13 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ مَنْدَةَ ، أنا وَالِدِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ ، أَنْبَا حَاجِبُ بْنُ أَحْمَدَ الطُّوسِيُّ ، ثنا عَبْدَانُ الْمَرْوَزِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، وَنَافِعٍ ، مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ
إِذَا قَفَلَ مِنَ الْغَزْوِ أَوْ مِنَ الْحِجِّ وَالْعُمْرَةِ بَدَأَ فَكَبَّرَ ثَلاثَ مَرَّاتٍ ، ثُمَّ يَقُولُ: «لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ» .
وَيَقُولُ: «آيِبُونَ تَائِبُونَ عَائِدُونَ سَاجِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ» .
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ، أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُقَاتِلٍ ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ
أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ النَّجَّادُ ، سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ ، أنا أَبُو عُمَرَ الطَّلْحِيُّ ، سَنَةَ ثَمَانٍ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، إِمْلاءً ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زَيْرَكٍ الْبَرَدِيُّ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثنا عَلِيُّ بْنُ جَمِيلٍ الرَّقِّيُّ ، ثنا مَخْلَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ: أَوْحَى اللَّهُ تَعَالَى إِلَى مُوسَى بْنِ عِمْرَانَ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ أَنْ يَا مُوسَى اتَّخِذْ مَعِيَ تِجَارَةً يَأْتِكَ الرِّبْحُ مِنْ غَيْرِ بِضَاعَةٍ.
حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ مَحْمُودٍ ، ثنا أَبُو أَحْمَدَ الْكَرَجِيُّ ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدٍ ، ثنا ابْنُ جُرَيْجٍ ، قَالَ: قُلْتُ لِعَطَاءٍ: الرُّكُوبُ فِي الْحِجِّ أَحَبُّ إِلَيْكَ أَمِ السَّيْرُ ، قَالَ: النِّيَّةُ فِي ذَلِكَ.
حَدَّثَنَا أَبُو الْخَيْرِ بْنُ زَرٍّ ، نا أَبُو بَكْرِ بْنُ مَرْدَوَيْهِ ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ، نَا مُطَّلِبُ بْنُ شُعَيْبٍ الأَزْدِيُّ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ ، كَاتِبُ اللَّيْثِ ، قَالَ: سَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ ، يَقُولُ: دَخَلْتُ عَلَى هَارُونَ الرَّشِيدِ ، قَالَ لِي: يَا لَيْثُ مَا صَلاحُ بَلَدِكُمْ؟ فَقُلْتُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ صَلاحُ الْمُدُنِ جَرْيُ نِيلِهَا وَصَلاحُ أَمِيرِهَا ، وَمِنْ رَأْسِ الْعَيْنِ يَأْتِي الْكَدَرُ فَإِذَا صَفَا رَأْسُ الْعَيْنِ صَفَتِ السَّوَاقِي ، فَقَالَ: صَدَقْتَ يَا أَبَا الْحَارِثِ.
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ السِّمْسَارِ ، ثنا أَبُو إِسْحَاقَ بْنِ خُرْشِيذَ قْوَلَهُ ، ثَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الأَزْدِيُّ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ ، ثنا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ ، قَالَ: قَالَ مُوسَى عليه السلام لِرَبِّهِ عز وجل يَوْمَ الطُّورِ: أَيْ رَبِّ إِنْ كَلَّمْتَنِي فَمِنْ قِبَلِكَ وَإِنْ رَضِيتَ فَمِنْ قِبَلِكَ ، وَإِنْ صَمَتَّ فَمِنْ قِبَلِكَ ، وَإِنْ أَرْسَلْتَنِي فَمِنْ قِبَلِكَ وَإِنْ بَلَّغْتُ رِسَالَتَكَ فَمِنْ قِبَلِكَ ، فَكَيْفَ أَشْكُرُكَ؟ قَالَ: يَا مُوسَى قَدْ شَكَرْتَنِي حَيْثُ عَلِمْتَ أَنَّهُ مِنْ قِبَلِي.
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، ثنا ابْنُ وَهْبٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكًا ، يَقُولُ: حَقًّا عَلَى مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ أَنْ يَكُونَ بِوَقَارٍ وَسَكِينَةٍ وَخَشْيَةٍ ، وَأَنْ يَكُونَ مُسْبِغًا، لَمْ يَرَ مَنْ مَشَى قَبْلَهُ فِيه مَلَلٌ ، وَكَانَ النَّاسُ يُفْتُونَ بِمَا سَمِعُوا أَوْ عَلِمُوا وَلَمْ يَكُنْ هَذَا الْكَلامُ مِمَّا فِيهِ النَّاسُ الْيَوْمَ.
وَالْمَعْنَى عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَكَانَ يَقُولُ: «الْكَلامُ فِي الدِّينِ كُلُّهُ أَكْرَهُهُ وَلَمْ يَزَلْ أَهْلُ بَلَدِنَا يُكْثِرُونَ وَلا أُحِبُّ الْكَلامَ إِلا فِيمَا كَانَ يُحِبُّهُ مُحَمَّدٌ ، فَأَمَّا الْكَلامُ فِي اللَّهِ فَالسُّكُوتُ عَنْهُ لأَنِّي رَأَيْتُ أَهْلَ بَلَدِنَا يَنْهَونَ عَنِ الْكَلامِ فِي الذَّاتِ فَمَا كَانَ يُحِبُّهُ مُحَمَّدٌ»
১৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবন মানদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আবদুল্লাহ আল-হাফিয, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাজিব ইবন আহমাদ আত-তুসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদান আল-মারওয়াযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, তিনি মূসা ইবন উকবা থেকে, তিনি সালিম ইবন আবদুল্লাহ এবং ইবন উমরের মুক্তদাসী নাফি' থেকে, তারা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
যখন যুদ্ধ কিংবা হাজ্জ ও উমরাহ থেকে ফিরতেন, তখন তিনি তিনবার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলতেন, এরপর বলতেন: ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসাও তাঁরই জন্য। তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।’
তিনি আরও বলতেন: ‘আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী, সিজদাকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্য করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেছেন।’
এটি একটি সহীহ হাদীস, ইমাম বুখারী এটি মুহাম্মাদ ইবন মুকাতিল থেকে, তিনি ইবনুল মুবারাক থেকে বর্ণনা করেছেন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবন আবদুল ওয়াহিদ আন-নাজ্জাদ তিনশ উনসত্তর হিজরীতে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর আত-তালহী তিনশ আটাশি হিজরীতে শ্রুতলিপি (ইমলা) হিসেবে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন যাইরাক আল-বারাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন জামীল আর-রাক্কী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাখলাদ ইবনুল হুসাইন, তিনি হিশাম ইবন হাসসান থেকে, তিনি হাসান (আল-বাসরী) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ তাআলা মূসা ইবন ইমরান (সালাওয়াতুল্লাহি আলাইহি)-এর প্রতি ওহী পাঠালেন যে, ‘হে মূসা! আমার সাথে এমন এক ব্যবসা করো যার লভ্যাংশ তোমার কাছে কোনো পুঁজি ছাড়াই আসবে।’
আল-কাসিম ইবনুল ফাদল ইবন মাহমুদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আহমাদ আল-কারাজী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন জুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আতা-কে জিজ্ঞাসা করলাম: ‘হজ্জের সফরে সওয়ারীতে আরোহণ করা কি আপনার কাছে অধিক প্রিয় নাকি পায়ে হেঁটে চলা?’ তিনি বললেন: ‘তা নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।’
আবু আল-খায়র ইবন যার্র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবন মারদাওয়াইহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুত্তালিব ইবন শুআইব আল-আযদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: লাইসের লেখক আবদুল্লাহ ইবন সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি লাইস ইবন সা'দকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি হারুনুর রশীদের কাছে প্রবেশ করলাম। তিনি আমাকে বললেন: ‘হে লাইস! আপনাদের ভূখণ্ডের সংশোধনের উপায় কী?’ আমি বললাম: ‘হে আমীরুল মুমিনীন! শহরগুলোর কল্যাণ নির্ভর করে তার নীলনদ প্রবহমান থাকার ওপর এবং তার শাসকের সংশোধনের ওপর। ঝর্ণার উৎস থেকেই ঘোলাটে পানি আসে; সুতরাং যখন ঝর্ণার মুখ পরিষ্কার হয়ে যায়, তখন নালাগুলোও পরিষ্কার হয়ে যায়।’ তিনি বললেন: ‘হে আবু আল-হারিস! আপনি সত্য বলেছেন।’
মুহাম্মাদ ইবন আস-সিমসার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইসহাক ইবন খুরশীদ কাওলাহু আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবন আহমাদ আল-আযদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল আল-হাসসানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবন আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাইল ইবন আবি খালিদ থেকে, তিনি আবু আমর আশ-শাইবানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: মূসা (আলাইহিস সালাম) তূর পর্বতের দিনে তাঁর মহিমান্বিত রবের কাছে নিবেদন করলেন: ‘হে আমার রব! যদি আমি কথা বলি তবে তা আপনার পক্ষ থেকে, যদি আপনি সন্তুষ্ট হন তবে তা আপনার পক্ষ থেকে, যদি আপনি নীরব থাকেন তবে তা আপনার পক্ষ থেকে, যদি আপনি আমাকে প্রেরণ করেন তবে তা আপনার পক্ষ থেকে এবং যদি আমি আপনার রিসালাত পৌঁছে দেই তবে তাও আপনার পক্ষ থেকে। এমতাবস্থায় আমি কীভাবে আপনার শুকরিয়া আদায় করব?’ তিনি (আল্লাহ) বললেন: ‘হে মূসা! তুমি যখন জানলে যে এটি আমার পক্ষ থেকেই, তখনই তুমি আমার শুকরিয়া আদায় করলে।’
আহমাদ ইবন আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিককে বলতে শুনেছি: ‘যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণ করে তার জন্য আবশ্যক হলো গাম্ভীর্য, প্রশান্তি ও আল্লাহভীতির সাথে থাকা এবং সুন্নাতের অনুসারী হওয়া; যে ব্যক্তি তার পূর্বে চলেছেন তার মাঝে যেন কোনো একঘেয়েমি না দেখেন। মানুষ আগে যা শুনত বা জানত সে অনুযায়ী ফাতাওয়া দিত, আর বর্তমান মানুষ যেসব বিষয়ে কথাবার্তা বলে তা সেকালের কথা ছিল না।’
মালিক ইবন আনাস (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)-এর বক্তব্যের সারকথা হলো, তিনি বলতেন: ‘দ্বীনের বিষয়ে যাবতীয় বিতর্ককে আমি অপছন্দ করি। আমাদের শহরের লোকেরা প্রচুর বিতর্ক করত, কিন্তু আমি মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা পছন্দ করতেন তা ব্যতীত অন্য কোনো কথা পছন্দ করি না। আর আল্লাহ সম্পর্কিত আলোচনার ক্ষেত্রে নীরব থাকাই শ্রেয়। কারণ আমি আমাদের শহরের লোকদের আল্লাহর সত্তা নিয়ে বিতর্ক করতে নিষেধ করতে দেখেছি এবং তারা কেবল তা-ই পছন্দ করতেন যা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পছন্দ করতেন।’