(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: -)
الأربعون لأبي سعد النيسابوري   (أبو سعد النيسابوري)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأربعين لأبي سعد النيسابوري

المؤلف: محمد بن يحيى بن منصور، أبو سعد، محيي الدين النيسابورىّ (ت 548هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 84

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু সাদ আন-নিসাবুরীর আল-আরবাঈন   (আবু সাদ আন-নিসাবুরী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু সাদ আন-নিসাবুরীর আল-আরবাঈন

লেখক: মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন মানসুর, আবু সাদ, মুহিউদ্দীন আন-নিসাবুরী (মৃত্যু ৫৪৮ হি.)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলামি নেটওয়ার্ক সাইটের জাওয়ামিউল কালিম নামক মুক্ত সফটওয়্যারে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৪

শামেলাহ্-তে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١)
كِتَابُ الأَرْبَعِينَ لِلشَّيْخِ الإِمَامِ الْعَالِمِ الْعَامِلِ الزَّاهِدِ الشَّهِيدِ أَبِي سَعْدٍ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مَنْصُورٍ النَّيْسَابُورِيِّ رضي الله عنه.

تَخْرِيجُ الشَّيْخِ الإِمَامِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَالِكِيِّ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الأَجَلِّ شِهَابِ الدِّينِ أَبِي الْفَضْلِ مَنْصُورِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمَخْزُومِيِّ ، عَنِ النَّيْسَابُورِيِّ.

رِوَايَةُ الإِمَامِ أَبِي الْقَاسِمِ الْوَاثِقِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ فَضْلانَ الْفَقِيهِ، وَالْفَقِيهِ الْقَاضِي أَبِي عَلِيٍّ يَحْيَى بْنِ الرَّبِيعِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَزَّازٍ، كِلاهُمَا عَنْ شَيْخِنَا الإِمَامِ الشَّهِيدِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيِّ رحمه الله.

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ رَبِّ أَعِنْ وَسَهِّلْ وَوَفِّقْ بِرَحْمَتَكِ.

أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ شِهَابُ الدِّينِ أَبُو الْفَضْلِ مَنْصُورُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْمَخْزُومِيُّ الطَّبَرِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ سَلْخَ شَعْبَانَ سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ، قَالَ: أنا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ مُحْيِي الدِّينِ حُجَّةُ الإِسْلامِ مُفْتِي الْفَرِيقَيْنِ إِمَامُ الْمَذْهَبَيْنِ نَاصِرُ السُّنَّةِ قَامِعُ الْبِدْعَةِ أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ مَنْصُورٍ النَّيْسَابُورِيُّ رضي الله عنه، قَالَ: وَبَعْدَ حَمْدِ اللَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَالصَّلاةِ عَلَى رَسُولِهِ مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَأَصْحَابِهِ أَجْمَعِينَ، فَهَذِهِ أَرْبَعُونَ حَدِيثًا عَنْ أَرْبَعِينَ صَحَابِيًّا، فِي أَرْبَعِينَ بَابًا مِنْ أَبْوَابَ الدِّينِ وَشَرَائِعِ الإِسْلامِ، رَوَيْنَاهَا رَغْبَةً فِيمَا بَلَغَنَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، بِأَسَانِيدَ، أَنَّهُ قَالَ: «مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَّتِي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فِي أَمْرِ دِينِهَا بَعَثَهُ اللَّهُ تَعَالَى فَقِيهًا، وَكُنْتُ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَافِعًا وَشَهِيدًا» .

وَذَكَرْنَا أَسَانِيدَهَا رَغْبَةً فِيمَا رُوِيَ فِي الآثَارِ: عِنْدَ ذِكْرِ الصَّالِحِينَ تَنْزِلُ الرَّحْمَةُ.

وَرَاعَيْنَا فِي أَسَانِيدِهَا مَا هُوَ الأَعْلَى مِمَّا وَجَدْنَاهُ، وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ.
শাইখ, ইমাম, প্রাজ্ঞ আলেম, আমলকারী, দুনিয়াবিমুখ, শহীদ আবু সা’দ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানসুর আন-নাইসাবুরীর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ‘চল্লিশ হাদিস’ (আরবাঈন) গ্রন্থ।

শাইখ ইমাম আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মালিকীর চয়নকৃত।

শাইখুল আজাল্ল শিহাবুদ্দীন আবুল ফজল মনসুর ইবনে আলী ইবনে ইসমাঈল আল-মাখযুমীর বর্ণনা, যা তিনি আন-নাইসাবুরী থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম আবুল কাসিম আল-ওয়াসিক ইবনে আলী ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে ফজল ইবনে ফজলান আল-ফকিহ এবং ফকিহ কাযী আবু আলী ইয়াহইয়া ইবনে রবি ইবনে সুলায়মান ইবনে হাজ্জাজ উভয়ের বর্ণনা; তারা উভয়ে আমাদের শাইখ ইমাম শহীদ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আন-নাইসাবুরী (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। হে আমার রব, আপনার রহমতের উসিলায় সাহায্য করুন, সহজ করে দিন এবং তাওফিক দান করুন।

শাইখ ইমাম শিহাবুদ্দীন আবুল ফজল মনসুর ইবনে আলী ইবনে ইসমাঈল আল-মাখযুমী আত-তাবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—৫৮৮ হিজরি সনের শাবান মাসের শেষ বৃহস্পতিবার তার উপস্থিতিতে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আলেম মুহিউদ্দীন, হুজ্জাতুল ইসলাম, উভয় দলের মুফতী, উভয় মাযহাবের ইমাম, সুন্নাহর সাহায্যকারী, বিদআতের দমনকারী আবু সা’দ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মানসুর আন-নাইসাবুরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। তিনি বলেন: বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর প্রশংসা এবং তাঁর রাসূল মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর দরূদ পাঠের পর; এটি চল্লিশজন সাহাবী থেকে বর্ণিত চল্লিশটি হাদিসের সংকলন, যা দ্বীনের বিভিন্ন অধ্যায় এবং ইসলামের বিধিবিধানের অন্তর্ভুক্ত চল্লিশটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত। আমরা এগুলো বর্ণনা করেছি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের কাছে পৌঁছানো সেই বাণীর প্রতি অনুরাগী হয়ে, যা বিভিন্ন সনদে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি আমার উম্মতের জন্য তাদের দ্বীন সম্পর্কিত বিষয়ে চল্লিশটি হাদিস সংরক্ষণ করবে, মহান আল্লাহ তাকে ফকিহ হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন এবং কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী ও সাক্ষী হব।”

এবং আমরা এই হাদিসগুলোর সনদসমূহ উল্লেখ করেছি আছারে (বর্ণনায়) বর্ণিত এই কথার প্রতি অনুরাগী হয়ে যে: “নেককারদের আলোচনার সময় রহমত নাজিল হয়।”

আর আমরা এগুলোর সনদের ক্ষেত্রে আমাদের নিকট বিদ্যমান সর্বোচ্চ স্তর (সনদ-ই-আ’লা) রক্ষা করার চেষ্টা করেছি। আর আল্লাহর মাধ্যমেই তাওফিক অর্জিত হয়।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢)
‌‌الْحَدِيثُ الأَوَّلُ: عَنْ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ الصِّدِّيقِ خَلِيفَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَضِيَ عَنْهُ
প্রথম হাদিস: আল্লাহর রাসূলের (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক) খলিফা আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে উসমান আস-সিদ্দিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) হতে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٣)
1 - أنا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدُوسٍ، أنا أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدَانَ النَّضْرَوِيُّ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، نا أَبِي، نا عَفَّانُ، نا هَمَّامٌ، أنا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، رَوَى أَنَّ أَبَا بَكْرٍ رضي الله عنه، قَالَ: قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي الْغَارِ وَقَالَ مَرَّةً: وَنَحْنُ فِي الْغَارِ: لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ نَظَرَ إِلَى قَدَمَيْهِ لأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ ، قَالَ: فَقَالَ: «يَا أَبَا بَكْرٍ مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا» ، هَذَا حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، مِنْ حَدِيثِ هَمَّامِ بْنِ يَحْيَى بْنِ دِينَارٍ الشَّيْبَانِيِّ الْبَصْرِيِّ.

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ هَمَّامٍ.

وَفِي مَوْضِعٍ آخَرَ: عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ حِبَّانَ بْنِ هِلالٍ، عَنْ هَمَّامٍ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ: عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ ، وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارَمِيِّ، كُلُّهُمْ عَنْ حِبَّانَ بْنِ هِلالٍ، عَنْ هَمَّامٍ.

وَتَابَعَهُ شُعْبَةُ وَغَيْرُهُ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ أَسْلَمَ الْبُنَانِيِّ
১ - আমি আবু হামিদ আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস, আমি আবু সাদ আবদুর রহমান ইবনে হামদান আন-নাদরাওয়ী, আমি আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতীয়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আফফান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন সাবিত, আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত যে, আবু বকর (রা.) বলেছেন: আমি নবী (সা.)-কে বললাম যখন তিনি গুহায় ছিলেন—এবং তিনি অন্য বর্ণনায় বলেছেন: যখন আমরা গুহায় ছিলাম—যদি তাদের কেউ নিজের দুই পায়ের দিকে তাকাত, তবে সে অবশ্যই আমাদের তার দুই পায়ের নিচে দেখতে পেত। তিনি (রা.) বলেন: তখন তিনি (সা.) বললেন: "হে আবু বকর, সেই দুইজন সম্পর্কে তোমার ধারণা কী যাদের তৃতীয়জন হলেন আল্লাহ?" এটি একটি হাদিস যার বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য রয়েছে, যা হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে দিনার আশ-শায়বানী আল-বসরীর হাদিস থেকে বর্ণিত।

ইমাম বুখারী এটি সহীহ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন: মুহাম্মদ ইবনে সিনান থেকে, তিনি মুসা ইবনে ইসমাইল থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে।

এবং অন্য স্থানে: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি হিব্বান ইবনে হিলাল থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে।

এবং ইমাম মুসলিম এটি সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন: জুহাইর ইবনে হারব, আবদ ইবনে হুমাইদ এবং আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দারেমী থেকে, তাঁরা সবাই হিব্বান ইবনে হিলাল থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে।

এবং শুবা ও অন্যান্যরা সাবিত ইবনে আসলাম আল-বুনানী থেকে এর অনুবর্তী বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٤)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِي: عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ الْعَدَوِيِّ رضي الله عنه
দ্বিতীয় হাদিস: আমিরুল মুমিনিন আবু হাফস উমর ইবনুল খাত্তাব আল-আদাউয়ি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٥)
2 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ نَصْرُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ الْخُشْنَامِيُّ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْحِيرِيُّ، نا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الأُمَوِيُّ، أنا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، أنا الشَّافِعِيُّ، أنا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه رَأَى حُلَّةً سِيَرَاءَ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ، لَوِ اشْتَرَيْتَ هَذِهِ فَلَبِسْتَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَلِلْوَفْدِ إِذَا قَدِمُوا عَلَيْكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّمَا يَلْبِسُ هَذِهِ مَنْ لا خَلاقَ لَهُ فِي الآخِرَةِ» ، ثُمَّ جَاءَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهَا حُلَلٌ، فَأَعْطَى عُمَرَ رضي الله عنه مِنْهَا حُلَّةً، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَسَوْتَنِيهَا وَقَدْ قُلْتَ فِي حُلَّةِ عُطَارِدٍ مَا قُلْتَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَمْ أَكْسُكَهَا لِتَلْبِسَهَا» ، فَكَسَاهَا عُمَرُ رضي الله عنه أَخًا لَهُ مُشْرِكًا بِمَكَّة ، هَذَا حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيِّ، كِلاهُمَا عَنْ مَالِكٍ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ فِي الصَّحِيحِ: عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رضي الله عنه.

وَلِلْحَدِيثِ طُرُقٌ ، وَهَذَا حَسَنٌ عَالٍ؛ فَإِنَّهَا بِرِوَايَةٍ يُقَالُ لَهَا: سِلْسِلَةٌ ذَهَبِيَّةٌ
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী নাসরুল্লাহ বিন আহমাদ বিন উসমান আল-খুশনামি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন আল-হাসান আল-হিরি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-উমাবি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন রাবি বিন সুলায়মান, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম শাফেঈ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম মালেক, নাফে হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন যে, উমর বিন আল-খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মসজিদের দরজার কাছে একটি রেশমি পোশাক দেখতে পেলেন। এরপর তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি এটি ক্রয় করতেন এবং জুমার দিনে ও আপনার কাছে আগত প্রতিনিধি দলের সাথে সাক্ষাতের সময় পরিধান করতেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয় এটি সেই ব্যক্তিই পরিধান করে, পরকালে যার কোনো অংশ নেই।" এরপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ জাতীয় আরও কিছু পোশাক এল। তিনি উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে সেখান থেকে একটি পোশাক প্রদান করলেন। উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে এটি পরিধান করতে দিলেন অথচ আপনি উতারিদের পোশাক সম্পর্কে যা বলার তা বলেছিলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "আমি তোমাকে এটি পরিধান করার জন্য দেইনি।" অতঃপর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তা মক্কায় অবস্থানরত তাঁর এক মুশরিক ভাইকে উপহার হিসেবে দিয়ে দিলেন। এটি একটি সর্বসম্মত বিশুদ্ধ হাদিস, ইমাম বুখারি এটি তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন ইউসুফ এবং আব্দুল্লাহ বিন মাসলামা আল-কানাবি হতে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই ইমাম মালেক হতে এটি বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ এটি তাঁর 'সহিহ' গ্রন্থে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া হতে, তিনি মালেক বিন আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন।

এই হাদিসটির আরও অনেক সূত্র রয়েছে এবং এটি একটি উচ্চ মানের উত্তম (হাসান আলি) হাদিস; কারণ এটি সেই বর্ণনা পরম্পরার অন্তর্ভুক্ত যাকে 'স্বর্ণশৃঙ্খল' বলা হয়।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٦)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثُ: عَنْ أَبِي عَمْرٍو عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ رضي الله عنه
তৃতীয় হাদিস: আমীরুল মুমিনীন আবু আমর উসমান ইবনে আফফান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٧)
3 - أَخْبَرَنَا نَصْرُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ النَّيْسَابُورِيُّ، أنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْحِيرِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الْمَعْقِلِيُّ، أنا الرَّبِيعُ، أنا الشَّافِعِيُّ، أنا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمْرَانَ، أَنَّ عُثْمَانَ رضي الله عنه تَوَضَّأَ بِالْمَقَاعِدِ ، ثَلاثًا ثَلاثًا، ثُمّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «مَنْ تَوَضَّأَ وُضُوئِي هَذَا خَرَجَتْ خَطَايَاهُ مِنْ وَجْهِهِ وَيَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ» ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ جَدِّهِ.

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ: عَنِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ.

وَأَخْرَجَهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ ، وَوَكِيعٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حُمْرَانَ.

وَلَهُ طُرُقٌ مِنْ حَدِيثِ حُمْرَانَ، رَوَى عَنْهُ عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ ، وَمُعَاذُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، وَبُكَيْرٌ ، وَجَامِعُ بْنُ شَدَّادٍ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ ، وَزَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، وَكُلُّهَا أَخْرَجَ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ بِأَلْفَاظٍ مُخْتَلِفَةٍ
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসরুল্লাহ ইবনে আহমাদ আন-নাইসাবুরী, আমাদের জানিয়েছেন আহমাদ ইবনে আল-হাসান আল-হীরী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল-মাক্বিলী, আমাদের জানিয়েছেন আর-রাবী’, আমাদের জানিয়েছেন আশ-শাফি’ঈ, আমাদের জানিয়েছেন সুফিয়ান, হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হুমরান থেকে বর্ণনা করেন যে, উসমান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বসার স্থানে অজু করলেন, (অঙ্গগুলো) তিনবার তিনবার করে ধৌত করলেন, অতঃপর বললেন: আমি আল্লাহর রাসূলকে (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি আমার এই অজুর ন্যায় অজু করবে, তার মুখমণ্ডল, তার দুই হাত এবং তার দুই পা থেকে তার পাপসমূহ বের হয়ে যাবে।" এটি হুমরান ইবনে আবান ইবনে উসমানের হাদীস হতে তাঁর দাদার সূত্রে বর্ণিত একটি সহীহ হাদীস।

ইমাম মুসলিম এটি সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবী উমর থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে।

এবং তিনি এটি আবু উসামাহ ও ওয়াকীর হাদীস হতে, হিশাম ইবনে উরওয়াহ হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি হুমরান হতে বর্ণনা করেছেন।

হুমরানের হাদীস হতে এর আরও অনেকগুলো সূত্র রয়েছে; তাঁর থেকে আতা ইবনে ইয়াযীদ, মুয়ায ইবনে আবদুর রহমান, বুকাইর, জামি’ ইবনে শাদ্দাদ, মুহাম্মদ ইবনে আল-মুনকাদির এবং যায়দ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেছেন; আর ইমাম মুসলিম এই সবগুলোই ভিন্ন ভিন্ন শব্দে সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٨)
‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعُ: عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه
চতুর্থ হাদিস: আমিরুল মুমিনিন আবুল হাসান আলী ইবনে আবি তালিব (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) হতে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٩)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مَحْمُودٍ الرَّشِيدِيُّ، إِمْلاءً، نا أَبُو طَالِبِ بْنُ غَيْلانَ وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ، أنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، نا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْجَدِّيُّ، نا سَعِيدُ بْنُ خَالِدٍ الْخُزَاعِيُّ، مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَضْلِ الْهَاشِمِيُّ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «يُجْزِئُ الْجَمَاعَةَ إِذَا مَرُّوا بِالْقَوْمِ أَنْ يُسَلِّمَ أَحَدُهُمْ عَلَيْهِمْ، وَيُجْزِئُ عَنِ الْقُعُودِ أَنْ يَرُدَّ عَلَيْهِمْ أَحَدُهُمْ»
৪ - আমাদের নিকট আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ আল-রাশিদী শ্রুতলিপির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু তালিব বিন গায়লান বর্ণনা করেছেন—আর তিনি হলেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আল-বাজ্জায—আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আবি আব্দুল্লাহ আল-শাফিঈ, আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন বিশর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আল-হুসাইন বিন আলী আল-হুলওয়ানী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল মালিক বিন ইব্রাহিম আল-জাদ্দী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মদিনাবাসী সাঈদ বিন খালিদ আল-খুযাঈ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আল-ফাযল আল-হাশিমি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট উবাইদুল্লাহ বিন আবি রাফি বর্ণনা করেছেন আলী বিন আবি তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «কোনো দল যখন কোনো জনসমষ্টির পাশ দিয়ে অতিক্রম করে, তখন তাদের পক্ষ থেকে একজনের সালাম প্রদান করা যথেষ্ট হবে এবং যারা উপবিষ্ট আছে তাদের পক্ষ থেকে একজনের সালামের উত্তর প্রদান করা যথেষ্ট হবে।»
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٠)
‌‌الْحَدِيثُ الْخَامِسُ: عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ التَّيْمِيِّ الْقُرَشِيِّ رضي الله عنه
পঞ্চম হাদিস: আবু মুহাম্মদ তালহা বিন উবায়দুল্লাহ আত-তাইমি আল-কুরাশি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) হতে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١١)
5 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْخُشْنَامِيُّ، أنا أَبُو بَكْرٍ الْحِيرِيُّ، نا أَبُو الْعَبَّاسِ الأَصَمُّ، أنا الرَّبِيعُ، أنا الشَّافِعِيُّ، أنا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ طَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ رضي الله عنه، يَقُولُ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَإِذَا هُوَ يَسْأَلُ عَنِ الإِسْلامِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " خَمْسُ صَلَوَاتٍ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ، فَقَالَ: هَلْ عَلَيَّ غَيْرُهَا؟ قَالَ: لا ، إِلا أَنْ تَطَوَّعَ " ، لَمْ يَزِدِ الشَّافِعِيُّ رضي الله عنه هَا هُنَا عَلَى هَذَا، وَبَاقِي الْحَدِيثِ فِيمَا رَوَاهُ عَنْهُ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ الزّْعَفَرَانِيُّ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " وَصِيَامُ شَهْرِ رَمَضَانَ.

قَالَ: هَلْ عَلَيَّ غَيْرُهُ؟ قَالَ: لا ، إِلا أَنْ تَطَوَّعَ ".

وَذَكَرَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الزَّكَاةَ، فَقَالَ: هَلْ عَلَيَّ غَيْرُهَا؟ قَالَ: «لا ، إِلا أَنْ تَطَوَّعَ» .

فَأَدْبَرَ الرَّجُلُ وَهُوَ يَقُولُ: وَاللَّهِ لا أَزِيدُ عَلَى هَذَا وَلا أَنْقُصُ مِنْهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ» .

هَذَا حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ، مِنْ حَدِيثِ أَبِي سُهَيْلٍ نَافِعِ بْنِ مَالِكِ بْنِ أَبِي عَامِرٍ الأَصْبَحِيِّ، عَنْ أَبِيهِ.

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ: عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ.

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ: عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ.

وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ: عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْلَمَةَ.

وَأَخْرَجَهُ إِسْحَاقُ بْنُ رَاهَوَيْهِ فِي مُسْنَدِهِ: عَنْ رَوْحِ بْنِ عُبَاَدَة الْقَيْسِيِّ.

كُلُّهُمْ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ الأَصْبَحِيِّ إِمَامِ دَارِ الْهِجْرَةِ، وَتَابَعَهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ الْمَدَنِيُّ، عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ، وَقَالَ فِي آخِرِهِ: «أَفْلَحَ الأَعْرَابِيُّ وَأَبِيهِ إِنْ صَدَقَ» أَوْ «دَخَلَ الْجَنَّةَ وَأَبِيهِ إِنْ صَدَقَ» .

وَإِنَّمَا كَانَ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ فَرْضُ الْحِجِّ، وَقَبْلَ النَّهْيِ عَنِ الْحَلِفِ بالآبَاءِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-খুশনামী, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-হীরী, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আল-আসাম্ম, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাবী, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আশ-শাফিঈ, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মালিক বিন আনাস, তিনি তাঁর চাচা আবু সুহাইল বিন মালিক থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসল, এমতাবস্থায় যে সে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "দিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত।" সে বলল: "আমার ওপর কি এ ছাড়া অন্য কিছু আছে?" তিনি বললেন: "না, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে কিছু আদায় করো।" ইমাম শাফিঈ রাদিয়াল্লাহু আনহু এখানে এর অতিরিক্ত কিছু বর্ণনা করেননি। হাদীসের অবশিষ্টাংশ যা আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন আস-সাব্বাহ আয-যাফরানী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, সেখানে রয়েছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "আর রমজান মাসের সিয়াম।"

সে বলল: "আমার ওপর কি এ ছাড়া অন্য কিছু আছে?" তিনি বললেন: "না, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে কিছু আদায় করো।"

এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে যাকাতের কথা উল্লেখ করলেন। সে বলল: "আমার ওপর কি এ ছাড়া অন্য কিছু আছে?" তিনি বললেন: "না, তবে তুমি যদি নফল হিসেবে কিছু আদায় করো।"

অতঃপর লোকটি এই বলে ফিরে গেল যে: "আল্লাহর শপথ! আমি এর চেয়ে বাড়াব না এবং এর থেকে কমাবও না।" তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: "সে সফল হবে যদি সে সত্য বলে থাকে।"

এটি একটি হাদীস যার বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য হয়েছে, যা আবু সুহাইল নাফি বিন মালিক বিন আবু আমির আল-আসবহী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এটি ইমাম বুখারী তাঁর সহীহ গ্রন্থে ইসমাঈল বিন আবু উওয়াইস থেকে বর্ণনা করেছেন।

মুসলিম এটি কুতাইবা বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ এটি আব্দুল্লাহ বিন মাসলামা থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইসহাক বিন রাহাওয়াইহ এটি তাঁর মুসনাদে রাওহ বিন উবাদা আল-কায়সী থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা সকলেই দারুল হিজরতের ইমাম মালিক বিন আনাস আল-আসবহী থেকে বর্ণনা করেছেন। ইসমাঈল বিন আবু জাফর বিন আবু কাসীর আল-মাদানী আবু সুহাইল থেকে তাঁর অনুসরণ করেছেন এবং এর শেষে বলেছেন: "বেদুইনটি সফল হবে তার পিতার শপথ, যদি সে সত্য বলে থাকে" অথবা "সে জান্নাতে প্রবেশ করবে তার পিতার শপথ, যদি সে সত্য বলে থাকে।"

আর এটি ছিল হজের বিধান ফরয হওয়ার আগে এবং পিতাদের নামে শপথ করা নিষিদ্ধ হওয়ার পূর্বে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٢)
‌‌الْحَدِيثُ السَّادِسُ: عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ رضي الله عنه
ষষ্ঠ হাদিস: আবু আব্দুল্লাহ যুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٣)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَذَّاءُ، أنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدَانَ، أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، نا أَبِي، نا أَبُو مُعَاوِيَةَ، نا هِشَامٌ ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنهم، قَالَ: «جَمَعَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَوَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ» ، هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ مِنْ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَهَذِهِ تَرْجَمَةٌ صَحِيحَةٌ، وَالرُّوَاةُ عَنْ آخِرِهِمْ ثِقَاتٌ، وَقَدْ رُوِيَ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، أَنَّهُ قَالَ: «جَمَعَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَوَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ» .

وَهَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ، وَرَوَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، قَالَ: مَا سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يْجَمَعُ أَبَوَيْهِ لأَحَدٍ غَيْرَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، فَإِنِّي سَمِعْتُهُ يَوْمَ أُحُدٍ يَقُولُ: «ارْمِ يَا سَعْدُ فَدَاكَ أَبِي وَأُمِّي»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-হাদ্দা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রহমান বিন হামদান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন জাফর বিন হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন হাম্বল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন যুবায়ের থেকে, তিনি তাঁর পিতা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতাকে একত্রিত করেছিলেন।’ এটি হিশাম বিন উরওয়াহ বিন যুবায়ের-এর বর্ণিত হাদীসসমূহের মধ্যে একটি হাসান হাদীস, এবং এই বর্ণনাধারাটি সহীহ, আর এর শেষ পর্যন্ত সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। সা’দ বিন আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদের দিন আমার জন্য তাঁর পিতা-মাতাকে একত্রিত করেছিলেন।’

এটি একটি সহীহ হাদীস। আবদুল্লাহ বিন শাদ্দাদ আলী বিন আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সা’দ বিন আবী ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ছাড়া আর কারো জন্য তাঁর পিতা-মাতাকে একত্রিত করতে শুনিনি। আমি তাঁকে উহুদের দিন বলতে শুনেছি: «হে সা’দ! তীর নিক্ষেপ করো, তোমার জন্য আমার পিতা ও মাতা উৎসর্গিত হোক।’
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٤)
‌‌الْحَدِيثُ السَّابِعُ: عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه، وَاسْمُ أَبِي وَقَّاصٍ مَالِكُ بْنُ وُهَيْبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافٍ الزُّهْرِيُّ الْقُرَشِيُّ رضي الله عنه
সপ্তম হাদীস: আবু ইসহাক সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত, এবং আবু ওয়াক্কাসের নাম হলো মালিক ইবন উহাইব ইবন আবদ মানাফ আল-যুহরি আল-কুরায়শি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٥)
7 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدُوسٍ، أنا أَبُو سَعْدٍ النَّضْرَوِيُّ، أنا أَبُو بَكْرٍ الْقَطِيعِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنِي أَبِي، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، أنا إِسْمَاعِيلُ، نا قَيْسٌ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ: «إِنِّي لأَوَّلُ الْعَرَبِ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا نَغْزُو مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَا لَنَا طَعَامٌ نَأْكُلُهُ إِلا وَرَقَ الْحُبْلَةِ وَهَذَا السَّمُرَ، حَتَّى أَنَّ أَحَدَنَا لَيَضَعُ كَمَا تَضَعُ الشَّاةُ مَا لَهُ خِلْطٌ، ثُمَّ أَصْبَحَتْ بَنُو أَسَدٍ تُعَزِّرُنِي عَلَى الدِّينِ، لَقَدْ خِبْتُ إِذًا وَضَلَّ عَمَلِي» ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ، الشَّطْرُ الأَوَّلُ مِنَ الْحَدِيثِ: عَنْ عَمْرِو بْنِ عَوْنٍ، عَنْ خَالِدٍ الطَّحَّانِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ.

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَوْحٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ.

وَأَمَّا الشَّطْرُ الآخِرُ فَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ: عَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ الْمُعْتَمِرِ بْنِ سُلَيْمَانَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ كَثِيرٍ، وَيُونُسُ، وَوَكِيعٌ، وَكُلُّهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ.

وَإِذَا اعْتَبَرْتَ بِحَدِيثِ شُعْبَةَ يَظْهَرُ لَكَ عُلُوُّ هَذَا الإِسْنَادِ
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আলী বিন আবদুস, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আন-নাদরাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-কাতিয়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কায়স, তিনি বলেন: আমি সা’দ বিন মালিককে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই আমি আরবদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি যে আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ করেছে। আমি আমাদের এমন অবস্থায় দেখেছি যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যুদ্ধ করতাম এমতাবস্থায় যে, আমাদের হাবলা গাছের পাতা এবং এই সামুর (বাবলা জাতীয় গাছ) ছাড়া খাওয়ার মতো কোনো খাদ্য ছিল না। এমনকি আমাদের কেউ মলত্যাগ করলে তা বকরির মলের মতো হতো যাতে কোনো সংমিশ্রণ থাকত না। অতঃপর এখন বনু আসাদ আমাকে দ্বীনের বিষয়ে শাসন করছে; তবে তো আমি বিফল হলাম এবং আমার আমল বিভ্রান্তিতে নিপতিত হলো।» এটি একটি সহীহ হাদিস, ইমাম বুখারী এটি সহীহ গ্রন্থে সংকলন করেছেন। হাদিসটির প্রথম অংশ: আমর বিন আউন হতে, তিনি খালিদ আত-তাহহান হতে, তিনি ইসমাইল হতে বর্ণনা করেছেন।

এবং আব্দুল্লাহ হতে, তিনি রূহ হতে, তিনি শু’বা হতে, তিনি ইসমাইল হতে বর্ণনা করেছেন।

আর শেষ অংশটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন: মুসাদ্দাদ হতে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাঈদ হতে, তিনি ইসমাইল হতে।

এবং ইমাম মুসলিম এটি মু’তামির বিন সুলাইমান, আব্দুল্লাহ বিন কাসীর, ইউনুস এবং ওয়াকী-এর হাদিস হতে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে ইসমাইল বিন আবি খালিদ হতে, তিনি কায়স বিন আবি হাযিম হতে বর্ণনা করেছেন।

আর আপনি যদি শু’বার হাদিসটি বিবেচনা করেন, তবে আপনার কাছে এই সনদের উচ্চমর্যাদা স্পষ্ট হবে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٦)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّامِنُ: عَنْ أَبِي الأَعْوَرِ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ رضي الله عنه
অষ্টম হাদিস: আবু আল-আ'ওয়ার সাঈদ বিন যায়েদ বিন আমর বিন নুফাইল (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٧)
8 - أَخْبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدُوسٍ، أنا أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدَانَ الْعَدْلُ، أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ صَدَقَةَ بْنِ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنِي جَدِّي رَبَاحُ بْنُ الْحَارِثِ، أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ رضي الله عنه ، كَانَ فِي الْمَسْجِدِ الأَكْبَرِ وَعِنْدَهُ أَهْلُ الْكُوفَةِ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ، فَجَاءَ رَجُلٌ يُدْعَى سَعِيدَ بْنَ زَيْدٍ، فَحَيَّاهُ الْمُغِيرَةُ وَأَجْلَسَهُ عِنْدَ رِجْلَيْهِ عَلَى السَّرِيرِ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكُوفَةِ، فَاسْتَقْبَلَ الْمُغِيرَةَ فَسَبَّ وَسَبَّ، فَقَاَل: مَنْ يَسُبُّ هَذَا يَا مُغِيرَةُ بْنَ شُعْبَةَ؟ أَلا أَسْمَعُ أَصْحَابَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسَبُّونَ عِنْدَكَ، وَلا تُنْكِرُ، وَلا تَغَيِّرُ، أَنَا أَشْهَدُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَا سَمِعَتْ أُذُنَايَ وَوَعَاهُ قَلْبِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَإِنِّي لَمْ أَكُنْ أَرْوِي عَنْهُ كَذِبًا يَسْأَلُنِي عَنْهُ إِذَا لَقِيتُهُ، إِنَّهُ قَالَ: «أَبُو بَكْرٍ فِي الْجَنَّةِ، وَعُمَرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعُثْمَانُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَلِيٌّ فِي الْجَنَّةِ، وَطَلْحَةُ فِي الْجَنَّةِ، وَالزُّبَيْرُ فِي الْجَنَّةِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فِي الْجَنَّةِ، وَسَعْدُ بْنُ مَالِكٍ فِي الْجَنَّةِ، وَتَاسِعُ الْمُؤْمِنِينَ لَوْ شِئْتُ أَنْ أُسَمِّيَهُ لَسَمَّيْتُهُ» ، قَالَ: فَرَاحَ أَهْلُ الْمَسْجِدِ يَتَنَاشَدُونَهُ: يَا صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنِ التَّاسِعُ؟ فَقَالَ: أَنَا تَاسِعُ الْمُؤْمِنِينَ، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعَاشِرُ ، وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ: نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ النَّاجِي، نا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ نا صَدَقَةُ بْنِ الْمُثَنَّى النَّخَعِيُّ، حَدَّثَنِي جَدِّي.

فَذَكَرَهُ أَطْوَلَ مِنْهُ.

وَهَذَا حَدِيثٌ مَشْهُورٌ تَدَاوَلَتْهُ الأَئِمَّةُ وَتَلَقَّتْهُ بِالْقُبُولِ، رَوَاهُ جَمَاعَةٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، مِثْلُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ظَالِمٍ، وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَخْنَسِ ، وَمُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ، وَحَيَّانَ بْنِ غَالِبٍ، وَحُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ.

وَلَيْسَ تَقْدِيمُ عَلِيٍّ عَلَى عُثْمَانَ رضي الله عنهما إِلا فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ وَرِوَايَةِ حَيَّانَ بْنِ غَالِبٍ، وَالآخَرُونَ قَدَّمُوا عُثْمَانَ عَلَى عَلِيٍّ رضي الله عنهما.

وَفِي رِوَايَةِ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ: أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ بَدَلَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.

وَرَوَاهُ جَمَاعَةٌ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، وَفِيهِ ذُكِرَ أَبُو عُبَيْدَةَ وَهُوَ الْعَاشِرُ.

رَوَاهُ عَنْهُ ابْنُهُ حُمَيْدٌ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আহমাদ বিন আলী বিন আবদুস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা’দ আবদুর রহমান বিন হামদান আল-আদল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর আল-কাতিয়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকা বিন আল-মুসান্না থেকে, আমার দাদা রাবাহ বিন আল-হারিস আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মুগীরা বিন শু’বা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জামে মসজিদে ছিলেন এবং তাঁর ডানে ও বামে কুফাবাসীরা ছিল। তখন সাঈদ বিন যায়িদ নামক এক ব্যক্তি আসলেন। মুগীরা তাঁকে অভিবাদন জানালেন এবং পালঙ্কের ওপর তাঁর নিজের পায়ের কাছে তাঁকে বসালেন। এরপর কুফাবাসীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি আসল এবং মুগীরার মুখোমুখি হয়ে গালিগালাজ করতে লাগল। তখন তিনি (সাঈদ বিন যায়িদ) বললেন: হে মুগীরা বিন শু’বা! এই ব্যক্তি কাকে গালি দিচ্ছে? আমি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীদের আপনার সামনে গালি খেতে শুনছি না? অথচ আপনি তা প্রত্যাখ্যান করছেন না এবং এর কোনো প্রতিকার করছেন না? আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ব্যাপারে এমন সাক্ষ্য দিচ্ছি যা আমার দুই কান শুনেছে এবং আমার অন্তর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে সংরক্ষণ করেছে। আমি তাঁর পক্ষ থেকে এমন কোনো মিথ্যা বর্ণনা করব না যার সম্পর্কে তাঁর সাথে সাক্ষাতের সময় তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন। নিশ্চয়ই তিনি বলেছেন: «আবু বকর জান্নাতে, উমর জান্নাতে, উসমান জান্নাতে, আলী জান্নাতে, তালহা জান্নাতে, যুবাইর জান্নাতে, আবদুর রহমান বিন আউফ জান্নাতে, সা’দ বিন মালিক জান্নাতে, এবং মুমিনদের নবম ব্যক্তি—আমি চাইলে তার নাম বলতে পারতাম»। বর্ণনাকারী বলেন: তখন মসজিদের লোকজন তাঁর কাছে মিনতি করতে লাগল: হে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী! নবম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন: আমি মুমিনদের নবম ব্যক্তি, আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন দশম। আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহীম বিন হাজ্জাজ আন-নাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাদাকা বিন আল-মুসান্না আন-নাখয়ী, আমার দাদা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর তিনি এটি এর চেয়ে দীর্ঘ আকারে উল্লেখ করেছেন।

এটি একটি প্রসিদ্ধ হাদিস যা ইমামগণ একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন এবং কবুল করে নিয়েছেন। একদল বর্ণনাকারী সাঈদ বিন যায়িদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, যেমন: আবদুল্লাহ বিন জালিম, আবদুর রহমান বিন আল-আখনাস, মুহাম্মাদ বিন কায়স, হাইয়ান বিন গালিব এবং হুমাইদ বিন আবদুর রহমান।

উসমানের ওপর আলীর অগ্রবর্তিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) কেবল এই বর্ণনা এবং হাইয়ান বিন গালিবের বর্ণনাতেই রয়েছে; অন্য বর্ণনাকারীরা উসমানকে আলীর ওপর অগ্রাধিকার দিয়েছেন (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)।

আর হুমাইদ বিন আবদুর রহমানের বর্ণনায় রয়েছে: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবর্তে আবু উবাইদাহ বিন আল-জাররাহ।

একদল বর্ণনাকারী এটি আবদুর রহমান বিন আউফের হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে আবু উবাইদাহর কথা উল্লেখ আছে, যিনি দশম ব্যক্তি।

তাঁর থেকে তাঁর পুত্র হুমাইদ এটি বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٨)
‌‌الْحَدِيثُ التَّاسِعُ: عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ الْهُذَلِيِّ رضي الله عنه
নবম হাদিস: আবু আব্দুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আল-হুজালি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ١٩)
9 - حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ الْبُحَيْرِيُّ إِمْلاءً، نا عَمِّي أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُحَيْرِيُّ، أنا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَمْدُونَ، وَأَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدُوسٍ، قَالا: نا أَبُو حَاتِمٍ مَكِّيُّ بْنُ عَبْدَانَ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ ، حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَ مِنْكُمْ أَحَدٌ إِلا مُوَكَّلٌ بِهِ قَرِينُهُ مِنَ الْجِنِّ وَقَرِينُهُ مِنَ الْمَلائِكَةِ» ، قَالُوا: وَإِيَّاكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «وَإِيَّايَ، إِلا أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَعَانَنِي عَلَيْهِ فَأَسْلَمَ ، فَلا يَأْمُرُنِي إِلا بِخَيْرٍ» ، هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ.

وَرَوَاهُ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَغَيْرُهُ، عَنْ جَرِيرٍ، عَنْ مَنْصُورٍ.

وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنِ ابْنِ الْمُثَنَّى، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ.

وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنِ ابْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ آدَمَ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ رُزَيْقٍ، كِلاهُمَا عَنْ مَنْصُورٍ
৯ - আমাদের নিকট আবু সাঈদ ইসমাইল ইবনে আমর ইবনে মুহাম্মদ আল-বুহাইরি শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমার চাচা আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বুহাইরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হামদুন এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুস, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আমাদের নিকট আবু হাতিম মক্কি ইবনে আবদান বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবদুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে, মানসুর আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সালিম ইবনে আবিল জাদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সাথে তার জিন সঙ্গী এবং তার ফেরেশতা সঙ্গী নিযুক্ত করে দেওয়া হয়নি।" তাঁরা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! আপনার সাথেও কি?" তিনি বললেন: "আমার সাথেও, তবে মহান আল্লাহ তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করেছেন, ফলে সে অনুগত হয়েছে। তাই সে আমাকে কল্যাণ ছাড়া অন্য কিছুর আদেশ দেয় না।" এটি একটি সহিহ হাদিস, যা ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি এটি উসমান ইবনে আবু শায়বাহ ও অন্যান্যদের সূত্রে জারির থেকে, তিনি মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি এটি ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে মাহদি থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি এটি ইবনে আবু শায়বাহ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আদম থেকে, তিনি আম্মার ইবনে রুজাইক থেকে—তাঁরা উভয়েই মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٠)
‌‌الْحَدِيثُ الْعَاشِرُ: عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ رضي الله عنهما
দশম হাদিস: আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢١)
10 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفِتْيَانِ عُمَرُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْحَافِظُ، بِالطَّابَرَانِ، أنا أَبُو مَسْعُودٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ، أنا أَبُو تَمَّامٍ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ، بِسَرْخَسَ، نا أَبُو ذَرٍّ الْقَاسِمُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ سُلَيْمَانَ الْقَرَاطِيسِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي الدُّنْيَا أَبُو بَكْرٍ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، نا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، نا هِلالُ بْنُ خَبَّابٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَا لِيَ وَلِلدُّنْيَا، وَمَا لِلدُّنْيَا وَمَا لِيَ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، مَا مَثَلِي وَمَثَلُ الدُّنْيَا إِلا كَرَاكِبٍ سَارَ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ، ثُمَّ رَاحَ فَتَرَكَهَا» ، وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ، وَرَوَاهُ عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْغَضَائِرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، وَقَالَ فِي أَوَّلِهِ: إِنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رضي الله عنه دَخَلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَلَى حَصِيرٍ قَدْ أَثَّرَ فِي جَنْبِهِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوِ اتَّخَذْتَ فِرَاشًا أَلْيَنَ مِنْ هَذَا، فَقَالَ: «مَا ِليَ وَلِلدُّنْيَا، وَمَا لِلدُّنْيَا وَلِيَ» .

وَالْبَاقِي بِمَعْنَاهُ.

وَرَوَاهُ عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، عَنْ سِمَاكٍ أَبِي زُمَيْلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُضْطَجِعٌ عَلَى حَصِيرٍ.

فَذَكَرَ مَعْنَى الْحَدِيثِ قَرِيبًا مِنْهُ.

وَرُوِيَ ذَلِكَ أَيْضًا مِنْ حَدِيثِ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ.

وَرُوِيَ ذَلِكَ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَأَنَّهُ كَانَ هُوَ الْقَائِلُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
10 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফিতইয়ান উমর ইবনে আবিল হাসান আল-হাফিয, তাবারানে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মাসউদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাফিয; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাম্মাম যাহির ইবনে আহমদ, সারাখসে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু যার আল-কাসিম ইবনে দাউদ ইবনে সুলাইমান আল-কারাতীসী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবিদ দুনিয়া; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া আল-জুমাহী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাবিত ইবনে ইয়াযিদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিলাল ইবনে খাব্বাব, ইকরিমা থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "দুনিয়ার সাথে আমার কী সম্পর্ক, আর দুনিয়ারই বা আমার সাথে কী সম্পর্ক? যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ, আমার এবং দুনিয়ার উদাহরণ তো কেবল সেই আরোহীর মতো যে গ্রীষ্মের এক দিনে ভ্রমণ করল এবং দিনের কিছু সময় একটি গাছের নিচে ছায়া গ্রহণ করল, অতঃপর সে চলে গেল এবং গাছটিকে ছেড়ে দিল।" আর এই হাদিসটি হাসান গারীব। এবং এটি আলী ইবনে আব্দুল হামিদ আল-গাদাইরি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া আল-জুমাহী থেকে, এবং তিনি এর শুরুতে বলেছেন: নিশ্চয়ই উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলেন যখন তিনি একটি চাটাইয়ের ওপর ছিলেন যা তাঁর পার্শ্বদেশে দাগ ফেলে দিয়েছিল। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি যদি এর চেয়ে নরম কোনো বিছানা গ্রহণ করতেন! তিনি বললেন: "দুনিয়ার সাথে আমার কী সম্পর্ক, আর দুনিয়ারই বা আমার সাথে কী সম্পর্ক?"

এবং বাকি অংশ একই অর্থবোধক।

এবং এটি ইকরিমা ইবনে আম্মার বর্ণনা করেছেন সিমাক আবু যুমাইল থেকে, তিনি বলেন: আমাকে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলাম এমতাবস্থায় যে তিনি একটি চাটাইয়ের ওপর শায়িত ছিলেন।

অতঃপর তিনি এর নিকটবর্তী অর্থবিশিষ্ট হাদিসটি উল্লেখ করেন।

এবং এটি আবুল আসওয়াদ থেকে, উরওয়া ইবনে যুবাইর থেকে, উমর ইবনুল খাত্তাব সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।

এবং এটি ইবনে মাসউদ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে, আর তিনি (ইবনে মাসউদ) নিজেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এই কথাটি বলেছিলেন। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٢)
‌‌الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَ: عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رضي الله عنه
একাদশ হাদিস: আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٣)
11 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدُوسٍ النَّيْسَابُورِيُّ، أنا أَبُو سَعْدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَمْدَانَ الْعَدْلُ، أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ، نا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، نا هَمَّامٌ، نا قَتَادَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حُشٍّ مِنْ حِشَّانِ الْمَدِينَةِ، فَجَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَأْذَنَ، فَقَالَ: «قُمْ فَأْذَنْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» ، فَقُمْتُ فَأَذِنْتُ لَهُ، فَإِذَا هُوَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه، فَبَشَّرْتُهُ بِالْجَنَّةِ، فَجَعَلَ يَحْمَدُ اللَّهَ عز وجل حَتَّى جَلَسَ، ثُمَّ جَاءَ رَجُلٌ آخَرُ فَاسْتَأْذَنَ، فَقَالَ: «قُمْ فَأْذَنْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» ، فَقُمْتُ فَأَذِنْتُ لَهُ، فَإِذَا هُوَ عُمَرُ رضي الله عنه، فَبَشَّرْتُهُ بِالْجَنَّةِ، فَجَعَلَ يَحْمَدُ اللَّهُ عز وجل حَتَّى جَلَسَ، ثُمَّ جَاءَ رَجُلٌ خَفِيضُ الصَّوْتِ فَاسْتَأْذَنَ، فَقَالَ: «قُمْ فَأْذَنْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ عَلَى بَلْوَى» ، فَقُمْتُ فَأَذِنْتُ لَهُ، فَإِذَا هُوَ عُثْمَانُ رضي الله عنه، فَبَشَّرْتُهُ بِالْجَنَّةِ عَلَى بَلْوَى، فَجَعَلَ يَقُولُ: اللَّهُمَّ صَبْرًا حَتَّى جَلَسَ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ: وَأَيْنَ أَنَا؟ قَالَ: «أَنْتَ مَعَ أَبِيكَ» ، هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبُ الإِسْنَادِ، وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আলী ইবনে আবদুস আন-নায়সাবূরী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আবদুর রহমান ইবনে হামদান আল-আদল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল, আমাদের বর্ণনা করেছেন হুদবা ইবনে খালিদ, আমাদের বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, আমাদের বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ, মুহাম্মদ ইবনে সীরীন থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মদীনার বাগানসমূহের একটি বাগানে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তিনি বললেন: «ওঠো, তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও»। আমি উঠলাম এবং তাকে অনুমতি দিলাম; দেখা গেল তিনি আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু। আমি তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম, তখন তিনি বসা পর্যন্ত মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রশংসা করতে থাকলেন। এরপর অন্য এক ব্যক্তি এসে অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তিনি বললেন: «ওঠো, তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও»। আমি উঠলাম এবং তাকে অনুমতি দিলাম; দেখা গেল তিনি উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু। আমি তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম, তখন তিনি বসা পর্যন্ত মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রশংসা করতে থাকলেন। এরপর ক্ষীণকণ্ঠের এক ব্যক্তি এসে অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তিনি বললেন: «ওঠো, তাকে অনুমতি দাও এবং এক বিপদের মুখে তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও»। আমি উঠলাম এবং তাকে অনুমতি দিলাম; দেখা গেল তিনি উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহু। আমি তাকে এক বিপদের মুখে জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। তখন তিনি বসা পর্যন্ত বলতে থাকলেন: হে আল্লাহ, ধৈর্য দান করুন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আর আমার অবস্থান কোথায়? তিনি বললেন: «তুমি তোমার পিতার সাথে»। এটি একটি বিরল সনদবিশিষ্ট হাদীস, তবে এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٤)
12 - وَالصَّحِيحُ فِي الْبَابِ حَدِيثُ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي حَائِطٍ بِالْمَدِينَةِ مُسْنِدًا ظَهْرَهُ، يَعْنِي إِلَى الْحَائِطِ، فَجَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَفْتَحَ الْبَابَ، فَقَالَ: «قُمْ فَأْذَنْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» .

فَإِذَا هُوَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه، ثُمَّ جَاءَ آخَرُ، فَاسْتَفْتَحَ الْبَابَ، فَقَالَ: «قُمْ فَافْتَحْ لَهُ وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ» .

فَإِذَا هُوَ عُمَرُ رضي الله عنه، ثُمَّ جَاءَ آخَرُ فَاسْتَفْتَحَ الْبَابَ، فَقَالَ: «قُمْ فَافْتَحْ لَهُ الْبَابَ، وَبَشِّرْهُ بِالْجَنَّةِ عَلَى بَلْوَى شَدِيدَةٍ تُصِيبُهُ» .

فَإِذَا هُوَ عُثْمَانُ رضي الله عنه، وَكَانَ الرَّجُلُ الَّذِي يَفْتَحُ لَهُمُ الْبَابَ أَبَا مُوسَى رضي الله عنه.

أَخَبَرَنَا أَبُو حَامِدٍ الْحَذَّاءُ، أنا أَبُو سَعْدٍ النَّضْرَوِيُّ، أنا أَبُو بَكْرٍ الْقَطِيعِيُّ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ، نا هُدْبَةُ، نا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى ، وَعَلِيُّ بْنُ الْحَكَمِ الْبُنَانِيُّ، عَن أَبِي عُثْمَانَ، فَذَكَرَهُ ، وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ عَلِيِّ بْنِ الْحَكَمِ: مُسْنِدًا ظَهْرَهُ.

أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ، وَرَوَاهُ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ.

وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادٍ وَهُوَ ابْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، وَبَعْدَهُ قَالَ حَمَّادٌ: وَنا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ.

وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنْ مُسَدَّدٍ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنِ ابْنِ الْمُثَنَّى، عَنِ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ.

وَرَوَاهُ أَيْضًا عَنْ أَبِي الرَّبِيعِ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ
১২ - এই অধ্যায়ে বিশুদ্ধ হলো আবু মুসা আল-আশআরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদিস, যে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদিনার একটি বাগানে তাঁর পিঠ ঠেকিয়ে বসা ছিলেন, অর্থাৎ দেয়ালের দিকে, এরপর একজন লোক এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইল। তিনি বললেন: «উঠে তাকে অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও»।

দেখা গেল তিনি আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)। এরপর অন্য একজন এলেন এবং দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন: «উঠে তার জন্য খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও»।

দেখা গেল তিনি উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)। এরপর অন্য একজন এলেন এবং দরজা খোলার অনুমতি চাইলেন। তিনি বললেন: «উঠে তার জন্য দরজা খুলে দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও এমন এক কঠিন বিপদের ওপর যা তাকে স্পর্শ করবে»।

দেখা গেল তিনি উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)। আর যে ব্যক্তি তাদের জন্য দরজা খুলে দিচ্ছিলেন তিনি ছিলেন আবু মুসা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ আল-হাদ্দা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আন-নাদরাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-কাতিয়ি, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুদবাহ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, মুহাম্মাদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু মুসা থেকে এবং আলি ইবনে আল-হাকাম আল-বুনানি থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে, অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেছেন। তবে আলি ইবনে আল-হাকামের হাদিসে "পিঠ ঠেকিয়ে রাখা" কথাটি নেই।

ইমাম বুখারি এটি তাঁর ‘সহিহ’ গ্রন্থে বের করেছেন এবং তিনি এটি ইউসুফ ইবনে মুসা থেকে, তিনি আবু উসামাহ থেকে, তিনি উসমান ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি এটি সুলাইমান ইবনে হারব থেকে, তিনি হাম্মাদ—যিনি ইবনে যায়েদ—থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন। এরপর হাম্মাদ বলেছেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আসিম আল-আহওয়াল, তিনি আলি ইবনে আল-হাকাম থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে।

এবং তিনি এটি মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি ইয়াহইয়া থেকে, তিনি উসমান ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি তাঁর ‘সহিহ’ গ্রন্থে ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি ইবনে আবি আদি থেকে, তিনি উসমান ইবনে গিয়াস থেকে, তিনি আবু উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তিনি এটি আবু রাবি থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٥)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشَرَ: عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنهما
দ্বাদশ হাদিস: আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٦)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُثْمَانَ النَّيْسَابُورِيُّ، وَأَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الشِيرَوِيُّ، قَالا: أنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنُ أَحْمَدَ الْقَاضِي، نا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ، أنا الرَّبِيعُ، أنا الشَّافِعِيُّ، أنا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه، أَنَّ رَجُلا سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم: مَا يَلْبِسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «لا يْلَبِسُ الْقَمِيصَ وَلا السَّرَاوِيلاتِ وَلا الْعَمَائِمَ وَلا الْبَرَانِسَ وَلا الْخِفَافَ إِلا أَحَدٌ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ، فَلْيَلْبْسِ خُفَّيْنِ وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ» ، حَدِيثٌ مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ مِنْ حَدِيثِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ الأَصْبَحِيِّ.

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، وَإِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ.

وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي الصَّحِيحِ عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، كُلُّهُمْ عَنْ مَالِكٍ رضي الله عنه.

وَلَهُ طُرُقٌ فِي الصَّحِيحَيْنِ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী বিন আহমদ বিন উসমান আন-নায়সাবুরি এবং আবু বকর আব্দুল গাফফার বিন আবিল হাসান আশ-শিরুয়ি, তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আহমদ বিন হাসান বিন আহমদ আল-কাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব বিন ইউসুফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আর-রাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আশ-শাফিয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেন: ইহরামকারী ব্যক্তি কোন ধরনের পোশাক পরিধান করবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «সে কামিস (জামা), পায়জামা, পাগড়ি, বারানিস (টুপিযুক্ত দীর্ঘ পোশাক) এবং মোজা পরিধান করবে না; তবে যদি কেউ জুতো না পায়, তবে সে যেন মোজা পরিধান করে এবং তা টাখনুর নিচ থেকে কেটে নেয়», এটি মালিক বিন আনাস আল-আসবাহি বর্ণিত এমন একটি হাদিস যার বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য পোষণ করা হয়েছে।

ইমাম বুখারী এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে মুহাম্মদ বিন সিরিন এবং ইসমাইল বিন আবি উয়াইস থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম মুসলিম এটি তাঁর সহিহ গ্রন্থে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলেই মালিক (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং সহিহাইন-এ ইবনে উমর থেকে বর্ণিত এর আরও অনেক সূত্র রয়েছে, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٧)
‌‌الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشَرَ: عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ
ত্রয়োদশ হাদিস: ইমরান ইবনে হুসাইন হতে বর্ণিত
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٨)
14 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ بْنِ سَعْدَوَيْهِ الدِّهِسْتَانِيُّ، بِطُوسَ، نا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنِي أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَعْقُوبَ الزُّرَقِيُّ الشَّيْخُ الصَّالِحُ، أنا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ يُعْرَفُ بِابْنِ الأَعْرَجِ ، مَرْوَزِيٌّ، نا الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الأَشْعَثِ، خَادِمُ الْفُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، نا الْفُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنِ انْقَطَعَ إِلَى اللَّهِ كَفَاهُ اللَّهُ كُلَّ مُؤْنَةٍ، وَرَزَقَهُ مِن حَيْثُ لا يَحْتَسِبُ، وَمَنِ انْقَطَعَ إِلَى الدُّنْيَا وَكَلَهُ اللَّهُ إِلَيْهَا» ، هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَلِيٍّ الْفُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، تَفَرَّدَ بِهِ عَنْهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الأَشْعَثِ.

وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الأَشْعَثِ، نَحْوَهُ
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে আবুল হাসান ইবনে সাদাউয়্যাহ আদ-দিহিস্তানি, তুস নগরীতে; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাজি; আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াকুব আজ-জুরাকি, যিনি একজন সৎ শাইখ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল, যিনি ইবনুল আরাজ নামে পরিচিত, মারওয়াযী; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফজল ইবনে আবদুল জাব্বার; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফুযাইল ইবনে ইয়াজের খাদেম ইবরাহীম ইবনে আশআস; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফুযাইল ইবনে ইয়াজ, হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি দুনিয়ার সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ হয়, আল্লাহ তার সকল প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথেষ্ট হন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়, আল্লাহ তাকে দুনিয়ার হাতেই সঁপে দেন।» এটি আবু আলী ফুযাইল ইবনে ইয়াজের বর্ণিত হাদীস সমূহের মধ্যে একটি গরীব হাদীস, যা বর্ণনায় ইবরাহীম ইবনে আশআস একক হয়ে গেছেন।

আর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে হাসান ইবনে শাকীক এটি ইবরাহীম ইবনে আশআস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাঊন লি-আবি সাদ আন-নায়সাবুরী (পৃষ্ঠা: ٢٩)
‌‌الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشَرَ: عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ
চতুর্দশ হাদিস: আবু আল-ইয়াকজান আম্মার ইবনে ইয়াসির থেকে বর্ণিত