(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: -)
الفوائد المنتقاة على شرط الإمامين القسم: كتب السنة
الكتاب: الفوائد المنتقاة على شرط الإمامين
المؤلف: أَبُو العِزِّ مُحَمَّدُ بنُ المُخْتَارِ بنِ مُحَمَّدِ بنِ عَبْدِ الوَاحِدِ ابْنِ عَبْدِ اللهِ بن المُؤَيَّدِ بِاللهِ الهَاشِمِيّ، العَبَّاسِيّ، البَغْدَادِيّ وَيُعْرَفُ: بِابْنِ الخُص (ت 508هـ)
الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية
الطبعة: الأولى، 2004
[الكتاب مخطوط]
عدد الصفحات: 45
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
দুই ইমামের শর্তানুসারে বাছাইকৃত ফায়দাবলি বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: দুই ইমামের শর্তানুসারে বাছাইকৃত ফায়দাবলি
লেখক: আবুল ইজ্জ মুহাম্মদ বিন আল-মুখতার বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে আব্দুল্লাহ বিন আল-মুআইয়াদ বিল্লাহ আল-হাশিমী, আল-আব্বাসী, আল-বাগদাদী; এবং তিনি ইবনুল খুস নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫০৮ হিজরি)
প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি; যা ইসলামিক নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটের অন্তর্ভুক্ত বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য 'জাওয়ামিউল কালিম' প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে
সংস্করণ: প্রথম، ২০০৪
[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৫
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١)
الْجُزْءُ الأَوَّلُ مِنَ الْفَوَائِدِ الْحِسَانِ الْعَوَالِي الْمُنْتَقَاةِ الصِّحَاحِ عَلَى شَرْطِ الإِمَامَيْنِ: أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيِّ، وَأَبِي الْحُسَيْنِ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ النَّيْسَابُورِيِّ.
تَخْرِيجُ الشَّيْخِ الْحَافِظِ أَبِي عَلِيٍّ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَرْدَانِيِّ.
لِلشَّرِيفِ أَبِي الْعِزِّ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُخْتَارِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْمُؤَيَّدِ بِاللَّهِ، عَنْ شُيُوخِهِ.
بسم الله الرحمن الرحيم
দুই ইমাম—আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী এবং আবু আল-হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ আন-নাইসাবুরীর—শর্তানুযায়ী সংকলিত বিশুদ্ধ, উচ্চ সনদযুক্ত ও নির্বাচিত উত্তম ফায়দাহসমূহের প্রথম অংশ।
হাফেজ শায়খ আবু আলী আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বারদানী কর্তৃক তাখরিজকৃত।
শরীফ আবুল ইজ্জ মুহাম্মাদ ইবনুল মুখতার ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ ইবনুল মুআইয়াদ বিল্লাহ-এর জন্য তাঁর উস্তাদদের থেকে।
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّرِيفُ أَبُو الْعِزِّ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُخْتَارِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْمُؤَيَّدِ بِاللَّهِ بْنِ الْمُتَوَكِّلِ عَلَى اللِّهِ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ، قَالَ: ثنا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِيُّ، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: أنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ رضي الله عنه، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إِنَّمَا
الأَعْمَالُ بِالنِّيَّةِ، وَلِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ عز وجل فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا، أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ» .
صَحِيحٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ يَحْيَى بْنِ سَعِيدِ بْنِ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ الأَنْصَارِيِّ الْمَدَنِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي وَاقِدٍ عَلْقَمَةُ بْنُ وَقَّاصٍ اللَّيْثِيِّ.
رَوَاهُ عَنْهُ الْعَدَدُ الْكَثِيرُ وَالْجَمُّ الْغَفِيرُ مِنَ الأَئِمَّةِ الْمَذْكُورِينَ وَالْحُفَّاظِ الْمُتْقِنِينَ، وَاتَّفَقَ الإِمَامَانِ جَمِيعًا: أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ الْجُعْفِيُّ، وَأَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ الْحَجَّاجِ عَلَى إِخْرَاجِهِ فِي كِتَابَيْهِمَا.
فَأَمَّا الْبُخَارِيُّ فَأَخْرَجَهُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عِيسَى وَهُوَ أَبُو بَكْرٍ الْحُمَيْدِيُّ الْمَكِّيُّ، وَأَمَّا مُسْلِمٌ فَأَخْرَجَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ الْعَدْنِيِّ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ وَهُوَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْهِلالِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ.
وَلَهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ طُرُقٌ كَثِيرَةٌ
১ - শরীফ আবুল ইযয মুহাম্মদ ইবনুল মুখতার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল মুয়ায়্যাদ বিল্লাহ ইবনুল মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর নিকট এটি পাঠ করা হয়েছে, তিনি বলেন: শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-জাওহারী তাঁর নিজ শব্দে শ্রুতলিখন (ইমলা) স্বরূপ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতীয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুবা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস থেকে, তিনি বলেন: আমি উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: «
নিশ্চয় সমস্ত আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে যা সে নিয়ত করে। সুতরাং যার হিজরত আল্লাহ (আয্যা ওয়া জাল্লা)-র দিকে হবে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যেদিকে সে হিজরত করেছে, আর যার হিজরত হবে দুনিয়া লাভের উদ্দেশ্যে যা সে হাসিল করতে চায়, অথবা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে, তবে তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যেদিকে সে হিজরত করেছে।»
আবু সাঈদ ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ ইবনে কাইস ইবনে সাদ আল-আনসারী আল-মাদানী থেকে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল হারিস আত-তাইমী হয়ে আবু ওয়াকিদ আলকামা ইবনে ওয়াক্কাস আল-লাইসী বর্ণিত এই হাদিসটি সহীহ।
এই হাদিসটি তাঁর থেকে উল্লেখযোগ্য ইমাম ও সুদক্ষ হাফেজগণের এক বিশাল জামাত বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী আল-জু’ফী এবং ইমাম আবু আল-হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ উভয়ে এটি তাঁদের নিজ নিজ গ্রন্থে সংকলন করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।
ইমাম বুখারী এটি আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের ইবনে ঈসা থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি আবু বকর আল-হুমাইদী আল-মাক্কী। আর ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবু উমর আল-আদানী থেকে। তাঁরা সকলেই সুফিয়ান ইবনে উয়ায়না থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি আবু মুহাম্মদ আল-হিলালী, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং সহীহাইনদ্বয়ে (বুখারী ও মুসলিম) এই হাদিসের বহু সূত্র রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٣)
2 - حَدَّثَنَا الْعَدْلُ الرِّضَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ رضي الله عنه، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ، قَالَ: ثنا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: ثنا أَبِي، عَنْ ثُمَامَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ عُمَرَ رضي الله عنه
خَرَجَ بِالْعَبَّاسِ مَعَهُ لِيَسْتَسْقِيَ بِهِ ، وَيَقُولَ: «اللَّهُمَّ إِنَّا كُنَّا إِذَا قُحِطْنَا عَلَى عَهْدِ نَبِيِّنَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَسَّلْنَا إِلَيْكَ بِنَبِيِّنَا صلى الله عليه وسلم، اللَّهُمَّ إِنَّا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ بِعَمِّ نَبِيِّكَ صلى الله عليه وسلم» .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي كِتَابِهِ نَازِلا: عَنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ ، بِهَذَا.
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا أَبَا إِسْحَاقَ الْبَرْمَكِيَّ رضي الله عنه، سَمِعَهُ مِنَ الْبُخَارِيِّ وَحَدَّثَنَا بِهِ عَنْهُ.
وَكَانَتْ وَفَاةُ الْبُخَارِيِّ لَيْلَةَ الْفِطْرِ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ
২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আদল আর-রিদা আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে উমর ইবনে আহমাদ আল-বারমাকি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন), তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম আল-কাজ্জী আল-বাসরী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সুমামাহ থেকে, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)
আব্বাসকে সঙ্গে নিয়ে বৃষ্টির প্রার্থনার জন্য বের হলেন এবং বললেন: "হে আল্লাহ, আমরা যখন অনাবৃষ্টির কবলে পড়তাম আমাদের নবীর (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) যুগে, তখন আমরা আমাদের নবীর (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) মাধ্যমে আপনার নিকট অসিলা গ্রহণ করতাম। হে আল্লাহ, এখন আমরা আপনার নিকট আমাদের নবীর (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) চাচার মাধ্যমে অসিলা গ্রহণ করছি।"
ইমাম বুখারী তাঁর কিতাবে এটি 'নাযিল' (দীর্ঘতর সনদে) বর্ণনা করেছেন: হাসান ইবনে মুহাম্মাদ আজ-জা'ফরানী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, এই সূত্রে।
ফলে মনে হচ্ছে যেন আমাদের শায়খ আবু ইসহাক আল-বারমাকি (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) এটি ইমাম বুখারীর নিকট থেকে সরাসরি শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর ইমাম বুখারীর ইন্তেকাল হয়েছিল দুইশত ছাপ্পান্ন হিজরীর ঈদুল ফিতরের রাতে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٤)
3 - أَخْبَرَنَا الزَّاهِدُ النَّاطِقُ بِالْحِكْمَةِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَزْوِينِيُّ، وَمَا رَأَيْتُ فِي مَعْنَاهُ، قَالَ: ثنا الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُطَرِّفٍ الْجِرَاحِيُّ، إِمْلاءً سَنَةَ خَمْسٍ وَسَبْعِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا حَامِدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شُعَيْبٍ، قَالَ: ثنا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ ، قَالَ: ثنا هُشَيْمٌ، قَالَ: أنا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ: رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ أَتَى قَوْمًا يَتَوَضَّئُونَ، فَقَالَ لَهُمْ: أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ؛ فَإِنِّي سَمِعْتُ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:
«وَيْلٌ لِلأَعْقَابِ مِنَ النََّارِ» .أَوِ الْعَرَاقِيبِ.أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ آدَمَ وَهُوَ ابْنُ أَبِي إِيَاسٍ أَبُو الْحُسَيْنِ الْمَرْوَزِيُّ الْعَسْقَلانِيُّ، وَإِنَّمَا نَزَلَ عَسْقَلانَ فَنُسِبَ إِلَيْهَا وَهُوَ مِنْ شُيُوخِهِ الْكِبَارِ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ جَمِيلِ بْنِ طَرِيفٍ وَهُوَ أَبُو رَجَاءٍ، وَعَنْ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ الْعَبْسِيِّ الْكُوفِيِّ، وَعَنْ أَبِي كُرَيْبٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَلاءِ الْهَمْدَانِيِّ، ثَلاثَتُهُمْ قُتَيْبَةُ وَأَبُو بَكْرٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ، عَنْ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ بْنِ مَلِيحِ بْنِ فَرَسٍ الرُّؤَاسِيِّ الْكُوفِيِّ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ الْقُرَشِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِهَذَا
৩ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রজ্ঞাভাষী যাহিদ আবু হাসান আলী বিন উমর বিন মুহাম্মদ বিন হাসান আল-কাযউইনী—আর আমি তাঁর মতো অন্য কাউকে দেখিনি—তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাজী আবু আল-হুসাইন আলী বিন আল-হাসান বিন আলী বিন মুতাররিফ আল-জাররাহী, ৩৭৫ হিজরি সনে শ্রুতলিপির মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন শুআইব; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন সুরাইজ বিন ইউনুস; তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হুশাইম; তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন শু'বাহ, মুহাম্মদ বিন যিয়াদ থেকে; তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রাকে এক কওমের নিকট আসতে দেখলাম যারা ওযু করছিল, তখন তিনি তাদের বললেন: তোমরা ওযু পূর্ণরূপে সম্পন্ন করো; কারণ আমি আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:
“আগুনের কারণে গোড়ালিগুলোর জন্য ধ্বংস।” অথবা (বলেছেন) পায়ের পেশীগুলোর জন্য। এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন আদম থেকে, আর তিনি হলেন ইবনে আবি ইয়াস আবু আল-হুসাইন আল-মারওয়াযী আল-আসকালানী। তিনি আসকালানে বসতি স্থাপন করেছিলেন বিধায় তাঁর দিকেই সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে এবং তিনি তাঁর (বুখারীর) প্রবীণ উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত; তিনি শু'বাহ বিন আল-হাজ্জাজ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন কুতাইবা বিন সাঈদ বিন জামিল বিন তরীফ থেকে—যিনি আবু রাজা—এবং আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আবি শায়বাহ আল-আবসী আল-কুফী থেকে, এবং আবু কুরাইব মুহাম্মদ বিন আল-আলা আল-হামদানী থেকে; তাঁরা তিনজনই—কুতাইবা, আবু বকর ও আবু কুরাইব—ওয়াকী' বিন আল-জাররাহ বিন মালীহ বিন ফারাস আর-রুআসী আল-কুফী থেকে, তিনি শু'বাহ বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন যিয়াদ আল-কুরাশী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٥)
4 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْقَزْوِينِيُّ، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الزَّيَّاتِ ، وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَكُمْ عَلِيُّ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ زَاطِيَا، قَالَ: ثنا الْحَسَنُ بْنُ عِيسَى، قَالَ: أنا ابْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ
إِذَا رَأَى الْمَطَرَ قَالَ: «اللَّهُمَّ صَيِّبًا هَنِيًّا» .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ: عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُقَاتِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَهُوَ أَبُو عُثْمَانَ الْعَدَوِيُّ، عَنْ نَافِعٍ مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، عَنْ عَمَّتِهِ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةَ رضي الله عنهم بِذَلِكَ
৪ - আমাদের নিকট আলী ইবন উমর আল-কাযভীনি তাঁর নিজ শব্দ থেকে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-যায়্যাত-এর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: তোমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবন ইসহাক ইবন যাতিয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবন ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল মুবারক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উবাইদুল্লাহ ইবন উমর, নাফে’ থেকে, কাসিম ইবন মুহাম্মদ থেকে, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন
যখনই বৃষ্টি দেখতেন তখন বলতেন: «হে আল্লাহ! আপনি একে কল্যাণকর ও তৃপ্তিদায়ক বৃষ্টি হিসেবে দান করুন» ।
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন: মুহাম্মদ ইবন মুকাতিল থেকে, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে, উবাইদুল্লাহ ইবন উমর ইবন হাফস ইবন আসিম ইবন উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে—যিনি আবু উসমান আল-আদাভী—তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমরের মুক্তদাস নাফে’ থেকে, কাসিম ইবন মুহাম্মদ ইবন আবু বকর আস-সিদ্দীক থেকে, তিনি তাঁর ফুফু উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٦)
5 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى بْنِ صَالِحٍ الأَسْدِيُّ، قَالَ: ثنا هَوْذَةُ بْنُ خَلِيفَةَ، قَالَ: ثنا عَوْفٌ، عَنْ خِلاسٍ، وَمُحَمَّدٌ وَهُوَ ابْنُ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَن ِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ:
«إِذَا صَامَ أَحَدُكُمْ يَوْمًا فَنَسِيَ فَأَكَلَ وَشَرِبَ فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ؛ فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ عز وجل وَسَقَاهُ» .أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى بْنِ رَاشِدٍ الْقَطَّانِ الضَّبِّيِّ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ حَمَّادِ بْنِ أُسَامَةَ الْكُوفِيِّ، عَنْ عَوْفٍ وَهُوَ ابْنُ أَبِي جَمِيلَةَ الأَعْرَابِيُّ، عَنْ خِلاسٍ، وَمُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا أَبَا مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيَّ سَمِعَهُ مِنَ الْبُخَارِيِّ وَحَدَّثَنَا بِهِ عَنْهُ
৫ - আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারী আমাদের কাছে শ্রুতলিপি (ইমলা) হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: বিশর ইবনে মুসা ইবনে সালিহ আল-আসাদী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাওযাহ ইবনে খলীফাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আওফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন খিলাস ও মুহাম্মদ (যিনি ইবনে সীরীন) থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
«তোমাদের কেউ যখন কোনো একদিন রোজা রাখে, অতঃপর সে ভুলে গিয়ে কিছু আহার করে অথবা পান করে, তবে সে যেন তার রোজা পূর্ণ করে; কেননা মহান ও প্রতাপশালী আল্লাহই তাকে খাইয়েছেন এবং পান করিয়েছেন।»এটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী, ইউসুফ ইবনে মুসা ইবনে রাশিদ আল-কাত্তান আদ-দাব্বী থেকে, তিনি আবু উসামাহ হাম্মাদ ইবনে উসামাহ আল-কুফী থেকে, তিনি আওফ (যিনি ইবনে আবু জামিলা আল-আ'রাবী) থেকে, তিনি খিলাস ও মুহাম্মদ ইবনে সীরীন থেকে, তাঁরা সকলেই আবু হুরায়রা থেকে।
যেন আমাদের শাইখ আবু মুহাম্মদ আল-জাওহারী এটি সরাসরি বুখারী থেকে শুনেছেন এবং আমাদের কাছে তাঁর পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٧)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَتْحِ، وَكَانَ ثِقَةً صَدُوقًا، قَالَ: أنا يُوسُفُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَسْرُورٍ الْقَوَّاسُ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحََّمدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو نَصْرٍ التَّمَّارُ.
ثُمَّ أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الْمُؤَدِّبُ، قَالَ: ثنا عُمَرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاهِينَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو نَصْرٍ التَّمَّارُ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ:
{يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ} [المطففين: 6] .قَالَ: «يَقُومُونَ حَتَّى يَبْلُغَ الرَّشْحُ أَطْرَافَ آذَانِهِمْ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِم: عَنْ أَبِي نَصْرٍ التَّمَّارِ وَاسْمُهُ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ النَّسَائِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ وَهُوَ السِّخْتِيَانِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، بِهَذَا
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মদ বিন আলি বিন আল-ফাতহ, তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইউসুফ বিন উমর বিন মাসরুর আল-কাওয়াস; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আত-তাম্মার।
অতঃপর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব উমর বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ আল-মুয়াদ্দীব; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন উমর বিন আহমাদ বিন শাহীন; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু নাসর আত-তাম্মার; তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ বিন সালামাহ, আইয়ুব থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই আয়াতটি পাঠ করেছেন:
{যেদিন সকল মানুষ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সামনে দাঁড়াবে} [আল-মুতাফফিফীন: ৬]।তিনি বলেন: «তারা দাঁড়াবে এমনকি ঘাম তাদের কানের লতি পর্যন্ত পৌঁছে যাবে»।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন: আবু নাসর আত-তাম্মার থেকে—তাঁর নাম আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ আন-নাসায়ী—তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ আবু সালামাহ থেকে, তিনি আইয়ুব—যিনি আস-সাখতিয়ানী—থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, এই সূত্রে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٨)
7 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ الْفَقِيهُ، قَالَ: أنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ، قَالَ: ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكَجِّيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ: ثنا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ عَمَّتَهُ لَطَمَتْ جَارِيَةً فَكَسَرَتْ سِنَّهَا ، فَعَرَضُوا عَلَيْهِمُ الأَرْشَ ، فَأَبَوْا، فَطَلَبُوا الْعَفْوَ ، فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَأَمَرَهُمْ بِالْقِصَاصِ، فَجَاءَ أَخُوهَا أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَكْسِرُ سِنَّ الرُّبَيِّعِ؟ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لا نَكْسِرُ سِنَّهَا.
قَالَ: «يَا أَنَسُ
كِتَابُ اللَّهِ الْقِصَاصُ» .فَعَفَى الْقَوْمُ.فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ عز وجل لأَبَرَّهُ» .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ حُمَيْدٍ وَهُوَ ابْنُ أَبِي حُمَيْدٍ ، وَاسْمُ أَبِي حُمَيْدٍ هِلالٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَهُوَ أَبُو حَمْزَةَ النَّجَّارِيُّ، بِهَذَا وَوَقَعَ إِلَيْنَا مُوَافَقَةً
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন উমর বিন আহমদ আল-বারমাকি আল-ফকিহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আবদুল্লাহ বিন মুসলিম আল-কাজ্জি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, আনাস থেকে বর্ণিত যে, তাঁর ফুফু আর-রুবাইয়ি বিনতে আন-নাদর এক দাসীকে চড় মারলে তার দাঁত ভেঙে যায়। তখন তারা তাদের নিকট ক্ষতিপূরণ পেশ করলে তারা তা অস্বীকার করল। অতঃপর তারা ক্ষমা প্রার্থনা করল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলো। তিনি তাদের কিসাস (প্রতিশোধ) গ্রহণের নির্দেশ দিলেন। তখন তাঁর ভাই আনাস বিন আন-নাদর এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, রুবাইয়ির কি দাঁত ভেঙে ফেলা হবে? সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, তার দাঁত ভাঙা হবে না।
তিনি বললেন: «হে আনাস,
আল্লাহর বিধান হলো কিসাস (প্রতিশোধ)»।অতঃপর সেই পক্ষ ক্ষমা করে দিল।তখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন কেউ আছে, যে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে, তবে তিনি (আল্লাহ) অবশ্যই তা পূর্ণ করেন»।
এটি ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারি থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে—যিনি ইবনে আবি হুমাইদ, আর আবু হুমাইদের নাম হলো হিলাল—তিনি আনাস বিন মালিক থেকে, যিনি আবু হামজা আল-নাজ্জারি; এই সূত্রে এটি বর্ণিত এবং এটি আমাদের নিকট মুওয়াফাকাহ (ঐক্যমত্যপূর্ণ উচ্চতর সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٩)
8 - حَدَّثَنَا الْحَبْرُ الإِمَامُ أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَرَّاءِ، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ فِي الْجَامِعِ وَكَانَ الْجَمْعُ كَثِيرًا جِدًّا، قَالَ: أَنْبَا عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى بْنِ دَاوُدَ بْنِ الْجَرَّاحِ الْوَزِيرُ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ صُهَيْبٍ ، قَالَ: قَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
{لِلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَى وَزِيَادَةٌ} [يونس: 26] .قَالَ: " إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ نَادَى مُنَادٍ: إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ عز وجل مَوْعِدًا يُرِيدُ أَنْ يُنْجِزَكُمُوهُ.
فَيَقُولُونَ: مَا هُوَ؟ أَلَمْ يُثَقِّلْ مَوَازِينَنَا، وَيُبَيِّضْ وُجُوهَنَا، وَيُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ، وَيُجِرْنَا مِنَ النَّارِ؟ فَيَكْشِفُ لَهُمْ عَنِ الْحِجَابِ ، فَيَنْظُرُونَ إِلَى اللَّهِ عز وجل، فَمَا شَيْءٌ أُعْطُوهُ هُوَ أَحَبُّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَيْهِ ، وَهِيَ الزِّيَادَةُ ".
انْفَرَدَ مُسْلِمٌ بِإِخْرَاجِهِ ، فَرَوَاهُ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ وَهُوَ أَبُو خَالِدٍ الْوَاسِطِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ دِينَارٍ وَهُوَ أَبُو سَلَمَةَ الْبَصْرِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ وَهُوَ ابْنُ أَسْلَمَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْبُنَانِيُّ بَصْرِيٌّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، وَاسْمُ أَبِي لَيْلَى يَسَارٌ، عَنْ صُهَيْبٍ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا أَبَا يَعْلَى بْنَ الْفَرَّاءِ سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ، وثنا بِهِ عَنْهُ، وَكَانَتْ وَفَاةُ مُسْلِمٍ فِي سَنَةِ إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
৮ - আমাদের নিকট আল-হাবর আল-ইমাম আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনুল হোসেন ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল ফাররা নিজের মুখে পাঠ করে বর্ণনা করেছেন—যা জামে মসজিদে শ্রুত হয়েছিল এবং তখন মানুষের বিশাল সমাবেশ ছিল—তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন উজির ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ, তিনি বলেন: আমাদের খবর দিয়েছেন আবু কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবাহ ইবনে খালিদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি সুহাইব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তেলাওয়াত করলেন:
"যারা উত্তম কাজ করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ (জান্নাত) এবং আরও অধিক কিছু।" [ইউনুস: ২৬]।তিনি বললেন: "যখন জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন একজন ঘোষক ঘোষণা করবেন: মহান আল্লাহর কাছে তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি তোমাদের জন্য পূর্ণ করতে চান।
তখন তারা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের নেক আমলের পাল্লা ভারী করেননি, আমাদের চেহারাগুলো উজ্জ্বল করেননি, আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? এরপর তাদের জন্য পর্দা উন্মোচন করা হবে, ফলে তারা মহান আল্লাহর দিকে তাকাবেন। তখন তাদেরকে যা কিছু প্রদান করা হয়েছে, তার মধ্যে আল্লাহর দিকে তাকানোর চেয়ে অধিক প্রিয় তাদের কাছে আর কিছুই হবে না, আর এটিই হলো সেই 'অধিক' বা অতিরিক্ত।"
ইমাম মুসলিম এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে হারুন থেকে—যিনি আবু খালিদ আল-ওয়াসিতি, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহ ইবনে দিনার থেকে—যিনি আবু সালামাহ আল-বাসরি, তিনি সাবিত থেকে—যিনি ইবনে আসলাম আবু মুহাম্মদ আল-বুনানি আল-বাসরি, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে—আর আবু লায়লার নাম হলো ইয়াসার, এবং তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস সুহাইব থেকে।
ফলে যেন আমাদের শায়খ আবু ইয়ালা ইবনুল ফাররা এটি সরাসরি মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ থেকে শুনেছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকেই আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিমের মৃত্যু হয়েছিল ২৬১ হিজরি সালে, আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - حَدَّثَنَا الْحَاكِمُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ، مِنْ لَفْظِهِ، وَكَانَ يُقَالُ لَهُ: رَاهِبُ بَنِي الْعَبَّاسِ، وَمَا رَأَيْتُ فِي مَعْنَاهُ، قَالَ: ثنا عُمَرُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَحْمَدَ الْكِنَانِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: أنا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا الْوَلَيدُ بْنُ الْعَيْزَارِ بْنِ حُرَيْثٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ، قَالَ: حَدَّثَنِي صَاحِبُ هَذِهِ الدَّارِ وَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "
أَيُّ الأَعْمَالِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل؟ قَالَ: الصَّلاةُ لِوَقْتِهَا.قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: بِرُّ الْوَالِدَيْنِ.قُلْتُ: ثُمَّ أَيٌّ؟ قَالَ: ثُمَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل ".
قَالَ: فَحَدَّثْتُهُ بِهَذَا، وَلَوِ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي.
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ، عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ هِشَامِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ الطَّيَالِسِيِّ الْبَصْرِيِّ، وَعَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ ، جَمِيعًا عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ.
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيِّ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ شُعْبَةَ.
وَعَنْ بِنْدَارٍ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارِ بْنِ كَثِيرٍ الْعَبْدِيِّ الإِمَامِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ غُنْدَرٌ بَصْرِيٌّ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ بْنِ الْوَرْدِ أَبِي بَسْطَامٍ الْعَتْكِيِّ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ الْعَيْزَارِ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ وَاسْمُهُ سَعْدُ بْنُ إِيَاسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْهُذَلِيُّ، بِهَذَا.
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا الْقَاضِي أَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ الْمُهْتَدِي سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمِ بْنِ الْحَجَّاجِ، وَحَدَّثَنَا بِهِ عَنْهُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا
৯ - আল-হাকিম আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনে আল-মুহতাদি বিল্লাহ আমাদের নিকট তাঁর নিজ উচ্চারিত শব্দে বর্ণনা করেছেন—তাঁকে ‘বনু আব্বাসের দরবেশ’ বলা হতো এবং আমি তাঁর সমপর্যায়ের মর্যাদাবান আর কাউকে দেখিনি—তিনি বলেন: উমর ইবনে ইবরাহিম ইবনে আহমাদ আল-কিনানি আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগাওয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলি ইবনে আল-জাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: অলিদ ইবনে আল-আইজার ইবনে হুরাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আমর আশ-শাইবানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এই ঘরের মালিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—এবং তিনি তাঁর হাত দিয়ে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের ঘরের দিকে ইশারা করলেন—তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: "
মহান আল্লাহর নিকট কোন আমল সবচেয়ে বেশি প্রিয়? তিনি বললেন: নির্দিষ্ট সময়ে সালাত আদায় করা।আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা।আমি বললাম: তারপর কোনটি? তিনি বললেন: অতঃপর মহান আল্লাহর পথে জিহাদ করা।"
তিনি বলেন: আমি তাঁর নিকট থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছি, আর যদি আমি আরও বেশি জানতে চাইতাম তবে তিনি আমাকে আরও বেশি বলতেন।
এটি ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন আবু আল-ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আত-তায়ালিসি আল-বাসরি এবং সুলাইমান ইবনে হারব থেকে, তাঁরা উভয়েই শু'বাহ ইবনে আল-হাজ্জাজ থেকে।
এবং ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুয়াজ ইবনে মুয়াজ আল-আনবারি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে।
এবং বুন্দার মুহাম্মদ ইবনে বাশশার ইবনে কাসির আল-আবদি আল-ইমাম থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর গুন্দার আল-বাসরি থেকে, তিনি শু'বাহ ইবনে আল-হাজ্জাজ ইবনে আল-ওয়ারদ আবু বাসতাম আল-আতকি থেকে, তিনি অলিদ ইবনে আল-আইজার থেকে, তিনি আবু আমর আশ-শাইবানি (তাঁর নাম সাদ ইবনে ইয়াস) থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (তিনি হলেন আবু আব্দুর রহমান আল-হুজালি) থেকে—এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং মনে হচ্ছে যেন আমাদের শায়খ আল-কাদি আবুল হুসাইন ইবনে আল-মুহতাদি এটি ইমাম মুসলিম ইবনে আল-হাজ্জাজ থেকে সরাসরি শুনেছেন এবং তিনি আমাদের নিকট এটি তাঁর পক্ষ থেকেই বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١١)
10 - أَخْبَرَنَا الْوَاعِظُ أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُذْهِبِ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«يَمِينُكَ عَلَى مَا يُصَدِّقُكَ بِهِ صَاحِبُكَ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَحْيَى، وَعَنْ عَمْرِو بْنِ مُحَمَّدٍ النَّاقِدِ، جَمِيعًا عَنْ هُشَيْمِ بْنِ بَشِيرٍ وَهُوَ أَبُو مُعَاوِيَةَ الْوَاسِطِيُّ، وَكَانَ هُشَيْمٌ يَسْأَلُ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ وَهُوَ أَبُو صَالِحٍ السَّمَّانُ، وَيُقَالُ: الزَّيَّاتُ وَاسْمُهُ ذَكْوَانُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، بِهَذَا
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াজকারী আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনুল মুযহিব, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আবি সালিহ, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«তোমার শপথ সেই বিষয়ের ওপর (হবে) যাতে তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্যবাদী বলে গণ্য করে»।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং আমর ইবনে মুহাম্মাদ আন-নাকিদ থেকে, তারা উভয়ে হুশাইম ইবনে বাশির থেকে—যিনি আবু মুয়াবিয়া আল-ওয়াসিতী। হুশাইমকে এই হাদিসটি সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি সালিহ থেকে জিজ্ঞাসা করা হতো, যিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন—আর তিনি হলেন আবু সালিহ আস-সাম্মান, যাকে আয-যাইয়াতও বলা হয় এবং তার নাম যাকওয়ান—তিনি আবু হুরায়রা থেকে এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ الصَّدُوقُ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيٍّ الْخَيَّاطُ الأَزَجِّيُّ، قَالَ: أنا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيَّاتُ، قَالَ: أَنْبَا أَبُو بَكْرٍ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْمُسْتَفَاضِ الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: ثنا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ النَّاقِدُ، قَالَ: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ مُحَمَّدُ بْنُ حَازِمٍ، قَالَ: ثنا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، أَوْ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ شَكَّ الأَعْمَشُ قَالَ: لَمَّا كَانَتْ غَزْوَةُ تَبُوكَ أَصَابَ النَّاسَ مَجَاعَةٌ، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ أَذِنْتَ لَنَا فَنَحَرْنَا نَوَاضِحَنَا فَأَكَلْنَا وَادَّهَنَّا.
فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «افْعَلُوا» .
فَجَاءَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ فَعَلُوا قَلَّ الظَّهْرُ، وَلَكِنِ ادْعُهُمْ بِفَضْلِ أَزْوَادِهِمْ، ثُمَّ ادْعُ لَهُمْ عَلَيْهَا بِالْبَرَكَةِ، فَلَعَلَّ اللَّهَ عز وجل أَنْ يَجْعَلَ فِي ذَلِكَ قَالَ عَمْرٌو: قَالَ: وَحَسِبْتُ قَالَ: خَيْرًا قَالَ: فَدَعَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِنِطْعٍ فَبَسَطَهُ ثُمَّ دَعَاهُمْ بِفَضْلِ أَزْوَادِهِمْ، قَالَ: فَجَعَلَ الرَّجُلُ يَجِيءُ بِالْكَفِّ الذُّرَةِ ، وَالآخَرُ بِكَفِّ التَّمْرِ ، وَالآخَرُ بِالْكِسْرَةِ، حَتَّى اجْتَمَعَ عَلَى النِّطْعِ شَيْءٌ مِنْ ذَلِكَ، ثُمَّ دَعَا عَلَيْهِ بِالْبَرَكَةِ.
قَالَ: ثُمَّ قَالَ: «خُذُوا فِي أَوْعِيَتِكُمْ» ، قَالَ: فَأَخَذُوا فِي أَوْعِيَتِهِمْ حَتَّى مَا تَرَكُوا فِي الْعَسْكَرِ وِعَاءً إِلا مَلَئُوهُ.
قَالَ: وَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا ، وَفَضَلَ مِنْهُ فَضْلَةٌ.
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ ، لا يُلْقَى بِهَا عَبْدٌ غَيْرَ شَاكٍّ فَيُحْجَبَ عَنِ الْجَنَّةِ» .قَالَ عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ: حَدَّثَ أَبُو مُعَاوِيَةَ هَذَا الْحَدِيثَ هَاهُنَا بِبَغْدَادَ وَلَمْ يُحَدِّثْ بِهِ بِالْكُوفَةِ.
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي كُرَيْبٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْعَلاءِ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ مُحَمَّدِ بْنِ خَازِمٍ، عَنِ الأَعْمَشِ وَهُوَ سُلَيْمَانُ بْنُ مِهْرَانَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكَاهِلِيُّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، أَوْ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
بِالشَّكِّ عَنْهُمَا
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য ও অতি সত্যবাদী শাইখ আবুল কাসিম আবদুল আজিজ ইবনে আলি আল-খাইয়াত আল-আজাজি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি আজ-জায়্যাত, তিনি বলেন: আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনুল মুস্তাফাদ আল-ফিরইয়াবি, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমর ইবনে মুহাম্মদ আন-নাক্বিদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ ইবনে হাযিম, তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমাশ, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ অথবা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন—আমাশ সন্দেহ করেছেন—তিনি বলেন: যখন তাবুক যুদ্ধ সংঘটিত হলো, তখন মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ল। তারা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি আমাদের অনুমতি দিতেন, তবে আমরা আমাদের পানিবাহী উটগুলো যবেহ করতাম এবং তা থেকে খেতাম ও চর্বি ব্যবহার করতাম।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেন: «তোমরা তা করো»।
অতঃপর উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু আসলেন এবং বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! তারা যদি এমনটি করে, তবে সওয়ারির সংখ্যা কমে যাবে। বরং আপনি তাদের অবশিষ্ট পাথেয় নিয়ে আসতে বলুন, অতঃপর তাতে বরকতের জন্য তাদের অনুকূলে দোয়া করুন। সম্ভবত আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা তাতে—আমর বলেন: তিনি বলেন: আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন—কল্যাণ দান করবেন। তিনি বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি চামড়ার দস্তরখান আনতে বললেন এবং তা বিছালেন। এরপর তাদের অবশিষ্ট পাথেয়গুলো নিয়ে আসার নির্দেশ দিলেন। তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তি এক মুষ্টি ভুট্টা নিয়ে আসতে শুরু করল, কেউ এক মুষ্টি খেজুর এবং কেউ রুটির টুকরো, এভাবে দস্তরখানের ওপর সামান্য কিছু খাবার জমা হলো, অতঃপর তিনি তাতে বরকতের দোয়া করলেন।
তিনি বলেন: এরপর তিনি বললেন: «তোমাদের পাত্রগুলোতে নিতে থাকো», তিনি বলেন: তারা তাদের পাত্রগুলোতে নিতে শুরু করল, এমনকি তারা শিবিরের এমন কোনো পাত্র বাকি রাখেনি যা তারা পূর্ণ করেনি।
তিনি বলেন: তারা তৃপ্তিসহকারে খেলেন এবং কিছু অংশ অবশিষ্ট রয়ে গেল।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
«আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল। কোনো বান্দা এই সাক্ষ্য নিয়ে কোনো প্রকার সন্দেহ ব্যতিরেকে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করলে তাকে জান্নাত থেকে বঞ্চিত করা হবে না»।আমর ইবনে মুহাম্মদ বলেন: আবু মুয়াবিয়া এই হাদীসটি এখানে বাগদাদে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তিনি এটি কুফায় বর্ণনা করেননি।
ইমাম মুসলিম এটি আবু কুরাইব মুহাম্মদ ইবনুল আলা আল-হামদানি থেকে, তিনি আবু মুয়াবিয়া মুহাম্মদ ইবনে খাযিম থেকে, তিনি আমাশ (যিনি সুলাইমান ইবনে মিহরান আবু মুহাম্মদ আল-কাহিলি) থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি আবু সাঈদ অথবা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
উভয়ের বিষয়ে সন্দেহের সাথে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَتْحِ الْحَرْبِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْعَلافُ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، قَالَ: أنا شُعْبَةُ، وَشَيْبَانُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا، قَالَ:
«صَلَّيْتُ خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ رضي الله عنهم، فَلَمْ أَسْمَعْ أَحَدًا مِنْهُمْ يَجْهَرُ ببِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي مُوسَى مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى، وَبِنْدَارٌ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، عَنْ غُنْدَرٍ وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ.
وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَجَدُّهُ، عَنْ أَنَسٍ.
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا أَبَا طَالِبٍ الْعَشَّارِيَّ سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمٍ وَحَدَّثَنَا بِهِ عَنْهُ.
وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ النُّمَيْرِيِّ الْحَوْضِيِّ هَوُ أَبُو عُمَرَ الْبَصْرِيُّ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ ، بِهَذَا
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন ফাতহ আল-হারবি, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ আল-আল্লাফ, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী বিন আল-জাদ, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শু'বাহ এবং শায়বান, তাঁরা কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আনাস (রা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন:
«আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবু বকর, উমর এবং উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি, আমি তাদের কাউকেই শুনতে পাইনি ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম’ উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করতে»।
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু মুসা মুহাম্মদ বিন আল-মুসান্না এবং বিন্দার মুহাম্মদ বিন বাশশার থেকে, তাঁরা গুন্দার (যিনি হলেন মুহাম্মদ বিন জাফর) থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে।
এবং তিনি এটি আবু মুসা থেকে, তিনি আবু দাউদ থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে এবং তাঁর দাদা আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন।
যেন আমাদের শাইখ আবু তালিব আল-আশারি এটি মুসলিম থেকে শুনেছেন এবং আমাদের নিকট তা বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম বুখারী এটি হাফস বিন উমর আল-নুমায়রী আল-হাওদি (যিনি আবু উমর আল-বসরি) থেকে, তিনি শু'বাহ বিন আল-হাজ্জাজ থেকে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٤)
13 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءِ، مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: أنا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْحَرْبِيُّ السَّكُونِيُّ، سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَثَلُ الْمُؤْمِنِ مَثَلُ الزَّرْعِ لا يَزَالُ الرِّيحُ تُمِيلُهُ، وَلا يَزَالُ الْمُؤْمِنُ يُصِيبُهُ بَلاءٌ، وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ كَمَثَلِ شَجَرَةِ الأَرْزِ لا تَهْتَزُّ حَتَّى تَسْتَحْصِدَ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى بْنِ عَبْدِ الأَعْلَى السَّامِيِّ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ وَهُوَ ابْنُ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
بِهَذَا وَوَقَعَ إِلَيْنَا مُوَافَقَةً
১৩ - ইমাম আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাররা আমাদের নিকট তাঁর নিজ শব্দে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-হারবি আস-সাকুনি ৩৮৬ হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল জাব্বার আস-সুফি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল আলা বর্ণনা করেছেন, মা’মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«মুমিনের উদাহরণ হলো কোমল শস্যের ন্যায়, বাতাস যাকে সর্বদা একদিকে হেলিয়ে দেয়; তদ্রূপ মুমিন সর্বদা বিপদে আক্রান্ত হয়। আর মুনাফিকের উদাহরণ হলো আরজ (সিডার) বৃক্ষের ন্যায়, যা কর্তন করার সময় না হওয়া পর্যন্ত নড়ে না (অটল থাকে)»।
ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি শায়বাহ থেকে, তিনি আব্দুল আলা ইবনে আব্দুল আলা আস-সামি থেকে, তিনি মা’মার থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে (যিনি হলেন ইবনুল মুসাইয়িব), তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
এর মাধ্যমে হাদিসটি আমাদের নিকট (উচ্চতর সনদে) মুওয়াফাকাত হিসেবে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٥)
14 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي مُوسَى الْهَاشِمِيُّ، قَالَ: ثنا قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو مُحَمَّدٍ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مَعْرُوفٍ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى أَبِي مُحَمَّدٍ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ، وَأَنَا أَسْمَعُ، حَدَّثَكُمْ مُحَمَّدُ بْنُ زُنْبُورٍ الْمَكِّيُّ، قَالَ: نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ، أَنَّهَا
كَانَتْ تَحْتَ رَجُلٍ مِنْ بَنِي مَخْزُومٍ فَطَلَّقَهَا أَلْبَتَّةَ، فَأَرْسَلَتْ إِلَى أَهْلِهِ تَبْتَغِي النَّفَقَةَ فَقَالُوا: لَيْسَتْ عَلَيْنَا نَفَقَةٌ.
فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: «لَيْسَ لَكِ عَلَيْهِمْ نَفَقَةٌ وَعَلَيْكِ الْعِدَّةُ، فَانْتَقِلِي إِلَى أُمِّ شَرِيكٍ» .
ثُمَّ قَالَ: «أُمُّ شَرِيكٍ يَدْخُلُ عَلَيْهَا إِخْوَتُهَا مِنَ الْمُهَاجِرِينَ الأَوَّلِينَ، فَانْتَقِلِي إِلَى ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ؛ فَإِنَّهُ رَجُلٌ أَعْمَى وَإِنْ وَضَعْتِ ثِيَابَكِ لَمْ يَرَ شَيْئًا» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ وَهُوَ أَبُو زَكَرِيَّا الْعَابِدُ الْمُقَابِرِيُّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ الْمَدَنِيِّ الأَنْصَارِيِّ الدَّرَقِيِّ مُؤَدِّبِ مَنْصُورِ بْنِ الْمَهْدِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ فَاطِمَةَ ، بِهَذَا
১৪ - আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আবি মুসা আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: প্রধান বিচারপতি আবু মুহাম্মাদ উবাইদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মারূফ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মাদ বিন সাঈদের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন যুনবুর আল-মাক্কী আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন জা’ফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আমর আবু সালামাহ থেকে এবং তিনি ফাতিমা বিনতে কাইস থেকে বর্ণনা করেন যে,
তিনি বনু মাখযুম গোত্রের এক ব্যক্তির বিবাহবন্ধনে ছিলেন, অতঃপর সে তাকে চূড়ান্তভাবে তালাক দিয়ে দেয়। তিনি তার (স্বামীর) পরিবারের নিকট ভরণপোষণের দাবি জানিয়ে লোক পাঠালেন, তারা বলল: আপনার ভরণপোষণের কোনো দায়ভার আমাদের উপর নেই।এই সংবাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছালে তিনি বললেন: «তাদের পক্ষ থেকে তোমার জন্য কোনো ভরণপোষণ নেই, তবে তোমার ইদ্দত পালন করা আবশ্যক; সুতরাং তুমি উম্মু শারীকের নিকট চলে যাও।»
অতঃপর তিনি বললেন: «উম্মু শারীকের নিকট প্রথম হিজরতকারী মুহাজিরদের মধ্য থেকে তাঁর ভাইয়েরা যাতায়াত করে। সুতরাং তুমি ইবনে উম্মু মাকতূমের নিকট চলে যাও; কেননা সে একজন অন্ধ ব্যক্তি, তুমি তোমার পোশাক সরিয়ে রাখলেও সে কিছু দেখতে পাবে না।»
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আইয়্যুব থেকে—যিনি হলেন আবু যাকারিয়া আল-আবিদ আল-মুকাবিরী—তিনি ইসমাঈল বিন জা’ফর বিন আবি কাসীর আল-মাদানী আল-আনসারী আদ-দারাফী (যিনি মানসুর বিন আল-মাহদীর শিক্ষক ছিলেন) থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আমর থেকে, তিনি আবু সালামাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ থেকে এবং তিনি ফাতিমা থেকে এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٦)
15 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءِ، قَالَ: أنا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ حُبَابَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَيْشِيُّ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ يَعْنِي ابْنَ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " إِنَّ
اللَّهَ عز وجل إِذَا قَضَى الأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ ضَرَبَتِ الْمَلائِكَةُ أَجْنِحَتَهَا خُضْعَانًا لِقَوْلِهِ كَصَوْتِ السِّلْسِلَةِ عَلَى الصَّفْوَانِ، فَذَلِكَ قَوْلُهُ عز وجل: {حَتَّى إِذَا فُزِّعَ عَنْ قُلُوبِهِمْ قَالُوا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ قَالُوا الْحَقَّ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ} [سبأ: 23] .
قَالَ: وَمُسْتَرِقُ السَّمْعِ رُبَّمَا أَدْرَكَهُ الشِّهَابُ قَبْلَ أَنْ يَرْمِيَ إِلَى صَاحِبِهِ بِهَا، وَرُبَّمَا لَمْ يُدْرِكْهُ الشِّهَابُ حَتَّى يَرْمِيَ بِهَا إِلَى صَاحِبِهِ، فَيَرْمِي بِهَا هَذَا إِلَى هَذَا وَهَذَا إِلَى هَذَا، حَتَّى تُلْقَى عَلَى فَمِ سَاحِرٍ أَوْ كَاهِنٍ فَيَكْذِبَ مَعَهَا مِائَةَ كِذْبَةٍ، قَالَ: فَنُصَدِّقُ وَنَقُولُ: أَلَمْ يُخْبِرْ يَوْمَ كَذَا وَكَذَا وَيَوْمَ كَذَا وَكَذَا؟ فَوَجَدْنَاهُ حَقًّا وَهِيَ الْكَلِمَةُ الَّتِي سُمِعَتْ مِنَ السَّمَاءِ ".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنِ الإِمَامِ أَبِي الْحُسَيْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ الْمَدِينِيِّ، وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ وَهُوَ الْحُمَيْدِيُّ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو وَهُوَ ابْنُ دِينَارٍ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ ، قَهْرَمَانُ آلِ الزُّبَيْرِ غَيْرُ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ الَّذِي يَرْوِي عَنْهُ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، وَقَهْرَمَانُ آلِ الزُّبَيْرِ عِنْدَهُمْ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ الْمَكِّيُّ أَبُو مُحَمَّدٍ الأَثْرَمُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
15 - ইমাম আবু ইয়া'লা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাররা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সংবাদ প্রদান করেছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে হুবাবাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আইশি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান অর্থাৎ ইবনে উয়ায়নাহ, আমর থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু হুরায়রা বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে, তিনি বলেছেন: "নিশ্চয়ই
মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ যখন আসমান থেকে কোনো বিষয়ে ফয়সালা করেন, তখন ফেরেশতারা তাঁর বাণীর প্রতি অনুগত হয়ে নিজেদের ডানাগুলো নাড়তে থাকেন, যা যেন মসৃণ পাথরের ওপর শিকল চলার শব্দের মতো। আর এটিই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর বাণী: {অবশেষে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় দূর করা হয়, তখন তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করে, তোমাদের পালনকর্তা কী বললেন? তারা বলে, তিনি যা বলেছেন তা সত্য এবং তিনি সুউচ্চ, সুমহান।} [সাবা: ২৩] ।
তিনি বলেন: "আর আড়ি পেতে শ্রবণকারী শয়তান সম্ভবত উল্কাপিণ্ড তাকে আঘাত করার আগেই তার সাথীর কাছে কথাটি পৌঁছে দেয়, আবার কখনও কখনও উল্কাপিণ্ড তাকে স্পর্শ করার আগেই সে তার সাথীর কাছে কথাটি পৌঁছে দেয়। এভাবে তারা একে অপরের কাছে কথাটি পৌঁছাতে থাকে, যতক্ষণ না তা কোনো জাদুকর বা গণকের মুখে নিক্ষিপ্ত হয়। এরপর সে তার সাথে আরও একশটি মিথ্যা যোগ করে। তিনি বলেন: ফলে আমরা তা বিশ্বাস করি এবং বলি: অমুক অমুক দিন এবং অমুক অমুক দিন কি সে আমাদের সংবাদ দেয়নি? অতঃপর আমরা তা সত্য হিসেবে পাই। আর এটিই সেই কথা যা আসমান থেকে শোনা হয়েছিল।"
এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন ইমাম আবু হুসাইন আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আল-মাদিনি থেকে এবং আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের—যিনি আল-হুমায়দি—থেকে, তারা উভয়েই সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ থেকে, আমর থেকে—যিনি ইবনে দিনার। আমর ইবনে দিনার, জুবায়ের বংশের ম্যানেজার, তিনি সেই আমর ইবনে দিনার নন যার থেকে সুফিয়ান ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেন; আর জুবায়ের বংশের ম্যানেজার তাদের নিকট পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী (মাতরুকুল হাদিস), মক্কার অধিবাসী আবু মুহাম্মদ আল-আছরাম, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٧)
16 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُذْهِبِ، قَالَ: أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ، قَالَ: أَنْبَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي رضي الله عنه، قَالَ: ثنا هُشَيْمٌ، قَالَ: أنا أَبُو بِشْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«خَيْرُ أُمَّتِي الْقَرْنُ الَّذِي بُعِثْتُ فِيهِمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ» وَاللَّهُ أَعْلَمُ قَالَ الثَّالِثَةَ أَمْ لا: «ثُمَّ يَجِيءُ قَوْمٌ يُحِبُّونَ الشَّهَادَةَ يَشْهَدُونَ قَبْلَ أَنْ يُسْتَشْهَدُوا» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيِّ، عَنْ هُشَيْمٍ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ وَهُوَ جَعْفَرُ بْنُ أَبِي وَحْشِيَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ الْعُقَيْلِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান ইবন আলী ইবনুল মুযহিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবন জাফর ইবন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হুশাইম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বিশর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবন শাকীক থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
«আমার উম্মতের শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম হলো তারা যাদের মাঝে আমাকে পাঠানো হয়েছে, অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী আসবে, অতঃপর যারা তাদের পরবর্তী আসবে»—আর আল্লাহই ভালো জানেন তিনি তৃতীয়বারটি বলেছেন কি না—: «অতঃপর এমন এক সম্প্রদায়ের আগমন ঘটবে যারা সাক্ষ্য দিতে পছন্দ করবে, তাদের নিকট সাক্ষ্য চাওয়ার পূর্বেই তারা সাক্ষ্য প্রদান করবে»।
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব ইবন ইব্রাহিম আদ-দাওরাকী থেকে, তিনি হুশাইম থেকে, তিনি আবু বিশর থেকে—আর তিনি হলেন জাফর ইবন আবি ওয়াহশিয়া—তিনি আবদুল্লাহ ইবন শাকীক আল-উকায়লী থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٨)
17 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْفَتْحِ الْحَرْبِيُّ رضي الله عنه، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ دَوَسْتٍ، قَالَ: أنا يَحْيَى بْنُ صَاعِدٍ، قَالَ: ثنا بِنْدَارٌ، قَالَ: ثنا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، قَالَ: ثنا شُعْبَةُ، عَنْ حَمْزَةَ الضَّبِّيِّ، وَأَبُو التَّيَّاحِ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، بِمِثْلِ حَدِيثٍ مَتْنُهُ:
«بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ» .أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ بِنْدَارٍ مُحَمَّدِ بْنِ بَشَّارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ وَهُوَ أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ شُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ حَمْزَةَ الضَّبِّيِّ، وَأَبِي التَّيَّاحِ يَزِيدَ بْنِ حُمَيْدٍ، جَمِيعًا عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه ، بِهَذَا.
وَوَقَعَ إِلَيْنَا مُوَافَقَةً
১৭ - মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আল-ফাতহ আল-হারবি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বিন দাওয়াসত আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইয়াহইয়া বিন সাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: বুন্দার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ইবন আবি আদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: শুবা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন হামযাহ আদ-দব্বি এবং আবু আত-তায়্যাহ থেকে, তারা আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন যার মূল পাঠ হলো:
«আমি এবং কিয়ামত এই দুটির মতো প্রেরিত হয়েছি»।এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন বুন্দার মুহাম্মাদ বিন বাশশার থেকে, তিনি ইবন আবি আদি থেকে—যিনি হলেন আবু আমর মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম—তিনি শুবা বিন আল-হাজ্জাজ থেকে, তিনি হামযাহ আদ-দব্বি এবং আবু আত-তায়্যাহ ইয়াযিদ বিন হুমাইদ থেকে, তারা সকলে আনাস বিন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
এবং এটি আমাদের নিকট 'মুওয়াফাকাত' (উচ্চতর সনদসূত্রে মিলন) হিসেবে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ١٩)
18 - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَلِيٍّ الأَزَجِّيُّ، قَالَ: أَنْبَا عُمَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الزَّيَّاتِ، قَالَ: ثنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ، قَالَ: نا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي النَّضْرِ، قَالَ: ثنا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: ثنا عُبَيْدُ اللَّهِ الأَشْجَعِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَسِيرٍ فَنَفِدَتْ أَزْوَادُ الْقَوْمِ، قَالَ أَحَدُهُمْ: نَنْحَرُ بَعْضَ جِمَالِهِمْ.
قَالَ: فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوْ جَمَعْتَ مَا بَقِيَ مِنْ أَزْوَادِ الْقَوْمِ فَدَعَوْتَ اللَّهَ عز وجل عَلَيْهَا، فَفَعَلَ ، فَجَاءَ ذُو التَّمْرَةِ بِتَمْرِهِ وَذُو الْبُرِّ بِبُرِّهِ.
قَالَ مُجَاهِدٌ: وَذُو النَّوَى بِنَوَائِهِ.
قَالَ: فَقُلْتُ: وَمَا كَانُوا يَصْنَعُونَ بِالنَّوَى؟ قَالَ: يَمُصُّونَهُ وَيَشْرَبُونَ عَلَيْهِ الْمَاءَ.
قَالَ: فَدَعَا عَلَيْهَا حَتَّى مَلأَ الْقَوْمُ أَزْوِدَتَهُمْ.
قَالَ: فَقَالَ عَنْ ذَلِكَ:
«أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، لا يُلْقَى بِهِمَا عَبْدٌ غَيْرَ شَاكٍّ فِيهِمَا إِلا دَخَلَ الْجَنَّةَ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ هَكَذَا عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي النَّضْرِ، كَمَا أَخْرَجْنَاهُ عَنْ أَبِي النَّضْرِ هَاشِمِ بْنِ الْقَاسِمِ الْكِنَانِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَشْجَعِيِّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ الْبَجْلِيِّ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ وَهُوَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الأَيَّامِيُّ قَارِئُ أَهْلِ الْكُوفَةِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ وَهُوَ الزَّيَّاتُ وَالسَّمَّانُ أَيْضًا، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَلَيْسَ لِطَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ فِي الصَّحِيحِ غَيْرُ هَذَا الْحَدِيثِ، وَوَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا وَمُوَافَقَةً
১৮ - আব্দুল আজিজ বিন আলী আল-আজাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: ওমর বিন আলী ইবনুল জাইয়্যাত আমাদের খবর দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরয়াবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু বকর বিন আবি আন-নাদর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: উবায়দুল্লাহ আল-আশজায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক বিন মিগওয়াল থেকে, তিনি তালহা বিন মুসাররিফ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা এক সফরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। তখন লোকদের পাথেয় ফুরিয়ে গেল। তাদের একজন বলল: আমরা তাদের কিছু উট জবাই করি।
তিনি বলেন: তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি যদি লোকদের অবশিষ্ট পাথেয়গুলো একত্রিত করতেন এবং তার ওপর মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন (তবে ভালো হতো)। অতঃপর তিনি তাই করলেন। তখন খেজুরের অধিকারী ব্যক্তি তার খেজুর নিয়ে আসল এবং গমের অধিকারী ব্যক্তি তার গম নিয়ে আসল।
মুজাহিদ বলেন: আর খেজুরের আঁটির অধিকারী ব্যক্তি তার আঁটি নিয়ে আসল।
তিনি বলেন: আমি জিজ্ঞাসা করলাম: তারা আঁটি দিয়ে কী করত? তিনি বললেন: তারা তা চুষত এবং তার ওপর পানি পান করত।
তিনি বলেন: অতঃপর তিনি সেগুলোর ওপর দোয়া করলেন, এমনকি লোকেরা তাদের পাথেয় রাখার থলিগুলো পূর্ণ করে নিল।
তিনি বলেন: এরপর তিনি এ সম্পর্কে বললেন:
«আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল। কোনো বান্দা এই দুই সাক্ষ্যের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ পোষণ না করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করলে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে»।
ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর বিন আবি আন-নাদর থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন, যেভাবে আমরা আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম আল-কিনানি থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-আশজায়ি থেকে, তিনি মালিক বিন মিগওয়াল আল-বাজালি থেকে, তিনি তালহা বিন মুসাররিফ থেকে—যিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-ইয়ামি এবং কুফাবাসীদের ক্বারি—তিনি আবু সালিহ থেকে—যিনি আল-জাইয়্যাত ও আস-সাম্মান হিসেবেও পরিচিত—তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
সহিহ গ্রন্থে আবু সালিহ থেকে তালহা বিন মুসাররিফের এই একটি মাত্র হাদিস রয়েছে। এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদ এবং সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
19 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لَوْلَوٍ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، وَكَانَ مِنَ الثِّقَاتِ الْمَأْمُونِينَ ، وَمِنْ عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ رحمه الله ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَبَّاسِ الطَّيَالِسِيُّ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "
بَيْنَمَا أَيُّوبُ عليه السلام يَغْتَسِلُ عُرْيَانًا خَرَّ عَلَيْهِ جَرَادٌ مِنْ ذَهَبٍ، فَجَعَلَ يَحْثُوا فِي ثَوْبِهِ، فَنَادَاهُ رَبُّهُ تَعَالَى: يَا أَيُّوبُ أَلَمْ أَكُنْ أُغْنِيكَ؟ قَالَ: بَلَى ، وَلَكِنْ لا غِنَى لِي عَنْ بَرَكَاتِكَ ".
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْهُ تَعْلِيقًا مُسْتَشْهِدًا بِهِ، قَالَ: وَرَوَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَصَفْوَانُ يُكْنَى أَبَا الْحَارِثِ وَهُوَ مَوْلَى حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيِّ، وَكَانَ أَحَدَ الْعُبَّادِ الْمُجْتَهِدِينَ ، وَهُوَ عَزِيزُ الْحَدِيثِ ، وَالْحُفَّاظُ مِنَ الْمُحَدِّثِينَ يُعْنَوْنَ بِجَمْعِ حَدِيثِهِ
১৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম উবাইদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন লুলু, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি, আর তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের একজন (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)। তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আব্বাস আত-তায়ালিসি। তিনি বলেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আহমাদ বিন হাফস বিন আবদুল্লাহ। তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: ইবরাহিম বিন তাহমান আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন সুলাইম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "
একদা আইয়ুব (আলাইহিস সালাম) যখন বিবস্ত্র অবস্থায় গোসল করছিলেন, তখন তাঁর ওপর সোনার পঙ্গপাল ঝরে পড়তে লাগল। তিনি তা অঞ্জলি ভরে তাঁর কাপড়ে সংগ্রহ করতে লাগলেন। তখন তাঁর মহান রব তাঁকে ডেকে বললেন: হে আইয়ুব, আমি কি তোমাকে যা দেখছ তা থেকে অমুখাপেক্ষী (ধনী) করে দিইনি? তিনি বললেন: অবশ্যই, কিন্তু আপনার বরকত থেকে আমার অমুখাপেক্ষী হওয়ার উপায় নেই।"
ইমাম বুখারী এটি তাঁর থেকে দলীল হিসেবে মুয়াল্লাক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: এটি বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন তাহমান, মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি সাফওয়ান বিন সুলাইম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে।
সাফওয়ানের উপনাম হলো আবুল হারিস এবং তিনি হুমাইদ বিন আবদুর রহমান বিন আউফ আল-জুহরীর মুক্তদাস ছিলেন। তিনি অত্যন্ত পরিশ্রমী ইবাদতগুজার ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। তাঁর বর্ণিত হাদীস অত্যন্ত মূল্যবান, এবং হাদীস বিশারদ হাফেজগণ তাঁর হাদীসসমূহ সংগ্রহ করার ব্যাপারে অত্যন্ত যত্নশীল ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢١)
20 - أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ لَوْلَوٍ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ ، إِمْلاءً، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ الْحَاسِبُ، قَالَ: ثنا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: ثنا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ لِيَقْتَطِعَ بِهَا مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ لَقِيَ اللَّهَ عز وجل وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ»
২০ - উবাইদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে লুলু আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মানসুর আল-হাসিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-আ’মাশ থেকে, তিনি শাকিক থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম ব্যক্তির সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করবে, সে মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, তিনি তার ওপর রাগান্বিত থাকবেন»
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
21 - فَقَالَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ فِي ذَلِكَ:
كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَ رَجُلٍ مِنَ الْيَهُودِ أَرْضٌ فَجَحَدَنِي ، فَقَدَّمْتُهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ لِي: «أَلَكَ بَيِّنَةٌ؟» قُلْتُ: لا.
فَقَالَ الْيَهُودِيُّ: أَحْلِفُ.
فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِذَنْ وَاللَّهِ يَذْهَبُ مَالِي.
فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى: {إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلا} [آل عمران: 77] .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي مُسْنَدِ الأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ وَهُوَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكِنْدِيُّ، عَنْ مُحَمَّدٍ، غَيْرَ مَنْسُوبٍ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ مُحَمَّدِ بْنِ حَازِمٍ الضَّرِيرِ مَوْلَى بَنِي تَمِيمٍ الْكُوفِيِّ، عَنِ الأَعْمَشِ وَهُوَ سُلَيْمَانُ بْنُ مِهْرَانَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكَاهِلِيُّ، عَنْ شَقِيقٍ وَهُوَ ابْنُ سَلَمَةَ أَبُو وَائِلٍ الأَسْدِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ الْهُذَلِيِّ، وَعَنِ الأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ، وَأَوَّلُ الْحَدِيثِ رِوَايَةُ ابْنُ مَسْعُودٍ، وَآخِرُهُ رِوَايَةُ الأَشْعَثِ
২১ - অতঃপর আশআছ ইবনে কায়েস এই বিষয়ে বললেন:
আমার এবং জনৈক ইহুদি ব্যক্তির মাঝে একখণ্ড জমি নিয়ে বিরোধ ছিল, অতঃপর সে আমার দাবি অস্বীকার করল। তখন আমি তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট নিয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন: «তোমার কি কোনো প্রমাণ আছে?» আমি বললাম: না।
তখন ইহুদি বলল: আমি শপথ করব।
আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তাহলে আল্লাহর কসম, আমার সম্পদ হাতছাড়া হয়ে যাবে।
তখন আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করলেন: {নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে} [আল ইমরান: ৭৭]।
ইমাম বুখারি এটি আশআছ ইবনে কায়েস—যিনি আবু মুহাম্মদ আল-কিন্দি—এর মুসনাদে উদ্ধৃত করেছেন; তিনি মুহাম্মদ—যার বংশ পরিচয় অনুল্লিখিত—থেকে, তিনি বনু তামীম আল-কুফী গোত্রের আযাদকৃত দাস আবু মুআবিয়া মুহাম্মদ ইবনে হাযিম আল-দারীর থেকে, তিনি আল-আমাশ থেকে—যিনি সুলায়মান ইবনে মিহরান আবু মুহাম্মদ আল-কাহিলি—তিনি শাকীক থেকে—যিনি ইবনে সালামাহ আবু ওয়ায়েল আল-আসাদি—তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ আল-হুযালি এবং আশআছ ইবনে কায়েস থেকে বর্ণনা করেছেন। হাদিসটির প্রথমাংশ ইবনে মাসউদের বর্ণনা এবং শেষাংশ আশআছের বর্ণনা।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
22 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْمُذْهِبُ، قَالَ: أنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ، قَالَ: أنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: ثنا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: ثنا سُفْيَانُ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«لا يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدَهُ إِلا أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيَشْتَرِيَهُ فَيُعْتِقَهُ» .أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ الْعَبْسِيِّ، عَنْ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ، عَنْ سُفْيَانَ وَهُوَ ابْنُ سَعِيدِ بْنِ مَسْرُوقٍ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الثَّوْرِيُّ، ثَوْرُ هَمْدَانَ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِهَذَا.
وَسُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ ثِقَةٌ أَمِينٌ، وَكَانَ مِنْ عُبَّادِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ ، حَدَّثَ عَنْ أَبِيهِ أَبِي صَالِحٍ ذَكْوَانَ، ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ أَخِيهِ، عَنْ أَبِيهِ، ثُمَّ حَدَّثَ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِيهِ، ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُقْسِمٍ، عَنْ أَبِيهِ
২২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আলী আল-মুজহিব, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন জাফর বিন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসহাক বিন ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সুফিয়ান, সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«সন্তান তার পিতার ঋণের প্রতিদান দিতে পারে না, তবে যদি সে তাকে ক্রীতদাস হিসেবে পায়, এরপর তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দেয়।» এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবি শায়বা আল-আবসি থেকে, তিনি ওয়াকি বিন আল-জাররাহ থেকে, তিনি সুফিয়ান—যিনি ইবনে সাঈদ বিন মাসরুক আবু আবদুল্লাহ আস-সাওরি, সাওরে হামদান—থেকে, তিনি সুহাইল বিন আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে এই সনদে।আর সুহাইল বিন আবি সালিহ ছিলেন নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, তিনি মদিনার ইবাদতগুজার ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা আবু সালিহ জাকওয়ান থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন, এরপর তাঁর ভাই থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, এরপর আমাশ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, এরপর উবায়দুল্লাহ বিন মুকসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
23 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، إِمْلاءً، قَالَ: أنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الأَنْبَارِيُّ، قَالَ: ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: ثنا عَلِيُّ بْنُ مِسْهَرٍ، قَالَ: أنا الْمُخْتَارُ بْنُ فُلْفُلٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ أَظْهُرِنَا إِذْ أَغْفَى إِغْفَاءَةً، ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مُبْتَسِمًا، قُلْنَا: مَا أَضْحَكَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: " نَزَلَتْ عَلَيَّ سُورَةٌ، فَقَرَأَ: بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ {إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الأَبْتَرُ} [سورة الكوثر 1 3] .
ثُمَّ قَالَ:
هَلْ تَدْرُونَ مَا الْكَوْثَرُ؟ قُلْنَا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ.قَالَ: فَإِنَّهُ نَهْرٌ فِي الْجَنَّةِ وَعَدَنِيهِ رَبِّي عز وجل، هُوَ حَوْضِي يَرِدُ عَلَيْهِ أُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ، آنِيَتُهُ عَدَدُ النُّجُومِ ".
وَذَكَرَ بَاقِيَهُ.
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مِسْهَرٍ قَاضِي الْمَوْصِلِ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ.
بِهَذَا وَوَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُوَافَقَةً أَيْضًا
২৩ - আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারী আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আলী ইবনে ইসমাইল ইবনে উবাইদুল্লাহ আল-আনবারী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে মিসহার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-মুখতার ইবনে ফুলফুল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আনাস ইবনে মালিক থেকে, তিনি বলেন: একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের মাঝে ছিলেন, তখন তিনি কিছুটা তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন, অতঃপর তিনি হাস্যোজ্জ্বল মুখে মাথা তুললেন। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে হাসালো? তিনি বললেন: "এইমাত্র আমার ওপর একটি সূরা নাযিল হয়েছে, অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। {নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাউসার দান করেছি। অতএব আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবানী করুন। নিশ্চয়ই আপনার বিদ্বেষীই লেজকাটা/নির্বংশ} [সূরা আল-কাউসার ১-৩]।"
অতঃপর তিনি বললেন:
তোমরা কি জানো কাউসার কী? আমরা বললাম: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই সবচেয়ে ভালো জানেন।তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এটি জান্নাতের একটি নহর (নদী) যার প্রতিশ্রুতি আমার রব আজ্জা ওয়া জাল্লা আমাকে দিয়েছেন। এটি হলো আমার হাউজ, যেখানে কিয়ামতের দিন আমার উম্মত পানি পান করতে আসবে, এর পানপাত্রের সংখ্যা আকাশের নক্ষত্ররাজির ন্যায় অসংখ্য।"
এবং তিনি এর অবশিষ্ট অংশ উল্লেখ করেছেন।
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি মসুলের বিচারক আলী ইবনে মিসহার থেকে, তিনি আল-মুখতার ইবনে ফুলফুল থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে।
এই সূত্রে এবং আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহর হাদীস থেকে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর সনদে (আলি) পৌঁছেছে এবং এটি একটি মুওয়াফাকাত (অন্যতম সামঞ্জস্যপূর্ণ রেওয়ায়েত) হিসেবেও সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
24 - حَدَّثَنَا الْحَاكِمُ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ، مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: أنا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَهْدِيٍّ، قَالَ: أَنْبَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنُ عَيَّاشٍ الْقَطَّانُ، قَالَ: ثنا أَبُو الأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ، قَالَ: ثنا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ:
مَا مَسَسْتُ دِيبَاجًا وَلا حَرِيرًا وَلا شَيْئًا كَانَ أَلْيَنَ مِنْ كَفِّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَلا شَمَمْتُ رَائِحَةً قَطُّ أَطْيَبَ مِنْ رِيحِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، وَلَقَدْ خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَشْرَ سِنِينَ فَوَاللَّهِ مَا قَالَ لِي أُفٍّ قَطُّ، وَلا قَالَ لِشَيْءٍ فَعَلْتُ لِمَ فَعَلْتَ كَذَا، وَلا لِشَيْءٍ لَمْ أَفْعَلْهُ أَلا فَعَلْتَ كَذَا.
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَحْدَهُ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ الْوَاشِحِيِّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ وَهُوَ أَبُو إِسْمَاعِيلَ الأَوْدِيُّ الْبَصْرِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ وَهُوَ ابْنُ أَسْلَمَ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه بِهَذَا
২৪ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাকিম আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুস সামাদ ইবনুল মুহতাদি বিল্লাহ, তাঁর নিজ শব্দে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাহদী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ আল-কাত্তান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশআস আহমাদ ইবনুল মিকদাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যাইদ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
“আমি এমন কোনো মোটা রেশম বা চিকন রেশম অথবা অন্য কোনো বস্তু স্পর্শ করিনি যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতের তালুর চেয়ে অধিক নরম ছিল, এবং আমি কখনো শুকিনি এমন কোনো ঘ্রাণ যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুগন্ধির চেয়ে অধিক উত্তম ছিল। আমি দশ বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমত করেছি, আল্লাহর কসম! তিনি আমাকে কখনো ‘উফ’ বলেননি এবং আমি কোনো কাজ করলে তিনি কখনো বলেননি যে, ‘কেন তুমি এমন করলে?’ আবার কোনো কাজ না করলে তিনি বলেননি যে, ‘কেন তুমি এমন করলে না?’”
এটি ইমাম বুখারী এককভাবে সুলাইমান ইবনে হারব আল-ওয়াশিহী থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে যাইদ থেকে—যিনি আবু ইসমাঈল আল-আউদী আল-বাসরি—তিনি সাবিত থেকে—যিনি ইবনে আসলাম আল-বুনানী—তিনি আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে এই পাঠে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
25 - حَدَّثَنَا الزَّاهِدُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْقَزْوِينِيُّ، إِمْلاءً بِلَفْظِهِ قَدَّسَ اللَّهُ رُوحَهُ، قَالَ: قُرِئَ عَلَى 25 عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الزَّيَّاتِ، وَأَنَا أَسْمَعُ، قِيلَ لَهُ: أَخْبَرَكُمْ عُمَرُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ نَصْرٍ الْحَلَبِيُّ، قَالَ: ثنا عَامِرُ بْنُ سَيَّارٍ، قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلاءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ لا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ، وَعَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ أَبِي الْحَسَنِ السَّعْدِيِّ، ثَلاثَتُهُمْ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي كَثِيرٍ الْمَدَنِيِّ الأَنْصَارِيِّ، عَنِ الْعَلاءِ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ الْحُرَقِيِّ، وَهِيَ قَبِيلَةٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، بِهَذَا
২৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যাহেদ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাসান আল-কাযভীনি, তাঁর নিজ শব্দে শ্রুতলিপি হিসেবে, আল্লাহ তাঁর আত্মাকে পবিত্র করুন। তিনি বলেন: উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যাইয়্যাতের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। তাঁকে বলা হলো: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে হুসাইন ইবনে নাসর আল-হালাবি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমির ইবনে সাইয়্যার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে জাফর, আল-আলা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«সেই ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ নয়»।
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, কুতাইবা ইবনে সাঈদ এবং আলী ইবনে হুজর আবুল হাসান আস-সাদি থেকে। তাঁরা তিনজনই ইসমাইল ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসির আল-মাদানি আল-আনসারি থেকে, তিনি আল-আলা থেকে—যিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াকুব আল-হুরাকি (এটি একটি গোত্র)—তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, এই সূত্রে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
26 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُذْهِبِ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: ثنا أَيُّوبُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم
«إِنَّ فِي الْجُمُعَةِ لَسَاعَةً لا يُوَافِقُهَا مُسْلِمٌ قَائِمٌ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ عز وجل خَيْرًا إِلا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ» .وَقَالَ بِيَدِهِ، قُلْنَا يُقَلِّلُهَا يُزَهِّدُهَا.
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ وَهُوَ ابْنُ عُلَيَّةَ أَبُو بِشْرٍ الأَسْدِيُّ، عَنْ أَيُّوبَ وَهُوَ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي تَمِيمَةَ، وَاسْمُ أَبِي تَمِيمَةَ كَيْسَانُ وَهُوَ أَيُّوبُ السِّخْتِيَانِيُّ الْعَنْزِيُّ بَصْرِيٌّ، عَنْ مُحَمَّدٍ وَهُوَ ابْنُ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، بِهَذَا
২৬ - হাসান ইবন আলী ইবনুল মুযহিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমদ ইবন জাফর ইবন হামদান ইবন মালিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন হাম্বল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবন ইবরাহীম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«নিশ্চয়ই জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা অবস্থায় সেই মুহূর্তটি পায় এবং মহান আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে তা অবশ্যই দান করবেন।»এবং তিনি তাঁর হাত দ্বারা ইশারা করলেন, আমরা বললাম তিনি এর দ্বারা সেই সময়ের স্বল্পতা নির্দেশ করছিলেন।
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন জুহাইর ইবন হারব থেকে, তিনি ইসমাঈল ইবন ইবরাহীম থেকে—আর তিনি হলেন ইবন উলাইয়্যাহ আবু বিশর আল-আসাদী—তিনি আইয়ুব থেকে—আর তিনি হলেন আবু বকর ইবন আবু তামীমা, আর আবু তামীমার নাম হলো কায়সান এবং তিনি হলেন আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী আল-আনযী আল-বাসরী—তিনি মুহাম্মদ থেকে—আর তিনি হলেন ইবন সীরীন—তিনি আবু হুরায়রা থেকে, এই সূত্রে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
27 - أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ ، وَكَانَ مَرْضِيًّا صَدُوقًا، قَالَ: نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ بَيَانٍ الْبَزَّازُ، قَالَ: ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِسْحَاقَ الصُّوفِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: ثنا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم:
«مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يُؤْذِي جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَسْكُتْ» .
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ وَاسْمُهُ سَلامُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ عُثْمَانَ بْنِ عَاصِمِ بْنِ الْحُصَيْنِ الأَسْدِيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ.
وَلَمْ يَكُنْ عِنْدَ أَبِي الأَحْوَصِ عَنْ أَبِي عَاصِمٍ غَيْرُ هَذَا الْحَدِيثِ، وَوَقَعَ إِلَيْنَا عَالِيًا وَمُوَافَقَةً
২৭ - ইবরাহীম বিন উমর বিন আহমাদ আল-বারমাকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি ছিলেন গ্রহণযোগ্য ও সত্যবাদী; তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন ইবরাহীম বিন জাফর বিন বায়ান আল-বায্যায আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন ইসহাক আস-সূফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আবী শাইবাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আবু আল-আহওয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
«যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়; আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা নীরব থাকে।»
এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবী শাইবাহ থেকে, তিনি আবু আল-আহওয়াস থেকে—তাঁর নাম হলো সাল্লাম বিন সুলাইম—তিনি আবু হুসাইন উসমান বিন আসিম বিন আল-হুসাইন আল-আসাদী থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে।
আবু আল-আহওয়াসের নিকট আবু আসিম থেকে এই হাদীসটি ব্যতীত অন্য কোনো হাদীস ছিল না; আর এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে এবং মুওয়াফাকাত (অন্য সনদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে) পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ফাওয়ায়িদুল মুনতাক্বাহ আলা শর্তিল ইমামাইন
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
28 - حَدَّثَنَا الإِمَامُ أَبُو يَعْلَى مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءِ، إِمْلاءً مِنْ لَفْظِهِ، قَالَ: أنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ ابْنِ أَخِي مِيمِيٍّ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو رَوْحٍ مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادِ بْنِ فَرْوَةَ الْبَلَدِيُّ، قَالَ: ثنا أَبُو شِهَابٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
فَنَظَرَ إِلَى الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ ، فَقَالَ: «إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ عز وجل عَيَانًا كَمَا تَرَوْنَ هَذَا، لا تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لا تُغْلَبُوا عَلَى صَلاةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ» .
وَقَرَأَ: {وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ} [ق: 39] .
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ يُوسُفَ بْنِ مُوسَى الْقَطَّانِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ يُوسُفَ الْيَرْبُوعِيِّ، عَنْ أَبِي شِهَابٍ الْحَنَّاطِ وَاسْمُهُ عْبَدُ رَبِّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ الْبَجْلِيِّ وَاسْمُ أَبِي خَالِدٍ هُرْمُزُ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ وَاسْمُ أَبِي حَازِمٍ عَبْدُ عَوْفٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجْلِيِّ.
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا أَبَا يَعْلَى بْنَ الْفَرَّاءِ سَمِعَهُ مِنَ الْبُخَارِيِّ، وثنا بِهِ عَنْهُ، وَكَانَتْ وَفَاةُ الْبُخَارِيِّ لَيْلَةَ الْفِطْرِ سَنَةَ سِتٍّ وَخَمْسِينَ وَمِائَتَيْنِ، وَكَانَ مَوْلِدُ شَيْخِنَا أَبِي يَعْلَى بْنِ الْفَرَّاءِ سَنَةَ ثَمَانِينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ
২৮ - ইমাম আবু ইয়ালা মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনুল ফাররা আমাদের নিকট তাঁর মৌখিক শ্রুতলিপি থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল হুসাইন ইবনে আখি মিমি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাবী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু রাওহ মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ ইবনে ফারওয়া আল-বালাদী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু শিহাব, তিনি ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়েস ইবনে আবি হাজেম থেকে, তিনি জারীর ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন: আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম।
অতঃপর তিনি পূর্ণিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকালেন এবং বললেন: “নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের মহান রব্বকে চাক্ষুষ দেখতে পাবে যেমন তোমরা এই চাঁদকে দেখছ, তাঁর দর্শনে তোমরা কোনো ভীড়ের সম্মুখীন হবে না। সুতরাং তোমরা যদি সূর্যোদয়ের পূর্বের সালাত এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সালাতের ব্যাপারে পরাজিত না হতে (অর্থাৎ সময়মতো আদায় করতে) সক্ষম হও, তবে তা করো।”
অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে আপনার রব্বের সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন} [ক্বাফ: ৩৯]।
এটি ইমাম বুখারী ইউসুফ ইবনে মুসা আল-কাত্তান থেকে, তিনি আসিম ইবনে ইউসুফ আল-ইয়ারবুয়ী থেকে, তিনি আবু শিহাব আল-হান্নাত থেকে—যার নাম আবদু রাব্বিহি ইবনে নাফি—তিনি ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ আল-বাজালী থেকে—আবু খালিদের নাম হুরমুজ—তিনি কায়েস ইবনে আবি হাজেম থেকে—আবু হাজেমের নাম আবদু আওফ—তিনি জারীর ইবনে আবদুল্লাহ আল-বাজালী থেকে বর্ণনা করেছেন।
সুতরাং প্রতীয়মান হয় যে আমাদের শাইখ আবু ইয়ালা ইবনুল ফাররা এটি যেন ইমাম বুখারীর নিকট থেকে শুনেছেন এবং তাঁর সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারীর মৃত্যু হয়েছিল ২৫৬ হিজরী সনের ঈদুল ফিতরের রাতে এবং আমাদের শাইখ আবু ইয়ালা ইবনুল ফাররার জন্ম হয়েছিল ৩৮০ হিজরী সনে।