(খণ্ড: ১) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: -)
مجلسان من أمالي الجوهري_1   (الجوهري، أبو محمد)

القسم: كتب السنة


الكتاب: مجلسان من أمالي أبي محمد الجوهري

المؤلف: الحسن بن علي بن محمد، أبو محمد الجوهري (ت 454هـ)

الناشر: مخطوط نُشر في برنامج جوامع الكلم المجاني التابع لموقع الشبكة الإسلامية

الطبعة: الأولى، 2004

[الكتاب مخطوط]

عدد الصفحات: 29

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আবু মুহাম্মাদ আল-জাওহারীর আমালী থেকে সংগৃহীত মজলিসদ্বয়_১   (আল-জাওহারী, আবু মুহাম্মাদ)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আবু মুহাম্মাদ আল-জাওহারীর আমালী থেকে সংগৃহীত মজলিসদ্বয়

গ্রন্থকার: হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ, আবু মুহাম্মাদ আল-জাওহারী (মৃত্যু ৪৫৪ হিজরি)

প্রকাশক: পাণ্ডুলিপিটি ইসলামি নেটওয়ার্ক (ইসলামওয়েব) ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণাধীন বিনামূল্যে বিতরণকৃত জাওয়ামেউল কালিম প্রোগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে

সংস্করণ: প্রথম, ২০০৪

[কিতাবটি একটি পাণ্ডুলিপি]

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১ হিজরি

(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١)
الْجُزْءُ فِيهِ مَجْلِسَانِ مِنْ أَمَالِي أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيِّ.

رِوَايَةُ أَبِي الْقَاسِمِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ السَّبْطِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْهُ.

بسم الله الرحمن الرحيم
আবু মুহাম্মদ হাসান বিন আলী আল-জাওহারীর শ্রুতিলিখন (আমালি) থেকে সংকলিত দুটি মজলিস সংবলিত পুস্তিকা।

আবু আল-কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন আল-হাসান বিন আল-মুজাফ্ফার বিন আস-সাবত-এর বর্ণনা, যা তিনি তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢)
1 - أنبا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ السَّبْطِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ ، فِي ثَمَانٍ وَعِشْرِينَ مِنْ جُمَادَى الآخِرَةِ مِنْ سَنَةِ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، أنبا وَالِدِي أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الْمُظَفَّرِ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، فِي صَفَرَ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَعِشْرِينَ وَخَمْسِ مِائَةٍ ، ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ ، إِمْلاءً ، يَوْمَ الْجُمُعَةِ النِّصْفَ مِنَ الْمُحَرَّمِ سَنَةَ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، فِي سَنَةِ ثَمَانٍ وَسِتِّينَ وَثَلاثِ مِائَةٍ ، ثنا بِشْرُ بْنُ مُوسَى ، ثنا إِبْرَاهِيمُ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ ، قَالَ: ثنا عَبْدُ اللَّهِ ، قَالَ: كُنَّا إِذَا صَلَّيْنَا خَلْفَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ، قُلْنَا: السَّلامُ عَلَى اللَّهِ قَبْلَ عِبَادِهِ ، وَالسَّلامُ عَلَى جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ ، وَالسَّلامُ عَلَى فُلانٍ وَفُلانٍ.

فَالْتَفَتَ إِلَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: " إِنَّ‌‌ اللَّهَ هُوَ السَّلامُ فَإِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ ، السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ، السَّلامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ ، ثُمَّ إِذَا قُلْتُمُوهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالأَرْضِ ، أَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ "
১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন হাসান বিন মুজাফফর বিন সাবত, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, ৫৯৫ হিজরী সনের ২৮শে জুমাদাল আখিরাতে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আলী হাসান বিন মুজাফফর, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৫২২ হিজরী সনের সফর মাসে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ হাসান বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-জাওহারী, শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে, ৪৪৫ হিজরী সনের মহররম মাসের মধ্যবর্তী জুমাবার দিনে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান বিন মালিক আল-কাতিয়ী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৩৬৮ হিজরী সনে। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন বিশর বিন মুসা। তিনি বলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহীম, তিনি আ'মাশ থেকে, তিনি শাকীক বিন সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন: আমরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম, তখন বলতাম: তাঁর বান্দাদের আগে আল্লাহর ওপর সালাম, জিবরাঈল ও মিকাইল-এর ওপর সালাম এবং অমুক ও অমুকের ওপর সালাম।

তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: "নিশ্চয়ই‌‌ আল্লাহ নিজেই সালাম। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন সালাত আদায় করে, তখন সে যেন বলে: যাবতীয় সম্মানজনক অভিবাদন আল্লাহর জন্য, যাবতীয় সালাত ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী, আপনার ওপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। আমাদের ওপর এবং আল্লাহর নেককার বান্দাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। যখন তোমরা এটি বলবে, তখন আসমান ও জমিনের প্রতিটি নেককার বান্দার নিকট তা পৌঁছে যাবে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٣)
2 - أنبا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ النَّاقِدُ ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَرِيكٍ الأَسَدِيُّ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ ، ثنا مُعَلَّى بْنُ هُلَيْلٍ ، عَنْ لَيْثٍ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " إِنَّ‌‌ لِي وَزِيرَيْنِ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ ، وَوَزِيرَيْنِ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ ، فَوَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ السَّمَاءِ: جِبْرِيلُ وَمِيكَائِيلُ ، وَوَزِيرَايَ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ: أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رضي الله عنهما "
২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আন-নাকিদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে শারীক আল-আসাদী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইউনুস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুআল্লা ইবনে হুলায়ল, লাইস থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয় আমার জন্য আসমানবাসীদের মধ্য থেকে দুইজন উজির রয়েছে এবং জমিনবাসীদের মধ্য থেকে দুইজন উজির রয়েছে। সুতরাং আসমানবাসীদের মধ্য থেকে আমার দুইজন উজির হলেন: জিবরাঈল ও মিকাইল, আর জমিনবাসীদের মধ্য থেকে আমার দুইজন উজির হলেন: আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٤)
3 - أنبا الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَرَّاحِيُّ ، نا عُثْمَانُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَحْمَدَ الْعَدْلُ ، وَعُثْمَانُ بْنُ الْجَرَّاحِ ، قَالا: ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ثُمَامَةَ بْنِ أَنَسٍ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ ، نا هِلالُ بْنُ حَقٍّ ، عَنِ الْجَرِيرِيِّ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ حَزْنٍ الْقُشَيْرِيِّ ، قَالَ: شَهِدْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ يَوْمَ الدَّارِ ، اطَّلَعَ عَلَيْهِمُ اطِّلاعَةً ، فَقَالَ: أُنْشِدُكُمُ اللَّهَ هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ ضَاقَ الْمَسْجِدُ ، فَقَالَ: ‌‌«مَنْ يَشْتَرِي هَذِهِ الْبُقْعَةَ مِنْ خَالِصِ مَالِهِ فَيَكُونُ فِيهَا كَالْمُسْلِمِينَ فَإِنَّ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا» .

فَاشْتَرَيْتُهَا مِنْ خَالِصِ
مَالِي فَجَعَلْتُهَا لِلْمُسْلِمِينَ ، فَقَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ.

قَالَ: تَمْنَعُونِي أَنْ أُصَلِّيَ رَكْعَتَيْنِ ، أُنْشِدُكُمُ اللَّهَ هَلْ تَعْلَمُونَ إِنِّي صَاحِبُ جَيْشِ الْعُسْرَةِ؟ قَالُوا: اللَّهُمَّ نَعَمْ
৩ - বিচারক আবুল হুসাইন আলী ইবনুল হাসান ইবনে আলী আল-জাররাহী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, উসমান ইবনে ইসমাইল ইবনে আহমাদ আল-আদল এবং উসমান ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুমামা ইবনে আনাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিলাল ইবনে হাক্ব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-জারীরী থেকে বর্ণিত, সুমামা ইবনে হাযন আল-কুশায়রী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি অবরোধের দিন উসমান ইবনে আফফানের নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি তাদের দিকে উঁকি দিয়ে এক নজর দেখলেন এবং বললেন: আমি তোমাদের আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তোমরা কি জানো যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন তখন মসজিদটি সংকীর্ণ হয়ে পড়েছিল? তখন তিনি বলেছিলেন: «কে আছে যে তার নিজস্ব সম্পদ থেকে এই ভূমিখণ্ডটি ক্রয় করবে এবং তাতে তার অধিকার সাধারণ মুসলিমদের মতোই হবে, তবে তার জন্য এর বিনিময়ে (জান্নাতে) এর চেয়ে উত্তম প্রতিদান রয়েছে?»

তখন আমি তা আমার নিজস্ব
সম্পদ থেকে ক্রয় করেছিলাম এবং তা মুসলিমদের জন্য দান করে দিয়েছিলাম। তারা বলল: হে আল্লাহ, হ্যাঁ (আমরা জানি)।

তিনি বললেন: তবে কি তোমরা আমাকে সেখানে দুই রাকাত সালাত আদায় করতে বাধা দিচ্ছ? আমি তোমাদের আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তোমরা কি জানো যে আমিই সংকটের বাহিনীর (জায়শুল উসরাহ) পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলাম? তারা বলল: হে আল্লাহ, হ্যাঁ।
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٥)
4 - ثنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْجَوْهَرِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالا: ثنا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه ، قَالَ: عَهِدَ إِلَيَّ النَّبِيُّ الأُمِّيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ: «أَنَّهُ‌‌ لا يُحِبُّكَ إِلا مُؤْمِنٌ وَلا يُبْغِضُكَ إِلا مُنَافِقٌ»
৪ - আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনুল আব্বাস আল-জাওহারী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: ওয়াকি ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আ’মাশ থেকে, তিনি আদি ইবনে সাবিত থেকে, তিনি জির ইবনে হুবাইশ থেকে, তিনি আলী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উম্মী নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর প্রতি বর্ষিত হোক) আমার নিকট অঙ্গীকার করেছেন যে: “মু’মিন ব্যতীত কেউ তোমাকে ভালোবাসবে না এবং মুনাফিক ব্যতীত কেউ তোমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না।”
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٦)
5 - أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ ، ثنا أَبِي ، ثنا أَبُو نُعَيْمٍ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ زَيْدٍ هُوَ ابْنُ زِيَادٍ ، عَنْ أَبِي نُعْمٍ ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ سَيِّدَا شَبَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ»
৫ - আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতীয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আবু নুয়াইম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান যায়দ থেকে—যিনি ইবনে যিয়াদ—তিনি আবু নু'ম থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «হাসান এবং হুসাইন জান্নাতবাসীদের যুবকদের নেতা»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٧)
6 - أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْقَطِيعِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، نا وَكِيعٌ ، نا سُفْيَانُ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ ، عَنْ عَلِيٍّ ، قَالَ: مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْدِي أَحَدًا إِلا سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ ، فَإِنِّي سَمِعْتُهُ يَقُولُ لَهُ يَوْمَ أُحُدٍ: ‌‌«ارْمِ سَعْدُ فَدَاكَ أَبِي وَأُمِّي»
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর আল-কাতিয়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওকি‘, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি সা‘দ ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে শাদ্দাদ থেকে এবং তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সা‘দ ইবনে মালিক ব্যতীত আর কারো জন্য নিজের পিতা-মাতাকে উৎসর্গ করতে শুনিনি। কেননা আমি তাঁকে উহুদের যুদ্ধের দিন তাঁর উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: «তীর নিক্ষেপ করো হে সা‘দ! তোমার জন্য আমার পিতা ও মাতা উৎসর্গিত হোন»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٨)
7 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لُؤْلُؤٍ الْوَرَّاقُ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَاجِيَةَ ، نا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ ، نا شُرَيْحُ بْنُ مَسْلَمَةَ التَّنُوخِيُّ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، أَنَّ أَسْقُفَ نَجْرَانَ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ:‌‌ ابْعَثْ مَعِيَ رَجُلا أَمِينًا حَقَّ أَمِينٍ فَاسْتَشْرَفَ لَهَا أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وسلم لأَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ: «اذْهَبْ مَعَهُ»
৭ - আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন লু'লু আল-ওয়াররাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন নাজিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ বিন উসমান বিন হাকিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শুরাইহ বিন মাসলামাহ আত-তানুখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইব্রাহিম বিন ইউসুফ বিন আবি ইসহাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি সিলাহ বিন জুফার থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নাজরানের বিশপ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন: "আমার সাথে একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে পাঠান যিনি প্রকৃতই বিশ্বস্ত।" তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ এর জন্য উৎসুক হয়ে আকাঙ্ক্ষা করতে লাগলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু উবাইদাহ বিন আল-জাররাহকে বললেন: "তুমি তাঁর সাথে যাও।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٩)
8 - أنبا الْقَاضِي أَبُو الْحُسَيْنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ الْجَرَّاحِيُّ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ نَصْرٍ ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِي إِسْرَائِيلَ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«أَبُو بَكْرٍ فِي الْجَنَّةِ ، وَعُمَرُ فِي الْجَنَّةِ ، وَعُثْمَانُ فِي الْجَنَّةِ ، وَعَلِيٌّ فِي الْجَنَّةِ ، وَطَلْحَةُ فِي الْجَنَّةِ ، وَالزُّبَيْرُ فِي الْجَنَّةِ ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فِي الْجَنَّةِ ، وَسَعْدٌ فِي الْجَنَّةِ ، وَسَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ فِي الْجَنَّةِ ، وَأَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ فِي الْجَنَّةِ»
৮ - বিচারক আবু আল-হুসাইন আলী ইবনুল হাসান আল-জাররাহী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনুল কাসিম ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে আবি ইসরাঈল থেকে, আবদুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আওফ আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আবু বকর জান্নাতে, উমর জান্নাতে, উসমান জান্নাতে, আলী জান্নাতে, তালহা জান্নাতে, জুবাইর জান্নাতে, আবদুর রহমান ইবনে আওফ জান্নাতে, সাদ জান্নাতে, সাঈদ ইবনে যায়েদ জান্নাতে এবং আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ জান্নাতে»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٠)
9 - أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لُؤْلُؤٍ الْوَرَّاقُ ، ثنا أَبُو بَكْرِ بْنُ الْحَاكِمِ بْنِ الْبَيِّعِ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى بْنِ شَيْبَةَ الأَنْصَارِيُّ ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ ، قَالَ: خَرَجْتُ مَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ فِي الشِّعْبِ ، قَالَ: فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ لِبَعْضِ حَاجَاتِهِ ، أَوْ قَالَ: يَتَوَضَّأُ ، فَقَامَ إِلَيْهِ الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَسَتَرَهُ بِكِسَاءٍ مِنَ الصُّوفِ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: " مَنْ هَذَا؟ قَالَ: عَمُّكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ " ، قَالَ: فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ مِنْ خُلَلِ الْكِسَاءِ وَهُوَ رَافِعٌ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ ، وَهُوَ يَقُولُ: ‌‌«اللَّهُمَّ اسْتُرِ الْعَبَّاسَ وَوَلَدَ الْعَبَّاسِ مِنَ النَّارِ»
৯ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে লু’লু আল-ওয়াররাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আল-হাকিম ইবনে আল-বায়য়ি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুসা ইবনে শায়বাহ আল-আনসারী, তিনি আবু হাজিম থেকে, তিনি সাহল ইবনে সাদ আস-সা’ঈদী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে তাঁর কোনো এক সফরে একটি গিরিপথে বের হলাম। তিনি বলেন: একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো প্রয়োজনে দাঁড়ালেন, অথবা তিনি বললেন: অজু করার জন্য। তখন আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব তাঁর দিকে এগিয়ে গেলেন এবং তাঁকে একটি পশমি চাদর দিয়ে আড়াল করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "এ কে?" তিনি বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল, আপনার চাচা।" বর্ণনাকারী বলেন: আমি যেন চাদরের ফাঁক দিয়ে তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলাম এমতাবস্থায় যে তিনি আকাশের দিকে তাঁর মাথা উত্তোলন করেছিলেন এবং তিনি বলছিলেন: ‌‌«হে আল্লাহ, আপনি আব্বাস এবং আব্বাসের সন্তানদের জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١١)
10 - أنبا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ الْعَطَشِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ النَّسَائِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ التَّمِيمِيُّ ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ يُونُسَ بْنِ سَيْفٍ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ زِيَادٍ ، عَنْ أَبِي رُهْمٍ، عَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ السُّلَمِيِّ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ‌‌ يَدْعُونَا إِلَى السُّحُورِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ وَهُوَ يَقُولُ: «هَلُمُّوا إِلَى الْغِذَاءِ الْمُبَارَكِ»
১০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন উমর আল-আতশি, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আব্বাস আন-নাসায়ি, আমাদের জানিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল হামিদ আত-তামিমি, আমাদের জানিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবন মাহদি, মুআবিয়াহ ইবন সালিহ থেকে, তিনি ইউনুস ইবন সাইফ থেকে, তিনি হারিস ইবন জিয়াদ থেকে, তিনি আবু রুহম থেকে, তিনি ইরবাদ ইবন সারিয়া আস-সুলামি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শুনেছি, যখন তিনি আমাদের রমজান মাসে সাহরির দিকে আহ্বান করছিলেন এবং বলছিলেন: "তোমরা বরকতময় খাবারের দিকে এসো।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٢)
50 - ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ: ‌‌«اللَّهُمَّ عَلِّمْ مُعَاوِيَةَ الْكِتَابَ وَالْحِسَابَ وَقِهِ الْعَذَابَ»
৫০ - অতঃপর আমি তাঁকে বলতে শুনলাম: «হে আল্লাহ! আপনি মুআবিয়াকে কিতাব ও হিসাব শিক্ষা দিন এবং তাঁকে শাস্তি থেকে রক্ষা করুন»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٣)
11 - ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، نا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، أنا مَعْمَرٌ ، عَنْ قَتَادَةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، أَنّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«حَسْبُكَ مِنْ نِسَاءِ الْعَالَمِينَ مَرْيَمُ ابْنَةُ عِمْرَانَ وَخَدِيجَةُ ابْنَةُ خُوَيْلِدٍ وَفَاطِمَةُ بِنْتُ مُحَمَّدٍ وَآسِيَةُ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ»
১১ - আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতীঈ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুর রাজ্জাক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মামার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «বিশ্বজগতের নারীদের মধ্যে তোমার জন্য যথেষ্ট হলো ইমরানের কন্যা মারইয়াম, খুওয়ায়লিদের কন্যা খাদিজা, মুহাম্মাদের কন্যা ফাতিমা এবং আসিয়া, যিনি স্ত্রী ফেরাউনের।»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٤)
12 - أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْجَوْهَرِيُّ ، ثنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَشْعَثُ ، نا إِسْحَاقُ بْنُ شَاهِينَ ، ثنا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ أَبِي طَوَالَةَ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«فَضْلُ عَائِشَةَ عَلَى النِّسَاءِ كَفَضْلِ الثَّرِيدِ عَلَى سَائِرِ الطَّعَامِ»
১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল আব্বাস আল-জাওহারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-আশআস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে শাহীন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু তাওয়ালা থেকে বর্ণিত, আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নারীদের ওপর আয়েশার শ্রেষ্ঠত্ব তেমন, যেমন সমস্ত খাবারের ওপর থারিদের শ্রেষ্ঠত্ব»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٥)
13 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الأَنْبَارِيُّ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ الْحَضْرَمِيُّ ، ثنا ابْنُ عَبَّاسٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، وَأَبِي مَرْيَمَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ ، عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ ، وَإِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ ، وَإِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ ، قَالَ: سُئِلَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ‌‌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، فَقَالَ: قَرَأَ الْقُرْآنَ فَوَقَفَ عِنْدَ مُتَشَابِهِهِ فَأَحَلَّ حَلالَهُ وَحَرَّمَ حَرَامَهُ.

وَسُئِلَ عَنْ
عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ ، فَقَالَ: مُؤْمِنٌ نَسِيٌّ وَإِذَا ذُكِّرَ مَنْ قَالَ ذَلِكَ ، قَدْ حُشِيَ مَا بَيْنَ قَرْنِهِ إِلَى كَعْبِهِ إِيمَانًا.

وَسُئِلَ عَنْ حُذَيْفَةَ ، فَقَالَ: أَعْلَمُ النَّاسِ بِالْمُنَافِقِينَ.

قَالُوا: أَخْبِرْنَا عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ: أَدْرَكَ الْعِلْمَ الأَوَّلَ وَالْعِلْمَ الآخِرَ مِنَّا أَهْلَ الْبَيْتِ.

قَالُوا: أَخْبِرْنَا عَنْ أَبِي ذَرٍّ ، قَالَ: وِعَاءُ عِلْمٍ.

قَالُوا: أَخْبِرْنَا عَنْ نَفْسِكَ ، قَالَ: إِيَّاهَا أَرَدْتُمْ كُنْتُ إِذَا سَكَتُّ ابْتَدَأْتُ ، وَإِذَا سَأَلْتُ أَعْطَيْتُ ، وَإِنْ زِدْتَنِي عِلْمًا كَمَالٍ.

قُلْتُ لإِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ: مَنِ السَّائِلُ؟ قَالَ:. . . . . . . . .
১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-হাসান আলী ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে ইসমাঈল আল-আনবারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-বাগান্দী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনে ইউসুফ আল-হাদরামি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে আব্বাস, তিনি আল-আমাশ এবং আবু মারিয়াম হতে, তিনি আমর ইবনে মুররাহ হতে, তিনি আবু আল-বাখতারী এবং ইসমাইল ইবনে আবু খালিদ হতে, এবং ইসমাইল ইবনে আবু খালিদ কায়স ইবনে আবু হাযিম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আবু তালিবকে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তিনি কুরআন পাঠ করেছেন এবং এর মুতাশাবিহ (সাদৃশ্যপূর্ণ) বিষয়ের নিকট থেমেছেন (সতর্কতা অবলম্বন করেছেন), আর এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম গণ্য করেছেন।

এবং তাঁকে
আম্মার ইবনে ইয়াসির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তিনি এমন একজন মুমিন যিনি বিস্মৃতিপরায়ণ, কিন্তু যখন তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তখন তিনি তা গ্রহণ করেন; তাঁর মাথার সিঁথি থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ঈমান দ্বারা পরিপূর্ণ করা হয়েছে।

এবং তাঁকে হুযাইফা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: তিনি মুনাফিকদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিজ্ঞাত।

তাঁরা বললেন: আমাদের সালমান সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন: তিনি পূর্ববর্তী জ্ঞান এবং পরবর্তী জ্ঞান উভয়ই অর্জন করেছেন এবং তিনি আমাদের আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত।

তাঁরা বললেন: আমাদের আবু যর সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন: তিনি জ্ঞানের একটি আধার।

তাঁরা বললেন: আপনার নিজের সম্পর্কে আমাদের অবহিত করুন। তিনি বললেন: তোমরা তাঁর সম্পর্কেই জানতে চেয়েছিলে; আমি যখন নীরব থাকতাম তখন তারা শুরু করত, আর যখন আমি জিজ্ঞাসা করতাম তখন আমাকে প্রদান করা হতো। আর যদি তুমি আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে তবে তা পূর্ণতা পেত।

আমি ইসমাইল ইবনে আবু খালিদকে বললাম: প্রশ্নকারী কে ছিলেন? তিনি বললেন: . . . . . . . . .
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٦)
14 - أنبا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُكْرَمٍ الْمُعَدَّلُ ، نا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: ثنا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ. . . . ، ثنا مَسْعُودُ بْنُ. . . . . ، قَالَ: سَمِعْتُ فَاطِمَةَ بِنْتَ عَلِيٍّ ، تُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهَا عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، قَالَ: ‌‌«هَلَكَ فِيَّ رَجُلانِ مُحِبٌّ مُفْرِطٌ وَعَدُوٌّ مُبْغِضٌ فَمَنِ اسْتَطَاعَ أَنْ لا يَكُونَ وَاحِدًا مِنْهُمَا فَلْيَفْعَلْ»

ثنا عَلِيُّ بْنُ عُبَيْدِ
اللَّهِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الأَنْبَارِيُّ ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبَاغَنْدِيُّ ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ بَكْرِ بْنِ أُوَيْسٍ ، ثنا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ ، قَالَ: سُئِلَ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ رَجُلٍ شَتَمَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَ: ضَرْبُ الْعُنُقِ.

قَالَ لَهُ: شَتَمَ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ ، قَالَ: الْحَدُّ.

قَالَ: شَتَمَ عَائِشَةَ رضي الله عنها ، قَالَ: ضَرْبُ الْعُنُقِ.

قَالَ: شَتَمَ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ ، فَقَالَ: وَجَبَ عَلَيْهِ الْحَدُّ ، وَشَتَمَ عَائِشَةَ فَوَجَبَ عَلَيْهِ الْقَتْلُ ، قَالَ: إِنَّ هَذَا رُدَّ عَلَى الْقُرْآنِ يَقُولُ اللَّهُ عز وجل: {يَعِظُكُمُ اللَّهُ أَنْ تَعُودُوا لِمِثْلِهِ أَبَدًا} [النور: 17] .
১৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন নাসর বিন আহমদ বিন মাকরাম আল-মুয়াদদাল, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুর রহমান বিন সাঈদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস বিন মুহাম্মদ... আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাসউদ বিন... তিনি বলেন: আমি ফাতেমা বিনতে আলীকে তার পিতা আলী বিন আবি তালিব থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: ‌‌«আমার বিষয়ে দুই শ্রেণীর মানুষ ধ্বংস হয়েছে: সীমালঙ্ঘনকারী অতি-প্রেমিক এবং বিদ্বেষপরায়ণ শত্রু। সুতরাং যার পক্ষে এই দুই দলের কোনোটিরই অন্তর্ভুক্ত না হওয়া সম্ভব, সে যেন তা-ই করে।»

আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন উবাইদুল্লাহ
বিন ইসমাইল আল-আনবারি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-বাগিন্দি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন বকর বিন উওয়াইস, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসমাইল বিন আবি উওয়াইস, তিনি বলেন: মালিক বিন আনাসকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দেয়। তিনি বললেন: তার গর্দান উড়িয়ে দিতে হবে।

তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: সে যদি আবু বকর, উমর এবং উসমানকে গালি দেয়? তিনি বললেন: তার ওপর নির্ধারিত শাস্তি (হদ) প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: যদি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে গালি দেয়? তিনি বললেন: তার গর্দান উড়িয়ে দিতে হবে।

তিনি বললেন: সে আবু বকর ও উমরকে গালি দিলে তার ওপর হদ ওয়াজিব হয়, আর আয়েশাকে গালি দিলে তার ওপর মৃত্যুদণ্ড ওয়াজিব হয়। তিনি বলেন: নিশ্চয়ই এটি কুরআনের সরাসরি প্রত্যাখ্যান, আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত বলেন: {আল্লাহ তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো তবে কখনও আর এর অনুরূপ আচরণের পুনরাবৃত্তি করো না} [আন-নূর: ১৭]।
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٧)
15 - ثنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ الْجَوْهَرِيُّ إِمْلاءً ، فِي يَوْمِ الْجُمُعَةِ اثْنَيْ عَشَرَ مِنْ مُحَرَّمٍ سَنَةَ خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ وَأَرْبَعِ مِائَةٍ ، أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ ، نا بِشْرُ بْنُ مُوسَى ، نا أَبُو نُعَيْمٍ ، نا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«لَيْسَ الْمِسْكِينُ الَّذِي تَرُدُّهُ الأَكْلَةُ وَالأَكْلَتَانِ وَالتَّمْرَةُ وَالتَّمْرَتَانِ ، وَلَكِنَّ الْمِسْكِينَ الَّذِي لا يَسْأَلُ النَّاسَ شَيْئًا وَلا يُعْلَمُ بِمَكَانِهِ فَيُعْطَى»
১৫ - আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-জাওহারী আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে হাদীস বর্ণনা করেছেন, ৪৫৫ হিজরী সনের ১২ই মহররম শুক্রবার। তিনি বলেন, আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁকে পড়ে শোনানো হয়েছে এবং আমি শুনছিলাম—তিনি বলেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-আ'মাশ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর উপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: «মিসকীন সেই ব্যক্তি নয় যাকে এক বা দুই লোকমা খাবার কিংবা একটি বা দুইটি খেজুর ফিরিয়ে দেয়; বরং প্রকৃত মিসকীন সেই ব্যক্তি যে যাঞ্চা করে না মানুষের কাছে কোনো কিছু এবং যার অভাবগ্রস্ততা সম্পর্কে জানাও যায় না যে তাকে দান করা হবে।»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٨)
16 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ كَيْسَانَ النَّحْوِيُّ ، ثنا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ الْقَاضِي ، نا أَبُو الرَّبِيعِ ، نا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ زَيْدٍ اللَّيْثِيِّ ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ سَبَّحَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ وَكَبَّرَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ وَحَمِدَ ثَلاثًا وَثَلاثِينَ ، وَقَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ الْمَلِكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ، خَلْفَ الصَّلاةِ غُفِرَ لَهُ وَلَوْ كَانَ أَكْثَرَ مِنْ زَبَدِ الْبَحْرِ "
১৬ - আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে কায়সান আন-নাহবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইউসুফ ইবনে ইয়াকুব আল-কাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু রাবী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ফুলাইহ ইবনে সুলাইমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি আতা ইবনে যায়দ আল-লাইসী থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আবু হুরায়রা বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যে ব্যক্তি তেত্রিশ বার তাসবীহ পাঠ করবে, তেত্রিশ বার তাকবীর পাঠ করবে এবং তেত্রিশ বার তাহমীদ পাঠ করবে, এবং বলবে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই, আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান; সালাত শেষে (এগুলো পাঠ করলে) তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে যদিও তা সমুদ্রের ফেনার চেয়েও অধিক হয়।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ١٩)
17 - ثنا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ النَّاقِدُ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ شَرِيكٍ الأَسَدِيُّ ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ ، نا مَالِكٌ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«الطَّاعُونُ رِجْزٌ أُرْسِلَ عَلَى مَنْ قَبْلَكُمْ ، أَوْ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ ، فَإِذَا سَمِعْتُمْ بِهِ فِي أَرْضٍ فَلا تَقْدَمُوا عَلَيْهِ ، وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ أَنْتُمْ بِهَا فَلا تَخْرُجُوا فِرَارًا مِنْهُ»
১৭ - আমাদের নিকট আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আন-নাকিদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবনে শারীক আল-আসাদী বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইউনুস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট মালিক বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি আমির ইবনে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে, তিনি উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «মহামারি হলো একটি আযাব যা তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর অথবা বনী ইসরাঈলের ওপর পাঠানো হয়েছিল। সুতরাং যখন তোমরা কোনো ভূখণ্ডে এর কথা শুনবে, তখন সেখানে প্রবেশ করো না, আর যখন তোমাদের অবস্থানরত কোনো ভূখণ্ডে তা আপতিত হয়, তখন তা থেকে পলায়নের উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বের হয়ো না।’»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
18 - ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْوَرَّاقُ ، نا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ الْجَبَّارِ الصُّوفِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْمِصِّيصِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ بُكَيْرٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ، قَالَ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَبِي عَامِرٍ عَمْرٍو ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، قَالَ: ‌‌«لا تَبِيعُوا الدِّينَارَ بِالدِّينَارَيْنِ وَلا الدِّرْهَمَ بِالدِّرْهَمَيْنِ»
১৮ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনুল ইসমাইল ইবনুল আব্বাস আল-ওয়াররাক, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনে আব্দুল জব্বার আস-সুফি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আল-মিসসিসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, মাখরামা ইবনে বুকাইর থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি মালিক ইবনে আবি আমির আমর-কে উসমান ইবনে আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: «তোমরা একটি দিনারকে দুটি দিনারের বিনিময়ে এবং একটি দিরহামকে দুটি দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করো না»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢١)
19 - ثنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ ، حَدَّثَنِي أَبِي ، نا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ ، نا عَامِرٌ هُوَ الشَّعْبِيُّ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِيٍّ ، قَالَ: "‌‌ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آكِلَ الرِّبَا وَمُطْعِمَهُ وَشَاهِدَهُ وَكَاتِبَهُ ، وَمَانِعَ الصَّدَقَةِ وَالْوَاشِمَةَ وَالْمَوْشُومَةَ ، وَالْمُحَلِّلَ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ ، قَالَ: وَكَانَ يَنْهَى عَنِ النَّوْحِ "
১৯ - আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবি খালিদ থেকে, আমির—যিনি আশ-শাবী—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হারিস থেকে, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "‌‌ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুদ গ্রহণকারী, সুদ প্রদানকারী, সুদের সাক্ষী ও সুদের লেখক, এবং যাকাত প্রদান থেকে বিরত থাকা ব্যক্তি ও উল্কি অঙ্কনকারিণী এবং উল্কি গ্রহণকারিণী, আর হালালাকারী ও যার জন্য হালালা করা হয়—তাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: এবং তিনি উচ্চস্বরে বিলাপ করা থেকে নিষেধ করতেন।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
20 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ لُؤْلُؤٍ الْوَرَّاقُ ، نا عُمَرُ بْنُ أَيُّوبَ السَّقَطِيُّ ، نا أَبُو بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ، نا الأَحْوَصُ ، عَنْ حُصَيْنٍ ، عَنْ هِلالِ بْنِ يَسَافٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ظَالِمٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ ، قَالَ: أَشْهَدُ عَلَى تِسْعَةٍ أَنَّهُمْ فِي الْجَنَّةِ وَلَوْ شَهِدْتُ عَلَى الْعَاشِرِ لَصَدَقْتُ ، قَالَ: فَقُلْتُ: وَمَا ذَاكَ؟ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى حِرَاءٍ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ وَعَلِيٌّ وَطَلْحَةُ وَالزُّبَيْرُ وَسَعْدٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ ، وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«اثْبَتْ حِرَاءُ فَإِنَّهُ لَيْسَ عَلَيْكَ إِلا نَبِيٌّ وَصِدِّيقٌ وَشَهِيدٌ» .

قُلْتُ: فَمَنِ الْعَاشِرُ؟ قَالَ: أَنَا
২০ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে লুলু আল-ওয়াররাক, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ওমর ইবনে আইয়ুব আস-সাকাতি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহওয়াস, তিনি হুসাইন থেকে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জালিম থেকে, আর তিনি সাঈদ ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি নয়জন ব্যক্তির ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তারা জান্নাতি, আর আমি যদি দশম ব্যক্তির ব্যাপারেও সাক্ষ্য দিতাম তবে আমি সত্যই বলতাম। তিনি বলেন: আমি বললাম: সেটি কী? তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিরা পাহাড়ে ছিলেন এবং আবু বকর, ওমর, ওসমান, আলী, তালহা, জুবায়ের, সাদ ও আবদুর রহমান ইবনে আউফ (সেখানে উপস্থিত ছিলেন)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “হে হিরা, স্থির থাকো; কারণ তোমার ওপর একজন নবী, একজন সিদ্দিক এবং শহীদ ব্যতীত আর কেউ নেই।”

আমি বললাম: তবে দশম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন: আমি।
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
21 - ثنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الْقَطَّانُ ، أنبا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ يَزِيدَ الطَّبَرِيُّ ، نا بِشْرُ بْنُ دِحْيَةَ ، نا قَزْعَةُ بْنُ سُوَيْدٍ ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: ‌‌«مَا نَفَعَنِي فِي الإِسْلامِ مَالُ أَحَدٍ مَا نَفَعَنِي مَالُ أَبِي بَكْرٍ ، مِنْهُ أُعْتِقَ بِلالٌ وَمِنْهُ هَاجَرَ نَبِيُّكُمْ ، وَلَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا خَلِيلا لاتَّخَذْتُ أَبَا بَكْرٍ خَلِيلا ، وَلَكِنَّهُ صَاحِبِي وَأُخُوَّةُ الإِسْلامِ أَفْضَلُ ، أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلا أَنَّهُ لا نَبِيَّ بَعْدِي»
২১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আইয়ুব আল-কাত্তান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে জারির ইবনে ইয়াজিদ আত-তাবারী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে দিহ্ইয়াহ্, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাযাআ ইবনে সুওয়াইদ, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আবু মুলাইকাহ, ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "ইসলামে কারো সম্পদ আমাকে তেমন উপকৃত করেনি যেমনটি আবু বকরের সম্পদ আমাকে উপকৃত করেছে; তা থেকেই বিলালকে মুক্ত করা হয়েছে এবং তা দিয়েই তোমাদের নবী হিজরত করেছেন। আর যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম তবে অবশ্যই আবু বকরকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম, কিন্তু তিনি আমার সাথী এবং ইসলামের ভ্রাতৃত্বই শ্রেষ্ঠ। আবু বকর ও উমর আমার নিকট হারূনের নিকট মূসার যে মর্যাদা ছিল সেইরূপ, কেবল আমার পরে কোনো নবী নেই।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
22 - أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ أَبِي الْعَصَبِ الشَّاعِرِ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْبَاغَنْدِيُّ ، نا أَحْمَدُ بْنُ الدَّوْرَقِيِّ ، قَالَ: نا الْعَلاءُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعَطَّارُ ، نا الْحَارِثُ بْنُ عُمَيْرٍ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ: «كُنَّا‌‌ نُفَاضِلُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَوْلَ أَبِي بَكْرٍ ثُمَّ عُمَرَ ثُمَّ عُثْمَانَ»
২২ - আবুল হাসান আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-ফাতহ, যিনি ইবন আবিল আসাব আশ-শা’ইর নামে পরিচিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবন মুহাম্মদ ইবন সুলায়মান আল-বাগিন্দি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবন আদ-দাওরাকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-আলা ইবন আবদিল জব্বার আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হারিস ইবন উমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবন উমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: «আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে (মর্যাদাগত) শ্রেষ্ঠত্বের ক্রম নির্ধারণ করতাম—প্রথমে আবু বকর, তারপর উমর, তারপর উসমান।»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
23 - أنبا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ يَحْيَى الْعَطَشِيُّ ، نا إِسْحَاقُ بْنُ بُنَانِ بْنِ مَعْنٍ الأَنْمَاطِيُّ ، نا أَبُو جَعْفَرِ بْنُ مُوسَى ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ ، نا نَاصِحُ ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ مَنْ أَشْقَى ثَمُودَ؟ قَالُوا: عَاقِرُ النَّاقَةِ ، قَالَ: فَمَنْ أَشْقَى هَذِهِ الأُمَّةَ؟ قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ، قَالَ: قَاتِلُكَ يَا عَلِيُّ "
২৩ - আবু আলী মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-আতাশী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে পুনান ইবনে মান আল-আনমাতি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু জাফর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাঈল ইবনে আবান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, নাসিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি সিমাক ইবনে হারব থেকে, তিনি জাবির ইবনে সামুরাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ সামুদ জাতির মধ্যে সবচেয়ে হতভাগ্য কে ছিল? তারা বললেন: উষ্ট্রীর হন্তারক। তিনি বললেন: তাহলে এই উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে হতভাগ্য কে? তারা বললেন: আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। , তিনি বললেন: হে আলী, তোমার হত্যাকারী।"
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
24 - أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ ، نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ ، نا أَبِي ، ثنا ابْنُ نُمَيْرٍ ، أنبا الْحَجَّاجُ يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ الْوَاسِطِيُّ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ إِيَاسٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَسْعُودٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهُ حَسَنٌ وَحُسَيْنٌ هَذَا عَلَى عَاتِقِهِ وَهَذَا عَلَى عَاتِقِهِ ، وَهُوَ يَلْثِمُ هَذَا مَرَّةً وَيَلْثِمُ هَذَا مَرَّةٌ ، حَتَّى انْتَهَى إِلَيْنَا ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّكَ لَتُحِبُّهُمَا ، فَقَالَ: ‌‌«مَنْ أَحَبَّهُمَا فَقَدْ أَحَبَّنِي وَمَنْ أَبْغَضَهُمَا فَقَدْ أَبْغَضَنِي»
২৪ - আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ—অর্থাৎ ইবনে দীনার আল-ওয়াসিতি—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর ইবনে ইয়াস থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে মাসউদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন এমতাবস্থায় যে, তাঁর সাথে হাসান ও হুসাইন ছিল; একজন এই কাঁধে এবং অন্যজন ঐ কাঁধে। তিনি একে একবার এবং ওকে একবার চুম্বন করছিলেন, যতক্ষণ না তিনি আমাদের নিকট পৌঁছালেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনি তো তাঁদের দুজনকে অনেক ভালোবাসেন! তিনি বললেন: «যে ব্যক্তি তাঁদের দুজনকে ভালোবাসল, সে মূলত আমাকেই ভালোবাসল; আর যে ব্যক্তি তাঁদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করল, সে মূলত আমার প্রতিই বিদ্বেষ পোষণ করল»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
25 - أنبا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْجَرَّاحِيُّ ، نا بِشْرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمُقْرِئُ ، نا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ السَّوَّاقُ ، نا عُمَرُ بْنُ رَاشِدٍ الْحَارِثِيُّ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ صَالِحٍ مَوْلَى التَّوْأَمَةِ ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ، يَقُولُ: ‌‌«مَنْ لَمْ يُحِبَّ الْعَبَّاسَ بْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَأَهْلَ بَيْتِهِ فَقَدْ بَرِئَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ مِنْهُ»
২৫ - বিচারক আবুল হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী আল-জাররাহী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বিশর বিন আব্দুল আযীয আল-মুক্বরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী বিন আহমাদ আস-সাওওয়াক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উমার বিন রাশিদ আল-হারিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন সালিহ (আত-তাওআমাহর আযাদকৃত গোলাম) থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আমর বিন দীনার থেকে, তিনি জাবির বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব এবং তাঁর আহলে বায়তকে (পরিবারবর্গকে) ভালোবাসবে না, নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তার থেকে দায়মুক্ত (সম্পর্ক ছিন্নকারী)»
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
26 - ثنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ ، نا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ دَنُوقَا ، نا عَمَّارُ بْنُ مُسْلِمٍ ، نا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى ، عَنْ صُهَيْبٍ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: "‌‌ إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ ، نَادَى مُنَادٍ: يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ إِنَّ لَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ مَوْعِدًا يُرِيدُ أَنْ يُنْجِزَكُمُوهُ ، قَالَ: فَيَقُولُونَ: وَمَا هُوَ أَلَمْ يُبَيِّضْ وُجُوهَنَا؟ أَلَمْ يُثَقِّلْ مَوَازِينَنَا؟ أَلَمْ يُجِرْنَا مِنَ النَّارِ؟ أَلَمْ يُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ؟ قَالَ: فَيُكْشَفُ لَهُمُ الْحِجَابُ فَيَنْظُرُونَ إِلَيْهِ "

أنبا أَبُو الْقَاسِمِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ جَعْفَرٍ الْخَرَقِيُّ الْمُقْرِئُ ، أنا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ ، ثنا أَبُو تَقِيٍّ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْحِمْصِيُّ ، نا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَدْهَمَ ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلانَ ، قَالَ: قَالَ إِبْلِيسُ لَعَنَهُ اللَّهُ: لَيْسَ شَيْءٌ أَشَدَّ عَلَيَّ مِنْ عَالِمٍ حَلِيمٍ إِنْ تَكَلَّمَ بِعِلْمٍ ، وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ بِحِلْمٍ.

قَالَ: وَيَقُولُ إِبْلِيسُ لَعَنَهُ اللَّهُ: إِذَا تَكَلَّمَ فَكَلامُهُ أَشَدُّ عَلَيَّ مِنْ سُكُوتِهِ.

قَالَ بَقِيَّةُ: مِنْ حَيْثُ رَجَا الرِّبْحَ دَخَلَ عَلَيْهِ الْخُسْرَانُ.
২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবনে আলী আত-তামীমী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম ইবনে আব্দুর রাহমান ইবনে দানুকা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আম্মার ইবনে মুসলিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আব্দুর রাহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, আর তিনি সুহাইব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "‌‌ যখন জান্নাতিরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে, তখন একজন ঘোষণাকারী আহ্বান করবেন: হে জান্নাতবাসী! আল্লাহর নিকট তোমাদের জন্য একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি তোমাদের জন্য পূর্ণ করতে চান। তারা বলবে: সেটি কী? তিনি কি আমাদের চেহারাগুলো উজ্জ্বল করেননি? তিনি কি আমাদের পাল্লাসমূহ ভারী করে দেননি? তিনি কি আমাদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? তিনি কি আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাননি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: অতঃপর তাদের সামনে থেকে পর্দা উন্মোচন করা হবে এবং তারা তাঁর দিকে তাকাবে।"

আমাদের অবহিত করেছেন আবুল কাসিম ইবরাহীম ইবনে আহমাদ ইবনে জাফর আল-খারাকী আল-মুকরি, আমাদের অবহিত করেছেন জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাকি হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক আল-হিমসি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালীদ, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনে আদহাম, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আজলান, তিনি বলেন: ইবলিস—তার ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক—বলেছে: একজন ধৈর্যশীল জ্ঞানীর চেয়ে কঠিনতর আমার ওপর অন্য কেউ নেই; তিনি কথা বললে জ্ঞানের সাথে কথা বলেন, আর চুপ থাকলে ধৈর্য ও গাম্ভীর্যের সাথে চুপ থাকেন।

তিনি বলেন: এবং ইবলিস—তার ওপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক—বলে: তিনি যখন কথা বলেন, তখন তার কথা আমার জন্য তার চুপ থাকার চেয়েও বেশি কঠিন মনে হয়।

বাকিয়্যাহ বলেন: যেখান থেকে সে (শয়তান) লাভের আশা করেছিল, সেখান থেকেই তার ওপর লোকসান প্রবেশ করল।
(খণ্ড: ١) মজলিসানি মিন আমালিল জাওহারী_১ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
27 - أنبا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الزَّيَّاتُ ، نا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْجَوْهَرِيُّ ، حَدَّثَنِي أَبُو يَعْلَى زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى الْمُقْرِئُ ، نا الأَصْمَعِيُّ، نا سُفْيَانُ ، قَالَ: كَانَ يُقَالُ:‌‌ الْمُؤْمِنُ لا يَكُونُ مُؤْمِنًا حَتَّى يَطُولَ صَمْتُهُ وَيَحْسُنَ لَفْظُهُ وَيَقِلَّ كَذِبُهُ وَيَخْلُصَ وَرَعُهُ

أنبا أَبُو عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ حَيُّوَيْهِ الْخَزَّازُ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفِ بْنِ الْمَرْزُبَانِ ، نا قَاسِمُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ ، نا أَبُو عَمْرٍو الْبَاهِلِيُّ ، نا مُحَمَّدُ بْنُ حُرَيْثٍ ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِلأَحْنَفِ: مَا الْمُرُوءَةُ؟ قَالَ: أَنْ
২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন আলী আয-যায়্যাত, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আব্দুল আজিজ আল-জাওহারী, আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া আল-মুক্বরি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসমাঈ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি বলেন: বলা হতো: একজন মুমিন ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারে না, যতক্ষণ না তার নীরবতা দীর্ঘ হয়, তার কথা বলা সুন্দর হয়, তার মিথ্যা বলা কমে যায় এবং তার পরহেযগারী খাঁটি হয়।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু উমর মুহাম্মদ বিন আব্বাস বিন হাইয়ুওয়াইহ আল-খাযযায, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন খালাফ বিন আল-মারযুবান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাসিম বিন আল-হাসান আল-মারওয়াযী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আল-বাহিলী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন হুরাইস, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আল-আহনাফকে জিজ্ঞেস করলেন: মনুষ্যত্ব কী? তিনি বললেন: তা হলো এই যে