(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: -)
حديث أبي نصر اليونارتي   (اليونارتي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: حديث أبي نصر اليونارتي

المؤلف: أَبُو نَصْرٍ الحَسَنُ بنُ مُحَمَّدِ بنِ إِبْرَاهِيْمَ بن أَحْمَدَ بنِ عَلِيٍّ اليُونَارتِي، الأَصْبَهَانِيّ (ت 527هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 17

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু নাসর আল-ইউনারতির বর্ণিত হাদিস   (আল-ইউনারতি)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: আবু নাসর আল-ইউনারতির বর্ণিত হাদিস

লেখক: আবু নাসর আল-হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন আলি আল-ইউনারতি, আল-আসবাহানি (মৃ. ৫২৭ হি.)

প্রকাশক: ইসলামি নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অধীনস্থ জাওয়ামিউল কালিম ফ্রি প্রোগ্রামে প্রকাশিত একটি পাণ্ডুলিপি

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[গ্রন্থটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১)
مِنْ حَدِيثِ أَبِي نَصْرٍ الْيُونَارْتِيِّ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
আবু নাসর আল-ইউনারতির হাদিস থেকে। পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعُمَيْرِيُّ رحمه الله، بِهَرَاةَ، أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ حُمَيْرَوَيْهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَحْمَدَ الصَّفَّارُ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ مَعْبَدِ بْنِ نُوحٍ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا أَبُو عُقَيْلٍ، عَنْ بُرْدِ بْنِ سِنَانٍ، قَالَ: سَمِعْتُ بُكَيْرَ بْنَ فَيْرُوزٍ الدَّيْلَمِيَّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ خَافَ أَدْلَجَ، وَمَنْ أَدْلَجَ بَلَغَ الْمَنْزِلَ، أَلا إِنَّ سِلْعَةَ اللَّهِ غَالِيَةٌ، أَلا إِنَّ سِلْعَةَ اللَّهِ غَالِيَةٌ، أَلا إِنَّ سِلْعَةَ اللَّهِ الْجَنَّةُ»
১ - ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-উমাইরি (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) হেরাতে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু হাফস উমর ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমদ ইবনে হুমায়রাওয়াইহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে; আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমদ আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মুহাম্মদ ইবনুল মুসাইয়্যাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আলী ইবনে মা’বাদ ইবনে নুহ আমাকে বর্ণনা করেছেন; হাশিম ইবনুল কাসিম আমাদের বর্ণনা করেছেন; আবু আকিল আমাদের বর্ণনা করেছেন বারদ ইবনে সিনান থেকে, তিনি বলেন: আমি বুকাইর ইবনে ফাইরুজ আদ-দাইলামিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যে ব্যক্তি ভয় পায় সে রাতের প্রথম ভাগেই যাত্রা শুরু করে, আর যে রাতের প্রথম ভাগেই যাত্রা শুরু করে সে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়। সাবধান! নিশ্চয়ই আল্লাহর পণ্য অত্যন্ত মূল্যবান; সাবধান! নিশ্চয়ই আল্লাহর পণ্য অত্যন্ত মূল্যবান; সাবধান! নিশ্চয়ই আল্লাহর পণ্য হলো জান্নাত।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، هَذَا، أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدٍ التَّنُوخِيُّ، سَمِعَ ابْنَ الْحَسَنِ الشَّامِيَّ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَنْ قَرَأَ فِي لَيْلَةٍ أَلْفَ آيَةٍ لَقِيَ اللَّهَ عز وجل وَهُوَ يَضْحَكُ» .

قَالُوا: سُبْحَانَ اللَّهِ! وَمَنْ يَقْدِرُ عَلَى أَلْفِ آيَةٍ
؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُر.

وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّهَا لَتَعْدِلُ أَلْفَ آيَةٍ»
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ, ইনি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুসায়্যিব, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে উসমান ইবনে সাঈদ আত-তানুখি, তিনি ইবনুল হাসান আশ-শামিকে বলতে শুনেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস ইবনে মাইসারা, আবু আরুবাহ থেকে, আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি এক রাতে এক হাজার আয়াত পাঠ করবে, সে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লার সাথে এমতাবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তিনি হাসছেন।»

তারা বললেন: সুবহানাল্লাহ! এক হাজার আয়াত পাঠ করার সামর্থ্য কার আছে?
তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: «বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। আলহাকুমুত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহগ্রস্ত করে রেখেছে)।

সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, নিশ্চয়ই এটি এক হাজার আয়াতের সমান।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - وَأَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، هَذَا، أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، قَالَ: أنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الصَّفَّارُ، ثنا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِسْحَاقَ النَّهَاوَنْدِيُّ، بِعَسْقَلانَ، حَدَّثَنَا أَبُو زَيْدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَاتِمٍ الْمُرَادِيُّ، نا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، نا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اطْلُبُوا الْحَوَائِجَ عِنْدَ حِسَانِ الْوُجُوهِ» .

قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، مَنْ هُمْ؟ قَالَ: «مَنْ إِذَا قَضَاهَا قَضَاهَا بِوَجْهٍ
طَلْقٍ، وَإِذَا رَدَّهَا رَدَّهَا بِوَجْهٍ طَلْقٍ، فَلَرُبَّ حُسْنِ الْوَجْهِ دَمِيمٌ عِنْدَ قَضَاءِ الْحَاجَةِ، وَلَرُبَّ دَمِيمِ الْوَجْهِ حَسَنٌ عِنْدَ قَضَاءِ الْحَاجَةِ» .

قَالَ الشَّيْخُ فِي الأَحَادِيثِ الثَّلاثَةِ: غَرَائِبُ، مَا كَتَبْنَاهَا إِلا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ
৩ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আস-সাফফার, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইসহাক আন-নাহাওয়ান্দি, আসকালানে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু যায়েদ আব্দুর রহমান বিন হাতেম আল-মুরাদি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাঈদ বিন মনসুর, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা, আমর বিন দীনার থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা সুন্দর চেহারার অধিকারীদের নিকট নিজেদের প্রয়োজনসমূহ অনুসন্ধান করো।»

আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, তারা কারা? তিনি বললেন: «যারা তা পূরণ করলে প্রসন্ন
মুখে পূরণ করে এবং যদি ফিরিয়ে দেয় তবে প্রসন্ন মুখে ফিরিয়ে দেয়। কেননা অনেক সুন্দর চেহারার মানুষ প্রয়োজন পূরণের সময় কুৎসিত হয়ে যায়, আবার অনেক কুৎসিত চেহারার মানুষ প্রয়োজন পূরণের সময় সুন্দর হয়ে যায়।»

শায়খ বলেন: এই তিনটি হাদীস বিরল; আমরা এগুলো এই সূত্র ব্যতীত অন্য কোনোভাবে লিখে রাখিনি।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ أَبِي سَعْدٍ أَحْمدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْعُمَرِيُّ، أنا أَبُو الْعَبَّاسِ الْفَضْلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْكِنْدِيُّ، بِهَمَذَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ مُوسَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ إمام مسجد الْبَصْرَةِ وَصَاحِبُهُ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سَيَّارٍ النَّصِيبِيُّ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا بَحْرٌ السَّقَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ الْمَكِّيُّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يَدْخُلِ الْحَمَّامَ إِلا بِمِئْزَرٍ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يَدْخُلْ بِحَلِيلَتِهِ الْحَمَّامَ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يَأْكُلْ عَلَى مَائِدَةٍ يُشْرَبُ عَلَيْهَا الْخَمْرُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يَخْلُوَنَّ بِامْرَأَةٍ إِلا امْرَأَتَهُ أَوِ امْرَأَةٍ يُحْرَمُ عَلَيْهِ نِكَاحُهَا مِنْ نَسَبٍ أَوْ صِهْرٍ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَإِنَّ عَلَيْهِ الْجُمُعَةَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلا أَنْ يَكُونَ صَبِيًّا أَوْ مَرِيضًا أَوِ امْرَأَةً أَوْ عَبْدًا، فَمَنِ اسْتَغْنَى بِلَهْوٍ أَوْ تِجَارَةٍ اسْتَغْنَى اللَّهُ عَنْهُ، وَاللَّهُ غَنِيٌّ حَمِيدٌ»
4 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ ইবন আবি সা'দ আহমাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমাদ আল-উমারি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আল-ফজল ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-ফজল ইবন আল-আব্বাস আল-কিন্দি, হামাদানে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু খালিদ মুসা ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ, যিনি বসরার মসজিদের ইমাম ও তার সঙ্গী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন সাইয়্যার আন-নাসিবি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবন মানসুর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহর আস-সাক্কা, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জুবাইর আল-মাক্কি, জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তহবন্দ ব্যতীত গোসলখানায় প্রবেশ না করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার স্ত্রীকে গোসলখানায় প্রবেশ করতে না দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন এমন দস্তরখানে আহার না করে যেখানে মদ পান করা হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন কোনো নারীর সাথে নির্জনে অবস্থান না করে, তবে তার স্ত্রী অথবা এমন নারী ব্যতীত যার সাথে বংশগত বা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে বিবাহ হারাম। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, জুমার দিনে জুমার সালাত আদায় করা তার ওপর আবশ্যক; তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, নারী অথবা দাস এর ব্যতিক্রম। সুতরাং যে ব্যক্তি আমোদ-প্রমোদ বা ব্যবসার মাধ্যমে বিমুখতা অবলম্বন করবে, আল্লাহও তার প্রতি বিমুখ হবেন। আর আল্লাহ অভাবমুক্ত, চির প্রশংসিত।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي بْنُ الْقَاضِي بْنِ الْقَاضِي صَاعِدُ بْنُ سَيَّارِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الطَّرَّازِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ السُّلَمِيُّ، ثنا إِسْحَاقُ بْنُ بَشِيرٍ الْكَاهِلِيُّ، ثنا الْحَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ جِبْرِيلَ أَتَانِي، فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، إِنَّ اللَّهَ عز وجل أَمَرَنِي أَنْ آتِيَ مَشَارِقَ الأَرْضِ وَمَغَارِبَهَا، وَبَرَّهَا وَبَحْرَهَا، وَسَهْلَهَا وَجَبَلَهَا، فَآتِيهِ بِخَيْرِ أَهْلِ الدُّنْيَا، فَأَتَيْتُهَا، فَوَجَدْتُ خَيْرَ أَهْلِ الدُّنْيَا الْعَرَبَ، ثُمَّ أَمَرَنِي أَنْ آتِيهِ بِخَيْرِ الْعَرَبِ، فَوَجَدْتُ خَيْرَ الْعَرَبِ مُضَرَ، ثُمَّ أَمَرَنِي أَنْ آتِيهِ بِخَيْرِ مُضَرَ، فَوَجَدْتُ خَيْرَ مُضَرَ قُرَيْشًا، ثُمَّ أَمَرَنِي أَنْ آتِيهِ بِخَيْرِ قُرَيْشٍ، فَوَجُدْتُ خَيْرَ قُرَيْشٍ بَنِي هَاشِمِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، ثُمَّ أَمَرَنِي أَنْ آتِيهِ بِخَيْرِ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فَوَجَدْتُكَ خَيْرَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، وَمَا كُنْتَ يَا مُحَمَّدُ فِي صِنْفٍ مِنَ النَّاسِ إِلا كَانُوا خِيَارَ أَهْلِ الدُّنْيَا "

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ، بِنَيْسَابُورَ، قَالَ: ثنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ بَاكَوَيْهِ الشِّيرَازِيُّ، ثنا سَلامَةُ بْنُ أَحْمَدَ التَّكْرِيتِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ التَّكْرِيتِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ، نا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقُرَشِيُّ، بِالإِسْكَنْدَرِيَّةِ، قَالَ: " كُنَّا مَعَ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ رحمه الله، فَجَاءَهُ كِتَابٌ مِنْ أَهْلِهِ بِالْكُوفَةِ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ بَلَغَتِ الْحَاجَةُ بِنَا أَنَّا نَقْلِي النَّوَى فَنَأْكُلُهُ، فَبَكَى سُفْيَانُ، فَقَالَ لَهُ بَعْضُ أَصْحَابِنَا: لَوْ مَرَرْتَ إِلَى السُّلْطَانِ صِرْتَ إِلَى مَا تُرِيدُ، فَقَالَ سُفْيَانُ: وَاللَّهِ لا أَسْأَلُ الدُّنْيَا مَنْ يَمْلِكُهَا، فَكَيْفَ أَسْأَلُهَا مَنْ لا يَمْلِكُهَا؟ ".

أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ، أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الصُّوفِيُّ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ، بِأَشَنَةَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ وَاصِلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَهْلَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، رحمه الله، يَقُولُ: مَا أَنْتُمْ فِي دَارٍ لِلْمُؤْمِنِينَ قَرَارٌ، وَلا أَنْتُمْ مَتْرُوكُونَ فَتَغْفَلُونَ ، قَدْ جَاءَكُمُ الْحَقُّ فَأَعْرَضْتُمْ وَمِلْتُمْ، وَغَرَّتْكُمُ َالأَمَانِيُّ حَتَّى جَاءَ أَمْرُ اللَّهِ، وَغَرَّكُمْ بِاللَّهِ الْغَرُورُ، قَدْ رَحَلَ النَّاسُ وَأَنْتُمْ رَاحِلُونَ عَلَى آثَارِهِمْ، فَتَزَوَّدُوا زَادَ الرَّاحِلِينَ؛ فَإِنَّكُمْ إِلَى اللَّهِ عز وجل عَنْ قَلِيلٍ مُنْقَلِبُونَ، انْظُرُوا فِي الْحِكْمَةِ؛ فَإِنَّ مَنْ نَظَرَ فِيهَا وَعَمِلَ بِمَا فِيهَا أُرْشِدَ وَسُدِّدَ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: {يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلا أُولُو الأَلْبَابِ} [البقرة: 269] .

أَنْشَدَنَا الأَمِيرُ أَبُو مُحَمَّدٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْفُضَيْلِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْفُضَيْلِيُّ رحمه الله، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، فِي جَامِعِ هَرَاةَ لِنَفْسِهِ:

اخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْوَرَى تَصْعَدْ … إِلَى شُرَفٍ عَلَى شُرَفِ الْكَوَاكِبِ. . . . .

وَاصْطَدْ بِفَخِّ الْبُشْرَى بِزَهْوٍ أَمْلَحَ … وَانْثُرْ لَهَا حَبًّا مِنَ الْمَعْرُوفِ

وَاصْبِرْ عَلَى الْحَدَثَانِ إِنَّكَ لا تَرَى … حِصْنًا كَحُسْنِ الصَّبْرِ لِلْمَلْهُوفِ

لا عَيْشَ إِلا وَالزَّمَانُ كَمَا تَرَى … أَبَدًا يُكَدِّرُ صَفْوَهُ بِصُرُوفِ.
৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারকের পুত্র বিচারকের পুত্র বিচারক সাঈদ বিন সাইয়্যার বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আত-তারাজি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন ইউসুফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াযিদ আস-সুলামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন বাশির আল-কাহিলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ বিন আরতাত, আতা থেকে, ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই‌‌ জিবরীল আমার নিকট আসলেন এবং বললেন: হে মুহাম্মদ, নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ আমাকে আদেশ করেছেন যেন আমি পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তসমূহ, তার স্থলভাগ ও জলভাগ, তার সমতল ও পর্বতমালায় গমন করি, এবং তাঁর নিকট দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষদের নিয়ে আসি। অতঃপর আমি সেখানে গমন করলাম এবং দুনিয়াবাসীদের মধ্যে আরবদের শ্রেষ্ঠ পেলাম। এরপর তিনি আমাকে আরবদের মধ্যে শ্রেষ্ঠদের নিয়ে আসতে আদেশ দিলেন, তখন আমি আরবদের মধ্যে মুদার বংশকে শ্রেষ্ঠ পেলাম। এরপর তিনি আমাকে মুদার বংশের শ্রেষ্ঠদের নিয়ে আসতে আদেশ দিলেন, তখন আমি কুরাইশদের মুদার বংশের শ্রেষ্ঠ পেলাম। এরপর তিনি আমাকে কুরাইশদের মধ্যে শ্রেষ্ঠদের নিয়ে আসতে আদেশ দিলেন, তখন আমি কুরাইশদের মধ্যে বনু হাশিম বিন আব্দুল মুত্তালিবকে শ্রেষ্ঠ পেলাম। অতঃপর তিনি আমাকে বনু আব্দুল মুত্তালিবের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়ে আসার আদেশ দিলেন, তখন আমি আপনাকে বনু আব্দুল মুত্তালিবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে পেলাম। আর হে মুহাম্মদ, আপনি মানুষের যে দলেই ছিলেন না কেন, তারা দুনিয়াবাসীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে।"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল গাফফার বিন মুহাম্মদ, নিশাপুরে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ বিন বাকওয়াইহ আশ-শিরাজি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সালামাহ বিন আহমাদ আত-তিকরিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তিকরিতি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইসহাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-কুরাইশি, ইস্কান্দারিয়ায়, তিনি বলেন: "আমরা সুফিয়ান আস-সাওরী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তাঁর নিকট কুফায় অবস্থানরত তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি চিঠি আসল: হে আবু আব্দুল্লাহ, আমাদের অভাব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আমরা খেজুরের আঁটি ভেজে তা খাচ্ছি। তখন সুফিয়ান কেঁদে ফেললেন। আমাদের এক সঙ্গী তাঁকে বললেন: আপনি যদি সুলতানের নিকট যেতেন তবে আপনি যা চান তা পেয়ে যেতেন। তখন সুফিয়ান বললেন: আল্লাহর কসম, আমি এই দুনিয়ার মালিকের (আল্লাহর) নিকটই দুনিয়া চাই না, তবে আমি এমন ব্যক্তির নিকট তা কীভাবে চাইব যে এর মালিক নয়?"

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর বিন আবিল হাসান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আস-সুফি, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবিল সাররি, আশানাহ নামক স্থানে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন ওয়াসিল, তিনি বলেন: আমি সাহল বিন আব্দুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি: তোমরা এমন কোনো ঘরে নেই যা মুমিনদের জন্য স্থায়ী আবাস, আর তোমাদেরকে ছেড়েও রাখা হয়নি যে তোমরা গাফেল হয়ে থাকবে। তোমাদের নিকট সত্য এসেছে কিন্তু তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ এবং বিমুখ হয়েছ। মিথ্যা আশা তোমাদেরকে প্রতারিত করেছে যতক্ষণ না আল্লাহর নির্দেশ চলে আসল এবং মহা প্রতারক তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারিত করল। মানুষ চলে গিয়েছে আর তোমরাও তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলে যাচ্ছ। সুতরাং তোমরা প্রস্থানকারীদের ন্যায় পাথেয় সংগ্রহ করো; কেননা অচিরেই তোমরা মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। হিকমতের (প্রজ্ঞা) দিকে লক্ষ্য করো; কেননা যে ব্যক্তি তাতে দৃষ্টিপাত করে এবং তদানুযায়ী আমল করে, সে সঠিক পথ পায় ও সুদৃঢ় হয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত দান করেন। আর যাকে হিকমত দান করা হয়, তাকে নিশ্চয়ই প্রভূত কল্যাণ দান করা হয়। আর কেবল বোধশক্তিসম্পন্নরাই উপদেশ গ্রহণ করে} [বাকারা: ২৬৯]।

আমীর আবু মুহাম্মদ ইসমাইল বিন আল-ফুদাইল বিন মুহাম্মদ আল-ফুদাইলি (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর নিজস্ব কবিতা হেরাতের জামে মসজিদে আমাদের সম্মুখে আবৃত্তি করেছেন:

সৃষ্টির সামনে তোমার বিনয়ের ডানা নামিয়ে দাও, তবেই তুমি আরোহণ করবে … নক্ষত্ররাজির উপরে সুউচ্চ শিখরে। . . . .

প্রফুল্ল হাসির ফাঁদ দিয়ে শিকার করো অতি মনোরম গাম্ভীর্যের সাথে … আর তার জন্য সৎকর্মের দানা ছিটিয়ে দাও।

দুর্ঘটনায় ধৈর্য ধরো, কেননা তুমি দেখতে পাবে না … বিপদগ্রস্তের জন্য ধৈর্যের মতো উত্তম কোনো দুর্গ নেই।

জীবন কেবল দুঃখময়, আর কালচক্র যেমন তুমি দেখছ … সর্বদা তার স্বচ্ছতাকে নানা পরিবর্তনের মাধ্যমে কলুষিত করে।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الْقَاضِي قَالَ: أنا الْقَاسِمُ بْنُ جَعْفَرٍ الْهَاشِمِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ اللُّؤْلُئِيُّ نا أُبَو دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ، ثنا مُسَدَّدٌ، وَهَنَّادٌ، الْمَعْنَى قَالَ مُسَدَّدٌ: نا أَبُو الأَسْوَدِ، ثنا قُرَادٌ الْقَزَّازُ، عَنْ عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ.

وَقَالَ هَنَّادٌ: عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ أُسَيْدٍ الْغِفَارِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: كُنَّا قُعُودًا نَتَحَدَّثُ فِي ظِلِّ عَرَفَةَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم،‌‌ فَذَكَرْنَا السَّاعَةَ فَارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُنَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " لَنْ تَكُونَ أَوْ لَنْ تَقُومَ حَتَّى يَكُونَ قَبْلَهَا عَشْرُ آيَاتٍ: طُلُوعُ الشَّمْسِ مِنْ مَغْرِبِهَا، وَخُرُوجُ الدَّابَّةِ، وَخُرُوجُ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ، وَالدَّجَّالُ، وَعِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ، وَالدُّخَانُ، وَثَلاثَةُ خُسُوفٍ: خَسْفٌ بِالْمَغْرِبِ، وَخَسْفٌ بِالْمَشْرِقِ، وَخَسْفٌ بِجَزِيرَةِ الْعَرَبِ، وَكَذَلِكَ نَارٌ مِنَ الْيَمَنِ مِنْ قَعْرِ عَدَنَ تَسُوقَ النَّاسَ إِلَى الْمَحْشَرِ ".

هَكَذَا أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي سُنُنِهِ، وَقَالَ: حَدِيثٌ ثَابِتٌ
৬ - কাজী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: কাসিম বিন জাফর আল-হাশেমি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু আলী আল-লুলুই আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, মুসাদ্দাদ ও হান্নাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বর্ণনার মূল অর্থ এক। মুসাদ্দাদ বলেছেন: আবু আল-আসওয়াদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কুরাদ আল-কাযযায আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমির বিন ওয়াসিলা থেকে।

আর হান্নাদ বর্ণনা করেছেন আবু তুফায়েল থেকে, তিনি হুজায়ফা বিন উসাইদ আল-গিফারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য আরাফাতে নির্ধারিত ছায়ায় বসে কথা বলছিলাম।‌অতঃপর আমরা কিয়ামতের আলোচনা শুরু করলাম এবং আমাদের কণ্ঠস্বর উচ্চ হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত হবে না অথবা সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না তার আগে দশটি নিদর্শন প্রকাশ পায়: পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়, জন্তুর (দাব্বাহ) আবির্ভাব, ইয়াজুজ ও মাজুজের নির্গমন, দাজ্জাল, ঈসা ইবনে মরিয়াম, ধোঁয়া এবং তিনটি ভূমিধস: একটি পশ্চিমে, একটি পূর্বে এবং একটি আরব উপদ্বীপে। আর অনুরূপভাবে ইয়েমেনের আদনের গভীর তলদেশ থেকে নির্গত একটি আগুন যা মানুষকে হাশরের ময়দানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।"

এভাবেই আবু দাউদ তাঁর সুনানে এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি একটি প্রতিষ্ঠিত (সাব্যস্ত) হাদিস।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৮)
7 - أَخْبَرَنَا الْقَاضِي الإِمَامُ أَبُو عَامِرٍ مَحْمُودُ بْنُ الْقَاسِمِ الأَزْدِيُّ ، قِرَاءَةً، أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَرَّاحِيُّ، نا أَبُو الْعَبَّاسِ الْمَحْبُوبِيُّ، نا أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيُّ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ، وَغَيْرُ وَاحِدٍ، قَالُوا: ثنا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِنَّ، قَالَتِ: اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ نَوْمٍ مُخَمِّرًا وَجْهَهُ، وَهُوَ يَقُولُ: ‌‌«لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ يُرَدِّدُهَا ثَلاثَ مَرَّاتٍ وَيْلٌ لِلْعَرَبِ مِنْ شَرٍّ قَدِ اقْتَرَبَ، فُتِحَ الْيَوْمَ مِنْ رَدْمِ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مِثْلُ هَذِهِ» .

وَعَقَدَ عَشْرًا، قَالَتْ زَيْنَبُ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَفَنْهَلَكُ وَفِينَا الصَّالِحُونَ؟ قَالَ: «نَعَمْ ، إِذَا كَثُرَ الْخَبَثُ» .

هَكَذَا أَخْرَجَهُ الإِمَامُ أَبُو عِيسَى مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى الْحَافِظُ، فِي جَامِعِهِ، وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.

جَوَّدَ سُفْيَانُ هَذَا الْحَدِيثَ، وَقَالَ الْحُمَيْدِيُّ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ: حَفِظْتُ مِنَ الزُّهْرِيِّ فِي هَذَا الإِسْنَادِ، أَرْبَعَ نِسْوَةٍ: زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبَةَ، وَهُمَا رَبِيبَتَا النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ، زَوْجَيِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

وَرَوَى مَعْمَرٌ هَذَا الْحَدِيثَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ: عَنْ حَبِيبَةَ
৭ - বিচারক ইমাম আবু আমির মাহমুদ বিন কাসিম আল-আযদি পাঠ করার মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল জাব্বার বিন মুহাম্মাদ আল-জাররাহি; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্বাস আল-মাহবুবি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ঈসা আত-তিরমিজি; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাখজুমি এবং আরও একাধিক ব্যক্তি; তাঁরা বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান; তিনি জুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি জয়নব বিনতে আবি সালামাহ থেকে, তিনি হাবিবা থেকে, তিনি উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি জয়নব বিনতে জাহশ (আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চেহারা আবৃত অবস্থায় ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন এবং তিনি বলছিলেন: «আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই — এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন — সেই অনিষ্টের কারণে আরবদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর থেকে এই পরিমাণ উন্মোচিত হয়েছে»।

এবং তিনি (আঙুল দিয়ে) দশের (১০) একটি বৃত্ত তৈরি করে দেখালেন। জয়নব বলেন: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের মাঝে পুণ্যবান ব্যক্তিরা বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বললেন: «হ্যাঁ, যখন পাপাচার ও কলুষতা বৃদ্ধি পাবে»।

এভাবেই হাফিজ ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মাদ বিন ঈসা এটি তাঁর জামি গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই হাদিসটি হাসান সহিহ।

সুফিয়ান এই হাদিসটিকে অত্যন্ত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছেন। হুমাইদি সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেন: তিনি বলেন, আমি জুহরি থেকে এই সনদে চারজন নারী বর্ণনাকারী সম্পর্কে আত্মস্থ করেছি: উম্মে সালামাহর কন্যা জয়নব, তিনি হাবিবা থেকে বর্ণনা করেছেন — এবং তাঁরা উভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতিপালিত কন্যা — এবং উম্মে হাবিবা থেকে, তিনি জয়নব বিনতে জাহশ থেকে বর্ণনা করেন — তাঁরা উভয়েই নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী ছিলেন।

মা’মার এই হাদিসটি জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি সেখানে ‘হাবিবা থেকে’ অংশটি উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ৯)
8 - أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغَرْبِيُّ، بِمَدِينَةِ السَّلامِ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْبَيِّعُ، نا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَحَامِلِيُّ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ حُنْيَنٍ، ثنا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، نا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ؟ قَالَ: ‌‌«يَأْجُوجُ أُمَّةٌ، وَمَأْجُوجُ أُمَّةٌ، كُلُّ أُمَّةٍ أَرْبَعُ مِائَةِ أَلْفٍ، لا يَمُوتُ الرَّجُلُ حَتَّى يَنْظُرَ إِلَى أَلْفِ ذَكَرٍ بَيْنَ يَدَيْهِ مِنْ صُلْبِهِ، كُلُّهُمْ قَدْ حَمَلَ السِّلاحَ» .

قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صِفْهُمْ لَنَا.

قَالَ: «هُمْ ثَلاثَةُ أَصْنَافٍ، صِنْفٌ مِنْهُمْ أَمْثَالُ الأَرْزِ» .

قُلْتُ: وَمَا الأَرْزُ؟ قَالَ: «شَجَرٌ بِالشَّامِ طُولُ كُلِّ شَجَرَةٍ عِشْرُونَ وَمِائَةُ ذِرَاعٍ فِي السَّمَاءِ» .

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «هَؤُلاءِ الَّذِينَ لا يَقُومُ لَهُمْ جَبَلٌ وَلا حَدِيدٌ، وَصِنْفٌ مِنْهُمْ يَفْتَرِشُ أُذُنَهُ وَيَلْتَحِفُ بِالأُخْرَى، لا يَمُرُّونَ بِفِيلٍ وَلا وَحْشٍ وَلا جَمَلٍ وَلا خِنْزِيرٍ إِلا أَكَلُوهُ، وَمَنْ مَاتَ مِنْهُمْ أَكَلُوهُ، مُقَدِّمَتُهُمْ بِالشَّامِ، وَسَاقَتُهُمْ بِخُرَاسَانَ، يَشْرَبُونَ أَنْهَارَ الْمَشْرِقِ وَبُحَيْرَةَ الطَّبَرِيَّةِ» .

عَزِيزٌ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الأَعْمَشِ.

عَالٍ مِنْ حَدِيثِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْهُ
৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাসর বিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-গারবি, মাদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) শহরে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ আল-বায়্যি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হুসাইন বিন ইসমাইল আল-মাহামিলি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুনাইন, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক, তিনি আমাশ থেকে, তিনি শাকিক থেকে, তিনি হুজায়ফা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ইয়াজুজ ও মাজুজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি বললেন: «ইয়াজুজ একটি উম্মত এবং মাজুজ একটি উম্মত। প্রতিটি উম্মত চার লক্ষ সদস্য বিশিষ্ট। তাদের কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ মৃত্যুবরণ করে না, যতক্ষণ না সে তার নিজের ঔরসজাত এক হাজার পুরুষ সন্তানকে তার সামনে অস্ত্র ধারণ করতে দেখে»।

আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কাছে তাদের বর্ণনা দিন।

তিনি বললেন: «তারা তিন প্রকারের। তাদের এক প্রকার হলো আরজ বৃক্ষের মতো»।

আমি বললাম: আরজ কী? তিনি বললেন: «এটি শামের একটি বৃক্ষ, যার প্রতিটি গাছের উচ্চতা আকাশে একশ বিশ হাত»।

অতপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: «এরা এমন যে, কোনো পাহাড় বা লোহা তাদের সামনে টিকতে পারে না। তাদের আরেকটি প্রকার এমন যারা তাদের একটি কান বিছিয়ে দেয় এবং অন্যটি দিয়ে গা ঢেকে নেয়। তারা হাতি, বন্যপ্রাণী, উট বা শুকর—যার পাশ দিয়েই যায়, তাকেই খেয়ে ফেলে। এমনকি তাদের মধ্যে কেউ মারা গেলে তাকেও তারা খেয়ে ফেলে। তাদের অগ্রবাহিনী থাকবে শামে আর পশ্চাৎবাহিনী থাকবে খুরাসানে। তারা প্রাচ্যের নদ-নদী এবং তাবারিয়া হ্রদের পানি পান করে ফেলবে»।

মুহাম্মাদ বিন ইসহাক থেকে আমাশের সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি আজিজ পর্যায়ের।

ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে তার সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি আলি (উচ্চতর)।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১০)
9 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ أنا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الْحَافِظُ، أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَحْيَى الطَّلْحِيُّ، حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عِمْرَانَ، قَالَ: نا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْبَصْرِيُّ، نا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، نا حَرْبُ بْنُ سُرَيْجٍ، قَالَ: قُلْتُ لأَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ: جُعِلْتُ فِدَاكَ أَرَأَيْتَ هَذِهِ الشَّفَاعَةَ الَّتِي يُحَدَّثُ بِهَا فِي الْعِرَاقِ أَحَقٌّ هِيَ؟ قَالَ: شَفَاعَةُ مَاذَا؟ قُلْتُ: شَفَاعَةُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم.

قَالَ: إِي وَاللَّهِ، حَدَّثَنِي عَمِّي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: "‌‌ أْشَفَعُ لأُمَّتِي حَتَّى يُنَادِيَنِي رَبِّي عز وجل: أَرَضِيتَ يَا مُحَمَّدُ؟ فَأَقُولُ: نَعَمْ، رَبِّ رَضِيتُ ".

ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيَّ فَقَالَ:
إِنَّكُمْ تَقُولُونَ يَا مَعْشَرَ أَهْلِ الْعِرَاقِ: إِنَّ أَرْجَى آيَةٍ فِي كِتَابِ اللَّهِ عز وجل: {يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا} [الزمر: 53] .

قُلْتُ: وَإِنَّا لَنَقُولُ ذَلِكَ.

قَالَ: وَلَكِنَّا أَهْلَ الْبَيْتِ نَقُولُ: إِنَّ أَرْجَى آيَةٍ فِي كِتَابِ اللَّهِ: {وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَى} [الضحى: 5]

سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدٍ الْمُقْرِئَ، يَقُولُ: كَتَبَ إِلَيَّ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الأَصْبَهَانِيُّ ، مِنْ نَيْسَابُورَ، يُخْبِرُنِي أَنَّ أَبَا أَحْمَدَ الْحَافِظَ رحمه الله، قَالَ لَهُ: مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُبَارَكَ لَهُ فِيمَا يَكْتُبُ فَلْيَحْفَظِ الأَصَابِعَ وَاللِّسَانَ.

فَسَأَلْتُ: أَيَّ شَيْءٍ أَرَادَ بِهِ؟ قَالَ: أَمَرَنِي أَنْ آكُلَ الْحَلالَ وَلا أَكْذِبَ.
৯ - উমর ইবনে আহমদ আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া আত-তালহি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর ইবনে আহমদ ইবনে ইমরান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাসরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে আসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হারব ইবনে সুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইনকে বললাম: আমি আপনার জন্য উৎসর্গিত হই, ইরাকে যে শাফাআত (সুপারিশ) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সে সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তা কি সত্য? তিনি বললেন: কিসের শাফাআত? আমি বললাম: মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শাফাআত।

তিনি বললেন: হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ। আমার চাচা মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল হানাফিয়্যাহ আমার নিকট আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "‌‌আমি আমার উম্মতের জন্য শাফাআত করতে থাকব যতক্ষণ না আমার রব আযযা ওয়া জাল্লা আমাকে ডেকে বলবেন: হে মুহাম্মদ! আপনি কি সন্তুষ্ট হয়েছেন? তখন আমি বলব: হ্যাঁ, হে আমার রব! আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।

অতঃপর তিনি আমার দিকে মনোনিবেশ করে বললেন:
হে ইরাকবাসী সম্প্রদায়! তোমরা বলে থাকো যে, আল্লাহর কিতাবে সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক আয়াত হলো: {হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন।} [সূরা যুমার: ৫৩]।

আমি বললাম: আমরা তো তাই বলে থাকি।

তিনি বললেন: কিন্তু আমরা আহলে বাইত বলে থাকি যে, আল্লাহর কিতাবে সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক আয়াত হলো: {আর শীঘ্রই আপনার পালনকর্তা আপনাকে দান করবেন, ফলে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।} [সূরা আদ-দুহা: ৫]।

আমি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুকরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে আলী আল-আসবাহানি নিশাপুর থেকে আমার নিকট লিখেছেন, তিনি আমাকে অবহিত করেছেন যে, আবু আহমদ আল-হাফিয (রাহিমাহুল্লাহ) তাকে বলেছেন: যে ব্যক্তি তার লেখায় বরকত পেতে পছন্দ করে, সে যেন তার আঙুলসমূহ এবং জিহ্বাকে হিফাযত করে।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম: এর দ্বারা তিনি কী বুঝিয়েছেন? তিনি বললেন: তিনি আমাকে হালাল ভক্ষণ করার এবং মিথ্যা না বলার নির্দেশ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১১)
10 - أَخْبَرَنَا عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الصُّوفِيُّ، بِهَرَاةَ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ بِشْرٍ أَبُو الْحَسَنِ اللَّيْثِيُّ، قَالَ: أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُطَّلِبِ الشَّيْبَانِيُّ الْكُوفِيُّ، بِبَغْدَادَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْكَاتِبُ، قَالَ: حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ الْخُزَاعِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَعْنِي: «إِنَّمَا‌‌ الأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَلِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، مَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى مَالٍ يَأْخُذُهُ أَوِ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ» .

/رَوَاهُ الْجَمُّ الْغَفِيرُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، زُهَاءُ ثَلاثِ مِائَةِ نَفَرٍ وَأَكْثَرُ، وَمِنْ حَدِيثِ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْهُ عَزِيزٌ، وَمِنْ رِوَايَةِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيِّ الإِمَامِ عَنْهُ أَعَزُّ وَأَعَزُّ، صَدَّرَ بِهِ الْبُخَارِيُّ كِتَابَهُ، وَأَخْرَجَهُ الأَئِمَّةُ فِي كُتُبِهِمْ مِنْ طُرُقٍ شَتَّى
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা ইবন মারইয়াম আবু আব্দুল্লাহ আস-সূফী, হেরাতে, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবন বিশর আবুল হাসান আল-লাইসী, তিনি বলেন: বাগদাদে মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল মুত্তালিব আশ-শায়বানী আল-কুফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী হামযাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন ঈসা আল-কাতিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নুআইম ইবন হাম্মাদ আল-খুযাঈ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক অর্থাৎ আব্দুল্লাহ, তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবন ইব্রাহীম আত-তায়মী থেকে, তিনি আলকামাহ ইবন ওয়াক্কাস আল-লাইসী থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অর্থাৎ: “নিশ্চয়ই সকল কাজ নিয়তের সাথে সম্পৃক্ত এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তা-ই পাবে যার সে নিয়ত করেছে। যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হবে, তবে তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকেই গণ্য হবে, আর যার হিজরত পার্থিব সম্পদ অর্জনের জন্য কিংবা কোনো নারীকে বিবাহ করার জন্য হবে, তবে তার হিজরত সেই লক্ষ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।”

/ ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-আনসারী থেকে এটি এক বিশাল গোষ্ঠী বর্ণনা করেছেন, প্রায় তিনশত বা তারও অধিক ব্যক্তি। তাঁর থেকে ইবনুল মুবারকের বর্ণনায় এটি ‘আযীয’ (দুর্লভ/মর্যাদাপূর্ণ), এবং ইমাম আবু আব্দুল্লাহ আল-খুযাঈর বর্ণনায় এটি আরও বেশি দুর্লভ। ইমাম বুখারী এই হাদীসটি দিয়ে তাঁর কিতাব শুরু করেছেন এবং অন্যান্য ইমামগণও তাঁদের কিতাবসমূহে বিভিন্ন সূত্রে এটি উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১২)
11 - أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَمْرِو بْنِ أَبِي عُمَرَ الْبَخْتَرِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ، قَدِمَ عَلَيْنَا، أَخْبَرَنَا أَبُو حَسَّانٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ الْمُزَكِّي، حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مَطَرٍ الْحَافِظُ، حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى، حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«إِذَا رَأَيْتُمْ هِلالَ شَهْرِ رَمَضَانَ فَصُومُوا، وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا، فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاثِينَ يَوْمًا، ثُمَّ صُومُوا وَأَفْطِرُوا» .

وَهَذَا أَيْضًا مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ، أَمَّا الْبُخَارِيُّ فَأَخْرَجَهُ عَنِ ابْنِ بُكَيْرٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ عُقَيْلٍ.

وَأَمَّا مُسْلِمٌ فَسَاقَهُ عَنْ حَرْمَلَةَ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، كِلاهُمَا ، عَنْهُ.

وَمِنْ حَدِيثِ إِمَامِ أَهْلِ السُّنَّةِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ نُعَيْمِ بْنِ حَمَّادِ بْنِ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هَمَّامٍ الْخُزَاعِيِّ الأَعْوَرِ، عَنْ قَاضِي أَهْلِ الْمَدِينَةِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ.

عَزِيزٌ عَزِيزٌ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন আমর বিন আবি উমর আল-বাখতারি আন-নাইসাবুরি, তিনি আমাদের নিকট আগমন করেছিলেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাসসান মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন জাফর আল-মুযাক্কি; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আমর মুহাম্মদ বিন জাফর বিন মাতার আল-হাফিজ; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হামযাহ বিন মুহাম্মদ বিন ঈসা; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন নুআইম বিন হাম্মাদ; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইব্রাহিম বিন সাদ, তিনি জুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «যখন তোমরা রমজান মাসের চাঁদ দেখবে তখন রোজা রাখো, আর যখন তোমরা তা (শওয়ালের চাঁদ) দেখবে তখন রোজা ভঙ্গ করো (ঈদ করো)। যদি তোমাদের ওপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে গণনার সংখ্যা ত্রিশ দিন পূর্ণ করো, এরপর রোজা রাখো ও রোজা ভঙ্গ করো।»।

এটিও ইমাম জুহরির হাদিস থেকে এর বিশুদ্ধতার ব্যাপারে ঐকমত্যপূর্ণ। ইমাম বুখারি এটি ইবনে বুকাইর থেকে, তিনি লাইস থেকে, তিনি উকাইল থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর ইমাম মুসলিম এটি হারমালাহ থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি ইউনুস বিন ইয়াজিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ই তাঁর (জুহরি) থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর আহলে সুন্নাতের ইমাম আবু আব্দুল্লাহ নুআইম বিন হাম্মাদ বিন মুয়াবিয়া বিন হারিস বিন হাম্মাম আল-খুযায়ি আল-আওয়ারের হাদিস থেকে, তিনি মদিনাবাসীদের বিচারক ইব্রাহিম বিন সাদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল রহমান বিন আউফ থেকে, তিনি জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

মহামূল্যবান মহামূল্যবান।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১৩)
12 - أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو شُكْرٍ غَانِمُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ رحمه الله، فِيمَا أَذِنَ لِي، أَنَّ أَبَا الْفَتْحِ عَلِيَّ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ أَخْبَرَهُمْ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يُوسُفَ الأَعْرَجُ، حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُوسَى الْمَدَائِنِيُّ، حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«إِذَا سَقَطَ الْهِلالُ قَبْلَ الشَّفَقِ فَهُوَ لِلَيْلَتِهِ، وَإِذَا سَقَطَ بَعْدَ الشَّفَقِ فَهُوَ لِلَيْلَتَيْنِ»
১২ - ইমাম আবু শুকর গানিম বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্দুর রহীম (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যে বিষয়ে তিনি আমাকে অনুমতি দিয়েছেন—নিশ্চয়ই আবুল ফাতহ আলী বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুস সামাদ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল আব্বাস আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন ইউসুফ আল-আ'রাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু হামিদ আহমদ বিন জাফর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আব্বাস বিন মুসা আল-মাদায়িনী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, নুয়াইম বিন হাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, রিশদিন বিন সাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইউনুস বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: «যখন নতুন চাঁদ শাফাক (সন্ধ্যার লাল আভা) অদৃশ্য হওয়ার আগে ডুবে যায়, তখন তা সেই রাতের জন্য; আর যখন তা শাফাক অদৃশ্য হওয়ার পরে ডুবে যায়, তখন তা দুই রাতের জন্য»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১৪)
13 - أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ الأَنْصَارِيُّ، بِالنَّصْرِيَّةِ، أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، أنا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ، ثنا حَمْزَةُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبُ، ثنا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا جَاءَ شَهْرُ رَمَضَانَ قَالَ لِلنَّاسِ: ‌‌«قَدْ جَاءَكُمْ شَهْرُ رَمَضَانَ، تُفْتُحَ فِيهِ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَتُغَلُّ فِيهِ الشَّيَاطِينُ، يُعِدُّ الْمُؤْمِنُ فِيهِ الْقُوَّةَ لِلصَّوْمِ وَالصَّلاةِ، وَهُوَ نِقْمَةٌ عَلَى الْفَاجِرِ يَغْتَنِمُ فِيهِ غَفْلاتِ النَّاسِ، مَنْ حُرِمَ خَيْرَهُ فَقَدْ حُرِمَ»
১৩ - আবু বকর বিন আবু তাহির আল-আনসারি আমাদের নাসরিয়াতে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আল-বাগদাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলি বিন মুহাম্মদ আল-ওয়াররাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হামযা বিন মুহাম্মদ আল-কাতিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নুআইম বিন হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'মারের সূত্রে, তিনি যুহরির সূত্রে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রমজান মাস আসত তখন লোকদের বলতেন: «তোমাদের নিকট রমজান মাস এসেছে, এতে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়, মুমিন এতে রোজার জন্য শক্তি সঞ্চয় করে ও সালাতের জন্য; আর এটি পাপাচারীর জন্য দুর্ভোগের কারণ, যে এতে মানুষের উদাসীনতার সুযোগ নেয়। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে প্রকৃতপক্ষেই বঞ্চিত হলো।»
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১৫)
14 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ خَلَفٍ الشِّيرَازِيُّ رحمه الله، كِتَابَةً إِلَيَّ مِنْ نَيْسَابُورَ، قَبْلَ أَنْ لَقِيتُهُ، أَنَّ حَمْزَةَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمُهَلَّبِيَّ أَخْبَرَهُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَبْدِ الْقَادِرِ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ، ثنا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، ثنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، ثنا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِي كَرَبَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«عَلَيْكُمْ بِغَدَاءِ السَّحَرِ؛ فَإِنَّهُ هُوَ الْغَدَاءُ الْمُبَارَكُ» .

حَدَّثَ بِهِ الْحَافِظُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ
الدَّقَّاقُ رحمه الله فِي أَمَاليِهِ، وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ رِوَايَةِ إِمَامِ الْمَشْرِقِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ بَقِيَّةَ، وَهُوَ مِنْ رِوَايَةِ الأَكَابِرِ عَنِ الأَصَاغِرِ.

عَنْ نُعَيْمِ بْنِ حَمَّادٍ الْمَرْوَزِيِّ، وَهُوَ مِنْ جِلَّةِ الْمُحَدِّثِينَ وَأَهْلِ السُّنَّةِ الْمَشْهُورِينَ، لا أَذْكُرُ أَنِّي سَمِعْتُهُ إِلا مِنْ هَذَا الطَّرِيقِ الَّذِي سُقْتُهُ
১৪ - আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আলী ইবনে খালাফ আশ-শিরাজি (রাহিমাহুল্লাহ), নিশাপুর থেকে আমার নিকট লিখিত পত্রের মাধ্যমে, তার সাথে আমার সাক্ষাতের পূর্বে, যে হামযাহ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-মুহাল্লাবি তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে তাকে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাগদাদি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাসান ইবনে আব্দুল কাদির আল-ইসকান্দারানি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, নুআইম ইবনে হাম্মাদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, বাকিয়্যাহ ইবনে ওয়ালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মা’দান থেকে, তিনি মিকদাম ইবনে মা’দী কারিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «তোমরা শেষ রাতের খাবার (সেহরি) গ্রহণ করো; কেননা এটিই হচ্ছে বরকতময় খাবার»।

হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ
আদ-দাক্কাক (রাহিমাহুল্লাহ) তার ‘আমালি’ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এই হাদীসটি প্রাচ্যের ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারকের বর্ণনায় বাকিয়্যাহ থেকে বর্ণিত একটি বিরল (গারীব) হাদীস, আর এটি অনুজদের থেকে অগ্রজদের (ছোটদের থেকে বড়দের) বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত।

নুআইম ইবনে হাম্মাদ আল-মারওয়াযী থেকে বর্ণিত, আর তিনি মহান মুহাদ্দিসগণের এবং আহলে সুন্নাতের সুপ্রসিদ্ধ ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আমার মনে পড়ে না যে, আমি যে সূত্রে এটি বর্ণনা করেছি তা ব্যতীত অন্য কোনো সূত্রে এটি শুনেছি।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১৬)
15 - أَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّافِعِيُّ، بِأَبْهَرْزَنْجَانَ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحَمْدَ بْنِ حَاجِبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْقَاسِمُ بْنُ عَلْقَمَةَ الأَبْهَرِيُّ، ثنا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ نَصْرٍ الطُّوسِيُّ، فِي كِتَابِ الأَحْكَامِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ، حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، وَأَنْ يَسْتَقْبِلُوا قِبْلَتَنَا، وَيَأْكُلُوا ذَبِيحَتَنَا، وَيُصَلُّوا صَلاتَنَا» .

قَالَ الطُّوسِيُّ رحمه الله: وَفِي الْبَابِ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنهما، وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ، غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ، قَدْ رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، نَحْوَ هَذَا
১৫ - ইমাম আবু সাঈদ আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আশ-শাফিয়ি আবহারজানজানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাজিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আল-কাসিম ইবনে আলকামা আল-আবহারি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে আলি ইবনে নাসর আত-তুসি তার কিতাবুল আহকামে আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আজ-জুহলি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, নুআইম ইবনে হাম্মাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, ইবনুল মুবারক আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসুল, আর তারা যেন আমাদের কিবলামুখী হয়, আমাদের জবাই করা পশু ভক্ষণ করে এবং আমাদের মতো সালাত আদায় করে»।

আত-তুসি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: এই বিষয়ে মুয়াজ ইবনে জাবাল এবং আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকেও বর্ণনা রয়েছে। আর এই হাদিসটি হাসান সহিহ, এই সূত্রে এটি গরিব। ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) হাদিসু আবি নাসর আল-ইউনারতী (পৃষ্ঠা: ১৭)
16 - أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ الْفَضْلِ الْمَحْمُودِيُّ، أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْبَغْدَادِيُّ، بِهَا، أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْفَقِيهُ، سَنَةَ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نُصَيْرٍ الْخُلْدِيُّ، إِمْلاءً، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَسْرُوقٍ، ثنا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ، ثنا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا حَزْمُ بْنُ أَبِي حَزْمٍ الْقُطَعِيُّ، قَالَ: قَالَ مَيْمُونُ بْنُ سِيَاهٍ: لا تُمْهِرِ الدُّنْيَا دِينَكَ؛ فَإِنَّهُ مَنْ أَمْهَرَ الدُّنْيَا دِينَهُ زَفَّتْ إِلَيْهِ

النَّدَمَ.

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ السَّمَرْقَنْدِيُّ الْحَافِظُ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، بِنَيْسَابُورُ، أَخْبَرَنَا أَبُو بِشْرِ بْنُ هَارُونَ النَّيْسَابُورِيُّ، ثنا أَبُو سَعْدٍ الإِدْرِيسِيُّ، بِقِرَاءَتِهِ عَلَيْنَا، حَدَثَّنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْفَقِيهُ السَّمَرْقَنْدِيُّ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّمَرْقَنْدِيُّ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ النَّهْرَوَانِيُّ قَالَ:
১৬ - আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আল-কাসিম ইবনুল ফজল আল-মাহমুদী, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনুল হাসান আল-বাগদাদী সেখানে, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে সালমান আল-ফকিহ, তিনশত পঁয়তাল্লিশ হিজরী সনে, আমাদের নিকট শ্রুতলিখন হিসেবে বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নুসাইর আল-খুলদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাসরুক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর ইবনে শাব্বাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আমির, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হাজম ইবনে আবি হাজম আল-কুতায়ি, তিনি বলেন: মায়মুন ইবনে সিয়াহ বলেছেন: দুনিয়াকে তোমার দ্বীনের মোহরানা করো না; কেননা যে ব্যক্তি দুনিয়াকে তার দ্বীনের মোহরানা করে, দুনিয়া তাকে উপহার দেয়

অনুশোচনা।

আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবনে আহমাদ আস-সামারকান্দি আল-হাফিজ, নিশাপুরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু বিশর ইবনে হারুন আন-নিশাপুরী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাদ আল-ইদ্রিসি আমাদের নিকট তাঁর পাঠের মাধ্যমে, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে বাকর আল-ফকিহ আস-সামারকান্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ আস-সামারকান্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইবরাহিম আন-নাহরাওয়ানি, তিনি বলেছেন: