ওয়ারিস বিন জারীর আল-আসসাল আল-খাওলানী, মিশরে। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু মুসা ঈসা বিন হাম্মাদ জুগবাহ। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, ইয়াজিদ বিন আবু হাবীব থেকে, তিনি সাঈদ বিন আবু হিন্দ থেকে বর্ণনা করেন যে, মুতাররিফ—যিনি বনু আমির বিন সা’সাআহ গোত্রের—তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, উসমান বিন আবুল আস আস-সাকাফী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে পান করানোর জন্য দুধ আনালেন। তখন মুতাররিফ বললেন: আমি রোজা রেখেছি। তখন উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “রোজা হচ্ছে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষার ঢাল, যেমন তোমাদের যুদ্ধের ঢাল।” এবং আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: “উত্তম রোজা হলো: মাসে তিন দিন রোজা রাখা।” এটি নাসাঈ তাঁর সুনানে কুতাইবা বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ এটি মুহাম্মদ বিন রুমহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই লাইস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর মুতাররিফ হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ বিন আশ-শিখখীর।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الأَعَزِّ قَرَاتَكِينُ بْنُ الأَسْعَدِ الأَزْجِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ نُصَيْرٍ الْوَرَّاقُ، قَالَ: ثنا أَبُو يَحْيَى زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الضَّبِّيُّ السَّاجِيُّ، قَالَ: ثنا ابْنُ عَتَّابٍ وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَارِثِ يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ، عَنْ يُونُسَ يَعْنِي ابْنَ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: " أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاثٍ:‌‌ صِيَامِ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ، وَالْغُسْلِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ ، وَأَنْ أُوتِرَ قَبْلَ أَنْ أَنَامَ " ، الْحَسَنُ هُوَ ابْنُ يَسَارٍ الْبَصْرِيُّ ، وَقَدْ رَوَى عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِنْ وُجُوهٍ: مِنْهَا مَا
2 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আ'আযয কারাতাকীন ইবনুল আস'আদ আল-আযজী, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মাদ হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে নুসাইর আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়াহইয়া যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবদুর রহমান আদ-দাব্বী আস-সাজী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আত্তাব—আর তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ আল-আনবারী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়ারিস অর্থাৎ ইবনে সাঈদ, ইউনুস অর্থাৎ ইবনে উবাইদ থেকে, হাসান থেকে, আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমার খলীল (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন: প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা, জুমার দিনে গোসল করা এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর নামাজ আদায় করা।" হাসান হলেন ইবনে ইয়াসার আল-বসরী, এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: যা...
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - أَخْبَرَنَاهُ الشَّيْخُ أَبُو الْفَرَجِ غَيْثُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ السَّلامِ بْنِ الأَرْمَنَازِيِّ قَدِمَ عَلَيْنَا مِنْ صُورٍ ، قَالَ: أنبا أَبُو الْقَاسِمِ رَمَضَانُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ السَّاتِرِ الزِّيَادِيُّ ، بِتِنِّيسَ، قَالَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ السَّرِيِّ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْحَرَدِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالَ: ثنا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكِنْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي خَالِدٌ الرَّبَعِيُّ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: " أَوْصَانِي خَلِيلِي أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم بِثَلاثٍ لا أَدَعَهُنَّ أَبَدًا:‌‌ أَوْصَانِي بِالْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ، وَأَوْصَانِي بِالْغُسْلِ فِي كُلِّ جُمُعَةٍ، وَأَوْصَانِي بِصِيَامِ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ فِي كُلِّ شَهْرٍ " ، هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবুল ফারাজ গাইস ইবনে আলী ইবনে আবদুস সালাম ইবনুল আরমানাজি, তিনি সুর থেকে আমাদের নিকট এসেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম রমাদান ইবনে আলী ইবনে আবদুস সাত্তার আজ-জিয়াদি, তিন্নিসে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া ইবনুস সারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আবদুল আজিজ আল-হারাদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশআস আহমদ ইবনুল মিকদাম আল-ইজলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বকর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-কিন্দি, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ আর-রাবায়ি, আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন যা আমি কখনো পরিত্যাগ করব না:‌‌ তিনি আমাকে ঘুমানোর আগে বিতর পড়ার অসিয়ত করেছেন, প্রত্যেক জুমুআয় গোসল করার অসিয়ত করেছেন এবং প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখার অসিয়ত করেছেন। " , এটি একটি হাসান গারিব হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ ، بِبَغْدَادَ، قَالَ: أنبا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي صَابِرٍ، النَّاقِدُ، قَالَ: ثنا أَبُو خُبَيْبٍ الْعَبَّاسُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ النَّرْسِيُّ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رضي الله عنه كَانَ فِي سَفَرٍ لَهُ، فَلَمَّا نَزَلُوا وُضِعَتِ السُّفْرَةُ، فَبَعَثُوا إِلَيْهِ وَهُوَ يُصَلِّي، فَقَالَ: إِنِّي صَائِمٌ.

فَلَمَّا كَادُوا أَنْ يَفْرَغُوا جَاءَ فَجَعَلَ يَأْكُلُ ، فَنَظَرَ الْقَوْمُ إِلَى رَسُولِهِمْ ، فَقَالَ: مَا يَنْظُرُونَ قَدْ وَاللَّهِ أَخْبَرَنِي بِأَنَّهُ صَائِمٌ ، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: صَدَقَ ، إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«صَوْمُ شَهْرِ الصَّبْرِ وَصَوْمُ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ صَوْمُ الدَّهْرِ» ، فَقَدْ صُمْتُ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ أَوَّلِ الشَّهْرِ، فَأَنَا مُفْطِرٌ فِي تَخْفِيفِ اللَّهِ عز وجل وَصَائِمٌ فِي تَضْعِيفِ اللَّهِ عز وجل ، رَوَاهُ النَّسَائِيُّ ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى السِّجْزِيِّ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى بْنِ حَمَّادٍ ، مُخْتَصَرًا.

وَقَدْ رُوِيَ شَبِيهُ هَذِهِ الْقِصَّةِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ الْغِفَارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
৪ - বাগদাদে শায়খ আবু গালিব আহমদ বিন আল-হাসান বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ আল-জাওহারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মদ আবদুল আজিজ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আবি সাবির আন-নাকিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু খুবাইব আল-আব্বাস বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল আ'লা বিন হাম্মাদ আন-নারসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাবেত আল-বুনানী থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদী থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর এক সফরে ছিলেন। যখন তারা যাত্রাবিরতি করলেন তখন দস্তরখান বিছানো হলো। তারা তাঁর নিকট লোক পাঠালেন এমতাবস্থায় যে তিনি সালাত আদায় করছিলেন। তিনি বললেন: "আমি রোজা রেখেছি।"

যখন তারা খাবার শেষ করার উপক্রম করলেন, তখন তিনি আসলেন এবং খেতে শুরু করলেন। তখন লোকেরা তাদের প্রেরিত ব্যক্তির দিকে তাকাতে লাগল। সে বলল: "তারা কেন তাকাচ্ছে? আল্লাহর কসম, তিনি আমাকে সংবাদ দিয়েছিলেন যে তিনি রোজা রেখেছেন।" তখন আবু হুরায়রা বললেন: "সে সত্য বলেছে। আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «ধৈর্যের মাসের রোজা এবং প্রতি মাসের তিন দিনের রোজা হলো মহাকালের (সারা বছরের) রোজা।» আর আমি মাসের শুরু থেকে তিন দিন রোজা রেখে নিয়েছি। সুতরাং আমি মহান আল্লাহর দেওয়া সহজীকরণের সুযোগে রোজা ভঙ্গকারী এবং মহান আল্লাহর সওয়াব বৃদ্ধির দানে রোজাদার। এটি নাসাঈ জাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আস-সিজজী থেকে এবং তিনি আবদুল আ'লা বিন হাম্মাদ থেকে সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

আর এই ঘটনার অনুরূপ আবু যার আল-গিফারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকেও বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّاهِدُ ، بِبَغْدَادَ، قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ كَيْسَانَ النَّحْوِيُّ، قَالَ: أنبا الْقَاضِي أَبُو مُحَمَّدٍ يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَزْدِيُّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ غِيَاثٍ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، عَنِ الأَزْرَقِ بْنِ قَيْسٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ بَابِ مُعَاوِيَةَ رضي الله عنه وَفِينَا أَبُو ذَرٍّ رضي الله عنه، فَقَالَ أَبُو ذَرٍّ: إِنِّي صَائِمٌ ، فَلَمَّا دَخَلْنَا عَلَى مُعَاوِيَةَ وَوُضِعَتِ الْمَوَائِدُ جَعَلَ أَبُو ذَرٍّ يَأْكُلُ، وَجَعَلْتُ أَنْظُرُ إِلَيْهِ، فَقَالَ: مَا شَأْنُكَ يَا أَحْمَقُ أَتُرِيدُ أَنْ تَشْغَلَنِي عَنْ طَعَامِي؟ فَقَالَ: أَلَمْ تَزْعُمُ عَلَى الْبَابِ أَنَّكَ صَائِمٌ؟ فَقَالَ أَبُو ذَرٍّ: بَلَى، ثُمَّ قَالَ: قَرَأْتُ: {مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا} [الأنعام: 160] ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«صَوْمُ شَهْرِ الصَّبْرِ وَثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ صَوْمُ الدَّهْرِ، وَيُذْهِبُ بِمَغَلَّةِ الصَّدْرِ» ، قُلْتُ: وَمَا مَغَلَّةُ الصَّدْرِ؟ قَالَ: رِجْسُ الشَّيْطَانِ، وَقَدْ صُمْتُ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ، فَأَنَا صَائِمٌ الدَّهْرَ كُلَّهُ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শেখ আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মাদ আশ-শাহিদ, বাগদাদে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জওহারী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে কায়সান আন-নাহবী। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু মুহাম্মাদ ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-আযদি। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে গিয়াস। তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আল-আজরাক ইবনে কায়স থেকে, বনু তামীম গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে, তিনি বলেন: আমরা মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর দরজার কাছে ছিলাম এবং আমাদের মধ্যে আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উপস্থিত ছিলেন। তখন আবু যার বললেন: "আমি রোজা পালন করছি।" অতঃপর আমরা যখন মুয়াবিয়ার কাছে প্রবেশ করলাম এবং খাবারের দস্তরখান বিছানো হলো, তখন আবু যার খেতে শুরু করলেন। আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। তিনি বললেন: "তোমার কী হয়েছে হে নির্বোধ? তুমি কি আমাকে আমার খাবার থেকে ফিরিয়ে রাখতে চাও?" আমি বললাম: "আপনি কি দরজার কাছে দাবি করেননি যে আপনি রোজা রেখেছেন?" আবু যার বললেন: "হ্যাঁ।" অতঃপর তিনি বললেন: "আমি পাঠ করেছি: {যে ব্যক্তি একটি সৎকাজ নিয়ে আসবে, তার জন্য তার দশগুণ প্রতিদান রয়েছে} [আল-আনআম: ১৬০]। আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: ‘সবরের মাসের রোজা এবং প্রতি মাসের তিন দিন রোজা রাখা হলো সারাজীবনের রোজা রাখার সমতুল্য, আর এটি অন্তরের কলুষতা দূর করে দেয়।’ আমি বললাম: ‘অন্তরের কলুষতা কী?’ তিনি বললেন: ‘শয়তানের অপবিত্রতা।’ আর আমি প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখি, সুতরাং আমি যেন সারাজীবনই রোজা পালনকারী।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - اخْتَلَفَتِ الرِّوَايَةُ فِي تَعْيِينِ هَذِهِ الثَّلاثَةِ؛ فَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ الْفَرَضِيُّ ، قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ كَيْسَانَ ، قَالَ: أنبا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَزْدِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، قَالَ: ثنا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: ثنا شَيْبَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ‌‌ يَصُومُ مِنْ غُرَّةِ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ ، وَقَلَّ مَا رَأَيْتُهُ يُفْطِرُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ»
৬ - এই তিনটি দিন নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে বর্ণনায় ভিন্নতা রয়েছে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু বকর আল-ফারাযি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু মুহাম্মদ আল-জাওহারি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবুল হাসান বিন কাইসান, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-আযদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবু বকর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন শাইবান বিন আব্দুর রহমান, আসিম বিন বাহদালাহ থেকে, তিনি যির বিন হুবাইশ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, «নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি মাসের শুরুতে তিন দিন রোজা রাখতেন এবং আমি তাঁকে জুমার দিনে রোজা ভঙ্গ করতে খুব কমই দেখেছি।’»
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - وأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ ، بِبَغْدَادَ، قَالَ: أنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْوَاعِظُ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: ثنا حَجَّاجٌ، قَالَ: ثنا شَرِيكٌ ، عَنِ الْحُرِّ بْنِ صَيَّاحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ رضي الله عنهما ، يَقُولُ: " كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَصُومُ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ: الْخَمِيسَ مِنْ أَوَّلِ الشَّهْرِ، وَالاثْنَيْنَ الَّذِي يَلِيهِ، وَالاثْنَيْنَ الَّذِي يَلِيهِ "
৭ - এবং শায়খ আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহিদ বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-ওয়াইয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাজ্জাজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শারিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুরর বিন সাইয়্যাহ থেকে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন: মাসের শুরুর বৃহস্পতিবার, তার পরবর্তী সোমবার এবং তার পরবর্তী যে সোমবার।"
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْمُظَفَّرِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ ، مِنْ هَوَازِنَ بِنَيْسَابُورَ، قَالَ: أنبا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَنْجَرُوذِيُّ، قَالَ: أنبا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ، قَالَ: أنبا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ: ثنا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، قَالَ: ثنا الْحَسَنُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ هُنَيْدَةَ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ أُمِّهِ، قَالَتْ: دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ رضي الله عنها ، فَسَأَلْتُهَا عَنِ الصِّيَامِ، فَقَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَأْمُرُنِي أَنْ أَصُومَ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ أَوَّلُهَا الاثْنَيْنُ وَالْخَمِيسُ وَالاثْنَيْنُ» ، رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ ، فِي سُنَنِهِ، عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ
8 - আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন শায়খ আবু আল-মুজাফফর আব্দুল মুনইম ইবন আব্দুল কারিম, নিশাপুরের হাওয়াযিন থেকে, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু সাদ মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কানজারুযি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু উমর মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু ইয়ালা আহমাদ ইবন আলী আল-মাওসিলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহাইর ইবন হারব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ফুযাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাসান ইবন উবাইদুল্লাহ, হুনাইদাহ আল-খুযায়ি থেকে, তিনি তাঁর জননীর সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উম্মে সালামাহ রাযিয়াল্লাহু আনহার নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাঁকে রোজা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন, যার শুরু হতো সোমবার, বৃহস্পতিবার এবং সোমবার দিয়ে»; এটি ইমাম আবু দাউদ তাঁর সুনানে বর্ণনা করেছেন, আবু খাইসামাহ যুহাইর ইবন হারবের সূত্রে।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الْحُصَيْنِ، قَالَ: أنا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الْمُذْهِبِ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرِ بْنُ مِالِكٍ، قَالَ: أنبا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الشَّيْبَانِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي ، قَالَ: ثنا عَفَّانُ، قَالَ: ثنا أَبُو عَوَانَةَ، قَالَ: ثنا الْحُرُّ بْنُ صَيَّاحٍ، عَنْ هُنَيْدَةَ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ امْرَأَتِهِ ، عَنْ بَعْضِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَتْ: " كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَصُومُ تِسْعَ ذِي الْحَجَّةِ وَيْوَمَ عَاشُورَاءَ وَثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ: أَوَّلَ اثْنَيْنِ مِنَ الشَّهْرِ، وَخَمِيسَيْنِ " ، وَجَاءَ مِنْ وُجُوهٍ أَنَّهَا الأَيَّامُ الْبِيضُ
৯ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল কাসিম বিন আল-হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি বিন আল-মুযহিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন মালিক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আশ-শায়বানি, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আফফান, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আওয়ানাহ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-হুরর বিন সাইয়্যাহ, হুনাইদাহ বিন খালিদ থেকে, তিনি তাঁর স্ত্রী থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জনৈক স্ত্রী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যিলহজ্জের প্রথম নয় দিন, আশুরার দিন এবং প্রতি মাসের তিন দিন—মাসের প্রথম সোমবার এবং দুই বৃহস্পতিবার—রোজা রাখতেন।" এবং বিভিন্ন বর্ণনা থেকে এসেছে যে, তা ছিল আইয়ামে বীয (প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ)।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - فأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلِ بْنِ عُمَرَ الْفَقِيهُ ، بِنَيْسَابُورَ، قَالَ: أنبا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَحِيرِيُّ، وَأَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو الْمُظَفَّرِ بْنُ الْقُشَيْرِيِّ، وَأَبُو الْقَاسِمِ زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، بِهَا، قَالا: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَنْزَرُوذِيُّ، قَالا: أنبا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ الْمُقْرِئُ، قَالَ: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ الدُّورِيُّ، قَالَ: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ الصَّيْرَفِيُّ - وَقَالَ أَبُو عُثْمَانَ الْمَاكِيَانِيُّ وَهُوَ الصَّوَابُ قَالَ: ثنا الْمُسَيِّبُ بْنُ شَرِيكٍ ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ "‌‌ مَا صَوْمُكَ؟ قَالَ: ثَلاثَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ وَخَمْسَ عَشْرَةَ "
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে উমর আল-ফকিহ, নিশাপুরে, তিনি বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-বাহিরি। এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ—আবু আল-মুজাফফর ইবনুল কুশাইরি এবং আবুল কাসিম জহির ইবনে তাহির ইবনে মুহাম্মাদ সেখানে, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-জানজারুদি। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু উমর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হামদান আল-মুকরি, তিনি বলেছেন: আমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আদ-দুরি, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে ইউসুফ আস-সাইরাফি—এবং আবু উসমান একে আল-মাকিয়ানি বলেছেন এবং এটাই সঠিক—তিনি বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-মুসাইয়িব ইবনে শারিক, আস-সুদ্দি থেকে, তিনি আমির থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে সামুরা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, "‌‌আপনার রোজা কেমন? তিনি বললেন: (প্রতি মাসের) তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরো তারিখ। "
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي ، قَالَ: أنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ ، قَالَ: أنا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ النَّحْوِيُّ، قَالَ: أنا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الأَزْدِيُّ، قَالَ: ثنا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، قَالَ: أنا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ سَامٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُوسَى بْنَ طَلْحَةَ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا ذَرٍّ رضي الله عنه ، بِالرَّبَذَةِ، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يَا أَبَا ذَرٍّ،‌‌ إِذَا صُمْتَ مِنَ الشَّهْرِ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ فَصُمْ ثَلاثَةَ عَشَرَ وَأَرْبَعَةَ عَشَرَ وَخَمْسَةَ عَشَرَ» ، تَابَعَهُ فِطْرُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ يَحْيَى.

وَرَوَاهُ غَيْرُ يَحْيَى، عَنْ مُوسَى ، عَنِ ابْنِ الْحَوْتَكِيَّةِ ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল বাকি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাহবী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-আযদি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে মারজুক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শু’বাহ, আল-আ’মাশ থেকে, ইয়াহইয়া অর্থাৎ ইবনে সাম থেকে, তিনি বলেন: আমি মূসা ইবনে তালহাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: আমি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে রাবাযা নামক স্থানে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন: «হে আবু যার, তুমি যখন মাসে তিনটি রোজা রাখবে, তখন তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরো তারিখে রোজা রেখো»। ফিত্র ইবনে খলিফা ইয়াহইয়া থেকে তার অনুসরণ করেছেন।

এবং ইয়াহইয়া ছাড়া অন্যরাও মূসা থেকে, ইবনুল হাওতাকিয়্যাহর সূত্রে, আবু যার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَاهُ الشَّيْخُ أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ الْحَافِظُ ، بِأَصْبَهَانَ، قَالَ: أنبا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْقَفَّالُ، قَالَ: أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ، قَالَ: أنبا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ النَّيْسَابُورِيُّ الْفَقِيهُ، قَالَ: ثنا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَحَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنِ ابْنِ الْحَوْتَكِيَّةِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِرَجُلٍ: ‌‌«أَمَرَهُ بِصِيَامِ ثَلاثَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ وَخَمْسَ عَشْرَةَ» ، تَابَعَهُمَا عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهِبٍ، عَنْ مُوسَى.

وَسَمَّى ابْنَ الْحَوْتَكِيَّةِ يَزِيدَ، وَخَالَفَهُمْ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عُمَيْرٍ ، وَرَوَاهُ عَنْ مُوسَى ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
১২ - হাফিজ শায়খ আবু সা’দ আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-বাগদাদি আসবাহানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন ইবরাহিম আল-কাফফাল, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবন আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফকিহ আবু বকর আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন জিয়াদ আন-নাইসাবুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবন আবদিল আলা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবন উইয়াইনাহ, মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান ও হাকিম ইবন জুবায়ের থেকে, তাঁরা মুসা ইবন তালহা থেকে, তিনি ইবনুল হাওতাকিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেন: «তিনি তাকে তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখ রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন», উসমান ইবন আবদুল্লাহ ইবন মাওহাব মুসা থেকে তাঁদের অনুসরণ করেছেন।

এবং তিনি ইবনুল হাওতাকিয়্যাহর নাম ইয়াজিদ বলে উল্লেখ করেছেন, আর আবদুল মালিক ইবন উমায়ের তাঁদের বিরোধিতা করেছেন এবং তিনি এটি মুসা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الْحَاسِبُ، قَالَ: أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ، قَالَ: أنبا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ كَيْسَانَ، قَالَ: أنبا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي، قَالَ: ثنا مُسَدَّدٌ، قَالَ: ثنا أَبُو عَوَانَةَ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِأَرْنَبٍ قَدْ شَوَاهَا، جَاءَ مَعَهَا بِصِنَابِهَا وَأَدَمِهَا فَوَضَعَهَا بَيْنَ يَدَيْهِ، فَأَمْسَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يَأْكُلْ، وَأَمَرَ أَصْحَابَهُ بِأَنْ يَأْكُلُوا، فَأَمْسَكَ الأَعْرَابِيُّ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا يَمْنَعُكَ أَنْ تَأْكُلَ؟» قَالَ: إِنِّي أَصُومُ ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنَ الشَّهْرِ ، فَقَالَ: ‌‌«إِنْ كُنْتَ صَائِمًا فَصُمْ أَيَّامَ الْغُرِّ» ، وَالصَّوَابُ: حَدِيثُ مُوسَى ، عَنِ ابْنِ الْحَوْتَكِيَّةِ
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ আবু বকর বিন আবি তাহির আল-হাসিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আলী আল-জাওহারী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন কায়সান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব আল-কাজী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসাদ্দাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, আব্দুল মালিক বিন উমাইর থেকে, তিনি মুসা বিন তালহা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এক গ্রাম্য ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একটি ঝলসানো খরগোশ নিয়ে এল। সে তার সাথে সরিষার চাটনি এবং তরকারিও নিয়ে এসেছিল এবং তা তাঁর সামনে রাখল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিরত থাকলেন এবং তা খেলেন না, আর তাঁর সাহাবীদের খাওয়ার নির্দেশ দিলেন। গ্রাম্য ব্যক্তিটিও বিরত থাকল, তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন: «তোমাকে খেতে কিসে বাধা দিচ্ছে?» সে বলল: আমি মাসে তিন দিন রোজা রাখি। তখন তিনি বললেন: «তুমি যদি রোজা রাখতেই চাও, তবে উজ্জ্বল দিনগুলোতে (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখো।» আর সঠিক হলো: মুসা-এর হাদিস, ইবনুল হাওতাকিয়াহ থেকে।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخَانِ أَبُو النَّظَرِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ عُثْمَانَ ، بِهَرَاةَ، وَأَبُو الْقَاسِمِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيُّ ، بِأَزْجَاةَ، قَالا: أَخْبَرَنَا أَبُو سَهْلٍ نَجِيبُ بْنُ مَيْمُونِ بْنِ سَهْلٍ، قَالَ: أنبا أَبُو عَلِيٍّ مَنْصُورُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخَالِدِيُّ، قَالَ: أنبا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الطَّسْتِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ أَحْمَدُ بْنُ السَّخْتِ بْنِ عَتَّابٍ التَّوَّزِيُّ، قَالَ: ثنا مَسَرَّةُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ أَحْمَدَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْقُرَشِيُّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: ‌‌«مَنْ صَامَ أَيَّامَ الْبِيضِ الثَّلاثَ عَشْرَةَ وَالأَرْبَعَ عَشْرَةَ وَالْخَمْسَ عَشْرَةَ، أَعْطَاهُ اللَّهُ عز وجل فِي أَوَّلِ يَوْمٍ مِنْهَا أَجْرَ عَشَرَةَ آلافِ سَنَةٍ، وَفِي الْيَوْمِ الثَّانِي أَعْطَاهُ اللَّهُ أَجْرَ مِائَةَ أَلْفِ سَنَةٍ، وَفِي الْيَوْمِ الثَّالِثِ أَعْطَاهُ اللَّهُ أَجْرَ ثَلاثِ مِائَةِ أَلْفِ سَنَةٍ» ، هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ، وَقَدِ اخْتُلِفَ فِي تَسْمِيَتِهَا بِالأَيَّامِ الْبِيضِ
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ— হিরাতে আবু নাযার আবদুর রহমান ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে উসমান এবং আজজাহ-তে আবুল কাসিম আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর আল-উমারি। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাহল নাজীব ইবনে মাইমুন ইবনে সাহল। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মানসুর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-খালিদি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুস সামাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আত-তস্তি। তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আহমদ ইবনুস সাখত ইবনে আত্তাব আত-তাউয়াজি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাসাররাহ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আহমদ। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল-কুরাশি, তিনি ইবনে আউন হতে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন হতে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আইয়্যামে বিজের তিন দিন অর্থাৎ তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখ রোজা রাখবে, মহান আল্লাহ তাকে এর প্রথম দিনের বিনিময়ে দশ হাজার বছরের সওয়াব দান করবেন, দ্বিতীয় দিনে আল্লাহ তাকে এক লক্ষ বছরের সওয়াব দান করবেন এবং তৃতীয় দিনে আল্লাহ তাকে তিন লক্ষ বছরের সওয়াব দান করবেন।» এটি একটি গারিব হাদিস, এবং একে 'আইয়্যামে বিজ' নামকরণের বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ الْخَضِرِ الْوَكِيلُ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْحَافِظُ ، إِمْلاءً، قَالَ: أنبا أنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رِزْقٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: أنبا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْخَطَّابِ الْبَزَّازُ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ بِشْرٍ الْهَرَوِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ بِسْطَامٍ الْكِنَانِيُّ ، مِنْ كِتَابِهِ، قَالَ: ثنا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ الأَنْطَاكِيُّ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِي النُّجُودِ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ رضي الله عنه ، عَنْ أَيَّامِ الْبِيضِ ، فَقَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ:‌‌ إِنَّ آدَمَ صلى الله عليه وسلم لَمَّا عَصَى وَأَكَلَ مِنَ الشَّجَرَةِ أَوْحَى اللَّهُ تبارك وتعالى إِلَيْهِ: «يَا آدَمُ، اهْبِطْ مِنْ جِوَارِي، وَعِزَّتِي لا يُجَاوِرُنِي مَنْ عَصَانِي» ، قَالَ: فَهَبِطَ إِلَى الأَرْضِ مُسْوَدًّا، قَالَ: فَبَكَتِ الْمَلائِكَةُ وَضَجَّتْ، وَقَالُوا: يَا رَبِّ خَلْقٌ خَلَقْتَهُ بِيَدِكَ وَأَسْكَنْتَهُ جَنَّتَكَ وَأَسْجَدْتَ لَهُ مَلائِكَتَكَ مِنْ ذَنْبٍ وَاحِدٍ حَوَّلْتَ بَيَاضَهُ ، فَأَوْحَى اللَّهُ تَعَالَى إِلَيْهِ: «يَا آدَمُ، صُمْ لِي هَذَا الْيَوْمَ يَوْمَ ثَلاثَةَ عَشَرَ» ، فَصَامَهُ فَأَصْبَحَ ثُلُثُهُ أَبْيَضَ، ثُمَّ أَوْحَى اللَّهُ تَعَالَى إِلَيْهِ: " يَا آدَمُ صُمْ لِي هَذَا الْيَوْمَ يَوْمَ أَرْبَعَةَ عَشَرَ فَصَامَهُ فَأَصْبَحَ ثُلُثَاهُ أَبْيَضَ ، ثُمَّ أَوْحَى اللَّهُ تبارك وتعالى إِلَيْهِ: «يَا آدَمُ صُمْ لِي هَذَا الْيَوْمَ يَوْمَ خَمْسَةَ عَشَرَ» ، فَصَامَهُ، فَأَصْبَحَ كُلُّهُ أَبْيَضَ ، فَسُمِّيَتْ أَيَّامَ الْبِيضِ ، رَوَاهُ غَيْرُهُ عَنِ الْهَيْثَمِ فَوَقَّفَهُ، وَجَعَلَهُ مِنْ قَوْلِ ابْنِ مَسْعُودٍ
১৫ - শাইখ আবু মুহাম্মদ আব্দুল কারীম বিন হামযা বিন আল-খাদির আল-ওয়াকীল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-হাফিজ আমাদের কাছে শ্রুতলিপি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন রিজক আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-খাত্তাব আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন বিশর আল-হারাওয়ী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আ’লা বিন সুলাইমান বিন বিস্তাম আল-কিনানী তাঁর কিতাব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-হাইসাম বিন জামীল আল-আন্তাকী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন সালামাহ আসিম বিন আবিুন নুজূদ থেকে, তিনি যির বিন হুবাইশ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে আইয়ামে বীদ (চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি বলেছিলেন: নিশ্চয় আদম (আলাইহিস সালাম) যখন অবাধ্য হলেন এবং বৃক্ষ থেকে ভক্ষণ করলেন, তখন আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা’আলা তাঁর প্রতি ওহী করলেন: "হে আদম! আমার সান্নিধ্য থেকে নেমে যাও। আমার সম্মানের শপথ! যে আমার অবাধ্যতা করে সে আমার সান্নিধ্যে থাকতে পারে না।" তিনি (ইবনে মাসউদ) বলেন: তখন তিনি কালো বর্ণ ধারণ করে পৃথিবীতে অবতরণ করলেন। তিনি বলেন: তখন ফেরেশতারা কাঁদতে লাগল এবং উচ্চৈঃস্বরে বলতে লাগল: "হে আমাদের প্রতিপালক! এমন এক সৃষ্টি যাকে আপনি আপনার হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, আপনার জান্নাতে বসবাস করিয়েছেন এবং আপনার ফেরেশতাদের দিয়ে তাকে সেজদা করিয়েছেন—একটি মাত্র পাপের কারণে আপনি তার শুভ্রতাকে বদলে দিলেন?" অতঃপর আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রতি ওহী করলেন: "হে আদম! আমার জন্য এই দিনে অর্থাৎ তেরো তারিখের দিনে রোজা রাখো।" তিনি রোজা রাখলেন, ফলে তাঁর শরীরের এক-তৃতীয়াংশ শুভ্র হয়ে গেল। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রতি ওহী করলেন: "হে আদম! আমার জন্য এই দিনে অর্থাৎ চৌদ্দ তারিখের দিনে রোজা রাখো।" তিনি রোজা রাখলেন, ফলে তাঁর শরীরের দুই-তৃতীয়াংশ শুভ্র হয়ে গেল। অতঃপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা’আলা তাঁর প্রতি ওহী করলেন: "হে আদম! আমার জন্য এই দিনে অর্থাৎ পনেরো তারিখের দিনে রোজা রাখো।" তিনি রোজা রাখলেন, তখন তাঁর শরীর পূর্ণরূপে শুভ্র হয়ে গেল। একারণেই এগুলোকে আইয়ামে বীদ (শুভ্র দিনসমূহ) নামকরণ করা হয়েছে। আল-হাইসাম থেকে এটি অন্যরা মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং একে ইবনে মাসউদের উক্তি হিসেবে গণ্য করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-হাদি ওয়াল খামসুন মিন আমালি ইবনু আসাকির (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الْبَزَّارُ، قَالَ: أنبا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الشِّيرَازِيُّ، قَالَ: أنبا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لُؤْلُؤٍ، قَالَ: أنبا حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْكَاتِبُ، قَالَ: قَالَ نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ الْخُزَاعِيُّ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‌‌ يَأْمُرُ بِصَوْمِ ثَلاثَ عَشْرَةَ وَأَرْبَعَ عَشْرَةَ وَخَمْسَ عَشْرَةَ، ثَلاثَةَ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَيُسَمِّيهُنَّ أَيَّامَ الْبِيضِ؛ لأَنَّ الْقَمَرَ فِيهِنَّ مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ إِلَى آخِرِهِ.

وَكَانَ يَقُولُ: «صِيَامُ الدَّهْرِ الْحَسَنَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا، كُلُّ يَوْمٍ بِعَشَرَةِ أَيَّامٍ، فَذَلِكَ صِيَامُ الدَّهْرِ» ، فَعَلَى تَفْسِيرِ ابْنِ مَسْعُودٍ تُسَمَّى الأَيَّامُ الْبِيضُ ، وَعَلى قَوْلِ نُعَيْمٍ: تُسَمَّى أَيَّامَ الْبِيضِ، أَيْ أَيَّامَ اللَّيَالِي الْبِيضِ.

وَقِيلَ:

إِذَا حَاوَلْتَ صَوْمَ الدَّهْرِ فَاقْصِدْ … صِيَامَ ثَلاثَةٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ

وَشَهْرَ الصَّبْرِ إِنَّ الصَّوْمَ فِيهِ … يُكَفِّرُ كُلَّ مَعْصِيَةٍ وَوِزْرٍ

وَيُجْزِي الرَّبُّ فِعْلَ الْعَبْدِ فَضْلا … وَلُطْفًا مِنْهُ وَاحِدَةً بِعَشْرٍ
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবি তাহির আল-বাজ্জার, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাসান বিন আবুল হাসান আল-শিরাজি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন লুলু, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হামজাহ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-কাতিব, তিনি বলেন: নুআইম বিন হাম্মাদ আল-খুজায়ি বলেছেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি মাসের তেরো, চৌদ্দ এবং পনেরো তারিখে রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন, অর্থাৎ প্রতি মাসে তিন দিন এবং তিনি সেগুলোকে আইয়ামে বিজ (শুভ্র দিনসমূহ) বলতেন; কারণ চাঁদ সেগুলোতে রাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (বিদ্যমান থাকে)।

তিনি বলতেন: «সারাবছর রোজা রাখার বিষয়টি হলো একটি নেকির বিনিময়ে দশগুণ সওয়াব পাওয়া, প্রতিটি দিন দশ দিনের সমান, আর এটাই হলো সর্বদা রোজা রাখা»; সুতরাং ইবনে মাসউদের তাফসির অনুযায়ী একে 'আইয়ামুল বিজ' বলা হয়, আর নুআইমের মতে একে 'আইয়ামুল বিজ' বলা হয়, অর্থাৎ শুভ্র রাতগুলোর দিনসমূহ।

বলা হয়েছে:

যদি তুমি সারাবছর রোজা রাখার ইচ্ছা করো তবে সংকল্প করো … প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখার

আর ধৈর্যের মাস, নিশ্চয়ই তাতে রোজা রাখা … সকল অবাধ্যতা ও পাপ মোচন করে দেয়

আর প্রতিপালক তাঁর দয়া ও অনুগ্রহে বান্দার আমলের প্রতিদান দেন … একটির বদলে দশটি সওয়াব দ্বারা।