(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: -)
أحاديث مسلسلات   (أبو بكر الطريثيثي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: أحاديث مسلسلات

المؤلف: أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بنُ عَلِيِّ بنِ الحُسَيْنِ بنِ زَكَرِيَّا الطُّرَيْثِيْثِيّ، ثُمَّ البَغْدَادِيّ، الصُّوْفِيّ، المَعْرُوف: بِابْنِ زَهْرَاءَ (ت 497هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 7

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মুসালসাল হাদীসসমূহ   (আবু বকর আত-তুরাইথীছি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: মুসালসাল হাদীসসমূহ

লেখক: আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন যাকারিয়া আত-তুরাইথীছি, অতঃপর আল-বাগদাদী, আস-সূফী, পরিচিতি: ইবনে যাহরা নামে (মৃত্যু ৪৯৭ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপি, যা ইসলাম ওয়েব ওয়েবসাইটের অধীনস্থ বিনামূল্যে বিতরিত জাওয়ামিউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি পাণ্ডুলিপি আকারে]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ১)
جُزْءٌ مِنْ أَحَادِيثَ مُسَلْسَلاتٍ رِوَايَةُ الشَّيْخِ الصَّالِحِ أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الطُّرَيْثِيثِيِّ.

رِوَايَةُ الْقَاضِي الإِمَامِ تَاجِ الإِسْلامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، الْحُسَيْنِ بْنِ نَصْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَمِيسٍ، عَنْهُ.

رِوَايَةُ الشَّيْخِ الإِمَامِ الْعَالِمِ شَمْسِ الدِّينِ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الْمُحْسِنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الطُّوسِيِّ، عَنْهُ.

بسم الله الرحمن الرحيم
শায়খ সালেহ আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন আল-হাসান আত-তুরাইথীসীর বর্ণিত মুসালসালাত (পর্যায়ক্রমিক) হাদিসসমূহের একটি অংশ।

তাঁর থেকে কাজী ইমাম তাজুল ইসলাম আবু আব্দুল্লাহ হুসাইন বিন নাসর বিন মুহাম্মদ বিন খামীসের বর্ণনা।

তাঁর থেকে শায়খ ইমাম আলেম শামসুদ্দিন আবুল কাসেম আব্দুল মুহসিন বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আত-তূসীর বর্ণনা।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ২)
1 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْعَالِمُ شَيْخُ الإِسْلامِ حَكِيمُ الْحُكَمَاءِ شَمْسُ الدِّينِ أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْمُحْسِنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْقَاهِرِ الطُّوسِيُّ، وَكُلُّ حَدِيثِهِ حَسَنٌ، حَدَّثَنَا الْقَاضِي الأَجَلُّ تَاجُ الإِسْلامِ عِزُّ الأَئِمَّةِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَمِيسٍ، وَكُلُّ حَدِيثِهِ حَسَنٌ، حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الثِّقَةُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الطُّرَيْثِيثِيُّ، بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ، وَهُوَ يَسْمَعُ مَا قَرَأْتُ، فِي الْعَشْرِ الأُخَرِ مِنْ رَبِيعٍ الأَوَّلِ سَنَةَ إِحْدَى وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَكُلُّ حَدِيثِهِ حَسَنٌ، قثنا الشَّيْخُ أَبُو سَعِيدٍ فَضْلُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، بِنَيْسَابُورَ، فِي سَنَةِ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَجَمِيعُ أَحْوَالِهِ حَسَنٌ، قثنا أَبُو الْعَبَّاسِ الْمُسْتَغْفِرِيُّ ، بِحَدِيثٍ حَسَنٍ، قثنا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ، قثنا أَبُو الْحَسَنِ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ زَكَرِيَّا الْغَلابِيُّ، وَكُلُّ حَدِيثِهِ حَسَنٌ، قَالَ: نا الْحَسَنُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «إِنَّ‌‌ أَحْسَنَ الْحُسْنِ الْخُلُقُ الْحَسَنُ» .

قَالَ أَبُو الْعَبَّاسِ: أَمَّا الْحَسَنُ الأَوَّلُ هُوَ الْحَسَنُ بْنُ زَيْدٍ، وَالْحَسَنُ الثَّانِي هُوَ الْحَسَنُ بْنُ حَسَّانَ، وَالْحَسَنُ الثَّالِثُ هُوَ الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْبَصْرِيُّ، وَالْحَسَنُ الرَّابِعُ هُوَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, শায়খুল ইসলাম, প্রাজ্ঞদের প্রাজ্ঞ শামসুদ্দিন আবুল কাসেম আবদুল মুহসিন ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল কাহির আত-তুসি—আর তাঁর বর্ণিত সকল হাদিসই হাসান (উত্তম)—তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন মহান বিচারক তাজুল ইসলাম, ইজ্জুল আইম্মাহ আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে নাসর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে খামিস—আর তাঁর বর্ণিত সকল হাদিসই হাসান—তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন নির্ভরযোগ্য শায়খ আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান আত-তুরাইথিসি; এটি তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে যখন তিনি আমার পঠিত বিষয় শ্রবণ করছিলেন ৪৯১ হিজরি সালের রবিউল আউয়াল মাসের শেষ দশকে—আর তাঁর বর্ণিত সকল হাদিসই হাসান—তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু সাঈদ ফজলুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ৪৩৫ হিজরি সালে নিশাপুরে—আর তাঁর সকল অবস্থাই উত্তম—তিনি বলেন, আমাদের একটি হাসান হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-মুস্তাগফিরি, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস ইবনে আবুল হাসান, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে জাকারিয়া আল-গালাবি—আর তাঁর বর্ণিত সকল হাদিসই হাসান—তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হাসান, তিনি হাসান থেকে, তিনি হাসান ইবনে আবুল হাসান থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: “নিশ্চয়ই সর্বোত্তম সৌন্দর্য হলো সুন্দর চরিত্র।”

আবুল আব্বাস বলেন: এখানে প্রথম হাসান হলেন হাসান ইবনে যাইদ, দ্বিতীয় হাসান হলেন হাসান ইবনে হাসসান, তৃতীয় হাসান হলেন হাসান ইবনে আবুল হাসান আল-বাসরি এবং চতুর্থ হাসান হলেন হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)।
(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ৩)
2 - سَأَلْتُ شَيْخَنَا أَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ الْمُحْسِنِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الطُّوسِيِّ عَنِ الإِخْلاصِ ، فَقَالَ: سَأَلْتُ الْقَاضِيَ تَاجَ الإِسْلامِ عَنِ الإِخْلاصِ ، فَقَالَ: سَأَلْتُ شَيْخَنَا عَنِ الإِخْلاصِ ، فَقَالَ: سَمِعْتُ الأُسْتَاذَ الإِمَامَ أَبَا الْقَاسِمِ عَبْدَ الْكَرِيمِ بْنَ هَوَازِنَ الْقُشَيْرِيَّ، رحمه الله بِنَيْسَابُورَ سَنَةَ خَمْسٍ وَثَلاثِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، وَسَأَلْتُهُ عَنِ الإِخْلاصِ ، فَقَالَ سَمِعْتُ الشَّيْخَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيَّ، فَقَالَ سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ سَعِيدٍ، وَأَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ زَكَرِيَّا، وَسَأَلْتُهُمَا عَنِ الإِخْلاصِ ، قَالا: سَمِعْنَا عَلِيَّ بْنَ إِبْرَاهِيمَ الشَّقِيقِيَّ، وَسَأَلْنَاهُ عَنِ الإِخْلاصِ ، فَقَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ جَعْفَرٍ الْخَفَّافَ، وَسَأَلْتُهُ عَن الإِخْلاصِ ، قَالَ: سَأَلْتُ أَحْمَدَ بْنَ يَسَارٍ، وَسَأَلْتُهُ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا يَعْقُوبَ السَّرُونْجِيَّ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا أَحْمَدَ بْنَ غَسَّانَ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ أَحْمَدَ بْنَ عَطَاءٍ الْهُجَيْمِيَّ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ عَبْدَ الْوَاحِدِ بْنَ زَيْدٍ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ الْحَسَنَ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ حُذَيْفَةَ عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ جِبْرِيلَ عليه السلام، عَنِ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: سَأَلْتُ رَبَّ الْعِزَّةِ عَنِ‌‌ الإِخْلاصِ، مَا هُوَ؟ قَالَ: «سِرٌّ مِنْ أَسْرَارِي، اسْتَوْدَعْتُهُ قَلْبَ مَنْ أَحْبَبْتُ مِنْ عِبَادِي»
২ - আমি আমাদের শাইখ আবু আল-কাসিম আব্দুল মুহসিন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-তুসিকে ইখলাস (নিষ্ঠা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমি কাজী তাজ আল-ইসলামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমি আমাদের শাইখকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমি উস্তাদ ইমাম আবু আল-কাসিম আব্দুল কারীম ইবনে হাওয়াযিন আল-কুশায়রী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-কে চারশত পঁয়ত্রিশ হিজরি সনে নিশাপুরে বলতে শুনেছি এবং আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমি শাইখ আবু আব্দুর রহমান আল-সুলামীকে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন: আমি আলী ইবনে সাঈদ এবং আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যাকারিয়াকে বলতে শুনেছি এবং আমি তাঁদের উভয়কে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তাঁরা বললেন: আমরা আলী ইবনে ইবরাহিম আল-শাকিকীকে বলতে শুনেছি এবং আমরা তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে জাফর আল-খাফফাফকে বলতে শুনেছি এবং আমি তাঁকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনি বললেন: আমি আহমদ ইবনে ইয়াসারকে জিজ্ঞাসা করেছি এবং আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছি যে ইখলাস কী? তিনি বললেন: আমি আবু ইয়াকুব আল-সারুনজিকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি আবু আহমদ ইবনে গাসসানকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি আহমদ ইবনে আতা আল-হুজাইমীকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যাইদকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি হাসানকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি হুযাইফাকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি জিবরাঈল আলাইহিস সালামকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: আমি মহান রবকে ইখলাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তা কী? তিনি বললেন: "এটি আমার রহস্যসমূহের একটি রহস্য, আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ভালোবাসি তার হৃদয়ে এটি গচ্ছিত রাখি।"
(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ৪)
3 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الطُّوسِيِّ، وَشَبَّكَ بِيَدِي، حَدَّثَنَا تَاجُ الإِسْلامِ، وَشَبَّكَ بِيَدِي، حَدَّثَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ الطُّرَيْثِيثِيُّ، وَشَبَّكَ بِيَدِي، ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ رضي الله عنه، وَشَبَّكَ بِيَدِي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ جَابِرِ بْنِ هَاشِمٍ، وَشَبَّكَ بِيَدِي، ثنا عَبْدُ الرَّزَّاقِ الصَّنْعَانِيُّ، وَشَبَّكَ بِيَدِي، قَثَنَا بَكْرُ بْنُ الشَّرِيدِ، وَشَبَّكَ بِيَدِي، وَقَالَ ابْنُ يَحْيَى وَشَبَّكَ بِيَدِي صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ، وَقَالَ صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ: شَبَّكَ بِيَدِي أَيُّوبُ بْنُ مَالِكٍ الأَنْصَارِيُّ، وَقَالَ أَيُّوبُ: وَشَبَّكَ بِيَدِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَافِعٍ، وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَافِعٍ: وَشَبَّكَ بِيَدِي أَبُو هُرَيْرَةَ، وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: شَبَّكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِي، وَقَالَ: ‌‌«خُلِقَتِ الأَرْضُ يَوْمَ السَّبْتِ، وَالْجِبَالُ يَوْمَ الأَحَدِ، وَالشَّجَرُ يَوْمَ الاثْنَيْنِ، وَالْمَطَرُ يَوْمَ الثُّلاثَاءِ، وَالنُّورُ يَوْمَ الأَرْبِعَاءِ، وَالدَّوَابُّ يَوْمَ الْخَمِيسِ، وَآدَمُ عليه السلام يَوْمَ الْجُمُعَةِ»
৩ - আবুল কাসিম ইবনুত তুসী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; তাজুল ইসলাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; শায়খ আবু বকর আত-তুরাইছীছী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; মুহাম্মদ ইবনে জাবির ইবনে হাশিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; আবদুর রাজ্জাক আস-সানআনী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; বকর ইবনুশ শারীদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; ইবনে ইয়াহইয়া বলেন এবং সফওয়ান ইবনে সুলাইম আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; সফওয়ান ইবনে সুলাইম বলেন: আইয়ুব ইবনে মালিক আল-আনসারী আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; আইয়ুব বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে রাফি‘ আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; আবদুল্লাহ ইবনে রাফি‘ বলেন: আবু হুরায়রা আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন; আবু হুরায়রা বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার হাতের সাথে হাত মেলালেন এবং বললেন: «শনিবার দিনে জমিন সৃষ্টি করা হয়েছে, রবিবার দিনে পাহাড়সমূহ, সোমবার দিনে গাছপালা, মঙ্গলবার দিনে বৃষ্টি এবং বুধবার দিনে নূর (আলো), বৃহস্পতিবার দিনে জীবজন্তু এবং জুমার দিনে আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ৫)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الطُّوسِيِّ، وَأَعْجَبَنِي حَدِيثُهُ، قَثَنَا الْقَاضِي تَاجُ الإِسْلامِ، وَأَعْجَبَنِي حَدِيثُهُ، قَثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطُّرَيْثِيثِيُّ، وَأَعْجَبَنِي حَدِيثُهُ، قَثَنَا الْقَاضِي هَنَّادٌ، وَأَعْجَبَنِي حَدِيثُهُ، قَالَ: أَعْجَبَنِي حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْقَاسِمِ الصَّوَّافُ، بِالْمَوْصِلِ، قَالَ: أَعْجَبَنِي حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زِيَادِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ: أَعْجَبَنِي حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَابِرٍ، قَالَ: أَعْجَبَنِي حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ زِيَادُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: أَعْجَبَنِي حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: أَعْجَبَنِي حَدِيثٌ حَدَّثَنَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ‌‌«أَعْجَبَنِي نَبَاتٌ رَأَيْتُهُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي نَابِتًا حَوْلَ الْعَرْشِ، وَهُوَ الْمَرْزَنْجُوشُ» ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أُتِيَ بِمَرْزَنْجُوشَ شَمَّهُ وَأَحَبَّهُ، قَالَ: «رَأَيْتُهُ نَابِتًا حَوْلَ الْعَرْشِ»
৪ - আবুল কাসিম ইবনে তুসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাদীস আমাকে মুগ্ধ করেছে, কাজী তাজুল ইসলাম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাদীস আমাকে মুগ্ধ করেছে, আবু বকর আত-তুরাইথীসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাদীস আমাকে মুগ্ধ করেছে, কাজী হান্নাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর হাদীস আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিম আস-সাওয়াফ মসুলে আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ ইবনে আবু সুফিয়ান আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাবির আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেন: জিয়াদ ইবনে আব্দুল্লাহ আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা আমাকে মুগ্ধ করেছে, তিনি বলেছেন: «আমি মিরাজের রাতে আরশের চারপাশে একটি উদ্ভিদ জন্মানো অবস্থায় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম, আর তা হলো মারজানজুশ।» আর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখনই তাঁর নিকট মারজানজুশ আনা হতো, তিনি তার ঘ্রাণ নিতেন এবং তা পছন্দ করতেন। তিনি বললেন: «আমি একে আরশের চারপাশে জন্মানো অবস্থায় দেখেছি।»
(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ৬)
5 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الطُّوسِيِّ، حَدَّثَنَا تَاجُ الإِسْلامِ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الطُّرَيْثِيثِيُّ، قَثَنَا الْقَاضِي هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو النُّجُودِ زَيْدُ بْنُ عَدِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظُ، قَثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمِصْرِيُّ ، بِآمِدَ، قَثَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الشَّافِعِيُّ، قَثَنَا الْقَاضِي أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ يَعْقُوبَ، قَثَنَا الْقَاضِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَثَنَا الْقَاضِي مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَثَنَا الْقَاضِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ الأَصْبَحِيُّ، قَثَنَا الْقَاضِي رَبِيعَةُ، قَثَنَا الْقَاضِي شُرَيْحٌ، أَنْبَا عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«شُمُّوا النَّرْجِسَ، وَلَوْ فِي الْيَوْمِ مَرَّةً، وَلَوْ فِي الشَّهْرِ مَرَّةً، وَلَوْ فِي السَّنَةِ مَرَّةً، وَلَوْ فِي الدَّهْرِ مَرَّةً؛ فَإِنَّ فِي الْقَلْبِ حَبَّةً مِنَ الْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَالْبَرَصِ، لا يَقْطَعُهَا إِلا شَمُّ النَّرْجِسِ»

حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الطُّوسِيِّ، وَسَأَلْتُهُ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، قَالَ: حَدَّثَنَا تَاجُ الإِسْلامِ، وَسَأَلْتُهُ عَنْ سِنِّهِ؟ قَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الطُّرَيْثِيثِيُّ، وَسَأَلْتُهُ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، قثنا الْقَاضِي هَنَّادُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ رحمه الله، وَسَأَلْتُهُ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، قَالَ: سَأَلْتُ أَبَا الْفَضْلِ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ الْجَارُودِيَّ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، فَإِنِّي سَأَلْتُ أَبَا بَكْرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَدِيِّ بْنِ زَحْرٍ الْمِنْقَرِيَّ الْبَصْرِيَّ عَنْ سِنِّهِ، فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، فَإِنِّي سَأَلْتُ أَبَا أَيُّوبَ الرِّيَاسِيَّ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، فَإِنِّي سَأَلْتُ أَبَا إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيَّ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، فَإِنِّي سَأَلْتُ الشَّافِعِيَّ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، فَإِّنِي سَأَلْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ عَنْ سِنِّهِ؟ فَقَالَ لِي: أَقْبِلْ عَلَى شَأْنِكَ، ثُمَّ قَالَ: لَيْسَ مِنَ الْمُرُوءَةِ أَنْ يُخْبِرَ الرَّجُلُ بِسِنِّهِ.
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ইবনে আল-তূসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাজুল ইসলাম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আত-তুরাইথীথী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক হান্নাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল নুজুদ যায়েদ ইবনে আদী ইবনে মুহাম্মদ আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল আজিজ আল-মিসরী, আমিদ নামক স্থানে, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আশ-শাফিঈ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক ইসমাঈল ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক মুহাম্মদ ইবনে সালামাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক মালিক ইবনে আনাস আল-আসবাহী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক রাবিআহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক শুরাইহ, আলী ইবনে আবু তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «তোমরা নার্গিস ফুলের ঘ্রাণ নাও, দিনে একবার হলেও, মাসে একবার হলেও, বছরে একবার হলেও, এমনকি জীবনে একবার হলেও; কেননা অন্তরে উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং ধবল রোগের একটি বীজ থাকে, যা নার্গিস ফুলের ঘ্রাণ ছাড়া অন্য কিছু দূর করতে পারে না»

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ইবনে আল-তূসী, আমি তাঁকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে বললেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তাজুল ইসলাম, আমি তাঁকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে বললেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আত-তুরাইথীথী, আমি তাঁকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে বললেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক হান্নাদ ইবনে ইব্রাহিম (রহমাতুল্লাহি আলাইহি), আমি তাঁকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে বললেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ তিনি বলেন: আমি আবুল ফজল মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-জারুদীকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম? তিনি আমাকে বললেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ কারণ আমি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আদী ইবনে জহর আল-মিনকারী আল-বসরীকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি আমাকে বলেছিলেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ কেননা আমি আবু আইয়ুব আল-রিয়াসী-কে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি আমাকে বলেছিলেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ কারণ আমি আবু ইসমাঈল আত-তিরমিযীকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি আমাকে বলেছিলেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ কেননা আমি শাফিঈ-কে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি আমাকে বলেছিলেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ কারণ আমি মালিক ইবনে আনাসকে তাঁর বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম? তিনি আমাকে বলেছিলেন: ‘তোমার নিজের কাজে মনোনিবেশ করো।’ অতঃপর তিনি বললেন: ‘কোনো ব্যক্তির নিজের বয়স সম্পর্কে জানানো পৌরুষত্বের অন্তর্ভুক্ত নয়।’
(খণ্ড: ১) আহাদিসু মুসালসালাত (পৃষ্ঠা: ৭)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ الطُّوسِيِّ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ لَقَدْ حَدَّثَنَا الْقَاضِي الإِمَامُ تَاجُ الإِسْلامِ، قَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنَا شَيْخُنَا الطُّرَيْثِيثِيُّ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنَا الرَّئِيسُ أَبُو بَكْرٍ الْفَضْلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكَاتِبُ الْهَرَوِيُّ، فِي جَامِعِ الْمَنْصُورِ، فِي جُمَادَى الآخِرَةِ، سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسِتِّينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ، قَدِمَ عَلَيْنَا حَاجًّا، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ الشَّاشِيُّ الشَّافِعِيُّ، مِنْ لَفْظِهِ، بِكُوهَكَ مِنْ بِلادِ الْهِنْدِ ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ الْمَعْرُوفُ بِأَبِي نَصْرٍ السَّرْخَسِيِّ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى الْوَرَّاقُ الْفَقِيهُ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الطَّوِيلُ الْفَقِيهُ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْعَلَوِيُّ الزَّاهِدُ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عِيسَى، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ الرَّاحِبِيُّ، بِالْبَصْرَةِ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي عَمَّارُ بْنُ مُوسَى الْبَرْمَكِيُّ، فَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي جِبْرِيلُ، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي مِيكَائِيلُ عليه السلام، وَقَالَ: بِاللَّهِ الْعَظِيمِ، لَقَدْ حَدَّثَنِي إِسْرَافِيلُ عليه السلام، وَقَالَ: بِاللَّهِ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَى لِي: " يَا إِسْرَافِيلُ، بِعِزَّتِي وَجَلالِي، وَجُودِي وَكَرَمِي،‌‌ مَنْ قَرَأَ: (بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ) مُتَّصِلَةً بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ مَرَّةً وَاحِدَةً، اشْهَدُوا عَلَيَّ أَنِّي قَدْ غَفَرْتُ لَهُ، وَقَبِلْتُ مِنْهُ الْحَسَنَاتِ، وَتَجَاوَزْتُ عَنِ السَّيِّئَاتِ، وَلا أَحْرِقُ لِسَانَهُ فِي النَّارِ، وَأُجِيرُهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَعَذَابِ الْقِيَامَةِ، وَالْفَزَعِ الأَكْبَرِ، وَيَلْقَانِي قَبْلَ الأَنْبِيَاءِ وَالأَوْلِيَاءِ "
৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম ইবনে তুসি, আর তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ক্বাজি ইমাম তাজুল ইসলাম, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমাদের শাইখ তুরাইথিসি, আর তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাইস আবু বকর ফজল ইবনে মুহাম্মদ আল-কাতিব আল-হারাউই, মনসুর জামে মসজিদে, ৪৬৪ হিজরি সনের জামাদিউল আখিরা মাসে; তিনি হাজি হিসেবে আমাদের কাছে এসেছিলেন এবং বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই শাইখ ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী আশ-শাশী আশ-শাফিয়ী তাঁর নিজের মুখে হিন্দুস্তানের কুহাক নামক স্থানে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন এবং বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নাসর আস-সারখাসি নামে পরিচিত আবদুল্লাহ, আর তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শাইখ ইমাম আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ফজল, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া আল-ওয়াররাক আল-ফকিহ, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস আত-তবিল আল-ফকিহ, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-আলাউই আজ-জাহিদ, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে ঈসা, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর আর-রাহিবি, বসরায়, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আম্মার ইবনে মুসা আল-বারমাকি, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আনাস ইবনে মালিক, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে আবি তালিব, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন), তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ আল-মুস্তফা (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক), তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন জিবরাঈল, তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন মিকাইল (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), তিনি বললেন: মহান আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইসরাফিল (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), আর তিনি বললেন: আল্লাহর কসম, আল্লাহ তাআলা আমাকে বলেছেন: "হে ইসরাফিল, আমার মর্যাদা, আমার মহিমা, আমার বদান্যতা ও আমার করুণার কসম,‌‌ যে ব্যক্তি একবার সূরা ফাতিহার সাথে মিলিয়ে 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' পাঠ করবে, তোমরা আমার ব্যাপারে সাক্ষী থাকো যে, আমি তাকে অবশ্যই ক্ষমা করে দিয়েছি, তার নেক আমলগুলো কবুল করেছি এবং তার গুনাহসমূহ মার্জনা করেছি। আমি জাহান্নামের আগুনে তার জিহ্বা দগ্ধ করব না এবং তাকে কবরের আজাব, জাহান্নামের আজাব, কিয়ামতের আজাব ও মহা আতঙ্ক থেকে মুক্তি দেব; আর সে নবীদের ও ওলিদের আগেই আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে।"